১০ শাওয়াল ১৪৪১ , ঢাকা, বুধবার, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩ জুন , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   শিক্ষা-সাহিত্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে এইচএসসি পরীক্ষা সম্ভব না: শিক্ষামন্ত্রী

চলমান করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে না আসা পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। রবিবার (৩১ মে) সকালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বিফ্রিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ‘এবারের এইচএসসি পরীক্ষা ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল। সকল প্রস্তুতিও সম্পন্ন করে রেখেছিলাম। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে সে পরীক্ষা গ্রহণ সম্ভব হচ্ছেনা। কারণ এখানে ব্যাপক পরিমাণ শিক্ষার্থী, পুরোপুরি গণ-পরিবহন চালু হতে হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, তাহলে আমাদের পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি করতে হবে। তারপরও শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ব্যাপকভাবে থেকে যাবে। কোনোভাবেই এ ঝুঁকি এ মুহূর্তে নেয়া সম্ভব নয় বলে আমরা মনে করি।

শিক্ষাবর্ষের পরিবর্তনের সম্ভাবনা আছে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এই বছরের বাকি কতদিন শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে পারবে, এটি আমাদের কারো পক্ষে বলা সম্ভব নয়। কাজেই আমরা সব রকম বিষয়ই বিবেচনায় রাখছি। আমাদের হাফ বা ইয়ারলি পরীক্ষার কোন সময় নেই। বার্ষিক পরীক্ষা হবে কিনা, হলে কবে হবে, কোন সিলেবাসে হবে, শিক্ষা বছর কি ডিসেম্বরেই শেষ হবে, নাকি আগামি বছরের কয়েক মাস পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে পুরো জিনিসটি সমন্বয় করা হবে কিনা। এই সবই আমাদের বিবেচনায় আছে। এটি নির্ভর করবে আমরা কতদিনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে পারি তার উপরে। এগুলো সবই আমাদের বিবেচনায় আছে।

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে এইচএসসি পরীক্ষা সম্ভব না: শিক্ষামন্ত্রী
                                  

চলমান করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে না আসা পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। রবিবার (৩১ মে) সকালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বিফ্রিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ‘এবারের এইচএসসি পরীক্ষা ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল। সকল প্রস্তুতিও সম্পন্ন করে রেখেছিলাম। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে সে পরীক্ষা গ্রহণ সম্ভব হচ্ছেনা। কারণ এখানে ব্যাপক পরিমাণ শিক্ষার্থী, পুরোপুরি গণ-পরিবহন চালু হতে হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, তাহলে আমাদের পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি করতে হবে। তারপরও শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ব্যাপকভাবে থেকে যাবে। কোনোভাবেই এ ঝুঁকি এ মুহূর্তে নেয়া সম্ভব নয় বলে আমরা মনে করি।

শিক্ষাবর্ষের পরিবর্তনের সম্ভাবনা আছে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এই বছরের বাকি কতদিন শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে পারবে, এটি আমাদের কারো পক্ষে বলা সম্ভব নয়। কাজেই আমরা সব রকম বিষয়ই বিবেচনায় রাখছি। আমাদের হাফ বা ইয়ারলি পরীক্ষার কোন সময় নেই। বার্ষিক পরীক্ষা হবে কিনা, হলে কবে হবে, কোন সিলেবাসে হবে, শিক্ষা বছর কি ডিসেম্বরেই শেষ হবে, নাকি আগামি বছরের কয়েক মাস পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে পুরো জিনিসটি সমন্বয় করা হবে কিনা। এই সবই আমাদের বিবেচনায় আছে। এটি নির্ভর করবে আমরা কতদিনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে পারি তার উপরে। এগুলো সবই আমাদের বিবেচনায় আছে।

১০৪ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি, শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে
                                  

রবিবার ( ৩১ মে) এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। গতবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেড়েছে ৩০ হাজার ২৮৪ জন। আর ১০৪ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থীই ফেল করেছে। গত বছরের তুলনায় যা ৩টি প্রতিষ্ঠান কম।

সকাল ১০টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন। পরে সকাল দিকে ১১টার দিকে সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

বিফ্রিংকালে শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ বছর শূন্য শতাংশ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১০৪টি, গত বছর যা ছিল ১০৭টি। কমেছে তিনটি। তবে ওই সব প্রতিষ্ঠান কেন ফল খারাপ করল সেসব বিষয় খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ৩ হাজার ২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবাই পাস করেছে। গত বছর যা ছিল দুই হাজার ৫৮৩টি। এটা একটা ভালো দিক যে শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল রবিবার
                                  

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) এবং সমমান পরীক্ষার ফল রবিবার প্রকাশিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল ১০টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ফল ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি দুপুর ১২টায় একটি ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন।

এর আগে ২১ মে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুবুর রহমান জানান, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ৩১ মে প্রকাশিত হবে।

তিনি আরও বলেন, ফলাফল জানতে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে হবে না। তারা এসএমএসের মাধ্যমে তা জানতে পারবে।

ফলাফল প্রকাশের আগে ওয়েবসাইটে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সারা দেশে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। এ বছর দেশের ২৮ হাজার ৮৮৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।

এসএসসি’র ফল প্রকাশ ৩১ মে
                                  

আগামী ৩১ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।

আগামী ৩১ মে সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ও পরিসংখ্যান প্রকাশ করবেন। বৃহস্পতিবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রেরিত এক পত্রের মাধ্যমে উল্লেখিত তারিখ ও সময় নিশ্চিত করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রনালযেয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঈদের আগে আর হচ্ছে না এসএসসির ফল ঘোষণা
                                  

করোনা ভাইরাসের কারণে থমকে গেছে গোটা পৃথিবী। বিশেষ করে শিক্ষাঙ্গন যেন মুখ থুবড়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ। ঈদের আগেই এসএসসির ফল দেয়ার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করলেও তা আর হচ্ছে না।

করোনাকালে সবকিছু থমকে গেছে। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন সেপ্টেম্বরের আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খোলার জন্য। এমন পরিস্থিতিতে আটকে গেছে এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ। মঙ্গলবার শিক্ষাবোর্ড থেকে জানানো হয়েছে সব প্রস্তুতি থাকলেও ঈদের আগে আর দেয়া হচ্ছেনা এসএসসির ফলাফল।

এবার এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশে প্রতিবারের মতো থাকবে না তেমন আনুষ্ঠানিকতা। করোনার জন্য মোবাইলের এসএমএস বা অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজে পাওয়া যাবে ফলাফল। সোমবার থেকে প্রাক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যারা এই প্রাক নিবন্ধন করবে, তারা প্রথম দিকে ফল পাবে। তবে আগের মতো নির্ধারিত পদ্ধতিতেও খুদে বার্তায় ফল জানা যাবে।

নতুন ব্যবস্থায় প্রাক নিবন্ধন করা থাকলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর মোবাইলে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে। প্রাক নিবন্ধনের জন্য যেকোনো মোবাইল অপারেটরের নম্বর থেকে SSC Board Name (প্রথম তিন অক্ষর) Roll Year লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। প্রতি এসএমএসের জন্য দুই টাকা চার্জ নেওয়া হবে।

গত ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তাতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় সাড়ে ২০ লাখ।

এসএসসির ফল চলতি মাসে
                                  

চলতি মাসেই এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। এজন্য টানা ৪১ দিন বন্ধ থাকার পর আবারও সব শিক্ষা বোর্ড আংশিক খোলা হয়েছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় স্থানীয় ডাক বিভাগের সহায়তায় উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) বোর্ডগুলোতে পাঠানো হচ্ছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু জিয়াউল হক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ৯০ ভাগ ওএমআর শিট আমাদের কাছে পৌঁছেছে। এগুলোর স্ক্যানের কাজ চলছে। এর মধ্যে বাকি ১০ ভাগও চলে আসবে। চলতি মাসে পরীক্ষার ফল দেওয়ার চেষ্টা করা হবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, তারা ফল প্রস্তুত করে রাখবে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পেলেই ফল প্রকাশ করা হবে।

জানা গেছে, অন্যান্য বছরের মতো এবারও নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে এসএমএস করে পরীক্ষার ফল জানা যাবে। তবে ঘরের বাইরে না গিয়ে কীভাবে সহজেই শিক্ষার্থীদের কাছে ফলাফল পৌঁছে দেওয়া যায়, সে বিষয়টি নিয়েও শিক্ষা বোর্ডগুলো থেকে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, মে মাসের শেষভাগে শিক্ষা বোর্ডগুলোকে রেজাল্ট প্রকাশের সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে; যাতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফল প্রকাশ করা যায়।

উপবৃত্তির সাথে শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে জামা-জুতা-ব্যাগ
                                  

দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর অবশেষে উপবৃত্তির টাকা পেতে যাচ্ছে প্রাথমিকের প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থী। করোনাভাইরাসের সংকটের কারণে ঈদের আগেই পরপর ৯ মাসের টাকা পাবে শিক্ষার্থীরা। একই সাথে প্রথমবারের মতো প্রাথমিকের একেকজন শিক্ষার্থী জামা, জুতা ও ব্যাগ কেনার জন্য এক হাজার করে টাকা পাবে। এ জন্য এ–সংক্রান্ত প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্পের (তৃতীয় পর্যায়) পরিচালক যুগ্মসচিব মো. ইউসুফ আলী এ কথা জানিয়ে সারাদেশের সব উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে পত্র দিয়েছেন। সেখানে তিনি আগামী ১৪ মে’র মধ্যে উপবৃত্তির তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তির অর্থ বিতরণের জন্য সুবিধাভোগীর তালিকা রুপালী ব্যাংকের শিওর ক্যাশের পোর্টালে আপলোডের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের নির্দেশ দিয়েছেন।

চিঠিতে বলা হয়, সদাশয় সরকার রমজানের ঈদের আগেই উপবৃত্তির অর্থ সুবিধাভোগীদের মোবাইলে পাঠাতে চায়। ১৪ মে’র মধ্যে উপবৃত্তির সুবিধাভোগীর তালিকা রূপালী ব্যাংকের শিওর ক্যাশের পোর্টালে আপলোডে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রকল্প পরিচালকের এ চিঠিতে আরও জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুসারে, এ প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের জামা, জুতা ও ব্যাগ কেনার জন্য এক হাজার টাকা করে কিট অ্যালাউন্সও একইসঙ্গে দেয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রতি কিস্তিতে তিন মাসের অর্থ একসাথে দেয়া হয়। এবার ছয় মাস বকেয়া থাকায় ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তির টাকা একসঙ্গে দেয়া হচ্ছে।

প্রকল্পের মেয়াদ গত ডিসেম্বরে শেষ হয়ে যায়। সারাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা গত অক্টোবর থেকে উপবৃত্তির অর্থ থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপে শিক্ষার্থীরা এবার এই অর্থ পাচ্ছে। করোনার এই দুর্দিনে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির অর্থ পাওয়ার সুবিধার জন্য গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্পের মেয়াদ আগামী জুন মাস পর্যন্ত বাড়িয়েছেন।

এই উপবৃত্তি চালু হয়েছিল সব শিশুকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা ও তাদের ঝরে পড়া রোধের জন্য। এছাড়াও জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে নতুন জামা, ব্যাগ ও জুতা কেনার জন্য শিক্ষার্থী প্রতি ৫০০ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত জানুয়ারিতে এই ঘোষণা দেয়া হয়। এ অর্থ ছাত্রছাত্রীরা পায়নি এতদিন। এখন তা বাড়িয়ে এক হাজার টাকা নির্ধারণ করে অর্থ ছাড় করা হলো।

এদিকে দেশের ৬৬ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক কোটি ৩৩ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের সবাই সরকারের দেয়া উপবৃত্তি পেয়ে থাকে। তারা সর্বশেষ উপবৃত্তির অর্থ হাতে পেয়েছে গত বছরের সেপ্টেম্বরে। এরপর আর কোনো টাকা হাতে না পাওয়ায় এখন সেই প্রাপ্য টাকা পেয়ে বিশ্বব্যাপী করোনার কারণে দেশেও যে চরম আর্থিক টানাপড়েনে রয়েছে শিক্ষার্থী-অভিভাবকেরা এই টাকা তাদের জন্য খুবই উপকারে আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

অনলাইনে ক্লাস-পরীক্ষার অনুমতি পেল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
                                  

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে ক্লাস, পরীক্ষা, মূল্যায়ন ও ভর্তি কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গুণগত মান বজায়সহ এজন্য বেশকিছু শর্ত মেনে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহসহ বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, সভায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ও নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি অনিশ্চিত হওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। বিষয়টি বিবেচনা করে চলমান সেমিস্টার শেষ করতে অনলাইনের মাধ্যমে পরীক্ষা, খাতা মূল্যায়ন করার অনুমোদন দেন শিক্ষামন্ত্রী।

তবে এ জন্য বেশকিছু শর্ত জুড়ে দেয়া হয়। এসব শর্তের মধ্যে অনলাইনে পরীক্ষা নেয়া হলেও বিশ্ববিদ্যালয় খুললে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করা, অথবা অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে নম্বর প্রদান করা, কুইজ আয়োজন, ওপেন বুক পরীক্ষা ও গুণগত মান বজায় রেখে স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মাধ্যমে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করার পরামর্শ দেন শিক্ষামন্ত্রী।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কমিটি তাদের পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল বিষয় ঠিক করবে। অন্যদিকে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা কীভাবে নেবে, সে বিষয়ে করণীয় ঠিক করে দেবে কমিশন। পাশাপাশি আগামী সেমিস্টারের ভর্তি কত তারিখ থেকে কত তারিখ পর্যন্ত চলবে; সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন দেবে।

বৈঠকে ছাত্র-ছাত্রীদের মিডটার্ম ও ফাইনাল পরীক্ষার বিষয়ে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য কয়েকটি অপশন দেবে ইউজিসি। এ ক্ষেত্রে আগামী সেমিস্টারের শুরুতে বর্তমান সেমিস্টারের পরীক্ষা নিতে পারে। এছাড়াও আন্তর্জাতিকভাবে যেসব পদ্ধতিতে অনলাইন পরীক্ষা, সেই প্রক্রিয়াও অনুসরণ করা যাবে।

অবৈধ শিক্ষার্থীরা হলে থাকতে পারবে না: ঢাবি
                                  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর কোনো অবৈধ শিক্ষার্থীকে হলে অবস্থান করতে দেয়া হবে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে করোনাভাইরাস উত্তর পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে ঢাবি ‘প্রভোস্ট কমিটি’র সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সভায় প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীন সংযুক্ত ছিলেন। সভায় করোনাভাইরাস উত্তর সময়ে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও হলের সামগ্রিক পরিবেশ নিয়ে আলোচনা হয়।

‘বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর শুধুমাত্র বৈধ শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট হলের নীতিমালার আলোকে হলে অবস্থান করবে। যাদের ছাত্রত্ব নেই তারা কোনোক্রমেই হলে অবস্থান করতে পারবে না। তাদেরকে হল প্রশাসন কর্তৃক দেয়া সময়ের মধ্যে ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট কক্ষ/সিট ছেড়ে দিতে হবে। তীব্র আবাসন সংকট নিরসনে এর বিকল্প নেই,’ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

হলের কোনো কক্ষের মেঝেতে কোনো শিক্ষার্থী অবস্থান করতে পারবে না। প্রয়োজনে, যথাযথ নিয়মে, ডাবলিং করতে পারবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।

হল প্রশাসন যে সকল কক্ষে খাট/বেড নেই ছুটিকালীন সময়ে সে সকল কক্ষে নিয়মমাফিক খাট/বেড সরবরাহ করার ব্যবস্থা নেবেন।

সভায় অভিমত ব্যক্ত করা হয় যে, উপরোক্ত সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের গড়ে ওঠা কথিত ‘গণরুমের’ অবসান ঘটবে। তবে এই ‘গণরুমের’ অবসান ও ‘যাদের ছাত্রত্ব নেই তাদের হলে অবস্থান না করার’ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর আন্তরিক সহযোগিতা অত্যাবশ্যক বলেও সভায় অভিমত ব্যক্ত করা হয় ।

বিশ্ববিদ্যালয় ছুটিকালীন সময়ের মধ্যে হল প্রশাসন হলের সংস্কার ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ সম্পন্ন করবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

`পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুত ৩৮তম বিসিএসের ফলাফল প্রকাশ করবে পিএসসি`
                                  

৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলের শুধু ঘোষণা বাকি ছিল। গত মার্চ মাসের শেষদিকে ফলাফল প্রকাশের জন্য সবকিছুই প্রায় গুছিয়ে এনেছিল সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। কিন্তু করোনা ভাইরাসের ছোবলে আটকে গেছে ফলাফল ঘোষণা। এতে আবারো দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হতে পারে পরীক্ষার্থীদের।

গত সোমবার থেকে সীমিত পরিসরে পিএসসির পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হলে আবার ফল প্রকাশের প্রত্যাশা তৈরি হয়। তবে পিএসসি বলছে, জাতির ক্রান্তিলগ্নে চিকিৎসক এবং নার্স নিয়োগের সুপারিশ করার জন্যই মূলত ঝুঁকি নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের সুযোগ নেই।

৩৮তম বিসিএসের ফলাফল প্রকাশের বিষয়ে জানতে চাইলে পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘করোনা শুধু জাতীয় নয়, এটি বৈশ্বিক সঙ্কট তৈরি করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে অনেক আগেই ৩৮তম বিসিএসের ফলাফল প্রকাশ করা হতো।

তিনি পরীক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরার আহবান জানিয়ে বলেছেন, বাস্তবতা সবাইকে মানতে হবে। এখন সরকার কর্তৃক সাধারণ ছুটি। করোনা কারণে পিএসসির স্বাভাবিক সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পিএসসির সংশ্লিষ্টরা সরকারের নির্দেশনায় শুধু চিকিৎসক এবং নার্স নিয়োগের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সাথে সাথেই ৩৮তম বিসিএসের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

পিএসসির সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফলাফল প্রকাশের পরিকল্পনা ছিল গত মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে। ৩৮তম বিসিএসের শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য দুইজন পরীক্ষক কর্তৃক খাতা মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করে পিএসসি। মূলত দুইজনের মধ্যে নম্বরের হেরফের হলে তৃতীয় পরীক্ষক কর্তৃক খাতা মূল্যায়ন, এছাড়াও ৩৮তম বিসিএস চলমান অবস্থায় ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের কার্যক্রম সম্পন্ন, অধিক স্বচ্ছতার জন্য ১২পরীক্ষার্থী নিয়ে ভাইভা বোর্ড গঠন-এসব কারণে এই বিসিএসের ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব হয়েছে। পরীক্ষার্থী এই বিসিএসের ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় বেশ উদ্বিগ্ন। তারা বলছেন, এই বিসিএস সম্পন্ন করতে প্রায় তিনবছর লেগে যাচ্ছে।

গত বছরের ২৯ জুলাই থেকে ৩৮তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। গত বছরের ১ জুলাই ৩৮তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে পিএসসি। এতে পাশ করেন ৯ হাজার ৮৬২ জন। ৩৮তম বিসিএসের মাধ্যমে জনপ্রশাসনে ২ হাজার ২৪ জন ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগ করার কথা ছিল। তবে এখন এই বিসিএসে ১৩৬ জন বেশি নিয়োগ পাবেন। এতে এই বিসিএসে মোট পদের সংখ্যা হচ্ছে ২ হাজার ১৬০। ২০১৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর ৩৮তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৬৮ জন প্রার্থী আবেদন করেন। ||ইত্তেফাক

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবার পর ১৫ দিন সময় রেখে এইচএসসির সময়সূচি
                                  

এপ্রিলের শুরু থেকে এইচএসসি ও সমামানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, এমন পরিকল্পনা নিয়েই প্রস্তুতি নিয়েছিল পরীক্ষার্থীরা। কিন্তু করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ২২ মার্চ ঘোষণা দিয়েই এই পরীক্ষা স্থগিত করে দেয়া হয়। ওই ঘোষণায় বলা হয়েছিল, এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে এইচএসসির পরিবর্তিত সময়সূচি জানানো হবে। তবে চলতি মাসে এই সময় নির্ধারণ করার কোন পরিকল্পনাও নেই মন্ত্রণালয়ের।

 

পরীক্ষা স্থগিতের কারণে পরীক্ষার্থীদের পরিকল্পনায় ভাটা পড়ে। আর পরীক্ষার এ অনিশ্চয়তার কারণে উদ্বিগ্ন অভিভাবক-পরীক্ষার্থী। চলতি মাসের চতুর্থ সপ্তাহে শুরু হবে রমজান মাস। রমজানে পরীক্ষাও সম্ভব নয়। ফলে এই পরীক্ষা আয়োজন কবে গিয়ে ঠেকবে তা কেউ বলতে পারছে না। ফলে পরীক্ষা শুরু না হতেই হোঁচট খেয়েছে সারাদেশের এইচএসসি ও সমমানের ১২ লাখ পরীক্ষার্থী।

এই পরীক্ষার ওপর নির্ভর করেই দেশের সরকারি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা চলবে। চার-পাচটি বিশ্ববিদ্যালয় বাদে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরীক্ষা গুচ্ছভিত্তিক হবার কথা রয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষা পিছিয়ে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রমও পিছিয়ে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির জন্য প্রস্তুতি নেয়ারও সুযোগ পাবে না এই শিক্ষার্থীরা। সব মিলে নানা চিন্তা ভর করছে এসব শিক্ষার্থীর মনে।

মনিপুর স্কুলের রিমা নামে এক পরীক্ষার্থী জানায়, পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলাম। কিন্তু এখন পড়ায় মন বসছে না। এ কারণে আবার সব ভুলতে বসেছি। কি হবে, কবে পরীক্ষা দিতে পারবো এ নিয়ে নানা শংকায় আছি। আরিফুল ইসলাম নামে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, সন্তানের পরীক্ষা নিয়ে অনেক চিন্তায় রয়েছি। এই সঙ্কট কাটিয়ে কবে আবারও সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি হবে, আর কবেই বা পরীক্ষা নেয়া হবে এসব বিষয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় আছি।

আসমা খানম নামে অপর এক অভিভাবক বলেন, করোনার কারণে কোচিং বন্ধ, প্রাইভেট টিউটরকেও আসতে বারণ করে দিয়েছি। ফলে লেখাপড়া হচ্ছে না। নানা টেনশন নিয়ে সময় পার করছে পরীক্ষার্থীরা। তিনি জানান, সারা বিশ্বের করোনার ভয়াবহ খবর টিভি এবং সোস্যাল মিডিয়ায় ভাসছে। প্রতিনিয়ত মৃত্যুর সংবাদ শোনা যাচ্ছে। বাংলাদেশেও প্রতিনিয়ত করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে। এসব খবর শুনে মানসিক চাপেও আছে পরীক্ষার্থীরা।

জাকির হোসেন নামে এক শিক্ষক বলেন, পরীক্ষার্থীদের আপাতত টিভি ও সোস্যাল মিডিয়ার খবর দেখার প্রয়োজন নেই। অভিভাবকদের উচিত তার সন্তানকে এই ধরণের খবর না শুনতে ও পড়তে দেয়া। এতে শিক্ষাথীদের মনে নানা ধরণের হতাশা ভর করে। ভয় ভীতি তৈরি হয়। তাই এ বিষয়টি অভিভাবকদের মনে রাখতে হবে। আর এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের উচিত পরীক্ষার জন্য প্রতিদিন বইগুলো রিভিশন দেওয়া। আগামী ১০দিন পর পরীক্ষা শুরু হবে এই ভাবনা নিয়ে পড়াশোনা করলে কোন সমস্যা হবার কথা নয়।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, বিষয়টি নিয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। করোনা পরিস্থির ওপর সব কিছু নির্ভর করছে। তবে আগামী এক সপ্তাহ পর পরিস্থিতির বিষয়ে কিছুটা হলেও ধারনা পাওয়া যাবে। তখন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে। তিনি জানান, পরীক্ষার্থীদের উদ্বিগ্ন হবার কিছু নেই। হাতে ১৪ থেকে ১৫ দিন সময় রেখে সূচি প্রনয়ণ করা হবে।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত, প্রকাশ হবে নতুন রুটিন
                                  

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। আগামী এপ্রিল মাসে পরীক্ষার নতুন রুটিন ঘোষণা করা হবে। রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আগামী ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে এই পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া শনিবার আসন্ন প্রবেশপত্র পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

ইতিমধ্যে এইচএসসি পরীক্ষার খাতা, প্রশ্নপত্র সব কিছু সংশ্লিষ্ট জেলায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ১ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু করার বাস্তব অবস্থা নেই। গত বুধবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে এইচএসসি পরীক্ষা সংক্রান্ত আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। মূলত ওই সভায়ই পরীক্ষার নিরাপত্তার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু সেই সভা স্থগিত করা হয়েছিল। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে ১১ লাখ পরীক্ষার্থীর।

শিক্ষার্থীদের বাইরে ঘোরাফেরা না করতে আবারও নির্দেশনা
                                  

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের বাইরে ঘোরাফেরা না করতে আবারও নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্কুল বন্ধের দিনগুলোতে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। গতকাল শনিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে করোনাভাইরাসের মহামারি না ছড়াতে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এ সময় কোনো শিক্ষার্থীকে অযথা বাইরে ঘোরাফেরা করতে দেখলে, তাকে বাড়িতে নিরাপদে রাখার জন্য অভিভাবকে নির্দেশনা দেয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ করা হয়েছে। এদিকে গত শুক্রবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন ফেসবুক পেজে শিক্ষকদের উদ্দেশে নানা ধরনের পরামর্শ ও নির্দেশনামূলক স্ট্যাটাস লিখেছেন। তিনি লেখেন, করোনাভাইরাস থেকে বাংলাদেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকমণ্ডলীকে নিরাপদ রাখার জন্য প্রাথমিক ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বেসরকরি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই সময় সব শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

তিনি আর লেখেন, শিক্ষার্থীরা যাতে এই বৈশ্বিক দুর্যোগময় সময়ে বাড়ির বাইরে বের না হয় সেটি নিশ্চিত করার জন্য স্ব স্ব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও সভাপতি এবং অভিভাবকদের সচেতন থাকতে অনুরোধ জানিয়েছেন। মায়েদের মোবাইলে ফোন করে সচেতন করতে বলা হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, করোনাভাইরাসের এ সময়ে শিক্ষার্থীরা বাসার বাইরে অযথা ঘোরাফেরা করলেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হবে। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত ঢাকা মহানগরসহ দেশের সকল জেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করবে।

বিশেষ কারণ ছাড়া শিক্ষার্থীদের পার্ক, বিনোদনকেন্দ্রে, রেস্তোরাঁ এবং পর্যটনকেন্দ্রে দেখা গেলে তাদের আটক করে শাস্তি দিতে নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এদিকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত নিজ বাসস্থানে দেশের সব শিক্ষার্থীর অবস্থান নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয় সরকার। কঠোরভাবে এটা বাস্তবায়ন করতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ
                                  

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৮ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি ১৯ মার্চ বেলা ১১টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলগুলোও খালি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও সিন্ডিকেট সচিব রহিমা কানিজ।

তিনি বলেন, এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অ্যান্ড কলেজও বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশ ও সকল ধরনের জমায়েত এবং অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আগামী ২২ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস বন্ধ থাকবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রসহ অন্যান্য জরুরি সেবা চালু রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২০ মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জয় বাংলা (প্রান্তিক) গেট ব্যাতীত অন্য সকল গেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া ক্যাম্পাসের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম জোরদার করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন শিক্ষকরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এ এ মামুন বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। তবে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানালেও হল খালি করার সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য ভোগান্তি সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে জাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানা বলেন, যেহেতু জনসমাগমে করোনা ঝুঁকি বেশি তাই ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের জন্য সঠিক হয়েছে। তবে হল ভ্যাকেন্টের সিদ্ধান্ত আরও কিছুদিন পরে বিবেচনা করলে ভালো হতো। বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হলের তৃতীয় বর্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. ওমর বলেন, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্ত ঠিক হলেও এখুনি হল খালি করার ক্ষেত্রে আমাদের ভোগান্তি সৃষ্টি হবে।

করোনা উদ্বেগে ঢাবির দুই বিভাগ ও বুয়েটে ক্লাস বর্জন
                                  

করোনা ভাইরাস উদ্বেগে গতকাল শনিবার ক্লাস বর্জন করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অর্থনীতি ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীরাও করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের (ঢামেক) শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল ছেড়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

ঢাবির অর্থনীতি ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, করোনার সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকতে জনসমাগম এড়িয়ে চলতে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। অনলাইনে ভোটের মাধ্যমে জনমত জরিপ করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিভাগ দুটির শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে অর্থনীতি বিভাগে চলমান মিডটার্ম পরীক্ষাও বর্জন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বুয়েট সূত্রে জানা গেছে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্ত থাকতে বুয়েটের সব বিভাগের ক্লাস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। প্রত্যেক বিভাগের ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভরা (সিআর) গত শুক্রবার রাতে এই সিদ্ধান্ত নেন। এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। গতকাল শিক্ষার্থীরা কোনো ক্লাসে অংশ নেননি। তবে তারা কত দিন ক্লাস বর্জন করবেন সে বিষয়ে জানা যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে বুয়েটের এক শিক্ষার্থী বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে শনিবার ক্লাসে যাইনি। এর আগে সব ব্যাচের সিআর মিলে আগামী এক-দুই সপ্তাহ ক্লাসে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটা ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক স্যারকে জানিয়েছি। তবে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে।

বুয়েট ছাত্র কল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, অধিকাংশ বিভাগেই শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আসেনি। তবে ঠিক কী কারণে তারা আসেনি, সেটা বলতে পারব না। বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হয়েছে গত বৃহস্পতিবার। রেওয়াজ আছে প্রতিযোগিতার পরদিন শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আসে না। এবারও কি এ কারণে না করোনার আতঙ্কে সেটা পরবর্তী ক্লাসের দিন উপস্থিতির হার দেখে বোঝা যাবে।

এ ছাড়াও করোনার কারণে কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ এমন খবর ছড়িয়ে হল ছাড়ছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীরা। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে কলেজের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। বন্ধ ঘোষণা করা হয়নি। করোনা মোকাবিলায় আজ রবিবার একাডেমিক কাউন্সিলের সভা ডাকা হয়েছে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ খান আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সব ক্লাস চলছে। করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় রবিবার (আজ) আমরা একাডেমিক কাউন্সিলের সভা ডেকেছি। সরকারিভাবে যেদিন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হবে সেদিনই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ বন্ধ করা হবে; এর আগে নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতামতের প্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবেু: দীপু মনি
                                  

শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আইইডিসিআরের মতামত অনুযায়ী করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার মত পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি। গতকাল সোমবার বিকালে রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) ১৫৮ তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে করোনা ভাইরাসের বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রেরণ করা হচ্ছে জানিয়ে দীপু মনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষেশজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে। জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) এর মহাপরিচালক অধ্যাপক আহাম্মেদ সাজ্জাদ রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বক্তব্য রাখেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মানসম্মত শিক্ষা অর্জন করতে হলে মানসম্মত শিক্ষক খুবই জরুরী। শিক্ষকদের প্রতিনিয়ত আপডেট থাকতে হবে। বর্তমান বিশ্বে সব কিছু খুব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয়ের সাথে আমরা পরিচিত হচ্ছি। তিনি বলেন, অনার্স, মাস্টার্স অথবা পিএচডি ডিগ্রী নিলেই পড়ালেখা শেষ হয়ে গেল তা নয়। আমাদের জীবনব্যাপী শিক্ষা গ্রহন করতে হবে। আমাদের শিখতে হবে কিভাবে জীবনব্যাপী শিখতে হয়। সর্বস্তরের শিক্ষাকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে কাজ করছে সরকার।


   Page 1 of 65
     শিক্ষা-সাহিত্য
করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে এইচএসসি পরীক্ষা সম্ভব না: শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
১০৪ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি, শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে
.............................................................................................
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল রবিবার
.............................................................................................
এসএসসি’র ফল প্রকাশ ৩১ মে
.............................................................................................
ঈদের আগে আর হচ্ছে না এসএসসির ফল ঘোষণা
.............................................................................................
এসএসসির ফল চলতি মাসে
.............................................................................................
উপবৃত্তির সাথে শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে জামা-জুতা-ব্যাগ
.............................................................................................
অনলাইনে ক্লাস-পরীক্ষার অনুমতি পেল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
.............................................................................................
অবৈধ শিক্ষার্থীরা হলে থাকতে পারবে না: ঢাবি
.............................................................................................
`পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুত ৩৮তম বিসিএসের ফলাফল প্রকাশ করবে পিএসসি`
.............................................................................................
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবার পর ১৫ দিন সময় রেখে এইচএসসির সময়সূচি
.............................................................................................
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত, প্রকাশ হবে নতুন রুটিন
.............................................................................................
শিক্ষার্থীদের বাইরে ঘোরাফেরা না করতে আবারও নির্দেশনা
.............................................................................................
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ
.............................................................................................
করোনা উদ্বেগে ঢাবির দুই বিভাগ ও বুয়েটে ক্লাস বর্জন
.............................................................................................
বিশেষজ্ঞদের মতামতের প্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবেু: দীপু মনি
.............................................................................................
মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে আগামী বছর থেকে
.............................................................................................
মাধ্যমিকের পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে তথ্য-প্রযুক্তি সংক্রান্ত বিষয়: শিক্ষা উপমন্ত্রী
.............................................................................................
রাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ
.............................................................................................
সমন্বিত হচ্ছে না, গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিকল্পনা ইউজিসির
.............................................................................................
প্রাথমিকে বৃত্তি পেল সাড়ে ৮২ হাজার শিক্ষার্থী
.............................................................................................
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষককে অব্যাহতি
.............................................................................................
কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় যাচ্ছে না ঢাবি ও রাবি
.............................................................................................
দেশের ৭ হাজার ১৮টি প্রাইমারি স্কুল চলছে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই
.............................................................................................
পরীক্ষার রুটিন পরিবর্তনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
.............................................................................................
প্রাথমিকে ৭৫টি সহকারী শিক্ষকের পদ সংরক্ষণের নির্দেশ হাইকোর্টের
.............................................................................................
৪১তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী এপ্রিল
.............................................................................................
৩৭ ও ৩৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি নন-ক্যাডার ফল প্রকাশ আজ
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে নভেম্বরে কেন্দ্রীয় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত
.............................................................................................
গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগের আন্দোলন অব্যাহত
.............................................................................................
প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের বেতন বাড়ল
.............................................................................................
ছোট বোনের পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে গিয়ে বড় বোন কারাগারে
.............................................................................................
এসএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত সাড়ে ৫ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৫
.............................................................................................
সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে আজ
.............................................................................................
পরীক্ষা নিয়ে গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থার হুশিয়ারি দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য মানবসম্পদ তৈরি করা: শিক্ষা সচিব
.............................................................................................
ইবি ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০, সম্পাদক আটক
.............................................................................................
এসএসসি পরীক্ষার সংশোধিত সূচি প্রকাশ
.............................................................................................
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ: কোটার ব্যাখ্যা দিল অধিদফতর
.............................................................................................
ভোট পেছানোর দাবিতে অনশনে অসুস্থ ঢাবির ৯ শিক্ষার্থী, ভিসির সংহতি
.............................................................................................
চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ১০টি দোতলা বাস উপহার
.............................................................................................
ধর্ষককে নিয়ে জনমনে সন্দেহ ও উদ্বেগ রয়েছে: নুর
.............................................................................................
ঢাবির ছাত্রী হলে শিক্ষিকাকে চুল ধরে টেনে ফেলে ‘মারধর’
.............................................................................................
ভিপির নুরের ওপর হামলার প্রতিবেদন, জমার জন্য আরও ১০ কার্যদিবস সময় চায় কমিটি
.............................................................................................
ঢাবি প্রশাসনকে ৭ দিনের আল্টিমেটাম সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য ফোরামের
.............................................................................................
প্রাথমিক ও ইবতেদায়িতে পাসের হার ৯৫.৫০ শতাংশ
.............................................................................................
আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী এ বছর পাসের হার শতকরা ৮৭.৯০ ভাগ
.............................................................................................
জেএসসি- জেডিসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার
.............................................................................................
ভিপি নুরসহ আহতদের শারীরিক অবস্থার তথ্য ‘লুকোচুরি’র অভিযোগ
.............................................................................................
এসএসসি-এইচএসসিতে দুই বিষয়ে পরীক্ষা কমছে
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD