৭ শাওয়াল ১৪৪১ , ঢাকা, শনিবার, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৬ জুন , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

  
Share Button
   উপসম্পাদকীয়
এখনো নিয়মিত মৃত্যু সড়কে কে দায় নেবে
  তারিখ: 07 - 09 - 2018

সংগত কারণে পুরনো কাসুন্দি ঘাঁটতে হচ্ছে। ‘নিরাপদ সড়কের’ দাবি পূরণ ও প্রতিশ্রুতি পালনের কোনো ফলাফল দেখা যাচ্ছে না সড়কে, মহাসড়কে। নৈরাজ্য পূর্ববৎ অথবা যেন একটু বেশি মাত্রায়। হতে পারে আন্দোলনের প্রতিক্রিয়ায় এমন এক বেপরোয়া ভাব বাস চালকদের, বাস মালিকদেরÑঅনেকটা বুড়ো আঙুল দেখানোর মতো কিংবা বিদেশিকেতায় ‘ভিক্টরি সাইন’। আমরা বিস্মিত, মর্মাহত।
কচি-কাঁচারা রাজপথে নেমেছিল, অবরোধ করেছিল দুই সহপাঠীর মর্মান্তিক মৃত্যুতে, প্রতিবাদ প্রতিক্রিয়ার টানে। শান্তিপূর্ণ সে অবরোধকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকায় কত কী নাটকীয় ঘটনা আশ্বাস, অবিশ্বাস, হামলা, গুজব তৈরি, গ্রেপ্তার-রিমান্ড, ব্যাপক সামাজিক-শিক্ষায়তনিক প্রতিক্রিয়া, ঈদ উৎসব সামনে রেখে কিছু জামিন ও কয়েকটি মুক্তি ইত্যাদি।
এত সব ঘটনার পর কী অবস্থা সড়ক-মহাসড়ক তথা পরিবহনব্যবস্থার? ঈদ উপলক্ষে যাত্রা, ঈদের পর ফিরে আসা এবং আজতক ঘাতক বাসের বেপরোয়া চলাচলে কোনো পরিবর্তন নেই। সড়ক-মহাসড়কে ঝরছে প্রাণ। কোনো প্রতিকার নেই, চরম উদাসীনতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
আর এ সুযোগে, এ উপলক্ষে যে মজার ঘটনা পত্রিকা পাঠকদের জন্য উপাদেয় খবর জোগাচ্ছে তা হলো, থেঁতলানো বাসের শরীর সারাই, রং মাখানো, লাইসেন্স আদায় এবং যথারীতি সড়ক পরিক্রমা। আর হেলপার-চালকদের ছোটাছুটি সনদ জোগাড়ের জন্য। এদের কর্তৃপক্ষ-প্রতিষ্ঠানের দিনরাত্রি একাকারÑবিশ্রাম হারাম।
একটি খবরে প্রকাশ, মিরপুরের অফিসে মিনিটে-সেকেন্ডে সনদ তৈরি হচ্ছে, হস্তান্তরিত হচ্ছে। আইন রক্ষার যাবতীয় ব্যবস্থার চমকপ্রদ সমাপন। এরপর আর আইনি অভিযোগের সুযোগ নেই, কাগজপত্র ঠিকঠাক যেমন হেলপার-চালকদের, তেমনি তোবড়ানো থেঁতলানো বাসের নতুন চেহারার মালিকদের।
একেই বলে সিন্ডিকেট শক্তির মহিমা। এদের কাছে অসাধ্য কোনো কাজ নেই। হোক তা পরিবহন খাতে, কেনাবেচার বাজারে, ওষুধপত্রের মূল্যবৃদ্ধি ও মূল্য নির্ধারণে, হঠাৎ হঠাৎ নিত্যদিনের দরকারি কোনো কোনো জিনিসের অবিশ্বাস্য মূল্যবৃদ্ধির মতো ঘটনার কেরামতিতে। আমাদের আলোচ্য বিষয় অবশ্য পরিবহন খাত।

দুই.
এখানে চলছে ঐতিহ্যবাহী নৈরাজ্য অর্থের লোভে বেপরোয়া বাসচালক, শক্তির দম্ভে তার ঘাতক চরিত্রের প্রকাশ, তেমনি উদ্ধত অশিক্ষিত চালক-সহযোগী, যার প্রচলিত নাম হেলপার। বয়সে সে কিশোর বা তরুণ। নেপথ্য শক্তির কারণে তার ঔদ্ধত্যের প্রকাশ আরো বেশি, যাত্রীর প্রাণ তার কাছে কানাকড়ির দামে বিবেচিত। অনায়াসে সে চলন্ত বাসে যাত্রীকে ধাক্কা মেরে রাস্তায় ফেলে দিয়ে চাকার নিচে পিষে মেরে ফেলতে দ্বিধা করে না। যুক্তি, সহিষ্ণুতা, মানবিক বোধÑএজাতীয় শব্দগুলোর সঙ্গে তার পরিচয় নেই।
তার জগৎটাই আলাদা। সেখানে জেঁকে বসে আছে অশিক্ষা, গ্রাম্যতা, আচরণের স্থূলতা, শক্তির দম্ভ ও ঔদ্ধত্য। চালক মহাশয়ও একই ধারার, তবে একটু উঁচুমাত্রার, তার ঘাতক চরিত্র আরো প্রকট, সেখানে রয়েছে আরো নানাবিধ উপসর্গ, রোগব্যাধি। আমরা তো ভুলে যাইনি বাসযাত্রায় মধুপুর জঙ্গলে হতভাগ্য ছাত্রীর করুণ কাহিনি। জানতে ইচ্ছে করে, কী ঘটেছে সেই বাসচালক ঘাতক ও তার সহযোগীর?
এ নৈরাজ্যিক অবস্থার সব দায় যে বাসচালক ও তার সহকারীদের, তা নয়। নেপথ্যে তাদের বড় শক্তি যেমনÑতাদের শ্রমিক ইউনিয়ন ও তার নমস্য নেতা, তার চেয়েও মহাশক্তিমান খুঁটি বাস মালিক সমিতির সিন্ডিকেট। তাদের পেছনে আবার রয়েছে রাজনৈতিক শক্তির নানা দলীয় পৃষ্ঠপোষকতা। ফলে তাদের পরিবহন মুনাফাবাজি সীমা-পরিসীমাহীন।
তারা পুরনো অব্যবহারযোগ্য বাস রংচং করে সুদর্শন সাজিয়ে পথে নামায়, এমনকি তা রাজধানীর রাজপথে প্রশাসনের নাকের ডগায়। ট্রাফিক নিয়মনীতি আইন-কানুনের ঊর্ধ্বে তারা। পাঠক বা যাত্রী একটু খোলা চোখে এসব বাসের দিকে তাকালেই এদের হালচাল বুঝতে পারবেন। ট্রাফিক দিবসকালে এরা বিশ্রাম নেয়, তাদের বাসস্থানে বসে।
এখানেই শেষ নয়, চালকদের সঙ্গে মালিকদের চুক্তিভিত্তিক কর্মের যে অনিয়মি ব্যবস্থা চালু, যে কারণে বেপরোয়া চালক অর্থলোভের নেশায় রাজপথ ছেড়ে ফুটপাতে উঠে যায় প্রতিযোগিতার দ্বন্দ্বে কিংবা সড়কের পাশে দোকানে ঢুকে পড়ে মৃত্যু ঘটায় কিংবা মহাসড়কে গাছ; তার-খুঁটিকে ধাক্কা মেরে পার্শ্ববর্তী খালে আশ্রয় নেয় যাত্রীদের সলিল সমাধি ঘটিয়ে। কখনো বা দুমড়ে দিয়ে যায় হালকা যানবাহন যাত্রীদের পিষ্ট করে।

তিন.
এই হলো সাম্প্রতিক ছাত্র-ছাত্রীদের ‘নিরাপদ সড়ক’ দাবি পূরণের পরিণাম পরিবহন খাতে। যে সহৃদয়তা নিয়ে, যে নমনীয়তা নিয়ে পরিবহন আইন সংস্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তার ফলাফল এমন হওয়াই স্বাভাবিক। রাজনৈতিক মহলের এক দীর্ঘদিন প্রচলিত শব্দ ‘কায়েমি স্বার্থ’ এখানে কার পক্ষে, বিপক্ষে ক্রিয়াশীল, তা জানেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক লেখকরা, হয়তো বা ভুক্তভোগী কেউ কেউ।
আমাদের এই বক্তব্য, অভিযোগ যে কল্পিত কিছু নয়, শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরার পর এবং সরকারি বিভিন্ন মহলের বারবার বিবৃতি, এমনকি টিভির টক শোতে সরকারপক্ষীয় বক্তাদের তর্কবিতর্কের পরও যে সড়কে হত্যাকা- চলেছে, তার প্রমাণস্বরূপ কিছু ঘটনা, উদাহরণ আমরা তুলে ধরব সংবাদপত্র থেকে। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা অর্থাৎ পত্রিকা পাঠ থেকে বলা যায়, প্রায়ই এমন শোকাবহ ঘটনা ঘটে চলেছে প্রতিকারহীনতার জেরে।
এই তো সেদিন একটি দৈনিক পত্রিকায় দুই কলামের একটি সংবাদ শিরোনাম : ‘আমিনুলের পরিবারে কান্না থামছে না’ (৩০-৮-২০১৮)। সংবাদ বিবরণে প্রকাশ, কুমিল্লায় বেড়াতে গিয়ে পরিবার-প্রধান আমিনুল ও তাঁর শিশুসন্তান নাবিল নিহত, অন্যরা আহত; প্রতিবেদকের বক্তব্য, ‘চালকের ভুলে’।
একই দিনে আরেকটি মারাত্মক ঘটনাÑশিরোনাম: ‘ওভারটেক করতে গিয়ে বাস কেড়ে নিল তিন প্রাণ’। ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, ‘রাস্তার পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন মনিরা আক্তার (১৮)। একটি মাইক্রোবাসকে ওভারটেক করতে গিয়ে তাঁকে চাপা দিয়ে চলে যায় যাত্রীবাহী একটি বাস’। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু। কে এ মৃত্যুর জবাবদিহি করবে?
একই রকম ঘটনায় আরো মৃত্যু। সড়কগুলো যেন মৃত্যু উপত্যকা। উদাহরণÑ‘নরসিংদীর শিবপুরে আরেকটি বাসকে ওভারটেক করতে গিয়ে একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয় একটি যাত্রীবাহী বাস। এতে নিহত হন মোটরসাইকেল আরোহী দুজন।’ একই দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বেপরোয়া গতির যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে গেলে মা-মেয়ে ও অন্য এক শিশুসহ নিহত তিনজন।
একই প্রতিবেদনে প্রকাশ, ‘ময়মনসিংহের তারাকান্দায় ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে দুজন এবং কক্সবাজারের চকরিয়ায় জিপের ধাক্কায় মারা গেছেন মোটরসাইকেল আরোহী এক ছাত্রলীগ নেতা।’ এর পরও নিহতের খবর বাস-ট্রাক সংঘর্ষে। এ প্রতিবেদনের উপশিরোনাম : ‘সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আরো ৯’। বলতে হয় মৃত্যুর মিছিল সড়কে।
কেন? ঘটনা বিশ্লেষণে আপাতত কারণ বাসের বেপরোয়া গতিতে চালনা, ওভারটেক করার বৈনাশিক প্রবণতা, চালকের বেহিসেবি চালনা আর সামগ্রিক বিচারে যানবাহন মাত্রেরই চলাচলে গতিসীমা, নিয়মনীতি না মেনে যেমন-তেমনভাবে চলা। না হলে বাস-ট্রাকে সংঘর্ষ হয়? এককথায় আচরণের দিক থেকে চরম ব্যক্তিক নৈরাজ্য যানবাহন চালনায়, মূলত বাসের সর্বাধিক ঘাতক ভূমিকা।
আমাদের প্রশ্ন : আন্দোলনোত্তর পর্যায়েও এই যে প্রাণহানি, এর দায় কার? অবশ্যই প্রত্যক্ষ দায় যানবাহন চালকের, পরোক্ষে মালিকের এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসন অর্থাৎ সরকারের। শাসনযন্ত্র কি ভেবে দেখেছে নিহতদের পরিবারগুলোর বিপর্যস্ত অবস্থার কথা। নাগরিক মাত্রেরই নিরাপত্তা দেওয়ার দায়-দায়িত্বের কথা? না, তারা ভাবে না। ভাবলে এমন আইন তৈরি করত, তাতে এমন কঠোর শাস্তি বিধানের ব্যবস্থা রাখত যে ‘ওভারটেক’ করার প্রবণতা, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাতে গিয়ে চালককে দুইবার ভাবতে হতো।
ছাত্র-ছাত্রীদের সাম্প্রতিক আন্দোলন তাই ব্যর্থ। ব্যর্থ তাদের জন্য নয়, ব্যর্থ সরকারি ব্যবস্থার কারণে, ব্যর্থ মালিকদের উদাসীনতার কারণে। উদাসীনতা নিয়ম মানার ক্ষেত্রে, আর মূলত নিয়ম ভাঙা মুনাফাবাজির লোভ-লালসার কারণে। এমন একাধিক কারণে রাজপথে, সড়কে-মহাসড়কে যানবাহন চালনায় বিরাজ করছে চরম নৈরাজ্য।
সংবাদপত্রের দিক থেকে বিন্দুমাত্র ভুল নেই যখন তারা এমন শিরোনাম ছাপে : ‘সড়কে নৈরাজ্য আগের মতোই’ কিংবা এমন শিরোনাম : ‘গণপরিবহনে শৃঙ্খলার বিষয়টি উপেক্ষিত’। লেখে ‘যাত্রী তোলায় রেষারেষি’, ‘যত্রতত্র যাত্রী নামানো-ওঠানো’, ‘উল্টোপথে চলা, মুঠোফোন কানে চেপে কথা বলতে বলতে গাড়ি চালনা’র বিশৃঙ্খল আচরণের বিষয়গুলো।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা চেয়েছিল রাস্তার সর্বপ্রকার যানবাহন নিয়ম মেনে, আইন মেনে চলুক, অদক্ষ চালক বা হেলপার-চালক যেন স্টিয়ারিং না ধরে, লাইসেন্সবিহীন চালককে যেন চালকের আসনে বসতে দেওয়া না হয়। সড়কে-রাজপথে এ সবকিছু চলেছে আন্দোলনের দিনকয়। আন্দোলন শেষ, নিয়মনীতিও শেষ। আবার শুরু সড়কে যানবাহন চলাচলের নৈরাজ্যিক রাজত্ব।
আমাদের সমাজ যে কত অমানবিক ও যুক্তিহীন তার প্রমাণ মেলে যখন আমরা আলাপে-সংলাপে, লেখায়Ñটক শোতে প্রায়ই সড়ক হত্যাকা-গুলোকে ‘দুর্ঘটনা’ নামে ঘাতককে ছাড়পত্র দিতে চাই। প্রকৃত দুর্ঘটনার সংখ্যা বাস্তবে খুবই কম। পূর্বোক্ত একাধিক কারণ অসহায় যাত্রীদের মৃত্যুর কারণ। এগুলোকে হত্যাকা- ছাড়া কী বলা যাবে। রাষ্ট্রযন্ত্র এ বাস্তব ধারায় ভাবে না বলেই তাদের পরিবহন আইন অভাবিত রকম নমনীয়।
এ নমনীয়তার কারণে এক বাস হেলপার কদিন আগে এক যাত্রীকে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে চাকায় পিষে মারতে দ্বিধা করেনি। কী বীভৎস হত্যাকা-! যুক্তিসংগত কারণে জনৈক কলামিস্টের লেখার শিরোনাম : ‘দুর্ঘটনা নয়, যাত্রী হত্যা!’ রেজাউল করিম হত্যার মতো জঘন্য হত্যাকা- বাসযাত্রায় একাধিকবার ঘটেছে। কিন্তু কঠিন শাস্তির অভাবে হত্যাপ্রবণতা কমছে না, বন্ধ হওয়া তো দূরের কথা।
ক্ষুব্ধ মনে এসব অন্যায়, অপরাধের বিরুদ্ধে আমরা নিয়মিত লিখি, ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করি, সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করেন ঘটনার হৃদয়স্পর্শী শিরোনাম দিয়ে প্রতিবেদন লিখে। তা সত্ত্বেও দেখি ‘নড়বড়ে বাসগুলোর শহরময় দাপাদাপি’; দেখি নিয়ন্ত্রণহীন বাস ফুটপাতে উঠে নিশ্চিন্ত পথিককে ধাক্কা মেরে দ্রুত উধাও। আরো দেখি মর্মস্পর্শী ঘটনা : ‘মায়ের কোল থেকে মৃত্যুর কোলে’ শিশু আচমকা বাসের ধাক্কায় (৩১-৮-২০১৮)। সন্তান হারানো মায়ের সে কী কান্না!
আমাদের শাসনযন্ত্রে কর্মরত নারীÑঅর্থাৎ মায়েদের কি এসব ঘটনায় মুহূর্তের জন্য হৃদয়স্পন্দিত হয় না? মনে হয় না যে এই মা তাদের কোনো একান্তজন হতে পারতেন। না-ইবা হন স্বজন। মানুষ হয়ে কি নিরপরাধ মানুষ হত্যা সহা যায়? ওই সব ঘাতকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে কি মন চায় না?

আহমদ রফিক

লেখক : কবি, গবেষক, ভাষাসংগ্রামী





         
   আপনার মতামত দিন
     উপসম্পাদকীয়
জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও পরিবেশের ক্ষতির কারণে তামাক টেকসই উন্নয়নের অন্তরায়
.............................................................................................
কৃষির পাশাপাশি শিল্প উন্নয়ন এবং কৃষক ফেডারেশনকথা
.............................................................................................
কৃষির পাশাপাশি শিল্প উন্নয়ন এবং কৃষক ফেডারেশনকথা
.............................................................................................
ঈদ এবং মাদক... ওরা বানায় : আমরা সেবন করি
.............................................................................................
নুসরাত কেন চলে যাবে...
.............................................................................................
এই দেশের সড়কে কে নিরাপদ?
.............................................................................................
রাজনীতির হঠাৎ হাওয়ার চমক
.............................................................................................
রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে
.............................................................................................
ওজোনস্তরের নতুন দুঃসংবাদ
.............................................................................................
বিজ্ঞান গবেষণা ও বাংলাদেশ
.............................................................................................
বিশ্ব আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার চাই
.............................................................................................
চীনা ‘ইউয়ান’, ভারতীয় ‘রুপী’, তুর্কী ‘লিরা’ সবার দাম কমছে
.............................................................................................
এখনো নিয়মিত মৃত্যু সড়কে কে দায় নেবে
.............................................................................................
মাঠের লড়াইয়ে লক্ষ্য হোক জয়
.............................................................................................
একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আশায়
.............................................................................................
আর কত রক্ত ঝড়বে জাতির বিবেকের?
.............................................................................................
হুমকিতে নয়, আলোচনায়ই সমাধান
.............................................................................................
বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব বাংলা নববর্ষ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস, পরীক্ষা বাতিল এবং অবিচার...
.............................................................................................
ভাষাশ্রদ্ধায় আসুন উচ্চারণ করি ‘বিজয় বাংলাদেশ’
.............................................................................................
চার বছরের উন্নয়ন অগ্রগতি ধারাবাহিকতা রক্ষা করাই বড় চ্যালেঞ্জ
.............................................................................................
শিক্ষা ধ্বংসে বইয়ের বোঝা-সৃজনশীল এবং ফাঁসতন্ত্র
.............................................................................................
প্রশ্নফাঁস আর কোচিংবাণিজ্যে শিক্ষার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁসের দায় কে নেবে?
.............................................................................................
মায়ের ভাষার অবহেলা কেন করছি আমরা?
.............................................................................................
সবাই জেগে উঠুক ভেজালের বিরুদ্ধে
.............................................................................................
নির্বাচন কমিশনের কর্মক্ষমতা ও ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস ও শিক্ষার দৈন্যদশা রোধ সম্ভব
.............................................................................................
মশা আর মাছি ধুলার সঙ্গে বেশ আছি!
.............................................................................................
বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ও নিয়ন্ত্রণক্ষমতা বাড়াতে হবে
.............................................................................................
প্যারাডাইস পেপার্স : সারাবিশ্বে সমস্যা ও সমাধান
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর অগ্নিগর্ভ ভাষণ : ইউনেস্কোর স্বীকৃতি
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পূনর্বাসনে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী
.............................................................................................
নিরাপদ পথ দিবস চাই
.............................................................................................
রোহিঙ্গা গণযুদ্ধের সূচনা হোক, স্বাধীন হোক আরকান
.............................................................................................
দর্শনহীন শিক্ষার ফল ব্লু হোয়েল সংস্কৃতি
.............................................................................................
সাবধানে চালাবো গাড়ী, নিরাপদে ফিরবো বাড়ী
.............................................................................................
বন্ধুদেশের ঋণের বোঝা এবং নতুন প্রজন্মের ভাবনা
.............................................................................................
চালে চালবাজী : সংশ্লিষ্টদের চৈতন্যোদয় হোক
.............................................................................................
৫ প্রস্তাবে বাংলাদেশে সংকট : দুর্ভিক্ষ আসন্ন
.............................................................................................
ভুখা মানুষের স্বার্থে সরকারকে কঠোর হতে হবে
.............................................................................................
রোহিঙ্গা তরুণের চিঠি এবং আমাদের করণীয়
.............................................................................................
ষোড়শ সংশোধনী বাতিল প্রসঙ্গে অনেকের অভিমত
.............................................................................................
তরুন প্রজন্মের সৈনিকেরা জেগে উঠলে কোন অপশক্তিই বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথ রুদ্ধ করতে পারবে না
.............................................................................................
আদর্শ সংবাদ ও সাংবাদিকতা
.............................................................................................
নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাহসী হতে হবে
.............................................................................................
পাবনা বইমেলা সাহিত্যকে সম্মৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে
.............................................................................................
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো...
.............................................................................................
ক্ষণজন্মা কিংবদন্তী মাদার বখশ
.............................................................................................
গ্রামীণ মানুষের সম্পদ বাড়ছে না, ঋণ বাড়ছে
.............................................................................................
Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale
Digital Load Cell
Digital Indicator
Digital Score Board
Junction Box | Chequer Plate | Girder
Digital Scale | Digital Floor Scale

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD