বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   শিক্ষা-সাহিত্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
এসএসসি পরীক্ষার সংশোধিত সূচি প্রকাশ

২০২০ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার সংশোধিত সূচি প্রকাশ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপকমিটি। বরাবরের মতো ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের বৃহত্তম এই পাবলিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও স্বরস্বতী পূজা ও ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কারণে শনিবার তা পিছিয়ে নেওয়া হয়। পরিবর্তিত তারিখ অনুযায়ী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পরীক্ষা শুরু হবে। আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পিছিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে অনুষ্ঠানের নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শনিবার এ তথ্য প্রকাশ করা হলেও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গতকাল রোববার এসএসসি পরীক্ষার সংশোধিত সূচি প্রকাশ করে মন্ত্রণালয়।


সূচি অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আগামি ৩ ফেব্রুয়ারি তত্ত্বীয় পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি। ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হবে ৫ মার্চ।


সূচি অনুযায়ী প্রথম দিন ৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্র, ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ৬ ফেব্রুয়ারি ইংরেজি প্রথম পত্র, ৯ ফেব্রুয়ারি ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র, ১১ ফেব্রুয়ারি গণিত, ১২ ফেব্রুয়ারি তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তি, ১৩ ফেব্রুয়ারি গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, কৃষি, সংগীত, আরবি, সংস্কৃত, পালি, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া এবং চারু ও কারুকলা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


১৫ ফেব্রুয়ারি ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা, হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা ও খ্রিস্ট ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
১৭ ফেব্রুয়ারি পদার্থ বিজ্ঞান, বাংলদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, ১৮ ফেব্রুয়ারি ভূগোল ও পরিবেশ, ২০ ফেব্রুয়ারি রসায়ন, পৌরবিজ্ঞান ও নাগরিকতা এবং ব্যবসায় উদ্যোগ, ২২ ফেব্রুয়ারি হিসাববিজ্ঞান, ২৩ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞান, উচ্চতর গণিত, ২৪ ফেব্রুয়ারি জীববিজ্ঞান ও অর্থনীতি, ২৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচিতি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হবে ১৩ ফেব্রুয়ারি এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা ১৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

এসএসসি পরীক্ষার সংশোধিত সূচি প্রকাশ
                                  

২০২০ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার সংশোধিত সূচি প্রকাশ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপকমিটি। বরাবরের মতো ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের বৃহত্তম এই পাবলিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও স্বরস্বতী পূজা ও ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কারণে শনিবার তা পিছিয়ে নেওয়া হয়। পরিবর্তিত তারিখ অনুযায়ী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পরীক্ষা শুরু হবে। আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পিছিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে অনুষ্ঠানের নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শনিবার এ তথ্য প্রকাশ করা হলেও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গতকাল রোববার এসএসসি পরীক্ষার সংশোধিত সূচি প্রকাশ করে মন্ত্রণালয়।


সূচি অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আগামি ৩ ফেব্রুয়ারি তত্ত্বীয় পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি। ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হবে ৫ মার্চ।


সূচি অনুযায়ী প্রথম দিন ৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্র, ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ৬ ফেব্রুয়ারি ইংরেজি প্রথম পত্র, ৯ ফেব্রুয়ারি ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র, ১১ ফেব্রুয়ারি গণিত, ১২ ফেব্রুয়ারি তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তি, ১৩ ফেব্রুয়ারি গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, কৃষি, সংগীত, আরবি, সংস্কৃত, পালি, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া এবং চারু ও কারুকলা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


১৫ ফেব্রুয়ারি ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা, হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা ও খ্রিস্ট ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
১৭ ফেব্রুয়ারি পদার্থ বিজ্ঞান, বাংলদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, ১৮ ফেব্রুয়ারি ভূগোল ও পরিবেশ, ২০ ফেব্রুয়ারি রসায়ন, পৌরবিজ্ঞান ও নাগরিকতা এবং ব্যবসায় উদ্যোগ, ২২ ফেব্রুয়ারি হিসাববিজ্ঞান, ২৩ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞান, উচ্চতর গণিত, ২৪ ফেব্রুয়ারি জীববিজ্ঞান ও অর্থনীতি, ২৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচিতি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হবে ১৩ ফেব্রুয়ারি এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা ১৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ: কোটার ব্যাখ্যা দিল অধিদফতর
                                  

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে নারী শিক্ষকের চেয়ে বেশি সংখ্যক পুরুষ শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ার ব্যাখ্যা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০১৮ এর প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলে সরকারি কোটাবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। গত শুক্রবার ডিপিইর অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এমন ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০১৮ এর চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৩ বিধি ৭(ক) অনুযায়ী কোনো একটি উপজেলার মোট পদের ৬০ শতাংশ নারী, ২০ শতাংশ পোষ্য ও ২০ শতাংশ পুরুষ কোটা নির্ধারিত থাকে। আবার বিধি ৭(খ) অনুযায়ী নারী, পোষ্য ও পুরুষ- এই তিন ধরনের কোটা পূরণের ক্ষেত্রে আবার চার ধরনের কোটা অনুসরণ করা হয়।

এগুলো হলো- এতিমখানা নিবাসী ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ৩০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ৫ শতাংশ এবং আনসার ও ভিডিপি সদস্য ১০ শতাংশ। নারী, পোষ্য ও পুরুষ কোটায় এই চার ধরনের কোটা অনুসরণের পর প্রতিটিতে অবশিষ্ট ৪৫ শতাংশ মেধা কোটা থেকে পূরণ করার নিয়ম রয়েছে। বলা হয়, কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়া গেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০১৮ সালের ৫ এপ্রিল জারি হওয়া স্মারক ও শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালার বিধি ৭(১)(খ) অনুযায়ী নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সাধারণ মেধাক্রম থেকে পূরণ করা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এবারের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বিভিন্ন শ্রেণি-কোটায় নির্বাচনযোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় শূন্যপদসমূহ সাধারণ প্রার্থীদের দ্বারা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে মেধাক্রম অনুসারে পূরণ করা হয়েছে।

এ প্রক্রিয়ায় বিধিসম্মতভাবেই কিছু উপজেলায় নির্বাচিত পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যা নির্বাচিত নারী প্রার্থীর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি হয়েছে। অধিদফতরের দাবি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০১৮ এর প্রকাশিত চূড়ান্ত ফল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিগরি সহায়তায় উন্নত সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে মানবীয় হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ ছিল না। ব্যবহৃত সফটওয়্যারে সরকারি কোটাবিধি সঠিক ও যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে অতএব প্রত্যেক প্রার্থী বিধি অনুযায়ী মূল্যায়িত হয়েছেন। এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ভোট পেছানোর দাবিতে অনশনে অসুস্থ ঢাবির ৯ শিক্ষার্থী, ভিসির সংহতি
                                  

 আগামী ৩০ জানুয়ারি স্বরস্বতী পূজার দিন ঘোষিত ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশনে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ৯ জন। এদের মধ্যে কয়েকজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কয়েকজনকে রাখা হয়েছে স্যালাইন দিয়ে। এদিকে শিক্ষার্থীদের অনশনে সংহতি প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। গতকাল শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত ৯ শিক্ষার্থীর অসুস্থতার খবর পাওয়া যায়।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ অনশন শুরু করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তীব্র শীত ও না খাওয়ার কারণে যে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তারা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) উৎপল বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) কাজল দাস, থিয়েটার অ্যান্ড পারফরমেন্স বিভাগের অপূর্ব চক্রবর্তী, সয়েল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট বিভাগের অর্ক সাহা, টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সবুজ কুমার, সয়েল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট বিভাগের জয়ন্ত বণিক, পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের সুকেশ দেবনাথ, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের রবিউল আওয়াল রবি, সয়েল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট বিভাগের ভবতোষ চন্দ্র রায়। এদিকে শিক্ষার্থীদের অনশনে সংহতি প্রকাশ করে উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামান বলেন, নির্বাচনের তারিখ-দিনক্ষণ ঠিক করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। ৩০ তারিখ নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক করার আগে তাদের ভাবা উচিত ছিল যে, এই তারিখ নির্ধারণ কোনো মূল্যবোধ বা কোনো চেতনার পরিপন্থী হয় কি-না।

কেননা স্বরস্বতী পূজা এমন একটি ধর্মীয় উৎসব, যেখানে অসাম্প্রদায়িক আবেদন রয়েছে। আবহমান কাল থেকে এই ধর্মীয় অনুভূতি একটি অসাধারণ ভূমিকা পালন করছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণির মানুষ পবিত্র স্বরস্বতী পূজায় অংশ নিয়ে থাকে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এর আবেদন আরও গভীরভাবে অনুভূত হয়। উপাচার্য আরও বলেন, আমি মনে করি যদি আইন-আদালতের কোনো ঝামেলা না থাকে, তা হলে অসাম্প্রদায়িক চেতনার দিকটি বিবেচনা করে আর কালবিলম্ব না করে নির্বাচন কমিশনের এই তারিখটি পরিবর্তন করা উচিত। এ সময় উপাচার্যের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল সাহা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) জিএস (সাধারণ সম্পাদক) গোলাম রাব্বানী, এজিএস সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি-ডিএসসিসি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই ভোটগ্রহণের তারিখ পেছানোর দাবি করে আসছিল সনাতন সম্প্রদায়। নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে ৩০ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণের পর ওই সম্প্রদায় বলে আসছিল, সেদিন স্বরস্বতী পূজার আয়োজন আছে, তাই ভোটগ্রহণের তারিখ পেছানো হোক। এমনকি বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে চিঠি চালাচালি ও বৈঠকের পর হাইকোর্টে রিটও করা হয়। তবে হাইকোর্ট সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এ রিট খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে ৩০ জানুয়ারিই ভোটগ্রহণ হতে চলেছে।

চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ১০টি দোতলা বাস উপহার
                                  

 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বন্দরনগরী চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য বিআরটিসি চট্টগ্রামকে ১০টি দোতলা বাস উপহার হিসেবে প্রদান করেছেন। বিআরটিসির এক কর্মকর্তা জানান, এই বাসগুলো বন্দরনগরীর দুটি রুটে সকাল এবং সন্ধ্যায় চলাচল করবে এবং আগামি ২০ জানুয়ারির পর থেকে এই চলাচল শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সকল শিক্ষার্থী বিশেষ করে সরকারী, বেসরকারি স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যেকোনো গন্তব্যে ন্যূনতম ৫ টাকা ভাড়ার বিনিময়ে এই বাসে চলাচলের সুযোগ পাবে। এসব বাসের সামনে এবং পেছনে ‘সততা বাক্স’ নামে দুটি বাক্স রক্ষিত থাকবে যেখানে শিক্ষার্থীরা নিজস্ব উদ্যোগেই এর ভাড়ার টাকা জমা করবেন। এই বাস চালু হলে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি, যাতায়াত খরচ এবং গণপরিবহনের ওপর নির্ভরতা কমবে বলেই সাধারণ জনগণের ধারনা। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ ইলিয়াস হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের জন্য এই ১০টি দোতলা বাস উপহার প্রদান করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রী নিজেই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শীঘ্রই এই সার্ভিস উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই বাসের ১ নং রুট হচ্ছে- বহদ্দারহাট থেকে শুরু হয়ে নিউ মার্কেট ভায়া বাদুরতলা, মুরাদপুর, চকবাজার, গণি বেকারী, জামালখান, চেরাগি পাহাড়, অন্দরকিল্লা এবং কোতোওয়ালি এলাকা। অপর ২ নং রুটটি হচ্ছে- অক্সিজেন মোড় থেকে আগ্রাবাদ হয়ে মুরাদপুর, জিইসি মোড়, ওয়াসা মোড় এবং টাইগারপাস এলাকা। সংশ্লিষ্ট বিআরটিসি সূত্র জানায়, প্রতি মাসে এসব বাস থেকে ৪ লাখ করে টাকা আয় হবে। তবে, প্রতি মাসে ব্যয় হবে প্রায় ৯ লাখ টাকা।

এসব বাস পরিচালনার ব্যয়ের ঘাটতি পূরণ করতে, জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের সাথে প্রতিবছর ১ কোটি ২০ লাখ টাকার বিজ্ঞাপন প্যাকেজের জন্য ২ বছরের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চট্টগ্রাম বিআরটিসির ডিপো ম্যানেজার এমজে রহমান এবং জিপিএইচের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলমাস শিমুল চুক্তি সাক্ষর করেছেন। বিআরটিসি ডিপো সূত্র জানায়, ছুটির দিন ব্যতীত প্রত্যেকদিন সকালের শিফটের বাসগুলো সকাল ৬টা ১৫ মিনিট থেকে সোয়া ১২ পর্যন্ত এবং বিকেলের শিফট ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে চলাচল করবে।

ধর্ষককে নিয়ে জনমনে সন্দেহ ও উদ্বেগ রয়েছে: নুর
                                  

 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় মজনুকে গ্রেফতার বিষয়ে জনমনে সন্দেহ ও উদ্বেগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাকসু ভিপি নরুল হক নুর। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘ধর্ষণ ও নিপীড়নবিরোধী’ পদযাত্রা শুরুর আগে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। এসময় তিনি বলেন, ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু স্বস্তির পরিবর্তে জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

একটি দেশের আইনশৃঙ্খলার রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি কতটুকু অনাস্থা থাকলে মানুষ অপরাধীদের ধরা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে পারে। কারণ আপনারা ইতোমধ্যে দেখেছেন, যাকে ধরা হয়েছে সে আসল ধর্ষক কি না এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকের সন্দেহ আরেকটি জজমিয়া নাটক সাজানো হয়েছে। যদিও আমরা জানি না সে কী, তবে আমরা ধরেই নিচ্ছি যে, সে আসল ধর্ষক। ভিপি নুর আরও বলেন, এটা কিন্তু দেশের জন্য খুবই একটি অ্যালারমিং ব্যাপার, যে একটি দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি দিন দিন মানুষের অনাস্থা তৈরি হচ্ছে। সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করতে হবে। এসময় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশ করে বলেন, ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় অপরাধীকে দ্রুত গ্রেফতার করায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও ধিক্কার জানাই। করাণ তিন বছর পেরিয়ে গেলেও তনুর হত্যাকারী ও ধর্ষককে শনাক্ত ও গ্রেফতার করা হয়নি। এসময় ছাত্রলীগের সমালোচনা করে ভিপি বলেন, যেদিন ৫ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বোন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, একইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলে ছাত্রলীগের নেত্রীরা একজন শিক্ষিকাকে লাঞ্ছিত করেন। তাকে মারধর করেন। সে ঘটনাটি নিয়ে কিন্তু প্রতিবাদ হয়নি।

সুতরাং শুধু একটি ঘটনা নিয়ে সরব হলে প্রতিবাদের লক্ষ্য পূরণ হবে না। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ এই কর্মসূচির আয়োজন করে। সমাবেশ শেষে তারা মিছিল নিয়ে রাজু ভাস্কর্য থেকে শাহবাগ হয়ে হাইকোর্টের সামনের রাস্তা দিয়ে আবার টিএসসিতে এসে পদযাত্রাটি শেষ করেন। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, যুগ্ম-আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন, মশিউর রহমানসহ আরও অনেকে।

 

ঢাবির ছাত্রী হলে শিক্ষিকাকে চুল ধরে টেনে ফেলে ‘মারধর’
                                  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে ছাত্রীদের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি থামাতে গিয়ে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের দ্বারা শারীরিক লাঞ্চনার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন হলের সহকারী আবাসিক শিক্ষক সহযোগী অধ্যাপক জোবায়দা নাসরিন।

এ ঘটনায় তিনি গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, শিক্ষক সমিতির সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকসহ হলের প্রাধ্যক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

ভিসি বরাবর অভিযোগপত্রে তিনি লিখেছেন, ‘গত ৫ জানুয়ারি আমি হলের প্রাধ্যক্ষ ড. জাকিয়া পারভীন ম্যাডামের নির্দেশে হল ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের অভ্যন্তরীণ মারামারি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য হলে আসি। সেখানে এক ছাত্রীকে মারধর করে তার কক্ষ থেকে বের করার সময় ছাত্রীটিকে সেখান থেকে সরিয়ে নিতে জড়িয়ে ধরি। একপর্যায়ে হলের গেটে নিয়ে আসার চেষ্টা করলে হল ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ কর্মীরা আমাকে শারীরিক আক্রমণ করে। আমার চুল ধরে টেনে ফেলে দিয়ে মারধর করে এবং গালাগালি করে।’

অভিযোগের সত্যতা জানতে চাইলে শিক্ষক জোবায়দা নাসরিন বলেন, ‘গতকাল সোমবার যে বিষয়টা হয়েছে, আপনারা ইতোমধ্যে জেনেছেন যে এটা ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ মারামারি। হলের হাউজ টিউটর হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো কেউ আক্রান্ত হলে তাকে সেভ করা। কে কোন দল করে, সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। কিন্তু সেখানে একজন শিক্ষক হিসেবে ছাত্রীরা আমার গায়ে হাত তুলেছে।’

এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করে তিনি বলেন, ‘তাদের মারধরের কারণে আমার ঘাড় ফুলে গেছে এবং আমার পায়ে প্রচণ্ড ব্যথা। আমি এখন চিকিৎসাধীন আছি। আমি সেটা প্রশাসনের কাছে বিচার দিয়েছি। আমি এই ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্ঠু বিচার ও নিরাপত্তা চাই।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রওনক জাহান রাইয়ান বলেন, ‘ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উনার গায়ে হাত দেওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। উনি তো আমাদের শিক্ষক। উনি ওখানে ছিলেন, সেখানে ধস্তাধস্তির মধ্যে কিছু হলে হতে পারে। তবে তাকে টার্গেট করে মারা হয়েছে, এটা সম্পূর্ণ একটা ভিত্তিহীন কথা এবং এর প্রমাণ তিনি দিতে পারবেন না।’

রওনক বলেন, ‘ঘটনার সময় সেখানে হলের প্রাধ্যক্ষ, অন্যান্য হাউজ টিউটররাসহ শিক্ষার্থীরা সবাই উপস্থিত ছিলেন। সবাই দেখেছে বিষয়টা কী হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। আমাদের সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। সেখান থেকে তদন্ত করে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান করা যাবে। আমাদের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটির প্রতি সর্বাত্মক সহায়তা থাকবে।’

তবে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে কাদেরকে রাখা হয়েছে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি রওনক।

গত রোরবার ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শাড়ি বিতরণকে কেন্দ্র করে হলের অভ্যন্তরে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে তিনজন ছাত্রী আহত হয়েছে। ছাত্রীদের মধ্যে চলমান ঝগড়া থামাতে গিয়ে তাদের হাতেই লাঞ্চনার শিকার হয়েছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক জোবাইদা নাসরিন।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। অন্যদিকে রোববার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘটনায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সালসাবিল রাবেয়া নামক ছাত্রলীগের এক নেত্রীকে সংগঠন থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

ভিপির নুরের ওপর হামলার প্রতিবেদন, জমার জন্য আরও ১০ কার্যদিবস সময় চায় কমিটি
                                  

 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবনে ভিপি নুরুল হক নুর ও তার সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা তদন্তে গত ২৩ ডিসেম্বর তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ছয় সদস্যের ওই কমিটিকে ছয়দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু আট কার্যদিবস পেরিয়ে গেলেও প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি তদন্ত কমিটি। কমিটির সদস্যরা আরও ১০ কার্যদিবস সময় চেয়েছেন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক কলা অনুষদের ডিন গত বৃহস্পতিবার আমাকে বললেন কমিটিকে আরও কিছুদিন সময় দেওয়ার জন্য। তখন আমিও ভাবলাম সুষ্ঠু তদন্তের জন্য যদি সময় লাগে, তাহলে সময় দিতে হবে। তবে, কমিটিকে কতদিন সময় দেওয়া হয়েছে, তা নিদির্ষ্ট করে বলতে পারেননি উপাচার্য।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিদির্ষ্ট সময় বলতে পারবো না। সেটি কমিটির আহ্বায়ক বলতে পারবেন। কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছি। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবু মো. দেলোয়ার হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনিজানান, কমিটি ছয় কার্যদিবসের পর আরও ১০ কার্যদিবস সময় চেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি থাকায় অনেকের সঙ্গে কমিটি যোগাযোগ করতে পারেনি। তাই সময় নেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির অন্যতম সদস্য ও স্যার পি জে হার্টগ ইন্টারন্যাশনাল হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. মহিউদ্দিনবলেন, যতটুকু জানি তদন্তের কাজ শেষ হয়নি। আরও সময় চাওয়া হয়েছে। গত ২২ ডিসেম্বর ডাকসু ভবনে ভিপি নুরুল হক নুর ও তার সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করে ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এতে ভিপি নুরসহ অন্তত ৩০জন আহত হন।

পরদিনই এ ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবু মো. দেলোয়ার হোসেনকে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট সদস্য অধ্যাপক অসীম সরকার, স্যার পি জে হার্টগ ইন্টারন্যাশনাল হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. মহিউদ্দিন, সিন্ডিকেট সদস্য মো. মিজানুর রহমান ও সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাঈনুল করিম, শামসুন নাহার হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক সুপ্রিয়া সাহা।

ঢাবি প্রশাসনকে ৭ দিনের আল্টিমেটাম সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য ফোরামের
                                  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে চার দফা দাবি পূরণে ৭ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য ফোরাম। বৃহস্পতিবার ডাকসু ভিপি নুরুল হক ও তার সহযোগিদের উপর হামলার বিচার এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ চার দাবিতে উপাচার্য বরাবার স্মারকলিপি দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। 

এ সময় ঢাবি প্রশাসনকে আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এর মধ্যে দাবি আদায় না হলে বৃহৎ কর্মসূচি দেয়ার ঘোষণা দেয় ক্যাম্পাসের ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনগুলো নিয়ে নব গঠিত সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য ফোরাম।

 

এদিকে স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান অনুপস্থিত ছিলেন। ফলে সহকারী প্রক্টর আব্দুর রহিম ও নারী প্রক্টর সিমা ইসলাম স্মারকলিপি গ্রহণ করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের তারা বলেন, ‘আমরা তোমাদের কথা শুনলাম। তোমাদের দাবি প্রশাসনের কাছে পৌঁছে দিবো।’

চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে:

 নূরুল হকসহ সকল শিক্ষার্থীর ওপর হামলাকারীদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার ও আইনানুগ বিচার করতে হবে; শির্ক্ষাথীদের নিরাপত্তা প্রদানে ব্যর্থতার দায়ে প্রক্টরকে অপসারণ করতে হবে; ডাকসুতে হামলায় আহতদের চিকিৎসার ব্যয়ভার প্রশাসনকে বহন করতে হবে, হামলায় আহতদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এবং ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া হলে হলে দখলদারিত্ব, গেস্টরুম-গণরুম নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। 

এর আগে রাজু ভাস্কর্য থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে চার দফা দাবি আদায়ে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেন জোটের নেতারা। কর্মসূচিতে ছাত্র পরিষদ ছাড়াও বিভিন্ন বাম ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন বলে জানা গেছে। 

সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্যের পক্ষ থেকে উপাচার্য বরাবর দেয়া স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, ডাকসু ভবনে নৃশংস হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরসহ আহত শিক্ষার্থীদের নামে মামলা করা হয়েছে, যার বিরুদ্ধেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো বক্তব্য আমরা পাইনি। উপরন্ত আহতদেরকেই দোষারোপ করার চেষ্টা করা হয়েছে যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও অনাকাঙ্ক্ষিত।

 বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ক্রমাগতভাবে সন্ত্রাসী হামলা বেড়ে চলছে। হামলাকারীরা বারবার ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। ফলে সহিংসতা বেড়েই চলেছে, যার দায়ভার প্রশাসন কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না। হলে আবাসিক শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা প্রদানে হল প্রশাসন বারবার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। সন্ত্রাসী-দখলদারদের কাছে জিম্মি সাধারণ শিক্ষার্থীরা। অনেক ঘটনা প্রতিদিন ঘটে যা তারা প্রশাসনের কাছে প্রকাশ করার মতো নিশ্চয়তাও পায় না। সরকারের মদদপুষ্ট ছাত্রলীগের পক্ষ নিতে গিয়ে প্রতিটি ঘটনায় প্রক্টর শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।’

শিক্ষাঙ্গনের এমন দমবদ্ধ ও অগণতান্ত্রিক পরিস্থিতি উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য অর্জনের জন্য একেবারেই অনুপযোগী উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ছাত্রদের মতপ্রকাশের অধিকার ভূলুণ্ঠিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখির কারণে বেশ কিছু শিক্ষার্থী নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে।’

প্রাথমিক ও ইবতেদায়িতে পাসের হার ৯৫.৫০ শতাংশ
                                  

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষার (পিইসি) ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার পরীক্ষায় পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

এবারের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় মোট ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৫১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। উত্তীর্ণদের মধ্যে ১০ লাখ ৭২ হাজার ১৫৪ জন ছাত্র এবং ১২ লাখ ৭১ হাজার ৫৮৯ জন ছাত্রী রয়েছে।

ফলাফলে ছাত্রদের পাসের হার ৯৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৯৫ দশমিক ৬১ শতাংশ। অর্থাৎ প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় গড় পাসের দিক থেকে মেয়েরা এগিয়ে আছে।

এবার পাসের হার বিবেচনায় আট বিভাগের মধ্যে বরিশাল শীর্ষে রয়েছে। উক্ত বিভাগের পাসের হার ৯৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

আর ৬৪ জেলার মধ্যে গাজীপুর জেলা প্রথম স্থানে রয়েছে, উক্ত জেলায় পাসের হার ৯৯ দশমিক ১৪ শতাংশ। এ ছাড়া ৫১০ উপজেলার মধ্যে একটি উপজেলা ভোলার দৌলতখানে শতভাগ পাস করেছে।

এর আগে গণভবনে সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। এরপর বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

দুপুর ১২টার কিছু আগে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এরপর দুপুরে ঘোষণা করা হয় প্রাথমিক সমাপনী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষার ফল।

আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী এ বছর পাসের হার শতকরা ৮৭.৯০ ভাগ
                                  

২০১৯ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী এ বছর পাসের হার শতকরা ৮৭.৯০ ভাগ। যা গতবছরের তুলনায় ২.০৭ ভাগ বেশি।

 এ বছর নয়টি সাধারণ বোর্ড ও মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২৬,০২,০৫৩ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে পাশ করেছে ২২,৮৭,২৭১ জন। পাসের হারের সঙ্গে বেড়েছে জিপিএ-৫ এর সংখ্যাও। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৮,৪২৯ জন শিক্ষার্থী। গত বছর এই সংখ্যা ছিলো ৬৮,০৯৫ জন।

 

এর আগে আজ মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে পিইসি, জেএসসি, জেডিসি ও প্রাথমিক ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

জেএসসি- জেডিসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার
                                  

আগামীকাল ৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সারাদেশে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি), জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ ও বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফল ওই দিন বেলা ১২টায় প্রকাশ করা হবে।

চলতি বছরের ২ নভেম্বর জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরু হয়।

জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল বিষয়ক ওয়েবসাইটের (http://www.educationboardresults.gov.bd অথবা eboardresults.com/app/stud) পাশাপাশি এসএমএস করেও পাওয়া যাবে। এছাড়াও জেএসসি ও পিএসসি পরীক্ষার ফলাফল জানুন নিচে ক্লিক করে।

ফলাফল পাওয়া যাবে এসএমএস ও ওয়েবসাইটে :

প্রাথমিক (পিইসি) : যে কোনো মোবাইলে DPE লিখে স্পেস দিয়ে থানা/উপজেলার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৬ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে জানা যাবে প্রাথমিক সমাপনীর ফল। দুপুর ২টার পর থেকে ফলাফল এই দুই ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে : http://www.dpe.gov.bd অথবা http://dperesult.teletalk.com.bd
ইবতেদায়ি : ইবতেদায়ির ফল পেতে EBT লিখে স্পেস দিয়ে থানা/উপজেলার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৬ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

জেএসসি : JSC BOARD CODE (বোর্ডের নামের প্রথম ৩ অক্ষর) ROLL 2016”
জেডিসি : JDC রেজাল্ট জানতে “JDC MAD ROLL”
জেএসসি ও জেডিসি ফলাফল পাওয়ারওয়েবসাইট : http://www.educationboardresults.gov.bd

জেএসসি / জেডিসি পরীক্ষার ফলাফল পেতে এসএমএস টাইপ করার ফরমেট নিচে উদাহরণসহ দেওয়া আছে। এভাবে এসএমএস টাইপ করে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

ভিপি নুরসহ আহতদের শারীরিক অবস্থার তথ্য ‘লুকোচুরি’র অভিযোগ
                                  

ডাকসু ভবনে হামলায় আহত হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভিপি নুরুল হক নুরসহ বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ৮ নেতাকর্মীর শারীরিক অবস্থার তথ্য লুকোচুরির অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক বিন ইয়ামিন মোল্লা।

এ সময় আহত এপিএম সুহেলসহ কয়েকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে বিন ইয়ামিন মোল্লা অভিযোগ করেন, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দীন আহতদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে লুকোচুরি করছেন। তিনি প্রথম দিকে বলেছেন, ‘আহত যারা ভর্তি রয়েছেন, তাদের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন নয়, আশঙ্কাজনক নয়, দু’তিন দিনের মধ্যে তারা আস্তে আস্তে রিলিজ পেয়ে যাবে।’ কিন্তু এরপর আমরা দেখেছি, আহত সুহেলকে হঠাৎ একদিন সিটি স্ক্যানের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় এবং এরপরে তার মাথায় জমাট বাঁধা রক্ত সরানোর জন্য সার্জারি করা হয়। সার্জারির পর এখন তার কোমরের হাড় ভেঙে গেছে বলে গতকাল (শনিবার) ডাক্তার আমাদের জানিয়েছেন। তাকে এভাবে আরও ২ মাস বেডে শুয়ে থাকতে হবে। এরপর মাথার চিকিৎসা হয়ে গেলে তার হাড়ে চিকিৎসা করা হবে। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এপিএম সুহেলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এভাবে আহত আরিফ সম্পর্কে জানানো হয়েছে, তিনি কিছুদিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে যাবেন। কিন্তু গতকাল (শনিবার) ডাক্তার আমাদের জানিয়েছেন, আরিফের কিডনির ৭০ শতাংশ অকেজো হয়ে গেছে। তার কিডনি ডায়ালাইসিস করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় যদি কিডনি ভালো না হয়, তাহলে তাকেও কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য বিদেশে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। এ ছাড়া আহত মেহেদি হাসানেরও ২৫ শতাংশ কিডনি অকেজো হয়ে গেছে। তাকেও ডায়ালাইসিস করা হচ্ছে। এদিকে, ভিপি নুরুলের ছোট ভাই আমিনুলও কিছুক্ষণ পরপর আবোল-তাবোল বলছেন।


চিকিৎসকরা কেন আমাদের কাছে এবং দেশবাসীর সামনে তাদের শরীরিক সমস্যা ও চিকিৎসার বিষয়গুলো সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরছেন না জানতে চান বিন ইয়ামিন মোল্লা।
আহতদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি করা হচ্ছে মন্তব্য করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘আহতদের বাস্তব শারীরিক অবস্থার সঙ্গে মেডিক্যালের ডিরেক্টরের বক্তব্যের আকাশ-পাতাল পার্থক্য রয়েছে।’


প্রসঙ্গত, গত ২২ ডিসেম্বর ঢাবির ডাকসু ভবনে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামের একটি সংগঠনের নেতাকর্মীরা নুর ও তার সহযোগীদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় নুরসহ ২০ থেকে ২৪ নেতাকর্মী আহত হন। এদের মধ্যে আটজন এখনও ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
ভিপি নুরসহ আহতদের নামে যে মামলা করা হয়েছে সেগুলোকে মিথ্যা অ্যাখ্যা দিয়ে প্রত্যাহারের দাবি জানান বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতারা। একইসঙ্গে মামলার মাধ্যমে নীল নকশা তৈরি করে নুরুল হক নুরসহ এসব নেতাকে কারা অন্তরিন করার ষড়যন্ত্র চলছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন তারা।
এক প্রশ্নের জবাবে বিন ইয়ামিন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিতকে ইস্কন এবং র’য়ের এজেন্ট বলার অভিযোগ তুলে ভিপি নুরুলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে মামলা করা হয়েছে। সনজিত যে র’য়ের এজেন্ট নয়, তা সে প্রমাণ করুক। আর ভিপি নুরুলকেও সব সময় ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতারা জামায়াত-শিবির বলে আসছে। ভিপি নুরুল যে জামায়াত-শিবির, এর কী প্রমাণ তাদের কাছে আছে?


সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকারের যুগ্ম-আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান, মশিউর রহমান প্রমুখ।

এসএসসি-এইচএসসিতে দুই বিষয়ে পরীক্ষা কমছে
                                  

 পাবলিক পরীক্ষায় চারুকারু ও শারীরিক শিক্ষা নামে দুটি মৌলিক বিষয় তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও উচ্চমাধ্যমিকস্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) থেকে এসব পরীক্ষা বাতিল করা হবে। ক্লাসে এসব বিষয় মূল্যায়ন করে তা স্ব স্ব শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে জানা গেছে, পাবলিক পরীক্ষায় মৌলিক দুটি বিষয়ের পরীক্ষা কমানো হচ্ছে। তার প্রেক্ষাপটে এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায়ে চারুকারু ও শারীরিক শিক্ষা নামে দুটি বিষয়ের পরীক্ষা নেয়া হবে না। ২০২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে এটি কার্যকর হবে।

তাই আগামী ফেব্রুয়ারিতে আয়োজিত এসএসসি পরীক্ষা থেকে এ দুটি বিষয়ের পরীক্ষা নেয়া হবে না। ক্লাসে এসব বিষয়ের মূল্যায়ন করে তা স্ব স্ব শিক্ষাবোর্ডে পাঠাতে নির্দেশ দেয়া হবে। জানা গেছে, বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষায় চারুকারু মৌলিক বিষয় হিসেবে পরীক্ষা আয়োজন করা হয়ে থাকে। আর শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে পরীক্ষার্থীর স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে মূল্যায়নের করে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হয়।অন্যদিকে এইচএসসি পর্যায়ে চারুকারু ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে নির্বাচন করা হয়। যেসব শিক্ষার্থী ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে নির্বাচন করেন তাদের এ বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হয়। ঐচ্ছিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে সকল বিষয়ে ফেল হয়ে যায়। এর ফলে ওই পরীক্ষার্থীর জিপিএ নম্বর প্রকাশ করা হয় না। শিক্ষার্থীদের ওপর পরীক্ষার চাপ কমাতে এ দুটি বিষয়ের পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে। যা আগামী বছর থেকে কার্যকর করা হবে। অন্যদিকে ক্লাসে মূল্যায়ন বাড়াতে আগামী বছর ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ২০২০ শিক্ষাবর্ষে আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর পরের বছর সপ্তম, পরে অষ্টম, নবম ও দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক এক বছরের ব্যবধানে একটি স্তরের পরিবর্তন আনা হবে। যাতে করে নতুন বই পড়ে যে শিক্ষার্থীরা সপ্তম শ্রেণিতে উঠছে তাদের পরবর্তী বছরে নতুন কারিকুলামের বই দেয়া হবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক গতকাল রোববার বলেন, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কমিয়ে ক্লাসে মূল্যায়ন বাড়ানোর চিন্তাভাবনা থেকে মৌলিক দুটি বিষয়ের পরীক্ষা তুলে দেয়া হয়েছে।

আগামী বছর থেকে এটি কার্যকর করা হবে। যেসব বিষয়ের পরীক্ষা তুলে দেয়া হবে তা ক্লাস শিক্ষকদের মাধ্যমে মূল্যায়ন হয়ে শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হবে। নম্বরপত্রে সেসব নম্বর তুলে দেয়া হবে। তবে এতে পাস-ফেল বলে কিছু থাকবে না। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ক্লাসে মূল্যায়ন অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, পরীক্ষার চাপ কমিয়ে ক্লাস মূল্যায়ন বাড়ালে পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ বেড়ে যাবে। এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুখস্থবিদ্যার প্রবণতা কমে যাবে। ক্লাস মূল্যায়ন বাড়াতে পাঠ্যপুস্তক পরিবর্তন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে আরও মৌলিক বিষয়ের পরীক্ষা কমিয়ে আনা হবে বলে জানান তিনি।

রাজশাহীতে নতুন বই পাবে ৫ লাখ শিক্ষার্থী
                                  

আসছে বছরের প্রথম দিনই সারাদেশে একযোগে বই উৎসবের মধ্য দিয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হবে। এরই অংশ হিসেবে রাজশাহীতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক মিলিয়ে প্রায় ৫ লাখ শিক্ষার্থী পাবে নতুন বই। এরই মাঝে এ ব্যাপারে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা শিক্ষা অফিস।

রাজশাহী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, গতকাল শনিবার এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সভা রয়েছে। সভার সভাপত্বি করবেন- রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. হামিদুল হক। সভা শেষেই আমরা নির্ধারণ করবো রাজশাহীতে কোথায় কীভাবে কেন্দ্রীয় বই উৎসবের আয়োজন করা যায়। ‘এবার মাধ্যমিকে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৮৩ শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৫ লাখ ৮৪ হাজার নতুন বই বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে রাজশাহীতে সরকারি স্কুল ৬টি, বেসরকারি স্কুল ৫৮৪টি ও মাদ্রাসা আছে ২০৩টি। এ ছাড়া ৩টি ইংরেজিমাধ্যম স্কুল রয়েছে।

চাহিদা অনুযায়ী প্রত্যেক স্কুলে গেল ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন বইয়ের সেট পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। পয়লা জানুয়ারি বই উৎসবের মাধ্যমে এখন কেবল শিক্ষার্থীদের সেসব বই বিতরণের অপেক্ষা।’ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুস সালাম জানান, ২০২০ সালে রাজশাহী জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৩ লাখ ১১১ শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের সবাই মিলে মোট ১৪ লাখ ১১ হাজার ২৯৫টি নতুন বই পাবে। এ ছাড়া প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে একই সংখক শিক্ষার্থীর মাঝে ৪৭ হাজার ৩০টি নতুন বই বিতরণ হবে।

ঢাবিতে সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য নামের নতুন প্লাটফর্ম তৈরি
                                  

শিক্ষাঙ্গনগুলোতে চলমান সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব ও সহিংসতার অবসানের জন্য নতুন জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। ১২টি ছাত্র সংগঠনের একাত্মতায় গঠিত হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য নামের এই প্লাটফর্ম। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সংগঠনের ঘোষণা দেয় ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন।

গণতান্ত্রিক শিক্ষাঙ্গন ও ছাত্র সমাজের স্বার্থে আন্দোলনকারী গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল ১২টি ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ‘সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য’র সংগঠনগুলো হলো- বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সমজাতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রী, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলন, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, নাগরিক ছাত্র ঐক্য, স্বতন্ত্র জোট এবং ছাত্রমঞ্চ।

জোটের প্রথম কর্মসূচি হিসেবে শনিবার বিকেল তিনটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য থেকে সন্ত্রাসবিরোধী গণপদযাত্রা করবে সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্রঐক্য৷

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ক্যাম্পাসগুলোতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে ক্ষমতাশীন দলের ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তারা ছাত্রদের জোড় করে মিছিল-মিটিংয়ে নিয়ে যায়। বিভিন্ন ক্যাম্পাসে তাদের দখল দারিত্ব চলছে। ক্যাম্পাসে যেন কেউ আর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড না চালাতে পারে তা নিশ্চিত করাই আমাদের এই সংগঠনের উদ্দেশ্য।

এ সময় জোটের পক্ষ থেকে ৪টি দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো: ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরসহ সব শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার ও আইনানুগ বিচার করা, ব্যর্থতার দায়ে প্রক্টরকে অপসারণ করা, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা ও আহতদের চিকিৎসার ব্যয়ভার প্রশাসনকে বহন করা, ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হলে হলে দখলদারিত্ব, গেস্টরুম-গণরুম নির্যাতন বন্ধ করা।

প্রাথমিকের শিশুদের বহিষ্কারের নিয়ম বাতিল
                                  

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনীতে অংশ নেওয়া ক্ষুদে পরীক্ষার্থীদের বহিষ্কারের নিয়ম বাতিল করেছে সরকার। যে নির্দেশাবলীর আলোকে বহিষ্কার করা হত তার সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ রদ করায় এখন থেকে পঞ্চমের শিক্ষা সমাপনীতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের আর বহিষ্কার করা যাবে না। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (সংস্থাপন) মো. দেলোয়ার হোসেন গতকাল বৃহস্পতিবার বলেন, ওই নির্দেশাবলী রহিত করে দেওয়া হয়েছে।

এখন থেকে প্রাথমিক সমাপনীতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের আর বহিষ্কারের সুযোগ থাকল না। পঞ্চমের সমাপনী নিয়ে সরকারি নির্দেশালীয় ১১ নম্বর অনুচ্ছেদে ‘শৃঙ্খলা লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা’ নেওয়ার কথা বলা ছিল। এই অনুচ্ছেদের আওতায় পরীক্ষার কেন্দ্রে কোনো শিক্ষার্থী একে অন্যের সঙ্গে কথা বললে, অননুমোদিত কাগজপত্র বা বস্তু সঙ্গে রাখলে, অন্যকে দেখানোর কাজে সহযোগিতা করলে, উত্তরপত্র ছাড়া অন্যকিছুতে লিখে আনলে তাকে ওই বিষয়সহ অন্যান্য বিষয়ের পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার অথবা পরীক্ষা বাতিল করা হত। ওই অনুচ্ছেদ বাতিল হলেও ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা যেন কোনো অসাধুপন্থা অবলম্বন না করতে পারে সে বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি বসে করণীয় নির্ধারণ করবে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আসলে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা নকল করে না বা এসব বোঝেও না। অনেক সময় অভিভাবকরা সন্তানদের বেশি নম্বর পাইয়ে দিতে অবৈধ পন্থা অবলম্বন করেন, অনেক সময় শিক্ষকরাও এসবের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

মূলত এসব ঠেকাতে বহিষ্কার ছাড়া অন্য কি করা যায় সে বিষয়ে কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। গত ১৭ থেকে ২৪ নভেম্বর এবারের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা চলাকালে প্রায় দুইশ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। ‘পিইসি পরীক্ষায় শিশু বহিষ্কার কেন’ শিরোনামে দৈনিক দেশ রূপান্তর গত ১৯ নভেম্বর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেই প্রতিবেদন আদালতের নজরে এনে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জামিউল হক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত গত ২১ নভেম্বর স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষায় শিশুদের বহিষ্কার করা কেন অবৈধ হবে না, সেই সঙ্গে এবারের পরীক্ষায় বহিষ্কার হওয়া শিশুদের ফের পরীক্ষা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- তা জানতে চাওয়া হয় রুলে। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা ‘প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা নির্দেশনাবলীর ১১ নম্বর নির্দেশনা (যার আওতায় শিশুদের বহিষ্কার করা হয়েছে) কেন অবৈধ হবে না- তাও জানতে চায় আদালত। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৮ ডিসেম্বর হাই কোর্ট আদেশ দেয়, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে বহিষ্কৃতদের ২৮ ডিসেম্বর মধ্যে পরীক্ষা নিয়ে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে হবে। এরপর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নতুন করে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিচ্ছে। ২৪, ২৬ ও ২৮ ডিসেম্বর তাদের পরীক্ষার সূচি রয়েছে।


   Page 1 of 63
     শিক্ষা-সাহিত্য
এসএসসি পরীক্ষার সংশোধিত সূচি প্রকাশ
.............................................................................................
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ: কোটার ব্যাখ্যা দিল অধিদফতর
.............................................................................................
ভোট পেছানোর দাবিতে অনশনে অসুস্থ ঢাবির ৯ শিক্ষার্থী, ভিসির সংহতি
.............................................................................................
চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ১০টি দোতলা বাস উপহার
.............................................................................................
ধর্ষককে নিয়ে জনমনে সন্দেহ ও উদ্বেগ রয়েছে: নুর
.............................................................................................
ঢাবির ছাত্রী হলে শিক্ষিকাকে চুল ধরে টেনে ফেলে ‘মারধর’
.............................................................................................
ভিপির নুরের ওপর হামলার প্রতিবেদন, জমার জন্য আরও ১০ কার্যদিবস সময় চায় কমিটি
.............................................................................................
ঢাবি প্রশাসনকে ৭ দিনের আল্টিমেটাম সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য ফোরামের
.............................................................................................
প্রাথমিক ও ইবতেদায়িতে পাসের হার ৯৫.৫০ শতাংশ
.............................................................................................
আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী এ বছর পাসের হার শতকরা ৮৭.৯০ ভাগ
.............................................................................................
জেএসসি- জেডিসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার
.............................................................................................
ভিপি নুরসহ আহতদের শারীরিক অবস্থার তথ্য ‘লুকোচুরি’র অভিযোগ
.............................................................................................
এসএসসি-এইচএসসিতে দুই বিষয়ে পরীক্ষা কমছে
.............................................................................................
রাজশাহীতে নতুন বই পাবে ৫ লাখ শিক্ষার্থী
.............................................................................................
ঢাবিতে সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য নামের নতুন প্লাটফর্ম তৈরি
.............................................................................................
প্রাথমিকের শিশুদের বহিষ্কারের নিয়ম বাতিল
.............................................................................................
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ দাবিতে আমরণ অনশনের সঙ্গে বিক্ষোভের ডাক
.............................................................................................
পিইসি-জেএসসির ফল প্রকাশ ৩১ ডিসেম্বর
.............................................................................................
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, জানবেন যেভাবে
.............................................................................................
হামলায় ছাত্রলীগ থাকলেও পুলিশের মামলায় থাকেনা: কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ
.............................................................................................
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতি মেলা
.............................................................................................
বেরোবিতে ভর্তি জালিয়াতি: প্রতিকার চেয়ে ইউজিসির কাছে আবেদন
.............................................................................................
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় (পিইসি) বহিষ্কার করা শিক্ষার্থীর পরীক্ষা ২৮ ডিসেম্বর
.............................................................................................
জবিতে বহিষ্কৃত ছাত্রদের দৌরাত্ম, নিরব প্রশাসন
.............................................................................................
প্রাথমিকে নেয়া হবে ১৮ হাজার শিক্ষক, ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে ফল
.............................................................................................
ছাত্রত্ব বাতিল হচ্ছে অধ্যক্ষকে পুকুরে ফেলা ৪ জনের
.............................................................................................
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সন্ধ্যাকালীন কোর্স বন্ধসহ ইউজিসি’র ১৩ নির্দেশনা
.............................................................................................
ফরিদগঞ্জে এবার এসএসসিতে বোর্ড বৃত্তি পেলো ৪৭ মেধাবী শিক্ষার্থী
.............................................................................................
সোমবার ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমের ছুটিতে যাচ্ছে জবি
.............................................................................................
শিক্ষাঙ্গনে নৈরাজ্যের জন্য দায়ী অসুস্থ রাজনীতি: মোস্তাফিজুর
.............................................................................................
ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলে বুয়েট থেকে বহিষ্কার
.............................................................................................
শাবিপ্রবিতে আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সিলেবাস যুগোপযোগী করা প্রয়োজন : কৃষিমন্ত্রী
.............................................................................................
জাবিতে উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে নতুন কর্মসূচি
.............................................................................................
বু‌য়ে‌টে রাজ‌নৈ‌তিক কর্মকা‌ণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা
.............................................................................................
শিক্ষার্থীদের বাড়তি পড়া চাপিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
.............................................................................................
৩৯তম বিসিএসে ৪৪৪৩ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি
.............................................................................................
শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে ‘ডোপ টেস্ট’
.............................................................................................
রোববার শুরু হচ্ছে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা
.............................................................................................
প্রাথমিক সমাপনীতে কমেছে ৯২ হাজার পরীক্ষার্থী
.............................................................................................
উচ্চশিক্ষা কমিশন হচ্ছে না, ক্ষমতা বাড়ছে ইউজিসির
.............................................................................................
দীর্ঘ প্রতিক্ষিত ফরিদগঞ্জের মূলপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন
.............................................................................................
সকাল থেকে আবারো আন্দোলনে জাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
জেব্রা ক্রসিং না থাকলে রাস্তা পার করে দেবে পুলিশ
.............................................................................................
জবিতে ১ম বর্ষে ভর্তি শুরু ১১ নভেম্বর
.............................................................................................
জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার প্রথম দিন অনুপস্থিত ৬৬ হাজার ১৯৪ জন
.............................................................................................
ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৮৮.৫২ ভাগ
.............................................................................................
জেএসসি-জেডিসিতে বসেছে সাড়ে ২৬ লাখ শিক্ষার্থী
.............................................................................................
উপাচার্যের অপসারণ দাবি জাবিতে সর্বাত্মক ধর্মঘট অব্যাহত
.............................................................................................
আজ থেকে জাবিতে ধর্মঘট-লাগাতার অবরোধ ঘোষণা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]