৭ শাওয়াল ১৪৪১ , ঢাকা, শনিবার, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৬ জুন , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

  
Share Button
   উপসম্পাদকীয়
নির্বাচন কমিশনের কর্মক্ষমতা ও ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ
  তারিখ: 29 - 01 - 2018

নির্বাচন কমিশনের কর্মক্ষমতা নিয়ে সারা বছরই কমবেশি আলোচনা হয়। তবে এ নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনার মাত্রা বেশি হয় নির্বাচনী বছরে। এবারও তাই হয়েছে। মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরে এবার কিছু ব্যতিক্রমী আলোচনা হয়েছে। এক. সংসদের নির্বাচন, যার জন্য রাজনৈতিক দলগুলো প্রচারণা শুরু করেছে। দুই. সিটি করপোরেশনের নির্বাচন। প্রথমেই প্রথাগতভাবে কমিশন সংসদের নির্বাচন নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে নির্ধারিত সময়ে আলোচনা সম্পন্ন করলেও আলোচনাপ্রসূত সুপারিশ চূড়ান্ত করতে পারেনি। কমিশন যে সব সুপারিশই গ্রহণ করবেÑএমনটি কখনো হয়নি। এবারেও যে হবে না, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। এ ধরনের সংবাদই দেখা গেছে গত ৭ জানুয়ারি এক পত্রিকায়। এ সংবাদে আরো বলা হয়েছিলÑএক. কর্মপরিকল্পনা সময়মতো বাস্তবায়ন করতে পারছে না; দুই. সীমানা নির্ধারণ ও আইন সংস্কারের খসড়া চূড়ান্ত হয়নি। গত ডিসেম্বরের মধ্যে এসব কাজ সম্পন্ন করার কথা ছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, সীমানা নির্ধারণ ও আইনি সংস্কারই হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। জানা গেছে, গত জুলাই মাসে আইনি সংস্কারের খসড়া করা হলেও তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কর্মপরিকল্পনায় জাতীয় নির্বাচনের আগে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার ইচ্ছা কমিশনের ছিল। জনসংখ্যা, ভোটারসংখ্যা এবং সংসদীয় এলাকার আয়তন বিবেচনায় নিয়ে সীমানা নির্ধারণের জন্যই আইনের সংস্কার প্রয়োজন ছিল। জানা গেছে, আইনের সংস্কার চূড়ান্ত হয়নি। বিদ্যমান আইনেই সীমানা নির্ধারণের কাজ চলছে। সার্বিকভাবে বলা যায়, কমিশনের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবমুখী ছিল না। আইনের খসড়া চূড়ান্ত হলেও তা হবে কমিশন পর্যায়ে। এরপর কমিশন পর্যায়ের খসড়া আইন প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করবে মন্ত্রিসভা। এ দুই স্তরের মধ্যে রয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। এ মন্ত্রণালয়ের মতামত বিবেচনা করেই মন্ত্রিসভা খসড়া আইন সংসদে পাঠাবে। সংসদের সংশ্লিষ্ট কমিটি খসড়াটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর সংসদ তা বিবেচনা করে আইনের চূড়ান্ত খসড়া অনুমোদন করবে। পরে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর নেওয়ার পর তা গেজেটে প্রকাশ করা হবে। এ প্রক্রিয়া দীর্ঘ, তবে এর কোনো বিকল্প নেই।
এসব বিষয় ছাড়াও প্রথমে রংপুরের সিটি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হওয়ায় কমিশনের কর্মক্ষমতা প্রশংসিত হয়েছিল। সবাই মনে করেছিল, ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থী জয়ী না হওয়ার বিষয় কমিশনের কর্মক্ষমতা ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি প্রমাণ। এ ধরনের বিশ্বাস এক অদ্ভুত মানসিকতার পরিচয় বহন করে। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য প্রধানত দুটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। এক. প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতাসহ জনপ্রিয়তা এবং দুই, ভোটারদের মানসিকতা। এর সঙ্গে যোগ করা যায় নির্বাচনী এলাকায় অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রভাব। সবশেষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষতা। ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থী হেরে গেলেই যে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবেÑএমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই। রংপুর সিটি এলাকা প্রথাগতভাবে জাতীয় পার্টির শক্ত ঘাঁটি বলে সুপরিচিত। কমিশনের কথিত সাফল্যের পর ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। শুরু হয় ঢাকা উত্তরের ভোটের ক্ষণগণনা। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারিকে নির্বাচনের দিন হিসেবে তফসিলে ঘোষণা করা হয়। এরপর বড় দলের প্রার্থীর মনোনয়নের প্রশ্ন। মনোনীত প্রার্থীদের নাম-পরিচয়ও জানা যায়। প্রার্থীদের গণসংযোগও চলতে থাকে। গত ১০ জানুয়ারি প্রায় সব দৈনিকেই উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত নির্বাচনের অনেক খবর প্রকাশ করা হয়। এরপর দেখা দেয় ঘোষিত নির্বাচনের অনিশ্চয়তা। জানুয়ারির ১৭ তারিখে মিডিয়াসূত্রে জানা যায় যে উত্তর সিটি নির্বাচন আইনি জটিলতায় পড়েছে। কারণ দুই সিটিতে নতুনভাবে যুক্ত করা হয়েছে ৩৬টি ওয়ার্ড। ৯ জানুয়ারি তফসিল ঘোষণার পর ৩১ জানুয়ারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করার দিন। কমিশনের অভিমত ছিল, হালনাগাদ ভোটার তালিকায় যুক্ত ভোটাররা সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। এ ছাড়া নবগঠিত ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের মেয়াদ ও করপোরেশন গঠনের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উত্থাপিত হয়। নবগঠিত ওয়ার্ডের সীমানাসংক্রান্ত বিষয় চূড়ান্ত করা হয়নি। এসব জটিলতার কারণে হাইকোর্টে দুটি রিট মামলা করা হয়। ১৮ জানুয়ারি জানা যায়, হাইকোর্টের রায়ে উত্তর সিটি নির্বাচনের কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। ২৪ জানুয়ারি জানা যায়, তিন মাস নয়, বরং ছয় মাসের জন্য উত্তর সিটির নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক তথ্য কেন হলো তার কারণ জানা যায়নি। ছয় মাসের তথ্যই সঠিক। পত্রিকান্তরে জানা যায় যে এ তথ্যের সূত্র কমিশনের সচিবের বক্তব্য। তিনি হাইকোর্টের আদেশের কপি সংগ্রহ করেছেন বলে জানিয়েছেন।
উত্তর সিটি নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত হওয়ার পরই শুরু হয় দুই ধরনের বিতর্ক। এক. রাজনৈতিক এবং দুই. আইনি। রাজনৈতিক বিতর্কে চিরাচরিত প্রথায় দোষারোপের রাজনীতিই দৃশ্যমান ছিল। সাবেক প্রধান বিরোধী দল বলছে, স্থগিতাদেশের ক্ষেত্রে সরকারের যোগসাজশ রয়েছে। কারণ হেরে যাবে ভেবেই তারা সুযোগ নিয়েছে। ক্ষমতাসীন দল তা অস্বীকার করেছে। আইনি বিতর্কে এ ধরনের আদেশ দেওয়া আইনসিদ্ধ নয় মর্মে কিছু আইনজীবী মত প্রকাশ করেছেন। মূল কথা হলো, ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে তফসিল ঘোষণার বিষয়টিই ছিল ত্রুটিপূর্ণ। মিডিয়ার বিশ্লেষণে কমিশনকেই এ দায় বহন করতে হবে মর্মে খবর প্রকাশ করা হয়েছে। কারণ বেশ কয়েকটি আইনি বিষয় সমাধান না করেই তফসিল ঘোষণা করা হয়। আইনি বিতর্কে সিটি করপোরেশন আইনের করপোরেশন গঠনের সংশ্লিষ্ট ধারাও মিডিয়ার বিশ্লেষণে স্থান পেয়েছে। এক. সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে মেয়র নির্বাচন সম্পন্ন করার কথা। এ কারণে ২৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করতেই হবে এবং দুই. সিটি করপোরেশন গঠনসংক্রান্ত ধারায় বলা আছে, মেয়রসহ ৭৫ শতাংশ কাউন্সিলরের নির্বাচন সম্পন্ন করা হলেই করপোরেশন আইনসিদ্ধভাবে গঠিত বলে গণ্য। করপোরেশনে নতুন ১৮ ওয়ার্ড যুক্ত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ৭৫ শতাংশ পদ হবে ৫৪ জন কাউন্সিলর। নবগঠিত ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলরদের মেয়াদের বিষয়টিও প্রশ্নবিদ্ধ। ১৮ ওয়ার্ডের বিষয়েও মামলা হয়েছে। আইনি জটিলতা নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ত্বরিত ব্যবস্থা গ্রহণে কমিশন ব্যর্থ বলে অনেকে মনে করেন। এ কথা সত্যি যে আপিল করতে হলে আদেশের সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করতে। তবে আইনজীবীরা বলছেন, এর বিকল্পও রয়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা কেন দ্রুতগতিতে নেওয়া হলো না তা বোধগম্য নয়। এ বিষয় নিয়ে ২২ জানুয়ারি কমিশনের সচিব ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের সাক্ষাৎকার একটি দৈনিকে প্রকাশ করা হয়েছে। দুজনের অভিমত সম্পূর্ণ বিপরীত। কমিশনের সচিব বলছেন, নোটিশ না পেয়ে কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা যায় না। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের অভিমত হলো, যেদিন আদেশ দেওয়া হয়েছে ওই দিনই আপিল করা সম্ভব ছিল। তাঁর বক্তব্যে আরো চমকপ্রদ তথ্য পাওয়া যায়। বাদীপক্ষের আইনজীবী আদালতের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন যে কমিশনকে জ্ঞাত করা হয়েছে এবং নোটিশের কপিও আদালতকে দেখানো হয়। অথচ কমিশনের সচিব দাবি করেছেন, নোটিশ তাঁরা পাননি। এ ঘটনাপ্রবাহে দুটি বিষয় তাৎপর্যপূর্ণ। এক. নির্বাচন কমিশনের নোটিশ কে গ্রহণ করেছে এবং দুই, বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে যেদিন আদেশ জারি হয় ওই দিনই চেম্বার জজের কাছে আদেশের বিরুদ্ধে দরখাস্ত দায়ের করা সমীচীন ছিল। এর নজির কারো অজানা নয়। নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী আদালতের আদেশ পালনের জন্য হাজিরা দেওয়ার পরও এ বিষয়ে কমিশন কর্তৃক কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। কারণ আপিলের সিদ্ধান্ত কমিশন সভা আহ্বান করে চূড়ান্ত করবে। সচিবের এক ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, পূর্ণাঙ্গ আদেশের কপি না পেলে কোন বিষয়ে আপত্তি উত্থাপন করা হবে তা বলা যায় না। এ ক্ষেত্রে বলা যায় যে কমিশন নির্বাচন স্থগিতের বিষয়টিকে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি। আদেশের কপি পাওয়ার বিষয়টি সময়সাপেক্ষ। মামলার গুরুত্ব অনুধাবন করে ত্বরিতগতিতে চেম্বার জজের কাছে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ গ্রহণের পক্ষে যথেষ্ট যুক্তি ছিল। এসব যুক্তি মিডিয়ায় প্রতিফলিত করা হয়েছে। এ সম্পর্কে বিভিন্ন আইনজীবীও একমত হয়েছেন, স্থগিতাদেশ বাতিলের জন্য সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারাসহ সিটি করপোরেশন আইনের ধারাই যথেষ্ট। এসব বিষয় কমিশনের অজানা থাকার কথা নয়। তাৎক্ষণিকভাবে আইনি পরামর্শ দেওয়ার জন্য বিচার বিভাগীয় অভিজ্ঞ এক ব্যক্তিকে কমিশনার নিয়োগ করার প্রথা বহুদিনের। বর্তমানেও এমন একজন কমিশনার রয়েছেন।
এ ছাড়া রয়েছে অন্য একটি প্রশ্ন। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, কমিশন গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী কার্যক্রম সম্পর্কে দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমলাতান্ত্রিক দুষ্ট স্থবিরতায় ভুগছে। সব কিছুই আনুষ্ঠানিকভাবে সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা পরিস্থিতিকে আরো জটিল করেছে। বহুমাত্রিক জটিলতার বিষয়ের মধ্যে যেসব বিষয় রয়েছে, তা হলোÑএক. নির্বাচন কমিশনকে যুক্তিসংগত নোটিশ না দিয়ে স্থগিতাদেশ প্রদান, দুই. নবযুক্ত ১৮টি ওয়ার্ডের সীমানাসম্পর্কিত আপত্তি মীমাংসা না করে তফসিল ঘোষণা এবং তিন. নবনির্বাচিত কাউন্সিলরদের মেয়াদ। আদালতে রিট মামলা করার আগে এসব বিষয়ে কমিশনের চিন্তার যথেষ্ট অবকাশ ছিল। এসব বিষয়ে কমিশন হাত গুটিয়ে ছিল কেন তার কোনো ব্যাখ্যা নেই। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, বহু ধরনের জটিলতার কারণে উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হবে। অর্থাৎ কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণে দীর্ঘসূত্রতার কারণে করপোরেশনে শূন্যতা বিরাজ করবে, যা কাম্য নয়।


এ এম এম শওকত আলী

লেখক : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা





         
   আপনার মতামত দিন
     উপসম্পাদকীয়
জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও পরিবেশের ক্ষতির কারণে তামাক টেকসই উন্নয়নের অন্তরায়
.............................................................................................
কৃষির পাশাপাশি শিল্প উন্নয়ন এবং কৃষক ফেডারেশনকথা
.............................................................................................
কৃষির পাশাপাশি শিল্প উন্নয়ন এবং কৃষক ফেডারেশনকথা
.............................................................................................
ঈদ এবং মাদক... ওরা বানায় : আমরা সেবন করি
.............................................................................................
নুসরাত কেন চলে যাবে...
.............................................................................................
এই দেশের সড়কে কে নিরাপদ?
.............................................................................................
রাজনীতির হঠাৎ হাওয়ার চমক
.............................................................................................
রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে
.............................................................................................
ওজোনস্তরের নতুন দুঃসংবাদ
.............................................................................................
বিজ্ঞান গবেষণা ও বাংলাদেশ
.............................................................................................
বিশ্ব আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার চাই
.............................................................................................
চীনা ‘ইউয়ান’, ভারতীয় ‘রুপী’, তুর্কী ‘লিরা’ সবার দাম কমছে
.............................................................................................
এখনো নিয়মিত মৃত্যু সড়কে কে দায় নেবে
.............................................................................................
মাঠের লড়াইয়ে লক্ষ্য হোক জয়
.............................................................................................
একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আশায়
.............................................................................................
আর কত রক্ত ঝড়বে জাতির বিবেকের?
.............................................................................................
হুমকিতে নয়, আলোচনায়ই সমাধান
.............................................................................................
বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব বাংলা নববর্ষ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস, পরীক্ষা বাতিল এবং অবিচার...
.............................................................................................
ভাষাশ্রদ্ধায় আসুন উচ্চারণ করি ‘বিজয় বাংলাদেশ’
.............................................................................................
চার বছরের উন্নয়ন অগ্রগতি ধারাবাহিকতা রক্ষা করাই বড় চ্যালেঞ্জ
.............................................................................................
শিক্ষা ধ্বংসে বইয়ের বোঝা-সৃজনশীল এবং ফাঁসতন্ত্র
.............................................................................................
প্রশ্নফাঁস আর কোচিংবাণিজ্যে শিক্ষার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁসের দায় কে নেবে?
.............................................................................................
মায়ের ভাষার অবহেলা কেন করছি আমরা?
.............................................................................................
সবাই জেগে উঠুক ভেজালের বিরুদ্ধে
.............................................................................................
নির্বাচন কমিশনের কর্মক্ষমতা ও ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস ও শিক্ষার দৈন্যদশা রোধ সম্ভব
.............................................................................................
মশা আর মাছি ধুলার সঙ্গে বেশ আছি!
.............................................................................................
বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ও নিয়ন্ত্রণক্ষমতা বাড়াতে হবে
.............................................................................................
প্যারাডাইস পেপার্স : সারাবিশ্বে সমস্যা ও সমাধান
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর অগ্নিগর্ভ ভাষণ : ইউনেস্কোর স্বীকৃতি
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পূনর্বাসনে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী
.............................................................................................
নিরাপদ পথ দিবস চাই
.............................................................................................
রোহিঙ্গা গণযুদ্ধের সূচনা হোক, স্বাধীন হোক আরকান
.............................................................................................
দর্শনহীন শিক্ষার ফল ব্লু হোয়েল সংস্কৃতি
.............................................................................................
সাবধানে চালাবো গাড়ী, নিরাপদে ফিরবো বাড়ী
.............................................................................................
বন্ধুদেশের ঋণের বোঝা এবং নতুন প্রজন্মের ভাবনা
.............................................................................................
চালে চালবাজী : সংশ্লিষ্টদের চৈতন্যোদয় হোক
.............................................................................................
৫ প্রস্তাবে বাংলাদেশে সংকট : দুর্ভিক্ষ আসন্ন
.............................................................................................
ভুখা মানুষের স্বার্থে সরকারকে কঠোর হতে হবে
.............................................................................................
রোহিঙ্গা তরুণের চিঠি এবং আমাদের করণীয়
.............................................................................................
ষোড়শ সংশোধনী বাতিল প্রসঙ্গে অনেকের অভিমত
.............................................................................................
তরুন প্রজন্মের সৈনিকেরা জেগে উঠলে কোন অপশক্তিই বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথ রুদ্ধ করতে পারবে না
.............................................................................................
আদর্শ সংবাদ ও সাংবাদিকতা
.............................................................................................
নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাহসী হতে হবে
.............................................................................................
পাবনা বইমেলা সাহিত্যকে সম্মৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে
.............................................................................................
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো...
.............................................................................................
ক্ষণজন্মা কিংবদন্তী মাদার বখশ
.............................................................................................
গ্রামীণ মানুষের সম্পদ বাড়ছে না, ঋণ বাড়ছে
.............................................................................................
Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale
Digital Load Cell
Digital Indicator
Digital Score Board
Junction Box | Chequer Plate | Girder
Digital Scale | Digital Floor Scale

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD