৭ শাবান ১৪৪১, ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ চৈত্র ১৪২৬, ২ এপ্রিল , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   শিক্ষা-সাহিত্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত, প্রকাশ হবে নতুন রুটিন

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। আগামী এপ্রিল মাসে পরীক্ষার নতুন রুটিন ঘোষণা করা হবে। রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আগামী ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে এই পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া শনিবার আসন্ন প্রবেশপত্র পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

ইতিমধ্যে এইচএসসি পরীক্ষার খাতা, প্রশ্নপত্র সব কিছু সংশ্লিষ্ট জেলায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ১ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু করার বাস্তব অবস্থা নেই। গত বুধবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে এইচএসসি পরীক্ষা সংক্রান্ত আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। মূলত ওই সভায়ই পরীক্ষার নিরাপত্তার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু সেই সভা স্থগিত করা হয়েছিল। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে ১১ লাখ পরীক্ষার্থীর।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত, প্রকাশ হবে নতুন রুটিন
                                  

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। আগামী এপ্রিল মাসে পরীক্ষার নতুন রুটিন ঘোষণা করা হবে। রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আগামী ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে এই পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া শনিবার আসন্ন প্রবেশপত্র পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

ইতিমধ্যে এইচএসসি পরীক্ষার খাতা, প্রশ্নপত্র সব কিছু সংশ্লিষ্ট জেলায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ১ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু করার বাস্তব অবস্থা নেই। গত বুধবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে এইচএসসি পরীক্ষা সংক্রান্ত আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। মূলত ওই সভায়ই পরীক্ষার নিরাপত্তার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু সেই সভা স্থগিত করা হয়েছিল। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে ১১ লাখ পরীক্ষার্থীর।

শিক্ষার্থীদের বাইরে ঘোরাফেরা না করতে আবারও নির্দেশনা
                                  

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের বাইরে ঘোরাফেরা না করতে আবারও নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্কুল বন্ধের দিনগুলোতে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। গতকাল শনিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে করোনাভাইরাসের মহামারি না ছড়াতে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এ সময় কোনো শিক্ষার্থীকে অযথা বাইরে ঘোরাফেরা করতে দেখলে, তাকে বাড়িতে নিরাপদে রাখার জন্য অভিভাবকে নির্দেশনা দেয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ করা হয়েছে। এদিকে গত শুক্রবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন ফেসবুক পেজে শিক্ষকদের উদ্দেশে নানা ধরনের পরামর্শ ও নির্দেশনামূলক স্ট্যাটাস লিখেছেন। তিনি লেখেন, করোনাভাইরাস থেকে বাংলাদেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকমণ্ডলীকে নিরাপদ রাখার জন্য প্রাথমিক ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বেসরকরি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই সময় সব শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

তিনি আর লেখেন, শিক্ষার্থীরা যাতে এই বৈশ্বিক দুর্যোগময় সময়ে বাড়ির বাইরে বের না হয় সেটি নিশ্চিত করার জন্য স্ব স্ব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও সভাপতি এবং অভিভাবকদের সচেতন থাকতে অনুরোধ জানিয়েছেন। মায়েদের মোবাইলে ফোন করে সচেতন করতে বলা হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, করোনাভাইরাসের এ সময়ে শিক্ষার্থীরা বাসার বাইরে অযথা ঘোরাফেরা করলেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হবে। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত ঢাকা মহানগরসহ দেশের সকল জেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করবে।

বিশেষ কারণ ছাড়া শিক্ষার্থীদের পার্ক, বিনোদনকেন্দ্রে, রেস্তোরাঁ এবং পর্যটনকেন্দ্রে দেখা গেলে তাদের আটক করে শাস্তি দিতে নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এদিকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত নিজ বাসস্থানে দেশের সব শিক্ষার্থীর অবস্থান নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয় সরকার। কঠোরভাবে এটা বাস্তবায়ন করতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ
                                  

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৮ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি ১৯ মার্চ বেলা ১১টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলগুলোও খালি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও সিন্ডিকেট সচিব রহিমা কানিজ।

তিনি বলেন, এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অ্যান্ড কলেজও বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশ ও সকল ধরনের জমায়েত এবং অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আগামী ২২ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস বন্ধ থাকবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রসহ অন্যান্য জরুরি সেবা চালু রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২০ মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জয় বাংলা (প্রান্তিক) গেট ব্যাতীত অন্য সকল গেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া ক্যাম্পাসের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম জোরদার করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন শিক্ষকরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এ এ মামুন বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। তবে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানালেও হল খালি করার সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য ভোগান্তি সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে জাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানা বলেন, যেহেতু জনসমাগমে করোনা ঝুঁকি বেশি তাই ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের জন্য সঠিক হয়েছে। তবে হল ভ্যাকেন্টের সিদ্ধান্ত আরও কিছুদিন পরে বিবেচনা করলে ভালো হতো। বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হলের তৃতীয় বর্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. ওমর বলেন, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্ত ঠিক হলেও এখুনি হল খালি করার ক্ষেত্রে আমাদের ভোগান্তি সৃষ্টি হবে।

করোনা উদ্বেগে ঢাবির দুই বিভাগ ও বুয়েটে ক্লাস বর্জন
                                  

করোনা ভাইরাস উদ্বেগে গতকাল শনিবার ক্লাস বর্জন করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অর্থনীতি ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীরাও করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের (ঢামেক) শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল ছেড়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

ঢাবির অর্থনীতি ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, করোনার সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকতে জনসমাগম এড়িয়ে চলতে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। অনলাইনে ভোটের মাধ্যমে জনমত জরিপ করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিভাগ দুটির শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে অর্থনীতি বিভাগে চলমান মিডটার্ম পরীক্ষাও বর্জন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বুয়েট সূত্রে জানা গেছে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্ত থাকতে বুয়েটের সব বিভাগের ক্লাস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। প্রত্যেক বিভাগের ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভরা (সিআর) গত শুক্রবার রাতে এই সিদ্ধান্ত নেন। এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। গতকাল শিক্ষার্থীরা কোনো ক্লাসে অংশ নেননি। তবে তারা কত দিন ক্লাস বর্জন করবেন সে বিষয়ে জানা যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে বুয়েটের এক শিক্ষার্থী বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে শনিবার ক্লাসে যাইনি। এর আগে সব ব্যাচের সিআর মিলে আগামী এক-দুই সপ্তাহ ক্লাসে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটা ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক স্যারকে জানিয়েছি। তবে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে।

বুয়েট ছাত্র কল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, অধিকাংশ বিভাগেই শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আসেনি। তবে ঠিক কী কারণে তারা আসেনি, সেটা বলতে পারব না। বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হয়েছে গত বৃহস্পতিবার। রেওয়াজ আছে প্রতিযোগিতার পরদিন শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আসে না। এবারও কি এ কারণে না করোনার আতঙ্কে সেটা পরবর্তী ক্লাসের দিন উপস্থিতির হার দেখে বোঝা যাবে।

এ ছাড়াও করোনার কারণে কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ এমন খবর ছড়িয়ে হল ছাড়ছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীরা। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে কলেজের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। বন্ধ ঘোষণা করা হয়নি। করোনা মোকাবিলায় আজ রবিবার একাডেমিক কাউন্সিলের সভা ডাকা হয়েছে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ খান আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সব ক্লাস চলছে। করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় রবিবার (আজ) আমরা একাডেমিক কাউন্সিলের সভা ডেকেছি। সরকারিভাবে যেদিন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হবে সেদিনই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ বন্ধ করা হবে; এর আগে নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতামতের প্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবেু: দীপু মনি
                                  

শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আইইডিসিআরের মতামত অনুযায়ী করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার মত পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি। গতকাল সোমবার বিকালে রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) ১৫৮ তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে করোনা ভাইরাসের বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রেরণ করা হচ্ছে জানিয়ে দীপু মনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষেশজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে। জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) এর মহাপরিচালক অধ্যাপক আহাম্মেদ সাজ্জাদ রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বক্তব্য রাখেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মানসম্মত শিক্ষা অর্জন করতে হলে মানসম্মত শিক্ষক খুবই জরুরী। শিক্ষকদের প্রতিনিয়ত আপডেট থাকতে হবে। বর্তমান বিশ্বে সব কিছু খুব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয়ের সাথে আমরা পরিচিত হচ্ছি। তিনি বলেন, অনার্স, মাস্টার্স অথবা পিএচডি ডিগ্রী নিলেই পড়ালেখা শেষ হয়ে গেল তা নয়। আমাদের জীবনব্যাপী শিক্ষা গ্রহন করতে হবে। আমাদের শিখতে হবে কিভাবে জীবনব্যাপী শিখতে হয়। সর্বস্তরের শিক্ষাকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে কাজ করছে সরকার।

মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে আগামী বছর থেকে
                                  

 আগামী বছর থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বীরমোহন উচ্চবিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, এ বছর ৬৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কারিগরি বিষয়টি শুরু হয়েছে। আগামী বছর থেকে মাধ্যমিক, মাদ্রাসা বা সাধারণ শিক্ষার ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষা পাবে সব শিক্ষার্থীরা। তিনি আরও বলেন, নবম ও দশম শ্রেণিতে দুটি কারিগরি বিষয় পড়ানো হবে। এর মধ্যে অন্তত একটি বিষয় বাধ্যতামূলক পড়তে হবে। ফলে আত্মকর্মসংস্থান করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। আমরা সেই ব্যবস্থাই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে করছি। মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখন ডিজিটাল বাংলাদেশের সেবা পৌঁছে গেছে।পহেলা এপ্রিল এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের অনৈতিক সহযোগিতা সহ্য করা হবে না। দিপু মনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয় একা কাজ করেনি। এজন্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবেকরা সম্বিলিতভাবে চেষ্টা করেছেন। আগামীতে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, সেখানেও প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। এজন্যে অভিভাবকদেরও শিক্ষার্থীদের অনৈতিক সুবিধা দেওয়া বন্ধ করে পড়াশুনায় সহযোগিতা করতে হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সব পর্যায়ের শিক্ষাকে বিশ্বমানের করতে হবে। আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব। আগের যে তিনটি শিল্প বিপ্লব হয়েছে তা থেকে আমার পিছিয়েছিলাম। কিন্তু চতুর্থ শিল্প বিপ্লব যেটা অটোমেশিনে, রোবোটিক্সে সেদিক থেকে আমরা পার্শ্ববর্তী অনেক দেশ থেকে এগিয়ে আছি। আমাদের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও প্রযুক্তিবান্ধব। তারা সহজেই প্রযুক্তি গ্রহণ করে ও ব্যবহার করতে পারে। প্রযুক্তির প্রতি আমাদের এই যে আগ্রহ তাই আমাদের চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে সফল হতে সহযোগিতা করছে।

কিন্তু চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যদি আমাদের সফল হতে চাই তাহলে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করতে হবে শিক্ষায়। বিদ্যালয়ের শতবর্ষ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা তাহমিনা সিদ্দিকী, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বকুল হোসেন।

শতবর্ষ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব শেখ মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হোসেন, কালকিনি উপজেলা চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুক ও সাবেক চেয়ারম্যান তৌফিকুজ্জামান শাহীন। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মনিরউজ্জামান চৌধুরী সোহাগ, প্রধান শিক্ষক মো. সালাহ্ উদ্দিন আকনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

মাধ্যমিকের পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে তথ্য-প্রযুক্তি সংক্রান্ত বিষয়: শিক্ষা উপমন্ত্রী
                                  

 মুজিববর্ষকে কেন্দ্র করে মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যক্রমে ‘রোবটিক্স আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ এবং ‘ইন্টারনেট অফ থিংস’সহ আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি সংক্রান্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

গতকাল রোববার জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) মিলনায়তনে এক সভায় তিনি এ কথা জানান। শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে উপযোগী করে গড়ে তুলতে তাদের আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে পারদর্শী করতে হবে। এ লক্ষ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ে থেকেই কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ উপযোগী আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষার্থীরা যাতে আত্মস্থ করতে পারে সেজন্য এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রসঙ্গত, ২০২১ সাল থেকে প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যক্রম পরিমার্জন করছে সরকার। শক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তথ্য-প্রযুক্তির এসব বিষয়গুলোকে কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত এবং বাস্তবায়নের জন্য কতগুলো বিদ্যালয়কে পাইলট প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

পর্যায়ক্রমে সারাদেশে তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে। পাইলট প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত বিদ্যালয়গুলোয় একটি করে রোবোটিক ক্লাব চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ কার্যক্রম দ্রুত শুরু করতে এনসিটিবি, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর এবং বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিনিধি নিয়ে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি দ্রুত কর্মসূচি বাস্তবায়ন কৌশল সম্পর্কে রিপোর্ট প্রণয়ন করে জমা দেবে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আহমেদ নুর, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. অধ্যাপক সৈয়দ গোলাম মো. ফারুক, এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কয়েকটি বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিতি ছিলেন।

 

রাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ
                                  

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন নিরোধ সেলে চারুকলা অনুষদের তিনটি বিভাগের ১৩ জন ছাত্রী পৃথক পৃথকভাবে লিখিত অভিযোগ করেন। গতকাল বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন নিরোধ সেলের সদস্য সচিব ও ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক লায়লা আরজুমান বানু বিষয়টি জানান। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম অধ্যাপক আমিরুল মোমেনীন চৌধুরী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদভুক্ত গ্রাফিক্স ডিজাইন, কারুশিল্প ও শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক। অধ্যাপক লায়লা আরজুমান বানু বলেন, চারুকলা অনুষদের তিনটি বিভাগের ১৩ জন শিক্ষার্থী অধ্যাপক আমিরুল মোমেনীনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির লিখিত অভিযোগ করেছেন। ওই শিক্ষক বিভিন্ন সময়ে অনুষদের ছাত্রীদের উদ্দেশ্য করে অশালীন মন্তব্য করেছেন বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন। এমনকি কয়েকদিন আগে এক ছাত্রীকে ফেসবুকে অশ্লীল ভিডিও পাঠিয়েছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগপত্রে ভুক্তভোগী ছাত্রীরা উল্লেখ করেন, অধ্যাপক আমিরুল মোমেনীন চৌধুরীর দ্বারা তারা বিভিন্নভাবে যৌন হয়রানি ও মানসিকভাবে উত্ত্যক্তের শিকার হয়েছেন। তিনি ছাত্রীদের উদ্দেশ্য করে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় মন্তব্য করেন। এমনকি ছাত্রীদের শারীরিক গঠন নিয়ে নিয়েও মন্তব্য করেন। ‘ফ্রি মাইন্ড’র কথা বলে নানা রকম ইঙ্গিতপূর্ণ ও অশালীন কথাবার্তা বলেন। যে কারণে তারা মানসিকভাবে অনেক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ফলে পড়াশোনা এবং অন্য কোনো কাজেই মনযোগ দিতে পারছেন না তারা। ভুক্তভোগী এক ছাত্রী জানান, অধ্যাপক আমিরুল ৩-৪ দিন আগে রাতে তাকে ফেসবুকে একটি অশ্লীল ভিডিও পাঠান। ভিডিওটি কেমন লাগছে বলে তিনি তার কাছে প্রশ্ন করেন। পরে ভুক্তভোগী ছাত্রী তার সহপাঠীদের বিষয়টি জানাবেন বললে অধ্যাপক আমিরুল তার সঙ্গে মজা করছেন বলে জানান। অভিযোগের বিষয়ে জানতে অধ্যাপক আমিরুলের মোবাইলে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। চারুকলা অনুষদ ভবনে গিয়ে খোঁজ নিলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার ফোনে ম্যাসেজ পাঠিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাতের কথা জানালেও তিনি কোনো জবাব দেননি। তার ব্যবহৃত আরেকটি ফোন নম্বরও বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক সিদ্ধার্থ শঙ্কর তালুকদার বলেন, ছাত্রীরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে আমি শুনেছি। তবে এ নিয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হয়নি। তাই আপাতত কিছু জানাতে পারছি না।

সমন্বিত হচ্ছে না, গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিকল্পনা ইউজিসির
                                  

 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটসহ পাঁচ প্রতিষ্ঠানের আপত্তির মধ্যে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা থেকে সরে এসে গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষার নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন-ইউজিসি। গতকাল বুধবার ৩৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে সভা শেষে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, এসব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী শিক্ষাবর্ষে চারটি গুচ্ছে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গুএলো হচ্ছে- কৃষি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও সাধারণ। সাধারণ গুচ্ছে বিজ্ঞান, কলা ও ব্যবসায় শিক্ষায় তিনটি পরীক্ষা হবে। গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় কৃষিতে সাতটি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে১১টি, প্রকৌশলে তিনটি এবং সাধারণ নয়টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। ইউজিসি চেয়ারম্যান জানান, অনলাইনে আবেদন করে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিবেন শিক্ষার্থীরা।

আসন পড়বে নিজের এলাকার কাছে। এর আগে কয়েক বছর ব্যর্থ হওয়ার পর গত ১১ ফেব্রুয়ারি সব উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠক করে এবার থেকে সমন্বিত পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল ইউজিসি। এজন্য একটি খসড়া নীতিমালা তৈরি করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পাঠানোর আগে ইউজিসির পক্ষ থেকে জানানোও হয়েছিল যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটও এতে ‘রাজি’ হয়েছে। কিন্তু ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েট বেঁকে বসে। তারা আগের মতোই আলাদা ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়। এই অবস্থায় গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করে সমন্বিত পরীক্ষা থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত জানাল ইউজিসি। এর কারণ ব্যাখ্যা করে এক প্রশ্নে অধ্যাপক শহীদুল্লাহ বলেন, আমাদের এই পাঁচটা ক্যাম্পাস ছাড়া লজিস্টিক্যালি পরীক্ষা নেওয়া ডিফিকাল্ট। আমাদের সিট বণ্টন প্রভৃতি মিলিয়ে আমাদের অসুবিধা হতে পারে। সে কারণে আমরা গুচ্ছ পদ্ধতিতে গিয়েছি। কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় আপত্তি জানালেও পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কেউ চাইলে গুচ্ছ পদ্ধতির পরীক্ষায় আসতে পারে বলে জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান। তিনি জানান, মার্চের দুই সপ্তাহের মধ্যে ইউজিসির সদস্য দিল আফরোজা বেগমের নেতৃত্বে কমিটি ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপের সঙ্গে বসে ভর্তি পরীক্ষার মডালিটিজ, কোথায়-কীভাবে পরীক্ষা হবে, পরীক্ষার প্রশ্ন ও মূল্যায়ন প্রভৃতি বিষয় ঠিক করবে। ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, একেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে হবে একেকটি গুচ্ছের পরীক্ষা। কোন গ্রুপের লিড বিশ্ববিদ্যালয় কোনটা হবে, সেটি পরে ঠিক হবে। কোনো শিক্ষার্থী একাধিক গুচ্ছে ভর্তি পরীক্ষায় বসতে চাইলে সেটা কী প্রক্রিয়ায় হবে, সে বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মীজানুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থী বিবেচনায় সে প্রক্রিয়া থাকবে। একই বিভাগের শিক্ষার্থী অন্য বিভাগে যাওয়ার সুযোগও পাবে।

আরেক প্রশ্নে তিনি বলেন, এমসিকিউ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া ও মূল্যায়ন সহজ। তবে আজকের বৈঠকে অধিকাংশ উপাচার্য সংক্ষিপ্ত উত্তরের প্রশ্নের পক্ষে মত দিয়েছেন। তারপরও সেটা টেকনিক্যাল কমিটি দেখবে। সংবাদ সম্মেলন শেষে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক দিল আফরোজা বেগম জানান, যেসব বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে আসছে, কেবল সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পড়বে। ফলাফল ও ভর্তি প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, আমরা রেজাল্ট দিয়ে দিব। আর প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয় তাদের রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী, ভর্তি হওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করবে শিক্ষার্থীরা। অধ্যাপক দিল আফরোজা বলেন, প্রতিটি গুচ্ছে যেসব বিশ্ববিদ্যালয় আছে, সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শর্তে এসএসসি ও এইচএসসির ফলের যে সর্বনিম্ন শর্ত, সেটাকে এখানে সর্বনিম্ন পয়েন্ট হিসাবে বিবেচনায় নেওয়া হবে। গুচ্ছের বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষাকেও শিডিউলের মধ্যে বিবেচনায় আনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের মাধ্যমে বলা হবে মেডিকেল ও পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় যাতে আগে পরীক্ষা নিয়ে ফলাফল প্রকাশ করে দেয়। আমরা সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করতে চাই। আর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় যেন গুচ্ছ পদ্ধতির পরীক্ষার পরে নেয়, আমরা সেটা চাইব। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আলাদা আলাদা পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেয় বলে এইচএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে ঘুরে পরীক্ষা দিতে হয়। বর্তমানে ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। তবে ৩৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০ হাজার আসনে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

একই বিষয়ে ভর্তি হওয়ার পরীক্ষা দিতে শিক্ষার্থীদের ভিন্ন ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি নিতে হয়। আবার এক দিনে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার তারিখ পড়লে শিক্ষার্থীকে যে কোনো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেছে নিতে হয়। শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ ও অভিভাবকদের ব্যয় লাঘবের লক্ষ্যে গত কয়েক বছর ধরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি একটি পরীক্ষার মাধ্যমে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির চেষ্টা চালিয়ে এলেও সফল হচ্ছিল না। এবার বেশ আঁটঘাট বেঁধেই নেমেছিল ইউজিসি, কিন্তু তাতেও জট বাঁধে। শেষে গুচ্ছ পদ্ধতিতে আপাত সমাধান খুঁজল ইউজিসি।

প্রাথমিকে বৃত্তি পেল সাড়ে ৮২ হাজার শিক্ষার্থী
                                  

 সমাপনী পরীক্ষার বৃত্তির ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোট ৮২ হাজার ৪২২ জন বৃত্তি পেয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বৃত্তির ফল প্রকাশ করেন। এছাড়াও এদিন ইবতেদায়ির শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার বৃত্তির ফলও প্রকাশ করা হয়েছে। ২০১৯ সালের পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনীর ফলাফলের ভিত্তিতে এ বৃত্তির ফল তৈরি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, এ বছর পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলের ওপর ভিত্তি করে ৮২ হাজার ৪২২ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে মেধা কোটায় (ট্যালেন্টপুল) বৃত্তি পেয়েছে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী। সাধারণ কোটায় বৃত্তি পেয়েছে সাড়ে ৪৯ হাজার।

মেধা কোটায় বৃত্তিপ্রাপ্তরা ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতি মাসে ৩০০ টাকা এবং আর সাধারণ কোটায় ২২৫ টাকা করে বৃত্তির অর্থ পাবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যার অনুপাতে উপজেলা/থানার কোটা নির্ধারণ করে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি বণ্টন করা হয়। সাধারণ বৃত্তি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ওয়ার্ডভিত্তিক বিতরণ করা হয়। এবার মোট ৮ হাজার ২৪টি ইউনিয়ন/পৌরসভার ওয়ার্ডে প্রতিটিতে ৬টি (৩ জন ছাত্র ও ৩ জন ছাত্রী) হিসাবে মোট ৪৮ হাজার ১৪৪টি এবং অবশিষ্ট ১ হাজার ৩৫৬টি বৃত্তি থেকে প্রতিটি উপজেলা/থানা থেকে আরও ২টি (একজন ছাত্র ও একজন ছাত্রী) করে ৫১১টি উপজেলা/থানায় ১ হাজার ২২টি সাধারণ এবং আরো অবশিষ্ট ৩৩৪টি বৃত্তি থেকে প্রতিটি জেলা থেকে আরও ৪টি (২ জন ছাত্র ও ২ জন ছাত্রী) করে ৬৪টি জেলায় ২৫৬টি সাধারণ বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও পুনঃনিরীক্ষায় ফল পরিবর্তন হওয়ায় ৭৮টি বৃত্তি রিজার্ভ রাখা হয়েছে।

জাকির হোসেন বলেন, বৃত্তির ফল ডিপিই’র ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে এবং স্থানীয়ভাবে বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয়/জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় এবং উপজেলা পর্যায়ে পাওয়া যাবে। উল্লেখ্য, ১৭ নভেম্বর শুরু হয় পিইসি ও ইইসি পরীক্ষা। এতে ২৯ লাখ ৩ হাজার ৬৩৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে প্রাথমিক সমাপনীতে ২৫ লাখ ৫৩ হাজার ২৬৭ জন ও ইবতেদায়ি সমাপনীতে ৩ লাখ ৫০ হাজার ৩৭১ জন ছাত্র-ছাত্রী ছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষককে অব্যাহতি
                                  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচজন শিক্ষককে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট। গতকাল মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও কাজে যোগদান না করায় চার শিক্ষককে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আর এক শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয় তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের এক সদস্য।

চাকরি থেকে অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকরা হলেন-পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কামরুল ইসলাম, পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ইয়াসমিন আকতার ও মো. মহসীন, পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাদিয়া তাইসির ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো.আজমেরী ফেরদৌস।

বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের ওই সদস্য জানান, শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও কাজে যোগদান না করায় কামরুল ইসলাম, ইয়াসমিন আকতার, মো. মহসীন ও রাদিয়া তাইসিরকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। মো. আজমেরী ফেরদৌসকে তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘এসব শিক্ষক বিদেশে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। আমরা তাদের বারবার ফিরে আসতে অনুরোধ করেছি। কিন্তু তারা ফিরে আসেনি। তাই আমরা এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি।’

কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় যাচ্ছে না ঢাবি ও রাবি
                                  

কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি)। গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় দুটির অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এদিন বিকেল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয় বলে সভাসূত্র নিশ্চিত করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সিনিয়র অধ্যাপক বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আগের মতোই স্বতন্ত্রভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেবে।

কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে না। অন্যদিকে গতকাল সোমবার বিকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কাউন্সিলের সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা এ তথ্য নিশ্চিত করেন। অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা বলেন, সমন্বিত বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বিষয়ে কাউন্সিলের সদস্যরা রাজি হননি। ফলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তার চলমান নিজস্ব নিয়মে শিক্ষার্থী ভর্তি করবে। একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় উপস্থিত একাধিক সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সভায় সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার সব দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাতন্ত্র্যবোধ অক্ষুণ্ন রাখার বিষয়টি প্রাধান্য পায়। এ ছাড়া সভায় ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা, স্বচ্ছতা ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঝুঁকিসহ সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার সামগ্রিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় উপস্থিত সদস্যদের কণ্ঠভোটে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার অংশগ্রহণ না করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এরআগে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ১২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে ইউজিসির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যরা অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটে আলোচনা করে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান। তবে ইতোমধ্যে ঢাবি, বুয়েট ও চবি সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা অংশ নেবে না বলে জানিয়েছে।

দেশের ৭ হাজার ১৮টি প্রাইমারি স্কুল চলছে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই
                                  

দেশের ৭ হাজার ১৮টি প্রাইমারি স্কুল চলছে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই। তাই এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠদানে বিঘ্ন ঘটছে। প্রশাসনিক জটিলতায় শিক্ষকদের মধ্যেও বাড়ছে দ্বন্দ্ব। একাধিক শিক্ষক জানিয়েছেন, দাপ্তরিক কাজে তাদের মাসে অন্তত ১০ কর্মদিবসে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যেতে হয়। যেসব স্কুলে চার জন শিক্ষক, সেখানে বাকি তিন শিক্ষককে দিয়ে চলছে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির ক্লাসসহ পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ছয়টি শ্রেণির ক্লাস।

দেশে বর্তমানে প্রাথমিকের ২১ হাজার ৮১৪টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য। এছাড়া ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও হালনাগাদ করা, ভোট গ্রহণ, শিশু জরিপ, কৃষিশুমারি, আদমশুমারি, উপবৃত্তি তালিকা প্রণয়ন ও প্রাপ্তিতে সহযোগিতাসহ ১৩ ধরনের কাজ করতে হয় শিক্ষকদের। এর মধ্যে যদি প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকে, তাহলে তো ভোগান্তির সীমাই থাকে না।

রফিকুল ইসলাম নামে এক শিক্ষক বলেন, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলেও মন্ত্রণালয়ের তেমন উদ্যোগ নেই। যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হলে এত বেশি শূন্য পদ থাকত না।

তথ্য অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক মিলে সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রায় ২৮ হাজার ৮৩২টি শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। অবশ্য সহকারী শিক্ষকদের শূন্যপদ পূরণে ইতিমধ্যে চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থীদের যোগদানের জন্য পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৪টি জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের ৭ হাজার ১৮টি শূন্য পদের মধ্যে পদোন্নতিযোগ্য শূন্যপদ ৪ হাজার ১৬৬টি এবং সরাসরি নিয়োগের যোগ্য শূন্যপদ ২ হাজার ৮৫২টি। নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী প্রধান শিক্ষকদের ৩৫ শতাংশ পূরণ করা হয় সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে। আর বাকি ৬৫ শতাংশ পূরণ করা হয় পদোন্নতির মাধ্যমে। প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদে নিয়োগের পদক্ষেপের বিষয়ে সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন সংসদে জানিয়েছেন, সরাসরি নিয়োগযোগ্য ৩৫ শতাংশ পদে নিয়োগের জন্য পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে (পিএসসি) চিঠি পাঠানো হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী এ নিয়োগ প্রক্রিয়া এগোচ্ছে ধীরগতিতে।

অন্যদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৩, অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০১৩ ও ননক্যাডার কর্মকর্তা-কর্মচারী জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি বিধিমালা, ২০১১ অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি প্রদান করা হয়।

একজন থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জানান, শিক্ষকদের মধ্য থেকে অস্থায়ীভাবে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিলে অন্য শিক্ষকেরা তাকে মানতে চান না। তাদের বক্তব্য, প্রধান শিক্ষক হিসেবে যাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তিনি সহকারী শিক্ষক, আমিও সহকারী শিক্ষক। তার নেতৃত্ব কেন মানব?

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পদোন্নতি নিয়ে উচ্চ আদালতে একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেডেশন তালিকা সঠিক না হওয়ায় পদোন্নতি প্রত্যাশী সহকারী শিক্ষকেরা এসব মামলা করেছেন। এ কারণে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি আপাতত বন্ধ রয়েছে। সিনিয়রিটির ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

সূত্র অনুযায়ী, দেশের প্রাইমারি স্কুলে বিভিন্ন পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েও যোগদানের তারিখ ভিন্ন হওয়ার কারণে অনেকে গ্রেডেশন তালিকার নিচে থাকছেন। এ কারণে তারা পদোন্নতি পাচ্ছেন না। এ কারণে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন শিক্ষকেরা।

তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন সম্প্রতি সাংবাদিকদের বলেছেন, প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে পিএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাদের লিখিতভাবে জানিয়ে দিয়েছি। আগে প্রধান শিক্ষক পদোন্নতির ভিত্তিতে এবং পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হতো। এখন শতভাগ পদোন্নতির ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। সচিব বলেন, অনেকে সহকারী শিক্ষক পদটাকে ‘ব্লক পোস্ট’ মনে করে থাকেন। তাই অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থী এ পেশায় আসতে চান না। তাদের উত্সাহ দিতে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

পরীক্ষার রুটিন পরিবর্তনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
                                  

 অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষার রুটিন পরিবর্তনের দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। গতকাল রোববার দুপুরে সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পালন করেন। শিক্ষার্থীরা কলেজের জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ করেন। এতে সড়কটির দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে কলেজ প্রশাসন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি সমাধান করার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেন।


শিক্ষার্থীরা জানান, অনার্স চতুর্থ বর্ষের ২০১৫-১৬ পরীক্ষা ২৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের দিনেও পরীক্ষা রাখা হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় যে রুটিন প্রণয়ন করেছে তাতে আমাদের পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। এ ছাড়া মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানের মধ্যে আমরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে চাই না। আলমাস হোসেন নামে এক ছাত্র বলেন, চতুর্থ বর্ষের অনেকের ২৬ ফেব্রুয়ারি আবার তৃতীয় বর্ষের ইমপ্রুভ পরীক্ষা রয়েছে। রুটিন অনুযায়ী ২৭ ফেব্রুয়ারি আবার চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা। এরকম রুটিনে আমাদের পরীক্ষা দেওয়া অসম্ভব। এ বিষয়ে বিএম কলেজ শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আলামিন সরোয়ার জানান, শিক্ষার্থীদের যে অভিযোগ সেটা আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয়েছে। বিষয়টি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক পরিচালক ও ঢাকাতে জানানো হয়েছে। আশা করছি সুষ্ঠু সমাধান হবে।

প্রাথমিকে ৭৫টি সহকারী শিক্ষকের পদ সংরক্ষণের নির্দেশ হাইকোর্টের
                                  

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ২০১৯ সালের নিয়োগ পরীক্ষার প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে ৬০ শতাংশ নারী কোটা পূরণ করে রিটকারী নারীদের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ না দেয়া কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে, ৬০ শতাংশ কোটা পূরণে রিটকারী প্রার্থীদের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের নির্দেশনা কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়েছেন আদালত।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক সহ সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে রিটকারীদের জন্য ৭৫টি সহকারী শিক্ষক পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গতকাল বুধবার ভোলা সহ ১৯ জেলায় ৭৫ জন প্রার্থীর দায়ের করা এ-সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি এ এফ এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম রাহুল ও সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অপর দিকে রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

রিটের পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৩ এর ৭ বিধিতে বলা হয়েছে, সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদগুলোর ৬০ শতাংশ নারী প্রার্থীদের দ্বারা পূরণ করতে হবে কিন্তু চূড়ান্ত ফলাফলে ৬১ জেলায় ১৮ হাজার ১৪৭ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়। ফলাফলে নারী প্রার্থীদের তুলনায় পুরুষ প্রার্থীদের বেশি নির্বাচিত করা হয়। যা বিধি লঙ্ঘন করে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ৬০ শতাংশ নারী প্রার্থী হিসেবে লিখিত পরীক্ষায় নির্বাচিত হওয়ার হকদার। যার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯ জেলার ৭৫ জন প্রার্থী ৬০ শতাংশ নারী কোটায় নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে ওই রিট দায়ের করেন। রিটকারী নারী প্রার্থীরা হলেন- কলি তালুকদার, সুজি তালুকদার, জাকিয়া আকতার, ফারজানা, শাফলা রানী ঘোষ, তুবা রান, মানসুরা, মিনাক্ষি রানি দাস, আবেদা সুলতানা, খেয়া মনি তালুকদার, শেলী সরকার, লাকি সরকার সহ ১৯ জেলার সর্ব মোট ৭৫ জন।
প্রাথমিকে ৭৫টি সহকারী শিক্ষকের পদ সংরক্ষণের নির্দেশ হাইকোর্টের
এফএনএস: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ২০১৯ সালের নিয়োগ পরীক্ষার প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে ৬০ শতাংশ নারী কোটা পূরণ করে রিটকারী নারীদের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ না দেয়া কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে, ৬০ শতাংশ কোটা পূরণে রিটকারী প্রার্থীদের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের নির্দেশনা কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়েছেন আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক সহ সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

একই সঙ্গে রিটকারীদের জন্য ৭৫টি সহকারী শিক্ষক পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গতকাল বুধবার ভোলা সহ ১৯ জেলায় ৭৫ জন প্রার্থীর দায়ের করা এ-সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি এ এফ এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম রাহুল ও সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অপর দিকে রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। রিটের পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৩ এর ৭ বিধিতে বলা হয়েছে, সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদগুলোর ৬০ শতাংশ নারী প্রার্থীদের দ্বারা পূরণ করতে হবে কিন্তু চূড়ান্ত ফলাফলে ৬১ জেলায় ১৮ হাজার ১৪৭ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়। ফলাফলে নারী প্রার্থীদের তুলনায় পুরুষ প্রার্থীদের বেশি নির্বাচিত করা হয়।

যা বিধি লঙ্ঘন করে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ৬০ শতাংশ নারী প্রার্থী হিসেবে লিখিত পরীক্ষায় নির্বাচিত হওয়ার হকদার। যার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯ জেলার ৭৫ জন প্রার্থী ৬০ শতাংশ নারী কোটায় নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে ওই রিট দায়ের করেন। রিটকারী নারী প্রার্থীরা হলেন- কলি তালুকদার, সুজি তালুকদার, জাকিয়া আকতার, ফারজানা, শাফলা রানী ঘোষ, তুবা রান, মানসুরা, মিনাক্ষি রানি দাস, আবেদা সুলতানা, খেয়া মনি তালুকদার, শেলী সরকার, লাকি সরকার সহ ১৯ জেলার সর্ব মোট ৭৫ জন।

৪১তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী এপ্রিল
                                  

৪১তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিত হবে। প্রায় সাড়ে ৪ লাখের মতো পরীক্ষার্থী এই প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য মুখিয়ে আছেন। ৪১তম প্রিলিমিনারি পরীক্ষা শুরুর আগেই ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পরিকল্পনা করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এদিকে ৩৯ ও ৩৭তম বিসিএস থেকে ৭৩১ জন নন-ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করেছে কমিশন। এর মধ্যে ৩৯তম বিশেষ বিসিএস (চিকিত্সক) থেকে ৫৬৪ জন এবং ৩৭তম সাধারণ বিসিএস থেকে ১৬৭ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। উভয় ফলাফল কমিশনের www.bpsc.gov.bd ওয়েবসাইট এবং টেলিটকের http://bpsc.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক ইত্তেফাককে বলেন, ৩৯ ও ৩৭তম বিসিএস থেকে নন-ক্যাডার নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। যতদ্রুত সম্ভব ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের চেষ্টা চলছে। মার্চের প্রথমদিকে ৪০তম বিসিএসের ঐচ্ছিক লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। এছাড়া এপ্রিলে ৪১তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা গ্রহণের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, স্বচ্ছতা, সততা এবং দ্রুততার সঙ্গে পিএসসির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সর্বোচ্চ মেধাবীদের নিয়োগ দিতে সক্ষম হচ্ছি। পরীক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে প্রতি বছর একটি করে বিসিএস শেষ করা হচ্ছে।

বিভিন্ন ক্যাডারে ২ হাজার ১৬৬ শূন্যপদে প্রার্থী নিয়োগ দিতে গত বছরের ২৭ নভেম্বর ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কমিশন। ৫ ডিসেম্বর থেকে এই বিসিএসের জন্য আবেদন শুরু হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ পরীক্ষার্থী প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন।

এদিকে মার্চের প্রথমদিকে ৪০তম বিসিএসের ঐচ্ছিক বিষয়ে লিখিত পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এরই মধ্যে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ৪০তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এই বিসিএসে ৪ লাখ ১২ হাজার ৫৩২ জন প্রার্থী আবেদন করেন। গত ২৫ জুলাই প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে মোট ২০ হাজার ২২৭ জন পাস করেন। এই বিসিএসে মোট ১ হাজার ৯০৩ জন ক্যাডার নিয়োগ দেওয়ার কথা রয়েছে।


   Page 1 of 64
     শিক্ষা-সাহিত্য
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত, প্রকাশ হবে নতুন রুটিন
.............................................................................................
শিক্ষার্থীদের বাইরে ঘোরাফেরা না করতে আবারও নির্দেশনা
.............................................................................................
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ
.............................................................................................
করোনা উদ্বেগে ঢাবির দুই বিভাগ ও বুয়েটে ক্লাস বর্জন
.............................................................................................
বিশেষজ্ঞদের মতামতের প্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবেু: দীপু মনি
.............................................................................................
মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে আগামী বছর থেকে
.............................................................................................
মাধ্যমিকের পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে তথ্য-প্রযুক্তি সংক্রান্ত বিষয়: শিক্ষা উপমন্ত্রী
.............................................................................................
রাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ
.............................................................................................
সমন্বিত হচ্ছে না, গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিকল্পনা ইউজিসির
.............................................................................................
প্রাথমিকে বৃত্তি পেল সাড়ে ৮২ হাজার শিক্ষার্থী
.............................................................................................
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষককে অব্যাহতি
.............................................................................................
কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় যাচ্ছে না ঢাবি ও রাবি
.............................................................................................
দেশের ৭ হাজার ১৮টি প্রাইমারি স্কুল চলছে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই
.............................................................................................
পরীক্ষার রুটিন পরিবর্তনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
.............................................................................................
প্রাথমিকে ৭৫টি সহকারী শিক্ষকের পদ সংরক্ষণের নির্দেশ হাইকোর্টের
.............................................................................................
৪১তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী এপ্রিল
.............................................................................................
৩৭ ও ৩৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি নন-ক্যাডার ফল প্রকাশ আজ
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে নভেম্বরে কেন্দ্রীয় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত
.............................................................................................
গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগের আন্দোলন অব্যাহত
.............................................................................................
প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের বেতন বাড়ল
.............................................................................................
ছোট বোনের পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে গিয়ে বড় বোন কারাগারে
.............................................................................................
এসএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত সাড়ে ৫ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৫
.............................................................................................
সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে আজ
.............................................................................................
পরীক্ষা নিয়ে গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থার হুশিয়ারি দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য মানবসম্পদ তৈরি করা: শিক্ষা সচিব
.............................................................................................
ইবি ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০, সম্পাদক আটক
.............................................................................................
এসএসসি পরীক্ষার সংশোধিত সূচি প্রকাশ
.............................................................................................
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ: কোটার ব্যাখ্যা দিল অধিদফতর
.............................................................................................
ভোট পেছানোর দাবিতে অনশনে অসুস্থ ঢাবির ৯ শিক্ষার্থী, ভিসির সংহতি
.............................................................................................
চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ১০টি দোতলা বাস উপহার
.............................................................................................
ধর্ষককে নিয়ে জনমনে সন্দেহ ও উদ্বেগ রয়েছে: নুর
.............................................................................................
ঢাবির ছাত্রী হলে শিক্ষিকাকে চুল ধরে টেনে ফেলে ‘মারধর’
.............................................................................................
ভিপির নুরের ওপর হামলার প্রতিবেদন, জমার জন্য আরও ১০ কার্যদিবস সময় চায় কমিটি
.............................................................................................
ঢাবি প্রশাসনকে ৭ দিনের আল্টিমেটাম সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য ফোরামের
.............................................................................................
প্রাথমিক ও ইবতেদায়িতে পাসের হার ৯৫.৫০ শতাংশ
.............................................................................................
আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী এ বছর পাসের হার শতকরা ৮৭.৯০ ভাগ
.............................................................................................
জেএসসি- জেডিসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার
.............................................................................................
ভিপি নুরসহ আহতদের শারীরিক অবস্থার তথ্য ‘লুকোচুরি’র অভিযোগ
.............................................................................................
এসএসসি-এইচএসসিতে দুই বিষয়ে পরীক্ষা কমছে
.............................................................................................
রাজশাহীতে নতুন বই পাবে ৫ লাখ শিক্ষার্থী
.............................................................................................
ঢাবিতে সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য নামের নতুন প্লাটফর্ম তৈরি
.............................................................................................
প্রাথমিকের শিশুদের বহিষ্কারের নিয়ম বাতিল
.............................................................................................
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ দাবিতে আমরণ অনশনের সঙ্গে বিক্ষোভের ডাক
.............................................................................................
পিইসি-জেএসসির ফল প্রকাশ ৩১ ডিসেম্বর
.............................................................................................
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, জানবেন যেভাবে
.............................................................................................
হামলায় ছাত্রলীগ থাকলেও পুলিশের মামলায় থাকেনা: কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ
.............................................................................................
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতি মেলা
.............................................................................................
বেরোবিতে ভর্তি জালিয়াতি: প্রতিকার চেয়ে ইউজিসির কাছে আবেদন
.............................................................................................
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় (পিইসি) বহিষ্কার করা শিক্ষার্থীর পরীক্ষা ২৮ ডিসেম্বর
.............................................................................................
জবিতে বহিষ্কৃত ছাত্রদের দৌরাত্ম, নিরব প্রশাসন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD