ঢাকা,বৃহস্পতিবার,৭ কার্তিক ১৪২৭,২২,অক্টোবর,২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

  
Share Button
   উপসম্পাদকীয়
চিকিৎসা ক্ষেত্রে মৌলিক সুবিদা পাচ্ছেনা মানুষ
  তারিখ: 19 - 07 - 2020

স্বাধীনতা-উত্তর বিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠন জরুরি ছিল। তাই উন্নয়নের অনেক বেশি প্রত্যাশা অনেকেই করেনি। ১৯৭৫-পরবর্তী বাংলাদেশে বিএনপি, আওয়ামী লীগ আর জাতীয় পার্টি দীর্ঘ সময় ধরে শাসনক্ষমতায় ছিল। এ সময়ে প্রত্যাশিত ছিল একটি পরিবর্তন। সরকার বড় বড় বিলাসী বেসরকারি হাসপাতাল আর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স দিয়েছে ঠিকই, কিন্তু সরকারি হাসপাতালের কাক্সিক্ষত উন্নয়ন আর বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যয়ের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সামর্থ্যরে সমন্বয়ের কথা কোনো সরকারপক্ষই ভাবেনি। রাজনীতি অঞ্চলের ক্ষমতাশালী মানুষ, সরকার পরিচালক ও ধনিক শ্রেণি সামান্য অসুখেও ছুটে যান থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে। এরা নিজেরাই যেখানে দেশের চিকিৎসাব্যবস্থায় আস্থাশীল না হয়ে দেশান্তরী হন, তা হলে আসল সংকটটি অনুধাবন করবেন কেমন করে। চিকিৎসাক্ষেত্রে উন্নতিই বা হবে কীভাবে! হয়তো ভাবেন- আমরা নিরাপদে থাকি, পচনশীল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় সাধারণ মানুষ মরুক না বাঁচুক তা দেখার দায় কি আমাদের।

গণশক্তি ও জনমন তুষ্টি বিষয়টি আমলে না এনে রাজনৈতিক পা-াদের পেশিশক্তির ওপর নির্ভরতা যেদিন থেকে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিশেষ জায়গা করে নিল, সেদিন থেকে রাষ্ট্রের সব জায়গায় প্রশাসনের সব রন্ধ্রে দুর্নীতির নিশ্চিন্ত আশ্রয় হলো। দুর্নীতিবাজরা রাজনৈতিক সরকারকে নিজেদের ওপর নির্ভরশীল করে তোলে। ক্ষমতাপ্রিয় রাজনৈতিক দলের নেতাদের ক্ষমতায় পৌঁছার সিঁড়ি হিসেবে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দেয়। তাই হাজার অন্যায় করলেও এদের সাতখুন মাফ হয়ে যায়। এ কারণে স্বাস্থ্য খাত থেকে শুরু করে দেশের সব খাতেই দুর্নীতিবাজরা সব অন্তঃসারশূন্য করে দিচ্ছে। রাজনৈতিক ক্ষমতাবান নেতা ও সব ধরনের প্রশাসনে দুর্নীতির ভাইরাস এখন করোনার চেয়েও দ্রুতগতিতে ছড়াচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় করোনাকালে এসে আমাদের অত্যন্ত আতঙ্কের সঙ্গে দুর্নীতিক্রান্ত স্বাস্থ্য খাতের দুর্দশা দেখতে হচ্ছে। দুর্ভাগ্য এই যে, স্বাস্থ্য খাতের নানাবিধ দুর্নীতির খবর বহুদিন ধরে গণমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পরও সরকারি দল ও সরকার এর তেমন কোনো প্রতিবিধানের চেষ্টা করেনি। তাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সব জায়গায়ই দুর্নীতিবাজদের অভয়ারণ্য তৈরি হয়েছে। হাসপাতালগুলোর জন্য বড় বড় বাজেট বরাদ্দ হয়েছে আর এর বড় অংশই অন্ধকার ড্রেন দিয়ে দুর্নীতিবাজদের পকেটে জমা হয়েছে। তাই আজ করোনাকালে একে একে খসে পড়ছে ঝুলির কালো বিড়ালগুলো।

করোনার মতো এত ভয়াবহ মহামারী মোকাবিলার জন্য অভিজ্ঞতা এবং প্রস্তুতি আমাদের থাকার কথা নয়। এই বাস্তবতা অবশ্যই বুঝতে হবে। তবে করোনা আঘাত না হানলে আমরা বুঝতে পারতাম না দুর্নীতিবাজরা কতটা ঘুণ পোকার মতো কুরে কুরে খেয়ে ফাঁপা করে ফেলেছে। ভেন্টিলেটর থেকে শুরু করে হাসপাতালের চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীদের জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জামের সংকট যে এত প্রকট হবে কে বুঝেছিল! চীন, ইউরোপ, আমেরিকায় কোভিড হানা দেওয়ার পর সতর্ক হওয়ার জন্য বেশ কিছুটা সময় আমরা পেয়েছিলাম। কিন্তু কোনো প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। দুর্নীতিবাজদের বিবেক কখনো কাজ করে না। দেশপ্রেমের তো প্রশ্নই নেই। তাই হয়তো অপেক্ষা করেছে সংকট কখন আঘাত হানে। তখন তড়িঘড়ি অবস্থা সামাল দেওয়ার জন্য নিজেদের দুর্নীতির হাত প্রসারিত করার মওকা পাওয়া যাবে। কার্যকারণ সূত্রে এই কল্পনা অনেকটা যেন মিলে গেল। এ দেশের ক্ষমতাবান রাজনীতিকরা মুখে যাই বলুন না কেন, দেশ বা জনগণ নয়, দল সুরক্ষাটাই প্রধান বিবেচনা করেন। ছোট দেশ; সবাই সবাইকে চেনে। চোখের সামনের ঘটনাগুলো আড়াল করা যায় না। দেশের মানুষের শ্রমের টাকার রাজস্ব থেকে সরকার উন্নয়নের কাজ করে। কিন্তু অসহায় মানুষ দেখে অভ্যস্ত সব সরকারের আমলেই স্থানীয় পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত দলীয় পা-ারা ঠিকাদারি থেকে শুরু করে সব ধরনের লাইসেন্স পেয়ে যায়। তাই উপজেলা-জেলায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগ যার যার সময় দলীয় অঙ্গসংগঠনের নেতাদের পৃষ্ঠপোষকতা করার জন্য ঠিকাদারির ‘ঠ’ অভিজ্ঞতা যাদের নেই, তারা ঠিকাদারির লাইসেন্স পেয়ে যায়। বিশেষ উপায়ে তারা টেন্ডারে জিতে কার্যাদেশও পায়। প্রায় সময় এসব কাজ বিক্রি করে দেয় সাব-কন্ট্রাক্টরদের কাছে। এভাবে কাজ শুরু হওয়ার আগে কমপক্ষে তিন জায়গায় বানরের পিঠা ভাগ হয়। ‘অফিস খরচে’ যায় এক ভাগ, মূল ঠিকাদার এক ভাগ রেখে সাব-কন্ট্রাক্টকে দেয়। তিনি আবার তার ভাগ রেখে কাজে নামেন। ধরি একটি রাস্তা মেরামতের কাজ শুরু হলো। সেই কাজের মান কতটা রক্ষা পাবে তা সহজেই অনুমেয়। তাই রাস্তার মাথা সংস্কার করে লেজের দিকে আসতে আসতে মাথা ভেঙে যায়। অর্থাৎ জনগণের টাকা দুর্নীতিবাজদের পকেট ভরতেই শেষ হয়ে যায়। জনকল্যাণ হোক বা না হোক, দলকল্যাণ তো হয়! করোনাকালেও তাই ঘটল। ডাক্তার ও চিকিৎসাকর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অতি প্রয়োজনীয় মাস্ক কেনার কার্যাদেশ প্রায় প্রতিযোগিতাহীনভাবে পেয়ে গেল সরকারি দলের নেতার প্রতিষ্ঠান। আর সরবরাহ করে ফেলল নকল মাস্ক। বিপুল টাকার ভাগবাটোয়ারা কতদূর পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছিল, তা প্রমাণ করার ক্ষমতা জনগণের নেই।

সরকারি হাসপাতালের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের সমুদ্র চুরির খতিয়ান তো বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়ে আসছে। মানুষ এসব খবর পায় ও ক্ষুব্ধ হয়। কিন্তু এ সংবাদটি পায় না যে, এই দুর্নীতিবাজরা বিচারের আওতায় এলো কিনা। বরং এ তথ্য ভেসে আসে চিহ্নিত অনেক দুর্নীতিবাজ পুরস্কৃত হয় এবং নতুনভাবে দুর্নীতি করার মওকা খুঁজে নেয়। এভাবে দুর্নীতিবাজ বড় নেতা বা আমলা ফুলেফেঁপে বেলুন হয়ে এক সুন্দর সকালে কানাডা, সুইজারল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ায় চলে যাবেন।

সরকারের ঘরে দুর্নীতিবাজদের বসতি থাকলে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। সরকার দৃঢ় নয় বলে এই সংকটেও বেসরকারি হাসপাতালগুলাকে জনকল্যাণে এগিয়ে আসতে বাধ্য করতে পারছে না। বাধ্য করাতে হলে সততার শক্তির প্রয়োজন হয়। এর প্রমাণ তো আমরা এই দুঃসময়ে বেশ কয়েকটি নামি বেসরকারি হাসপাতালের উদ্যোগের নমুনা দেখতে পাচ্ছি।

নানা অপকর্ম করা রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রতারক সাহেদ অতঃপর ধরা পড়েছে। এটি আমার কাছে বড় কোনো ঘটনা নয়। বরং বড় ঘটনা ৬০-এর বেশি মামলা আর একাধিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে র‌্যাবের ভাষায় ভয়ঙ্কর প্রতারক এতদিন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াল কেমন করে! গোয়েন্দারা কি চোখে ঠুলি পরেছিল? রাজনৈতিক নেতা আর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মানুষরা বুকে বুক মেলাতে থাকল। হাস্যোজ্জ্বল ছবি তুলল। অথচ এমন একজন চিহ্নিত অপরাধীকে চিনতেই পারল না! তা হলে প্রশাসন আর দেশ চলছে কেমন করে! আর সরকার ও সরকারি দলের কথাই বলি। এখন সাহেদের আটকের জন্য যত কৃতিত্বের কথাই বলেন, জনক্ষোভ তৈরির আগে সে চেষ্টা কি করেছেন? তিনি আওয়ামী লীগে নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা বলে বেড়িয়েছেন, তখন তো তা প্রতিবাদের বদলে উপভোগই করেছেন। আজ এই প্রতারককে না চিনতে চাইলে মানুষ কি দায়মুক্তি দেবে?

মানুষ এর একটি সরল অর্থই বুঝবে, তা হচ্ছে সবার কাছেই সম্ভবত এই প্রতারক কামধেনু ছিল। না হলে এত মামলার অভিযুক্তকে ব্যাংকগুলো কোটি কোটি টাকা ঋণ দেয় কেমন করে। একাধিক চেক জালিয়াতি করে অথচ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন তার টিকিও ছোঁয় না। সহাস্যে এর সঙ্গে ছবি তোলেন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মানুষরা। এই করোনার মহাদুর্যোগে দেশে অসংখ্য বেসরকারি হাসপাতাল থাকার পরও সনদ তামাদি হয়ে যাওয়া এই প্রতারকের হাসপাতালের সঙ্গেই কোটি টাকার চুক্তি করতে হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের। বিনা পয়সায় চিকিৎসা করানোর কথা বলে একদিকে সরকারের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতাচ্ছে, আবার রোগীর স্বজনদের পকেট ফতুর করে দিচ্ছে। অথচ এসব তথ্য জানতে বড় দেরি হয়ে যায় সরকারি কর্তৃপক্ষের। যখন পারিপার্শ্বিকতার কারণে হজম করা কঠিন হয়ে পড়ে, তখন মাঠে নামতে বাধ্য হন সবাই।

আমাদের বরাবর মনে হয়, রাজনৈতিক লাভালাভ আর প্রভাব থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দুদককে মুক্ত করে দিতে পারলে এসব অনাচার থেকে আমরা অনেকটা মুক্তি পাব। একই সঙ্গে করোনার অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। দেশবাসী চিকিৎসা পাওয়ার মৌলিক অধিকার হারাচ্ছে। আমাদের দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার প্রতি আস্থাহীনতার কারণেই উচ্চবিত্ত আর মধ্যবিত্ত সামর্থ্য বিবেচনায় চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন দেশে ছোটেন। কিন্তু কোভিডের মতো সংকটে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে এবং একই সঙ্গে সেসব দেশে মরণ ভাইরাস আঘাত হানলে চিকিৎসার জন্য তো নিজ দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার ওপরই নির্ভর করতে হবে। নাগরিকের চিকিৎসার অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারেরই। কিন্তু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর তো ইতোমধ্যে প্রমাণ করছে তারা কিসিঞ্জারের তলাবিহীন ঝুড়ি পেতে রেখেছে। ওখানে কিছু ফেললেই নর্দমায় চলে যাবে। তাই প্রথমত এই অঞ্চল রাজনীতি প্রভাব মুক্ত করতে হবে। ঝুড়ির তলা সারাই করতে হবে। দুর্নীতিবাজদের ছায়ামুক্ত করে নতুনভাবে সব সাজাতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, এ দেশের চিকিৎসকরা অকর্মণ্য, অদক্ষ আর অমেধাবী নন। মুক্ত পরিবেশে সুযোগ পেলে তাদের অনেকেই বিশ্বমানের চিকিৎসার কাঠামো গড়ে তুলতে পারবেন।

 

ড. একেএম শাহনাওয়াজ : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়





         
   আপনার মতামত দিন
     উপসম্পাদকীয়
চিকিৎসা ক্ষেত্রে মৌলিক সুবিদা পাচ্ছেনা মানুষ
.............................................................................................
স্মৃতি–বিস্মৃতির রহমান সাহেব
.............................................................................................
কোভিড-১৯: পলিথিন ও প্লাস্টিকজাত পণ্যের আধিপত্য
.............................................................................................
টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে তামাকজাত কোম্পানীগুলোকে দ্বায়বন্ধতার আওতায় আনা হোক
.............................................................................................
জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও পরিবেশের ক্ষতির কারণে তামাক টেকসই উন্নয়নের অন্তরায়
.............................................................................................
কৃষির পাশাপাশি শিল্প উন্নয়ন এবং কৃষক ফেডারেশনকথা
.............................................................................................
কৃষির পাশাপাশি শিল্প উন্নয়ন এবং কৃষক ফেডারেশনকথা
.............................................................................................
ঈদ এবং মাদক... ওরা বানায় : আমরা সেবন করি
.............................................................................................
নুসরাত কেন চলে যাবে...
.............................................................................................
এই দেশের সড়কে কে নিরাপদ?
.............................................................................................
রাজনীতির হঠাৎ হাওয়ার চমক
.............................................................................................
রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে
.............................................................................................
ওজোনস্তরের নতুন দুঃসংবাদ
.............................................................................................
বিজ্ঞান গবেষণা ও বাংলাদেশ
.............................................................................................
বিশ্ব আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার চাই
.............................................................................................
চীনা ‘ইউয়ান’, ভারতীয় ‘রুপী’, তুর্কী ‘লিরা’ সবার দাম কমছে
.............................................................................................
এখনো নিয়মিত মৃত্যু সড়কে কে দায় নেবে
.............................................................................................
মাঠের লড়াইয়ে লক্ষ্য হোক জয়
.............................................................................................
একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আশায়
.............................................................................................
আর কত রক্ত ঝড়বে জাতির বিবেকের?
.............................................................................................
হুমকিতে নয়, আলোচনায়ই সমাধান
.............................................................................................
বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব বাংলা নববর্ষ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস, পরীক্ষা বাতিল এবং অবিচার...
.............................................................................................
ভাষাশ্রদ্ধায় আসুন উচ্চারণ করি ‘বিজয় বাংলাদেশ’
.............................................................................................
চার বছরের উন্নয়ন অগ্রগতি ধারাবাহিকতা রক্ষা করাই বড় চ্যালেঞ্জ
.............................................................................................
শিক্ষা ধ্বংসে বইয়ের বোঝা-সৃজনশীল এবং ফাঁসতন্ত্র
.............................................................................................
প্রশ্নফাঁস আর কোচিংবাণিজ্যে শিক্ষার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁসের দায় কে নেবে?
.............................................................................................
মায়ের ভাষার অবহেলা কেন করছি আমরা?
.............................................................................................
সবাই জেগে উঠুক ভেজালের বিরুদ্ধে
.............................................................................................
নির্বাচন কমিশনের কর্মক্ষমতা ও ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস ও শিক্ষার দৈন্যদশা রোধ সম্ভব
.............................................................................................
মশা আর মাছি ধুলার সঙ্গে বেশ আছি!
.............................................................................................
বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ও নিয়ন্ত্রণক্ষমতা বাড়াতে হবে
.............................................................................................
প্যারাডাইস পেপার্স : সারাবিশ্বে সমস্যা ও সমাধান
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর অগ্নিগর্ভ ভাষণ : ইউনেস্কোর স্বীকৃতি
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পূনর্বাসনে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী
.............................................................................................
নিরাপদ পথ দিবস চাই
.............................................................................................
রোহিঙ্গা গণযুদ্ধের সূচনা হোক, স্বাধীন হোক আরকান
.............................................................................................
দর্শনহীন শিক্ষার ফল ব্লু হোয়েল সংস্কৃতি
.............................................................................................
সাবধানে চালাবো গাড়ী, নিরাপদে ফিরবো বাড়ী
.............................................................................................
বন্ধুদেশের ঋণের বোঝা এবং নতুন প্রজন্মের ভাবনা
.............................................................................................
চালে চালবাজী : সংশ্লিষ্টদের চৈতন্যোদয় হোক
.............................................................................................
৫ প্রস্তাবে বাংলাদেশে সংকট : দুর্ভিক্ষ আসন্ন
.............................................................................................
ভুখা মানুষের স্বার্থে সরকারকে কঠোর হতে হবে
.............................................................................................
রোহিঙ্গা তরুণের চিঠি এবং আমাদের করণীয়
.............................................................................................
ষোড়শ সংশোধনী বাতিল প্রসঙ্গে অনেকের অভিমত
.............................................................................................
তরুন প্রজন্মের সৈনিকেরা জেগে উঠলে কোন অপশক্তিই বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথ রুদ্ধ করতে পারবে না
.............................................................................................
আদর্শ সংবাদ ও সাংবাদিকতা
.............................................................................................
নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাহসী হতে হবে
.............................................................................................
Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale
Digital Load Cell
Digital Indicator
Digital Score Board
Junction Box | Chequer Plate | Girder
Digital Scale | Digital Floor Scale

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
সম্পাদক মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী
সম্পাদক কর্তৃক ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ইউরোপ মহাদেশ বিষয়ক সম্পাদক- প্রফেসর জাকি মোস্তফা (টুটুল)
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমেদ
নির্বাহী সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম রানা
বার্তা সম্পাদক : মোঃ আকরাম খাঁন
সহঃ সম্পাদক: হোসাইন আহমদ চৌধুরী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন : ০২-৯৫৬২৮৯৯ মোবাইল: ০১৬৭০-২৮৯২৮০
ই-মেইল : swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD