| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   তথ্যবিচিত্র -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ফোর্বস ম্যাগাজিনের তালিকায় বাংলাদেশি তরুণ সানি

সৌরবিদ্যুৎ মজুদে নতুন পথের সন্ধান দিয়ে প্রভাবশালী ম্যাগাজিন ‘ফোর্বস’-এ যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিশজন আবিষ্কারক ও উদ্যোক্তার মধ্যে উঠে এসেছে বাংলাদেশের তরুণ সানি সানোয়ারের নাম। এই ত্রিশজনের সবার বয়সই ত্রিশের কম।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ছে। প্রথমে এসব বিদ্যুৎ শুধু যেখানে উৎপাদিত হতো শুধু সেখানেই ব্যবহার হতো। পরে গ্রিডের মাধ্যমে অন্য জায়গায় ব্যবহারের সুযোগ বাড়লেও এখন ল্যাপটপের মতো বাক্সবন্দি করে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা আবিষ্কার হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।

সে উদ্যোগে যুক্ত বাংলাদেশের তরুণ সানি। এ আবিষ্কারে যুক্ত থাকার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে বিদ্যুতের বাক্স ছড়িয়ে দেয়ার কাজ করছেন তিনি।

ত্রিশ বছর বয়সের কম বয়সী যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিশজন আবিষ্কারক ও উদ্যোক্তার তালিকায় তার নাম উঠে আসাকে বাংলাদেশের গর্ব হিসেবে দেখছেন সানি। তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল সারোয়ার ও মা নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. কামরুন্নাহার। সানি সানোয়ার যুক্তরাষ্ট্রেই হাইস্কুল থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত সম্পন্ন করেছেন।

সেখানে পিএইচডিও করেছেন। ১৯ বছর বয়সে সানি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি লিথিয়াম-পলিমার ব্যাটারি ‘ভার্ডটুজিও’র ব্যবসা করে ২০১৬ সালে ব্যাপক সফলতা লাভ করেন।

ফোর্বস ম্যাগাজিনের তালিকায় বাংলাদেশি তরুণ সানি
                                  

সৌরবিদ্যুৎ মজুদে নতুন পথের সন্ধান দিয়ে প্রভাবশালী ম্যাগাজিন ‘ফোর্বস’-এ যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিশজন আবিষ্কারক ও উদ্যোক্তার মধ্যে উঠে এসেছে বাংলাদেশের তরুণ সানি সানোয়ারের নাম। এই ত্রিশজনের সবার বয়সই ত্রিশের কম।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ছে। প্রথমে এসব বিদ্যুৎ শুধু যেখানে উৎপাদিত হতো শুধু সেখানেই ব্যবহার হতো। পরে গ্রিডের মাধ্যমে অন্য জায়গায় ব্যবহারের সুযোগ বাড়লেও এখন ল্যাপটপের মতো বাক্সবন্দি করে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা আবিষ্কার হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।

সে উদ্যোগে যুক্ত বাংলাদেশের তরুণ সানি। এ আবিষ্কারে যুক্ত থাকার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে বিদ্যুতের বাক্স ছড়িয়ে দেয়ার কাজ করছেন তিনি।

ত্রিশ বছর বয়সের কম বয়সী যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিশজন আবিষ্কারক ও উদ্যোক্তার তালিকায় তার নাম উঠে আসাকে বাংলাদেশের গর্ব হিসেবে দেখছেন সানি। তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল সারোয়ার ও মা নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. কামরুন্নাহার। সানি সানোয়ার যুক্তরাষ্ট্রেই হাইস্কুল থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত সম্পন্ন করেছেন।

সেখানে পিএইচডিও করেছেন। ১৯ বছর বয়সে সানি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি লিথিয়াম-পলিমার ব্যাটারি ‘ভার্ডটুজিও’র ব্যবসা করে ২০১৬ সালে ব্যাপক সফলতা লাভ করেন।

গুগল সম্পর্কে অজানা ১০টি তথ্য
                                  

গুগল আসার আগের জীবনের কথা কি আপনি মনে করতে পারেন? তখন আপনি কি করতেন, যখন হঠাৎ করে, তাড়াতাড়ি কোন বিষয়ে তথ্য খুঁজে বের করার দরকার হতো?

যা কিছুই আপনি খোঁজেন না কেন- হয়তো একটি শব্দের সঠিক বানান, একটি রেস্তোরার ঠিকানা, বিশেষ কোন দোকান, অথবা পাহাড়ি কোন হৃদের নাম, সব কিছুর জন্যই হয়তো আপনি এখন গুগল করেন।

গুগল প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ৪০ হাজার অনুসন্ধানের জবাব বের করে- প্রতিদিন যার মানে সাড়ে তিন বিলিয়ন অনুসন্ধান (ফোর্বসের হিসাব)।

এতসব কিছুর মাঝে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সার্চ ইঞ্জিন শুধুমাত্র কোন সার্চ ইঞ্জিনের চেয়েও বেশি কিছু হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা একটা বিজ্ঞাপনী মাধ্যম, একটি ব্যবসা মডেল আর ব্যক্তিগত তথ্যের এক নিরলস সংগ্রাহক।

ঠিক তাই, প্রত্যেকবার যখন আমরা গুগলে কোন অনুসন্ধান করি, গুগল আমাদের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ এবং অভ্যাস সম্পর্কে খানিকটা জেনে ফেলে- কিন্তু আপনি গুগল সম্পর্কে কতটা জানেন?

এখানে গুগল সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য রয়েছে, যা হয়তো আপনাকে অবাক করে দিতে পারে।

১. নাম

গুগল নামের মানে কি, আপনি জানতে চাইতে পারে। আসলে এর কোন মানেই নেই।

গুগল নামটি আসলে এসেছে গাণিতিক হিসাবের গোগল (googol) ভুল করে লেখার মাধ্যমে-যার হলো ১ এর পর একশোটি শূন্য।

এ নিয়ে এখন অনেক গল্প প্রচলিত আছে যে, একজন প্রকৌশলী বা ছাত্র আসল নামের বদলে এই ভুল বানানটি লিখেছিলেন। সেই ভুল নামই পুরো দুনিয়ার সামনে চলে আসে।

এর পরের ঘটনা তো ইতিহাস।

২. `ব্যাকরাব`
গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ এবং সের্গেই ব্রিন এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম নাম দিয়েছিলেন ব্যাকরাব।

যে পদ্ধতিতে একটি ওয়েবসাইট আরেকটি ওয়েবসাইটকে খুঁজে বের করে এবং সেগুলোর অতীত লিংকের ওপর নির্ভর করে ওয়েবপেইজে র‍্যাংকিং নির্ধারণ করে, তাকেই বলা হয় ব্যাকরাব।

৩. সব কিছুই হিসাব নিকাশ নয়

গুগলের সব কিছুই ব্যবসা নয়। সেখানে অনেক মজার ব্যাপারসাপারও আছে।

যেমন "askew" এই শব্দটি গুগলে লিখে দেখতে পারেন।

৪.গুগলের ছাগল

গুগল সবসময়েই বলে, তারা সবুজ উদ্যোগ সমর্থন করে। এরই একটি হলো ছাগলের মাধ্যমে লনের ঘাসকাটা।

ক্যালিফোর্নিয়ায় গুগল সদর দপ্তরের লনের ঘাসগুলো নিয়মিতভাবে কেটেছেটে ঠিকঠাক রাখতে হয়। সুতরাং আপনি যদি কখনো সেখানে যান, দেখতে পাবেন প্রায় ২০০ ছাগল সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর ঘাস খেয়ে লনের ঘাস ঠিকঠাক রাখছে।

৫. ক্রমবর্ধমান ব্যবসা

জিমেইল, গুগল ম্যাপস, গুগল ড্রাইভ, গুগল ক্রোম...এসবের বাইরে ২০১০ সাল থেকে গুগল প্রায় প্রতি সপ্তাহেই একটি করে কোম্পানির মালিক হচ্ছে।

আপনি হয়তো টের পাবেন না, কিন্তু অ্যান্ড্রুয়েড,ইউটিউব, ওয়ায, অ্যাডসেন্স-এসব প্রতিষ্ঠানের মালিক গুগল, এরকম আরো সত্তুরটি কোম্পানি রয়েছে।

৬. ডুডল

অফিসের বাইরে বার্তা যোগাযোগের মাধ্যমে প্রথম গুগল ডুডল চালু হয় ১৯৯৮ সালের ৩০ অগাস্ট।

যখন ল্যারি আর সের্গেই একটি উৎসবে নেভাদা গিয়েছিলেন, তখনি প্রথম এই আইডিয়াটি আসে।

এরপর থেকেই ডুডল গুগলের একটি ঐতিহ্যে পরিণত হয়। বিশেষ বিশেষ দিন বা ব্যক্তিত্বের উপলক্ষে বিশেষভাবে করা শিল্প গুগলের চেহারায় ভেসে ওঠে।

৭. অনেকের জন্য সুযোগের হাতছাড়া, কিন্তু গুগলের জন্য নয়

১৯৯৯ সালে ল্যারি এবং সের্গেই গুগলকে ১ মিলিয়ন ডলারে বিক্রির চেষ্টা করেছিলেন.....কিন্তু সেটা কেনার মতো কোন গ্রাহক ছিল না। এমনকি দাম কমিয়ে দেয়ার পরেও কোন গ্রাহক মেলেনি।

এখন গুগলের মোট সম্পদের পরিমাণ ৩০০ বিলিয়ন ডলার। হয়তো কেউ কেউ সেই সুযোগ হাতছাড়া করার জন্য এখন আফসোস করতে পারে।

৮.গুগলের আদর্শ

গুগলের মৌলিক আদর্শগুলোর একটি ``কখনো দুষ্টতে পরিণত হয়ো না``।

কিন্তু এই কোম্পানি এখনো সেই আদর্শে আছে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত আপনার।

৯. খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার

ফোবর্সের তথ্য অনুযায়ী, গুগলের পিতা সের্গেই ব্রিন প্রথম দিকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, গুগলের অফিস কখনোই খাবার প্রাপ্তির স্থান থেকে ৬০ মিটারের বেশি দূরত্বে হবে না।

গুজব আছে যে, তখন কোম্পানির সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার ছিল `সুইডিশ ফিশ`, একটি চিবানোর মতো মিষ্টি। কিন্তু এখন গুগলের লোকজনের জন্য নানা ধরণের মাংস আর ভালো মানের কফির ব্যবস্থা রয়েছে।

১০. গুগলের সবচেয়ে ভালো বন্ধু

গুগলে যারা কাজ করেন, এমনকি যারা নতুন কাজ করতে এসেছেন, তারা সবাই নিজের কুকুর সঙ্গে করে নিয়ে আসতে পারে। তবে এটা প্রমাণ করতে হবে যে, তারা অফিসের ধরণের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত, যেখানে সেখানে হাগুমুগু করে নোংরা করবে না।

আরো কয়েকটি বোনাস পয়েন্ট....

যদিও গুগলের ইনডেক্স সেই ১৯৯৯ সালের তুলনায় এখন ১০০গুণ বড়, কিন্তু এটি ১০ হাজার গুণ বেশি গতিতে আপডেট করছে।

প্লাস্টিক নির্মাণ খেলনা লেগোর ভক্ত গুগল, এ কারণে প্রথম গুগল কম্পিউটারের স্টোরেজ ইউনিট লেগো ইট দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল।

কেন্দুয়ায় জন্ম নিলো ৫ পা-ওয়ালা বাছুর!
                                  

দেহে চার পা ছাড়াও পিঠের অংশে আরও একটি— মোট পাঁচ পা-ওয়ালা বাছুর জন্ম নিয়েছে নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায়। সেই বাছুর একনজর দেখতে ভীড় করছে এলাকাবাসী।

উপজেলার মাসকা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এনামুল হকের বাড়িতে গত বৃহস্পতিবার জন্ম নেয় বাছুরটি। আজ মঙ্গলবার এনামুল হক আমাদের সময়কে জানান, গত বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে তার বাড়ির গোয়াল ঘরে একটি গাভী স্বাভাবিকভাবে বাছুরটির জন্ম দেয়। পরে দেখা যায়, বাছুরটির পিঠের অংশে একটি পা আলাদাভাবে যুক্ত রয়েছে।

এনামুল হক বলেন, ‘পাঁচ পা-ওয়ালা বাছুর জন্মেছে এই খবর পেয়ে এলাকাবাসী আমাদের বাড়িতে ভীড় করতে শুরু করে। বাছুরটিকে একনজর দেখার জন্য এত মানুষ আসায় তা নিয়ন্ত্রণে আমাকে অনেক হিমশিম খেতে হয়েছে। পরে ভীড় সামলাতে না পেরে বাছুরটিকে ঘরে রেখে বাইরে তালা ঝুলিয়ে দেই।’

উপজেলার গবাদিপশু চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,অপারেশনের মাধ্যমে বাছুরটির অতিরিক্ত একটি পা কেটে ফেলা সম্ভব। তবে এ জন্য এক বছর অপেক্ষা করতে হবে।

ঘ্রাণ শুঁকেই শত্রুর শক্তি বুঝতে পারে যে প্রাণী
                                  

মানুষ সাধারণত চোখের বিচারে কেউ শারীরিকভাবে বলবান নাকি দুর্বল সেটা বিচার করে। হৃষ্টপুষ্ট শরীর দেখলে তাকে ‘শক্তিশালী’ ভেবে সমীহ করে। তার ভেতরের শক্তি আসলে কতটুকু সেটা যাচাই করা মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু পৃথিবীতে একটি মাত্র প্রাণী আছে যারা শারীরিক ক্ষমতার ‘ঘ্রাণ’ নিতে পারে! সেই প্রাণীটি হচ্ছে লেমুর। মাদাগাসকারের এই প্রাণীটি গবেষকদের নিকট এক বিরাট বিস্ময়। প্রতিপক্ষকে দেখে আন্দাজে পালানোর দরকার পড়ে না এদের। কারণ, শত্রু একটু কাছে এলেই ঘ্রাণ শুঁকে এরা বুঝে ফেলে দু’জনের মধ্যে কার শক্তি বেশি। মারামারি লাগলে কে জয়ী হবে।

কিভাবে এটা সম্ভব। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, লেমুরদের পুরুষ এবং নারী উভয় প্রজাতির জননাঙ্গে এক ধরনের গ্রন্থি থাকে। এই গ্রন্থি থেকে এক ধরনের ঘ্রাণ ছড়ায়, যা তাদের ক্ষমতা বুঝতে সাহায্য করে। এ ছাড়া পুরুষদের হাত ও পায়ের গিট এবং কাঁধে একই গ্রন্থি থাকে। সাধারণত মারামারি করতে গেলে এসব প্রত্যঙ্গ গুরুত্বপূর্ণ। এসব প্রত্যঙ্গের গ্রন্থিগুলো থেকে যে ঘ্রাণ বের হয় তা সংশ্লিষ্ট লেমুরের শক্তির মাত্রা নির্দেশ করে। ফলে ঘ্রাণ নাকে যেতেই একটি লেমুর ধরে ফেলে প্রতিপক্ষের হাত, পা কিংবা ঘাড়ে কতটুকু শক্তি আছে।

আরো মজার ব্যাপার হলো, প্রত্যেক লেমুর নিজের শক্তির মাত্রাও তাৎক্ষনিকভাবে মাপতে পারে। তাই লড়াই শুরু হলে কে জিতবে সেটাও সাথে সাথে হিসেব কষে ফেলতে পারে। নিজের শক্তি কম হলে তবেই পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করে।

যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার ডিউক ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, লেমুরদের আরো অনেক মজার মজার বৈশিষ্ট্য আছে। কোনো লেমুরের শরীরের কোথাও যদি কেটে যায় তবে তার সামনে সারাক্ষণ বিপদ অপেক্ষা করে। কারণ সেই কাঁটা স্থান যদি শরীরের লোমে ঢাকাও থাকে তবুও অন্য লেমুররা সেটা বুঝতে পারে। ফলে দুর্বল শরীর পেয়ে তার উপর হামলা চালায়। একারণে আহত লেমুররা পুরোপুরি সুস্থ হওয়া পর্যন্ত লুকিয়ে থাকে।

যখন তখন প্রতিপক্ষের দ্বারা হামলার শিকার হবার কারণে লেমুররা দল বেধে ঘুরে বেড়ায়। প্রতি দলের একজন নেতা থাকে। এই নেতা সাধারণত নারী লেমুর হয়। ঘ্রাণ শুঁকে শত্রুর শক্তি বের করার ক্ষমতা পুরুষদের চেয়ে নারীদের বেশি। তাই শত্রুদের দ্রুত সনাক্ত করে ফেলতে পারে নারী দলনেতা।-ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।

আট বছর বয়সেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র
                                  

বেলজিয়ামে লরেন্ট সিমন্স নামের আট বছর বয়সী এক বালক মাত্র দেড় বছরেই স্কুলের পড়াশোনার পাঠ শেষ করেছে, যেটি শেষ করতে অন্যদের সময় লাগে ছয় বছর। এখন দুই মাসের ছুটি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবে সে।

লরেন্ট সিমন্সের বাবা একজন বেলজিয়ান আর মা নেদারল্যান্ডসের নাগরিক। তারা জানান, বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষায় লরেন্ট সিমন্সের নম্বর উঠেছে ১৪৫।

বেলজিয়ামের আরটিবিএফ রেডিওকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে লরেন্ট বলে, তার প্রিয় বিষয় গণিত, কারণ এটি বিশাল একটি বিষয়। সেখানে পরিসংখ্যান, জ্যামিতি আর বীজগণিত রয়েছে।

লরেন্টের বাবা জানান, ছোট বেলা থেকেই লরেন্ট অন্য শিশুদের সঙ্গে মিশতে পারতো না বা খেলতে পারতো না। খেলনার প্রতিও তার কোনো আগ্রহ ছিল না।

লরেন্ট জানায়, পড়াশোনা শেষ করে সে একজন সার্জন এবং নভোচারী হওয়ার কথা ভেবেছিল। কিন্তু এখন সে বরং কম্পিউটার নিয়েই কাজ করতে চায়।

তবে তার বাবা বলেন, `যদি সে কালকে আবার কাঠমিস্ত্রি হতে চায়, সেটাও আমাদের জন্য কোনো সমস্যা নয়। তার যা করতে ভালো লাগবে, তাতেই আমরা খুশি।`

যে কারণে বাড়ছে বাংলাদেশে গড় আয়ু
                                  

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো`র `স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস` জরিপ অনুযায়ী ২০১৬`র তুলনায় ২০১৭`তে বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে প্রায় চার মাস।

২০১৬`তে যেখানে গড় আয়ু ছিল ৭১.৬ বছর, ২০১৭ তে তা বেড়ে দাড়ায় প্রায় ৭২ বছরে।

পুরুষদের গড় আয়ু ৭০.৩ থেকে উন্নীত হয়েছে ৭০.৬ বছরে। আর নারীদের গড় আয়ু ৭২.৯ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩.৫ বছর।

কোন বিষয়গুলোর কারণে বাংলাদেশের গড় আয়ু দিন দিন বাড়ছে?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংখ্যা বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আমিনুল হকের মতে, গড় আয়ু বৃদ্ধির পেছনে বেশ কয়েকটি বিষয় অবদান রেখেছে।

১. শিশু মৃত্যুহার হ্রাস:
মি.হক বলছেন, গড় আয়ু বাড়ার পেছনে অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালন করেছে শিশু মৃত্যুহার হ্রাস।

বিবিএস`এর জরিপ অনুযায়ী, ২০০১ সালে যেখানে বাংলাদেশে নবজাতক মৃত্যুর হার ছিল প্রতি ১০০০ জন জন্ম নেয়া শিশুর মধ্যে ৫৬ জন, ২০১৭`তে এসে তা কমে দাড়ায় ২৪ জনে।

পাঁচ বছরের কমবয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ২০০১ এ ছিল ৮২ জন, যা ২০১৭`তে কমে দাড়ায় ৩১ জনে।

গড়ে প্রতি হাজার জন্মে শিশু মৃত্যুহার ২০০১ এর ৪.১ থেকে ২০১৭`তে কমেছে ১.৮ এ।

স্বাস্থ্যখাতে বাংলাদেশের উন্নতি শিশু মৃত্যুহার কমানোর পেছনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করেন মি. হক।

২. মাতৃ মৃত্যুহার হ্রাস:
মাতৃ মৃত্যুহার হ্রাস পাওয়াও গড় আয়ু বাড়ার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

১৯৮৬ সালে প্রতি হাজার জন্ম নেয়া শিশুর ক্ষেত্রে মাতৃমৃত্যু হার ছিল ৬.৪৮। ২০১৭ তে সেই সংখ্যা এসে দাড়িয়েছে ১.৭২ তে।

৩. শিক্ষার হার বৃদ্ধি:
শিক্ষার হারও গড় আয়ুকে প্রভাবিত করে। শিক্ষার হার বৃদ্ধির সাথে সাথে সাধারণত মানুষ নিজের স্বাস্থ্য ও নিরপাত্তার বিষয়ে বেশী সচেতন হয়ে থাকে।

জরিপ অনুযায়ী, ৭ বছর বা তার চেয়ে বেশী বয়সের শিশুদের মধ্যে শিক্ষার হার ২০১৭`তে ছিল ৭২.৩%, যা একযুগ আগে ২০০৫ এ ছিল ৫২.১%। অর্থাৎ প্রায় ১৩ বছরে শিক্ষার হার বেড়েছে প্রায় ৩৯ শতাংশ।

১৫ বছর ও তার চেয়ে বেশী বয়সী মানুষের ক্ষেত্রে শিক্ষার হার ২০০৫ এ ছিল ৫৩.৫% এবং ২০১৭`তে তা বেড়ে দাড়ায় ৭২.৯ শতাংশে।

৪. অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা বৃদ্ধি:
অর্থনৈতিক উন্নয়ন গড় আয়ুকে প্রভাবিত করে। মি.আমিনুল হক বলেন, "একটি পরিবার যখন দারিদ্র্য থেকে বের হয়ে আসে, তখন তারা বেশী পুষ্টিকর খাবার হয় এবং স্বাস্থ্যের দিকে বেশী নজর দেয়।"

মি. হক বলেন, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের সাথে সাথে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়, যা মানুষকে দীর্ঘকাল সুস্থ জীবনযাপনে সহায়তা করে।

গত ১৩ বছরে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার হিসেবে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে বাংলাদেশ।

২০০৫ সালে বাংলাদেশে ১৯.২ শতাংশ পরিবার অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল হিসেবে বিবেচিত হতো। ২০১৭ সালে ৩৯ শতাংশের বেশী পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

গত কয়েকদশকে বাংলাদেশে দরিদ্র ও অতিদরিদ্র হিসেবে চিহ্নিত মানুষের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

৫. ছোঁয়াচে রোগের প্রাদুর্ভাব কমে যাওয়া:
মি. আমিনুল হকের মতে স্বাস্থ্যখাতে উন্নতি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশে ছোঁয়াচে রোগের সংখ্যা কমেছে। যা সরাসরি প্রভাব ফেলেছে গড় আয়ুতে।

মি. হক বলেন, "পরিবেশ দূষণের কারণে মানুষের মধ্যে দুষণজনিত নানাধরণের অসুখ দেখা দিচ্ছে। তবে সেসব রোগ দীর্ঘকালীন সমস্যা তৈরী করে। বাংলাদেশে গত কয়েক দশকে ছোঁয়াচে রোগের প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে, যার ফলে গড় আয়ু বেড়েছে।"

এছাড়া চিকিৎসাখাতে উন্নয়নের পাশাপাশি মানুষের মাঝে চিকিৎসা নিতে প্রাতিষ্ঠানিক সেবা নিতে যাবার প্রবণতা অনেক বেড়েছে।

৬. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় উন্নতি:
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিবছর মৃত্যুসংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও গড় আয়ু কিভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছ, এই প্রশ্নের জবাবে মি. হক বলেন নতুন শিশু জন্মহারের তুলনায় আকস্মিক মৃত্যুর সংখ্যা নগণ্য। তাই আকস্মিক মৃত্যুর কারণে গড় আয়ু হ্রাস পেলেও অন্যদিকে শিশু জন্মহার অপরিবর্তিত থাকায় ও মৃত্যুহার কমে যাওয়ায় তা গড় আয়ুর ওপর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলে না।

এছাড়া বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায়ও উন্নয়ন হয়েছে। ঝড়, বন্যা, জলোচ্ছাসে একসময় ব্যাপক মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেও যোগাযোগ ও প্রযুক্তিগত ভাবে উন্নয়নের সাথে সাথে এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃত্যুর সংখ্যাও কমেছে।

এছাড়া ঘরের বাইরের কাজে নারীদের সম্পৃক্ততা বহুগুণ বৃদ্ধি পাওয়াকে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। যার ফলে সরাসরি প্রভাবিত হয়েছে গড় আয়ু।

৪০০ বছরের প্রাচীন মসজিদ
                                  

কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী শাহ সুজা মসজিদ মোগল স্থাপত্যের অপূর্ব নির্দশন। ১৬৫৮ সালে এ মসজিদটি নির্মিত হয়। বাদশাহ আওরঙ্গজেবের ভাই শাহজাদা সুজার নাম অনুসারে সুজা মসজিদ নির্মিত হয়েছে। কুমিল্লা মহানগরীর মোগল টুলীতে এর অবস্থান। প্রায় ৪০০ বছরের প্রাচীন এ মসজিদটি দেখতে মহানগরীর মোগলটুলী এলাকায় প্রতিদিনই দর্শনার্থীরা ভিড় করেন।

কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী শাহ সুজা মসজিদটির নির্মাণ ইতিহাস সম্পর্কে বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ শ্রী কৈলাশ চন্দ্র সিংহ তার রামমালা গ্রন্থে উল্লেখ করেন, ‘গোমতী নদীর তীরে কুমিল্লা নগরীর মোগলটুলীতে সুজা মসজিদ নামক একটি ইস্টক নির্মিত বৃহৎ মসজিদ অদ্যাপি দৃষ্ট হইয়া থাকে। এই মসজিদ সম্বন্ধে দু’ প্রকার প্রবাদ শ্রুত হওয়া যায়Ñ (১) সুজা ত্রিপুরা জয় করিয়া বৃত্তান্ত চিরস্মরণীয় করিবার জন্য এই মসজিদ নির্মাণ করিয়া ছিলেন। (২) মহারাজ গোবিন্দ মানিক্য সুজার নাম চিরস্মরণীয় করিবার জন্য বহু অর্থ ব্যয় করিয়া এই মসজিদ নির্মাণ করিয়াছিলেন। দ্বিতীয় প্রবাদ অপো প্রথমোক্ত প্রবাদ সত্য বলিয়া আমাদের বিশ্বাস হইতেছে।’ শাহ সুজা (১৬৩৯-১৬৬০) বাংলার সুবাহদার ছিলেন। শাহ সুজা ছিলেন সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় ছেলে।

মসজিদের কেন্দ্রীয় গম্বুজটি পাশের দুটি গম্বুজ থেকে আকারে বড়। আদি মাপ ছিল প্রস্থে ১৬ ফুট ও দৈর্ঘ্যে ৪৭ ফুট। সাম্প্রতিককালে মসজিদের দুই প্রান্তে ২২ ফুট করে দুটি ক এবং সম্মুখ ভাগে ২৪ ফুট প্রশস্ত একটি বারান্দা নির্মাণ করায় আদি রূপ কিছুটা নষ্ট হয়েছে। মসজিদের উত্তর-পূর্ব কোণে একটি সুউচ্চ মিনারও নির্মাণ করা হয়েছে।
এই মসজিদটি উত্তর দেিণ লম্বা। মসজিদের চার কোণে চারটি অষ্ট কোণাকার মিনার। এগুলো মসজিদের ছাদের অনেক ওপরে উঠে গেছে। এই মসজিদটি একটি উল্লেখযোগ্য প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন। ফুল, লতাপাতা, জ্যামিতিক ও পদ্ম নকশায় অলঙ্কৃত মসজিদের প্রবেশপথ, কেবলা প্রাচীর ও গম্বুজ, কলসী চূড়া দ্বারা সুশোভিত গম্বুজের শীর্ষদেশ।

এ মসজিদের নামকরণ, প্রতিষ্ঠাতার নাম ও প্রতিষ্ঠার তারিখ নিয়ে ভিন্নমত থাকলেও এ মসজিদ যে পাক ভারত উপমহাদেশের প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম সে বিষয়ে কারো সন্দেহ নেই। আয়তনের দিক দিয়ে এ মসজিদ খুব বেশি বড় না হলেও এর কৃষ্টি, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সার্বিক অবয়ব আভিজাত্যের প্রতীক বহন করে।

প্রাচীন এ মসজিদটি দেখতে মহানগরীর মোগলটুলী এলাকায় প্রতিদিনই দর্শনার্থীরা ভিড় করেন। বিশেষ করে জুমা, শবে বরাত, শবে কদরসহ বিশেষ দিনগুলোয় এখানে মুসল্লি ও দর্শনার্থীরা ভিড় জমান। 
শাহ সুজা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সফিকুল ইসলাম সিকদার জানান, এটি একটি প্রাচীন মসজিদ। শুধু কুমিল্লায় নয়, সারা দেশের মধ্যে অন্যতম একটি মসজিদ। এখন ১২ শ’র ওপরে মুসল্লি একসাথে নামাজ পড়তে পারেন। আরো বেশি মুসল্লি নামাজ পড়ার বিষয়ে পরিকল্পনা করা হয়েছে।

শতাব্দীর দীর্ঘতম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ২৭-২৮ জুলাই
                                  

আগামী ২৭ জুলাই এবং কয়েকটি দেশে ২৮ জুলাই শতাব্দীর দীর্ঘতম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ স্থায়িত্ব হবে ১ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট।

জ্যোতির্বিজ্ঞানী বলছেন, এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণে লালচে রং ধারণ করবে চাঁদ। আর চাঁদের এই অবস্থার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ব্লাড মুন’। এ সময় চাঁদ পৃথিবীর ছায়ার সবচেয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকাটি অতিক্রম করবে। তাই চন্দ্রগ্রহণটি দীর্ঘ সময় ধরে চলবে। একই কারণে চাঁদের পৃষ্ঠে লালচে আভার সৃষ্টি হবে।  

এ মহাজাগতিক দৃশ্য ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের দেশগুলো থেকে দেখা যাবে । এশিয়ার বেশিরভাগ দেশ থেকে ২৭ জুলাই দিনগত মধ্যরাতের পর অথবা ২৮ তারিখ ভোর থেকে চন্দ্রগ্রহণ উপভোগ করা যাবে।

উল্লেখ্য, সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ যখন একই সরল রেখায় অবস্থান করে এবং পৃথিবীর ছায়া সরাসরি চাঁদকে ঢেকে ফেলে তখন চন্দ্রগ্রহণ দেখা যায়। 

নাইজেরিয়ায় বিএমডাব্লিউ গাড়িতে বাবার কবর দিলেন ছেলে
                                  

গাড়িতেই দেয়া হলো কবর! এমন খবর শুনে অনেকের চোখ কপালে উঠলেও সত্যি এমন ঘটনা ঘটেছে চীনের হেবেই প্রদেশে। দেশটির এক নাগরিকের ইচ্ছে পূরণ করতেই তাকে গাড়িতে কবর দেয়া হয়েছে। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

গাড়িতেই কবর দেয়ার জন্য কিউ নামের এক চীনা নাগরিক মৃত্যুর সময় তার শেষ ইচ্ছার কথা বলে গেছেন তার কাছের মানুষদের। আর তার শেষ ইচ্ছেতেই কফিনের বদলে প্রিয় গাড়ির সঙ্গে নিজেকে কবর দেয়া হয়।

বিষয়টি পুরনো হলেও নতুন খবর হচ্ছে এবার নাইজেরিয়ার এক ধনী সন্তান তার বাবাকে বিলসাবহুল নতুন বিএমডাব্লিউ গাড়িতে কবর দিয়েছেন। বাবাকে বিএমডাব্লিউ গাড়ি কিনে দেয়ার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে আজুবুকি নামের এ ব্যক্তি অদ্ভুত এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন। খবর প্রেসটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস।

ঘটনাটি এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে-৮৮ হাজার ডলার মূল্যের গাড়িতে করে মৃত লোকটিকে কবর দেয়া হয়।

আজুবুকি তার বাবাকে দামি বিএমডাব্লিউ গাড়ি কিনে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সে প্রতিশ্রুতি বাবার জীবদ্দশায় পূরণ করতে পারেননি। সে কারণে বাবার মৃত্যুর পর তার আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য তিনি স্থানীয় কফিনের পরিবর্তে বিএমডাব্লিউ গড়িতে করে বাবাকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেন। ঘটনাটি স্থানীয় জনগণের কাছে ক্ষোভ ও দুঃখের কারণ হয়ে উঠেছে। অনেকে বলছেন, মারাত্মক দারিদ্র্যপীড়িত দেশে এটা নিতান্তই অর্থের অপচয়।

এ নিয়ে একজন গ্রামবাসী বলেছেন, এ ধরনের কাজ আমাদের কৃষ্ণাঙ্গদেরকে গরীব করে রেখেছে। আরেকজন এ ঘটনাকে পাগলামি ও স্বার্থপরতা বলে উল্লেখ করেছেন। তবে কেউ কেউ ঘটনাটিকে সাজানো নাটক বলে মন্তব্য করেছেন।

এটাই বিশ্বের সবচেয়ে দামি গাড়ি! দাম কত জানেন?
                                  

এটাই বিশ্বের সবচেয়ে দামি গাড়ি! দাম কত জানেন? ভিন্টেজ কারের শখ রয়েছে বিশ্বে এমন মানুষের সংখ্যা কম নেই। তেমনই এক জন ডেভিড ম্যাকনিল। গাড়ির ফ্লোর ম্যাট এবং বিভিন্ন অ্যাকসেসরিজ প্রস্তুতকারক সংস্থা ওয়েদারটেক-এর সিইও ডেভিড। এই ডেভিডই এখন বিশ্বের সবচেয়ে দামি গাড়ির মালিক। আর সেই সঙ্গে তিনি ‘জিটিও ক্লাব’-এর তালিকায় ঢুকে গিয়েছেন।

এই এলিট ক্লাবে রয়েছেন বিখ্যাত মার্কিন শিল্পপতি রাল্ফ লরেন এবং ওয়ালমার্টের কর্ণধার রব ওয়ালটনের মতো ব্যক্তিত্বরা। ম্যাকনিলের সংগ্রহে রয়েছে ১৯৬০ ফেরারি ২৫০ জিটি বার্লিনেট্টা এসডব্লিউবি, ২৫০ জিটি লুসো, ২৭৫ জিবিটি, ৩৬৫ জিবিটি, এফ ৪০ এবং এফ ৫০-র মতো বহু মূল্যবান গাড়ি। ১৯৬৩ ফেরারি ২৫০ জিটিও তার সংগ্রহের নবতম সংযোজন।

সম্প্রতি নিলামে উঠেছিল ১৯৬৩ ফেরারি ২৫০ জিটিও গাড়িটি। গাড়িটির চেসিস নম্বর ৪১৫৩ জিটি। নিলামে গাড়িটির দাম উঠেছে ৭০ মিলিয়ন ডলার।

আর এই দামের কারণেই ১৯৬৩ ফেরারি ২৫০ জিটিও বিশ্বের সবচেয়ে দামি গাড়ির তকমা পেয়েছে। ২০১৩ এই মডেলের ক্লাসিক গাড়ির সর্বোচ্চ দাম উঠেছিল ৫০ মিলিয়ন ডলার। নিলামে নয়, ব্যক্তিগত ভাবেই সেই গাড়িটি কেনা হয়েছিল। কিন্তু এ বছর নিলামে ওঠা দামে ফেরারি ২৫০ জিটিও সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।

ফেরারি ২৫০ জিটিও ব্র্যান্ডটি গাড়িপ্রেমীদের কাছে #22 এবং #46 নামে পরিচিত। ফেরারি ঘরানার মধ্যে ৪১৫৩ জিটি চেসিস নম্বরকে সবচেয়ে আইকনিক বলে মানা হয়। এই মহামূল্যাবান গাড়িকে ফেরারি ২৫০ জিটিও ত্যুর দ্য ফ্রাঁ-ও বলা হয়। কারণ ১৯৬৪-এ সিলভার রঙের এই মডেলটি ত্যুর দ্য ফ্রাঁ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ১৯৬৩-তে লে মান্স প্রতিযোগিতায় চতুর্থ স্থান অর্জন করেছিল। ১৯৬৫-তে অ্যাঙ্গলোয়ান গ্রাঁ প্রি-তেও অংশ নিয়েছিল এই মডেলের গাড়িটি।

গাড়িটির সর্বোচ্চ গতি ২৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। ১৯৬৩ সালে যখন গাড়িটি আমেরিকার বাজারে আসে, তখন এর দাম ছিল ১৮ হাজার ডলার

এন্টার্কটিকার বরফের নীচে খোঁজ মিললো পবর্তশ্রেণির
                                  
এন্টার্কটিকার বিশাল বরফের চাদরের নীচে লুকিয়ে আছে পর্বতশ্রেণী। ব্রিটেনের এক দল গবেষক জানিয়েছেন, পশ্চিম এন্টার্কটিকার বিস্তীর্ণ বরফস্তরের নীচে রয়েছে একটি পর্বতশ্রেণি। এমনকি পর্বতের নীচে রয়েছে কয়েকশো মাইল ছড়ানো তিনটি উপত্যকাও। এই অনুসন্ধান নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে ‘জিয়োফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্স’ পত্রিকায়।
কৃত্রিম উপগ্রহের সাহায্যে বরফ ভেদ করে দেখতে পায় এমন বিশেষ রাডারের মাধ্যমে এই মহাদেশের মানচিত্র নতুনভাবে তৈরি করতে চেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
‘পোলার গ্যাপ’ নামে গবেষকদের বিশেষ এই অনুসন্ধানে ধরা পড়েছে, পশ্চিম এবং পূর্ব আন্টার্কটিকার বরফের আস্তরণকে জুড়ে রেখেছে ওই তিন উপত্যকা। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ওই বরফ ঢাকা পাহাড় ও উপত্যকার কারণে সমুদ্রতলের উচ্চতা বাড়তে পারে। 
তারা আরো জানাচ্ছেন, উষ্ণায়নে বিশ্বের সর্বত্র বরফ গলছে। এন্টার্কটিকার ওই বরফের চাদরও ব্যতিক্রম নয়। বরফ গলে স্বাভাবিক নিয়মেই তা ছড়িয়ে পড়ছে। আর এই কারণেই আগামী দিনে সমুদ্রের জলস্তর আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। শিকাগো টাইমস।
জোড়া তরমুজের মূল্য সাড়ে ২৪ লাখ!
                                  

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি জাপানে একজোড়া তরমুজের দাম নিলামে ৩.২ মিলিয়ন ইয়েন বা ২৪,৫১,৯৫৪ টাকা দাম উঠেছে। জাপানে ইউবারি প্রজাতির এই তরমুজকে মর্যাদার প্রতীক বলে মনে করা হয়।

জাপানে ফলের দোকানের মালিকরা সামাজিক অবস্থা সম্পন্ন মানুষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ‍বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে। 

উত্তর হোক্কাইডোর সাপ্পারো পাইকারি বাজারে তরমুজ জোড়ার নিলাম অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা যায়।

জাপানে ৩.২ মিলিয়ন ইয়েন দিয়ে একটি নতুন গাড়ি কেনা যায়। বিলাসী এই ফলটি বিগত দুই বছর আগের রেকর্ড ভেঙ্গে দিয়েছে। দুই বছর আগে ফলটির মূল্য নিলামে ৩ মিলিয়ন ইয়েন উঠেছে।   

নিলাম বাজারের মুখপাত্র তাতেসো শিবোতা বলেন, ইউবারি তরমুজ এবার মে মাসের শুরুতেই এসেছে।

জাপানে ভালো মদ বা অন্যান্য দামি পণ্যের মতো ইউবারি তরমুজ ‘স্টেটাস সিম্বল’ বহন করে। যা জাপানিরা তাদের বন্ধু এবং সহকর্মীদের উপহার হিসেবে দিয়ে থাকে।

সবচেয়ে ভালোমানের ইউবারি তরমুজ নিখুত গোলাকৃতির মসৃণ হয়ে থাকে। এর উপরের রেখাগুলো সব একই মাপের হয়। তরমুজের বোঁটাতে ইংরেজি টি(T) আকৃতির মতো হয়ে থাকে।এগুলো বিভিন্ন ধরণের অলঙ্কৃত বাক্সে মোড়ানো থাকে।

সন্তান জন্ম দেয়া নিষিদ্ধ যে দ্বীপে
                                  

দীর্ঘ ১২ বছর পর ব্রাজিলের একটি দ্বীপের নিয়ম ভেঙে সন্তান জন্ম দিয়েছেন এক নারী। গত শনিবার একটি কন্যা সন্তান জন্ম দেয়া ওই নারী অবশ্য সংবাদমাধ্যমের কাছে তার পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি।

দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপটির নাম ফার্নান্দো ডি নোরনহা। প্রশাসনিকভাবে দ্বীপটিতে সন্তান জন্ম দেয়া নিষিদ্ধ। তবে সেটির কারণ দ্বীপটিতে কোন মাতৃসদন নেই। অর্থাৎ দ্বীপটিতে একটি ছোট্ট হাসপাতাল থাকলেও সেখানে কোন প্রসূতি ও নবজাতক বিভাগ নেই। সে কারণেই দ্বীপটির কর্তৃপক্ষ একদশকেরও বেশি সময় আগে নিয়ম করে যে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় হলে প্রসূতি মায়েদের ব্রাজিলের মূল ভূখণ্ডে যেতে হবে। প্রসবকালীন মৃত্যু ঝুঁকি এড়াতেই এই আইন করা হয়। দ্বীপটি থেকে ব্রাজিলের মূল ভূখণ্ডের দূরত্ব সমুদ্রপথে ২২৭ মাইল।

কিন্তু দীর্ঘ ১২ বছর এবারই প্রথম সেখানে সন্তান জন্মদানের ঘটনা ঘটলো। ব্রাজিলের ও গ্লোব পত্রিকা জানিয়েছে, প্রসবকালীন সময় এগিয়ে এলেও ওই নারী বাড়িতেই অবস্থান করেন। পরিবারটি জানিয়েছে, তারা গর্ভাবস্থার বিষয়টি বুঝতে পারেননি। তবে নিরাপদেই কন্যা সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়েছে।

এই নারীর আগের একটি সন্তান রয়েছে। প্রথম সন্তানের জন্মের সময় তিনি মূভূখণ্ডের হাসপাতালে গিয়েছিলেন চিকিৎসার জন্য। তিনি পত্রিকাটিকে বলেন, শুক্রবার রাতে টয়লেটে গিয়ে দেখলাম আমার প্রসব শুরু হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই প্রসব হয়ে যায়। আমার স্বামীকে ডাকার পর তিনি ছুটে এসে দেখেন কন্যা সন্তান হয়েছে। আমি হতবুদ্ধ হয়ে গেলাম।

ক্ষুদ্র ওই দ্বীপটি বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রম হিসেবে পরিচিত। সেখানে জনসংখ্যা তিন হাজারের মতো।

 

 
পর পর দুই বছর বৈশ্বিক তাপমাত্রা কমেছে: নাসা
                                  
গ্রিন হাউজের ক্ষতিকারক প্রভাবে প্রতি বছর বাড়তে থাকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন। আর এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে জলবায়ুর ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলার পাশাপাশি বাড়ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা।
 
তবে নাসার এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি এই দুই বছরে উপর্যুপরি তাপমাত্রা কমেছে। এই সময়ের মধ্যে বিশ্বব্যাপী গড় তাপমাত্রা শূন্য দশমিক ৫৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। গড় তাপমাত্রা কমার ক্ষেত্রে গত এক শতকের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় ঘটনা। তবে আশ্চর্যের বিষয় গড় তাপমাত্রা কমার বিষয়টি গণমাধ্যমে সেইভাবে আলোচনায় আসেনি।
 
বৈশ্বিক তাপমাত্রার তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করতে গিয়ে নাসার কর্মকর্তা অ্যারন ব্রাউন বিষয়টি দেখে রীতিমতো বিস্মিত হন। বৈশ্বিক তাপমাত্রা কমার ক্ষেত্রে তিনি এটিকে সবচেয়ে বড় ঘটনা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৫ মাসে সব থেকে বেশি তাপমাত্রা কমেছিল। ২০১৭ সালের একই সময়েও তাপমাত্রা কমেছিল। ২০১৭ সালের ঐ পাঁচ মাসে তাপমাত্রা কমার ঘটনাটিকে চতুর্থ সর্বোচ্চ বলে উল্লেখ করেছেন অ্যারন ব্রাউন।
 
এতদিন বিজ্ঞানীরা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির বিষয়ে নানা সময়ে সতর্ক করে এসেছে। নাসার এই তথ্য তার সম্পূর্ণ বিপরীত কথা বলছে। তবে এই দুই বছরের তাপমাত্রা কমে আসার কারণে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বিষয়টিকে মোটেই গুজব হিসেবে দেখতে চান না তারা। তাদের বক্তব্য, গত দুই বছর ধরে তাপমাত্রা বাড়ছে না বলে পুরো শতকের তাপমাত্রাকে প্রতিনিধিত্ব করে না।
 
এর আগে আমেরিকান আবহাওয়াগত সোসাইটি জার্নালে প্রকাশিত এক প্রবন্ধে বলা হয়েছিল বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বৃদ্ধির পেছনে শতকরা ৪৫ ভাগ ভূমিকা কলকারখানা থেকে নির্গত কার্বন-ডাই-অক্সাইডের। তবে ঐ সময়ে এর বিরোধিতা করে অন্য একটি গবেষণায় বলা হয়েছিল, ২০০০ সালের পর কার্বন-ডাই-অক্সাইডের কারণে বৈশ্বিক উষ্ণায়নে তেমন উল্লেখযোগ্য কোনো প্রভাব পড়েনি।
 
এতদিন ধরে প্রায় সব গবেষণাতে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বৃদ্ধির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে। তাই এই মুহূর্তে হঠাৎ করে নাসার পক্ষ থেকে গত দুই বছরে তাপমাত্রা কমে আসার যে তথ্য দেওয়া হচ্ছে তা নিয়ে মানুষের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে নাসার পক্ষ থেকে এটিও বলা হয়েছে, মাত্র দুই বছরের তাপমাত্রার এই চিত্র পুরো এক শতকের প্রতিনিধিত্ব করে না।-ইনভেস্টরস বিজনেস ডেইলি।
 
৮৫ হাজার বছর আগের মানুষের পদচিহ্ন পাওয়া গেল সৌদিতে
                                  
বিভিন্ন সময় পৃথিবীর অনেক জায়গায় মানুষের অস্তিত্বের নমুনা খুঁজে পেয়েছেন নৃতাত্ত্বিকরা। চীন, ইসরায়েল এবং অস্ট্রেলিয়াতে পাওয়া বিভিন্ন ধরনের নমুনা দেখে ধারণা করা হতো, কয়েক হাজার বছর আগে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছিল মানুষ। এবার সৌদি আরবে এমনই কিছু নমুনা খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। যা দেখে তারা বলছেন, প্রায় ৮৫ হাজার বছর আগে সৌদি আরবে মানুষের আগমন ঘটেছিল। সৌদি আরবের সংস্কৃতি এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মানুষের পদচিহ্ন পাওয়ার খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
 
বেশ কিছুদিন আগে সৌদি আরবে মানুষের আঙুলের কিছু হাড় পাওয়া গিয়েছিল। সৌদি আরবের প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলছেন, এবার তারা খুঁজে পেয়েছেন আদিম মানুষের পদচিহ্ন। আঙুলের হাড় খুঁজে পাওয়ার মানুষের অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণাকে আরো জোরালো করল এই পদচিহ্নগুলো। সৌদি আরবের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ‘তাবুক’ শহরের কাছে পাওয়া গেছে নতুন এই নমুনাগুলো। সৌদি আরবের আল ওয়াস্তা এলাকায় সংরক্ষিত একটি হ্রদের নিচে পাওয়া আঙুলের হাড়ের বয়স সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সেগুলোর বয়স ৮০ হাজার বছরের বেশি। এই দুটি নমুনাই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, অন্তত ৮০ থেকে ৮৫ হাজার বছর আগে মানুষের অস্তিত্ব ছিল সৌদি আরবে।
 
সৌদি আরবের সংস্কৃতি ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেখানে মানুষের পদচিহ্ন মিলেছে তা একসময় লেক ছিল। যদিও তা এখন শুকনো মরুভূমি। পদচিহ্নগুলো বিভিন্ন দিকমুখী হয়ে ছড়িয়ে রয়েছে। সৌদি আরবের পর্যটন এন্ড ন্যাশনাল হেরিটেজ বিষয়ক কমিশনের প্রধান সৌদি যুবরাজ সুলতান বিন সালমানের জাপান সফরের সময় প্রাচীন মানুষের এই নিদর্শনের কথা জানিয়েছে সৌদি। এক ঘোষণায় যুবরাজ সুলতান বিন সালমান বলেন, এই পদচিহ্নগুলো অন্তত ৮৫ হাজার বছর আগের। পদচিহ্নগুলোর বিষয়ে আরো বিস্তারিত তথ্য উদঘাটনে কাজ করছেন প্রত্নতত্ত্ববিদ হাউ গ্রোকাট। একই সঙ্গে এই পদচিহ্নগুলো নিয়ে পর্যালোচনা অব্যাহত রেখেছেন গবেষকরা। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এ বিষয়ক প্রবন্ধ প্রকাশ করবে সৌদি আরব।
 
এর আগে ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়াতে ২০ হাজার বছর পুরনো কিছু পদচিহ্নের নমুনার সন্ধান পেয়েছিলেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। আর এ বছর মার্চে কানাডার পশ্চিম উপকূল থেকেও উদ্ধার হয়েছে ১৩ হাজার বছর পুরনো কিছু পদচিহ্ন। সেই হিসেবে সৌদি আরবের এই পদচিহ্নগুলো খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। বিজ্ঞানীদের ধারণা, প্রায় দুই লাখ বছর আগে পূর্ব আফ্রিকার প্রথম মানুষের আগমন ঘটেছিল। সেখান থেকে বিভিন্ন সময়ে পৃথিবীর অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে মানুষ। সৌদি আরবে প্রাপ্ত পদচিহ্নের নমুনা থেকে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, সম্ভবত ৬০ হাজার বছর আগে আফ্রিকা থেকে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ অন্যত্র চলে গিয়েছিল আর সেটা বর্তমান সৌদি আরবে। এর আগে ইসরাইলে পাওয়া হাড়ের নমুনা পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ১ লাখ ৬০ হাজার বছর আগে ইসরাইলে মানুষের আগমন ঘটেছিল।-ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।

 

দুই পা নেই, তবুও এভারেস্ট জয়
                                  

চল্লিশ বছর আগে এভারেস্টের চূড়ায় উঠতে গিয়ে ফ্রস্ট বাইটে অর্থাৎ প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় আক্রান্ত হয়ে দুটো পা-ই হারাতে হয়েছিল শিয়া বোউকে। তার পরও স্বপ্ন পূরণে পিছ পা হননি তিনি। সোমবার সকালে ৬৯ বছরের এই চীনা নাগরিক ২৯,০২৯ ফুট উচ্চতা অতিক্রম করে এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছতে সক্ষম হয়েছেন। রেকর্ড গড়েছেন তিনি, কারণ এর আগে দুই পা নেই এমন কেউ নেপালের দিক থেকে এভারেস্টের চূড়ায় উঠতে পারেনি।


২০০৬ সালে দুই পা হারানো আরেক পর্বতারোহী নিউজিল্যান্ডের মার্ক ইঙ্গলিস। এভারেস্টে উঠেছিলেন তিব্বতের দিক থেকে, যেটাকে অপেক্ষাকৃত সহজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৭৫ সাল থেকে শিয়া বোউ এভারেস্টে ওঠার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। গত বছর নেপালের সরকার যখন দুই-পা কাটা এবং অন্ধদের জন্য এভারেস্টে ওঠা নিষিদ্ধ করে দেয়, চরম হতাশায় পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। তবে এ বছর মার্চ মাসে নেপালের সুপ্রিম কোর্ট সরকারের ওই নিষেধাজ্ঞা বেআইনি ঘোষণা করলে, এপ্রিল মাসে তিনি পঞ্চমবারের মতো এভারেস্ট অভিযান শুরু করেন। অভিযান শুরুর আগে তিনি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছিলেন, ‘এভারেস্টের চূড়ায় ওঠা আমার স্বপ্ন। আমাকে এই স্বপ্ন পূরণ করতেই হবে। ব্যক্তিগতভাবে এটা আমার জন্য এটা চ্যালেঞ্জ, আমার দুর্ভাগ্যের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ।’


শেষ পর্যন্ত গতকাল সকালে তিনি তার স্বপ্ন পূরণে সক্ষম হন। শিয়া বোউ ১৯৭৫ সালে তার প্রথম অভিযানে এভারেস্টের চূড়ার কাছাকাছি গিয়ে ফ্রস্ট-বাইটে প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। সেই অসুস্থতার জেরে পায়ে ক্যান্সার হওয়ায় ১৯৯৬ সালে হাঁটুর নিচ থেকে তার দুই পা কেটে ফেলতে হয়। এরপর ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে তিনি আবার অভিযানের জন্য নেপালে যান, কিন্তু দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং দুর্ঘটনার জন্য নেপাল সরকার দুইবারই পর্বতারোহণ বন্ধ রেখেছিল। ২০১৬ সালেও মাত্র ২০০ মিটার ওঠার পর খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাকে ফিরে আসতে হয়েছিল। এক বছর বাদে তিনি এভারেস্ট জয় করেন। 


   Page 1 of 44
     তথ্যবিচিত্র
ফোর্বস ম্যাগাজিনের তালিকায় বাংলাদেশি তরুণ সানি
.............................................................................................
গুগল সম্পর্কে অজানা ১০টি তথ্য
.............................................................................................
কেন্দুয়ায় জন্ম নিলো ৫ পা-ওয়ালা বাছুর!
.............................................................................................
ঘ্রাণ শুঁকেই শত্রুর শক্তি বুঝতে পারে যে প্রাণী
.............................................................................................
আট বছর বয়সেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র
.............................................................................................
যে কারণে বাড়ছে বাংলাদেশে গড় আয়ু
.............................................................................................
৪০০ বছরের প্রাচীন মসজিদ
.............................................................................................
শতাব্দীর দীর্ঘতম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ২৭-২৮ জুলাই
.............................................................................................
নাইজেরিয়ায় বিএমডাব্লিউ গাড়িতে বাবার কবর দিলেন ছেলে
.............................................................................................
এটাই বিশ্বের সবচেয়ে দামি গাড়ি! দাম কত জানেন?
.............................................................................................
এন্টার্কটিকার বরফের নীচে খোঁজ মিললো পবর্তশ্রেণির
.............................................................................................
জোড়া তরমুজের মূল্য সাড়ে ২৪ লাখ!
.............................................................................................
সন্তান জন্ম দেয়া নিষিদ্ধ যে দ্বীপে
.............................................................................................
পর পর দুই বছর বৈশ্বিক তাপমাত্রা কমেছে: নাসা
.............................................................................................
৮৫ হাজার বছর আগের মানুষের পদচিহ্ন পাওয়া গেল সৌদিতে
.............................................................................................
দুই পা নেই, তবুও এভারেস্ট জয়
.............................................................................................
যে গ্রামে ৪০০ বছর ধরে সন্তান জন্মগ্রহণ করে না
.............................................................................................
বদলে যাবে নগরজীবন! উড়বে এবার `ফ্লাইং কার`!
.............................................................................................
বয়স ১০৪ বছর, আর বেঁচে থাকতে চান না অস্ট্রেলিয়ার এই বিজ্ঞানী
.............................................................................................
আরও জোরাল হল মঙ্গলে প্রাণের দাবি!
.............................................................................................
তিন কোটি লোক মারা যেতে পারে প্রাণঘাতী রোগে: বিল গেটস
.............................................................................................
মাশরুম বিস্ময়কর খাদ্য
.............................................................................................
সমুদ্রের নিচে হোটেল
.............................................................................................
রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে এলো ৫২ গোখরো
.............................................................................................
জেরুজালেমে গোপন কুঠুরিতে প্রাচীন সময়ের `ফ্রিডম কয়েন`!
.............................................................................................
২১ বার এভারেস্ট জয়!
.............................................................................................
স্কুলে যাচ্ছেন ৯২ বছর বয়সী দাদি
.............................................................................................
মঙ্গলগ্রহে বাড়ির নকশা
.............................................................................................
আধুনিক মানুষের সঙ্গে একাধিকবার মিলন ঘটেছিল রহস্যময় ডেনিসোভানদের
.............................................................................................
এভারেস্ট থেকে ১০০ টন আবর্জনা তোলা হবে
.............................................................................................
সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ড
.............................................................................................
পৃথিবীর দশ লাখ প্রজাতির বীজ সংরক্ষণ হচ্ছে সংরক্ষণাগারে
.............................................................................................
বিলুপ্তির পথে বাংলাদেশের ১১৭৩ জাতের প্রাণী
.............................................................................................
চাঁদে মোবাইল টাওয়ার!
.............................................................................................
মাটির নিচের সুড়ঙ্গে কোরআন আর কোরআন!
.............................................................................................
চীনাদের কনে কিনতে হচ্ছে কেন?
.............................................................................................
চাঁদ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন বিজ্ঞানীরা
.............................................................................................
যে দ্বীপের মালিক দুই দেশ!
.............................................................................................
বাক্স খুললেই সম্পদ, সুখ আর সৌভাগ্য!
.............................................................................................
সংযত হও, অন্যথায় ধ্বংস হয়ে যাবে : এলিয়েন বার্তা
.............................................................................................
সূর্য শীতল হবে ২০৫০ সালে!
.............................................................................................
মঙ্গল গ্রহ নেমে এলো মরুভূমিতে!
.............................................................................................
ডাক বাক্সে জ্যান্ত বাঘের বাচ্চা
.............................................................................................
স্বর্ণের বার্গার!
.............................................................................................
মায়ানদের গোপন সুরঙ্গের খোঁজ
.............................................................................................
স্থাপত্যে ভিন গ্রহীদের রহস্য
.............................................................................................
নিখুঁত ত্বকের জন্য ঘরে তৈরি নিম সাবান
.............................................................................................
আগরবাতির ধোঁয়া যে কারণে ক্ষতিকর
.............................................................................................
রোদেও গলবে না আইসক্রিম!
.............................................................................................
১৬ লাখ টাকা ডাস্টবিনে!
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]