বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য-তথ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
দগ্ধ হলে করণীয়

অনাকাক্সিক্ষত হলেও চরম সত্য, বর্তমানে দেশে বিরাজ করছে উত্তাল রাজনীতিক পরিস্থিতি। দিনের পর দিন চলছে অবরোধ আর হরতাল। সেই সঙ্গে থাকছে পিকেটারদের গাড়ি ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ। চলন্ত গাড়িতে কখনো ছুঁড়ে দেওয়া হচ্ছে বিস্ফোরক ককটেল, কখনো পেট্রোল বোমা। হঠাৎ করেই বিকট শব্দে চারদিক ছেয়ে যাচ্ছে ধোঁয়ায়। আগুনে দগ্ধ হচ্ছে নিরীহ যাত্রীদের শরীর। তারপরও কাজের তাগিদে ছুটে যেতে হচ্ছে কর্মস্থলে। চলার পথে এধরনের বিপদ কারোরই কাম্য নয়। তারপরও যদি কেউ এ পরিস্থিতিতে পড়েই যান, তা হলে দ্রুত নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করতে হবে।

চলন্ত বাসের ঠিক যে অংশে কোনো বিস্ফোরণ ঘটে, তা সেখানে থাকা যাত্রীকেই বেশি আঘাত করে। একটু দূরে অবস্থান করা যাত্রীকে আঘাত করে ধীর গতিতে। কিন্তু হঠাৎ করে বোমা বিস্ফোরণের ধোঁয়া দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। বিস্ফোরণের ধোঁয়া মানবদেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ যেমন- পেট, ফুসফুস ও কানের ভেতর প্রবেশ করে দুর্বল করে ফেলে। ধোঁয়া মস্তিষ্কে অক্সিজেন প্রবেশে বাধা দিয়ে অজ্ঞানও করে দেয়। আগুনের আঁচে চামড়া পুড়ে যায়। কখনো অঙ্গহানি করে রক্তপাত ঘটায়। অপ্রত্যাশিত এধরনের বিপদ মোকাবেলায় জেনে রাখতে পারেন কিছু প্রয়োজনীয় বিষয়-

১. দ্রুত বাস থেকে নেমে যেতে হবে।
২. ধোঁয়ামুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে হবে। ধোঁয়ার কারণে মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।
৩. অঙ্গহানি হলে তাৎক্ষণিকভাবে রক্ত বন্ধের ব্যবস্থা করতে হবে।
৪. বাসে চলাচলের সময় পরনে সুতি ও পাতলা কাপড় রাখার চেষ্টা করতে হবে। আগুনে সিনথেটিকের চেয়ে সুতি কাপড় অনেক বেশি সহনশীল হয়। সুতি কাপড়ে যদি আগুন লাগেও তা দ্রুত নিভিয়ে ফেলা যায়।
৫. পায়ের জুতাটি এমন হওয়া উচিত যাতে নিজেকে রক্ষা করার প্রয়োজনে দৌড়ানো যায়।
৬. সমস্যা গুরুতর হলে আশেপাশের কারো সাহায্য নিয়ে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

 

দগ্ধ হলে করণীয়
                                  

অনাকাক্সিক্ষত হলেও চরম সত্য, বর্তমানে দেশে বিরাজ করছে উত্তাল রাজনীতিক পরিস্থিতি। দিনের পর দিন চলছে অবরোধ আর হরতাল। সেই সঙ্গে থাকছে পিকেটারদের গাড়ি ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ। চলন্ত গাড়িতে কখনো ছুঁড়ে দেওয়া হচ্ছে বিস্ফোরক ককটেল, কখনো পেট্রোল বোমা। হঠাৎ করেই বিকট শব্দে চারদিক ছেয়ে যাচ্ছে ধোঁয়ায়। আগুনে দগ্ধ হচ্ছে নিরীহ যাত্রীদের শরীর। তারপরও কাজের তাগিদে ছুটে যেতে হচ্ছে কর্মস্থলে। চলার পথে এধরনের বিপদ কারোরই কাম্য নয়। তারপরও যদি কেউ এ পরিস্থিতিতে পড়েই যান, তা হলে দ্রুত নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করতে হবে।

চলন্ত বাসের ঠিক যে অংশে কোনো বিস্ফোরণ ঘটে, তা সেখানে থাকা যাত্রীকেই বেশি আঘাত করে। একটু দূরে অবস্থান করা যাত্রীকে আঘাত করে ধীর গতিতে। কিন্তু হঠাৎ করে বোমা বিস্ফোরণের ধোঁয়া দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। বিস্ফোরণের ধোঁয়া মানবদেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ যেমন- পেট, ফুসফুস ও কানের ভেতর প্রবেশ করে দুর্বল করে ফেলে। ধোঁয়া মস্তিষ্কে অক্সিজেন প্রবেশে বাধা দিয়ে অজ্ঞানও করে দেয়। আগুনের আঁচে চামড়া পুড়ে যায়। কখনো অঙ্গহানি করে রক্তপাত ঘটায়। অপ্রত্যাশিত এধরনের বিপদ মোকাবেলায় জেনে রাখতে পারেন কিছু প্রয়োজনীয় বিষয়-

১. দ্রুত বাস থেকে নেমে যেতে হবে।
২. ধোঁয়ামুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে হবে। ধোঁয়ার কারণে মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।
৩. অঙ্গহানি হলে তাৎক্ষণিকভাবে রক্ত বন্ধের ব্যবস্থা করতে হবে।
৪. বাসে চলাচলের সময় পরনে সুতি ও পাতলা কাপড় রাখার চেষ্টা করতে হবে। আগুনে সিনথেটিকের চেয়ে সুতি কাপড় অনেক বেশি সহনশীল হয়। সুতি কাপড়ে যদি আগুন লাগেও তা দ্রুত নিভিয়ে ফেলা যায়।
৫. পায়ের জুতাটি এমন হওয়া উচিত যাতে নিজেকে রক্ষা করার প্রয়োজনে দৌড়ানো যায়।
৬. সমস্যা গুরুতর হলে আশেপাশের কারো সাহায্য নিয়ে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

 

শীতকালে সুস্থ থাকার ৯টি সহজ উপায়
                                  

মৌরি, এলাচ, দারচিনি, এ ধরনের কিছু মসলা এশীয়দের কাছে খুবই পরিচিত, যা চীন এবং মিশরে ৫০০০ বছর আগে থেকে শীতকালের নানা অসুখে ব্যবহার হয়ে আসছে। যা আজকাল জার্মানদের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর কারণ ও ব্যবহার।

ধনে
বাঙালি রান্নায় প্রতিদিনই ধনের ব্যবহার রয়েছে একথা ঠিক তবে এর কী উপকারিতা তা কি জানি সবাই? ধনে পেট, অন্ত্র এবং নার্ভকে ঠান্ডা বা শান্ত রাখে। তা ছাড়া জটিল মাথাব্যথা অর্থাৎ মাইগ্রেন সারতেও ভূমিকা রাখে। এক চামচ শুকনো ধনে ফুটন্ত পানিতে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখার পর তা ছেঁকে একটু মধু মিশিয়ে পান করুন, হালকা বোধ করবেন।

মৌরি
সামান্য মিষ্টি স্বাদের এই মৌরিকে আমরা খাওয়ার পর হজমের জন্য একটুখানি মুখে দেয়ার সুবাদে চিনি। জার্মানরা এই মৌরিই ব্যবহার করে বিভিন্ন কেক বা বিস্কুট তৈরি করার সময়। মৌরি পেট পরিষ্কার রাখতে এবং স্বাসনালীর ইনফেকশনের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে থাকে। শীতকালে আধা চামচ মৌরি চা ১০ মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে দিনে কয়েক বার পান করলে পেট এবং স্বাসনালীর সমস্যা দূরে থাকে।

আদা
আদার গুণের কথা আজ আর কে না জানে? আয়ুর্বেদি ওষুধের তালিকার আদার স্থান অনেক ওপরে। আদা, কাশি, পেটের সমস্যা এবং বমি-বমি-ভাব দূর করতে বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। বড় এক টুকরো আদা এক লিটার পানিতে ঘন্টাখানেক ফুটিয়ে ২৪ ঘণ্টা পর ছেঁকে বোতলে ঢেলে রাখুন। তার পর কয়েকদিন ধরে অল্প অল্প করে পান করুন, যা পেটের ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলতে সাহায্য করবে। পরামর্শ: কোলনের ইন্টারনিস্ট ডাক্তার ক্লাউস ইয়ুর্গেন স্ল্যুইটার।

এলাচ
পোলাও, কোর্মা, বা মিষ্টি জাতীয় নানা খাবারে সুন্দর ঘ্রাণের জন্য এলাচ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। জার্মনিতে বড়দিন উপলক্ষে তৈরি নানা কেক বিস্কুটে এলাচ দেওয়া হয়। এলাচ পেটকে শান্ত রাখে, নিঃশ্বাস দুর্গন্ধমুক্ত করে। এমনকি এই ক্ষুদ্র এলাচ দানা চিবোলে নাকি মানুষের মনও ভালো হয়ে যায়।

জায়ফল
জায়ফল অর্থাৎ শক্ত বাদামের মতো দেখতে এই মসলাটির জন্ম ইন্দোনেশিয়ায়। এর ভেতরের শক্ত দানা গুঁড়ো করে খেলে ইনফেকশন এবং বাত ও গেঁটে বাতের ব্যথায় খুবই উপকারী। জায়ফল খাওয়ায় রুচি বাড়াতেও সাহায্য করে, তবে পরিমাণে খুবই কম খেতে হয় অর্থাৎ মাত্র এক চিমটে।

লবঙ্গ
লবঙ্গ মাইগ্রেন অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় এবং খুশখুশে কাশি দূর করে। লবঙ্গের ঝাঁঝ শরীরে উদ্দীপক হিসেবেও কাজে করে।

জাফরান
সবচেয়ে দামি মশলাগুলোর মধ্যে মিষ্টি রং-এর জাফরান একটি। যা এশীয় খাবার অর্থাৎ পোলাও, বিরিয়ানি এবং বিভিন্ন মিষ্টি জাতীয় খাবারে দেওয়া হয়। তা ছাড়া একগ্লাস গরম দুধে এক চিমটে জাফরান দিয়ে দু’মিনিট গরম করে পান করে নিন। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য তাদের সাহায্য করবে। জাফরান হালকা হৃদরোগের সমস্যায়ও নাকি অনেক সময় উপকারে আসে।


দারচিনি
দারচিনি শুধু খাবারে সুন্দর মিষ্টি ঘ্রাণই ছড়ায় না। এতে রয়েছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়ার উপাদান, যা রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়।

গোলমরিচ
গোলমরিচ হাড়ের ব্যথা, স্ট্রেস এবং নার্ভাসনেস দূর করতে সাহায্য করে থাকে। ভালোভাবে গরম করা একমুঠো গোলমরিচ একটি কাপড়ে নিয়ে তা ব্যথার স্থানে কিছুক্ষণ ধরে রাখলে বাতের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

ফুসফুসের সুস্থতা জরুরি রোগমুক্ত থাকতে
                                  

 সাধারণত ফুসফুস কতটা সুস্থ রয়েছে তা নির্ভর করে একটি নির্দিষ্ট সময়ের হিসেবে বাতাস ধরে রাখার ক্ষমতার ওপর। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ফুসফুসের বাতাস ধারণক্ষমতা কমে যায়। কিন্তু ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে একে সুস্থ রাখতে পারলেই অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এ কারণে ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত ফুসফুসের যত্ন নেওয়া জরুরি।
বয়স ৪০ পার হলেই এ বিষয়ে অধিক মনোযোগ দিতে হবে। আর যাদের বয়স এখনো ৪০ হয়নি তাদের উচিত আগে থেকেই ফুসফুসের যত্ন নেওয়া। ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য রয়েছে নানা রকম ব্যায়াম, বিশেষ করে কিছু কার্ডিও এক্সারসাইজ।

সঙ্গে অবশ্যই শ্বাসের কিছু ব্যায়াম, নিজের ওঠাবসার প্রতি খেয়াল রাখা, ধূমপান ত্যাগ করা ফুসফুসের যত্নের জন্য জরুরি। ফুসফুসের অ্যালভিওলাই যত শক্তিশালী হবে ও ফুসফুসের পেশিগুলো যত মজবুত হবে, ততই তার বাতাস ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়বে। কার্ডিও এক্সারসাইজ: সাইক্লিং, রোয়িং, ট্রেডমিল এইসব কার্ডিও এক্সারসাইজগুলো ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে খুব উপযোগী। তবে দীর্ঘ সময় ধরে একটানা অভ্যাস করা উচিত নয়, বরং মাঝে মাঝে কিছুটা বিরাম নিয়ে এই ধরনের ব্যায়াম রপ্ত করতে পারলে তা ফুসফুসকে মজবুত করে।শরীরের অন্যান্য রোগের ওপর নির্ভর করে এই ধরনের ব্যায়ামের সময়সীমা নির্ধারণ করেন চিকিৎসকরা।

তাই এই ব্যায়ামগুলোর আগে ফিটনেস বিশেষজ্ঞ ও ট্রেনারের পরামর্শ প্রয়োজন। শরীরের গঠন অনুযায়ী নারীর তুলনায় পুরুষের ফুসফুসের ধারণক্ষমতা বেশি হয়। কিন্তু দীর্ঘ অনিয়ম ও অযত্নে তা কমতে পারে। আবার একটু বেশি যত্ন নিলে নারীর ফুসফুসের ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে তাকে সুস্থ রাখা যায়।

রক্তদূষণ রোগ ক্যানসারের চেয়ে ভয়াবহ
                                  

বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী একটি রোগ রক্তদূষণ বা সেপসিস। এটি রক্তের বিষ হিসেবেও পরিচিত। বিশ্বজুড়ে পাঁচজনের মধ্যে একজনের মৃত্যু ঘটে এই সেপসিসের কারণে। কোনো সংক্রমণ প্রতিরোধে শরীর যখন অনেক বেশি প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে ওঠে তখন সেপসিসের উদ্ভব হয়।


সম্প্রতি ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলেছেন, বছরে এক কোটি ১০ লাখ মানুষ সেপসিসে মারা যাচ্ছে; আশঙ্কার কথা যা কী-না ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যার চেয়েও অনেক বেশি। গবেষকরা বলেছেন, এই উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান আগের ধারণার তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, সেপসিসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন দরিদ্র এবং মধ্যম আয়ের দেশের মানুষ, তবে ধনী দেশগুলোকেও এই সেপসিস মোকাবিলায় কাজ করতে হচ্ছে।


সেপসিস কী? সেপসিস ‘গুপ্ত ঘাতক’ হিসেবেও পরিচিত। কারণ এটি শনাক্ত করা কঠিন হতে পারে। মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অস্বাভাবিক কাজ করার ফলে এই সেপসিস হতে পারে। এই প্রতিরোধ ক্ষমতা কেবল সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার পরিবর্তে শরীরের অন্যান্য অংশগুলিতেও আক্রমণ শুরু করে। একপর্যায়ে মানুষের অঙ্গ অকেজো হয়ে যায়। এমনকি বেঁচে থাকা মানুষেরও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি ও অক্ষমতা নিয়ে চলতে হতে পারে। যেসব ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের কারণে ডায়রিয়া সংক্রমণ বা ফুসফুসের রোগ হয়ে থাকে সেগুলোই সেপসিস হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ। সেপসিসে আক্রান্ত ব্যক্তির হার্ট রেট স্বাভাবিকের চাইতে বেশি হয়।
সেপসিসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের মানুষ। শতাংশের হিসেবে যা প্রায় ৮৫%। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে শিশু এবং বৃদ্ধরা। পাঁচ বছরের কম বয়সী ১০ জন শিশুর মধ্যে চার জনের সেপসিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।


প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সেপসিসে আক্রান্ত হওয়ার যেসব লক্ষ্মণ রয়েছে তার মধ্যে রয়েছে, অস্পষ্ট কথা, চরম কাঁপুনি বা পেশী ব্যথা, সারাদিনে কোনো প্রস্রাব না হওয়া, মারাত্মক শ্বাসকষ্ট, দ্রুত হৃৎস্পন্দন এবং শরীরের তাপমাত্রা অনেক বা কম হওয়া, ত্বকের রঙ একেক জায়গায় একেক রকম বা ছোপ ছোপ দাগ।
শিশুদের মধ্যে সেপসিসে আক্রান্ত হওয়ার যেসব লক্ষ্মণ রয়েছে তার মধ্যে রয়েছেÑচেহারা দেখতে নীলচে বা ফ্যাকাসে হয়, ত্বকের রঙ একেক জায়গায় একেক রকম দেখায়, খুব অলস থাকে বা ঘুম থেকে জাগানো কঠিন হয়ে পড়ে, শিশুর শরীর স্পর্শ করলে অস্বাভাবিক ঠান্ডা অনুভূত হয়, খুব দ্রুত শ্বাস নিলে, ত্বকে এক ধরনের ফুসফুসি হলে এবং হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়া বা খিচুনি।-বিবিসি

শরীর ব্যথা হয় ধূমপানের কারণেও!
                                  

ধূমপান শরীরের জন্য ক্ষতিকর জেনেও ধূমপান করে। ধূমপানের বদঅভ্যাস একবার শুরু করে তার প্রভাব মানুষ বয়ে বেড়ায় আজীবন। নতুন এক গবেষণায় উঠে এলো ধূশপানের ক্ষতিকর দিক নিয়ে আরেক তথ্য। এতে বলা হচ্ছে- যাঁরা ধূমপান করেন, এমনকি যাঁরা আগে ধূমপান করতেন এবং এখন ছেড়ে দিয়েছেন, তারাও অধূমপায়ীদের চেয়ে বেশি শারীরিক যন্ত্রণা ভোগ করেন।


তবে ধূমপানের সাথে শারীরিক যন্ত্রণার সম্পর্কের বিষয়ে নিশ্চিত কিছু এখনও জানা নেই বিজ্ঞানীদের। গবেষণাটি করেছে ইউসিএল। ২০০৯ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে বিবিসির একটি অনলাইন জরিপে অংশ নেয়া ২ লাখ ২০ হাজার মানুষের তথ্য-উপাত্ত দিয়ে তৈরি করা হয়েছে গবেষণাটি।
গবেষণায় অংশ নেয়া মানুষকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো- কখনো নিয়মিত ধূমপান করেননি, একসময় নিয়মিত ধূমপান করতেন ও বর্তমানে নিয়মিত ধূমপান করেন।
তাদের তাদের শারীরিক যন্ত্রণার পরিমাণ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয় এবং পরবর্তীতে তাদের উত্তরের ভিত্তিতে তৈরি করা শূন্য থেকে ১০০ পর্যন্ত একটি স্কেলে সেই উত্তর বসানো হয়। যাঁরা কখনো ধূমপান করেননি, তাদের চেয়ে বর্তমান ও সাবেক ধূমপায়ীরা গড়ে ১ থেকে ২ পয়েন্ট বেশি পান, অর্থাৎ তাদের শারীরিক যন্ত্রণার হার অধূমপায়ীদের চেয়ে বেশি।
অথবা বলা যায়, ধূমপান ছেড়ে দিলেও ভবিষ্যতে এই অভ্যাসের কারণে শারীরিক যন্ত্রণা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।


গবেষকদের একজন ডক্টর ওলগা পারস্কির মতে গবেষণার প্রধান আবিষ্কার হলো, সাবেক ধূমপায়ীরাও অধূমপায়ীদের চেয়ে বেশি ব্যথায় ভোগেন।
তাদের তাদের শারীরিক যন্ত্রণার পরিমাণ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয় এবং পরবর্তীতে তাদের উত্তরের ভিত্তিতে তৈরি করা শূন্য থেকে ১০০ পর্যন্ত একটি স্কেলে সেই উত্তর বসানো হয়।
যারা কখনো ধূমপান করেননি, তাদের চেয়ে বর্তমান ও সাবেক ধূমপায়ীরা গড়ে ১ থেকে ২ পয়েন্ট বেশি পান, অর্থাৎ তাদের শারীরিক যন্ত্রণার হার অধূমপায়ীদের চেয়ে বেশি।
অথবা বলা যায়, ধূমপান ছেড়ে দিলেও ভবিষ্যতে এই অভ্যাসের কারণে শারীরিক যন্ত্রণা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।


গবেষকদের একজন ডক্টর ওলগা পারস্কি বিবিসিকে বলেন, "গবেষণার প্রধান আবিষ্কার হলো, সাবেক ধূমপায়ীরাও অপেক্ষাকৃত বেশি শারীরিক যন্ত্রণা নিয়ে জীবনযাপন করেন।"
ক্যান্সার, হৃদরোগ ও শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত রোগ ছাড়াও অন্ধত্ব, বধিরতা, ডায়াবেটিস, স্মৃতিভ্রম এবং বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে ধূমপান। এ ছাড়া অপারেশন হওয়ার পর ধূমপায়ীরা সেরে উঠতে অধূমপায়ীদের চেয়ে বেশি সময় নেয়। অধূমপায়ীদের তুলনায় ধূমপায়ীদের অপারেশন সফল না হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে বলে মনে করেন ধূমপানবিরোধী ক্যাম্পেইন গ্রুপ অ্যাশের প্রধান নির্বাহী ডেবোরাহ আরনট।

 

শীতে চুলের রুক্ষতা দূর করবেন যেভাবে
                                  

শীতে ত্বকের পাশাপাশি চুলও রুক্ষ হয়ে যায়। এ সময় চুলের চাই বাড়তি আর্দ্রতা। আর এ আর্দ্রতা যোগান দিতে পারে ঘরোয়া এক উপাদান। সেটা হচ্ছে মধু। এটি দিয়ে বানানো বিভিন্ন ঘরোয়া প্যাক সহজেই চুলের রুক্ষতা দূর করে।

যেমন-
মধু দিয়ে চুল ধোয়া : এক মগ পানিতে আধকাপ মধু মিশিয়ে নিন। শ্যাম্পু করা হলে মাথায় আস্তে আস্তে মধু মেশানো পানিটা ঢেলে ম্যাসাজ করুন। এরপর চুলটা আবার ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল কোমল ও উজ্জ্বল দেখাবে।


স্পা করুন বাড়িতে: পার্লারে গিয়ে স্পা না করে ঘরেই স্পা করুন। এ জন্য দুই টেবিলচামচ এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েলের সঙ্গে দুই টেবিলচামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে নিন।মিশ্রণটি মাস্ক হিসেবে চুলে লাগান। দশ মিনিট পর শ্যাম্পু করুন। এতে চুল যেমন নরম হবে, তেমনি পুষ্টিও পাবে।
টকদই আর মধুর মিশ্রণ: চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখতে আধকাপ টকদইয়ের সঙ্গে এক চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মাস্ক হিসেবে বিশ মিনিট রেখে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুলের আর্দ্রতা ফিরবে।


মধু, দুধের মিশ্রণ: রুক্ষ, ক্ষতিগ্রস্ত চুলের জন্য আধকাপ দুধে দুই-তিন চামচ মধু মেশান। মিশ্রণটা হালকা গরম করুন যাতে মধু পুরোপুরি দুধে মিশে যায়। তারপর ঠান্ডা হলে চুলের ডগায় লাগান। ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল পুষ্টি পাবে।


ডিম, মধুর মিশ্রণ: জটপড়া চুল স্বাভাবিক করতে ডিম আর মধুর মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন। ২ টি ডিম ভেঙে তাতে দুই চামচ মধু দিয়ে ভালোভাবে ফেটে নিন। মিশ্রণটি মাথার তালুতে ম্যাসাজ করে লাগান। সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে নিন। এতে চুল শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি নরমও থাকবে। সূত্র : জি নিউজ

শীতে শরীর গরম থাকবে যেসব খাবার খেলে
                                  

 শীত জেঁকে বসেছে পুরো দেশজুড়ে। হিমেল হাওয়ায় বাইরে বের হওয়া যেমন বেশ কষ্টসাধ্য, তেমনি ঘরে থাকাও স্বস্তিদায়ক নয়। এই অবস্থায় আপনাকে নিজে থেকেই শরীর গরম রাখার সব চেষ্টা করতে হবে। একাধিক গরম কাপড় পরা, গরম কফি-চা পান করা, আগুন বা রুম হিটারের সামনে বসে থাকা, কত চেষ্টাই করি আমরা এই শীতে। তবে এত সব উদ্যোগের মাঝে একটি সাধারণ উদ্যোগও নেয়া জরুরি আমাদের। আর তা হলো শরীর গরম রাখতে সহায়ক খাবার খাওয়া। যেসব খাবারে ফ্যাট, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট থাকে, সেগুলো হজম হতে সময় নেয়, এর ফলে শরীরে উত্তাপ তৈরি হয়। শীতে এমনই কিছু খাবার নিয়মিত খেয়ে সুস্থ থাকতে চেষ্টা করুন।

মাটির তলার সবজি: যেসব সবজি মাটির নিচে জন্মায়, অর্থাৎ মূল আছে যেসব সবজিতে, সেগুলো হজম হতে প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়। এর ফলে শরীরে প্রচুর উত্তাপ সৃষ্টি হয়। সে কারণে শীত থেকে বাঁচতে আলু, গাজর, মুলা, শালগম, বিটমূল এসব সবজি খান। এ ক্ষেত্রে পেঁয়াজও বেশ উপকারী। বাদাম ও খেজুর: বিভিন্ন ধরনের বাদাম, যেমন- চীনা বাদাম, কাজু বাদাম ও পেস্তা বাদাম এমনকি খেজুর শীতকালে বেশ উপকারী খাবার। কারণ এসব বাদাম ও খেজুর বিপাক প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে শরীরে তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
ফল: শীতে আপেল, কমলা ও নারকেল খুব উপযোগী ফল। কারণ এসব ফলে প্রচুর আঁশ থাকে, যা হজম হতে সময় লাগে, যে কারণে শরীরে উত্তাপ বাড়ে।
ডিম ও মুরগি: ডিম ও মুরগিতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও আয়রন থাকে যা হজম হতে সময় নেয় এবং একই ভাবে শরীর উত্তপ্ত হয়ে উঠে সে সময়।


গুল্ম ও মসলা: পরিচিত কিছু গুল্ম ও মসলা, যেমন- রসুন, আদা ও গোল মরিচ শরীরে উত্তাপ তৈরি করে। তাই এখন শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে উপরের কোনো না কোনো খাবার প্রতিদিন আপনার খাদ্য তালিকায় রাখার চেষ্টা করুন।


মধু : সর্দি, কাশি, ফ্লু ইত্যাদির বিরুদ্ধে লড়তে অনন্য এক উপাদান মধু। মিষ্টিজাতীয় খাবার হলেও মধুতে নেই বাড়তি ক্যালরির ঝামেলা। এ ছাড়া শরীর গরম রাখতেও বেশ উপকারী।
ঘি: শীতকালে ভাতের সঙ্গে ঘি বা রুটির উপর ঘি মিশিয়ে খাওয়ার প্রবণতা বেশ জনপ্রিয়। ঘি শরীরকে গরম করে তোলে এবং শীতকালীন অসুস্থতা থেকে শরীরকে রক্ষা করে। সুতরাং শীতকালে খাবারের উপর ঘি ছড়িয়ে অথবা ঘি দিয়ে খাবার রান্না করলে তা শরীর গরম করতে সাহায্য করবে।

বাড়ন্ত শিশুর খাদ্য তালিকায় যা রাখতে হবে
                                  

দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সে শিশুদের মূলত মানসিক ও ব্রেইন ডেভলপমেন্ট হয়ে থাকে। খাবার দিতে হবে যা তাদের সঠিক ও স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তারা তাদের নিজ জগত বুঝতে শেখে এই বয়সটাই। এই বয়সে সকালে একটি ডিম সিদ্ধ দেওয়া যেতে পারে। যা কিনা বাচ্চাদের স্মরণশক্তি বৃদ্ধি ও শারীরিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি থেকে তারা পেতে পারে প্রোটিন, ভিটামিন বি১২, ফসফরাস এবং ভিটামিন ডি। এছাড়াও ডিমে মস্তিষ্কের বিকাশের জন্যে রয়েছে কুসুমের পুষ্টি উপাদান কোলিন।

যা স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। প্রোটিন হিসেবে ডাল দেওয়া যেতে পারে রুটির সাথে। সকালে একটা বা দুইটা রুটি দেওয়া যেতে পারে, সাথে এক গ্লাস দুধ। দুধ এই বয়সী বাচ্চাদের জন্য অতি প্রয়োজনীয় খাবার। মিড মর্নিং- এ আমরা তাজা ফল বা ফলের রস দিতে পারি অথবা কিছু বাদাম দিতে পারি। যা শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বাড়ায় এবং রোগ প্রতিরোধ করে। দুপুরে এক অথবা দুই কাপ ভাতের সাথে সবজির দুই থেকে তিন টুকরা, এক পিস মাছ অথবা মাংসের টুকরা থাকতে পারে। সঙ্গে থাকতে পারে শসা ও লেবু। এসব খাবার যোগাবে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট, মিনারেলস ও ভিটামিন। বাচ্চাদের শারীরিক বিকাশে সাহায্য করবে এসব উপাদান।

সন্ধ্যায় বা বিকালের দিকে এক কাপ দুধ দিতে পারেন। হাড়ের গঠন মজবুত করতে সাহায্য করবে দুধ। রাতে দেওয়া যেতে পারে দুপুরের মতো অল্প পরিমাণে খাবার। মেন্যুতে থাকতে পারে মাছ, মাংস, ভাত অথবা রুটি। এই সময় পরিমিত খাওয়া দাওয়ার পাশাপাশি শিশুদের খেলাধুলা করতে উৎসাহ প্রদান করা খুব জরুরি। কারণ এই বয়সেই বাইরের পরিবেশের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেওয়ার শুরুটা হয়। এবং অবশ্যই জাঙ্ক ফুড থেকে দূরে রাখতে হবে শিশুকে।

 

বয়স্করা মুখের স্বাস্থ্য রক্ষায় যা করবেন
                                  

 বয়সসীমা পঞ্চাশ পার হলেই দাঁত ও মুখের সংক্রামকের মতো জটিলতার ঝুঁকি বাড়ে। বিভিন্ন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ দাঁতকে দুর্বল করে ফেলায় দাঁত নড়ে যায়। এতে মুখাবয়বের পরির্তনের সঙ্গে সঙ্গে শক্ত খাবার চিবানো কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে আপনি অপুষ্টিজনিত নানান সমস্যায় ভুগতে পারেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মুখে দাঁত নেই এমন ব্যক্তি অহরহ দেখা গেলেও উন্নত বিশ্বে তেমন একটা চোখে পড়ে না। কারণ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকে মুখের যত্নের ব্যাপারে উদাসীন হয়ে পড়েন। এতে মাড়ির প্রদাহ, দাঁত ক্ষয়ের মতো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। হতে পারে দাঁতে ক্যাভিটিও যেটা অল্প বয়স্কদের মধ্যে কমই দেখা যায়।

বয়স বাড়লে মাড়ির প্রদাহ বা পেরিওডোন্টাইটিসের প্রবণতা বেড়ে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স্কদের মধ্যে ৪ শতাংশ মানুষ মাঝারি বা মারাত্মক পেরিওডোন্টাইটিস রোগে ভুগছে- যা অল্প বয়স্কদের ক্ষেত্রে ৩৮ শতাংশেরও কম। অনেক ক্ষেত্রে মুখ ও দাঁতের চিকিৎসাকালীন সময়ে ব্যাকটেরিয়া রক্তে প্রবেশ করতে পারে। এসব ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সারা শরীরে রক্তের মধ্যে প্রবাহিত হতে থাকে। কারও হৃৎপিন্ডে রিং বসানো থাকলে বা বাল্ব প্রতিস্থাপিত হলে, অথবা কৃত্রিম জয়েন্ট থাকলে সেসব স্থান সংক্রমিত হতে পারে। এ ধরনের সংক্রমণ রোধে মুখের যত্নের ব্যাপারে সচেতনতাই সবচেয়ে জরুরি। যাদের হৃৎপিন্ডে রিং বসানো বা বাল্ব প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, অথবা কৃত্রিম জয়েন্টে আছে তাদের প্রয়োজন আলাদা যত্নের। কারণ দাঁতের চিকিৎসায় তাদের এন্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয় না। এজন্য বছরে অন্তত দুইবার ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন। আর দাঁতের পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় আপনার মুখে কোনো সমস্যা বা ব্যথা হলে অবশ্যই চিকিৎসকে জানাতে হবে। মুখ শুষ্ক হলে বা লালা কমে গেলে দাঁত ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে।

এ ধরনের অবস্থা তৈরি হলে চিকৎসককে জানান, আলোচনা করুন আপনার প্রতিদিনে ওষুধের তালিকায় এমন কোনো ওষুধ আছে কি না- যা মুখের লালা স্বল্পতার জন্য দায়ী। যদি এমন কোনা ওষুধ আপনি সেবন করে থাকেন সম্ভব হলে তা সেবন থেকে বিরত থাকুন। মুখের সুস্বাস্থ্যের জন্য কি করা উচিত আর কি কি পরিহার করতে হবে সংক্ষেপে কিছু পরামর্শ তুলে ধরা হলো:
কী করবেন না
ধূমপান করবেন না। ষ পান-তামাকে অভ্যস্ত হলে দ্রম্নত পরিহার করুন। ষ মুখের লালা স্বল্পতার জন্য দায়ী ওষুধ সম্ভব হলে ত্যাগ করুন। ষ উচ্চমাত্রার চিনিযুক্ত খাবার খাবেন না।
কী করবেন
লেবু বা টক জাতীয় খাবার মুখের লালা বৃদ্ধিতে সহায়ক। মিষ্টি নেই এমন চুইংগাম চিবানো যেতে পারে।
আপনার যদি দীর্ঘদিন ধরে মুখ শুকনো থাকে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেতে হবে।
প্রতিদিন ক্লোরাইড টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে হবে।
প্রতিদিন একবার ডেন্টাল ফ্লশ ব্যবহার করতে হবে। যদি তা না পারেন তবে ইন্টার ডেন্টাল ব্রাশ ব্যবহার করতে হবে।
মাড়িতে কোনো রোগ থাকলে ক্লোরোহেক্সিডিনযুক্ত মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করতে হবে। ডেন্টাল সার্জনের কাছে গিয়ে স্কেলিং করা উচিত এবং বছরে অন্তত দুইবার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
আপনার যদি হৃৎপিন্ডে বাল্ব, রিং বা কৃত্রিম জয়েন্ট প্রতিস্থাপিত হয়ে থাকে তবে গুরুত্বের সঙ্গে সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে মুখের যত্নের ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।
আপনার দাঁত বা মুখের কোনো চিকিৎসা শুরু করার আগে কি ধরনের চিকিৎসা করা হচ্ছে সে সম্পর্কে জেনে নিন।
ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ থাকলে চিকিৎসা শুরুর আগেই দেখে নিন তা নিয়ন্ত্রণে আছে কি না।
মনে রাখবেন, সুস্থ্য মুখ আপনার শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। তাই প্রতিদিন অন্তত দুইবার ব্রাশ একবার ফ্লশ করার কোনো বিকল্প নেই।
ডা. শারমীন জামান ডেন্টাল সার্জন
বিডিএস (ডিউ)
পিজিটি (ওরাল অ্যান্ড মেক্সিলোফ্যাসিয়াল সার্জারি)
ফরাজী ডেন্টাল হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার, ঢাকা।

মেরুদণ্ড ভালো রাখতে করনীয়
                                  

 এরই মধ্যে ‘ব্যাক পেইন’য়ের সমস্যা বাঁধিয়ে থাকলে বরং জেনে নিন কীভাবে ভালো থাকা যায়। পুরো শরীর সোজা ধরে রাখে মেরুদণ্ড। তাই তা ভালো রাখার প্রয়োজনীয়তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে দিনের দীর্ঘসময় বসে কাটানো, অলস জীবনযাত্রা, শোয়া ও বসার ধরনে ভুল ইত্যাদি মিলিয়ে পিঠ-ব্যথা, কোমর-ব্যথা ইত্যাদি এখন সাধারণ সমস্যা যার সবকিছুই মূলত মেরুদণ্ডের ব্যথা। এই ব্যথার কারণের একটি বড় অংশ জুড়ে আছে ভুলভাবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা। বাঁকা হয়ে সামনের দিকে ঝুঁকে লম্বা সময় বসে থাকার কারণে পিঠ ব্যথাসহ আরও নানান শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। তাই বসতে হবে সঠিকভাবে। আর একটানা অনেকক্ষণ বসে থাকা চলবে না। তবে যে ক্ষতি ইতোমধ্যেই হয়ে গেছে তা কীভাবে পুরণ করা যায়? সবচাইতে ভালো উপায় হবে হাতের ভরে ঝুলে থাকা। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন অবলম্বনে জানানো হলো এ বিষয়ে বিস্তারিত।


যা করা উচিত: ঝুলে থাকুন, মানে ‘পুল-আপ বার’ বা আড়াআড়িভাবে রাখা একটি সোজা লোহার দণ্ড দুহাত দিয়ে ধরে হাতের জোরে পুরো শরীর ঝুলিয়ে রাখতে হবে। মেরুদণ্ড ভালো রাখতে এই ব্যায়াম খুবই উপকারী। লোহার দণ্ডই হতে হবে এমনটা নয়। গাছের ডাল, ঘরের ছাঁদ থেকে দড়ি দিয়ে ঝোলানো ‘রিং’ যেকোনো কিছুই ব্যবহার করতে পারেন, ঝুলে থাকা গেলেই হল।
উপকারিতা: এভাবে ঝুলে থাকলে মেরুদণ্ড টানটান হবে, হাত দিয়ে কোনো কিছু শক্ত করে ধরে রাখার শক্তি বাড়বে এবং দুই কাঁধ শক্তিশালী হবে। যারা কাজের প্রয়োজনে সারাদিন অফিসে বসে কাটান এবং যারা পিঠ ব্যথায় ভুগছেন তাদের জন্য এই ব্যায়াম অত্যন্ত উপকারী। তবে প্রথমেই বেশি জোর দেওয়া যাবে না। শুরু করতে হবে ১০ সেকেন্ড ঝুলে থাকার মাধ্যমে এবং ক্রমেই সময় বাড়াতে হবে।
ব্যায়ামটিও সঠিকভাবে করতে হবে: অন্যথায় উপকারের বদলে হিতে বিপরীত হতে পারে। প্রথমে একটি টুলের উপর দাঁড়িয়ে যা ধরে ঝুলবেন সেটা ধরতে হবে। প্রয়োজনে লাফ দিয়েও তা ধরতে পারেন। দুই হাত থাকবে দুই কাঁধ বরাবর অর্থাৎ দুই হাতের মধ্যকার দূরত্বটা আপনার কাঁধের প্রস্থ পরিমাণ।


হাতের অবস্থান ঠিক থাকলে এবার টুল থেকে পা সরিয়ে দুই হাতের ওপর পুরো শরীরের ওজন ছেড়ে দিয়ে ঝুলে পড়তে হবে। প্রাথমিক অবস্থায় ১০ সেকেন্ড ধরে রেখে আবার টুলে দাঁড়িয়ে বিরতি নিতে হবে। কিছুক্ষণ পর আবার একইভাবে ১০ সেকেন্ড ঝুলে থাকতে হবে।


মনে রাখতে হবে: কাঁধে কিংবা পিঠে আঘাত পাওয়ার কারণে যাদের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা দেখা দিয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এই ব্যায়াম নিষিদ্ধ। বয়স্কদের উচিত হবে এই ব্যায়াম শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া। গর্ভবতী নারীদের জন্যও এই ব্যায়াম একেবারেই করা যাবে না। ছবি: রয়টার্স।

শীতে বাদ দেওয়া উচিৎ যেসব খাবার
                                  

 সহজে হজম হয় ও শরীরে চর্বি জমবে না এমন খাবার খাওয়া উচিত। পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে শীতকালে এড়িয়ে চলা ভালো এমন কয়েকটি খাবারের তালিকা এখানে দেওয়া হল।

গরম কফি: শীতকালে এক কাপ গরম কফি মানে অমৃত। তবে এই সময় অনেকেই কফি না খাওয়ার পরামর্শ দেন। কারণ কফি ক্যাফেইন সমৃদ্ধ যা শরীরে পানি স্বল্পতার সৃষ্টি করে। গরমকালের তুলনায় এই সময় মানুষ স্বাভাবিকভাবেই পানি কম পান করেন। তাই এই সময় কফি খাওয়া শরীরে পানি স্বল্পতার অন্যতম কারণ। কফি খুব বেশি খেতে ইচ্ছে করলে এর পরিবর্তে ‘হট চকলেট’ খেতে পারেন। আর কফি বা চা খাওয়া হলেও পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে মনে করে।


টমেটো: গরমকালের শেষের দিকে যে টমেটো পাওয়া যায় তা বেশ সুস্বাদু। শীতকালে টমেটো দেখতে সুন্দর লাল টসটসে হলেও এর স্বাদ হয় ঠিক বিপরীত। তাই টমেটো শীতকালে না খেয়ে বরং গরমকালেই খাওয়া ভালো।
বেইক করা খাবার: এক কাপ গরম চকলেট এবং মাত্র বেইক করা বিস্কুট যেন এক অসাধারণ জুড়ি। খেতে মজাদার হলেও আমরা এর হজম হওয়া নিয়ে খুব একটা চিন্তা করি না। শীতকালে স্যাচুরেইটেড ফ্যাট ধীর গতিতে হজম হয়। ফলে চর্বি জমতে থাকে। এই সময় শারীরিক পরিশ্রম কম হয়, বেইক করা খাবার স্যাচুরেইটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ যা হজম হতে সময় লাগে। তাই এই ঋতুতে বেইক করা খাবার এড়িয়ে চলা ভালো।
মরিচ: শীতকালে ঝাল খাবার নাক বন্ধ সমস্যায় খুব ভালো কাজ করে। তাছাড়া ঝাল খাবার খাওয়া হলে তা ঠাণ্ডা ও সাইনাসের সমস্যা জন্যেও ভালো। তবে পেটের জন্য মোটেও উপকারী নয়। সহজে হজম হয় এবং অতিরিক্ত ঝাল নয় এমন খাবার খাওয়া উচিত। শীত ঋতুতে অতিরিক্ত ঝাল খাওয়া বাদ দিন। আর শীত থেকে উষ্ণ রাখবে এমন খাবার খান। ঝাল মরিচের বদলে গোল মরিচ ও আদা এ ক্ষেত্রে উপকারী।


প্যাকেটজাত সবজি: আগে থেকে কাটা, বাছা ও পরিষ্কার করা সবজি হাতের কাছে পাওয়া বেশ আরামদায়ক। তবে এগুলো মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। সবজি কাটা, বাছা করা ও ধোয়া কষ্টকর হলেও এতে থাকা ভিটামিন অক্ষত থাকে। তাই বাজার থেকে প্যাকেটজাত সবজি পাওয়া যতই সহজলভ্য হোক না কেনো তা ব্যবহার না করাই ভালো। ছবি: রয়টার্স।

যেভাবে নেবেন কানের যত্ন
                                  

 শ্রবণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংবেদন ক্ষমতা, যার মাধ্যমে আমরা পারিপার্শ্বিক পরিবেশের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করি। শ্রবণক্ষীণতা ও বধিরতা মানুষকে সমাজে অগ্রহণযোগ্য করে ফেলে। শিশুর ভাষা শিক্ষা, লেখাপড়া ও সামাজিক যোগাযোগের জন্য স্বাভাবিক শ্রবণশক্তি অপরিহার্য।


বধিরতার কারণে বিপুলসংখ্যক কর্মক্ষম মানুষ কর্মহীন জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন। বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশের বেশি অর্থাৎ ৩৪.৬ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনো মাত্রার শ্রবণ সমস্যায় ভুগছেন। ৯.৬ শতাংশ মানুষ প্রায় শ্রবণ প্রতিবন্ধী, তাদের দুই কানেই সমস্যা। ১.২ শতাংশ মানুষ তীব্র বধিরতায় এবং শতকরা ১.২ শতাংশ মানুষ মারাত্মক বা সম্পূর্ণ বধিরতায় আক্রান্ত। বধিরতা মূলত হয় জন্মগত বা পরবর্তীতে বিভিন্ন রোগ বা সমস্যার কারণে। এদের মধ্যে উলেস্নখযোগ্য হচ্ছে, মধ্যকর্ণের প্রদাহ, আঘাতজনিত সমস্যা, উচ্চমাত্রার শব্দের কারণে সৃষ্ট বধিরতা, শব্দদূষণ যার মধ্যে রয়েছে- উচ্চমাত্রার শব্দে হেডফোন দিয়ে গান শোনা, উচ্চমাত্রার হর্ন বাজানো, লাউড স্পিকারের শব্দ, কল-কারখানার শব্দ ইত্যাদি।

ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে তারা কানে ঠিকমতো শোনে কিনা? যদি শিশুদের শ্রবণজনিত সমস্যা অথবা কথা শিখতে দেরি হওয়ার মতো কোনো সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। আর বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে শ্রবণক্ষীণতা দেখা দিলে প্রয়োজনে অপারেশন করা, শ্রবণযন্ত্র অথবা উভয় পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা।

কানের যতেœ যা করণীয়
১. কানে কোনো কিছুই ঢোকানো যাবে না। এমনকি কান পরিষ্কার করার জন্য কাঠি, মুরগির পালক বা কটন বাড ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই।
২. খৈল জমে কান বন্ধভাব হলে বা কানের মধ্যে বাইরের কোনো বস্তু প্রবেশ করলে অপসারণ করতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
৩. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কানে তেল বা অন্য কোনো ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না।
৪. কানে যাতে পানি না যায়, সে ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে।
৫. আঘাতজনিত বা মধ্যকর্ণের প্রদাহ বা অন্য কারণে কানের সমস্যা মনে হলে অবহেলা না করে যত দ্রম্নত সম্ভব নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া।
৬. যত্রতত্র হর্ন বাজানো, লাউড স্পিকারে উচ্চশব্দ, হেডফোন ব্যবহার ও কল-কারখানার শব্দ সহনীয় মাত্রায় রাখতে হবে।
৭. শিশুদের টনসিল/এডেনইড/ সাইনাসের প্রদাহ এবং নাক ও গলার অ্যালার্জির চিকিৎসা করানো।
৮. শ্রবণমাত্রা নিয়মিত পরীক্ষা করুন।
আসলে বধিরতা সমস্যা-সমাধানে সবার আগে প্রয়োজন সচেতনতা। বর্তমানে জন্মগতভাবে বধির শিশু ও বড়দের শ্রবণজনিত সমস্যার অত্যাধুনিক চিকিৎসা দেশেও রয়েছে। তবে এসব জটিল চিকিৎসা ও অপারেশনের জন্য প্রয়োজন অত্যন্ত উচ্চমূল্যের যন্ত্রপাতি ও দক্ষ জনবল। সুতরাং বধিরতা প্রতিরোধ ও নিরাময়ে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র, শ্রবণযন্ত্র, ককলিয়ার ইমপস্ন্যান্টসহ অত্যাধুনিক চিকিৎসাসামগ্রী সহজলভ্য করে তোলা প্রয়োজন এবং সেই সঙ্গে বাড়াতে হবে সচেতনতা।

চোখের সৌন্দর্য ও প্রয়োজনীয় দৃষ্টি বাড়ায় কন্টাক্ট লেন্স
                                  

মানুষের মঙ্গল আর সৌন্দর্য বিকাশে বিজ্ঞান নিরন্তর কাজ করে চলেছে। মানুষকে মুক্তি দিয়েছে নানা বাধা আর প্রতিবন্ধকতা থেকে। ঠিক তেমনি চশমার শৃঙ্খল থেকে মুক্তি দিতে বিজ্ঞানের নতুনতর সৃষ্টি কন্টাক্ট লেন্স। এই সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য দুটি-চোখের প্রয়োজনীয় দৃষ্টি বাড়ানো; সে সঙ্গে সৌন্দর্য বৃদ্ধি। সারা বিশ্বে তাই আজ চশমার বদলে কন্টাক্ট লেন্সের জয়ধ্বনি।মুখের সৌন্দর্যের অনেকটাইজুড়ে থাকে একজোড়া চোখ। পুরুষের কাছে নারীর চোখ তাই কখনো সাগর, কখনো আকাশ, কখনো বর্ষার দীঘি, কখনো কাজল কালো মেঘ, কখনো পাখির নীড়।

সেই চোখকে কেউ চায় চশমার শৃঙ্খলে আড়াল করতে। চোখের দৃষ্টিশক্তি কমতেই পারে, সেটা খুবই স্বাভাবিক। তাই বলে সেকেলে চশমার ফ্রেমে তার সৌন্দর্যে শৃঙ্খল পরানো কখনোই শুভ বুদ্ধির পরিচায়ক হতে পারে না। আসলে সময়বদলে গেছে। আজকের বেশভূষা, চলাফেরা, জীবনযাত্রা সব কিছুই আধুনিক। এসবের সঙ্গে সেকেলে বয়স বাড়িয়ে দেয়া চশমা বড় বেশি বেমানান। মানুষের মঙ্গল আর সৌন্দর্য বিকাশে বিজ্ঞান নিরন্তর কাজ করে চলেছে। মানুষকে মুক্তি দিয়েছে নানারকম বাধা আর প্রতিবন্ধকতা থেকে। ঠিক তেমনি চশমার শৃঙ্খল থেকে মুক্তি দিতে বিজ্ঞানের নতুনতর সৃষ্টি কন্টাক্ট লেন্স। এই সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য দুটি- চোখের প্রয়োজনীয় দৃষ্টি বাড়ানো; সেই সঙ্গে সৌন্দর্য বৃদ্ধি। সারা বিশ্বে তাই আজ চশমার বদলে কন্টাক্ট লেন্সের জয়ধ্বনি। চশমার ব্যবহার বেশ প্রাচীন হলেও কন্টাক্ট লেন্সের ব্যবহার শুরু হয় মূলত এই শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে।

গত কয়েক দশকে এর গুণগত মান যেমন অনেক বেড়েছে, তেমনি এর ব্যবহার ও জনপ্রিয়তাও অনেকগুণ বেড়েছে। মোটামুটি একটি জনপ্রিয় সমাধান চশমা হলেও অনেকের কাছেই এটি বাড়তি ঝামেলা। মুখের ওপর চেপে বসা অতিরিক্ত একটি যন্ত্র। চোখ শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, অভিব্যক্তিও প্রকাশ করে। চশমা সেটাকে প্রায় ঢেকে ফেলে। আর বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকেও চশমা একেবারে নিখুঁত নয়। চোখ থেকে প্রায় দেড় সেন্টিমিটার দূরে এর অবস্থান। তাই প্রতিবিম্বের গুণগতমানে অনেক তারতম্য হয়। যারা খুব পুরু চশমা পরেন, তারা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বড় বা ছোট দেখে থাকেন। পেশাগত কারণেও অনেকের জন্য চশমা ব্যবহার অসম্ভব। জগৎখ্যাত ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলী, অনিল কুম্বলে, জয়সুরিয়া, ওয়াসিম আকরাম- এরা সবাই আজ কন্টাক্ট লেন্স পরে খেলছেন।

আবার বাড়ন্ত শিশুকে চশমা পরা মায়েরা কোলে নিতে পারেন না। টেনে খুলে ফেলে বা ভেঙে ফেলে। এসব সমস্যার সমাধান করতে পারে একটি কন্টাক্ট লেন্স। এটি এমন একটি লেন্স, যা চশমার ফ্রেমে না বসিয়ে সরাসরি চোখের কর্নিয়া বা কালো পর্দার ওপর বসানো হয়। চোখের অনুভূতিতে এর উপস্থিতি কোনো সমস্যা সৃষ্টি করে না। যেহেতু লেন্সটি সরাসরি চোখের কন্টাক্টে থাকে, তাই এটি কন্টাক্ট লেন্স। ছানি অপারেশনে যে কৃত্রিম লেন্স (আইওএল) লাগানো হয়, সেটা চিরদিনের জন্য চোখের ভেতরে বসানো হয়। এ দুটো লেন্স সম্পূর্ণ পৃথক।

শুধু খুলনায় এক বছরে ৫৬ জন নতুন এইডস রোগী
                                  

খুলনা বিভাগে এইচআইভি-এইডস পজেটিভ রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ২০১৮ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের অক্টোবর পর্যন্ত খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে অ্যান্টিভাইরাল থেরাপি (এআরটি) সেন্টার থেকে ৬৪৮ জনকে এইচআইভি পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৫৬ জন এইচআইভি সংক্রমিত ব্যক্তি পাওয়া যায়।

আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ রয়েছে ২৬ জন, নারী ২৪ জন এবং ৬ জন শিশু। এই বছরে খুমেক হাসপাতালের চিকিৎসার আওতায় এইচআইভি-এইডস আক্রান্ত ১২ জন ব্যক্তি মারা গেছেন। এর মধ্যে চার জন পুরুষ ও ৮ জন নারী।

খুমেক হাসপাতালের স্টেনদেনিং অফ এইচআইভি সার্ভিসেস প্রকল্পের সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে খুলনা বিভাগে ৬৭ জন এইচআইভি সংক্রমিত রোগী চিহ্নিত করা হয়। পাশাপাশি ২০১৭ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় আওতাধীন এইডস/এসটিডি প্রোগ্রাম এবং ইউনিসেফের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায় স্টেনদেনিং অফ এইচআইভি সার্ভিসেস প্রকল্পের আওতায় আওতায় এ সেবা দেয়া হচ্ছে।

বর্তমানে খুমেক হাসপাতালের এআরটি সেন্টার থেকে ২৫০ জন বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করছেন। এর মধ্যে খুলনা জেলার বাসিন্দা রয়েছে ৮৬ জন। এছাড়া যশোরের ৬২ জন, সাতক্ষীরার ৩৪, নড়াইলের ২৫, বাগেরহাটের ১২, ঝিনাইদহের ১০, মাগুরার ৪, চুয়াডাঙ্গার ৩, গোপালগঞ্জে ৬, ফরিদপুরের ৪, পিরোজপুরের ৩, বড়গুনার একজন (হিজড়া) রয়েছে।

১৯৮৯ সালে বাংলাদেশে প্রথম এইচআইভি আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। তারপর থেকে এইচআইভি রোগীর সংখ্যা বাড়তেই থাকে। ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৮৬৯ জন এইচআইভি আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়। এর মধ্যে রোহিঙ্গা আছে ১৮৮ জন। ১৯৮৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট এইচআইভি-এইডস রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ৪৫৫ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৭২ জন মারা যায়।

খুমেক হাসপাতালের পরিচালক ও প্রকল্পের পরিচালক ডা. এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ জানান, এইচআইভি-এইডস রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ছাড়া কোনো উপায় নেই। এই বিষয়ে মানুষের নিজের উদ্যোগে সচেতন হতে হবে।

তিনি বলেন, ‘যদি এইচআইভি পরীক্ষার মাধ্যমে কোনো গর্ভবতী মায়ের রক্তে এইচআইভি শনাক্ত হয় তবে তাকে চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে গর্ভের শিশুটির এইচআইভি প্রতিরোধ করা সম্ভব।’ইউএনবি

সহজ উপায়ে খাবার থেকে পুষ্টি উপাদান গ্রহণের পদ্ধতি
                                  

 আপনি হয়তো সব সময় স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছেন, সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকছেন। তবে যদি স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরও তার পুষ্টি উপাদান ভালো ভাবে আপনার শরীর গ্রহণ করতে না পারে, তাহলে সেই খাবার খাওয়ার উদ্দেশ্য সফল হবে না। খাবার থেকে সব মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট, ভিটামিন ও মিনারেল শরীর শুষে নেবে, তেমন গ্যারান্টি দেয়া যায় না। আর তাই এ ক্ষেত্রে বাড়তি কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে আপনাকে। খাবার থেকে বেশিরভাগ পুষ্টি উপাদান গ্রহণের সহজ কিছু উপায় জানি চলুন।

ধীরে খাওয়া: মানুষের শরীরের হজম প্রক্রিয়া খুব জটিল। খাবার ভেঙে তার পুষ্টি উপাদান গ্রহণের কাজটি শুরু হয় মুখ থেকেই। তাই কোনো খাবার খাওয়ার সময় ভালোভাবে চিবিয়ে খেতে হবে। যদি আপনি ভালোভাবে না চিবান, তাহলে আপনার পাকস্থলীকে সেই খাবার ভাঙতে বেশি সময় নিতে হয়। এতে করে খাবারের বেশিরভাগ পুষ্টি উপাদানই শরীরে শোষণ না হয়ে শরীর থেকে বের হয়ে যায় মলের মাধ্যমে।

উপযুক্ত খাবার বেছে নেয়া: খাওয়ার সময় গোগ্রাসে সব খাবার খাওয়া ঠিক না। যেসব খাবার পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ও সহজে হজম হয়, তা বেছে নেয়া জরুরি। এ ক্ষেত্রে এক সাথে বেশি খাবার খেলে শরীর তা হজম করতে পারে না। তাই এক সাথে সব ধরনের খাবার না খেয়ে সঠিক খাবার বেছে নিতে হলে মনে রাখতে হবে- ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবারের সাথে ফ্যাট সহ খাবারই যেন খাওয়া হয়, আয়রন সমৃদ্ধ খাবারের সাথে ভিটামিন সি খাওয়া ভালো অথবা সালফারের সাথে আয়রন ও জিংক সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত।

পাকস্থলীর প্রতি বেশি সতর্ক হোন: খাবার হজম হওয়া ও খাবার থেকে পুষ্টি উপাদান শরীরে শুষে নেয়ার ব্যাপারে আমাদের পাকস্থলী খুব বড় ভূমিকা রাখে। তাই পাকস্থলীতে যেন সহজে হজম হয়, এমন খাবারই খেতে হবে আমাদের। এ ক্ষেত্রে ফারমেন্টেড খাবার ও প্রোবায়োটিকস পাকস্থলীর জন্য উপকারী।

রাতে খাবারের পর চা পান নয়: শরীরের জন্য চা পান ভালো ভূমিকা রাখে। তবে দুপুরের খাবার ও রাতের খাবারের পর চা পান ভালো অভ্যাস নয়। কারণ চা ও কফিতে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা শরীরে খাবারের অনেক পুষ্টি উপাদান ও ভিটামিন শোষণে বাধা দেয়।

পর্যাপ্ত পানি পান জরুরি: বেঁচে থাকার জন্য পানি পান করা খুব জরুরি, তা আমরা জানি। এমনকি খাবারে পুষ্টি উপাদান সহজে শরীরে শোষণের ব্যাপারেও পানি পান খুব জরুরি। শরীরে পানির মাত্রা কম থাকলে তা রক্তের মাধ্যমে পুষ্টি উপাদান শরীরের সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গে পাঠাতে পারে না। তাই পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।

যে কারনে রাতে হাঁপানির তীব্রতা বেড়ে যায়
                                  

হাঁপানি নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন সহজ কথা নয়, কিছু মানুষের জন্য রাতটা আরও কষ্টের। যাদের হাঁপানি রোগ আছে তাদের জন্য কাঁশি, শ্বাসকষ্টের যন্ত্রণায় নির্ঘুম রাত কাটানো যেন নিত্যদিনের ঘটনা। রাতে ঘুম না হওয়ার কারণে পরদিন ক্লান্তি লেগেই থাকে। মেজাজ থাকে খিটখিটে। তাই হাঁপানি রোগীদের রাতের যন্ত্রণার সমাধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যের আলোকে রাতে হাঁপানির তীব্রতা বাড়ার কারণগুলো সম্পর্কে জানানো হল।

অভ্যন্তরীন প্রভাবক: কিছু হাঁপানি রোগীর ঘুমের মধ্যে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় এবং তারা দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার আতঙ্ক নিয়ে লাফিয়ে ঘুম থেকে উঠে বসেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, শারীরিক অভ্যন্তরিন প্রভাবকের কারণে এই মারাত্বক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

ঘুমানোর ধরন: ঘুমানোর সময় শ্বাস-প্রশ্বাসের রাস্তাগুলো সরু হয়ে যায়, ফুসফুসে রক্তের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং ‘সাইনাস’ থেকে বিভিন্ন উপাদানের নিঃসরণ বেড়ে যায়। এই সবকিছু মিলেও রাতে ঘুমের মাঝে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে।

এয়ার কন্ডিশনার: শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা এয়ার কন্ডিশনার থেকে নির্গত ঠা-া বাতাস প্রাকৃতিক বাতাস থেকে আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়। ফলে যারা রাতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে ঘুমান তারা রাতে শ্বাসকষ্টের কারণে ঘুম থেকে উঠে যেতে পারেন। শীতকালের প্রাকৃতিক ঠা-া বাতাসেও একই ঘটনা ঘটে।

ধুলিকণা: বাইরের বাতাসের ধুলা তো আছেই, ঘরের ভেতরেও আছে অসংখ্য ধুলার উৎস। যেমন কার্পেট, বিছানার চাদর, তোশক, ম্যাট্রেস, বালিশ ইত্যাদি। এগুলোতে থাকা ‘ডাস্ট মাইটস’ রাতে শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে শ্বাসকষ্ট ডেকে আনতে পারে। বাড়িতে পোষা প্রাণী থাকলে তাদের লোম থেকে হাঁপানির শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে।

ছত্রাক: স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে ঘরের দেয়ালে ছোপ, ছোট আকারে ছত্রাক সংক্রমণ দেখা দেয়। এই ছোপগুলোও ঘরের হাঁপানিতে আক্রান্ত বাসিন্দাদের শ্বাসকষ্টের মাত্রা বাড়াতে পারে। রাতে ঘুমানোর সময় এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা আরও বাড়ে।

মোটা দাগে বলা যায়
যারা হাঁপানিতে আক্রান্ত তাদের প্রতিটি পদে বাড়তি সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। নিজের চারপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে। ঠা-া ঘরে ঘুমানো যাবে না। সবসময় ‘ইনহেলার’ থাকতে হবে হাতের কাছে। সমস্যার তীব্রতা বেশি হলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে ওষুধে পরিবর্তন আনা যেতে পারে। আর রাতে ঘুমের মাঝে শ্বাসকষ্ট হওয়াকে অবহেলা করা যাবে না। কারণ তার পরিণতি হতে পারে ভয়ানক।


   Page 1 of 90
     স্বাস্থ্য-তথ্য
দগ্ধ হলে করণীয়
.............................................................................................
শীতকালে সুস্থ থাকার ৯টি সহজ উপায়
.............................................................................................
ফুসফুসের সুস্থতা জরুরি রোগমুক্ত থাকতে
.............................................................................................
রক্তদূষণ রোগ ক্যানসারের চেয়ে ভয়াবহ
.............................................................................................
শরীর ব্যথা হয় ধূমপানের কারণেও!
.............................................................................................
শীতে চুলের রুক্ষতা দূর করবেন যেভাবে
.............................................................................................
শীতে শরীর গরম থাকবে যেসব খাবার খেলে
.............................................................................................
বাড়ন্ত শিশুর খাদ্য তালিকায় যা রাখতে হবে
.............................................................................................
বয়স্করা মুখের স্বাস্থ্য রক্ষায় যা করবেন
.............................................................................................
মেরুদণ্ড ভালো রাখতে করনীয়
.............................................................................................
শীতে বাদ দেওয়া উচিৎ যেসব খাবার
.............................................................................................
যেভাবে নেবেন কানের যত্ন
.............................................................................................
চোখের সৌন্দর্য ও প্রয়োজনীয় দৃষ্টি বাড়ায় কন্টাক্ট লেন্স
.............................................................................................
শুধু খুলনায় এক বছরে ৫৬ জন নতুন এইডস রোগী
.............................................................................................
সহজ উপায়ে খাবার থেকে পুষ্টি উপাদান গ্রহণের পদ্ধতি
.............................................................................................
যে কারনে রাতে হাঁপানির তীব্রতা বেড়ে যায়
.............................................................................................
এই শীতে রুক্ষ চুলকে যেভাবে বিদায় জানাবেন
.............................................................................................
অতিরিক্ত চা পানে নানান সমস্যা
.............................................................................................
দিনে কতটুকু রসুন খাওয়া প্রয়োজন?
.............................................................................................
আত্মবিশ্বাস বাড়ায় সেলফ ডিফেন্স
.............................................................................................
সকালে খালি পেটে পানি পান
.............................................................................................
যেসব বদভ্যাস পরিবর্তন করা দরকার কর্মক্ষেত্রে
.............................................................................................
শীতে পালংশাক খাচ্ছেন তো?
.............................................................................................
অক্লান্ত পরিশ্রমে আপনাকে শক্তির যোগান দেবে কিছু খাবার
.............................................................................................
মুখ ও দাঁত সুস্থ সবল রাখার জন্য
.............................................................................................
কোমরে ব্যথা হলে
.............................................................................................
লালশাকের উপকারিতা
.............................................................................................
যে কারনে হাত ধোয়া জরুরি
.............................................................................................
পেটে ভর দিয়ে শোয়ার যত অপকারিতা
.............................................................................................
যেসব খাবার রক্তের প্লাটিলেট বাড়ায়
.............................................................................................
স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে যে খাবর
.............................................................................................
যা হয় অতিরিক্ত পনির খেলে
.............................................................................................
মাংস খাওয়া ভালো না খারাপ
.............................................................................................
পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর ১০ ফল
.............................................................................................
স্বাস্থ্যের জন্য ব্যথা নাশক ওষুধ সেবন ক্ষতিকর
.............................................................................................
কব্জির ব্যথায় যা করবেন
.............................................................................................
হার্ট সুস্থ্য রাখতে করনীয়
.............................................................................................
বমি থেকে দূরে রাখবে আদা!
.............................................................................................
রক্তচাপে বাড়ে মাড়ির রোগ
.............................................................................................
যেভাবে বুঝবেন বৃক্ক বিপদে আছে
.............................................................................................
ত্বকের ফাঙ্গাস রোগ
.............................................................................................
রেনিটিডিনে ক্যান্সারের উপাদান
.............................................................................................
ভালো ঘুমের জন্য খেতে হবে যে খাবার
.............................................................................................
শিশুর প্রথম দাঁতের যত্ন
.............................................................................................
আয়রন সমৃদ্ধ খাবার রক্তাল্পতায়
.............................................................................................
জানুন জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা সিপিআর সম্পর্কে
.............................................................................................
বাড়ছে ভুলে যাওয়া রোগ
.............................................................................................
হৃদরোগের চিকিৎসা
.............................................................................................
ক্যারিয়ার হিসেবে মেকআপ আর্টিস্ট
.............................................................................................
ব্যায়াম শুরুর আগে করনীয়
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]