ঢাকা,বৃহস্পতিবার,৭ কার্তিক ১৪২৭,২২,অক্টোবর,২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য-তথ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
স্থানভেদে করোনা ভাইরাস ২৮ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে

স্থানভেদে করোনা ভাইরাস ২৮ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে বলে দাবি করেছেন একদল বিজ্ঞানী। টাকা, মোবাইলের স্ক্রিন কিংবা স্টিলের উপর এই ভাইরাস দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে পারে বলে দাবি তাদের।

অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল সায়েন্স এজেন্সির বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, স্থানভেদে কোভিড-১৯ ভাইরাসের জীবনকাল সম্পর্কে যা ধারণা করা হতো, এই ভাইরাস তার থেকেও বেশি দিন বাঁচতে পারে।

কদিন আগেও বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, টাকা ও কাঁচের উপর দুই থেকে তিনদিন, প্লাস্টিক ও ধাতব বস্তুর উপর ছয়দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে এই ভাইরাস। পাশাপাশি হাঁচি-কাশি ছাড়াও বাতাসে ভাসমান বিভিন্ন বস্তু, ধাতু কিংবা প্লাস্টিকের মাধ্যমে এটি ছড়াতে সক্ষম।

তবে অস্ট্রেলিয়ার একদল বিজ্ঞানী সম্প্রতি আবিষ্কার করেন, ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে বা স্বাভাবিক আবহাওয়ায় কাঁচ, মোবাইলের স্ক্রিন, প্লাস্টিক ও টাকার উপর এই ভাইরাস ২৮ দিন পর্যন্ত বাঁচতে পারে। যেখানে অন্যান্য সংক্রামক ব্যাধির ভাইরাসগুলো সর্বোচ্চ ১৭ দিন পর্যন্ত টিকে থাকতে সক্ষম।

স্থানভেদে করোনা ভাইরাস ২৮ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে
                                  

স্থানভেদে করোনা ভাইরাস ২৮ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে বলে দাবি করেছেন একদল বিজ্ঞানী। টাকা, মোবাইলের স্ক্রিন কিংবা স্টিলের উপর এই ভাইরাস দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে পারে বলে দাবি তাদের।

অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল সায়েন্স এজেন্সির বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, স্থানভেদে কোভিড-১৯ ভাইরাসের জীবনকাল সম্পর্কে যা ধারণা করা হতো, এই ভাইরাস তার থেকেও বেশি দিন বাঁচতে পারে।

কদিন আগেও বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, টাকা ও কাঁচের উপর দুই থেকে তিনদিন, প্লাস্টিক ও ধাতব বস্তুর উপর ছয়দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে এই ভাইরাস। পাশাপাশি হাঁচি-কাশি ছাড়াও বাতাসে ভাসমান বিভিন্ন বস্তু, ধাতু কিংবা প্লাস্টিকের মাধ্যমে এটি ছড়াতে সক্ষম।

তবে অস্ট্রেলিয়ার একদল বিজ্ঞানী সম্প্রতি আবিষ্কার করেন, ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে বা স্বাভাবিক আবহাওয়ায় কাঁচ, মোবাইলের স্ক্রিন, প্লাস্টিক ও টাকার উপর এই ভাইরাস ২৮ দিন পর্যন্ত বাঁচতে পারে। যেখানে অন্যান্য সংক্রামক ব্যাধির ভাইরাসগুলো সর্বোচ্চ ১৭ দিন পর্যন্ত টিকে থাকতে সক্ষম।

অস্ট্রেলিয়ান প্রযুক্তিতে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে সঠিকভাবে করোনাভাইরাস নির্ণয়
                                  

অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা বলেছেন, তারা এমন একটি প্রযুক্তি তৈরি করেছেন যা গুরুত্বপূর্ণ জেনেটিক উপাদানগুলো বিশ্লেষণ করার মাধ্যমে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে সঠিকভাবে করোনাভাইরাস নির্ণয় করতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালযয়ের অধ্যাপক জিমি বোটেলা এবং ডা. মাইকেল ম্যাসন কতৃক উদ্ভাবিত ডিপস্টিক প্রযুক্তিটি রোগীর নমুনা থেকে ডিএনএ এবং আরএনএ নিউক্লিক অ্যাসিড পরিশোধন করতে সক্ষম হয়েছে। এটি বড় ল্যাব নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা ছাড়াই কোভিড-১৯ শনাক্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। প্রযুক্তিটিতে একটি ছোট আকারের বহনযোগ্য যন্ত্র এবং স্বল্প দামের ‘ডিপস্টিক’ ব্যবহার করা হয়েছে।

অধ্যাপক জিমি বলেন, বর্তমানে কোভিড-১৯ শনাক্তে বড় এবং ব্যয়বহুল বাণিজ্যিক সেটআপ ব্যবহার করা হচ্ছে। যাতে বহুধাপের কার্যপ্রণালী এবং বিশেষ পরীক্ষাগারের সরঞ্জাম প্রয়োজন হচ্ছে।

তিনি বলেন, এর বিপরীতে, আমাদের ডিপস্টিক প্রযুক্তিটি অবিশ্বাস্যভাবে সস্তা এবং বিশেষ সরঞ্জাম বা পরীক্ষাগার ছাড়াই কার্যত যেকোনো জায়গায় তা ব্যবহার করা যেতে পারে। সূত্র: ইউএনবি

দেশে বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি হিসেবে রয়ে গেছে যক্ষ্মা
                                  

যক্ষ্মা অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হিসেবে দেশে বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি হিসেবে রয়ে গেছে। বছরের প্রথম ছয় মাসে ৯৯ হাজার যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

রোগটি উপসর্গবিহীন অবস্থায় থাকার কারণে অথবা রোগনির্ণয়ের সুযোগ না পাওয়ার কারণে প্রতিদিন প্রায় ২৪৭ জন রোগী শনাক্তের বাইরে থেকে গছে বলে জানিয়েছে আইসিডিডিআর,বি।

চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীনে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির (এনটিপি) সহযোগিতায় ইউএসএআইডির অ্যালায়ান্স ফর কমব্যাটিং টিউবারকিউলোসিস ইন বাংলাদেশ (এসিটিবি) প্রকল্প বাস্তবায়ন করে আসছে সংস্থাটি।

সিলেট বিভাগের চা বাগানসমূহে যক্ষ্মা রোগনির্ণয় ও ব্যস্থাপনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আইসিডিডিআর,বি সম্প্রতি অন্যতম বৃহত্তম স্থানীয় উন্নয়ন সহযোগী হিড বাংলাদেশের সাথে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক স্থাপন করেছে।

মাইকোব্যাকটেরিয়াল ডিজিজ কন্ট্রোলের (এমবিডিসি) ডিরেক্টর ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের লাইন ডিরেক্টর, টিবিএল ও এএসপি, এনটিপি, অধ্যাপক মো: সামিউল ইসলাম এবং ইউএসএইডের মিশন ডিরেক্টর ডেরিক ব্রাউনের উপস্থিতিতে সোমবার মৌলভীবাজারের কামালগঞ্জে এ বিষয়ে একটি উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসিটিবি প্রকল্পের আওতায় চা বাগানের স্বাস্থ্যকর্মী ও স্থানীয় বেসরকারি স্বাস্থ্যকর্মীদেরকে নিয়োজিত করে সক্রিয় যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত করার জন্য চা, রাবার এবং পুঞ্জিতে (জাতিগত গোষ্ঠি) কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

চা বাগানের স্বাস্থ্যকর্মীদেরকে যক্ষ্মা পরীক্ষা, রোগনির্ণয় ও ব্যবস্থাপনার ওপর প্রশিক্ষণ দিবে। যক্ষ্মা-সংক্রান্ত পট সঙ্গীতসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হবে।

এছাড়াও, এই সহযোগিতামূলক সম্পর্কের মধ্য দিয়ে প্রারম্ভিক পর্যায়ের যক্ষ্মা রোগী শনাক্তকরণের উদ্দেশ্যে সক্রিয় রোগী চিহ্নিতকরণ, সংক্রমণ অনুসন্ধান এবং যক্ষ্মা প্রতিরোধে থেরাপি দেয়া হবে।

দুর্গম এলাকায় এসিটিবি কর্মকাণ্ডের ব্যাপ্তি বাড়ানোর জন্য ইউএসএইড, আইসিডিডিআর,বি এবং হিড বাংলাদেশকে ধন্যাবাদ জানান অধ্যাপক ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারির এ সময়ে যক্ষ্মা শনাক্তকরণের কাজটি চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে, আমি বিশ্বাস করি এ সহযোগিতামূলক সম্পর্কের মাধ্যমে কেবলমাত্র এ রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিই নয়, বরং আরো রোগী শনাক্ত করতে এবং চা বাগানের কর্মী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে রোগের ব্যাপকতা লাঘবে সহায়তা করবে।’

প্রকল্পের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন ডেরিক ব্রাউন এবং রোগী শনাক্তকরণ ও সব ধরনের যক্ষ্মার চিকিৎসার প্রসার বৃদ্ধির মাধ্যমে ২০২২ সালের মধ্যে যক্ষ্মা হ্রাস করার বিষয়ে ইউএসএইডের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

বংলাদেশে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে এনটিপির নেতৃত্বের প্রশংসাও করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ইউএসএইডের পিএইচএনই পরিচালক জার্সিস সিদ্ধওয়া, ক্লিনিক্যাল সার্ভিসেস প্রধান ডা. পুষ্পিতা সামিনা, এসিটিবি, আইসিডিডিআর,বি’র চিফ অব পার্টি ডা. পল দারু, এবং এসিটিবি, আইসিডিডিআর,বির প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর ডা. শাহরিয়ার আহমেদ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হিড বাংলাদেশের উপস্থাপনা, যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণের ওপর পট সঙ্গীত, প্রকল্পের কর্মকাণ্ড পরিদর্শন, ফুসকুরি টি এস্টেটে জাতিগত গোষ্ঠীর নেতাদের সাথে সাক্ষাত এবং ডিনস্টন টি এস্টেটে চা বাগানের স্বাস্থ্যকর্মীদের পরিচিতিমূলক পর্বে অংশগ্রহণ।

মৌভীবাজারের সিভিল সার্জন ডা. তউহীদ আহমেদ এবং এনটিপি, ইউএসএইড, আইসিডিডিআর,বি ও হিড বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা এবং স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা উদ্বোধনী সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র : ইউএনবি

সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটেই ফল পাওয়া যাবে করোনা পরীক্ষার
                                  

বিশ্বের ১৩৩টি দেশে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার নতুন এক প্রযুক্তি চালুর পরিকল্পনা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউওইচও)। এই পরীক্ষা পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটেই ফল পাওয়া যাবে বলে মনে করছে সংস্থাটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, নতুন এই পরীক্ষার ব্যবস্থা দরিদ্র ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর জন্য করোনাভাইরাস মোকাবিলায় নাটকীয় পরিবর্তন এনে দেবে। তাদেরকে আরও অনেক সক্ষম করে তুলবে।

গতকাল সোমবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান ড. টেড্রস অ্যাডহানম গেব্রেইয়েসুস বলেছেন, ‘নতুন, সহজে বহন ও ব্যবহারযোগ্য’ এই পরীক্ষা কয়েক ঘণ্টা অথবা কয়েক দিন নয়, ১৫ থেকে ৩০ মিনিটে ফল সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করতে পারবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন পরীক্ষায় সর্বোচ্চ পাঁচ ডলার অর্থাৎ ৫শ টাকার নিচে খরচ পড়বে। আর ওই দেশগুলোতে ছয় মাসে ১২০ মিলিয়ন পরীক্ষা হবে- এমন চুক্তি হয়েছে উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক বলে আখ্যা দিয়েছে।

সংস্থাটি বলছে, অনেকে দেশে করোনাভাইরাস পরীক্ষা ও তার ফল পেতে যে দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হয় তাতে সেসব দেশ সংক্রমণ প্রতিরোধে পিছিয়ে যাচ্ছে। ভারত ও মেক্সিকোর মতো খুব বেশি সংক্রমণ রয়েছে এমন দেশগুলোতে নমুনা পরীক্ষার হার কম হওয়ার কারণে সংক্রমণের সংখ্যা সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

১২০ মিলিয়ন পরীক্ষা পদ্ধতি উৎপাদনে দাতব্য সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনকে সম্মতি দিয়েছে ওষুধ উৎপাদক প্রতিষ্ঠান অ্যাবট অ্যান্ড এসডি। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার রয়েছে- এমন ১৩৩টি দেশকে এই পরীক্ষা ব্যবস্থা দেওয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে টেড্রস অ্যাডহানম গেব্রেইয়েসুস বলেছেন, পরীক্ষার ল্যাব খুব কম অথবা সহজে পৌঁছানো যায় না, সেসব অঞ্চলে পরীক্ষার ব্যবস্থার সম্প্রসারণে সহায়তা করবে এই পরীক্ষা ব্যবস্থা।

কী এই নতুন পরীক্ষা?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, এটি এক ধরনের ‘অ্যান্টিজেন র‍্যাপিড টেস্ট’। এই পরীক্ষাতেও নাক বা গলা থেকে সোয়াব বা নমুনা সংগ্রহ করে দেখা হয়, সেখানে ভাইরাসের অস্তিত্ব আছে কিনা।

অ্যান্টিজেন হচ্ছে ভাইরাসের প্রোটিন, যা শরীরের ভেতর প্রবেশ করে কোষের প্রোটিন তৈরির পদ্ধতি ব্যবহার করে নিজের প্রতিলিপি তৈরি করতে শুরু করে। শরীরের ভেতর ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, প্যারাসাইটস প্রবেশ করলেই শরীর সেটাকে অ্যান্টিজেন হিসেবে গণ্য করে। কারও পরীক্ষায় অ্যান্টিজেন পাওয়া গেলে তিনি ভাইরাসে আক্রান্ত বলে ধরে নেওয়া হয়।

বাংলাদেশও অগাস্ট মাসের শেষের দিকে অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমোদন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১ হাজার ৮২৭ জন আক্রান্ত, ৪১ জনের মৃত্যু
                                  

দেশে মরণঘাতী করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১ হাজার ৮২৭ জনকে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৩ লাখ ৩১ হাজার ৭৮ জন। এ সময়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে আরো ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৫৯৩ জনের মৃত্যু হলো।

৪১ জনের মৃত্যুর দিনে শনাক্ত আরো ১,৮২৭

আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে মোট ৯৪টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৭৯২টি। আগের নমুনাসহ পরীক্ষা করা হয়েছে ১৪ হাজার ৯৭৫টি। এ নিয়ে ১৮৬তম দিনে এসে এখন পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৬ লাখ ৭৪ হাজার ৪৫২টি।

উক্ত সময়ের মধ্যে আরো ১ হাজার ৮২৭ জনকে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৩ লাখ ৩১ হাজার ৭৮ জন।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে আরো ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে ৪ হাজার ৫৯৩ জনের মৃত্যু হলো।

একই সময়ে দেশে ২ হাজার ৯৯৫ জন সুস্থ (হাসপাতাল ও বাসা মিলে) হয়েছেন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৩০ হাজার ৮০৪ জন।

বাংলাদেশে মরণব্যাধী করোনাভাইরাসের ৫ ধরনের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব শনাক্ত
                                  

বাংলাদেশে মরণব্যাধী করোনাভাইরাসের ৫ ধরনের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আফতাব আলী শেখ। আজ রোববার প্রতিষ্ঠানটির মিলনায়তনে জিনোমিক রিসার্চ ল্যাবরেটরির কোভিড-১৯ জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রতিবেদন অবহিতকরণ সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

জিনোমিক রিসার্চ ল্যাবরেটরির কোভিড-১৯ জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রতিবেদন অবহিতকরণ সভা

অধ্যাপক ডা. মো. আফতাব আলী শেখ জানান, দেশে করোনাভাইরাসের ৫ ধরনের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। বিশ্বের আর কোথাও এমনটি দেখা যায়নি। এক্ষেত্রে ভাইরাসটির সংক্রমণ, মিউটেশনের হার, জিনগত বৈশিষ্ট্য, নন-সিনোনিমাস মিউটেশন এবং জেনোমিক ফাইলোজেনি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

করোনার জিনগত বৈচিত্র্য পর্যবেক্ষণ করার জন্য সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের সর্বমোট ২৬৩টি জিনোম সিকোয়েন্সিং ও ডাটা বিশ্লেষণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, গত ৭ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে এগুলোর জিনোম সিকোয়েন্সিং করে আন্তর্জাতিক ডাটাবেজ গ্লোবাল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডেটা শেয়ারিং উদ্যোগ (জিআইএসএআইডি)- তে প্রকাশ করা হয়।

সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, সংগৃহীত নমুনায় শতভাগ ক্ষেত্রে আধিপত্যকারী ভ্যারিয়েন্টের G 414 এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। G 414 হলো স্পাইক রুটিনে ৬১৪তম অবস্থানে অ্যাসপার্টিক গ্লাইসিন হওয়ার কারণ। সেখান থেকে পাওয়া ২৬৩টি কোভিড-১৯ ভাইরাসের মধ্যে ২৪৩টি GR ক্লেড, ১৬টি G ক্লেড এবং ১টি O ক্লেডের অন্তর্ভুক্ত।

প্রাপ্ত ২৬৩টি কোভিড-১৯ ভাইরাসের জিনোম বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এটির সর্বমোট ৭৩৭টি পয়েন্টে মিউটেশন ঘটে। যার মধ্যে আবার ৩৫৮টি নন সিনোনিমাস অ্যামিনো এসিড প্রতিস্থাপন ঘটায় এবং এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ভাইরাসগুলোর মিউটেশনের হার বার্ষিক ২৪.৬৪ নিউক্লিওটাইড। পুরো বিশ্বব্যাপী এই হার ৭.২৩ এবং বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা ১২.৬০।

লক্ষ্য করা যায়‌, অন্য দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে ভাইরাসটি অনেক দ্রুত গতিতে তার রূপ পরিবর্তন করছে। স্পাইক প্রোটিনের জিনে ১০৩টি নিউক্লিওটাইড নিউটেশনের মধ্যে ৫৩টি নন সিনোনিমাস এমোনিয়া বেশি প্রতিস্থাপন ঘটে। যার মধ্যে আবার পাঁচটি স্বতন্ত্র। সংগৃহীত নমুনা সময়ের মধ্যে ১০০ ভাগ ক্ষেত্রে চারটি নিউটেশনের পুনরাবৃত্তি ঘটছে, যা বিশ্বের আর কোথাও দেখা যায়নি।

স্যানিটাইজার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম জানেন তো?
                                  

মহামারি করোনাভাইরাস শুরু হওয়ার পর থেকে সমাজিক দূরত্ব, মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহারের ওপর বেশ জোর দেওয়া হচ্ছে। তবে স্যানিটাইজার ব্যবহারের সময় একাধিক বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

যখনই স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন, কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে হাতে স্যানিটাইজার প্রয়োগ করুন। দুই তালুর মাঝে স্যানিটাইজার লাগানোর সময় অবশ্যই আঙুলের মাঝখানেও স্যানিটাইজার প্রয়োগ করুন।

অবশ্যই স্যানিটাইজার কেনার সময় মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ দেখে নেবেন। যদি হাতে কোনো রায়ায়নিক বা হাত অত্যন্ত নোংরা হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই স্যানিটাইজার প্রয়োগের আগে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নেবেন।


স্যানিটাইজারকে অবশ্যই শিশুদের নাগাল থেকে দূরে রাখুন। কারণ স্যানিটাইজারে ১-প্রোপানল অ্যালকোহল থাকে, যা শিশুদের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক।

স্যানিটাইজারে অ্যালকোহল থাকে এবং অ্যালকোহল অত্যন্ত দাহ্য। তাই স্যানিটাইজার প্রয়োগের পরে আগুনের পাশে না যাওয়াই উচিত।

আজই ত্যাগ করুন দাড়িয়ে খাবার অভ্যাস
                                  

প্রচণ্ড তাড়া। অফিস ছুটতে হবে। হাতে সময় নেই। অতএব দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গপাগপ করে হাতের গোড়ায় যা পাচ্ছেন তা-ই গিলছেন (Stand And Eat)। এটাই যদি রোজের অভ্যাস হয়ে থাকে শিগগিরি পাল্টান। কারণ, আপনি তো জানেনই না, তাড়াহুড়োর চোটে কত বড় সর্বনাশ করছেন নিজের। এভাবে খেলে রোজ একটু একটু করে অবসাদে (Stress) ডুবতে থাকবেন আপনি। স্বাদও পারেন না খাবারের। জানেন সেটা? এমন অজানা বিষয় সম্প্রতি জানিয়েছে জার্নাল অব কনজিউমার রিসার্চ (Journal of Consumer Research)।

শুধু কি তাই! কোন ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে খাচ্ছেন সেটাও নাকি স্বাদগ্রহণের পক্ষে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ, জানিয়েছেন সমীক্ষকেরা। তাঁদের কথায়, দাঁড়ানোর বদলে যদি বসে শান্তিতে খান তাহলে স্বাদ আরও বেশি করে পাবেন।

 

কারণ, ভঙ্গি, শরীরের ভারসাম্যের সঙ্গে স্বাদগ্রহণের বিষয়টি অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। তাই দাঁড়ানোর থেকে বসে খেলে সবাই খাবারে বেশি স্বাদ পান।

"অনেক সময়েই দেখা যায়, যেসব বাচ্চারা খেতে ভালোবাসে না বা খাবার দেখলেই উল্টোদিকে পালায় তাদের ভুলিয়ে খাওয়াতে গিয়ে মা-বাবা জানালা বা কোথাো দাঁড় করিয়ে ঝপাঝপ করে খাওয়াতে থাকেন। দাঁড়ানোর পদ্ধতি যদি সঠিক হয় তাহলে বাচ্চারা অনেক সময়েই চুপচাপ খেয়ে নেয় । কিন্তু তা না হলে ওদের বিরক্তি আরও বাড়ে। কিছুতেই খেতে চায় না" জানিয়েছেন সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (University of South Florida) অধ্যাপক, লেখক, গবেষক দীপায়ন বিশ্বাস (Dipayan Biswas)।

কেন এমনটা হয় জানেন? বিশেষজ্ঞদের মতে, দাঁড়িয়ে থাকার ফলে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আমাদের নীচের দিকে আকর্ষণ করে। এতে শরীরের রক্ত নীচের দিকে প্রবাহিত হয়। এবং তা তুলে সারা শরীরে ছড়িয়ে দিতে কষ্ট হয় হৃদপিণ্ডের। ফলে বেড়ে যায় হৃদস্পন্দন। আর তাতেই বাড়তে থাকে হাইপো থ্যালামিক পিটুইটারি  অ্যাড্রিনালিন (HPA)। স্ট্রেস হরমোনকে বাড়িয়ে দেয়

আর শরীর অবসন্ন হলে কী করে খাবারের স্বাদ নেবেন! এমনকি, সামান্য শারীরিক সমস্যাতেই স্বাদু খাবারও বিস্বাদ হয়ে যায়।

বিষয়টির সত্যতা যাচাই করতে সমীক্ষকেরা ৩৫- জনকে পিটা চিপস খেতে দিয়েছিলেন। এঁদের মধ্যে কিছু জন খেয়েছে দাঁড়িয়ে। বাকিরা খেয়েছেন বসে। যাঁরা দাঁড়িয়ে খেয়েছেন , তাঁরা পিটা চিপসের কোনও স্বাদই পাননি! যাঁরা আরাম করে বসে খেয়েছেন তাঁদের কাছে অমৃততুল্য চিপসের স্বাদ।

এরপরেই সমীক্ষকেরা হাতে ভারী ব্যাগ ধরিয়ে দিয়ে খেতে দেন ফ্রুট স্ন্যাকস (Fruit Snacks)। আগের মতোই অর্ধেকে খান দাঁড়িয়ে। বাকিরা বসে। এবার নাকি খাবারের স্বাদ সবথেকে বিস্বাদ ঠেকেছে সবার কাছে!

জেনে নেই রক্তে অক্সিজেন মাত্রা কমলে বুঝার উপায়!
                                  

করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগী বাড়িতে থাকুক বা হাসপাতালে, এ সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা। তার রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বা ঘনত্ব কমে যাচ্ছে কি না, খেয়াল করা। সুস্থ মানুষের অক্সিজেনের মাত্রা ৯৫ থেকে ৯৮ শতাংশের মধ্যে থাকে।
রক্তে অক্সিজেনের ঘনত্ব আর হৃদ্‌স্পন্দনের গতি পরিমাপ করা যায় যে যন্ত্রের মাধ্যমে, তার নাম পালস অক্সিমিটার। এই যন্ত্র না থাকলেও একটা ছোট পরীক্ষার মাধ্যমে ফুসফুসের অবস্থা বুঝে নেওয়া যায়।

■ রোগীকে প্রথমে মুখ দিয়ে সজোরে বুকের ভেতরে থাকা বাতাস ছাড়তে হবে। তারপর ধীরে ধীরে গভীরভাবে নাক দিয়ে বাতাস টেনে শ্বাস ধরে রাখতে হবে। যদি ৭ সেকেন্ড এভাবে শ্বাস ধরে রাখতে সমস্যা হয়, তাহলে বুঝতে হবে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৫ শতাংশে নেমে এসেছে। আর যদি ৫ সেকেন্ড পর্যন্ত শ্বাস ধরে রাখতে সমস্যা হয়, তাহলে বুঝতে হবে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ৯০ শতাংশ।

■ করোনায় সংক্রমিত রোগীর জন্য দ্বিতীয় সপ্তাহটা গুরুত্বপূর্ণ। অনেকের এ সময় নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। কাশির পাশাপাশি শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয়। গভীর বা লম্বা শ্বাস নেওয়ার সময়ে বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভূত হতে পারে। এগুলো ফুসফুসে সংক্রমণজনিত প্রদাহের লক্ষণ।

■ অনেক সময় শুরুতে অক্সিজেনের ঘাটতি রোগী বুঝতে পারে না। দিব্যি সুস্থ–স্বাভাবিক মনে হয়। একে বলে ‘নীরব হাইপোক্সিয়া’।

■ রক্তে অক্সিজেন কমে গেলে শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি বেড়ে যায় (প্রতি মিনিটে ২৪-এর বেশি)। হৃদ্স্পন্দনের গতি (প্রতি মিনিটে ১০০-এর বেশি) বেড়ে যায়, বুকে ব্যথা হয় ও নিশ্বাসে সমস্যা হয়। ফলে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে, স্নায়ুতন্ত্র, এমনকি মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয়। এ সময় মাথা ঝিমঝিম করা, প্রচণ্ড দুর্বল লাগা, একটু পরিশ্রম বা হাঁটাহাটিতে সমস্যা হয়। রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ার লক্ষণ এগুলো।

■ অক্সিজেনের মাত্রা খুব বেশি কমে গেলে রোগীর ঠোঁট ও ত্বক নীল হয়ে যায়। এ সময় রোগীকে উপুড় করে শুইয়ে দিয়ে জোরে জোরে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে বলতে হবে। এতে কিছুটা উপকার পাওয়া যায়। কারণ, এর ফলে ফুসফুসের একটা বড় অংশে সহজে বাতাস যায় এবং রক্ত সহজে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে। দ্রুত হাসপাতালে বা চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

খাওয়ার পর যে বদ অভ্যাসগুলো ত্যাগ করবেন
                                  

দুপুরে ডায়েট মেনে খাচ্ছেন, রাতেও বেশ নিয়ম মেনেই খাওয়াদাওয়া করছেন, তা সত্ত্বেও শরীর যেন কিছুতেই ভাল যাচ্ছে না। শরীর ভাল রাখতে কী করবেন, বুঝে উঠেতেই যেন পারছেন না। এমন যদি হয়, তাহলে দুপুরে, রাতে কিংবা সকালে যে কোনও সময় ভরপেট খাওয়াদাওয়ার পর বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলুন।

যেমন খাওয়ার পর পরই কখনও ধূমপান করবেন না। খাওয়ার পর যদি আপনি ধূমপান করেন, তাহলে যে প্রয়োজনীয় জিনিস আপনার শরীরে প্রবেশ করেছিল, তার পুষ্টিগুণ কিন্তু নামতে শুরু করে দেবে। তাই খাওয়ার পর সিগারেটকে বলুন না। গবেষকদের একাংশ বলছেন, খাওয়ার পর সিগারেট খেলে তা ক্যান্সারের প্রবণতা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

অনেকেরই খাওয়াদাওয়ার পর চা পানের অভ্যাস আছে। বিশেষত রাতের খাবারের পর। কিন্তু, খাওয়াদাওয়ার পর চা খেলে হজমের গণ্ডগোল হয়। অনেকেরই ধারণা রয়েছে, খাওয়ার পর ফল নাকি ভাল। কিন্তু, খাওয়াদাওয়ার পর ফল খাওয়ার অভ্যেসও সঠিক নয়। যদিও আপনার হজমের গণ্ডগোল, লিভারের সমস্যা থাকে, তাহলে কখনওই খাওয়ার পর (বিশেষ করে মিল বা ডিনার) ফল খাবেন না।

পেটপুরে খাবার পর কখনও সঙ্গে সঙ্গে ঘুমোতে যাবেন না। গবেষণা বলছে, খাওয়ার পর পরই ঘুমোতে গেলে, খাবার কম হজম হয়। ফলে, হৃদরোগের সম্ভাবনা প্রবল হয়। খাওয়ার পর স্নান করতে যাবেন না। এতেও শরীরের বেশ ক্ষতি হয়।

লিভারে যে কারণে চর্বি জমে এবং যা করণীয়
                                  

লিভারের প্রধান কাজ খাবারকে ভেঙে রক্তের সঙ্গে মিশিয়ে দেয়া। ওষুধ খাওয়ার পর তা প্রক্রিয়াজাত করে শরীরকে সুস্থ করার কাজটিও লিভার করে থাকে। অর্থাৎ, লিভার না থাকলে আমরা যা খেতাম- তা খাবার কিংবা ওষুধ যেটাই হোক না কেনো, সেভাবেই বেরিয়ে আসত। এর ব্যতিরেকে খাবার কিংবা ওষুধের পক্ষে শরীরে কোনো ধরণের পুষ্টি-শক্তি যোগানো সম্ভব হতো না।

এই লিভারে যখন চর্বি জমে তখন এর কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এক সময় লিভার সিরোসিস হয়ে মানুষ কোমায় পর্যন্ত চলে যেতে পারে। তাই সচেতন মানুষ মাত্রই যে লিভারের প্রতি যত্মশীল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

কোনো লিভারে চর্বি জমে?

নানান কারণেই লিভারে চর্বি জমতে পারে। তবে যারা বেশি মদ পান করেন তাদের এ সমস্যা দ্রুত দেখা দেয়। এছাড়া আরো কিছু উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে-

১. অতিরিক্ত মেদ।

২. পরিশ্রমহীন আরামপ্রদ জীবনযাপন।

৩. রক্তে চর্বির পরিমাণ বেড়ে যাওয়া।

৪. অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিক।

৫. রক্তে ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা নষ্ট হওয়া।

৬. হেপাটাইটিস বি।

৭. এবং কিছু ওষুধের পার্শপ্রতিক্রিয়া।

কীভাবে বুঝবেন লিভারে চর্বি জমেছে?

১. লিভারে চর্বি জমার তেমন কোনো গুরুতর লক্ষণ দেখা যায় না।

২. বেশিরভাগ রোগীর ক্ষেত্রে যেটা হয়, অন্য কোনো অসুখের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে গিয়ে বোঝা যায়- লিভারেও চর্বি জমেছে।

৩. তবে অধিকাংশ রোগী বলেন, তারা বেশ দুর্বলতা অনুভব করেন। যে কারণে চিকিৎসকরা ধরে নিয়েছেন, দুর্বলতা অনুভব করা লিভারে চর্বি জমার একটি লক্ষণ।

৪. খুব কম সংখ্যক রোগী লিভারের জায়গায়টায় ভারভার অনুভব করেন। তখন বোঝা যায়, লিভারে চর্বি জমেছে।

কী করবেন?

এটা গুরুতর কোনো অসুখ নয়। তাই ঘাবড়াবার কোনো কারণ নেই। তবে লিভারে চর্বি জমতে থাকলে এক পর্যায়ে তা ক্যান্সারের দিকে চলে যেতে পারে। তাই বিষয়টি গুরুত্বহীন মনে করলেও চলবে না।

নিচের পাঁচটি কাজ করলেই কমতে থাকবে লিভারের চর্বি-

১. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেই হবে।

২. ফ্যাটি খাবার ছেড়ে দিতে হবে।

৩. প্রতিদিনই শরীরের ঘাম ঝরিয়ে পরিশ্রম করতে হবে।

৪. ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

৫. মদ পান ছেড়ে দিতে হবে।

ধরাছোঁয়ার বাইরে ডা. সাবরিনা
                                  

টেস্ট না করেই করোনার রিপোর্ট নিয়ে জেকেজি হেলথ কেয়ারের প্রতারণা প্রকাশ্যে আসার পরও ধরাছোঁয়ার বাইরে আছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। তার বিরুদ্ধে এখনও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি স্বাস্থ্য অধিদফতর।


পুলিশ বলছে, জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের রেজিস্টার চিকিৎসক হিসেবে চাকরিরত থেকেই জেকেজির চেয়ারম্যান পদে ছিলেন ডা. সাবরিনা। কিভাবে, কার মাধ্যমে তিনি এ কাজ হাতিয়েছেন, সে ব্যাপারে চলছে অনুসন্ধান। তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে সাবরিনাকে গ্রেফতার করা হবে। জানা গেছে, স্বামী আরিফ চৌধুরী গ্রেফতার হওয়ার পর সাবরিনা গা ঢাকা দিয়েছেন।

জানা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনার নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই প্রতিষ্ঠানটি ১৫ হাজার ৪৬০টি টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট সরবরাহ করে। এসব টেস্টে জনপ্রতি হাতিয়ে নেয়া হয়েছে ৫ হাজার টাকা। আর বিদেশিদের কাছ থেকে নেয় একশ’ ডলার। এ হিসাবে ভুয়া টেস্ট বাণিজ্য করে জেকেজি হাতিয়ে নিয়েছে প্রায় ৮ কোটি টাকা।

২৪ জুন জেকেজির গুলশান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে প্রতারক আরিফসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের ২ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। দু’জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। জেকেজির কার্যালয় থেকে ল্যাপটপসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি জব্দ করে পুলিশ। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় চারটি মামলা হয়েছে। এসব মামলার কোনোটিতে এখন পর্যন্ত ডা. সাবরিনার নাম সংযুক্ত করা হয়নি। চারটি মামলার তদন্ত করছে তেজগাঁও থানা পুলিশ।

ওই থানার পরিদর্শক আবুল হাসনাত খোন্দকার বলেন, মামলাগুলোর তদন্ত চলছে। আমি নিজেও একটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। তদন্তে ডা. সাবরিনার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাকে মামলায় আসামি দেখানো হবে।

জানতে চাইলে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিন শুক্রবার যুগান্তরকে জানান, সাবরিনার বিষয়টি হাসপাতালের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে তদন্ত করতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলাম। আজই বাসায় ফিরেছি। তিনি (ডা. সাবরিনা) ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করেন কিনা খোঁজ নিতে হাসপাতালের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধানকে নির্দেশ দিয়েছি।’


সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জেকেজি ২৭ হাজার রোগীর করোনার টেস্টের রিপোর্ট দেয়। এর মধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনার আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ রিপোর্ট তারা নিজেরা তৈরি করেছে। জেকেজির ৭-৮ জন কর্মী মিলে ভুয়া এসব রিপোর্ট তৈরি করে।

প্রতিষ্ঠানটির মাঠকর্মীরা ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে করোনা উপসর্গ দেখা দেয়া লোকজনের নমুনা সংগ্রহ করত। রোগীদের ১০টি প্রশ্ন দেয়া হতো। এর মধ্যে ৫টির বেশি প্রশ্ন যদি করোনা উপসর্গের হতো তবেই তাকে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট দেয়া হতো। অন্যদের দেয়া হতো নেগেটিভ রিপোর্ট। এভাবেই চলছিল তাদের করোনা পরীক্ষার প্রতারণা।

নমুনা সংগ্রহের জন্য জেকেজির হটলাইন নম্বর ছিল। ওই নম্বরে কেউ ফোন করলে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা তার বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করত। আবার অনেকে জেকেজির বুথে এসে নমুনা দিতেন। বিদেশি নাগরিকদের জন্য নেয়া হতো ১০০ ডলার। আর বাংলাদেশিদের জন্য সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা। আর কোনো মাঠকর্মী বাসায় যাতায়াত করলে তার জন্য নেয়া হতো ১ হাজার টাকা। যদিও দাতব্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতির ভিত্তিতে বিনামূল্যে তাদের স্যাম্পল কালেকশন করার কথা ছিল।

জেকেজিতে চাকরি করতেন নার্স তানজিনা পাটোয়ারি ও তার স্বামী হুমায়ূন কবির। তানজিনার বেতন ছিল ৩০ হাজার টাকা। ভুয়া করোনা পরীক্ষা করে কোটি কোটি টাকা কামানো দেখে তানজিনা দাবি করেন তার বেতন বাড়িয়ে দিতে হবে। বিষয়টি জেকেজির কর্ণধার আরিফ চৌধুরী জেনে তানজিনা ও তার স্বামীকে চাকরিচ্যুত করেন। পরে তারা দু’জন বাসায় বসে নিজেরাই করোনার ভুয়া টেস্টের বাণিজ্য চালান।

তানজিনা নমুনা সংগ্রহ করতেন আর ঘরে বসে তার স্বামী রিপোর্ট তৈরি করতেন। ২৩ জুন রাতে তানজিনা ও তার স্বামী গ্রেফতার হওয়ার পর বেরিয়ে আসে জেকেজির প্রতারণার রহস্য। এরপর জেকেজির গুলশান অফিসে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় প্রতারক আরিফ চৌধুরীসহ অন্যদের।

ওইদিনই প্রতিষ্ঠানটির কিছু কর্মী আরিফকে ছাড়িয়ে নিতে তেজগাঁও থানায় জড়ো হন। তারা থানার বাইরে হট্টগোল করতে থাকেন। এ ঘটনায় পৃথক একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলায় ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানান, ডা. সাবরিনার হাত ধরেই করোনার স্যাম্পল কালেকশনের কাজটি ভাগিয়ে নেয় জেকেজি। প্রথমে তিতুমীর কলেজে মাঠে স্যাম্পল কালেকশন বুথ স্থাপনের অনুমতি মিললেও প্রভাব খাটিয়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় এবং অনেক জেলা থেকেও সংগ্রহ করা হয় নমুনা। সন্দেহভাজন করোনা রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে টেস্ট করার জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতরের সঙ্গে জেকেজির যে চুক্তি ছিল তা বাতিল করা হয়েছে।

বাংলাদেশে করোনা রোগী পৌনে ২ লাখ ছাড়াল
                                  

দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ হাজার ৩৬০ জনের করোনা শনাক্ত হওয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৭৫ হাজার ৪৯৪ জনে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কোভিড-১৯ রোগ নিয়ে এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর এমন তথ্য জানিয়েছে।

অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক(প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বলেন, এ সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই বৈশ্বিক মহামারী দুই হাজার ২৩৮ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।

আর গত একদিনে ১৫ হাজার ৬৩২টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। যাদের মধ্যে তিন হাজার ৩৬০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

এখন পর্যন্ত ৯ লাখ চার হাজার ৭৮৪টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে জানিয়ে এই চিকিৎসক বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৪০ শতাংশ।

গত একদিনে তিন হাজার ৭০৬ রোগী সেরে উঠেছেন বলেও জানিয়েছেন নাসিমা সুলতানা। তিনি বলেন, এ পযন্ত ৮৪ হাজার ৫৪৪ জন সুস্থ হয়েছেন। অর্থাৎ ৪৮ দশমিক ১৭ শতাংশ রোগী কোভিড-১৯ থেকে সেরে উঠেছেন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ৮ মার্চ, তা দেড় লাখ পেরিয়ে যায় গত ২ জুলাই। সেদিন ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ।

অর্ধেক বেসরকারি হাসপাতালের লাইসেন্স মেয়াদোত্তীর্ণ
                                  

বাংলাদেশের ৫০ ভাগ বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের লাইসেন্স মেয়াদোত্তীর্ণ৷ আর কমপক্ষে শতকরা ১০ ভাগ হাসপাতালের কোনো লাইসেন্সই নাই৷ গত দুই বছরে লাইসেন্স বাতিল হয়েছে মাত্র একটি হাসপাতালের৷


ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর কারণে যশোরের নূর মহল নামে ওই ক্লিনিকের লাইসেন্স বাতিল করা হয় গত বছরের ২ নভেম্বর৷ কিন্তু সেই ক্লিনিকটি এখন নাম বদলিয়ে মাতৃসেবা ক্লিনিক নামে পরিচালিত হচ্ছে৷


Ad by Valueimpression
এই তথ্য খোদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের৷ সংশ্লিষ্ট শাখা এবং দায়িত্বপ্রাপ্তরা কাগজপত্র দেখে এই তথ্য দিলেও তারা নিজেদের নাম প্রকাশ করতে চাননি। বহুল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের লাইসেন্স ২০১৩ সালের পর আর নবায়ন হয়নি৷ কিন্তু এই হাসপাতালের সাথেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কোভিড হাসপাতালের চুক্তি করেছিলো৷ অধিদপ্তরের দাবি করেছে, উত্তরার এই হাসপাতালটিতে কয়েকবার অভিযান চালিয়ে তাদের সতর্ক করলেও তারা তা আমলে নেয়নি৷ নিয়ম অনুযায়ী এখন সব বেসরকারি হাসপাতালের রেজিষ্ট্রেশন অনলাইনে বাধ্যতামূলক৷ কোনো একটি শর্ত পুরণ না করতে পারলে অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন হয় না৷ তাই নবায়নও হয় না৷

লাইসেন্স কীভাবে পাওয়া যায়

লাইসেন্স দেয়া হয় ১০ বেডের হাসপাতাল বা ক্লিনিক হিসেবে এক বছরের জন্য৷ প্রতি বছর লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়৷ ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে একই নিয়ম৷ এই হাসপাতালের লাইসেন্স পেতে হলে কমপক্ষে তিন জন এমবিবিএস ডাক্তার, ছয় জন নার্স ও দুইজন ক্লিনার থাকতে হবে৷ প্রত্যেকটি বেডের জন্য ৮০ বর্গফুট জায়গা থাকতে হবে৷ অপারেশন থিয়েটার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হতে হবে৷ আর সেখানে কি কি আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকতে হবে তাও বলা আছে৷ এরসঙ্গে ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন নাম্বার, বিআইএন নাম্বার, পরিবেশ এবং নারকোটিকস-এর লাইসেন্স লাগবে৷ অপারেশন থিয়েটারের জন্য নারকোটিকস-এর লাইসেন্স বাধ্যতামূলক৷ তবে আউটডোর, এমার্জেন্সি এবং অপারেশন থিয়েটার বাধ্যতামূলক নয়৷ হাসপাতালের ধরন অনুযায়ী শর্ত থাকে৷



আবেদনের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন উপ-পরিচালকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের টিম সরেজমিন পরিদর্শন করে লাইসেন্স দেয়৷ লাইসেন্স নিতে ঢাকায় ৫০ হাজার এবং জেলা উপজেলায় ৪০ হাজার টাকা লাগে৷

১০ বেডই প্রাইভেট হাসপাতালের ইউনিট৷ এরপর বেড বেশি হলে আনুপাতিক হারে জনবল বাড়ে৷

কত হাসপাতাল-ক্লিনিক
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসেবে চার হাজার ৮৪টি হাসপাতাল ও ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এপর্যন্ত অনলাইনে লাইসেন্স নিয়েছে৷ তবে লাইসেন্স আছে এমন হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সংখ্যা পাঁচ হাজার ৫৫টি। রাজধানীসহ ঢাকা জেলায় আছে ২৯৪টি৷ যারা আগে ম্যানুয়ালি লাইসেন্স নিয়েছে তাদেরও আবার অনলাইনে লাইসেন্স নিতে হবে৷ এইসব হাসপাতালের অর্ধেকই লাইসেন্স নবায়ন করেনি৷ এক বছরের জন্য লাইসেন্স নবায়ন করতে লাগে পাঁচ হাজার টাকা৷ ২০১৮ সালের নভেম্বর থেকে অনলাইন পদ্ধতি চালু হয়৷ তবে বাস্তবে সারাদেশে সাত হাজারের মত প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক আছে৷ যার একটি অংশের লাইসেন্সই নাই৷ কেউ কেউ আবার আবেদন করেই হাসপাতাল চালু করে দেন৷

নবায়ন না করলে কি হয়?

লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করলে বা নবান না করলে লাইসেন্স বাতিল করার বিধান আছে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ( প্রাইভেট হাসপাতাল) ইউনূস আলী৷ তবে অধিদপ্তর লাইসেন্স বাতিল করতে পারেনা৷ পারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়৷ অধিদপ্তর মৌখিক এবং লিখিতভাবে তাদের সতর্ক করতে পারে৷ ১৫ দিন সময় দিয়ে হাসপতাল সাময়িক বন্ধের জন্য নোটিশ দিতে পারে৷ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তি দিতে পারে৷ ২০১৮ সালে ঢাকার ৩০টি প্রাইভেট ক্লিনিককে শোকজ করে ১৫ দিনের মধ্যে সাময়িকভাবে বন্ধ করতে বলেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর৷ তখন ভ্রাম্যমাণ আদালতও পরিচালনা করা হয়৷ কিন্তু সেই হাসপাতালগুলো আবারও চালু হয়েছে৷ ২০১৯ ও ২০২০ সালে কোনো হাসপাতালকে সাময়িক বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়নি৷ ২০১৯ সালে যশোরে নূর মহল ক্লিনিকের লাইসেন্স বাতিল করা হলেও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তার আগের বছরের৷ আর সেটা বন্ধ করেছিলো মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর নয়৷

উপ-পরিচালক ইউনূস আলী বলেন, ‘শর্ত পুরণ না করলে আমরা লাইসেন্স দেইনা৷ আর লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করলে তাদের শোকজ করি এবং লাইসেন্স বাতিলসহ নানা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করি৷’


তবে গত দুই বছরে কতটি হাসাপতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তা তিনি জানাতে পারেননি৷ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পদ্ধতি হলো কেউ অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেয় হয়, নিজেরা মনিটরিং করেনা বলে জানান তিনি৷ আর কেউ আবেদন করেই হাসপাতাল চালু করে দিলে তারা বন্ধ করতে বলেন মাত্র৷ তাই রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে র‌্যাব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নয়৷

এদিকে অধিদপ্তরেরই একটি সূত্র জানায়, হাসপাতালগুলোর একাংশ লাইসেন্স নেয়ার সময় ভাড়া করে চিকিৎসক, নার্স ও যন্ত্রপাতি আনে৷ পরে যা আর থাকে না৷ কোনো রকম চালানো হয়৷

বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ১০ হাজারের বেশি৷ তবে এরমধ্যে হাসপাতাল ও ক্লিনিক কতটি সে হিসাব তাদের কাছে নেই৷ সংঠনের সভাপতি ডা. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘লাইসেন্স ছাড়াও অনেক হাসপাতাল ক্লিনিক আছে৷ আমরা তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে বার বার বলেছি৷ রিজেন্ট হাসপতাল আমাদের সদস্য নয়৷ ওই ধরনের হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা পত্রিকায় কয়েকদিন আগে বিজ্ঞাপনও দিয়েছি৷’ তবে এবার কোভিডের কারণে অনেক হাসপাতাল লাইসেন্স নবায়ন করতে পারেনি বলে জানান তিনি৷ অনলাইনের কারণেও অনেকে নবায়ন করতে পারছেনা৷ শতভাগ সঠিক না হলে অনলাইনে নিবন্ধন এবং নবায়ন সম্ভব নয় বলে জানান তিনি৷

মহাপরিচালক সংবাদমাধ্যমে কথা বলছেন না। সার্বিক বিষয় নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ কথা বলতে রাজি হননি৷ তিনি জানান, ‘আমি গত এক সপ্তাহ ধরে মিডিয়ার সাথে কথা বলছি না৷ এখন থেকে মিডিয়া সেল কথা বলবে৷’ কিন্তু মিডিয়া সেলে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো তথ্যই দিতে পারেনি৷

সূত্র : ডয়েচে ভেলে

 

মস্তিষ্কে মারাত্মক প্রভাব ফেলে করোনাভাইরাস
                                  

আপনি যদি মনে করেন, কোভিড-১৯ শুধুই একটা শ্বাসতন্ত্রের রোগ, তাহলে ভুল করছেন। যত দিন যাচ্ছে ততই আরো বেশি করে স্পষ্ট হচ্ছে যে, করোনাভাইরাস মানুষের মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুতন্ত্রে বহু রকমের সমস্যা সৃষ্টি করে।

এর মধ্যে আছে স্ট্রোক, মানসিক বিকার, প্রলাপ, বিভ্রম, ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা। বিজ্ঞানীরা দেখছেন, করোনাভাইরাসজনিত নিউরোলজিক্যাল সমস্যার এই তালিকা যেন শেষ হচ্ছে না।

করোনাভাইরাস সংক্রমণে যাদের উপসর্গ তুলনামূলকভাবে মৃদু ছিল, তাদের অনেকে অভিযোগ করছেন যে, তারা অনেক কিছু মনে রাখতে পারছেন না। কেউ বা মানসিক অবসাদ বোধ করছেন, অনেকে আবার কোনো কিছুতে আগের মতো মন:সংযোগ করতে পারছেন না। আর যারা স্ট্রোকের শিকার হয়েছেন, তাদের পরীক্ষা করে ডাক্তাররা যা দেখেছেন তা রীতিমত ভীতিকর।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর দুই‌‌বার স্ট্রোকের শিকার হয়েছিলেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ সংক্রান্ত পরিচালক পল মিলরি।

স্ট্রোকের পর তার চিকিৎসা করেছিলেন কনসালট্যান্ট নিউরোলজিস্ট ডা. অরবিন্দ চন্দ্রদেবা।

তিনি বলছিলেন, তিনি যখন বাড়ি ফিরতে হাসপাতাল থেকে বের হবেন ঠিক তখন পলকে নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সটি আসে।

‘পলের মুখে তখন একটা ভাবলেশহীন অভিব্যক্তি। তিনি শুধু এক পাশে দেখতে পাচ্ছিলেন। তিনি কীভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে হয় বা তার পাসকোড কী - এসব মনে করতে পারছিলেন না।’

দ্বিতীয় স্ট্রোকের পর পলের মস্তিষ্কের একটা অংশে রক্ত পৌঁছাতে পারছিল না।

ডা. চন্দ্রদেবা বলছিলেন, রক্ত জমাট বাঁধার পরিমাণ মাপার একটা সূচক আছে যাকে বলা হয় ডি-ডাইমার। সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে এটা হয় তিন শ’ও কম। কিন্তু স্ট্রোকের রোগীদের ক্ষেত্রে তা এক হাজারে উঠে যায়।

কিন্তু পল মিলরি‌র ক্ষেত্রে এটা ৮০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল, যা প্রায় অবিশ্বাস্য।

ডা. চন্দ্রদেবা বলেন, ‘‍আমি কখনো এমন ব্যাপার দেখিনি। করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় তার শরীরে এমন একটা কিছু হয়, যাতে তার রক্ত জমে আঠালো হয়ে গিয়েছিল।’

ড. চন্দ্রদেবার হাসপাতাল এন এইচ এন এন-এ দুই সপ্তাহের মধ্যে ছয়জন কোভিড-১৯ আক্রান্ত লোককে ভর্তি করা হয় - যাদের স্ট্রোক হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের দেহে রক্ত গুরুতরভাবে জমাট বেঁধে গিয়েছিল।

এর একটা কারণ হলো, করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা অতিমাত্রায় সক্রিয় হয়ে ওঠা– যাতে দেহে ও মস্তিষ্কে প্রদাহ সৃষ্টি হয়।

ডাক্তাররা ভেবেছিলেন ৬৪ বছর বয়স্ক পল মিলরি দু’‌‌দফা স্ট্রোকের পর হয়তো বাঁচবেন না বা পঙ্গু হয়ে যাবেন। তার স্ত্রী ও মেয়েরাও তাই ভেবেছিলেন। কিন্তু তিনি ভালোভাবেই সেরে উঠেছেন।

তিনি এখনও একাধিক ভাষায় কথা বলতে পারেন ভালোভাবেই কিন্তু আগের মত দ্রুতগতিতে পড়তে পারেন না এবং কখনো কখনো তিনি নানা জিনিস ভুলে যাচ্ছেন।

ল্যান্সেটের জরিপ

দি ল্যান্সেট সাইকিয়াট্রির এক জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যের হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া ১২৫ জন কোভিড-১৯ রোগীর মধ্যে মস্তিষ্কের জটিলতা দেখা গেছে।

এই ১২৫ জনের প্রায় অর্ধেকের রক্ত জমাট বাঁধার কারণে স্ট্রোক হয়েছে, অন্যদের ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের প্রদাহ হয়েছে, কারো স্মৃতিভ্রংশের লক্ষণ দেখা দিয়েছে– কারো কারো ক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে মানসিক ব্যাধি।

রিপোর্টের প্রণেতাদের একজন লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক টম সলোমন বলছেন, ‘আগে আমরা ভাবতাম করোনাভাইরাস ফুসফুসে আক্রমণ করে কিন্তু এখন এটা স্পষ্ট যে এটা মস্তিষ্কেও সমস্যা সৃষ্টি করে।’

‘এর একটা কারণ মস্তিষ্কে অক্সিজেন কমে যাওয়া, তা ছাড়া আছে রক্ত জমাট বাঁধা, এবং রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার অতিমাত্রায় সক্রিয় হয়ে ওঠার ফলে সৃষ্ট প্রদাহ। তা ছাড়া আমাদের এ প্রশ্নটাও করতে হবে যে ভাইরাসটি নিজেই মস্তিষ্কে সংক্রমণ ঘটাচ্ছে কিনা।’

কানাডিয়ান নিউরোসায়েন্টিস্ট অধ্যাপক এ্যাড্রিয়ান ওয়েন একটি অনলাইন জরিপ শুরু করেছেন, যা বিশ্বব্যাপী গবেষণা চালাবে যে করোনাভাইরাস কীভাবে বোধশক্তির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।

এন এইচ এন এন-এর নিউরোলজিস্ট মাইকেল জান্ডি বলছেন, ‘এর আগে সার্স ও মার্স ভাইরাসের সাথেও স্নায়ুতন্ত্রের রোগের সম্পর্ক দেখা গিয়েছিল। কিন্তু এই নতুন করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে যা দেখছি তা আগে কখনো দেখিনি ‘

‘এর সাথে একমাত্র ১৯১৮ সালের স্প্যানিশ ফ্লুর তুলনা চলে। ওই মহামারির পরের ১৫-২০ বছরে মানুষের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে মস্তিষ্কের রোগসহ নানা সমস্যা দেখা গিয়েছিল।’

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে ১৯১৮ সালে পৃথিবী জুড়ে এনসেফালাইটিস লেথার্জিকা নামে এক রহস্যময় রোগ ছড়িয়েছিল– যাতে প্রায় ১০ লাখ লোক আক্রান্ত হয়েছিল।

এর কারণ সম্পর্কে খুব বেশি তথ্যপ্রমাণ নেই। এতে আক্রান্তদের মধ্যে সংজ্ঞাহীনতা এবং পার্কিনসন্স রোগের মত সমস্যা দেখা দেয়- যাতে তাদের সারাজীবন ভুগতে হয়।

কোভিড-১৯ এবং ১৯১৮ সালের স্প্যানিশ ফ্লুর তুলনা করার ব্যাপারে সাবধান হওয়া দরকার।

কিন্তু কোভিড রোগীদের মধ্যে স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যার লক্ষণ এত বেশি দেখা যাচ্ছে যে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রতিক্রিয়া কী হবে তার অনুসন্ধান খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র : বিবিসি

করোনা আক্রান্ত ক্যান্সার রোগীরাও আইভারমেক্টিনে সুস্থ হচ্ছে
                                  

করোনা আক্রান্ত ক্যান্সার রোগীরাও আইভারমেক্টিনে সুস্থ হচ্ছেন। আইভারমেক্টিন একটি অ্যান্টি প্যারাসাইটিক ওষুধ। মূলত শরীরের প্যারাসাইট বা পরজীবী ধ্বংস করতে ওষুধটির ব্যবহার হয়ে আসছিল।

রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতাল স্কয়ারের অনকোলজি ইউনিটের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা: সৈয়দ মোহাম্মদ আকরাম হোসেন মঙ্গলবার এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, তিনি স্কয়ার হাসপাতালের ক্যান্সার ইউনিটের ২০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ক্যান্সার রোগীকে আইভারমেক্টিন দিয়ে করোনাভাইরাস মুক্ত করেছেন।

তিনি জানান, ‘আমি এ তথ্যটা এ জন্য দিলাম যে, অন্যান্য চিকিৎসকও করোনা মুক্ত করতে যেন রোগীদের আইভারমেক্টিন ব্যবহার করতে পারেন।’

অধ্যাপক সৈয়দ আকরাম হোসেইন জানান, ‘ক্যান্সারের আক্রান্ত করোনা রোগীদের চিকিৎসা কী হবে তা নিয়ে অনেক চিকিৎসকই সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না।

অধ্যাপক আকরাম হোসেন বলেন, ‘অ্যান্টি প্যারাসাইটিক এ ওষুধটি ক্যান্সার রোগীদের মধ্যে প্রয়োগ করা যায় এবং এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এ ছাড়া করোনা শনাক্ত হওয়ার শুরুতেই ব্যবহার করতে পারলে খুব ভালো কাজ করে।’

বাংলাদেশে গত মে মাসে ধানমন্ডির ‘বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের’ অধ্যাপক ডা: তারিকুল আলম ৬০ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর মধ্যে আইভারমেক্টিন প্রয়োগ করেছেন। তার গবেষণা সফল হলে তিনি সংবাদমাধ্যমেও তা প্রকাশ করেন। তার এ গবেষণা বিদেশী প্রচারমাধ্যমেও স্থান পায়।

এ সাফল্যের পর সম্প্রতি মহাখালী কলেরা গবেষণা কেন্দ্র আইসিডিডিআর,বি রাজধানীর চারটি হাসপাতালে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে আইভারমেক্টিন নিয়ে গবেষণা শুরু করেছে। এ গবেষণার অর্থায়ন করছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল। আইসিডিডিআর,বি জানিয়েছে, গবেষণাটি শেষ হলে তারা শিগগিরই গবেষণার ফল জানাবেন।

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ ইউনিভার্সিটির বায়োমেডিসিন ডিসকভারি ইনিস্টিটিউটের গবেষকরা ল্যাবরেটরি গবেষণায় দেখেছেন যে, আইভারমেক্টিনের এক ডোজ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আরএনএ ভাইরাস করোনাকে বাধা প্রদান করতে পারে। ফলে করোনাভাইরাস চিকিৎসায় আইভারমেক্টিনের আরো অধিকতর গবেষণার সুপারিশ করেছেন। অনলাইনে মোনাশ ইউনিভার্সিটির এই গবেষণার ফল প্রকাশের পর বিভিন্ন দেশে করোনা রোগীদের ওপর ব্যাপক হারে এই আইভারমেক্টিনের ক্লিনিকাল ট্রায়াল চলছে।

উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালে বিশ্ববাজারে সর্বপ্রথম আইভারমেক্টিন ওষুধটি বাজারজাত করা হয়। তখন থেকে এটি ফাইলেরিয়াসিস রোগে ব্যাবহার করা শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞানীরা অন্যান্য প্যারাসাইটিক সংক্রমণেও এটি ব্যবহার করা যায় কি না তা নিয়ে গবেষণা করেন। স্ক্যাবিস ও উকুননাশক হিসেবে এর ব্যবহার হলে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান এফডিএ ১৯৯৮ সালে আইভারমেক্টিন অনুমোদন করে।

বাংলাদেশে ডেলটা ফার্মা প্রথমবারের মতো ‘স্ক্যাবো ৬’ নামে আইভারমেক্টিন ৬ মিলিগ্রাম ওষুধটি ট্যাবলেট আকারে উৎপাদন ও বাজারজাত শুরু করে। স্ক্যাবো-৬-এর প্রতিটি ট্যাবলেটের খুচরা মূল্য পাঁচ টাকা।


   Page 1 of 93
     স্বাস্থ্য-তথ্য
স্থানভেদে করোনা ভাইরাস ২৮ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে
.............................................................................................
অস্ট্রেলিয়ান প্রযুক্তিতে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে সঠিকভাবে করোনাভাইরাস নির্ণয়
.............................................................................................
দেশে বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি হিসেবে রয়ে গেছে যক্ষ্মা
.............................................................................................
সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটেই ফল পাওয়া যাবে করোনা পরীক্ষার
.............................................................................................
গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১ হাজার ৮২৭ জন আক্রান্ত, ৪১ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
বাংলাদেশে মরণব্যাধী করোনাভাইরাসের ৫ ধরনের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব শনাক্ত
.............................................................................................
স্যানিটাইজার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম জানেন তো?
.............................................................................................
আজই ত্যাগ করুন দাড়িয়ে খাবার অভ্যাস
.............................................................................................
জেনে নেই রক্তে অক্সিজেন মাত্রা কমলে বুঝার উপায়!
.............................................................................................
খাওয়ার পর যে বদ অভ্যাসগুলো ত্যাগ করবেন
.............................................................................................
লিভারে যে কারণে চর্বি জমে এবং যা করণীয়
.............................................................................................
ধরাছোঁয়ার বাইরে ডা. সাবরিনা
.............................................................................................
বাংলাদেশে করোনা রোগী পৌনে ২ লাখ ছাড়াল
.............................................................................................
অর্ধেক বেসরকারি হাসপাতালের লাইসেন্স মেয়াদোত্তীর্ণ
.............................................................................................
মস্তিষ্কে মারাত্মক প্রভাব ফেলে করোনাভাইরাস
.............................................................................................
করোনা আক্রান্ত ক্যান্সার রোগীরাও আইভারমেক্টিনে সুস্থ হচ্ছে
.............................................................................................
চালু হলো বাংলাদেশের রক্ত দানের সোস্যাল নেটওয়ার্ক ভিত্তিক ওয়েবসাইট এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন
.............................................................................................
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খাদ্যতালিকায় রাখুন জিঙ্ক
.............................................................................................
করোনা ভাইরাস অতিছোঁয়াচে,সংক্রমণ থেকে বাঁচার উপায়
.............................................................................................
কালোজিরা ব্যবহারে সারবে করোনা দাবি মদিনার গবেষকদের
.............................................................................................
করোনায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যা খাবেন
.............................................................................................
আগস্টে ইনহেলারে আসছে করোনার ভ্যাকসিন: অক্সফোর্ডের গবেষক
.............................................................................................
যত্রতত্র সুরক্ষা সামগ্রী ফেলায় বাড়তে পারে ঝুঁকি
.............................................................................................
রেমডেসিভির বাজারজাত শুরু করেছে বেক্সিমকো ফার্মা
.............................................................................................
চার মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২৯১
.............................................................................................
করোনায় দেশব্যাপী দুই শতাধিক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত
.............................................................................................
মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্সসহ করোনায় আক্রান্ত ৪৪
.............................................................................................
আমরা মহা সংকটে আছি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
.............................................................................................
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ফিজিওথেরাপি কল সেন্টার চালু
.............................................................................................
বিভিন্ন নার্সিং কোর্সে অধ্যয়নরত নার্সদের ছুটি বাতিল
.............................................................................................
কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে নার্সদের পূর্ণ পিপিই না দেয়ার অভিযোগ
.............................................................................................
করোনাভাইরাস: কোরিয়ান মডেলে বাংলাদেশে টেস্টিং বুথ
.............................................................................................
করোনা ভাইরাসে ১০টি বিষয় খেয়াল রাখুন
.............................................................................................
কোয়ারেন্টাইন কি? কীভাবে থাকবেন, কতদিন থাকবেন?
.............................................................................................
করোনা: কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতে সরকারের সতর্কতা জারি
.............................................................................................
টমেটোতে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে
.............................................................................................
কিডনি সুস্থ রাখতে করনীয়
.............................................................................................
মানুষের দেহে করোনার জীবাণুর স্থায়িত্ব ৩৭ দিন
.............................................................................................
টিকা নিয়ে আমাদের যত ভুল ধারণা
.............................................................................................
স্কুল-কলেজ বন্ধ করার মতো পরিস্থিতি হয়নি: আইইডিসিআর
.............................................................................................
টক দই শরীরকে সুস্থ ও তরতাজা রাখে
.............................................................................................
সজনে গাছ ৩০০ ধরনের রোগ থেকে বাঁচাবে
.............................................................................................
বুঝেশুনে পানি পান করুন
.............................................................................................
যে ৭ কারণে রোজ কমলা খাবেন
.............................................................................................
বিছানার পাশে লেবুর টুকরো!
.............................................................................................
খালিপেটে যেসব খাবার থেকে বিরত থাকবেন
.............................................................................................
দগ্ধ হলে করণীয়
.............................................................................................
শীতকালে সুস্থ থাকার ৯টি সহজ উপায়
.............................................................................................
ফুসফুসের সুস্থতা জরুরি রোগমুক্ত থাকতে
.............................................................................................
রক্তদূষণ রোগ ক্যানসারের চেয়ে ভয়াবহ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
সম্পাদক মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী
সম্পাদক কর্তৃক ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ইউরোপ মহাদেশ বিষয়ক সম্পাদক- প্রফেসর জাকি মোস্তফা (টুটুল)
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমেদ
নির্বাহী সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম রানা
বার্তা সম্পাদক : মোঃ আকরাম খাঁন
সহঃ সম্পাদক: হোসাইন আহমদ চৌধুরী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন : ০২-৯৫৬২৮৯৯ মোবাইল: ০১৬৭০-২৮৯২৮০
ই-মেইল : swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD