বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

  
Share Button
   স্বাস্থ্য-তথ্য
ইচ্ছে হলেই ওষুধ নয়
  তারিখ: 07 - 07 - 2019

 অসুখ হলে ওষুধ খেতে হয়। এ কথা আমরা সবাই জানি; কিন্তু সঠিক নিয়মে ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনেকেই অনুভব করি না। ওষুধ খেতে আমরা যতটা তৎপর, ওষুধ খাওয়ার নিয়ম মানতে ততটাই উদাসীন। আমাদের এ অবহেলা জীবন রক্ষাকারী ওষুধকে করে তুলতে পারে জীবনবিনাশী বিষ।


ইচ্ছামতো ওষুধ নয়
ওষুধ গ্রহণের ক্ষেত্রে আমরা প্রথমেই যে অনিয়মটা করি, তা হলো চিকিৎসকের পরামর্শ না নেয়া। আমরা নিজেরাই নিজেদের চিকিৎসা করি, কখনো আত্মীয়, কখনো বন্ধুর পরামর্শ নিই, কখনো চিকিৎসকের চেয়ে ওষুধ বিক্রেতার ওপর বেশি নির্ভর করি। `অমুক ওষুধে তমুক ভালো হয়েছিল, তাই আমিও ভালো হব` এমন চিন্তা আমাদের মধ্যে কাজ করে। অথচ, লক্ষণ এক হলেই অসুখ এক হবে এমন কোনো কথা নেই। আবার একই রোগে একই ওষুধের মাত্রা রোগীভেদে ভিন্ন হতে পারে। মোটা হওয়ার জন্য স্টেরয়েড বা শক্তি বাড়ানোর জন্য ভিটামিন খাই ভাতের চেয়ে বেশি। এসবের মারাত্মক, কখনো জীবনবিনাশী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আমরা সম্পূর্ণ অজ্ঞ।
যদিওবা কখনো (বাধ্য হয়ে) চিকিৎসকের পরামর্শ নিই, ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের বেঁধে দেয়া বিধিনিষেধ মানি কম। সময়মতো ওষুধ খাওয়া, খাওয়ার আগে, না পরে তা বুঝে খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা, এসব আমরা খেয়াল রাখি না। বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিকের মাত্রার ক্ষেত্রে আমরা পুরোপুরি উদাসীন থাকি। সবচেয়ে ভয়াবহ হলো ওষুধ বন্ধ করে দেয়া। `জ¦র ভালো হয়ে গেছে, অ্যান্টিবায়োটিক আর কী দরকার` ভেবে নিজেরাই ওষুধ বন্ধ করে দিই। আবার অন্যদিকে কয়েক দিনে জ¦র ভালো না হলে `ওষুধ ঠিক নাই` ভেবে তা বন্ধ করে দিই এবং অন্য চিকিৎসকের কাছে নতুন ওষুধের প্রত্যাশায় যাই। যেসব অসুখে দীর্ঘদিন বা আজীবন ওষুধ খেতে হয়, সেখানে আমরা অসুখ নিয়ন্ত্রণে এলেই তা বন্ধ করে দিই, বুঝতে চাই না যে রোগ ভালো হয়নি, নিয়ন্ত্রণে আছে কেবল। একসময় লোকমুখে `ক্যান্সারের ওষুধ` শুনে বাতের ওষুধ বন্ধ করার ঘটনা প্রচুর দেখা যেত। ওষুধ শুরুর মতো বন্ধ করার সময়ও আমরা নিয়ম মানি না। যেসব ওষুধ হঠাৎ বন্ধ করা যায় না, তা নিজেরাই হঠাৎ বন্ধ করে দিই।


ওষুধ নিয়ে অনাচারে কী ক্ষতি হতে পারে?
প্রথম কথা, যে রোগের জন্য ওষুধ সেবন করা তার উপশম হবে না, বরং খারাপ হতে পারে। ওষুধ প্রতিরোধী জীবাণুর আবির্ভাব এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার জীবাণুর বিরুদ্ধে এদের অকার্যকর করে দিচ্ছে। সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে যে রোগ শুরুতেই ভালো করা যেত, অপব্যবহারের কারণে তা আর সম্ভব হচ্ছে না, নতুন দামি ওষুধ দরকার হচ্ছে, কখনো তাতেও কাজ হচ্ছে না। বিশেষভাবে বলা যায় যক্ষ্ণার কথা, যেখানে কমপক্ষে ছয় মাস ওষুধ খেতে হয়, অথচ অনেকেই কয়েক মাস খেয়ে `ভালো হয়ে গেছি` মনে করে তা বন্ধ করে দেয়। তখন তা মারাত্মক মাল্টি-ড্রাগরেজিস্ট্যান্স টিবিতে পরিণত হয়, যা নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন। আর্থিক দিকটাও বিবেচনা করা জরুরি। যে চিকিৎসা এখন সুলভে হচ্ছে, অবিবেচকের মতো ওষুধ খেলে তা পরবর্তী সময়ে ব্যয়বহুল হয়ে যেতে পারে।


শুধু জীবাণু সংক্রমণ নয়, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি অসুখেও মাঝেমধ্যে ওষুধের ব্যবহার উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে।
নিয়মিত ওষুধ খেলেও যদি সেবনবিধি না মানা হয়, তবে অনেক ওষুধই অকার্যকর হয়ে যায়। খালি পেটে খাওয়ার ওষুধ ভরা পেটে খেলে তা না খাওয়ার মতোই হবে। এ ছাড়া অনেক ক্ষেত্রেই এক ওষুধ অন্য ওষুধের উপস্থিতিতে কাজ করে না। অজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে এসব ওষুধ একত্রে খেলে লাভ তো হবেই না, বরং ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা আছে।
মনের মতো ওষুধ খাওয়ার আরেক সমস্যা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। একজন চিকিৎসক ভালোমতোই জানেন, কোনো ওষুধের কী সমস্যা আর তাই তা কাকে দেয়া যাবে, কাকে যাবে না। নিজে থেকে ওষুধ খেলে এসব বিবেচনা সম্ভব নয়, তাই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা বেশি। ব্যথার ওষুধ খেয়ে পেট ফুটো হওয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে। মোটা হওয়ার জন্য স্টেরয়েড খেয়ে অনেকেই মারাত্মক কুশিং সিনড্রোমে আক্রান্ত হন, যা সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হয়। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হঠাৎ ওষুধ বন্ধ করেও অনেকে বিপদে পড়েন, বিশেষ করে স্টেরয়েড হঠাৎ বন্ধ করলে এডিসনিয়ান ক্রাইসিস হতে পারে, যা থেকে রোগী মারাও যেতে পারে।
সাধারণ ওষুধ, যার অনেক প্রেসক্রিপশন ছাড়াই পাওয়া যায়, বিশেষ অবস্থায় তাও হতে পারে ক্ষতিকর। আমরা অনেকেই জানি না যে ভিটামিন `এ` বা কৃমির ওষুধের মতো সাধারণ ওষুধ গর্ভের শিশুর মারাত্মক ক্ষতি করে। লিভারের রোগীর জন্য প্যারাসিটামলজাতীয় ওষুধ হতে পারে ক্ষতির কারণ।
এই অবস্থার জন্য দায়ী আমরা সবাই। রোগী যেমন চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাহুল্য ভাবছেন, চিকিৎসক তেমনি রোগীকে অনেক সময় সঠিক পরামর্শ দেন না। চিকিৎসক রোগীকে ওষুধ দেয়ার সময় সেই ওষুধের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কিনা, তা রোগীকে বলা উচিত। তাহলে রোগীও সচেতন থাকবে ওষুধ খাওয়ার ব্যাপারে।


এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য রোগীদের যা মেনে চলা উচিত তা হলো-
শুধু চিকিৎসক পরামর্শ দিলেই ওষুধ সেবন করা যাবে।
* বিশেষ অবস্থায় (যেমন গর্ভাবস্থা, লিভারের রোগ ইত্যাদি) সাধারণ ওষুধ যা প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যায়, তাও চিকিৎসকের পরামর্শেই ব্যবহার করতে হবে।
* শুধু ফার্মাসিস্টের কাছ থেকে ওষুধ কেনা উচিত। কেনার সময় তার মেয়াদকাল দেখে নিতে হবে। মনে রাখবেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ আপনার রোগ সারানোর পরিবর্তে ক্ষতি করতে পারে।
* চিকিৎসক ওষুধ খাওয়ার যে নিয়ম বলে দেবেন (কতটুকু ওষুধ, কতক্ষণ পরপর, কত দিন, খাবার আগে না পরে ইত্যাদি), তা মেনে সেবন করতে হবে। প্রয়োজনে তা লিখে রাখুন বা মনে রাখতে অন্যের সাহায্য নিন। নিজে থেকে ওষুধের মাত্রা পরিবর্তন করা যাবে না।
* অনেকে একবার চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র নিয়ে বারবার সেই ব্যবস্থাপত্র দেখিয়ে ফার্মেসি থেকে ওষুধ কেনেন। এ ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে প্রথম ব্যবস্থাপত্রে যে ওষুধ যত দিন খেতে বলা হয়েছে, তত দিনই খাওয়া যাবে। আবার একই অসুখ হলেও সেই একই ওষুধ কাজ নাও করতে পারে।
* সামান্য কারণেই ব্যথার ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই খাওয়া শুরু করবেন না।
* নিজে নিজে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করা যাবে না। সুস্থবোধ করলেও কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। কোনো সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
* একই সঙ্গে অ্যালোপ্যাথিক ও অন্যান্য পদ্ধতির চিকিৎসা চালালে তা চিকিৎসককে জানানো উচিত।
* ওষুধ সব সময় আলো থেকে দূরে, ঠান্ডা, শুষ্ক স্থানে, শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। কিছুকিছু ওষুধ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হয়। নির্ধারিত তাপমাত্রায় সংরক্ষণ না করলে এর কার্যকারিতা নষ্ট হয়, এ বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
* অনেক সময় দোকানিরা প্রেসক্রিপশনে লেখা ওষুধ না দিয়ে শুধু বিক্রি করার জন্য অন্য কোম্পানির অন্য ওষুধ দিয়ে থাকেন, বলেন `একই ওষুধ`। এ ক্ষেত্রে রোগীদের সতর্ক থাকা উচিত এবং চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রে উলিস্নখিত নামের ওষুধ কেনা উচিত।
* বাচ্চা ও বয়স্কদের বেলায় আরও বেশি সতর্ক হতে হবে। তাদের বেলায় ওষুধের মাত্রা, চোখের ড্রপ বা মলম এবং ইনজেকশনের প্রয়োগবিধির (যেমন মাংসে বা শিরায়) ব্যাপারে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।


এর সঙ্গে সঙ্গে ওষুধ বিক্রেতার কর্তব্য প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ বিক্রি করা, শুধু ব্যবসায়িক স্বার্থে যেনতেনভাবে যে কোনো ওষুধ বিক্রি না করা। কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করা, দোকানে ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে নিয়ম মানা হচ্ছে কিনা, তা পর্যবেক্ষণ করা ও সার্বিক তত্ত্বাবধান করা।
ওষুধের অপব্যবহার, বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিকের রেজিস্ট্যান্স থেকে নিজেদের এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাতে এখনই পদক্ষেপ নেয়া দরকার।

 





         
   আপনার মতামত দিন
     স্বাস্থ্য-তথ্য
যা হয় অতিরিক্ত পনির খেলে
.............................................................................................
মাংস খাওয়া ভালো না খারাপ
.............................................................................................
পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর ১০ ফল
.............................................................................................
স্বাস্থ্যের জন্য ব্যথা নাশক ওষুধ সেবন ক্ষতিকর
.............................................................................................
কব্জির ব্যথায় যা করবেন
.............................................................................................
হার্ট সুস্থ্য রাখতে করনীয়
.............................................................................................
বমি থেকে দূরে রাখবে আদা!
.............................................................................................
রক্তচাপে বাড়ে মাড়ির রোগ
.............................................................................................
যেভাবে বুঝবেন বৃক্ক বিপদে আছে
.............................................................................................
ত্বকের ফাঙ্গাস রোগ
.............................................................................................
রেনিটিডিনে ক্যান্সারের উপাদান
.............................................................................................
ভালো ঘুমের জন্য খেতে হবে যে খাবার
.............................................................................................
শিশুর প্রথম দাঁতের যত্ন
.............................................................................................
আয়রন সমৃদ্ধ খাবার রক্তাল্পতায়
.............................................................................................
জানুন জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা সিপিআর সম্পর্কে
.............................................................................................
বাড়ছে ভুলে যাওয়া রোগ
.............................................................................................
হৃদরোগের চিকিৎসা
.............................................................................................
ক্যারিয়ার হিসেবে মেকআপ আর্টিস্ট
.............................................................................................
ব্যায়াম শুরুর আগে করনীয়
.............................................................................................
রসুন যেভাবে চুল বৃদ্ধি করে
.............................................................................................
পুদিনার যত গুণ
.............................................................................................
হার্ট সার্জারি হলে ‘কি খাবেন, কি খাবেন না’
.............................................................................................
ভিন্ন রকম ডায়েট
.............................................................................................
ঘুমের ওষুধে ঝুঁকি
.............................................................................................
লিভার সমস্যায় যা করতে হবে
.............................................................................................
গেঁটে বাত : লক্ষণ ও প্রতিকার
.............................................................................................
ডায়েট চার্টে রাখুন বাদাম
.............................................................................................
যেসব সবজিতে কার্বোহাইড্রেইট কম
.............................................................................................
চিত্ত চাঞ্চল্যের খিদা কমাতে করনীয়
.............................................................................................
লাল খাবারের যত উপকার
.............................................................................................
যেসব ক্ষতি হয় চুলে রঙ করলে
.............................................................................................
যেভাবে জলাতঙ্ক থেকে বাঁচবেন
.............................................................................................
শুধু বয়স দায়ী নয় বলিরেখার জন্য!
.............................................................................................
পুরো দিন ক্লান্ত লাগলে যা করনীয়?
.............................................................................................
ক্যানসারের ঝুঁকি খাদ্যাভাসে
.............................................................................................
শিশুর মাথাব্যথা
.............................................................................................
নির্ঘুম কাটঁতে কিছু খাবার
.............................................................................................
অতিরিক্ত লবণ তামাকের মতো ক্ষতিকর
.............................................................................................
চুল পড়া সমস্যা, মাত্র ১ মাসে চুল পড়া কমাবে
.............................................................................................
আনন্দের পাশাপাশি ঈদে ডেঙ্গু রোগীর যত্ন
.............................................................................................
কাঁঠাল পুষ্টিগুণের দিক থেকেও অনন্য
.............................................................................................
যেসব খাবার ডেঙ্গু হলে উপকারী
.............................................................................................
পানি পান যে সময়ে জরুরি
.............................................................................................
কোয়েলের ডিমের যত গুণ
.............................................................................................
ছত্রাকজনিত রোগ ও চিকিৎসা
.............................................................................................
কীভাবে বুঝবেন বাত কেন হয়
.............................................................................................
গরমে যে খাবারগুলো খাবে না
.............................................................................................
বর্ষায় পায়ের যত্ন
.............................................................................................
আখের রসে ওজন কমবে
.............................................................................................
প্রাকৃতিক উপাদানে ঠোঁটের যত্ন নিন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]