১২ শাওয়াল ১৪৪১ , ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৫ জুন , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

  
Share Button
   উপসম্পাদকীয়
বন্ধুদেশের ঋণের বোঝা এবং নতুন প্রজন্মের ভাবনা
  তারিখ: 07 - 10 - 2017

স্বাধীনতা-স্বাধীকার আন্দোলন থেকে শুরু করে আজ অবধি নিরবধি বাংলাদেশের রাজনীতি-শিক্ষা-সাহিত্য-সাংস্কৃতিক-অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক কর্মকান্ডে নিরন্তর পাশে থেকেছে ভারত। সেই সুবাদে ভালো-মন্দে বাংলাদেশে সাহায্য-সহযোগিতার হাত বরাবরই বাড়িয়ে দিয়েছে। বন্ধু দেশ বলে যে কথাটি সারাবিশ্ব জানে, সে কথাটির কারনে নিবেদিত থেকেছে বাংলাদেশ ৪৭ বছর ধরে। কিন্তু এখন নানা শর্তের বেড়াজালে ভারতের তৃতীয় ঋণের ৪৫০ কোটি ডলার অর্থাৎ ৩৬ হাজার কোটি টাকা। এই অর্থে বাস্তবায়িতব্য প্রকল্প ব্যয় বেড়ে যাবে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নও হবে বিলম্বিত। শুধু তা-ই নয়, পরোক্ষভাবে ঋণের সুদের হারও বেড়ে যাবে বলে আশঙ্কা অর্থনীতিবিদদের। তাদের মতে, এর আগে নেয়া বিভিন্ন দেশের ঋণের তুলনায় এ ঋণে শর্ত বেশি এবং পরিশোধের সময়সীমাও কম। পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে স্বস্তিকরও নয়। ভারত থেকে লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি) আওতায় নেয়া আগের দুটি ঋণের (তিনশ’ কোটি ডলার) সার্বিক কার্যক্রম সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করে থাকলে পুনরায় একই ধরনের ঋণ নেয়ার প্রয়োজন ছিল না। কারণ সেটি ইতিবাচক ছিল না। ২০১৬ সালে চুক্তি হওয়া দ্বিতীয় ঋণের ২০০ কোটি ডলার এখনও ছাড় হয়নি। আর প্রথম ঋণের ১০০ কোটি ডলারের মধ্যে সাত বছরে ছাড় হয়েছে প্রায় ৩৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার। ইআরডি বা ইকোনমিক রিলেশন্স ডিভিশন-এর তথ্যানুযায়ী- তৃতীয় ঋণের অর্থে ১৭টি প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে। আর পর্যায়ক্রমে প্রকল্পভিত্তিক ঋণ চুক্তি হবে। অর্থছাড় হবে এরপর। তৃতীয় ধাপের ঋণের শর্ত আগের দুটির মতোই হবে। এর মধ্যে বাস্তবায়িতব্য সরবরাহ প্রকল্পের (সাপ্লাই প্রজেক্ট) ৭৫ ভাগ পণ্য অবশ্যই ভারত থেকে আমদানি করতে হবে। পাশাপাশি প্রকল্পের সেবাও (পরামর্শক নিয়োগ) নিতে হবে সেই দেশ থেকে। এছাড়া ভৌত অবকাঠামো প্রকল্পের ৬৫ ভাগ পণ্য কিনতে হবে ভারত থেকে। প্রকল্পের অবশিষ্ট পণ্য ভারতের বাইরে বিশ্বের অন্য যে কোনো দেশ থেকে আমদানি করা যাবে। নতুন ঋণের সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১ শতাংশ, দন্ড সুদ পেনাল সুদ ২ শতাংশ ও প্রতিশ্রুতি ফি শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। এছাড়া বাস্তবায়িতব্য প্রকল্পে ভারতের ঠিকাদার নিয়োগের শর্ত রয়েছে। আর প্রকল্পগুলোর জন্য জমি অধিগ্রহণ, দরপত্র প্রণয়ন, প্রকল্পের নকশা তৈরি এবং দরপত্র চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া ভারতের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয় করে নিতে হবে। এ ঋণ পরিশোধের মেয়াদ হবে ২০ বছর। তবে গ্রেস পিরিয়ড রেয়াতকাল হবে আরও পাঁচ বছর। ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি তিন দিনের ঢাকা সফরকালে লাইন অব ক্রেডিট (এলওসি) আওতায় ৪৫০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণদানে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি হয়।

নতুন প্রজন্মের রাজনীতি-শিক্ষা-সাহিত্য-সাংস্কৃতিক-অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক কর্মী হিসেবে বরাবরই বিভিন্ন বিষয়ে আমি কথা বলেছি, সঙ্কটে-সমস্যায় অগ্রণি ভূমিকা রেখেছি; আজও তার ব্যতিক্রম নয়; শাদাকে শাদা, কালোকে কালো বলার ম করে বলতে চাই যে, এ ঋণের অর্থে বাস্তবায়িতব্য প্রকল্পের পণ্যের ৭৫ শতাংশই কিনতে হবে ভারত থেকে। সেক্ষেত্রে তাদের নির্ধারিত মূল্যেই পণ্য কিনতে হবে। যে কারণে এ ধরনের ঋণের সুদের হার কম থাকলেও পণ্যের দাম বেশি চার্জ করা হয়। এতে সুদের হার পরোক্ষভাবে বেশি হয়। এ ঋণ নেয়ার কোনো প্রয়োজন ছিল না। কারণ দেশে বৈদেশিক মুদ্রার কোনো ঘাটতি নেই। ভারত থেকে নেয়া আগের দুটি ঋণও ব্যবহার করতে পারিনি। পাইপলাইনে অনেক ঋণের প্রতিশ্রুতির পাহাড় জমে আছে।
অতিতে যা হয়েছে আর না হয়েছে, এবার কিন্তু তাদের ঋণ বরশি হয়ে গলায় আটকে যাবে; যদিও বলা হচ্ছে যে, ভারত পণ্যের দাম বাড়াতে পারবে না। কেননা সেখানে বিভিন্ন কোম্পানির মধ্যে দরপত্রে প্রতিযোগিতা হবে। মান ও দাম যাচাই করেই কেনাকাটা করা হবে। তিনি আরও বলেন, শর্তের চেয়ে বেশি পণ্য বা সেবা অন্য কোনো দেশ থেকে কেনার প্রয়োজন হলে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার ভিত্তিতে তা নির্ধারণের সুযোগ আছে। তবে বাস্তবতা বলছে- লাইন অব ক্রেডিটের অর্থ হল, এই ঋণের অর্থ খরচ করবে বাংলাদেশ, তবে তা বিশেষ কিছু শর্তের আওতায়। বিশেষ কিছু প্রকল্পেই কেবল এ অর্থ ব্যয় করা যাবে এবং সেই ব্যয়ের সিংহভাগই ঋণদাতা দেশের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে করতে হবে। বিশেষ করে বললে বলা যায়- বিদ্যুৎ খাতে অবকাঠামো ও মানব উন্নয়নে বেশ কিছু প্রকল্পে ঋণের অর্থ ব্যয় হবে। কিন্তু শর্তের ক্ষেত্রে কতটুকু নেগোসিয়েট (দরকষাকষি) করতে পারছে সরকার, সেটি দেখার বিষয়। চীন, ভারত ও রাশিয়া থেকে সম্প্রতি নেয়া ঋণের শর্ত অনেক বেশি। এমনকি পরিশোধের সময়ও কম এবং স্বস্তিকর নয়। এক্ষেত্রে আগে বিভিন্ন দেশ বা সংস্থা থেকে নেয়া ঋণের শর্ত ছিল তুলনামূলক কম। ফলে আগের প্রকল্পের তুলনায় ঋণভারও বেশি হবে। ঋণ হবে ব্যয়বহুল। সরকারের উচিত হবে ঋণের নানা শর্ত নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে কমিয়ে আনা। প্রকল্পের পণ্য কেনাকাটার ক্ষেত্রে যতটুকু সম্ভব স্বস্তিদায়ক অবস্থায় রাখা। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যের সামঞ্জস্য রেখে পণ্য কিনতে হবে। প্রয়োজনে দরপত্র দিয়ে কেনাকাটা করতে হবে। এক্ষেত্রে পণ্য সরবরাহকারী যেন একক কোম্পানি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। নতুন প্রজন্মের চোখে বাংলাদেশের রাস্তা-ঘাট-ব্রীজ-কালভার্ট দেখে যেমন নিরন্তর সংস্কারের কথা বলি; এবার ঋণের জাল দেখে বলতে বাধ্য হচ্ছি- একই শর্তে আগে নেয়া দুটি ঋণের বাস্তবায়নের অগ্রগতি ভালো নয়। এরপরও নতুন ঋণ নেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা ঠিক দ্বিতীয় ঋণ চুক্তির আওতায় টাকা ছাড় হয়নি। নতুন ঋণের অর্থ দ্রুত ছাড় দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে প্রকিউরমেন্ট শুধু ভারত নয়, আন্তর্জাতিক বিডিংয়ের মাধ্যমে কেনা যায়, তা নিয়ে সরকার আলোচনায় এগিয়ে যেতে হবে।
২০১০ সালের ঋণের ইতিহাস বলছে- জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফর করেন। ওই সময় ১১ জানুয়ারি ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরদিন ১২ জানুয়ারি ঘোষণা দেয়া হয় ৫০ দফা ইশতেহার। সেখানে বাংলাদেশকে লাইন অব ক্রেডিট (এলওসি) আওতায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় ভারত সরকার। এ ঋণের ব্যাপারে একই বছরের ৭ আগস্ট ভারতের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের চুক্তি স্বাক্ষর হয়। পরে এই ১০০ কোটি ডলারের মধ্যে ২০ কোটি ডলার অনুদান দেয়ার ঘোষণা দেন ভারতের তৎকালীন অর্থমন্ত্রী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি। ওই ঋণের অর্থ দিয়ে ১৫টি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। সর্বশেষ তথ্যমতে, ১২টি প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। বড় তিন প্রকল্পই বাস্তবায়ন হয়নি। এসব প্রকল্পে গত সাত বছরে ঋণের অর্থ ছাড় হয়েছে ৩৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার। এখনও ৬২ কোটি ৪০ লাখ ডলার ছাড় করার বাকি রয়েছে। একই সাথে এই কথাও মনে রাখতে হবে- ২০১৫ সালের জুনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরকালে ২০০ কোটি ডলার ঋণের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়। এরপর ২০১৬ সালের ৯ মার্চ উভয় দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এলওসির এ ঋণের আওতায় ১৪টি প্রকল্পের ১২টিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে ভারত। তবে প্রকল্পগুলোর মাঠ পর্যায়ের কাজ এখনও শুরু হয়নি।
চরম বাস্তবতা হলো- লোভে পড়ে হোক আর সুযোগ গড়ে হোক এবার ভারতের এই তৃতীয় ঋণে অনেক শর্ত আছে। উভয় দেশ একটি প্রকল্পে সব শর্তে একমত হওয়া দীর্ঘ প্রক্রিয়া এবং কঠিন। বাংলাদেশ একটি শর্ত দিলে ভারত রাজি না-ও হতে পারে। একইভাবে ঘটতে পারে ভারতের ক্ষেত্রেও। একই শর্তে ভারতের সঙ্গে আগেও দুটি চুক্তি হয়েছে। দুটি ঋণের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করলে তৃতীয় চুক্তির অবস্থা একই হবে। তবে এ চুক্তির ফলে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা যাবে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অনেক দীর্ঘস্থায়ী হবে। তিনি এই ঋণের কাজগুলো যেন আন্তর্জাতিকমানের হয়, সেদিকে খেয়াল রাখার পাশাপাশি সতর্ক থাকতে হবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী-অর্থমন্ত্রী-বাণিজ্যমন্ত্রী-খাদ্যমন্ত্রী-শিল্পমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রীর সাথে সচেতন নাগরিকদেরকে। যাতে বর্গী এসে সব সফলতা খেয়ে যেতে না পারে। যেন আমরা না হয়ে যাই তলাবিহীন ঝুড়ি আবারো। আমাদেরকে যে কোন কাজ যৌক্তিভাবে বাগে আনার লক্ষ্য থেকে কাজ করতে হবে। আর তাই তৃতীয় ঋণের শর্ত কমানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে নিগোসিয়েশনের সুযোগ থাকবে কিনা জেনেশুনে শর্ত দেখেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করা হয়েছে বলা হলেও একথা সত্য যে, নতুন করে সেই সুযোগ আর থাকছে না। এই বিষয়টি যেমন মনে রাখতে হবে, তেমনি মনে রাখতে হবে যে- যদি আগামীতে এমন পদক্ষেপ নেয়ার সময় আসে সবার আগে তখন স্বার্থ-বাংলাদেশের ও দেশের মানুষের স্বার্থের কথা ভেবে পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়টি ভাবার আহবান থাকলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্থান থেকে শুরু করে সর্বনিন্ম স্থানে নিবেদিত থাকা প্রতিটি মানুষের।
বাংলাদেশে স্বাধীনতার স্বপক্ষের রাজনীতি-শিক্ষা-সাহিত্য-সাংস্কৃতিক-অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক কর্মী হিসেবে বলবো- ভারতের সঙ্গে সর্বশেষ সাড়ে চারশ’ কোটি ডলার বা ৩৬ হাজার কোটি টাকার যে ঋণচুক্তি (লাইন অব ক্রেডিট বা এলওসি) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ, এ বিষয়ে আমার বক্তব্য হল, এ ঋণের প্রয়োজনীয়তা প্রশ্নসাপেক্ষ। প্রথম কথা হল, বৈদেশিক ঋণ কেন নেয়া হয়? ঋণ নেয়া হয় ফরেন এক্সচেঞ্জের জন্য। কিন্তু আমাদের হাতে তো ৩২ থেকে ৩৩ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রয়েছে। ফরেন এক্সচেঞ্জের জন্য আমাদের আপাতত সমস্যায় পড়তে হচ্ছে না। এ জন্য এখন বৈদেশিক ঋণের প্রয়োজন নেই। তবে ভারতের সঙ্গে এ ঋণচুক্তির একটি ইতিবাচক দিক হল, এতে সুদের হার কম। তারপরও ৭৫ ভাগ কনসালটেন্সি ভারত থেকে নিতে হবে এবং এ ঋণ দিয়ে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর প্রয়োজনীয় মালামালও দেশটি থেকে নেয়ার যে শর্ত রয়েছে তাতে প্রতিযোগিতা না থাকায় পণ্যের মূল্য এবং অন্যান্য ফি আন্তর্জাতিক বাজার থেকে বেশি হবে। এ কারণে ইফেকটিভ বা নামীয় সুদহার বেশি হবে। এর বাইরে যেসব আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে আমরা ঋণ পাই, সেখানে কমিটমেন্ট ও ডিসবার্সমেন্ট হয় না। ফলে অন্য দেশ থেকে এলওসি ধরনের ঋণ নেয়ার চেয়ে সংস্থার ঋণই ভালো। ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে আরেকটা বিষয় হল, আমাদের প্রকল্প বাস্তবায়ন সক্ষমতার অভাব। যেখানে ভারত থেকে নেয়া প্রথম একশ’ কোটি ডলার ঋণের প্রকল্পগুলোর কাজই এখনও শেষ করা সম্ভব হয়নি, দ্বিতীয়বারের দু’শ কোটি ডলার ঋণের প্রকল্পগুলোতে তো হাত দেয়াই সম্ভব হয়নি, সেখানে তৃতীয়বারের মতো ৪৫০ কোটি ডলারের আরেকটি ঋণচুক্তি করে নিজেদের ঋণের বোঝা বাড়ানোর কারণটা একেবারেই পরিষ্কার নয়। এই অস্বচ্ছতার রাস্তায় অগ্রসর হরেত চাই না আমরা। আর তাই ভারত থেকে নেয়া ঋণ, ঋণের শর্ত, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়নে আমাদের সক্ষমতা বিবেচনায় নিলে এ ঋণ নেয়ার প্রয়োজনীয়তা নেই। বরং দেশের প্রায় অর্ধকোটি বেকারকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে আসতে হবে বাংলাদেশের বর্তমানে নতুন প্রজন্মকে। কাজ কাজ আর কাজ যোগান দিতে হবে বাংলাদেশ সরকারকে। আর সেই কাজটি না করে অর্থ ধ্বংশের মহাযজ্ঞে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ; সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাংলাদেশ। যা আমাদের কারোই কাম্য নয়; এই বর্তমান থেকে ক্রমশ উত্তরণের রাস্তা তৈরি করে এগিয়ে যেতে শুধু একটাই কাজ করতে হবে; সেটি হলো- নতুনধারার অঙ্গীকার দুর্নীতি থাকবে না আর...

মোমিন মেহেদী 





         
   আপনার মতামত দিন
     উপসম্পাদকীয়
জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও পরিবেশের ক্ষতির কারণে তামাক টেকসই উন্নয়নের অন্তরায়
.............................................................................................
কৃষির পাশাপাশি শিল্প উন্নয়ন এবং কৃষক ফেডারেশনকথা
.............................................................................................
কৃষির পাশাপাশি শিল্প উন্নয়ন এবং কৃষক ফেডারেশনকথা
.............................................................................................
ঈদ এবং মাদক... ওরা বানায় : আমরা সেবন করি
.............................................................................................
নুসরাত কেন চলে যাবে...
.............................................................................................
এই দেশের সড়কে কে নিরাপদ?
.............................................................................................
রাজনীতির হঠাৎ হাওয়ার চমক
.............................................................................................
রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে
.............................................................................................
ওজোনস্তরের নতুন দুঃসংবাদ
.............................................................................................
বিজ্ঞান গবেষণা ও বাংলাদেশ
.............................................................................................
বিশ্ব আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার চাই
.............................................................................................
চীনা ‘ইউয়ান’, ভারতীয় ‘রুপী’, তুর্কী ‘লিরা’ সবার দাম কমছে
.............................................................................................
এখনো নিয়মিত মৃত্যু সড়কে কে দায় নেবে
.............................................................................................
মাঠের লড়াইয়ে লক্ষ্য হোক জয়
.............................................................................................
একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আশায়
.............................................................................................
আর কত রক্ত ঝড়বে জাতির বিবেকের?
.............................................................................................
হুমকিতে নয়, আলোচনায়ই সমাধান
.............................................................................................
বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব বাংলা নববর্ষ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস, পরীক্ষা বাতিল এবং অবিচার...
.............................................................................................
ভাষাশ্রদ্ধায় আসুন উচ্চারণ করি ‘বিজয় বাংলাদেশ’
.............................................................................................
চার বছরের উন্নয়ন অগ্রগতি ধারাবাহিকতা রক্ষা করাই বড় চ্যালেঞ্জ
.............................................................................................
শিক্ষা ধ্বংসে বইয়ের বোঝা-সৃজনশীল এবং ফাঁসতন্ত্র
.............................................................................................
প্রশ্নফাঁস আর কোচিংবাণিজ্যে শিক্ষার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁসের দায় কে নেবে?
.............................................................................................
মায়ের ভাষার অবহেলা কেন করছি আমরা?
.............................................................................................
সবাই জেগে উঠুক ভেজালের বিরুদ্ধে
.............................................................................................
নির্বাচন কমিশনের কর্মক্ষমতা ও ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস ও শিক্ষার দৈন্যদশা রোধ সম্ভব
.............................................................................................
মশা আর মাছি ধুলার সঙ্গে বেশ আছি!
.............................................................................................
বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ও নিয়ন্ত্রণক্ষমতা বাড়াতে হবে
.............................................................................................
প্যারাডাইস পেপার্স : সারাবিশ্বে সমস্যা ও সমাধান
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর অগ্নিগর্ভ ভাষণ : ইউনেস্কোর স্বীকৃতি
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পূনর্বাসনে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী
.............................................................................................
নিরাপদ পথ দিবস চাই
.............................................................................................
রোহিঙ্গা গণযুদ্ধের সূচনা হোক, স্বাধীন হোক আরকান
.............................................................................................
দর্শনহীন শিক্ষার ফল ব্লু হোয়েল সংস্কৃতি
.............................................................................................
সাবধানে চালাবো গাড়ী, নিরাপদে ফিরবো বাড়ী
.............................................................................................
বন্ধুদেশের ঋণের বোঝা এবং নতুন প্রজন্মের ভাবনা
.............................................................................................
চালে চালবাজী : সংশ্লিষ্টদের চৈতন্যোদয় হোক
.............................................................................................
৫ প্রস্তাবে বাংলাদেশে সংকট : দুর্ভিক্ষ আসন্ন
.............................................................................................
ভুখা মানুষের স্বার্থে সরকারকে কঠোর হতে হবে
.............................................................................................
রোহিঙ্গা তরুণের চিঠি এবং আমাদের করণীয়
.............................................................................................
ষোড়শ সংশোধনী বাতিল প্রসঙ্গে অনেকের অভিমত
.............................................................................................
তরুন প্রজন্মের সৈনিকেরা জেগে উঠলে কোন অপশক্তিই বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথ রুদ্ধ করতে পারবে না
.............................................................................................
আদর্শ সংবাদ ও সাংবাদিকতা
.............................................................................................
নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাহসী হতে হবে
.............................................................................................
পাবনা বইমেলা সাহিত্যকে সম্মৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে
.............................................................................................
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো...
.............................................................................................
ক্ষণজন্মা কিংবদন্তী মাদার বখশ
.............................................................................................
গ্রামীণ মানুষের সম্পদ বাড়ছে না, ঋণ বাড়ছে
.............................................................................................
Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale
Digital Load Cell
Digital Indicator
Digital Score Board
Junction Box | Chequer Plate | Girder
Digital Scale | Digital Floor Scale

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD