| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য-তথ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
তারুণ্য ধরে রাখবে যে খাবারগুলো

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের উজ্জ্বলতাও কমতে থাকে। বয়সের ছাপগুলো ফুটে ওঠে ত্বকে। তবে কিছু খাবার আছে যা এই বয়সের ছাপকে দূরে রেখে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া খাবারের সঙ্গে সঙ্গে কিছু অভ্যাসেরও পরিবর্তন দরকার।

অভ্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত ধূমপান, পানি কম খাওয়া, পর্যাপ্ত না ঘুমানো এবং ত্বকে অতিরিক্ত আলট্রা ভায়োলেট রশ্মির প্রভাব।

খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন-

টমেটো

টমেটোতে আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে বিপুল পরিমাণে। ফলে ত্বকের গুণগতমান বজায় রাখতে, ত্বক টানটান রাখতে টমেটোর জুড়ি নেই। পাশাপাশি আলট্রা ভায়োলেট রশ্মির হাত থেকে ত্বককে বাঁচাতেও সাহায্য করে টমেটো।

পাকা পেঁপে

পাকা পেঁপে শরীরের জন্য খুবই উপকারী। পেপেঁতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে। ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাসের মতো লবণও রয়েছে এতে। বি কমপ্লেক্স ভিটামিনও এই ফলে কম নয়। ফলে এটি সব মিলিয়ে শরীরের জন্য খুব ভালো।

গ্রিন টিতে রয়েছে শক্তিশালী পলিফেনল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। এটি ত্বককে অতিরিক্ত আস্তরণ দেয় রোদ বা ক্ষতিকারক দূষিত বস্তুর হাত থেকে রক্ষা করে। পাশাপাশি ত্বকের নিয়মিত যে ক্ষয় হয়, তাও পূরণ করে।

বেদানা

বেদানায় থাকে দ্রুত হিমোগ্লোবিন তৈরির উপাদান। রক্তাল্পতায় যারা ভোগেন, তাদের জন্য এই ফল খুব উপকারী। এ ছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

গাজর

গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন `এ`। এ ছাড়া রয়েছে বিটা ক্যারোটিন। এই উপাদানটি ত্বক পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তা ছাড়া বাতাসে থাকা দূষিত পদার্থ বা কণা, যা ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করে, তার হাত থেকেও ত্বককে রক্ষা করে এই বিটা ক্যারোটিন।

অলিভ অয়েল

অলিভ অয়েলে ভিটামিন `বি` কমপ্লেক্স। এই তেল দিয়ে যদি নিয়মিত ত্বকে ম্যাসাজ করা যায়, ত্বকের গুণগতমান বাড়ে। ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া বা ফাটার হাত থেকে এই তেল ত্বককে রক্ষা করে। ডিহাইড্রেশন থেকেও রক্ষা করে এই তেল।

তারুণ্য ধরে রাখবে যে খাবারগুলো
                                  

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের উজ্জ্বলতাও কমতে থাকে। বয়সের ছাপগুলো ফুটে ওঠে ত্বকে। তবে কিছু খাবার আছে যা এই বয়সের ছাপকে দূরে রেখে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া খাবারের সঙ্গে সঙ্গে কিছু অভ্যাসেরও পরিবর্তন দরকার।

অভ্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত ধূমপান, পানি কম খাওয়া, পর্যাপ্ত না ঘুমানো এবং ত্বকে অতিরিক্ত আলট্রা ভায়োলেট রশ্মির প্রভাব।

খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন-

টমেটো

টমেটোতে আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে বিপুল পরিমাণে। ফলে ত্বকের গুণগতমান বজায় রাখতে, ত্বক টানটান রাখতে টমেটোর জুড়ি নেই। পাশাপাশি আলট্রা ভায়োলেট রশ্মির হাত থেকে ত্বককে বাঁচাতেও সাহায্য করে টমেটো।

পাকা পেঁপে

পাকা পেঁপে শরীরের জন্য খুবই উপকারী। পেপেঁতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে। ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাসের মতো লবণও রয়েছে এতে। বি কমপ্লেক্স ভিটামিনও এই ফলে কম নয়। ফলে এটি সব মিলিয়ে শরীরের জন্য খুব ভালো।

গ্রিন টিতে রয়েছে শক্তিশালী পলিফেনল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। এটি ত্বককে অতিরিক্ত আস্তরণ দেয় রোদ বা ক্ষতিকারক দূষিত বস্তুর হাত থেকে রক্ষা করে। পাশাপাশি ত্বকের নিয়মিত যে ক্ষয় হয়, তাও পূরণ করে।

বেদানা

বেদানায় থাকে দ্রুত হিমোগ্লোবিন তৈরির উপাদান। রক্তাল্পতায় যারা ভোগেন, তাদের জন্য এই ফল খুব উপকারী। এ ছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

গাজর

গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন `এ`। এ ছাড়া রয়েছে বিটা ক্যারোটিন। এই উপাদানটি ত্বক পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তা ছাড়া বাতাসে থাকা দূষিত পদার্থ বা কণা, যা ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করে, তার হাত থেকেও ত্বককে রক্ষা করে এই বিটা ক্যারোটিন।

অলিভ অয়েল

অলিভ অয়েলে ভিটামিন `বি` কমপ্লেক্স। এই তেল দিয়ে যদি নিয়মিত ত্বকে ম্যাসাজ করা যায়, ত্বকের গুণগতমান বাড়ে। ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া বা ফাটার হাত থেকে এই তেল ত্বককে রক্ষা করে। ডিহাইড্রেশন থেকেও রক্ষা করে এই তেল।

এক কোয়া রসুনেই ধরে রাখুন যৌবন
                                  

শুধু খাবার নয়, প্রাচীনকাল থেকেই রসুন ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ্বের প্রায় সবখানেই বিভিন্ন অসুখ থেকে নিরাময়ে রসুনকে ব্যবহার করা হয়।কিন্তু জানেন কি, ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখার পাশাপাশি বয়স ধরে রাখার জন্যও রসুনের কোনো বিকল্প নেই।

 

এক কোয়া রসুন হারানো যৌবনকে কীভাবে ফিরিয়ে দেবে তা জানিয়ে দিয়েছে ভারতীয় এক গণমাধ্যম। আসুন জেনে নিই সে সম্পর্কে....

 

১. ব্রণের সমস্যায় ভোগেন অধিকাংশ নারী। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য নানা রকম পদ্ধতি অবলম্বন করেন তারা। কিন্তু খুব অল্প সময়ে ব্রণ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য রসুনের কোনো বিকল্প নেই। এক কোয়া রসুনের রস ব্রণের উপর লাগিয়ে পাঁচ মিনিট রেখে তা ধুয়ে ফেলুন। কয়েকদিন পরে ফলাফল দেখলে চমকে যাবেন আপনি।

 

২. এক কোয়া রসুন এবং অর্ধেক টমেটো দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। ওই মিশ্রনটি মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন গোটা মুখ। ট্যান উঠে গিয়ে দেখবেন চকচক করছে আপনার ত্বক।

 

৩. সন্তান জন্মের পর অনেক নারীর পেটে দাগ হয়ে যায়। শাড়ি পড়লে সেই দাগ মোটেও দেখতে ভালো লাগে না। এই সমস্যার জেরে শাড়ি পরার সময় অনেক ভাবনাচিন্তা করতে হয়। জানেন কী, এই সমস্যা থেকেও মুক্তি দিতে পারে এক কোয়া রসুন। অলিভ অয়েলের সঙ্গে রসুনের রস মিশিয়ে কয়েকদিন ব্যবহার করলেই মিলবে ফল।

 

৪. অনেকের ত্বকেই লাল-লাল দাগ দেখা যায়। দানা দানা আকারে বেরোয় ব়্যাশ। হাত, কনুই এমনকি মুখেও মাঝে মাঝে এই দাগ দেখা যায় অনেকের। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার।

 

৫. এ তো গেল ত্বকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রসুনের ব্যবহার। কিন্তু জানেন, শুধু ত্বকের সমস্যাই নয়, হারানো যৌবনকে ফিরিয়ে দিতে পারে এক কোয়া রসুন। মধু এবং লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে এক কোয়া করে রসুন খান। দেখবেন, বয়সের কোঠা ৪০ পেরোলও, আপনাকে দেখলে মনে হবে বছর কুড়ির তন্বী।

সাদা নাকি লাল, কোন ডিমে বেশি পুষ্টি?
                                  

লাল নাকি সাদা, কোন ডিমে বেশি পুষ্টি এ নিয়ে ছোট ছোট শিশুরা তর্কে মেতে উঠলেও বিষয়টা জানা গুরুত্বপূর্ণ। ডিম খাওয়া উপকারি হলেও আপনি কোনটা খাবেন, তার জেনে রাখা জরুরী।

বিজ্ঞানীদের মতে, সাদা পালকের মুরগিরা সাদা ডিম পাড়ে আর লাল ডিম পাড়ে গাঢ় রঙের পালকের মুরগি।  কিন্তু তাতে কী দুই ধরনের ডিমের পুষ্টিগুণ বদলে যেতে পারে? একটি গবেষণায় জানা গিয়েছে, লাল কিংবা সাদা কোনো ডিমেই পুষ্টিগুণে বিশেষ ফারাক নেই। এমন মত প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের একটি গবেষক দল।

ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার (ইউএসডিএ) নামে মার্কিন এই গবেষক দলের মতে, লাল ডিমে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমান সাদা ডিমের তুলনায় সামান্য বেশি রয়েছে। কিন্তু এই পরিমাণ এতটাই অল্প, যে তাতে পুষ্টিগুণে খুব একটা ফারাক হয় না।

তারা জানিয়েছে, একটি মোটামুটি ৫০ গ্রাম ওজনের ডিমে ৭২ ক্যালোরি ও ৪.৭৫ গ্রাম ফ্যাট ( যার মধ্যে দ্রবণীয় মাত্র ১.৫ গ্রাম)। সাদা ও লাল ডিমে এই পুষ্টিগুণের পরিমাণ প্রায় এক। সুতরাং, লাল হোক বা সাদা, দুধরনের ডিমের খাদ্যগুণই পুষ্টিগুণ যে প্রায় সমান।

তাহলে পুষ্টিগুণ প্রায় এক হলেও লাল বা সাদা ডিমের স্বাদের ফারাক কতটা? গবেষকদের মতে, ডিমের স্বাদ নির্ভর করে মুরগির খাদ্যাভ্যাসের উপর বা মুরগির প্রজনন করানোর পদ্ধতির উপর। তাই ডিমের রং ডিমের স্বাদের ফারাক ঘটাতে পারে না।

এখনো দাম কমেনি শীতের সবজির
                                  

 

 
 
 
সপ্তাহজুড়ে রাজধানীর ঠা-া আবহাওয়া জানান দিচ্ছে শীতের উপস্থিতি। তবে শীতের সবজি পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ২ মাস ধরে। তবে এ মৌসুমে বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে এসব সবজি। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার, হাতিরপুল ও পলাশী বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া যায়।
বাজার ও মানভেদে একই সবজি বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে। দেখা যায় শিম, টমাটো, গাজর, পালংশাক, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ বেশকিছু সবজি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। টমাটো বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন কিছুদিন পর দেশি টমাটো বাজারে এলে দাম কমবে। 
এছাড়া ছোট সাইজের ফুলকপি ৪০ থেকে ৫০, বড় সাইজের ফুলকপি ৬০ থেকে ৭০, বাঁধাকপি ৩০ থেকে ৩৫, শিম ১০০, গাজর ১০০ থেকে ১২০ এবং পাইকারি বাজারে পালংশাক ১০ থেকে ১৫ টাকা (আঁটি) দরে বিক্রি হতে দেখা যায়। আগাম পণ্য বিক্রির বিষয়ে কাওরান বাজারের ব্যবসায়ী ইসমাঈল হোসেন জানান, এখন সব সবজি হাইব্রিড থাকায় মৌসুম ছাড়াও চাষ করা যায়। কিন্তু এগুলোর উৎপাদন খরচ বেশি। ফলন বেশি না হওয়ায় দাম বেশি থাকে। তবে বেশিরভাগ সবজিই পাওয়া যাচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে। 
ডিমের দামও রয়েছে আগের সপ্তাহের মতোই। বেশিরভাগ খুচরা দোকানে ৩৮ টাকা হালি বা সাড়ে ৯ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে ডিম। পাইকারি বাজারে ডজন ১০৫ থেকে ১১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
চালের বাজার ঘুরে সপ্তাহের ব্যবধানে দামে তেমন পার্থক্য পাওয়া যায়নি। মোটা গুটি স্বর্ণা চাল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকায়। এছাড়া পাইজাম ৪৩, মিনিকেট ৫৫, নাজিরশাইল ৬২ থেকে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
লোভ ধ্বংস ডেকে আনে
                                  

 

অনৈতিক, অবৈধ, বেআইনি এবং অনাহূত আকাঙ্খা হচ্ছে দোষণীয় লোভ। আর এখন লোভের বীজ হচ্ছে লিপ্সা। লিপ্সা থেকেই লোল-লালসার জন্ম। মানুষ জীবনে যতই ধার্মিক হোক না কেন, লোভ সামলাতে না পারলে সবই বৃথা, সবই শূন্য, সবই শয়তানি কর্ম!
লোভে চোখ চকচক করছে : কামনা-বাসনা ও খায়েশ পূরণের লোভে, পদ-পদবি ও ক্ষমতার মোহে এবং হাজারো হীনস্বার্থ হাসিলের লোভে বেশির ভাগ মানুষের চোখ চকচক করছে! তারা মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার তোয়াক্কা করছে না। লোভাতুর, তোষামোদকারী অতি উৎসাহীদের ভিড়ে ভালো মানুষের মূল্যায়ন হচ্ছে না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মানুষগুলো মুখ থুবড়ে পড়ছে। অতি লোভীরা যেন স্বার্থের জিভ মেলে পৃথিবীকে গ্রাস করতে চাইছে! পৃথিবীতে মানুষ যত অনাসৃষ্টি করছে, সব লোভের বশবর্তী হয়েই করছে। অতিলোভের কারণেই মানুষ অমানসিক কাজ করছে, নিষ্ঠুর ও অত্যাচারী হচ্ছে, দুর্নীতিবাজ ও স্বার্থপর হচ্ছে। সুশিক্ষা ও সৎকর্মের বিস্তার ঘটছে না এবং মানুষ ধর্মকর্ম ভুলে, নাফরমান হয়ে, অশান্তি ও অস্বস্তিতে ভুগছে। শয়তানি কর্মে সময় কাটাচ্ছে! ‘আমি তোমাদের জানিয়ে দেবো যে, শয়তান কার কাছে অবতরণ করে? তারা তো অবতরণ করে প্রত্যেক ঘোর মিথ্যাবাদী ও পাপীর কাছে।’ (সূরা শুয়ারা-২২১, ২২২)
একে অন্যের থেকে বেশি পাওয়ার লোভ : লোভের কারণেই আমরা ভুলে যাই ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা। ছোট্ট এক জীবনে কত টাকা, কত ক্ষমতা, কত সম্মান ও প্রতিপত্তি প্রয়োজন? এত লোভ, এত অহঙ্কার কেন? মাটির পিঠ থেকে পেটে চলে গেলে এসব কী কাজে আসবে? এতে না পাওয়া যায় দুনিয়ার সুখ-শান্তি এবং আখিরাতের জন্য হয় গোনাহের বোঝা ভারী। দিন যাচ্ছে, বয়স ফুরাচ্ছে, অথচ লোভাতুর হয়েই মানুষ কবর পর্যন্ত চলে যাচ্ছে। ‘একে অন্যের থেকে বেশি পাওয়ার লোভ বা প্রতিযোগিতা তোমাদের ভুলের মধ্যে ফেলে রেখেছে। এমনকি দুনিয়া পাওয়ার এ চিন্তা নিয়েই তোমরা কবরে পৌঁছে যাও।’ (সূরা তাকাসুর-১ ও ২)
লোভ সুন্দর জীবনকে এলোমেলো করে : দুনিয়ার বাহাদুরি ও ক্ষমতা ক্ষণিকের। পরকালে নেক আমল ছাড়া কোনো কিছুই কারো কাজে আসবে না। হজরত ওমর রা: বলেন, ‘লোভ করলে আত্মা দরিদ্র হয়ে যায় বা মন মরে যায়। ইবাদতে স্বাদ পাওয়া যায় না। হজরত মূসা আ: আল্লাহ তায়ালকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আল্লাহ! প্রকৃত ধনী কে? আল্লাহ বললেন, ‘যে লোভ করে না সেই প্রকৃত ধনী’। সুনানে তিরমিজির হাদিসে আছে, একটি ছাগল পালে ুধার্ত নেকড়ে যেভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়, ছিন্নভিন্ন করে ফেলে সব ছাগলকে, তেমনি লোভ-লালসা মানুষের সুন্দর জীবনকে এলোমেলো করে দেয়। ধ্বংস করে দেয়, দুনিয়া ও আখিরাতের সুখময় আরামকে।
লোভ যদি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে : লোভ-লালসা যদি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে, তখন মানুষ হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। বুকের জ্বালা বেড়ে যায়। শয়তান শিরায় শিরায় সফলতার জয়ধ্বনি তুলে অহঙ্কারের সীমা লঙ্ঘন করে এবং মানুষকে চরম ও ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দেয়। আল্লাহর ভয়, মানবতা, দয়ামায়া, ইমান-আমল, বিবেক ও সুবুদ্ধি লোপ পায়। অন্তরে লু হাওয়ার ঝড় ওঠে। কোনো মানুষের লোভ-লালসা যখন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে, তখন মানুষ জীবন-জিন্দেগিকে প্রয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে পারে না। অধিক আশার জগতে প্রবেশ করে জগতের সব কিছু একাই পেতে চায়। কিন্তু তার অস্থির ও অশান্ত চিত্তে এ কথার উদয় হয় না যে, ‘প্রয়োজন ফকিরেরও পূর্ণ হয়, কিন্তু আশা রাজা-বাদশাহরও পূর্ণ হয় না।’ (হজরত আলী) ‘যে যা করে (ভালো-মন্দ কর্ম) সে তারই ফল পাবে। কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না।’ (সূরা আনআম-১৬৪)
মিছে মহব্বত মিছে মায়া : দুনিয়ার লোল-লালসা, মোহ-মায়া, প্রতিপত্তি, ক্ষমতা সবই বৃথা, সবই মরীচিকা। ছেলেমেয়ে, আত্মীয়স্বজন, সম্পদ ভোগ করবে, কিন্তু পাপের বোঝা বহন করবে না। আল্লাহর রঙে নিজেকে রাঙিয়ে অন্তরকে পরিশুদ্ধ করতে পারলেই লোভ-লালসা এবং যাবতীয় মন্দ বিলীন হয়ে যাবে। 
লোভ-লালসার মুখ্য দাওয়াই : লোভ-লালসার মুখ্য দাওয়াই হচ্ছে তাকওয়া বা আল্লাহ ভয়। যার ভেতর আল্লাহর ভয় নেই, সে যেকোনো অপকর্ম করতে পারবে। যার ভেতর আল্লাহর ভয় আছে, অর্থাৎ আল্লাহকে না দেখেও সর্বক্ষণ ভয় করে, তার বিধানে জীবন অতিবাহিত করে এবং স্মরণ রাখে যে, আল্লাহ ও বান্দার মাঝের দরজা কখনো বন্ধ থাকে না। আমাদের গোপন ও প্রকাশ্য সব কিছুই তিনি দেখছেন, সে যা ইচ্ছে তা করতে পারে না। ‘হে ঈমানদাররা! আল্লাহকে যেমন ভয় করা উচিত, ঠিক তেমন ভয় করতে থাকো এবং অবশ্যই মুসলমান (আল্লাহতে পূর্ণ সমর্পিত প্রাণ) না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।’ (সূরা ইমরান-১০১)
আল্লাহ ভীরুরাই উত্তম চরিত্রের অধিকারী। যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তাকে সর্বপ্রকার ভয় থেকে মুক্ত করে দেন। স্বার্থের জিব মেলে সে দুনিয়াকে গ্রাস করতে চায় না, বরং সে আল্লাহর কুদরত চোখে ডুব দিয়ে সর্বপ্রকার লোভ-লালসা, দুঃখ-কষ্টকে জয় করে নেয়। ‘যে ব্যক্তি তার রবের সামনে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে এবং নিজেকে কুপ্রবৃত্তি থেকে ফিরিয়ে রাখে, নিশ্চয়ই জান্নাত হবে তার আবাসস্থল।’ (সূরা নাযিআত-৪০, ৪১)
লেখক : প্রবন্ধকার

 

 
ক্যান্সার ও জন্মত্রুটির জন্য দায়ী প্লাস্টিক কণা ঢুকে যাচ্ছে শরীরে
                                  

ক্যান্সার, জন্মত্রুটি ও অ্যান্ডোক্রাইন হরমোন নিঃসরণে বাধাসৃষ্টিকারী প্লাস্টিক কণা ঢুকে যাচ্ছে মানুষের শরীরে। খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের মোড়ক, বোতলজাত পানি, তরল ওষুধ ও ফলের রসের জন্য ব্যবহৃত বোতলের মতো বিভিন্ন ব্যবহারে আমাদের শরীরে মাইক্রো (অত্যন্ত ছোট কণা) আকারে ঢুকে যাচ্ছে প্লাস্টিকের কণা। গবেষণা থেকে জানা যায়, প্রতিটি মানুষের দেহে বছরে ১৪ হাজার থেকে ৭০ হাজার পিস ছোট প্লাস্টিকের কণা ঢুকে যায় নানাভাবে। 
অস্ট্রিয়ার মেডিক্যাল বিশ^বিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে, তারা গবেষণায় অংশগ্রহণকারী প্রতিটি মানুষের মল থেকে ৯ ধরনের মাইক্রোপ্লাস্টিক পেয়েছেন। তারা ইউরোপজুড়ে একটি গবেষণা চালান মানুষের দেহে কী পরিমাণ প্লাস্টিক রয়েছে তা জানতে। গবেষণায় অংশগ্রহণকারী প্রতিটি মানুষের কাছ থেকে তারা ১০ গ্রাম মল সংগ্রহ করেন এবং প্রত্যেকের মল থেকে গড়ে মাইক্রোপ্লাস্টিকের ২০টি কণা (পার্টিকল) পেয়েছেন তারা। গবেষকেরা বলছেন, ‘মানুষ প্লাস্টিক গিলে খাচ্ছে। যারা গবেষণায় অংশ নিয়েছেন তাদের প্রত্যেকের মলে ৫০টা থেকে ৫০০ পর্যন্ত পার্টিকল পাওয়া গেছে। এসব বেশির ভাগই পলিপ্রপাইলিন এবং পলিইথিলিন টেপেপথালেটের কণা (পিইটি)। 
ফলাফলে বলা হয়েছে, মনুষ্যমল জমা দেয়ার আগে প্রতিটি অংশগ্রহণকারী ডায়েরিতে লিখে রেখেছেন তারা কী খেয়েছেন। ডায়েরি থেকে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারীদের সবাই প্লাস্টিক বোতল থেকে পানীয় পান করেছে এবং প্লাস্টিক দিয়ে মোড়া খাবার খেয়েছেন। গবেষকেরা বলেন, প্লাস্টিক শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে (ইমিউন) শেষপর্যায়ে নিয়ে আসে এবং প্লাস্টিক কণা টক্সিক পদার্থ, ভাইরাস অথবা অন্যান্য ক্ষতিকর কিছু পরিবহনে সহায়তা করে। এই গবেষণায় নেতৃত্বদানকারী অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা মেডিক্যাল বিশ^বিদ্যালয়ের ড. ফিলিপ শবি বলেন, ‘প্লাস্টিক কণা মানুষের শরীরে গ্যাস্ট্রোইন্টেসটিনাল সমস্যা তৈরি করে।’ তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে ছোট মাইক্রোপ্লাস্টিক কণাটি রক্তসংবহন সিস্টেম, লিম্ফেটিক সিস্টেমে এবং লিভারে ঢুকে যেতে পারে।’
ড. ফিলিপ শবি বলেন, ‘এখন মানুষের দেহের বিভিন্ন অঙ্গে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি রয়েছে এমন প্রথম সাক্ষ্য আমাদের সামনে রয়েছে। আমাদের আরো গবেষণা প্রয়োজন যে এটা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য কী ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।’ পরীক্ষায় ব্রিটেন, ফিনল্যান্ড, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, রাশিয়া ও অস্ট্রিয়া থেকে আটজন করে সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের কেউ নিরামিষভোজী ছিলেন না এবং এদের মধ্যে ছয়জন সামুদ্রিক মৎস্যভোজী। ধারণা করা হয় যে বিশে^ উৎপাদিত প্লাস্টিকের ৫ শতাংশ শেষ পর্যন্ত সাগরে গিয়ে জমা হয়। সাগরে বেড়ে ওঠা মাছ প্লাস্টিক খেয়ে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত তা মানুষের খাদ্যশৃঙ্খলে ঢুকে পড়ে। সাগরে বেড়ে ওঠা টোনা, গলদা চিংড়ি ও বাগদা চিংড়িতে যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে প্লাস্টিক রয়েছে তা গবেষণায় প্রমাণিত। 
গবেষকেরা বলছেন, ‘খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও মোড়কীকরণে ব্যবহৃত প্লাস্টিক থেকে আমাদের খাদ্যে প্লাস্টিক ঢুকে যাচ্ছে।’ গবেষকেরা ইউরোপের গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজির সর্ববৃহৎ সম্মেলন ইউইজি সপ্তাহে এসব তথ্য তুলে ধরেন। 
টরন্টোর ইয়র্ক বিশ^বিদ্যালয়ের পরিবেশবাদী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক অ্যালিস্টার বক্সাল গবেষণার এ ফলাফল সম্পর্কে বলেন, ‘আমি বিস্মিত নই। মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে বোতল, ট্যাপ ওয়াটার, মাছ, পেশিকোষে এমনকি বিয়ারেও। এটা নিশ্চিতই বলা যায় যে আমাদের ফুসফুসে অথবা খাদ্যহজম প্রক্রিয়াতেও মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যাবে।’ 
মাইক্রোপ্লাস্টিক মানবদেহে কী ধরনের ক্ষতি করে থাকে এর বিশদ গবেষণা এখন পর্যন্ত খুব বেশি পাওয়া যায় না। কিছু কিছু সীমিত আকারে গবেষণায় বলা হয়েছে, মাইক্রোপ্লাস্টিক ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে, জন্মত্রুটির জন্য দায়ী, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে ভারসাম্যহীন করে দেয় অথবা হরমোন নিঃসরণে বিঘœ ঘটিয়ে থাকে। 
কোরিয়ার একটি বিশ^বিদ্যালয়ের গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা গেছে, ১৯৫০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বিশে^ মোট ২৯৯ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক উৎপাদিত হয়েছে। একবার উৎপাদিত হলে এগুলোকে ধ্বংস করা যায় না, মাটির সাথে মিশেও যায় না। শেষ পর্যন্ত খুব ছোট কণা আকারে পরিবেশে থেকে যায়।

 

 
 
সিলেটের বক্ষব্যাধি হাসপাতালকে রেফারেন্স ল্যাবরেটরি হস্তান্তর
                                  

বাংলাদেশে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে যক্ষ্মা রোগের তথ্য সংরক্ষণে আঞ্চলিক রেফারেন্স ল্যাবরেটরি, বায়োসেফটি লেভেল ও বিএসএল-৩ ল্যাব নামক ল্যাবরেটরিটি সিলেটের বক্ষব্যাধি হাসপাতালকে হস্তান্তর করা হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন সহযোগী সংস্থা ইউএসএইডের পক্ষ থকে এক জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ হস্তান্তর করা হয়।

ল্যাবরেটরিটি ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএআইডি) অর্থায়নে পরিচালিত, টিবি কেয়ার টু এবং চ্যালেঞ্জ টিবি নামক দুটি প্রজেক্ট দ্বারা পরিকল্পিত ও নির্মিত হয়েছে। এ ছাড়া পুরো প্রক্রিয়ায় সহায়তা করছে বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) সিলেট, সিভিল সার্জন সিলেট, জনশক্তি বিভাগ (পিডব্লিউডি) এবং সিলেট সিটি করপোরেশন। গ্লোবাল ফান্ডও এ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করছে।

সিলেটের শাহি ঈদগাহ এলাকায় বক্ষব্যাধি হাসপাতালে বিএসএল-৩ ল্যাবটির নামফলক উন্মোচন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। নামফলক উন্মোচনের পর সিলেটের পূর্ব দরগা গেটে একটি হোটেলে আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পরীক্ষাগারটি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

অত্যাধুনিক ডায়াগনস্টিক টেকনোলজি সম্পন্ন এই ল্যাবরেটরিটিতে ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মার পরীক্ষা ও গবেষণা করা হবে। একটি শিপিং কনটেইনারের ভেতরে তৈরি পরীক্ষাগারটি সম্পূর্ণ নিরাপদ, নির্ভুল এবং সাশ্রয়ী যক্ষ্মা রোগ নির্ণয় করতে সক্ষম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমবিডিসি) অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলাম, জাতিসংঘের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, সিলেটের সিভিল সার্জন হিমাংশু লাল রায়, ইউএসএআইডি বাংলাদেশের সিনিয়র ফ্যামিলি প্ল্যানিং অ্যাডভাইজার (অফিস অব দি পপুলেশন, হেলথ, নিউট্রিশন অ্যান্ড এডুকেশন) আলিয়া আল মোহান্দেজ, ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস ফর হেলথের কান্ট্রি প্রজেক্ট ডিরেক্টর অস্কার কর্ডন প্রমুখ।

উন্নত খাদ্যাভ্যাস হতাশা কমাতে
                                  

 মনোরোগের চিকিৎসায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও ওজন নিয়ন্ত্রণ।
‘বাইপোলার ডিজঅর্ডার’ হল এক ধরনের হতাশাজনীত বাতিকগ্রস্ত রোগ। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি কখনও প্রচন্ড হতাশ হয়ে পড়েন আবার কিছুক্ষণের জন্য হাসিখুশি হয়ে ওঠেন।
এই রোগের চিকিৎসায় উপকারী ভূমিকা পালন করতে পারে স্বাস্থ্যকর ও নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস। এই খাদ্যাভ্যাস হওয়া চাই ফলমূল ও শাকসবজি সমৃদ্ধ।
অস্ট্রেলিয়ার ডেকিন ইউনিভার্সিটির গবেষণায় এমন ফলাফলই পাওয়া গিয়েছে।
প্রধান গবেষক, মেলানি অ্যাশটন বলেন, “আমরা দেখেছি, যারা নিম্নমানের খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত তাদের তুলনায় যারা ভালোমানের খ্যাদ্যাভ্যাস মেনে চলেন, যেখানে প্রদাহরোধী উপাদান রয়েছে কিংবা যাদের ‘বডি ম্যাস ইনডেক্স’য়ের মাত্রা কম, তারা এই রোগের জন্য প্রযোজ্য ‘নিউট্রাসিউটিক্যাল’ চিকিৎসায় ভালো উপকার পেয়েছেন।”
বার্সেলোনার ‘ইসিএনপি’ সম্মেলনে উপস্থাপিত এই গবেষণার ফলাফল থেকে আরও জানানো হয়, যেহেতু এই রোগের দুই উপসর্গ একে অপরের বিপরীত, তাই এর জন্য একটি কার্যকর চিকিৎসা বের করা দুষ্কর।
বর্তমানে যেসব ওষুধ পাওয়া যায় তা এই রোগে আক্রান্ত মানুষদের অতিরিক্ত হাসিখুশি পর্যায় নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে। কিন্তু হতাশাগ্রস্ত পর্যায় মোকাবেলায় কার্যকর কোনো চিকিৎসা নেই।
এই গবেষণার জন্য ১৩৩ জনকে পর্যবেক্ষণ করেন গবেষকরা। এদের কেউ হয়ত ‘নিউট্রাসিউটিক্যালস’ ব্যবহার করেছেন, নতুবা সঙ্গে যোগ করছেন প্রদাগরোধী অ্যামিনো অ্যাসিড ‘এন-অ্যাসিটাইলসিস্টেইন (এনএসি), কেউ শুধু ‘এনএসি’ গ্রহণ করেছে কিংবা নকল ওষুধ খেয়েছেন।
‘নিউট্রাসিউটিক্যালস’ হল খাবার থেকে উৎপন্ন উপাদান যেমন ভিটামিন ও খনিজ যা এই রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিষেধনে সাহায্য করে।
গবেষক দলটি পর্যবেক্ষণ শুরুর আগে প্রত্যেকের ‘বডি ম্যাস ইনডেক্স’য়ের মাত্রা পরিমাপ করেন। এরপর মাপা হয় তাদের হতাশার মাত্রা এবং ওই মানুষটি তার দৈনন্দিন জীবন কীভাবে পার করেন তা জানা হয়।
এক বছর ধরে কী ধরনের খাবার খাচ্ছেন তা জেনে নেওয়া হয় অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে। এর মাধ্যমে গবেষকরা ব্যক্তি ভেদে তার খাদ্যাভ্যাসের মান কতটা স্বাস্থ্যকর ও উন্নত সেটা নির্ণয় করেন।
খাদ্যাভ্যাসে প্রচুর পরিমাণে ফল ও সবজি থাকলে তা স্বাস্থ্যকর। আর ‘স্যাচুরেইটেড’ চর্বি, প্রক্রিয়াজাত কার্বোহাইড্রেট এবং অ্যালকোহলের মাত্রা বেশি থাকার মানে হল নিম্নমানের খাদ্যাভ্যাস।
অ্যাশটন বলেন, “আমরা এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কে শতভাগ নিশ্চিত হতে পারলে ‘বাইপোলার ডিজঅর্ডার’য়ে আক্রান্ত রোগীদের জন্য অত্যন্ত ভালো সংবাদ হবে। কারণ, এই রোগের কার্যকর চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি।”
ছবি: রয়টার্স।

ঘড়ির ঘণ্টায় ঘুম না ভাঙলে যা করবেন
                                  

যতই ভালো ঘুম হোক কিছুক্ষণ পর পর ঘণ্টা বেজে গেলেও সকালে ঘুম থেকে উঠতে মন চায় না। পরিস্থিতি সামলানোর রয়েছে উপায়।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার জন্য আগেভাগেই ঘুমাচ্ছেন। তারপও সকালে ঘুম থেকে উঠতে হয় ঘড়ির ঘণ্টার আওয়াজে। এমনকি যতক্ষণ না উঠছেন সেজন্য কিছুক্ষণ পরপর ঘণ্টার বেজে ওঠার ব্যবস্থাও করে রেখেছেন। পর্যাপ্ত ঘুম দেওয়ার পরেও অ্যালার্মে ঘুম ভাঙতে চায় না, বা ভাঙলেও সারাদিন থাকে ক্লান্ত আর ঘুম ঘুম ভাব।
এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের সম্ভাব্য উপায় হচ্ছে ৯০ মিনিট আগে অ্যালার্ম দেওয়া। অর্থাৎ সে সময়ে ওঠার জন্য অ্যালার্ম সেট করছেন, সেই সময়ের ৯০ মিনিট আগে ‘স্নুজ’ অপশনে অ্যালার্ম সেট করা।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়,
৯০ মিনিট আগে অ্যালার্ম দেওয়ার উদ্দেশ্য হল ওই ৯০ মিনিট পর একজন ব্যক্তি যখন আসলেই ঘুম থেকে উঠবেন তখন যেন ঘুম অসম্পূর্ণ রেখে উঠতে না হয়। ৯০ মিনিটে একটি ঘুমের চক্র পূর্ণ হয়।
একজন ব্যক্তি যখন গভীর ঘুমের চক্রের মাঝে হঠাৎ জেগে ওঠে তখন তার মেজাজ ফুরফুরে থাকে না। বরং সারাদিন ক্লান্ত শ্রান্ত লাগে।
শুধুমাত্র গভীর ঘুমের মাঝখানে ঘুম ভেঙে যাওয়ার কারণে সারারাত আট-নয় ঘণ্টা ঘুমালেও মন মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকতে পারে।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার জন্য ১০ মিনিটের ব্যবধানে কয়েকটি অ্যালার্ম দিয়ে ১০ মিনিট করে ঘুমানো চাইতে দুটি অ্যালার্মের পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে।
যখন উঠতে হবে তার ৯০ মিনিট আগে অ্যালার্ম দিয়ে ঘুম ভাঙার পর আবার ঘুমিয়ে পড়ুন। এবার ৯০ মিনিটের একটানা ঘুমের পর দ্বিতীয় অ্যালার্মে ঘুম ভাঙবে সহজেই, মেজাজও থাকবে ফুরফুরে।
কারণ এই ৯০ মিনিটের বাড়তি ঘুম পুরো এক পসলা পূর্ণাঙ্গ ঘুম।
নতুন নিয়মের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া প্রথমদিকে দুষ্কর হবে। প্রথম অ্যালার্মে ঘুম ভাঙবে না কিংবা দুটো অ্যালার্মের পরও আরও কিছুক্ষণ ঘুমাতে মন চাইবে। কয়েকদিন সময় দিলে ঘুমের অভ্যাস নতুন নিয়মের সঙ্গে মানিয়ে নেবে।
প্রথম অ্যালার্মে ঘুম ভাঙার পর একটু পানি পান করে গলা ভিজিয়ে আবার ঘুমাতে গেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। আবার এই ৯০ মিনিট না ঘুমিয়ে যদি অন্য কাজে সময় ব্যয় করা হয় তবে হিতে বিপরীত হবে।
আর পদ্ধতি নিয়মিত মেনে চললে কয়েকদিন পর খেয়াল করলে দেখা যাবে আগের চাইতে বেশি কর্মশক্তি পাচ্ছেন, নিজেকে আরও বেশি চাঙা মনে হচ্ছে।
কার্যকারিতা
এই পদ্ধতি হয়ত রাতারাতি ভোরের পাখি করে তুলবে না তবে দিনের শুরুতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিয়েছেন এমন অনুভূতি পাওয়া যাবে। আর ঠিক যে সময় ঘুম থেকে উঠে ঘর ছাড়ার প্রস্তুতি নিতে হবে সেসময় পড়ে পড়ে ঘুমাতে ইচ্ছে হবে না।
ছবি: রয়টার্স।

 

মানসিক শান্তির জন্য সাইকেল ও হাঁটা
                                  

প্রাকৃতিক পরিবেশে হাঁটা ও সাইকেল চালানোর অভ্যাস মানসিক ভাবে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। যারা প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্য হেঁটে কিংবা সাইকেল চালিয়ে যাতায়াত করেন তাদের মানসিক সুস্বাস্থ্য আয়ত্ত করার সম্ভাবনা যারা বাইরে ঘোরাফেরা করেন না তাদের তুলনায় বেশি।
ইউনিভার্সিটি অফ বার্সেলোনা’র করা এক গবেষণায় এমন তথ্যই পাওয়া গেছে।
যেকেনো সর্বজনীন কিংবা ব্যক্তিগত স্থান যেখানে আছে প্রাকৃতিক সবুজ কিংবা নীল উপাদান তাকেই বলা যাবে প্রাকৃতিক পরিবেশ। যেমন- পথের ধারের গাছপালা, ছোট পরিসরের শহুরে বনায়ন, পার্ক, লেক ইত্যাদি সবকিছুই হতে পারে আদর্শ উদাহরণ।
ইউনিভার্সিটি অফ বার্সেলোনার মার্ক নিউয়েনহুইসেন বলেন, “মানসিক স্বাস্থ্য আর শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এই দুটি হল বর্তমান শহুরে পরিবেশের সবচাইতে বড় জনস্বাস্থ্যজনীত সমস্যা। এই সমস্যা মোকাবেলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিক রাখতে পারে নগর পরিকল্পনা, তৈরি করতে পারে তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর পরিবেশ। এরমধ্যে এই একটি উপায় হতে পারে প্রাকৃতিক পরিবেশবেষ্টিত পায়ে হাঁটা কিংবা সাইকেল চালানোর পথ তৈরি করা।”
এই গবেষণার জন্য প্রায় তিন হাজার ছয়শ জন অংশগ্রহণকারীকে নিয়ে জরিপ চালান গবেষকরা।
অংশগ্রহণকারীরা তাদের নিত্যদিনের যাতায়াত করা পথের পরিবেশ এবং তাদের মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
ফলাফলে দেখা যায়, যেসব অংশগ্রহণকারী প্রাকৃতিক পরিবেশ-বেষ্টিত পথ দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করেন তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের সুস্বাস্থ্যের মাত্রা যারা প্রাকৃতিক পরিবেশ-বেষ্টিত পথ দিয়ে কম যাতায়াত করেন তাদের তুলনায় ২.৭৪ পয়েন্ট বেশি।
যারা নিয়মিত বাইরে ঘোরাফেরা করেন তাদের ক্ষেত্রে এই সম্পর্ক আরও শক্তিশালী।
গবেষণার প্রধান লেখক, ইউনিভার্সিটি অফ বার্সেলোনার উইলমা জিজলেমা বলেন, “আগের পরীক্ষামূলক গবেষণা থেকে আমরা জানি, নগরের যান্ত্রিক পরিবেশের তুলনায় প্রাকৃতিক পরিবেশে শরীরচর্চা করা মানসিক চাপ কমায়, মন মেজাজ ভালো রাখে এবং মানসিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।”
তিনি আরও বলেন, “এই গবেষণা প্রায় স্বতন্ত্র ঘরানার একটি গবেষণা, তাই এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত পর্যালোচনার প্রয়োজন।”

 

অতিরিক্ত লবণ গ্রহণের অপকারিতা
                                  
খাবারে স্বাদ আনতে লবণের বিকল্প নেই। পরিমিত পরিমাণ লবণ গ্রহণে খাবারের স্বাদ অক্ষুণ্ণ থাকে এবং শরীরের কোনো ক্ষতি হওয়ার সুযোগ থাকে না। মাত্রারিক্ত লবণের উপস্থিতি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কারণ আমাদের শরীরে সোডিয়াম ক্লোরাইড খুব কম পরিমাণে দরকার। তাই পুষ্টিবিদগণ মনে করেন যতো কম পরিমাণে লবণ গ্রহণ করা যায় ততই শরীরের জন্য ভালো।
 
আমাদের দেশে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের কাঁচা লবণ কম খেতে উপদেশ দেয়া হয়। কিন্তু অনেকেই ভুল ভেবে রান্নায় লবণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেন কিংবা লবণ ভেজে তারপর খান। কিন্তু লবণ ভাজলে পানি শুকিয়ে গেলেও এর সোডিয়াম ক্লোরাইডের পরিমাণ ঠিকই থাকে। তাই যতটা সম্ভব রান্নায় কম লবণ ব্যবহার করাই অধিকতর উত্তম।
 
অতিরিক্ত লবণ খাওয়া শরীরের স্বল্প মেয়াদী এবং দীর্ঘ মেয়াদী প্রভাব ফেলে। যেমন-
 ১. উচ্চ রক্তচাপ: লবণের অতিরিক্ত সোডিয়াম ক্লোরাইড শরীরের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। এই উচ্চ রক্তচাপের কারণে হার্ট ফেইলিউর, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কিডনি ফেইলিউরের মতো সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীকে অতিরিক্ত লবণ খেতে নিষেধ করা হয়।
 
২. পিপাসা বেড়ে যাওয়া: বেশি লবণ খেলে পিপাসা বেড়ে যায়। কারণ এটি দেহের কোষে পানির ভারসাম্য রক্ষায় অসুবিধা হয়। শরীরে অতিরিক্ত পানি ধরে রাখে যা কিডনির উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
 
৩. পা ফোলাভাব: চিকিত্সকদের মতে, অতিরিক্ত লবণ খাওয়ায় কখনো কখনো হাত ও পায়ে পানি জমে। এতে হাত ও পা ফোলা ফোলা ভাব হয়। এটি কিডনি রোগী এবং উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য খুব ঝুঁকির কারণ।
 
৪. অস্টিওপোরোসিস: অতিরিক্ত লবণ গ্রহণে শরীরের পানির পিপাসা তৈরি হয়। এতে করে অতিরিক্ত পানি গ্রহণ করতে হয় এবং প্রসবের পরিমাণ বেড়ে যায়। এতে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম শরীর থেকে প্রসবের মাধ্যমে বেড়িয়ে যায়। এতে হাড় দুর্বল এবং ভঙ্গুর হয়।
 
৫. কিডনিতে পাথর হওয়া: অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ কিডনিতে পাথরের সৃষ্টি করে। তাই পরিমিত পরিমাণ লবণ গ্রহণ সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
 
লেখক: ত্বক, লেজার এন্ড এসথেটিক বিশেষজ্ঞ
ভিটামিন ‘ডি’ কেন খাবেন
                                  
আমাদের শরীরের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর উপাদানের মধ্যে একটি হলো ভিটামিন ‘ডি’। ভিটামিন ‘ডি’র অভাবে শিশুদের রিকেটস (হাড় বাঁকা), অস্টিও মেলাশিয়া, বয়স্কদের হাড় ক্ষয় ইত্যাদি হয়ে থাকে। ভিটামিন ‘ডি’ সূর্যের আলোক রশ্মির উপস্থিতিতে মানবদেহের চর্মে উৎপন্ন হয়। এ ছাড়া ভোজ্য তেল, দুগ্ধ ও দুগ্ধ জাতীয় খাদ্য, বিভিন্ন মাছের তেল, ডিমের কুসুম, মাখন, ঘি, চর্বি ও মাংসে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ‘ডি’ পাওয়া যায়। ভিটামিন ‘ডি’ অস্থি ও দাঁতের কাঠামো গঠন করে। অন্ত্রে ক্যালসিয়ামের শোষণ বাড়ায়, রক্ত প্রবাহে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
 
ভিটামিন ‘ডি’ আগামী প্রজন্মের (শিশুদের) ভ্রূণ থেকে ১৮ মাস পর্যন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর অভাবে শিশুদের হাড় নরম হয়ে যায় ও বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। পায়ের হাড় ধনুকের মতো বেঁকে যায়, হাত ও পায়ে অস্থিসন্ধি বা গিট ফুলে যায়। বয়স্কদের ক্ষেত্রে অন্ত্রে ক্যালসিয়াম শোষণ বিঘ্ন ঘটে, থাইরয়েড গ্রন্থির কাজের পরিবর্তন ঘটে, অস্থি দুর্বল ও কাঠিন্য কমে যায়। ফলে হালকা আঘাতে অস্থি ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
 
ভিটামিন ‘ডি’র অভাব প্রতিরোধ করতে শিশুকে প্রতিদিন ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার দিতে হবে। পাশাপাশি শিশুকে কিছুক্ষণের জন্য সূর্যের নরম আলোয় বিশেষ করে সকাল ও বিকাল বেলা খেলাধুলা করতে দিতে হবে। এ ছাড়া শিশুদের পাশাপাশি বড়দের সূর্যের আলোয় প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫-২০ মিনিট থাকতে হবে ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে। উপরোক্ত কোনো লক্ষণ দেখা গেলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
 
লেখক: ত্বক, লেজার এন্ড এসথেটিক বিশেষজ্ঞ
স্ট্রোক-হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে এ সবজিটি খান
                                  

গাজর, এমন একটি সবজি যার রয়েছে অনেক গুণ। এর শাকও অনেক উপকারি। যদিও আমরা এখনো গাজরশাক খেতে অভ্যস্ত নই। গাজরশাক মুলাশাকের মতোই।

গাজর ভিটামিন ‘এ’তে পরিপূর্ণ। শীতকালে আমরা লালশাক, পালংশাক, মুলাশাক, কলমিশাক প্রভৃতি বেশি খাই। কিন্তু পুষ্টিবিদেরা বলেন, শীতের শাকসবজির চেয়ে ভিটামিন ‘এ’ ও ‘ক্যারোটিন’ সমৃদ্ধ গাজর সর্বশ্রেষ্ঠ সবজি।

কাঁচা, রান্না ও সালাদ- যেকোনোভাবেই গাজর খাওয়া যায়। গাজর রাতকানা রোগ ও শিশুদের অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে। মেয়েদের ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। হৃৎপিণ্ড ও মস্তিষ্ককে শক্তিশালী করে। দাঁত ও হাড় গঠনে অত্যন্ত সহায়ক। স্ট্রোক ও হৃদরোগ প্রতিরোধ করে।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক বলেছেন, সপ্তাহে পাঁচ দিনই প্রতিদিন মধ্যম আকারের পাঁচটি গাজর খেলে মহিলাদের পাঁচ শতাংশ ও পুরুষদের ১০ শতাংশ কোলেস্টেরল কমে যায়। এতে বিদ্যমান প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও বিটাক্যারোটিন, যা হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক প্রতিরোধ করে। ফুসফুস ক্যান্সার প্রতিরোধ করে গাজর। বৃদ্ধদের চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে গাজর। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কেননা, এতে রয়েছে লিউসিন ও অ্যামিনো এসিড। যাদের গ্যাসট্রিক-আলসার আছে, তারা কাঁচা গাজর চিবিয়ে খেলে উপকার পাবেন। এতে আরো আছে ক্যালসিয়াম ও আয়রন, যা অন্যান্য সবজির চেয়ে অনেক বেশি।

গাজরে রয়েছে নিম্নবর্ণিত পুষ্টি উপাদান। ১০০ গ্রামে-

জলীয় অংশ- ৮৫.০ গ্রাম
আমিষ- ১.২ গ্রাম
শর্করা- ১২.৭ গ্রাম
ক্যালসিয়াম- ২৭.০ গ্রাম 
আয়রন- ২.২ গ্রাম
ক্যারোটিন (বিটা-২)- ১০৫২০ মাইক্রোগ্রাম
ভিটামিন বি-১- ০.০৪ মিগ্রা.
ভিটামিন সি- ১০ মিগ্রা.
খনিজ- ০.৯ মিগ্রা.
খাদ্যশক্তি- ৫৭ কি. ক্যালোরি

কানে কিছু ঢুকে গেলে কী করবেন?
                                  

শিশুদের সহজাত একটা প্রবণতা আছে, ছোট ছোট কোনো জিনিস নিয়ে খেলার সময় নাক, কান বা মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়া। বড়দের একটা অভ্যাস আছে কোনো কিছু দিয়ে ( যেমন- কটনবাড, মুরগির পালক, ম্যাচের কাঠি) কান খোঁচানো। এতে করে খোঁচানোর সময় কাঠি ভেঙে বা কটনবাডের কটন কানে রয়ে যেতে পারে। তাই সাবধান হওয়া উচিত।

কী কী জিনিস কানে ঢুকতে পারে?

১. কটনবাড বা তুলার অংশ
২. ম্যাচের কাঠি, পুঁতির দানা, বল বিয়ারিং
৩. পেনসিলের শিস
৪. পাখি বা মুরগির পালক
৫. শস্যদানা- চাল, ধান, ফলের বীজ, মুড়ি, চিঁড়া ইত্যাদি
৬. রাবার, কাগজ, ফোম, ছোট ছোট খেলনার অংশ, আরো কত কী?
৭. অনেক সময় জীবন্ত পোকামাকড় যেমন- মশা, মাছি, আস্ত তেলাপোকা, পিঁপড়া ইত্যাদি কানের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে।

উপসর্গ :

১. কানে প্রচণ্ড অস্বস্তি হওয়া
২. কানে ব্যথা 
৩. কানে কম শুনতে পাওয়া
৪. জীবন্ত পোকামাকড় কানে ঢুকে গেলে ভীষণ বিরক্তি এমনি ভয়ের উদ্রেক হতে পারে।

চিকিৎসা : কানে যেকোনো কিছু ঢুকে গেলে উপযুক্ত চিকিৎসা হলো- এটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বের করে ফেলা। অবশ্যই এটার জন্য নাক, কান, গলা বিভাগ সম্পন্ন হাসপাতাল অথবা ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

কানে জীবন্ত পোকা ঢুকে গেলে আগে অলিভঅয়েল দিতে হবে, যাতে করে এটি মারা যায় তারপর বের করতে হবে। বাসায় অনভিজ্ঞ হাতে অযথা খোঁচাখুঁচি করবেন না বা অদক্ষ কাউকে দিয়ে বের করার চেষ্টা করবেন না।

শিশুরা ভয়ে কান্না বা নড়াচড়া করলে এবং অসহযোগিতা করলে জোরপূর্বক বের করার চেষ্টা না করে, সম্পূর্ণ অজ্ঞান করে হাসপাতালে নিয়ে বের করাই উত্তম।

বের না করলে বা অদক্ষ হাতে চেষ্টা করার জটিলতা :

১. বহিঃকর্ণে আঘাত লাগা এবং তা থেকে রক্তক্ষরণ হওয়া
২. কানের পর্দা ফেটে যাওয়া
৩. মধ্যকর্ণের ভেতরে থাকা ছোট অস্থিগুলোতে আঘাত লাগা
৪. সর্বোপরি মানবদেহের মূল্যবান পাঁচটি অঙ্গের একটি হলো কান, যার শ্রবণশক্তি কমেও যেতে পারে।

মানসম্পন্ন কোম্পানির তৈরি খেলনার প্যাকেটের গায়ে বয়সসীমা লেখা থাকে। আরো লেখা থাকে, এ খেলনায় ছোট পার্টস আছে এবং তা তিন বছরের নিচে শিশুদের ব্যবহারের জন্য নয়। বয়স্কদের উচিত সচেতন থাকা, অযথা যেকোনো কিছু দিয়ে কান না খোঁচানো এবং ছোটদের ছোট ছোট খেলনা দিয়ে খেলতে না দেয়া। এর পরও কানে কিছু ঢুকলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া এবং উপযুক্ত পরামর্শ গ্রহণ করা।

রঙ করা চুলের ক্ষতিকর দিক
                                  

পাকা চুল ঢাকার জন্য বা ফ্যাশনের জন্য অনেকেই চুল রং করে থাকেন। অনেকে হয়তো জানেনও যে চুল রং করলে ক্ষতি হয়; কিন্তু কী ক্ষতি হয় তা জানেন না। চুলের রঙে অক্সিডাইজিং এজেন্ট হাইড্রোজেন পার অক্সাইড এবং অ্যালকাইজিং এজেন্ট অ্যামোনিয়া ব্যবহার করা হয়Ñ যা একটি কেমিক্যাল রি-অ্যাকশনের মাধ্যমে চুলের আসল রঙকে হালকা করে এবং ব্যবহৃত চুলের রঙের পিগমেন্টকে চুলের শ্যাফটের ভেতরে ঢুকতে সাহায্য করে।
আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, চুলের রঙে এমন কিছু রাসায়নিক উপাদান থাকে যা চুলের মাধ্যমে ত্বকে ভেদ করে শরীরের ভিতরে প্রবেশ করে। যাতে মানুষের বিভিন্ন অঙ্গের ক্যান্সার (যেমন- লিউকেমিয়া, নন-হজকিন্স লিম্ফোমা, ব্লাডার ক্যান্সার, মাল্টিপল মায়েলোমা) হতে পারে। চুলের রঙে থাকে প্যারাফিনাইলেনেডিয়ামিন নামক রাসায়নিক উপাদান যা ত্বকে বিভিন্ন স্থানে রঙ পরিবর্তন করে, ফুসকুড়ি, তীব্র চুলকানি ইত্যাদি হতে পারে।
এছাড়া চুলের রঙের উপাদান যাদের হাঁপানি নেই তাদেরও শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যা করে। চুলে রঙ ব্যবহার করলে চুলের প্রকৃত রঙ নষ্ট হয়ে যায়, চুলের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়, চুল পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই চুলে প্রয়োজন ছাড়া রঙ ব্যবহার না করা ভাল। আর চুলে রঙ ব্যবহার করলে তা বেশিক্ষণ চুলে লাগিয়ে রাখা যাবে না এবং চুলের রঙ চুলের গোঁড়ায় যেন না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ভাল মানের অ্যামোনিয়া ফ্রি রঙ ব্যবহার করতে হবে। এতে চুলের কম ক্ষতি হয়। ঘন ঘন রঙ ব্যবহার না করে অনেক দিন পর পর ব্যবহার করতে হবে।
লেখক: ত্বক, লেজার এ- এসথেটিক বিশেষজ্ঞ

 

পানি যেভাবে বিশুদ্ধ করার পদ্ধতি
                                  

বলা হয় পানির অপর নাম জীবন কারণ পানি ছাড়া জীবন বাঁচানো যায় না। কিন্তু পানি নিরাপদ না হলে জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। জীবাণুযুক্ত পানি অনেক সময় মৃত্যুর কারণে পরিণত হয়। পানি খালি চোখে দেখতে পরিষ্কার মনে হলেও সব সময় নিরাপদ হয় না। কেননা এই পরিষ্কার পানির মধ্যে রোগ জীবাণু থাকতে পারে। দূষিত পানি পান করার ফলে পানিবাহিত রোগের প্রকোপ বাড়ে। হেপাটাইটিস, টাইফয়েড, ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয়, জন্ডিসের মতো মারাত্মক ব্যাধির উৎস দূষিত পানি। এ রকম দূষিত পানি দীর্ঘদিন পান করতে থাকলে আরও জটিল রোগ, এমনকি মরণব্যাধি ক্যান্সারও হতে পারে। বিশুদ্ধ পানির নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে না পারলে ঝুঁকির মধ্যে পড়বে জনস্বাস্থ্য। বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারলে খুব সহজেই বহুরোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। কিন্তু অনেকেই ঠিকমতো জানেন না কীভাবে পানিকে বিশুদ্ধ করতে হয়। ওয়াটার এইডের পলিসি ও অ্যাডভোকেসি বিভাগের প্রধান আবদুল্লাহ আল মুঈদ পানি বিশুদ্ধ করার সাতটি পদ্ধতির কথা জানিয়েছেন।
পানি বিশুদ্ধ করার সবচেয়ে পুরনো ও কার্যকর পদ্ধতির একটি হলো সেটা ফুটিয়ে নেওয়া। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, পানি ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার চেয়ে বেশি তাপমাত্রায় ৫ থেকে ২৫ মিনিট ধরে ফোটানো হলে এর মধ্যে থাকা জীবাণু, লার্ভাসহ সবই ধ্বংস হয়ে যায়। তারপর সেই পানি ঠা-া করে ছাকনি দিয়ে ছেকে পরিষ্কার পাত্রে ঢেকে সংরক্ষণ করার পরামর্শ দিয়েছেন আবদুল্লাহ আল মুঈদ। পানি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে প্লাস্টিকের পাত্রের পরিবর্তে কাচ অথবা স্টিলের পাত্র ব্যবহার করার কথাও জানান তিনি। সেই সঙ্গে সেইসব পাত্র বা যে পাত্রে পানি খাওয়া হচ্ছে সেটি যথাযথভাবে পরিষ্কার করার ওপরও তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। ফোটানো পানি দুই দিনের বেশি না খাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
পানি বিশুদ্ধ করার দ্বিতীয় পদ্ধতিটি হলো ফিল্টারের মাধ্যমে বিশুদ্ধ করা। পানি ফোটানোর মাধ্যমেই ক্ষতিকর জীবাণু দূর করা সম্ভব হলেও পুরোপুরি আশঙ্কামুক্ত থাকতে ফিল্টারের মাধ্যমে বিশুদ্ধ করা যেতে পারে।
যে সব এলাকায় গ্যাসের সংকট সেখানে ফিল্টারে পানি বিশুদ্ধ করাই সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি। তবে আবদুল্লাহ আল মুঈদের মতে, ফিল্টার থেকে বিশুদ্ধ পানির বিষয়টি নিশ্চিত হলে ফিল্টারটি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
পানি বিশুদ্ধ করার তৃতীয় পদ্ধতি ক্লোরিন ট্যাবলেট বা ব্লিøচিং। পানির জীবাণু ধ্বংস করতে ক্লোরিন বহুল ব্যবহূত একটি রাসায়নিক। যদি পানি ফোটানো বা ফিল্টার করার ব্যবস্থা না থাকে তাহলে পানি বিশুদ্ধকরণ ক্লোরিন ট্যাবলেট দিয়ে পানি পরিশোধন করা যেতে পারে। সাধারণত দুর্গম কোথাও ভ্রমণে গেলে অথবা দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে বা জরুরি কোনো অবস্থায় ক্লোরিন ট্যাবলেটের মাধ্যমে পানি শোধন করা যেতে পারে। প্রতি তিন লিটার পানিতে একটি ট্যাবলেট বা ১০ লিটার পানিতে ব্লিøচিং গুলিয়ে রেখে দিলে বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যায়।
পানি বিশুদ্ধ করার চতুর্থ পদ্ধতি হিসেবে বলা যেতে পারে পটাশ বা ফিটকিরির কথা। এক কলসি পানিতে সামান্য পরিমাণ ফিটকিরি মিশিয়ে দুই থেকে তিন ঘণ্টা রেখে দিলে পানির ভেতরে থাকা ময়লাগুলো তলানিতে স্তর হয়ে জমে। এ ক্ষেত্রে পাত্রের ওপর থেকে শোধিত পানি সংগ্রহ করে তলানির পানি ফেলে দিতে হবে। অথবা পানি ছেকে নিয়ে সংরক্ষণের পরামর্শ দেন আবদুল্লাহ আল মুঈদ।
পানি বিশুদ্ধ করার পাঁচ নম্বর পদ্ধতি হিসেবে আবদুল্লাহ আল মুঈদ বলেছেন, সৌর পদ্ধতির কথা। যেসব প্রত্যন্ত স্থানে পরিশোধিত পানির অন্য কোনো উৎস নেই সেখানে প্রাথমিক অবস্থায় সৌর পদ্ধতিতে পানি বিশুদ্ধ করা যেতে পারে। এ পদ্ধতিতে দূষিত পানিকে জীবাণুমুক্ত করতে কয়েক ঘণ্টা তীব্র সূর্যের আলো ও তাপে রেখে দিতে হবে। এতে করে পানির সব ব্যাকটেরিয়া নষ্ট হয়ে যাবে।
ছয় নম্বর পদ্ধতি আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির ব্যবহার। পরিষ্কার ও স্বচ্ছ পানি জীবাণুমুক্ত করার জন্য অতিবেগুনি বিকিরণ কার্যকরি একটা পদ্ধতি। এতে করে পানির সব ধরনের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়ে যায়। বাজারের বেশ কয়েকটি আধুনিক ফিল্টারে এই আল্ট্রাভায়োলেট পিউরিফিকেশন প্রযুক্তি রয়েছে। তিনি জানান, ঘোলা পানিতে বা রাসায়নিক যুক্ত পানিতে এই পদ্ধতিটি খুব একটা কার্যকর নয়।
পানি বিশুদ্ধ করার সাত নম্বর পদ্ধতি হিসেবে আবদুল্লাহ আল মুঈদ আয়োডিনের কথা বলেছেন। এক লিটার পানিতে দুই শতাংশ আয়োডিন দ্রবণ মিশিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে রাখলেই পানি বিশুদ্ধ হয়ে যাবে।-বিবিসি

 


   Page 1 of 81
     স্বাস্থ্য-তথ্য
তারুণ্য ধরে রাখবে যে খাবারগুলো
.............................................................................................
এক কোয়া রসুনেই ধরে রাখুন যৌবন
.............................................................................................
সাদা নাকি লাল, কোন ডিমে বেশি পুষ্টি?
.............................................................................................
এখনো দাম কমেনি শীতের সবজির
.............................................................................................
লোভ ধ্বংস ডেকে আনে
.............................................................................................
ক্যান্সার ও জন্মত্রুটির জন্য দায়ী প্লাস্টিক কণা ঢুকে যাচ্ছে শরীরে
.............................................................................................
সিলেটের বক্ষব্যাধি হাসপাতালকে রেফারেন্স ল্যাবরেটরি হস্তান্তর
.............................................................................................
উন্নত খাদ্যাভ্যাস হতাশা কমাতে
.............................................................................................
ঘড়ির ঘণ্টায় ঘুম না ভাঙলে যা করবেন
.............................................................................................
মানসিক শান্তির জন্য সাইকেল ও হাঁটা
.............................................................................................
অতিরিক্ত লবণ গ্রহণের অপকারিতা
.............................................................................................
ভিটামিন ‘ডি’ কেন খাবেন
.............................................................................................
স্ট্রোক-হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে এ সবজিটি খান
.............................................................................................
কানে কিছু ঢুকে গেলে কী করবেন?
.............................................................................................
রঙ করা চুলের ক্ষতিকর দিক
.............................................................................................
পানি যেভাবে বিশুদ্ধ করার পদ্ধতি
.............................................................................................
শুকনা মরিচের ৭ ম্যাজিক গুণ
.............................................................................................
নির্বাচনের আগেই ১০ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
মস্তিষ্ক বেশি সচল থাকে যে সময়ে
.............................................................................................
হলুদ কি আসলেই উপকার করে?
.............................................................................................
কাঠবাদাম খাবেন যেসব কারণে
.............................................................................................
স্তন ক্যানসার রুখতে পারে সচেতনতা
.............................................................................................
সর্বোচ্চ মৃত্যুহার হৃদপিন্ড ও রক্তনালি জনিত রোগে
.............................................................................................
অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে, ডেঙ্গুজ্বরে ঝরলো ১৬ প্রাণ
.............................................................................................
কিশোরদের মস্তিষ্কের জন্য গাঁজা ক্ষতিকর : গবেষণার ফল
.............................................................................................
ডায়াবেটিসে মধু খাবেন, কী খাবেন না
.............................................................................................
মিষ্টি আসলে স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ক্ষতিকর
.............................................................................................
নখে যখন রোগের লক্ষণ
.............................................................................................
অ্যান্টিবায়োটিক থেকে সাবধান
.............................................................................................
মুখের তৈলাক্ত ভাব দূর করবে কলা
.............................................................................................
প্রতিদিন কাঁচা হলুদ কেন খাবেন?
.............................................................................................
আত্ম-নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা বাড়াতে যা করবেন
.............................................................................................
সুস্থ থাকতে প্রতিদিন তুলসী
.............................................................................................
ফুসফুসের রোগ কি অধূমপায়ীদের হয়?
.............................................................................................
প্রতিদিন এক কোয়া রসুন
.............................................................................................
এলার্জি সমস্যা প্রতিকার করবেন কিভাবে
.............................................................................................
গ্রিন টি-এর গুণাবলি
.............................................................................................
হাঁটু ব্যথার কারণ ও প্রতিকার
.............................................................................................
দাঁত মাজার ৫ ভুল
.............................................................................................
শিশুর দাঁতের যত্ন নিবেন যেভাবে?
.............................................................................................
জগিং করলে বাড়তে পারে আয়ু
.............................................................................................
১৪০ কোটি মানুষ শরীরচর্চা না করায় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে: ডব্লিউএইচও
.............................................................................................
রক্তশূন্যতায় করণীয়
.............................................................................................
ঠান্ডা পানির সুফল এবং কুফল
.............................................................................................
ডেঙ্গু জ্বরে কী করবেন জেনে নিন
.............................................................................................
সরকার ধূমপানবিরোধী প্রকল্প প্রস্তাব বাস্তবায়ন করবে : পরিকল্পনামন্ত্রী
.............................................................................................
কায়িক শ্রমে বাংলাদেশে পুরুষের চেয়ে নারীরা ‘কম সক্রিয়’
.............................................................................................
গর্ভাবস্থায় খেতে মানা যে খাবার
.............................................................................................
পাকা কলা হজমের সমস্যা দূর করে
.............................................................................................
মানসিক চাপ কমাবে এ খাবারগুলো
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]