| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   জাতীয় -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
৬০ সরকারি কর্মকর্তার মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল

ভুল ব্যাখ্যা ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নেওয়ায় ৬০ জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও এ-সংক্রান্ত গেজেট বাতিল করা হয়েছে। একটি গোয়েন্দা সংস্থার সুপারিশের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার এসব সনদ বাতিল করা হয়। এখন এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের চিঠি দেবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

তবে চাকরির মেয়াদ বাড়াতে বা অন্যান্য সুযোগ নিতে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ অন্তত ছয় সচিব। ২০১৪ সালে তাঁদের সনদ বাতিল করা হলেও কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

গতকাল জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৬১ তম সভায় ৬০ জনের সনদ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সরকারের আমলে এটি জামুকার প্রথম সভা। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে এ সভায় মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা পুনরায় যাচাই-বাছাইয়ের জন্য প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কমিটি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নতুন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ১০ শতাংশের কম মুক্তিযোদ্ধার নাম যেসব উপজেলা থেকে এসেছে, তা আর যাচাই না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেছেন, একটি গোয়েন্দা সংস্থার সরেজমিন তদন্তের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই করে এসব গেজেট বাতিল করা হয়েছে। তবে শুধু সনদ বাতিল বা ফৌজদারি মামলা করা নয়, কেউ সনদ ব্যবহার করে সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিয়ে থাকলে তা-ও ফিরিয়ে নেওয়া হবে। ভাতা নিতে থাকলে তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। এভাবে আনুষ্ঠানিক সভা করে এত বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার সনদ আগে কখনো বাতিল করা হয়নি বলে জানান তিনি।

গেজেট বাতিল হওয়া ৬০ কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন সংস্থার মহাপরিচালক, কর পরিদর্শক, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, রাজস্ব কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য সহকারী, পুলিশ কর্মকর্তা, ব্যাংকার, শুল্ক কর্মকর্তা, শিক্ষক। আছেন পেশকার, অফিস সহকারী, কেরানি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা। তাঁদের অনেকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় এখনো চাকরি করছেন। কেউ চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে এ সুবিধা নিয়ে ইতিমধ্যে অবসরে গেছেন। কেউ কেউ এখনো ভাতা পাচ্ছেন।

৬০ সরকারি কর্মকর্তার মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল
                                  

ভুল ব্যাখ্যা ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নেওয়ায় ৬০ জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও এ-সংক্রান্ত গেজেট বাতিল করা হয়েছে। একটি গোয়েন্দা সংস্থার সুপারিশের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার এসব সনদ বাতিল করা হয়। এখন এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের চিঠি দেবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

তবে চাকরির মেয়াদ বাড়াতে বা অন্যান্য সুযোগ নিতে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ অন্তত ছয় সচিব। ২০১৪ সালে তাঁদের সনদ বাতিল করা হলেও কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

গতকাল জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৬১ তম সভায় ৬০ জনের সনদ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সরকারের আমলে এটি জামুকার প্রথম সভা। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে এ সভায় মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা পুনরায় যাচাই-বাছাইয়ের জন্য প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কমিটি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নতুন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ১০ শতাংশের কম মুক্তিযোদ্ধার নাম যেসব উপজেলা থেকে এসেছে, তা আর যাচাই না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেছেন, একটি গোয়েন্দা সংস্থার সরেজমিন তদন্তের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই করে এসব গেজেট বাতিল করা হয়েছে। তবে শুধু সনদ বাতিল বা ফৌজদারি মামলা করা নয়, কেউ সনদ ব্যবহার করে সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিয়ে থাকলে তা-ও ফিরিয়ে নেওয়া হবে। ভাতা নিতে থাকলে তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। এভাবে আনুষ্ঠানিক সভা করে এত বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার সনদ আগে কখনো বাতিল করা হয়নি বলে জানান তিনি।

গেজেট বাতিল হওয়া ৬০ কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন সংস্থার মহাপরিচালক, কর পরিদর্শক, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, রাজস্ব কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য সহকারী, পুলিশ কর্মকর্তা, ব্যাংকার, শুল্ক কর্মকর্তা, শিক্ষক। আছেন পেশকার, অফিস সহকারী, কেরানি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা। তাঁদের অনেকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় এখনো চাকরি করছেন। কেউ চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে এ সুবিধা নিয়ে ইতিমধ্যে অবসরে গেছেন। কেউ কেউ এখনো ভাতা পাচ্ছেন।

ট্রাফিক সপ্তাহ: চতুর্থ দিনে জরিমানা ৩৩ লাখ টাকা
                                  

 ট্রাফিক আইন অমান্য করায় রাজধানীতে বিভিন্ন যানবাহনকে ৩৩ লাখ ৫ হাজার ১৫০ টাকা জরিমানা করেছে ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশ। পাশাপাশি ছয় হাজার ৫৪৮টি মামলাও হয়েছে। অভিযানকালে ১১৩টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৭৭০টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করার দায়ে ১২৭টি, হুটার ও বিকনলাইট ব্যবহার করার জন্য তিনটি, উল্টোপথে গাড়ি চালানোর কারণে এক হাজার ২৯৮টি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ট্রাফিক আইন অমান্য করায় দুই হাজার ৭৪৯টি মোটর সাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা ও দুই হাজার ৮০৪টি মোটর সাইকেল আটক করা হয়। সেই সাথে গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অপরাধে চালকের বিরুদ্ধে ৫৪টি মামলা করা হয়। গত বুধবার দিনভর ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা ও জরিমানা করা হয় বলে তিনি জানান। ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ঢাকা মহানগরে ট্রাফিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক সপ্তাহ ঘোষণা করেছেন। ট্রাফিক সপ্তাহের মধ্যেই মঙ্গলবার সকালে রাজধানীতে বাস চাপায় বিইউপির এক শিক্ষার্থী নিহত হন।

 

চূড়ান্ত নির্দেশেও সরকারি আবাস ছাড়ছে না সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা
                                  

 বর্তমান সরকারের অনেক নতুন মন্ত্রী-এমপি সরকারি আবাসে থাকতে পারছে না। কারণ সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা নতুনদের বরাদ্দ দেয়া আবাস ছাড়ছেন না। একাধিক নোটিশ দেয়া হলেও অনেক সাবেক মন্ত্রী-এমপি নির্বিকার। নতুন সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা মন্ত্রিপাড়ায় বাসা বরাদ্দ পেলেও আগের সংসদে বরাদ্দ পাওয়া এমপি হোস্টেলের বাসা এখনো দখলে রেখেছেন। এমন অবস্থায় চলতি মাসের মধ্যে সাবেকদের এমপি হোস্টেল খালি করতে চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদ সচিবালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, চলতি সংসদের সংসদ কমিটি গঠনের আগেই সাবেক এমপিদের আবাস খালি করার নোটিশ দেয়া হয়েছিল। তারপর সংসদ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একই নোটিশ দেয়া হয়। কিন্তু তারপরও সাবেক এমপি ও বর্তমান মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা বারবার সময় নিচ্ছেন। রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে ন্যাম ফ্ল্যাটের ৬টি ও নাখালপাড়ায় পুরনো এমপি হোস্টেলের ৪টি ভবন আইন প্রণেতাদের আবাসস্থল ‘এমপি হোস্টেল’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সেখানে ছোট-বড় দুই ধরনের ফ্ল্যাট রয়েছে। তার মধ্যে প্রথমবার নির্বাচিতদের এক হাজার ২৫০ বর্গফুট ও একাধিকবার নির্বাচিতদের এক হাজার ৮০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেয়া হয়। চলতি সংসদে এখন পর্যন্ত নতুন ও পুরনো মিলে ১৬৫ জনকে লটারির মাধ্যমে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সাধারণ ও সংরক্ষিত আসন মিলিয়ে ৩৫০ জন এমপির জন্য মানিক মিয়া এভিনিউতে ২১৬টি ও নাখালপাড়ায় ৯১টি ফ্ল্যাট রয়েছে। তাছাড়া রাজধানীর মন্ত্রিপাড়ায় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের জন্য পৃথক আবাসনব্যবস্থা রয়েছে।
সূত্র জানায়, গত বছর ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ২৯২ জনকে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু তাদের অনেকেই বরাদ্দ নিয়েও ফ্ল্যাটে থাকেননি। সংসদ সদস্যদের আবাসনের বিষয়টি দেখভালের দায়িত্বে থাকা সংসদ কমিটির গত আগস্ট মাসের বৈঠকে এমপি হোস্টেলে থাকেন না এমন এমপিদের বাসা ছেড়ে দিতে বলা হয়। একাদশ সংসদের নতুন সদস্যদের জন্য বাসা খালি করার জন্য ওই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তারপর ডিসেম্বরে নির্বাচনের আগে প্রার্থী না হতে পারায় জানুয়ারিতে অনেকেই ওসব ভবনে থাকার অধিকার হারান। আর নির্বাচিত না হতে পারায় সাবেক এমপিদের বাসা ছেড়ে দেয়ার কথা থাকলেও তাদের অনেকেই এখনো বাসা ছাড়েননি। ইতিমধ্যে নতুন সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা মন্ত্রিপাড়ায় বাসা বরাদ্দ পাওয়ারও এখনো এমপি হোস্টেলের বাসা ছাড়েননি। এমন অবস্থায় বাসা খালি করা ও নতুনদের বাসা বরাদ্দ দেয়া নিয়ে সংসদ সচিবালয় রীতিমতো বিপাকে পড়েছেন।
সূত্র আরো জানায়, বিগত ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের এমপি হিসেবে বরাদ্দ পাওয়া আবাস খালি করে বুঝিয়ে দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখনো তা দেয়া হয়নি। অনেকেই টেলিফোনে কয়েক দিন সময় নিয়েছেন। তবে লিখিতভাবে কেউ কিছু জানাননি। যদিও সংসদ সচিবালয় থেকে চিঠি দিয়ে সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের বলা হয়েছে- ইতিপূর্বে বরাদ্দকৃত মানিক মিয়া এভিনিউ/নাখালপাড়াস্থ ফ্ল্যাটে বসবাস করতে আগ্রহী হলে সরকার থেকে প্রাপ্য নির্ধারিত বাড়িভাড়ার মন্ত্রীদের জন্য ৮০ হাজার টাকা এবং প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীদের জন্য ৭০ হাজার টাকার সম্পূর্ণ অংশ সংসদ সদস্য ভবনের ফ্ল্যাটের ভাড়া বাবদ পরিশোধ করার শর্তে আবেদন করতে হবে।
এ বিষয়ে সংসদ কমিটির সভাপতি ও প্রধান হুইপ নুর-ই-আলম চৌধুরী লিটন জানান, সাবেক এমপিদের এমপি হোস্টেলের বাসা দ্রুত ছাড়তে বলা হয়েছে। আর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের অনেকে মন্ত্রিপাড়ার বাসায় ওঠার জন্য একটু সময় নিয়েছেন। কারণ পুরনোরা বাসা ছাড়ার পর সেখানে কিছু সংস্কারকাজ থাকে। সেগুলো শেষ হলেই তারা এমপি হোস্টেল ছেড়ে দেবেন আশা করছি। আর কেউ সরকারের বরাদ্দ বাসাভাড়ার টাকা পরিশোধ করলে তাদের নতুন করে বরাদ্দ দেয়া হবে।

 

ঢাকায় পরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশ ব্যর্থ: ডিএমপি কমিশনার
                                  

ঢাকায় পরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশ ব্যর্থ হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেন, আমাদের (ট্রাফিক পুলিশ) দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। ট্রাফিক ব্যবস্থার জন্য আমাদের কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতেই হবে। বারবার বলছি, কাজ হচ্ছে না। এখন আমাদের কঠোরভাবে আইনি প্রয়োগে যেতে হবে। এখন থেকে দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ালে পথচারীর বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কমিশনার বলেন, দুর্ঘটনা ঘটলে আমরা কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে যাই। জবাব দিতে পারি না। কিন্তু এটার পরিবর্তন হওয়া দরকার। জনগণ যাতে ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করে, জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার করে, সেজন্য ট্রাফিক বিভাগকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিচ্ছি। দুর্ঘটনা ঘটানোয় বাস যেমন আটক করেন তেমনি দুর্ঘটনার কারণ হলে পথচারীকেও আটক করুন। আটক করে মিডিয়াকে দেখান, দেশের মানুষকে দেখান যে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার না করে, জেব্রা ক্রসিং ব্যতীত রাস্তা পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তান মহানগর নাট্যমঞ্চে আয়োজিত ট্রাফিক শৃঙ্খলা ও সচেতনতাবিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য যেন মানুষের ক্ষতি না হয়: প্রধানমন্ত্রী
                                  

দেশের বিভিন্নস্থানে চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য যেন জনসাধারণের জীবন-জীবিকার কোনো রকম ক্ষতি না হয়, সংশ্লিষ্টদের সেদিকে লক্ষ্য রাখার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, `উন্নয়নটা মানুষের জন্য, মানুষের ক্ষতি করে যেন এই উন্নয়ন না হয়`। বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত মহেশখালী-মাতারবাড়ি সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে তিনি এই পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া পরামর্শ ও নির্দেশনার কথা জানান।

তিনি বলেন, `অনেক সময় দেখা যায়, বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য মানুষের জমি অধিগ্রহণ করতে হয়। তারা যেন সময় মতো জমির যথাযথ মূল্য পায়, তাদের যেন ভোগান্তি না হয়`।

মহেশখালী-মাতারবাড়ি সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম প্রকল্পের বিষয়ে তিনি বলেন, `একটা সময় কক্সবাজারে কিছুই ছিল না। পুরো কক্সবাজারে লবণ ও পান চাষ হতো। কক্সবাজারকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। কক্সবাজারের জনগণের মতামত নিয়েই এই উন্নয়ন কাজ চলছে। কক্সবাজারের মহেশখালীর বড় অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। জাপানের সহায়তায় মাতারবাড়িতে ১২শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্প এ পরিকল্পনার অংশ। মহেশখালী-মাতারবাড়ি সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম হলে শুধু ওই অঞ্চলেরই নয়, পুরো বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে`।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট জাপানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমপিওভুক্তির দাবিতে ফের রাজপথে শিক্ষকরা
                                  

এমপিওভুক্তির দাবিতে ফের রাজপথে নেমেছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রায় বাধা দিয়েছে পুলিশ। বাধার মুখে তারা প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান শুরু করেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এই পদযাত্রা শুরু করেন নন শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের সদস্যরা। প্রেসক্লাব থেকে কদম ফোয়ারা মোড় পর্যন্ত আসতেই পুলিশের বাধার মুখে পড়েন সংগঠনের প্রায় ৭০০০ শিক্ষক-কর্মচারী। 

পদযাত্রার বিষয়ে জানতে চাইলে ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার বলেন, ‘নন-এমপিও শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে আমরা আবেদন করে আসছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে আশ্বস্ত করেছেন আমাদের। এরপরও দেড় বছর অতিক্রম হয়েছে। উচ্চ মহলে বিভিন্ন সময় আমরা যোগাযোগ করেছি। কিন্তু তারা একটা কথাই বলেছেন, আমাদের কিছু করার নেই।

তাই আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের লক্ষ্যে একটা পদযাত্রা কর্মসূচি দিয়েছিলাম এক মাস আগে, যেটি বুধবার হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের কারণে পুলিশ কর্মকর্তাদের অনুরোধে বুধবার আমরা সেটি স্থগিত কারি এবং আজকের এই কর্মসূচি দেই।

তিনি জানান, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দিকে পদযাত্রা করি। তখন পুলিশ আমাদের আটকে দেয়। আমরা সহিংস কোনও কিছু করবো না। তাই আমাদের যেখানে আটকে দেওয়া হয়েছে, সেখানেই বসে পড়েছি। আমরা প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চাই, উনাকে আমরা আমাদের কথা জানাতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ না পাওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছেড়ে যাবো না। যত সময় পর্যন্ত আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা এ রাস্তায় অবস্থান করবো।’

পদযাত্রায় কেন বাধা দেওয়া হয়েছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাহবাগ থানার পেট্রল (টহল) ইন্সপেক্টর বাশার জানান, ‘মিছিল করে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করা কোনও অবস্থাতেই সম্ভব না। তাই আমরা তাদেরকে বাধা দিয়েছি। তাদের বলা হয়েছিল যদি কোনও স্মারকলিপি দিলে আমরা সেই বিষয়টি অ্যারেঞ্জ করতে পারি। কিন্তু তাদের বক্তব্য একটাই, তারা প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের প্রতিশ্রুতি চান। তাদের বক্তব্য, যতক্ষণ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে না দেখা করবেন ততক্ষণ পর্যন্ত তারা প্রেসক্লাবে অবস্থান করবেন। তাদের অবস্থানে বর্তমান আমরা কোনও বাধা দিচ্ছি না। কিন্তু তাদের আমরা অবজার্ভ করছি।’

শিক্ষকদের অবস্থানের ফলে পল্টন থেকে কদম ফোয়ারা পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এবিষয়ে তিনি বলেন, ‘যান চলাচলের জন্য আমরা বিকল্প একটি লিংক রোড ওপেন করে দিয়েছি। তাদের অনুরোধ করছি তারা যেন অন্তত একটি লেন ছেড়ে দেন।’

এদিকে আন্দোলনরত শিক্ষকেরা জানান, এমপিওভুক্তি না করা পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরে যাবেন না।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ বিনয় ভূষণ রায় বলেন, ‘২০১৮ সালের ৫ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব এসে আমাদেরকে জানান, প্রধানমন্ত্রী দাবি মেনে নিয়েছেন। অনশন ভেঙে আমাদের ঘরে ফিরে যেতে বলেছেন। এরপর জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরীসহ কয়েকজন এসে আমাদের বাড়ি ফিরে যেতে বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছিলেন তারা।’

বিনয় ভূষণ আরো বলেন, ‘এক বছর পার হলেও আজও আমাদের দাবি বাস্তবায়ন করা হয়নি। এ কারণেই আমরা আবারো সমবেত হয়েছি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমাদের মানবেতর জীবনযাপন কথা তুলে ধরব। তিনি আমাদের যে নির্দেশনা দেবেন, তাই মেনে নেওয়া হবে।’

এ জন্যে সারা দেশের ৫ হাজার ২৪২টি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কয়েক হাজার শিক্ষক-কর্মচারী প্রেস ক্লাবের সামনে উপস্থিত হয়েছেন বলে জানান বিনয় ভূষণ রায়।

পদ্মা সেতুর নবম স্প্যান বসছে আজ
                                  

পদ্মা সেতুতে যুক্ত হচ্ছে আরও একটি স্প্যান। সেতুর নবম স্প্যান বসতে যাচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। সবকিছু ঠিক থাকলে সকাল ১১ টার মধ্যে বসে যাবে পদ্মা সেতুর নবম স্প্যান ও জাজিরা প্রান্তের ৮ম স্প্যান।

এরই মধ্য দিয়ে সেতুর জাজিরা অংশে দৃশ্যমান হবে ১২০০ মিটার আর মাওয়া প্রান্তে দৃশ্যমান রয়েছে আরও ১৫০ মিটার। মাওয়া প্রান্তের ৫ ও ৪ নম্বর খুঁটিতে এটি বসানো হয়েছে। যদিও পরে এটি ৬ ও ৭ নম্বর খুঁটিতে সরিয়ে আনা হবে। ৬ ও ৭ নম্বর খুঁটিতে এখন পাইল বসানোর কাজ চলছে।

 

বুধবার সকালে মাওয়ার কুমারভোগের বিশেষায়িত ওয়ার্কশপ থেকে ‘৬ডি’ নম্বর স্প্যানটি নিয়ে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় ভাসমান জাহাজ। এটি জাজিরা প্রান্তের ৩৫ ও ৩৪ নম্বর খুঁটিতে বসানো হবে। খুঁটি দুটি সম্পূর্ণ রয়েছে। ইতোমধ্যে লিফটিং ফ্রেমটি ৩৫ নম্বর খুঁটির ওপর ঝুলানো হয়েছে। দুপুর ১২ টার দিকে লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্ত থেকে ৩৬শ’ মেট্রিকটন ওজন ক্ষমতার ভাসমান জাহাজ তিয়ান-ই নতুন এই স্প্যানটি নিয়ে জাজিরা প্রান্তের ৩৫-৩৪ নম্বর খুঁটির কাছে পৌঁছেছে বলে পদ্মা সেতুর দায়িত্বশীল নির্বাহী প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন।

এদিকে সার্ভিসিংয়ের কারণে কয়েক দিন বন্ধ থাকার পর আবার পাইলিং শুরু হয়েছে। ২৪শ’ কিলোজুলের হ্যামারটি ৭ নম্বর খুঁটিতে এবং ৩৫শ’ কিলোজুল ক্ষমতার হ্যামারটি ৬ নম্বর খুঁটিতে পাইল স্থাপন করছে। এ পর্যন্ত ২১১টি পাইল বসে গেছে। আরও ৫১টি পাইল বাকি আছে। দু’তীরের দু’টি খুঁটি বাদে পদ্মায় ৪০টি খুঁটিতে পাইল বসবে মোট ২৬২টি। এছাড়া দু’তীরে ১৬টি করে দুই খুঁটির ৩২টি পাইল আগেই বসে গেছে।

চিনি উৎপাদনে সরকারি মিলে অস্বাভাবিক খরচ
                                  

দেশে সরকারি চিনিকলগুলোতে উৎপাদন খরচ অস্বাভাবিক বেশি পড়ছে। প্রতি কেজি চিনি উৎপাদনে সর্বোচ্চ খরচ পড়ছে ৩শ’ টাকারও বেশি। অথচ প্রতিকেজি চিনি আমদানি করলে খরচ পড়ে মাত্র ৪৮ টাকা। আর অপরিশোধিত চিনি এনে দেশে শোধন করলে প্রতি কেজিতে ৪০ টাকার মতো খরচ পড়ে। এমন পরিস্থিতির কারণে দেশে সরকারি চিনিকল আছে ১৫টি মধ্যে ১৪টি লোকসান গুনছে। বাংলাদেশ খাদ্য ও চিনি শিল্প কর্পোরেশন সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশে বর্তমানে চিনির চাহিদা আনুমানিক ১৫ লাখ টন। আর সরকারি ১৫টি চিনি মিলের সক্ষমতা ২ লাখ টন হলেও এবার তার বিপরীতে উত্পাদন করেছে মাত্র ৬৮ হাজার টন। যার মধ্যে বেশিরভাগই অবিক্রিত থাকে। ফলে বাংলাদেশ চিনি শিল্প কর্পোরেশন চিনি উৎপাদনের পাশাপাশি গতবছর ১ লাখ ৮ হাজার টন চিনি আমদানি করে। যার মধ্যে এখনো ৮৪ হাজার টন অবিক্রিত আছে। প্রতি কেজি চিনির আমদানি খরচ পড়েছে ৪৮ টাকা। আর বেসরকারি কোম্পানীগুলো প্রতিবছর গড়ে ১৪ লাখ টন চিনি অপরিশোধিত চিনি আমদানি করে। সেগুলো আমদানির পর নিজস্ব মেশিনে পরিশোধন করে সাদা চিনি তৈরি করা হয়।
সূত্র জানায়, কুষ্টিয়া সুগার মিলে প্রতি কেজি চিনির উৎপাদন খরচ ৩৩৪ টাকা। পাবনা সুগার মিলে ওই খরচ প্রায় ৩শ টাকা। তবে কোনো মিলেই উৎপাদন খরচ ১৩০ টাকার কম নয়। অথচ বাজারে প্রতি কেজি চিনির বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫০ টাকায়। পাশাপাশি শুধুমাত্র আখের অভাবে বছরের বেশিরভাগ সময় সরকারি চিনি মিলের উৎপাদন বন্ধ থাকছে। ১২ মাসের মধ্যে কুষ্টিয়া সুগার মিল চলে মাত্র ২ মাস। আর আখের অভাবে বন্ধ হয়ে আছে জয়পুরহাট সুগার মিল। সরকারি চিনিকলগুলো রয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ খাদ্য ও চিনি শিল্প কর্পোরেশনের আওতায়।
সূত্র আরো জানায়, দেশে চিনির উৎপাদনের পর আখের উপজাতকে কাজে লাগাতে পারলে সরকারি মিলগুলো লাভজনক হতে পারতো। সরকারি চিনিকলগুলোর মধ্যে একমাত্র লাভের মুখ দেখছে কেরু অ্যান্ড কোম্পানি। চিনি উৎপাদনের ক্ষেত্রে লোকসান করলেও কেরুর ডিস্টিলারি ইউনিটই লাভ করছে। ১৯৩৮ সালের প্রতিষ্ঠিত এই চিনি কলটিতে দেশি মদের পাশাপাশি ৯টি ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ বা ফরেন লিকার তৈরি হয়। আখ থেকে চিনি বের করে নেয়ার পর তিনটি উপজাত থাকে। মোলাসেস বা চিটাগুড়, ব্যাগাস বা ছোবড়া, প্রেসমাড বা গাদ। মোলাসেসই লিকার উৎপাদনের মূল উপকরণ। তাছাড়া ওই চিনিকলে তৈরি হয় দুই ধরণের ভিনেগার, স্পিরিট ও জৈব সার। গত অর্থবছরে কেরু এ্যান্ড কোম্পানী প্রায় ৮ কোটি টাকা লাভ করে। কিন্তু বাকি চিনিকলগুলো বছরের পর বছর লোকসান দিচ্ছে। ওই কলগুলোকে লাভজনক করার জন্য তেমন উদ্যোগ নেই।
এদিকে সরকারি চিনিকলগুলোকে কেরু অ্যান্ড কোম্পানির আদলে ব্যবহার করার কথা উঠলেও কর্পোরেশনের শীর্ষ কর্তারা তাতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তবে নর্থ বেঙ্গল ও ঠাকুরগাঁও চিনি কলে মদ, বিদ্যুৎ ও জৈব সার তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। ওই দুটি চিনি কলে প্রায় ৮শ কোটি টাকার দুটি প্রকল্প একনেকে অনুমোদন হয়েছে। বর্তমানে চিনিকলগুলো লোকসানে থাকায় কর্মকর্তা কর্মচারি ও শ্রমিকদের ৩/৪ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। বেতনের বদলে তাদের দেয়া হচ্ছে চিনি। ওই চিনি বিক্রি করেও পুরো বেতন নিতে পারছেন না তারা। পাশাপাশি আখচাষীরা এই কর্পোরেশনের কাছে পাবেন ৩৫০ কোটি টাকা। তার উপরে আছে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার ব্যাংক ঋণে বোঝা।
অন্যদিকে আখের বীজ রোপন থেকে শুরু করে কাটা পর্যন্ত ১২ থেকে ১৪ মাস সময় লেগে যায়। সারা বছর ধরে জমিতে একটি ফসলই পড়ে থাকে। অথচ ধান, ডাল ও সবজি চাষে কম সময় নেয়, লাভও বেশি। ওই কারণেই আখ চাষে কৃষকরা আগ্রহ হারাচ্ছে। কিন্তু আখের অভাবে চিনিকল বন্ধ থাকলেও শ্রমিকদের বসিয়ে বসিয়ে সারাবছরের বেতন-ভাতা দিতে হয়। ফলে সরকারি চিনিকলগুলোর লোকসানের পরিমাণও বাড়ছে।
সরকারি চিনিকলগুলোর লোকসান প্রসঙ্গে কুষ্টিয়া সুগার মিলে জেনারেল ম্যানেজার আবু সায়েম জানান, সুগার মিলগুলোর মেশিন দীর্ঘদিনের পুরনো হওয়ায় উৎপাদন কম। নিয়ম অনুযায়ী ১শ কেজি আখ থেকে সাড়ে ৭ কেজি চিনি পাওয়ার কথা। অথচ দেশের চিনি মিলগুলোতে পাওয়া যায় ৫ কেজিরও কম। পাশাপাশি ঋণের টাকা পরিশোধ করতে গিয়েও লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে। কোন চিনি কলের মোট ব্যয় ৫০ কোটি টাকা হলে সুদ পরিশোধ করতে হয় ২০ কোটি টাকা। ওই কারণে চিনির উৎপাদন খরচও বেড়ে যায়।
একই প্রসঙ্গে বাংলাদেশ চিনি ডিলার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু জানান, প্রশাসনিক অদক্ষতায় চিনি কলগুলোতে লোকসান হয়।

 

বিজেএমসিতে পাট বিক্রিতে ব্যবসায়ীদের অনাগ্রহে বন্ধের মুখে সরকারি পাটকল
                                  

ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনে (বিজেএমসি) আর বাকিতে পাট সরবরাহ করতে আগ্রহী নয়। কারণ বিজেএমসি অর্থ সঙ্কটে ব্যবসায়ীদের বকেয়া পরিশোধ করতে পারছে না। দু’বছর ধরে চলছে এমন পরিস্থিতি। ফলে ফলে বিজেএমসি সরকারি পাটকলগুলোর চাহিদা অনুযায়ী পাট কিনতে পারছে না। আর কাঁচামাল সংকটে ইতিমধ্যে পাটকলগুলোর উৎপাদন অর্ধেকে তাই নেমে এসেছে। চলতি বছরের মধ্যে ওই বকেয়া পরিশোধ না করলে বেশ কয়েকটি পাটকলের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ার বলে আশঙ্কা রয়েছে। বিজেএমসি সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, পাট সরবরাহের ক্ষেত্রে বিজেএমসির কাছে নিবন্ধিত এজেন্সিগুলোর ২ বছরে বকেয়া পাওয়া দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৩শ কোটি টাকা। যথাসময়ে বকেয়া পরিশোধ না করার কারণে নিবন্ধিত শতাধিক এজেন্সির মধ্যে অর্ধেক প্রতিষ্ঠানই চলতি অর্থবছরে বিজেএমসিকে কোনো পাট সরবরাহ করেনি। পাওনা আদায়ের জন্য বারবার ধরনা দিয়েও আশ্বাস ছাড়া ব্যবসায়ীদের আর কিছু মেলেনি। বিপরীতে বিজেএমসি বলছে, সরকারের কাছ থেকে বিশেষ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। ওই অর্থ ছাড় হলেই এজেন্টদের পাওনা পরিশোধ করে দেয়া সম্ভব হবে। বিগত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিজেএমসির পাট ক্রয়ের নিট লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬ লাখ ১৪ হাজার ৮২৭ কুইন্টাল। তবে অর্থ সংকটের কারণে ওই বছর করপোরেশনের অধীন মিলগুলো পাট কিনতে পেরেছিল মাত্র ১১ লাখ ৪৬ হাজার ১২০ কুইন্টাল, যার বাজারমূল্য ৫৫২ কোটি ৩১ লাখ টাকা। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে পাট ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে আনা হয় ২৫ লাখ ৪২ হাজার ৪৩১ কুইন্টালে। ওই সময়েও বিজেএমসি পাট কিনেছিল ১২ লাখ কুইন্টালের কিছু বেশি, যার অধিকাংশই বাকিতে কেনা হয়েছিল। সার্বিকভাবে দুই অর্থবছরে পাট বিক্রি বাবদ পাটকলগুলোর কাছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর পাওনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা।
সূত্র জানায়, চাহিদা অনুযায়ী পাট কিনতে না পারায় বিজেএমসির অধীন মিলগুলোয় কমে যাচ্ছে কাঁচা পাটের মজুদ। ২০১৮ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি মিলগুলোতে পাটের মজুদ ছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৮২ কুইন্টাল। জুন থেকে অক্টোবর-নভেম্বর পর্যন্ত পাট ক্রয়ের ভরা মৌসুম। কিন্তু ওই সময়ে পর্যাপ্ত পাট সংগ্রহ করতে না পারায় ধারাবাহিকভাবে বিজেএমসির পাটের মজুদ কমছে। তার মধ্যে নভেম্বরে মজুদ নেমে আসে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭০৮ কুইন্টালে। ডিসেম্বরে আরো কমে দাঁড়ায় ১ লাখ ২৭ হাজার ৭০৯ কুইন্টালে। সর্বশেষ গত জানুয়ারিতে বিজেএমসির পাটের মজুদ দাঁড়ায় ১ লাখ ৯ হাজার ৯৭৪ কুইন্টালে। বিজেএমসির অধীন ২৬টি পাটকলের মধ্যে বর্তমানে চালু রয়েছে ২৫টি। তার মধ্যে ২২টি পাটকল ও তিনটি নন-জুট। সেগুলোর মধ্যে ২৪টিই এখন লোকসানে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরেও বিজেএমসির পাটকলগুলোর (জুট ও নন-জুট) মোট লোকসানের পরিমাণ ছিল ৪৮১ কোটি টাকা।
সূত্র আরো জানায়, সরকারি পাটকলগুােতে বিগত ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে উৎপাদিত পণ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। ফলে পরিশোধ করা যায়নি ব্যবসায়ীরে সরবরাহ করা পাটের দাম। আর কলগুলোর উৎপাদন ধরে রাখতে পণ্য বিক্রি বাবদ পাওয়া অর্থ দিয়ে নগদে কাঁচা পাট সংগ্রহ করা হলেও তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। বাধ্য হয়ে বাকিতে যে পাট কেনা হচ্ছে, তার জন্য দাম বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি ধরা হচ্ছে। ফলে উৎপাদন খরচ বাড়ার পাশাপাশি চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত পাট সংগ্রহ করতে না পারায় চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই অধিকাংশ পাটকলের উৎপাদন কমিয়ে আনা হয়েছে। আগে যেসব মিলে ২৪ ঘণ্টা উৎপাদন হতো, সেগুলোর উৎপাদন বর্তমানে ১৬ ঘণ্টায় নামিয়ে আনা হয়েছে। কাঁচামাল সংকটে অনেক কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম এখন এক শিফটে নামিয়ে আনার কথাও ভাবা হচ্ছে। তবে সরকারি কলগুলোর পাটপণ্যের বিক্রি এখন বাড়লেও তা এ বকেয়া পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত নয়। যদিও দীর্ঘদিন মন্দার পর হঠাৎ করেই পাটপণ্যের বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় মজুদ পণ্যগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে বিক্রি হয়ে যাবে বলে করপোরেশনের বিপণন বিভাগ সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী। তাদের তথ্যমতে চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত বিজেএমসি দেশী ও আন্তর্জাতিক বাজারে মোট ৩২২ কোটি টাকার পাটপণ্য রফতানি আদেশ পেয়েছে। তাছাড়া ফেব্রুয়ারিতে ৮৮ লাখ ও ১০ মার্চ পর্যন্ত ২০ কোটি টাকার রফতানি আদেশ পাওয়া গেছে।
এদিকে পাট খাতে দেশের লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান হয়। ফলে পাটপণ্য বিক্রির মাধ্যমে পাওয়া আয় শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা বাবদই ব্যয় হয়ে যায়। তার পরও বকেয়া পরিশোধ করতে না পারায় পণ্য বিক্রির অর্থ থেকে এ বছর কাঁচা পাটও কেনা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত ডিলাররা বকেয়া থাকার কারণে বাকিতে পাট বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন। আর তাতে সবচেয়ে জটিলতার মধ্যে পড়েছে বিজেএমসি। মূলত যথাসময়ে উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে না পারা ও পাট ক্রয়ে নগদ অর্থ সংকটের কারণেই সমস্যার আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে পাটকলগুলো। এখন ব্যবসায়ীরা বিজেএমসির কাছ থেকে পাওনা আদায়ে পাটমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। বকেয়া আদায়ের জন্য বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর সঙ্গে তারা দেখাও করেন। ৫ মার্চ ঢাকায় পাট দিবসের প্রাক্কালে এ নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পাটমন্ত্রীর একটি বৈঠক হয়। তবে বৈঠকে এজেন্সিগুলোর বকেয়া পরিশোধ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সময় উল্লেখ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে বিজেএমসির মহাব্যবস্থাপক মো. আব্দুল মালেক (হিসাব ও অর্থ) জানান, গত দুই বছর পাট খাত সমস্যার মধ্যে ছিল। বর্তমানে বকেয়া পরিশোধে সরকারের কাছে বিশেষ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। সরকার অর্থ ছাড় করলে এজেন্টদের কাঁচামাল বাবদ পাওনা পরিশোধ করে দেয়া হবে। ফলে নতুন করে পাট সংগ্রহের মাধ্যমে উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে পারলে দেশের পাট খাত আবারো ঘুরে দাঁড়াবে।

 

রাজধানী বিজয় সরণি ফ্লাইওভারের নিচে কাঁচা বাজারে আগুন
                                  

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিজয় সরণি ফ্লাইওভারের নিচে বাউলবাগ বাজার বস্তি সংলগ্ন কাঁচা বাজারে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট।
বুধবার রাত পৌনে আটটার দিকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। তবে এখনো আগুনের ক্ষয়ক্ষতি এবং কারণ সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।

শেখ হাসিনার নেতৃত্ব গুণের ভূয়সী প্রশংসা ভারতীয় হাইকমিশনারের
                                  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব গুণ ও জনগণের প্রতি তার ভালোবাসার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী।

বুধবার জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে প্রধানমন্ত্রীর এই প্রশংসা করেন তিনি। এসময় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় রিভা গাঙ্গুলী বাংলাদেশকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুপ্রতীম দেশ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি এ অঞ্চলের সকল দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।

টানা তৃতীয়বারের মতো স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে অভিনন্দন জানান ভারতীয় হাইকমিশনার।

সাক্ষাৎকালে তারা দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে জাতীয় সংসদের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বিষয়ে আলোচনা করেন। পরে তিনি জাতীয় সংসদের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

এসময় স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের সকল ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়ন আজ দৃশ্যমান। শেখ হাসিনাই নারীর ক্ষমতায়নে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সরাসরি জনগণের ভোটে নারী জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার পথ সুগম করেছেন। পাসপোর্টে পিতার নামের পাশাপাশি মায়ের নাম অন্তর্ভূক্তকরণ ও পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন বর্তমান সরকার করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক গতিশীলতার কারনে শুধু শহরেই নয় উন্নয়ন হয়েছে গ্রামীণ জনপদেও।

তিনি বলেন, দু’দেশের সংসদ সদস্যদের পারস্পরিক সফর ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে উভয়েরই সমৃদ্ধ হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ বছর বাংলাদেশ থেকে তরুণ সংসদ সদস্য ও রাজনীতিবিদদের এক প্রতিনিধিদল অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য ভারতের লোকসভায় যান। ভারতের লোকসভার সংসদ সদস্যদের একটি প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে পাঠানোর অনুরোধ করেন তিনি।

এসময় প্রতিবছর জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ৩০ জন কর্মকর্তা তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ নিতে ভারতের লোকসভায় যান বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রণালয়ের সম্পত্তি বিক্রির ঘোষণা দিলেন ইমরান খান
                                  

পাকিস্তানের মন্ত্রিসভা দেশটির বেশ কিছু মন্ত্রণালয়ের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মঙ্গলবার পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে দেশটির জাতীয় দৈনিক ডনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ডনের প্রতিবেদন অনুাযয়ী, দেশটির সংকুচিত অর্থনীতিকে গতি দিতে ইমরান খানের সরকারি ব্যয় কমানোর নীতি হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির মন্ত্রিসভা। আর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে কয়েক হাজার কোটি রুপি সরকারি কোষাগারে যুক্ত করা সম্ভব হবে।

গত বছর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার পর থেকে ইমরান খান সরকারি ব্যয় কমানোর কথা জানান ইমরান খান। তারই ধারবাহিকতায় এমন সিদ্ধান্ত নিল দেশটির মন্ত্রিসভা।

ইমরান ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রীর অফিসে কাটছাঁট, সিভিল সার্ভিস এবং ফেডারেল অফিসে সংস্কার এবং বিমানবন্দরে ভিআইপি নিরাপত্তা নিষিদ্ধসহ সরকারি বুলেটপ্রুফ গাড়ি বিক্রি করে কোটি কোটি রুপি সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার ঘটনা ঘটে।

দেশটির মন্ত্রিসভা সরকারি বিভিন্ন শাখার বিভাগ ও দফতরের প্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন বিধি জারি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে এসব বিভাগ ও দফতরের প্রধানদের নিয়োগ দেয়ার ক্ষমতা দেয়া হবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য জানাতে সংবাদ সম্মেলন করেন দেশটির তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী। তিনি বলেন, সরকার কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয় এবং বিভাগ-দফতরসমূহের অব্যবহৃত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান মন্ত্রণালয়গুলোর এমন সম্পত্তির তালিকা চেয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার পর বিভিন্ন মন্ত্রণালয় দ্রুতগতিতে এসব সম্পত্তির তালিকা তৈরি করেছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী। তবে এসব সম্পত্তি কবে নাগাদ নিলামে তোলা হবে কিংবা বিক্রি করা হবে এ বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি।

জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে সমরাস্ত্র প্রদর্শনী ২৬ মার্চ
                                  

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০১৯ উদযাপনের অংশ হিসেবে ২৬ মার্চ থেকে রাজধানীর পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে সমরাস্ত্র প্রদর্শন করা হবে। প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর বিভিন্ন সমরাস্ত্র জনসাধারণের প্রদর্শনের জন্য রাখা হবে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৬ থেকে ৩১ মার্চ প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এ প্রদর্শনী সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তবে ৩০ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত সমরাস্ত্র প্রদর্শনী সর্বসাধারণের সঙ্গে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এছাড়া ৩১ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত সমরাস্ত্র প্রদর্শনী সর্বসাধারণের সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনী সদস্যদের পরিবার ও বাহিনীত্রয় কর্তৃক পরিচালিত স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

সমরাস্ত্র প্রদর্শনী এলাকায় কোনো প্রকার স্কুল ব্যাগ, হ্যান্ড ব্যাগ, ভ্যানিটি ব্যাগ, মোবাইল ফোন, ক্যামেরাসহ কোনো ধরনের ইলেক্ট্রনিক গেজেট ইত্যাদি বহন না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বছর শেষে ঢাকায় আন্তর্জাতিক বইমেলা : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী
                                  

সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, এবারের মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলা-২০১৯ তুলনামূলকভাবে বিগত সময়ের তুলনায় ভালো হয়েছে। আগামীতে এ বইমেলাকে আরও সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তোলার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষের দিকে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে ঢাকায় একটি আন্তর্জাতিক বইমেলার আয়োজন করা হবে। সেজন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ সংস্থানের চেষ্টা চলছে।

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা-২০১৮ উপলক্ষে ‘শিক্ষিত জাতি গঠনে প্রকাশনা শিল্পের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদএসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে যে বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের হাতে ৩৬ কোটি বই পৌঁছে যায় তার পেছনে মূল কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার। এর নেপথ্যে থেকে আরও যারা অবদান রেখেছেন তার মধ্যে বাংলাদেশ মু্দ্রণ শিল্প সমিতি অন্যতম।’

তিনি বলেন, ‘আগামী বছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীকে “মুজিব বর্ষ” হিসেবে যথাযথভাবে পালনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত ১০১ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় কমিটির প্রথম সভা আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী প্রকাশনা শিল্পের সঙ্গে জড়িতদের জীবনমান উন্নয়নে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি মো. আরিফ হোসেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকী ও কলকাতার পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির পরিচালক আবুল বাশার ফিরোজ।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সহ-সভাপতি কামরুল হাসান শায়ক ও বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির সভাপতি শহীদ সেরনিয়াবাত।

‘তৃণমূল পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান ছড়িয়ে দিতে চাই’
                                  

এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ পদক্ষেপ হিসেবে সরকার বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত উদযাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এর মাধ্যমেই দেশের মানুষ সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু ঢাকা শহর বা দেশের বড় বড় শহরে যেন এটা সীমাবদ্ধ না থাকে, আমরা সারা দেশের তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠানমালা ছড়িয়ে দিতে চাই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এ দেশের মানুষ যাতে উদ্বুদ্ধ হয় এবং বাংলাদেশকে সারা বিশ্বের কাছে একটা মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে যেন আমরা গড়ে তুলতে পারি।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার সকালে তাঁর তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন-সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি এবং বাস্তবায়ন কমিটির যৌথ সভায় প্রারম্ভিক ভাষণে এ কথা বলেন।
সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এরই মধ্যে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত সময়কে ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করে তা যথাযথভাবে উদযাপনে বিশিষ্টজনকে নিয়ে একটি ১০২ সদস্যের কমিটি এবং বাস্তবায়নের জন্য ৬১ সদস্যের যে কমিটি করেছে, আজ ছিল তারই প্রথম যৌথ বৈঠক। ‘মুজিব বর্ষের’ প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সারা দেশের সব জেলা, উপজেলা থানা এবং ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত এই অনুষ্ঠানমালা চলবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আমাদের দারিদ্র্যের হার ২১ ভাগে আমরা নামিয়ে এনেছি। হতদরিদ্রের হার আমরা ১১ ভাগে নামিয়ে এনেছি। আমাদের লক্ষ্য এটা আরো কমিয়ে আনা এবং হতদরিদ্র বলে এ দেশে কিছু থাকবে না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মার্চ মাসটা আমাদের জন্য খুবই অর্থবহ মাস। ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ, ১৭ মার্চ জাতির পিতার জন্মদিন। আবার ২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। কাজেই ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত বছরটাই আমরা মুজিব বর্ষ হিসেবে উদযাপন করব।’
জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী যথাযথভাবে উদযাপন করা জাতীয় কর্তব্য বলেও উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘জীবনের সবকিছু ত্যাগ করে এ দেশের মানুষের জন্যই কষ্ট স্বীকার করে গেছেন জাতির পিতা। আর সেই কষ্টের ফসল হিসেবেই আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা, স্বাধীন জাতির মর্যাদা। কাজেই এটা আজকে আমাদের একটা জাতীয় কর্তব্য। আমি মনে করি, তাঁর জন্মশতবার্ষিকী আমরা ভালোভাবে উদযাপন করব।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা তাঁর জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময় এ দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ব্যয় করেছেন। মানুষের ওপর অত্যাচার, শোষণ, বঞ্চনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে দিনের পর দিন কারাবরণ করেছেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জে জাতির পিতা দেখেছেন দারিদ্র্যের হাহাকার; বুভুক্ষু নর-নারীর কষ্ট। মানুষ ওষুধ পায়নি, চিকিৎসা পায়নি, খাবার পায়নি, থাকার জায়গা নাই। মানুষের এই দুঃখ-কষ্ট তিনি সহ্য করতে পারেননি।’
অনুষ্ঠানে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বক্তব্য দেন। উদযাপন জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ এবং আমির হোসেন আমু, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও মতিয়া চৌধুরী, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বৈঠকে নিজ নিজ অভিমত ব্যক্ত করেন।
২১ বছর পর ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তাঁর সরকার জাতির পিতার আদর্শে দেশটা গড়ে তোলার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক বাধাবিঘ্ন পেরিয়েই এ বছর জাতীয় প্রবৃদ্ধি আট ভাগ অর্জনের দোরগোড়ায় উপনীত হয়েছি। মাথাপিছু আয় বেড়ে ১৯০৯ ডলার হয়েছে এবং উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যে মর্যাদা পেয়েছি, তা ধরে রাখার জন্য এরই মধ্যে কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।’
আওয়ামী লীগ সভাপতি আরো বলেন, ‘গত ১০ বছরে আমরা চেষ্টা করেছি বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের, যেটা জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল। তিনি বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছিলেন। তিনি সব সময় চাইতেন তাঁর মানুষ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি অর্জন করবে এবং বাংলাদেশ সমগ্র বিশ্বে একটি মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হবে।’

তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ যেন একটা সুন্দর জীবন পায়, সেটাই নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্য অর্জনেই তাঁর সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই জন্মশতবার্ষিকীটা উদযাপনে আমাদের সমাজে যাঁরা বিশিষ্ট বিজ্ঞজন, তাঁদের নিয়ে আমরা একটা কমিটি করেছি ১০২ সদস্যবিশিষ্ট। তবে এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের এই কমিটিতে থাকা দরকার, যাঁদের আমরা ধীরে ধীরে অন্তর্ভুক্ত করে নেব। আর সেইসঙ্গে আমরা আরেকটি কমিটি করেছি ১০০ সদস্যবিশিষ্ট, যারা সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অবদান রাখবে। তা ছাড়া বিভিন্নভাবে যেসব কমিটি করা প্রয়োজন, সে ব্যাপারেও আপনাদের পরামর্শ নেব। কেননা, এটা রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করার জন্য আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। তা ছাড়া আমরা দল হিসেবেও আওয়ামী লীগের আলাদা একটা কমিটি করেছি। সে ক্ষেত্রে আপনাদের মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর আমাদের হাতেও সময় খুব বেশি নেই। কারণ, নির্বাচনসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য আমাদের বেশ কিছু সময় পেরিয়ে গেছে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা তাঁরই পদাঙ্ক অনুসরণ করে এ দেশের কৃষক, শ্রমিক এবং মেহনতি মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি এবং তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। যার সুফলও মানুষ পেতে শুরু করেছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দুঃখের বিষয় একটা সময় ছিল, ভাষা আন্দোলনে তাঁর (জাতির পিতার) অবদান একদমই মুছে ফেলা হচ্ছিল। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর যে অবদান, সেটাও মুছে ফেলার একটা চেষ্টা করা হয়েছিল। ২১ বছর এ দেশের মানুষ সত্য জানতেই পারেনি। আসলে সত্যকে কেউ কখনো মুছে ফেলতে পারে না। সত্য কখনো না কখনো উদ্ভাসিত হবেই আর তার স্থানটা সে করে নেবে। আজকে আমরা সেটার প্রমাণ পাচ্ছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের চলমান অগ্রযাত্রা আমরা অব্যাহত রেখেই জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলব। আর তাঁর জন্মশতবার্ষিকীতে সেটাই হবে আমাদের প্রতিজ্ঞা।’

২৮ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত
                                  

২৮ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করেছে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

বুধবার বিকেলে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান বিইউপির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী তাওহিদুজ্জামান।

এর আগে বেলা দুটায় মেয়র আতিকুলের সঙ্গে বৈঠকে বসে বিইউপির ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া, বিইউপি উপাচার্য মেজর জেনারেল এমদাদ উল বারীসহ পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন প্রগতি সরণি এলাকায় সু-প্রভাত (ঢাকা-মেট্রো-ব-১১-৪১৩৫) বাসের চাপায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী আবরার আহাম্মেদ চৌধুরী নিহত হন। পরে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা আট দফা দাবি ঘোষণা করেন। বুধবার (২০ মার্চ) সকাল থেকেও রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন চালিয়ে যান।


   Page 1 of 344
     জাতীয়
৬০ সরকারি কর্মকর্তার মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল
.............................................................................................
ট্রাফিক সপ্তাহ: চতুর্থ দিনে জরিমানা ৩৩ লাখ টাকা
.............................................................................................
চূড়ান্ত নির্দেশেও সরকারি আবাস ছাড়ছে না সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা
.............................................................................................
ঢাকায় পরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশ ব্যর্থ: ডিএমপি কমিশনার
.............................................................................................
উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য যেন মানুষের ক্ষতি না হয়: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
এমপিওভুক্তির দাবিতে ফের রাজপথে শিক্ষকরা
.............................................................................................
পদ্মা সেতুর নবম স্প্যান বসছে আজ
.............................................................................................
চিনি উৎপাদনে সরকারি মিলে অস্বাভাবিক খরচ
.............................................................................................
বিজেএমসিতে পাট বিক্রিতে ব্যবসায়ীদের অনাগ্রহে বন্ধের মুখে সরকারি পাটকল
.............................................................................................
রাজধানী বিজয় সরণি ফ্লাইওভারের নিচে কাঁচা বাজারে আগুন
.............................................................................................
শেখ হাসিনার নেতৃত্ব গুণের ভূয়সী প্রশংসা ভারতীয় হাইকমিশনারের
.............................................................................................
মন্ত্রণালয়ের সম্পত্তি বিক্রির ঘোষণা দিলেন ইমরান খান
.............................................................................................
জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে সমরাস্ত্র প্রদর্শনী ২৬ মার্চ
.............................................................................................
বছর শেষে ঢাকায় আন্তর্জাতিক বইমেলা : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী
.............................................................................................
‘তৃণমূল পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান ছড়িয়ে দিতে চাই’
.............................................................................................
২৮ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত
.............................................................................................
দিয়াজ হত্যা মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা আরমান গ্রেফতার
.............................................................................................
সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ কমিটিতে শাজাহান খান কে: প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের
.............................................................................................
পুলিশ পাচ্ছে ৩৪ কোটি টাকার গাড়ি
.............................................................................................
ঢাকায় পার্বত্য মেলা শুরু বৃহস্পতিবার
.............................................................................................
কতটা বিপজ্জনক বাংলাদেশের রাস্তা-ঘাট
.............................................................................................
বন্ধের নির্দেশের পরও চলেছে সুপ্রভাত বাস
.............................................................................................
এখনো চলছে সেই জাবালে নূর পরিবহন
.............................................................................................
ফের রাস্তা বন্ধ করে অবস্থান নিয়েছে শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
২ সংস্থায় নতুন মহাপরিচালক, ১০ অতিরিক্ত সচিবকে বদলি
.............................................................................................
‘কে খেয়েছে কে খায়নি-সব তদারকি করে তারপর বঙ্গবন্ধু খেতেন’
.............................................................................................
বিড়াল উদ্ধার কাজে আহত ‘রবিনহুড’
.............................................................................................
সুন্দরবন এখন ধ্বংসের সর্বোচ্চ হুমকির সম্মুখীন
.............................................................................................
সুন্দর সু্ষ্ঠু অবাধ নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন
.............................................................................................
ভবিষ্যতে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হলে সব দল অংশ নেবে: মাহবুব তালুকদার
.............................................................................................
আছে সব আয়োজন, নেই শুধু ভোটার
.............................................................................................
হাসিনাকে ট্রুডোর ফোন, জানালেন নিন্দা-শোক
.............................................................................................
শাহজালালে ৩৬টি স্বর্ণের বারসহ দুই নারী ক্রু আটক
.............................................................................................
গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ফাঁকা বাড়ি পুড়ে ছাই
.............................................................................................
সুলতান মনসুরের সঙ্গে নুরকে তুলনা আসিফ নজরুলের
.............................................................................................
পরিষ্কার রাস্তায় ময়লা ছিটিয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান মেয়র আতিকুলের (ভিডিও)
.............................................................................................
ভোট দিলেন নৌ পরিবহন মন্ত্রী
.............................................................................................
সারাদেশে শিলাবৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে
.............................................................................................
দ্বিতীয় ধাপে ১১৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ শুরু
.............................................................................................
নিখোঁজ থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের সবই থাকে অজানা
.............................................................................................
নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি নিহত ৮ হতে পারে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
.............................................................................................
পুনরায় ডাকসুর নির্বাচন দিন: সংবাদ সম্মেলনে ভিপি নুর
.............................................................................................
স্বাধীনতা সংসদ সম্মাননা পেলেন চিকিৎসক ফারহানা মোবিন
.............................................................................................
আসন্ন হাব নির্বাচনে ‘অপ্রতিদ্বন্দ্বী’ সভাপতি প্রার্থী তসলিম!
.............................................................................................
স্বামীর জন্য স্ত্রী’র এই আত্মাহুতি অমর হয়ে থাকুক
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু নিজের বই গরিব ছাত্রদের মাঝে বিলিয়ে দিতেন: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে শিশুদের জানানো অভিভাবকদের দায়িত্ব
.............................................................................................
মেয়র আনিসুল হক সড়কের দেয়াল সাজছে বর্ণিল সাজে
.............................................................................................
ময়লা সরিষায় হচ্ছে সুরেশ তেল, ওজনে কম দিচ্ছে মদিনা
.............................................................................................
নিউজিল্যান্ডে নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]