| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   তথ্যবিচিত্র -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
৮০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের একাংশ ডুবে যাবে সাগরে!

আগামী ৮০ বছরেই পানির নিচে চলে যাবে বাংলাদেশের বড় একটি অংশ। জলবায়ু পরিবর্তন সমপর্কিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে। প্রসিডিংস অব দ্যা ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্স নামের ওই জার্নালে বলা হয়েছে, শুধু বাংলাদেশের কিছু অংশ নয় লন্ডন, নিউ ইয়র্ক, সাংহাই ও ভারতের কিছু দ্বীপও পুরোপুরি পানির নিচে তলিয়ে যাবে। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।

এতে বলা হয়, এতদিন সকল গবেষণা অনুযায়ী ২১০০ সালে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বৃদ্ধি পাবার কথা বলা হতো। তবে ওইসব গবেষণা ছিল একান্তই রক্ষণশীল। বাস্তবতা হচ্ছে কার্বন নিঃসরণের হার পরিবর্তন না হলে এই সময়ের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে ২ মিটারের মতো। ফলে বিশ্বজুড়ে তলিয়ে যাবে প্রায় ৮০ লাখ বর্গ কিলোমিটার। যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের একটি বড় অংশও। কোটি কোটি লোককে এর ফলে বাড়িঘর ছেড়ে অন্য জায়গায় চলে যেতে হবে। যে জায়গাগুলো পানির নিচে চলে যাবে তার অনেকগুলোই গুরুত্বপূর্ণ ফসল ফলানো অঞ্চল, যেমন নীল নদের ব-দ্বীপ। মিশরের নীল নদ ব-দ্বীপ কৃষির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটিও তলিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এর লেখকরা অবশ্য বলছেন যে, এমন পরিণতি এড়ানোর জন্য এখনো সময় আছে, যদি আগামী কয়েক দশকে কার্বন নির্গমন বড় আকারে কমানো যায়। গবেষকরা বলছেন নতুন জরিপে বলা হচ্ছে, ভবিষ্যতের পৃথিবী হবে এখনকার চাইতে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতর, যদি কার্বন নির্গমন এখনকার হারেই চলতে থাকে তাহলে ২১০০ সাল নাগাদ সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বাড়বে ৬২ সেন্টিমিটার থেকে ২৩৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত। এর আগে ২০১৩ সালের রিপোর্টে বলা হয়েছিল সমুদ্রস্তরের উচ্চতা ৫২ থেকে ৯৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে। কিন্তু এখন বিজ্ঞানীরা বলছেন, গ্রীনল্যান্ড ও এ্যান্টার্কটিকায় বরফ গলার প্রক্রিয়ার অনেক দিকই তাতে অন্তর্ভুক্ত হয় নি। 

৮০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের একাংশ ডুবে যাবে সাগরে!
                                  

আগামী ৮০ বছরেই পানির নিচে চলে যাবে বাংলাদেশের বড় একটি অংশ। জলবায়ু পরিবর্তন সমপর্কিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে। প্রসিডিংস অব দ্যা ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্স নামের ওই জার্নালে বলা হয়েছে, শুধু বাংলাদেশের কিছু অংশ নয় লন্ডন, নিউ ইয়র্ক, সাংহাই ও ভারতের কিছু দ্বীপও পুরোপুরি পানির নিচে তলিয়ে যাবে। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।

এতে বলা হয়, এতদিন সকল গবেষণা অনুযায়ী ২১০০ সালে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বৃদ্ধি পাবার কথা বলা হতো। তবে ওইসব গবেষণা ছিল একান্তই রক্ষণশীল। বাস্তবতা হচ্ছে কার্বন নিঃসরণের হার পরিবর্তন না হলে এই সময়ের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে ২ মিটারের মতো। ফলে বিশ্বজুড়ে তলিয়ে যাবে প্রায় ৮০ লাখ বর্গ কিলোমিটার। যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের একটি বড় অংশও। কোটি কোটি লোককে এর ফলে বাড়িঘর ছেড়ে অন্য জায়গায় চলে যেতে হবে। যে জায়গাগুলো পানির নিচে চলে যাবে তার অনেকগুলোই গুরুত্বপূর্ণ ফসল ফলানো অঞ্চল, যেমন নীল নদের ব-দ্বীপ। মিশরের নীল নদ ব-দ্বীপ কৃষির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটিও তলিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এর লেখকরা অবশ্য বলছেন যে, এমন পরিণতি এড়ানোর জন্য এখনো সময় আছে, যদি আগামী কয়েক দশকে কার্বন নির্গমন বড় আকারে কমানো যায়। গবেষকরা বলছেন নতুন জরিপে বলা হচ্ছে, ভবিষ্যতের পৃথিবী হবে এখনকার চাইতে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতর, যদি কার্বন নির্গমন এখনকার হারেই চলতে থাকে তাহলে ২১০০ সাল নাগাদ সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বাড়বে ৬২ সেন্টিমিটার থেকে ২৩৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত। এর আগে ২০১৩ সালের রিপোর্টে বলা হয়েছিল সমুদ্রস্তরের উচ্চতা ৫২ থেকে ৯৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে। কিন্তু এখন বিজ্ঞানীরা বলছেন, গ্রীনল্যান্ড ও এ্যান্টার্কটিকায় বরফ গলার প্রক্রিয়ার অনেক দিকই তাতে অন্তর্ভুক্ত হয় নি। 

বিশ্বের সর্বোচ্চ গতিসম্পন্ন ট্রেনের ৫ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
                                  

 গতির কারণে খ্যাতি রয়েছে জাপানের সিনকানসেন সিরিজের রেল সেবার। ওই সিরিজের আলফা-এক্স সংস্করণের পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু হয়েছে। ঘণ্টায় ৪০০ কিলোমিটার গতিসম্পন্ন ওই বুলেট ট্রেন ভবিষ্যতে এই সেবাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আলফা এক্স সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পাঁচ তথ্য তুলে ধরা হলো-


১. থামাটাও গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বুলেট ট্রেনটির ছাদে থাকবে এয়ার ব্রেক আর লাইনের কাছে ম্যাগনেটিক প্লেট ব্যবহার করে এর গতি কমিয়ে আনা হবে। সাথে থাকবে প্রথাগত ব্রেকও।
২. বাঁক নেওয়ার সময় স্থিতিশীল রাখা এবং ভারসাম্য এবং যাত্রীদের আরাম বজায় রাখতে ট্রেনটিতে থাকবে দাম্পার এবং এয়ার সাসপেনশন।
৩. আলফা এক্স ট্রেনে থাকবে যুদ্ধকালীন কর্মকা-ের উপযোগী উন্নত ল্যাব।


৪. জেআর-এর ই৫ প্লাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে বানানো হয়েছে এই ট্রেন। এই প্লাটফর্ম দিয়েই জাপানের প্রধান রুট চলে থাকে।
৫. ট্রেন, নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা এবং কর্মীদের মধ্যে ডাটা সংযোগ ঘটাবে রেল কোম্পানি জেআর ইস্ট। এর উদ্দেশ্য হলো কর্মদক্ষতা পর্যবেক্ষণ এবং কাঙ্খিত মাত্রায় ট্রেন পরিচালনা করা।


পরীক্ষামূলক যাত্রার সময় আলফা এক্স বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির ট্রেন হিসেবে বিবেচিত হলেও যাত্রী পরিবহনে যুক্ত হওয়ার পর অবশ্য এই তকমা হারাতে হতে পারে তাকে। কারণ টোকিও ও নাগোয়ার মধ্যে তৈরি হচ্ছে নতুন ম্যাগনেটিক লাইন। ২০২৭ সাল নাগাদ এটি চালু হবে। মূলত গভীর টানেলের মধ্য দিয়ে যাওয়া এই লাইনে ম্যাগনেটিক ট্রেন চলবে ঘণ্টায় ৫০৫ কিলোমিটার গতিতে। এর ফলে দুই শহরের যাতায়াতের সময় কমে যাবে ৪০ মিনিট। বর্তমানে দুই শহরে যাতায়াতে সময় লাগে ১১০ মিনিট।

লাখ লাখ জীব বিলীন হবে মানুষের কারণে!
                                  

অন্য দশটি জীবের মতো মানুষও একটি। মানুষের শরীরতন্ত্রে নানা জটিল প্রক্রিয়া সংঘটিত হয়। অন্যান্য প্রাণীদের বেলায়ও তাই। তবে অন্য প্রাণীর জীবনযাপন খানিকটা প্রকৃতির দয়ার উপর নির্ভরশীল, সেখানে মানুষ নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তা অন্যদের চেয়ে সাজানো গোছানো বানাতে পেরেছে। বিরূপ প্রকৃতির কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ না করে লড়াই করতে শিখেছে। বিশ্বকে হাতের মুঠোয় আনতে পেরেছে। জীবের মধ্যে এই শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে মানুষ অহঙ্কার করতেই পারে।

কিন্তু অহঙ্কারের ভারে মানুষ ধীরে ধীরে যেন এটা ভুলে যেতে বসেছে, সে যদি একা হয়ে যায় তবে একদিন এই পৃথিবীতে বাস করা তার পক্ষেও সম্ভব হবে না। জলে, স্থলে কিংবা বাতাসে জীবজগতের যে বৈচিত্র্য আছে তা যদি ধ্বংস হয় তবে মানবজাতিও একদিন ধ্বংস হতে বাধ্য। অথচ মানুষ প্রকৃতির উপর যে ধরনের ‘নিপীড়ন’ চালাচ্ছে তাতে অদূর ভবিষ্যতে লাখ লাখ প্রজাতির উদ্ভিত ও প্রাণী বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে। জাতিসংঘের একটি বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। গতকাল প্যারিস থেকে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, বর্তমান সময়ে যত দ্রুত জীবজগতের বিভিন্ন প্রজাতি একের পর এক বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে তা অতীতে আর কখনো হয়নি। প্রযুক্তির উত্কর্ষতার কারণে আমরা নিজেদের সবকিছুর ঊর্ধ্বে মনে করছি। অথচ এমন এক দিন আসবে যখন প্রযুক্তি আমাদের রক্ষা করতে পারবে না। খাবার উত্পাদনের জন্য পর্যাপ্ত উদ্ভিদ থাকবে না, আমিষ পাওয়ার মতো পর্যাপ্ত প্রাণী থাকবে না, পরিবেশকে সুস্থ্য সুন্দর ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখার জন্য পর্যাপ্ত পোকামাকড় ও অণুজীব থাকবে না, এমনকি পান করার জন্য পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি হয়তো থাকবে না!

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, মৌমাছি ও অন্যান্য কীট-পতঙ্গরা পরাগায়ন ঘটায়, তাই ফসল হয়। আমরা খাবার পাই। জঙ্গল ঝড় এবং বন্যার তীব্রতা কমিয়ে আমাদের প্রাণ বাঁচায়। এমন হাজারো শৃঙ্খলে জড়িয়ে আছে প্রাণ বৈচিত্র্য। অথচ মানুষ তার জ্ঞাতসারে কিংবা অজ্ঞাতসারে চলমান অসংখ্য জীবের খাদ্যশৃঙ্খল ভেঙে অনেক প্রজাতিকে নিশ্চিহ্নের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, একদিন যার শিকার হবে মানুষ নিজেও।

টানা তিন বছরের গবেষণায় প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। ১ হাজার ৮০০ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে ১৫ হাজারের বেশি রেফারেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে সারাংশ আকারে ৪০টি পৃষ্ঠা লেখা হয়েছে বিশ্বের নীতিনির্ধারকদের উদ্দেশে, যাদের হাতে বিশ্বের চাবিকাঠি। বলা হয়েছে, বিশ্বে আগেও জীববৈচিত্র্যে পরিবর্তন হতো। কিন্তু গত ৫০ বছর ধরে যা ঘটছে তাকে ‘এলার্মিং’ হিসেবে উল্লেখ করা যায়। ১৯৮০ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে ১০ কোটি হেক্টর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন ধ্বংস করা হয়েছে গোচারণ ভূমি, বাড়িঘর কিংবা কৃষিজমি তৈরির জন্য। বর্তমান পরিস্থিতির কারণে ২৫ শতাংশ প্রাণী এবং উদ্ভিদ অস্তিত্ব হারানোর ঝুঁকিতে। কীটপতঙ্গের অন্তত ১০ লাখ প্রজাতি এক দশকের মধ্যেই বিলুপ্ত হবে, ১ কোটি বছর আগের তুলনায় যা হাজার হাজার গুণ বেশি। এসব কারণে এখনই সতর্ক না হলে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য বসবাসের অযোগ্য একটি পৃথিবী রেখে যাব আমরা।

বাংলাদেশের ইতিহাসে পাঁচটি ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়
                                  

 বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে বিবেচনা করা হয় ১৯৭০ সালের এবং ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়কে। সবচেয়ে প্রলয়ঙ্করী ছিল ১৯৭০ এবং ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়। পরবর্তীতে সাইক্লোন সিডরের কথা উল্লেখ করা হয়। ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর সবোর্চ্চ ২২৪ কিলোমিটার বেগে চট্টগ্রামে আঘাত হানা প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ১০ থেকে ৩৩ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছাস হয়েছিলো। যে হিসেব পাওয়া যায় তাতে ১৯৭০ সালের প্রবলতম ঘূর্ণিঝড়ে পাঁচ লাখ মানুষ নিহত হয়েছিলো।

সে সময়ে জলোচ্ছাসে অসংখ্য গবাদি পশু এবং ঘরবাড়ি ডুবে গিয়েছিলো। উরিরচরের ঘূর্ণিঝড় নামে পরিচিত ১৯৮৫ সালের সাইক্লোনটির বাতাসের গতিবেগ ছিল ১৫৪ কিলোমিটার। এটা অল্প জায়গায় হয়েছে। ফলে তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। ১২ থেকে ২২ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছাসের প্রবল ঘূর্ণিঝড়টিতে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ২২৫ কিলোমিটার। ১৯৯১ সালের এপ্রিলের ওই ঘূর্ণিঝড়কে আখ্যা দেয়া হয় ‘শতাব্দীর প্রচন্ডতম ঘূর্ণিঝড়’ হিসেবে। ওই ঝড়ে এক লাখ ৩৮ হাজার মানুষ নিহত হয়েছিলো। যদিও বেসরকারী সংগঠনের দাবি অনেক মাছধরার ট্রলার সাগরে ডুবে নিখোঁজ হয়েছিলো আরও অনেকে।

এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এক কোটি মানুষ। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর খুলনা-বরিশাল উপকূলীয় এলাকায় ১৫ থেকে ২০ ফুট উচ্চতার প্রবল ঘূর্ণিঝড় সিডর আঘাত হেনেছিলো। যার বাতাসের গতিবেগ ছিল ২২৩ কিলোমিটার। জোয়ারের সময় এ ঝড় হয়নি বলে প্লাবন কম হয়েছে। যেকারণে তুলনামূলকভাবে মানুষও কম মারা গেছে। কিন্তু অবকাঠামোগত অনেক ক্ষতি হয়েছে। সিডরে রেডক্রস সোসাইটির হিসেবে ১০ হাজার মানুষ মারা গেছে বলা হলেও সরকারীভাবে ছয় হাজার বলা হয়েছিল। ২০০৯ সালের ২৫ মে পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানে প্রবল ঘূর্ণিঝড় আইলা। যার বাতাসের গতিবেগ ছিল ৭০ থেকে ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত।

ইতিহাসে প্রতিদিন
                                  

আজ (মঙ্গলবার) ২৩ এপ্রিল’২০১৯


(বিশ্ব গ্রন্থ দিবস)
পাঠ্যাভাসের মূল উদ্দেশ্য নিয়ে আজ বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব গ্রন্থ দিবস। এ অঙ্গীকার নিয়েই ১৯৯৫ সালে ইউনেস্কো ২৩ এপ্রিলকে বিশ্ব গ্রন্থ ও গ্রন্থস্বত্ব দিবস ঘোষণা করে। এই দিনটকে গ্রন্থ দিবস হিসেবে নির্বাচনের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে জানা গেছে- এ দিনেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিশ্ব সাহিত্যের দুই মহান ব্যক্তি শেক্সপিয়র ও সারভান্তেস । বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংল দিবস হিসেবে এটি নতুন। দেশেও দিবসটি পালিত হয় । জাতিসংঘ যাত্রার পর থেকে বিশ্বে বিরাজমান যুদ্ধ, হান্নাহানি, অস্ত্রের প্রতিযোগিতা, শক্তির মহড়া, মানবাধিকার লংঘন নির্যাতন এসবই ছিলো আলোচনা ও ভাবনার ক্ষেত্র। উন্নয়নের কর্মসূচির পথে বিশ্ববাসীর যাত্রার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও মনোযোগ বিস্তৃত হয় ক্রমশ। গ্রন্থ দিবস ও এর উদযাপন বিশ্বসভার সংস্কৃতির ধারণার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিরই প্রতিফলন বাংলাদেশে প্রথম এই দিবসটি পালিত হয় ২০০০ সালে। বাংলাদেশ সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদ আয়োজন করে র‌্যালি ও আলোচনা সভা। পরিষদ এই দিবসে ভবিষ্যতে বইমেলা, পত্র পত্রিকায় গ্রন্থপাঠ ইত্যাদি আয়োজন করা হবে মর্মে আশা প্রকাশ করে। জাতিসংঘের কোনো কোনো সংস্থা বিশেষ করে ইউনেস্কো বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালনে উদ্বুদ্ধ করছে। বৃটিশ সরকারের উদ্যোগে ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের প্রতিটি স্কুলের প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে আন্তর্জাতিক বই দিবসটি উপলক্ষে একটি করে বই উপহার প্রদানের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। ৫ জানুয়ারি থেকে ইংল্যান্ডে সমস্ত স্কুল প্রধান শিক্ষকের কাছে আন্তর্জাতিক গ্রন্থ দিবসের বাণী সম্বলিত পোস্টার ও লিফলেট পৌছানো হয়। বাংলাদেশে বইয়ের প্রসার সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য সরকারিভাবে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বই ক্রয় করা হয় ও স্কুল কলেজে বিতরণ করা হয়। ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠমনস্ক করে তোলার জন্য বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

১৫৬৪ সালের এ দিনে স্টারফোর্ডে প্রখ্যাত ইংরেজ কবি, নাট্যকার ও অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন। তাকে ইংরেজী ভাষার সর্বকালের সেরা লেখক এবং নাট্যকার হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। তাকে অনেক সময় ইংল্যান্ডের জাতীয় কবি এবং ব্জ€˜দ্য বার্ড অফ অ্যাভন` বলা হয়। তিনি তার নিজের নাটকে নিজেই অভিনয় করতেন। নাটক লেখার জন্যে তিনি শহরে আসেন। ১৫৮৫ থেকে ১৫৯২ সালের মধ্যে তিনি লন্ডনে এসে তার লেখা নাটকে সফল এবং জনপ্রিয় অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান ।তিনি এ সময় লেখক, কবি হিসেবেও পরিচিতি পান। তার লেখার মধ্যে ট্রাজেডী এবং কমেডি বিশেষ গুরুত্ব পায়। এখন পর্যন্ত তার লেখা ৩৮ টি নাটক, ১৫৪ টি সনেট এবং ২ টি দীর্ঘ বর্ণনামূলক কবিতা এবং বেশ কিছু অন্য ধরণের কবিতা রয়েছে। তার বিখ্যাত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে, হ্যামলেট, কিং লেয়ার, ম্যাগবেথ ইত্যাদি। শেক্সপিয়ারের এসব রচনা পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং তার লেখা নাটক সবচেয়ে বেশী মঞ্চস্থ হয়। ১৬১৩ খৃষ্টাব্দের দিকে শেক্সপিয়ার স্টারফোর্ডে ফিরে যান এবং তার তিন বছর পর ১৬১৬ সালের ২৩ শে এপ্রিল তিনি পরলোকগমন করেন।

১৭৭৫ সালের এ দিনে প্রখ্যাত ইংরেজ আর্টিস্ট উইলিয়াম টার্নার নিপেনে জন্মগ্রহণ করেন। পরিবারের তিন ভাই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড় ছিলেন। শৈশবেই তার বাবার মৃত্যু হয় এবং মায়ের সাথে কাটান। এরপর তার চাচার সাথে থাকতেন। জল রংয়ের ছবি এবং ল্যান্ডস্কেপে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী ছিলেন। তার সমসাময়কি শিল্পীদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। অক্সফোর্ড অভিধানের বেশীরভাগ ছবিই তার আঁকা। আর সে কারণে তিনি উইলিয়াম টার্নার অক্সফোর্ড হিসেবে বেশী পরিচিত। টার্নারের একটি বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলো অক্সফোর্ডের এ্যাশমোলিন মিউজিয়ামে রাখা আছে এবং এখনও সেখানে স্থায়ীভাবে এগুলোর প্রদর্শনী হয়। প্রখ্যাত এই শিল্পি ১৮৫১ সালে পরলোকগমন করেন ।

১৮৫৮ সালের এ দিনে বিখ্যাত জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতবিদ কার্ল আর্নেস্ট লুডিগ ম্যাক্স প্লানক জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ম্যাক্স প্লানক হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। তিনি পর্দার্থ বিজ্ঞানে কোয়ান্টাম মেথড বা সংখ্যা তত্ত্বের উদ্ভাবক ছিলেন তাছাড়া বিংশ শতাব্দীর পদার্থ বিজ্ঞানীদের মধ্যে তিনি অন্যতম। কোয়ান্টাম মেথডের উদ্ভাবক হিসেবে মাক্স প্লানককে ১৯১৮ সালে পদার্থ বিদ্যায় নোবেল পুরুষ্কার দেয়া হয়। তিনি জার্মান একনায়ক এডলপ হিটলারের কঠোর বিরোধী ছিলেন। তত্ত্বীয় পদার্থ বিদ্যায় তাপ বিকিরণ ও আলোকরশ্মির উপর তিনি ব্যাপক ও মূল্যবান গবেষণা চালান এবং এসব বিষয়ে বহু গ্রন্থ রচনা করেন। ম্যাক্স প্লানক ১৯৪৭ সালে ৮৯ বছর বয়সে পরলোকগমন করেন ।

১৮৯১ সালের এ দিনে রাশিয়ার প্রখ্যাত সংগীত রচয়িতা, সুরকার এবং পিয়ানোবাদক সের্গেই প্রোকোফিভ ইউক্রেনের একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ৫ বছর বয়সে তিনি সংগীতে ব্যাপক প্রতিভার পরিচয় দেন। মাত্র ৯ বছর বয়সে তিনি সুরকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। সের্গেই প্রোকোফিভ বিংশ শতাব্দীর সংগীতের জগতে তিনি একটি অন্যন্য নাম। তিনি ১৯৫৩ সালে পরলোকগমন করেন ।

১৯৯২ সালের এদিনে ভারতের বিখ্যাত বাংলা সিনেমার পরিচালক ও স্ক্রিপ্ট রাইটার সত্যজিত রায় পরলোকগমন করেন। তিনি কোলকাতার একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯২১ সালের দোশরা মে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কোলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজ ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন। অধ্যায়ন শেষে একজন বানিজ্যিক শিল্পী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ফরাসী চিত্র পরিচালক জিন রিনোর সাথে এক মিটিংয়ের পর তিনি পরিচালনার কাজ শুরু করেন। তিনি তার ছবির মধ্যে বাস্তবতা এবং সামাজিক বিষয় অত্যন্ত জীবন্তভাবে ফুটিয়ে তোলেন। বিশ শতকের সিনেমা জগতে তিনি একটি সুপরিচিত নাম। সত্যজিত রায়ের বিখ্যাত সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে- অপরাজিতা, অপুর সংসার ও পথের পাঁচালী। তিনি ৩২ টি জাতীয় ফিল্ম এওয়ার্ড পেয়েছেন।


ইংরেজ কবি ও নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়রের জন্ম (১৫৬৪)
ভারতের ব্রিটিশ গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস (১৭৯৫)
ইংরেজ কবি ও নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়রের জন্ম (১৫৬৪)
ভারতের ব্রিটিশ গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস (১৭৯৫)
নিউইয়র্কে জনসমক্ষে প্রথম চলচ্চিত্র প্রদর্শন (১৮৯৬)
মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক তুরস্কের নেতা নির্বাচিত (১৯২০)
৯ বছর আলোচনার পর পোল্যান্ডের সংবিধান গৃহিত (১৯৩৫)
ভারতে প্রথম সুপার এক্সপ্রেস টেলিগ্রাফ সার্ভিস উদ্বোধন (১৯৭১)
সায়গনে আতংক ছড়িয়ে পড়ায় দক্ষিণ ভিয়েতনামের মন্ত্রিসভার পদত্যাগ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ডের ভিয়েতনাম যুদ্ধ সমাপ্ত ঘোষণা (১৯৭৫)
বাংলাদেশ সংবিধানের ৫ম সংশোধনী গৃহীত (১৯৭৭)
লিবিয়ায় বিস্ফোরক ভর্তি ট্রাক বিস্ফোরণে ৫৪ জন নিহত (১৯৮৮)
২৬ বছরের মধ্যে প্রথম চীনের সরকার প্রধান, প্রধানমন্ত্রী লীপেং সোভিয়েত ইউনিয়ন সফরে যান (১৯৯০)
বিশ্বনন্দিত চলচ্চিত্রকার ও সাহিত্যিক সত্যজিত রায়ের মৃত্যু (১৯৯২)

 

শ্রীলংকার শীর্ষ বিরোধী দলীয় নেতা ললিত আধুলাথ মুদালি আততায়ীর গুলিতে নিহত । প্রেসিডেন্ট প্রেমাদাসা এর সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ । ৮ দিন পর প্রেসিডেন্ট প্রেমাদাসাও আততায়ীর হাতে নিহত (১৯৯৩)
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সনের মৃত্যু (১৯৯৪)
কারাগার থেকে এক খুনী আসামীর পলায়নের ব্যর্থতা স্বীকার করে বেলজিয়ামের স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ (১৯৯৮)

উল্কার আঘাতে চাঁদের বুকে পানির ফোয়ারা!
                                  

চাঁদ নিয়ে মানুষের আগ্রহের কোনো কমতি নেই। চাঁদে পানির অস্তিত্ব নিয়ে এতোদিন অনেক অনুসন্ধান চালিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু এতোদিন পর্যন্ত চাঁদের বুকে পানির অস্তিত্বের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করতে পারেননি। তবে এবার মহাজাগতিক এক ঘটনায় প্রমাণ হয়েছে যে, চাঁদের মাটিতে লুকিয়ে রয়েছে পানি! চাঁদের বুকে আচমকা একটি উল্কা আছড়ে পড়ার পর চাঁদের বুক চিরে ফোয়ারার মতো বেরিয়ে এসেছে পানির কণা। এরপর মহাকাশে বাষ্প হয়ে উধাও হয়ে গেছে সেই পানি। হারিয়ে গেছে মহাকাশের অতল রহস্যের আঁধারে। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘নেচার-জিওসায়েন্সে’ এ আবিষ্কারের গবেষণাপত্রটি বের হয়েছে। গবেষক দলের প্রধান হিসেবে রয়েছেন মেরিল্যান্ডের গ্রিনবেল্টে নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানী মেহেদী বেন্না।

চমকে দেওয়ার মতো এ ঘটনার সাক্ষী নাসার পাঠানো উপগ্রহ ‘ল্যাডি’। উপগ্রহটির পুরো নাম ‘লুনার অ্যাটমস্ফিয়ার অ্যান্ড ডাস্ট এনভায়রনমেন্ট এক্সপ্লোরার’। চাঁদের বুকে যদি সত্যিই যথেষ্ট পরিমাণ পানির সন্ধান মেলে তাহলে আগামী দিনে চাঁদের বুকেই হয়ত গড়ে উঠবে সভ্যতার দ্বিতীয় উপনিবেশ।

বিজ্ঞানীরা তাত্ত্বিকভাবে জানতেন যে চাঁদের মাটিতে থাকতে পারে পানি। কিন্তু এতোদিন চোখে দেখা যায়নি বলে বিজ্ঞানীরা তা বিশ্বাস করতে চাইতেন না। কিন্তু নাসার পাঠানো উপগ্রহ ল্যাডির চোখে ধরা পড়া ঘটনার পর চাঁদের বুকে পানি নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

নাসার জেট প্রোপালসান ল্যাবরেটরির (জেপিএল) বিশিষ্ট বিজ্ঞানী গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের মতে, এটা সত্যিই একটি মাইলস্টোন আবিষ্কার। অনেক দিন ধরেই বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, চাঁদের মাটির নিচে এখনো পানি থাকতে পারে। সে জন্যই সম্প্রতি চাঁদ নিয়ে আগ্রহ বেড়েছে নাসার। চাঁদ নিয়ে গবেষণার জন্য নাসার প্ল্যানেটারি ডিভিশন একটি নতুন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ কর্মসূচির নাম ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অব লুনার ইনস্ট্রুমেন্টেশন (ডালি)।

নাসার পাঠানো উপগ্রহ ল্যাডি চাঁদের বুকে পানির খোঁজ দিতে পারলেও তার মূল কাজ ছিল অন্য। চাঁদের বায়ুমণ্ডল কেমন, কতটা পুরু বা পাতলা সেটা বুঝতেই ৬ বছর আগে ল্যাডিকে পাঠিয়েছিল নাসা। চাঁদের বায়ুমণ্ডলকে জরিপ করতে ল্যাডি উপগ্রহের বিভিন্ন কক্ষপথে ছিল ২০১৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৪-র এগ্রিল পর্যন্ত। চাঁদের বায়ুমণ্ডলের ঘনত্ব আর সেখানকার বাতাসে কোন কোন মৌল বা যৌগ মিশে রয়েছে, তা বুঝতে ল্যাডির সঙ্গে ছিল বিশেষ একটি যন্ত্র নিউট্রাল মাস স্পেকট্রোমিটার (এনএমএস)। এটির কাজ ছিল চাঁদের বাতাসে কতটা ধুলো কী পরিমাণে মিশে রয়েছে সেটা খুঁজে দেখা। —নেচারএশিয়া ডট কম

ফোর্বস ম্যাগাজিনের তালিকায় বাংলাদেশি তরুণ সানি
                                  

সৌরবিদ্যুৎ মজুদে নতুন পথের সন্ধান দিয়ে প্রভাবশালী ম্যাগাজিন ‘ফোর্বস’-এ যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিশজন আবিষ্কারক ও উদ্যোক্তার মধ্যে উঠে এসেছে বাংলাদেশের তরুণ সানি সানোয়ারের নাম। এই ত্রিশজনের সবার বয়সই ত্রিশের কম।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ছে। প্রথমে এসব বিদ্যুৎ শুধু যেখানে উৎপাদিত হতো শুধু সেখানেই ব্যবহার হতো। পরে গ্রিডের মাধ্যমে অন্য জায়গায় ব্যবহারের সুযোগ বাড়লেও এখন ল্যাপটপের মতো বাক্সবন্দি করে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা আবিষ্কার হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।

সে উদ্যোগে যুক্ত বাংলাদেশের তরুণ সানি। এ আবিষ্কারে যুক্ত থাকার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে বিদ্যুতের বাক্স ছড়িয়ে দেয়ার কাজ করছেন তিনি।

ত্রিশ বছর বয়সের কম বয়সী যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিশজন আবিষ্কারক ও উদ্যোক্তার তালিকায় তার নাম উঠে আসাকে বাংলাদেশের গর্ব হিসেবে দেখছেন সানি। তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল সারোয়ার ও মা নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. কামরুন্নাহার। সানি সানোয়ার যুক্তরাষ্ট্রেই হাইস্কুল থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত সম্পন্ন করেছেন।

সেখানে পিএইচডিও করেছেন। ১৯ বছর বয়সে সানি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি লিথিয়াম-পলিমার ব্যাটারি ‘ভার্ডটুজিও’র ব্যবসা করে ২০১৬ সালে ব্যাপক সফলতা লাভ করেন।

গুগল সম্পর্কে অজানা ১০টি তথ্য
                                  

গুগল আসার আগের জীবনের কথা কি আপনি মনে করতে পারেন? তখন আপনি কি করতেন, যখন হঠাৎ করে, তাড়াতাড়ি কোন বিষয়ে তথ্য খুঁজে বের করার দরকার হতো?

যা কিছুই আপনি খোঁজেন না কেন- হয়তো একটি শব্দের সঠিক বানান, একটি রেস্তোরার ঠিকানা, বিশেষ কোন দোকান, অথবা পাহাড়ি কোন হৃদের নাম, সব কিছুর জন্যই হয়তো আপনি এখন গুগল করেন।

গুগল প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ৪০ হাজার অনুসন্ধানের জবাব বের করে- প্রতিদিন যার মানে সাড়ে তিন বিলিয়ন অনুসন্ধান (ফোর্বসের হিসাব)।

এতসব কিছুর মাঝে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সার্চ ইঞ্জিন শুধুমাত্র কোন সার্চ ইঞ্জিনের চেয়েও বেশি কিছু হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা একটা বিজ্ঞাপনী মাধ্যম, একটি ব্যবসা মডেল আর ব্যক্তিগত তথ্যের এক নিরলস সংগ্রাহক।

ঠিক তাই, প্রত্যেকবার যখন আমরা গুগলে কোন অনুসন্ধান করি, গুগল আমাদের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ এবং অভ্যাস সম্পর্কে খানিকটা জেনে ফেলে- কিন্তু আপনি গুগল সম্পর্কে কতটা জানেন?

এখানে গুগল সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য রয়েছে, যা হয়তো আপনাকে অবাক করে দিতে পারে।

১. নাম

গুগল নামের মানে কি, আপনি জানতে চাইতে পারে। আসলে এর কোন মানেই নেই।

গুগল নামটি আসলে এসেছে গাণিতিক হিসাবের গোগল (googol) ভুল করে লেখার মাধ্যমে-যার হলো ১ এর পর একশোটি শূন্য।

এ নিয়ে এখন অনেক গল্প প্রচলিত আছে যে, একজন প্রকৌশলী বা ছাত্র আসল নামের বদলে এই ভুল বানানটি লিখেছিলেন। সেই ভুল নামই পুরো দুনিয়ার সামনে চলে আসে।

এর পরের ঘটনা তো ইতিহাস।

২. `ব্যাকরাব`
গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ এবং সের্গেই ব্রিন এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম নাম দিয়েছিলেন ব্যাকরাব।

যে পদ্ধতিতে একটি ওয়েবসাইট আরেকটি ওয়েবসাইটকে খুঁজে বের করে এবং সেগুলোর অতীত লিংকের ওপর নির্ভর করে ওয়েবপেইজে র‍্যাংকিং নির্ধারণ করে, তাকেই বলা হয় ব্যাকরাব।

৩. সব কিছুই হিসাব নিকাশ নয়

গুগলের সব কিছুই ব্যবসা নয়। সেখানে অনেক মজার ব্যাপারসাপারও আছে।

যেমন "askew" এই শব্দটি গুগলে লিখে দেখতে পারেন।

৪.গুগলের ছাগল

গুগল সবসময়েই বলে, তারা সবুজ উদ্যোগ সমর্থন করে। এরই একটি হলো ছাগলের মাধ্যমে লনের ঘাসকাটা।

ক্যালিফোর্নিয়ায় গুগল সদর দপ্তরের লনের ঘাসগুলো নিয়মিতভাবে কেটেছেটে ঠিকঠাক রাখতে হয়। সুতরাং আপনি যদি কখনো সেখানে যান, দেখতে পাবেন প্রায় ২০০ ছাগল সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর ঘাস খেয়ে লনের ঘাস ঠিকঠাক রাখছে।

৫. ক্রমবর্ধমান ব্যবসা

জিমেইল, গুগল ম্যাপস, গুগল ড্রাইভ, গুগল ক্রোম...এসবের বাইরে ২০১০ সাল থেকে গুগল প্রায় প্রতি সপ্তাহেই একটি করে কোম্পানির মালিক হচ্ছে।

আপনি হয়তো টের পাবেন না, কিন্তু অ্যান্ড্রুয়েড,ইউটিউব, ওয়ায, অ্যাডসেন্স-এসব প্রতিষ্ঠানের মালিক গুগল, এরকম আরো সত্তুরটি কোম্পানি রয়েছে।

৬. ডুডল

অফিসের বাইরে বার্তা যোগাযোগের মাধ্যমে প্রথম গুগল ডুডল চালু হয় ১৯৯৮ সালের ৩০ অগাস্ট।

যখন ল্যারি আর সের্গেই একটি উৎসবে নেভাদা গিয়েছিলেন, তখনি প্রথম এই আইডিয়াটি আসে।

এরপর থেকেই ডুডল গুগলের একটি ঐতিহ্যে পরিণত হয়। বিশেষ বিশেষ দিন বা ব্যক্তিত্বের উপলক্ষে বিশেষভাবে করা শিল্প গুগলের চেহারায় ভেসে ওঠে।

৭. অনেকের জন্য সুযোগের হাতছাড়া, কিন্তু গুগলের জন্য নয়

১৯৯৯ সালে ল্যারি এবং সের্গেই গুগলকে ১ মিলিয়ন ডলারে বিক্রির চেষ্টা করেছিলেন.....কিন্তু সেটা কেনার মতো কোন গ্রাহক ছিল না। এমনকি দাম কমিয়ে দেয়ার পরেও কোন গ্রাহক মেলেনি।

এখন গুগলের মোট সম্পদের পরিমাণ ৩০০ বিলিয়ন ডলার। হয়তো কেউ কেউ সেই সুযোগ হাতছাড়া করার জন্য এখন আফসোস করতে পারে।

৮.গুগলের আদর্শ

গুগলের মৌলিক আদর্শগুলোর একটি ``কখনো দুষ্টতে পরিণত হয়ো না``।

কিন্তু এই কোম্পানি এখনো সেই আদর্শে আছে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত আপনার।

৯. খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার

ফোবর্সের তথ্য অনুযায়ী, গুগলের পিতা সের্গেই ব্রিন প্রথম দিকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, গুগলের অফিস কখনোই খাবার প্রাপ্তির স্থান থেকে ৬০ মিটারের বেশি দূরত্বে হবে না।

গুজব আছে যে, তখন কোম্পানির সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার ছিল `সুইডিশ ফিশ`, একটি চিবানোর মতো মিষ্টি। কিন্তু এখন গুগলের লোকজনের জন্য নানা ধরণের মাংস আর ভালো মানের কফির ব্যবস্থা রয়েছে।

১০. গুগলের সবচেয়ে ভালো বন্ধু

গুগলে যারা কাজ করেন, এমনকি যারা নতুন কাজ করতে এসেছেন, তারা সবাই নিজের কুকুর সঙ্গে করে নিয়ে আসতে পারে। তবে এটা প্রমাণ করতে হবে যে, তারা অফিসের ধরণের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত, যেখানে সেখানে হাগুমুগু করে নোংরা করবে না।

আরো কয়েকটি বোনাস পয়েন্ট....

যদিও গুগলের ইনডেক্স সেই ১৯৯৯ সালের তুলনায় এখন ১০০গুণ বড়, কিন্তু এটি ১০ হাজার গুণ বেশি গতিতে আপডেট করছে।

প্লাস্টিক নির্মাণ খেলনা লেগোর ভক্ত গুগল, এ কারণে প্রথম গুগল কম্পিউটারের স্টোরেজ ইউনিট লেগো ইট দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল।

কেন্দুয়ায় জন্ম নিলো ৫ পা-ওয়ালা বাছুর!
                                  

দেহে চার পা ছাড়াও পিঠের অংশে আরও একটি— মোট পাঁচ পা-ওয়ালা বাছুর জন্ম নিয়েছে নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায়। সেই বাছুর একনজর দেখতে ভীড় করছে এলাকাবাসী।

উপজেলার মাসকা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এনামুল হকের বাড়িতে গত বৃহস্পতিবার জন্ম নেয় বাছুরটি। আজ মঙ্গলবার এনামুল হক আমাদের সময়কে জানান, গত বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে তার বাড়ির গোয়াল ঘরে একটি গাভী স্বাভাবিকভাবে বাছুরটির জন্ম দেয়। পরে দেখা যায়, বাছুরটির পিঠের অংশে একটি পা আলাদাভাবে যুক্ত রয়েছে।

এনামুল হক বলেন, ‘পাঁচ পা-ওয়ালা বাছুর জন্মেছে এই খবর পেয়ে এলাকাবাসী আমাদের বাড়িতে ভীড় করতে শুরু করে। বাছুরটিকে একনজর দেখার জন্য এত মানুষ আসায় তা নিয়ন্ত্রণে আমাকে অনেক হিমশিম খেতে হয়েছে। পরে ভীড় সামলাতে না পেরে বাছুরটিকে ঘরে রেখে বাইরে তালা ঝুলিয়ে দেই।’

উপজেলার গবাদিপশু চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,অপারেশনের মাধ্যমে বাছুরটির অতিরিক্ত একটি পা কেটে ফেলা সম্ভব। তবে এ জন্য এক বছর অপেক্ষা করতে হবে।

ঘ্রাণ শুঁকেই শত্রুর শক্তি বুঝতে পারে যে প্রাণী
                                  

মানুষ সাধারণত চোখের বিচারে কেউ শারীরিকভাবে বলবান নাকি দুর্বল সেটা বিচার করে। হৃষ্টপুষ্ট শরীর দেখলে তাকে ‘শক্তিশালী’ ভেবে সমীহ করে। তার ভেতরের শক্তি আসলে কতটুকু সেটা যাচাই করা মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু পৃথিবীতে একটি মাত্র প্রাণী আছে যারা শারীরিক ক্ষমতার ‘ঘ্রাণ’ নিতে পারে! সেই প্রাণীটি হচ্ছে লেমুর। মাদাগাসকারের এই প্রাণীটি গবেষকদের নিকট এক বিরাট বিস্ময়। প্রতিপক্ষকে দেখে আন্দাজে পালানোর দরকার পড়ে না এদের। কারণ, শত্রু একটু কাছে এলেই ঘ্রাণ শুঁকে এরা বুঝে ফেলে দু’জনের মধ্যে কার শক্তি বেশি। মারামারি লাগলে কে জয়ী হবে।

কিভাবে এটা সম্ভব। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, লেমুরদের পুরুষ এবং নারী উভয় প্রজাতির জননাঙ্গে এক ধরনের গ্রন্থি থাকে। এই গ্রন্থি থেকে এক ধরনের ঘ্রাণ ছড়ায়, যা তাদের ক্ষমতা বুঝতে সাহায্য করে। এ ছাড়া পুরুষদের হাত ও পায়ের গিট এবং কাঁধে একই গ্রন্থি থাকে। সাধারণত মারামারি করতে গেলে এসব প্রত্যঙ্গ গুরুত্বপূর্ণ। এসব প্রত্যঙ্গের গ্রন্থিগুলো থেকে যে ঘ্রাণ বের হয় তা সংশ্লিষ্ট লেমুরের শক্তির মাত্রা নির্দেশ করে। ফলে ঘ্রাণ নাকে যেতেই একটি লেমুর ধরে ফেলে প্রতিপক্ষের হাত, পা কিংবা ঘাড়ে কতটুকু শক্তি আছে।

আরো মজার ব্যাপার হলো, প্রত্যেক লেমুর নিজের শক্তির মাত্রাও তাৎক্ষনিকভাবে মাপতে পারে। তাই লড়াই শুরু হলে কে জিতবে সেটাও সাথে সাথে হিসেব কষে ফেলতে পারে। নিজের শক্তি কম হলে তবেই পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করে।

যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার ডিউক ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, লেমুরদের আরো অনেক মজার মজার বৈশিষ্ট্য আছে। কোনো লেমুরের শরীরের কোথাও যদি কেটে যায় তবে তার সামনে সারাক্ষণ বিপদ অপেক্ষা করে। কারণ সেই কাঁটা স্থান যদি শরীরের লোমে ঢাকাও থাকে তবুও অন্য লেমুররা সেটা বুঝতে পারে। ফলে দুর্বল শরীর পেয়ে তার উপর হামলা চালায়। একারণে আহত লেমুররা পুরোপুরি সুস্থ হওয়া পর্যন্ত লুকিয়ে থাকে।

যখন তখন প্রতিপক্ষের দ্বারা হামলার শিকার হবার কারণে লেমুররা দল বেধে ঘুরে বেড়ায়। প্রতি দলের একজন নেতা থাকে। এই নেতা সাধারণত নারী লেমুর হয়। ঘ্রাণ শুঁকে শত্রুর শক্তি বের করার ক্ষমতা পুরুষদের চেয়ে নারীদের বেশি। তাই শত্রুদের দ্রুত সনাক্ত করে ফেলতে পারে নারী দলনেতা।-ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।

আট বছর বয়সেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র
                                  

বেলজিয়ামে লরেন্ট সিমন্স নামের আট বছর বয়সী এক বালক মাত্র দেড় বছরেই স্কুলের পড়াশোনার পাঠ শেষ করেছে, যেটি শেষ করতে অন্যদের সময় লাগে ছয় বছর। এখন দুই মাসের ছুটি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবে সে।

লরেন্ট সিমন্সের বাবা একজন বেলজিয়ান আর মা নেদারল্যান্ডসের নাগরিক। তারা জানান, বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষায় লরেন্ট সিমন্সের নম্বর উঠেছে ১৪৫।

বেলজিয়ামের আরটিবিএফ রেডিওকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে লরেন্ট বলে, তার প্রিয় বিষয় গণিত, কারণ এটি বিশাল একটি বিষয়। সেখানে পরিসংখ্যান, জ্যামিতি আর বীজগণিত রয়েছে।

লরেন্টের বাবা জানান, ছোট বেলা থেকেই লরেন্ট অন্য শিশুদের সঙ্গে মিশতে পারতো না বা খেলতে পারতো না। খেলনার প্রতিও তার কোনো আগ্রহ ছিল না।

লরেন্ট জানায়, পড়াশোনা শেষ করে সে একজন সার্জন এবং নভোচারী হওয়ার কথা ভেবেছিল। কিন্তু এখন সে বরং কম্পিউটার নিয়েই কাজ করতে চায়।

তবে তার বাবা বলেন, `যদি সে কালকে আবার কাঠমিস্ত্রি হতে চায়, সেটাও আমাদের জন্য কোনো সমস্যা নয়। তার যা করতে ভালো লাগবে, তাতেই আমরা খুশি।`

যে কারণে বাড়ছে বাংলাদেশে গড় আয়ু
                                  

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো`র `স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস` জরিপ অনুযায়ী ২০১৬`র তুলনায় ২০১৭`তে বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে প্রায় চার মাস।

২০১৬`তে যেখানে গড় আয়ু ছিল ৭১.৬ বছর, ২০১৭ তে তা বেড়ে দাড়ায় প্রায় ৭২ বছরে।

পুরুষদের গড় আয়ু ৭০.৩ থেকে উন্নীত হয়েছে ৭০.৬ বছরে। আর নারীদের গড় আয়ু ৭২.৯ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩.৫ বছর।

কোন বিষয়গুলোর কারণে বাংলাদেশের গড় আয়ু দিন দিন বাড়ছে?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংখ্যা বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আমিনুল হকের মতে, গড় আয়ু বৃদ্ধির পেছনে বেশ কয়েকটি বিষয় অবদান রেখেছে।

১. শিশু মৃত্যুহার হ্রাস:
মি.হক বলছেন, গড় আয়ু বাড়ার পেছনে অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালন করেছে শিশু মৃত্যুহার হ্রাস।

বিবিএস`এর জরিপ অনুযায়ী, ২০০১ সালে যেখানে বাংলাদেশে নবজাতক মৃত্যুর হার ছিল প্রতি ১০০০ জন জন্ম নেয়া শিশুর মধ্যে ৫৬ জন, ২০১৭`তে এসে তা কমে দাড়ায় ২৪ জনে।

পাঁচ বছরের কমবয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ২০০১ এ ছিল ৮২ জন, যা ২০১৭`তে কমে দাড়ায় ৩১ জনে।

গড়ে প্রতি হাজার জন্মে শিশু মৃত্যুহার ২০০১ এর ৪.১ থেকে ২০১৭`তে কমেছে ১.৮ এ।

স্বাস্থ্যখাতে বাংলাদেশের উন্নতি শিশু মৃত্যুহার কমানোর পেছনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করেন মি. হক।

২. মাতৃ মৃত্যুহার হ্রাস:
মাতৃ মৃত্যুহার হ্রাস পাওয়াও গড় আয়ু বাড়ার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

১৯৮৬ সালে প্রতি হাজার জন্ম নেয়া শিশুর ক্ষেত্রে মাতৃমৃত্যু হার ছিল ৬.৪৮। ২০১৭ তে সেই সংখ্যা এসে দাড়িয়েছে ১.৭২ তে।

৩. শিক্ষার হার বৃদ্ধি:
শিক্ষার হারও গড় আয়ুকে প্রভাবিত করে। শিক্ষার হার বৃদ্ধির সাথে সাথে সাধারণত মানুষ নিজের স্বাস্থ্য ও নিরপাত্তার বিষয়ে বেশী সচেতন হয়ে থাকে।

জরিপ অনুযায়ী, ৭ বছর বা তার চেয়ে বেশী বয়সের শিশুদের মধ্যে শিক্ষার হার ২০১৭`তে ছিল ৭২.৩%, যা একযুগ আগে ২০০৫ এ ছিল ৫২.১%। অর্থাৎ প্রায় ১৩ বছরে শিক্ষার হার বেড়েছে প্রায় ৩৯ শতাংশ।

১৫ বছর ও তার চেয়ে বেশী বয়সী মানুষের ক্ষেত্রে শিক্ষার হার ২০০৫ এ ছিল ৫৩.৫% এবং ২০১৭`তে তা বেড়ে দাড়ায় ৭২.৯ শতাংশে।

৪. অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা বৃদ্ধি:
অর্থনৈতিক উন্নয়ন গড় আয়ুকে প্রভাবিত করে। মি.আমিনুল হক বলেন, "একটি পরিবার যখন দারিদ্র্য থেকে বের হয়ে আসে, তখন তারা বেশী পুষ্টিকর খাবার হয় এবং স্বাস্থ্যের দিকে বেশী নজর দেয়।"

মি. হক বলেন, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের সাথে সাথে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়, যা মানুষকে দীর্ঘকাল সুস্থ জীবনযাপনে সহায়তা করে।

গত ১৩ বছরে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার হিসেবে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে বাংলাদেশ।

২০০৫ সালে বাংলাদেশে ১৯.২ শতাংশ পরিবার অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল হিসেবে বিবেচিত হতো। ২০১৭ সালে ৩৯ শতাংশের বেশী পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

গত কয়েকদশকে বাংলাদেশে দরিদ্র ও অতিদরিদ্র হিসেবে চিহ্নিত মানুষের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

৫. ছোঁয়াচে রোগের প্রাদুর্ভাব কমে যাওয়া:
মি. আমিনুল হকের মতে স্বাস্থ্যখাতে উন্নতি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশে ছোঁয়াচে রোগের সংখ্যা কমেছে। যা সরাসরি প্রভাব ফেলেছে গড় আয়ুতে।

মি. হক বলেন, "পরিবেশ দূষণের কারণে মানুষের মধ্যে দুষণজনিত নানাধরণের অসুখ দেখা দিচ্ছে। তবে সেসব রোগ দীর্ঘকালীন সমস্যা তৈরী করে। বাংলাদেশে গত কয়েক দশকে ছোঁয়াচে রোগের প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে, যার ফলে গড় আয়ু বেড়েছে।"

এছাড়া চিকিৎসাখাতে উন্নয়নের পাশাপাশি মানুষের মাঝে চিকিৎসা নিতে প্রাতিষ্ঠানিক সেবা নিতে যাবার প্রবণতা অনেক বেড়েছে।

৬. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় উন্নতি:
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিবছর মৃত্যুসংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও গড় আয়ু কিভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছ, এই প্রশ্নের জবাবে মি. হক বলেন নতুন শিশু জন্মহারের তুলনায় আকস্মিক মৃত্যুর সংখ্যা নগণ্য। তাই আকস্মিক মৃত্যুর কারণে গড় আয়ু হ্রাস পেলেও অন্যদিকে শিশু জন্মহার অপরিবর্তিত থাকায় ও মৃত্যুহার কমে যাওয়ায় তা গড় আয়ুর ওপর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলে না।

এছাড়া বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায়ও উন্নয়ন হয়েছে। ঝড়, বন্যা, জলোচ্ছাসে একসময় ব্যাপক মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেও যোগাযোগ ও প্রযুক্তিগত ভাবে উন্নয়নের সাথে সাথে এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃত্যুর সংখ্যাও কমেছে।

এছাড়া ঘরের বাইরের কাজে নারীদের সম্পৃক্ততা বহুগুণ বৃদ্ধি পাওয়াকে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। যার ফলে সরাসরি প্রভাবিত হয়েছে গড় আয়ু।

৪০০ বছরের প্রাচীন মসজিদ
                                  

কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী শাহ সুজা মসজিদ মোগল স্থাপত্যের অপূর্ব নির্দশন। ১৬৫৮ সালে এ মসজিদটি নির্মিত হয়। বাদশাহ আওরঙ্গজেবের ভাই শাহজাদা সুজার নাম অনুসারে সুজা মসজিদ নির্মিত হয়েছে। কুমিল্লা মহানগরীর মোগল টুলীতে এর অবস্থান। প্রায় ৪০০ বছরের প্রাচীন এ মসজিদটি দেখতে মহানগরীর মোগলটুলী এলাকায় প্রতিদিনই দর্শনার্থীরা ভিড় করেন।

কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী শাহ সুজা মসজিদটির নির্মাণ ইতিহাস সম্পর্কে বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ শ্রী কৈলাশ চন্দ্র সিংহ তার রামমালা গ্রন্থে উল্লেখ করেন, ‘গোমতী নদীর তীরে কুমিল্লা নগরীর মোগলটুলীতে সুজা মসজিদ নামক একটি ইস্টক নির্মিত বৃহৎ মসজিদ অদ্যাপি দৃষ্ট হইয়া থাকে। এই মসজিদ সম্বন্ধে দু’ প্রকার প্রবাদ শ্রুত হওয়া যায়Ñ (১) সুজা ত্রিপুরা জয় করিয়া বৃত্তান্ত চিরস্মরণীয় করিবার জন্য এই মসজিদ নির্মাণ করিয়া ছিলেন। (২) মহারাজ গোবিন্দ মানিক্য সুজার নাম চিরস্মরণীয় করিবার জন্য বহু অর্থ ব্যয় করিয়া এই মসজিদ নির্মাণ করিয়াছিলেন। দ্বিতীয় প্রবাদ অপো প্রথমোক্ত প্রবাদ সত্য বলিয়া আমাদের বিশ্বাস হইতেছে।’ শাহ সুজা (১৬৩৯-১৬৬০) বাংলার সুবাহদার ছিলেন। শাহ সুজা ছিলেন সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় ছেলে।

মসজিদের কেন্দ্রীয় গম্বুজটি পাশের দুটি গম্বুজ থেকে আকারে বড়। আদি মাপ ছিল প্রস্থে ১৬ ফুট ও দৈর্ঘ্যে ৪৭ ফুট। সাম্প্রতিককালে মসজিদের দুই প্রান্তে ২২ ফুট করে দুটি ক এবং সম্মুখ ভাগে ২৪ ফুট প্রশস্ত একটি বারান্দা নির্মাণ করায় আদি রূপ কিছুটা নষ্ট হয়েছে। মসজিদের উত্তর-পূর্ব কোণে একটি সুউচ্চ মিনারও নির্মাণ করা হয়েছে।
এই মসজিদটি উত্তর দেিণ লম্বা। মসজিদের চার কোণে চারটি অষ্ট কোণাকার মিনার। এগুলো মসজিদের ছাদের অনেক ওপরে উঠে গেছে। এই মসজিদটি একটি উল্লেখযোগ্য প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন। ফুল, লতাপাতা, জ্যামিতিক ও পদ্ম নকশায় অলঙ্কৃত মসজিদের প্রবেশপথ, কেবলা প্রাচীর ও গম্বুজ, কলসী চূড়া দ্বারা সুশোভিত গম্বুজের শীর্ষদেশ।

এ মসজিদের নামকরণ, প্রতিষ্ঠাতার নাম ও প্রতিষ্ঠার তারিখ নিয়ে ভিন্নমত থাকলেও এ মসজিদ যে পাক ভারত উপমহাদেশের প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম সে বিষয়ে কারো সন্দেহ নেই। আয়তনের দিক দিয়ে এ মসজিদ খুব বেশি বড় না হলেও এর কৃষ্টি, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সার্বিক অবয়ব আভিজাত্যের প্রতীক বহন করে।

প্রাচীন এ মসজিদটি দেখতে মহানগরীর মোগলটুলী এলাকায় প্রতিদিনই দর্শনার্থীরা ভিড় করেন। বিশেষ করে জুমা, শবে বরাত, শবে কদরসহ বিশেষ দিনগুলোয় এখানে মুসল্লি ও দর্শনার্থীরা ভিড় জমান। 
শাহ সুজা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সফিকুল ইসলাম সিকদার জানান, এটি একটি প্রাচীন মসজিদ। শুধু কুমিল্লায় নয়, সারা দেশের মধ্যে অন্যতম একটি মসজিদ। এখন ১২ শ’র ওপরে মুসল্লি একসাথে নামাজ পড়তে পারেন। আরো বেশি মুসল্লি নামাজ পড়ার বিষয়ে পরিকল্পনা করা হয়েছে।

শতাব্দীর দীর্ঘতম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ২৭-২৮ জুলাই
                                  

আগামী ২৭ জুলাই এবং কয়েকটি দেশে ২৮ জুলাই শতাব্দীর দীর্ঘতম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ স্থায়িত্ব হবে ১ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট।

জ্যোতির্বিজ্ঞানী বলছেন, এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণে লালচে রং ধারণ করবে চাঁদ। আর চাঁদের এই অবস্থার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ব্লাড মুন’। এ সময় চাঁদ পৃথিবীর ছায়ার সবচেয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকাটি অতিক্রম করবে। তাই চন্দ্রগ্রহণটি দীর্ঘ সময় ধরে চলবে। একই কারণে চাঁদের পৃষ্ঠে লালচে আভার সৃষ্টি হবে।  

এ মহাজাগতিক দৃশ্য ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের দেশগুলো থেকে দেখা যাবে । এশিয়ার বেশিরভাগ দেশ থেকে ২৭ জুলাই দিনগত মধ্যরাতের পর অথবা ২৮ তারিখ ভোর থেকে চন্দ্রগ্রহণ উপভোগ করা যাবে।

উল্লেখ্য, সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ যখন একই সরল রেখায় অবস্থান করে এবং পৃথিবীর ছায়া সরাসরি চাঁদকে ঢেকে ফেলে তখন চন্দ্রগ্রহণ দেখা যায়। 

নাইজেরিয়ায় বিএমডাব্লিউ গাড়িতে বাবার কবর দিলেন ছেলে
                                  

গাড়িতেই দেয়া হলো কবর! এমন খবর শুনে অনেকের চোখ কপালে উঠলেও সত্যি এমন ঘটনা ঘটেছে চীনের হেবেই প্রদেশে। দেশটির এক নাগরিকের ইচ্ছে পূরণ করতেই তাকে গাড়িতে কবর দেয়া হয়েছে। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

গাড়িতেই কবর দেয়ার জন্য কিউ নামের এক চীনা নাগরিক মৃত্যুর সময় তার শেষ ইচ্ছার কথা বলে গেছেন তার কাছের মানুষদের। আর তার শেষ ইচ্ছেতেই কফিনের বদলে প্রিয় গাড়ির সঙ্গে নিজেকে কবর দেয়া হয়।

বিষয়টি পুরনো হলেও নতুন খবর হচ্ছে এবার নাইজেরিয়ার এক ধনী সন্তান তার বাবাকে বিলসাবহুল নতুন বিএমডাব্লিউ গাড়িতে কবর দিয়েছেন। বাবাকে বিএমডাব্লিউ গাড়ি কিনে দেয়ার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে আজুবুকি নামের এ ব্যক্তি অদ্ভুত এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন। খবর প্রেসটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস।

ঘটনাটি এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে-৮৮ হাজার ডলার মূল্যের গাড়িতে করে মৃত লোকটিকে কবর দেয়া হয়।

আজুবুকি তার বাবাকে দামি বিএমডাব্লিউ গাড়ি কিনে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সে প্রতিশ্রুতি বাবার জীবদ্দশায় পূরণ করতে পারেননি। সে কারণে বাবার মৃত্যুর পর তার আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য তিনি স্থানীয় কফিনের পরিবর্তে বিএমডাব্লিউ গড়িতে করে বাবাকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেন। ঘটনাটি স্থানীয় জনগণের কাছে ক্ষোভ ও দুঃখের কারণ হয়ে উঠেছে। অনেকে বলছেন, মারাত্মক দারিদ্র্যপীড়িত দেশে এটা নিতান্তই অর্থের অপচয়।

এ নিয়ে একজন গ্রামবাসী বলেছেন, এ ধরনের কাজ আমাদের কৃষ্ণাঙ্গদেরকে গরীব করে রেখেছে। আরেকজন এ ঘটনাকে পাগলামি ও স্বার্থপরতা বলে উল্লেখ করেছেন। তবে কেউ কেউ ঘটনাটিকে সাজানো নাটক বলে মন্তব্য করেছেন।

এটাই বিশ্বের সবচেয়ে দামি গাড়ি! দাম কত জানেন?
                                  

এটাই বিশ্বের সবচেয়ে দামি গাড়ি! দাম কত জানেন? ভিন্টেজ কারের শখ রয়েছে বিশ্বে এমন মানুষের সংখ্যা কম নেই। তেমনই এক জন ডেভিড ম্যাকনিল। গাড়ির ফ্লোর ম্যাট এবং বিভিন্ন অ্যাকসেসরিজ প্রস্তুতকারক সংস্থা ওয়েদারটেক-এর সিইও ডেভিড। এই ডেভিডই এখন বিশ্বের সবচেয়ে দামি গাড়ির মালিক। আর সেই সঙ্গে তিনি ‘জিটিও ক্লাব’-এর তালিকায় ঢুকে গিয়েছেন।

এই এলিট ক্লাবে রয়েছেন বিখ্যাত মার্কিন শিল্পপতি রাল্ফ লরেন এবং ওয়ালমার্টের কর্ণধার রব ওয়ালটনের মতো ব্যক্তিত্বরা। ম্যাকনিলের সংগ্রহে রয়েছে ১৯৬০ ফেরারি ২৫০ জিটি বার্লিনেট্টা এসডব্লিউবি, ২৫০ জিটি লুসো, ২৭৫ জিবিটি, ৩৬৫ জিবিটি, এফ ৪০ এবং এফ ৫০-র মতো বহু মূল্যবান গাড়ি। ১৯৬৩ ফেরারি ২৫০ জিটিও তার সংগ্রহের নবতম সংযোজন।

সম্প্রতি নিলামে উঠেছিল ১৯৬৩ ফেরারি ২৫০ জিটিও গাড়িটি। গাড়িটির চেসিস নম্বর ৪১৫৩ জিটি। নিলামে গাড়িটির দাম উঠেছে ৭০ মিলিয়ন ডলার।

আর এই দামের কারণেই ১৯৬৩ ফেরারি ২৫০ জিটিও বিশ্বের সবচেয়ে দামি গাড়ির তকমা পেয়েছে। ২০১৩ এই মডেলের ক্লাসিক গাড়ির সর্বোচ্চ দাম উঠেছিল ৫০ মিলিয়ন ডলার। নিলামে নয়, ব্যক্তিগত ভাবেই সেই গাড়িটি কেনা হয়েছিল। কিন্তু এ বছর নিলামে ওঠা দামে ফেরারি ২৫০ জিটিও সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।

ফেরারি ২৫০ জিটিও ব্র্যান্ডটি গাড়িপ্রেমীদের কাছে #22 এবং #46 নামে পরিচিত। ফেরারি ঘরানার মধ্যে ৪১৫৩ জিটি চেসিস নম্বরকে সবচেয়ে আইকনিক বলে মানা হয়। এই মহামূল্যাবান গাড়িকে ফেরারি ২৫০ জিটিও ত্যুর দ্য ফ্রাঁ-ও বলা হয়। কারণ ১৯৬৪-এ সিলভার রঙের এই মডেলটি ত্যুর দ্য ফ্রাঁ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ১৯৬৩-তে লে মান্স প্রতিযোগিতায় চতুর্থ স্থান অর্জন করেছিল। ১৯৬৫-তে অ্যাঙ্গলোয়ান গ্রাঁ প্রি-তেও অংশ নিয়েছিল এই মডেলের গাড়িটি।

গাড়িটির সর্বোচ্চ গতি ২৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। ১৯৬৩ সালে যখন গাড়িটি আমেরিকার বাজারে আসে, তখন এর দাম ছিল ১৮ হাজার ডলার


   Page 1 of 45
     তথ্যবিচিত্র
৮০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের একাংশ ডুবে যাবে সাগরে!
.............................................................................................
বিশ্বের সর্বোচ্চ গতিসম্পন্ন ট্রেনের ৫ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
.............................................................................................
লাখ লাখ জীব বিলীন হবে মানুষের কারণে!
.............................................................................................
বাংলাদেশের ইতিহাসে পাঁচটি ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়
.............................................................................................
ইতিহাসে প্রতিদিন
.............................................................................................
উল্কার আঘাতে চাঁদের বুকে পানির ফোয়ারা!
.............................................................................................
ফোর্বস ম্যাগাজিনের তালিকায় বাংলাদেশি তরুণ সানি
.............................................................................................
গুগল সম্পর্কে অজানা ১০টি তথ্য
.............................................................................................
কেন্দুয়ায় জন্ম নিলো ৫ পা-ওয়ালা বাছুর!
.............................................................................................
ঘ্রাণ শুঁকেই শত্রুর শক্তি বুঝতে পারে যে প্রাণী
.............................................................................................
আট বছর বয়সেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র
.............................................................................................
যে কারণে বাড়ছে বাংলাদেশে গড় আয়ু
.............................................................................................
৪০০ বছরের প্রাচীন মসজিদ
.............................................................................................
শতাব্দীর দীর্ঘতম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ২৭-২৮ জুলাই
.............................................................................................
নাইজেরিয়ায় বিএমডাব্লিউ গাড়িতে বাবার কবর দিলেন ছেলে
.............................................................................................
এটাই বিশ্বের সবচেয়ে দামি গাড়ি! দাম কত জানেন?
.............................................................................................
এন্টার্কটিকার বরফের নীচে খোঁজ মিললো পবর্তশ্রেণির
.............................................................................................
জোড়া তরমুজের মূল্য সাড়ে ২৪ লাখ!
.............................................................................................
সন্তান জন্ম দেয়া নিষিদ্ধ যে দ্বীপে
.............................................................................................
পর পর দুই বছর বৈশ্বিক তাপমাত্রা কমেছে: নাসা
.............................................................................................
৮৫ হাজার বছর আগের মানুষের পদচিহ্ন পাওয়া গেল সৌদিতে
.............................................................................................
দুই পা নেই, তবুও এভারেস্ট জয়
.............................................................................................
যে গ্রামে ৪০০ বছর ধরে সন্তান জন্মগ্রহণ করে না
.............................................................................................
বদলে যাবে নগরজীবন! উড়বে এবার `ফ্লাইং কার`!
.............................................................................................
বয়স ১০৪ বছর, আর বেঁচে থাকতে চান না অস্ট্রেলিয়ার এই বিজ্ঞানী
.............................................................................................
আরও জোরাল হল মঙ্গলে প্রাণের দাবি!
.............................................................................................
তিন কোটি লোক মারা যেতে পারে প্রাণঘাতী রোগে: বিল গেটস
.............................................................................................
মাশরুম বিস্ময়কর খাদ্য
.............................................................................................
সমুদ্রের নিচে হোটেল
.............................................................................................
রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে এলো ৫২ গোখরো
.............................................................................................
জেরুজালেমে গোপন কুঠুরিতে প্রাচীন সময়ের `ফ্রিডম কয়েন`!
.............................................................................................
২১ বার এভারেস্ট জয়!
.............................................................................................
স্কুলে যাচ্ছেন ৯২ বছর বয়সী দাদি
.............................................................................................
মঙ্গলগ্রহে বাড়ির নকশা
.............................................................................................
আধুনিক মানুষের সঙ্গে একাধিকবার মিলন ঘটেছিল রহস্যময় ডেনিসোভানদের
.............................................................................................
এভারেস্ট থেকে ১০০ টন আবর্জনা তোলা হবে
.............................................................................................
সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ড
.............................................................................................
পৃথিবীর দশ লাখ প্রজাতির বীজ সংরক্ষণ হচ্ছে সংরক্ষণাগারে
.............................................................................................
বিলুপ্তির পথে বাংলাদেশের ১১৭৩ জাতের প্রাণী
.............................................................................................
চাঁদে মোবাইল টাওয়ার!
.............................................................................................
মাটির নিচের সুড়ঙ্গে কোরআন আর কোরআন!
.............................................................................................
চীনাদের কনে কিনতে হচ্ছে কেন?
.............................................................................................
চাঁদ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন বিজ্ঞানীরা
.............................................................................................
যে দ্বীপের মালিক দুই দেশ!
.............................................................................................
বাক্স খুললেই সম্পদ, সুখ আর সৌভাগ্য!
.............................................................................................
সংযত হও, অন্যথায় ধ্বংস হয়ে যাবে : এলিয়েন বার্তা
.............................................................................................
সূর্য শীতল হবে ২০৫০ সালে!
.............................................................................................
মঙ্গল গ্রহ নেমে এলো মরুভূমিতে!
.............................................................................................
ডাক বাক্সে জ্যান্ত বাঘের বাচ্চা
.............................................................................................
স্বর্ণের বার্গার!
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]