ঢাকা,বৃহস্পতিবার,৭ কার্তিক ১৪২৭,২২,অক্টোবর,২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   তথ্যবিচিত্র -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
আজ ২৩ সেপ্টেম্বর, পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত সমান

প্রতি বছর দুটি দিন পৃথিবীর দিন ও রাতের ব্যাপ্তি সমান হয়ে থাকে। এর একটি দিন হলো ২১ মার্চ এবং অন্যটি ২৩ সেপ্টেম্বর। আজ ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য উত্তর আর দক্ষিণ অয়নান্তের মাঝামাঝি ঠিক বিষুব রেখা বরাবর কিরণ দেবে। সেই হিসেবে আজ পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত সমান।

আগামীকাল থেকেই সূর্যের চারদিকে আপন কক্ষপথে পৃথিবীর পরিক্রমণের কারণে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে সরে যেতে শুরু করবে। আবহাওয়াও উত্তরা বাতাসে শীত থেকে শীতার্ত হবে। ধীরে ধীরে দীর্ঘ হতে পরবর্তী রাতগুলো।

এরপর ২০ মার্চ সূর্য তার দক্ষিণ গোলার্ধের অবস্থান শেষ করে উত্তর গোলার্ধের দিকে যাত্রাকালে রাতের শেষের দিকে বিষুবরেখার উপর অবস্থান নেয়। তাই পরদিন অর্থাৎ ২১ মার্চ পৃথিবীর উভয় গোলার্ধের দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয়।করোনা ভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারি পরিস্থিতিতে আগামী ৪ অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে মুসল্লিদের জন্য ওমরাহ চালু করা হবে বলে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার এমনটি জানানো হয়েছে।

করোনা ভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারির কারণে গত সাত মাস ধরে সৌদি আরবে ওমরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। সৌদি প্রেস এজেন্সিতে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রথম ধাপে সৌদি আরবের ৬ হাজার নাগরিক এবং বাসিন্দা ৪ অক্টোবর থেকে ওমরাহ পালন করতে পারবেন

জানা গেছে, আগামী ১ নভেম্বর থেকে সৌদি আরবের বাইরের মুসল্লিরাও মক্কা এবং মদিনায় গিয়ে ওমরাহ পালন করতে পারবেন। তখন একদিনে ২০ হাজার মুসল্লিকে ওমরাহ পালনের অনুমতি দেওয়া হবে বলে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এছাড়া করোনা মহামারির প্রকোপ কমে গেলে পূর্বের মতো সকলকে ওমরাহ পালনের অনুমতি দেওয়া হবে বলেও সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

আজ ২৩ সেপ্টেম্বর, পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত সমান
                                  

প্রতি বছর দুটি দিন পৃথিবীর দিন ও রাতের ব্যাপ্তি সমান হয়ে থাকে। এর একটি দিন হলো ২১ মার্চ এবং অন্যটি ২৩ সেপ্টেম্বর। আজ ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য উত্তর আর দক্ষিণ অয়নান্তের মাঝামাঝি ঠিক বিষুব রেখা বরাবর কিরণ দেবে। সেই হিসেবে আজ পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত সমান।

আগামীকাল থেকেই সূর্যের চারদিকে আপন কক্ষপথে পৃথিবীর পরিক্রমণের কারণে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে সরে যেতে শুরু করবে। আবহাওয়াও উত্তরা বাতাসে শীত থেকে শীতার্ত হবে। ধীরে ধীরে দীর্ঘ হতে পরবর্তী রাতগুলো।

এরপর ২০ মার্চ সূর্য তার দক্ষিণ গোলার্ধের অবস্থান শেষ করে উত্তর গোলার্ধের দিকে যাত্রাকালে রাতের শেষের দিকে বিষুবরেখার উপর অবস্থান নেয়। তাই পরদিন অর্থাৎ ২১ মার্চ পৃথিবীর উভয় গোলার্ধের দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয়।করোনা ভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারি পরিস্থিতিতে আগামী ৪ অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে মুসল্লিদের জন্য ওমরাহ চালু করা হবে বলে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার এমনটি জানানো হয়েছে।

করোনা ভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারির কারণে গত সাত মাস ধরে সৌদি আরবে ওমরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। সৌদি প্রেস এজেন্সিতে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রথম ধাপে সৌদি আরবের ৬ হাজার নাগরিক এবং বাসিন্দা ৪ অক্টোবর থেকে ওমরাহ পালন করতে পারবেন

জানা গেছে, আগামী ১ নভেম্বর থেকে সৌদি আরবের বাইরের মুসল্লিরাও মক্কা এবং মদিনায় গিয়ে ওমরাহ পালন করতে পারবেন। তখন একদিনে ২০ হাজার মুসল্লিকে ওমরাহ পালনের অনুমতি দেওয়া হবে বলে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এছাড়া করোনা মহামারির প্রকোপ কমে গেলে পূর্বের মতো সকলকে ওমরাহ পালনের অনুমতি দেওয়া হবে বলেও সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

দীর্ঘ পাঁচ মাস পর খুলে দেয়া হচ্ছে বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র
                                  

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে দীর্ঘ পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্রগুলো আগামীকাল শুক্রবার থেকে খুলে দেয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার বান্দরবান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত করোনাভাইরাস মনিটরিং কমিটির এক জরুরি বৈঠকের পর প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোঃ দাউদুল ইসলাম জানিয়েছেন, দেশের অন্যান্য জায়গায় পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেয়া হলেও বান্দরবানে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ না কমার কারণে এতদিন পর্যটনকেন্দ্রসহ হোটেল-মোটেলগুলো বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে সংক্রমণ অনেকটা কমে আসায় শর্তসাপেক্ষে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুক্রবার থেকে জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র ও হোটেল-মোটেলগুলো খুলে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে সংক্রমণ বাড়লে পূর্বের লকডাউন অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া হবে বলে জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন।

এদিকে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে বান্দরবানের পর্যটন ব্যবসায়ীরা স্বাগত জানিয়েছেন। জেলার হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের কারণে বান্দরবানে সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক হোটেল-মোটেল-রেস্টুরেন্ট বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক কর্মচারী ছাঁটাই করা হয়েছে। তবে সংক্রমণ কমে আসায় প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত পর্যটন শিল্পকে আগের মতো ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে ব্যবসায়ীরা।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শামীম হোসেন জানিয়েছেন, পর্যটনশিল্প নির্ভর প্রতিটি সেক্টরের জন্য আলাদা আলাদা শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এসব শর্তগুলো সংশ্লিষ্টদের অবশ্যই মেনে চলতে হবে, সেই সাথে স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২২ মার্চ থেকে লকডাউন করে বান্দরবানের সকল পর্যটন কেন্দ্র এবং হোটেল-মোটেল বন্ধ করে দেয়া দেয় প্রশাসন। পার্বত্য জেলা বান্দরবানে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে ৬৩৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন চারজন।

বাংলাদেশে হয়ে যাওয়া সবচেয়ে ভয়াবহ ৫টি ঘূর্ণিঝড়
                                  

সুপার ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’ পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পশ্চিম মধ্যবঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’ উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

ঘূর্ণিঝড়টি রোববার সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৩০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।

বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অফিস জানায়, এটি আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে আগামীকাল বুধবার বিকেলে বা সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৬০ সাল থেকে ২০০৭ সালে সিডরের পর্যন্ত বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়গুলোকে `সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্ম` বা প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০০৭ সালে প্রথম স্পষ্ট নামকরণ করা হয়। ২২৩ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসা এবং ১৫-২০ ফুট উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাসে নিয়ে আসা সেই ঘূর্ণিঝড় ছিল সিডর যাকে সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্ম উইথ কোর অব হারিকেন উইন্ডস (সিডর) নাম দেয়া হয়।

সবচেয়ে ভয়াবহ ৫টি ঘূর্ণিঝড়
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে বিবেচনা করা হয় ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড় এবং ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়কে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক শাহ আলম বলেন, সবচেয়ে প্রলয়ঙ্করী ছিল ১৯৭০ এবং ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়। এরপরে তিনি সাইক্লোন সিডরের কথা উল্লেখ করেন।

১৯৭০ এর ঘূর্ণিঝড়: ১৯৭০ সালের ১২ই নভেম্বর সবোর্চ্চ ২২৪ কিলোমিটার বেগে চট্টগ্রামে আঘাত হানা এই প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ১০-৩৩ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল।

যে হিসেব পাওয়া যায় তাতে ১৯৭০ এর সালের প্রবলতম ঘূর্ণিঝড়ে ৫ লাখ মানুষ নিহত হয়। সেসময় ১০-৩৩ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল এবং অসংখ্য গবাদি পশু এবং ঘরবাড়ি ডুবে যায়।

সাবেক পরিচালক শাহ আলম বলেন, অনেকে মনে করেন মৃতের সংখ্যা আসলে ৫ লাখেরও বেশি ছিল।

তিনি বলেন, "৭০ এর সাইক্লোন থেকেই মূলত মোটামুটিভাবে মনিটর করা শুরু হয়। সেই ঘূর্ণিঝড়টা সরাসরি বরিশালের মাঝখান দিয়ে উঠে আসে। ভোলাসহ অনেক এলাকা পানিতে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।"

১৯৮৫ সালের ঘূর্ণিঝড়: উরিরচরের ঘূর্ণিঝড় নামে পরিচিত এই সাইক্লোনটি যার বাতাসের গতিবেগ ছিল ১৫৪ কিলোমিটার। আলম বলেন, "এটা অল্প জায়গায় হয়েছে ফলে ক্ষয়ক্ষতি বেশি ছিল না"।

১৯৯১ এর ঘূর্ণিঝড়: নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে এই ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। ১২-২২ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের প্রবল ঘূর্ণিঝড়টিতে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ২২৫ কিলোমিটার।

১৯৯১ সালের ২৯-৩০ এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড়কে আখ্যা দেয়া হয় `শতাব্দীর প্রচণ্ডতম ঘূর্ণিঝড়` হিসেবে যাতে ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ মারা যায় বলে জানা যায়। যদিও বেসরকারি সংগঠনের দাবি অনেক মাছধরার ট্রলার সাগরে ডুবে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন আরও অনেকে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয় এক কোটি মানুষ।

আবহাওয়া বিভাগের সাবেক এই কর্মকর্তা বলেন, "এই সাইক্লোনে অনেক পানি হয়েছিল। অনেক মানুষ মারাও গিয়েছে। যদিও পূর্বাভাস ভালো ছিল, ২৭ ঘণ্টা আগে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ৬ ঘণ্টা ধরে স্থলভাগে আসে এবং তাণ্ডব চালায় এই সাইক্লোনটি।"

তিনি বলেন, "সাধারণত ২/৩ ঘণ্টার বেশি সাইক্লোন থাকে না। কিন্তু এটি ছয়-ঘণ্টার বেশি সময় বাতাস বইতে থাকে"।

শাহ আলম জানান, ২২৪ কিলোমিটার বেগে আসা এই ঘূর্ণিঝড়ে তেলের ট্যাংকার পর্যন্ত ওপরে উঠে গিয়েছিল।

ঘূর্ণিঝড় সিডর: ২০০৭ সালের ১৫ই নভেম্বর খুলনা-বরিশাল উপকূলীয় এলাকায় ১৫-২০ ফুট উচ্চতার প্রবল ঘূর্ণিঝড় সিডর আঘাত হানে যার বাতাসের গতিবেগ ছিল ২২৩ কিলোমিটার।

জোয়ারের সময় হয়নি বলে প্লাবন কম হয়েছে, ফলে তুলনামূলক মানুষ কম মারা গেছে, কিন্তু অবকাঠামোগত অনেক ক্ষতি হয়েছে, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। সিডরে রেডক্রসে হিসেবে ১০ হাজার মারা গেছে বলা হলেও সরকারিভাবে ৬ ছয় হাজার বলা হয়েছিল।

ঘূর্ণিঝড় আইলা: ২০০৯ সালের ২৫শে মে পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানা প্রবল ঘূর্ণিঝড় আইলা, যার বাতাসের গতিবেগ ছিল ৭০-৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত।

আলম বলেন, "বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে `৭০ এবং ৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে"।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞের চোখে
বাংলাদেশে উপকূলীয় এলাকার পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করছে দুর্যোগ ফোরাম। এই সংগঠনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ গওহর নাইম ওয়ারা বলেন, মানুষ বাতাসকে ভয় পায়না, ভয় পায় পানিকে। আর জোয়ারের সময় ঘূর্ণিঝড় হলে তা বিশাল রূপ নেয়। ৭০ এবং ৯১ সময় সেটাই হয়েছিল।

তবে তিনি মনে করেন, ক্ষয়ক্ষতির চিত্রটি সবসময় পূর্ণাঙ্গভাবে উঠে আসেনা। । "কারণ তখন তথ্য সংরক্ষণের ততটা ব্যবস্থা ছিলনা। তাছাড়া কর্তৃপক্ষ ডেডবডি কাউন্ট করে, সরকার ডেডবডি না পেলে মৃত হিসেবে লিপিবদ্ধ করে না। সাগরে যারা হারিয়ে গেছে তাদের হিসাব তো করা হয় না।``

``সিডরে ১০ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল বলেছিল রেডক্রস। কিন্তু সরকার বলেছিল ৬ হাজার। সুতরাং ক্ষয়ক্ষতির হিসাব সবসময় ঠিকভাবে উঠে আসেনা"।

তিনি বলেন "আইলাতে কম মানুষ মারা গিয়েছিল, দিনের বেলায় হওয়াতে অনেকে সরে যেতে পেরেছিল। কিন্তু আইলার ক্ষতি এখনো কাটিয়ে ওঠা যায়নি। শুধু মানুষ না পশু-প্রাণীর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল"।

উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ঘূর্ণিঝড়

  • বাকেরগঞ্জের প্রবল ঘূর্ণিঝড়- ১৮৭৬ সালের ১লা নভেম্বরের ঘূর্ণিঝড়টি অনেকের কাছে বাকেরগঞ্জের প্রবল ঘূর্ণিঝড় নামে পরিচিত। তাতে প্রাণ হারিয়েছিল ২ লাখ মানুষ, যখন ১০ থেকে ৪৫ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাস হয়।
  • ১৯৬০ সালের ৩১ অক্টোবরের প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ৫ লাখ ১৪৯ জন নিহত হয়। ৬.১ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস ছিল।
  • ১৯৬০ সালের ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রামে ২০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের প্রবল ঘূর্ণিঝড়
  • ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রামে ১ অক্টোবর ২০-২২ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের প্রবল ঘূর্ণিঝড়
  • ২০০৮ সালে ঘূর্ণিঝড় নার্গিস এর পূর্বাভাস দেওয়া হলেও পরে তা বার্মার উপকূলে আঘাত হানে। মিয়ানমারে এর প্রভাবে বহু ক্ষতি হয়।
  • ২০১৩ সালের ১৬ মে নোয়াখালী-চট্টগ্রাম উপকূলে জলোচ্ছ্বাসের ঘূর্ণিঝড় `মাহাসেন`
  • ২০১৫ সালের ৩০ জুলাই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলে ৫-৭ ফুট উচ্চতার ঘূর্ণিঝড় `কোমেন`
  • ২০১৬ সালের ২১ মে বরিশাল-চট্টগ্রাম উপকূলে ৪-৫ ফুট উচ্চতার ঘূর্ণিঝড় `রোয়ানু`
  • ২০১৭ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলে প্রবল ঘূর্ণিঝড় `মোরা`।  

সূত্র : বিবিসি

নাসা জানিয়েছে হয়ত এপ্রিলেই ধ্বংস হতে পারে মানবসভ্যতা
                                  

পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে। এই খবর মাঝে মাঝেই ছড়িয়ে পড়ে ইন্টারনেটে। তবে এবার সত্যিই হয়ত ধ্বংস হতে পারে মানবসভ্যতা। এমনই সতর্ক বানী জানিয়েছে খোদ মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।

নাসা জানিয়েছে, একটি গ্রহাণু পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে। তা ঘটলে কয়েক মুহূর্তে ধ্বংস হয়ে যাবে মানবসভ্যতা।

ব্রিটেনের এক্সপ্রেস নিউজ-এর খবর অনুযায়ী, নাসা জানিয়েছে, এই গ্রহাণুটি আয়তনে ৪ কিলোমিটার। প্রতি ঘন্টায় ৩১ হাজার ৩২০ কিমি গতিতে এগিয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। এই গতিতে এগিয়ে আসতে থাকলে ২৯ এপ্রিল পৃথিবীর কাছে চলে আসবে।

নাসা জানায়, পৃথিবীর খুব কাছে আসবে গ্রহাণুটি। কোনোভাবে পৃথিবীর সাথে সংঘর্ষ হলে গোটা মানবসভ্যতা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ধ্বংস হয়ে যাবে।

নাসা-র বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রতি ১০০ বছরে ৫০ হাজারের মধ্যে ১ বার পৃথিবীতে গ্রহাণু আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। যদি এই গ্রহাণুটি পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে, তা হলে মানবসভ্যতা শেষ হয়ে যাবে।

ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ অফ অ্যাস্ট্রোনমারস-এর সদস্য ব্রুস বেটস বলেন, ছোট ছোট গ্রহাণু মাঝে মাঝে পৃথিবীর কাছে আসে৷ অ্যাটমোস্ফিয়ারেই ধ্বংস হয়ে যায় সেগুলো। কিন্তু এই গ্রহাণুটি বড়।

২০১৮ সালেও একটি বড় গ্রহাণু পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল৷ তবে সেটি কান ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।

এই মুহূর্তে গ্রহাণুটি পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব যতটা, তার চেয়ে ১৬ গুণ বেশি দূরে রয়েছে। ব্রেটসের ভাষায়, ‘কিছু গ্রহাণু পৃথিবীর কাছাকাছি ঘুরে বেড়াচ্ছে৷ তবে সেগুলির পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা কম।’

বেরিয়ে এসেছে ২৫০০ বছর আগের মৌর্য যুগের স্থাপত্য নিদর্শন
                                  

নভেম্বর মাস থেকে শুরু হওয়া আদি পুন্ড্র নগরী মহাস্থান গড়ে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কাজ শুরু হয়েছে বেশ জোরেশোরে। ঐতিহাসিক পুন্ড্র নগরী হিসাবে খ্যাত বগুড়ার মহাস্থানগড়ে প্রত্নতাত্ত্বিক খোড়া খুড়িতে এবার বেরিয়ে এসেছে আনুমানিক আড়াই হাজার বছর পুরানো মৌর্য যুগের প্রাচীন স্থাপত্য নিদর্শন।

খননে বেড়িয়ে আসা থেকে প্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক সামগ্রী দেখে সংশ্লিষ্ঠরা মনে করছেন পুন্ড্র নগরী মহাস্থানগড়ে প্রাচীন যুগেও ঐতিহ্য, সংস্কৃতিতে উৎস হিসাবে বেশ সমৃদ্ধশালী ছিল। প্রায় আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন নগরী মহাস্থানগড়ে বাংলাদেশ-ফ্রান্স যৌথ খননকালে এসব নিদর্শনের সন্ধান মিলেছে। গত ৮ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া যৌথ খননে ফ্রান্সের পক্ষে দল নেতা ছিলেন কলিন লেফ্রাংক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফ্রান্সের এলবো ফ্রাংকোয়িস ও আতোয়ান। বাংলাদেশ দলের পক্ষে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের আঞ্চলিক পরিচালক ড, নাহিদ সুলতানার সঙ্গে ছিলেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মজিবুর রহমান, শাহজাদপুর জাদুঘরের কস্টোডিয়ান মোহাম্মদ যায়েদ, মহাস্থান জাদুঘরের কস্টোডিয়ান রাজিয়া সুলতানা, সিনিয়র ড্রাফসম্যান আফজাল হোসেন, আলোকচিত্রী আবুল কালাম আজাদ ও সার্ভেয়ার মুর্শিদ কামাল ভূঁইয়া। যৌথভাবে মহাস্থানগড় ঐতিহাসিক (ওয়াল্ডহেরিটেজ) স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর ১৯৯৩ সাল থেকে বাংলাদেশ ও ফ্রান্স সরকার দফায় দফায় খনন কাজ পরিচালনা করে আসছে।

একই সাথে নিজস্ব অর্থায়নেও বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরও অব্যাহত ভাবে খনন পরিচালনা করছে। ফলে বিভিন্ন সময়ে খননের বিভিন্ন পর্যায়ে এখানে বেরিয়ে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ সব প্রত্ননিদর্শন। এবারও মহাস্থান গড়ের বৈরাগীর ভিটার ৫টি স্থানে খনন কাজ শুরু করা হয়। এরমধ্যে ফ্রান্সের দল ৩টি এবং প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর দুটি স্থানে খনন কাজ পরিচালনা করে। ইতোমধ্যই এলাকার বৈরাগীর ভিটায় ২০১৭ সালে খননের পর প্রায় এক হাজার ৩শত বছর আগে নির্মিত তিনটি বৌদ্ধ মন্দিরের নিদর্শন মিলেছে এমনটি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র। এবার শুরু থেকেই ওই খননস্থানের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে খনন করা হয়।

খননকালে যেসব প্রত্ন নিদর্শন মিলেছে তা থেকে ধারণা করা হচ্ছে বৈরাগী ভিটার এই জায়গাটি কোন বাণিজ্যিক কেন্দ্র অথবা খাদ্য সরবরাহ কেন্দ্র ছিলো। কারণ হিসাবে উল্লেখ্য খননকালে পাশাপাশি এই ৫টি জায়গায় মোট ৮টি কূপের সন্ধান মিলেছে। সেই সঙ্গে পাওয়া গেছে অসংখ্য মৃৎ পাত্র, মৃৎ পাত্রের ভগ্নাংশ, মাটির বিশালাকায় ডাবর (মটকা)। এতে খনন দলের সদস্যরা ধারণা করছেন- জায়গাটি বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার সম্ভবনাই বেশি। খননস্থলে প্রাপ্ত স্থাপত্য কাঠামো এবং উত্তরাঞ্চলীয় উজ্জ্বল চকচকে কালো মৃৎপাত্র (এনবিপিডাব্লিউ) দেখে খনন সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন এসব খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে অর্থাৎ মৌর্য আমলের। সেই হিসেবে খনন থেকে প্রাপ্ত ও উন্মোচিত প্রত্ন সামগ্রী প্রায় আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন বলে ধারনা করা হচ্ছে।

১৩ বছর পর আবারও আগামীকাল দেখা যাবে ক্ষুদ্রতম চাঁদ
                                  

দীর্ঘ ১৩ বছর পর আবারও আগামীকাল শুক্রবার পূর্ণিমার রাতে দেখা যাবে ক্ষুদ্রতম চাঁদ। ফোর্বস ম্যাগাজিনের প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞানীদের মতে, ক্ষুদ্রতম চাঁদের ক্ষেত্রে চাঁদ ১৪ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ছোট দেখা যায়। পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব দুই লাখ ৫১ হাজার ৬শ` ৫৫ মাইল হলেই ক্ষুদ্র হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু এবার তার থেকেও ৮শ` ১৬ মাইল দূরে থাকবে চাঁদ।

উপবৃত্তাকার কক্ষপথের জন্য চাঁদ কখনও পৃথিবীর সামনে আসে, কখনও দূরে চলে যায়। সেই মতো শুক্রবার ১৩ সেপ্টেম্বর চাঁদ পৃথিবী থেকে দূরতম স্থানে অবস্থান করবে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এর আগে ২০০৬ সালের জানুয়ারি মাসে চাঁদকে ক্ষুদ্র আকারে দেখা গিয়েছিল। এবার পূর্ণিমা শুরু হচ্ছে ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৩৬ মিনিটে। আর পূর্ণিমা ছাড়বে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ৩ মিনিটে। ফলে এই সময়ের মধ্যে চাঁদকে সব থেকে ছোট দেখাবে। ১৩ বছর পর চাঁদকে এতটা ছোট আকারে দেখতে চাইলে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই আকাশের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। আকাশ মেঘলা না থাকলে এই ক্ষুদ্র আকৃতির চাঁদ পূর্ণভাবে দেখা যাবে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে।

অবশেষে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হলো ব্যাবিলন নগরী
                                  

প্রাচীন মেসোপটেমিয়া সভ্যতার নগরী ব্যাবিলনকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে ইউনেস্কো। ৪ হাজার বছরের প্রাচীন এই নগরীকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে জাতিসংঘের  স্বীকৃতি পেতে ১৯৮৩ সাল থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইরাক। অবশেষে সম্মানজনক এই স্বীকৃতি মিলল। 

প্রাচীন নগরী ব্যাবিলন তার ঝুলন্ত বাগানের জন্য বিখ্যাত ছিল। বাগানটি প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চার্যের একটি। ব্যাবিলন নগরীটি ইরাকের সাবেক শাসক সাদ্দাম হোসেনের প্রাসাদ তৈরি এবং পরে মার্কিন বাহিনীর ঘাঁটি তৈরির সময়ে আক্রান্ত হয়।  

শুক্রবার আজারবাইজানে জাতিসংঘের বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় ব্যাবিলনকে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়।
 
ওই ঘোষণার সময়ে জাতিসংঘ জানিয়েছে, হাম্মুরাবি ও নেবুচাদনেজারের মতো শাসকদের অধীনে ব্যাবিলন শহর ব্যাবিলনীয়ান সভ্যতার সৃষ্টিশীলতার প্রতিনিধিত্ব করে। 

বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি জানিয়েছে, প্রাচীন ব্যাবিলন নগরী ভয়াবহ দুর্বল অবস্থায় আছে। খুব দ্রুত এর সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। 

সাদ্দাম হোসেন ১৯৮০-এর দশকে ব্যাবিলন নগরীর বড় একটি অংশ ধ্বংস করে ফেলেন। মূল স্থাপনার অনুরুপ মডেল স্থাপনের জন্য  সে সময়ে এ কাজ করেছিলেন তিনি। উপসাগরীয় যুদ্ধের পর প্রাচীন নগরীর আরেকটি অংশে নিজের জন্য এক সুরম্য প্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন সাদ্দাম। 

২০০৫ সালে ব্রিটিশ মিউজিয়াম সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছিল, মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট প্রাচীন নগরীর বড় একটি অংশ ট্যাঙ্ক চালিয়ে নষ্ট করেছে। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের নানা অংশে ১২টি পরিখা খনন করেছে মার্কিন বাহিনী। 

গিনিজ বুকে ১০ ফুট ৭ ইঞ্চি শিংয়ের গরু
                                  

বিশ্ব রেকর্ডও করে ফেলেছে শিং ১০ ফুট ৭ ইঞ্চি গরুটা। এর আগে এ রেকর্ডধারী গরুর চেয়ে ১ ইঞ্চি বড় রয়েছে পোঞ্চ নামের যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের এ গরুটার। পোপ জুনিয়র গরুটাকে ছয় মাস বয়সে কিনে নেন। এখন গরুটার বয়স ৭ বছর। পোঞ্চের শিং এক প্রান্ত থেকে অন্যপান্ত পর্যন্ত ১০ ফুট ৭ ইঞ্চি লম্বা। এর মধ্য দিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে ঠাঁই পেয়েছে সে। বারমিংহামের বাইরে আলাবামার গুডওয়াটারের একটি খামারে বড় হয়েছে পোঞ্চ।

এই শিং একটু বেশিই ব্যতিক্রম বলে জানিয়েছেন পোঞ্চ মালিক পোপ জুনিয়র। চার বছর বয়সেই এর শিং বেশ বাড়তে থাকে তখন থেকেই পোপ বুঝতে পারেন যে, এর শিং বেশ ব্যতিক্রম হবে। প্রথমে শিং বাঁকিয়ে গেলেও পরে আবারও সোজা হয়ে ওঠে। গাজর, আপেল ও মার্শ নামের এক ধরনের খাবারে বেশ স্বাচ্ছন্দ বলে গরুটিকে দৈত্যও বলা হয়ে থাকে। গরুটির মালিক পোপ জানান, তাকে গাজর এবং আপেল খাওয়ানো এবং যে কোনো ধরনের আচরণে সে কেবল একটি বিস্ময়কর বড় পোষা প্রাণী হিসাবে পরিণত হয়েছে। সূত্র: দ্য সান

হারিয়ে যাচ্ছে বাবুই পাখির শৈল্পিক বাসার নৈসর্গিক দৃশ্য
                                  

এস.এম ইকবাল (ফরিদগঞ্জ) চাঁদপুর প্রতিনিধি:

বাবুই পাখির শৈল্পিক বাসার নৈসর্গিক দৃশ্য দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। ফরিদগঞ্জসহ দেশের গ্রামাঞ্চলে এখন আর আগের মতো বাবুই পাখির দেখা মেলে না। ‘ বাবুই পাখিরে ডাকি বলিছে চড়াই, কুঁড়েঘরে থেকে করো শিল্পের বড়াই। আমি থাকি মহাসুখে অট্রালিকা পরে, তুমি কত কষ্ট পাও রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে’ কবি রজনীকান্ত সেনের এই অমর কবিতাটি এখন এ দেশে তৃতীয় শ্রেনীর বাংলা বইয়ে পাঠ্য হিসেবে অন্তর্ভূক্ত। শুধুমাএ পাঠ্যপুস্তকের কবিতা পড়েই এখনকার শিক্ষার্থীরা বাবুই পাখির শিল্পনিপুণতার কথা জানতে পারে।
এখন আর চোখে পড়ে না বাবুই পাখি ও তাঁর দৃষ্টিনন্দন সেই ছোট্র বাসা এবং বাসা তৈরির নৈসর্গিক দৃশ্য।

হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতির বয়নশিল্পী, স্থপতি এবং সামাজিক বন্ধনের কারিগর বাবুই পাখি ও তাঁর বাসা। খড়, তালপাতা ঝাউ ও কাঁশবনের লতাপাতা দিয়ে বাবুই পাখি উঁচু তালগাছে বাসা বাঁধে। সে বাসা দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি মজবুত। প্রবল ঝড়েও তাঁদের বাসা পড়ে যেত না। বাবুই পাখির শক্ত বুননের এ বাসাটি শিল্পের এক অনন্য সৃষ্টি যা টেনেও ছেঁড়া সম্ভব নয়। এক সময় বাংদেশের বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে সারি সারি উঁচু তালগাছে বাবুই পাখির দৃষ্টিনন্দন বাসা দেখা যেত। এখন তা আর সচরাচর চোখে পড়ে না। কালের বিবর্তনে ও পরিবেশ বিপর্যয়ের কারনে সেই দৃষ্টি ভোলানো পাখিটিকেও তার নিজের তৈরি বাসা যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরো ফুটিয়ে তুলত, তা আজ আমরা হারাতে বসেছি।

বাবুই পাখি বাসা তৈরির পর সঙ্গী খুঁজতে যায় অন্য বাসায়। সঙ্গী পচন্দ হলে স্ত্রী বাবুইকে সাথী বানানোর জন্য নানা ভাবে ভাব- ভালোবাসা নিবেদন করে এরা। বাসা তৈরির কাজ অর্ধেক হলে এরা কাংখিত স্ত্রী বাবুইকে সে বাসা দেখায়। বাসা পচন্দ কেবল সম্পর্ক গড়ে ওঠে। স্ত্রী বাবুই পাখির বাসা পচন্দ হলে বাকি কাজ শেষ করতে পুরুষ বাবুই পাখির সময় লাগে চার দিন। স্ত্রী বাবুই পাখির প্রেরনা পেয়ে পুরুষ বাবুই‘র মনের আনন্দে শিল্পসম্মত ও নিপুন ভাবে বিরামহীন ভাবে বাসা তৈরির কাজ শেষ করে।

 

উদ্ভিদ প্রজাতি প্রাণীর চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে বিলুপ্ত হচ্ছে
                                  

 রয়্যাল বোটানিক গার্ডেন এবং স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানান, বিগত ২৫০ বছরে ৫৭১টি উদ্ভিদ প্রজাতি বিলুপ্ত হয়েছে। এই সময়ে পাখি, স্তন্যপায়ী আর উভচর মিলে বিলুপ্তির সংখ্যা ২১৭ প্রজাতি। ফলে উদ্ভিদ প্রজাতির বিলুপ্তির হার দ্বিগুণেরও বেশি। স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. অ্যালিস হামফ্রেস বলেন, বিগত শতাব্দীতে বিলুপ্ত হওয়া প্রাণী বা পাখির নাম অনেকেই বলতে পারবেন। আমাদের গবেষণায় আমরা তুলে ধরেছি, কোন গাছগুলো ইতোমধ্যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে এবং কত দ্রুত বিষয়টা ঘটেছে। উপকূলীয় অঞ্চল ও দ্বীপেই সবচেয়ে বেশি উদ্ভিদ প্রজাতি বিল্প্তু হয়েছে বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে। তবে গবেষকদের ধারণা, উদ্ভিদ প্রজাতির বিলুপ্তির ভয়াবহতা এই সংখ্যার মাধ্যমে তুলে ধরা সম্ভব নয়। তবে এর মাঝে আশার বাণীও শুনিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তারা বলেন, চিলিয়ন ক্রোকাসের মতো বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া উদ্ভিদ প্রজাতিকে আবারও কোথাও কোথাও দেখা গেছে।


পৃথিবীর সমস্ত প্রাণিকুলই অক্সিজেন ও খাবারের জন্য উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। উদ্ভিদের বিলুপ্তিতে তার ওপর নির্ভরশীল প্রাণীও বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। যেমন কিছু কীট-পতঙ্গ, যারা গাছের পাতার ওপর নির্ভরশীল। রয়্যাল বোটানিক গার্ডেনের গবেষক ও বিজ্ঞানী ড. আইমার নিক লুগাদা বলেন, উদ্ভিদের বিলুপ্তি সবার জন্যই খারাপ খবর। তিনি বলেন, মানুষসহ লাখ লাখ প্রাণী উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। তাই কোনও উদ্ভিদের বিলুপ্তি হচ্ছে জেনে আমাদের বিকল্প প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হবে।


উদ্ভিদ প্রজাতির বিলোপ ঠেকাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন গবেষকরা। এরমধ্যে বিশ্বজুড়ে সব গাছের রেকর্ড রাখা, গাছের প্রজাতি সংরক্ষণ, আরও গবেষণা এবং শিশুদের গাছ চিনতে শেখানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. রোব স্লাগেরো-গোমেজ বলেন, আমরা আমাদের আহার-আশ্রয়ের জন্য সরাসরি উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। বাস্তুসংস্থানেও উদ্ভিদের বিকল্প নেই।

৮০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের একাংশ ডুবে যাবে সাগরে!
                                  

আগামী ৮০ বছরেই পানির নিচে চলে যাবে বাংলাদেশের বড় একটি অংশ। জলবায়ু পরিবর্তন সমপর্কিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে। প্রসিডিংস অব দ্যা ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্স নামের ওই জার্নালে বলা হয়েছে, শুধু বাংলাদেশের কিছু অংশ নয় লন্ডন, নিউ ইয়র্ক, সাংহাই ও ভারতের কিছু দ্বীপও পুরোপুরি পানির নিচে তলিয়ে যাবে। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।

এতে বলা হয়, এতদিন সকল গবেষণা অনুযায়ী ২১০০ সালে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বৃদ্ধি পাবার কথা বলা হতো। তবে ওইসব গবেষণা ছিল একান্তই রক্ষণশীল। বাস্তবতা হচ্ছে কার্বন নিঃসরণের হার পরিবর্তন না হলে এই সময়ের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে ২ মিটারের মতো। ফলে বিশ্বজুড়ে তলিয়ে যাবে প্রায় ৮০ লাখ বর্গ কিলোমিটার। যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের একটি বড় অংশও। কোটি কোটি লোককে এর ফলে বাড়িঘর ছেড়ে অন্য জায়গায় চলে যেতে হবে। যে জায়গাগুলো পানির নিচে চলে যাবে তার অনেকগুলোই গুরুত্বপূর্ণ ফসল ফলানো অঞ্চল, যেমন নীল নদের ব-দ্বীপ। মিশরের নীল নদ ব-দ্বীপ কৃষির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটিও তলিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এর লেখকরা অবশ্য বলছেন যে, এমন পরিণতি এড়ানোর জন্য এখনো সময় আছে, যদি আগামী কয়েক দশকে কার্বন নির্গমন বড় আকারে কমানো যায়। গবেষকরা বলছেন নতুন জরিপে বলা হচ্ছে, ভবিষ্যতের পৃথিবী হবে এখনকার চাইতে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতর, যদি কার্বন নির্গমন এখনকার হারেই চলতে থাকে তাহলে ২১০০ সাল নাগাদ সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বাড়বে ৬২ সেন্টিমিটার থেকে ২৩৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত। এর আগে ২০১৩ সালের রিপোর্টে বলা হয়েছিল সমুদ্রস্তরের উচ্চতা ৫২ থেকে ৯৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে। কিন্তু এখন বিজ্ঞানীরা বলছেন, গ্রীনল্যান্ড ও এ্যান্টার্কটিকায় বরফ গলার প্রক্রিয়ার অনেক দিকই তাতে অন্তর্ভুক্ত হয় নি। 

বিশ্বের সর্বোচ্চ গতিসম্পন্ন ট্রেনের ৫ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
                                  

 গতির কারণে খ্যাতি রয়েছে জাপানের সিনকানসেন সিরিজের রেল সেবার। ওই সিরিজের আলফা-এক্স সংস্করণের পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু হয়েছে। ঘণ্টায় ৪০০ কিলোমিটার গতিসম্পন্ন ওই বুলেট ট্রেন ভবিষ্যতে এই সেবাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আলফা এক্স সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পাঁচ তথ্য তুলে ধরা হলো-


১. থামাটাও গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বুলেট ট্রেনটির ছাদে থাকবে এয়ার ব্রেক আর লাইনের কাছে ম্যাগনেটিক প্লেট ব্যবহার করে এর গতি কমিয়ে আনা হবে। সাথে থাকবে প্রথাগত ব্রেকও।
২. বাঁক নেওয়ার সময় স্থিতিশীল রাখা এবং ভারসাম্য এবং যাত্রীদের আরাম বজায় রাখতে ট্রেনটিতে থাকবে দাম্পার এবং এয়ার সাসপেনশন।
৩. আলফা এক্স ট্রেনে থাকবে যুদ্ধকালীন কর্মকা-ের উপযোগী উন্নত ল্যাব।


৪. জেআর-এর ই৫ প্লাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে বানানো হয়েছে এই ট্রেন। এই প্লাটফর্ম দিয়েই জাপানের প্রধান রুট চলে থাকে।
৫. ট্রেন, নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা এবং কর্মীদের মধ্যে ডাটা সংযোগ ঘটাবে রেল কোম্পানি জেআর ইস্ট। এর উদ্দেশ্য হলো কর্মদক্ষতা পর্যবেক্ষণ এবং কাঙ্খিত মাত্রায় ট্রেন পরিচালনা করা।


পরীক্ষামূলক যাত্রার সময় আলফা এক্স বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির ট্রেন হিসেবে বিবেচিত হলেও যাত্রী পরিবহনে যুক্ত হওয়ার পর অবশ্য এই তকমা হারাতে হতে পারে তাকে। কারণ টোকিও ও নাগোয়ার মধ্যে তৈরি হচ্ছে নতুন ম্যাগনেটিক লাইন। ২০২৭ সাল নাগাদ এটি চালু হবে। মূলত গভীর টানেলের মধ্য দিয়ে যাওয়া এই লাইনে ম্যাগনেটিক ট্রেন চলবে ঘণ্টায় ৫০৫ কিলোমিটার গতিতে। এর ফলে দুই শহরের যাতায়াতের সময় কমে যাবে ৪০ মিনিট। বর্তমানে দুই শহরে যাতায়াতে সময় লাগে ১১০ মিনিট।

লাখ লাখ জীব বিলীন হবে মানুষের কারণে!
                                  

অন্য দশটি জীবের মতো মানুষও একটি। মানুষের শরীরতন্ত্রে নানা জটিল প্রক্রিয়া সংঘটিত হয়। অন্যান্য প্রাণীদের বেলায়ও তাই। তবে অন্য প্রাণীর জীবনযাপন খানিকটা প্রকৃতির দয়ার উপর নির্ভরশীল, সেখানে মানুষ নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তা অন্যদের চেয়ে সাজানো গোছানো বানাতে পেরেছে। বিরূপ প্রকৃতির কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ না করে লড়াই করতে শিখেছে। বিশ্বকে হাতের মুঠোয় আনতে পেরেছে। জীবের মধ্যে এই শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে মানুষ অহঙ্কার করতেই পারে।

কিন্তু অহঙ্কারের ভারে মানুষ ধীরে ধীরে যেন এটা ভুলে যেতে বসেছে, সে যদি একা হয়ে যায় তবে একদিন এই পৃথিবীতে বাস করা তার পক্ষেও সম্ভব হবে না। জলে, স্থলে কিংবা বাতাসে জীবজগতের যে বৈচিত্র্য আছে তা যদি ধ্বংস হয় তবে মানবজাতিও একদিন ধ্বংস হতে বাধ্য। অথচ মানুষ প্রকৃতির উপর যে ধরনের ‘নিপীড়ন’ চালাচ্ছে তাতে অদূর ভবিষ্যতে লাখ লাখ প্রজাতির উদ্ভিত ও প্রাণী বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে। জাতিসংঘের একটি বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। গতকাল প্যারিস থেকে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, বর্তমান সময়ে যত দ্রুত জীবজগতের বিভিন্ন প্রজাতি একের পর এক বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে তা অতীতে আর কখনো হয়নি। প্রযুক্তির উত্কর্ষতার কারণে আমরা নিজেদের সবকিছুর ঊর্ধ্বে মনে করছি। অথচ এমন এক দিন আসবে যখন প্রযুক্তি আমাদের রক্ষা করতে পারবে না। খাবার উত্পাদনের জন্য পর্যাপ্ত উদ্ভিদ থাকবে না, আমিষ পাওয়ার মতো পর্যাপ্ত প্রাণী থাকবে না, পরিবেশকে সুস্থ্য সুন্দর ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখার জন্য পর্যাপ্ত পোকামাকড় ও অণুজীব থাকবে না, এমনকি পান করার জন্য পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি হয়তো থাকবে না!

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, মৌমাছি ও অন্যান্য কীট-পতঙ্গরা পরাগায়ন ঘটায়, তাই ফসল হয়। আমরা খাবার পাই। জঙ্গল ঝড় এবং বন্যার তীব্রতা কমিয়ে আমাদের প্রাণ বাঁচায়। এমন হাজারো শৃঙ্খলে জড়িয়ে আছে প্রাণ বৈচিত্র্য। অথচ মানুষ তার জ্ঞাতসারে কিংবা অজ্ঞাতসারে চলমান অসংখ্য জীবের খাদ্যশৃঙ্খল ভেঙে অনেক প্রজাতিকে নিশ্চিহ্নের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, একদিন যার শিকার হবে মানুষ নিজেও।

টানা তিন বছরের গবেষণায় প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। ১ হাজার ৮০০ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে ১৫ হাজারের বেশি রেফারেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে সারাংশ আকারে ৪০টি পৃষ্ঠা লেখা হয়েছে বিশ্বের নীতিনির্ধারকদের উদ্দেশে, যাদের হাতে বিশ্বের চাবিকাঠি। বলা হয়েছে, বিশ্বে আগেও জীববৈচিত্র্যে পরিবর্তন হতো। কিন্তু গত ৫০ বছর ধরে যা ঘটছে তাকে ‘এলার্মিং’ হিসেবে উল্লেখ করা যায়। ১৯৮০ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে ১০ কোটি হেক্টর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন ধ্বংস করা হয়েছে গোচারণ ভূমি, বাড়িঘর কিংবা কৃষিজমি তৈরির জন্য। বর্তমান পরিস্থিতির কারণে ২৫ শতাংশ প্রাণী এবং উদ্ভিদ অস্তিত্ব হারানোর ঝুঁকিতে। কীটপতঙ্গের অন্তত ১০ লাখ প্রজাতি এক দশকের মধ্যেই বিলুপ্ত হবে, ১ কোটি বছর আগের তুলনায় যা হাজার হাজার গুণ বেশি। এসব কারণে এখনই সতর্ক না হলে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য বসবাসের অযোগ্য একটি পৃথিবী রেখে যাব আমরা।

বাংলাদেশের ইতিহাসে পাঁচটি ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়
                                  

 বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে বিবেচনা করা হয় ১৯৭০ সালের এবং ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়কে। সবচেয়ে প্রলয়ঙ্করী ছিল ১৯৭০ এবং ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়। পরবর্তীতে সাইক্লোন সিডরের কথা উল্লেখ করা হয়। ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর সবোর্চ্চ ২২৪ কিলোমিটার বেগে চট্টগ্রামে আঘাত হানা প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ১০ থেকে ৩৩ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছাস হয়েছিলো। যে হিসেব পাওয়া যায় তাতে ১৯৭০ সালের প্রবলতম ঘূর্ণিঝড়ে পাঁচ লাখ মানুষ নিহত হয়েছিলো।

সে সময়ে জলোচ্ছাসে অসংখ্য গবাদি পশু এবং ঘরবাড়ি ডুবে গিয়েছিলো। উরিরচরের ঘূর্ণিঝড় নামে পরিচিত ১৯৮৫ সালের সাইক্লোনটির বাতাসের গতিবেগ ছিল ১৫৪ কিলোমিটার। এটা অল্প জায়গায় হয়েছে। ফলে তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। ১২ থেকে ২২ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছাসের প্রবল ঘূর্ণিঝড়টিতে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ২২৫ কিলোমিটার। ১৯৯১ সালের এপ্রিলের ওই ঘূর্ণিঝড়কে আখ্যা দেয়া হয় ‘শতাব্দীর প্রচন্ডতম ঘূর্ণিঝড়’ হিসেবে। ওই ঝড়ে এক লাখ ৩৮ হাজার মানুষ নিহত হয়েছিলো। যদিও বেসরকারী সংগঠনের দাবি অনেক মাছধরার ট্রলার সাগরে ডুবে নিখোঁজ হয়েছিলো আরও অনেকে।

এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এক কোটি মানুষ। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর খুলনা-বরিশাল উপকূলীয় এলাকায় ১৫ থেকে ২০ ফুট উচ্চতার প্রবল ঘূর্ণিঝড় সিডর আঘাত হেনেছিলো। যার বাতাসের গতিবেগ ছিল ২২৩ কিলোমিটার। জোয়ারের সময় এ ঝড় হয়নি বলে প্লাবন কম হয়েছে। যেকারণে তুলনামূলকভাবে মানুষও কম মারা গেছে। কিন্তু অবকাঠামোগত অনেক ক্ষতি হয়েছে। সিডরে রেডক্রস সোসাইটির হিসেবে ১০ হাজার মানুষ মারা গেছে বলা হলেও সরকারীভাবে ছয় হাজার বলা হয়েছিল। ২০০৯ সালের ২৫ মে পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানে প্রবল ঘূর্ণিঝড় আইলা। যার বাতাসের গতিবেগ ছিল ৭০ থেকে ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত।

ইতিহাসে প্রতিদিন
                                  

আজ (মঙ্গলবার) ২৩ এপ্রিল’২০১৯


(বিশ্ব গ্রন্থ দিবস)
পাঠ্যাভাসের মূল উদ্দেশ্য নিয়ে আজ বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব গ্রন্থ দিবস। এ অঙ্গীকার নিয়েই ১৯৯৫ সালে ইউনেস্কো ২৩ এপ্রিলকে বিশ্ব গ্রন্থ ও গ্রন্থস্বত্ব দিবস ঘোষণা করে। এই দিনটকে গ্রন্থ দিবস হিসেবে নির্বাচনের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে জানা গেছে- এ দিনেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিশ্ব সাহিত্যের দুই মহান ব্যক্তি শেক্সপিয়র ও সারভান্তেস । বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংল দিবস হিসেবে এটি নতুন। দেশেও দিবসটি পালিত হয় । জাতিসংঘ যাত্রার পর থেকে বিশ্বে বিরাজমান যুদ্ধ, হান্নাহানি, অস্ত্রের প্রতিযোগিতা, শক্তির মহড়া, মানবাধিকার লংঘন নির্যাতন এসবই ছিলো আলোচনা ও ভাবনার ক্ষেত্র। উন্নয়নের কর্মসূচির পথে বিশ্ববাসীর যাত্রার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও মনোযোগ বিস্তৃত হয় ক্রমশ। গ্রন্থ দিবস ও এর উদযাপন বিশ্বসভার সংস্কৃতির ধারণার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিরই প্রতিফলন বাংলাদেশে প্রথম এই দিবসটি পালিত হয় ২০০০ সালে। বাংলাদেশ সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদ আয়োজন করে র‌্যালি ও আলোচনা সভা। পরিষদ এই দিবসে ভবিষ্যতে বইমেলা, পত্র পত্রিকায় গ্রন্থপাঠ ইত্যাদি আয়োজন করা হবে মর্মে আশা প্রকাশ করে। জাতিসংঘের কোনো কোনো সংস্থা বিশেষ করে ইউনেস্কো বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালনে উদ্বুদ্ধ করছে। বৃটিশ সরকারের উদ্যোগে ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের প্রতিটি স্কুলের প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে আন্তর্জাতিক বই দিবসটি উপলক্ষে একটি করে বই উপহার প্রদানের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। ৫ জানুয়ারি থেকে ইংল্যান্ডে সমস্ত স্কুল প্রধান শিক্ষকের কাছে আন্তর্জাতিক গ্রন্থ দিবসের বাণী সম্বলিত পোস্টার ও লিফলেট পৌছানো হয়। বাংলাদেশে বইয়ের প্রসার সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য সরকারিভাবে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বই ক্রয় করা হয় ও স্কুল কলেজে বিতরণ করা হয়। ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠমনস্ক করে তোলার জন্য বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

১৫৬৪ সালের এ দিনে স্টারফোর্ডে প্রখ্যাত ইংরেজ কবি, নাট্যকার ও অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন। তাকে ইংরেজী ভাষার সর্বকালের সেরা লেখক এবং নাট্যকার হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। তাকে অনেক সময় ইংল্যান্ডের জাতীয় কবি এবং ব্জ€˜দ্য বার্ড অফ অ্যাভন` বলা হয়। তিনি তার নিজের নাটকে নিজেই অভিনয় করতেন। নাটক লেখার জন্যে তিনি শহরে আসেন। ১৫৮৫ থেকে ১৫৯২ সালের মধ্যে তিনি লন্ডনে এসে তার লেখা নাটকে সফল এবং জনপ্রিয় অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান ।তিনি এ সময় লেখক, কবি হিসেবেও পরিচিতি পান। তার লেখার মধ্যে ট্রাজেডী এবং কমেডি বিশেষ গুরুত্ব পায়। এখন পর্যন্ত তার লেখা ৩৮ টি নাটক, ১৫৪ টি সনেট এবং ২ টি দীর্ঘ বর্ণনামূলক কবিতা এবং বেশ কিছু অন্য ধরণের কবিতা রয়েছে। তার বিখ্যাত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে, হ্যামলেট, কিং লেয়ার, ম্যাগবেথ ইত্যাদি। শেক্সপিয়ারের এসব রচনা পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং তার লেখা নাটক সবচেয়ে বেশী মঞ্চস্থ হয়। ১৬১৩ খৃষ্টাব্দের দিকে শেক্সপিয়ার স্টারফোর্ডে ফিরে যান এবং তার তিন বছর পর ১৬১৬ সালের ২৩ শে এপ্রিল তিনি পরলোকগমন করেন।

১৭৭৫ সালের এ দিনে প্রখ্যাত ইংরেজ আর্টিস্ট উইলিয়াম টার্নার নিপেনে জন্মগ্রহণ করেন। পরিবারের তিন ভাই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড় ছিলেন। শৈশবেই তার বাবার মৃত্যু হয় এবং মায়ের সাথে কাটান। এরপর তার চাচার সাথে থাকতেন। জল রংয়ের ছবি এবং ল্যান্ডস্কেপে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী ছিলেন। তার সমসাময়কি শিল্পীদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। অক্সফোর্ড অভিধানের বেশীরভাগ ছবিই তার আঁকা। আর সে কারণে তিনি উইলিয়াম টার্নার অক্সফোর্ড হিসেবে বেশী পরিচিত। টার্নারের একটি বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলো অক্সফোর্ডের এ্যাশমোলিন মিউজিয়ামে রাখা আছে এবং এখনও সেখানে স্থায়ীভাবে এগুলোর প্রদর্শনী হয়। প্রখ্যাত এই শিল্পি ১৮৫১ সালে পরলোকগমন করেন ।

১৮৫৮ সালের এ দিনে বিখ্যাত জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতবিদ কার্ল আর্নেস্ট লুডিগ ম্যাক্স প্লানক জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ম্যাক্স প্লানক হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। তিনি পর্দার্থ বিজ্ঞানে কোয়ান্টাম মেথড বা সংখ্যা তত্ত্বের উদ্ভাবক ছিলেন তাছাড়া বিংশ শতাব্দীর পদার্থ বিজ্ঞানীদের মধ্যে তিনি অন্যতম। কোয়ান্টাম মেথডের উদ্ভাবক হিসেবে মাক্স প্লানককে ১৯১৮ সালে পদার্থ বিদ্যায় নোবেল পুরুষ্কার দেয়া হয়। তিনি জার্মান একনায়ক এডলপ হিটলারের কঠোর বিরোধী ছিলেন। তত্ত্বীয় পদার্থ বিদ্যায় তাপ বিকিরণ ও আলোকরশ্মির উপর তিনি ব্যাপক ও মূল্যবান গবেষণা চালান এবং এসব বিষয়ে বহু গ্রন্থ রচনা করেন। ম্যাক্স প্লানক ১৯৪৭ সালে ৮৯ বছর বয়সে পরলোকগমন করেন ।

১৮৯১ সালের এ দিনে রাশিয়ার প্রখ্যাত সংগীত রচয়িতা, সুরকার এবং পিয়ানোবাদক সের্গেই প্রোকোফিভ ইউক্রেনের একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ৫ বছর বয়সে তিনি সংগীতে ব্যাপক প্রতিভার পরিচয় দেন। মাত্র ৯ বছর বয়সে তিনি সুরকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। সের্গেই প্রোকোফিভ বিংশ শতাব্দীর সংগীতের জগতে তিনি একটি অন্যন্য নাম। তিনি ১৯৫৩ সালে পরলোকগমন করেন ।

১৯৯২ সালের এদিনে ভারতের বিখ্যাত বাংলা সিনেমার পরিচালক ও স্ক্রিপ্ট রাইটার সত্যজিত রায় পরলোকগমন করেন। তিনি কোলকাতার একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯২১ সালের দোশরা মে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কোলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজ ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন। অধ্যায়ন শেষে একজন বানিজ্যিক শিল্পী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ফরাসী চিত্র পরিচালক জিন রিনোর সাথে এক মিটিংয়ের পর তিনি পরিচালনার কাজ শুরু করেন। তিনি তার ছবির মধ্যে বাস্তবতা এবং সামাজিক বিষয় অত্যন্ত জীবন্তভাবে ফুটিয়ে তোলেন। বিশ শতকের সিনেমা জগতে তিনি একটি সুপরিচিত নাম। সত্যজিত রায়ের বিখ্যাত সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে- অপরাজিতা, অপুর সংসার ও পথের পাঁচালী। তিনি ৩২ টি জাতীয় ফিল্ম এওয়ার্ড পেয়েছেন।


ইংরেজ কবি ও নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়রের জন্ম (১৫৬৪)
ভারতের ব্রিটিশ গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস (১৭৯৫)
ইংরেজ কবি ও নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়রের জন্ম (১৫৬৪)
ভারতের ব্রিটিশ গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস (১৭৯৫)
নিউইয়র্কে জনসমক্ষে প্রথম চলচ্চিত্র প্রদর্শন (১৮৯৬)
মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক তুরস্কের নেতা নির্বাচিত (১৯২০)
৯ বছর আলোচনার পর পোল্যান্ডের সংবিধান গৃহিত (১৯৩৫)
ভারতে প্রথম সুপার এক্সপ্রেস টেলিগ্রাফ সার্ভিস উদ্বোধন (১৯৭১)
সায়গনে আতংক ছড়িয়ে পড়ায় দক্ষিণ ভিয়েতনামের মন্ত্রিসভার পদত্যাগ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ডের ভিয়েতনাম যুদ্ধ সমাপ্ত ঘোষণা (১৯৭৫)
বাংলাদেশ সংবিধানের ৫ম সংশোধনী গৃহীত (১৯৭৭)
লিবিয়ায় বিস্ফোরক ভর্তি ট্রাক বিস্ফোরণে ৫৪ জন নিহত (১৯৮৮)
২৬ বছরের মধ্যে প্রথম চীনের সরকার প্রধান, প্রধানমন্ত্রী লীপেং সোভিয়েত ইউনিয়ন সফরে যান (১৯৯০)
বিশ্বনন্দিত চলচ্চিত্রকার ও সাহিত্যিক সত্যজিত রায়ের মৃত্যু (১৯৯২)

 

শ্রীলংকার শীর্ষ বিরোধী দলীয় নেতা ললিত আধুলাথ মুদালি আততায়ীর গুলিতে নিহত । প্রেসিডেন্ট প্রেমাদাসা এর সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ । ৮ দিন পর প্রেসিডেন্ট প্রেমাদাসাও আততায়ীর হাতে নিহত (১৯৯৩)
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সনের মৃত্যু (১৯৯৪)
কারাগার থেকে এক খুনী আসামীর পলায়নের ব্যর্থতা স্বীকার করে বেলজিয়ামের স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ (১৯৯৮)

উল্কার আঘাতে চাঁদের বুকে পানির ফোয়ারা!
                                  

চাঁদ নিয়ে মানুষের আগ্রহের কোনো কমতি নেই। চাঁদে পানির অস্তিত্ব নিয়ে এতোদিন অনেক অনুসন্ধান চালিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু এতোদিন পর্যন্ত চাঁদের বুকে পানির অস্তিত্বের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করতে পারেননি। তবে এবার মহাজাগতিক এক ঘটনায় প্রমাণ হয়েছে যে, চাঁদের মাটিতে লুকিয়ে রয়েছে পানি! চাঁদের বুকে আচমকা একটি উল্কা আছড়ে পড়ার পর চাঁদের বুক চিরে ফোয়ারার মতো বেরিয়ে এসেছে পানির কণা। এরপর মহাকাশে বাষ্প হয়ে উধাও হয়ে গেছে সেই পানি। হারিয়ে গেছে মহাকাশের অতল রহস্যের আঁধারে। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘নেচার-জিওসায়েন্সে’ এ আবিষ্কারের গবেষণাপত্রটি বের হয়েছে। গবেষক দলের প্রধান হিসেবে রয়েছেন মেরিল্যান্ডের গ্রিনবেল্টে নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানী মেহেদী বেন্না।

চমকে দেওয়ার মতো এ ঘটনার সাক্ষী নাসার পাঠানো উপগ্রহ ‘ল্যাডি’। উপগ্রহটির পুরো নাম ‘লুনার অ্যাটমস্ফিয়ার অ্যান্ড ডাস্ট এনভায়রনমেন্ট এক্সপ্লোরার’। চাঁদের বুকে যদি সত্যিই যথেষ্ট পরিমাণ পানির সন্ধান মেলে তাহলে আগামী দিনে চাঁদের বুকেই হয়ত গড়ে উঠবে সভ্যতার দ্বিতীয় উপনিবেশ।

বিজ্ঞানীরা তাত্ত্বিকভাবে জানতেন যে চাঁদের মাটিতে থাকতে পারে পানি। কিন্তু এতোদিন চোখে দেখা যায়নি বলে বিজ্ঞানীরা তা বিশ্বাস করতে চাইতেন না। কিন্তু নাসার পাঠানো উপগ্রহ ল্যাডির চোখে ধরা পড়া ঘটনার পর চাঁদের বুকে পানি নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

নাসার জেট প্রোপালসান ল্যাবরেটরির (জেপিএল) বিশিষ্ট বিজ্ঞানী গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের মতে, এটা সত্যিই একটি মাইলস্টোন আবিষ্কার। অনেক দিন ধরেই বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, চাঁদের মাটির নিচে এখনো পানি থাকতে পারে। সে জন্যই সম্প্রতি চাঁদ নিয়ে আগ্রহ বেড়েছে নাসার। চাঁদ নিয়ে গবেষণার জন্য নাসার প্ল্যানেটারি ডিভিশন একটি নতুন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ কর্মসূচির নাম ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অব লুনার ইনস্ট্রুমেন্টেশন (ডালি)।

নাসার পাঠানো উপগ্রহ ল্যাডি চাঁদের বুকে পানির খোঁজ দিতে পারলেও তার মূল কাজ ছিল অন্য। চাঁদের বায়ুমণ্ডল কেমন, কতটা পুরু বা পাতলা সেটা বুঝতেই ৬ বছর আগে ল্যাডিকে পাঠিয়েছিল নাসা। চাঁদের বায়ুমণ্ডলকে জরিপ করতে ল্যাডি উপগ্রহের বিভিন্ন কক্ষপথে ছিল ২০১৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৪-র এগ্রিল পর্যন্ত। চাঁদের বায়ুমণ্ডলের ঘনত্ব আর সেখানকার বাতাসে কোন কোন মৌল বা যৌগ মিশে রয়েছে, তা বুঝতে ল্যাডির সঙ্গে ছিল বিশেষ একটি যন্ত্র নিউট্রাল মাস স্পেকট্রোমিটার (এনএমএস)। এটির কাজ ছিল চাঁদের বাতাসে কতটা ধুলো কী পরিমাণে মিশে রয়েছে সেটা খুঁজে দেখা। —নেচারএশিয়া ডট কম


   Page 1 of 45
     তথ্যবিচিত্র
আজ ২৩ সেপ্টেম্বর, পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত সমান
.............................................................................................
দীর্ঘ পাঁচ মাস পর খুলে দেয়া হচ্ছে বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র
.............................................................................................
বাংলাদেশে হয়ে যাওয়া সবচেয়ে ভয়াবহ ৫টি ঘূর্ণিঝড়
.............................................................................................
নাসা জানিয়েছে হয়ত এপ্রিলেই ধ্বংস হতে পারে মানবসভ্যতা
.............................................................................................
বেরিয়ে এসেছে ২৫০০ বছর আগের মৌর্য যুগের স্থাপত্য নিদর্শন
.............................................................................................
১৩ বছর পর আবারও আগামীকাল দেখা যাবে ক্ষুদ্রতম চাঁদ
.............................................................................................
অবশেষে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হলো ব্যাবিলন নগরী
.............................................................................................
গিনিজ বুকে ১০ ফুট ৭ ইঞ্চি শিংয়ের গরু
.............................................................................................
হারিয়ে যাচ্ছে বাবুই পাখির শৈল্পিক বাসার নৈসর্গিক দৃশ্য
.............................................................................................
উদ্ভিদ প্রজাতি প্রাণীর চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে বিলুপ্ত হচ্ছে
.............................................................................................
৮০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের একাংশ ডুবে যাবে সাগরে!
.............................................................................................
বিশ্বের সর্বোচ্চ গতিসম্পন্ন ট্রেনের ৫ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
.............................................................................................
লাখ লাখ জীব বিলীন হবে মানুষের কারণে!
.............................................................................................
বাংলাদেশের ইতিহাসে পাঁচটি ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়
.............................................................................................
ইতিহাসে প্রতিদিন
.............................................................................................
উল্কার আঘাতে চাঁদের বুকে পানির ফোয়ারা!
.............................................................................................
ফোর্বস ম্যাগাজিনের তালিকায় বাংলাদেশি তরুণ সানি
.............................................................................................
গুগল সম্পর্কে অজানা ১০টি তথ্য
.............................................................................................
কেন্দুয়ায় জন্ম নিলো ৫ পা-ওয়ালা বাছুর!
.............................................................................................
ঘ্রাণ শুঁকেই শত্রুর শক্তি বুঝতে পারে যে প্রাণী
.............................................................................................
আট বছর বয়সেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র
.............................................................................................
যে কারণে বাড়ছে বাংলাদেশে গড় আয়ু
.............................................................................................
৪০০ বছরের প্রাচীন মসজিদ
.............................................................................................
শতাব্দীর দীর্ঘতম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ২৭-২৮ জুলাই
.............................................................................................
নাইজেরিয়ায় বিএমডাব্লিউ গাড়িতে বাবার কবর দিলেন ছেলে
.............................................................................................
এটাই বিশ্বের সবচেয়ে দামি গাড়ি! দাম কত জানেন?
.............................................................................................
এন্টার্কটিকার বরফের নীচে খোঁজ মিললো পবর্তশ্রেণির
.............................................................................................
জোড়া তরমুজের মূল্য সাড়ে ২৪ লাখ!
.............................................................................................
সন্তান জন্ম দেয়া নিষিদ্ধ যে দ্বীপে
.............................................................................................
পর পর দুই বছর বৈশ্বিক তাপমাত্রা কমেছে: নাসা
.............................................................................................
৮৫ হাজার বছর আগের মানুষের পদচিহ্ন পাওয়া গেল সৌদিতে
.............................................................................................
দুই পা নেই, তবুও এভারেস্ট জয়
.............................................................................................
যে গ্রামে ৪০০ বছর ধরে সন্তান জন্মগ্রহণ করে না
.............................................................................................
বদলে যাবে নগরজীবন! উড়বে এবার `ফ্লাইং কার`!
.............................................................................................
বয়স ১০৪ বছর, আর বেঁচে থাকতে চান না অস্ট্রেলিয়ার এই বিজ্ঞানী
.............................................................................................
আরও জোরাল হল মঙ্গলে প্রাণের দাবি!
.............................................................................................
তিন কোটি লোক মারা যেতে পারে প্রাণঘাতী রোগে: বিল গেটস
.............................................................................................
মাশরুম বিস্ময়কর খাদ্য
.............................................................................................
সমুদ্রের নিচে হোটেল
.............................................................................................
রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে এলো ৫২ গোখরো
.............................................................................................
জেরুজালেমে গোপন কুঠুরিতে প্রাচীন সময়ের `ফ্রিডম কয়েন`!
.............................................................................................
২১ বার এভারেস্ট জয়!
.............................................................................................
স্কুলে যাচ্ছেন ৯২ বছর বয়সী দাদি
.............................................................................................
মঙ্গলগ্রহে বাড়ির নকশা
.............................................................................................
আধুনিক মানুষের সঙ্গে একাধিকবার মিলন ঘটেছিল রহস্যময় ডেনিসোভানদের
.............................................................................................
এভারেস্ট থেকে ১০০ টন আবর্জনা তোলা হবে
.............................................................................................
সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ড
.............................................................................................
পৃথিবীর দশ লাখ প্রজাতির বীজ সংরক্ষণ হচ্ছে সংরক্ষণাগারে
.............................................................................................
বিলুপ্তির পথে বাংলাদেশের ১১৭৩ জাতের প্রাণী
.............................................................................................
চাঁদে মোবাইল টাওয়ার!
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
সম্পাদক মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী
সম্পাদক কর্তৃক ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ইউরোপ মহাদেশ বিষয়ক সম্পাদক- প্রফেসর জাকি মোস্তফা (টুটুল)
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমেদ
নির্বাহী সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম রানা
বার্তা সম্পাদক : মোঃ আকরাম খাঁন
সহঃ সম্পাদক: হোসাইন আহমদ চৌধুরী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন : ০২-৯৫৬২৮৯৯ মোবাইল: ০১৬৭০-২৮৯২৮০
ই-মেইল : swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD