| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   শিক্ষা-সাহিত্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
জাবির গণরুমে র‌্যাগিংয়ের শিকার এক ছাত্রের করুণ কাহিনী

র‌্যাগিং নামক সামাজিক ব্যাধি থেকে এখনও বেরিয়ে আসতে পারেনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের একমাত্র আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য হলে একটি নির্দিষ্ট রুম (সিট) বরাদ্দ থাকার কথা রয়েছে। হলগুলোতে সিট প্রদানের দায়িত্ব প্রশাসনের কাছে থাকার কথা থাকলেও দায়িত্বটা অঘোষিতভাবে রয়ে গেছে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের কাছে।

ফলে সিট সংকটের অজুহাতে নবীন শিক্ষার্থীদের প্রথম ৮ থেকে ১২ মাস রাখা হয় গণরুমে। দেড় থেকে দুইশত শিক্ষার্থী গাদাগাদি করে থাকে ছোট রুমে। এখানে নবীন শিক্ষার্থীদের শিষ্টাচার শিক্ষা দেয়ার নামে চলছে র‌্যাগিং নামক মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন। মানববেতর জীবনযাপন করেও সিনিয়রদের অমানবিক নির্যাতন আর টর্চারের কথা ভয়ে স্বীকার করতে চায়ই না কেউ। ফলে প্রশাসনও ব্যবস্থা নিতে ‘পারে না’ অপরাধীদের বিরুদ্ধে।

তবে এবার সকল প্রতিবন্ধকতার বেড়াজাল ছিড়ে, ভয়ভীতির উর্ধ্বে উঠে গণরুমে ভয়ঙ্কর নির্যাতনের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন জাবির এক শিক্ষার্থী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলে ধরেছেন র‌্যাগিংয়ের নামে নামে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার বিষয়টি। পাশাপাশি অত্যাচারের শিকার হয়েও শিক্ষার্থীরা কেন মুখ খোলেনা সেটাও উল্লেখ করেন তিনি।

জাবিতে ‘ওপেন সিক্রেট’ র‌্যাগিংয়ের নামে নির্যাতনের কথা সাহস করে প্রকাশ্যে আনা শিক্ষার্থীর নাম মোঃ রাজন মিয়া। তিনি সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের ও মীর মশাররফ হোসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জাবির সর্ববৃহৎ গ্রুপ ‘আমরাই জাহাঙ্গীরনগর’। আর এই ফেসবুক গ্রুপেই র‌্যাগিংয়ের নামে নির্যাতনের কথা তুলে ধরেছেন তিনি।

ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট করা মোঃ রাজন মিয়ার লেখাটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘কিছুদিন হলো আমাদের ক্যাম্পাসে অনেক সত্যবাদী মানুষের কথা শুনতে পাচ্ছি। যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাটিতে পা রাখি তখন অনেক ইচ্ছা হয়েছিলো জীবনে কিছু একটা করতে হবে। কিন্তু গণরুম আমার জীবনের অনেক ইচ্ছা নিয়ে গেছে। রাত অনেক হয়েছিলো ৪৫ব্যাচের ভাইয়েরা (সংঘববদ্ধ র‌্যাগার গ্রুপ) আমাদের ফাপর দিচ্ছিলো। তখন তারা কি একটা বলেছিলো আমাকে; আমি বুঝতে পারিনি। 
তারপর আমার সাথে যা হলো তা জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ভুলতে পারবো না।
দুইজন ভাই একে একে ১০ থেকে ১২ টা থাপ্পড় দিয়েছিলো আমার কানে। তারপর আমি আর কানে শুনতে পারছিলাম না। একপর্যায়ে ভাইদের আমি বলি- ‘ভাই খুব লাগছে’। ভাইয়েরা তখন বলে- আজকে তোরে মেরে ফেলবো।

এভাবে নির্যাতনের শিকার হওয়ার কিছু সময় পর আমাকে যখন বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে, তখন আবার একজন ভাই আমাকে থাপ্পড় দেই। মেডিকেলে নেয়ার সময় আমাকে ‘পরামর্শ’ দেয়, ডাক্তার যদি কিছু জানতে চায় তাহলে বলবি, ‘এমনিতে ব্যাথা পাইছি’।

এরপর আমাকে ক্যাম্পাসের মেডিকেলে নেয়া হলো। সেখানকার ডাক্তার আমাকে দেখে বললেন- এখানে হবে না, সাভারের এনাম মেডিকেলে নিতে হবে। তখন আমি আরো ভয় পেয়ে গেছিলাম। পরে যখন এনাম মেডিকেলে নেয়া হয় ডাক্তার বলে,‘কানটা ফেটে গেছে ঔষধ দিয়ে দিচ্ছি, যদি ভালো না হয় তাহলে অপারেশন করতে হবে।’

এভাবে কিছুদিন গেলো। কান আর ঠিক হলো না। আবার গেলাম মেডিকেলে, ডাক্তার সেই আগের কথাই বলছে।

এর মধ্যে কিছু বড় ভাই আমাকে ডেকে বলছে, নির্যাতনের এসব কথা সাংবাদিকদেরকে বললে তাদের কিছু হবে না। আর তুই হলেও থাকতে পারবি না। আমার ডিপার্টমেন্টের এক বড় ভাই একদিন শুধু আমার সাথে গেছে ডাক্তার এর কাছে, তার পকেটের ৮০০ টাকাও খরচ হয়েছে মনে হয়। এর মধ্যে বাড়িতে গেলাম। বাড়ি গিয়ে কানে তুলা দিয়ে ঘুরি। মা-বাবা, বন্ধুরা সবাই জানতে চাই কি হয়ছে? আমি বলি- একবার পড়ে গেছিলাম, ঠিক হয়ে যাবে। তারপর কাউকে কিছু না বলে আমাদের কিশোরগঞ্জে ডাক্তার দেখালাম। ওই ডাক্তারও এনাম মেডিকেলের ডাক্তার যা বলছে তাই-ই বললো।

আবার ক্যাম্পাসে আসলাম। আসার পরে ক্লাসে যাই কানে তুলা দিয়ে। এটা যে নিজের কাছে কি কষ্টের তা বলে বোঝানো যাবে না। তারপর ডিপার্টমেন্টের শিক্ষাসফর শুরু হলো, ঐ জায়গায় গিয়েও কানে তুলা দিয়ে ঘুরতে হয়ছে আমাকে। সত্যি খুব কষ্ট হয় আমার কানটা নিয়ে, এখনো ঠিক হয় নাই আমার কানটা। কানের ভিতরে কেমন জানি একটা শব্দ হয় যার জন্য ঘুমালেও শান্তিতে ঘুমাতে পারি না। এই কানের পিছনে যে টাকার মেডিসিন গেছে আমার- তা কেবল আল্লাহ-ই জানে। কোথায় ঐ সব সিনিয়র, যারা আমার কানটা নষ্ট করে দিছে! তারা তো এখন কেউ আমার পাশে থাকে নি! আমিও একটা ছাত্র, আমার বাবার কাছ থেকেও মাস শেষে টাকা চেয়ে আনতে হয়।

কিছু বলবো না জাহাঙ্গীরনগর’কে, শুধু বলবো ক্যাম্পাসে এসে মনে হয়েছিলো অনেক কিছু পেয়ে গেয়েছি কিন্তু কিছুদিন যাওয়ার পর মনে হয়েছিলো আমি হয়তো মারা যাচ্ছি। একটা কথা বলি সিনিয়র আমিও হয়েছিলাম। কোথায় আমি তো আমার কোনো জুনিয়রের গায়ে হাত দেই নাই। তাতে কি সম্মান করবে না আমাকে তাদের গায়ে হাত দেই নাই বলে? সম্মানটা নিতে হয় যে কোনো মানুষের কাছ থেকে সে ছোট বা বড় হোক।

কথায় আছে- শিক্ষা নাকি পরিবার থেকে নিয়ে আসে, যার পরিবার যেমন তার শিক্ষাটাও তেমন। সমস্যা নাই আমার কানটা যেমন আছে তেমন হয়তো থাকবে না। একদিন ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু ঐ সব সিনিয়রদের সাথে যতোই হাসি মুখে কথা বলি না কেন, তারা কোনো দিন আমার চোখে ভালো মানুষ প্রকাশ পাবে না। একজন মানুষকে কষ্ট দেয়ার আগে নিজের ব্যাপারে ১০০বার ভাবা দরকার।

সবশেষে বলি- অনেকে বলবেন ঐ সময় কেনো এঘটনা প্রকাশ করি নাই। তখন প্রকাশ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কয়েকজন বড় ভাই আর শিক্ষক এর কথা শুনে ভয় পেয়ে গেছিলাম। যার জন্য সাহস করে বলা হয়নি কথাগুলো। সবশেষে মাফ চেয়ে নিচ্ছি আমার কোনো কথায় কষ্ট পেয়ে থাকলে। সব সিনিয়র এক না, কিছু কিছু সিনিয়র আছে যাদের দেখলে কথা বলতে যাই নিজে থেকে। আজ ১০০ডিগ্রীর বেশি জ্বর নিয়ে কথা গুলো লিখে ফেলছি। অনেক দিন ধরে মনে হচ্ছিলো আমি অপরাধী, যদি এই কথা গুলো প্রকাশ না করি। তাহলে ঐসব সিনিয়রদের সম্পর্কে মানুষ জানতে পারবে না। আজকে অনেক ভালো লাগতাছে যে মনের কষ্টগুলো প্রকাশ করতে পারছি।’

এ বিষয়ে ‘আমরাই জাহাঙ্গীরনগর’ গ্রুপে পোস্ট দেয়া পর শতাধিক সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে নির্যাতনকারীদের নাম প্রকাশ করতে বলেন এবং প্রশাসনের কাছে তদন্তসাপেক্ষ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এদিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী রাজন মিয়া দৈনিক নয়াদিগন্তকে জানান, মেডিকেল সার্টিফিকেটগুলো সাথে না থাকায় অভিযোগ করতে পারিনি। আগামী রোববার নির্যাতনের বিবরণ দিয়ে মীর মশাররফ হোসেন হলের ৪৫ব্যাচের দুই শিক্ষার্থীর নামে প্রক্টর বরাবর মেডিকেল সার্টিফিকেটসহ লিখিত অভিযোগ করা হবে। সার্টিফিকেটগুলো তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জে রয়েছে।

এ বিষয়ে জাবি প্রক্টর আসম ফিরোজ-উর হাসান জানান,‘রাজন এখন হলে থাকে না, ক্যাম্পাস সংলগ্ন গেরুয়ায় থাকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ পোস্টটি দেয়ার পরে আমি নিজ থেকে তার খোঁজ নেয়ার চেষ্টা করেছি। সে আমার সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ছাত্র শোনার পরে তার বিষয়টি সে জানানোর আগেই, আমি নিজ থেকে জানার চেষ্টা করেছি। শুনলাম সে এখনও অসুস্থ্য। র‌্যাগিংয়ের ব্যাপারে কোনো ছাড় নয়। অভিযোগপত্র পেলে তদন্তসাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক বিচার করা হবে।’

জাবির গণরুমে র‌্যাগিংয়ের শিকার এক ছাত্রের করুণ কাহিনী
                                  

র‌্যাগিং নামক সামাজিক ব্যাধি থেকে এখনও বেরিয়ে আসতে পারেনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের একমাত্র আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য হলে একটি নির্দিষ্ট রুম (সিট) বরাদ্দ থাকার কথা রয়েছে। হলগুলোতে সিট প্রদানের দায়িত্ব প্রশাসনের কাছে থাকার কথা থাকলেও দায়িত্বটা অঘোষিতভাবে রয়ে গেছে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের কাছে।

ফলে সিট সংকটের অজুহাতে নবীন শিক্ষার্থীদের প্রথম ৮ থেকে ১২ মাস রাখা হয় গণরুমে। দেড় থেকে দুইশত শিক্ষার্থী গাদাগাদি করে থাকে ছোট রুমে। এখানে নবীন শিক্ষার্থীদের শিষ্টাচার শিক্ষা দেয়ার নামে চলছে র‌্যাগিং নামক মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন। মানববেতর জীবনযাপন করেও সিনিয়রদের অমানবিক নির্যাতন আর টর্চারের কথা ভয়ে স্বীকার করতে চায়ই না কেউ। ফলে প্রশাসনও ব্যবস্থা নিতে ‘পারে না’ অপরাধীদের বিরুদ্ধে।

তবে এবার সকল প্রতিবন্ধকতার বেড়াজাল ছিড়ে, ভয়ভীতির উর্ধ্বে উঠে গণরুমে ভয়ঙ্কর নির্যাতনের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন জাবির এক শিক্ষার্থী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলে ধরেছেন র‌্যাগিংয়ের নামে নামে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার বিষয়টি। পাশাপাশি অত্যাচারের শিকার হয়েও শিক্ষার্থীরা কেন মুখ খোলেনা সেটাও উল্লেখ করেন তিনি।

জাবিতে ‘ওপেন সিক্রেট’ র‌্যাগিংয়ের নামে নির্যাতনের কথা সাহস করে প্রকাশ্যে আনা শিক্ষার্থীর নাম মোঃ রাজন মিয়া। তিনি সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের ও মীর মশাররফ হোসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জাবির সর্ববৃহৎ গ্রুপ ‘আমরাই জাহাঙ্গীরনগর’। আর এই ফেসবুক গ্রুপেই র‌্যাগিংয়ের নামে নির্যাতনের কথা তুলে ধরেছেন তিনি।

ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট করা মোঃ রাজন মিয়ার লেখাটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘কিছুদিন হলো আমাদের ক্যাম্পাসে অনেক সত্যবাদী মানুষের কথা শুনতে পাচ্ছি। যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাটিতে পা রাখি তখন অনেক ইচ্ছা হয়েছিলো জীবনে কিছু একটা করতে হবে। কিন্তু গণরুম আমার জীবনের অনেক ইচ্ছা নিয়ে গেছে। রাত অনেক হয়েছিলো ৪৫ব্যাচের ভাইয়েরা (সংঘববদ্ধ র‌্যাগার গ্রুপ) আমাদের ফাপর দিচ্ছিলো। তখন তারা কি একটা বলেছিলো আমাকে; আমি বুঝতে পারিনি। 
তারপর আমার সাথে যা হলো তা জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ভুলতে পারবো না।
দুইজন ভাই একে একে ১০ থেকে ১২ টা থাপ্পড় দিয়েছিলো আমার কানে। তারপর আমি আর কানে শুনতে পারছিলাম না। একপর্যায়ে ভাইদের আমি বলি- ‘ভাই খুব লাগছে’। ভাইয়েরা তখন বলে- আজকে তোরে মেরে ফেলবো।

এভাবে নির্যাতনের শিকার হওয়ার কিছু সময় পর আমাকে যখন বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে, তখন আবার একজন ভাই আমাকে থাপ্পড় দেই। মেডিকেলে নেয়ার সময় আমাকে ‘পরামর্শ’ দেয়, ডাক্তার যদি কিছু জানতে চায় তাহলে বলবি, ‘এমনিতে ব্যাথা পাইছি’।

এরপর আমাকে ক্যাম্পাসের মেডিকেলে নেয়া হলো। সেখানকার ডাক্তার আমাকে দেখে বললেন- এখানে হবে না, সাভারের এনাম মেডিকেলে নিতে হবে। তখন আমি আরো ভয় পেয়ে গেছিলাম। পরে যখন এনাম মেডিকেলে নেয়া হয় ডাক্তার বলে,‘কানটা ফেটে গেছে ঔষধ দিয়ে দিচ্ছি, যদি ভালো না হয় তাহলে অপারেশন করতে হবে।’

এভাবে কিছুদিন গেলো। কান আর ঠিক হলো না। আবার গেলাম মেডিকেলে, ডাক্তার সেই আগের কথাই বলছে।

এর মধ্যে কিছু বড় ভাই আমাকে ডেকে বলছে, নির্যাতনের এসব কথা সাংবাদিকদেরকে বললে তাদের কিছু হবে না। আর তুই হলেও থাকতে পারবি না। আমার ডিপার্টমেন্টের এক বড় ভাই একদিন শুধু আমার সাথে গেছে ডাক্তার এর কাছে, তার পকেটের ৮০০ টাকাও খরচ হয়েছে মনে হয়। এর মধ্যে বাড়িতে গেলাম। বাড়ি গিয়ে কানে তুলা দিয়ে ঘুরি। মা-বাবা, বন্ধুরা সবাই জানতে চাই কি হয়ছে? আমি বলি- একবার পড়ে গেছিলাম, ঠিক হয়ে যাবে। তারপর কাউকে কিছু না বলে আমাদের কিশোরগঞ্জে ডাক্তার দেখালাম। ওই ডাক্তারও এনাম মেডিকেলের ডাক্তার যা বলছে তাই-ই বললো।

আবার ক্যাম্পাসে আসলাম। আসার পরে ক্লাসে যাই কানে তুলা দিয়ে। এটা যে নিজের কাছে কি কষ্টের তা বলে বোঝানো যাবে না। তারপর ডিপার্টমেন্টের শিক্ষাসফর শুরু হলো, ঐ জায়গায় গিয়েও কানে তুলা দিয়ে ঘুরতে হয়ছে আমাকে। সত্যি খুব কষ্ট হয় আমার কানটা নিয়ে, এখনো ঠিক হয় নাই আমার কানটা। কানের ভিতরে কেমন জানি একটা শব্দ হয় যার জন্য ঘুমালেও শান্তিতে ঘুমাতে পারি না। এই কানের পিছনে যে টাকার মেডিসিন গেছে আমার- তা কেবল আল্লাহ-ই জানে। কোথায় ঐ সব সিনিয়র, যারা আমার কানটা নষ্ট করে দিছে! তারা তো এখন কেউ আমার পাশে থাকে নি! আমিও একটা ছাত্র, আমার বাবার কাছ থেকেও মাস শেষে টাকা চেয়ে আনতে হয়।

কিছু বলবো না জাহাঙ্গীরনগর’কে, শুধু বলবো ক্যাম্পাসে এসে মনে হয়েছিলো অনেক কিছু পেয়ে গেয়েছি কিন্তু কিছুদিন যাওয়ার পর মনে হয়েছিলো আমি হয়তো মারা যাচ্ছি। একটা কথা বলি সিনিয়র আমিও হয়েছিলাম। কোথায় আমি তো আমার কোনো জুনিয়রের গায়ে হাত দেই নাই। তাতে কি সম্মান করবে না আমাকে তাদের গায়ে হাত দেই নাই বলে? সম্মানটা নিতে হয় যে কোনো মানুষের কাছ থেকে সে ছোট বা বড় হোক।

কথায় আছে- শিক্ষা নাকি পরিবার থেকে নিয়ে আসে, যার পরিবার যেমন তার শিক্ষাটাও তেমন। সমস্যা নাই আমার কানটা যেমন আছে তেমন হয়তো থাকবে না। একদিন ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু ঐ সব সিনিয়রদের সাথে যতোই হাসি মুখে কথা বলি না কেন, তারা কোনো দিন আমার চোখে ভালো মানুষ প্রকাশ পাবে না। একজন মানুষকে কষ্ট দেয়ার আগে নিজের ব্যাপারে ১০০বার ভাবা দরকার।

সবশেষে বলি- অনেকে বলবেন ঐ সময় কেনো এঘটনা প্রকাশ করি নাই। তখন প্রকাশ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কয়েকজন বড় ভাই আর শিক্ষক এর কথা শুনে ভয় পেয়ে গেছিলাম। যার জন্য সাহস করে বলা হয়নি কথাগুলো। সবশেষে মাফ চেয়ে নিচ্ছি আমার কোনো কথায় কষ্ট পেয়ে থাকলে। সব সিনিয়র এক না, কিছু কিছু সিনিয়র আছে যাদের দেখলে কথা বলতে যাই নিজে থেকে। আজ ১০০ডিগ্রীর বেশি জ্বর নিয়ে কথা গুলো লিখে ফেলছি। অনেক দিন ধরে মনে হচ্ছিলো আমি অপরাধী, যদি এই কথা গুলো প্রকাশ না করি। তাহলে ঐসব সিনিয়রদের সম্পর্কে মানুষ জানতে পারবে না। আজকে অনেক ভালো লাগতাছে যে মনের কষ্টগুলো প্রকাশ করতে পারছি।’

এ বিষয়ে ‘আমরাই জাহাঙ্গীরনগর’ গ্রুপে পোস্ট দেয়া পর শতাধিক সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে নির্যাতনকারীদের নাম প্রকাশ করতে বলেন এবং প্রশাসনের কাছে তদন্তসাপেক্ষ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এদিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী রাজন মিয়া দৈনিক নয়াদিগন্তকে জানান, মেডিকেল সার্টিফিকেটগুলো সাথে না থাকায় অভিযোগ করতে পারিনি। আগামী রোববার নির্যাতনের বিবরণ দিয়ে মীর মশাররফ হোসেন হলের ৪৫ব্যাচের দুই শিক্ষার্থীর নামে প্রক্টর বরাবর মেডিকেল সার্টিফিকেটসহ লিখিত অভিযোগ করা হবে। সার্টিফিকেটগুলো তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জে রয়েছে।

এ বিষয়ে জাবি প্রক্টর আসম ফিরোজ-উর হাসান জানান,‘রাজন এখন হলে থাকে না, ক্যাম্পাস সংলগ্ন গেরুয়ায় থাকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ পোস্টটি দেয়ার পরে আমি নিজ থেকে তার খোঁজ নেয়ার চেষ্টা করেছি। সে আমার সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ছাত্র শোনার পরে তার বিষয়টি সে জানানোর আগেই, আমি নিজ থেকে জানার চেষ্টা করেছি। শুনলাম সে এখনও অসুস্থ্য। র‌্যাগিংয়ের ব্যাপারে কোনো ছাড় নয়। অভিযোগপত্র পেলে তদন্তসাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক বিচার করা হবে।’

ঢাবির ৮ শিক্ষকের শাস্তি দাবির নিন্দা জানাল সাদা দল
                                  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী ৮ জন শিক্ষকের প্রভোস্ট কমিটির সভায় শাস্তি দাবির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের (ঢাবি) বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ঢাবি সাদা দল।

সংগঠনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে ঢাবির ৮ জন সম্মানিত শিক্ষক ব্যাপক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে এ ত্রুটিযুক্ত নির্বাচন বাতিলের দাবি জানিয়ে পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এ জন্য গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ঢাবি প্রভোস্ট কমিটির সভায় তাদের শাস্তি দাবি করায় আমরা বিস্মিত, হতবাক ও ক্ষুব্ধ। আমরা এ ধরণের ন্যাক্কারজনক দাবির তীব্র নিন্দা ও জোরালো প্রতিবাদ জানাচিছ।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটের আগের রাতে ব্যালট পেপারে সিল মারাসহ পর্যবেক্ষক দলের প্রতিবেদনে যেসব অনিয়মের অভিযোগ করা হয়েছে তার প্রত্যেকটি অভিযোগ সত্য। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও গণমাধ্যমেও এসব অনিয়মের কথা উঠে এসেছে। ঢাবি সাদা দলের পক্ষ থেকেও এসব অনিয়মের অভিযোগ এনে নির্বাচনের দিনই এ ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান ও পুনঃনির্বাচনের দাবি জানানো হয়েছিল।

কিন্তু আমরা বিস্ময়ের সাথে দেখলাম যে কর্তৃপক্ষ এ নির্বাচনে অনিয়মের সাথে জড়িতদের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। উল্টো এ নির্বাচনে সংঘটিত অনিয়ম কারচুপির ব্যাপারে যারা কথা বলেছেন, সোচ্চার হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে প্রভোস্ট কমিটি থেকে শাস্তির দাবি করা হচ্ছে। আমরা এ ধরনের হাস্যকর কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকার জন্য প্রভোস্ট কমিটির সদস্যদের আহ্বান জানাচ্ছি।

একইসাথে যারা ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপি করে ঢাবির সুনাম ও ঐতিহ্য নস্যাৎ করেছেন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জন্য কর্তৃপক্ষের কছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

ডাকসুর ফল গণভবনে তৈরি, ঘোষণা সিনেট থেকে: ছাত্রদল
                                  

 ডাকসু নির্বাচনের ফলাফলের কড়া সমালোচনা করে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান বলেছেন, ‘কোনো হলে ডাকসুর ভিপি-জিএস কত ভোট পেল, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তা প্রকাশ করতে পারেনি। কারণ, এই ফলাফল গণভবনে তৈরি করা হয়েছে আর ভিসি ঘোষণা করেছেন সিনেট ভবনে। এই ফলাফল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আর সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের লিখিত প্রেসক্রিপশনের ফলাফল। এই ফলাফলের মধ্যে ইট-পাথরের ডাকসু ভবনে শুকনো কাঠ আর পেরেকের তৈরি চেয়ারে বসে হয়তো ডাকসুকে দখল করা যাবে, কিন্তু শিক্ষার্থীদের মন জয় করা যাবে না।’

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান এ সব কথা বলেন। ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশ করে ছাত্রদল।

এর আগে দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিন থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। মিছিলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের দেড় শতাধিক নেতা-কর্মী অংশ নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি অপরাজেয় বাংলায় গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আল মেহেদী তালুকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সমাবেশে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেন। বক্তব্যে তাঁরা ডাকসু নির্বাচন-প্রক্রিয়াকে ‘বিতর্কিত’ ও ‘সাজানো নাটক’ আখ্যা দিয়ে পুনঃনির্বাচনের দাবি করেন। একই দাবিতে আগামীকাল বুধবার দুপুর ১২টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে মানববন্ধন করবে ছাত্রদল।

পুনঃনির্বাচন ও ভিসির পদত্যাগ দাবিতে সোমবার ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা
                                  

ডাকসু নির্বাচন বাতিল, পুনঃতফসিল ঘোষণা, ভিসির পদত্যাগের দাবিতে সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন ও ভিসি কার্যালয়ের সামনে অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছে প্রগতিশীল ছাত্র ঐক্যজোট।

রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন প্রগতিশীল ছাত্র ঐক্যজোটের ভিপি প্রার্থী লিটন নন্দী।

লিটন বলেন, ১১ মার্চের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় রচিত হয়েছে। এই নির্বাচন আমরা মানি না। ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনকে আমরা বৈধতা দিতে পারি না। এই ডাকসু আমাদের ডাকসু না। আগামীকাল ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন এবং ভিসি কার্যালয়ে অবস্থানের মধ্য দিয়ে আমরা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলব।

সংবাদ সম্মেলনে পাঁচটি প্যানেলের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও ছাত্রজোট ছাড়া অন্য কোন প্যানেলের কেউ সেখানে ছিল না।

তাদের দাবি গুলো হলো-জালিয়াতির ডাকসু নির্বাচন বাতিল; পুনঃতফসিল ঘোষণা এবং ব্যর্থ ভিসির পদত্যাগ, নির্বাচনে কারচুপির সাথে জড়িত শিক্ষকদের পদত্যাগ এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার।

ঢাবির লাল বাসে গণভবনে যাবেন ডাকসু নেতারা
                                  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) লাল বসে করে গণভবনে যাবেন ডাকসুর নবনির্বাচিত নেতারা। শনিবার (১৬ মার্চ) বিকাল ৪টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তারা। ডাকসুর নবনির্বাচিত এজিএস ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন

বলেন, ‘আমরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে গণভবন যাবো।’

হল সংসদের ২৩৪ এবং ডাকসুর কেন্দ্রীয় ২৫ জনসহ ২৫৯ জন আজ গণভবনে যাবেন।

ঢাবির পরিবহন ম্যানেজার কামরুল হাসান বলেন, ‘আটটি বাস এবং পাঁচটি মিনিবাস তৈরি রাখা হয়েছে। আমরা ৫০০ জনের পরিবহনের ব্যবস্থা করে রেখেছি। প্রয়োজন হলে আরও দেওয়া হবে। আমরা ১২টার মধ্যে সব বাস রেডি রেখেছি।’

ভিসির কার্যালয়ের সামনে সব বাস দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে

পুনঃনির্বাচন সম্ভব নয়, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা: ঢাবি ভিসি
                                  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদে পুনর্র্নিবাচনের যে দাবি ৫ টি প্যানেল করছে সেটি সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান।
বুধবার দুপুরে উপাচার্য কার্যালয় থেকে বের হবার সময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকারে এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, রীতি নীতি অনুয়ায়ী সময়মত ডাকসুতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে।
এসময় অধ্যাপক আখতারুজ্জামান আন্দোলনকারীদের সতর্ক করে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বিনষ্ট এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করা হলে তা মেনে নেয়া হবে না। বিশৃঙ্খলাকারীদর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত ১১ মার্চের নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচন সফল করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়ে চারশ` শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর শ্রম-সময় ও মেধার যে খরচ হয়েছে তার প্রতি অসম্মান জানাতে পারি না। তাদের শ্রমকে অসম্মান করার এখতিয়ার আমার নেই।

এর আগে ভিসি আখতারুজ্জামানের সঙ্গে তার কার্যালয়ে দেখা করেন ভিপি নুরুল হক নুরসহ ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেয়া পাঁচটি প্যানেলের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা। তারা পুনর্র্নিবাচনের দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেন।
এর আগে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে প্রোভিসি মুহাম্মদ সামাদ বলেছিলেন, ডাকসু নির্বাচন বাতিল করা সম্ভব নয়।
প্রসঙ্গত, ১১ মার্চের নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, কারচুপি ও জালভোটের অভিযোগ তুলে তা বর্জন করে ছাত্রদল, বামজোট, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদসহ অন্তত ৫টি প্যানেল।তারা পুনঃতফসিল বাতিল চেয়ে আন্দোলন করছে।

পুনঃনির্বাচন সম্ভব নয়, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা: ঢাবি ভিসি
                                  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদে পুনর্র্নিবাচনের যে দাবি ৫ টি প্যানেল করছে সেটি সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান।
বুধবার দুপুরে উপাচার্য কার্যালয় থেকে বের হবার সময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকারে এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, রীতি নীতি অনুয়ায়ী সময়মত ডাকসুতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে।
এসময় অধ্যাপক আখতারুজ্জামান আন্দোলনকারীদের সতর্ক করে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বিনষ্ট এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করা হলে তা মেনে নেয়া হবে না। বিশৃঙ্খলাকারীদর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত ১১ মার্চের নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচন সফল করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়ে চারশ` শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর শ্রম-সময় ও মেধার যে খরচ হয়েছে তার প্রতি অসম্মান জানাতে পারি না। তাদের শ্রমকে অসম্মান করার এখতিয়ার আমার নেই।

এর আগে ভিসি আখতারুজ্জামানের সঙ্গে তার কার্যালয়ে দেখা করেন ভিপি নুরুল হক নুরসহ ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেয়া পাঁচটি প্যানেলের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা। তারা পুনর্র্নিবাচনের দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেন।
এর আগে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে প্রোভিসি মুহাম্মদ সামাদ বলেছিলেন, ডাকসু নির্বাচন বাতিল করা সম্ভব নয়।
প্রসঙ্গত, ১১ মার্চের নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, কারচুপি ও জালভোটের অভিযোগ তুলে তা বর্জন করে ছাত্রদল, বামজোট, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদসহ অন্তত ৫টি প্যানেল।তারা পুনঃতফসিল বাতিল চেয়ে আন্দোলন করছে।

পুনঃতফসিলের দাবিতে টিএসসিতে বাম ছাত্রজোটের অবস্থান
                                  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের ভিপি পদপ্রার্থী লিটন নন্দী বলেছেন, এই নির্বাচন মানি না। পুনঃতফসিলের দাবিতে কর্মসূচি চলবে। মঙ্গলবার (১২ মার্চ) দুপুরে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি)র সামনে অবস্থান নিয়ে তিনি একথা বলেন।
সকাল ৮টা থেকে টিএসসিতে বাম ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা ও সাধারণ ছাত্রদের সমাবেশ করেন। তারা সমাবেশে নির্বাচন বাতিল ও পুনঃতফসিলসহ ভিসি’র পদত্যাগ দাবি করেন।

সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত: নুরুল হক নুরু
                                  

আলোচিত নির্বাচনে চমক দেখিয়ে ভিপি নির্বাচিত হওয়া নুরুল হক নুর জানিয়েছেন নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করা অন্যসব প্যানেলের প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী করনীয় ঠিক করবেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। 


গতকাল নির্বাচনে অনিয়মের প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলায় আহত হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন নুর। এর আগে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলা আন্দোলনেও কয়েক দফা হামলা হয় তার ওপর। গুরুতর আহত হয়ে তিনি হাসপাতালে দীর্ঘ দিন চিকিৎসা নেন। 


আলোচিত নির্বাচনে হল ও কেন্দ্রীয় সংসদের অধিকাংশ পদে ছাত্রলীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হলেও সহ সভাপতি পদে চমক দেখান নুর। ১১হাজার ৬২ ভোট পেয়ে তিনি বিজয়ী হন। তার নিকটতম ছাত্রলীগের শোভন পেয়েছেন ৯ হাজার ১২৯ ভোট।


নির্বাচনে অনিয়মের অধিযোগ তুলে গতকাল দুপুরের পরই ছাত্রলীগ ছাড়া সব প্যানেল নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে। নতুন নির্বাচনের দাবি এবং অনিয়মকারীদের শাস্তির দাবিতে আজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ ও ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন তারা।

ছাত্রলীগ ছাড়া অন্য সব প্যানেলের ভোট বর্জনের ঘোষণা, নতুন তফসিলের দাবি
                                  

 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে নানা অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছে ছাত্রলীগ ছাড়া সবগুলো প্যানেল (৪ টি প্যানেল)। একই সঙ্গে অবিলম্বে নতুন তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন তারা। আজ ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে সব প্যানেলের পক্ষ থেকে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের ভিপি প্রার্থী লিটন নন্দী এই ঘোষণা দেন।

রাবির দুই শিক্ষককে হত্যার হুমকি
                                  

সর্বহারা পরিচয় দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) দুই শিক্ষককে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। হুমকিপ্রাপ্ত ওই দুজন শিক্ষক হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সৈয়দ আমীর আলী হলের প্রাধ্যক্ষ ড. আমিনুল ইসলাম এবং দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মোতাছিম বিল্লাহ।

এ ঘটনায় নগরীর মতিহার থানায় করা ড. আমিনুল ইসলামের জিডির কপি থেকে জানা গেছে, সর্বহারা পরিচয় দিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটে ফোন করে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি। ওই ব্যক্তির ব্যবহৃত মোবাইল নং-০১৭২৫-৬৬৪৯৭২। ওই নাম্বারে ফোন দিলে নম্বরটি ইনভ্যালিড দেখায়।

এর আগে ২০১৫ সালে একইভাবে ড. আমিনুল ইসলামকে হুমকি দেয়া হয় বলে জানান তিনি। সে ঘটনাও সাথে সাথে পুলিশকে জানিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন তিনি।

ড. আমিনুল ইসলাম বলেন, আমাকে ফোন দিয়ে বলা হয় দীর্ঘ দিন থেকে আপনি টার্গেটে আছেন। কিডন্যাপ করে মেরে ফেলা হবে আপনাকে। কিন্তু আপনি নম্রভদ্র মানুষ তাই আর্থিক সমঝোতা করতে চাচ্ছি। কত টাকা দিবেন বলেন? আমি বলেছি কোনো টাকা দিতে পারবো না। আপনি যা ইচ্ছা করে নেন। এঘটনা নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার। যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত তাদেরকে দ্রুত খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

তাছাড়া দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহতাসিম বিল্লাহকেও ওই দিন সন্ধ্যা ৭টা ৬ মিনিটেও ফোন করে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। 
এবিষয়ে জানতে চাইলে মুহতাসিম বিল্লাহ জানান, আমাকে সর্বহারা কর্মীর মহিউদ্দিন পরিচয়ে ফোন দেয়। এরপর টার্গেটে আছি জানিয়ে সমঝোতা করবে বলে অর্থ দাবি করে। আমি বলি ছা-পোষা মানুষ বলে টাকা দেব না জানায়। এরপর দেখে নেয়া হবে এবং প্রাণে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দেয়া হয়। পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হয়নি। প্রক্টরকে জানাবো। নিরাপত্তার বিষয়টি তারা দেখবেন।

 

নগরীর মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহাদত হোসেন জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন শিক্ষককে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে চাদা দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই দুই শিক্ষক থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। ঘটনার তদন্ত চলছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এখন দ্রুতগামী ট্রেন : শিক্ষামন্ত্রী
                                  

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে আগে বলা হতো এটা মালটানা রেলগাড়ির মতো। কিন্তু এখন এটি সম্পর্কে বলা হয় দ্রুতগামী আন্তঃনগর ট্রেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির এই যে অগ্রযাত্রা সেটি অব্যাহত থাকবে বলে আমি প্রত্যাশা করি।

শনিবার (২ মার্চ) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘কলেজ পারফরমেন্স র্যাংকিং ২০১৬ ও ২০১৭’ অ্যাওয়ার্ড ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সারাবিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৮ লাখ। এই বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে আগে অনেক নেতিবাচক তথ্য আমরা জানতাম। কিন্তু বর্তমান উপাচার্যের নেতৃত্বে এই বিশ্ববিদ্যালয় আজকে ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। তবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক বিষয়ে মৌলিক বই রচনা করতে হবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে নোট-গাইডের বেশ প্রাধান্য। সেটি আমাদের রোধ করতে হবে।

দীপু মনি বলেন, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সারাবছর কোনো না কোনো পরীক্ষা থাকে। এতে পাঠদান ব্যাহত হয়। তাই শুধু পরীক্ষা কেন্দ্রের জন্য কেন্দ্র নির্মাণ করা যাতে পারে। যেখানে শুধু পরীক্ষাই হবে। অন্য কোনো কিছু নয়।

তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন যেসব কলেজ আছে সেসব কলেজের শিক্ষার্থীরা যেন বিশ্ববিদ্যালয় মানের শিক্ষা লাভ করতে পারে সেই উদ্যোগ নিতে হবে। প্রয়োজনে প্রত্যেকটি বিভাগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস করা যায় কি না সেটা নিয়েও পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় মানের শিক্ষা লাভ করতে পারবে।

শিক্ষকদের শুধু চাকরির মানসিকতা নিয়ে পাঠদান করলে হবে না জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের দায়িত্ব নিয়ে পাঠদান করতে হবে। শুধু চাকরি হিসেবে কাজ করলে হবে না। বর্তমান সময় তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। শিক্ষার্থীদেরকে তথ্যপ্রযুক্তি সহায়তাও শিক্ষা দান করা যায়।

অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন অর রশীদ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল্য চ্যালেঞ্জ ছিল সেশনজট নির্মূল করা, ক্রাশ প্রোগ্রামের মাধ্যমে সেই সেশনজট দূর করা হয়েছে। বর্তমানে একাডেমি ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা হচ্ছে। সেখানে সারা বছরের ভর্তি, পরীক্ষা, ফল প্রকাশসহ একাডেমিক সকল কার্যক্রমের অগ্রিম দিন-তারিখ ঘোষণা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা-৪ বাস্তবায়নে আমরা কলেজ র্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করেছি। এতে করে দেশের কলেজগুলোর অবস্থান চিহ্নিত করা হচ্ছে। যারা খাপার করছে তারাও নিজেদের অবস্থান দেখতে সেসব কলেজেরও পয়েন্ট উল্লেখ করা হয়েছে। যারা ভালো করছে তাদের অনুসরণ করে তারা নিজেদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে এগিয়ে যেতে পারবে।

বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম ডিজিটালাইজ করা হয়েছে উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কষ্ট করে আর গাজীপুর গিয়ে ভোগান্তি পেতে হচ্ছে না। অনলাইনের মাধ্যমে সকল সুবিধা পাচ্ছেন। আটটি আঞ্চলিক অফিসের মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস শেখাতে আমরা কলেজপর্যায়ে সকল শিক্ষার্থীর জন্য স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় নামে একটি বিষয় বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ৭১৮টি স্নাতক (সম্মান) পাঠদানকারী কলেজের মধ্যে জাতীয়ভিত্তিক স্কোরে ২০১৭ সালের ৫টি সেরা কলেজ, ১টি সেরা মহিলা কলেজ, ১টি সেরা সরকারি কলেজ ও ১টি সেরা বেসরকারি কলেজের নাম ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ। এছাড়া শিক্ষার মানোন্নয়নের প্রতি দৃষ্টি রেখে বিভিন্ন র্যাংকিংয়ে সেরা অঞ্চলভিত্তিক আরও ৬৮টি কলেজের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এসব কলেজকে অ্যাওয়ার্ড, সনদ ও চেক তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

সারাদেশে পাঁচটি সেরা কলেজ হচ্ছে- রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী (৭২.৯৬), সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ, বরিশাল (৬৬.১৫), সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া (৬৬.১১), সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা (৬৫.৯৬) ও কারমাইকেল কলেজ, রংপুর (৬৫.৭৯)। জাতীয় পর্যায়ে সেরা মহিলা কলেজটি হচ্ছে লালমাটিয়া মহিলা কলেজ (৫৯.১০), সেরা সরকারি কলেজ রাজশাহী কলেজ, (৭২.৯৬) ও সেরা বেসরকারি কলেজ হচ্ছে ঢাকা কমার্স কলেজ (৬১.৮৪)।

ঢাকা অঞ্চলে সেরা হচ্ছে ঢাকা কমার্স কলেজ (৬১.৮৪), সরকারি সা’দত কলেজ, টাঙ্গাইল, (৬১.৭৮), তেজগাঁও কলেজ (৫৯.৮৯), সিদ্ধেশ্বরী ডিগ্রি কলেজ, ঢাকা (৫৯.৬৪), লালমাটিয়া মহিলা কলেজ, ঢাকা (৫৯.১০), সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ ঢাকা (৫৯.১০), সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ, ফরিদপুর (৫৮.৫০), সরকারি গুরুদয়াল কলেজ, (৫৮.৩৮), হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ, ঢাকা (৫৭.৯৩) ও আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা (৫৬.৮৩)।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে সেরা সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ, কুমিল্লা, (৬২.৪৬), ফেনী সরকারি কলেজ, ফেনী (৬০.০৩), চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম (৫৯.৯৪), সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম (৫৭.২৭), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ (৫৬.০০), নোয়াখালী সরকারি কলেজ (৫৪.৫৬), হাটহাজারী কলেজ, চট্টগ্রাম (৫৪.৪১), সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসীন কলেজ, চট্টগ্রাম (৫৩.৫২), চট্টগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজ, (৫৩.০১) ও চাঁদপুর সরকারি কলেজ (৫২.৩৪)।

রাজশাহী অঞ্চলে সেরা হচ্ছে রাজশাহী কলেজ, (৭২.৯৬), সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া, (৬৬.১১), সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা (৬৫.৯৬), ভবানীগঞ্জ কলেজ, রাজশাহী (৫৬.৮৪), সৈয়দ আহমদ কলেজ, বগুড়া (৫৩.৭২), হাজী ওয়াহেদ মরিয়ম কলেজ, সিরাজগঞ্জ (৫৩.২৪), সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ (৫২.৯৫), দাওকান্দি কলেজ, রাজশাহী (৫২.৬৩), রাজশাহী কোর্ট কলেজ (৫১.৯০) ও এনএস সরকারি কলেজ, নাটোর (৫০.৭৮)।

খুলনায় সেরা হচ্ছে সরকারি ব্রজলাল (বিএল) কলেজ, খুলনা (৬৩.২১), সরকারি এমএম কলেজ, যশোর (৬১.৫৮), কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজ (৬১.১৫), সীমান্ত আদর্শ কলেজ, সাতক্ষীরা (৫৭.০৭), যশোর ক্যান্টমেন্ট কলেজ (৫৫.৭৭), ঝিকরগাছা মহিলা কলেজ, যশোর (৫৫.৫৫), এমএসজোহা ডিগ্রি কলেজ, আলমডাঙ্গা (৫২.৩১), কুমিরা মহিলা ডিগ্রি কলেজ, সাতক্ষীরা (৫১.৮১) ও খানজাহান আলী আদর্শ কলেজ, খুলনা (৫১.৬২) ও যশোর সরকারি মহিলা কলেজ (৫১.৫৮)।

বরিশাল অঞ্চলে সেরা কলেজ হচ্ছে সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ, বরিশাল, ৬৬.১৫, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল (৫১.২৪), সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ, পিরোজপুর (৪৫.৪৮) ও ভোলা সরকারি কলেজ (৪৪.৮৬)।

সিলেট অঞ্চলে সেরা কলেজ হচ্ছে সিলেটে এমসি কলেজ, সিলেট, (৫৯.৫১), দক্ষিণ সুরমা কলেজ, সিলেট (৫৩.৫১), মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ (৫২.৪৩), বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, হবিগঞ্জ (৫২.১১), সরকারি মহিলা কলেজ, সিলেট (৫০.৩৬), মদনমোহন কলেজ, সিলেট (৪৯.৭৯) ও সরকারি শ্রীমঙ্গল কলেজ, মৌলভীবাজার (৪৮.৫৫)।

রংপুরে কারমাইকেল কলেজ, রংপুর, (৬৫.৭৯), দিনাজপুর সরকারি কলেজ, দিনাজপুর (৬০.২৮), রংপুর সরকারি কলেজ, রংপুর (৫৮.৫২), উত্তরবাংলা কলেজ, লালমনিরহাট (৫৭.০২), হাতিবান্ধা আলিমুদ্দিন কলেজ, লালমনিরহাট, (৫৫.৬০), সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজ, রংপুর (৫৪.৯৩), কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ (৫১.৪৪), লালমনিরহাট সরকারি কলেজ (৫০.৫৬), গাইবান্ধা সরকারি কলেজ, (৫০.২৭), কেবিএম কলেজ, দিনাজপুর (৪৯.১৬)।

ময়মনসিংহে সেরা কলেজ হচ্ছে সরকারি আনন্দমোহন কলেজ (৬৪.৬৮), জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজ (৫৫.০৩), মুমিনুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ (৫২.২১), ইসলামপুর কলেজ, জামালপুর (৫১.৩৫), নেত্রকোনা সরকারি কলেজ (৪৯.১৪), শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ, মুক্তাগাছা, (৪৯.০৭) ও কৃষ্ণপুর হাজী আলী আকবর পাবলিক কলেজ (৪৮.৪৫)।

ইডেনের সাবেক অধ্যক্ষ হত্যায় আরেক গৃহকর্মী গ্রেফতার
                                  

নিজ বাসায় ইডেন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাহফুজা চৌধুরী পারভীন হত্যা মামলায় আরেক গৃহকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত ওই গৃহকর্মীর নাম রেশমা (২৫)। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

রাজধানীর মিরপুর-১৩ নম্বর সেক্টরের নতুনবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

রোববার দুপুরে নিউমার্কেট থানার ওসি আতিকুর রহমান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাতে গৃহকর্মী স্বপ্না ও গৃহকর্মী সরবরাহকারী রুনু ওরফে রাকিবের মাকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রসঙ্গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা কলেজের সামনের বহুতল ভবন ‘সুকন্যা টাওয়ার’ থেকে মাহফুজা চৌধুরী পারভীনের লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর তার বাসার দুই গৃহকর্মী পালিয়ে যায়।

পর দিন মাহফুজা চৌধুরী পারভীন হত্যার ঘটনায় নিউমার্কেট থানায় মামলা করেন তার স্বামী ইসমত কাদের চৌধুরী। মামলার আসামিরা হলো-রূপা ওরফে রেশমা ও স্বপ্না। অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকেও মামলায় আসামি করা হয়।

 
 
হলের বাইরে ভোটকেন্দ্রের দাবিতে ভিসির কার্যালয় ঘেরাও
                                  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র আবাসিক হলের বাইরে একাডেমিক ভবনে করা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে উপাচার্যের কার্যালয় ঘেরাও করেছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্য। 
সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা ৩০মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে মিছিল বের করে কেন্দ্রীয় প্রগতিশীল ছাত্রজোট। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ ও কলাভবন ঘুরে মিছিলটি প্রশাসনিক ভবনে অবস্থিত উপাচার্যের কার্যালয়ে যায়। কার্যালয়ের বাইরে অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করেন জোটের নেতা-কর্মীরা।
সমাবেশে সূচনা বক্তব্যে জোটের সমন্বয়ক ও বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর কেন্দ্রীয় সভাপতি ইকবাল কবীর বলেন, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনের আধিপত্য ও দখলদারি জারি রয়েছে। এ অবস্থায় হলে ভোটকেন্দ্র করা হলে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। নির্বাচনের আলোচনা শুরু হওয়ার পর থেকেই আমরা ও বেশির ভাগ সংগঠন হলের বাইরে একাডেমিক ভবনে ভোটকেন্দ্র করার দাবি জানিয়ে আসছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০ ভাগ শিক্ষার্থী হলের বাইরে ভোট কেন্দ্র চায়। কিন্তু ছাত্রলীগকে সুবিধা দিতে প্রশাসন অগণতান্ত্রিকভাবে সেই দাবি উপেক্ষা করেছ। আমরা মনে করি হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকারের সুরক্ষায় সর্বজনের মতামতকে ধারণ করার জন্য ডাকসুর ভোটকেন্দ্র একাডেমিক ভবনে করা প্রয়োজন।

জাবিতে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ-গোলাগুলি, প্রক্টরসহ আহত ১০
                                  

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহমেদ রাসেল ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান চঞ্চল পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষ অন্তত ৬ রাউন্ড গুলিবিনিময় করেছে। এতে প্রক্টরসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া জুনিয়রদের হাতে রাজিব লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বর্তমানে ক্যাম্পাসে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় এ সংঘর্ষ চলাকালে প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বুকে ইটের আঘাত পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেলে চিকিৎসা নিয়েছেন।

এ ছাড়া অর্থনীতি বিভাগের মোস্তফা, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের সাজ্জাদ ও আইআইটি বিভাগের বাহার আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তারা সবাই বর্তমান শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী।

এর আগে গত বছর ডিসেম্বর মাসে রাজিব বর্তমান সাধারণ সম্পাদক চঞ্চলকে তার হলের সামনে লাঞ্ছিত করেন। এ ঘটনার পর চঞ্চলের অনুসারীরা রাজিবের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এর রেশ ধরেই এ সংঘর্ষ হয় বলে ছাত্রলীগ সূত্র জানিয়েছে।

চঞ্চল যুগান্তরকে বলেন, রাজিব আহমেদ রাসেল তার স্ত্রীকে নিয়ে ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসলে আমি তার সঙ্গে দেখা করি। এ সময় সে আমার সঙ্গে অশোভন আচরণ করলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আমি তাকে ক্যাম্পাস থেকে চলে যেতে বলি। এ সময় আমাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়।’

এদিকে বিষয়টি উভয়পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা ও আ ফ ম কামাল উদ্দিন হলের সামনের রাস্তা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যসহ প্রশাসনিক অন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা উপস্থিত হন। এ বিষয়ে রাজিব আহমেদ রাসেল বলেন, চঞ্চলের অনুসারীরা আমার ওপর অতর্কিতভাবে হামলা করেছে। এ বিষয়টি আমার অনুসারীরা শুনে তারাও পাল্টা তাদের ধাওয়া দেয়।

প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন ‘পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তারা সারা রাত ক্যাম্পাসে থাকবে। আমরা অচিরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো রেড দেয়ার কথা ভাবছি।’

৯ বছর পর আজ মধুর ক্যান্টিন যাচ্ছে ছাত্রদল
                                  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে সামনে রেখে আজ বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যাবেন ছাত্রদলের নেতারা। দীর্ঘ নয় বছর পর মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতি নিয়েছে সংগঠনটি।
ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার এ তথ্য জানান।
এ বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, সুষ্ঠু ও সব শিক্ষার্থীর কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য উপাচার্য আখতারুজ্জামান স্যারকে সাত দফা দিয়েছি।
অন্য ছাত্রসংগঠনগুলোও পরিবেশ ও সহাবস্থান নিশ্চিত করার দাবি তুলেছি। কিন্তু প্রশাসন একটা দাবিও মানেনি। সার্বিক বিষয় নিয়ে বুধবার সকালে আমরা কথা বলবো। মধুর ক্যান্টিনে ১১টার দিকে যাব।

তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচনের উদ্যোগ আমরা স্বাগত জানিয়েছি। সহাবস্থান নিশ্চিত না করে ভোটকেন্দ্র হল থেকে না সরিয়ে প্রশাসন তফসিল ঘোষণা করেছে।
পরিবেশ পরিষদে বেশিরভাগ সংগঠনের দাবিকে অগ্রাহ্য করে একটি ছাত্র সংগঠনকে জেতানোর পায়তারা চলছে। সংবাদ সম্মেলনে আমরা দলের সার্বিক পর্যবেক্ষণ তুলে ধরবো।


   Page 1 of 54
     শিক্ষা-সাহিত্য
জাবির গণরুমে র‌্যাগিংয়ের শিকার এক ছাত্রের করুণ কাহিনী
.............................................................................................
ঢাবির ৮ শিক্ষকের শাস্তি দাবির নিন্দা জানাল সাদা দল
.............................................................................................
ডাকসুর ফল গণভবনে তৈরি, ঘোষণা সিনেট থেকে: ছাত্রদল
.............................................................................................
পুনঃনির্বাচন ও ভিসির পদত্যাগ দাবিতে সোমবার ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা
.............................................................................................
ঢাবির লাল বাসে গণভবনে যাবেন ডাকসু নেতারা
.............................................................................................
পুনঃনির্বাচন সম্ভব নয়, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা: ঢাবি ভিসি
.............................................................................................
পুনঃনির্বাচন সম্ভব নয়, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা: ঢাবি ভিসি
.............................................................................................
পুনঃতফসিলের দাবিতে টিএসসিতে বাম ছাত্রজোটের অবস্থান
.............................................................................................
সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত: নুরুল হক নুরু
.............................................................................................
ছাত্রলীগ ছাড়া অন্য সব প্যানেলের ভোট বর্জনের ঘোষণা, নতুন তফসিলের দাবি
.............................................................................................
রাবির দুই শিক্ষককে হত্যার হুমকি
.............................................................................................
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এখন দ্রুতগামী ট্রেন : শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
ইডেনের সাবেক অধ্যক্ষ হত্যায় আরেক গৃহকর্মী গ্রেফতার
.............................................................................................
হলের বাইরে ভোটকেন্দ্রের দাবিতে ভিসির কার্যালয় ঘেরাও
.............................................................................................
জাবিতে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ-গোলাগুলি, প্রক্টরসহ আহত ১০
.............................................................................................
৯ বছর পর আজ মধুর ক্যান্টিন যাচ্ছে ছাত্রদল
.............................................................................................
রচাণক্য বাড়ৈর উপন্যাস `কাচের মেয়ে` মেলায়
.............................................................................................
ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা সোমবার
.............................................................................................
স্মারকলিপি দিতে গিয়ে ছাত্রলীগের হামলার শিকার কোটা আন্দোলনের নেতা
.............................................................................................
প্রশ্নফাঁসের সব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
প্রশ্নফাঁসের সব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের সম্ভাব্য প্রার্থীকে পেটালো ছাত্রলীগ
.............................................................................................
বেতন বাড়ছে সাড়ে তিন লাখ শিক্ষকের
.............................................................................................
প্রযুক্তিতে সমাধান হবে ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজের ভোগান্তির
.............................................................................................
ডাকসু নির্বাচন ১১ মার্চ
.............................................................................................
এসএসসির সময় বন্ধ থাকবে কোচিং সেন্টার: শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরু ১৫ মার্চ
.............................................................................................
পিইসি-জেএসসির ফল প্রকাশ দুপুরে
.............................................................................................
মুচলেকায় জামিন ভিকারুননিসার শিক্ষিকা হাসনা হেনার
.............................................................................................
ভিকারুননিসার ৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে র‌্যাব ও পুলিশকে চিঠি
.............................................................................................
ভিকারুননিসার ৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলা ডিবিতে
.............................................................................................
ভিকারুননিসার অধ্যক্ষসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা
.............................................................................................
ভিকারুননিসায় তোপের মুখে শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
লিটন-মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে বড় সংগ্রহের পথে বাংলাদেশ
.............................................................................................
এবার ‘রাষ্ট্র পুনর্গঠনে’ ইশতেহার দেবে কোটা আন্দোলনকারীরা
.............................................................................................
এবার ‘রাষ্ট্র পুনর্গঠনে’ ইশতেহার দেবে কোটা আন্দোলনকারীরা
.............................................................................................
ভিকারুননিসার মূল শাখায় ৩৩০ শিশু মনোনীত
.............................................................................................
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু
.............................................................................................
প্রাথমিক-ইবতেদায়ী সমাপনীতে বসছে ৩১ লাখ শিক্ষার্থী
.............................................................................................
শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বিষয়ে নীতিমালা করা হবে : নাহিদ
.............................................................................................
চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে মানববন্ধন
.............................................................................................
আজ থেকে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরু
.............................................................................................
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রস্তুতি :গণিতের মডেল প্রশ্ন
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস: ঢাবির বাতিল হওয়া ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১৬ নভেম্বর
.............................................................................................
উন্নয়নের স্বার্থে সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
জেএসসি: মনে করতে হবে পরীক্ষা একটা মজাদার প্রতিযোগিতা সাবেক প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ, মাইলস্টোন কলেজ এবং রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ
.............................................................................................
কবি শামসুর রাহমানের জন্মদিনে নানা আয়োজন
.............................................................................................
অবশেষে ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ফল বাতিল উত্তীর্ণদের আবার পরীক্ষা নেওয়া হবে
.............................................................................................
ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই: রাবি উপাচার্য
.............................................................................................
শাবির ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]