ঢাকা,বৃহস্পতিবার,৭ কার্তিক ১৪২৭,২২,অক্টোবর,২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

  
Share Button
   উপসম্পাদকীয়
কোভিড-১৯: পলিথিন ও প্লাস্টিকজাত পণ্যের আধিপত্য
  তারিখ: 20 - 06 - 2020

বাংলাদেশ আজ এক কঠিন সময়ের মধ্যে আবর্তিত হচ্ছে। শহরে জনসংখ্যা যেমন বাড়ছে, মানুষের তৈরি ময়লা আবর্জনাও বাড়ছে। এইতো কিছুদিন পূর্বেও বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করতে যেতে আমরা পাট বা কাপড়ের ব্যাগ(থলে) নিয়ে বাজারে যেতাম এবং অনেকেই বাঁশের ঝুঁড়ি নিয়ে হাঁট-বাজার করতে যেতাম। কিন্তু বাংলাদেশে আশিঁর দশকের পর হতে ধীরে ধীরে এইসব প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি পাত্র দৃশ্যপট হতে প্রস্থান করা শুরু করে। বিশ্বায়নের এই যুগে আমাদের ঘরের চারিপাশে একটু লক্ষ্য করলে দেখা যায়, খাদ্য পরিবহন, সংরক্ষন থেকে শুরু করে খাদ্য পরিবেশনের পুরোটাই জুড়ে পলিথিন ব্যাগ সহ প্লাস্টিকজাত পণ্যের আধিপত্য। এর মধ্যে এসেছে মহামারী করোনা ভাইরাস, ধ্বংস করতে চাচ্ছে মানব সভ্যতা এবং রেখে যাচ্ছে ক্ষতের চিহ্ন।

করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে সমগ্র দেশে একবার ব্যবহারিত প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি জিনিসের ব্যবহার উদ্বেগজনক হারে বেড়ে গেছে। বিশেষ করে মানুষ করোনা ভাইরাস হতে মুক্ত থাকতে একবার ব্যবহৃত প্লাস্টিকজাত প্লেট, গ্লাস, কাপ, চামচ, স্ট্র ইত্যাদির ব্যবহার সাথে সাথে পাতলা পলিথিনের হাত মোজা, সার্জিক্যাল-মাস্ক ও পরিধেয় পোশাক ইত্যাদির ব্যবহার করছে, ফলে প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টিক বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে। যা আমাদের পরিবেশ এবং মানব স্বাস্থ্যের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে মারাত্মক ক্ষতিকর। গণমাধ্যম এর প্রতিবেদন হতে জানা যায় যে, এপ্রিল হতে মে মাস এই এক মাসে ১৪ হাজার টন প্লাস্টিক বর্জ্য উৎপন্ন হয়েছে। যার প্রত্যক্ষ ভাবে করোনা সঙ্গে জড়িত প্লাস্টিকজাত পণ্যের বর্জ্য। একবার ব্যবহৃত প্লাস্টিকের পণ্য ব্যবহার আমরা বন্ধ করতে না পারি তাহলে আমাদের পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যাবে। এটা কি বিশ্বায়নের কফিনে শেষ পেরেক ডুকিয়ে দেওয়ার মত অবস্থা; নাকি এটা “মরার উপর খাঁড়ার ঘাঁ” সৃষ্টি করছে?

যদিও বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে প্লাস্টিক ও পলিথিন শপিং ব্যাগ (থলের) ব্যবহার, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ। বাংলাদেশে পলিথিন বা প্লাস্টিক ব্যাগের বিকল্প হিসেবে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে ১৭ টি পণ্যের সংরক্ষণ ও পরিবহন পাটের ব্যাগের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তারপরও এই করোনা মহামারীর সময়ে সুরক্ষার নামে একবার ব্যবহৃত প্লাস্টিকজাত পণ্য ও পলিথিন শপিং ব্যাগ এর ব্যবহার অন্যান্য সময়ের তুলনায় অনেকগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। এগুলো দেখা বা মনিটরিং এর যেন কেউ নেই। কিছু দিন পূর্বেও ঢাকা সির্টি করপোরেশন নির্বাচনের সময় প্রার্থী প্রচারণার নামে পলিথিনের ব্যবহার বেড়ে গিয়েছিল। নির্বাচনে পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে আমাদের নির্বাচন কমিশনসহ অন্যান্য কর্তৃপক্ষের উদাসিনতা ও চরম গাফিলতি দেখা যায়।

এছাড়াও (২০১৯ সালে নভেম্বর- ডিসেম্বর) মাসের গণমাধ্যম এর প্রতিবেদন হতে আরো জানা যায়, ঢাকা শহরে বছরে প্রায় ১৪ মিলিয়ন প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহৃত হয়। এবং এসব প্লাস্টিক ব্যবহারের পর যেখানে সেখানে ফেলা হয়, যা মিঠা পানি ও সামূদ্রিক জীবের জীবন বিপন্ন হয়। বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৮,০০০০০ টন প্লাস্টিক বর্জ তৈরী হয়। যার মধ্যে ২,০০০০০ টন বর্জ্য নদী নালার মাধ্যমে পতিত হচ্ছে, সমূদ্রের অনেক পশু পাখি সামূদ্রিক প্রাণী এসব প্লাস্টিকজাত দ্রব্য খেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। প্লাস্টিকজাত দ্রব্য সমুদ্রে ফেলার কারনে সমুদ্রের অক্সিজেনের পরিমান কমে যাচ্ছে তাতে করে সামদ্রিক জলজ প্রাণী এখন হুমকির সম্মুখীন। বঙ্গোপসারে ৩০০ ধরনের প্লাস্টিকজাত পণ্য, দিনে ৭৩ হাজার টন পতিত হচ্ছে।

রাষ্ট্রের প্রচলিত আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এই সব প্লাস্টিক ও পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন ও ব্যবহার করা হচ্ছে। যে কোনো প্রচলিত আইন যদি যথাযথ ভাবে প্রয়োগ না করা হয়, তাহলে উক্ত আইনের কার্যকরিতা থাকে না এবং আইনটি নিষ্কিয় হয়ে যায়। একইভাবে বিকল্প চটের ও কাপড়ের ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও “বাজারে এখনও পলিথিন ব্যাগের দৌরাত্ম্য বাড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে” পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি।

আর্থ ডে নেটওয়ার্ক এর তথ্য মতে, বাংলাদেশ ১০ প্লাস্টিক ব্যবহারকারী দেশ। ১ কেজি প্লাস্টিক ও পলিথিন উৎপাদন করতে বায়ুমন্ডলে মিশে ২-৩ কেজি কার্বন ডাই-অক্সাইড এর মত বিষাক্ত গ্যাস। যদিও উন্নত বিশ্বের কার্বন নিঃসরণের ফলে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি আমরা। এই কার্বন গ্যাস নিঃসরনের ফলে বায়ুমন্ডলীর ওজনস্তর স্ট্রাটোস্ফিয়ার, আইনোস্ফিয়ার, যা সূর্যের ক্ষতিকর আল্ট্রাভায়োলেট-রে (অতি বেগুনী রশ্মি) কে পৃথিবীতে সরাসরি আসতে বাধা দিতো তা মারাত্মকভাবে বিনষ্ট হয়ে গেছে। ফলে পৃথিবীতে তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। ওজনের স্তরের ক্ষতির ও বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে জলবায়ুর উপর বিশাল প্রভাব পড়ছে। বৈশ্বিক উষ্ণতার ফলে হিমালয়, এন্টারর্কটিকার বরফ আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিমানে গলছে, ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে ক্রমান্বয়ে। পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া, অতিরিক্ত বরফ গলা, সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়ার ফলে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের ক্ষতিসহ আমাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ ভূমি সমুদ্র গর্ভে চলে যাবে।

ইংরেজীতে প্রবাদ আছে, ঞওঞ ঋঙজ ঞঅঞ অর্থাৎ ইট মারলে পাটকেল খেতে হয়। অনেক আগে থেকেই আমরা পরিবেশকে ইট মেরে এসেছি। নিজেদের ইচ্ছেমত ধ্বংস করেছি পরিবেশের উপাদান। প্লাস্টিক দূষণ হলে যা পরবর্তীতে পরিবেশে বিশেষ করে বন্যপ্রাণ, বন্যপ্রাণ আবাসস্থল, এমনকি মানবজাতীর ওপর বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করে। এমনিতে বর্ষাকাল আসলে ঢাকা শহরের রাস্তা ও সড়কগুলো জলবন্ধতার কারণে পানির নিচে চলে যায়। কারণ এই সব প্লাস্টিকজাত পণ্য ও পলিথিন ব্যাগ ব্যহারের পর যত্রতত্র পেলে দেওয়ার ফলে প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্যগুলো নগরের নালা-নর্দমা ও সুয়ারেজ লাইনে আটকা পড়ে। ফলে যথা সময়ে বৃষ্টির পানি ও সুয়ারেজ লাইনের পানি অপসারন হতে না পেরে রাস্তা ও সড়কে স্থায়ী জলাবন্ধতা দেখা দেয়। এই বছর বৈশাখ মাসেই অর্থাৎ গ্রীষ্ম কালে বর্ষা শুরু হওয়ার কারণে আগের বছরগুলো থেকেও উক্ত জলাবন্ধতা আরো ভয়াবহ রূপ নিবে।

“রাষ্ট্র শুধু আইন করে একটি গেজেট নোটিফিকেশন প্রকাশ করে দিলেই দায়িত্ব শেষ হবেনা” উক্ত আইনের যথার্থ প্রয়োগ করার পাশাপাশি এ আইন জনগণকে জানাতেও হবে। সরকার ইচ্ছা করলে তামাক নিয়ন্ত্রণের জন্য যেভাবে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন, ঠিক তেমনি একবার ব্যবহৃত প্লাস্টিকজাত পণ্য ও পলিথিন শপিং ব্যাগ বন্ধে প্রত্যেক বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করতে পারেন। এছাড়াও প্রত্যেক বাজার কমিটির সাথে কাজ করে পলিথিন বা প্লাস্টিক ব্যাগ যাতে বাজারে বন্ধ করে। নির্বাচন কমিশন আরপিও সংশোধন করে নির্বাচনে পলিথিন ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করতে পারেন।

যদিও পৃথিবীর সর্বত্র প্লাস্টিকজাত দ্রব্য জড়িয়ে আছে। আমাদের বাংলাদেশেও একই অবস্থা। প্লাস্টিকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ করা অনেক বড় চ্যালেঞ্জ কিন্তু অসম্ভব নয়। তাই আমাদের প্রথমে একবার ব্যবহৃত প্লাস্টিকজাত পণ্য ও পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার বন্ধের জন্য জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রচারণা করতে পারি, তাহলে এর ব্যবহার অনেক অংশে কমে আসবে। এই মুহুর্তে পরিবেশ বিপর্যয় রোধে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলকে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। অন্যথায় এই বিস্তীর্ণ এলাকার ভূমি, সভ্যতা, সংস্কৃতি সবাই হারিয়ে যাবে সমুদ্রের অতল গভীরে। এই সকল মহাবিপদ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য কেবলমাত্র সামাজিকভাবে সচেতন হলে এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেই আগামী দিনের ভবিষ্যত প্রজন্মকে একটি সুন্দর-সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দিতে পারবো।

আ ন ম মাছুম বিল্লাহ ভূঞা, আইনজীবি





         
   আপনার মতামত দিন
     উপসম্পাদকীয়
চিকিৎসা ক্ষেত্রে মৌলিক সুবিদা পাচ্ছেনা মানুষ
.............................................................................................
স্মৃতি–বিস্মৃতির রহমান সাহেব
.............................................................................................
কোভিড-১৯: পলিথিন ও প্লাস্টিকজাত পণ্যের আধিপত্য
.............................................................................................
টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে তামাকজাত কোম্পানীগুলোকে দ্বায়বন্ধতার আওতায় আনা হোক
.............................................................................................
জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও পরিবেশের ক্ষতির কারণে তামাক টেকসই উন্নয়নের অন্তরায়
.............................................................................................
কৃষির পাশাপাশি শিল্প উন্নয়ন এবং কৃষক ফেডারেশনকথা
.............................................................................................
কৃষির পাশাপাশি শিল্প উন্নয়ন এবং কৃষক ফেডারেশনকথা
.............................................................................................
ঈদ এবং মাদক... ওরা বানায় : আমরা সেবন করি
.............................................................................................
নুসরাত কেন চলে যাবে...
.............................................................................................
এই দেশের সড়কে কে নিরাপদ?
.............................................................................................
রাজনীতির হঠাৎ হাওয়ার চমক
.............................................................................................
রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে
.............................................................................................
ওজোনস্তরের নতুন দুঃসংবাদ
.............................................................................................
বিজ্ঞান গবেষণা ও বাংলাদেশ
.............................................................................................
বিশ্ব আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার চাই
.............................................................................................
চীনা ‘ইউয়ান’, ভারতীয় ‘রুপী’, তুর্কী ‘লিরা’ সবার দাম কমছে
.............................................................................................
এখনো নিয়মিত মৃত্যু সড়কে কে দায় নেবে
.............................................................................................
মাঠের লড়াইয়ে লক্ষ্য হোক জয়
.............................................................................................
একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আশায়
.............................................................................................
আর কত রক্ত ঝড়বে জাতির বিবেকের?
.............................................................................................
হুমকিতে নয়, আলোচনায়ই সমাধান
.............................................................................................
বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব বাংলা নববর্ষ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস, পরীক্ষা বাতিল এবং অবিচার...
.............................................................................................
ভাষাশ্রদ্ধায় আসুন উচ্চারণ করি ‘বিজয় বাংলাদেশ’
.............................................................................................
চার বছরের উন্নয়ন অগ্রগতি ধারাবাহিকতা রক্ষা করাই বড় চ্যালেঞ্জ
.............................................................................................
শিক্ষা ধ্বংসে বইয়ের বোঝা-সৃজনশীল এবং ফাঁসতন্ত্র
.............................................................................................
প্রশ্নফাঁস আর কোচিংবাণিজ্যে শিক্ষার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁসের দায় কে নেবে?
.............................................................................................
মায়ের ভাষার অবহেলা কেন করছি আমরা?
.............................................................................................
সবাই জেগে উঠুক ভেজালের বিরুদ্ধে
.............................................................................................
নির্বাচন কমিশনের কর্মক্ষমতা ও ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস ও শিক্ষার দৈন্যদশা রোধ সম্ভব
.............................................................................................
মশা আর মাছি ধুলার সঙ্গে বেশ আছি!
.............................................................................................
বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ও নিয়ন্ত্রণক্ষমতা বাড়াতে হবে
.............................................................................................
প্যারাডাইস পেপার্স : সারাবিশ্বে সমস্যা ও সমাধান
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর অগ্নিগর্ভ ভাষণ : ইউনেস্কোর স্বীকৃতি
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পূনর্বাসনে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী
.............................................................................................
নিরাপদ পথ দিবস চাই
.............................................................................................
রোহিঙ্গা গণযুদ্ধের সূচনা হোক, স্বাধীন হোক আরকান
.............................................................................................
দর্শনহীন শিক্ষার ফল ব্লু হোয়েল সংস্কৃতি
.............................................................................................
সাবধানে চালাবো গাড়ী, নিরাপদে ফিরবো বাড়ী
.............................................................................................
বন্ধুদেশের ঋণের বোঝা এবং নতুন প্রজন্মের ভাবনা
.............................................................................................
চালে চালবাজী : সংশ্লিষ্টদের চৈতন্যোদয় হোক
.............................................................................................
৫ প্রস্তাবে বাংলাদেশে সংকট : দুর্ভিক্ষ আসন্ন
.............................................................................................
ভুখা মানুষের স্বার্থে সরকারকে কঠোর হতে হবে
.............................................................................................
রোহিঙ্গা তরুণের চিঠি এবং আমাদের করণীয়
.............................................................................................
ষোড়শ সংশোধনী বাতিল প্রসঙ্গে অনেকের অভিমত
.............................................................................................
তরুন প্রজন্মের সৈনিকেরা জেগে উঠলে কোন অপশক্তিই বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথ রুদ্ধ করতে পারবে না
.............................................................................................
আদর্শ সংবাদ ও সাংবাদিকতা
.............................................................................................
নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাহসী হতে হবে
.............................................................................................
Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale
Digital Load Cell
Digital Indicator
Digital Score Board
Junction Box | Chequer Plate | Girder
Digital Scale | Digital Floor Scale

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
সম্পাদক মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী
সম্পাদক কর্তৃক ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ইউরোপ মহাদেশ বিষয়ক সম্পাদক- প্রফেসর জাকি মোস্তফা (টুটুল)
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমেদ
নির্বাহী সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম রানা
বার্তা সম্পাদক : মোঃ আকরাম খাঁন
সহঃ সম্পাদক: হোসাইন আহমদ চৌধুরী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন : ০২-৯৫৬২৮৯৯ মোবাইল: ০১৬৭০-২৮৯২৮০
ই-মেইল : swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD