১২ শাওয়াল ১৪৪১ , ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৫ জুন , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

  
Share Button
   উপসম্পাদকীয়
বঙ্গবন্ধুর অগ্নিগর্ভ ভাষণ : ইউনেস্কোর স্বীকৃতি
  তারিখ: 03 - 11 - 2017

ফুটপাতে ফুলের গল্পঃ

জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ইউনেস্কো ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টার ন্যাশনাল রেজিস্টারে’ অন্তর্ভুক্ত করেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ। এই ঐতিহাসিক ভাষণটি দিয়েছিলেন তিনি ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ, বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।পৃথিবীর নানা দেশের ৪২৭ টি অতি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টের সঙ্গে যুক্ত হলো ৭ মার্চের ভাষণ। ২০০১ সালে আওয়ামীলীগের ভূমিধ্বস পরাজয় ও বিপর্যয়ের মুহূর্তে বিবিসি স্বীকৃতি দিয়েছিলো বঙ্গন্ধুকে শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে। আজ ইউনেস্কো অর্থাৎ জাতিসংঘ স্বীকৃতি দিলো বঙ্গন্ধুর সেই কালোত্তীর্ণ ভাষণটিকে। অথচ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে তার মতো মহামানবকে সপরিবারে নিধন করেই ক্ষান্ত হয় নি, তাকে ইতিহাস থেকে পত্রপাঠ বিদায় দেবার অনেক চেষ্টা হয়েছে। সামনে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আবার এই চেষ্টা শুর হবে।
তিনি নাকি ৭ মার্চের ভাষণ শেষে জয়বাংলা বলার পর জয় পাকিস্তানও বলেছিলেন। এমন কুতর্ক উঠেছে বাংলাদেশে। আমাদের জনপ্রিয় কথাশিল্পী হুমায়ুন আহমেদ তার ‘জোছনা ও জননীর গল্প’ নামক মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাসের ভূমিকায় বলেছেন, ‘ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের বিখ্যাত ভাষণ প্রসঙ্গেও একই ব্যাপার। জাস্টিস মুহাম্মদ হাবিবর রহমান সাহেবের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘বাংলাদেশের তারিখ’ প্রথম সংস্করণে তিনি উল্লেখ করেছেন ভাষণের শেষে শেখ মুজিবুর রহমান বললেন, জয়বাংলা, জিয়ে পাকিস্তান। দ্বিতীয় সংস্করণে তিনি জিয়ে পাকিস্তান অংশটি বাদ দিলেন। কবি শামসুর রাহমানের লেখা আত্মজীবনী যা দৈনিক জনকণ্ঠে ‘কালের ধূলায় লেখা’ শিরোনামে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়েছে সেখানেও তিনি বলেছেন শেখ মুজিবুর রহমানের শেষ কথা ছিলো জিয়ে পাকিস্তান। আরো অনেকের কাছে আমি এ ধরনের কথা শুনেছি, যারা আওয়ামী ভাবধারার মানুষ। সমস্যা হলো আমি নিজে ৮ এবং ৯ মার্চের সমস্ত পত্রিকা খুঁজে এ রকম কোনো তথ্য পাইনি। তাহলে একটি ভুল ধারনা কেন প্রবাহিত হচ্ছে?’
আবুল মনসুর আহমদও বলেছেন তিনি শেখ মুজিবের ৭ মার্চের ভাষণে জয় পাকিস্তান শোনেননি। পত্রিকায়ও দেখেন নি। বঙ্গবন্ধুর অত্যুচ্চ মহিমা খ-িত করার মতলবে যারা অষ্টপ্রহর ব্যস্ত তারাই বলতে পারেন বঙ্গন্ধু জয় পাকিস্তান বলেছেন। জয় পাকিস্তান শ্লোগান এই মহান ভাষণের সঙ্গে কিছুতেই খাপ খায় না।
এই ভাষণটিকে জননন্দিত কথাশিল্পী হমায়ুন আহমেদ ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর গেটিসবার্গে আব্রাহাম লিংকনের ভাষণের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। এর কারণ আছে। লিংকন একটি শোকাহত-সুস্থ পরিবেশে তার ভাষণটি দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু একটি অস্থির, সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে, পাকিস্তানি সামরিক জান্তার কামান-বন্দুক ও সাজোয়া বাহিনীর সামনে দাঁড়িয়ে ভাষণটি দিয়েছিলেন, তখন তার মাথার ওপর পাকিস্তানি প্লেন উড়ছিলো। এর মধ্যেও তার ওপর ছাত্রনেতাদের চাপ ছিলো সরাসরি স্বাধীনতা ঘোষণা দেবার। হয়তো জনগণও তা আশা করছিলো নানা কারণে। কিন্তু দূরদর্শী বঙ্গবন্ধু সরাসরি বলেন নি, ‘আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন।’ কৌশলে শব্দ চয়ন করে বলেছেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স¦াধীনতার সংগ্রাম।’ এতে স্বাধীনতা ঘোষণা বাকি থাকেনি, স্বাধীনতার লক্ষ্যে রীতিমতো যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন।
অত্যন্ত তাৎপর্যের সঙ্গে ‘মুক্তি’ ও ‘স্বাধীনতা’ শব্দ দুটি তিনি ব্যবহার করেছেন। পাকিস্তানি শোষণ থেকে ‘মুক্তি’ চেয়েছেন আর বাঙালির আত্মবিকাশের জন্য, আত্মমর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার জন্য রাজনৈতিক স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। এই ভাষণে তিনি দাবী করেছেন, ‘আমি শুধু বাংলার নয়, পাকিস্তানের মেজরিটি পার্টির নেতা।’ এই দাবীর পেছনে ঐতিহাসিক তাৎপর্য আছে। বিশ^কে তিনি দেখাতে চেয়েছেন, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান মেজরিটি পার্টির কথা না শুনে মাইনরিটি পার্টির মতো চলে পাকিস্তানকে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, বাঙালিদের নিজেদের পথে অগ্রসর হতে বাধ্য করছেন।
এই ভাষণে তিনি নির্ধারিত আবেগ ব্যবহার করেছেন। গণতান্ত্রিক চেতনার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। রাজনৈতিক সৌজন্য ও শিষ্টাচারের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি শ্রেণিসংগ্রামের নেতা নন, তিনি আন্ডার গ্রাউন্ডের রাজনীতি করতেন না, তিনি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা; সে দিকগুলো ভেবে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিভূ হিসেবে ভাষণটি দিয়েছেন। তাই তিনি জল্লাদ ইয়াহিয়া খানের কাছেও বিচার চেয়েছিলেন, তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, তার সঙ্গে টেলিফোনে কথাও বলেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর এ সব পিছু হটার পদক্ষেপ ছিলো না, ছিলো সামনে অগ্রসর হওয়ার কৌশল। তিনি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা নন, তিনি ভূট্টোর মতো অপরিণামদর্শী, হঠকারী নন, তার প্রমাণও রেখেছেন এই ভাষণে। অথচ এই ভাষণে তিনি গেরিলা যুদ্ধের কৌশল বর্ণনা করেছেন, বাঙালিদের বলেছেন যার যা আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে। শত্রু? কারা শত্রু? পাকিস্তানের আব্বা হুজুরদেরই শত্রু বলে ঘোষণা দিয়েছেন এই ভাষণে। কম কথা নয়। প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম মূসা ৭ মার্চের ভাষণকে সরাসরি ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ বলেছেন। না হলে বঙ্গবন্ধু ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার কথা বলনে কেন? এই ভাষণের মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানের সঙ্গে চূড়ান্ত সম্পর্ক ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন। বাঙালিদের সঙ্গে পাকিস্তানের যবনিকাপাত পাকিস্তানি শাসকরাই করেছেন, তার জন্য ভূট্টোর নোংরামীই দায়ী, তা এই ভাষণে যুক্তির পরম্পরায় বুঝিয়ে দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু। এই ভাষণে তিনি কোনো ছিদ্র রাখেন নি, তা যুক্তির গাঁথুনিতে ঠাঁসা।
বাঙালিকে তিনি চূড়ান্ত ভাবে প্রস্তুত হতে বলেছেন। আবার শত্রু পক্ষকে জানিয়ে দিয়েছেন, ‘আমরা যখন মরতে শিখেছি, তখন কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবে না।’ বাঙালিদের বলেছেন, ‘আপনারা বুঝেসুঝে কাজ করবেন।’ আন্দোলনের শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। বক্তৃতার প্রারম্ভেই বলেছেন, ‘আপনারা সবই জানেন ও বোঝন। আমরা আমাদের জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছি।’ অর্থাৎ আর পাকিস্তারে সঙ্গে থাকা যায় না। সব্যসাচী লেখক সৈয়দ হক তার এক লেখায় বিশ্লেষণ করেছেন কতবার এবং কেন তিনি ‘রক্ত’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। ভাষণের শুরুতে বলেছেন, ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে।’ এখানে তিনি অনুপ্রাস অলংকার ব্যবহার করেছেন বক্তব্যকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দেবার জন্য। ভাষণের শেষেও বলেছেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেবো, এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।’ এই আত্মপ্রত্যয় বাঙালি জাতির রক্তের শিরায় শিরায় পৌঁছে গিয়েছিলো। বাঙালিরা ৭ মার্চ থেকেই মানসিকভাবে সমস্ত্র হয়ে গিয়েছিলো। তারা ২৫ মার্চের আগেই ভেতরে ভেতরে অস্ত্র সংগ্রহ শুরু করেছিলো। মেজর রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমরা চট্টগ্রামে ৭ মার্চের ভাষণের আলোকে ২৫ মার্চের আগেই পাকিস্তানি আর্মির বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, ‘ওফেন্স ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স’- এই রীতি কার্যকর করেছিলেন। এই প্রস্তুতির বিপক্ষে ছিলেন জিয়াউর রহমান।
অনেকে বলে থাকেন, ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গন্ধরু সরাসরি স্বাধীনতা ঘোষণা দেয়া উচিত ছিলো। বঙ্গন্ধুর দোষ ধরার জন্যই এ সব কথা হয়। এ সব কথা বরা আরম্ভ হয়েছে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর, তার অবদান মুছে ফেলবার অপচেষ্টা থেকে। এ কথা সকলেই সহজ কান্ডজ্ঞান দিয়ে বুঝতে পারেন, বঙ্গবন্ধু হঠকারীতার অবিযোগ থেকে মুক্ত থাকার জন্য ৭ মার্চের ভাষনে এমন শব্দ ব্যবহার করেন নি যা বিশ্বের সহানুভুতি থেকে বঞ্চিত করবে। কোনো একটি ভুল শব্দ তিনি চয়ন করেননি, কয়েকটি আঞ্চলিক শব্দ ব্যহার করেছেন, কয়েকটি ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করেছেন। এই ভাষণটি লন্ডনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থান পেয়েছে। বাংলা গদ্যেরও একটি উৎকৃষ্ট স্তর হিসেবে স্বীকৃত ভাষণটি।
মার্কিন গুরুত্বপূর্ণ সাপ্তাহিক ‘নিউজউইক’ বঙ্গবন্ধুকে বলেছেন রাজনীতির কবি। ৭ মার্চের ভাষণের পর এই অভিধা তিনি পেয়েছেন। বাঙালি কবি নির্মলেন্দুগুণও এই মহাভাষণকে কবিতা বলেছেন। বঙ্গবন্ধুকে কবি বলেছেন। বলেছেন, ৭ মার্চে গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে পড়ে শোনালেন তার অমর কবিতা খানি।
১৯৬৯-র গণ অভ্যুত্থানের নায়ক তোফায়েল আহমেদের বক্তব্য দিয়ে লেখাটি শেষ করি। ইউনেস্কোর স্বীকৃতিকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি ছিলো প্রত্যাশিত। আমরা বিশ্বাস করতাম, একদিন না একদনি এই ভাষণ আন্তর্জাাতিক স্বীকৃতি পাবে। ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি আমাদের সেই বিশ্বাসকেই বাস্তবে রূপ দিয়েছে। এর মধ্যে দিয়ে প্রমাণিত হলো ৭ মার্চের ভাষণ পৃথিবীর প্রত্যাশিত ভাষণ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ‘অলিখিত ছিলো’। বঙ্গবন্ধু এই ভাষণ একটি নিরস্ত্র জাতিকে স্বাধীনতার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছিলো। ১৮ মিনিটের ওই ভাষণ ছিলো অলিখিত। বঙ্গবন্ধু সারা জীবন যা বিশ্বাস করতেন, সেই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করেই ওই ভাষণ দিয়েছিলেন।’ (জনকণ্ঠ-০২/১১/২০১৭)।


মাহমুদুল বাসার
কলাম লেখক ও গবেষক

 





         
   আপনার মতামত দিন
     উপসম্পাদকীয়
জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও পরিবেশের ক্ষতির কারণে তামাক টেকসই উন্নয়নের অন্তরায়
.............................................................................................
কৃষির পাশাপাশি শিল্প উন্নয়ন এবং কৃষক ফেডারেশনকথা
.............................................................................................
কৃষির পাশাপাশি শিল্প উন্নয়ন এবং কৃষক ফেডারেশনকথা
.............................................................................................
ঈদ এবং মাদক... ওরা বানায় : আমরা সেবন করি
.............................................................................................
নুসরাত কেন চলে যাবে...
.............................................................................................
এই দেশের সড়কে কে নিরাপদ?
.............................................................................................
রাজনীতির হঠাৎ হাওয়ার চমক
.............................................................................................
রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে
.............................................................................................
ওজোনস্তরের নতুন দুঃসংবাদ
.............................................................................................
বিজ্ঞান গবেষণা ও বাংলাদেশ
.............................................................................................
বিশ্ব আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার চাই
.............................................................................................
চীনা ‘ইউয়ান’, ভারতীয় ‘রুপী’, তুর্কী ‘লিরা’ সবার দাম কমছে
.............................................................................................
এখনো নিয়মিত মৃত্যু সড়কে কে দায় নেবে
.............................................................................................
মাঠের লড়াইয়ে লক্ষ্য হোক জয়
.............................................................................................
একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আশায়
.............................................................................................
আর কত রক্ত ঝড়বে জাতির বিবেকের?
.............................................................................................
হুমকিতে নয়, আলোচনায়ই সমাধান
.............................................................................................
বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব বাংলা নববর্ষ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস, পরীক্ষা বাতিল এবং অবিচার...
.............................................................................................
ভাষাশ্রদ্ধায় আসুন উচ্চারণ করি ‘বিজয় বাংলাদেশ’
.............................................................................................
চার বছরের উন্নয়ন অগ্রগতি ধারাবাহিকতা রক্ষা করাই বড় চ্যালেঞ্জ
.............................................................................................
শিক্ষা ধ্বংসে বইয়ের বোঝা-সৃজনশীল এবং ফাঁসতন্ত্র
.............................................................................................
প্রশ্নফাঁস আর কোচিংবাণিজ্যে শিক্ষার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁসের দায় কে নেবে?
.............................................................................................
মায়ের ভাষার অবহেলা কেন করছি আমরা?
.............................................................................................
সবাই জেগে উঠুক ভেজালের বিরুদ্ধে
.............................................................................................
নির্বাচন কমিশনের কর্মক্ষমতা ও ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস ও শিক্ষার দৈন্যদশা রোধ সম্ভব
.............................................................................................
মশা আর মাছি ধুলার সঙ্গে বেশ আছি!
.............................................................................................
বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ও নিয়ন্ত্রণক্ষমতা বাড়াতে হবে
.............................................................................................
প্যারাডাইস পেপার্স : সারাবিশ্বে সমস্যা ও সমাধান
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর অগ্নিগর্ভ ভাষণ : ইউনেস্কোর স্বীকৃতি
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পূনর্বাসনে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী
.............................................................................................
নিরাপদ পথ দিবস চাই
.............................................................................................
রোহিঙ্গা গণযুদ্ধের সূচনা হোক, স্বাধীন হোক আরকান
.............................................................................................
দর্শনহীন শিক্ষার ফল ব্লু হোয়েল সংস্কৃতি
.............................................................................................
সাবধানে চালাবো গাড়ী, নিরাপদে ফিরবো বাড়ী
.............................................................................................
বন্ধুদেশের ঋণের বোঝা এবং নতুন প্রজন্মের ভাবনা
.............................................................................................
চালে চালবাজী : সংশ্লিষ্টদের চৈতন্যোদয় হোক
.............................................................................................
৫ প্রস্তাবে বাংলাদেশে সংকট : দুর্ভিক্ষ আসন্ন
.............................................................................................
ভুখা মানুষের স্বার্থে সরকারকে কঠোর হতে হবে
.............................................................................................
রোহিঙ্গা তরুণের চিঠি এবং আমাদের করণীয়
.............................................................................................
ষোড়শ সংশোধনী বাতিল প্রসঙ্গে অনেকের অভিমত
.............................................................................................
তরুন প্রজন্মের সৈনিকেরা জেগে উঠলে কোন অপশক্তিই বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথ রুদ্ধ করতে পারবে না
.............................................................................................
আদর্শ সংবাদ ও সাংবাদিকতা
.............................................................................................
নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাহসী হতে হবে
.............................................................................................
পাবনা বইমেলা সাহিত্যকে সম্মৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে
.............................................................................................
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো...
.............................................................................................
ক্ষণজন্মা কিংবদন্তী মাদার বখশ
.............................................................................................
গ্রামীণ মানুষের সম্পদ বাড়ছে না, ঋণ বাড়ছে
.............................................................................................
Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale
Digital Load Cell
Digital Indicator
Digital Score Board
Junction Box | Chequer Plate | Girder
Digital Scale | Digital Floor Scale

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD