| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য-তথ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
চার কাজে জেনে নিন আপনি কতটুকু সুস্থ

 বলা হয় স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। অসুস্থ হলেই সেটা হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যায়। আর তাই সবাই সুস্থ থাকতে চায়। বিজ্ঞানীদের মতে, একজন মানুষ যদি চারটি কাজ নিয়মিত করতে পারেন, তাহলে বোঝা যায় যে সেই মানুষটি সুস্থ। জেনে নিন সেই চারটি কাজ সম্পর্কে।


এক পায়ে ভারসাম্য: শুনতে অদ্ভুত শোনাতে পারে যে যদি আপনি এক পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে ভারসাম্য রাখতে পারেন, তাহলে আপনার ব্রেইন ভালো আছে। এক পায়ের উপর ভর করে ৬০ সেকেন্ড দাঁড়িয়ে থাকার চেষ্টা করুন। যদি ২০ সেকেন্ড পরেই ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন, তাহলে ব্রেইনের সমস্যায় ভোগার ঝুঁকিতে আছেন আপনি। জাপানের একটি গবেষণায় যেই ৩০ শতাংশ বয়স্ক ব্যক্তি এই পরীক্ষায় ভারসাম্য রাখতে পারেননি তাদের প্রত্যেকেরই মস্তিষ্কে সামান্য হলেও রক্তক্ষরণের ইতিহাস হয়েছে। মাইক্রোব্লিডিং এর কারণে শরীরের ভারসাম্যে সমস্যা দেখা দেয়। এই মাইক্রোব্লিডিং পরবর্তীতে মস্তিষ্কের বড় ধরণের সমস্যা তৈরি করতে পারে।


চেয়ার টেস্ট: চেয়ারে বসুন। এরপর দাঁড়ান। এভাবে টানা দশবার করুন। দেখুন পুরো কাজটি করতে কতক্ষণ সময় লাগলো। যুক্তরাজ্যের একটি গবেষণায় জানা গেছে, প্রাপ্তবয়স্ক যেই অংশগ্রহণকারীরা দশ বার চেয়ারে উঠা-বসার এই কাজটি ২১ সেকেন্ড অথবা তার কম সময়ে করতে পেরেছে তারা অন্যান্যের তুলনায় শারীরিক ভাবে বেশি সুস্থ এবং সবল। এই কাজটি করতে শরীরের নিচের অংশের মাংসপেশির জোর থাকতে হয় এবং হৃদপিন্ড সুস্থ থাকতে হয়।


পায়ের আঙুল স্পর্শ: মেঝেতে পা মেলে বসুন। এরপর পা সোজা রেখে পায়ের আঙুল স্পর্শ করার চেষ্টা করুন। যদি ব্যর্থ হন তাহলে আপনার হৃদপি-ের সমস্যায় ভোগার ঝুঁকি রয়েছে। নর্থ টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে শরীরের নমনীয়তার সঙ্গে রক্তনালীর নমনীয়তার সম্পর্ক আছে। রক্তনালী যদি অনমনীয় হয়ে যায় তাহলে রক্ত পাম্প করতে হার্টের জন্য কঠিন হয়ে যায়। ফলে হৃদপি-ের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।


দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে উঠা: গ্যালিসিয়ার ইউনিভার্সিটি হসপিটাল করুনার একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, যদি কোনো বিরতি ছাড়া চার ফ্লাইট সিঁড়ি বেয়ে উঠতে পারে কেউ, তাহলে তার অকালে মৃত্যুর ঝুঁকি কম। গবেষকদের মতে একজন মানুষ যদি সুস্থ হয়, তাহলে এই পরীক্ষাটি তার এক মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন করতে পারার কথা। যারা পারেন না, তাদের হার্টের সমস্যা এবং ক্যানসারে ভুগে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি থাকে। তবে হুড়মুড় করতে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে গিয়ে যেন পড়ে না যান, সেই ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

চার কাজে জেনে নিন আপনি কতটুকু সুস্থ
                                  

 বলা হয় স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। অসুস্থ হলেই সেটা হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যায়। আর তাই সবাই সুস্থ থাকতে চায়। বিজ্ঞানীদের মতে, একজন মানুষ যদি চারটি কাজ নিয়মিত করতে পারেন, তাহলে বোঝা যায় যে সেই মানুষটি সুস্থ। জেনে নিন সেই চারটি কাজ সম্পর্কে।


এক পায়ে ভারসাম্য: শুনতে অদ্ভুত শোনাতে পারে যে যদি আপনি এক পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে ভারসাম্য রাখতে পারেন, তাহলে আপনার ব্রেইন ভালো আছে। এক পায়ের উপর ভর করে ৬০ সেকেন্ড দাঁড়িয়ে থাকার চেষ্টা করুন। যদি ২০ সেকেন্ড পরেই ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন, তাহলে ব্রেইনের সমস্যায় ভোগার ঝুঁকিতে আছেন আপনি। জাপানের একটি গবেষণায় যেই ৩০ শতাংশ বয়স্ক ব্যক্তি এই পরীক্ষায় ভারসাম্য রাখতে পারেননি তাদের প্রত্যেকেরই মস্তিষ্কে সামান্য হলেও রক্তক্ষরণের ইতিহাস হয়েছে। মাইক্রোব্লিডিং এর কারণে শরীরের ভারসাম্যে সমস্যা দেখা দেয়। এই মাইক্রোব্লিডিং পরবর্তীতে মস্তিষ্কের বড় ধরণের সমস্যা তৈরি করতে পারে।


চেয়ার টেস্ট: চেয়ারে বসুন। এরপর দাঁড়ান। এভাবে টানা দশবার করুন। দেখুন পুরো কাজটি করতে কতক্ষণ সময় লাগলো। যুক্তরাজ্যের একটি গবেষণায় জানা গেছে, প্রাপ্তবয়স্ক যেই অংশগ্রহণকারীরা দশ বার চেয়ারে উঠা-বসার এই কাজটি ২১ সেকেন্ড অথবা তার কম সময়ে করতে পেরেছে তারা অন্যান্যের তুলনায় শারীরিক ভাবে বেশি সুস্থ এবং সবল। এই কাজটি করতে শরীরের নিচের অংশের মাংসপেশির জোর থাকতে হয় এবং হৃদপিন্ড সুস্থ থাকতে হয়।


পায়ের আঙুল স্পর্শ: মেঝেতে পা মেলে বসুন। এরপর পা সোজা রেখে পায়ের আঙুল স্পর্শ করার চেষ্টা করুন। যদি ব্যর্থ হন তাহলে আপনার হৃদপি-ের সমস্যায় ভোগার ঝুঁকি রয়েছে। নর্থ টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে শরীরের নমনীয়তার সঙ্গে রক্তনালীর নমনীয়তার সম্পর্ক আছে। রক্তনালী যদি অনমনীয় হয়ে যায় তাহলে রক্ত পাম্প করতে হার্টের জন্য কঠিন হয়ে যায়। ফলে হৃদপি-ের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।


দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে উঠা: গ্যালিসিয়ার ইউনিভার্সিটি হসপিটাল করুনার একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, যদি কোনো বিরতি ছাড়া চার ফ্লাইট সিঁড়ি বেয়ে উঠতে পারে কেউ, তাহলে তার অকালে মৃত্যুর ঝুঁকি কম। গবেষকদের মতে একজন মানুষ যদি সুস্থ হয়, তাহলে এই পরীক্ষাটি তার এক মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন করতে পারার কথা। যারা পারেন না, তাদের হার্টের সমস্যা এবং ক্যানসারে ভুগে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি থাকে। তবে হুড়মুড় করতে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে গিয়ে যেন পড়ে না যান, সেই ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

প্রাকৃতিক দূর্যোগে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের প্রয়োজনীয়তা
                                  

 সম্প্রতি ইরানে কয়েকটি শহরে প্রবল বন্যা দেখা দিয়েছিল। এসব বন্যাদুর্গত এলাকায় ইস্পাহান মেডিক্যেল বিশ্ববিদ্যালয় ইরান থেকে সে এলাকার মানুষদের সেবা দিতে কয়েক বার ক্যাম্প করা হয়েছিল। ক্যাম্পগুলোর প্রায় প্রতিটি সাজানো হয়েছিল কয়েকজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অথবা অন্যকোন ফিল্ডের বিশেষজ্ঞ সঙ্গে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ দিয়ে। লক্ষ্যনীয় বিষয় হচ্ছে প্রতিটি ক্যাম্পে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের অধিক গুরুত্ব দেয়া হয়েছিল। কিছু ক্যাম্প শুধুমাত্র মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়েই গঠিত হয়েছিল। বিষয়টি শুনে কৌতূহল হয়েছিলাম এজন্য যে বন্যাদূর্গত এলাকায় আদৌ কি এত মনোরোগ বিশেষজ্ঞের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।


সরাসরি বন্যা দূর্গত এলাকায় যাওয়া সম্ভব না হলেও যারা বন্যাদূর্গত এলাকায় সেবা দিতে ক্যাম্পে গিয়েছিলেন তাঁদের কয়েকজন ডাক্তারের সাথে এ নিয়ে কথা বলার সুযোগ হয়েছিল আমার। তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম কেন তাঁরা ক্যাম্পগুলোতে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তিনি জানান, মূলত এসব প্রাকৃতিক দূর্যোগে মানসিকভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় শিশু এবং কিশোর বয়সের ছেলে-মেয়েরা। এসব প্রাকৃতিক দূর্যোগ কম সময় নিয়ে এলেও এর প্রভাব অনেক ক্ষেত্রে সেসব এলাকার মানুষদের মনে দীর্ঘস্থায়ীভাবে থেকে যেতে পারে। যা তাঁদের ভবিষৎ জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।


এসব মানুষের পাশে গিয়ে সমবেদনা জানানো সাথে যতটুকু পারা যায় তাঁদের সাহস দেয়া এবং তাঁদের অবস্থা শুনতে চাওয়া ইত্যাদি তাঁদের মানসিকভাবে অনেক সহযোগীতা করতে পারে। অনুরোধ করবো বাংলাদেশের মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের, প্রাকৃতিক দুযোগ যেমন বন্যা, ভুমিকম্প অথবা অগ্নিকা-ে আক্রান্তদের মানসিকভাবে সাহস দিতে তাঁদের পাশে থাকার।

 

এইডস প্রতিরোধে কলা
                                  

কলার মধ্যে রয়েছে এমন এক পদার্থ, যা মানব দেহে রোগ সংক্রামক ও মারণাত্মক ভাইরাসের সঙ্গে মোকাবেলা করতে সাহায্য করে। কলার মধ্যে যে পদার্থ রয়েছে তা এইডস, হেপাটাইটিস সি এবং ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো মারাত্মক ব্যাধির ওষুধ হিসেবেও কাজ করে।


গবেষকদের দাবি, কলার মধ্যে যে প্রোটিন রয়েছে তার নাম ব্যানানা ল্যাকটিন। এই ল্যাকটিন মানব শরীরের কোষগুলোর মধ্যে ভাইরাস সংক্রমণকে প্রতিরোধ করতে পারে।
গবেষকদের মতে BanLec (ব্যানানা ল্যাকটিন) মানব শরীরে এইডস, হেপাটাইটিস সি এবং ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো ভাইরাসগুলোকে বিনাশ করে দেয়।

আমেরিকার মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ে এই গবেষণা চালানো হয়। কলার বিভিন্ন নমুনা নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে। কলার মধ্যেকার প্রোটিন থেকে যদি প্রতিষেধক কিছু আবিষ্কার করা যায় তবে তা চিকিৎসা বিজ্ঞানকে সহায়তা করবে।

ঘরেই চাষ হোক অ্যালোভেরা
                                  

টাটকা অ্যালোভেরার শরবতের রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। এ ছাড়া ত্বক ও চুলচর্চায়ও এই ভেষজের জুড়ি মেলা ভার। টাটকা অ্যালোভেরা যদি হাতের কাছে পেতে চান, তাহলে টবেই লাগিয়ে ফেলতে পারেন অ্যালোভেরা গাছ। অ্যালোভেরার একটি পাতা থেকেই হবে গাছ। খুব বেশি যতœআত্তিরও প্রয়োজন নেই এই গাছের।

চাষের জন্য কয়েকটি অ্যালোভেরার পাতা সংগ্রহ করুন। লক্ষ রাখবেন যেন নিচের দিকের সাদা অংশটি থাকে পাতার সঙ্গে। এবার সাধারণ মাটির মাঝে গর্ত করে বসিয়ে দিন অ্যালোভেরার পাতা। পানি দিয়ে ভিজিয়ে দিন মাটি। শেকড় গজাতে শুরু করলে বড় পাত্রে সরিয়ে দিতে পারেন পাতা। চাইলে একবারেও বড় টবে লাগাতে পারেন।

আরেকটি উপায়ে অ্যালোভেরার পাতা থেকে গাছ গজাবে। অ্যালোভেরার পাতা মাঝখান থেকে কেটে নিন ধারালো ছুরির সাহায্যে। দুই সপ্তাহ উষ্ণ স্থানে রেখে দিন পাতা। বাদামি রং হয়ে আসলে টবে লাগান। তবে নিচে যেন ছিদ্র থাকে সেদিকে লক্ষ রাখবেন। ঝরঝরে মাটি দিয়ে দিন টবে। মাটির মাঝে অ্যালোভেরার পাতা গুঁজে পানি দিয়ে দিন। এমন জায়গায় রাখবেন যেখানে সরাসরি রোদ আসে। পানি দিতে হবে প্রতিদিন। ৪ সপ্তাহের মধ্যেই বাড়তে শুরু করবে অ্যালোভেরা গাছ।

অ্যালোভেরা গাছ দ্রুত বৃদ্ধির জন্য প্রাকৃতিক সার ব্যবহার করতে পারেন। সার তৈরির জন্য ৪/৫টি ডিমের খোসা চূর্ণ করে নিন। মুঠোভর্তি আলুর খোসা, কয়েকটি কলার খোসা ও ডিমের খোসা দেড় লিটার পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পাত্র ঢেকে রাখবেন। ৩ দিন পর ফেনা উঠে গেলে মিশ্রণটি ছেঁকে পানি আলাদা করুন। অ্যালোভেরা গাছে প্রতি ১৫ দিন পর পর এই পানি দিন।  

রক্তচাপ কমে গেলে যা করবেন
                                  

 রোজায় সারাদিন পরে শরীর অনেক ক্লান্ত হয়ে যায়। এতে অনেকের রক্তচাপ কমে যেতে পারে। হঠাৎ করে অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতায় প্রেসার লো হয়।
এ অবস্থায় মাথা ঘোরে, কান্তিবোধ হয়, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বুক ধড়ফড়, অবসাদ ও দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে।
রক্তচাপ কমে গেলে বাড়িতেই যা করতে হবে:

১. বিশ্রাম নিতে নিন, ইফতারের সময়-

২. প্রচুর পানি পান করুন

৩. ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় পান করুন (স্ট্রং কফি, হট চকোলেট, কমল পানীয়)

৪. এক গ্লাস পানিতে দুই চা-চামচ চিনি ও এক-দুই চা-চামচ লবণ মিশিয়ে পান করুন

৫. ডায়াবেটিস থাকলে চিনি খাবেন না

৬. আধা কাপ বাদাম খেতে পারেন

৭. নিয়মিত পান করুন বিটের রস হাই ও লো প্রেসারের জন্য সমান উপকারী

৮. যদি প্রেসার বেশি কমে যায় তাহলে নড়াচড়া কম করবেন।

যদি পরপর কয়েকদিন উপসর্গগুলো দেখা যায় তবে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

 

রোজায় সুস্থ থাকতে যেসব খাবার
                                  

 রমজান মাসে টানা ১৪-১৫ ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে হয়। এ সময় দিনের বেলা আমাদের শরীর যকৃৎ ও পেশিতে জমানো শর্করা ও ফ্যাট থেকে শক্তি লাভ করে। শরীরে পানি জমা থাকে না। ঘাম ও প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে যায়, পানিশূন্যতা হয় বলে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা দেখা দেয়। কাজে মনোযোগ দেওয়া যায় না। এ ছাড়া অ্যাসিডিটি, গ্লুকোজ কমে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয় রোজার মাসে।


ইফতারে আমরা অনেক বেশি খেয়ে ফেলি, ভাজা-পোড়া খাবারই বেশি থাকে। এজন্য পেট ফাঁপা, বুক-গলা জ¦লা, বমি বমি ভাব হয়। পাকস্থলী ফাঁকা থাকার পর শুরুতেই অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবার, তৈলাক্ত ও লবণাক্ত খাবার খেলে অ্যাসিডিটি তো বাড়বেই, সঙ্গে পানির তৃষ্ণা এবং খিদে বাড়িয়ে দেয়। ইফতারের পর থেকে সাহ্রি পর্যন্ত তাই উচ্চ আঁশযুক্ত খাবার, ফল, সবজি, বাদাম এবং পানিকে প্রাধান্য দিতে হবে।


ইফতার
ইফতারে এমন খাবার রাখবেন, যাতে প্রাকৃতিক চিনির জোগান থাকে এবং যা দ্রুত শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।
পানীয়: পানি, ফলের শরবত, স্মুথি, দুধ-এগুলো পানীয়ের অন্তর্ভুক্ত। দুধ ও ফল দিয়ে বানানো ড্রিংকস যেমন ব্যানানা শেক, ম্যাঙ্গো শেক প্রাকৃতিকভাবে সুগার ও ক্যালরির ভালো উৎস। অতিরিক্ত চিনি দেওয়া শরবত বা কৃত্রিম ফলের জুস খাওয়া যাবে না। ঘরে তৈরি ফ্রেশ ফলের জুস নিন।


খেজুর: খেজুর শর্করা ও খনিজ যেমন পটাশিয়াম, কপার, ম্যাঙ্গানিজ এবং আঁশের অনেক ভালো উৎস। ইফতারে তাই দুটি করে খেজুর রাখুন।
ফল: ইফতারে ফল ডিহাইড্রেশন দূর করে। বিশেষ করে পানিজাতীয় ফল যেমন তরমুজ, আনারস, বাঙ্গি, কমলা, মাল্টা, নাশপাতি খান।
স্যুপ: সবজি ও চিকেন দিয়ে তৈরি স্যুপ রাখা ভালো। মাঝেমধ্যে ছোলা, পিঁয়াজু ও বেগুনির বদলে আমরা স্যুপ রাখতে পারি।
দই: দইয়ে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়োডিন ও ভিটামিন ডি থাকে, সহজে খাবার হজম করে। ইফতারে তাই দই, চিড়া-মুড়ি মাখানো
খেতে পারেন। সাহ্রিতে খাওয়ার পরও দই খেতে পারেন।


কাঁচা ছোলা: রান্না ছোলার থেকে কাঁচা ছোলায় পুষ্টিগুণ বেশি। রান্না করলে যে তেল মসলা খাওয়া হতো, সেটা থেকেও বাঁচা যায়। ছোলায় ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস ও উচ্চ প্রোটিন রয়েছে। শরীরে শক্তির জোগান দিতে এর কোনো বিকল্প নেই।
রাতের খাবার
ইফতারের পর রাতে হালকা খাবার খাওয়াই উত্তম। রাতে লাল আটার রুটি, পাস্তা, ভাত অল্প পরিমাণে খাবেন।
প্রোটিনের উৎস হিসেবে বিনস, ডাল ও আঁশের চাহিদা পূরণের জন্য সালাদ থাকতে পারে।
সাহরি
সাহরিতে শস্যযুক্ত খাবার রাখতে হবে। যেসব খাবার ধীরে ধীরে হজম হবে ও সারা দিন এনার্জি দেবে। যেমন:
ওটস/কর্নফ্লেক্স: পানি, দুধ বা দই দিয়ে খাওয়া যায়, সঙ্গে ফল, বাদাম।
সবজি ও সালাদ: সাহ্রিতে খাবারের সঙ্গে ভিটামিন, মিনারেলস ও পানীয়ের উৎস হিসেবে সালাদ ও সবজি থাকবে।


মনে রাখবেন, সাহরি আজানের আধা ঘণ্টা আগে শেষ করবেন। সাহরি শেষে তাড়াহুড়া করে বেশি পানি পান করবেন না। ভাজা-পোড়া, তৈলাক্ত ও মিষ্টিজাতীয় খাবার বর্জন করুন। বিশেষ করে সাহরিতে মিষ্টি খাবেন না, এতে তৃপ্তি হরমোন লেপটিন কমে যায়, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়। চা, কফি পানিশূন্যতা বাড়ায়। খেজুর ও সাধারণ পানি দিয়ে রোজা ভাঙা উচিত।

গরমে ডিহাইড্রেশন
                                  

 ডিহাইড্রেশন কি? প্রচন্ড গরমে ঘাম, প্রস্রাব, মল এসবের সঙ্গে শরীর থেকে দ্রম্নত পানি ও লবণ বেরিয়ে গেলে ডিহাইড্রেশন বা পানিস্বল্পতা সৃষ্টি হয়। এই ডিহাইড্রেশনের কারণে কিডনি, মস্তিষ্ক, লিভার, পাকস্থলী, ফুসফুসের মতো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। এর ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।
ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ-


যেসব লক্ষণে আপনার ডিহাইড্রেশন বা পানিস্বল্পতা হয়েছে বুঝবেন-
* ঘুম ঘুম ভাব
* গলা শুকিয়ে যাওয়া
* প্রস্রাব কম হওয়া
* ক্লান্তি
* মাথাব্যথা
* তৃষ্ণাবোধ
* মাথা ঝিম ঝিম করা
* দুর্বলতা
* মাংসপেশির দুর্বলতা
* কোষ্ঠকাঠিন্য


ঘরোয়াভাবে পানিস্বল্পতা দূর করার উপায়
পানি : যেহেতু শরীরে পানিস্বল্পতা দেখা দিয়েছে, তাই প্রতিদিন নিয়মিত বিরতিতে পানি পান করলে ডিহাইড্রেশন দূর হবে। গ্রীষ্মের তীব্র গরমে যেহেতু শরীর থেকে পানি দ্রম্নত বের হয়ে যায়, তাই এ সময় একটু বেশি পান করাই ভালো। এ কারণে প্রতিদিন ৮-১০ গস্নাস পানি পান করলে শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য ঠিক থাকে। আপনার শরীরে পানির পরিমাণ ঠিক আছে, তা বোঝার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো- প্রস্রাবের রং কেমন আছে তা দেখা। যদি প্রস্রাব হলুদ হয়, তাহলে বুঝতে হবে আপনার শরীরে পানিস্বল্পতার সৃষ্টি হয়েছে।
লেবু পানি : প্রচন্ড গরমে লেবু পানি খুব উপকারী এক পানীয়। লেবু পানি শরীরের পানির ঘাটতি ও শরীর থেকে চলে যাওয়া মিনারেল ঘাটতিও মেটায়। এক গস্নাস পানিতে অর্ধেকটা লেবু চিপে তাতে মধু মিশিয়ে পান করলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।


ডাবের পানি : ডিহাইড্রেশন দূর করতে ডাবের পানি বেশ উপকারী। এতে থাকা প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম ও পটাশিয়াম শরীরের মিনারেল ঘাটতিও দ্রম্নত মেটায়।
বার্লি পানি : বার্লি মেশানো পানি পান করলে ডিহাইড্রেশন সমস্যা দূর হয়। কারণ বার্লিতে প্রচুর ভিটামিন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। এতে ফোলেট, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এসব থাকে। বার্লি মেশানো পানি আপনার শরীরও ঠান্ডা রাখবে। এ ক্ষেত্রে ৩/৪ কাপ পানির সঙ্গে এক কাপ বার্লি মেশাতে হবে। এরপর ওই মিশ্রণ ৪০-৫০ মিনিট ফুটাতে হবে। এরপর পানি ছেঁকে নিতে হবে। পরে সেই পানি ঠান্ডা করে মধু মিশিয়ে পান করতে হবে।

চশমা ব্যবহারকারীর জন্য ৭ পরামর্শ
                                  

 অনেকে প্রয়োজনে চশমা পরেন, আবার অনেকে স্টাইল করতে অথবা অন্যান্য কারণে সানগ্লাস ব্যবহার করেন। চোখের দৃষ্টি সংক্রান্ত সমস্যায় চিকিৎসক চশমা প্রেসক্রাইব করলে বাধ্য হয়ে চশমা পরতে হয়, অন্যথায় ঝাপসা পৃথিবী ঝাপসাই রয়ে যায়- অবশ্য চশমার বিকল্প ব্যবস্থাও রয়েছে। দেখা যায় যে, কারো কারো চশমায় ঘনঘন স্ক্র্যাচ পড়ে অথবা ইয়ারপিসগুলো লুজ হয়ে যায় কিংবা চশমা ভেঙে যায়। এর কারণ হলো, চশমাকে সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ না করা। এ প্রতিবেদনে চশমা ব্যবহারকারীর জন্য সাতটি পরামর্শ দেয়া হলো।

* চোখ থেকে চশমা খুলতে উভয় হাত ব্যবহার করুন
সিনেমায় আপনার প্রিয় ড্যাশিং হিরোকে স্টাইলিশ ভঙ্গিতে এক হাতে চশমা খুলতে দেখেছেন, কিন্তু বাস্তবে এমনটা করলে আপনার চশমার ইয়ারপিসগুলো ঢিলা হয়ে যেতে পারে অথবা এদের অবস্থানের পরিবর্তন হতে পারে, যার ফলে একসময় ফ্রেমটি মুখম-লে সঠিকভাবে খাপ খাবে না।
* সঠিক নিয়মে চশমা পরিষ্কার করুন
চশমার ক্লিনারে অ্যামোনিয়া বা অ্যালকোহল লাগিয়ে চশমা পরিষ্কার করবেন না, কারণ এসব হার্শ কেমিক্যাল আপনার লেন্সের আবরণকে ড্যামেজ করতে পারে। এর পরিবর্তে ডিশ সোপের দ্রবণ ও আঙুলের সাহায্যে চশমা বা সানগ্লাসকে হালকাভাবে ধুয়ে নিন। চশমার জন্য প্রস্তুতকৃত অতিসূক্ষ্ম তন্তুর কাপড় দিয়ে লেন্স শুকিয়ে নিন এবং এ কাজে কখনো টিস্যু, পেপার টাওয়েল অথবা অন্যান্য উড-বেসড ম্যাটারিয়াল ব্যবহার করবেন না, কারণ এগুলো স্ক্র্যাচ সৃষ্টি করতে পারে।
* সৈকতে বোতলের পানি দিয়ে চশমা পরিষ্কার করুন
সমুদ্র সৈকতে আপনার সানগ্লাস বা চশমা ঝাপসা বা বালুময় হয়ে গেলে সমুদ্রের পানি অথবা টাওয়েল দিয়ে তা পরিষ্কার করার প্রবণতা দমন করুন। লবণের স্ফটিক অথবা বালু আপনার লেন্সে দাগ ফেলতে পারে। তাই সমুদ্র সৈকতে চশমা পরিষ্কার করতে বোতলের পানি ব্যবহার করুন।
* অতিরিক্ত গরম স্থান থেকে চশমা দূরে রাখুন
গ্রীষ্মকালে গাড়ির ভেতর আপনার চশমা বা সানগ্লাস রাখবেন না। এ ছাড়া অন্যান্য অতিরিক্ত গরম স্থানেও চশমা রাখবেন না। আজকাল বেশিরভাগ চশমা এমন উপাদান দিয়ে তৈরি যা অত্যধিক তাপমাত্রায় গলে যেতে পারে অথবা অধিক নমনীয় হতে পারে।
* মাথার ওপর চশমা পরবেন না
মাথার ওপর চশমা রাখা সুবিধাজনক মনে হতে পারে অথবা স্টাইলিশ দেখাতে পারে, কিন্তু এতে ইয়ারপিসগুলো ঢিলা হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এ ছাড়া আপনার চুল ও মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক তেল চশমাকে অস্পষ্ট করতে পারে অথবা লেন্সকে প্রভাবিত করতে পারে।
* চশমার পিছলে পড়া থামান
যদি আপনার চশমা স্লিপ করে নাকের ওপর চলে আসে, তাহলে ওয়েডগিসের মতো ক্লথ ম্যাটারিয়াল ব্যবহার করুন যা চশমার ইয়ারপিসগুলোর শেষাংশে লাগালে পিছলে পড়া থেমে যাবে ও চশমা সঠিক অবস্থানে থাকবে। আরেকটি উপায় হলো, মধুর মোম ও নারকেল তেলের মিশ্রণ সরাসরি চশমার ব্রিজে ব্যবহার করলে চশমা স্লিপ খাবে না। চশমার অবস্থান আরো দৃঢ় করতে অয়্যার টিউবিং ব্যবহারের জন্য কোনো অপটিশিয়ানের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।
* চশমার লেন্সকে কোনো পৃষ্ঠের স্পর্শে রাখবেন না
আপনি হয়তো এ পরামর্শটি আগে শুনেছেন, কিন্তু এখনো সচেতন না হয়ে থাকলে এ বিষয়ে গুরুত্ব দেয়ার সময় হয়েছে, কারণ লেন্সকে কোনো পৃষ্ঠের সংস্পর্শে রাখলে মারাত্মক স্ক্র্যাচ সৃষ্টি হতে পারে। যদি আপনার চশমার জন্য হার্ড কেস না থাকে, তাহলে আজই একটা কিনে নেওয়ার কথা বিবেচনা করুন।
তথ্যসূত্র : রিডার্স ডাইজেস্ট

৭২ ঘণ্টায় দূষণমুক্ত ফুসফুস
                                  

: দূষণমুক্ত ফুসফুস! কথাটা শুনে কি একটু ঘাবড়ে গেলেন? ভাবছেন ফুসফুসের সঙ্গে রাস্তার সম্পর্ক কি? না ফুসফুসের সঙ্গে আদি অনন্ত কালেও রাস্তার কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু তাই বলে দূষণ যে কেবল রাস্তা বা পরিবেশেই হবে তেমনও কোনো কথা নেই। আপনি কি জানেন প্রতিনিয়ন ধূমপানের ফলে কতটা দূষিত হচ্ছে আপনার ফুসফুস? না, তাই বলে যাঁরা ধূমপান একেবারেই করেন না তারাও কিন্তু দূষণের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার কথা ভাববেন না। ধূমপান না করেও ফুসফুস বিগড়ে যেতে পারে, আবার অনেক সময় কেউ টানা ৪০ বছর ধরে সিগারেট, বিড়ি খেয়েও দিব্য সুস্থ থাকেন। তাই ধূমপান করুন আর নাই করুন ফুসফুস দূষিত হতেই পারে। তাই প্রতিনিয়ত পরিবেশের পাশাপাশি দূষণমুক্ত রাখতে হবে আপনার ফুসফুসটিকেও। কিছু উপায় রইল আপনাদের জন্য। এগুলি আপন করে নিলে মাত্র ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিনেই ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে ফুসফুস।
১. রাতে ঘুমোনোর আগে এক কাপ হার্বাল চা পান করুন। এই চায়ের মাধ্যমে আপনার শরীর থেকে সমস্ত টক্সিন বেড়িয়ে যাবে। দেহে জমে থাকা টক্সিনই ফুসফুসকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে।
২. সকালে নাস্তার খাওয়ার আগে অনন্ত ৩০০ মিলি জলের সঙ্গে ২টি লেবুর রস মিশিয়ে সেটি পান করুন।
৩. আঙুর বা আনারসের রস পান করুন। এই দুটি ফলেই থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা শ্বাস প্রশ্বাস প্রণালীকে উন্নত করে।
৪. ব্রেকফাস্ট ও লাঞ্চের মেনুতে যোগ করুন গাজরের রস। কারণ গাজরের রস রক্তে ক্ষারের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
৫. লাঞ্চে কলা, নারকেলের শাঁস, পালংশাক খেতে পারেন। এই ধরনের খাবারে পটাশিয়াম থাকে যা দেহের বিষাক্ত টক্সিন পরিষ্কার করে ফুসফুসকে আরও চাঙ্গা করতে তুলতে সক্ষম।

ডায়াবেটিস রোগীদের পায়ের বিশেষ যত্ন
                                  

জার্মানিতে শতকরা ৮৪ জন ডায়াবেটিস রোগীই ডাক্তারের কাছে পায়ের যত্নের পরামর্শ জানতে চান। ডায়াবেটিস স্নায়ুর ক্ষতি করতে পারে,ফলে তাঁদের ব্যথার অনুভূতি কমে যায়। ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের যতেœর বিশেষজ্ঞের দেওয়া ১০টি টিপস থাকছে।

নিয়মিত চেকআপ
মানুষের শরীরে কোনো সমস্যা হলে, তা প্রথম জানিয়ে দেয় ব্যথা। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে রক্ত সঞ্চালনের অসুবিধার কারণে তাদের অনুভূতি অনেক সময় কাজ করে না, তাই নানা দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। বিশেষ করে পায়ে সংক্রমণ ঘটলে তা বেড়েই চলে, তাই চাই নিয়মিত চেকআপ। প্রতিদিন রাতে একবার খুব ভালো পা,পায়ের তলা ভালো করে লাইট দিয়ে পরীক্ষা করা দরকার। পায়ের তলায় কোথাও ফুলে বা ফেটে গেছে কি না ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।

ফুটবাথ
কুসুমগরম পানিতে পা ৩ থেকে পাঁচ মিনিট ডুবিয়ে রেখে তুলে ফেলতে হবে। পানিতে কোনো ওষুধ দেওয়া হবে কি না বা কি দেওয়া হবে, সে ব্যাপারে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াই ভলো। তবে পায়ে কাটা বা বেশি ফাটা থাকলে ফুটবাথ না করাই ভালো। এতে ফল উলটো হতে পারে।

ভালো করে মুছে ফেলুন
ফুটবাথ করার পরে নরম তোয়ালে দিয়ে পা দুটোকে ভালোভাবে মুছে নিন। পায়ে আঙুলের ফাঁকে ফাঁকে মুছে নেবেন। তবে হটফ্লাশ, হেয়ারড্রায়ার বা সূর্যের আলোতে কোনোভাবেই শুকানো উচিত নয়।

তৈলাক্ত ক্রিম
পায়ের আর্দ্রতা বজায় রাখতে একটু বেশি তৈলাক্ত ক্রিম ব্যবহার করাই ভালো। পা কাটা, ফাটা বা ছিঁড়ে ব্যকটেরিয়া ছড়িয়ে গেলে ক্রিম তা সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

নখ কাটা
পায়ের নখ কাটার সময় খুবই সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। বেশি ধারালো কাঁচি বা নেলকাটার দিয়ে নখ না কাটাই ভালো। তবে পায়ের নখের দু’পাশে সামান্য গোল করে বা সোজা করে কাটাই শ্রেয়। পায়ের নখের কোনো অসুখ হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত।

নিজে করবেন না
হাত, পায়ের ত্বক শুকিয়ে গেলে বা কোনো অনুভূতি না হলে নিজে এতে হাত না দিয়ে সাধারণ পেডিকিওর করাবেন না বরং পেডিকিওরের জন্য সরাসরি ডাক্তার বা মেডিকেল বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়াই ভালো।

সঠিক মাপের জুতো
সঠিক মাপের জুতো পরবেন, টাইট বা বেশি বড় জুতো নয়। সবচেয়ে ভালো খাঁটি চামড়ার জুতো পরা। নারী বা পুরুষ সকল ডায়াবেটিস রোগীর জন্যই হাইহিল একেবারেই নিষিদ্ধ। বড়জোর ৩ সেন্টিমিটার উঁচু হতে পারে জুতো। একদম খালি পায়ে ঘরের ভেতরও হাঁটা ঠিক নয়, কারণ এতে মাটিতে পড়ে থাকা অনেককিছু থেকে পা সংক্রমিত হতে পারে।

জুতো কিনবেন বিকেল বেলায়
জুতোর আবরণের ভেতরে যেসব উপাদান দেওয়া থাকে, তা থেকেও পা সংক্রমিত হতে পারে। তাই নিয়মিত জুতো ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে। তা ছাড়া জুতো কেনার সময় ডায়াবেটিস রোগীরা বিকেল বেলায় কিনবেন, কারণ সারাদিন পা সামান্য ফোলা থাকতে পারে তাই পরে তা সঠিক মাপের নাও হতে পারে। সেজন্য বিকেলের মাপই সঠিক মাপ। তবে তা শুধু ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রে নয়, অন্যান্যের ক্ষেত্রেও হয়ে থাকে।

পায়ের যতœ
অতীতে বলা হতো, ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষত ও আক্রান্ত হাড় সাধারণত ভালো হয় না। হাইডেলব্যার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ভেনৎসের অভিজ্ঞতা ভিন্ন। তিনি বলেন, সব নিয়ম মেনে চললে ধীরে ধীরে হলেও অস্থি ভালো হতে পারে। ডাক্তার রেনাটে ভোলান্সকিও তাঁর সাথে একমত। পায়ের যতেœ তাঁর পরামর্শই এখানে তুলে দেওয়া হলো।

সুইমিং পুল
ডায়াবেটিস রোগীদের সুইমিং পুলে না যাওয়াই ভালো। কারণ সুইমিং পুলে ব্যবহার করা হয় নানা রকম প্লাস্টিকের স্যান্ডেল বা জুতো, যা থেকে বিভিন্ন সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। শরীরের হৃদযন্ত্র থেকে যে অঙ্গের দূরত্ব বেশি, সে অঙ্গের ক্ষত শুকাতে সময় তত বেশি লাগে। বলা বাহুল্য, ডায়বেটিস রোগীর ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া আরও ধীর গতিতে হয়।

ঢ্যাঁড়সের যত উপকার
                                  

: গরম ভাতের সঙ্গে ঢ্যাঁড়স ভাজির স্বাদ অতুলনীয়। খেতে সুস্বাদু এবং ঝটপট রান্না করা যায় বলে ঢ্যাঁড়সের অনেকের কাছেই প্রিয়। সুস্বাদু এই সবজিতে আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান। এসব পুষ্টি উপাদানের কারণে ঢ্যাঁড়স আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এককাপ ঢ্যাঁড়সে ২১ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ২২ গ্রাম প্রোটিন, ৬০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, ২৯৯ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ৩ গ্রাম ফাইবার, ৩৩ ক্যালরি, ৭.৬ গ্রাম কার্বো হাইড্রেট, ৮০ মিলিগ্রাম ফলিক এসিডএবং ২ গ্রাম ফ্যাট আছে। লো ক্যালরি হওয়ায় এটি কোলেস্টেরল লেভেল কমিয়ে ওজন হ্রাস করে থাকে। ঢ্যাঁড়স অধিক ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ সবজি। এসব পুষ্টি উপাদানের কারণে ঢ্যাঁড়স আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

হবু মায়েদের ঢ্যাঁড়স খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। ঢ্যাঁড়সের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান ভিটামিন বি গর্ভের শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি নিশ্চিত করে এবং শিশুর জন্মগত সমস্যা, যেমন- স্পাইনাল বিফিডা (ংঢ়রহধষ নরভরফধ) হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস করে।

এ ছাড়া ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ এই সবজি নতুন কোষ উৎপাদন ও তার সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা কিনা সুস্থ গর্ভধারণের জন্য অপরিহার্য। ঢ্যাঁড়সের ফলেট গর্ভপাত প্রতিরোধ করে এবং ভিটামিন সি ভ্রƒণের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গর্ভাবস্থায় খাদ্য তালিকায় ঢ্যাঁড়স অন্তর্ভুক্ত করুন (বিশেষ করে গর্ভধারণের ৪ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে)। এ সময় ভ্রƒণের স্নায়ুর বিকাশ সাধন হয়।

প্রতি ৮ জনের মধ্যে ১ জন নারীর তাদের জীবনকালের মধ্যে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। খাদ্য তালিকায় ঢ্যাঁড়স অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে এই হার অনেকটাই হ্রাস করা সম্ভব। এক গবেষণায় জানা যায়, ঢ্যাঁড়সে উপস্থিত ল্যাকটিন স্তন ক্যান্সারের কোষ বিনষ্ট করতে সক্ষম।

ঢ্যাঁড়স আমাদের শরীরের ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে। সুস্থ হাড়ের পাশাপাশি হৃদযন্ত্র, রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে ক্যালসিয়াম প্রয়োজন। এ ছাড়া পেশি ও স্নায়ু সঞ্চালনেও ক্যালসিয়াম ভূমিকা রাখে।

ঢ্যাঁড়সের দ্রবণীয় ফাইবার কোলেস্টেরলকে স্বাভাবিকভাবে কমিয়ে আনে এবং আমাদের শরীরে হৃদরোগের সম্ভাবনা হ্রাস করে। এ ছাড়া ঢ্যাঁড়সের অন্যতম পুষ্টি উপাদান পেক্টিন (চবপঃরহ) রক্তে উচ্চ কোলেস্টেরল কমিয়ে হার্টের সুস্থতা নিশ্চিত করে।

চোখ ভালো রাখতে ঢ্যাঁড়সের জুড়ি নেই। ঢ্যাঁড়স ভিটামিন এ এবং বিটা-কেরাটিনে ভরপুর, যা চোখের চমৎকার দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার পাশাপাশি এটি আমাদের চোখের অন্যান্য অসুখের ভয় কমাতে সাহায্য করে।

ঢ্যাঁড়স আমাদের হজম প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করে। এর হাই ফাইবার খাদ্য হজমে সাহায্য করে। ঢ্যাঁড়স পেটের অতিরিক্ত গ্যাস, হজমজনিত কারণে পেটে ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি সমস্যা প্রতিরোধ করে। এ ছাড়া ঢ্যাঁড়সের জলীয় অংশ ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে।

ঢ্যাঁড়সের বিভিন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান এবং উচ্চ ভিটামিন সি উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ভিটামিন সি রক্তে হোয়াইট বস্নাড সেল তৈরি করার মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে বাইরের রোগ জীবাণু শরীরে প্রবেশ করতে বাধা সৃষ্টি করে শরীরকে সুস্থ রাখে।

ঢ্যাঁড়সের উপকারিতার মধ্যে অন্যতম হলো এটি লিভার পরিষ্কার রাখে এবং লিভারের রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এতে এমন উপাদান রয়েছে, যা লিভারে এসিডও কোলেস্টেরল ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে ও লিভারে ফ্যাটের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। তাই লিভারের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে খাবারের তালিকায় ঢ্যাঁড়স রাখুন।

ঢ্যাঁড়স অ্যাজমা প্রতিরোধ করে। অ্যাজমা আক্রান্ত রোগীদের জন্য ঢ্যাঁড়স খাবার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। ঢ্যাঁড়সের ভিটামিন সি-তে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লামেটোরি এজেন্ট রয়েছে, যা অ্যাজমা আক্রান্ত রোগীদের অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

ঢ্যাঁড়স ইনসুলিনের মতো উপাদান বহন করে, যা শরীরের শর্করার মাত্রা কমায়। ঢ্যাঁড়সে আরও রয়েছে লো গস্নাইসিমিক ইনডেক্স, যা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণায় পাওয়া যায়, ঢ্যাঁড়স শরীরের অতিরিক্ত গস্নুকোজের শোষণ হ্রাস করতে সাহায্য করে, যার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়।

চুলের সৌন্দর্য ধরে রাখতে ঢ্যাঁড়স টুকরো টুকরো করে কেটে পানিসহ সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। আপনার চুলের হারানো উজ্জ্বলতা ফিরে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চুল আরও বাউন্সি এবং স্বাস্থ্যবান হবে এতে। শুধু তা-ই নয়, ঢ্যাঁড়স পানির এই মিশ্রণ খুশকি সমস্যার সমাধান করতেও ওস্তাদ। এটি মাথার ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে মশ্চারাইজ করে চুল খুশকি মুক্ত রাখে।

ঢ্যাঁড়সের পানীয়

ঢ্যাঁড়সের পানীয় অনেকগুলো রোগ প্রতিরোধ করে। চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে তৈরি করবেন ঢ্যাঁড়সের পানীয়-

প্রথমে ২টি পরিষ্কার ঢ্যাঁড়স ও ১ গস্নাস পানি নিন। এবার ঢ্যাঁড়সগুলোর ওপর এবং নিচের অংশ কেটে নিন। এক গস্নাস পানির মধ্যে কাঁটা ঢ্যাঁড়স দিয়ে দিন। এভাবে সারা রাত রাখুন। সকালে খালি পেটে পানিটুকু পান করুন।

ঢ্যাঁড়সের পানীয় পানের উপকারিতা :

* রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

* বস্নাড সুগার কমিয়ে দেয়, যা ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে।

* কোলেস্টেরল মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে।

* কিডনি রোগ প্রতিরোধ করে।

* অ্যাজমা প্রতিরোধে সাহায্য করে।

ভালো ফল পেতে প্রতিদিন নাস্তার আগে খালি পেটে এটি পান করুন। এটি ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে, কোলেস্টেরল মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে কিডনি সুস্থ রাখে।

 

ঢ্যাঁড়সের যত উপকারএফএনএস স্বাস্থ্য: গরম ভাতের সঙ্গে ঢ্যাঁড়স ভাজির স্বাদ অতুলনীয়। খেতে সুস্বাদু এবং ঝটপট রান্না করা যায় বলে ঢ্যাঁড়সের অনেকের কাছেই প্রিয়। সুস্বাদু এই সবজিতে আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান। এসব পুষ্টি উপাদানের কারণে ঢ্যাঁড়স আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এককাপ ঢ্যাঁড়সে ২১ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ২২ গ্রাম প্রোটিন, ৬০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, ২৯৯ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ৩ গ্রাম ফাইবার, ৩৩ ক্যালরি, ৭.৬ গ্রাম কার্বো হাইড্রেট, ৮০ মিলিগ্রাম ফলিক এসিডএবং ২ গ্রাম ফ্যাট আছে। লো ক্যালরি হওয়ায় এটি কোলেস্টেরল লেভেল কমিয়ে ওজন হ্রাস করে থাকে। ঢ্যাঁড়স অধিক ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ সবজি। এসব পুষ্টি উপাদানের কারণে ঢ্যাঁড়স আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।হবু মায়েদের ঢ্যাঁড়স খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। ঢ্যাঁড়সের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান ভিটামিন বি গর্ভের শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি নিশ্চিত করে এবং শিশুর জন্মগত সমস্যা, যেমন- স্পাইনাল বিফিডা (ংঢ়রহধষ নরভরফধ) হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস করে।এ ছাড়া ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ এই সবজি নতুন কোষ উৎপাদন ও তার সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা কিনা সুস্থ গর্ভধারণের জন্য অপরিহার্য। ঢ্যাঁড়সের ফলেট গর্ভপাত প্রতিরোধ করে এবং ভিটামিন সি ভ্রƒণের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গর্ভাবস্থায় খাদ্য তালিকায় ঢ্যাঁড়স অন্তর্ভুক্ত করুন (বিশেষ করে গর্ভধারণের ৪ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে)। এ সময় ভ্রƒণের স্নায়ুর বিকাশ সাধন হয়।প্রতি ৮ জনের মধ্যে ১ জন নারীর তাদের জীবনকালের মধ্যে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। খাদ্য তালিকায় ঢ্যাঁড়স অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে এই হার অনেকটাই হ্রাস করা সম্ভব। এক গবেষণায় জানা যায়, ঢ্যাঁড়সে উপস্থিত ল্যাকটিন স্তন ক্যান্সারের কোষ বিনষ্ট করতে সক্ষম।ঢ্যাঁড়স আমাদের শরীরের ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে। সুস্থ হাড়ের পাশাপাশি হৃদযন্ত্র, রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে ক্যালসিয়াম প্রয়োজন। এ ছাড়া পেশি ও স্নায়ু সঞ্চালনেও ক্যালসিয়াম ভূমিকা রাখে।ঢ্যাঁড়সের দ্রবণীয় ফাইবার কোলেস্টেরলকে স্বাভাবিকভাবে কমিয়ে আনে এবং আমাদের শরীরে হৃদরোগের সম্ভাবনা হ্রাস করে। এ ছাড়া ঢ্যাঁড়সের অন্যতম পুষ্টি উপাদান পেক্টিন (চবপঃরহ) রক্তে উচ্চ কোলেস্টেরল কমিয়ে হার্টের সুস্থতা নিশ্চিত করে।চোখ ভালো রাখতে ঢ্যাঁড়সের জুড়ি নেই। ঢ্যাঁড়স ভিটামিন এ এবং বিটা-কেরাটিনে ভরপুর, যা চোখের চমৎকার দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার পাশাপাশি এটি আমাদের চোখের অন্যান্য অসুখের ভয় কমাতে সাহায্য করে।ঢ্যাঁড়স আমাদের হজম প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করে। এর হাই ফাইবার খাদ্য হজমে সাহায্য করে। ঢ্যাঁড়স পেটের অতিরিক্ত গ্যাস, হজমজনিত কারণে পেটে ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি সমস্যা প্রতিরোধ করে। এ ছাড়া ঢ্যাঁড়সের জলীয় অংশ ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে।ঢ্যাঁড়সের বিভিন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান এবং উচ্চ ভিটামিন সি উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ভিটামিন সি রক্তে হোয়াইট বস্নাড সেল তৈরি করার মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে বাইরের রোগ জীবাণু শরীরে প্রবেশ করতে বাধা সৃষ্টি করে শরীরকে সুস্থ রাখে।ঢ্যাঁড়সের উপকারিতার মধ্যে অন্যতম হলো এটি লিভার পরিষ্কার রাখে এবং লিভারের রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এতে এমন উপাদান রয়েছে, যা লিভারে এসিডও কোলেস্টেরল ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে ও লিভারে ফ্যাটের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। তাই লিভারের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে খাবারের তালিকায় ঢ্যাঁড়স রাখুন।ঢ্যাঁড়স অ্যাজমা প্রতিরোধ করে। অ্যাজমা আক্রান্ত রোগীদের জন্য ঢ্যাঁড়স খাবার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। ঢ্যাঁড়সের ভিটামিন সি-তে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লামেটোরি এজেন্ট রয়েছে, যা অ্যাজমা আক্রান্ত রোগীদের অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।ঢ্যাঁড়স ইনসুলিনের মতো উপাদান বহন করে, যা শরীরের শর্করার মাত্রা কমায়। ঢ্যাঁড়সে আরও রয়েছে লো গস্নাইসিমিক ইনডেক্স, যা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণায় পাওয়া যায়, ঢ্যাঁড়স শরীরের অতিরিক্ত গস্নুকোজের শোষণ হ্রাস করতে সাহায্য করে, যার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়।চুলের সৌন্দর্য ধরে রাখতে ঢ্যাঁড়স টুকরো টুকরো করে কেটে পানিসহ সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। আপনার চুলের হারানো উজ্জ্বলতা ফিরে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চুল আরও বাউন্সি এবং স্বাস্থ্যবান হবে এতে। শুধু তা-ই নয়, ঢ্যাঁড়স পানির এই মিশ্রণ খুশকি সমস্যার সমাধান করতেও ওস্তাদ। এটি মাথার ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে মশ্চারাইজ করে চুল খুশকি মুক্ত রাখে।ঢ্যাঁড়সের পানীয়ঢ্যাঁড়সের পানীয় অনেকগুলো রোগ প্রতিরোধ করে। চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে তৈরি করবেন ঢ্যাঁড়সের পানীয়-প্রথমে ২টি পরিষ্কার ঢ্যাঁড়স ও ১ গস্নাস পানি নিন। এবার ঢ্যাঁড়সগুলোর ওপর এবং নিচের অংশ কেটে নিন। এক গস্নাস পানির মধ্যে কাঁটা ঢ্যাঁড়স দিয়ে দিন। এভাবে সারা রাত রাখুন। সকালে খালি পেটে পানিটুকু পান করুন।ঢ্যাঁড়সের পানীয় পানের উপকারিতা :* রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে* বস্নাড সুগার কমিয়ে দেয়, যা ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে।* কোলেস্টেরল মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে।* কিডনি রোগ প্রতিরোধ করে।* অ্যাজমা প্রতিরোধে সাহায্য করে।ভালো ফল পেতে প্রতিদিন নাস্তার আগে খালি পেটে এটি পান করুন। এটি ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে, কোলেস্টেরল মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে কিডনি সুস্থ রাখে।

 

হেঁচকি উঠলে যা করতে
                                  

 হেঁচকি একটি অতিসাধারণ সমস্যা যা কয়েক মিনিটের মধ্যে এমনিতেই সেরে যায়।
বক্ষ ও উদরের মধ্যবর্তী ঝিল্লির পর্দা বা মধ্যচ্ছেদার সংকোচন কিংবা স্বরতন্ত্রী কোনো কারণে বাঁধা প্রাপ্ত হলে ‘হিক’ শব্দ হয়, এটাই হেঁচকি। সমস্যাটা গুরুতর না হলেও খাওয়ার সময় কিংবা বিশেষ কোনো পরিস্থিতিতে তা বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দিতে পারে।


স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে দ্রুত এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েকটি উপায় জানানো হল।


দম বন্ধ রাখা: কিছুক্ষণ দম আটকে রাখলে ফুসফুসে কার্বন-ডাই-অক্সাইড জমা হয় যা মধ্যচ্ছেদা শিথিল করে। তাই হেঁচকি বন্ধ করার সবচাইতে সহজ ও সাধারণ উপায় শ্বাস আটকে রাখা।
চিনি গেলা: এক চামচ চিনি সরাসরি গিলে ফেলার মাধ্যমে হেঁচকি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। চিনি ‘ভেগাস’ স্নায়ুর উপর প্রভাব ফেলে যা মস্তিষ্ক এবং পাকস্থলী দুইয়ের সঙ্গেই সংযুক্ত। একারণে হেঁচকি সারাতে চিনি উপকারী।
কাগজের ঠোঙায় দম নেওয়া: দম আটকে রাখা আর কাগজের ঠোঙার মধ্যে শ্বাস নেওয়া একইভাবে কাজ করে। কাগজের ঠোঙায় দম নেওয়ার কারণে রক্তে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যায় যা মধ্যচ্ছেদার সংকোচন প্রতিরোধ করে।


বুকের কাছে হাঁটু: হাঁটু বুকের কাছে টেনে এনে কিছুক্ষণ ধরে রাখলেও মধ্যচ্ছেদার ওপর চাপ কমে। ফলে হেঁচকি সেরে যায়। তবে পদ্ধতিটির জন্য সময় দিতে হবে, কয়েক বার তা অনুসরণ করতে হবে।


টক খাওয়া: ভিনিগার, লেবু কিংবা অন্যান্য টক খাবার খাওয়া মাধ্যমেও হেঁচকি সারানো যায়। পদ্ধতিটি খুবই সহজ, এক ফালি লেবু জিহ্বার উপর রেখে চুষে খেতে হবে। অথবা জিহ্বার উপর কয়েক ফোঁটা কিংবা এক চা-চামচ পরিমাণ ভিনিগার নিলেও কাজ হবে।


মধু কিংবা পিনাট বাটার: পিনাট বাটারের মানসিক প্রশান্তি দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এবং শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। মধুও কাজ করে একইভাবে। তাই হেঁচকি উঠলে এক চা-চামচ পিনাট বাটার কিংবা কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে এক চা-চামচ মধু খেয়ে নিতে পারেন।


ঠান্ডা পানি: ঠান্ডা পানিতে কিছুক্ষণ পরপর চুমুক দেওয়া কিংবা তা দিয়ে গার্গল করলে হেঁচকি থেকে নিরাময় মিলবে। মধ্যচ্ছেদার সংকোচক রোধে পানি অত্যন্ত উপকারী।

খালি পেটে ঘুমালে কি হতে পারে
                                  

 ভুঁড়ি কমাতে রাতের খাবার বাদ দিয়ে হিতে বিপরীত হলো না তো?
ওজন কমানোর জন্য কিংবা সারাদিনের ক্লান্তি থেকে ক্ষুধামন্দার কারণে অনেকেই রাতের খাবার বাদ দিয়ে থাকেন। এমনটা যদি কালেভদ্রে হয় তাতে সমস্যা নেই, তবে তাকে নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত করা কখনই উচিত হবে না।

খালি পেটে ঘুমাতে যাওয়ার ক্ষতিকারক দিকগুলো জানানো হলো স্বাস্থ্যবিষয়ক এক ওয়েবসাইটের তথ্য অবলম্বনে।


পুষ্টির অভাব: রাতের খাবার বাদ দিলে শরীরে পুষ্টির অভাব দেখা দিতে পারে, বিশেষত, ‘মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট’য়ের অভাব। ভারতের ম্যাক্স সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের পরামর্শদাতা মঞ্জরি চন্দ্র বলেন, “শরীরের প্রয়োজনীয় ‘মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট’গুলোর মধ্যে ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি টুয়েলভ এবং ভিটামিন ডি থ্রি অন্যতম, যার সবগুলোই শরীরের স্বাভাবিক কার‌্যাবলী বজার রাখার জন্য জরুরি। একজন ব্যক্তি রাতে না খেয়ে থাকার অভ্যাস গড়লে সে এই পুষ্টিগুলোর অভাবে ভুগবে।”
বিপাকক্রিয়ার ক্ষতি: নিয়মিত রাতের খাবার বাদ দিয়ে কিংবা বেখেয়ালী খাদ্যাভ্যাস গড়লে বিপাকীয় প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মঞ্জরি চন্দ্র বলেন, “এতে শরীরের ইনসুলিনের মাত্রায় ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে, যা শরীরের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হরমোন। এছাড়াও খাদ্যাভ্যাসের অনিয়মের কারণে ‘কোলেস্টেরল’ ও ‘থাইরয়েড’য়ের মাত্রাও ক্ষতিগ্রস্থ হয়।” সঠিক সময়ে সঠিক খাবার না খেলে হরমোনের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্থ হয় ফলে শরীরে বিভিন্ন রোগের আক্রমণ হয়।


ঘুমের সমস্যা: পেটে ক্ষুধা নিয়ে ঘুমাতে গেলে শুধু এপাশ-ওপাশ করাই হবে, ঘুম আর আসবেনা। কারণ ক্ষুধাই আপনাকে সতর্ক রাখবে এবং গভীরভাবে ঘুমানোর সুযোগ দেবে না। মঞ্জরি বলেন, “এর কারণ হলো আমাদের শরীর দুইভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়, স্নায়বিকভাবে ও হরমোনের প্রভাবে। আর পর্যাপ্ত খাবার না পেলে দুটোই ক্ষতির শিকার হয়।


ওজন বৃদ্ধি: ওজন কমাতে রাতের খাবার বাদ দেন অনেকে কিন্তু ফলাফল হয় উল্টো। রাতে কম খাওয়া উচিত একথা সত্য, তবে একেবারে না খেয়ে থাকা ভালো নয়। এ ব্যাপারে মঞ্জরি চন্দ্রের মত, “এসময় শরীর চর্বি জমা করতে শুরু করে, কর্মশক্তি সংরক্ষণ করতে শুরু করে, যার কারণে ওজন বাড়ে। ওজন কমানোর একমাত্র উপায় হলো পরিমাণমতো খাওয়া।


বদমেজাজ: খালি পেটে কাজ করতে থাকলে মানুষ বদমেজাজি হয়ে যায়। আর রাতে না খেয়ে থাকলে কাজেও মনোযোগ থাকে না। তাই দিন শুরু করতে হবে ভালোভাবে নাস্তা করে।
বিশেষ কোনো খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ কিংবা উপোস বা রোজা না থাকলে কখনই খালি পেটে ঘুমানো উচিত নয়। মঞ্জরির মতে, ঐতিহ্যগত উপোস বা রোজা শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান অপসারণ এবং রোগ দূরে রাখায় অত্যন্ত কার্যকরী। এরা শরীরকে ক্ষয়পূরণের সুযোগ করে দেয়। তবে তা প্রতিনিয়ত চালিয়ে যাওয়া উচিত হবে না। আবার যারা কোনো চিকিৎসার অন্তর্ভুক্ত আছেন তাদের কোনো একবেলা না খেয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে যা করতে হবে
                                  

বর্তমান বিশ্বে যে রোগগুলো জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে তার মধ্যে ডায়াবেটিস অন্যতম। এটি কোনো জীবাণু ঘটিত বা ছোঁয়াচে রোগ নয়। শরীরে প্রয়োজনীয় হরমোন ইনসুলিনের অভাবে অথবা ইনসুলিনের কার্যকারিতা হ্রাস পাওয়ার কারণে এই রোগ দেখা দেয়।
অতিরিক্ত মোটা ব্যক্তি যারা অধিক খাদ্য গ্রহণ করেন এবং যারা কায়িক পরিশ্রম করেন না বা কম করেন তাদের এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পূর্ব পুরুষের এই রোগ থাকলে ডায়াবেটিস হতে পারে। গর্ভকালীন সময়েও এই রোগ হতে পারে।


আগে বলা হতো কোনো ব্যক্তির বারবার প্রস্রাব হলে সে ডায়াবেটিসে বা বহুমূত্র রোগে আক্রান্ত। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, বার বার প্রস্রাব হলেই ডায়াবেটিস না বরং বিভিন্ন উপসর্গ পর্যালোচনা করে এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করে কেবল ডায়াবেটিস রোগ শনাক্ত করা যায়। খালি পেটে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ৭ মিলিমোল/লিটার বা তার বেশি হলে এবং খাবার দুই ঘণ্টা পর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ১১.১ মিলি মোল/লিটার বা তার বেশি হলে ডায়াবেটিস হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়। ডায়াবেটিস মূলত ২ ধরনের।
টাইপ-১ বা ইনসুলিন ডিপেনডেন্ট ডায়াবেটিস মেলাইটাস যা ইনসুলিন উৎপাদন কম হলে বা না হলে দেখা দেয়। টাইপ-২ বা নন ইনসুলিন ডিপেনডেন্ট ডায়াবেটিস মেলাইটাস যা ইনসুলিন ঠিকমত কাজ না করলে বা উৎপাদন অনুপাতে রোগীর শরীরের ওজন বেশি হলে দেখা দেয়। এছাড়াও গর্ভকালীন সময়েও রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। কিন্তু সন্তান জন্মদানের পর সেরে যায়। কিন্তু সচেতন না থাকলে পরবর্তীতে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।


ডায়াবেটিস হলেই ভয়ের কিছু নেই যদি তা নিয়ন্ত্রণে থাকে। পরিমিত খাদ্য গ্রহণ, কায়িক পরিশ্রম যেমন-দৈনন্দিন কাজকর্ম, নিয়মানুযায়ী হাঁটা ও ব্যায়াম করা, উচ্চতা অনুযায়ী শরীরের ওজন সঠিক রাখা ইত্যাদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন বা ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হবে।অনেক সময় রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ কমে গেলে বা বেড়ে গেলে রোগী অসুস্থ বোধ করতে পারেন। সেই ক্ষেত্রে গ্লুকোমিটার দিয়ে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ মেপে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অনেকে ডায়াবেটিস হলে খাবার একেবারেই বন্ধ করে দেন। কিন্তু এই ক্ষেত্রে জটিলতা আরো বেড়ে যায়। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় কার্বোহাইড্রেডযুক্ত খাবারের চেয়ে প্রোটিনযুক্ত খাবারের সংখ্যা বেশি থাকে। পাশাপাশি প্রতিদিন মৌসুমি ফলের মধ্যে যে কোনো একটি ফল খেতে হবে।


এছাড়াও ডায়াবেটিস রোগীদের হাত-পায়ের যত্ন নিতে হবে। ডায়াবেটিস রোগীদের যে কোনো ক্ষত শুকাতে সময় নেয়। তাই সতর্ক থাকতে হবে যেন শরীরে কোনো ক্ষত না হয়। ধূমপান, মদ্যপান বা সাদাপাতা-জর্দা দিয়ে পান খাওয়ার অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। দৈনিক ৪০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা হাঁটার অভ্যাস করতে হবে। যাদের এখনও ডায়াবেটিস হয়নি কিন্তু হওয়ার সম্ভাবনা আছে সেই ক্ষেত্রে তাদেরও সচেতন থাকতে হবে।

পাইলস চিকিৎসায় অসাধারণ চিকিৎসা পদ্ধতি
                                  

 

  • পাইলস কি?

পাইলস বা গেজ হলো মলদ্বারে এক ধরনের রোগ যেখানে রক্তনালিগুলো বড় হয়ে গিয়ে ভাসকুলার কুশন তৈরি করে। বিশ্বব্যাপী এই রোগের প্রাদুর্ভাব খুব বেশি। এক গবেষণায় দেখা যায় লন্ডনের প্রায় ৪০% অধিবাসী এই রোগে আক্রান্ত। আমাদের দেশে এ-সংক্রান্ত কোনো তথ্য উপাত্ত না থাকলেও, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি, বিভিন্ন কারণে আমরা যে সব রোগীদের কোলোনোস্কোপি পরীক্ষা করে থাকি তাদের প্রায় ৮০%ই এ রোগে আক্রান্ত। শিশুসহ যে কোনো বয়সের লোকই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

  • পাইলস কেন হয়?

পাইলস কেন হয় এ প্রশ্নের উত্তর এখনো চিকিৎসা শাস্ত্রে অজানা। তবে আগেই যেমনটি বলা হয়েছে, পাইলস হচ্ছে মলদ্বারের এক ধরনের ভাসকুলার কুশন যার মধ্যে শিরা ও ধমনি থেকে সরাসরি রক্ত প্রবাহিত হয়। বিশেষ ধরনের টিস্যু দিয়ে মোড়া থাকে বলে এই কুশনগুলো থেকে রক্তক্ষরণ হয় না। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অথবা অন্য কোনো কারণে যেমন, কষা পায়খানার জন্য এই কানেকটিভ টিস্যু আবরণটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

  • পাইলস কত ধরনের?

মলদ্বারের পেকটিনেট লাইনের ওপরে যে সব পাইলস থাকে সেগুলোকে বলা হয় ইন্টারনাল পাইলস, আর অন্য দিকে এই লাইনের নিচের পাইলসগুলোকে বলা হয় এক্সটারনাল পাইলস। তবে পাইলসের এড়ষরমযবৎ ক্লাসিফিকেশনটি বেশি প্রচলিত, যেখানে পাইলসকে ফার্স্ট, সেকেন্ড, থার্ড ও ফোর্থ ডিগ্রি এই চার ভাগে ভাগ করা হয়।

  • পাইলসের লক্ষণ কি?

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পাইলসের রোগীদের কোনো লক্ষণ থাকে না। অন্য কোনো কারণে কোলোনোস্কপি পরীক্ষা করতে গিয়ে রোগীরা প্রথমবারের মতো জেনে অবাক হন যে তাদের পাইলস আছে।
সিমটোমেটিক রোগীরা সাধারণত পায়ু পথে তাজা রক্ত যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন। কখনো কখনো রোগীদের অন্য রকম কমপেস্ননও থাকতে পারে। এর মধ্যে আছে পায়ু পথে চুলকানি, রস নিঃসরণ, ফুলে যাওয়া কিংবা কিছু একটা নেমে আসা। কারো কারো পায়ু পথে তীব্র ব্যথাও হয়ে থাকে।
তবে মনে রাখতে হবে যে, পায়ু পথের সমস্যা মানেই পাইলস নয়। ফিশার, ফিস্টুলা, ওয়ার্ট, পলিপ, প্রলান্স আর এমনকি ক্যান্সারেও একই রকম লক্ষণ দেখা যেতে পারে।
কখন পাইলসের চিকিৎসা করবেন?
শুধুমাত্র রক্তক্ষরণ হলেই পাইলসের চিকিৎসা করতে হবে এমন ধারণাটি ঠিক নয়। বরং এতে অনেক সময় বেশি দেরি হয়ে যায় এবং বিনা অপারেশনে হেমোরয়েড ব্যান্ড লাইগেশনের মাধ্যমে এ রোগে চিকিৎসা করা তখন আর সম্ভব নাও হতে পারে। অতএব, পাইলস আছে জানতে পারলে রোগের লক্ষণ দেখা দেয়ার জন্য অপেক্ষা না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

  • হেমোরয়েড ব্যান্ড লাইগেশন কি?

আমাদের দেশে তুলনামূলকভাবে নতুন হলেও হেমোরয়েড ব্যান্ড লাইগেশন পাইলসের একটি প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসা পদ্ধতি। ১৯৬৩ সালে প্রথম এই চিকিৎসা পদ্ধতি সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়। কালের বিবর্তনে এই পদ্ধতিটি অনেক আধুনিক হয়েছে। এখন এ পদ্ধতিতে এক সঙ্গে তিনটি পর্যন্ত পাইলসে রিং পরনো সম্ভব। ২০০৫ সালে উরংবধংবং ড়ভ ঈড়ষড়হ ধহফ জবপঃঁস নামের একটি শীর্ষস্থানীয় মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এক মেটা-এনালাইসিসে দেখা যায়, হেমোরয়েড ব্যান্ড লাইগেশন পাইলসের সবচাইতে কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি।
এ পদ্ধতিতে পাইলসের চিকিৎসায় সুবিধা বহুমাত্রিক। এতে সময় লাগে খুবই কম-বেশি হলে ১-২ মিনিট। রোগীর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। রোগী হেঁটে হাসপাতালে আসেন এবং হেমোরয়েড ব্যান্ড লাইগেশন শেষে হেঁটেই হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন। এর খরচও খুব কম যা অপারেশনের তুলনায় বলতে গেলে কিছুই না। সবচেয়ে বড় কথা এ পদ্ধতিতে চিকিৎসায় সাফল্যের হার ৮০% এরও বেশি। কমপিস্নকেশন প্রায় নেই বললেই চলে। হাতে গোনা দুই-একটি ক্ষেত্রে রোগীরা মামুলি ব্যথা বা রক্তক্ষরণের কমপেস্নন করে থাকেন।

  • বাংলাদেশে হেমোরয়েড ব্যান্ড লাইগেশন

আশার কথা দেরিতে হলেও বাংলাদেশে এখন হেমোরয়েড ব্যান্ড লাইগেশন হচ্ছে এবং এতে সাফল্যের হারও খুব ভালো। আমাদের সেন্টারে আমরা এখন পর্যন্ত যে শতাধিক রোগীর হেমোরয়েড ব্যান্ড লাইগেশন করেছি তাতে সাফল্যের হার শতভাগ আর সাময়িক অসুবিধা হয়েছে মাত্র দুজন রোগীর।
অতএব, একথা অবশ্যই বলা যেতে পারে যে, হেমোরয়েড ব্যান্ড লাইগেশন পাইলসের চিকিৎসায় আসলেই একটি অসাধারণ চিকিৎসা পদ্ধতি।

মিষ্টি কুমড়ার পুষ্টিগুন
                                  

 মিষ্টি কুমড়া আমাদের দেশে পরিচিত একটি সবজি। এটি দেখতে যতটা সুন্দর, এর উপকারিতাও ততটাই বেশি। ভাজা, ভাজি, ভর্তা কিংবা ঝোল করে তো খাওয়া যায়ই, মিষ্টি কুমড়া দিয়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু হালুয়া। আপনি যদি মিষ্টি কুমড়া খেতে পছন্দ না করেন, তবে অনেক স্বাস্থ্যোপকারিতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
ভিটামিন এ, বি-কমপেস্নক্স, সি এবং ই, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন, জিঙ্ক, ফসফরাস, কপার, ক্যারটিনয়েড এবং অন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহের ধারক। এ ছাড়াও বিটা-ক্যারোটিন সমৃদ্ধ এই সবজিটি আমাদের দেহের ক্যান্সার প্রতিরোধক কোষ গঠন করে।


ক্যান্সার দূরে রাখে

মিষ্টি কুমড়ায় থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যেটা ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এ ছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলেস্টেরল কম রাখতেও ভূমিকা পালন করে। আর্টারির দেয়ালে চর্বির স্তর জমতে বাধা প্রদান করে। ফলে মিষ্টি কুমড়া নিয়মিত খেলে হৃদরোগও প্রতিরোধ করা যায়।
চুল ও ত্বক ভালো রাখে
একটি মিষ্টি কুমড়াতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি। যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলে সর্দি-কাশি, ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। মিষ্টি কুমড়ার ভিটামিন এ ও সি চুল ও ত্বক ভালো রাখে। তাই চকচকে উজ্জ্বল চুল ও সুন্দর ত্বকের জন্য নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া খেতে পারেন।
রেডিকাল ড্যামেজ প্রতিরোধ করে
মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে বিটাক্যারোটিন। বিটাক্যারোটিন এক ধরনের শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। শরীরের ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজ প্রতিরোধে মিষ্টি কুমড়া ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন দূষণ, স্ট্রেস ও খাবারে যেসব কেমিক্যাল ও ক্ষতিকর উপাদান থাকে সেগুলোর কারণে ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজ হতে শুরু করে। ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজের ফলে শরীরের ভালো কোষগুলো নষ্ট হতে শুরু করে এবং খারাপ কোষের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। সবুজ, কমলা, হলুদ রঙের সবজিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি পরিমাণে থাকে। তাই মিষ্টি কুমড়া ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজ প্রতিরোধ করতে পারে।


গর্ভবতী মায়েদের জন্য
মিষ্টি কুমড়া ও এর বীজ গর্ভবতী মায়েরা তাদের অনাগত সন্তানের সুস্বাস্থ্যর জন্য নির্দ্বিধায় খেতে পারেন। মিষ্টি কুমড়া গর্ভবতী মায়েদের রক্তস্বল্পতা রোধ করে অকাল প্রসবের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।


চোখের যত্নে
এককাপ পরিমাণ রান্না করা মিষ্টি কুমড়া আমাদের চোখের সুস্বাস্থ্য রক্ষা করতে অন্যান্য খাবার থেকে ১০০ গুণ বেশি কাজ করে। বিটাক্যারোটিন ও আলফা-ক্যারোটিনের মতো ক্যারটিনয়েডসমূহ চোখের ছানিপড়া রোধসহ চোখের রেটিনা কোষ রক্ষা করে। তাই চোখকে সচল ও সুস্থ রাখতে আপনার খাদ্য তালিকায় মিষ্টি কুমড়া যোগ করুন।


ওজন কমাতে
কম ক্যালোরি এবং উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার মিষ্টি কুমড়া ওজন কমাতে একটি উপযুক্ত খাবার। এ ছাড়া মিষ্টি কুমড়ার উচ্চ পটাসিয়াম কন্টেন্টও খুব সুন্দরভাবে আপনার শরীরের বাড়তি মেদটুকু সযতেœ ঝরিয়ে দিতে সাহায্য করে। যারা তাদের শরীরের অতিরিক্ত ওজন নিয়ে বিব্রত তারা নিঃসন্দেহে কুমড়া খেতে পারেন।


কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকায় তা সহজেই হজম করতে সাহায্য করে। হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে মিষ্টি কুমড়ার জুড়ি নেই।
বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না
মিষ্টি কুমড়াতে আছে প্রচুর পরিমাণে জিংক ও আলফা হাইড্রোক্সাইড। জিংক ইমিউনিটি সিস্টেম ভালো রাখে ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করতেও মিষ্টি কুমড়া সাহায্য করে।


মিষ্টি কুমড়ার বিচির উপকারিতা
মিষ্টি কুমড়ার বিচি আমরা সবজির আবর্জনা হিসেবে ফেলে দিই। অথচ এটি আমাদের শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানে ভরপুর। কিছুকিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে এর ভূমিকা অপরিসীম। প্রোস্টেড এবং বস্নাডারের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এতে (১০০ গ্রামে) প্রোটিন আছে ২৯.৮৪ গ্রাম, যা আমরা এক টুকরো (১০০ গ্রাম) মুরগীর মাংসে পেয়ে থাকি। অর্থাৎ উৎকৃষ্ট মানের এবং যথেষ্ট পরিমাণ প্রোটিন পেতে কম খরচে এটি একটি সহজলভ্য খাবার।


কুমড়ার বিচিতে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম আছে যা উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খুবই কার্যকরী। হার্ট এবং মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতেও এর ভূমিকা অপরিসীম। কারণ এতে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাটি অ্যাসিড পলি আনস্যাচুরেটেড এবং মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড আছে- যা হার্ট এবং মস্তিষ্কের সুস্থতায় অত্যাবশ্যক। তা ছাড়া ও ক্যালসিয়ামসহ অন্যান্য কিছু পুষ্টি উপাদানের শোষণেও ভূমিকা রাখে।


মিষ্টি কুমড়ার জুসের উপকারিতা
মিষ্টি কুমড়া ওজন কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে এর তৈরি জুস বা রস ওজন কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এটি তৈরির পদ্ধতিও বেশ সহজ। মিষ্টি কুমড়া ছোট ছোট টুকরা করে কেটে বেস্নন্ডারে দিন। সামান্য পানি দিন। এখন এতে পরিমাণ মতো চিনি মিশিয়ে খেতে পারেন। তবে চিনির পরিবর্তে মধু খেলে এটি বেশি কার্যকর হবে।
মিষ্টি কুমড়ায় খুব কম পরিমাণে ক্যালরি রয়েছে। ১০০ গ্রাম মিষ্টি কুমড়ায় ক্যালরি পাওয়া যাবে মাত্র ২৬। মিষ্টি কুমড়ার জুস খেলে তা শরীরে বাড়তি ক্যালরি জমা হতে বাধা দেয়। সাধারণত ব্যায়ামের পরে মিষ্টি কুমড়ার জুস খেলে তা দারুণ কাজ করে। এটি হজমে সহায়তা করে। সেই সঙ্গে কোষ্টকাঠিন্য কমায়।


   Page 1 of 83
     স্বাস্থ্য-তথ্য
চার কাজে জেনে নিন আপনি কতটুকু সুস্থ
.............................................................................................
প্রাকৃতিক দূর্যোগে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের প্রয়োজনীয়তা
.............................................................................................
এইডস প্রতিরোধে কলা
.............................................................................................
ঘরেই চাষ হোক অ্যালোভেরা
.............................................................................................
রক্তচাপ কমে গেলে যা করবেন
.............................................................................................
রোজায় সুস্থ থাকতে যেসব খাবার
.............................................................................................
গরমে ডিহাইড্রেশন
.............................................................................................
চশমা ব্যবহারকারীর জন্য ৭ পরামর্শ
.............................................................................................
৭২ ঘণ্টায় দূষণমুক্ত ফুসফুস
.............................................................................................
ডায়াবেটিস রোগীদের পায়ের বিশেষ যত্ন
.............................................................................................
ঢ্যাঁড়সের যত উপকার
.............................................................................................
হেঁচকি উঠলে যা করতে
.............................................................................................
খালি পেটে ঘুমালে কি হতে পারে
.............................................................................................
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে যা করতে হবে
.............................................................................................
পাইলস চিকিৎসায় অসাধারণ চিকিৎসা পদ্ধতি
.............................................................................................
মিষ্টি কুমড়ার পুষ্টিগুন
.............................................................................................
বাতরোগ থেকে যেভাবে মুক্তি পেতে পারেন
.............................................................................................
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক সফেদা
.............................................................................................
বাংলাদেশিদের ফল কম খাওয়ায় মৃত্যু হচ্ছে: ল্যানসেট
.............................................................................................
দুর্লভ এই গ্রুপের রক্ত রয়েছে বিশ্বে ৪৩ জনের শরীরে
.............................................................................................
ঝুঁকিপূর্ণ নিম্ন রক্তচাপও
.............................................................................................
জ্বর জ্বর লাগলেই ওষুধ নয়
.............................................................................................
যে খাবারে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য গড়ে
.............................................................................................
প্রতিদিন কতটুকু পানি!
.............................................................................................
তারুণ্য ধরে রাখবে যে খাবারগুলো
.............................................................................................
এক কোয়া রসুনেই ধরে রাখুন যৌবন
.............................................................................................
সাদা নাকি লাল, কোন ডিমে বেশি পুষ্টি?
.............................................................................................
এখনো দাম কমেনি শীতের সবজির
.............................................................................................
লোভ ধ্বংস ডেকে আনে
.............................................................................................
ক্যান্সার ও জন্মত্রুটির জন্য দায়ী প্লাস্টিক কণা ঢুকে যাচ্ছে শরীরে
.............................................................................................
সিলেটের বক্ষব্যাধি হাসপাতালকে রেফারেন্স ল্যাবরেটরি হস্তান্তর
.............................................................................................
উন্নত খাদ্যাভ্যাস হতাশা কমাতে
.............................................................................................
ঘড়ির ঘণ্টায় ঘুম না ভাঙলে যা করবেন
.............................................................................................
মানসিক শান্তির জন্য সাইকেল ও হাঁটা
.............................................................................................
অতিরিক্ত লবণ গ্রহণের অপকারিতা
.............................................................................................
ভিটামিন ‘ডি’ কেন খাবেন
.............................................................................................
স্ট্রোক-হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে এ সবজিটি খান
.............................................................................................
কানে কিছু ঢুকে গেলে কী করবেন?
.............................................................................................
রঙ করা চুলের ক্ষতিকর দিক
.............................................................................................
পানি যেভাবে বিশুদ্ধ করার পদ্ধতি
.............................................................................................
শুকনা মরিচের ৭ ম্যাজিক গুণ
.............................................................................................
নির্বাচনের আগেই ১০ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
মস্তিষ্ক বেশি সচল থাকে যে সময়ে
.............................................................................................
হলুদ কি আসলেই উপকার করে?
.............................................................................................
কাঠবাদাম খাবেন যেসব কারণে
.............................................................................................
স্তন ক্যানসার রুখতে পারে সচেতনতা
.............................................................................................
সর্বোচ্চ মৃত্যুহার হৃদপিন্ড ও রক্তনালি জনিত রোগে
.............................................................................................
অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে, ডেঙ্গুজ্বরে ঝরলো ১৬ প্রাণ
.............................................................................................
কিশোরদের মস্তিষ্কের জন্য গাঁজা ক্ষতিকর : গবেষণার ফল
.............................................................................................
ডায়াবেটিসে মধু খাবেন, কী খাবেন না
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]