৭ শাওয়াল ১৪৪১ , ঢাকা, শনিবার, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৬ জুন , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

  
Share Button
   উপসম্পাদকীয়
রোহিঙ্গা গণযুদ্ধের সূচনা হোক, স্বাধীন হোক আরকান
  তারিখ: 18 - 10 - 2017

ইতিহাস-পরিচয় মুছতে শিক্ষিত রোহিঙ্গা নিধনে নেমেছে ছলে-বলে কৌশলে লোভাতুর রাজত্ব মিয়ানমার। ইতিহাসে জঙ্গলী হিসেবে ব্যাপক পরিচিত মিয়ানমারের সেনাদের নির্যাতনে ইতিমধ্যে প্রায় দশ লক্ষ রোহিঙ্গা পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। গণমাধ্যমের সংবাদ অনুযায়ী প্রতিদিনই মিয়ানমারের এফএম রেডিওতে রোহিঙ্গাদের উদ্দেশে ঘোষণা দেয়া হচ্ছে- টোয়ে মিলং, অর্থাৎ পালিয়ে যাও। এখনো প্রতিদিন দলে দলে আসছে রোহিঙ্গা। তাদের অনেকেই শিক্ষিত। আর এই শিক্ষিত মানুষগুলোকে কোন না কোনভাবে এলাকা ছাড়া করার একটাই কারণ, আর তা হলো- লোভের ষোলকলা পূর্ণ করে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক কৌশলে সম্মৃদ্ধ হওয়া। মানবতা চুলোয় গেলেও অন্যায়ের রাস্তা ধরে মিয়ানমারের এই এগিয়ে চলায় অন্যায় আর অপরাধ দিনরাত এগিয়ে চলছে। হয়তো একারনেই বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শিক্ষিতজনরা বলছেন, রোহিঙ্গাদের ইতিহাস-সংস্কৃতি-পরিচয় মুছে দিতে শিক্ষক, পেশাজীবী, ধর্মীয় নেতাদের খুঁজে খুঁজে বের করে হত্যা করছে মিয়ানমারের বন্য সেনারা। শুধু এখানেই শেষ নয়; আরসা মিয়ানমার সামরিক জান্ত্মার ছায়া সংগঠন হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে দাবি করে তারা বলেছেন, আরসার নাম তারা কখনো শোনেননি। অথচ আরসার ইস্যুতে তৈরি হয়েঠে মিয়ানমারের ধ্বংসযজ্ঞ। এই ধংস শুধুই রোহিঙ্গাদেরকে স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্য থেকে করায় অন্ধকারাচ্ছান্ন নির্মমতায় আজ নিমজ্জিত শত শত, হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ মানুষ সহায়-সম্বলহীন নির্মমতায় আটকে আছে।
মিয়ানমারের বুচিদং টংবাজার হাইস্কুলে অনেক দিন ধরে শিক্ষকতা করেছেন মাস্টার আমিন উল্লাহ। তাঁর মতে, ২৫ আগস্ট মিয়ানমারে সেনা ক্যাম্পে নাটকীয় হামলার পর থেকে আরসার নাম শুনেছেন তারা। আরসার অজুহাতে মিয়ানমার সেনা, পুলিশ, উগ্রপন্থি রাখাইন গোষ্ঠী সম্মিলিতভাবে রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যা, অগ্নিসংযোগ, দমন-নিপীড়ন চালাচ্ছে ২ মাস ধরে। উখিয়া ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়া এই স্কুল শিক্ষকের ভাষ্যনুযায়ী, রাখাইনের গ্রামে গ্রামে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গ্রামবাসীকে নির্দেশ দিয়েছে- থো থো যাই যাই। অর্থাৎ তাড়াতাড়ি গ্রাম ছাড়। দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স হিসেবে কাজ করে আসছিলেন বুচিদং এলাকার গর্জনদিয়া গ্রামের এক ব্যক্তি। সাইনবোর্ড টানানোর পরপর স্ত্রী-পরিজন নিয়ে গ্রাম ছেড়ে গর্জনদিয়ার গভীর জঙ্গলে আশ্রয় নেন তিনি। কারণ তিনি জেনেছেন তখনই বর্মি সেনারা হামলা করবে। তাকে না পেয়ে মিয়ানমারের সেনারা তার বাড়িটি পুড়িয়ে দেয়। স্মৃতিবিজড়িত স্থান একেবারে মুছে দিতে এবং তাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি নষ্ট করার লক্ষ্যে শিক্ষক, পেশাজীবী, ধর্মীয় নেতাদের নিশ্চিহ্ন করতে চিরুনি অভিযান চালাচ্ছে সেনারা। রাখাইনে সেনা অভিযান বন্ধ বলে মিয়ানমার সরকারের দাবিকে মিথ্যা বলেছেন আকিয়াব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া এক শিক্ষার্থী। গণমাধ্যমে তার দেয়া বক্তব্য হলো- মিয়ানমার সরকারকে বিশ্বাস করা যায় না। তাদের কথায় ও কাজের মিল নেই। তিনি নিয়মিত রেডিওর খবর শোনেন। এ দেশে এসেও এফএম রেডিওর খবর শুনছেন। মিয়ানমারের রেডিওর খবরের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, এখনো ঘোষণা দিচ্ছে- টোয়ে মিলং, অর্থাৎ পালিয়ে যাও। চারপাশে শুধু টোয়ে মিলং, টোয়ে মিলং। বিদ্রোহী সংগঠন আরসা মিয়ানমারের সৃষ্টি বলে দাবি করে উখিয়ায় আশ্রিত এক রোহিঙ্গা নেতা বলেছেন, ভয়াবহ নির্যাতন, নিপীড়নের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা শিক্ষিত ও সচেতন রোহিঙ্গারা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন। জেনারেল মিন অং লেইন বুঝিয়ে দিলেন মিয়ানমারের ভূখন্ড থেকে রোহিঙ্গাদের নাম চিরতরে মুছে দিতে চায় তারা। কারণ গণতান্ত্রিক উত্তরণের পর মিয়ানমারের রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এলেও মূলত দেশটির সাংবিধানিক ক্ষমতার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করছে সে দেশের সেনাবাহিনী। মংডুর দুয়েলতলীর চেয়ারম্যান (হুক্কাট্টা) জামাল হোসেন সিকদার সপরিবারে থাইংখালী হাকিমপাড়া বস্তিতে থাকেন। তার বক্তব্য হলো- ১৯৮৭ সালে তাদের পরিচয়পত্রে জাতি হিসেবে লেখা ছিল রোহিঙ্গা। ১৯৮৯ সালে তাদের নতুন ফরম পূরণ করিয়ে জাতি হিসেবে মুসলিম লেখা হলেও ১৯৯৫ সাল থেকে লেখা শুরু করে বাঙালি। শুধু এখানেই শেষ নয়; এর আগের সেনাপ্রধান থেইন সেইনের সময় রোহিঙ্গাদের সব ধরনের কার্ড কেড়ে নেয়া হয়। পরে ন্যাশনাল কার্ড দেয়ার নামে যে সব ফরম পূরণ করা হয় সেগুলো বার্মিজ ভাষায় লেখা থাকলেও পূরণ করতে বলা হয় বাংলায়। রোহিঙ্গারা বাংলা লেখা জানা না থাকায় নতুন কোনো কার্ড রোহিঙ্গাদের আর মিলেনি। যখন মিয়ানমারের রাজনীতি-অর্থনীতি আর কূটনীতির মারপ্যাচে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রিত; তখন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের ভূমিকার কারণেই আন্তর্জাতিক বিশ্ব রোহিঙ্গাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।
এ দেশের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলেই রোহিঙ্গারা বিশ্ববাসীর মনোযোগ ও সহমর্মিতা পাচ্ছে। এ সংকট নিরসনে বিশ্বব্যাপী আলোচনা শুরু হয়েছে। এমনকি মিয়ানমারও আলোচনায় এগিয়ে এসেছে। আন্তর্জাতিক চাপ ও আলোচনার মাধ্যমে ধীরে ধীরে এর সমাধান সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। রোহিঙ্গা সংকটের মধ্যে মিয়ানমারের দিক থেকে যুদ্ধের উসকানি থাকলেও তা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এড়ানো হয়েছে। এছাড়া পাশাপাশি নিজস্ব অর্থায়নে কাজ শুরুর পর পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান বসানোয় অনেক অপমানের একটি জবাব দেয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন বাংলাদেশের সরকার প্রধান। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশে ফেরার পর শনিবার ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) বিমানবন্দরে তাকে দেয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা। বলা হচ্ছে যে, জাতীয় কর্তব্য হিসেবে মিয়ানমারের এই মুসলিম জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমে আমরা দ্বিধাগ্রস্ত থাকলেও খোঁজ নিয়ে দেখলাম, তাদের ওপর নির্মম অত্যাচার-নির্যাতন হয়েছে, মেয়েদের ওপর পাশবিকতা চলেছে। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের আশ্রয় দিই। যদিও এসব ক্ষেত্রে পৃথিবীতে অনেকে দরজা বন্ধ করে রাখে। এ সময় ছোট বোন শেখ রেহানার কথা উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধুর বড় মেয়ে বলেন, ‘রেহানা বলল, ১৬ কোটি লোককে খাওয়াচ্ছ, আর ৫-৭ লাখ লোককে খাওয়াতে পারবে না? আমি সেখানে গেলাম, সবাইকে ডেকে বললাম, ‘আমাদের ব্যবস্থা নিতে হবে। এ মানুষগুলোকে আশ্রয় দিতে হবে এবং খাওয়াতে হবে।’ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও খাবারের ব্যবস্থা করার বিষয়ে সরকারি উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনে এক বেলা খাব, আরেক বেলা তাদের ভাগ করে দেব।’ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, কে কি দেবে সেদিকে না তাকিয়ে আমরা দ্রুত বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমরা আশ্রয় না দিলে রোহিঙ্গারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারত না। প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং বাংলাদেশের মানুষের রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে বলেই আমরা এই চ্যালেঞ্জটা নিয়েছি। আমাদের পদক্ষেপের কারণে আন্তর্জাতিকভাবে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থা ও ফোরাম এ নিয়ে আলোচনা করেছে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা করতে মিয়ানমারের একজন এসেছে, এটা একটা বিশেষ দিক। শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গারা যেন স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করতে পারে, সে ব্যবস্থা নিতে হবে। মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার আগে তাদের নোয়াখালীর ভাসানচরে পুনর্বাসন করার পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এখন তারা যেভাবে আছে, সেভাবে থাকতে পারে না। আমি যাওয়ার আগেই নেভিকে টাকা দিয়ে গিয়েছিলাম। ভাসানচরে দুটি সাইক্লোন শেল্টার ও আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। নোয়াখালীর লোকজন বলে ঠেঙ্গারচর আর চিটাগাংয়ে বলে ভাসানচর। যেহেতু এরা ভাসমান, তাই আমি বললাম, ভাসানচর নামটাই থাকুক। আমাদের একেবারেই প্রতিবেশী... একটা পর্যায়ে এমন একটা ভাব দেখাল... আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ বেধেই যাবে। আমি আমাদের সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড, পুলিশসহ সবাইকে সতর্ক করলাম... যেন কোনোমতেই কোনোরকম উস্কানির কাছে তারা যেন বিভ্রান্ত না হয়। যতক্ষণ পর্যন্ত আমি নির্দেশ না দিই।’
বাংলাদেশে সমস্যাক্রান্ত-বন্যাক্রান্ত কোটি মানুষের সমাধানে নিবেদিত থাকার পরিবর্তে তিলতিল করে গড়ে তোলা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে ২৫ আগস্ট সহিংসতা শুরুর পর কক্সবাজার সীমান্তে রোহিঙ্গাদের ঢল নামে। প্রথমে সীমান্ত খুলে না দিলেও সিদ্ধান্ত বদলানো হলে এ পর্যন্ত ৫ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। এর মধ্যেই বেশ কয়েক দফা মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর হেলিকপ্টার বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে, সীমান্তে রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে গুলিও চালায় ওই দেশের বাহিনী। এমতবস্থায় আমাদের প্রয়োজন কেবলই সমাধান। সকল সমস্যার সমাধান নতুন প্রজন্মের অন্যদম চাওয়া। এই চাওয়া-পাওয়ার রাস্তা ধরে এগিয়ে যেতে যেতে মেতে উঠতে চাই সমাধানের চেষ্টায়। আর তাতে তারা নেতৃত্ব দেবেন-নতুন প্রজন্ম যাদেরকে ভালোবাসে-শ্রদ্ধা করে। তিনি বা তারা সুচী অথবা শেখ হাসিনা যে-ই হোন বা যারাই হোন...

 


মোমিন মেহেদী





         
   আপনার মতামত দিন
     উপসম্পাদকীয়
জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও পরিবেশের ক্ষতির কারণে তামাক টেকসই উন্নয়নের অন্তরায়
.............................................................................................
কৃষির পাশাপাশি শিল্প উন্নয়ন এবং কৃষক ফেডারেশনকথা
.............................................................................................
কৃষির পাশাপাশি শিল্প উন্নয়ন এবং কৃষক ফেডারেশনকথা
.............................................................................................
ঈদ এবং মাদক... ওরা বানায় : আমরা সেবন করি
.............................................................................................
নুসরাত কেন চলে যাবে...
.............................................................................................
এই দেশের সড়কে কে নিরাপদ?
.............................................................................................
রাজনীতির হঠাৎ হাওয়ার চমক
.............................................................................................
রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে
.............................................................................................
ওজোনস্তরের নতুন দুঃসংবাদ
.............................................................................................
বিজ্ঞান গবেষণা ও বাংলাদেশ
.............................................................................................
বিশ্ব আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার চাই
.............................................................................................
চীনা ‘ইউয়ান’, ভারতীয় ‘রুপী’, তুর্কী ‘লিরা’ সবার দাম কমছে
.............................................................................................
এখনো নিয়মিত মৃত্যু সড়কে কে দায় নেবে
.............................................................................................
মাঠের লড়াইয়ে লক্ষ্য হোক জয়
.............................................................................................
একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আশায়
.............................................................................................
আর কত রক্ত ঝড়বে জাতির বিবেকের?
.............................................................................................
হুমকিতে নয়, আলোচনায়ই সমাধান
.............................................................................................
বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব বাংলা নববর্ষ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস, পরীক্ষা বাতিল এবং অবিচার...
.............................................................................................
ভাষাশ্রদ্ধায় আসুন উচ্চারণ করি ‘বিজয় বাংলাদেশ’
.............................................................................................
চার বছরের উন্নয়ন অগ্রগতি ধারাবাহিকতা রক্ষা করাই বড় চ্যালেঞ্জ
.............................................................................................
শিক্ষা ধ্বংসে বইয়ের বোঝা-সৃজনশীল এবং ফাঁসতন্ত্র
.............................................................................................
প্রশ্নফাঁস আর কোচিংবাণিজ্যে শিক্ষার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁসের দায় কে নেবে?
.............................................................................................
মায়ের ভাষার অবহেলা কেন করছি আমরা?
.............................................................................................
সবাই জেগে উঠুক ভেজালের বিরুদ্ধে
.............................................................................................
নির্বাচন কমিশনের কর্মক্ষমতা ও ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস ও শিক্ষার দৈন্যদশা রোধ সম্ভব
.............................................................................................
মশা আর মাছি ধুলার সঙ্গে বেশ আছি!
.............................................................................................
বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ও নিয়ন্ত্রণক্ষমতা বাড়াতে হবে
.............................................................................................
প্যারাডাইস পেপার্স : সারাবিশ্বে সমস্যা ও সমাধান
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর অগ্নিগর্ভ ভাষণ : ইউনেস্কোর স্বীকৃতি
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পূনর্বাসনে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী
.............................................................................................
নিরাপদ পথ দিবস চাই
.............................................................................................
রোহিঙ্গা গণযুদ্ধের সূচনা হোক, স্বাধীন হোক আরকান
.............................................................................................
দর্শনহীন শিক্ষার ফল ব্লু হোয়েল সংস্কৃতি
.............................................................................................
সাবধানে চালাবো গাড়ী, নিরাপদে ফিরবো বাড়ী
.............................................................................................
বন্ধুদেশের ঋণের বোঝা এবং নতুন প্রজন্মের ভাবনা
.............................................................................................
চালে চালবাজী : সংশ্লিষ্টদের চৈতন্যোদয় হোক
.............................................................................................
৫ প্রস্তাবে বাংলাদেশে সংকট : দুর্ভিক্ষ আসন্ন
.............................................................................................
ভুখা মানুষের স্বার্থে সরকারকে কঠোর হতে হবে
.............................................................................................
রোহিঙ্গা তরুণের চিঠি এবং আমাদের করণীয়
.............................................................................................
ষোড়শ সংশোধনী বাতিল প্রসঙ্গে অনেকের অভিমত
.............................................................................................
তরুন প্রজন্মের সৈনিকেরা জেগে উঠলে কোন অপশক্তিই বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথ রুদ্ধ করতে পারবে না
.............................................................................................
আদর্শ সংবাদ ও সাংবাদিকতা
.............................................................................................
নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাহসী হতে হবে
.............................................................................................
পাবনা বইমেলা সাহিত্যকে সম্মৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে
.............................................................................................
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো...
.............................................................................................
ক্ষণজন্মা কিংবদন্তী মাদার বখশ
.............................................................................................
গ্রামীণ মানুষের সম্পদ বাড়ছে না, ঋণ বাড়ছে
.............................................................................................
Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale
Digital Load Cell
Digital Indicator
Digital Score Board
Junction Box | Chequer Plate | Girder
Digital Scale | Digital Floor Scale

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD