৭ শাওয়াল ১৪৪১ , ঢাকা, শনিবার, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৬ জুন , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

  
Share Button
   উপসম্পাদকীয়
৫ প্রস্তাবে বাংলাদেশে সংকট : দুর্ভিক্ষ আসন্ন
  তারিখ: 27 - 09 - 2017

৩২ হাজার টন পচা চাল বিক্রির চেষ্টায় দেশ বিরোধীচক্র। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ নির্মাণের পরিবর্তে তারা যেন নিজেদের আখের গোছানোর রাস্তায় হাঁটা শুরু করেছে। আর তারই ধারাবাহিকতায় থাইল্যান্ড থেকে সরকারিভাবে আমদানি করা ৩২ হাজার ১৪০ টন চাল খাওয়ার অনুপযোগী হওয়ায় সরকার তা গ্রহণ না করলেও এই চাল চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রির চেষ্টা চালাচ্ছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় চাল গ্রহণ না করে ফেরত নেয়ার জন্য দাপ্তরিক আদেশ দিলেও নষ্ট চালবোঝাই দুটি জাহাজ দুই সপ্তাহ ধরে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গরে অবস্থান করছে। অবশ্য সরকারেরই একটা মহলের যোগাসাজশে সেখান থেকে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে জাহাজ সংশ্লিষ্টরা।
থাইল্যান্ড থেকে আমদানি করা ৩২ হাজার ১৪০ টন চাল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসে দুই সপ্তাহ আগে। এর মধ্যে এমভি থাই বিন বে নামের একটি জাহাজ ১২ হাজার ২৯০ টন চাল নিয়ে ৩১ আগস্ট এবং এমভি ডায়মন্ড-এ নামের অপর চালবাহী জাহাজ আসে ১ সেপ্টেম্বর। এতে ১৯ হাজার ৮৫০ টন চাল রয়েছে। কিন্তু চালগুলো খালাসের আগে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা গেছে, দরপত্রের শর্তের চেয়ে বেশি পরিমাণ মরা, বিনষ্ট ও বিবর্ণ দানা রয়েছে। ফলে তা খাওয়ার অনুপযোগ ঘোষণা করে ফেরত নিতে বলা হয়। কিন্তু তাকে কি যায় আসে! জাহাজে থাকা চালের মধ্যে মরা, নষ্ট ও বিবর্ণ দানার পরিমাণ ১৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ। অন্য জাহাজের চালের দানায় এর পরিমাণ পাওয়া যায় ১৭ শতাংশ। সরকারের আমদানির দরপত্র চুক্তির শর্ত অনুযায়ী মরা, বিনষ্ট ও বিবর্ণ দানার গ্রহণযোগ্য সীমা ৩ শতাংশ। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে খাদ্য বিভাগের চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, একটি জাহাজে যত চাল আনা হবে, তার মধ্যে নমুনায় যদি ৪ শতাংশ পর্যন্ত মরা, বিনষ্ট ও বিবর্ণ দানা পাওয়া যায়, তবে জরিমানা আদায় করে তা গ্রহণ করতে পারবে খাদ্য বিভাগ। কিন্তু দুটি জাহাজে আনা চালে ১৭ শতাংশ পর্যন্ত নষ্ট থাকায় জরিমানা করেও গ্রহণ করার সুযোগ নেই। বিবর্ণ দানার পরিমাণ বেশি হলেও এই চাল খাওয়ার উপযোগী। কিন্তু খাদ্য বিভাগ চালগুলো গ্রহণ না করায় এই চাল ফেরত না নিয়ে লোকসান এড়াতে চট্টগ্রামের বহির্নোঙর থেকে দেশি-বিদেশি ক্রেতার কাছে বিক্রির চেষ্টা করছে সিঙ্গাপুর ভিত্তিক চাল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটি। এই কারণে এখনো বন্দরের বহির্নোঙরে জাহাজ দুটি নোঙর করে রাখা হয়েছে। এদিকে কয়েকদিন ধরে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ভিত্তিক কয়েকটি চাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে চাল নিয়ে অপেক্ষমাণ জাহাজ সংশ্লিষ্টরা। তারা ব্যবসায়ীদের কাছে এই ৩২ হাজার টন চাল অত্যন্ত কম মূল্যে বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে। তবে সরকার খাওয়ার অনুপযোগী উল্লেখ করে চালবাহী জাহাজকে দুটিকে ফেরত যাওয়ার নির্দেশ দেয়ার বিষয়টি ব্যবসায়ীরা জেনে যাওয়ার পর এই চাল বিক্রির রাস্তা তৈরির চেষ্টা চলছে। হাওরে বন্যার কারণে চালের সংকট দেখা দেয়ায় সরকার থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশ থেকে চাল আমদানি শুরু করে। ১৩ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি খাতে আমদানি করা চালবাহী ১৬টি জাহাজ বন্দরে এসেছে। এসব জাহাজে আনা হয়েছে তিন লাখ ৬৪ হাজার টন চাল। এর মধ্যে খাওয়ার অনুপযোগী চালবাহী জাহাজ দুটিও রয়েছে। সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তার কারনে এই দেশে পঁচা চাল আসার রাস্তা পেয়েছে; শুধু এখানেই শেষ নয়; অবারিত অন্ধকারের মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দমন-পীড়নের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ত্রাণ ও পুনর্বাসনে ছয় মাসে প্রায় ২০ কোটি ডলারের প্রয়োজন হবে জানিয়েছে জাতিসংঘ। এই সুযোগে গড়ে তোলা হয়েছে পঁচা চাল খাওয়ানোর চেষ্টা। অতিত ইতিহাস বলে যে, পঁচা গম বাংলাদেশে এনে বলা হয়েছে ‘ দেখতে কালো, কিন্তু আসলে ভালো।’ আর খাদ্যমন্ত্রী এই কথা বলেই সেই পঁচা গম মানুষকে খেতে বাধ্য করেছে।
যখন আমাদের কানে আসরেছ যে, জানোয়ারসম মিয়ানমার সেনাবাহিনী গ্রামে ঢুকে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে মানুষ মারছে, ঘরের ভেতরে আটকে রেখে কীভাবে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে, লুটপাট চালিয়ে কীভাবে গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে। চার সপ্তাহে ৪ লাখ ২২ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে, যাদের অনেকেই সীমান্ত পার হয়েছেন গুলির বা পোড়া জখম নিয়ে। বাংলাদেশ আগে থেকেই ৪ লাখের বেশি শরণার্থীর ভার বহন করে আসছে। নতুন করে বিপুলসংখ্যক এই শরণার্থীর জন্য ত্রাণ ও পুনর্বাসন চালাতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ও সাহায্য সংস্থাগুলো। যখন জানতে পেরেছি যে, বাংলাদেশে ছয় মাসে এসব শরণার্থীর সহায়তায় ৩০ কোটি ডলারের প্রয়োজন হবে। মিয়ানমার প্রবেশাধিকার সীমাবদ্ধ দিলেও রাখাইন রাজ্যেও মানবিক সংকট সৃষ্টি হচ্ছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত, রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’। সংকট নিরসনে ট্রাম্প তার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের রোহিঙ্গাদের ওপর চলমান নির্যাতন বন্ধের উপায় খুঁজে বের করতে বলেছেন। মিয়ানমারের কর্মকর্তাদের কে থামাতে পারবে, সবাই এটা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। যখন যুক্তরাষ্ট্রের এক মন্ত্রী রাখাইনে নিপীড়নের ঘটনা তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আহ্বান জানিয়েছেন। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক হ্রাস করার কথা বলেছেন আরেক কর্মকর্তা। যখন রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র নড়াচড়া শুরু করেছে। সৌদি আরবও রাখাইনে হত্যাযজ্ঞ বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে চাপ দেয়ার দাবি জানিয়েছে। তখন পঁচা চাল আর চালের দাম বৃদ্ধির রাজনীতিতে বড্ড ক্লান্ত বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ। হঠাৎ করে ৩০ টাকার চাল ৭০-৭৫ টাকায় চলে যাওয়ায় অত্যন্ত হতাশাগ্রস্থ তারা। তার উপর আবার দূর্ভিক্ষের আশঙ্কাও চলছে বাংলাদেশে।
এপি, টাইম ম্যাগাজিন, ওয়াশিংটন পোস্ট ও আরব নিউজের প্রথম পাতায় উঠে আসছে খবর জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের বলেছেন, মিয়ানমার নিয়ে আমরা শুধু সুচিকেই চাপ দিচ্ছি না, সামরিক বাহিনীকেও দিচ্ছি। তিনি বলেন, ‘বার্মার কর্তাদের কে বোঝাতে সক্ষম তা বের করার চেষ্টা করছেন সবাই। প্রায় ৫ লাখ লোক দেশ ছেড়েছে এবং যে ট্র্যাজেডি ও নিপীড়ন সেখানে হচ্ছে তা হজম করা যায় না।’ গণমাধ্যমকে হ্যালি বলেন, ট্রাম্পের উদ্বেগের কথা জানাতে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচির সঙ্গে কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন। যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান মেরিন জেনারেল জোসেফ ডানফোর্ড মিয়ানমারের সামরিক নেতাদের এই নির্যাতন বন্ধের আহবান জানিয়েছেন। বুধবার এ নির্যাতন বন্ধে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে শক্ত ও দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স। তিনি রাখাইন পরিস্থিতিকে ‘বড় ট্র্যাজেডি’ এবং ‘মানবাধিকারের ওপর হৃদয়বিদারক আঘাত’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি রোহিঙ্গাদের এই প্রয়োজনের মুহূর্তে তাদের সাহায্য এবং তাদের মধ্যে আশার সঞ্চার করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি আরো শোনা যাচ্ছে যে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্ক হ্রাসের কথা ভাবছে ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউসের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা টাইম ম্যাগাজিনকে এ তথ্য জানিয়েছেন। জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের মুখপাত্র বলেছেন, ‘বার্মার সেনাবাহিনী যদি আইনের শাসন মেনে কাজ না করে এবং সহিংসতা ও বাস্তুচ্যুত করা বন্ধ না করে তবে তাদের সঙ্গে কাজ করে যাওয়াটা কঠিন হবে।’ ওই মুখপাত্র অবিলম্বে সেনা সহিংসতা বন্ধের দাবি জানান। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে আনুষ্ঠানিক সহযোগিতা দেয়া, তাদের কাছে অস্ত্রশস্ত্র বিক্রি এবং প্রশিক্ষণ দেয়ার ওপর এখনও নিষেধাজ্ঞা আছে। তবে ওই মুখপাত্র জানান, দুটো দেশের মধ্যে সম্পর্ক বিকশিত হওয়ার পথে ছিল। সংকটাপন্ন দেশ হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে ভাষণ দেয়ার সময় আমাদের চালের মূল্য বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক তারুল্য বা খাদ্য সমস্যা নিয়ে কথা না বলে পাঁচ প্রস্তাব দিয়ে বলেছেন- অবিলম্বে এবং চিরতরে মিয়ানমারে ‘জাতিগত নিধন’ বন্ধ করা, জাতিসংঘের অনুসন্ধানী দল পাঠানো, মিয়ানমারে সেফ জোন গড়ে তোলা, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা, কফি আনান কমিশনের সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়ন, বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় ৩ দফা প্রস্তাব।
নতুন প্রজন্মের পক্ষ থেকে এমন একটি প্রক্রিয়াকে সাধুবাদ জানাই। সাধুবাদ জানাই তিনি জাতিসংঘের মত স্থানে দাঁড়িয়ে রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধানে কথা বলেছেন এজন্য। আরো অ-নে-ক শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার আসনে নিজেকে তিনি নিয়ে যেতে পারতেন, যদি একবারের জন্যের দেশের আপামর জনসাধারণের সামর্থ্যরে বাইরে চালের দাম চলে গেছে এই রোহিঙ্গা আর বন্যার কারণে; সেই কথাটি যদি বলতেন। আশা করি তিনি নোবেল পান না পান, নিজের ভুল বুঝতে পারবেন এবং অনতিবিলম্বে ভর্তুকি দিয়ে হলেও চালের দাম কমানোর উদ্যোগ নেবেন। পাশাপাশি আইনমন্ত্রণালয়ে থাকাকালিন সময়ে অন্ধকারের বাসিন্দা হওয়ায় ওই মন্ত্রণালয় পরিবর্তন করে এখন খাদ্যমন্ত্রী বানানো নূন্যতম মেধাহীন ব্যক্তিটিকে বুঝিয়ে দেবেন; অথবা বহিষ্কার করবেন। যাতে করে নতুন করে আমাদের আর পঁচা চাল বা গম খেতে না হয়। বাংলাদেশের মেহেনতি মানুষের জয় হোক; বিজয় বাংলাদেশ ।





         
   আপনার মতামত দিন
     উপসম্পাদকীয়
জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও পরিবেশের ক্ষতির কারণে তামাক টেকসই উন্নয়নের অন্তরায়
.............................................................................................
কৃষির পাশাপাশি শিল্প উন্নয়ন এবং কৃষক ফেডারেশনকথা
.............................................................................................
কৃষির পাশাপাশি শিল্প উন্নয়ন এবং কৃষক ফেডারেশনকথা
.............................................................................................
ঈদ এবং মাদক... ওরা বানায় : আমরা সেবন করি
.............................................................................................
নুসরাত কেন চলে যাবে...
.............................................................................................
এই দেশের সড়কে কে নিরাপদ?
.............................................................................................
রাজনীতির হঠাৎ হাওয়ার চমক
.............................................................................................
রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে
.............................................................................................
ওজোনস্তরের নতুন দুঃসংবাদ
.............................................................................................
বিজ্ঞান গবেষণা ও বাংলাদেশ
.............................................................................................
বিশ্ব আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার চাই
.............................................................................................
চীনা ‘ইউয়ান’, ভারতীয় ‘রুপী’, তুর্কী ‘লিরা’ সবার দাম কমছে
.............................................................................................
এখনো নিয়মিত মৃত্যু সড়কে কে দায় নেবে
.............................................................................................
মাঠের লড়াইয়ে লক্ষ্য হোক জয়
.............................................................................................
একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আশায়
.............................................................................................
আর কত রক্ত ঝড়বে জাতির বিবেকের?
.............................................................................................
হুমকিতে নয়, আলোচনায়ই সমাধান
.............................................................................................
বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব বাংলা নববর্ষ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস, পরীক্ষা বাতিল এবং অবিচার...
.............................................................................................
ভাষাশ্রদ্ধায় আসুন উচ্চারণ করি ‘বিজয় বাংলাদেশ’
.............................................................................................
চার বছরের উন্নয়ন অগ্রগতি ধারাবাহিকতা রক্ষা করাই বড় চ্যালেঞ্জ
.............................................................................................
শিক্ষা ধ্বংসে বইয়ের বোঝা-সৃজনশীল এবং ফাঁসতন্ত্র
.............................................................................................
প্রশ্নফাঁস আর কোচিংবাণিজ্যে শিক্ষার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁসের দায় কে নেবে?
.............................................................................................
মায়ের ভাষার অবহেলা কেন করছি আমরা?
.............................................................................................
সবাই জেগে উঠুক ভেজালের বিরুদ্ধে
.............................................................................................
নির্বাচন কমিশনের কর্মক্ষমতা ও ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস ও শিক্ষার দৈন্যদশা রোধ সম্ভব
.............................................................................................
মশা আর মাছি ধুলার সঙ্গে বেশ আছি!
.............................................................................................
বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ও নিয়ন্ত্রণক্ষমতা বাড়াতে হবে
.............................................................................................
প্যারাডাইস পেপার্স : সারাবিশ্বে সমস্যা ও সমাধান
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর অগ্নিগর্ভ ভাষণ : ইউনেস্কোর স্বীকৃতি
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পূনর্বাসনে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী
.............................................................................................
নিরাপদ পথ দিবস চাই
.............................................................................................
রোহিঙ্গা গণযুদ্ধের সূচনা হোক, স্বাধীন হোক আরকান
.............................................................................................
দর্শনহীন শিক্ষার ফল ব্লু হোয়েল সংস্কৃতি
.............................................................................................
সাবধানে চালাবো গাড়ী, নিরাপদে ফিরবো বাড়ী
.............................................................................................
বন্ধুদেশের ঋণের বোঝা এবং নতুন প্রজন্মের ভাবনা
.............................................................................................
চালে চালবাজী : সংশ্লিষ্টদের চৈতন্যোদয় হোক
.............................................................................................
৫ প্রস্তাবে বাংলাদেশে সংকট : দুর্ভিক্ষ আসন্ন
.............................................................................................
ভুখা মানুষের স্বার্থে সরকারকে কঠোর হতে হবে
.............................................................................................
রোহিঙ্গা তরুণের চিঠি এবং আমাদের করণীয়
.............................................................................................
ষোড়শ সংশোধনী বাতিল প্রসঙ্গে অনেকের অভিমত
.............................................................................................
তরুন প্রজন্মের সৈনিকেরা জেগে উঠলে কোন অপশক্তিই বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথ রুদ্ধ করতে পারবে না
.............................................................................................
আদর্শ সংবাদ ও সাংবাদিকতা
.............................................................................................
নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাহসী হতে হবে
.............................................................................................
পাবনা বইমেলা সাহিত্যকে সম্মৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে
.............................................................................................
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো...
.............................................................................................
ক্ষণজন্মা কিংবদন্তী মাদার বখশ
.............................................................................................
গ্রামীণ মানুষের সম্পদ বাড়ছে না, ঋণ বাড়ছে
.............................................................................................
Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale
Digital Load Cell
Digital Indicator
Digital Score Board
Junction Box | Chequer Plate | Girder
Digital Scale | Digital Floor Scale

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD