ঢাকা,বৃহস্পতিবার,৭ কার্তিক ১৪২৭,২২,অক্টোবর,২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   শিক্ষা-সাহিত্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
মুখস্ত ও সনদ-নির্ভর পরীক্ষার বদলে মূল্যায়ন-ভিত্তিক স্থায়ী ব্যবস্থার পরিকল্পনা

মুখস্ত ও সনদ-নির্ভর বিদ্যমান পরীক্ষার বদলে মূল্যায়ন-ভিত্তিক স্থায়ী ব্যবস্থা তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর মাধ্যমে শ্রেণি-ভিত্তিক মূল্যায়ন করে শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও যোগ্য করে তোলা হবে। আজ বুধবার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষা পদ্ধতির এ পরিবর্তনের কথা জানান শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। পরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিও এ বিষয়ে কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে গতানুগতিক পরীক্ষা ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে উল্লেখ করে শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে জাতীয় পরীক্ষা ও মূল্যায়ন কেন্দ্র চালু রয়েছে, বাংলাদেশেও এটি পরিকল্পনাধীন।

শিক্ষার্থীদের শ্রেণি-ভিত্তিক মূল্যায়নে চলমান কাজের ধারাবাহিকতায় একটি আইনি সংস্থা তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে।

পরীক্ষা ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, এ পরিবর্তনের জন্য গবেষণা করার কোনো বিকল্প নেই। উন্নত দেশগুলোর উদাহরণ দিয়ে পরীক্ষা পদ্ধতির পবর্তনে একই ধরনের কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিও।

উন্নত বিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রত্যেক শ্রেণিতে গ্রেডিং পরীক্ষা পাস, ফেল, জিপিএ-৫ এর মতো উন্মাদনা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, বছরের মাঝে বা শেষে পরীক্ষা নেয়া ছাড়াও অনেক ধরনের মূল্যায়ন পদ্ধতি রয়েছে। ধারাবাহিক মূল্যায়নের পদ্ধতিগুলোতে যেতে চাচ্ছি আমরা।

শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ভীতি এবং পরীক্ষার শারীরিক ও মানসিক চাপের অবসান চেয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীর দুর্বলতাগুলো সামগ্রিকভাবে চিহ্নিত করে তা দূর করতে চাই। যাতে শিক্ষার্থীরা আনন্দের মধ্য দিয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে পারে। তাদের সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সনদ ও পরীক্ষা-নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বেরোতে হবে।

এ সময় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন।

মুখস্ত ও সনদ-নির্ভর পরীক্ষার বদলে মূল্যায়ন-ভিত্তিক স্থায়ী ব্যবস্থার পরিকল্পনা
                                  

মুখস্ত ও সনদ-নির্ভর বিদ্যমান পরীক্ষার বদলে মূল্যায়ন-ভিত্তিক স্থায়ী ব্যবস্থা তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর মাধ্যমে শ্রেণি-ভিত্তিক মূল্যায়ন করে শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও যোগ্য করে তোলা হবে। আজ বুধবার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষা পদ্ধতির এ পরিবর্তনের কথা জানান শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। পরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিও এ বিষয়ে কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে গতানুগতিক পরীক্ষা ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে উল্লেখ করে শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে জাতীয় পরীক্ষা ও মূল্যায়ন কেন্দ্র চালু রয়েছে, বাংলাদেশেও এটি পরিকল্পনাধীন।

শিক্ষার্থীদের শ্রেণি-ভিত্তিক মূল্যায়নে চলমান কাজের ধারাবাহিকতায় একটি আইনি সংস্থা তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে।

পরীক্ষা ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, এ পরিবর্তনের জন্য গবেষণা করার কোনো বিকল্প নেই। উন্নত দেশগুলোর উদাহরণ দিয়ে পরীক্ষা পদ্ধতির পবর্তনে একই ধরনের কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিও।

উন্নত বিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রত্যেক শ্রেণিতে গ্রেডিং পরীক্ষা পাস, ফেল, জিপিএ-৫ এর মতো উন্মাদনা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, বছরের মাঝে বা শেষে পরীক্ষা নেয়া ছাড়াও অনেক ধরনের মূল্যায়ন পদ্ধতি রয়েছে। ধারাবাহিক মূল্যায়নের পদ্ধতিগুলোতে যেতে চাচ্ছি আমরা।

শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ভীতি এবং পরীক্ষার শারীরিক ও মানসিক চাপের অবসান চেয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীর দুর্বলতাগুলো সামগ্রিকভাবে চিহ্নিত করে তা দূর করতে চাই। যাতে শিক্ষার্থীরা আনন্দের মধ্য দিয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে পারে। তাদের সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সনদ ও পরীক্ষা-নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বেরোতে হবে।

এ সময় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন।

আগামী নভেম্বরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত
                                  

করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ বিভিন্ন দেশে কড়া নাড়ছে, কয়েকটি দেশে ফের লকডাউনও ঘোষণা করা হয়েছে। এমতাবস্থায় সংক্রমণ এড়াতে আগামী নভেম্বরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ বুধবার দুপুরে ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্বের যেখানে যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হয়েছিল, তা করোনা সংক্রামণের কারণে ফের বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ কারণে নভেম্বরেও দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হবে না।

আসন্ন শীত মৌসুম সামনে রেখে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, করোনা বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গেও এ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এখনো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা প্রয়োজন। কিন্তু অনেকেই তা মানছে না। ফলে ঝুঁকিটা থেকেই যাচ্ছে।

কবে নাগাদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হবে, সেটি স্পষ্ট করে জানাননি শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তবে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা যতটুকু ঝুঁকি নিতে পারবেন, সে রকম অবস্থায় পৌঁছানো গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

করোনার কারণে এরই মধ্যে এবারের পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা না নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও বাতিল করে অষ্টমের সমাপনী ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে ফলাফল নির্ধারণ করার কথা জানানো হয়। এ ছাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল করে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে চারটি অ্যাসাইনমেন্ট নেয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে এর মাধ্যমে শুধু শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে, পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণের ক্ষেত্রে এর কোনো প্রভাব থাকবে না।

দেশে নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে গত ১৭ মার্চ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বেশ কয়েক ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়, যা আগামী ৩১ অক্টোবর শেষ হওয়ার কথা। তবে সম্প্রতি খুলে দেয়া হয়েছে কওমি মাদ্রাসাগুলো।

মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল, উত্তীর্ণ হবে অটোপাস
                                  

এ বছর মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। আজ বুধবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।


শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, মূল্যায়নে কোনো চাপ সৃষ্টি করা হবে। সার্বিক দিক বিবেচনা করে এনসিটিবি ৩০ কর্মদিবসের সিলেবাস প্রণয়ন করেছে। এগুলো পরবর্তী ক্লাসের জন্য কাজ করবে। সব প্রধান শিক্ষকের নিকট এটি পাঠানো হবে। এ সংক্রান্ত অ্যাসাইনমেন্ট পৌঁছে দেয়া হবে। শিক্ষার্থীরা প্রতি সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট শেষ করবে। এগুলো অনলাইনেও নেয়া যাবে।

তিনি বলেন, এ সময়ে অন্য কোনো কার্যক্রম চলবে না। শিক্ষার্থীদের যেখানে দুর্বলতা থাকবে, সেগুলো পরবর্তী ক্লাসে পূরণ করা হবে। এটি ক্লাস মূল্যায়নে কোনো প্রভাব ফেলবে না।

এর আগে করোনা ভাইরাসের কারণে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী, ইবতেদায়ি সমাপনী, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি), জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) এবং উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষা বাতিল করা হয়। ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। কিছু ক্ষেত্রে অবশ্য অনলাইন ও টেলিভিশনে ক্লাস নেয়া হচ্ছে।

মোট নম্বর অর্ধেক কমিয়ে কেন্দ্র স্থাপন করেই ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা
                                  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ বিকেন্দ্রীকরণ এবং মোট নম্বর অর্ধেক কমিয়ে ১০০ নম্বরে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আগে শুধু ঢাকায় ভর্তি পরীক্ষা হলেও এবার বিভাগজুড়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাবির উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামাল বলেন, ‘আমরা অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কোভিড-১৯ বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা প্রাথমিকভাবে বিভাগভিত্তিক পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সারা দেশের বিভাগগুলোতে কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনার পরে কেন্দ্র স্থাপন এবং পরীক্ষা নিতে রাজি আছি।’

মঙ্গলবার উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে ডিনস কমিটির এক বৈঠকে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি প্রত্যাখ্যান করে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভার সূত্র জানায়, ১০০ নম্বরের পরীক্ষার মধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ১০ করে মোট ২০ নম্বর সংরক্ষিত থাকবে। বাকি ৮০ নম্বরের জন্য পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আগে এসএসসি এবং এইচএসসির ফলাফল মূল্যায়নের জন্য ৮০ নম্বর বরাদ্দ ছিল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিনস কমিটির এক সদস্য জানান, সম্ভবত লিখিত পরীক্ষার জন্য ৫০ এবং এমসিকিউর জন্য ৩০ নম্বর রাখা হবে। গত শিক্ষাবর্ষে এটা ছিল যথাক্রমে ৪৫ এবং ৭৫।

সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক সাদেকা হালিম জানান, পরীক্ষার ৮০ নম্বর বণ্টন নির্ধারণ করা হয়নি তবে তারা লিখিত অংশে বেশি অগ্রাধিকার দেবেন।

বিভিন্ন ইউনিটে (এ/বি/সি/ডি) আবেদনের ন্যূনতম মানদণ্ড একই থাকছে এবং কর্তৃপক্ষ এইচএসসির ফলাফল প্রকাশের পরে ভর্তি সংক্রান্ত তারিখগুলো ঠিক করবে।

সাধারণত এইচএসসির ফলাফল মে মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রকাশিত হত। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা নিত। তবে এ বছর এইচএসসির ফলাফল ডিসেম্বরে প্রকাশিত হবে এবং বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখগুলো পরে নির্ধারণ করা হবে।

এ বছর সবমিলিয়ে ১৩ লাখ এইচএসসি পরীক্ষার্থী পাস করবে। এটি মূলত তাদের সবাইকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্য করে তুলবে।

দেশে ৩৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৬০ হাজার আসন রয়েছে।

ছাত্রী হল উদ্বোধন, অনাবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় তকমা ঘুচলো জবির
                                  

জবি প্রতিনিধিঃ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রথম আবাসিক হল `বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছাত্রী হল` -এর উদ্বোধন হয়েছে। আর এর মধ্য দিয়ে অনাবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় তকমা ঘুচলো জবির।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উপাচার্য ড মীজানুর রহমান হলের শুভ উদ্বোধন করেন।

হল উদ্বোধনের বিষয়ে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আনোয়ারা বেগম বলেন, হল উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে আমাদের এতদিন যে অনাবাসিক তকমা ছিলো তা থেকে মুক্তি হয়েছে। এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য খুবই আনন্দের।
হলের সিট বরাদ্দ দেয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের নীতিমালার কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জানা যায়, ২০১১ সালে শুরু হয় ছাত্রী হল প্রকল্পের কাজ। পরবর্তীতে ২০১২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, ৩/১, লিয়াকত এভিনিউয়ের ২৩ কাঠা জায়গাটির অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে শিক্ষার্থীরা। তারা ওই সময় ছাত্রী হলের ব্যানার টাঙিয়ে জায়গাটি দখলে নেন। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ২৫ আগস্ট জায়গাটিতে ‘বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব’ ছাত্রী হল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। ওইদিন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বৈঠকে এক হাজার ছাত্রীর আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে ২০ তলা ফাউন্ডেশনের দুটি টাওয়ার নির্মাণের প্রাথমিক কাজ শুরুর সিদ্ধান্ত হয়। এ প্রকল্পের প্রথম দফায় মেয়াদ ছিল ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত।

দ্বিতীয় মেয়াদ ২০১৩ সালের জুন থেকে ২০১৬ সালের জুন। তৃতীয় দফায় ২০১৬ সালের জুন থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয় মেয়াদ। সর্বশেষ ২০১৮ সালের জুন থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল। ২০১৯ সালেও কাজ শেষ না হলে ২০২০ সালেও অতিরিক্ত সময়ে কাজ চলতে থাকে।

বিভিন্ন ফির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের প্রতিবাদে মাঠে নামছে শিক্ষার্থীরা
                                  

শিক্ষাসহায়ক বিভিন্ন ফির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের প্রতিবাদে মাঠে নামছে শিক্ষার্থীরা। অযৌক্তিক এসব ফি আদায় বন্ধে সরকারের হস্তক্ষেপও চেয়েছেন তারা। শিক্ষামন্ত্রী এর আগে করোনার মধ্যে শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে টিউশন ফিসহ অন্যান্য খাতের অর্থ আদায়ে নমনীয় এবং আরো মানবিক হতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছিলেন। কিন্তু এরপরেও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইচ্ছেমতো টাকা আদায় করছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। রাজধানীর আরো কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও অতিরিক্ত শিক্ষাসহায়ক ফি আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠছেন। অনেক প্রতিষ্ঠানের সামনে অভিভাবকরা বিক্ষোভও করেছেন।

গতকাল সোমবার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন। তারা বলছেন, করোনার মধ্যেও প্রতিষ্ঠান থেকে তারা কোনো প্রকার ছাড় পাচ্ছেন না। প্রতিষ্ঠানের চাহিদা মেটাতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বাবা-মাকে টাকার মেশিন বানাতে হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন তারা ।
গত দু’দিন ধরে রাজধানীর বারিধারাস্থ নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এবং পাশের প্রধান সড়কে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, করোনার মধ্যে যেখানে টিউশন ফি কমানোর কথা সেখানে অন্যান্য ফি বরং আরো বাড়ানো হয়েছে। আর এই অর্থ জোগাতে গিয়ে আমাদের অভিভাবকদের বাড়তি চাপের মধ্যে পড়তে হচ্ছে। প্রতিষ্ঠান থেকেও চাপ দেয়া হচ্ছে। অবস্থা এমন হয়েছে যে, বাড়তি এই অর্থের জোগান দিতে গিয়ে তাদের বাবা-মাকে এখন টাকার মেশিন বানাতে হবে।
বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা শুরু থেকেই টিউশনসহ অন্যান্য ফিতে ৩০ ভাগ ছাড় দাবি করেছি। কিন্তু প্রতিষ্ঠান আমাদের কোনো দাবিই আমলে না নিয়ে বরং আরো কিছু অযৌক্তিক ফি চাপিয়ে দিয়েছে।

আমরাতো সারা বছরই শিক্ষাসহায়ক যাবতীয় ফি পরিশোধ করছি। কিন্তু এখন করোনার কারণে বলেছি, আমাদের কিছু ছাড় দেয়ার জন্য। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তা মানতে নারাজ। করোনার মধ্যে যেখানে প্রতিষ্ঠানই বন্ধ সেখানে কোন যুক্তিতে আমরা লাইব্রেরি ফি ২২৫০ টাকা, সাইন্স ল্যাব ফি ৫ হাজার টাকা, কম্পিউটার ল্যাব ফি ৩৭৫০ টাকা দেবো? এসব ফিসের সব মিলে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর নিকট থেকে ১০ হাজার টাকা করে অযৌক্তিকভাবে দাবি করছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়।



শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়ে গতকাল সন্ধ্যায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আতিকুল ইসলাম নয়া দিগন্তকে জানান, আমরা আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সাথে কথা বলে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সময় নিয়েছি। শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে ভিসি বলেন, টিউশন ফিসহ অন্যান্য ফি কমানোর এখতিয়ার আমাদের নেই। এটা বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে। আশা করছি ২২ তারিখের আগেই বোর্ড একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেবে। আর শিক্ষার্থীদের বলেছি, আন্দোলন বন্ধ করে বোর্ডের সিদ্ধান্ত আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে।

করোনা মহামারীর মধ্যে প্রতিষ্ঠান বন্ধ অবস্থায় উচ্চতর ক্লাসে প্রমোশনের বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত আসার আগেই শিক্ষার্থীদের বকেয়া টিউশন ফি আদায়ে অভিভাবকদের ওপর চাপ সৃষ্টির অভিযোগ আছে ঢাকার বেশ কিছু নামী বেসরকারি স্কুলের বিরুদ্ধে। এতে অভিভাবকরাও উদ্বিগ্ন। তাদের আশঙ্কা, বছরের শেষ দিকে এসে টিউশনসহ বিভিন্ন নামে অন্যান্য ফি সম্পূর্ণ পরিশোধ না করতে পারলে বিদ্যালয়গুলো হয়তো তাদের সন্তানদের পরবর্তী ক্লাসে তুলবে না।

এ দিকে বিদ্যালয়গুলোর কর্তৃপক্ষের দাবি- টিউশন ফির জন্য কোনো চাপ দেয়া হচ্ছে না। বিদ্যালয় চালানো ও শিক্ষকদের বেতনভাতা পরিশোধের জন্য অভিভাবকদের বুঝিয়ে টিউশন ফি সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে অভিভাবকরা জানান, ছুটির মধ্যেও স্কুল থেকে বারবার ফোন করে ও এসএমএস পাঠিয়ে টিউশন ফি পরিশোধ করতে বলা হচ্ছে। অভিভাবকরা আরো জানান, রাজধানীর সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মনিপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউটসহ আরো বেশ কিছু স্কুল থেকে টিউশনসহ অন্যান্য ফি পরিশোধের চাপ দেয়া হচ্ছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার ৫৭৭ জন সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসছে
                                  

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার ৫৭৭ জন সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে মঙ্গলবার। একাধিক গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন।


তিনি বলেন, ‘প্রাক প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নেয়া হবে ২৫ হাজার ৬৩০ জন এবং প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে ৬ হাজার ৯৪৭ জন। মঙ্গলবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) এই নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে।

প্রাথমিকের ইতিহাসে এটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। সৃষ্ট পদ এবং শূন্য পদ মিলিয়ে ৩২ হাজার ৫৭৭ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। নতুন নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী এবারই প্রথমবারের মতো স্নাতক পাস ছাড়া আবেদন করতে পারবে না নারী প্রার্থীরা। পুরুষ প্রার্থীদের আবেদনের যোগ্যতা আগের মতোই স্নাতক পাস থাকছে।



প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে ১৮ হাজার ১৪৭ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়। নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর প্রতিটি উপজেলা থেকে শূন্য পদের তালিকা নেয়া হয়েছে। সে অনুসারেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হচ্ছে।

জানা যায়, ২০১৮ সালের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় মৌখিক পরীক্ষা দেন প্রায় ৫৫ হাজার প্রার্থী। তাদের মধ্য থেকে ১৮ হাজার ১৪৭ জনকে নিয়োগ দেয়া হয়। চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ না হওয়া ৩৭ হাজার প্রার্থী প্যানেলের মাধ্যমে তাদের নিয়োগের দাবিতে এখনও রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আন্দোলন করছেন। তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, প্যানেল করার কোনো সুযোগ নেই। এমনকি ২০১৮ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতেও কোথোয়ও প্যানেলের উল্লেখ ছিল না।

সম্প্রতি প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা এক বছরের বদলে দুই বছর করার অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। অর্থাৎ প্রাথমিকে আরেকটি শ্রেণি বাড়ছে। আগামী বছর থেকেই এর পাইলটিং শুরু হবে। ২০২৩ সাল থেকে সব বিদ্যালয়ে দুই বছর মেয়াদি প্রাক প্রাথমিক চালু করা হবে। তখন ৬৫ হাজার ৬২০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আরো একজন করে সহকারি শিক্ষক ও একজন করে আয়া নিয়োগ করা হবে।

এ ছাড়া সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টির প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সহকারি শিক্ষকদের মধ্য থেকেই এই পদে পদোন্নতি দেয়া হবে। এতে প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে ৬৫ হাজার ৬২০ জন সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হবে। ফলে প্রাথমিকে আগামীতেও আরো বড় বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসছে।

তিন ক্যাটাগরিতে মেধা যাচাই পরীক্ষা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি
                                  

এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষা বাতিল হলেও এ বছর তিন ক্যাটাগরিতে মেধা যাচাই পরীক্ষা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে শিক্ষার্থীদের। গত জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া অভিন্ন প্রশ্নে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রক্রিয়ায় পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত না হলেও ৩৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনে গুচ্ছ পদ্ধতিতেই এবারের অনার্সে ভর্তিতে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজগুলো আগের নিয়মেই শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও এইচএসসির প্রাপ্ত জিপিএর ভিত্তিতেই ভর্তি নেবে।

এ দিকে পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় তথা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ^বিদ্যালয় (বুয়েট), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এবং পরিচালনায় স্বতন্ত্রভাবে পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি নেবে।

শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা বলছেন যেহেতু এ বছর এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে, তাই অন্তত ভর্তি পরীক্ষা এমনভাবে হওয়া উচিত যাতে শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাইয়ের কিছুটা সুযোগ থাকে। অন্যথায় শিক্ষার উচ্চতর পর্যায়ে অপেক্ষাকৃত কম মেধাবীদের ভিড়ে মেধাবীরাও হারিয়ে যেতে পারে।



সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছর করোনার কারণে এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে পরীক্ষা নেয়া হবে। আর এই ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে অনলাইন মাধ্যমে। একটি অ্যাপসের মাধ্যমে অনলাইনে বা অফলাইনে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এ জন্য একটি সফটওয়্যারও তৈরি করা হচ্ছে।
এর আগে গত শনিবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বছর কিভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে সেই বিষয়ে এক ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সভায় দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অংশগ্রহণ করেন। করোনা মহামারীর কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল হলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে অনার্স পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত নেন তারা।

ভিসিদের সংগঠন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম জানিয়েছেন, যেহেতু এ বছর করোনার কারণে এইচএসসি পরীক্ষাই বাতিল করা হয়েছে, তাই আমরা মনে করি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের একটি ন্যূনতম মেধা বা যোগ্যতা যাচাই করার ব্যবস্থা থাকা দরকার। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে তারপরেই বিশ^বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। তিনি আরো জানান, বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মোনাজ আহমেদ নূরের উদ্ভাবিত সফটওয়্যার ব্যবহার করে এই পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে।

সভা সূত্র জানায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা নেয়া কঠিন হওয়ায় সব ভিসি অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার দিকে জোর দিয়েছেন। এ ছাড়া সভায় পরীক্ষা নেয়ার মতো উপযোগী একটি ডামি (নমুনা) সফটওয়্যার উপস্থাপন করেছেন বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষা নেয়া সম্ভব। সফটওয়্যারটি তৈরির কাজ শেষ হলে সেটি সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কাছে অনুমোদন নিয়ে তা কার্যকর করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ বছর সমন্বিত পদ্ধতিতে কৃষি, প্রকৌশলী এবং সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছভাবে পাঁচটি ধাপে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। তার মধ্যে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, বাণিজ্য এবং মানবিক বিভাগের জন্য তিনটি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। পরীক্ষা নেয়ার জন্য একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হচ্ছে। এটির নামকরণ করা হয়েছে ‘প্রক্টর রিমোট এক্সাম সিস্টেম (প্রোকয়াস)’। এটি ব্যবহার করে ভর্তি পরীক্ষা ও অভ্যন্তরীণ একাডেমিক পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন গতকাল সন্ধ্যায় নয়া দিগন্তকে জানান, যেহেতু এইচএসসি পরীক্ষা এ বছর হলো না, তাই বিশ^বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে একটি পরীক্ষা নেয়া জরুরি। তবে কোন প্রক্রিয়ায় এই পরীক্ষা নেয়া হবেÑ সেটা নিয়ে আরো কিছু কাজ বাকি রয়েছে। আর নতুন যে সফটওয়্যারের কথা বলা হচ্ছে সেটা কতটুকু কার্যকর হবে, সেটাও এখনো বলা যাচ্ছে না। তিনি আরো জানান, আমরা গত জানুয়ারি থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে একটি অভিন্ন পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় সেখানে সম্পৃক্ত হতে রাজি না হওয়ায় আমরা এগোতে পারিনি। এখন আমরা নতুনভাবে গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা আয়োজনের জন্য কাজ শুরু করেছি। আশা করছি এই গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় সবাই অংশ নেবে।

স্নাতক শেষ সেমিস্টারের পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে জবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
                                  

জবি প্রতিনিধিঃ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) স্নাতক শেষ সেমিস্টারে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা স্নাতক ৪র্থ বর্ষের ২য় সেমিস্টারের ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে। উক্ত শিক্ষার্থীদের স্নাতক সর্বশেষ সেমিস্টারের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়নি বিধায় চাকরির আবেদনসহ বিভিন্ন স্কলারশিপ প্রোগ্রামে সুযোগ না পাওয়ায় মানববন্ধন করেছেন বলে জানা যায়।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে `জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীবৃন্দ` ব্যানারে মানববন্ধনে অংশ নেন শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, গত ১৫ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের আগেই অধিকাংশ বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক পরীক্ষা শেষ হয়ে ফলাফলও প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু ইংরেজি, নৃবিজ্ঞান, গণিত ও আইন বিভাগসহ কিছু কিছু বিভাগের অষ্টম সেমিস্টারের পরীক্ষা এখনো শুরু হয়নি। তাছাড়া ২০১৯ সালের শেষ দিকে স্নাতক শেষ করার কথা থাকলেও জট এবং করোনা মহামারির ফলে এসব বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রায় এক বছরের সেশনজটের মুখামুখি হচ্ছেন।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, দেশের সিনেমা হল থেকে শুরু করে সব খুলে দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া। একটা পরীক্ষার জন্য আমরা আটকে আছি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে বলছি না, ক্যাম্পাস বন্ধ রেখেই আমাদের পরীক্ষাটা নেওয়া হোক।আমাদের ভবিষ্যত জীবন অনিশ্চয়তার মধ্যে আছে। চাকরির বাজারে আমরা পিছিয়ে পড়ছি, আমাদের ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অন্তত আমাদের পরীক্ষাটা নেয়া হোক।

এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পদ্ধতির সিদ্ধান্ত
                                  

করোনা মহামারির কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল হলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে অনার্স পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভিসিদের সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ। তবে কোন পদ্ধতিতে কীভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

জানা যায়, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বশরীরে পরীক্ষা না নিয়ে অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি। এক্ষেত্রে অনলাইনে কীভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া যায়, সে ব্যাপারে কাজ শুরু করেছেন তারা। তবে বেশিরভাগ ভিসিই সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে মত দিয়েছেন।

ভিসি পরিষদের সভাপতি ও চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, আমরা ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। ডিসেম্বরে এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের পর ভিসিরা বসে ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি ও সময় ঠিক করবেন।

সভায় অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক মুনাজ নূরের উদ্ভাবিত সফটওয়্যার ‘প্রোটেক্টেড রিমোট এক্সামিনেশন’ ব্যবহারের প্রস্তাব এসেছে। এই সফটওয়্যারের কার্যকারিতা ভিসিদের কাছে উপস্থাপন করা হয়। প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বাকি থাকা পরীক্ষা এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে নেয়ার ব্যাপারেও আলোচনা হয়। সেখানে সফল হলেই ভর্তি পরীক্ষায় এটি ব্যবহার করা হবে।

এইচএসসি রেজিস্ট্রেশন ফি প্রায় চার শ’ কোটি টাকা ফেরত চান অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা
                                  

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল হওয়ায় পরীক্ষা বা রেজিস্ট্রেশন ফি হিসেবে বোর্ডে জমা দেয়া প্রায় চার শ’ কোটি টাকা ফেরত চান অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা। অন্য দিকে বিভিন্ন খাতে এই টাকা খরচ হয়ে গেছে এমন তথ্য জানিয়ে শিক্ষা বোর্ডগুলো বলছে তাদের হাতে কোনো টাকা জমা নেই। কাজেই শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দেয়ারও কোনো সুযোগ নেই। তবে অভিভাবকদের দাবি পরীক্ষাই যেহেতু বাতিল হয়েছে কাজেই পরীক্ষা ফি হিসেবে টাকা নেয়ারও কোনো যৌক্তিকতা নেই। তারা ফি হিসেবে জমা দেয়া টাকা ফেরত চান।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এবার করোনার কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ইতোমধ্যে বাতিল হয়েছে। ২০২০ শিক্ষাবর্ষে ফরম পূরণ করা সব পরীক্ষার্থীকে অটো পাস ঘোষণা দেয়া হয়েছে। তবে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে অনেকে জানতে চাইছেন পরীক্ষাই যেহেতু হলো না সে ক্ষেত্রে ফরম পূরণের টাকা তাদেরকে ফেরত দেয়া হবে কি না?

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, এ বছর দেশের প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে গড়ে আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা করে পরীক্ষার ফি আদায় করা হয়েছে। অনেক কলেজ আবার বোর্ডের নির্দেশনার বাইরেও মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করেছে। সেই হিসাবে পরীক্ষার্থীরা সাড়ে তিন থেকে চার শ’ বিশ কোটি টাকা বোর্ডে জমা দিয়েছে; কিন্তু পরীক্ষাই যেহেতু হলো না সে ক্ষেত্রে অভিভাবকরা এই টাকা এখন ফেরত চাইছেন।


শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এইচএসসির ফরম পূরণের জন্য গত বছরের নভেম্বরে কেন্দ্র ফি-সহ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের দুই হাজার ৫০০ টাকা, মানবিক ও বাণিজ্য শাখার শিক্ষার্থীদের এক হাজার ৯৪০ টাকা করে পরীক্ষার ফি দিতে হয়েছে। এর মধ্যে বিজ্ঞানে কেন্দ্র ফি (ব্যবহারিক ফি-সহ) ৮০৫ এবং মানবিক ও বাণিজ্যে ৪৪৫ টাকা করে ফি নেয়া হয়েছে।

যদিও কেন্দ্রের ফি থেকে ট্যাগ অফিসারের সম্মানীসহ অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ করতে বলা হয়; কিন্তু যাদের ব্যবহারিক বিষয় আছে তাদের টাকার সাথে প্রতি পত্রের জন্য আরো ২৫ টাকা করে দিতে হয়েছে। এ ছাড়া ব্যবহারিক উত্তরপত্র মূল্যায়নে অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত পরীক্ষকের জন্য পত্রপ্রতি ২৫ টাকা করে কেটে নেয়া হয়েছে।
এই অর্থের বাইরেও ফরম পূরণের জন্য একজন নিয়মিত শিক্ষার্থীকে প্রতি পত্রের জন্য ১০০ টাকা, ব্যবহারিক প্রতি পত্রের জন্য ২৫ টাকা, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ফি ৫০ টাকা, সনদ ফি ১০০ টাকা, রোভার স্কাউট/গার্লস গাইড ফি ১৫ টাকা এবং জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ফি পাঁচ টাকা দিতে হয়েছে। বাস্তবে রাজধানীর অনেক কলেজ বোর্ডের ধার্য করা ফি’র চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেছে। বর্তমানে এসব অর্থ ফেরত চান পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। অভিভাবকদের অনেকে জানান, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা যেহেতু বাতিল হয়েছে সে ক্ষেত্রে আদায়কৃত ফি ফেরত দেয়া প্রয়োজন। এটা ফেরত পেলে অনেকেরই সুবিধা হবে। বিশেষ করে করোনার কারণে অনেকেরই আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ।

পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা ফি ফেরত দেয়া প্রসঙ্গে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুহাম্মদ জিয়াউল হক নয়া দিগন্তকে জানান, আমরা ফি হিসেবে যে টাকা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিই সেই টাকা খরচেরও নির্দিষ্ট খাত আছে। পরীক্ষা বাতিল হলো এখন; কিন্তু আমাদের খরচ তো শুরু হয়েছে অনেক আগেই। কাজেই পরীক্ষার ফরম পূরণের ফি ফেরত দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি আরো জানান, আমাদের পরীক্ষা গ্রহণের প্রস্তুতি ছিল গত এপ্রিলেই। কাজেই ওই সময়েই আমাদের বেশির ভাগ টাকা খরচ হয়ে গেছে। এ ছাড়া পরীক্ষা নেয়ার সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন করা হয়েছিল। এর মধ্যে প্রশ্নপত্র-উত্তরপত্র (ওএমআর সিট) তৈরি, পরীক্ষার সময়সূচিসহ সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছিল। এতে অনেক অর্থ ব্যয় হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ থেকে পাওয়া অর্থ দিয়েই এসব কাজ করতে হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিলের ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি। তিনি বলেন, জেএসসি-ডেডিসি এবং এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হবে। করোনা পরিস্থিতির উৎকণ্ঠা নিয়ে ছয় মাস পর পরীক্ষা বাতিলের ঘোষণা দেয়া হয়। করোনা মহামারীর কারণে শিক্ষার্থীদের অনেকেই পরীক্ষা না নিয়ে অটো পাসের দাবি তুলেছিল। অভিভাবকদেরও কেউ কেউ পরীক্ষা না নেয়ার পক্ষে মত দেন।

জবির ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ডিজিটাল ডায়েরির উদ্বোধন
                                  

জবি প্রতিনিধিঃ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ডিজিটাল ডায়েরির উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) উপাচার্য মহোদয়ের সভা কক্ষে এ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান ডিজিটাল ডায়েরির উদ্বোধন করেন।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মোঃ ওহিদুজ্জান এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ডায়েরি ও ক্যালেন্ডার সম্পাদনা পর্ষদের আহবায়ক ও কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজিটাল ডায়েরিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (jnu.ac.bd) তে পাওয়া যাচ্ছে।

হচ্ছেনা এইচএসসি, জেএসসি-এসএসসি পরীক্ষার ভিত্তিতে মূল্যায়ন: শিক্ষামন্ত্রী
                                  

চলতি বছর সরাসরি এইচএসসি পরীক্ষা হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তবে জেএসসি-এসএসসি পরীক্ষার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বুধবার ভিডিও বার্তায় এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জীবনের নিরাপত্তায় সার্বিক বিবেচনায় ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষা ভিন্ন পদ্ধতিতে মূল্যায়ন হবে। যেভাবে গ্রহণযোগ্যতা পাবে, তা বিবেচনা করছি। এ পরীক্ষার জন্য ৩০ থেকে ৩২ দিন সময় দরকার হয়। এক বেঞ্চে একজন ছাত্রী সম্ভব নয় এখন কেন্দ্র দ্বিগুণ করার জনবল নেই।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহাবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হকসহ সকল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা।

আজ থেকে অনলাইন ক্লাস শুরু হচ্ছে একাদশের
                                  

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের আজ রোববার থেকে অনলাইন ক্লাস শুরু হয়েছে। করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনলাইনে ক্লাসের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার সকাল ঢাকা কলেজ থেকে প্রধান অতিথি হিসেবে একাদশ শ্রেণির অনলাইন ক্লাসের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষা বোর্ডগুলো ইতিমধ্যে সব কলেজে চিঠি পাঠিয়ে অনলাইনে ক্লাস শুরুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক স্বাক্ষরিত এ চিঠিতে বলা হয়, ‘করোনার কারণে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে উদ্দেশ্যে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ৪ অক্টোবর থেকে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চিঠিতে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়।

এর আগে গত ৯ আগস্ট থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে একাদশে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতি বছর ১ জুলাই থেকে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হলেও এবার করোনাভাইরাসের কারণে ভর্তি কার্যক্রম পিছিয়ে যায়।

করোনাভাইরাসের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি শুরু হয়। দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

বেফাকের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে আল্লামা মাহমুদুল হাসান
                                  

কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকের (বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে আল্লামা মাহমুদুল হাসানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি আল্লামা আহমদ শফীর মৃত্যুতে পদটি শূন্য হয়।

জানা গেছে, আজ শনিবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলায় অবস্থিত বেফাকের কেন্দ্রীয় অফিসে মজলিসে আমেলার এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তাকে বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়।

বেফাক সূত্র জানিয়েছে, পরবর্তী সভাপতি নির্বাচন না করা পর্যন্ত আল্লামা মাহমুদুল হাসান এই দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রসঙ্গত, রাজধানীর গুলশান আজাদ মসজিদের খতিব আল্লামা মাহমুদুল হাসান। সেইসঙ্গে যাত্রাবাড়ী জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়ার মুহতামিম তিনি।

জানা যায়, তিনি সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। এ কারণে সারাদেশের আলেমদের কাছে তার বেশ গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

নভেম্বর মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা
                                  

আসছে নভেম্বর মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে স্থগিত হয়ে যাওয়া এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজনের চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। এক্ষেত্রে অন্তত ৫০ শতাংশ নম্বর কমিয়ে দেয়া এবং দৈনিক একটি করে পরীক্ষা নেয়ার পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আগামী ৬ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয় সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেবে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, দুটি বিষয়ের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। একটি হলো- প্রতি বিষয়ে ৫০ শতাংশ নম্বর কমানো এবং সেক্ষেত্রে বহুনির্বাচনী ও সৃজনশীল উভয় অংশের পূর্ণমাণ থেকে ৫০ শতাংশ করে কমানো হবে, আর যে বিষয়গুলোর ব্যবহারিক আছে, সেগুলোতে ব্যবহারিক নম্বর ঠিক রেখে অবশিষ্ট অংশ থেকে পূর্ণ নম্বর ৫০ শতাংশ কমানো।

দ্বিতীয় বিষয়টি হলো- এমসিকিউ কিংবা সৃজনশীল অংশের যে কোনো একটির পরীক্ষা নেয়া। এক্ষেত্রেও ব্যবহারিক নম্বর ঠিক রেখে অবশিষ্ট অংশ থেকে পূর্ণ নম্বর ৫০ শতাংশ কমানো হবে। খসড়া রুটিন এখনো তৈরি করা হয়নি, তবে মন্ত্রণালয় থেকে তারিখ ঘোষণার পরই এটি তৈরি করা হবে। ধর্মীয় ও সাপ্তাহিক ছুটি বাদে প্রতিদিনই পরীক্ষা নেয়া হবে।

একটি বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানান, পরীক্ষার কেন্দ্র ও সিটপ্ল্যান ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতি বেঞ্চে একজন করে শিক্ষার্থী বসানো হবে। ফলে কেন্দ্র সংখ্যা ১০ থেকে ২০ শতাংশ বেড়ে গেছে এবং প্রতি কেন্দ্রে গড়ে ৬৫০ জন করে পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে।

এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সাব-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে সকল বোর্ড প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর পরই তা বাস্তবায়ন কাজ শুরু করা হবে।


   Page 1 of 70
     শিক্ষা-সাহিত্য
মুখস্ত ও সনদ-নির্ভর পরীক্ষার বদলে মূল্যায়ন-ভিত্তিক স্থায়ী ব্যবস্থার পরিকল্পনা
.............................................................................................
আগামী নভেম্বরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত
.............................................................................................
মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল, উত্তীর্ণ হবে অটোপাস
.............................................................................................
মোট নম্বর অর্ধেক কমিয়ে কেন্দ্র স্থাপন করেই ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা
.............................................................................................
ছাত্রী হল উদ্বোধন, অনাবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় তকমা ঘুচলো জবির
.............................................................................................
বিভিন্ন ফির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের প্রতিবাদে মাঠে নামছে শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার ৫৭৭ জন সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসছে
.............................................................................................
তিন ক্যাটাগরিতে মেধা যাচাই পরীক্ষা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি
.............................................................................................
স্নাতক শেষ সেমিস্টারের পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে জবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
.............................................................................................
এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পদ্ধতির সিদ্ধান্ত
.............................................................................................
এইচএসসি রেজিস্ট্রেশন ফি প্রায় চার শ’ কোটি টাকা ফেরত চান অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
জবির ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ডিজিটাল ডায়েরির উদ্বোধন
.............................................................................................
হচ্ছেনা এইচএসসি, জেএসসি-এসএসসি পরীক্ষার ভিত্তিতে মূল্যায়ন: শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
আজ থেকে অনলাইন ক্লাস শুরু হচ্ছে একাদশের
.............................................................................................
বেফাকের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে আল্লামা মাহমুদুল হাসান
.............................................................................................
নভেম্বর মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা
.............................................................................................
কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারে প্রায় ১২ হাজার ৬০০ পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত
.............................................................................................
৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়লো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি
.............................................................................................
২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির সংশোধিত নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়
.............................................................................................
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি আরো বাড়বে কি না বৃহস্পতিবারের মধ্যেই জানা যাবে
.............................................................................................
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া এবং কোনো পরীক্ষাই নেয়া ঠিক হবে না: অভিভাবক ঐক্য ফোরাম
.............................................................................................
দিন ও বিষয় কমিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের প্রস্তাব
.............................................................................................
১৫০কিমি পথ পায়ে হেঁটে পরিভ্রমণ করবেন জবির পাঁচ রোভার
.............................................................................................
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পুনরায় চালুর নির্দেশিকা দিয়ে পরিপত্র
.............................................................................................
প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল পেতে যাচ্ছে জবি শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
দীর্ঘ ছুটিতে পড়াশোনায় আগ্রহ কমছে ছাত্রছাত্রীদের
.............................................................................................
চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসা পরিচালনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট নতুন নেতৃত্ব, ছয় মাস পর মহাপরিচালক নির্ধারণ
.............................................................................................
এইচএসসি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিতে ২৪ সেপ্টেম্বর জরুরি বৈঠক
.............................................................................................
পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের জন্য জবির ১৮ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি
.............................................................................................
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে হাটহাজারী মাদরাসা বন্ধের ঘোষণা
.............................................................................................
আগামী এক বছরেও শিক্ষাপঞ্জিতে স্থিতিশীলতা আসছে না
.............................................................................................
ঘুরে এলাম সাঁগরদাড়ি
.............................................................................................
কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে মুসলমান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে
.............................................................................................
আজ থেকে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম শুরু
.............................................................................................
শিক্ষা ঋণ চালু করার কথা ভাবছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি
.............................................................................................
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে সংসদে বিল পাস
.............................................................................................
স্থায়ীভাবে বাতিল করা হলো তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত সব পরীক্ষা
.............................................................................................
স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতি
.............................................................................................
যৌন নিপিড়ক জবি শিক্ষক প্রামণিকের অবস্থান বহাল, পদন্নোতি স্থগিত
.............................................................................................
নভেম্বরের মধ্যে স্কুল খোলা না গেলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে না
.............................................................................................
নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মূল্যায়নের মাধ্যমে অষ্টম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণিতে উন্নীত হবে
.............................................................................................
ইউজিসিতে প্রায় ৩ হাজার অসচ্ছল শিক্ষার্থীর তালিকা পাঠিয়েছে জবি
.............................................................................................
মুজিববর্ষে জবি ফিচার রাইটার্স গ্রুপের আয়োজনে ``জবি শিক্ষার্থীদের ভাবনায় বঙ্গবন্ধু``
.............................................................................................
হচ্ছে না ২০২০ সালের জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা
.............................................................................................
ফের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল ৩ অক্টোবর পর্যন্ত
.............................................................................................
স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে কাওমি মাদরাসা খোলার অনুমতি
.............................................................................................
বাতিল করা হলো প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও সমমানের পরীক্ষা
.............................................................................................
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে রেড-গ্রিন জোন ম্যাপিং করার পরামর্শ, খোলা অনিশ্চিত সেপ্টেম্বরেও
.............................................................................................
একাদশ শ্রেণিতে ১৩ লাখ ৪২ হাজার ৭১৩ শিক্ষার্থীর আবেদন, ফল প্রকাশ ২৫ আগস্ট
.............................................................................................
ইংরেজি মাধ্যম স্কুল নিবন্ধনের নির্দেশ ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের, মানতে হবে যেসব বিধি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
সম্পাদক মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী
সম্পাদক কর্তৃক ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ইউরোপ মহাদেশ বিষয়ক সম্পাদক- প্রফেসর জাকি মোস্তফা (টুটুল)
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমেদ
নির্বাহী সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম রানা
বার্তা সম্পাদক : মোঃ আকরাম খাঁন
সহঃ সম্পাদক: হোসাইন আহমদ চৌধুরী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন : ০২-৯৫৬২৮৯৯ মোবাইল: ০১৬৭০-২৮৯২৮০
ই-মেইল : swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD