| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

  
Share Button
   উপসম্পাদকীয়
রাজনীতির হঠাৎ হাওয়ার চমক
  তারিখ: 28 - 09 - 2018

সংবাদমাধ্যমের খ্যাতি আছে রাজনৈতিক অঙ্গনে অঘটন-ঘটন ক্ষমতার অধিকারী হিসেবে, অথবা তেমন পরিবেশ সৃষ্টির ক্ষেত্রে। কারণ জনমত তৈরির ক্ষেত্রে সংবাদপত্রের অসাধারণ ভূমিকার কথা সবারই জানা। ইদানীং বাংলাদেশে, বিশেষত রাজধানী ঢাকায় আলোচনার প্রধান বিষয়ই দাঁড়িয়েছে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দাবি ও বিতর্ক।
সে নির্বাচনের প্রক্রিয়া তথা পদ্ধতিগত দিক নিয়ে এবং সেই সঙ্গে সরকারবিরোধী দলগুলোর ঐক্যমঞ্চ নিয়ে যে বিতর্ক হাঁটি হাঁটি পা পা করে চলছিল, তা হঠাৎ করেই মহানগর নাট্যমঞ্চের প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে যেন নাটকীয় রূপ পেয়ে গেল।
এ ঐক্যপ্রক্রিয়ার বিষয়টিও বেশ চমকপ্রদ। কিছুদিন ধরে চলছিল ড. কামাল হোসেন বনাম ডা. বি চৌধুরীর মধ্যে মতভেদ, কিছুটা মনোমালিন্য, তাও আবার ব্যক্তিগত অবস্থান নিয়ে। সে দ্বন্দ্ব মিটে যাওয়ার পর তাঁদের ঐক্যজোট বনাম বিএনপির বোঝাপড়ার সমস্যা। সুবুদ্ধির উদয় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের কয়েকজনের মধ্যে। তাঁরা ডা. চৌধুরীর বাড়িতে গিয়ে অতীত আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে সব ঝঞ্ঝাট আপাতদৃষ্টিতে মিটিয়ে ফেলেন।
এর পরই জন্ম নিল সরকারবিরোধী ঐক্যপ্রক্রিয়া, যা তাদের ভাষায় ‘জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া’ পূর্বোক্ত শনিবারের (২২-৯-২০১৮) সমাবেশ অন্তে তাদের যাত্রা শুরু। আর তাই নিয়ে অবাক হওয়ার মতো ঘটনা সংবাদমাধ্যমে সহসা চমক লাগানো সংবাদ পরিবেশনÑমোটা মোটা হরফে প্রথম পাতায় শীর্ষ শিরোনামে, বলতে হয় একযোগে প্রধান জনপ্রিয় দৈনিকগুলোতে।
ঘটনা একটু অভাবিতই ঠেকেছে। তাই শুরুতে সংবাদমাধ্যমের শক্তি ও খ্যাতির কথা মনে এলো। কারণ এরইমধ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার পূর্বোক্ত প্রক্রিয়াটি মোটেই কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না, ছিল কাঁটা বিছানো পথে হাঁটার মতো ঘটনা। সেসবের শেষ হতে না হতে মূলত বর্ষীয়ান রাজনৈতিক নেতা ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত ‘জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া’কে বিশেষ গুরুত্বে প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম।
মনে হয় তারা এর মধ্যে বিশেষ সম্ভাবনার ঝলকানি দেখতে পেয়েছে, তাই একটি দৈনিকে মোটা শিরোনাম ‘গণজাগরণের ডাক’। সচিত্র এ প্রতিবেদনে শীর্ষ বক্তব্য : ‘ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় একমঞ্চে সরকারবিরোধীরা’। একই সঙ্গে রয়েছে সংশ্লিষ্ট নেতাদের মূল বক্তব্য তথা স্লোগান : ‘স্বাধীনতাপক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে’ (বি চৌধুরী)।
প্রশ্ন উঠতে পারে স্বাধীনতাপক্ষের শক্তি বলতে এ ক্ষেত্রে কাদের বোঝানো হয়েছে? সমাবেশে উপস্থিত দলগুলোকে? এতদিন পর্যন্ত আমরা শুনে এসেছি, দেখে এসেছি বিভিন্ন মঞ্চে, বিভিন্ন প্রসঙ্গের বিবৃতিতে বা ঘোষণায় আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি হিসেবে নিজদের এবং তাদের সংশ্লিষ্ট দলগুলোকে চিহ্নিত করে এসেছে, এখনো তাই।
এ দাবি নিয়ে ভিন্নমত প্রকাশ পেলেও অস্বীকার করা যায়নি যে একাত্তরের স্বাধীনতাযুদ্ধের রাজনৈতিক পরিচালনায় প্রধান শক্তি ছিল আওয়ামী লীগ ও তাদের সঙ্গী রাজনৈতিক দলগুলো। যেমনÑসিপিবি ও অন্য কোনো কোনো দল। অন্যদিকে বামপন্থীদের বড়সড় অংশ পৃথকভাবে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে স্বাধীনতাসংগ্রাম চালিয়েছে, কেউ কেউ একই সঙ্গে দুই ফ্রন্টে।
তা সত্ত্বেও একাত্তরের যুদ্ধ শেষে স্বাধীন বাংলাদেশে স্বাধীনতাযুদ্ধে সংশ্লিষ্ট দলগুলোকে নিয়ে সম্মিলিত জাতীয় সরকার গঠন করা হয়নি। সত্তরের নির্বাচনী ফলাফলের নিরিখে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে, যদিও সত্তরের নির্বাচন ছিল ছয় দফার ভিত্তিতে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি নিয়ে। এ ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে যথেষ্ট ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল।
রাজনৈতিক নেতা হিসেবে ড. কামাল হোসেন বরাবরই নমনীয় তথা রাজনৈতিক ভাষ্যে নরমপন্থী। তিনি চড়া সুরে কথা বলেন না। তাই এবারও তাঁর বক্তব্য, ‘মানুষ চায় দেশে সুশাসন নিশ্চিত হোক।’ এটা অবশ্য সবারই চাওয়া, বিরাজমান সামাজিক-নৈরাজ্যের পটভূমিতে। বিএনপির পক্ষে স্বভাবতই মূল স্লোগান ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের, তাদের সাম্প্রতিক সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে। আ স ম আবদুর রবের (একাত্তরের চার ছাত্রনেতার অন্যতম) ‘মানচিত্র লুট হওয়ার শঙ্কা’ প্রকাশ বলা বাহুল্য ভিন্ন মাত্রার।
অন্য স্বনামখ্যাত দৈনিকগুলোতে এ প্রসঙ্গে সংবাদ শিরোনাম হিসাব-নিকাশ করেÑযেমন ‘ঐক্যের আনুষ্ঠানিক যাত্রা’, অন্যদিকে ‘নিরপেক্ষ সরকার চায় ঐক্যপ্রক্রিয়া’ এবং ‘সরকারকে আলোচনার আলটিমেটাম’ ইত্যাদি। বলা বাহুল্য, এই নির্বাচনী ঐক্যের মূল দাবি ভোট পরিচালনায় ক্ষমতাসীন সরকার-নিরপেক্ষ সরকার অর্থাৎ সেই পুরনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার, যে দাবির বিরুদ্ধে অনড় আওয়ামী লীগ।

দুই.
সংবাদপত্রের পরিবেশনা যেমনই হোক, তাদেরই পরিবেশিত ভিন্ন ভিন্ন সূত্রের খবর জোড়া দিতে গেলে দেখা যায় এই ঐক্যে অদৃশ্য চিড়, মতামতের ভিন্নতা, বক্তব্যের স্ববিরোধিতা ইত্যাদি। প্রকৃতপক্ষে দমননীতির মুখে বিধ্বস্ত বিএনপির পক্ষে এই ঐক্যজোট গড়ার কোনো বিকল্প ছিল না। এটা তাদের অস্তিত্ব-সংকট সমাধানের লড়াই, পূর্ব ভুলের মাসুল গোনা।
হয়তো তাই বিএনপির প্রবাসী নেতা তারেক রহমানের বোধোদয় ঘটেছে। বিতাড়িত ডা. বি চৌধুরীর নেতৃত্ব মেনে নিতে দলের শীর্ষ নেতাদের প্রতি তাঁর পরামর্শ, এমনকি পরামর্শ একদা আওয়ামী লীগ ত্যাগী, গণফোরামপ্রধান ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বও মেনে নিতে। কারণ দলের একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী নেত্রী খালেদা জিয়া এখন দুর্নীতি মামলায় কারাগারে। বিএনপির ঐক্য গড়ার হিসাব-নিকাশ অনেকটা এ রকমই।
তবু বিশদ বিশ্লেষণে এ ঐক্যজোটের অন্তর্নিহিত স্ববিরোধিতার দিকগুলো মোটামুটি স্পষ্ট। এ জোটের অন্যতম নেতা, বিএনপি আমলের সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. বি চৌধুরী বলেছেন : ‘যারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল এবং আছেÑতাদের সঙ্গে ঐক্য করব না’ (২৩-৯-২০১৮)। স্বভাবতই প্রশ্ন : বিএনপি-জামায়াত গাঁটছড়া তো এখনো অটুট, তাহলে তাদের সঙ্গে ঐক্যজোট গঠন কিভাবে সম্ভব হলো। দ্বিতীয়ত, ড. কামাল হোসেনের রাজনীতির হাতেখড়ি আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে। তিনি মূলত একজন মননশীল, বিদগ্ধ বুদ্ধিজীবী, রাজনীতি তখন বাধ্যতামূলকভাবে তাঁর কাঁধে চেপেছে, যেমন আরো অনেকের। এরপর আর রাজনীতির প্রাঙ্গণ থেকে সরে আসা সম্ভব হয়নি। কিন্তু তাঁর পায়ের নিচে রাজনীতির মাটি কখনো শক্ত হয়নি।
আওয়ামী লীগ-পরবর্তী রাজনৈতিক জীবনে তিনি জাতীয় রাজনৈতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করতে পারেননি, এমনকি সম্ভাবনাময় গণফোরামের প্রধান হিসেবে মনোনীত হওয়ার পরও। তবে তিনি নিজেকে বরাবরই স্বাধীনতার পক্ষের রাজনীতিক রূপে গণ্য করেছেন, বক্তৃতা-বিবৃতিতেও তাই। বিশেষ করে স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলামের ঘাতক রাজনীতির বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করে থাকেন তাঁর বক্তৃতা-বিবৃতিতে। এখন তিনিই বা কিভাবে হাত মেলাচ্ছেন জামায়াতসঙ্গী বিএনপির সঙ্গে?
প্রশ্নগুলোর জবাব রাজনীতি সচেতন মানুষ জানতে চাইবে, এটাই স্বাভাবিক। অবশ্য প্রচলিত প্রবাদ, রাজনীতিতে মিল-অমিল, ঐক্য-অনৈক্য নিয়ে শেষ কথা বলে কিছু নেই। কিন্তু এই যদি হয় রাজনীতির আদর্শ, তাহলে সে রাজনীতি কি কখনো জনস্বার্থ পূরণ করতে পারে, ব্যক্তিস্বার্থ ও দলীয় স্বার্থ, এককথায় কায়েমি স্বার্থ উপেক্ষা করে? তা ছাড়া দ্বিধাবিভক্ত ভারতীয় রাজনীতি কি কথিত স্বাধীনতা-উত্তরকালে সা¤্রাজ্যবাদী স্বার্থবলয়ের বাইরে সক্রিয় থাকতে পেরেছে, বিশেষ করে মার্কিন আধিপত্যবাদের বাইরে? এ ক্ষেত্রে এদের ভূমিকা কতখানি, কেমন?
এ জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাই অনেকেরই প্রশ্ন, প্রশ্ন জোট ও দল বিশেষের নিজ নিজ রাজনৈতিক স্বার্থে এবং প্রশ্ন রাজনীতিমনস্ক ব্যক্তি বা বিশ্লেষকদের, দেশের স্বার্থ বিবেচনায়। এ প্রসঙ্গে একটি কৌতূহলোদ্দীপক প্রশ্ন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেÑ‘জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া জাতীয় চরিত্রের হয় কিভাবে দেশের প্রধান দল আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে?’ আমাদের দেশে সমাজ-রাজনীতির একটি প্রবণতা সব কিছুতেই ‘জাতীয়’ শব্দটির তকমা ব্যবহার করা। ঐক্যপ্রক্রিয়াও তাই করেছে।

তিন.
রাজনৈতিক অঙ্গনে নবজোটের যাত্রা, নীতিগত ঘোষণা ইত্যাদির পরিপ্রেক্ষিতে সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এ সম্পর্কে আওয়ামী লীগের প্রতিক্রিয়া! বিশেষ করে যখন ঐক্যজোটের ঘোষণা : অক্টোবর থেকে সারা দেশে সভা-সমাবেশ সংগঠনের। সে ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ কি এযাবৎ বিএনপিবিষয়ক নীতিই অনুসরণ করে চলবে? মনে রাখতে হবে, আন্তর্জাতিক কূটনীতি কিন্তু বিরোধীদের পক্ষে সহূদয়।
এ মুহূর্তে আওয়ামী লীগের নিয়মতান্ত্রিক প্রতিক্রিয়া স্পষ্ট নয়, যা অচিরে বোঝা যাবে বলে আমাদের বিশ্বাস। তবে এ কথা ঠিক যে এ জোটের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী শিবিরে অস্বস্তি দেখা যাচ্ছে। একটি পত্রিকার ভাষ্যমতে, ‘আওয়ামী লীগে আতঙ্ক’। এর যুক্তিসম্মত প্রেক্ষাপট একটিইÑদীর্ঘকাল শাসনক্ষমতায় থেকে জনস্বার্থ পূরণ করতে না পারার জন-অসন্তোষ, যে বিষয়টির চরিত্র সর্বজনীন তথা বিশ্বজনীন।
আমার বিশ্বাস, আওয়ামী লীগে অস্বস্তি বা আতঙ্ক যদি থাকেও, তা যতটা বাস্তবে ঐক্যজোটের কারণে, তার চেয়ে বেশি তাদের সুশাসনের ঘাটতি, সামাজিক নৈরাজ্য এবং চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, গুম খুনের প্রবলতা, সর্বোপরি ব্যাপক দুর্নীতি, যা বহু কথিত। অন্যদিকে দলের উচ্চাভিলাষীদের সৃষ্ট অনৈক্য, সেই সঙ্গে দলে অন্তঃকলহ, নির্বাচন নিয়ে সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা, বিদ্রোহী প্রার্থী গ্রুপ তৈরির আশঙ্কা ইত্যাদি।
অর্থাৎ আওয়ামী লীগের শঙ্কা বা আতঙ্কের কারণ আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরেই নিহিত। সেটাই তাদের সংকট। আর এ সমস্যা-সংকটের সুযোগ নিতে চেষ্টা করবে সম্প্রতি গঠিত বিএনপি ঐক্যজোট। আওয়ামী লীগের সতর্কতার জায়গাটি এখানে, নিরপেক্ষ বিশ্লেষণে এমনটিই প্রতীয়মান।

লেখক :
আহমদ রফিক

কবি, গবেষক, ভাষাসংগ্রামী





         
   আপনার মতামত দিন
     উপসম্পাদকীয়
ঈদ এবং মাদক... ওরা বানায় : আমরা সেবন করি
.............................................................................................
নুসরাত কেন চলে যাবে...
.............................................................................................
এই দেশের সড়কে কে নিরাপদ?
.............................................................................................
রাজনীতির হঠাৎ হাওয়ার চমক
.............................................................................................
রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে
.............................................................................................
ওজোনস্তরের নতুন দুঃসংবাদ
.............................................................................................
বিজ্ঞান গবেষণা ও বাংলাদেশ
.............................................................................................
বিশ্ব আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার চাই
.............................................................................................
চীনা ‘ইউয়ান’, ভারতীয় ‘রুপী’, তুর্কী ‘লিরা’ সবার দাম কমছে
.............................................................................................
এখনো নিয়মিত মৃত্যু সড়কে কে দায় নেবে
.............................................................................................
মাঠের লড়াইয়ে লক্ষ্য হোক জয়
.............................................................................................
একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আশায়
.............................................................................................
আর কত রক্ত ঝড়বে জাতির বিবেকের?
.............................................................................................
হুমকিতে নয়, আলোচনায়ই সমাধান
.............................................................................................
বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব বাংলা নববর্ষ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস, পরীক্ষা বাতিল এবং অবিচার...
.............................................................................................
ভাষাশ্রদ্ধায় আসুন উচ্চারণ করি ‘বিজয় বাংলাদেশ’
.............................................................................................
চার বছরের উন্নয়ন অগ্রগতি ধারাবাহিকতা রক্ষা করাই বড় চ্যালেঞ্জ
.............................................................................................
শিক্ষা ধ্বংসে বইয়ের বোঝা-সৃজনশীল এবং ফাঁসতন্ত্র
.............................................................................................
প্রশ্নফাঁস আর কোচিংবাণিজ্যে শিক্ষার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁসের দায় কে নেবে?
.............................................................................................
মায়ের ভাষার অবহেলা কেন করছি আমরা?
.............................................................................................
সবাই জেগে উঠুক ভেজালের বিরুদ্ধে
.............................................................................................
নির্বাচন কমিশনের কর্মক্ষমতা ও ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস ও শিক্ষার দৈন্যদশা রোধ সম্ভব
.............................................................................................
মশা আর মাছি ধুলার সঙ্গে বেশ আছি!
.............................................................................................
বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ও নিয়ন্ত্রণক্ষমতা বাড়াতে হবে
.............................................................................................
প্যারাডাইস পেপার্স : সারাবিশ্বে সমস্যা ও সমাধান
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর অগ্নিগর্ভ ভাষণ : ইউনেস্কোর স্বীকৃতি
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পূনর্বাসনে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী
.............................................................................................
নিরাপদ পথ দিবস চাই
.............................................................................................
রোহিঙ্গা গণযুদ্ধের সূচনা হোক, স্বাধীন হোক আরকান
.............................................................................................
দর্শনহীন শিক্ষার ফল ব্লু হোয়েল সংস্কৃতি
.............................................................................................
সাবধানে চালাবো গাড়ী, নিরাপদে ফিরবো বাড়ী
.............................................................................................
বন্ধুদেশের ঋণের বোঝা এবং নতুন প্রজন্মের ভাবনা
.............................................................................................
চালে চালবাজী : সংশ্লিষ্টদের চৈতন্যোদয় হোক
.............................................................................................
৫ প্রস্তাবে বাংলাদেশে সংকট : দুর্ভিক্ষ আসন্ন
.............................................................................................
ভুখা মানুষের স্বার্থে সরকারকে কঠোর হতে হবে
.............................................................................................
রোহিঙ্গা তরুণের চিঠি এবং আমাদের করণীয়
.............................................................................................
ষোড়শ সংশোধনী বাতিল প্রসঙ্গে অনেকের অভিমত
.............................................................................................
তরুন প্রজন্মের সৈনিকেরা জেগে উঠলে কোন অপশক্তিই বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথ রুদ্ধ করতে পারবে না
.............................................................................................
আদর্শ সংবাদ ও সাংবাদিকতা
.............................................................................................
নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাহসী হতে হবে
.............................................................................................
পাবনা বইমেলা সাহিত্যকে সম্মৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে
.............................................................................................
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো...
.............................................................................................
ক্ষণজন্মা কিংবদন্তী মাদার বখশ
.............................................................................................
গ্রামীণ মানুষের সম্পদ বাড়ছে না, ঋণ বাড়ছে
.............................................................................................
ইসি গঠনে বিএনপি’র ফর্মূলা সুধিজনের ভাবনায় যুগোপযোগী
.............................................................................................
কর্পোরেট বিশ্বায়ন ও নয়া সমবায় আন্দোলন প্রসঙ্গে
.............................................................................................
ইছামতি নদী উদ্ধার এখন পাবনাবাসীর সময়ের দাবী
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]