| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   কৃষিজগৎ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
নভোএয়ার কাপ গলফ টুর্নামেন্টের বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ

চট্টগ্রামের শাহীন গলফ এন্ড কান্ট্রি ক্লাবে অনুষ্ঠিত নভোএয়ার কাপ গলফ টুর্নামেন্টের বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। শুক্রবার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহীন গলফ ও কাউন্ট্রি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ও বিএএফ জহুরুল হক ঘাঁটির এয়ার অফিসার কমান্ডিং- এয়ার ভাইস মার্শাল মোহাম্মদ মফিদুর রহমান, বিএসপি, বিইউপি, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান।

প্রধান অতিথি এবং বিশেষ অতিথি বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। নভোএয়ারের পৃষ্ঠপোষকতায় শাহীন গলফ এন্ড কান্ট্রি ক্লাব এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করে।

দুই দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্টে ৪টি বিভাগে প্রায় ১৯৩ গলফার অংশ নেন। টুর্নামেন্টের বিজয়ী হিসেবে ক্যাপ্টেন মনজুরুল হোসেন খান, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট আর এম সালমান আলী, আনোয়ার সাজ্জাদ লিপন, লেডিস উইনার হিসেবে মিসেস ফেরদৌসী সালেহ এবং জুনিয়র উইনার হিসেবে মাহিবা মাহাসিন উদ্দিন পুরস্কার গ্রহণ করেন।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শাহীন গলফ এন্ড কান্ট্রি ক্লাবসহ অন্যান্য গলফ ক্লাব ও নভোএয়ারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

নভোএয়ার সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেই দেশের ক্রীড়ান্নোয়নে গলফ ছাড়াও ক্রিকেট, ফুটবল, ভলিবল, হকি খেলাসহ অন্যান্য খেলাধুলার উন্নয়নে কাজ করে আসছে। সূচনালগ্ন থেকেই নভোএয়ার বিভিন্ন গলফ টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতা করছে।

নভোএয়ার কাপ গলফ টুর্নামেন্টের বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ
                                  

চট্টগ্রামের শাহীন গলফ এন্ড কান্ট্রি ক্লাবে অনুষ্ঠিত নভোএয়ার কাপ গলফ টুর্নামেন্টের বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। শুক্রবার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহীন গলফ ও কাউন্ট্রি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ও বিএএফ জহুরুল হক ঘাঁটির এয়ার অফিসার কমান্ডিং- এয়ার ভাইস মার্শাল মোহাম্মদ মফিদুর রহমান, বিএসপি, বিইউপি, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান।

প্রধান অতিথি এবং বিশেষ অতিথি বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। নভোএয়ারের পৃষ্ঠপোষকতায় শাহীন গলফ এন্ড কান্ট্রি ক্লাব এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করে।

দুই দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্টে ৪টি বিভাগে প্রায় ১৯৩ গলফার অংশ নেন। টুর্নামেন্টের বিজয়ী হিসেবে ক্যাপ্টেন মনজুরুল হোসেন খান, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট আর এম সালমান আলী, আনোয়ার সাজ্জাদ লিপন, লেডিস উইনার হিসেবে মিসেস ফেরদৌসী সালেহ এবং জুনিয়র উইনার হিসেবে মাহিবা মাহাসিন উদ্দিন পুরস্কার গ্রহণ করেন।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শাহীন গলফ এন্ড কান্ট্রি ক্লাবসহ অন্যান্য গলফ ক্লাব ও নভোএয়ারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

নভোএয়ার সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেই দেশের ক্রীড়ান্নোয়নে গলফ ছাড়াও ক্রিকেট, ফুটবল, ভলিবল, হকি খেলাসহ অন্যান্য খেলাধুলার উন্নয়নে কাজ করে আসছে। সূচনালগ্ন থেকেই নভোএয়ার বিভিন্ন গলফ টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতা করছে।

লাভের আশায় আগাম সবজি চাষ বগুড়ায় (ভিডিওসহ)
                                  
বেশি লাভের আশায় আগাম শীতকালীন সবজি চাষে আগ্রহ বেড়েছে বগুড়ার ধুনট উপজেলার কৃষকদের মধ্যে।

এ বছর বৃষ্টি কম হওয়ায় উঁচু জমিতে শীতকালীন বিভিন্ন জাতের সবজির চারা রোপণ ও পরিচর্যায় কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে উপজেলার কৃষি পরিবারগুলো।

উপজেলায় শীতকালীন সবজীর মধ্য চাষ হচ্ছে বাঁধাকটি, ফুলকপি, শিম, টমেটো, বেগুন।

ধুনট উপজেলার চৌকিবাড়ি ইউনিয়নের ক্ষুদ্র পিরহাটি গ্রামের রহমত আলী বাঁধাকপি চাষ করেছেন।

তিনি পেশায় একজন তেল ব্যবসায়ী। বছরে ১৬ হাজার টাকা দিয়ে ধুনট উপজেলার অলোয়া মোজার ৫২ শতক জমি লিজ নিয়ে সবজি আবাদ করেছেন।

তিনি ধারনা করছেন বাজার এবং আবহাওয়া ঠিকঠাক থাকলে লাভবান হবেন।

উপজেলা কৃষি অফিসের পর্যবেক্ষক সুকান্ত কুমার মোদক বলেন, এ বছর আবহাওয়া ঠিক থাকলে বাঁধাকপির বাম্পার ফলন হবে।

রহমতের মতো এ উপজেলার অনেকেই এ রকম আশা নিয়ে তাদের জমিতে বাঁধাকপি চাষ করেছেন।

এদিকে এ উপজেলায় শিম, টমেটো ও বেগুনেরও বাম্পার ফলন হয়েছে।

উপজেলার মধুপুর গ্রামের টমেটো চাষি বাবলু শেখ বলেন, “আমি প্রতি বছর টমেটোর আবাদ করি। শেষ সময়ে ছেলেকে নিয়ে গাছের পরিচর্যা করছি।

“এ বছর ৫২ শতাংশ জমিতে টমেটো আবাদ করেছি। আবহাওয়া ভালো থাকলে এবং বাজার ঠিক থাকলে ভালো দাম পাবো।”

স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে বায়োটেকনোলজি ব্যবহারে এগোচ্ছে বাংলাদেশ: মতিয়া
                                  

কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, স্বাস্থ্য সম্মত নিরাপদ সবজির ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে বায়োটেকনোলজি বা জীবপ্রযুক্তিবিদ্যার ব্যবহারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বাংলাদেশ। গতকাল সোমবার কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর সাথে মন্ত্রণালয়ে তার অফিস কক্ষে আফগানিস্তানের স্টাডি ট্যুর দলের সদস্যসহ এফএও এর এক প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের কৃষকদের উদ্ভাবনী চিন্তার ফলে এখন দেশের জমি সাড়ে তিন ফসলি। যার ফলে আমাদের খাদ্যে দীর্ঘস্থায়ী স্বয়ংসম্পূর্ণতা এবং সুলভ মূল্যে ওষুধ এবং প্রতিষেধকের নিশ্চয়তার সম্ভাবনা বৃব্ধি পাবে।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, দেশ ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা মা ও শিশু স্বাস্থ্যসহ প্রাথমিকে শিশু ভর্তির হার শতভাগ ও ঝড়ে পরার হার হ্রাস করেছে এবং বছরের প্রথম দিন সকল শিশুদের হাতে বিনামূল্যে বই তুলে দিচ্ছে। ১৩ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নের্তৃত্ব দেন আফগানিস্তানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের কৃষি সেচ ও লাইভ স্টকের উপ-মন্ত্রী এইচ ই হামদুল্লাহ হামদরদ। প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে মতিয়া চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ, দূরদর্শী ও অগ্রসর চিন্তার নেতৃত্বের ফলে কৃষির আধুনিকায়নে আমরা বিশ্বের অনেক দেশের থেকেই এগিয়ে আছি।

বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা তাদের মেধা ও দক্ষতা দিয়ে ক্ষতিকারক পোকার প্রতিরোধক জিন সন্নিবেশ করে নতুন বেগুনের জাত উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, বিজ্ঞানীরা পাটের জিনোম এবং পাটের কান্ড পঁচা রোগের জন্য দায়ী ছত্রাকের জিনোম সিকোয়েন্সে সক্ষম হয়েছে। যার ফলে ভবিষ্যতে মজবুত আঁশযুক্ত পাট বা কান্ড পঁচা রোগ প্রতিরোধী জাতের উদ্ভাবন সহজতর হবে। কৃষিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মোকাবেলা করে খাদ্য উৎপাদন বহাল রাখতে জীবপ্রযুক্তির জ্ঞান অর্জনের প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। সাক্ষাৎ কালে হামদুল্লাহ হামদরদ কৃষিসহ সবক্ষেত্রে তারা বাংলাদেশকে সহায়তা প্রদানসহ বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্র নানা দিক পরিদর্শনে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

 

‘ড্রাগন-স্ট্রবেরি’ কৃষিপণ্যের তালিকায় নতুন
                                  

দেশের কৃষিপণ্যের তালিকায় নতুন করে যুক্ত হচ্ছে বিদেশি ফল ড্রাগন ও স্ট্রবেরি। বিদেশি ফল হলেও এগুলো বাংলাদেশের মানুষের কাছেও এখন বেশ মুখরোচক। তাই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এসব ফল বাণিজ্যিকভাবে চাষবাস হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কৃষি শুমারিতে মোট ১২৬টি ফসল বা কৃষিপণ্যের তালিকায় গাঁজা, আফিম, ধুতরা ও সিনকোনা ছিল। কিন্তু সরকার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করায় এবার এসব পণ্য বাদ দেওয়া হয়েছে। আর নতুন করে সেখানে যুক্ত হচ্ছে ড্রাগন ও স্ট্রবেরি।


সূত্র জানায়, পরিসংখ্যান আইন ২০১৩ অনুযায়ী জনশুমারি ও অর্থনৈতিক শুমারির পাশাপাশি কৃষি (শস্য, মৎস ও প্রাণিসম্পদ) শুমারির বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পঞ্চমবারের মতো কৃষি (শস্য, মৎস ও প্রাণিসম্পদ) শুমারি হবে ২০১৮ সালে। ২০১৯ সালের এপ্রিলের মধ্যেই তথ্য-সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হবে। এই শুমারিতে নেশা জাতীয় পণ্য বাদ দেওয়া হবে।
স্বাধীনতার পর ১৯৭৭, ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘কৃষি শুমারি-২০১৮’ প্রকল্পের পরিচালক ও যুগ্ম-সচিব জাফর আহাম্মদ খান বলেন, সর্বশেষ কৃষি শুমারিতে গাঁজা, আফিম, ধুতরা ও সিনকোনা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এসব নেশাজাতীয় দ্রব্যকে কোনোভাবেই আমরা কৃষিপণ্য হিসেবে বিবেচনা করতে পারি না।


তিনি বলেন, কৃষিতে নানা ধরনের ভিন্নতা এসেছে। নতুন নতুন কৃষিপণ্য যোগও হয়েছে। ফলে এখন কৃষি পণ্যের সংখ্যা দাঁড়াবে ১৭০টি। যেটা সর্বশেষ কৃষি শুমারিতে ছিলো মাত্র ১২৬টি।
জানা যায়, ১৭০টি কৃষিপণ্যকে মোটা দাগে ৮টি উপখাতে ভাগ করা হয়েছে। এসব উপখাত হচ্ছে- দানা, ডাল, তৈল বীজ, আঁশ, শাক, মসলা, ফল, ফুল জাতীয় ইত্যাদি পণ্য। তবে পরবর্তী শুমারিতে জাতীয় কৃষিপণ্যের মধ্যে শুধু তামাক, চা, পান ও সুপারি রাখা হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানান, আগামি ২০১৯ সালের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে শুমারির তথ্য সংগ্রহ কাজ সম্পন্ন হবে। দেশের সব খানা এবং কৃষি বিষয়ক প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য সংগ্রহ করবেন কর্মীরা।

মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পে ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় পাকা ধান ও সবজি ক্ষতিগ্রস্ত
                                  

এস.এম ইকবাল, চাঁদপুর :

অব্যাহত বর্ষণে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পে মারাত্বক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ময়লা-আবর্জনায় ও জায়গা দখল হয়ে যাওয়ায় খালগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। খালগুলো দিয়ে বৃষ্টির পানি প্রবাহিত হতে না পারাই এই জলাবদ্ধতার মূল কারণ। উপরন্তু জলাবদ্ধতার কারণে পাকা বোরো ধান ও সবজির  মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। 

জানা যায়, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে উপজেলার কলাকান্দা, মিলারচর, মাথাভাঙ্গা, পাঁচআনী, নাউরী, হলদিয়া, লুধুয়া, একলাশপুর, জোড়খালী, শিকিরচর, ছেংগারচর, কেশাইরকান্দি, জীবগাঁও, পাঠান বাজার, ঝিনাইয়া, মরাধন, ইসলামাবাদ, অলিপুর, নয়াকান্দি, সুজাতপুর ঠাকুরচর, রুহিতার পাড়, হানির পাড়,বদুরপুর, বাগানবাড়ী, নিশ্চিন্তপুর, দুর্গাপুর, লবাইরকান্দি, ইসলামাবাদ, ফতেহপুরসহ প্রকল্পের বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চলে কয়েক দিনের বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। জলাবদ্ধতায় কারণে আউশ ধানের বীজতলা ও রোপা আউশ, বগি পাট, আখ, ফল ও কাঠ গাছের বাগান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, মৎস্য খামার তলিয়ে গেছে। জলাবদ্ধতার কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি ও আবাদ করতে না পারায় কৃষক পরিবারগুলো হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। 

কৃষকরা প্রকল্প শুরু হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা না পাওয়ায় এ সেচ প্রকল্পকে তাদের জন্য অভিশাপ মনে করছেন। হানির পাড় গ্রামের আলী আজম বলেন, ‘জানি না এহন আমরা কি করুম, হুদিনাকালে পানি পাই না, বর্ষাকালে বৃষ্টির পানিয়ে জইম্মা সব ফসল তলাইয়া যায়। ফসল করতে গিয়া টাকা শেষ হইয়া যায়। ক্ষতির কারণে ফসল পাই না। এমনে আর কত দিন চলুম’। একই গ্রামের সাহেব আলী বলেন, ছেংগারচর বাজার এলাকায় মানুষ পানি সরার খালটি আবর্জনা দিয়ে একেবারে বন্ধ করে রাখায় আমাদের এলাকার পানি সরতে পারছে না। প্রকল্পটি তৈরি হওয়ার পর থেকে আমরা বর্ষা আসলেই বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাই। আমাদের চাষের জমি তলিয়ে ফসল নষ্ট হয়ে যায়। পাউবো কর্তৃপক্ষকে এ জলাবদ্ধতার ব্যাপারে জানালেও এ পর্যন্ত কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেয় নাই।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: সালাউদ্দিন জানান, ময়লা-আবর্জনায় ও জায়গা দখল হয়ে যাওয়ায় খালগুলো ভরাট হয়ে পানি চলাচল করতে পারছে না। বিলের পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। বৃষ্টির পানিতে পাকা বোরো ধান ও সবজির ক্ষতি হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনের ব্যবস্থা না নিলে বোরো উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে না।

সেচ কাজে প্রিপেইড কার্ড ব্যবহার করছে বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকরা
                                  

 বরেন্দ্র অঞ্চলে সেচের জন্য প্রিপেইড কার্ড ব্যবহারে কৃষকেরা অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে এবং বিগত বছরগুলোতে এ পদ্ধতি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) ‘স্মার্ট কার্ড বেজড প্রিপেইড পাম্প ইউসাজ অ্যান্ড এনারজি মেজারিং সিস্টেম’- শীর্ষক এক প্রকল্পের আওতায় এই কার্ড চালু করে। রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ২৫টি উপজেলায় তিন বছরের এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষে ১৯ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে। বিএমডিএ- এর নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী আবদুর রশিদ বলেন, আধুনিক এই পদ্ধতি প্রতিটি কৃষকের যথাযথ চাহিদা অনুযায়ী শস্যক্ষেতে সেচের পানি যোগান দেয়ায় আগাম অর্থ পরিশোধের কাজে ব্যবহৃত হয়। তিনি বলেন, এ পদ্ধতি চালু হলে শ্রমিক ও প্রান্তিক কৃষকদের অতিরিক্ত লোক নিয়োগের দরকার হয় না।

তিনি বলেন, এটি অত্যন্ত উপযোগী পদ্ধতি যা মিটার উতপ্ত হওয়া ও বিদ্যুৎ অপচয় রোধ করে। গত জুন মাস পর্যন্ত ৮২ হাজারের বেশি স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। শস্য ক্ষেতে গভীর নলকূপের মাধ্যমে পানি সেচে প্রিপেইড কার্ড ব্যবহার কৃষকদের শতকরা ৩০ ভাগ খরচ বাচার পাশাপাশি বিদ্যুৎ অপচয় ও প্রায় শতকরা ৪০ ভাগ ভূগর্ভস্থ পানির অপচয় রোধ করে। সেচের জন্য প্রিপেইড কার্ড ব্যবহার শস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পায় তাই কৃষক লাভবান হয়।

রশিদ বলেন, আমরা শত ভাগ গভীর নলকূপকে প্রিপেইড কার্ড পদ্ধতির আওয়তায় আনার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। দেশের উত্তরাঞ্চলে ১৪,৬৪২ টি বিদ্যুৎচালিত গভীর নলকূপ (ডিটিডাব্লিউ) চালু করার মাধ্যমে ২দশমিক ৯৭ লাখ হেক্টর ইরি-বোরো জমিসহ ৭ দশমিক ৯২ লাখ হেক্টর জমি চাষপোযোগী জমি সেচ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে।

 

সেচের পানির অভাবে ফরিদগঞ্জ ও মতলবে ষোল’শ একর জমির ফসল বিনষ্টের আশংকা
                                  

এস.এম ইকবাল, চাঁদপুর :

দেশের অন্যতম বৃহত্তম চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তরের মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পে পানির অভাবে গোয়ালভাওর এবং রাঢ়ীকান্দি বিলের প্রায় একশ` একর জমির রোপা ইরি বিনষ্টের পথে। ফলে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। বাধ্য হয়ে ওই এলাকার কৃষকরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এবং পানি না পাওয়ায় প্রতিবাদ জানান। কৃষকদের অভিযোগ, মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণেই এমন ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন তারা। অন্যদিকে একই কারণে চাঁদপুর সেচ প্রকল্পের আওতাধীন ফরিদগঞ্জ উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামের প্রায় ১৫’শ একর জমির বোরো ফসল বিনষ্ট হতে চলেছে। খাল খনন না করায় ও ফরিদগঞ্জ -চান্দ্রা সড়কের গাজীপুরও  চান্দ্রা এলাকায় দুটি ব্রিজের কাজ চলায় সেচের পানি সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটায় এ ঘটনা ঘটেছে।

সরেজমিনে মতলব উত্তরে গিয়ে দেখা গেছে, ইরি-বোরো মৌসুমে রোপা ইরি ধান ক্ষেতে এখন ভরপুর পানি থাকার কথা। কিন্তু গোয়ালভাওর এবং রাঢ়ীকান্দি বিলে পানি তো দূরের কথা, ধান ক্ষেতের মাটি ফেটে চৌচির হয়ে আছে। সেচ ক্যানেলেও পানি নেই। ধান গাছ লালচে রং ধারণ করে মৃত্যুর দিকে ঝুঁকছে। এ দৃশ্য দেখে ফুঁসে উঠেছে কৃষকরা। এ অঞ্চলের মানুষ কৃষি নির্ভর। তারা মেঘনা-ধনাগোদা পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির পানি দিয়ে ইরি-বোরো মৌসুমে ধান আবাদ করে থাকে। কিন্তু এবার এই প্রথম পানি সঙ্কটে পড়েছে কৃষকরা। গোয়ালভাওর বিলে প্রায় ৫০-৫৫ একর এবং রাঢ়ীকান্দি বিলে প্রায় ৫০-৬০ একর জমির ধান এখন বিনষ্টের পথে। তবে কিছু কিছু ক্ষেতে শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

গোয়ালভাওর গ্রামের কৃষক তৈয়ব আলী প্রধান বলেন, পাউবো পানি না দেয়ার কারণে আমার এক কানি (৪০ শতাংশ) ক্ষেতের ধান নষ্ট হওয়ার পথে। গত ২০-২৫ দিন আগে থেকেই পানি দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে পাউবো। এ মৌসুমে আর ধান ঘরে তুলতে পারব না। কৃষক জসিম সরকার, দর্জি আবুল হোসেন, টিপু সুলতান, জিলানী সরকার ,জালাল তালুকদার, মনির মিয়াজী, নিজাম তালুকদার, সেরাজল হক ও মুছা প্রধানসহ একাধিক কৃষক অভিযোগ করে বলেন, পাউবো কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে আমাদের রোপা ইরি মৌসুমে  ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। অন্যদিকে রাঢ়ীকান্দি বিলে গিয়েও দেখা যায় একই দৃশ্য। গোয়ালভাওর বিলের মত পানি না পেয়ে নষ্ট হওয়ায় ধান ক্ষেত এখন গো খাদ্য পরিণত হয়েছে। জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। ফলে ওই বিলের সকল ক্ষেতই এখন বিনষ্টের পথে। 

শাপলা পানি ব্যবস্থাপনা অ্যাসোসিয়েশনের (ইউ-২১ ক্যানেল) সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা বলেন, এবার পানি দিতে গিয়ে কয়েকবার সেচ ক্যানেল ভেঙ্গেছে। এ নিয়ে ডিপার্টমেন্টের সাথে কয়েক দফা তর্ক হয়েছে। তারা ক্যানেল ঠিক করার কথা শুনতেই পারছেন না। ক্যানেল ঠিক করাও হয় না। কৃষকরা পানিও পায় না। আমাদের কথা পাউবো কর্তৃপক্ষ বুঝতে চায় না।

মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের পানি ব্যবহারকারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সরকার মোঃ আলাউদ্দিন বলেন, ইউ-২১ সেচ ক্যানেলটি ১৯৮৮-৮৯ সালে নির্মিত হয়েছে। ৩০ বছরের পুরানো ক্যানেলে পরিমাণ অনুযায়ী পানি ছাড়লেই ক্যানেল ভেঙ্গে যায়। তাই টার্ন আউট ৩ ও ৪-এর শেষ সীমানা পর্যন্ত পানি পৌঁছাতে সমস্যা হচ্ছে। তবে আমরা এ সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে যথাযথ চেষ্টা করছি।

মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের এসও আব্দুল আজিজ বলেন, টার্ন আউট দিয়ে গোয়ালভাওর ও রাঢ়ীকান্দি বিলে পানি পৌঁছাতে হলে ইউ-২১ ক্যানেলে অনেক চাপ পড়ে। কারণ টার্ন আউটের চেয়ে ইউ-২১ ক্যানেল অনেক নিচু। ফলে এ মৌসুমে একই স্থানে ৪ বার ক্যানেল ভেঙ্গেছে। তবে ৪ টি টার্ন আউট ক্যানেলে রোটেশন অনুযায়ী পানি ছাড়লে কৃষক পানি পাবে। আমার জানামতে তারা রোটেশনে পানি নিতে চাচ্ছে না। মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের পানি ব্যবহারকারী ফেডারেশনের কমিটিতে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেই এসব হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

এদিকে চাঁদপুর সেচ প্রকল্পের আওতাধীন ফরিদগঞ্জ উপজেলার উত্তর-পুর্বাঞ্চলে সরেজমিনে দেখা যায়, পানির অভাবে বোরো ক্ষেতে ফাটল দেখা দিয়েছে। অনেক ক্ষেতের ধান গাছ মরে গিয়েছে। প্রতিটি কৃষকের চোখেমুখে হতাশার ছাপ। কৃষকরা জানান, এবার সেচ দিতে না পারায় গাজীপুর, পালতালুক, উপাদীক, কড়ৈতলী ও শাশিয়ালী, বালিথুবা, শোশাইচর, মানিকরাজ, দেইচর, মুলপাড়া, ইসলামপুর, রাজাপুরসহ বেশ কিছু গ্রামের সেচ এলাকায় পানি সরবরাহের খাল গুলো খননের অভাবে ভরাট হয়ে যাওয়ায়,পানি উন্নয়ণ বোর্ড মূল ডাকাতিয়া নদীতে পানি সরবরাহ করলেও সেচ প্রকল্প এলাকার কৃষকরা পানি পাচ্ছে না। ফলে, প্রায় ১৫শ’ একর জমিতে আবাদ করা বোরো হুমকির মুখে।

কৃষক মো: সফিউল্যা তপদার, বলেন তার  প্রায় ৭০ একর জমির বোরো চাষাবাদ পানির অভাবে এই বছর বন্ধ রয়েছে। এর সাথে চলতি মৌসুমে একই এলাকার স্কীম ম্যানেজার মো: মাহবুব ভুঁইয়ারও ৫০ একরের  পানির অভাবে বন্ধ রয়েছে। ফলে প্রায় শতাধিক কৃষি জমির মালিক ও চাষী তাদের জমিতে কোনো ফসল ফলাতে না পারায় তাদের পরিবারের সদস্যদের সারা বছরের খাদ্য সংকট পড়ার অশঙ্কায় রয়েছেন। 

সেচ এলাকার দায়িত্বে থাকা পানি উন্নয়ণ বোর্ডের কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দীন বলেন- আমরা বছরের শুরুতে ডাকাতিয়া নদীর মাধ্যমে সেচ এলাকায় পানি সরবরাহ করেছি, খল খননসহ কিছু কৃত্রিম সংকটের ফলে সঠিক সময় বোরো চাষিদের কাছে পানি না পৌছার কারণে কৃষকদের আজ এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে। 

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার, মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান জানান বোরো চাষের শুরুতে সেচের পানি সরবরাহের খালের উপর ব্রীজের কাজ করার সময় পানি চলাচলে বাঁধা সৃষ্টি হয়। আমরা তাৎক্ষণিক লিখিত ভাবে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অবগত করলে, বিকল্প ব্যবস্থায় পানি সরবরাহ করা হয়। তাছাড়া, দীর্ঘদিন যাবত সেচের খালগুলো বিএডিসি খনন না করায় পানি চলাচলে মারাত্মক বাঁধা সৃষ্টি হয়। আমাদের লোকজন আপ্রাণ চেষ্টা করেছে কৃষদের যেন বোরো চাষে কোন সমস্যা না হয়। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ.এইচ. এম মাহফুজুর রহমান বলেন, বিষয়টি জেনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে মোটামুটি বেশ কিছু এলাকায় বিকল্প ব্যবস্থায় পানি সরবরাহ করার চেষ্টা করেছি। তাছাড়া, বোরো চাষকৃত এলাকায় গিয়ে পানি চলাচলের বাঁধাগুলো সনাক্ত করে ইউপি চেয়ারম্যান ও ব্রীজের কাজ যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান করছে তাদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চাল-পেঁয়াজের দাম কমছে না
                                  

 দীর্ঘ সময় ধরে চাল ও পেঁয়াজের ঊর্ধ্বমুখী দাম ক্রেতাদের ভোগাচ্ছে অস্বস্তিতে। বিক্রেতারা বারবার পণ্য দু’টির দাম কমার আশ্বাস দিলেও এর সুফল পাচ্ছেন না ক্রেতারা। বরং সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দাম। পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমলেও তা এখনো পর্যন্ত আসেনি ক্রেতার হাতের নাগালে। খুচরা বাজারে পেঁয়াজের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশি ও আমদানি করা পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে খুচরা বিক্রেতাদের তথ্য অনুযায়ী, নাজিরশাইল কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৭৩ টাকা, ১ নম্বর মিনিকেট ৬৫, সাধারণ মিনিকেট ৬২, বিআর-২৮ ৫৫ টাকা ও স্বর্ণা এবং পারিজা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা কেজিতে। গতকাল শুক্রবার যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়। যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজারের পেঁয়াজের খুচরা বিক্রেতা জামাল বলেন, পেঁয়াজের দাম এই কমছে এই বাড়ছে। বাজারের মতিগতি আমরা নিজেরাও বুঝতে পারছি না। পাইকারি ব্যবসায়ীরা এখনো পেঁয়াজের ফলন নষ্ট ও আমদানি সমস্যার কথা বলে যাচ্ছেন। ফলে বেশি দাম কিনে আমাদের বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। চালের খুচরা বিক্রেতা কবির হোসেন বলেন, চালের দাম দ্রুত কমার সম্ভাবনা নেই। অনেকে বলেন বাজারে বোরো মৌসুমের চাল এলে নাকি দাম কমে। তবে এর থেকে দাম আর খুব বেশি কমবে বলে মনে হচ্ছে না। এদিকে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সবজি বাজারে ক্রেতাদের স্বস্তি থাকলেও চলতি সপ্তাহে কয়েকটি সবজির দাম বেড়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে বেগুন, শসা, করলা, বরবটি ও ঢেঁড়স। এদিন প্রতিকেজি টমেটো ১০-১৫ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, শিম ৪০ টাকা, মূলা ১৫ টাকা, কাঁচামরিচ ৫০ টাকা, ধনিয়াপাতা ৬০ টাকা, লাউ প্রতিপিস ৩০ টাকা, গাঁজর ৩০ টাকা, আলু ১৫-২০ টাকা, প্রতি জোড়া বাঁধাকপি ও ফুলকপি ১৫ টাকা, শসা ৬০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, লাল শাক, পালং শাক ও ডাঁটা শাক দুই আঁটি ১৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা রসুনের বাজারেও স্বস্তি নেই ক্রেতাদের। কেজিপ্রতি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হওয়া আমদানি করা রসুন এ সপ্তাহে এসে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। এ ছাড়া দেশি রসুন ৬০-৭০ টাকা, চিনি ৫৫-৬০ টাকা, দেশি মসুর ডাল ১০০-১২০ টাকা ও আমদানি করা মসুর ডাল ৬০ টাকা কেজি করে বিক্রি হচ্ছে। যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজারে ছুটির দিনে সাপ্তাহিক বাজার করতে আসা ক্রেতা মামুন ও রিপন জানান, বাজারে কোনো পণ্যই এখন খুব বেশি ক্রেতাদের হাতের নাগালে নেই। পেঁয়াজ, চাল ও বেশ কয়েকটি সবজির দাম ক্রেতাদের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিন দিন মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতারা নাজেহাল। মাছ ও মাংসের দামও রয়েছে গত সপ্তাহের মতোই। প্রতিকেজি কাতল মাছ ২২০ টাকা, পাঙ্গাশ ১২০ টাকা, রুই ২৩০-২৮০ টাকা, সিলভারকার্প ১৩০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা ও চিংড়ি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি গরুর মাংস ৪০০-৪৫০ টাকা, খাসির মাংস ৭০০-৭৫০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া সোনালি মুরগি প্রতিপিস সাইজ অনুযায়ী ১৫০-২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

 

জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ শুরু ২৪ ফেব্রুয়ারি
                                  
জাটকা রক্ষার ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০১৮ পালন করা হবে।  বৃহস্পতিবার মৎস্য ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়, ‘জাটকা ধরে করবো না শেষ, বাঁচবে জেলে হাসবে দেশ।’ 
 
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, মানুষকে সচেতন করতেই এ সপ্তাহ। এ লক্ষ্যে সাত দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে। এ বছর মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মেদীমন্ডল ইউনিয়নের কালিরখিল মাঠে বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পদ্মা নদীতে নৌ-র‌্যালি করা হবে। বাসস
সাড়ে ৫ লাখ কৃষককে ৫৯ কোটি টাকার বীজ-সার দেবে সরকার
                                  

 বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ক্ষতি পোষানোর পাশাপাশি উৎপাদন বাড়াতে আসন্ন মৌসুমে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী গতকাল রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই প্রণোদনার আওতায় ৫ লাখ ৪১ হাজার ২০১ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে ৫৮ কোটি ৭৭ লাখ ১৯ হাজার ৩১৫ টাকার বীজ ও সার দেওয়া হবে। তিনি বলেন, গম, ভুট্টা, সরিষা, ফেলন, খেসারি, গ্রীষ্মকালীন মুগ, গ্রীষ্মকালীন তিল, মাসকালাই, চিনাবাদাম ও বিটি বেগুনের বীজ এবং ডিএপি ও এমওপি সার দেওয়া হবে। প্রত্যেক কৃষককে এক বিঘা জমির জন্য এসব বীজ ও সার দেওয়া হবে। অর্থাৎ, ৫ লাখ ৪১ হাজার ২০১ বিঘা জমিতে চাষের জন্য বীজ ও সার পাবেন কৃষকরা। এই প্রণোদনার ফলে ৭২৭ কোটি ৫৯ লাখ ৫০ হাজার ৯০০ টাকার ফসল উৎপাদন হবে আশা প্রকাশ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষক প্রতি এক টাকা ব্যয়ের বিপরীতে ১২ টাকা করে আয়ের সুযোগ পাবে। প্রণোদনা কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাজেট থেকে দেওয়া হবে। এজন্য বাজেটের বাড়তি অর্থের প্রয়োজন হবে না। কৃষির অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে বীজ ও সার বিতরণ করা হবে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী। কৃষিসচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ ছাড়াও কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

 

লিচু পল্লিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বাগানিরা
                                  

মধু মাস জৈষ্ঠের মাঝামাঝি গাছে গাছে লাল টসটসে প্রাকৃতিক রসালো মধু ফল লিচু সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন দিনাজপুরের লিচু পল্লি খ্যাত মাসুমপুরের বাগানিরা। রসালো লিচু সংগ্রহ ও বাঁশের বাতা দ্বারা তৈরি খাঁচা বোঝাই করতে ব্যস্ত সময় পার করছে মাসিমপুর লিচু পল্লির নারী-পুরুষেরা।
সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দিনাজপুর সদর উপজেলার ৬নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের মাসিমপুর এলাকার এমন চিত্র এখন ঘরে ঘরে। দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, প্রাকৃতিক রসগোল্লা হিসেবে পরিচিত লিচু চাষে দিনাজপুর জেলায় নীরব বিপ্লব ঘটেছে। একসময় শুধু দিনাজপুর সদর উপজেলার মাসুমপুর ও এর আশপাশে এক থেকে দেড়শ’ একর জমিতে লিচু চাষ হতো। সেইসঙ্গে বাড়ির আঙিনায় লাগানো হতো দু-একটি লিচু গাছ। এরপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে লিচুর চাষ। কৃষি বিভাগের রেকর্ড অনুযায়ী, ২০১২ সালে এক হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে লিচু চাষ শুরু হয়। যা পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি পেয়ে চলতি মৌসুমে ৪ হাজার ১৮০ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে।
দিনাজপুর জেলার সদর, চিরিরবন্দর, বিরল ও বীরগঞ্জ উপজেলায় উল্লেখযোগ্য হারে লিচু চাষ হয়। এসব এলাকায় বেদানা, বোম্বাই, চায়না থ্রি-ফোর, মাদ্রাজিসহ নানা জাতের লিচুর চাষ হয়।
দিনাজপুর সদর উপজেলার মাসুমপুর এলাকার লিচু চাষি আরাফাত হোসেন জানান, বর্তমানে মাদ্রাজি ও বেদানা জাতের লিচু খাওয়ার উপযোগী হয়েছে। গাছ থেকে লিচু সংগ্রহ করা হচ্ছে। লিচু সংগ্রহের কাজে বাড়ির সকল সদস্যরা একত্রে মিলে কাজ করছি। লাল টসটসে রসে ভরা প্রাকৃতিক রসগোল্লা হিসেবে খ্যাত মাসিমপুরের লিচুর দেশব্যাপী ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তাই এখন গাছ থেকে সংগ্রহ করে লিচু খাঁচায় বোঝাই করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে। আর কদিন পরই মাদ্রাজি ও বেদানা লিচু শেষ হয়ে যাবে। এরপর বোম্বাই ও চায়না জাতের লিচু উঠতে শুরু করবে।
ঢাকার বাদাতলী থেকে আগত মৌসুমী ফল ব্যবসায়ী মতিউর রহমান মতি জানান, গত কয়েক মৌসুমের তুলনায় এবারে লিচুর ব্যবসা ভালো হয়েছে। দিনাজপুরের লিচু ঢাকা, কুমিল্লা, চট্রগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাণিজ্যিক ভাবে পাঠানো হচ্ছে। সারাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকায় এখান থেকে দেশের যে কোন প্রান্তে লিচু পাঠাতে কোন অসুবিধা হচ্ছে না। চলতি রমজান মাস উপলক্ষে ব্যবসা মন্দা হওয়ার চিন্তা করেছিলাম। কিন্তু এবার অন্যান্য বছরের তুলনায় দিনাজপুরের লিচুর চাহিদা বেড়েছে।
দিনাজপুর শহরের কালিতলাস্থ নিউ মার্কেটের ফল ব্যবসায়ী মো. আতিকউল্লাহ সরকার জানান, গত দুই সপ্তাহ থেকে স্থানীয় বাজারে মৌসুমি ফল লিচু উঠতে শুরু করেছে। বর্তমানে ভালো জাতের মাদ্রাজি প্রতি একশ লিচু আড়াইশ’ থেকে তিনশ টাকায় ও বেদানা লিচু ছয়শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে হালকা করে চায়না-থ্রি বাজারে উঠেছে।
তিনি জানান, জেলার পরিবহন ও কুরিয়ার সার্ভিস গুলোতে লিচু পাঠানোর ভিড় জমে উঠেছে। এ সকল সার্ভিস গুলোতে লিচু পাঠাতে একদিন আগেই বুকিং দিতে হচ্ছে। বুকিং না দিলে সিরিয়াল পাওয়া কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। সব মিলিয়ে জেলায় লিচুর সাথে সংশ্লিষ্ট সবাই ব্যস্ত সময় পার করছে।
দিনাজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক গোলাম মোস্তফা জানান, চলতি বছরে দিনাজপুর জেলায় চার হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে লিচু চাষ হয়েছে। গাছে মুকুল আসা থেকে শুরু করে লিচু সংগ্রহের আগ পর্যন্ত চাষিদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিয়েছে কৃষি বিভাগ। এবারে প্রাকৃতিক দুর্যোগ তেমন দেখা না দেওয়ায় মোটামুটি ফলন হয়েছে। তবে যে হারে মুকুল দেখা দিয়েছিল প্রাকৃতিক দুর্যগ না হলে ফলন বাম্পার হতো। তারপরও চলতি মৌসুমের ফলন খারাপ বলা যাবে না।

 

চলনবিলে কৃষকের কান্না
                                  

চলনবিলকে বলা হয় শস্যভাণ্ডার। আত্রাই ও গুড় নদীর পানিতে তলিয়ে গেছে দেশের সবচেয়ে বড় এ বিল। ডুবে গেছে বোরো ধান, আলু, বাদাম, ভুট্টা, পাট, তরমুজ, করলাসহ অন্যান্য ফসল। ধান কাটার জন্য মাইকিং করে শ্রমিক ডাকা হচ্ছে। বাড়তি মজুরি দিয়েও শ্রমিক মিলছে না।

নাটোরের সিংড়া, গুরুদাসপুর, বড়াইগ্রাম, নলডাঙ্গা, নিয়ামতপুর, চন্দননগর, ভাবিচা, শ্রীমন্তপুর, বাহাদুরপুরে কয়েক হাজার হেক্টর জমি থেকে কোনো ফসল তোলা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে এসব এলাকার ছোটবড় সব চাষি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

নাটোরের জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন বলেন, অসময়ে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ নেমে এসেছে। এতে ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের জন্য তালিকা তৈরি করতে কৃষি অধিদফতরের উপ-পরিচালককে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে ত্রাণ সহায়তা দেওয়ার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ কর্মকর্তাকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সিংড়া এলাকায় আত্রাই নদীর কাছে বিলদহর-কৃষ্ণনগর এলাকায় বাঁধ আছে। নিজেদের সুবিধার জন্য স্থানীয় মত্স্যজীবীরা ২০১১ সালে বাঁধের একটি অংশ কেটে দেন। বাঁধের এ কাটা অংশ দিয়ে আত্রাই নদী থেকে প্রচণ্ড স্রোতে চলনবিলে পানি ঢুকছে।

পানিতে ডুবে যাওয়া অন্যান্য ফসল ঘরে তুলতে না পারলেও জরুরিভাবে ধান কাটতে কয়েক দিন ধরেই স্থানীয়ভাবে মাইকিং করে দিনমজুর ডাকা হচ্ছে। বিলদহর বাজার এলাকার কৃষক কাদের মণ্ডল জানান, তার চাষ করা ৪৫ বিঘা জমির সবই পানিতে ডুবে গেছে। ধান কাটার জন্য তিনি দিনমজুর পাচ্ছেন না। অন্যান্য মৌসুমে ২৫০ টাকা চুক্তিতে শ্রমিক পাওয়া গেলেও এবার ৭০০ টাকা দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না।

স্থানীয়রা জানান, পানিতে ডুব দিয়ে ধান কাটা খুব কষ্টের। শ্রমিকরা সারা দিন পানিতে ডুবে ধান কাটতে চাচ্ছেন না। ফলে বেশি মজুরি দিয়েও শ্রমিক মিলছে না। কৃষ্ণনগর গ্রামের একাধিক কৃষক জানান, চলনবিলের অধিকাংশ কৃষক ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেন। হঠাত্ ঢলের পানিতে ফসল ডুবে যাওয়ায় এখন কীভাবে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করবেন, সেই চিন্তায় তাদের ঘুম চলে গেছে।

বড়াইগ্রাম উপজেলায় জালোরা বিল, চিনিডাঙ্গা বিল, ভিটাকাজীপুর বিল ও কচুগাড়ি বিল, মাড়িয়া, বাজিতপুর, শ্রীরামপুরসহ বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে বৃষ্টির পানিতে ফসল ডুবে গেছে। এতে বড়াইগ্রামের সহস্রাধিক কৃষক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, বড়াইগ্রামে ধানের তেমন ক্ষতি না হলেও পাট, তরমুজ, করলা, ভুট্টার জমি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। করলা এবং পাটক্ষেত প্রায় সবটাই পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক জায়গায় কাঁচা-পাকা তরমুজ পানিতে ভাসতে দেখা গেছে।

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, চলনবিল অধ্যুষিত সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও উল্লাপাড়ায় গত কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বৃষ্টি আর বাতাসে ধানের গাছ মাটি আর পানিতে পড়ে একাকার হয়ে গেছে। ধান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কায় হতাশ হয়ে পড়েছে কৃষকরা।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, তাড়াশে এ বছর ইরি বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২২ হাজার ৩শ ২০ হেক্টর। উল্লাপাড়াতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ৬ হাজার হেক্টর। সারা বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সোনালি ধানে ছেয়ে গিয়েছিল ফসলের মাঠ। আর সামান্য কয়েকদিন পর ফসল ঘরে তোলার আশায় বুক বেঁধেছিল চলনবিলের কৃষকেরা। তবে কৃষকের এই আশায় গুড়ে বালি হয়েছে ভারী বৃষ্টি ও ঝড়।

তাড়াশ ও উল্লাপাড়ায় একাধিক কৃষক জানান, আর মাত্র তিন চার দিন পরেই ফসল কাটতে চেয়েছিল। কিন্তু বৃষ্টি ও বাতাসের কারণে ধান গাছ পানিতে ডুবে গেছে। সময়মতো ধান কাটতে না পারায় প্রতি বিঘায় ৫ থেকে ৬ মণ ধান কম হবে। এতে তারা এ বছর বড় আকারের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে চলনবিল এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছিল। এতে বিভিন্ন এলাকার ফসল পানিতে তলিয়ে যায়। ইতোমধ্যে প্রশাসনের সহায়তায় অন্তত ২০টি খাল কেটে পানি বের করা হয়েছে। পাশাপাশি আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ায় কিছুটা ক্ষতি হলেও কৃষকরা পুরোপুরি ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। এখন আর ক্ষতির কোনো আশঙ্কা নেই।

উল্লাপাড়া কৃষি অফিসার মো. খিজির হোসেন প্রামাণিক জানান, তার এলাকায় কিছুটা জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলেও স্থানীয় প্রশাসন ও ইউপি চেয়ারম্যানদের সহযোগিতায় সেটা দূর করা হয়েছে।

বছরে ৫ কোটি টাকার লিচু উৎপন্ন হয় মাগুরায়
                                  
মাগুরা জেলার অন্যতম আবাদ হিসেবে লিচু পরিচর্যায় কৃষক ব্যস্ত সময় পার করছে। প্রতি মৌসুমে  জেলায় ৫ কোটি টাকার লিচু উৎপন্ন হয়। চলতি মৌসুমে গাছে গাছে লিচুর ফল ধরেছে।
 
জানা গেছে, জেলার হাজরাপুর, ইছাখাদা, রাউতড়া, খালিমপুর, হাজীপুর, রাঘবদাইড়, নড়িহাটি, শিব রামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে লিচুর চাষ হয়েছে, গড়ে উঠেছে বাগান। এ সমস্ত এলাকায় এক হাজারেরও বেশি বাগান রয়েছে। বোম্বাই ও চায়না-২ জাতের লিচুর বাগান গড়ে উঠেছে। বর্তমানে চাষীরা লিচু পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
 
লিচু গাছে গুটি ধরেছে। ৫ হাজার লোকের মৌসুমী কর্মর্সস্থান হয়েছে। তারা লিচু গাছ প্রহারা ও গাছ পরিচর্যা করা, লিচু পাড়া ইত্যাদি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। তারা দৈনিক ৩ শত ৪ শত টাকা আয় করছেন। বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা গাছের ফলন দেখে আগাম গাছ ক্রয় করবেন। আগামী এক মাসের মধ্যে লিচু বাজারে  উঠবে।
 
কৃষকরা জানান, লিচু পরিচর্যা করেছে তারা। এবছর ফলন ভালো হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে পাকা লিচু বাজারে আসতে শুরু করবে।
‘হাওরবাসীর পাশে থাকতেন নিয়াজ উদ্দিন পাশা’
                                  

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, অকাল বন্যায় হাওরের মানুষ আজ কষ্ট পাচ্ছে। হাওরবাসীর দুর্যোগের এই সময়ে কৃষিবিদ-কৃষি সাংবাদিক ড. নিয়াজ উদ্দিন পাশা বেঁচে থাকলে তাদের পাশে দাঁড়াতেন। তাদের জন্য কলম ধরতেন।

রোববার বিকালে রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে বহুমাত্রিক.কম এর আয়োজনে ‘হাওর ভূমিপুত্র’ ড. নিয়াজ উদ্দিন পাশা স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাহাউদ্দিন নাছিম।

তিনি বলেন, আমরা প্রত্যাশা করি, দেশের উন্নয়নে ড. নিয়াজ উদ্দিন পাশার মতো মানুষের আরও জন্ম হোক।

ড. নিয়াজ পাশাকে একজন সার্থক কৃষি সাংবাদিক হিসাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নিবেদিতপ্রাণ মানুষ ছিলেন। তিনি চেষ্টা করতেন দেশের কৃষকরা ভালো থাক। কৃষি সাংবাদিক হিসাবে সারাজীবন লেখার মধ্য দিয়ে সেই চেষ্টা করে গেছেন তিনি। যদি কেউ বলার চেষ্টা করে বাংলাদেশের কৃষকরা আজ ভালো নেই তা ঠিক না। কোনো বিষয়ে ক্ষেত্র বিশেষে হয়তো সমস্যা আছে।

স্মরণসভায় ‘কৃষকের কণ্ঠ ও একজন হাওর ভূমিপুত্র’ শীর্ষক নিবন্ধ উপস্থাপন করেন বহুমাত্রিক.কম এর প্রধান সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম। প্রয়াত নিয়াজ পাশার প্রতি নিবেদন করে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন বহুমাত্রিক.কম এর যুগ্ম-সম্পাদক সৈয়দ মোকছেদুল আলম।

সাংবাদিক প্রীতি ওয়ারেসার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ‘হাওর ভূমিপুত্র’ নিয়াউদ্দিন পাশাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন তার সহপাঠি, বন্ধু ও স্বজনেরা। জীবনের শেষ সময়গুলোতে প্রয়াত কৃষিবিদ নিয়াজ উদ্দিন পাশার প্রতি তার কর্মস্থল সার্ক কৃষি কেন্দ্র, ঢাকার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অন্যায় আচরণের অভিযোগ তুলেন স্ত্রী ফারজানা আশা।

তিনি বলেন কৃষিবিদ নেতৃবৃন্দের কাছে এবিষয়ে সুবিচারও আশা করেন।

ডুমুরিয়ায় বোরো ধান ক্ষেতে ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ
                                  

বৈরী আবহাওয়ার কারণে হঠাত্ করে উপজেলায় বোরো ধান ক্ষেতে ব্যাপক হারে ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ দেখা দিয়েছে। ফসল রক্ষা করতে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানির ছত্রাক নাশক ওষুধ কিনে ধান ক্ষেতে স্প্রে করেও কোনো সুফল পাচ্ছেন না কৃষকরা।

বুধবার দুপুরে উপজেলার গোলনা গ্রামের বর্গা চাষি মফিজুর রহমান খান বলেন, এক একর জমিতে ব্রি-২৮ জাতের ধান রোপণ করেছিলাম। ২-৩ দিন আগে ক্ষেতে এসে দেখি ধানের শিষ সাদা হয়ে যাচ্ছে। তাত্ক্ষণিকভাবে উপজেলা কৃষি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সানফাইটার নামক ওষুধ ধান ক্ষেতে স্প্রে করতে বলেন। কিন্তু স্প্রে করার পরও কোনো কাজ হয়নি। বিলের অধিকাংশ কৃষকের ক্ষেতের ধানে এ রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। অপরদিকে টিপনা গ্রামের কয়েকজন কৃষক জানান, সিঙ্গা বিলের অধিকাংশ ধান ক্ষেতে ব্লাস্ট রোগ ছড়িয়ে পড়ায় ধানের শিষ শুকিয়ে চিটে হয়ে গেছে।

 উপজেলা কৃষি অফিসার শেখ নজরুল ইসলাম জানান, এ বছর উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে প্রায় ২১ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। চৈত্র মাসের শেষের দিকে ভোরে আকাশ কুয়াশাচ্ছন্ন, মাঝে মধ্যে আকাশ মেঘলা থাকার পর বৃষ্টির কারণে বৈরী আবহাওয়া সৃষ্টি হওয়াই এ রোগের মূল কারণ।

সূত্র জানায়, উপজেলায় প্রায় ৭০-৮০ হেক্টর বোরো ক্ষেতে ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ দেখা দিয়েছে। তবে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ ভাগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে।

বুধবার খুলনা অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক নিত্যরঞ্জন বিশ্বাস ও উপ-পরিচালক আব্দুল লতিফ উপজেলার শলুয়া, মাধবকাঠি, টিপনা, আঙ্গারদহ, ডোংরা বিল, গোবিন্দকাটি, আঠারো মাইল এলাকায় কৃষকদের সঙ্গে মাঠ সমাবেশের মাধ্যমে এ রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। এদিকে রোগ দমনের জন্য ট্রাইসাইক্লাজল গ্রুপের সানফাইটার, ট্রুপার, ফিলিয়া, স্টেনজা, টর্নেডো নামক ওষুধ ব্যবহার করার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে সূত্র জানায়।

দক্ষিণাঞ্চলে চলছে বর্ষার আমেজ, ফসলের জন্য আশীর্বাদ
                                  
দেশের দক্ষিণাঞ্চলে গত কয়েকদিন ধরে বর্ষার আমেজ বিরাজ করছে। শীতের শেষে ও গরমের শুরুতে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি স্বস্তি এনে দিয়েছে জনজীবনে। গত রবিবার মৌসুমের প্রথম ঝড়ের পর থেকে এখানকার জেলাগুলোতে কম বেশি বর্ষণ চলছে। গত রাত থেকে বরিশাল ও এর আশপাশের জেলাগুলোতে হাল্কা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে করে বোরো ধানসহ বিভিন্ন রবি শস্যের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দেখা দিয়েছে। এতে করে সবচে বেশি লাভবান হবেন বোরো চাষিরা।
 
আবহাওয়া অফিস জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল নয়টার পূর্ববর্তী ২৪ ঘন্টায় বরিশালে ১১ মিলিমিটার, পটুয়াখালীতে ৩১ মিলিমিটার, ভোলায় ১৪ ও কুয়াকাটার কলাপাড়ায় ১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সকাল থেকে কিছুটা গুমোট ও মেঘলা আবহাওয়া দুপুরের পর থেকে হালকা থেকে মাঝারি অথবা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে এই অঞ্চলে।
 
বরিশাল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক প্রনব কুমার রায় জানান, বরিশালে শুক্রবার সকাল নয়টা থেকে আজ সকাল নয়টা থেকে ২২ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হওয়া বৃষ্টিপাতা বাড়ছে। মূলত গত রাত ১০টার পর থেকে এই অঞ্চলে বৃষ্টিপাত বেশি হচ্ছে।
 
প্রনব কুমার রায় বলেন, বরিশাল নদী-বন্দরের জন্য ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আগামী কয়েকদিন পর্যন্ত এই অবস্থা থাকবে বলে জানান তিনি।
 
এদিকে শুক্রবার বিকেল থেকে দক্ষিণাঞ্চলের জেলা গুলোতে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হলেও রাত থেকে ভারী বর্ষণ শুরু হয়। বিশেষ করে উপকুলীয় এলাকাতে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হয়েছে। শনিবার সকাল থেকেই আকাশ কালো মেঘে ডাকা রয়েছে। সেই সাথে চলছে হাল্কা থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। পথচারীদের ছাতা মাথায় দিয়ে কর্মক্ষেত্রে যেতে দেখা যায়। বর্ষণমুখর আবহাওয়ার কারণে সড়কে সীমিত যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
অন্যদিকে খরা মৌসুমে বৃষ্টিপাত হওয়ায় ফসলের জন্য আশির্বাদ হয়ে দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বোরো ধান, মুগ ডাল, গম, ভুট্রা, তরমুজ, সূর্জমূখী, মরিচ ইত্যাদির জন্য বৃষ্টি খুবই উপকারি। তবে বৃষ্টিপাত অতিরিক্ত হলে কিছু ফসলের ক্ষতি হওয়ার আশংকা রয়েছে। 
 
এ ব্যপারে আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ওমর আলী শেখ শনিবার বাসস’কে জানান, চলতি মৌসুমে এই অঞ্চলের ৬টি প্রায় জেলায় ১ লাখ ২৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এই পুরোটা জমিই বৃষ্টির মাধ্যমে উপকৃত হবে। এছাড়া সদ্য ফুল থেকে আমের মুকুলের জন্যও বৃষ্টি ভালো। পাশাপাশি রবি মৌসুমের অন্যন্য ফসলের জন্যও আর্র্শিবাদ হবে এই বৃষ্টি।
 
তিনি আরো বলেন, বিশেষ করে যে সকল ফসলে সেচ দেয়া হয় না সে সব ফসল বেশি উপকৃত হবে। তবে যদি অধিক পরিমানে বৃষ্টি হয় তবে যেসব ফসলে ফুল রয়েছে তা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আর যদি বৃষ্টি শেষে আবহাওয়া স্বাভাবিক হয় সে ক্ষেত্রে সব ঠিক থাকবে। বাসস।

   Page 1 of 5
     কৃষিজগৎ
নভোএয়ার কাপ গলফ টুর্নামেন্টের বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ
.............................................................................................
লাভের আশায় আগাম সবজি চাষ বগুড়ায় (ভিডিওসহ)
.............................................................................................
স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে বায়োটেকনোলজি ব্যবহারে এগোচ্ছে বাংলাদেশ: মতিয়া
.............................................................................................
‘ড্রাগন-স্ট্রবেরি’ কৃষিপণ্যের তালিকায় নতুন
.............................................................................................
মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পে ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় পাকা ধান ও সবজি ক্ষতিগ্রস্ত
.............................................................................................
সেচ কাজে প্রিপেইড কার্ড ব্যবহার করছে বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকরা
.............................................................................................
সেচের পানির অভাবে ফরিদগঞ্জ ও মতলবে ষোল’শ একর জমির ফসল বিনষ্টের আশংকা
.............................................................................................
চাল-পেঁয়াজের দাম কমছে না
.............................................................................................
জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ শুরু ২৪ ফেব্রুয়ারি
.............................................................................................
সাড়ে ৫ লাখ কৃষককে ৫৯ কোটি টাকার বীজ-সার দেবে সরকার
.............................................................................................
লিচু পল্লিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বাগানিরা
.............................................................................................
চলনবিলে কৃষকের কান্না
.............................................................................................
বছরে ৫ কোটি টাকার লিচু উৎপন্ন হয় মাগুরায়
.............................................................................................
‘হাওরবাসীর পাশে থাকতেন নিয়াজ উদ্দিন পাশা’
.............................................................................................
ডুমুরিয়ায় বোরো ধান ক্ষেতে ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ
.............................................................................................
দক্ষিণাঞ্চলে চলছে বর্ষার আমেজ, ফসলের জন্য আশীর্বাদ
.............................................................................................
মাগুরায় গমের ভালো ফলনের আশা কৃষি বিভাগের
.............................................................................................
৩৩ কোটিতে আড়াইশ কোটি টাকার ফসল
.............................................................................................
ছাদে বাগান
.............................................................................................
হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি
.............................................................................................
কপি চাষে স্বাবলম্বী কৃষক
.............................................................................................
বার্ড ফ্লু কী, কিভাবে বাঁচবেন
.............................................................................................
শিবপুরে শিমের পচন রোগে কৃষক দিশেহারা
.............................................................................................
হাতের মুঠোয় কৃষিসেবা
.............................................................................................
দুটি ভেড়া বদলে দিয়েছে রিমার ভাগ্য
.............................................................................................
কৃষি খাতের উন্নয়ন ও উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে: কৃষিমন্ত্রী
.............................................................................................
কাউখালীতে ছাড়িয়ে যাবে আমনের লক্ষ্যমাত্রা
.............................................................................................
টবে গোলাপের চাষ
.............................................................................................
বন্যা সহিঞ্চু বিআর ৫২ জাতের ধান উদ্ভাবন ফলনও ভালো
.............................................................................................
বিশ্ববাজারে কমলেও দেশীয় বাজারে গমের দাম ঊর্ধ্বমুখী
.............................................................................................
দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য পূরণে কৃষিতে ব্যাপক হারে যন্ত্রের ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ
.............................................................................................
রংপুর বিভাগের আগাম আলুর আবাদ বাড়ছে
.............................................................................................
খেঁজুরের রস সংগ্রহে ব্যস্ত রাণীনগরের গাছিরা
.............................................................................................
মানিকগঞ্জে কচি ডাবের ব্যাপক সমারোহ
.............................................................................................
কমলা আর মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী পাহাড়িরা
.............................................................................................
পার্বত্যাঞ্চলের কৃষকেরা তামাক ছেড়ে তুলা চাষে আগ্রহী হচ্ছে
.............................................................................................
পেশা পাল্টাচ্ছেন রেশম চাষীরা
.............................................................................................
কৃষকদের তথ্যসংবলিত পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ
.............................................................................................
কৃষকরা সচেতন হওয়ায় কমে আসছে ইউরিয়া সার ব্যবহার
.............................................................................................
অনেকদিন পর পাটের বাম্পার ফলন ও বাড়তি দামে কৃষকের মুখে হাসি
.............................................................................................
পাটের দাম নিয়ে কৃষকরা খুশি
.............................................................................................
কৃষকের শস্য কম দামে বিক্রি ঠেকাতে সরকারের উদ্যোগ
.............................................................................................
বন্যার পানি কমলে কৃষকদের ধানের চারা সরবরাহ করবে সরকার
.............................................................................................
আধুনিকায়নের পথে সরকারি পাটকলগুলো
.............................................................................................
খুলনার আম ও পেয়ারার চারা যাচ্ছে বিদেশে
.............................................................................................
বিজেএমসির ২৩টি পাটকলই চালু
.............................................................................................
হাঁড়িভাঙা আম পাল্টে দিচ্ছে রংপুরের অর্থনীতি
.............................................................................................
মিঠাপুকুরে পটলের কেজি ২ টাকা, কৃষক বঞ্চিত
.............................................................................................
ট্যাক্স দিতে হবে কৃষকদেরও: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
বাণিজ্যিকভাবে বসতবাড়ীতে সংরক্ষণ হবে আলু
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]