শুক্রবার , ১৭ রবিঃ আউয়াল ১৪৪১ | ১৫ নভেম্বর ২০১৯| ৩০ কার্তিক ১৪২৬ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

  
Share Button
   সম্পাদকীয়
পরিবেশের প্রধান শত্রু প্লাস্টিক
  তারিখ: 21 - 10 - 2018

প্লাস্টিক এখন সারা দুনিয়ায় পরিবেশের জন্য এক নম্বর শত্রু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মাটিদূষণ, জলাশয়ের চরিত্র বদলে দেওয়া, পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত করা, জলজ প্রাণী ধ্বংস করাসহ বহুবিধ ক্ষতি হচ্ছে এই প্লাস্টিক দিয়ে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, প্লাস্টিকের এই অবাধ প্রবাহ বন্ধ করা না গেলে আগামি দু-তিন দশকের মধ্যে বিশ্ব এক বিপর্যয়কর অবস্থায় চলে যাবে। তাই দুনিয়াব্যাপী প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে ব্যাপক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে অনেক ধরনের প্লাস্টিকের দ্রব্য সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রকৃতিতে ছড়িয়ে থাকা প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করে সেগুলো ধ্বংসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশে এমন সচেতনতা কোথায়? না সরকারিভাবে, না ব্যক্তিপর্যায়েÑপ্লাস্টিকের বিরুদ্ধে কোনো উদ্যোগ নেই বললেই চলে। এমন অবস্থায় একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদলের প্রধান ও রাষ্ট্রদূত রেঞ্চা টিয়েরিংকসহ ইইউ মিশনের কর্মীরা। তাঁরা গত বৃহস্পতিবার ঢাকার হাতিরঝিল লেক এলাকায় ঘুরে ঘুরে ১০ বস্তা ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক-পলিথিনদ্রব্য সংগ্রহ করেছেন।
বাংলাদেশে আইনত পলিথিনের ব্যাগ উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ; কিন্তু সেটি কাগজে-কলমে। বাস্তবে আমরা বাজারে বা দোকানে গিয়ে এক হালি ডিম কিনলেও তা পলিথিন ব্যাগে দেওয়া হবে। বাসায় নিয়ে পলিথিনটা যেখানে-সেখানে ফেলে দিই। খাদ্যদ্রব্য কিনলেও প্লাস্টিক বা পলিথিনে দেওয়া হবে। যেখানে বসে খাব, সেখানেই ফেলে দেব প্লাস্টিকের কাপ বা ব্যাগ। তা না হলে হাতিরঝিল লেক এলাকায় ১০ বস্তা পলিথিন জমবে কেন? উন্নত দেশগুলোতেও প্লাস্টিকের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার রয়েছে। ক্রমেই সেগুলো কমিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলার জন্য আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে। মানুষ তা মেনে চলছে। অনেক দূর হেঁটে গিয়েও নির্দিষ্ট স্থানে প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলছে। কেউ অন্যথা করলে শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু আমাদের সেই সচেতনতা কোথায়? আইন মানানোর উদ্যোগ কোথায়?
প্রতি বর্ষায় জলাবদ্ধতা এখন ঢাকাসহ বড় শহরগুলোর প্রধান ভোগান্তি। এর মূল কারণ প্লাস্টিক জমে ড্রেনগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং বৃষ্টির পানি নামতে না পারা। তখন সাধারণ মানুষ সরকারকে দোষ দেয় আর সরকার যত্রতত্র পলিথিন ফেলার জন্য মানুষকে দোষ দেয়। চলতে থাকে দোষারোপের খেলা। কিন্তু এতে ভোগান্তির কোনো হেরফের হয় না। এটা ঠিক, জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রধান দায় সরকারের। কিন্তু আমাদের দায়ও অস্বীকার করার উপায় নেই। কেন আমরা পলিথিনের ব্যবহার কমাতে পারছি না? যত্রতত্র পলিথিন ফেলার বদ-অভ্যাসটি কেন ত্যাগ করতে পারছি না। ইইউ রাষ্ট্রদূত যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন, আমরা কি তা অনুসরণ করতে পারি না? আমাদের বাসস্থান, আমাদের এলাকা অন্য কারো নয়, আমাদেরই পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।





         
   আপনার মতামত দিন
     সম্পাদকীয়
দ্বিখন্ডিত শহরে দুর্ভোগও দ্বিগুণ
.............................................................................................
অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন দ্রুততম সময়ে সমঝোতায় আসা প্রয়োজন
.............................................................................................
ঘরে ফিরছে মানুষ ঈদ যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করুন
.............................................................................................
নিরাপদ হোক ঈদযাত্রা
.............................................................................................
দুর্যোগে করণীয়
.............................................................................................
পুঁজিবাজারে দরপতন
.............................................................................................
কৃষিতে কৃষকের অরুচি সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি
.............................................................................................
প্রকল্পে সরাসরি অর্থ ছাড় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করুন
.............................................................................................
ঝুঁকিতে দুই কোটি শিশু এদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা নিশ্চিত করুন
.............................................................................................
অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ভয়ংকর পরিণতি থেকে রক্ষা পেতে হবে
.............................................................................................
বাড়ছে শ্রমিক অসন্তোষ মজুরি কমিশনের সুপারিশ আমলে নিন
.............................................................................................
রমজানে বাজারদর স্থিতিশীল রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে
.............................................................................................
শিল্পায়নে বাধা
.............................................................................................
সড়কে মর্মান্তিক মৃত্যু ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ করুন
.............................................................................................
ডাক্তারদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়িত হোক
.............................................................................................
পেট কাটলেন নার্স, ডাক্তার বললেন ‘ঝামেলা আছে সেলাই করে দাও’
.............................................................................................
বাড়ছে উত্তাপ-উত্তেজনা
.............................................................................................
নির্বাচনের পরিবেশ
.............................................................................................
ক্ষতিপূরণ পেতে ভোগান্তি
.............................................................................................
জননিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা
.............................................................................................
পরিবেশের প্রধান শত্রু প্লাস্টিক
.............................................................................................
বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে রোহিঙ্গারা
.............................................................................................
খুরা রোগের টিকা
.............................................................................................
চিকিৎসা বীমা
.............................................................................................
মাদকবিরোধী কর্মপরিকল্পনা
.............................................................................................
পানিও নিরাপদ নয়
.............................................................................................
মুদ্রাপাচার বেড়েই চলেছে
.............................................................................................
মুদ্রাপাচার বেড়েই চলেছে
.............................................................................................
মাদকে মৃত্যুদন্ড
.............................................................................................
বিশ্বমানের চিকিৎসা
.............................................................................................
গুজবের পিছে ছুটছে মানুষ
.............................................................................................
মিয়ানমারের নতুন উসকানি
.............................................................................................
স্বর্ণ নীতিমালা
.............................................................................................
শিশু যখন শ্রমিক
.............................................................................................
বেহাল স্বাস্থ্যসেবা
.............................................................................................
সম্ভাবনার কাঁকড়া শিল্প
.............................................................................................
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন
.............................................................................................
ক্ষতিকর এনার্জি ড্রিংকস
.............................................................................................
মির্জাপুরে কাঠ পোড়ানো চুল্লি
.............................................................................................
হুমকিতে তিন-চতুর্থাংশ মানুষ
.............................................................................................
বেহাল সড়ক ও সেতু
.............................................................................................
সর্বোচ্চ মৃত্যু বাংলাদেশে
.............................................................................................
নতুন মাদক খাত
.............................................................................................
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন
.............................................................................................
সম্পর্কে নতুন মাত্রা
.............................................................................................
ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল ২০১৮ বিতর্কিত ধারাগুলো পর্যালোচনা করুন
.............................................................................................
পরিবেশদূষণ বড় ঘাতক
.............................................................................................
ডিবি পরিচয়ে তুলে নেওয়া
.............................................................................................
ভুলে ভরা এনআইডি
.............................................................................................
পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]