| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

  
Share Button
   সম্পাদকীয়
বিপর্যস্ত স্বাস্থ্যসেবা
  তারিখ: 14 - 09 - 2018

স্বাস্থ্যসেবা খাতের যাচ্ছেতাই অবস্থা। সরকারি হাসপাতালে ডাক্তার সংকট, কর্মী সংকট ও অব্যবস্থাপনা এবং উপযুক্ত পরিবেশ-প্রতিবেশের অভাব। বেসরকারি হাসপাতালে, বিশেষ করে বড় বড় শহরের হাসপাতাল-ক্লিনিকে লোকবল সংকট প্রবল নয়, পরিবেশ মোটামুটি ভালো; তবে সেসব হাসপাতালে নিম্ন আয়ের মানুষের প্রবেশের যোগ্যতাই নেই। তাদের সেবাগ্রহীতারা সচ্ছল, মধ্যবিত্ত বা ধনী ব্যক্তি। মধ্যবিত্তরা দুয়েকবার এসব হাসপাতাল-ক্লিনিকে গেলে নিম্নবিত্ত হয়ে ফেরে। বিকল্পহীন না হওয়া পর্যন্ত কোনো মধ্যবিত্ত ওদিকে যেতে চায় না। অন্যদিকে সরকারি হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে গল্পের অন্ত নেই।
অধিকাংশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জায়গা ও শয্যা সংকট। জেলা বা বিভাগীয় পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে এ সমস্যা আরো প্রকট। রোগীদের ওয়ার্ডের বারান্দায় রাখা হয়। কোনো কোনো হাসপাতালে নারী ওয়ার্ডে পর্যাপ্তসংখ্যক শয্যা না থাকায় পুরুষ ওয়ার্ডে রেখে নারী রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। আবার শয্যার অনুপাতে জনবল না থাকায় রোগীর চাপ সামাল দিতে পারেন না চিকিৎসকরা। বহির্বিভাগে (আউটডোর) ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় রোগীদের। জরুরি বিভাগে চিকিৎসককে সময়মতো পাওয়া যায় না। রুটিন ভিজিট ছাড়া চিকিৎসকদের পাওয়া যায় না। পানি সরবরাহ ভালো নয়। টয়লেট খুব নোংরা। বিদ্যুৎ চলে গেলে সমূহ বিপদ। জেনারেটর নষ্ট থাকে, এক্স-রে মেশিন অকেজো থাকে। উপজেলা কমপ্লেক্সে আবাসিক ডাক্তার থাকেন কদাচিৎ।
কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কথা উদাহরণ হিসেবে এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চিকিৎসকের দেখা মেলে না। কর্মচারী সংকটের কারণে কমপ্লেক্স ভবন পরিচ্ছন্ন রাখতে হিমশিম খায় কর্তৃপক্ষ। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের ৯টি পদ শূন্য। তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীদের ১৮টি পদ খালি। ২০ জন ডাক্তারের জায়গায় রয়েছেন মাত্র ছয়জন। ১০ পরামর্শকের (কনসালট্যান্ট) জায়গায় আছেন ছয়জন। আলট্রাসনোগ্রাফ ও ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন নেই। গত বছর উপজেলা পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিল এ হাসপাতাল। আগের স্থান ধরে রাখার বিষয়ে চিন্তিত কর্তৃপক্ষ।
কোনো কোনো জেলা হাসপাতালের কনসালট্যান্টরা ঢাকায় বাস করেন; কিন্তু নিয়মিত বেতন তোলেন। কেউ কেউ গত দুই মাসে এক দিনও হাসপাতালে যাননি। কেউ বা মাসে দু-এক দিন যান। দিনে গিয়ে রাতেই ফিরে আসেন। চাকরিবিধি ও সিভিল সার্জনের নির্দেশনাকে তোয়াক্কা করেন না তাঁরা। ঢাকায় তাঁরা চুটিয়ে কনসালট্যান্সি করেন।
উপস্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোর অবস্থা আরো করুণ। চিকিৎসক সপ্তাহে দু-এক দিন যান। অন্য দিনগুলোতে বন্ধ থাকে। খোলা দিনে রোগীদের অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। অনেক উপকেন্দ্রে ডাক্তার, ফার্মাসিস্ট, অফিস সহায়ক ও পিয়নÑসব পদ শূন্য। কোনো কেন্দ্রে ফার্মাসিস্ট সপ্তাহে দু-এক দিন যান। কিছুু সময় থেকে চলে যান। তাঁরা অন্যত্র ব্যবসায় জড়িত।
কিছু ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে, যেখানে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হয়, ব্যবস্থাপনাও ভালো। কিন্তু সেসব ব্যতিক্রমই। এ অবকাশে ব্যবসার জাল ছড়ায় বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের মালিকরা। প্রচুর লাইসেন্সহীন হাসপাতাল-ক্লিনিকও গড়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতি মোটেও কাম্য নয়। মানুষের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। অবস্থার অবসান হওয়া জরুরি। সরকারকে মানসম্পন্ন ও পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে।





         
   আপনার মতামত দিন
     সম্পাদকীয়
নিরাপদ হোক ঈদযাত্রা
.............................................................................................
দুর্যোগে করণীয়
.............................................................................................
পুঁজিবাজারে দরপতন
.............................................................................................
কৃষিতে কৃষকের অরুচি সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি
.............................................................................................
প্রকল্পে সরাসরি অর্থ ছাড় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করুন
.............................................................................................
ঝুঁকিতে দুই কোটি শিশু এদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা নিশ্চিত করুন
.............................................................................................
অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ভয়ংকর পরিণতি থেকে রক্ষা পেতে হবে
.............................................................................................
বাড়ছে শ্রমিক অসন্তোষ মজুরি কমিশনের সুপারিশ আমলে নিন
.............................................................................................
রমজানে বাজারদর স্থিতিশীল রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে
.............................................................................................
শিল্পায়নে বাধা
.............................................................................................
সড়কে মর্মান্তিক মৃত্যু ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ করুন
.............................................................................................
ডাক্তারদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়িত হোক
.............................................................................................
পেট কাটলেন নার্স, ডাক্তার বললেন ‘ঝামেলা আছে সেলাই করে দাও’
.............................................................................................
বাড়ছে উত্তাপ-উত্তেজনা
.............................................................................................
নির্বাচনের পরিবেশ
.............................................................................................
ক্ষতিপূরণ পেতে ভোগান্তি
.............................................................................................
জননিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা
.............................................................................................
পরিবেশের প্রধান শত্রু প্লাস্টিক
.............................................................................................
বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে রোহিঙ্গারা
.............................................................................................
খুরা রোগের টিকা
.............................................................................................
চিকিৎসা বীমা
.............................................................................................
মাদকবিরোধী কর্মপরিকল্পনা
.............................................................................................
পানিও নিরাপদ নয়
.............................................................................................
মুদ্রাপাচার বেড়েই চলেছে
.............................................................................................
মুদ্রাপাচার বেড়েই চলেছে
.............................................................................................
মাদকে মৃত্যুদন্ড
.............................................................................................
বিশ্বমানের চিকিৎসা
.............................................................................................
গুজবের পিছে ছুটছে মানুষ
.............................................................................................
মিয়ানমারের নতুন উসকানি
.............................................................................................
স্বর্ণ নীতিমালা
.............................................................................................
শিশু যখন শ্রমিক
.............................................................................................
বেহাল স্বাস্থ্যসেবা
.............................................................................................
সম্ভাবনার কাঁকড়া শিল্প
.............................................................................................
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন
.............................................................................................
ক্ষতিকর এনার্জি ড্রিংকস
.............................................................................................
মির্জাপুরে কাঠ পোড়ানো চুল্লি
.............................................................................................
হুমকিতে তিন-চতুর্থাংশ মানুষ
.............................................................................................
বেহাল সড়ক ও সেতু
.............................................................................................
সর্বোচ্চ মৃত্যু বাংলাদেশে
.............................................................................................
নতুন মাদক খাত
.............................................................................................
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন
.............................................................................................
সম্পর্কে নতুন মাত্রা
.............................................................................................
ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল ২০১৮ বিতর্কিত ধারাগুলো পর্যালোচনা করুন
.............................................................................................
পরিবেশদূষণ বড় ঘাতক
.............................................................................................
ডিবি পরিচয়ে তুলে নেওয়া
.............................................................................................
ভুলে ভরা এনআইডি
.............................................................................................
পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন
.............................................................................................
বিপর্যস্ত স্বাস্থ্যসেবা
.............................................................................................
ক্যান্সার শনাক্তে প্রযুক্তি
.............................................................................................
নদীতে বিলীন হচ্ছে জনপদ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]