বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   শিক্ষা-সাহিত্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা বাতিলের প্রস্তাব

করোনাভাইরাসের কারণে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা বাতিলের প্রস্তাব পাঠাচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাঠানোর কাজ চলছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আকরাম-আল-হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, করোনাভাইরাসের কারণে এই বছর সিলেবাস শেষ করতে পারেনি শিক্ষার্থীরা। সেপ্টেম্বরে স্কুল খুলে দেয়া হলেও বাকি সময়ের মধ্যে সেটা পুরোপুরি শেষ করা যাবে না। তাই এই বছর এই দুটি পরীক্ষা না নেয়ার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘কিছুদিন আগে মুখ্যসচিবের সাথে বৈঠকে এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তার ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সারসেংক্ষেপ পাঠানো হচ্ছে। তার অনুমোদন পাওয়া গেলে এই বছর এই দুটি সমাপনী পরীক্ষা আর হবে না।’

সূত্র : বিবিসি

পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা বাতিলের প্রস্তাব
                                  

করোনাভাইরাসের কারণে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা বাতিলের প্রস্তাব পাঠাচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাঠানোর কাজ চলছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আকরাম-আল-হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, করোনাভাইরাসের কারণে এই বছর সিলেবাস শেষ করতে পারেনি শিক্ষার্থীরা। সেপ্টেম্বরে স্কুল খুলে দেয়া হলেও বাকি সময়ের মধ্যে সেটা পুরোপুরি শেষ করা যাবে না। তাই এই বছর এই দুটি পরীক্ষা না নেয়ার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘কিছুদিন আগে মুখ্যসচিবের সাথে বৈঠকে এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তার ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সারসেংক্ষেপ পাঠানো হচ্ছে। তার অনুমোদন পাওয়া গেলে এই বছর এই দুটি সমাপনী পরীক্ষা আর হবে না।’

সূত্র : বিবিসি

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিনা টিসিতে শিক্ষার্থী ভর্তির নির্দেশ
                                  

করোনার কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ের বিপুল শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার আশঙ্কা করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে গ্রামে ও শহরের উভয় এলাকায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম ২৫ হাজারের বেশি কিন্ডার গার্টেন। বিভিন্ন মাধ্যমে সরকারের কাছে আসা এমন তথ্যের ভিত্তিতে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেকোনো সময়ে যেকোনো ক্লাসেই বিনা টিসিতে শিক্ষার্থী ভর্তির নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। গত রোববার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এমন নির্দেশনা জারি করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এ দিকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্র্র্যাকের ‘এডুকেশন প্রোগ্রাম’-এর আওতায় পরিচালিত এক জরিপেও দেখানো হয়েছে করোনার কারণে অনেক শিক্ষার্থী তাদের বাবা-মায়ের সাথে গ্রামে চলে যাচ্ছে। ফলে গ্রামের স্কুলে শিক্ষার্থীদের চাপ বাড়ার একটি আশঙ্কা রয়েছে। অন্য দিকে সংস্থাটি এমনও আশঙ্কা করছে, করোনার পর অভাবের তাড়নায় অনেক শিক্ষার্থী লেখাপড়া বাদও দেবে। প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত সব পর্যায়েই শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই অবস্থায় শহর ছেড়ে গ্রামে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য আগামী দিনে গ্রামের স্কুলগুলোতে ক্লাসরুম তথা ভবন বাড়াতেও ব্র্যাকের পক্ষ থেকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

 

সূত্র জানায়, করোনার কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অভিভাবকের চাকরিচ্যুতি কিংবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে অনেকেই এখনো গ্রামেই অবস্থান করছেন। কয়েক দফায় ছুটি বাড়ানোর ফলে ৩১ আগস্টের আগে স্কুল খোলারও কোনো সম্ভাবনা নেই। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, স্কুল খোলার পর গ্রামের স্কুলগুলোতে চাপ বাড়বে শিক্ষার্থীদের।

অন্য দিকে ভাড়াবাড়িতে স্কুল প্রতিষ্ঠার কারণে করোনায় অনেক কিন্ডার গার্টেন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কিন্ডার গার্টেন মালিকদের পক্ষ থেকেও এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে সরকারের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। অনেকে প্রতিষ্ঠানের ভাড়া ও শিক্ষকদের বেতন দিতে না পেরে স্কুল বিক্রিও করে দিয়েছেন।
কিন্ডার গার্টেনের মালিকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, করোনার এই সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় দেশের ৪০ হাজারের বেশি কিন্ডার গার্টেনের মধ্যে ৬০ ভাগ এমনিতেই বন্ধ হয়ে যাবে। তারা আরো জানান, দেশে করোনার প্রভাব শুরু হওয়ার পর থেকে বন্ধ রয়েছে বেসরকারি এসব প্রতিষ্ঠান।


বাংলাদেশ কিন্ডার গার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মিজানুর রহমান সরকার জানান, করোনার দুর্যোগের সময় শিক্ষকরা বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। শিক্ষকদের কষ্ট লাঘব করতে আমরা সরকারের কাছ থেকে বিশেষ প্রণোদনা চেয়ে আসছি; কিন্তু আমাদের বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই অনেকে তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়েই এখন পাশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুনঃভর্তির চেষ্টা করবে।
কিন্ডার গার্টেন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঐক্য পরিষদের সভাপতি এম ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, করোনার কারণে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অনেক মালিক এখন আর কিন্ডার গার্টেন চালাতে আগ্রহী হবেন না। তাই বন্ধ হয়ে যাওয়া এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সরকারি স্কুলে ভর্তি হওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প থাকবে না। এ ছাড়া শহরের অনেক শিক্ষার্থী গ্রামে গিয়ে রি-এডমিশন নেবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।



শহরের শিক্ষার্থীদের বাবা-মায়ের সাথে গ্রামে চলে যাওয়া এবং গ্রামের স্কুলে ক্লাসরুমের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) রতন চন্দ্র্র পণ্ডিত জানান, গ্রামের স্কুলগুলোতে ক্লাসরুমের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে এখনো কোনো পরিকল্পনা নেয়া হয়নি। তবে তিনি বলেন, গ্রামের স্কুলগুলোতে কিছু অতিরিক্ত শিক্ষার্থী নতুন করে ভর্তি হলেও তাদের সেখানে স্থান সঙ্কুলানের ব্যবস্থা রয়েছে। এই সময়ে নতুন কোনো স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেই বলেও জানান তিনি।

 

আজ থেকে একাদশ শ্রেণির ভর্তি শুরু
                                  

করোনা ভাইরাস মহামারীর কারণে বিলম্বিত একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম আজ সকাল ৭টা থেকে শুরু হবে। দেশের সব সরকারি-বেসরকারি কলেজগুলোতে ভর্তি হতে আগামী ২০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। এবার শুধু অনলাইনের (www.xiclassadmission.gov.bd) মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করা যাবে। সব প্রক্রিয়া শেষ করে আগামী ১৩ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাবকমিটি আগেই জানিয়েছে।

এবার ৭ হাজার ৪৭৪টি সরকারি-বেসরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে ২৫ লাখ আসন রয়েছে। আর মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ শিক্ষার্থী। নয়টি সাধারণ বোর্ড এবং মাদ্রাসা বোর্ডের কোন কোন কলেজে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বোর্ডভিত্তিক সেই তালিকাও www. xiclassadmission.gov.bd প্রকাশ করা হয়েছে।

একজন শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে পাঁচটি কলেজ পছন্দক্রম অনুসারে আবেদন করতে হবে। সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করা যাবে। শিক্ষার্থীর মেধা ও পছন্দক্রম অনুসারে তাকে নির্দিষ্ট কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত করা হবে। 

নগদ, সোনালী ব্যাংক, টেলিটক, বিকাশ, শিউর ক্যাশ ও রকেটের মাধ্যমে ১৫০ টাকা আবেদন ফি জমা দিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। তবে মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের ভর্তিতে যেন সমস্যা না হয় সেদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাবকমিটি জানিয়েছে, ২৫ অগাস্ট রাত ৮টায় প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে। প্রথম তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীদের ২৬ থেকে ৩০ আগস্টের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন (যে কলেজের তালিকায় নাম আসবে ওই কলেজেই যে শিক্ষার্থী ভর্তি হবেন তা এসএমএসে নিশ্চিত করা) করতে হবে। না হলে আবেদন বাতিল হবে।

৩১ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদন নেওয়া হবে। পছন্দক্রম অনুযায়ী প্রথম মাইগ্রেশনের ফল এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। ৫-৬ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে।

৭-৮ সেপ্টেম্বর তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন নিয়ে পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল এবং তৃতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ১০ সেপ্টেম্বর। ১১ ও ১২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত তৃতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে কলেজভিত্তিক চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। আর ১৩ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তি হতে হবে।

এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতেই উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হওয়ার সুযোগ
                                  

খ্রিষ্টান মিশনারিদের দ্বারা পরিচালিত চারটি কলেজ ছাড়া বাকি কলেজগুলোতেই এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতেই উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা। ঢাকার চারটি কলেজ তথা নটর ডেম, হলিক্রস, সেন্ট জোসেফ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সেন্ট গ্রেগরি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ একাদশ শ্রেণীতে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে ভার্চুয়াল পরীক্ষা নেবে।

দেশের অন্যান্য কলেজে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে প্রাপ্ত স্কোরের ভিত্তিতেই ভর্তির সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা। আগামী রোববার থেকে শুরু হবে অনলাইনে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া। 
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খ্রিষ্টান মিশনারিদের দ্বারা পরিচালিত ওই সব কলেজ কর্তৃপক্ষকে পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। ওই চারটি কলেজে আগামী ৯ থেকে ২৪ আগস্টের মধ্যে ভার্চুয়াল লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে। 

ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, নটর ডেম কলেজ, হলিক্রস কলেজ, সেন্ট জোসেফ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সেন্ট গ্রেগরি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে একাদশ শ্রেণীতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে পরীক্ষা নেবে। এরা নিজেদের মান বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই চার কলেজে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে পাঠাতে বলা হয়েছে।

উল্লেøখ্য, একাদশ শ্রেণীতে সাধারণত শিক্ষার্থীর আবেদনের পছন্দক্রম থেকে একটি কলেজ ভর্তির জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। আর ভর্তির পুরো কাজটি অনলাইনে সম্পাদন করা হয়। ভর্তির যোগ্যতা এসএসসির ফলাফল। উল্লিখিত চার কলেজ বাদে দেশের বাকি কলেজগুলোতে এই নিয়মেই ভর্তিকার্যক্রম চলবে। রোববার থেকে শুরু হওয়া এই ভর্তিকার্যক্রম চলবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরই মধ্যে তিন ধাপে অনলাইন ভর্তির সময়সূচি প্রকাশ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

এ বছর ভর্তিপ্রক্রিয়ায় এসএমএসের মাধ্যমে আবেদনপ্রক্রিয়া বাতিল করা হয়েছে। শুধু অনলাইনে সর্বোচ্চ ১০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। তবে এবার আবেদন ও ভর্তি ফি কিছুটা বাড়ানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় ২০ লাখ ৪০ হাজার ২৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন পাস করেছে। এরা সবাই চাইলেই একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হতে পারবে। দেশের কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে ২৫ লাখেরও বেশি আসন রয়েছে। তবে রাজধানী ঢাকা এবং জেলা শহরের প্রতিষ্ঠিত ও নামকরা কলেজগুলোতেই শিক্ষার্থী ভর্তির চাপ থাকে বেশি। অনেক উপজেলা পর্যায়ের কলেজের বেশির ভাগ আসনই প্রতি বছর খালি থাকে।

আগামী রোববার থেকে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তির কার্যক্রম শুরু
                                  

আগামী রোববার থেকে একাদশ শ্রেণিতে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে অনলাইন ভর্তির কার্যক্রম থেকে শুরু হচ্ছে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি ভর্তিচ্ছুদের জন্য সাধারণ নির্দেশনা প্রকাশ করেছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার এ নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে আগামী ৯ থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে। তবে জাতীয় শোক দিবসের কারনে আগামী ১৫ আগস্ট অনলাইন সার্ভিস ও কল সেন্টার বন্ধ থাকবে।

সার্ভিস চার্জসহ আবেদন ফি ১৫০ টাকা নগদ/সোনালী ব্যাংক/টেলিটক/বিকাশ/শিওর ক্যাশ/রকেটের মাধ্যমে দিতে হবে। সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে একজন শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবে। একই প্রতিষ্ঠানের একাধিক শিফট/ভার্সন/গ্রুপে আবেদন করা যাবে।

একজন শিক্ষার্থীকে আবেদন ফি পরিশোধ এবং প্রথমবার আবেদনের সময় একটি মোবাইল নম্বর (নিজের/অভিভাবকের) দিতে হবে, যা ওই শিক্ষার্থীর যোগাযোগ নম্বর হিসেবে গণ্য হবে। ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে সব যোগাযোগ ও আবেদনের জন্য ওই নম্বরের প্রয়োজন হবে, ফলে নম্বরটি শিক্ষার্থীর জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, আবেদনের সময় কলেজের পছন্দক্রম বিশেষ বিবেচনা-পূর্বক সাবধানে পূরণ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপির ভিত্তিতে। আর যেসব শিক্ষার্থী সমান জিপিএ পেয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ব্যতীত মোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তিনটি পর্যায়ে ভর্তির ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ করা হবে। একজন শিক্ষার্থীকে মাত্র একটি কলেজের জন্য তার মেধা, কোটা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও পছন্দক্রম অনুযায়ী নির্বাচন করা হবে। ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থী অনলাইনে বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য ফি বাবদ ২০০ টাকা জমা দিয়ে নিজেই প্রাথমিক ভর্তি নিশ্চায়ন করবে। সর্বোচ্চ দুই বার একজন শিক্ষার্থী স্বয়ংক্রিয়ভাবে মাইগ্রেশনের জন্য বিবেচিত হবে। আর মাইগ্রেশনের ক্ষেত্রে সর্বদাই শিক্ষার্থীর পছন্দের ক্রমানুসারে উপরের দিকে যাবে।

অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের বিশেষায়িত ইন্টারনেট প্যাকেজ
                                  

করোনাকালে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে গিয়ে ইন্টারনেটের পেছনে শিক্ষা ব্যয় বাড়ছে অভিভাবকদের। তাছাড়া শিক্ষার্থীরাও এ নিয়ে নানা সমস্যায় পড়ছে। তাই তাদের কথা বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থীদের বিশেষায়িত ইন্টারনেট প্যাকেজ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপুমনি।

সোমবার চাঁদপুরে করোনা পরীক্ষাগার উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারনেট বিনামূল্যে অথবা স্বল্পমূল্যে করার চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য স্বল্পমূল্যে আমাদের স্পেসিফিক কতগুলো ডোমেইনের মাধ্যমে ক্লাস করানো হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বিনামূল্যে করাতে পারলে খুবই ভালো হতো। আর যদি বিনামূল্যে করা সম্ভব না হয়, তাহলে সেগুলো যেন তারা স্বল্পমূল্যে অ্যাকসেস করতে পারে সেটির জন্য বিভিন্ন টেলিফোন কোম্পানির সঙ্গে কথা চলছে। আশা করছি, শিগগিরই শিক্ষার্থীরা এ নিয়ে সুখবর পাবে।

তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শিক্ষাবর্ষ শেষ করা নিয়ে কোনো অসুবিধা নেই। অনলাইনের মাধ্যমে নিয়মিত ক্লাস চলছে। তাই যথা সময়ের মধ্যেই সিলেবাস শেষ করতে পারবো বলে আশা করছি। অনলাইনে পরীক্ষা দেয়ারও ভালো ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীদের খুব বেশি পিছিয়ে পড়া বা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে মনে হচ্ছে না।

মন্ত্রী বলেন, অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম এখনো শতভাগ সবার কাছে পৌঁছাতে পারছি না, এটা সত্য। তবে যাদের কাছে এখনো পৌঁছাতে পারিনি তাদের কাছে কীভাবে পৌঁছানো যায়, সে চেষ্টা চলছে। আর যদি একান্তই না পারি, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে তখন সেই ক্ষতি পুষিয়ে দেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম ভেটেরেনারি ও এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গৌতম বুদ্ধ দাস, চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান, চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. জামাল সালেহ উদ্দীন আহমেদ, সিভিল সার্জন ডা. সাখাওয়াত উল্যাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জাহেদ পারভেজ চৌধুরী প্রমুখ।

জেনে নেই বুঝে বুঝে দ্রুত পড়ার কিছু কৌশল
                                  

জানতে হলে পড়তে হবে, শিখতে হলে পড়তে হবে, শিক্ষাজীবনের শেষ নেই,আর এই শিক্ষা জীবনে পড়াটা একটা অপরিহার্য

 বিষয়। চলুন জেনে নেই কিছ কৌশন কিভাবে দ্রুত বুঝে পড়া যায়।

১।  কত ঘন্টা পড়বেন

সবার মেধা বা মস্তিস্কের ধারন ক্ষমতা এক নয়। সবার আকাঙ্খাও এক নয়। আবার অনেকের পড়া তাড়াতাড়ি মুখস্ত হয়, অনেকের দেরিতে। তাই যতটুকুই পড়া হোক না কেন, তা অবশ্যই মনোযোগ সহকারে পড়া উচিত। এ বিষয়টা পুরোটাই আপনার উপর নির্ভর করছে। আপনি চাইলে ১ ঘন্টার পড়া ৩ ঘন্টা ধরেও পড়তে পারেন। তবে পড়াশুনার মধ্যে একটা ধারাবাহিকতা থাকা উচিত। আজকে পাঁচ ঘন্টা পড়লেন আর পরের দিন একদম পড়লেন ই না এমনটা করা ঠিক না। তাই পড়াশুনায় নিয়মিত ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চেষ্টা করবেন। আপনি যদি কম পড়েন

২। ক্লান্ত লাগলে পড়বেন না

মন শান্ত আছে কিনা, দুর্বল লাগছে কিনা ও পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো:-বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, ব্রেইন যে কোনইনফরমেশন বা তথ্যকে মেমরি বা স্মৃতিতে পরিণত করে ঘুমানোর সময়। তাই পড়া মনে রাখার জন্য পড়ালেখার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানোও জরুরি। সাধারণত একজন সুস্থ ব্যক্তির দিনে ৮ ঘন্টার মত ঘুমানো উচিত। এর থেকে কম ঘুমালে পড়া মনে রাখার ক্ষমতা কমে যায়। এর পাশাপাশি খিদে পেটে মনোযোগ থাকে না তাই পড়াও হয় না, তাই হালকা খাবার খেয়ে পড়তে বসা উচিত, আবার পেট পুরে খেয়ে পড়তে বসলে ঘুম চলে আসবে।

৩। পড়তে বসার আগে ১০ মিনিট হাঁটা

পড়ার টেবিলে বসার পূর্বে ১০ মিনিট হাঁটলে বা হালকা ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এতে পড়া মনে রাখতে বেশ সুবিধা হয়। ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, পড়ার পূর্বে ১০ মিনিটহাঁটলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা প্রায় ১০ শতাংশ পরিমাণ বেড়ে যায়। তাহলে একটু হাঁটা পরেই শুরু হোক পড়ালেখা।

৪। মনে মনে পড়ার চেষ্টা করুন।

শব্দ করে পড়ার চেয়ে মনে মনে পড়ার অনেক দ্রুত আগায় অনেক মানুষকেই দেখা যায় তারা যে কোন পড়া জোরে জোরে পড়ে কিন্তু আসলে মনে মনে পড়লেই পড়া বেশী মনে থাকে এবং দ্রুত পড়া যায়। কারন আপনি যখন মনে মনে পড়েন তখন পড়াটা বুঝে পড়েন। তাই মনে মনে পড়ার সময় ও জোরে জোরে পড়ার সময়  নির্দিষ্ট সময়ে আপনি কয়টা শব্দ পড়তে পারছেন তা তুলনা করে নিজেই দেখতে পারেন আপনার জন্য কোনটা বেশী কাজে দেয়।

৫। সাব ভোকালাইজেসন ও ইমাজিনেসন

মনে মনে পড়ূন ও ইমাজিনেশন কে কাজে লাগান,  যখন আমরা পড়ি , তখন মনে মনে একটা চিত্র আকার চেষ্টা করি জিনিসটা কি, দেখি দ্রুত, চিন্তা করি দ্রুত, কিন্তু আমরা কথা বলি আস্তে তাই এই তিনের সম্বনয় দরকার হয়, তাই যা পড়বে একটু চিন্তা করে পড়তে হবে , একটু কল্পনা করে পড়তে হবে,  ছোট বেলায় আমরা শব্দ করে পড়ি তখন আমাদের বোঝার লেভেল কম ছিল, কিন্তু আপনি বড় হবার পরেও যদি এমন করে পড়েন তাহলে আপনার পড়ার ক্যাপাবিলিটি বাড়বে না, তাই বুঝে পড়তে হবে ।

৬। ফোকাস অন বুকস লাইন

আঙ্গুল দিয়ে পড়াঃ ছোট বাচ্চাদের বেশিরভাগ মা-বাবা বা শিক্ষকরাই বলে থাকে আঙ্গুল দিয়ে পড়তে। কারন আপনি যখন একটা লাইন পড়ার সময় লাইনটার নিচে আঙ্গুল বা পেন্সিল বা একটা পয়েনটার   দিয়ে রাখবেন তখন আপনার মনযোগটা শুধু ওই লাইনেই থাকবে ফলে পড়ার গতি বৃদ্ধি পাবে এবং পড়া থেকে মনযোগও নষ্ট হবে না।

৭ ফোর্স করতে হবে নিজেকে

আমারা এতদিন যেভাবে পড়েছি তার চেয়ে দ্রুত পড়তে হলে ব্রেন কে একটু কমান্ড দিতে হবে নিজেকে একটু দ্রুত তাড়া দিতে হেবে পড়ার জন্য।

৮ একটিভ রিডিং

পড়ার সময় কন্টেন্ট এ চোখ বুলালে আপনি দেখতে পারবেন কোন জিনিসটা একটু গুরুতপূর্ণ, দরকার জিনিস একটু গ্রুতব দিয়ে পড়বেন, এতে হবে আপনি দ্রুত মোদ্দা কথা গুলি ধরতে পারবেন , মনে রাখতে পারবেন

৯। রিডিং স্পিড কাউন্ট

এখন পড়তে কত সময় লাগে, আর প্যাক্টিস করার পর কত সময় লাগছে, এই ভাবে প্রথম দিকে একটু কাউন্ট করার চেষ্টা করুন । একবার অভ্যাস হয়ে গেলে আর লাগবে না

১০। যে কোন পরিস্থিতি তে পড়ার অভ্যাস

যে কোন পরিস্থিতিতে সামনে কিছু পড়ার কোন কিছু পেলে পড়তে হবে । ম্যাগাজিন, পেপার, বই যে কোন কিছু । লেখার ভাবভঙ্গী বোঝার চেস্টা করেন  যেখানে যা পাবো মানে চোখের সামনে যা পাবো সাথে সাথে পড়ে নেয়ার চেষ্টা করতে হবে ঐই লেখা দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে তা বুঝার চেষ্টা করতে হবে। এমনকি বাসে যেতে যেতে দোকানের নামের বানান গুলি পড়তে পারেন, এতে আর কিছু হোক না হোক আপনার বানান ভুল হবে না।

১১। মনোযোগ

আপনাকে পড়ার সময় সম্পুর্ণ মনযোগ দিয়ে পড়তে হবে। পড়তে বসে  অন্য কোন দিকে মনযোগ দেয়া যাবে না । পড়তে বসে ফোন নিতে কাজ করা, আড্ডা দেয়া, বার বার উঠা এসব না করলে পড়া আগাবে ও মনে রাখতে পারবেন।

১২। পড়ার পরে সম্ভব হলে অন্যের সাথে আলোচনা।

পড়া মনে রাখার জন্য প্রাচীনকাল থেকেই এ পদ্ধতিটি বেশ জনপ্রিয়। নিজে যা পড়েছি বা জেনেছি তা অন্যকে শেখানোর মাধ্যমে মস্তিষ্কে আরো ভালোভাবে গেঁথে যায়। তাছাড়া অন্যকে শেখানোর ফলে নিজের দক্ষতা প্রকাশ পায় এবং পড়াটি ভালভাবে আয়ত্ত হয়েছে কিনা তাও বুঝা যায়।

পরীক্ষায় ভালো ফল পেতে হাতের লিখার কার্যকরী কৌশল
                                  

পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য ভালোর হাতের লেখা গুরুত্বপূর্ণ্। আর প্রত্যেকটা ছাত্রের হাতের লেখার উপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। ভালো হাতের লেখা ভালো ফলাফল অর্জনে সহায়ক।

হাতের লেখা দ্রুত করার কিছু উপায় নিচে দেয়া হলঃ

১. লেখার সময় টেবিল পরিচ্ছন্ন রাখা:
লেখার সময় পড়ার টেবিল অবশ্যই গোছান থাকতে হবে। অগোছালো টেবিলে লেখা গুছিয়ে লেখা সম্ভব হয় না। তাই এদিকে সবসময়য় লক্ষ্য রাখতে হবে।
২. মুখস্ত শক্তি তীব্র হওয়াঃ
দ্রুত লেখার জন্য প্রশ্নউত্তর ভালভাবে মনে রাখতে হবে। লিখতে গিয়ে যদি প্রশ্নউতর ভুলে যাও তাহলে তাড়াতাড়ি লেখা সম্ভব হবে না। এজন্যই মনে
রাখার উপর দ্রুত লেখা অনেকাংশে নির্ভর করে।
৩. বেশি বেশি লেখার চর্চা করাঃ
হাতের লেখা দ্রুত করার জন্য বেশি বেশি লেখার চর্চা করা একটি অন্যতম উপায়। যে যত বেশি লিখবে তার লেখা তত বেশি দ্রুত হবে। কেননা একবার লেখা দশবার শেখার সমান
কাজ।তাছাড়া বেশি বেশি লিখলে বানান ও বাক্য নির্ভুল হয়। হাতের লেখাও পরিচ্ছন্ন হয়।
৪. ভালো কলম ও কাগজের ব্যবহারঃ
পরীক্ষায় দ্রুত লেখার জন্য ভালো বলপেন ব্যবহার করবেন। কালি অবশ্যই কালো হবে। কাগজও হতে হবে উন্নত। নিন্ম মানের কলম ও কাগজ ব্যবহার করলে দ্রুত লেখা সম্ভব নয়। অনেক সময় দেখা যায়, কলমে ঠিকমত কালি আসে না। কাগজের এক পৃষ্ঠায় লিখলে অপর পৃষ্ঠায় দাগ পরে। তাই কলমের ব্যপারে পরিক্ষার্থীকে খেয়াল রাখতে হবে।
৫. সময় মেপে লেখাঃ
সময় ধরে লিখতে হবে। পরীক্ষার আগেই প্রশ্নোতর সময় ধরে লেখার চর্চা করতে হবে। একটি উত্তরের জন্য যতটুকু সময় নির্ধারন আছে, ততটুকু সময়ের মধ্যে লিখতে হবে।
এটা অভ্যাসে পরিনত করতে হবে। সময় ধরে লেখার অভ্যাস করলে দ্রুত লেখা যায়।
৬. একাগ্রতাঃ
লেখার সময় একাগ্রতা একটি গুরুত্বপুর্ন বিষয়। কোন বিষয় গভীর মনোযোগ দিয়ে লিখলে লেখার গতি তীব্র হয়। মনোযোগ আসার জন্য পরিবেশ নিরিবিলি হতে হবে। পরীক্ষার হলে অবশ্যই নিরাবতা পালন করতে হবে। অনেকে গুন গুন করে পরে আর লিখে। এতে অন্যের মনোযোগ নষ্ট হয়।

যে কৌশলে হতে পারি ইতিবাচক চিন্তাশীল
                                  

ইতিবাচক চিন্তা করার সহজ কৌশল

ইতিবাচক চিন্তার শক্তি বেশ প্রখর। পৃথিবীতে যা কিছু ঘটে দুইবার ঘটে; একবার চিন্তায় আর একবার বাস্তবে অর্থাৎ একবার ভেতরে অন্যবার বাইরে। মানুষ যা কিছু করে তার আগে সে চিন্তা করে। চিন্তা যেমন হবে কাজ তেমন হবে। একটি কাজ বার বার করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়। অভ্যাসের সমষ্টি তার চরিত্র এবং চরিত্রই নিয়ে যাবে তার গন্তব্যে। অর্থাৎ একজন মানুষের গন্তব্য সুখের জায়গায় নাকি দুঃখের জায়গায় হবে তা নির্ভর করবে তার চরিত্রের ওপর। চরিত্র নির্ভর করে অভ্যাসের ওপর আর অভ্যাস নির্ভর করে কর্মের ওপর। কর্ম নির্ভর করে চিন্তার ওপর। সুতরাং চিন্তা যেমন হবে বাকি সব ধাপ তেমনই হবে। সুতরাং জীবনকে সুখ শান্তিময় করতে আর্থাৎ সফল ও সার্থক জীবনের জন্য চিন্তাকে ইতিবাচক করতেই হবে।

 

প্রথমেই আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে ইতিবাচক চিন্তা বা Positive Thinking টা কী বুঝায়। ইতিবাচক চিন্তা মানে হলো “যে কোনো অবস্থায় সঠিক চিন্তা করতে পারা”। যে কোনো অবস্থায় বা যে কোনো পরিস্থিতিতে সঠিক চিন্তা করতে পারাকেই পজিটিভ থিংকিং বলে। সঠিক চিন্তা বেঠিক নয়। বেঠিক বা ভুল চিন্তা করলে তা ইতিবাচক হবে না। এখন প্রশ্ন হলো সঠিক চিন্তা বলতে কী বুঝায়। সঠিক চিন্তা বলতে বুঝায় “যা কিছু ঘটেছে সেই ঘটনাকে ওইভাবেই দেখা এবং ভাবা”

 

৮ টি কৌশল সঠিকভাবে অবলম্বন করলে আপনিওহতে পারেন ইতিবাচক চিন্তাশীল:-

 

১। সময় নিন

জীবনে চলার পথে যেমন ভালো সময় আসে ঠিক তেমনি আসে খারাপ সময়ও। সব সময়ই সময় ভালো কাটবে এইটা ভাবা বোকামি।এই দীর্ঘ চলার পথে খারাপ সময় আসবেই এইটাই স্বাভাবিক। এই দীর্ঘ চলার পথে খারাপ সময় আসবেই এইটাই স্বাভাবিক। 

২। ইতিবাচক মানুষের সাথে মিশুন

জীবনে উন্নতি করতে হলে ইতিবাচক চিন্তার অধিকারী হতে হবে। আর নেতিবাচক মানুষের সাথে মেলামেশা করলে ইতিবাচক চিন্তা করা কখনোই সম্ভব নয়। কেননা খারাপ দিকটি মানুষকে বেশি প্রভাবিত করে। নিষিদ্ধ দিকে মানুষের বরাবরই আকর্ষণ বেশি। তাই আপনি নেতিবাচক মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করলে আপনার চিন্তাশক্তির উপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। এবং ধীরে ধীরে আপনার চিন্তাও নেতিবাচক দিকে রূপ নেবে এবং যেটা আপনার জীবনে ভয়ংকর প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু আপনি যদি ইতিবাচক মানুষের সাথে মেলামেশা করেন তাহলে আপনার চিন্তাশক্তিও তাদের সংস্পর্শে পজেটিভ হবে। এবং তাদের কাছ থেকে অনেক শিক্ষা নিয়ে জীবনে চলার পথে কাজে লাগিয়ে উন্নতি সাধন করা সম্ভব। এই নিয়ে একটা বাংলা প্রবাদ বাক্য রয়েছে

“সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস
অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ।”

৩। অন্যদের সাহায্য করুন

অন্যদের সাহায্য করা নিজেদের সুখের চাবিকাঠি – এটা আমাদের আরও আনন্দ দেয়, আরও স্বাস্থ্যবান করে তোলে৷ এবং আমাদের ইতিবাচক চিন্তাশক্তি আরো প্রখর করে তোলে। কেননা অন্যদেরকে সাহায্য করলে আমাদের মন অচিরেই খুশী হয়ে যায় আর মন খুশি থাকলে চিন্তাশক্তিও পজেটিভ হিয়। নিজের জন্য করলে যতটা না খুশি লাগে অন্যের জন্য করতে পারলে ভিতরে নিজের জন্য গর্ব জন্মায় আর এটাই আমাদের ইতিবাচক চিন্তা করতে সাহায্য করে এবং সমভাবে আমাদের আনন্দও দিয়ে থাকে। 

৪। নিজেকে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকুন

 

কেউই নিখুঁত নয়৷ কিন্তু আমরা বার বার বাকিদের সঙ্গে নিজের তুলনা করি৷ নিজের যা নেই, তা নিয়েই যদি বেশি মাথা ঘামাই। আর এসব ভাবনাই আমাদের চিন্তাশক্তিকে নেতিবাচক করে তোলে। হতাশ হয়ে পরি এসব ভাবনায় বুদ হয়ে। নিজেদের প্রাপ্তি নিয়ে নেতিবাচক চিন্তা করতে শুরু করি। তখনই আমাদের আত্মবিশ্বাসে ভাঙ্গন ধরে। তাই আমাদের যা আছে, তা নিয়েই বেশি ভাবা উচিত৷ বিশেষ করে কঠিন সময়ে আমরা যেমন, সেটা মেনে নিতে শিখলে এবং নিজের প্রতি আরো সদয় হলে জীবনে আনন্দ বাড়বে৷

৫। ইতিবাচক উক্তি পড়ুন

ইতিবাচক চিন্তাশক্তি বৃদ্ধি করতে চাইলে ইতিবাচক উক্তি পড়ার বিকল্প আর কিছু নেই। মোটিভেশন ছাড়া জীবনে বেচে থাকা কঠিন। মোটিভেশন আমাদের প্রভাবিত করে, আর এটাকেই আপনাকে কাজে লাগাতে হবে। ইতিবাচক উক্তি পড়লে সেই উক্তি গুলো আমাদের চিন্তাশক্তিকে প্রভাবিত করবে। আমাদের উদ্ভুদ্ধ করবে ইতিবাচক চিন্তা করতে। সঠিক রাস্তা দেখাবে যেই রাস্তা ধরেই সাফল্যের করিডরে পৌঁছানো সম্ভব।

৬। নিজেকে ক্ষমা করতে শিখুন

ভুল করা অন্যায় নয় কিন্তু পুনরায় ভুল করা মহা অন্যায়। আমরা মানুষ আমাদের দ্বারা ভুল হবে এইটা স্বাভাবিক কিন্তু ভুলটাকে না সুধরে সেই ভুল পুনরায় করা অন্যায়। আর বেশিরভাগ মানুষ সেই কাজটাই করে প্রতিনিয়ত। জীবনের চলার পথে ভুলভ্রান্তি হয়েই যায় কিন্তু অনেকেই সেই ভুলের জন্য নিজেকে দোষারোপের মাধ্যমে সেই ভুলটাকেই আঁকড়ে ধরে বসে থাকে। ভুলের জন্য নিজেকে দোষারোপ করার প্রক্রিয়া চলে প্রতিনিয়ত। আর এই কারনে আত্মবিশ্বাসে ব্যাপক ঘাটতি দেখা যায়। নতুন কোন কাজে হাত না দিয়ে নিজেকে দোষ দিয়ে বসে থাকে অনেকেই। যার ফলে তারা কখনই সাফল্যের শীর্ষচূড়ায় অবতারণ করতে পারে না। কিন্তু এই ভুলকে পাশ কাটিয়ে নিজেকে যদি ক্ষমা করে, আপন উদ্যমে কাজে নেমে পড়লে তখন ফলাফলটা ভিন্ন হতো। সাফল্য তখন নিজ থেকেউ আপনার জালে ধরা দিত। তাই অতীতের করা ভুলের জন্য নজেকে দোষারোপ না করে নিজেকে ক্ষমা করার মধ্যমে নতুন করে কাজে নেমে পড়লে আমাদের জীবন সফলতায় ভরে উঠবে। আর এই প্রক্রিয়াই আমাদের ইতিবাচক চিন্তা করতে সহায়তা করবে

৭। ভুলের উৎস খুঁজে বের করুন

 

ইতিবাচক চিন্তার মানে এই নয় যে আপনি আপনার ভুল গুলো এড়িয়ে যাবে। ভুল গুলোকে প্রশ্রয় দেবেন। বরং এর মানে হলো আপনার ভুলগুলো বা নেতিবাচক দিকগুলোকে খুঁজে বের করে ইতিবাচক চিন্তার মাধ্যমে সেই ভুলের সমাধান করে এগিয়ে চলা। কিন্তু আমরা যদি ভুলগুলোকে এড়িয়ে যাই তাহলে কোন ক্ষেত্রেই উন্নতি করা সম্ভব নয়। কেননা ভবিষ্যৎ এ আমরা সেই ভুলগুলো পুনরায় করবো। কিন্তু ভুল করে ভুলের উৎস খুজে বের করে বুদ্ধিমত্তারর সাথে সেগুলোর সমাধান বের করলে পরবর্তীতে আমাদের দ্বারা সেই ভুলগুলো আর হবে না।

 

৮। ব্যর্থতাকে একটি সুযোগ হিসেবে গ্রহন করুন

ইংরেজিতে একটি প্রবাদ বাক্য রয়েছে ” Failure is the pillar of success” আসলেই কিন্তু তাই, ব্যর্থতার থেকে শিক্ষা লাভ করে সাফল্যের স্বর্ণশিখরে পৌঁছানো সম্ভব। আমরা যদি ব্যর্থ হয়ে পথচলা বন্ধ না করি, সেই ব্যর্থতাকে কাজে লাগিয়ে, সেই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাই আপন উদ্যমে তাহলে বিজয় নিশ্চিত। তাই আমাদের প্রয়োজন ব্যর্থতাকে কাজে লাগানো। ব্যর্থ হওয়া মানেই সব শেষ হয়ে যাওয়া না এই কথাটা বুকেত বাপ পাশটায় চিরতরে স্থাপন করে রাখা। এই কথার বীজ বুকে রোপন করলে পরবর্তীতে এটাই গাছ হয়ে আপনাকে মিষ্টি ফল প্রদান করবে। তাই ব্যর্থ হলেই থেমে যাওয়া যাবে না। ব্যর্থতা হওয়ার ত্রুটিগুলোকে হাটিয়ে সেই ভুলগুলোকে শুধরে নিয়ে এগিয়ে চলতে হবে দুর্বার, তাহলে সাফল্যের হাসিটা আপনার মুখেই ফুটবে। তাই ব্যর্থতাও আপনাকে পৌছে দিতে পারে সাফল্যের শীর্ষচূড়ায়।

পরিশেষে বলব, ইতিবাচক চিন্তাই আমাদের সাফল্যের করিডোরে পৌঁছে দিতে পারে। নেতিবাচক চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে নেতিবাচক অনুভূতিগুলো যেন আমাদের নিয়িন্ত্রন না করতে পারে। আমরাই আমাদের নেতিবাচক অনুভূতিগুলোকে ইতিবাচক চিন্তাশক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করবো। তাহলেই জীবন সুন্দর হবে। আর আপনার সুন্দর জীবনই আমাদের একান্ত কামনা।

চলো আমিও হই আদর্শ ছাত্র
                                  

আদর্শ ছাত্র হতে যা করতে হবে

আমরা যারা ছাত্র আছি মনে-প্রাণে অবশ্যই কামনা করি আমি একজন আদর্শ ছাত্র হবো। আমি হবো আমার অনুজ দের জন্য উদাহরণস্বরূপ। নিজেকে উত্তীর্ণ করতে চাই প্রকৃত ছাত্রের সংজ্ঞাপনে। তবে শুধু মনে মনে চাইলেই তো আর আদর্শ ছাত্রের সংজ্ঞায় উত্তীর্ণ হওয়া যায় না। আদর্শ ছাত্র হতে হলে কিছু আদর্শিক গুণাবলীসম্পন্ন হতে হবে। নিজের মধ্যে ধারণ করতে হবে আদর্শ ছাত্রের যাবতীয় বৈশিস্ট্য সমূহ।

তাই প্রতিটি ছাত্রকে আদর্শ ছাত্র হতে হলে, ভবিষ্যত জীবনকে সুন্দর, সফল ও গৌরবোজ্বল করে গড়ে তুলতে হলে এবং পরিক্ষা’য় ভালো ফলাফল অর্জনে তাদের মেনে চলতে হবে কতিপয় আদর্শিক নিয়ম-কানুন । তাদের সময় কে পরিচালনা করতে হবে একটি আদর্শ রুটিনমাফিক।

নিম্নে আদর্শ ছাত্র হতে যা করতে হবে তা তুলে ধরা হলঃ

ভবিষ্যতমুখী চূড়ান্ত লক্ষ্য স্থির করণ:

একজন ছাত্রকে শিক্ষাজীবনের শুরুতেই জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য কি হবে তা ঠিক করে নিতে হবে । আমি কি হতে চাই? একজন শিক্ষাবিদ, একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, সুবিজ্ঞ আলেমে দ্বীন, ইতিহাসবেত্তা, অর্থনীতিবীদ, সমাজসেবী, বিজ্ঞানী, ইঞ্জিনিয়ার না অন্য কিছু। কারন লক্ষ্যহীনভাবে এগুতে থাকলে কোন কাজে সফলতা অর্জন সম্ভব নয়। সাময়িক যা সফলতা আসবে তাও কার্যকরী হবে না।

নিজের উপর আস্থাবান হওয়া বা দৃঢ় ইচ্ছা ও বিশ্বাস লালন করা:

বিশ্বাস ও দৃঢ় ইচ্ছা হচ্ছে আত্মার খোরাক পথ চলনের শক্তি। বিশ্বাস হতে চিন্তা এবং চিন্তা হতে কার্যের উৎপত্তি। প্রত্যেক এর কাজের ফলাফল তার বিশ্বাসের অনুরূপ হয়ে থাকে। তাই হচ্ছেনা, আমার দ্বারা হবেনা ধরণের সমস্ত মনোভাব ঝেড়ে ফেলে আমি পারবোই এমন একটি চালিকাশক্তি অন্তরে সঞ্চার করে সামনে এগুতে থাকো। আমি শিক্ষাজীবন শেষে আমার লক্ষ অর্জন করবোই এমন একটি তেজ জমাও। আর দৈনন্দিন কার কাজ করে যাও। তোমার লক্ষে তুমি পৌছাবেই।

নিজেকে যাচাই করন:

ভবিষ্যতের লক্ষ নির্ধারণে সঠিক সাইড বেছে নিতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন নিজেকে গভীর ভাবে যাচাই করার। নিজেকে নিয়ে চুড়ান্তভাবে ভেবে দেখার। যাতে লক্ষ নির্ধারণে ভুল লক্ষ কে বেছে না নেই। একজন ছাত্র যখন নিজেকে ভালোভাবে যাচাই করত আপন জীবনের ভবিষ্যতমুখী একটি চুড়ান্ত লক্ষ্য স্থির করে নিবে এবং নিজের উপর পূর্ণ আস্থাবান হয়ে সফলতা অর্জনের প্রতি দৃড় বিশ্বাসি পড়ালেখার’র পথে যাত্রা আরম্ভ করবে এবং কাঙ্খিত ফলাফল অর্জনে সচেষ্ট হবে। পরীক্ষায় তাক লাগানো ভালো রেজাল্ট পেতে চাইবে তাকে কিছু পদক্ষেপ মেনে সামনে এগুতে হবে।

প্রথমত দৈনন্দিন জীবন যাপনের একটি রুটিন ম্যাপ একে নিন:

কেননা সফলতা লাভে সঠিক প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজন সঠিক সময় নির্দেশনা। তাই রুটিনমাফিক দিন অতিবাহন অত্যন্ত জরুরি। প্রথমত মোটা দাগের বিষয়াদির জন্য একটি রুটিন তৈরি করুন। উদাহরণত কটায় ঘুমাবেন, কটায় ঘুম থেকে উঠবেন, নাস্তা ও খাবার গ্রহণ, খেলাধুলা এবং শারীরিক ব্যায়াম এর জন্য সময় নির্ধারণ করা। দৈনিক পাচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য নামাজের সময় গুলো সর্ব ধরণের ব্যস্ততা মুক্ত রাখা। এবং নামাজ ও উপাসনার প্রতি যত্নবান হওয়া। এতে আপনার কাজে গতিময়তা আসবে।

পড়ালেখার জন্য নির্ধারিত সময় কে প্রতিটি বিষয়ের জন্য পর্যাপ্ত পরিমান ভাগ করে নিয়ে একটি টাইম রুটিন তৈরি করে ফেলুন। এতে করে সকল বিষয় যেমন সমান গুরুত্ব দেয়া যায় তেমনি পড়াটাও সহজতর হয়। এবং সব বিষয়ে’র দূর্বলতা কেটে যাবে। যাবতীয় সব বিষয়ের মৌলিক জ্ঞান সম্পর্কে সম্যক ধারনা রাখা। এতে প্রাসঙ্গিক বিষয় সমুহ আয়ত্ত করতে সুবিধে হবে।

অতিরিক্ত রাত জাগা পরিহার করুন:

আমরা সাধারণত মোবাইল আড্ডাবাজি ইত্যাদির পিছে পড়ে প্রায়শই রাত জেগে কাটাই। এতে আমাদের মেধাশক্তি’র উপর প্রচন্ড প্রভাব ফেলবে। ফলে সহজে পড়া বুজে আসবেনা। তখন নৈরাশ হয়ে অনেকেই পড়ালেখা ছেড়ে দিতে চাইবে। অথচ সে ঘুর্ণাক্ষরেও জানতে পারেনা তার এই দূর্দশার মূল কারন সে নিজেই। মূলত মানবের মস্তিষ্কে স্মৃতি তৈরীর কাজটি ঘুমের মধ্যে হয়। নিয়মিত রাতের ঘুম তাই অত্যন্ত জরুরী। লরেন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত রাত জাগা মস্তিষ্কের ক্ষতিসাধন করে। নর্থ টেক্সাসের আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে অতিরিক্ত রাত জাগা চোখের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। এ ক্ষেত্রে রাত্রে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ে সকালে দ্রুত উঠে পড়া’র চেষ্টা করা। 

নিয়মিত ক্লাশে উপস্থিতি:

একজন ছাত্রে’র আদর্শ ছাত্র হওয়ার সর্বপ্রধান গুন হতে হবে ক্লাশে অনুপস্থিত না থাকা। নিয়মিত সব ক্লাশে অংশ নেয়া। মনাযোগ দিয়ে লেকচার শুনা এবং লেকচারের গুরত্বপুর্ন পয়েন্টগুলো খাতায় নোট করে নেয়া। পরবর্তী তে বাসায় ফিরে ক্লাশের পড়া তৈরি করা রিভাইস দেয়া রিহার্সাল করা। এবং সকল বিষয়ের জন্য আলাদা নোট খাতা রাখা। নোট করে পড়া ভাল ফলাফলের জন্য বেশ কার্যকর। ভাল নোট পাঠে মনোযোগ বাড়ায় এবং পাঠকে আকর্ষণীয় করে তুলে। তাছাড়া নোট করলে পরীক্ষার আগেই একবার বিষয়টি সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। এতে প্রস্তুতি নিতে বেশ সুবিধা হয়। পড়াগুলোকে সুবিন্যস্ত করে সাজিয়ে পড়া শুরু করা পড়া শুরু করতে হবে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে। পড়াগুলোকে নিজের মতো করে সাজাতে হবে। মুখস্থ করা বিষয় সমুহ না দেখে লিখার অভ্যাস গড়ে তোলা। এতে লংটাইম পড়া মুখস্থ থাকে। অংকের ক্ষেত্রে একবার অংক বুঝে’ই পরিতৃপ্তি তে না ভুগা বরং বার কয়েক অংক রিহার্সাল করা।

সবশেষে সব থেকে প্রয়োজনীয় পয়েন্ট:

সব সময় শিক্ষক দের কে সম্মান দিয়ে চলা শিক্ষক দের সাথে কোনরুপ বেয়াদবি না করা। উনাদের অসম্মানিত না করা। সমালোচনা থেকে বিরত থাকা।

বিঃদ্রঃ একটানা অনেকক্ষণ পড়ার চেয়ে বিরতি দিয়ে পড়া অনেক বেশি কার্যকর। এক নাগাড়ে বেশ কিছুক্ষণ ধরে পড়লে পড়ায় মনযোগ ধরে রাখা যায় না। এ কারনে টানা অনেকক্ষণ না পড়ে প্রতি ২০-২৫ মিনিট পর পড়ার মাঝে অন্তত ৫ মিনিট বিরতি দিন। বিরতি নেওয়ার ফলে মস্তিষ্কের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং পড়া খুব সহজেই আয়ত্ত করা যায়।

পরিশিষ্টঃ কোন ছাত্র যদি উপরোল্লিখিত পয়েন্ট সমূহ আয়ত্ত করত নিজের দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ করে এবং নিজের পড়ালেখার জীবন কে একটি সুন্দর আদর্শ টাইম রুটিনের আওতায় নিয়ে আসে তাহলে বাজি ধরে বলা যায় উক্ত ছাত্র তার লক্ষে পৌছাবেই। সে নিজেকে আবিস্কার করতে পারবে একজন আদর্শ ছাত্র রুপে। আর একজন আদর্শ ছাত্রের রেজাল্ট কি কখনো খারাব হয়। তাই বলাই যায় তার রেজাল্ট হবে সবার থেকে অন্যতম রেজাল্ট।

একাদশে ভর্তিতে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদনের সুযোগ শিক্ষার্থীদের
                                  

মহামারির কারণে অনিশ্চয়তা দেখা গেলেও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে এবারে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া প্রায় ষোল লাখ শিক্ষার্থীর কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে আগামী ৯ অগাস্ট।

সাধারণত বাংলাদেশে স্বাভাবিক সময়ে পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিন দেশের কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী অভিভাবকদের যেমন ভিড় থাকে তেমনি কলেজে ভর্তি কার্যক্রমগুলোর সময়েও কলেজগুলো জমজমাট থাকে। কিন্তু এবার করোনাভইরাস মহামারির কারণে পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে আর শিক্ষার্থীরা স্কুল প্রাঙ্গণে না গিয়ে ফল জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেছে বোর্ডের এসএমএস বা ওয়েবসাইটগুলো থেকে জানার জন্য।

এরপর কিছুটা উদ্বেগ ছিলো মহামারিকালে কিভাবে হবে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হওয়ার প্রক্রিয়া।

এবার কর্তৃপক্ষ আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো যে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তির আবেদন নেয়া শুরু হবে দশই মে আর শেষ হবে ২৫শে জুন। একই সাথে ক্লাস শুরুর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিলো পহেলা জুলাই থেকে। কিন্তু মহামারি পরিস্থিতি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয় কিনা তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়।

কারণ মার্চের শুরুতে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পরেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার এবং পরিস্থিতি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত এগুলো খুলে দেয়ারও সম্ভাবনা নেই। সে জন্য পনেরই জুন পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানিয়েছিলেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মুহাম্মদ জিয়াউল হক।

তিনি বলছেন সবকিছু বিবেচনা করে সব কার্যক্রম অনলাইনে করার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং আগামী ৯ই অগাস্ট শুরু হয়ে ভর্তি কার্যক্রম চলবে পনেরই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

কীভাবে আবেদন করা যাবে, সর্বোচ্চ কয়টি কলেজে?

কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করবেন। একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ দশটি কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন। পরে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীর কলেজ চূড়ান্ত হবে।

পুরো প্রক্রিয়াটি বুয়েটের সহযোগিতায় সম্পন্ন করা হবে বলে বলছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান। তিনি জানান বোর্ডের একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট আছে ভর্তি কার্যক্রমের জন্য এবং কলেজগুলো এর সাথে পরিচিত।

নিয়মানুযায়ী বিজ্ঞান শাখা থেকে উত্তীর্ণরা যে কোনো বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাবে। তবে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা উভয় বিভাগে ভর্তি হতে পারবে।

কীভাবে সম্পন্ন হবে ভর্তি প্রক্রিয়া?

বাংলাদেশের গ্রাম, ইউনিয়ন থেকে শুরু করে সব জায়গায় এখন কলেজ আছে যেখানে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি করানো হয়। কিভাবে হবে এসব জায়গায় অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম?

জবাবে প্রফেসর মুহাম্মদ জিয়াউল হক বলছেন, "দেশের সব কলেজের সাথে বোর্ডের ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগ আছে। প্রতিটি কলেজই অনলাইনে সংযুক্ত। তারাই শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করবে"।

প্রসঙ্গত দেশে প্রায় পনের হাজারের মতো প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর কার্যক্রম আছে।

মিস্টার হক বলছেন, "গত ৫ বছরে সার্বিক সকল ভর্তি কার্যক্রম আমরা অনলাইনে করার চর্চা করছি ফলে শিক্ষার্থীদের সমস্যা হবে না। ইন্টারনেট সব কলেজে আছে। যারা নিজেরা আবেদন করতে পারবেনা তারা কলেজে যোগাযোগ করলে তাদেরকে কলেজ সহায়তা করবে"।

কিন্তু সব জায়গায় ইন্টারনেট সুবিধা আছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন সব জায়গাতেই ইন্টারনেট সুবিধা আছে।

"কলেজের সাথে শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল কাজের যোগাযোগ এখন ইন্টারনেটভিত্তিক। তাছাড়া প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভর্তির সময় হেল্প ডেস্ক চালু করবে শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য," বলছিলেন তিনি।

সহজে আবেদনের সুযোগ এবার মিলবে?

সাধারণ প্রতি বছর কলেজে ভর্তির তারিখ ঘোষণার পর দেশজুড়ে কলেজগুলোকে ঘিরে অসংখ্য ছোটো দোকান গড়ে উঠতে একটি বা দুটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার নিয়ে। এসব ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে বেসরকারি এসব প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের আবেদনে সহায়তা করতো। আবার মফস্বল এলাকায় শিক্ষকরাও অনেক শিক্ষার্থীকে নিজের কলেজে ভর্তির জন্য আবেদনে সহায়তা করতেন।

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার আমানুল্লাহ কলেজের শিক্ষক নাসিমা বেগম বলছেন, এবার এসব দোকানে বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতে ভিড় না হয় সেটিও তাদের বিবেচনা করতে হবে।

"সামাজিক দূরত্ব ও সরকারি সব নির্দেশনার বিষয়গুলো বিবেচনা করেই এবারে ভর্তি কার্যক্রম হবে। আমাদের অধ্যক্ষ ২/১ দিনের মধ্যেই এগুলো চূড়ান্ত করবেন সবার সাথে আলোচনা করে," বলছিলেন তিনি।

তিনি বলেন, সবার অনলাইন সুবিধা নেই এটি সত্যি এবং এই মহামারি পরিস্থিতিতে কিভাবে তারা সহায়তা পেতে পারে সেগুলোও শিক্ষকরা ভাবছেন।

"আশা করি ৯ই অগাস্ট ভর্তি কার্যক্রম শুরুর আগেই এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে যাতে করে শিক্ষার্থীরা সহজেই কলেজে ভর্তি হতে পারে"। সূত্র : বিবিসি

সাত কলেজের পরীক্ষা হবে ওএমআরে
                                  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের সকল পরীক্ষা করোনাভাইরাস পরবর্তী সময়ে ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। দ্রুত ফল প্রকাশ করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও সাত কলেজের সমন্বয়ক (ফোকাল পয়েন্ট) আধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার।

তিনি বলেন, ‘করোনা পরবর্তী পরীক্ষাগুলো ওএমআর পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। ওএমআর পদ্ধতি চালু হলে ফলাফল প্রকাশের সময় আগের চেয়ে দুই মাস কমে যাবে।’

অধ্যাপক সেলিম উল্লাহ বলেন, ‘খাতা দেখা শেষ হলে ১০-১৫ দিনের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে। ওএমআর পদ্ধতির খাতা ইতোমধ্যে আমরা কলেজে পেয়ে গেছি।’

ফলাফল দ্রুত প্রকাশসহ পাঁচ দফা দাবিতে ২০১৯ সালের এপ্রিলে আন্দোলন করে অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে এক সভায় পরবর্তী এক বছরের মধ্যে ওএমআর পদ্ধতি চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত ঈদের পর
                                  

ঈদুল আজহার পর শুরু হবে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম। আগস্টে করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পরই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের একটি নির্ভরশীল সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে। করোনা সংক্রমণের মধ্যে সরকার গত ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। দীর্ঘ দুই মাস লকডাউনের পর অফিস-কারখানা-যানবাহন চালু করে কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করা হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেয়নি সরকার। ঈদুল আজহার ছুটির পর ৬ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। করোনা পরিস্থিতির জন্য পেছানো

হয়েছে এ বছরে এইচএসসি পরীক্ষা। এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশেও বিলম্ব হয়। গত মে মাসের ৩১ তারিখে এ ফল প্রকাশ হলেও একাদশ শ্রেণির ভর্তির কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি। গত কয়েক বছর ধরে ঢাকা বোর্ডের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে।

গতকাল বুধবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক আমাদের সময়কে জানান, একাদশ শ্রেণির ভর্তির কার্যক্রম শুরুর করার মতো প্রস্তুতি বোর্ডের আছে। তবে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি কবে থেকে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। আমরা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আমাদের সময়কে জানান, একাদশ শ্রেণির ভর্তি ঈদের ছুটির পরই শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার সব প্রস্তুতিও আছে। যে কোনো সময় এডমিশন সার্কুলার জারি করা হতে পারে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা প্রসঙ্গে দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, আগস্ট মাস করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এখনো করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে নেই। গড় হিসেবে মৃতের সংখ্যা ৩০-এর ওপর। আক্রান্তের হারও সন্তোষজনক নয়। আক্রান্তের হার দুই সংখ্যায় আর মৃতের সংখ্যা শূন্যের কোঠায় এলে বোঝা যাবে মহামারী নিয়ন্ত্রণ হয়েছে। এখনো আমরা করোনায় অনিশ্চিত গন্তব্যে আছি।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, শিক্ষা বর্ষে প্রায় পাঁচ মাস বন্ধে যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে পুরো শিক্ষাব্যবস্থায় তা থেকে উত্তরণের বেশ কিছু উপায় নিয়ে কাজ করছে শিক্ষা প্রশাসন। প্রাথমিক, মাধ্যমিক স্তরে সিলেবাস কমানো, শিক্ষা ক্যালেন্ডারের ছুটি কমানো, বার্ষিক পরীক্ষা ডিসেম্বরে নেওয়া অথবা চলতি শিক্ষা বর্ষ আরও বৃদ্ধি করে আগামী বছরের প্রথম দুই-তিন মাস পর্যন্ত বাড়ানোর চিন্তাও করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে কোন পদ্ধতি কার্যকর করা হবে- এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ঈদের পর অন্তত আগস্ট মাসের করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলেও অনলাইন, টেলিভিশনে ক্লাস পরিচালনা করছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। এ পদ্ধতি শতভাগ কার্যকর নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ডিশ সংযোগ সুবিধা, টিভি না থাকা, ইন্টারনেট দুর্বল, অনেক জায়গায় ইন্টারনেট সুবিধা না থাকা, এমনকি অনলাইন ক্লাস নেওয়ার ডিভাইস/মোবাইল অভিভাবকদের সহজলভ্য না হওয়ায় গ্রাম-শহরের সব শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছেনি অনলাইন শিক্ষা পদ্ধতি। করোনাকালে সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় দেশের প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থী এখন ঘরবন্দি।

চমেকে ছাত্রলীগের দুপক্ষে সংঘর্ষ, আহত ৮
                                  

আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ছাত্রলীগের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।


রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

শিক্ষা উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান নওফেল ও চট্টগ্রামের সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

আজ সকালে নওফেল ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রেজাউল করিম স্বাস্থ্যসামগ্রী দিতে চট্টগ্রাম মেডিকেলে যান। তার কর্মসূচি শেষ করে ক্যাম্পাস ছাড়ার পরই এ সংঘর্ষ বেধে যায়।

এতে আহত হন ৫৮তম ব্যাচের খোরশেদ বিন মেহেদি ও ইমন শিকদার, ৬০তম ব্যাচের অভিজিত দাস, ফরহাদুল ইসলাম, হোজাইফা বিন কবির, কনব দেবনাথ এবং ৬১তমের সাজেদুল ও মিনহাজ।

আহতরা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন। তারা সবাই নওফেল অনুসারী।

সংঘর্ষের পর মেডিকেল কলেজের চারপাশে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে পুলিশ।

সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত একপক্ষ মেডিকেল গোলচত্বরে, আরেক পক্ষ মেডিকেল কলেজের বাইরে অবস্থান করছে।

হিফজ মাদ্রাসা খোলার অনুমতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি
                                  

দেশের সব হিফজ মাদ্রাসা খোলার অনুমতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। আগামী ১২ জুলাই (রোববার) থেকে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করতে পারবে হিফজ মাদরাসাগুলো।


বুধবার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের আবেদনের ভিত্তিতে এই অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।


মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মুহা. আবুল কালাম আযাদের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস) এর প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতিতে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে হাফিজিয়া মাদ্রাসা এবং হিফজখানার কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে।

হাফিজিয়া মাদ্রাসা এবং হিফজখানার শিক্ষা কার্যক্রমে নিরবচ্ছিন্ন অধ্যাবসায়ের আবশ্যকতার কথা উল্লেখ করে এর কার্যক্রম চালু করার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরামের পক্ষ হতে আবেদন করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে আবেদনের বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করে শুধুমাত্র হাফিজিয়া মাদ্রাসা/হিফজখানার কার্যক্রম আগামী ১২ জুলাই থেকে চালু করার অনুমতি প্রদান করা হল।

প্রসঙ্গত, ঈদুল ফিতরের পর থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে কওমি মাদ্রাসা খুলে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন আলেমরা। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় এতদিন সে অনুমতি পাওয়া যায় নি। ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির সুবিধার্থে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কওমি মাদ্রাসার অফিস খোলার অনুমতি দেয়া হয়েছিল।

গত কয়েকদিন আগে এ বিষয়ে জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের একটি প্রতিনিধি দল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করেন। এ সময় আসন্ন কোরবানির ঈদের আগেই সীমিত পরিসরে হলেও কওমি মাদ্রাসা খোলার আবেদন জানান তারা।

জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সহ-সভাপতি ড. মাওলানা মুশতাকের নেতৃত্বে ওই প্রতিনিধি দলে ছিলেন মাওলানা ইয়াহয়া মাহমুদ, বোর্ডের মহাসচিব মুফতি মোহাম্মদ আলী ও মাওলানা মুজিবুর রহমান।

সে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের হিফজ মাদ্রাসাগুলো খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

যে কোনো বয়সে পলিটেকনিকে ভর্তি হওয়া যাবে
                                  

পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে কোনো রকমের বয়সের সীমাবদ্ধতা থাকছে না। কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বিদেশফেরত দক্ষ কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার জন্যই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নসংক্রান্ত এক ভার্চুয়াল মিটিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। বুধবার এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দীনের সভাপতিত্বে এই মিটিংয়ে আরো যুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরি এমপি, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সফিউদ্দিন আহমেদ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সানোয়ার হোসেন, মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর কায়সার আহমেদ, কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. মুরাদ হোসেন মোল্লাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মন্ত্রী বলেন, অনেক ব্যক্তির হয়তো প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা আছে কিন্তু তার প্রাতিষ্ঠানিক কোনো সার্টিফিকেট নাই এবং সার্টিফিকেট না থাকার কারণে ভালো চাকরি পাচ্ছেন না অথবা চাকরি পেলেও ভালো বেতন পাচ্ছেন না। সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যদি চান এবং যদি তার প্রয়োজনীয় একাডেমিক যোগ্যতা থাকে, তাহলে তিনি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন। একই মিটিংয়ে তিনি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে ছেলেদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতা জিপিএ ৩ দশমিক ৫ থেকে কমিয়ে ২ দশমিক ৫, মেয়েদের ক্ষেত্রে জিপিএ ৩ থেকে কমিয়ে ২ দশমিক ২৫ করার সিদ্ধান্ত দেন।

পাশাপাশি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি ফি ১ হাজার ৮২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ১ হাজার ৯০ টাকা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন। তাছাড়া মন্ত্রী এ মাসের মধ্যে কারিগরি মাদ্রাসা বিভাগের শিক্ষকদের এমপিওর অর্থ ছাড় করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রদান করেন। বৈঠকে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের নীতিমালা, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর আইন, ২০২০ এবং এর নিয়োগবিধি প্রণয়নসহ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।


   Page 1 of 67
     শিক্ষা-সাহিত্য
পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা বাতিলের প্রস্তাব
.............................................................................................
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিনা টিসিতে শিক্ষার্থী ভর্তির নির্দেশ
.............................................................................................
আজ থেকে একাদশ শ্রেণির ভর্তি শুরু
.............................................................................................
এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতেই উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হওয়ার সুযোগ
.............................................................................................
আগামী রোববার থেকে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তির কার্যক্রম শুরু
.............................................................................................
অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের বিশেষায়িত ইন্টারনেট প্যাকেজ
.............................................................................................
জেনে নেই বুঝে বুঝে দ্রুত পড়ার কিছু কৌশল
.............................................................................................
পরীক্ষায় ভালো ফল পেতে হাতের লিখার কার্যকরী কৌশল
.............................................................................................
যে কৌশলে হতে পারি ইতিবাচক চিন্তাশীল
.............................................................................................
চলো আমিও হই আদর্শ ছাত্র
.............................................................................................
একাদশে ভর্তিতে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদনের সুযোগ শিক্ষার্থীদের
.............................................................................................
সাত কলেজের পরীক্ষা হবে ওএমআরে
.............................................................................................
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত ঈদের পর
.............................................................................................
চমেকে ছাত্রলীগের দুপক্ষে সংঘর্ষ, আহত ৮
.............................................................................................
হিফজ মাদ্রাসা খোলার অনুমতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি
.............................................................................................
যে কোনো বয়সে পলিটেকনিকে ভর্তি হওয়া যাবে
.............................................................................................
করোনায় ঘরবন্দী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ৮০ ভাগ কমেছে
.............................................................................................
সেপ্টেম্বরে স্কুল খুললে ডিসেম্বরে পরীক্ষা
.............................................................................................
এইচএসসি জেএসসি পিইসি ও বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে সংশয়
.............................................................................................
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি আরো বাড়ালো
.............................................................................................
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ৬ আগস্ট পর্যন্ত
.............................................................................................
বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান
.............................................................................................
এশিয়ার শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় নেই বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠান
.............................................................................................
করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে এইচএসসি পরীক্ষা সম্ভব না: শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
১০৪ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি, শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে
.............................................................................................
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল রবিবার
.............................................................................................
এসএসসি’র ফল প্রকাশ ৩১ মে
.............................................................................................
ঈদের আগে আর হচ্ছে না এসএসসির ফল ঘোষণা
.............................................................................................
এসএসসির ফল চলতি মাসে
.............................................................................................
উপবৃত্তির সাথে শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে জামা-জুতা-ব্যাগ
.............................................................................................
অনলাইনে ক্লাস-পরীক্ষার অনুমতি পেল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
.............................................................................................
অবৈধ শিক্ষার্থীরা হলে থাকতে পারবে না: ঢাবি
.............................................................................................
`পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুত ৩৮তম বিসিএসের ফলাফল প্রকাশ করবে পিএসসি`
.............................................................................................
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবার পর ১৫ দিন সময় রেখে এইচএসসির সময়সূচি
.............................................................................................
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত, প্রকাশ হবে নতুন রুটিন
.............................................................................................
শিক্ষার্থীদের বাইরে ঘোরাফেরা না করতে আবারও নির্দেশনা
.............................................................................................
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ
.............................................................................................
করোনা উদ্বেগে ঢাবির দুই বিভাগ ও বুয়েটে ক্লাস বর্জন
.............................................................................................
বিশেষজ্ঞদের মতামতের প্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবেু: দীপু মনি
.............................................................................................
মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে আগামী বছর থেকে
.............................................................................................
মাধ্যমিকের পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে তথ্য-প্রযুক্তি সংক্রান্ত বিষয়: শিক্ষা উপমন্ত্রী
.............................................................................................
রাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ
.............................................................................................
সমন্বিত হচ্ছে না, গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিকল্পনা ইউজিসির
.............................................................................................
প্রাথমিকে বৃত্তি পেল সাড়ে ৮২ হাজার শিক্ষার্থী
.............................................................................................
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষককে অব্যাহতি
.............................................................................................
কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় যাচ্ছে না ঢাবি ও রাবি
.............................................................................................
দেশের ৭ হাজার ১৮টি প্রাইমারি স্কুল চলছে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই
.............................................................................................
পরীক্ষার রুটিন পরিবর্তনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
.............................................................................................
প্রাথমিকে ৭৫টি সহকারী শিক্ষকের পদ সংরক্ষণের নির্দেশ হাইকোর্টের
.............................................................................................
৪১তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী এপ্রিল
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
সম্পাদক মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী

সম্পাদক কর্তৃক ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন,
ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ইউরোপ মহাদেশ বিষয়ক সম্পাদক- প্রফেসর জাকি মোস্তফা (টুটুল)
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন : ০২-৯৫৬২৮৯৯ মোবাইল: ০১৬৭০-২৮৯২৮০
ই-মেইল : swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD