ঢাকা, মঙ্গলবার , ৭ আশ্বিন ১৪২৭ , ২২ সেপ্টেম্বর , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   জাতীয় -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
রাজধানীতে পথচারী ও সাইকেলে চলাচল নিরাপদ করা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রিভাইজড স্ট্রাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্লান (২০১৫-২০৩৫) এর পথচারীদের অগ্রাধিকার প্রদান, সাইকেলে চলাচলের নিরাপদ পরিবেশ তৈরি ও গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা রয়েছে। ইতিমধ্যে মেট্রোরেল, বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট, বাস রুট ফ্রাঞ্চাইজ, প্রয়োজনীয় সড়ক অবকাঠামো নির্মাণ এবং মানসম্মত ফুটপাত তৈরিসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ চলমান রয়েছে। এগুলি সম্পন্ন হলে ব্যক্তিগত ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য পর্যায়ক্রমে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আজ এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এসব কথা বলা হয়। বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস উপলক্ষে এসংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। দিবসটি কাল মঙ্গলবার। এ উপলক্ষে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয়:“Back to Walking and Cycling for Liveable Cities” বাংলায় এর অনুবাদ করা হয়েছে “হাঁটা ও সাইকেলে ফিরি, বাসযোগ্য নগর গড়ি” ৬০টি সরকারি ও বেসরকারিসংস্থার সম্মিলিত উদ্যোগে দিবসটি উদযাপন করা হবে। নগরভবনে বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস উদযাপন জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে আয়োজন করা সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য রাখেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রাকিবুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন ডিটিসিএ’র পরিচালক মোঃ হোসেন মজুমদার। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক নিখিল ভদ্র।এতে আরো বলা হয় খুব কাছাকাছি চলাচলে গণপরিবহন ব্যবহারে যানজটসহ জ্বালানি খরচ বাড়ছে। বাড়ছে ব্যক্তিগত গাড়িরও ব্যবহার। অধিক দূরত্বের জন্য গণপরিবহন নিশ্চিত করতে পারলে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। এর পাশাপাশি যান্ত্রিক বাহনকে নিয়ন্ত্রণ করা গেলে ঢাকারবায়ু দূষণরোধ করা সম্ভব। খন্দকার রাকিবুর রহমান বলেন, সারা বিশ্বে এখন পরিবেশবান্ধব নগর যাতায়াতকে প্রধান্য দিয়ে হাঁটা ও সাইকেলকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।এতে আরো বলা হয় ঢাকা শহরে স্বতঃস্ফুর্তভাবে ভূমির মিশ্র ব্যবহার হচ্ছে । পরিকল্পিতভাবে এই মিশ্র এলাকাগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করার মধ্য দিয়ে শৃঙ্খলা ও বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। ঢাকা শহরেভূমির এই মিশ্র ব্যবহার স্বল্প দূরত্বে মানুষের প্রয়োজন মেটাতে সাহায্য করছে। বর্তমানে ঢাকায় প্রায় ৮০ শতাংশ যাতায়াত ৫ কিমি এর মধ্যে, যার অর্ধেক যাতায়াত আবার ২ কিমি এর মধ্যে হয়ে থাকে। এই স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতের জন্য সাইকেলে ও হেঁটে নিরাপদে চলাচলের পরিবেশ তৈরি করা এবং অধিক দূরত্বের জন্য গণপরিবহন নিশ্চিত করা গেলে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

রাজধানীতে পথচারী ও সাইকেলে চলাচল নিরাপদ করা হচ্ছে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক: রিভাইজড স্ট্রাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্লান (২০১৫-২০৩৫) এর পথচারীদের অগ্রাধিকার প্রদান, সাইকেলে চলাচলের নিরাপদ পরিবেশ তৈরি ও গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা রয়েছে। ইতিমধ্যে মেট্রোরেল, বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট, বাস রুট ফ্রাঞ্চাইজ, প্রয়োজনীয় সড়ক অবকাঠামো নির্মাণ এবং মানসম্মত ফুটপাত তৈরিসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ চলমান রয়েছে। এগুলি সম্পন্ন হলে ব্যক্তিগত ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য পর্যায়ক্রমে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আজ এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এসব কথা বলা হয়। বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস উপলক্ষে এসংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। দিবসটি কাল মঙ্গলবার। এ উপলক্ষে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয়:“Back to Walking and Cycling for Liveable Cities” বাংলায় এর অনুবাদ করা হয়েছে “হাঁটা ও সাইকেলে ফিরি, বাসযোগ্য নগর গড়ি” ৬০টি সরকারি ও বেসরকারিসংস্থার সম্মিলিত উদ্যোগে দিবসটি উদযাপন করা হবে। নগরভবনে বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস উদযাপন জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে আয়োজন করা সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য রাখেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রাকিবুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন ডিটিসিএ’র পরিচালক মোঃ হোসেন মজুমদার। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক নিখিল ভদ্র।এতে আরো বলা হয় খুব কাছাকাছি চলাচলে গণপরিবহন ব্যবহারে যানজটসহ জ্বালানি খরচ বাড়ছে। বাড়ছে ব্যক্তিগত গাড়িরও ব্যবহার। অধিক দূরত্বের জন্য গণপরিবহন নিশ্চিত করতে পারলে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। এর পাশাপাশি যান্ত্রিক বাহনকে নিয়ন্ত্রণ করা গেলে ঢাকারবায়ু দূষণরোধ করা সম্ভব। খন্দকার রাকিবুর রহমান বলেন, সারা বিশ্বে এখন পরিবেশবান্ধব নগর যাতায়াতকে প্রধান্য দিয়ে হাঁটা ও সাইকেলকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।এতে আরো বলা হয় ঢাকা শহরে স্বতঃস্ফুর্তভাবে ভূমির মিশ্র ব্যবহার হচ্ছে । পরিকল্পিতভাবে এই মিশ্র এলাকাগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করার মধ্য দিয়ে শৃঙ্খলা ও বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। ঢাকা শহরেভূমির এই মিশ্র ব্যবহার স্বল্প দূরত্বে মানুষের প্রয়োজন মেটাতে সাহায্য করছে। বর্তমানে ঢাকায় প্রায় ৮০ শতাংশ যাতায়াত ৫ কিমি এর মধ্যে, যার অর্ধেক যাতায়াত আবার ২ কিমি এর মধ্যে হয়ে থাকে। এই স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতের জন্য সাইকেলে ও হেঁটে নিরাপদে চলাচলের পরিবেশ তৈরি করা এবং অধিক দূরত্বের জন্য গণপরিবহন নিশ্চিত করা গেলে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ১৬৫ কোটি টাকা প্রদান
                                  

দেশের ৩৪টি বেসরকারি ব্যাংকসহ ৪০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান রবিবার কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্রদের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ১৬৫ কোটি টাকা এবং সার্জিক্যাল মাস্ক প্রদান করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এসব অনুদান গ্রহণ করেন।

সংগঠনের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের কাছে অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন। এর মধ্যে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকের (বিএবি) নেতৃত্বে ৩৪টি ব্যাংক অনুদান হিসেবে মোট ১৬৪ কোটি টাকা প্রদান করে।

অনুদান দেয়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে- খাদ্য মন্ত্রণালয়, ফরেন অফিস স্পাউজ অ্যাসোসিয়েশন (এফওএসএ), রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন এবং মিনিস্টার গ্রুপ নগদ অর্থের পাশাপাশি ১ লাখ সার্জিক্যাল মাস্ক প্রদান করে।

৩৪টি ব্যাংক হলো- এবি ব্যাংক লিমিটেড, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, সিটি ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক (বিডি) লিমিটেড, যমুনা ব্যাংক লিমিটেড, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড, মিডল্যান্ড ব্যাংক লিমিটেড, মধুমতি ব্যাংক লিমিটেড, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড, এনআরবি ব্যাংক লিমিটেড, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক লিমিটেড, ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড, পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, এসবিএসি ব্যাংক লিমিটেড, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড, ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড এবং উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড।

বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি:

মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪ হাজার ৯১৩ জনে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া, নতুন করে ১ হাজার ৫৬৭ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। যার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৩৭২ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে শনিবার পাঠানো করোনা সংক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, করোনা শনাক্তের জন্য দেশের সরকারি ও বেসরকারি ৯৫টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১২ হাজার ৫৮৭টি এবং পরীক্ষা করা হয়েছে ১৩ হাজার ১৭০টি। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ১৮ লাখ ৯ হাজার ৬৭৯টি।

২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১১.৯০ শতাংশ। আর মোট পরীক্ষায় এ পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ১৯.২০ শতাংশ।

নতুন যে ৩২ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ২৫ এবং নারী ৭ জন। এখন পর্যন্ত মোট মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৩ হাজার ৮২৯ জন বা ৭৭.৯৪ শতাংশ এবং নারী ১ হাজার ৮৪ জন বা ২২.০৬ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় মোট মৃত্যুর হার ১.৪১ শতাংশ।

এদিকে, করোনা থেকে গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ২ হাজার ৫১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৮৬ জনে। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার এখন পর্যন্ত ৭৩.২৩ শতাংশ।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর ১৮ মার্চ প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ইউএনবি

আসছে শীতে দেশে করোনাভাইরাসের পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী
                                  

আসছে শীতে দেশে করোনাভাইরাসের পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আর সেটা মাথায় রেখে আগাম প্রস্তুতি নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ রোববার প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদান গ্রহণের সময় এ নির্দেশনা দেন তিনি। নিজের সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এদিন অনুদান দিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে অনুদান গ্রহণ করেন তার মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের মহামারি মোকাবেলায় সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করেছে। আমি বলব সবাই, কাউকে বাদ দিতে পারবো না আমি। কারণ সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে বলে হয়তো আমরা এটা মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, তবে সামনে শীত, ফলে করোনা পরিস্থিতির হয়তো আরেকটু অবনতি হতে পারে। তাই এখন থেকেই আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই, সবাই সুস্থ থাকেন। দেশটা যাতে এই করোনাভাইরাসের মহামারি থেকে মুক্তি পায়, গোটা বিশ্বই যাতে এ মুক্তি পায়, সেজন্য দোয়া করেন। সত্যিই করোনাভাইরাসের কারণে মানুষের খুব কষ্ট হচ্ছে।

তবে তার পরও ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রাখার জন্য আমরা যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছি। পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি। এর জন্য যা যা দরকার, তা দিয়ে যাচ্ছি আমরা। আমাদের লক্ষ্য একটাই, আমরা জনগণের জন্য কাজ করব, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সামাজিক ও মানবতার কাজে ব্যাংকসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে আসছে, এ জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ। যেকোনো দুযোগ, দুর্বিপাক বা দেশে একটা কিছু হলেই আপনারা এগিয়ে আসেন, এমনকি মুজিববর্ষে সব সময় আপনারা এগিয়ে এসেছেন। সেজন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

এদিন ৩৪টি ব্যাংক, বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট, ফরেইন অফিসার্স স্পাউজ অ্যাসোসিয়েশন, মিনিস্টার গ্রুপ, খাদ্য মন্ত্রণালয়, রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়।

কূটনৈতিক পরিধি বাড়াতে নতুন মিশন বাংলাদেশের
                                  

অর্থনৈতিক কূটনীতি পরিণত হয়েছে নতুন বিশ্ব ব্যবস্থার মূল চাবিকাঠিতে। আঞ্চলিক স্বার্থ আদায়, প্রভাব বিস্তার ও নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্যের বাইরে অর্থনৈতিক সম্পর্কটা যেন একটি দেশের বিশেষ হাতিয়ার। বাংলাদেশও হাঁটতে চায় সেই পথেই। বিভিন্ন দেশে দূতাবাস বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যমান দূতাবাসগুলোকেও ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিদেশি বিনিয়োগ, রপ্তানি বৃদ্ধি ও বহুমুখীকরণ এবং দেশীয় জনবলের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানে পাবলিক ডিপ্লোমেসির পাশাপাশি অর্থনৈতিক কূটনীতিতেও জোর দেওয়া হচ্ছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত দেশ মিয়ানমার ও আঞ্চলিক যোগাযোগের সার্ক দেশগুলো ঘিরেই প্রাধান্য পেয়েছে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক। তবে বর্তমানে জাতিসংঘভুক্ত ১৯৩ দেশের মধ্যে ৫৮টিতে বাংলাদেশের মোট ৭৭টি মিশন রয়েছে। আরও ২১টি দেশে ২২টি মিশন খোলারও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অর্থনীতির বিষয়টি মাথায় রেখে প্রায় প্রতিটি দূতাবাসে সৃষ্টি করা হচ্ছে ইকোনমিক কাউন্সিলরের পদও।


জানা যায়, নিউজিল্যান্ডের রাজধানী ওয়েলিংটন, আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিন, আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আইরেস, চীনের গুয়াংজো, ব্রাজিলের সাওপাওলো এবং জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে নতুন মিশন স্থাপনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া চীনের সাংহাই, আজারবাইজান, কম্বোডিয়া, লাওস, কাজাখস্তান, উগান্ডা, তিউনেশিয়া, তাঞ্জানিয়া, ঘানা, স্কটল্যান্ড, বুলগেরিয়া, হাঙ্গেরি, ইউক্রেন, মেলবোর্ন, চিলিতেও মিশন খুলবে সরকার। ভারতের চেন্নাই ও রুমানিয়ার বুখারেস্টেও সম্পন্ন হয়েছে মিশন চালুর সব প্রক্রিয়া।



চীনের বিশাল ভৌগোলিক আয়তন তথা ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি এবং সর্বোপরি কূটনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধি পাওয়ায় গুয়াংজোতে মিশন খুলছে বাংলাদেশ। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির সঙ্গে আমাদের পণ্য আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মোট আমদানির ২৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে চায়না পণ্যে। আয়ারল্যান্ডেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছে। সেই সঙ্গে উচ্চশিক্ষার জন্য দেশটিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যাতায়াত বাড়ছে। দুদেশের মধ্যে ওষুধশিল্প ও চিকিৎসাসেবা, পোশাকশিল্প, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ প্রবাসীদের স্বার্থ সুরক্ষায় সেখানে নতুন মিশন খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা। আর্জেন্টিনাতেও বাংলাদেশিদের উপস্থিতি ও ব্যবসা বহুগুণে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পণ্য ও শ্রমবাজারের ক্ষেত্রে বিশাল সম্ভাবনাময় এ দেশে বাংলাদেশের দূতাবাস স্থাপিত হলে তা তৈরি পোশাক ও শ্রমশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বুয়েনোস আইরেসেও মিশন খোলা হচ্ছে। ওই শহরে বর্তমানে কমবেশি ৯০টি দেশের কূটনৈতিক মিশন রয়েছে।

এদিকে আমদানিনির্ভর হওয়ায় বিশ্বের ২০২টি দেশ থেকে পণ্য আমদানি করে বাংলাদেশ। বিশালসংখ্যক দেশ হলেও আমদানিতে শীর্ষ ২০টি দেশের মধ্যে চীন, ভারত, জাপান, সিঙ্গাপুর, আমেরিকা, জার্মানি, কোরিয়া, ব্রিটেন থেকেই বেশি পণ্য আনা হয়। অন্যদিকে রপ্তানিতে আমেরিকা, স্পেন, ব্রিটেন ও ইউরোপের দেশই ভরসা। যদিও রপ্তানির জন্য ১৮৮টি দেশের সঙ্গে নিয়মিত লেনদেন করতে হয়। এর বাইরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে রয়েছে আমাদের শ্রমবাজারের সম্পর্ক।

পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করেই স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে বাংলাদেশ
                                  

মুসলমানদের প্রথম কিবলা ও তৃতীয় পবিত্র স্থান বায়তুল মুকাদ্দাসকে বুকে ধারণ করা পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করেই স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে অবস্থানের কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ। তুরস্ক সফরের সময় দেশটির আনাদলু এজেন্সিকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।


বাংলাদেশ দ্বি-রাষ্ট্রিক সমাধানে বিশ্বাস করে উল্লেখ করে গণমাধ্যমটিকে তিনি বলেন, ইসরায়েলের পাশাপাশি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমেই কেবল সেখানকার সমস্যা সমাধান এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

বাংলাদেশের এমন মূল ও নীতিগত অবস্থানের কথা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন আরো বলেন, আমরা চাই, ফিলিস্তিনিরা তাদের ভূমির অধিকার ফিরে পাক।


সম্প্রতি ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি করে দুটি আরব দেশের সম্পর্ক স্থাপনের বিষয়ে তিনি বলেন, এসব ঘটনা দ্বি-রাষ্ট্রিক সমাধানের পথ সুগম করবে বলে আমরা মনে করি। তারা যদি সেটা করতে পারে তা তো ভালোই হবে।

দ্বি-রাষ্ট্রিক সমাধান ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বে সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলে মনে করেন আব্দুল মোমেন। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় ধরনের যে পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে, ঢাকা তা পর্যবেক্ষণ করছে বলেও জানান তিনি।

আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মরদেহ জানাজা ও দাফনের জন্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে
                                  

হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মরদেহ জানাজা ও দাফনের জন্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগে আজ শনিবার ভোর চারটার দিকে তার মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স ঢাকা ছেড়ে যায়।

শনিবার জোহরের নামাজের পর দুপুর ২টায় হাটহাজারী মাদ্রাসায় আল্লামা শফীর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মাদ্রাসা সংলগ্ন কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। শুক্রবার রাত ৯টায় এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে হাটহাজারী মাদ্রাসার শুরা কমিটি।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে ঢাকায় আনা হয়। এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অনুসারীদের কাছে তিনি ‘বড় হুজুর’ নামে পরিচিত ছিলেন।



এর আগে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে গুরুতর হয়ে পড়লে আল্লামা শফীকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে গতকাল বিকেলে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাকে আনা হয় ঢাকায়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাসকষ্টসহ বার্ধক্যজনিত দুর্বলতায় ভুগছিলেন।

আহমদ শফীর শিক্ষাজীবন শুরু হয় রাঙ্গুনিয়ার সরফভাটা মাদ্রাসায়। এরপর পটিয়ার আল জামিয়াতুল আরাবিয়া মাদ্রাসায় (জিরি মাদ্রাসা) লেখাপড়া করেন। ১৯৪০ সালে তিনি হাটহাজারীর দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় ভর্তি হন। ১৯৫০ সালে তিনি ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসায় যান, সেখানে চার বছর লেখাপড়া করেন।

১৯৮৬ সালে হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক পদে যোগ দেন আল্লামা শফী। এরপর থেকে টানা ৩৪ বছর ধরে তিনি ওই পদে ছিলেন। টানা দুদিন ধরে চলা বিক্ষোভের পর বৃহস্পতিবার রাতে হাটহাজারী মাদ্রাসার শুরা কমিটির সভায় আহমদ শফী মহাপরিচালকের পদ থেকে সরে দাঁড়ান। তার ছেলে আনাস মাদানিকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

আইসিইউতে ভর্তি আল্লামা শাহ আহমদ শফি
                                  

চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদরাসার সদ্য পদত্যাগী মহাপরিচালক ও হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফি আইসিইউতে রয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেয়া হলে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।

জানা গেছে, দেশের খ্যাতিমান প্রবীণ আলেম আল্লামা আহমদ শফীকে গতরাতে হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে চমেক হাসপাতালে নেয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শে পরে তাকে হাসপাতালের ৩য় তলার আইসিইউ`র ৮ নম্বর বেডে ভর্তি করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আফতাবুল ইসলাম জানিয়েছেন, মাওলানা শফি সাহেব দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন। এরই মধ্যে তার সমন্বিত চিকিৎসার জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

আল্লামা শাহ আহমদ শফীর সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, `হুজুরের অবস্থা এখন উন্নতির দিকে।`

প্রসঙ্গত, দুই দিন ধরে শিক্ষার্থীদের টানা বিক্ষোভের জেরে হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালকের পদ থেকে গতকালই পদত্যাগ করেন আল্লামা শাহ আহমদ শফী। তবে তিনি আমৃত্যু প্রতিষ্ঠানটির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন। এ ছাড়া আল্লামা শফীর ছেলে আনাস মাদানীকেও মাদরাসার সহকারী পরিচালকের পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘের ভূমিকা হতাশাজনক: পররাষ্ট্র সচিব
                                  

আরো স্বচ্ছ ও দক্ষ জাতিসংঘ চাওয়ার কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের বিষয়ে জাতিসংঘের ভূমিকায় বাংলাদেশ অত্যন্ত হতাশ। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের আসন্ন ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক ওয়েবিনারে তিনি এ কথা বলেন।

বর্তমানে জাতিসংঘে এক ধরনের পরিবর্তনের সুর লক্ষ করা যাচ্ছে জানিয়ে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, তবে সব দেশ এই পরিবর্তনে যুক্ত হচ্ছে না। অনেক দেশ দায়িত্বশীল ও সহযোগী হচ্ছে, আবার কোনো কোনো দেশ বাধাও সৃষ্টি করছে। ফলে সংস্থাটিতে এখন অন্তর্বর্তীকালীন প্রক্রিয়া চলছে। তাই ৭৫তম বর্ষপূর্তিতে এসে এটা ভাবার সময় হয়েছে যে, আমরা আসলে কোথায় যেতে চাই।

 

তিনি বলেন, প্রত্যাশার দিক দিয়ে এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের কাছে আমরা অবশ্যই বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার প্রতি আস্থাশীল। তবে তাদেরকে আরো স্বচ্ছ ও দক্ষ হিসেবে দেখতে চাই, যেন জরুরি প্রয়োজনে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে পারে এবং সদস্য দেশগুলোর প্রত্যাশা পূরণ হয়। কিন্তু রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘের ভূমিকায় বাংলাদেশের জনগণ ও সরকার অত্যন্ত হতাশ।

 জাতিসংঘের বর্তমান কাঠামো যথেষ্ট কার্যকর নয় উল্লেখ করে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, এটা নিরাপত্তা পরিষদের ভোটাধিকার হোক কিংবা প্রবল শক্তিধর দেশগুলোর দ্বৈরথই হোক, সব ক্ষেত্রেই তাদের কাঠামো এখন যথেষ্ট কার্যকর নয়। এমনকি কক্সবাজারে থাকা রোহিঙ্গারাও জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে হতাশ। কারণ তৃণমূলে সংস্থাটি রোহিঙ্গাদের সহায়তা করলেও মূল সমস্যা সমাধান করছে না।

 নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর পিস স্টাডিজ (সিপিএস) ও জাতিসংঘ যৌথভাবে আয়োজিত `জনগণের প্রয়োজনের সময়ে জাতিসংঘ: বহুপক্ষীয় ব্যবস্থা নিয়ে পুনর্ভাবনা` শীর্ষক দুই দিনের ওই ওয়েবিনারে আরো বক্তব্য রাখেন- অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট সমরি শরন, বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো, পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ, ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনসে টেরিঙ্ক, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এটুআইয়ের নীতি পরামর্শক আনিস চৌধুরী এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ভূ-রাজনীতি ও আঞ্চলিক বিষয়ক এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় কেন্দ্রের প্রধান শেখ তানজীব ইসলাম প্রমুখ।

আরো স্বচ্ছ ও দক্ষ জাতিসংঘ চাওয়ার কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের বিষয়ে জাতিসংঘের ভূমিকায় বাংলাদেশ অত্যন্ত হতাশ। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের আসন্ন ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক ওয়েবিনারে তিনি এ কথা বলেন।

বর্তমানে জাতিসংঘে এক ধরনের পরিবর্তনের সুর লক্ষ করা যাচ্ছে জানিয়ে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, তবে সব দেশ এই পরিবর্তনে যুক্ত হচ্ছে না। অনেক দেশ দায়িত্বশীল ও সহযোগী হচ্ছে, আবার কোনো কোনো দেশ বাধাও সৃষ্টি করছে। ফলে সংস্থাটিতে এখন অন্তর্বর্তীকালীন প্রক্রিয়া চলছে। তাই ৭৫তম বর্ষপূর্তিতে এসে এটা ভাবার সময় হয়েছে যে, আমরা আসলে কোথায় যেতে চাই।

তিনি বলেন, প্রত্যাশার দিক দিয়ে এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের কাছে আমরা অবশ্যই বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার প্রতি আস্থাশীল। তবে তাদেরকে আরো স্বচ্ছ ও দক্ষ হিসেবে দেখতে চাই, যেন জরুরি প্রয়োজনে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে পারে এবং সদস্য দেশগুলোর প্রত্যাশা পূরণ হয়। কিন্তু রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘের ভূমিকায় বাংলাদেশের জনগণ ও সরকার অত্যন্ত হতাশ।

জাতিসংঘের বর্তমান কাঠামো যথেষ্ট কার্যকর নয় উল্লেখ করে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, এটা নিরাপত্তা পরিষদের ভোটাধিকার হোক কিংবা প্রবল শক্তিধর দেশগুলোর দ্বৈরথই হোক, সব ক্ষেত্রেই তাদের কাঠামো এখন যথেষ্ট কার্যকর নয়। এমনকি কক্সবাজারে থাকা রোহিঙ্গারাও জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে হতাশ। কারণ তৃণমূলে সংস্থাটি রোহিঙ্গাদের সহায়তা করলেও মূল সমস্যা সমাধান করছে না।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর পিস স্টাডিজ (সিপিএস) ও জাতিসংঘ যৌথভাবে আয়োজিত `জনগণের প্রয়োজনের সময়ে জাতিসংঘ: বহুপক্ষীয় ব্যবস্থা নিয়ে পুনর্ভাবনা` শীর্ষক দুই দিনের ওই ওয়েবিনারে আরো বক্তব্য রাখেন- অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট সমরি শরন, বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো, পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ, ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনসে টেরিঙ্ক, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এটুআইয়ের নীতি পরামর্শক আনিস চৌধুরী এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ভূ-রাজনীতি ও আঞ্চলিক বিষয়ক এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় কেন্দ্রের প্রধান শেখ তানজীব ইসলাম প্রমুখ।

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে মহাপরিচালকের দায়িত্ব ছাড়লেন শাহ আহমদ শফী
                                  

অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার মহাপরিচালকের দায়িত্ব ছাড়লেন শাহ আহমদ শফী। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার শুরা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরিচালনা কমিটির (শূরা কমিটি) সদস্য সালাউদ্দীন নানুপুরী। এ ছাড়া আহমদ শফীর ছেলে আনাস মাদানীকেও মাদ্রাসা থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। শফীর অনুসারী আরেক শিক্ষক মাওলানা নূরুল ইসলাম মাদ্রাসার সব কার্যক্রম থেকে আজীবনের জন্য বরখাস্ত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির বৈঠকে শফী পদত্যাগ করেন বলে জানান হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সালাউদ্দীন নানুপুরী। এরপর একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে আহমদ শফীকে মাদ্রাসা থেকে চট্টগ্রাম শহরের একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নানুপুরী বলেন, ‘বয়স্ক ও অসুস্থ হওয়ায় মাদ্রাসার মহাপরিচালক শাহ আহমদ শফী মাদ্রাসা পরিচালনার দায়িত্বভার শূরা কমিটির ওপর ন্যস্ত করেন। কমিটি মাদ্রাসা পরিচালনা করবে। প্রয়োজনে তারাই পরিচালক নির্ধারণ করবেন। পরে শুরা কমিটি আহমদ শফীকে সম্মানিত পরিচালক হিসেবে রাখে।’



তিনি আরও বলেন, ‘শফী হুজুরের অনুসারী শিক্ষক মাওলানা নূরুল ইসলাম মাদ্রাসার সব কার্যক্রম থেকে আজীবনের জন্য বরখাস্ত হয়েছেন। এ ছাড়া হুজুরের ছেলে আনাস মাদানীকেও মাদ্রাসা থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।’

মহাপরিচালকের পদ থেকে পদত্যাদের মধ্য দিয়ে হাটহাজারী বড় মাদ্রাসায় দৃশ্যত আহমদ শফীর সুদীর্ঘ দিনের কর্তৃত্বের অবসান ঘটল।

এদিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার মহাপরিচালক ও হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ আহমদ শফীর ছেলে আনাস মাদানীকে স্বপদে পুনর্বহালের চেষ্টার খবরে বিক্ষোভ করে প্রতিষ্ঠানটির বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। গতকাল বেলা ১১টার পর মাদ্রাসা মাঠে জমায়েত হয়ে তারা ফের বিক্ষোভ শুরু করে। সকাল থেকে পুরো মাদ্রাসার নিয়ন্ত্রণ নেন আন্দোলনরতরা। শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসার সব গেটে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং আনাসপন্থি কয়েকজন শিক্ষকের কক্ষে ভাঙচুর চালায়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে হাটহাজারী মাদ্রাসা বন্ধের আদেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে কারণ হিসেবে করোনায় স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের শর্ত মানা হচ্ছে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই প্রজ্ঞাপনে।

এদিকে হেফাজত আমির আহমদ শফীর পক্ষে তার একান্ত ব্যক্তিগত সচিব শফিউল আলম ফেসবুক লাইভে এসে মাদ্রাসার সর্বশেষ অবস্থা জানান। লাইভ ভিডিওতে এ সময় আল্লামা আহমদ শফীকেও দেখা যাচ্ছিল। শফিউল ভিডিও লাইভে বলেন, আল্লামা শফি সম্পূর্ণ সুস্থ ও অক্ষত আছেন। তিনি তার কার্যালয়ে অবস্থান করছেন।

গত বুধবার মাদ্রাসা পরিচালনার শূরা কমিটির সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষাসচিব আনাস মাদানীকে অব্যাহতির ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে আনাসকে মাদ্রাসা থেকে অব্যাহতি দেওয়াসহ ছয় দফা দাবিতে মাদ্রাসায় বিক্ষোভ শুরু করেন ছাত্ররা। শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসার ভেতরে বিক্ষোভের সময় প্রচারপত্র বিলি করেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- আনাসকে অব্যাহতি দেওয়া, আনাস কর্তৃক বহিষ্কৃত তিনজন শিক্ষককে পুনর্বহাল করা। আনাস নিয়োগকৃত সব অযোগ্য শিক্ষককে ছাঁটাই করা। ছাত্রদের ওপর জুলুম-হয়রানি বন্ধ করা। আহমদ শফী বয়স্ক হওয়ায় একজন দক্ষ আলেমকে মাদ্রাসার পরিচালক নিয়োগ করা। শূরা কমিটির সদস্য আবদুল কুদ্দুস, নুরুল আমীন, আবুল কাসেম ফেনীসহ বিতর্কিতদের বাদ দেওয়া। গতকাল আহমদ শফী পদত্যাগ করলে রাতে মাদ্রাসার ছাত্ররা তাদের আন্দোলনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

এদিকে হাটহাজারী মাদ্রাসায় ছাত্রদের চলমান আন্দোলনে বহিরাগতদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে অভিযোগ করে দেশের ১০১ জন শীর্ষস্থানীয় আলেম ও ইমাম-খতিব এক যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তারা সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মাদ্রাসার ভেতরগত বিষয়ে মুরব্বিরা বিশেষ করে শূরা সদস্যরা বিচার-বিবেচনা করবেন, এটাই দেশবাসী প্রত্যাশা করে। বিবৃতি প্রদানকারীরা হলেন- মুফতি আহমদুল হক, মুফতি ইনামুল হক, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, মাওলানা শামসুদ্দিন আহমদ প্রমুখ।

হেফাজতে ইসলামের নেতারা জানান, আমির আহমদ শফী ও মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীর মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। গত ১৭ জুন জুনায়েদ বাবুনগরীকে দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার সহকারী পরিচালকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তার জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় মাদ্রাসার জ্যেষ্ঠ শিক্ষক শেখ আহমেদকে। তিনি হেফাজতের আমির শাহ আহমদ শফীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া বাবুনগরীর ভাগিনা মাদ্রাসার শিক্ষক আনোয়ার শাহকে মাদ্রাসা থেকে এক মাস আগে বের করে দেওয়া হয়। সবকিছু মিলিয়ে বাবুনগরীর অনুসারীরা ক্ষুব্ধ হন আনাসের ওপর। তাদের অভিযোগ, আহমদ শফী বয়স্ক হওয়ায় তাকে ভুল বুঝিয়ে আনাস এসব কাজ করিয়েছেন। এতে বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

সাত হাজারের অধিক শিক্ষার্থীর এই প্রতিষ্ঠান কওমি মাদ্রাসা ভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।ফুটবলে ক্ষতি ৯৩ হাজার কোটি টাকা!
প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের কারণে একটানা কয়েক মাস বন্ধ থাকে মাঠের ফুটবল। তাই আর্থিক ক্ষতিটাও হয়েছে মোটা অঙ্কের। আজ বৃহস্পতিবার ফেডারেশন অফ ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন জানায়, এর পরিমাণ ১১ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় হিসেব করলে দাঁড়ায় প্রায় ৯৩ হাজার ২১৮ কোটি টাকা।


এর মধ্যে ইউরোপিয়ান ফুটবলই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। মূলত স্পন্সরের মুখ ফিরিয়ে নেওয়া, মৌসুমের সূচি পরিবর্তন, ম্যাচের টিকিট বিক্রি করতে না পারাসহ আরও বেশকিছু কারণে এই আর্থিক লোকসান গুণতে হয় দলগুলোকে।

 

অনেকে নানা সমালোচনা করে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
                                  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলেন। কিন্তু এ নিয়ে যত কথাই হোক, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। সরকারের মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নিজের সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে আজ বৃহস্পতিবার এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নানা সমালোচনা করে। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। দেশে করোনা শনাক্তের পর তাৎক্ষণিক যেসব কাজ করা দরকার ছিল, সেটা তারা ভালোভাবে করেছে বলেই আমরা করোনা নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছি। সুতরাং কথা বলার সময় সেটা মাথায় রাখতে হবে। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছে প্রত্যেকে। অনেক ডাক্তার, নার্স প্রাণ হারিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে এক শ্রেণীর লোক রয়েছে, যাদের কাজই হলো অন্যের সমালোচনা করা। সামান্য পান থেকে চুন খসলেই তারা নানা কথা বলবে। কিন্তু তারা নিজেরা কোনো কাজ করবে না। এক সময় ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে নানা সমালোচনা করেছে তারা। আমি কিন্তু ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছি। বেসরকারি টেলিভিশন অনেকগুলো দিয়েছি। তাছাড়া আছে বিদ্যুৎ। তারা এখন এয়ার কন্ডিশন চালায়।


এ সময় প্রধানমন্ত্রী জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের মানুষের পাশে থাকার আহ্বান জানান। বলেন, ক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা সবই জনগণের সম্পদ। তাই দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে সবাইকে কাজ করতে হবে।

জানা যায়, এদিন সরকারের ৫১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের পক্ষে ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর করেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবরা। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

জনপ্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কর্মসম্পাদন চুক্তি প্রবর্তন করা হয়েছে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে। কারণ আমরা দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই। তাই বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির ফলাফল যাতে মানুষ পায়, সেজন্য সবারই দায়িত্ব মানুষের পাশে থাকা এবং তাদের কল্যাণে কাজ করা।

শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে বন্দী করে রেখেছে ভারত: ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
                                  

বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ভারত বন্দী করে রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ভারত সরকার বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংস করতে চায় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের উদ্যোগে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ কথা বলেন জাফরুল্লাহ।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘ভারত বাংলাদেশের জনগণকে বিচ্ছিন্ন করতে চায়। তারা সুকৌশলে আমার দেশের দুই নেত্রীকে বন্দী করে রেখেছে। বেগম খালেদা জিয়াকে গুলশানে এবং শেখ হাসিনাকে আমলার দ্বারা আবদ্ধ করে রেখেছে।

তিনি বলেন, ‘ভারত নজর দিয়েছে কীভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংস করা যায়। আর সে কারণে আন্তর্জাতিক নিয়মাবলী না মেনে হঠাৎ করেই পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। ভারত বাংলাদেশের জনগণকে বিচ্ছিন্ন করতে চায়। কিন্তু আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে। এভাবে চলতে পারে না। তাদের একটি ফাইনাল ওয়ার্নিং দেওয়া উচিত। চলুন, সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে ভারতের বিরুদ্ধে আরেকটি যুদ্ধ ঘোষণা করি।



মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন- নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর প্রমুখ।

আগামী বছরের শুরুতে ঢাকা সফর করবেন এরদোগান
                                  


আগামী বছরের শুরুর দিকে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেয়ার ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও বর্তমান চেয়ার রজব তৈয়ব এরদোগান।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বুধবার তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সাথে এক বৈঠকে মিলিত হলে এরদোগান ঢাকা সফরের ব্যাপারে সম্মতি জানান। এ সময় তিনি নতুন সদস্য যুক্ত করে ডি-৮ সম্প্রসারণের ব্যাপারে জোর দেন।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগানের মধ্যে উষ্ণ-আন্তরিক পরিবেশে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাণিজ্যিক পণ্য আদান-প্রদানের বিষয়ে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ, আরো বেশি প্রতিনিধিদল পাঠানো, মেলা ও প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন এ কে আব্দুল মোমেন ও এরদোগান।

শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামরিক খাতে দুই দেশের চলমান সহযোগিতা শক্তিশালী বলে অভিহিত করেন তারা। আলোচনায় উভয়েই বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাব দেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট। এসব প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে বিদ্যমান শুল্ক বাধা এড়িয়ে নতুন পণ্য, বস্ত্র, ওষুধ ও অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ।

এ ছাড়া উভয় দেশে বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন এরদোগান। বাংলাদেশে তুরস্কের আর্থিক সহযোগিতায় একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের প্রয়োজনীয় জমি বরাদ্দের জন্য তুরস্কের প্রেসিডেন্ট প্রস্তাব দেন।

দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে নিয়মিত বিরতিতে উচ্চতর পর্যায়ে এফওসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এরদোগান। অদূর ভবিষ্যতে উভয়পক্ষ উচ্চতর পর্যায়ে নিয়মিত আলাপ-আলোচনা চালিয়ে নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ফোরাম গঠনের ব্যাপারে একমত হন।

এরদোগান বিদ্যমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে তুরস্কের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আরো সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। মহামারি কোভিড-১৯ অবসানের পর দ্রুততম সময়ে ঢাকায় নবনির্মিত তুরস্কের দূতাবাস ভবন উদ্বোধনের প্রাক্কালে প্রেসিডেন্ট এরদোগান বাংলাদেশে ভ্রমণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বৈঠকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলিত চাভুসগলু উপস্থিত ছিলেন।

 

ছয় মাস বন্ধ থাকার পর চালু হচ্ছে ঢাকা-সৌদি নিয়মিত ফ্লাইট
                                  

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর আগামী সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে চালু হচ্ছে ঢাকা-সৌদি নিয়মিত ফ্লাইট। তবে শুধুমাত্র জেদ্দা, রিয়াদ ও দাম্মামে নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। গতকাল বুধবার রাতে বিমানের ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়।

বিমানের ওয়েবসাইটে বলা হয়, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার দাম্মাম থেকে ফ্লাইট পরিচালনা করবে বিমান। ঢাকা থেকে রিয়াদে প্রতি শনি, সোম ও বৃহস্পতিবার ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি বৃহস্পতিবার ঢাকা-জেদ্দা-ঢাকা রুটে ফ্লাইট চালাবে বিমান। এছাড়া, চট্টগ্রাম-জেদ্দা-ঢাকা রুটে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি সোমবার, ঢাকা-জেদ্দা-চট্টগ্রাম রুটে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি রোববার ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।

করোনাকালে সৌদি আরব ভ্রমণে কারা যেতে পারবেন এবং ভ্রমণ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যও দিয়েছে বিমান। সংস্থাটির www.biman-airlines.com ওয়েবসাইটে তথ্যগুলো পাওয়া যাবে। যারা ভ্রমণ করবেন, তাদের www.absher.sa/portal/landing.html ; এ গিয়ে ভিসার মেয়াদ চেক করতে অনুরোধ জানিয়েছে বিমান।



তবে ভ্রমণের আগে অবশ্যই বাংলাদেশ সরকার নির্ধারিত ল্যাব থেকে যাত্রার ৪৮ ঘণ্টা আগে করোনাভাইরাসের টেস্ট করিয়ে ৬ কপি ‘করোনা নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট সঙ্গে রাখতে নির্দেশনা দিয়েছে বিমান কর্তৃপক্ষ। সৌদি আরবের বিমানবন্দরে নেমে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হেলথ ফরম পূরণ করে তা বিমানবন্দরের হেলথ কন্ট্রোল সেন্টারে জমা দিতে হবে। এছাড়া, ফ্লাইট ছাড়ার ৬ ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকতে বলেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে সরকার: শ ম রেজাউল করিম
                                  

করোনা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। তিনি আজ বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময়কালে একথা জানান।


মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের সভাপতি ডা. মো. মনজুর কাদির, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. এস এম নজরুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জালাল উদ্দিন সরদার, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার ডা. মো. ইমরান হোসেন খান ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার ডা. গোপাল চন্দ্র বিশ্বাস এসময় উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের গতিকে করোনার মধ্যেও আমরা এগিয়ে নিয়ে গেছি। করোনাকালে মন্ত্রণালয় থেকে বিভিন্ন নীতি-নির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কন্ট্রোল রুম চালু করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদিত সামগ্রী যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। উৎপাদন ও বিপণন সমস্যা, রাস্তায় পরিবহন সমস্যা, বিদেশ থেকে আমদানিকৃত মৎস্য ও প্রাণিখাদ্য কাস্টমস্ থেকে ছাড়িয়ে নেয়া সমস্যা মন্ত্রণালয় থেকে প্রায় চব্বিশ ঘণ্টাই মনিটর করে সমাধান করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের ব্যবস্থা করে প্রায় ৫ হাজার ৭ শত কোটি টাকার দুধ, ডিম, মাছ, মাংস বিপণন করা হয়েছে। এতে করে যারা উৎপাদক তারা লাভবান হয়েছেন, বিপণনকারী লাভবান হয়েছেন এবং এর উপকারভোগীরা লাভবান হয়েছেন।

মতবিনিময়কালে ভেটেরিনারি কাউন্সিলের জনবল সমস্যাসহ অন্যান্য সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী। এসময় চলমান দাপ্তরিক কাজ কার্যকরভাবে এগিয়ে নেয়াসহ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের জন্য বিধি প্রণয়নের ব্যাপারেও সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেন তিনি। বাসস

নৌ প্রতিমন্ত্রী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত
                                  

দেশের অনেক বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। গতকাল মঙ্গলবার তার নমুনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম খান।

জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, মন্ত্রী মহোদয় ইতোমধ্যেই হোম আইসোলেশনে চলে গেছেন। পরিবার কিংবা অন্যান্য মানুষ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছেন তিনি। সামান্য জ্বর আর শরীর ব্যথা ছাড়া তার অন্য কোনো সমস্যা নেই। সবমিলিয়ে তিনি ভালো আছেন।

জানা যায়, গত রোববার শরীর খারাপ বোধ করলে তিনি নমুনা দিয়েছেন। গতকাল রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তবে মাঝের সময়টুকুও তিনি নানা কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিবেষ্টিত হয়ে নিয়মিত দাপ্তরিক কাজ করে গেছেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদের এপিএস আহমাদুল বাশারও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

প্রশিক্ষণের নামে সরকারি কর্মকর্তাদের অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ বন্ধের আহ্বান
                                  

প্রশিক্ষণের নামে সরকারি কর্মকর্তাদের অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, বিদেশ ভ্রমণের যে রীতি আছে তা ভেঙে যুক্তিসঙ্গত করা এখন সময়ের দাবি। ভ্রমণের নামে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় করা বন্ধ করতে হবে।

খিচুড়ি রান্নার প্রশিক্ষণ নিতে অন্তত এক হাজার সরকারি কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণে যাওয়ার প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, খিচুড়ি রান্নার প্রশিক্ষণ নিতে বিদেশ ভ্রমণের বিষয়ে ইতোমধ্যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব। তাই বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।

তবে কোনো অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ কর্মকর্তাদের বন্ধ করতে হবে বলে মনে করি, এতে করে দেশের মঙ্গল হবে। তাছাড়া জনগণের ট্যাক্সের টাকায় এভাবে বিলাসী ভ্রমণ হতে পারে না, যোগ করেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদমন্ত্রী।

সম্প্রতি তার মন্ত্রণালয়ে একটি প্রজেক্টের ফাইল তৈরির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে দেখলাম, ২৫ জন কর্মকর্তার বিদেশ যাওয়ার প্রয়োজন নেই। তখন সঙ্গে সঙ্গেই তাদের নাম বাতিল করা হয়েছে এবং এটিই করতে হবে। এভাবে দেশের টাকা নষ্ট করা যাবে না।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, করোনাকালে রাষ্ট্রীয় খরচ অপচয় বন্ধে আরো সতর্ক থাকতে হবে। কারণ সকল ক্ষেত্রেই চ্যালেঞ্জ বাড়ছে। জনগণের কল্যাণে সবাইকে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।


   Page 1 of 449
     জাতীয়
রাজধানীতে পথচারী ও সাইকেলে চলাচল নিরাপদ করা হচ্ছে
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ১৬৫ কোটি টাকা প্রদান
.............................................................................................
আসছে শীতে দেশে করোনাভাইরাসের পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
কূটনৈতিক পরিধি বাড়াতে নতুন মিশন বাংলাদেশের
.............................................................................................
পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করেই স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে বাংলাদেশ
.............................................................................................
আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মরদেহ জানাজা ও দাফনের জন্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে
.............................................................................................
আইসিইউতে ভর্তি আল্লামা শাহ আহমদ শফি
.............................................................................................
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘের ভূমিকা হতাশাজনক: পররাষ্ট্র সচিব
.............................................................................................
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে মহাপরিচালকের দায়িত্ব ছাড়লেন শাহ আহমদ শফী
.............................................................................................
অনেকে নানা সমালোচনা করে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে বন্দী করে রেখেছে ভারত: ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
.............................................................................................
আগামী বছরের শুরুতে ঢাকা সফর করবেন এরদোগান
.............................................................................................
ছয় মাস বন্ধ থাকার পর চালু হচ্ছে ঢাকা-সৌদি নিয়মিত ফ্লাইট
.............................................................................................
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে সরকার: শ ম রেজাউল করিম
.............................................................................................
নৌ প্রতিমন্ত্রী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত
.............................................................................................
প্রশিক্ষণের নামে সরকারি কর্মকর্তাদের অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ বন্ধের আহ্বান
.............................................................................................
স্বাস্থ্যবিধি মেনে আজ থেকে ট্রেনের শতভাগ টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত: রেল মন্ত্রণালয়
.............................................................................................
২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৪৩ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনে শান্তরক্ষী পাঠানোর ক্ষেত্রে শীর্ষে বাংলাদেশ
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক রুটে বিমানের বিধিনিষেধ শিথিল হচ্ছে
.............................................................................................
রোহিঙ্গা সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্র
.............................................................................................
চলে গেলেন ঢাকা ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান
.............................................................................................
শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও সুরক্ষিত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
.............................................................................................
বাসযোগ্য শহর গড়ে তুলতে অর্থ নয়, প্রয়োজন স্বদিচ্ছা: পরিকল্পনা মন্ত্রী
.............................................................................................
বাংলাদেশে অবস্থান করা অবৈধ বিদেশিদের খুব শিগগির ফেরত পাঠানো হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী
.............................................................................................
ঢাকায় জিসিএ এর আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
চলে গেলেন ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তাফা কামালের মা
.............................................................................................
আগামীকাল বাংলাদেশের অভিযোজন বিষয়ক রিজিওনাল গ্লোবাল সেন্টার উদবোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
চাকরি থেকে অবসর ও প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো যেতে পারে: পরিকল্পনামন্ত্রী
.............................................................................................
ইউএনও ওয়াহিদাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর প্রয়োজন নেই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আরো ছয় মাস বাড়লো
.............................................................................................
ইউএনও’র উপর হামলা, যুবলীগ নেতাসহ দুজন আটক
.............................................................................................
ঘোড়াঘাটের ইউএনওকে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা
.............................................................................................
শেখ হাসিনার সঙ্গে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনে যোগাযোগ
.............................................................................................
দেশের ১৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে
.............................................................................................
এবার পাপুলের ভাইকে তলব কুয়েতের তদন্ত কমিটির
.............................................................................................
১৩ বছরে ৬০৪ জন গুম; তারা কোথায়?
.............................................................................................
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তির আবেদন করেছে পরিবার
.............................................................................................
সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক রাহাত খান আর নেই
.............................................................................................
আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে আগের ভাড়ায় চলবে গণপরিবহন
.............................................................................................
ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেলে র‍্যাবের অভিযান
.............................................................................................
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার সি আর দত্ত আর নেই
.............................................................................................
রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধানে কূটনীতিক প্রচেষ্টা চলমান : সেতুমন্ত্রী
.............................................................................................
নানাবিধ রোগের সম্মুখীন হচ্ছেন করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হওয়ারা
.............................................................................................
গণমাধ্যমে কথা বলার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিধিনিষেধ আরোপ
.............................................................................................
সীমান্ত বাংলাদেশি হত্যা বন্ধে ভারতের তদন্তের প্রতিশ্রুতি
.............................................................................................
৩ মাস পেরিয়ে গেলেও ১৫ লাখ পরিবার পায়নি প্রণোদনার আড়াই হাজার টাকা
.............................................................................................
আদর্শ এবং লক্ষ্য ধ্বংস করার উদ্দেশ্যেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা
.............................................................................................
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব করোনায় আক্রান্ত
.............................................................................................
গণপরিহনে বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহারের দাবি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
সম্পাদক মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী
সম্পাদক কর্তৃক ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ইউরোপ মহাদেশ বিষয়ক সম্পাদক- প্রফেসর জাকি মোস্তফা (টুটুল)
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমেদ
নির্বাহী সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম রানা
বার্তা সম্পাদক : মোঃ আকরাম খাঁন
সহঃ সম্পাদক: হোসাইন আহমদ চৌধুরী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন : ০২-৯৫৬২৮৯৯ মোবাইল: ০১৬৭০-২৮৯২৮০
ই-মেইল : swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD