| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   এক্সক্লুসিভ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নাবিকের পরিবারকে ৮৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ

 সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মেরিন একাডেমির ৫১তম ব্যাচের ক্যাডেট নাবিক মো. আলী আসগরের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৮৩ লাখ ৩৮ হাজার ১২৩ টাকা দেওয়া হয়েছে। সচিবালয়ে গতকাল রোববার আসগরের বাবা মো. আলী আকবর খান এবং মা মোছা. রাজিয়া আকবরের হাতে ক্ষতিপূরণের অর্থের চেক তুলে দেন নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আসগর চট্টগ্রামের সরকারি শিপিং অফিসের মাধ্যমে স্থানীয় ম্যানিং এজেন্ট (নাবিক নিয়োগের মধ্যস্ততাকারী প্রতিষ্ঠান) মেসার্স মেরিন হাইভ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনাধীন ‘এমভি ডালি’ জাহাজে যোগ দেন।

গত বছরের ৮ জুলাই জাহাজ পরিবর্তন করে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো বন্দরে ‘এমভি এশিয়া পার্ল-ভি’ জাহাজে যোগ দেন তিনি; যা চীনের এশিয়া মেরিন প্যাসিফিক কোম্পানির অন্তর্ভুক্ত। গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর জাহাজটি আর্জেন্টিনার পুরতো স্যান মার্টিন বন্দরে অবস্থানের সময় মাস্টারের অনুমতি নিয়ে শোর লিভে (জাহাজ থেকে নেমে তীরে সময় কাটানো) যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন আসগর। গত বছরের ১২ অক্টোবর আসগরের লাশ বাংলাদেশে এনে তার বরগুনার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। প্রাথমিকভাবে মেরিন হাইভ লিমিটেডের বিভিন্ন ক্যাডেটের সহায়তায় সাড়ে ৬ লাখ টাকা সংগ্রহ করে আসগরের মায়ের নামে ব্যাংকে জমা করা হয়। পরে মেরিন হাইভের উদ্যোগে বীমা কোম্পনি প্রটেকশন অ্যান্ড ইনডেমনিটি ক্লাবের (পি অ্যান্ড আই ক্লাব) সহযোগিতায় এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের নির্দেশনায় পারিবারিক ক্ষতিপূরণ হিসাবে এক লাখ ডলারের সমপরিমাণ ৮৩ লাখ ৩৮ হাজার ১২৩ টাকা গ্রহণ করা হয় বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, অর্থ দিয়ে এই শোক ভুলে যাওয়ার জন্য।

বাবার কাঁধের মধ্যে সন্তানের লাশ খুব ভারী বিষয়। সন্তানকে ঘিরে যে সম্ভাবনা ছিল তা শুরুতেই নিভে গেছে। তারা শুধু সন্তানকেই হারাননি, আমরাও একজন দক্ষ নাবিক হারিয়েছি। একটা নাবিক তৈরি করা এত সহজ ব্যাপার নয়, দুঃসাহসিক কাজ। আলী আসগরের ক্ষতিপূরণের মধ্য দিয়ে আমরা একটা বার্তা দিতে চাই, আমরা এই সেক্টরে প্রত্যেকটি নাবিকের পাশে আছি।

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নাবিকের পরিবারকে ৮৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ
                                  

 সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মেরিন একাডেমির ৫১তম ব্যাচের ক্যাডেট নাবিক মো. আলী আসগরের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৮৩ লাখ ৩৮ হাজার ১২৩ টাকা দেওয়া হয়েছে। সচিবালয়ে গতকাল রোববার আসগরের বাবা মো. আলী আকবর খান এবং মা মোছা. রাজিয়া আকবরের হাতে ক্ষতিপূরণের অর্থের চেক তুলে দেন নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আসগর চট্টগ্রামের সরকারি শিপিং অফিসের মাধ্যমে স্থানীয় ম্যানিং এজেন্ট (নাবিক নিয়োগের মধ্যস্ততাকারী প্রতিষ্ঠান) মেসার্স মেরিন হাইভ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনাধীন ‘এমভি ডালি’ জাহাজে যোগ দেন।

গত বছরের ৮ জুলাই জাহাজ পরিবর্তন করে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো বন্দরে ‘এমভি এশিয়া পার্ল-ভি’ জাহাজে যোগ দেন তিনি; যা চীনের এশিয়া মেরিন প্যাসিফিক কোম্পানির অন্তর্ভুক্ত। গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর জাহাজটি আর্জেন্টিনার পুরতো স্যান মার্টিন বন্দরে অবস্থানের সময় মাস্টারের অনুমতি নিয়ে শোর লিভে (জাহাজ থেকে নেমে তীরে সময় কাটানো) যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন আসগর। গত বছরের ১২ অক্টোবর আসগরের লাশ বাংলাদেশে এনে তার বরগুনার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। প্রাথমিকভাবে মেরিন হাইভ লিমিটেডের বিভিন্ন ক্যাডেটের সহায়তায় সাড়ে ৬ লাখ টাকা সংগ্রহ করে আসগরের মায়ের নামে ব্যাংকে জমা করা হয়। পরে মেরিন হাইভের উদ্যোগে বীমা কোম্পনি প্রটেকশন অ্যান্ড ইনডেমনিটি ক্লাবের (পি অ্যান্ড আই ক্লাব) সহযোগিতায় এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের নির্দেশনায় পারিবারিক ক্ষতিপূরণ হিসাবে এক লাখ ডলারের সমপরিমাণ ৮৩ লাখ ৩৮ হাজার ১২৩ টাকা গ্রহণ করা হয় বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, অর্থ দিয়ে এই শোক ভুলে যাওয়ার জন্য।

বাবার কাঁধের মধ্যে সন্তানের লাশ খুব ভারী বিষয়। সন্তানকে ঘিরে যে সম্ভাবনা ছিল তা শুরুতেই নিভে গেছে। তারা শুধু সন্তানকেই হারাননি, আমরাও একজন দক্ষ নাবিক হারিয়েছি। একটা নাবিক তৈরি করা এত সহজ ব্যাপার নয়, দুঃসাহসিক কাজ। আলী আসগরের ক্ষতিপূরণের মধ্য দিয়ে আমরা একটা বার্তা দিতে চাই, আমরা এই সেক্টরে প্রত্যেকটি নাবিকের পাশে আছি।

নারী নির্যাতন বন্ধে পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন আনা দরকার: খুশি কবির
                                  

 নারীর প্রতি সহিংসতা দূর করতে নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার শিক্ষা যেন শৈশবেই শিশুরা পায়, সেজন্য পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন আনার পরামর্শ দেওয়া এক অনুষ্ঠান থেকে।
গতকাল শনিবার ঢাকার গুলশান শুটিং ক্লাবে ‘নারীবান্ধব নিরাপদ কর্মস্থল’ নামে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা অ্যাকশন এইডের একটি আন্তর্জাতিক ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এই পরামর্শ দেন অধিকারকর্মী খুশি কবির।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে নারীকে দমন করা ও নির্যাতন করাকে স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দেখা হয়। আবার তার শ্রমকে মর্যাদা দেওয়া হয় না। আইনের পাশাপাশি দরকার মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া। মানুষকে শ্রদ্ধা করতে না শিখলে আইনের বাস্তবায়ন হবে না। এজন্য আমাদের পাঠ্যপুস্তকেও পরিবর্তন আনা দরকার। পাঠ্যপুস্তকে বিভিন্ন অধ্যায় সংযোজন করা প্রয়োজন, যেন শিক্ষার্থীরা নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়। অ্যাকশন এইডের আবাসিক প্রতিনিধি ফারাহ্ কবির বলেন, একদিকে আইনে যৌন হয়রানিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়নি। অন্যদিকে বিদ্যমান আইনের প্রয়োগেও রয়েছে গুরুতর অভাব। মামলার বিলম্বিত নিষ্পত্তি এবং তদন্ত কর্মকর্তা এবং পাবলিক প্রসিকিউটরদের অদক্ষতা ও অবহেলার কারণে ক্ষতিগ্রস্তরা প্রায়ই বিচার পেতে ব্যর্থ হন। এর প্রভাব পড়ছে নারীর মনে, কাজে, সমাজে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) এর অধ্যাপক ও বিজিএমইএ-এর পরিচালক এ মোমেন বলেন, পিতৃতান্ত্রিক চিন্তা বদলাতে সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন। পোশাক শিল্প মালিকদের প্রতিনিধি হিসেবে আমি বলতে পারি, শেষ পর্যন্ত দায়টা আমাদের উপর। আমরা নিরাপত্তা নিশ্চিত কারার মধ্যমে একটি টেকসই ব্যবসা ব্যবস্থা পরিচালনা করতে চাই, যেখানে কোন সহিংসতা থাকবে না। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোল্লা জালাল উদ্দিন বলেন, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রয়োজনে সরকার আইন সংশোধন ও নতুন আইন প্রনয়ন করবে। তবে শুধু আইন দিয়ে সহিংসতা বন্ধ করা সম্ভব না। এজন্য আমাদের দৃষ্ঠিভঙ্গিতেও পরিবর্তন আনতে হবে। ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি হাই কমিশনার পেনি মর্টন সহিসংতার মূল কারণগুলো চিহ্নিত করে তার সমাধানের পরামর্শ দেন। আমার চাই নারীর অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সংযুক্তি বাড়ুক। এজন্য নারীর প্রতি সহিংসতা একটি প্রতিবন্ধকতা।

এটার সমাধান করতে হবে। কারণ সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা না হলে সমাজের উন্নতি হবে না। অনুষ্ঠানে ‘কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা: প্রতিদিন প্রত্যেক কর্মক্ষেত্রে ঘটছে’ নামের গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক তাসলিমা ইয়াসমিন। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী, কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা মানবাধিকারের সর্বাধিক লঙ্ঘনের মধ্যে একটি। এক শুমারি অনুযায়ী, ১৫ বছরের বেশি বয়সী ৩৫ শতাংশ নারী (বিশ্বব্যাপী ৮১৮ মিলিয়ন নারী) তাদের বাড়িতে, কমিউনিটিতে অথবা কর্মক্ষেত্রে যৌন বা শারীরিক সহিংসতার শিকার হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের যৌন সহিংসতাকে সংজ্ঞায়িত এবং শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনের বিভিন্ন ফাঁক-ফোকর চিহ্নিত করে আইন সংশোধনের জন্য অ্যাডভোকেসি বৃদ্ধি ও শক্তিশালী করা, কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে বিশেষ আইন প্রণয়নে পদক্ষেপ নেওয়া, যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া-মহ বেশ কিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয় গবেষণা প্রতিবেদনে।

২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে পৌছানোর কর্মসূচির মূলনীতির উপর ভিত্তি করে অ্যাকশনএইড ইন্টারন্যাশনাল আগামি তিন বছরের জন্য ‘নারী বান্ধব নিরাপদ কর্মস্থল’ নামে একটি প্রচারাভিযানের উদ্বোধন করে এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

হামলার হুমকি দিয়ে বাংলায় পোস্টার প্রকাশ করেছে আইএস
                                  

আইএসের নামে হামলার হুমকি দিয়ে বাংলা ভাষায় একটি পোস্টার প্রকাশের খবর এসেছে ভারতের সংবাদ মাধ্যমে। আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠীটির সমর্থক একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত ওই পোস্টারে লেখা হয়েছে- ‘শিঘ্রই আসছি, ইনশাল্লাহ’। পোস্টারে ‘আল মুরসালাত’ নামে একটি গ্রুপের লোগোও ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে এই পোস্টারটি প্রকাশিত হয়েছে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে। শ্রীলঙ্কায় হামলার পর এই পোস্টার প্রকাশ ভারত কিংবা বাংলাদেশে হামলার হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গত ২১ এপ্রিল ইস্টার সানডেতে শ্রীলঙ্কার তিনটি চার্চ ও কয়েকটি হোটেলে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়ে আড়াইশ মানুষকে হত্যার পেছনে আইএসকে দায়ী করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্প্রতি প্রায় উৎখাত হওয়া আইএস দক্ষিণ এশিয়ার বৌদ্ধপ্রধান দেশটিতে ভয়াবহ ওই হামলার দায় স্বীকার করে বার্তাও দিয়েছে। ভারতের গোয়েন্দা সূত্রের উদ্ধৃত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া বলেছে, শ্রীলঙ্কায় হামলার পর হুমকি দিয়ে পোস্টার প্রকাশের এই ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় হামলার পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশেও জঙ্গি ও সন্ত্রাসী হামলা চালানোর চেষ্টা চলছে।

বাংলাদেশে ২০১৬ সালে গুলশান হামলায় জড়িতরা নিজেদের আইএস সমর্থক হিসেবে দেখিয়েছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যের দলটির সঙ্গে বাংলাদেশি জঙ্গিদের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা উড়িয়ে দিয়েছিল সরকার। গুলশান হামলায় জড়িত থাকা নব্য জেএমবির সদস্যরা আইএস দ্বারা উদ্বুদ্ধ বলে মনে করা হয়। এই দলটির শাখা ভারতেও সক্রিয় বলে দেশটির গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের দাবি। সিরিয়ার বড় অঞ্চলে যখন আইএসের শক্ত অবস্থান, তখন বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অংশ নিয়ে আইসের বাংলা খিলাফত প্রতিষ্ঠার খবরও এসেছিল জঙ্গিগোষ্ঠীটির নিজস্ব প্রচার মাধ্যমে।

 

দক্ষ জনশক্তি গড়তে মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় চায় বিএসএইচআরএম
                                  

 দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে একটি মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় ও পেশাজীবীদের জন্য একটি এমপ্লয়মেন্ট অ্যাক্ট তৈরি করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (বিএসএইচআরএম)। উদ্যোক্তারা বলছেন, দক্ষতার উন্নয়ন করা গেলে দেশ থেকে বিদেশিরা চাকরি করে যে পরিমাণ টাকা নিয়ে যান, তাও সাশ্রয় করতে পারবে বাংলাদেশ। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত অষ্টম আন্তর্জাতিক মানবসম্পদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বক্তারা। বিএসএইচআরএম এই সম্মেলনের আয়োজন করে। সম্মেলনের প্রধান অতিথি মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এমসিসিআই) সভাপতি ব্যারিস্টার নিহাদ কবির বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিতে বাড়ছে মানবসম্পদের চ্যালেঞ্জ।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিশীলতা ধরে রাখতে মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়নের বিকল্প নেই। আর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে মানবসম্পদ। নিহাদ কবির আরো বলেন, দেশে অন্তত পাঁচ লাখ বিদেশি কাজ করেন, যাঁরা এ দেশ থেকে বছরে পাঁচ থেকে সাত বিলিয়ন ডলার নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁরা যে খুব টেকনিক্যাল পেশাজীবী, তা কিন্তু নয়। ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং মানবসম্পদ বিভাগে তাঁরা যা করছেন, তা আমাদের দেশের মানবসম্পদ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব, যদি তাঁদের সেভাবে দক্ষ করে গড়ে তোলা যায়। বর্তমানে দেশে ২০ হাজারেরও বেশি মানবসম্পদ পেশাজীবী রয়েছেন জানিয়ে বিএসএইচআরএমের প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মাশেকুর রহমান খান বলেন, পেশাজীবীদের উন্নয়নে অন্যান্য দেশের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা এখন সময়ের দাবি। ভারত, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কাসহ অন্যান্য দেশের মতো একটি মানবসম্পদ (এইচআর) মিনিস্ট্রি করা দরকার।

এ ছাড়া আমাদের দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে যেসব মানুষ, তাদের প্রশিক্ষিত ও দক্ষ গড়ে তোলার জন্য এইচআর মিনিস্ট্রি একান্ত অপরিহার্য। মাশেকুর রহমান আরো বলেন, যাঁরা প্রফেশনালস, তাঁদের পক্ষে কোনো আইন নেই। সে জন্য একটি এমপ্লয়মেন্ট অ্যাক্ট দরকার বলেও জানান তিনি। মানবসম্পদ উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য সম্মেলনে মনোয়ার আহামেদ ও প্রয়াত এস এ হককে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়। সম্মেলনে অংশ নেন দেশ-বিদেশের সাত শতাধিক মানবসম্পদ পেশাজীবী।

সড়ক দূর্ঘটনা হ্রাসে সমতলে সড়ক পারাপারে জেব্রা ক্রসিং এর দাবি
                                  

সারাদেশে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক পথচারী। ঢাকায় সড়ক দূর্ঘটনায় যারা মৃত্যুবরণ করেন তার ৭২ শতাংশই পথচারী। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পথচারী সড়ক পারাপার করতে গিয়ে দূর্ঘটনার শিকার হন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় (এসডিজি) ২০৩০ সাল নাগাদ সড়ক দূর্ঘটনাজনিত মৃত্যু ও পঙ্গুত্ব অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও এতে সকলের জন্য প্রবেশগম্য, নিরাপদ, সুলভ এবং টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা উল্লেখ আছে। পথচারীদের চলাচল নিরাপদ করে সড়ক দূর্ঘটনাজনিত মৃত্যু অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব। অনেক স্থানেই দূর্ঘটনা পরবর্তী সময়ে পদচারী সেতু (ফুটওভার ব্রিজ) নির্মাণ করতে দেখা যায়। পদচারী সেতু অসুস্থ নারী-পুরুষ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, শিশু ও বৃদ্ধ কিংবা ভারী ব্যাগ বহনকারীদের জন্য উপযোগী নয়। সমতলে সড়ক পারাপারের সুবিধা নিশ্চিত করেই সকলের জন্য প্রবেশগম্য ও নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

আজ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, বুধাবার সকাল ১১.০০ টায় পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, প্রত্যাশা মাদকবিরোধী সংগঠন, নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম, রায়েরবাজার হাই স্কুল, ঢাকা আইডিয়াল ক্যাডেট স্কুল, তরু পল্লব, বাংলাদেশ ঘুড়ি ফেডারেশন, ওয়ার্ক ফর গ্রীণ বাংলাদেশ, বিসিএইচআরডি, কার ফ্রি সিটিস এলায়েন্স বাংলাদেশ, ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবীইং, সাইকেলারস অব বাংলাদেশ, পরিবেশ আন্দোলন মঞ্চ এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর সম্মিলিত উদ্যোগে সড়ক দূর্ঘটনা হ্রাসে সমতলে সড়ক পারাপারে জেব্রা ক্রসিং এর দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা বলেন, আধুনিক শহরগুলোতে সড়ক পারাপারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় জেব্রা ক্রসিং। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর রাজপথে বেশ কয়েকটি সড়কে জেব্রা ক্রসিং অংকন করা হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃক জেব্রা ক্রসিং এ স্টপ লাইনের পূর্বে গাড়ি থামাতে দেখা যাচ্ছে। তবে অধিকাংশ স্থানেই কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এখনও পথচারীদের ঝুঁকি নিয়ে সড়ক পারাপার করতে হচ্ছে। সুতরাং, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পথচারীবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার। মানববন্ধন থেকে পথচারীর নিরাপদে রাস্তা পারাপারে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ তুলে ধরা হয়। যেমন: নগরে ও মহাসড়কে পথচারীদের নিরাপদে সড়ক পারাপারের ব্যবস্থা করা; সমতলে পারাপারের জন্য সড়কে নির্দ্দিষ্ট বিরতিতে জেব্রা ক্রসিং নিশ্চিত করা; জেব্রা ক্রসিংয়ে সিগন্যাল লাইট ও সাইন বোর্ড স্থাপন করা; জেব্রা ক্রসিংয়ের পূর্বে গাড়ি থামানোর জন্য আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা; প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে জেব্রা ক্রসিং এবং ক্রসিং গার্ডের ব্যবস্থা করা; নিয়মিত জেব্রা ক্রসিংগুলো রক্ষণাবেক্ষনের জন্য জন্য বাজেট বরাদ্দ করা এবং পথচারীদের জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ করা।

সভাপতির বক্তব্যে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর পরিচালক গাউস পিয়ারী বলেন, রাস্তা পারাপারে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো না থাকা ও ফুটপাত ব্যবহার করতে না পারা এবং সামগ্রিক অব্যবস্থাপনা পথচারীদের দূর্ঘটনার শিকার হওয়ার অন্যতম কারণ। জাতীয় সমন্বিত বহুমাধ্যমভিত্তিক পরিবহন নীতিমালা, ২০১৩ তে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা রয়েছে। কাজেই নীতিমালা অনুযায়ী পথচারীবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

মানববন্ধনে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর পরিচালক গাউস পিয়ারী এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আইডিয়াল ক্যাডেট স্কুল এর প্রধান শিক্ষক এম এ মান্নান মনির, পরিবেশ আন্দোলন মঞ্চ এর আমির হোসেন, প্রত্যাশা মাদকবিরোধী সংগঠন এর নির্বাহী পরিচালক হেলাল আহমেদ, ওয়ার্ক ফর গ্রীণ বাংলাদেশ এর রাসেদ, ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবীইং এর মাসুম বিল্লাহ ভূইয়া প্রমুখ।

বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে বিশেষভাবে সক্ষমব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে
                                  
এখনো প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, তৃতীয় লিঙ্গ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি মানুষদের আমরা সমাজের মূলস্রোত ধারায় আনতে পারিনি। তারা প্রতিনিয়তই নানা ধরনের বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। শুধুমাত্র ব্যক্তির প্রতিবন্ধীতা নয়, সামাজিক এবং অবকাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা এই সকল বৈচিত্র্যময় ব্যক্তিদের চলার পথের অন্যতম অন্তরায়। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতার মূল লক্ষ্যই ছিল একটি বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণ করা। আমাদের অনেক অর্জন আছে কিন্তু এখন ও আমরা একটি বৈচিত্র্যময় ও একীভূত সমাজ ব্যবস্থা গড়ার ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে আছি। “ বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে বিশেষভাবে সক্ষমব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে” আজ ৯ ফেব্রুয়ারি, ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবীইংয়ের পক্ষ থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের মানিক মিয়া সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত “সমাজে বৈচিত্রতার গুরুত্ব: বর্তমনা ও ভবিষ্যৎ শীষক আলোচনা সভার বক্তরা এই অভিমত ব্যক্ত করেন। ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবীইংয়ের ভারপ্রাপ্ত নিবাহী পরিচালক দেবরা ইফরইমসনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করে সাবেক তত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা ও মানবাধিকারকর্মী এড. সুলতানা কামাল, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী, কথা সহিত্যিক সালমা বাণী, সচেতন সমাজ সেবা হিজড়া সংঘের সভাপতি ইভান আহমেদ কথা, দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মনি রানী দাস, সাংবাদিক নিখিল ভদ্র। দেবরা ইফরইমসন বলেন, আমাদের সমাজে নানা শ্রেণী, ভাষা,ধর্ম,বর্ণের মানুষ বসবাস করে। এই বৈচিত্রতা আমাদের শক্তি। আমার আমাদের শক্তিকে কাজে লাগাতে পারলেই সুন্দর রাষ্ট্র গঠন করতে পারব। বিশেষভাবে সক্ষমব্যক্তিদের কাজের সুযোগ দিতে পারলে। তাদের অবদান আমাদের সমাজ গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, সারা পৃথিবীতে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ কোটা থাকে। শুধু কোটা নয় পিছিয়ে পড়া মানুষদের মূলস্রোতে আনতে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের পিছিয়ে রেখে আমরা সেই লক্ষ্যে পৌছাতে পারব না। বৈচিত্র্যময় মানুষগুলোকে পিছনে রেখে কখনোই উন্নত দেশ গড়া সম্ভব নয়। তাদের অধিকার গুলো প্রতিষ্ঠায় করতে কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী হতে হবে। মানবিকতা, অধিকার, বিবেক, ভালোবাসা, মানুষের দায়িত্ববোধ থেকে কাজ করলেই আমরা একটি বৈষম্যমুক্ত সমাজ পাবো। গাউস পিয়ারী বলেন, একটি মানবিক রাষ্ট্র গড়তে আমাদের বিশেষভাবে সক্ষমব্যক্তিসহ সকলকে নিয়ে একসাথে কাজ করতে হবে। আমরা বহুদূর এগিয়ে এসেছি তারপরও সমাজে যারা এখনো নানাভাবে বৈষম্যের শিকার তাদের সমস্যাগুলো শুনে সমাধানে কাজ করতে হবে। দয়া, মায়া করুনা নয়। সুস্থ সুন্দরভাবে বাঁচা তাদের অধিকার। সেই অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের কথা শুনুনু। তাদের মতামতের ভিত্তিতে পরিকল্পনা করুন। ইভান আহমেদ কথা বলেন, বৈষম্যহীন রাষ্ট্রের কথা বলেও আমাদের দেশের বৈষম্যের অন্যতম উদাহরন হিজড়া সমাজ। কত ধরণের বৈষম্যের শিকার হয় তারা তা বলে শেষ করা যাবে না। হিজড়ারা সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, নাগরিক এবং রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। আমাদের কথা বলতে সুযোগ দিতে হবে। আমরা আমাদের কথা বলে সংসদের সংরক্ষিত আসনের সুযোগ চাই। সালমা বানী বলেন, ভিন্নভাবে সক্ষমদের ব্যক্তিদের সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। রাষ্ট্রকেই প্রতিটি ব্যক্তিকে শান্তিতে, সম্মানের সাথে, নিরাপদে বেঁচে থাকার সুযোগ তৈরি করতে হবে। ভিন্নভাবে সক্ষমব্যক্তিদের মূলস্রোতে আনতে আমাদের পদক্ষেপ নিতে হবে। তাদের জন্য বিশেষ কোটাই নয়। প্রয়োজনে বিশেষ অগ্রাধিকার ভিত্তিকে তাদের শিক্ষা,স্বাস্থ্য,চিকিৎসা, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। মনি রানি দাস বলেন, দলিত সম্প্রদায়ের মানুষরা এখনো বৈষম্যের শিকার। উচ্চ শিক্ষার পর আমাদের কমসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সকল স্তরের মানুষ সমর্থন দিচ্ছে। আমরা আমাদের কন্ঠ জোরালো করতে সংরক্ষিত আসনে একজন দলিত প্রতিনিধির দাবী করি। নিখিল ভদ্র বলেন, শুধু শারিরিক প্রতিবন্ধকতাই নয়। অবকাঠানো প্রতিবন্ধকতা আমাদের এই শহরে গৃহবন্দী করছে। সম্ভবনাময় বিশেষ ভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের প্রতিভা বিকাশের পথকে সংকুচিত করছে। ফলে তারা মূলধারা থেকে পিছিয়ে পড়ছে। মুক্ত আলোচনায় প্রতিবন্ধীব্যক্তি, তৃতীয় লিঙ্গের, আদিবাসী প্রতিনিধিরা সমাজের ভিন্নক্ষেত্রে তাদের সমস্যা ও বৈষম্যের কথা তুলে ধরেন।
‘তাজমহল দেখা ও বউয়ের জন্য শাড়ি কেনা ছাড়া’ ভারতে আমলাদের প্রশিক্ষণে পাওয়ার কিছু নেই : এম হাফিজউদ্দিন খান
                                  

সাবেক আমলা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দিন খান বলেছেন, আমলাদের ভারতে প্রশিক্ষণের খবর শুনে আমি বিভ্রান্ত হয়ে গেলাম। আমলাদের প্রশিক্ষণ দেয়ার মতো যথেষ্ট ব্যবস্থা আমাদের আছে। পূর্বের তুলনায় আমাদের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এখন যথেষ্ট উন্নত।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। আমাদের সামরিক বাহিনীতে বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে। যেখানে বিদেশিরা আসে প্রশিক্ষণ নেয়ার জন্য। আমি ভারতে গিয়ে আমলাদের প্রশিক্ষণের কোনো প্রয়োজন আছে মনে করি না। 
শনিবার বিবিসি বাংলার সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বলেন, ‘তাজমহল দেখা ও বউয়ের জন্য শাড়ি কেনা ছাড়া’ ভারতে আমলাদের প্রশিক্ষণে পাওয়ার কিছু নেই।
তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের যথেষ্ট ব্যবস্থা থাকার পরেও কেন ভারতে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হবে তার যৌক্তিকতা আমি খুঁজে পাচ্ছি না। আমলাদের প্রশিক্ষণের জন্য ভারতের দ্বারস্থ হওয়ায় আমি অবাক হয়েছি। 
তিনি আরো বলেন, কর্মকর্তাদের যদি দক্ষতার অভাব দেখা যায় তাহলে অদক্ষতার কারণ কী? প্রথমে কারণ বুঝতে হবে। আমার মতে, বিগত দশ থেকে বার বছর আমলাদের নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি সবকিছুতে স্বচ্ছতার অভাব ছিলো। এগুলো হয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনায়। যার ফলে অদক্ষ লোক নিয়োগ পেয়েছে।  
তারপরেও আমি মনে করি, ভারতে গিয়ে আমলাদের প্রশিক্ষণ নেয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ আমাদের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা যথেষ্ট উন্নত।

চীনা ঋণের ফাঁদে এবার কেনিয়া, হারাচ্ছে সমুদ্রবন্দর
                                  

চীনের ঋণের ফাঁদে পড়েছে কেনিয়া সরকার। সময়মতো যদি চীনের ঋণ পরিশোধ করা না হয় তাহলে দেশটির প্রধান সমুদ্রবন্দর মমবাসা পোর্টের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ১৫ বছরের মধ্যে কেনিয়াকে সম্পূর্ণ ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

এ বছর জুনে চীনের দেওয়া পাঁচ বছরের ‘গ্রেস টাইম’ শেষ হয়ে যাবে। ফলে জুলাই থেকে কেনিয়াকে প্রতি বছর আগের তুলনায় তিন গুণ বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

চীনের আর্থিক সহায়তায় ২০১১ সালে নাইরোবি-মমবাসা রেলপথ নির্মাণকাজ শুরু হয়। এটি স্বাধীনতার পর কেনিয়ায় সবচেয়ে বৃহৎ ও ব্যয়বহুল অবকাঠামো নির্মাণ।

দেশটির রাজধানী নাইরোবি থেকে মমবাসা সরাসরি রেল যোগাযোগের জন্য স্ট্যান্ডার্ড গেজ রেলওয়ে (এসজিআর) নির্মাণে কেনিয়া সরকার চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত এক্সিম ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়।

কেনিয়ার অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম TUKO.co.ke সংবাদমাধ্যম জানায়, চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত এক্সিম ব্যাংক মোট ব্যয়ের ৯০ শতাংশ ঋণ দিতে রাজি হলে ২০১৪ সালের ১১ মার্চ দুই দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত ঋণচুক্তি স্বাক্ষর হয়।

এসজিআর নামে ওই ঋণচুক্তি স্বাক্ষরের সময় কেনিয়া নিজেদের সম্পদ রক্ষার সার্বভৌম ক্ষমতা ত্যাগ করেছিল ফলে ওই চুক্তির শর্তাবলী চীনা আইন অনুযায়ী পরিচালিত। এতে কেনিয়া সরকারের নিজেদের সম্পদ রক্ষার কোনো অধিকার নেই।

ফাঁস হওয়া একটি চুক্তিপত্রে দেখা যায়, চীনের এক্সিম ব্যাংকের কাছ থেকে নেওয়া প্রায় ২০০ কোটি ইউরো যদি কেনিয়ার ন্যাশনাল রেলওয়ে কর্পোরেশন সময়মতো পরিশোধ করতে না পারে তবে চীন সরকার দেশটির মমবাসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে। কেনিয়ার সবচেয়ে বড় এবং লাভজনক বন্দর এটি।

এর আগে গভীর সমুদ্র বন্দর হাম্বানতোতা বন্দর নির্মাণে চীনের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে শ্রীলঙ্কা। চুক্তি অনুসারে বন্দরটির নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নে শ্রীলঙ্কা ১১০ কোটি মার্কিন ডলার পাবে। হাম্বানতোতা বন্দরটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত। চীনের ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড উদ্যোগে বন্দরটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এই বন্দরটি চীন ও ইউরোপের বন্দর ও সড়ককে সংযুক্ত করবে।

চুক্তি অনুসারে, চীনের একটি রাষ্ট্রীয় কোম্পানি বন্দরটি ৯৯ বছরের জন্য লিজ পাবে। একই সঙ্গে কাছের একটি শিল্পাঞ্চলে ১৫ হাজার একরের মালিকানাও পাবে চীনা কোম্পানিটি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, চীনের পক্ষ থেকে শ্রীলঙ্কাকে আশ্বস্ত করা হয়েছে, বন্দরটি শুধু বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হবে।

বন্দরটি চীন ও ইউরোপে বাণিজ্যে প্রধান সমুদ্র পথে পরিণত হবে। চীনের সামরিক বাহিনী বন্দরটি ব্যবহার করবে এই আশঙ্কায় কয়েক মাস পিছিয়ে যাওয়ার পর শনিবার চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলো। শ্রীলঙ্কা সরকার জানিয়েছে, চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে পাওয়া অর্থ দিয়ে বিদেশি ঋণশোধ করা সম্ভব হবে।

চুক্তি বাস্তবায়ন করতে কয়েক হাজার গ্রামবাসীকে উচ্ছেদ করতে হবে। তবে শ্রীলঙ্কার সরকার জানিয়েছে, উচ্ছেদ হওয়া গ্রামবাসীদের নতুন ভূমি দেওয়া হবে। ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধ অবসান হওয়ার পর থেকে কয়েকশ কোটি ডলার অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করেছে চীন।

এ ছাড়া ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে জিম্বাবুয়ের কেনেথ কউণ্ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নেয় চীন। ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় চীন এমন এটি নিয়ে নেয়।

২০১৭ সালে হাম্বানটোটা বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, এই ঘটনা চীন সরকারের বিশ্বজুড়ে আধিপত্য বিস্তারে অবকাঠামো উন্নয়নের নামে ঋণ ও সাহায্যকে হাতিয়ার বানানোর একটি উদাহরণ মাত্র। চীন ঋণ আদায়ে কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে এটা সে কথাও বলছে।

চীনা ঋণের ফাঁদে এবার কেনিয়া, হারাচ্ছে সমুদ্রবন্দর
                                  

চীনের ঋণের ফাঁদে পড়েছে কেনিয়া সরকার। সময়মতো যদি চীনের ঋণ পরিশোধ করা না হয় তাহলে দেশটির প্রধান সমুদ্রবন্দর মমবাসা পোর্টের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ১৫ বছরের মধ্যে কেনিয়াকে সম্পূর্ণ ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

এ বছর জুনে চীনের দেওয়া পাঁচ বছরের ‘গ্রেস টাইম’ শেষ হয়ে যাবে। ফলে জুলাই থেকে কেনিয়াকে প্রতি বছর আগের তুলনায় তিন গুণ বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

চীনের আর্থিক সহায়তায় ২০১১ সালে নাইরোবি-মমবাসা রেলপথ নির্মাণকাজ শুরু হয়। এটি স্বাধীনতার পর কেনিয়ায় সবচেয়ে বৃহৎ ও ব্যয়বহুল অবকাঠামো নির্মাণ।

দেশটির রাজধানী নাইরোবি থেকে মমবাসা সরাসরি রেল যোগাযোগের জন্য স্ট্যান্ডার্ড গেজ রেলওয়ে (এসজিআর) নির্মাণে কেনিয়া সরকার চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত এক্সিম ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়।

কেনিয়ার অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম TUKO.co.ke সংবাদমাধ্যম জানায়, চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত এক্সিম ব্যাংক মোট ব্যয়ের ৯০ শতাংশ ঋণ দিতে রাজি হলে ২০১৪ সালের ১১ মার্চ দুই দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত ঋণচুক্তি স্বাক্ষর হয়।

এসজিআর নামে ওই ঋণচুক্তি স্বাক্ষরের সময় কেনিয়া নিজেদের সম্পদ রক্ষার সার্বভৌম ক্ষমতা ত্যাগ করেছিল ফলে ওই চুক্তির শর্তাবলী চীনা আইন অনুযায়ী পরিচালিত। এতে কেনিয়া সরকারের নিজেদের সম্পদ রক্ষার কোনো অধিকার নেই।

ফাঁস হওয়া একটি চুক্তিপত্রে দেখা যায়, চীনের এক্সিম ব্যাংকের কাছ থেকে নেওয়া প্রায় ২০০ কোটি ইউরো যদি কেনিয়ার ন্যাশনাল রেলওয়ে কর্পোরেশন সময়মতো পরিশোধ করতে না পারে তবে চীন সরকার দেশটির মমবাসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে। কেনিয়ার সবচেয়ে বড় এবং লাভজনক বন্দর এটি।

এর আগে গভীর সমুদ্র বন্দর হাম্বানতোতা বন্দর নির্মাণে চীনের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে শ্রীলঙ্কা। চুক্তি অনুসারে বন্দরটির নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নে শ্রীলঙ্কা ১১০ কোটি মার্কিন ডলার পাবে। হাম্বানতোতা বন্দরটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত। চীনের ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড উদ্যোগে বন্দরটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এই বন্দরটি চীন ও ইউরোপের বন্দর ও সড়ককে সংযুক্ত করবে।

চুক্তি অনুসারে, চীনের একটি রাষ্ট্রীয় কোম্পানি বন্দরটি ৯৯ বছরের জন্য লিজ পাবে। একই সঙ্গে কাছের একটি শিল্পাঞ্চলে ১৫ হাজার একরের মালিকানাও পাবে চীনা কোম্পানিটি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, চীনের পক্ষ থেকে শ্রীলঙ্কাকে আশ্বস্ত করা হয়েছে, বন্দরটি শুধু বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হবে।

বন্দরটি চীন ও ইউরোপে বাণিজ্যে প্রধান সমুদ্র পথে পরিণত হবে। চীনের সামরিক বাহিনী বন্দরটি ব্যবহার করবে এই আশঙ্কায় কয়েক মাস পিছিয়ে যাওয়ার পর শনিবার চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলো। শ্রীলঙ্কা সরকার জানিয়েছে, চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে পাওয়া অর্থ দিয়ে বিদেশি ঋণশোধ করা সম্ভব হবে।

চুক্তি বাস্তবায়ন করতে কয়েক হাজার গ্রামবাসীকে উচ্ছেদ করতে হবে। তবে শ্রীলঙ্কার সরকার জানিয়েছে, উচ্ছেদ হওয়া গ্রামবাসীদের নতুন ভূমি দেওয়া হবে। ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধ অবসান হওয়ার পর থেকে কয়েকশ কোটি ডলার অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করেছে চীন।

এ ছাড়া ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে জিম্বাবুয়ের কেনেথ কউণ্ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নেয় চীন। ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় চীন এমন এটি নিয়ে নেয়।

২০১৭ সালে হাম্বানটোটা বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, এই ঘটনা চীন সরকারের বিশ্বজুড়ে আধিপত্য বিস্তারে অবকাঠামো উন্নয়নের নামে ঋণ ও সাহায্যকে হাতিয়ার বানানোর একটি উদাহরণ মাত্র। চীন ঋণ আদায়ে কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে এটা সে কথাও বলছে।

কে হচ্ছেন সংসদ উপনেতা?
                                  

কে হচ্ছেন একাদশ জাতীয় সংসদের উপনেতা? সোমবার গঠিত মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়া সিনিয়র কোনো নেতা নাকি অন্য কেউ। এ নিয়ে দল বা এমপিদের মধ্যে নানা কথোপকথন হচ্ছে। নেতাদের ধারণা দলের সিনিয়র নেতা সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী ও সাবেক এলজিআরডিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন- এই চারজন থেকেই উপনেতা হতে পারেন।

বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে বেশিরভাগই ডাক পাননি নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায়। সংসদ উপনেতা পদের দিকে তাকিয়ে আছেন বাদ পড়া মন্ত্রীরা। রাষ্ট্রপতি একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করলে ‘সংসদ উপনেতা’ নির্বাচন করা হবে। সাধারণত প্রবীণ কোনো নেতাকেই সংসদ উপনেতা বানানো হয়। যেমন- দশম সংসদে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে উপনেতা বানানো হয়েছিল। বয়স এবং শারীরিক অবস্থার কারণে সাজেদা চৌধুরীকে আবার উপনেতা করা সম্ভব নয়। এ পদে নতুন কেউ আসবেন। তবে এ পদে আসার মতো যোগ্য অনেক নেতাই আওয়ামী লীগে রয়েছেন।

জানা গেছে, উপনেতা এবং মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর কয়েকজন উপদেষ্টা থাকেন। এসব পদে সিনিয়র নেতাদের আনা হতে পারে। এর আগে যারা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ছিলেন তারা বাদ পড়তে পারেন। মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়া সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ইতোমধ্যে মন্তব্য করেছেন যে সময় এখনও ফুরিয়ে যায়নি। কারণ প্রধানমন্ত্রীর হাতে এখনও কয়েকটি মন্ত্রণালয় আছে।

গত মন্ত্রিসভার আকার ছিল ৫৩ সদস্যের। এবার প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীসহ ৪৭ জন শপথ নিয়েছেন। সে হিসেবে মন্ত্রিসভার আকার আরও বাড়বে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। তখন বাদ পড়া সিনিয়র নেতাদের জায়গা হতে পারে।

এবার মন্ত্রিপরিষদ থেকে যারা বাদ পড়েছেন তারা হলেন- অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, এলজিআরডি মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী ইমাজউদ্দিন প্রামাণিক, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বন ও পরিবেশমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (জাপা), পানিসম্পদমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, সাংস্কৃতিকমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ (ডিলু), খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, বেসামরিক ও বিমান পরিবহনমন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামাল। 

বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০১৮ ফাস্টফুড, কোমল পানীয় ও এনার্জি ড্রিংক্স নিষিদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী
                                  

উৎপাদন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের বিভিন্ন ধাপে খাদ্যদ্রব্যে নানা ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। ফলে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও নিরাপদ খাদ্য এখনো মানুষের নাগালের বাইরে। অপর দিকে ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, এনার্জি ড্রিংক্স, মোড়কজাত কৃত্রিম জুস ও চিপসসহ সকল প্রকার অস্বাস্থ্যকর খাবারের কারণে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাসতন্ত্র ও ক্যান্সারসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ৯৭ শতাংশ কমপক্ষে একটি করে সংক্রামক রোগের ঝুঁকিতে রয়েছেন। দেশের জনগোষ্ঠীর বয়োজ্যেষ্ঠদের শতকরা ১৮ ভাগ উচ্চ রক্তচাপ ও ৪ শতংশ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। খাদ্য নিরাপত্তা ও মান রক্ষার সঙ্গে সরকারের আটটি মন্ত্রণালয় এবং ২৫টি আইন রয়েছে। এসব আইনের মাধ্যমে খাদ্যের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মান রক্ষা, বাজারজাতকরণ নিশ্চিত ও মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন সব মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তরগুলোর সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।

আজ ১৬ অক্টোবর ২০১৮ বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষ্যে সকাল ১১ টায় আবহানী খেলার মাঠ সংলগ্ন রাস্তায় ওয়ার্ক ফর এ বেটার বংালাদেশ ট্রাস্ট উদ্যোগে ‘অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ফাস্টফুড, কোমল পানীয় ও এনার্জি ড্রিংক্স নিষিদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী’ শীর্ষক একটি অবস্থান কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়। অবস্থান কর্মসূচীতে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর খাদ্য আমদানী, বিক্রয়, বিপণন নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান জানানো হয়।

অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, এনার্জি ড্রিংক্স, মোড়কজাত কৃত্রিম জুস ও চিপসসহ সকল প্রকার অস্বাস্থ্যকর খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে পুষ্টিগুণ ও খাদ্যমান না থাকার পরও কোম্পানীগুলো তাদের বিভ্রান্তকর প্রচারণা চালিয়ে জনসাধারণকে এ সকল ত্রুটিপূর্ণ খাদ্যাভ্যাসে উদ্বুদ্ধ করছে। ফলে প্রতিবছর নানা জটিল ধরনের অসংক্রামক মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষ অকালে মৃত্যুবরণ করছে। জটিল ও দীর্ঘমেয়াদী এসকল রোগে আক্রান্তদের অনেকেই ভোগ করছে অবর্ণনীয় কষ্ট । এসকল ব্যায়বহুল রোগের চিকিৎসায় শুধু ব্যাক্তি পর্যায় থেকে নয় রাষ্ট্রকেও ব্যয় করতে হচ্ছে প্রচুর অর্থ ও সময়। এধরনের অবস্থা থেকে উত্তোরনে রাষ্ট্রের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা প্রয়োজন এবং সেইসাথে অস্বাস্থ্যকর খাবার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরী।


ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, এনার্জি ড্রিংক্স, মোড়কজাত কৃত্রিম জুস ও চিপসসহ সকল প্রকার অস্বাস্থ্যকর খাদ্যই ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাসতন্ত্র ও ক্যান্সারসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। এসব খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে পুষ্টিগুণ ও খাদ্যমান না থাকার পরও কোম্পানীগুলো তাদের বিভ্রান্তকর প্রচারণা চালিয়ে জনসাধারণকে এ সকল ত্রুটিপূর্ণ খাদ্যাভ্যাসে উদ্বুদ্ধ করছে। শিশুসহ সকল বয়সীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অস্বাস্থ্যকর খাদ্য দ্রব্যের মূল্য ও এর উপর উচ্চাহারে করারোপ এবং পর্যায়ক্রমে নিষিদ্ধের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে জোরদার করে অসংক্রামক রোগ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

রায়েরবাজার বৈশাখী খেলার মাঠে শিশু অঞ্চল তৈরির কার্যক্রম শুরু
                                  

রায়েরবাজার ৩৪ নং ওয়ার্ডের ৩ লক্ষ জনগোষ্ঠীর জন্য বৈশাখী খেলার মাঠ ছাড়া আর কোন খেলার মাঠ নেই। এই ওয়ার্ডের প্রায় ৩৭ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১২/১৪ হাজার শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে এই মাঠ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সার্বজনীন ব্যবস্থা না থাকায় ৯ থেকে ১৮ বছরের কোন কন্যা শিশু মাঠ ব্যবহার করছেন না। এ মাঠে নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বিশেষ করে ৫ বছরের নিচের বয়সের শিশুদের মাঠ ব্যবহারের কোন সুযোগ নেই। পার্ক ও খেলার মাঠসমূহ নগরবাসীর সামাজিকীকরণ, বিনোদন, খেলাধুলা, মানসিক প্রশান্তি এবং শরীরচর্চার ক্ষেত্র। খেলার মাঠ বা পার্ক যারা ব্যবহার করে তাদের, বিশেষ করে শিশুদের চাহিদাগুলো মাঠের উন্নয়নে প্রতিফলিত হওয়া প্রয়োজন। তাহলেই একমাত্র একটি মাঠের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে। এ প্রয়োজনীয়তাকে সামনে রেখে মাঠটিকে সকলের ব্যবহার উপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আজ ১৫ অক্টোবর ২০১৮ সকাল ১১.০০টায় বৈশাখী খেলার মাঠে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অনুমোদন সাপেক্ষে ইউএনহ্যাবিট্যাট এর আর্থিক সহযোগিতায় ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট কর্তৃক রায়েরবাজার বৈশাখী খেলার মাঠে শিশু অঞ্চল তৈরির কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
খেলার মাঠের বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে ছোট আকারে একটি শিশু অঞ্চল রাখা হয়েছে। শিশু অঞ্চল তৈরির নকশা প্রণয়নে স্থানীয় এলাকার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় করা হয়। এলাকাবাসীর চাহিদা অনুযায়ী শিশু অঞ্চলে দোলনা, স্লিপার, ঢেকিসহ অন্যান্য খেলার উপকরণ স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি শিশু অঞ্চলটিতে বেঞ্চ, গাছ এবং পাশের দেয়াল চিত্রকর্মের মাধ্যমে আকর্ষণীয় করা হবে। এতে করে এলাকার নারী বা বয়স্ক ব্যক্তি তাদের বাসার ছোট শিশুটিকে নিয়ে মাঠে আসতে উৎসাহিত হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ড. তারিক বিন ইউসুফ। তিনি বলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন খেলার মাঠ এবং পার্ক সকলের উপযোগী করে গড়ে তুলতে ইতিমধ্যে ২২ টি পার্ক ও ৪ টি খেলার মাঠের ডিজাইনসহ উন্নয়নের কাজ শুরু করেছে। এরমধ্যে রায়েরবাজার বৈশাখী খেলার মাঠ অন্যতম। প্রাথমিক পর্যায়ে মাঠে শিশু অঞ্চলের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। অতিদ্রুত আমরা মাঠের বাকি কাজ সম্পূর্ণ করে সবার উপযোগী হিসেবে গড়ে তুলবো।

ইউএনহ্যাবিট্যাট এর কো-অডিনেটর মোঃ সোহেল রানা বলেন, ইউএনহ্যাবিট্যাট বিশ্বব্যাপী গ্লোবাল পাবলিক প্লেস প্রোগ্রামের আওতায় আমরা গণপরিসর সবার উপযোগী হিসেবে গড়ে তুলতে সহযোগীতা করে থাকে। এলাকাবাসী তাদের খেলার মাঠ এবং পার্ক কিভাবে দেখতে চায় তাদের চাওয়াটা মাইনক্রাফ্ট খেলার মাধ্যমে আমরা নকশা প্রণয়ন করি এবং পরিবর্তীতে সেই অনুযায়ী আমরা উন্নয়ন কাজক্রম পরিচালনা করে থাকি। ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর পরিচালক গাউস পিয়ারী বলেন, আমাদের শহরের খেলার মাঠ ও পার্কগুলো শিশুবান্ধব করা প্রয়োজন। যেখানে শিশুরা বাধাহীনভাবে খেলতে পারবে। এ ক্ষেত্রে রায়েরবাজার বৈশাখী খেলার মাঠের শিশু অঞ্চলটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে এবং অন্যান্য খেলার মাঠ ও পার্ক উন্নয়নে এই নকশাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ৩৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এর সভাপতি মোঃ রবিউল আলম বলেন, বর্তমানে আমাদের ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলার মাধ্যমে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। এজন্য খেলার মাঠের গুরুত্ব অপরিসীম। আজ থেকে রায়েরবাজার এই মাঠাট সকরের উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ শুরু হল। মাঠে শিশু অঞ্চলের কার্যক্রম সমাপ্ত হলে এলাকার ছোট ছোট শিশুরা এই মাঠ ব্যবহার করতে পারবে। যা সুস্থ জাতি গঠনে ভূমিকা রাখবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার মারুফ হোসেন সঞ্চালনায় এলাকার শিকক্ষ-শিক্ষার্থী, গৃহিনী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশাজীবি যারা মাঠের এই শিশু অঞ্চল তৈরির নকশা প্রণয়নে সহয়তা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সহ প্রচার সম্পাদক নূরুল হক মন্ডল, রায়েরবাজার এলাকার ৫টি বিদ্যালয়ের (আলী হোসেন বালিকা বিদ্যালয়, রায়েরবাজার হাই স্কুল, ধানমন্ডি কচিকন্ঠ হাই স্কুল, ঢাকা আইডিয়াল ক্যাডেট স্কুল এবং আলিফ আইডিয়াল পাবলিক স্কুলের শিক্ষক- শিক্ষার্থী এবং এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

রায়েরবাজারের এ্যাকশন এরিয়া প্ল্যান প্রণয়ন
                                  

রায়ের বাজার এলাকা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিচ্ছন্ন, সবুজ এবং নিরাপদ হিসেবে গড়ে তুলতে স্কুলের শিক্ষার্থী, গৃহীনী, যুবসমাজ সহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণীর পেশাজীবি মানুষের অংশগ্রহণে আজ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), শেলটেক, ডিডিসি এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর সম্মিলিত উদ্যোগে বিশদ অঞ্চল (ড্যাপ) প্রকল্পের আওতায় রায়ের বাজার এলাকার অংশীজনদের অংশগ্রহণে এ্যাকশন এরিয়া প্ল্যান প্রণয়নে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় রায়েরবাজার এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা তাদের এলাকার ৬ টি বিষয়ে যথা যাতায়াত ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নাগরিক সুবিধাদি, দরিদ্রদের জন্য আবাসন, প্রকৃতি ও নগর জীবন রেখা, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বর্তমান সমস্যা কি তা এলাকার মানচিত্রে চিহ্নিত করেন এবং তা সমাধানে সুপারিশ তুলে ধরা হয়।
এলাকার যাতায়াত ব্যবস্থার সুপারিশে বল হয় রাস্তায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঠিক করা, গলির পথচারীর গতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে গাড়ির গতি নির্ধারন করা এবং কিছু সড়ক গাড়িমুক্ত করে শুধুমাত্র পথচারীবান্ধব করা। কর্মশালায় জলাবদ্ধতা ও বর্জ্য ব্যব্যবস্থাপনা বিষয়ে সুপারিশ ছিল বর্জ্য ফেলার সুনির্দিষ্ট স্থান বরাদ্দ দেয়া এবং তা সঠিক সময়ে যথাযথ প্রক্রিয়ায় অপসারনের ব্যবস্থা করা, স্থানীয় জলাধারগুলো উদ্ধার এবং তা পরিষ্কার রাখা, স্থানীয় এলাকার খেলার মাঠগুলোতে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা। নাগরিক সুবিধাদি বিষয়ে অংশগ্রহণকারীরা এলাকায় স্বাস্থ্য সেবা, স্কুল, কলেজের সুবিধা নিশ্চিত করা, এলাকা ভিত্তিক বিনোদনের জন্য খেলার মাঠ এবং পার্কের ব্যবস্থা করা, কাঁচা বাজারের জন্য সুনির্দিষ্ট স্থান নির্ধারন, ফায়ার সার্ভিসের ব্যবস্থা এবং হকার ব্যবস্থাপনার কথা বলা হয়। দরিদ্রদের জন্য আবাসনের বিষয়ে এলাকার মানুষ সুপারিশ করেন বাড়ি নির্মাণের সময় রাস্তা থেকে ২ ফিট জায়গা ছেড়ে বাড়ি নির্মাণ করা যেন বিভিন্ন দূর্যোগ মোকাবেলায় সুবিধা হয়, ঝুঁকিপূর্ণ বাড়ি নির্মাণ না করার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং যথাযথ আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা, দরিদ্র মানুষের জন্য স্কুল, কলেজ এবং স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা। প্রকৃতি ও নগর জীবন রেখা উন্নয়নের সুপারিশে বলা হয় এলাকার বিভিন্ন অবকাঠামোর পরিবেশ বিবেচনা যেমন স্কুল, রাস্তা এবং জলাধারগুলোতে দেশীয় গাছ রোপন করা, এলাকার জলাধারগুলো উদ্ধার করে সেখানে বৃক্ষরোপন করে বিনোদনের ক্ষেত্র তৈরি করা। যে সকল গাছ বায়ু ও পরিবেশ রক্ষায় বেশি ভূমিকা রাখবে সেগুলোকে প্রাধান্য দেয়া। সর্বশেষে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার সুপারিশে বলা হয় এলাকার খেলার মাঠ বা উন্মোক্ত স্থানগুলোকে দূর্যোগের সময় যেন এলাকার মানুষ আশ্রয় নিতে পারে সেভাবে গড়ে তুলা এবং মানুষকে সচেতন করা।
কর্মশালায় রাজউক এর উপ নগর পরিকল্পনাবীদ শাহ নেওয়াজ হক বলেন আমরা চাই এবারের ড্যাপ অতীতের চেয়ে অনেক বেশি অংশগ্রহণ মূলক হবে। সকলের মতামতের ভিত্তিতে এবং স্থানীয় মানুষের সুপারিশে মাধ্যমে সবার উপযোগী একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করবো। নগর পরিকল্পনাবীদ নিয়াজ রহমান বলেন, রায়েরবাজার এলাকার মানুষ যেভাবে তাদের এলাকা দেখতে চায় বিশদ অঞ্চল (ড্যাপ) প্রকল্পে আমরা সেই বিষয়গুলোকেই প্রাধান্য দিয়ে পরিকল্পনা করতে চাই। এ জন্যই আমাদের এই কর্মশালা। প্রতিটি এলাকায় স্বাস্থ্য সেবা, স্কুল, কলেজ এবং পথচারীর অধিকার নিশ্চিত করা গেলে মানুষের জীবন ব্যয় অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব। ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর পরিচালক গাউস পিয়ারি বলেন, রায়েরবাজার এলাকাকে আমরা আমরা সকলে মিলে আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে এই কর্মশালা মাইলফলক হিসেবে থাকবে।
ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার মারুফ হোসেন এর সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন শেলটেক কনসালটেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড (বিশাদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) প্রকল্পের পরিকল্পনাবীদ হিশাম চিশতী ৩৪ নং ওয়ার্ড সভাপতি রবিউল আলম এবং এলাকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার মানুষ।

সুস্থ্য জীবনের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত জরুরী
                                  

দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ৯৭ শতাংশ কমপক্ষে একটি করে সংক্রামক রোগের ঝুঁকিতে রয়েছেন। প্রায় ৬ কোটি ৪৫ লাখ মানুষ পর্যাপ্ত সবজি ও ফল খেতে পারছে না এবং ১ কোটি ৭০ হাজার মানুষ কায়িক পরিশ্রমের বাইরে। দেশের জনগোষ্ঠীর বয়োজ্যেষ্ঠদের শতকরা ১৮ ভাগ উচ্চ রক্তচাপ ও ৪ শতংশ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। আমাদের লাইফস্টাইল এবং খাদ্যাভাস এই অসংক্রামক রোগ বেড়ে যাওয়ার জন্য প্রধান দায়ী। চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যয়ও বাড়ছে। সুখী ও স্বাস্থ্যবান জীবন উপভোগ এবং অসংক্রামক রোগের প্রাদূর্ভাব হতে রক্ষা পেতে হলে অস্বাস্থ্যকর খাবার বর্জন করে স্বাস্থ্যকর প্রাকৃতিক খাবার গ্রহণ ও পর্যাপ্ত ব্যায়াম করতে হবে। পাশাপাশি বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর অস্বাস্থ্যকর খাবারের বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আজ ০১ অক্টোবর ২০১৮ সকালে রায়েরবাজারে ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবিয়িং, সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্সেস স্টাডিজ, ড্রিম বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ও ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট এর যৌথ আয়োজনে বিশ্ব নিরাপদ খাদ্য দিবসকে রেখে ‘সুস্থ্য খাবার, সুস্থ্য জীবন’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন। 

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবিয়িং এর ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক দবেরা ইফরইমসন। তনিি বলেন, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত করতে হলে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। এক্ষেত্রে পরিবার ও বন্ধুদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে পারি। তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন যেভাবে বন্ধ করা সম্ভব হয়েছিল, ঠিক তেমনি মানুষকে সচেতন করে অস্বাস্থ্যকর খাবারের বিজ্ঞাপনও বন্ধ করা সম্ভব হবে। বহুজাতিক কোম্পানি গুলো আগ্রাসী ও বিভ্রান্তিমূলক বিজ্ঞাপনের প্রচারের মাধ্যমে মানুষকে অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণে আকৃষ্ট করে থাকে। প্রক্রিয়াজাতকরণ খাবার বর্জন করে তাজা শাক-সব্জি, ফল-মূল উৎপাদন ও খাওয়ার মাধ্যমে আমরা স্থানীয় অর্থনীতিকে উন্নতি করতে পারি। সরকারের উচিৎ বহুজাতিক কোম্পানিকে সুবিধা না দিয়ে কৃষিখাতে পণ্য উৎপাদনের জন্য সহায়তা প্রদান করা। এর ফলে অংসক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি জনসাধারণ সু-স্বাস্থ্যের নিশ্চয়তা পাবেন এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস পাবে।
সিএনআরএস এর কমিউনিকেশন ম্যানেজার নূর-ই-মাহবুবা বলনে এসডিজি অর্জন করতে হলে জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। আর স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত করা জরুরী। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য জনস্বাস্থ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং এর গুরুত্ব অপরিসীম। স্বাস্থ্য ঠিক থাকলে প্রত্যেকেই সমাজ ও জাতীয় উন্নয়নে কাজ করে যেতে পারবো। তাই আমাদের নিজের ও পরিবারের স্বাস্থ্যকর খাবারের যোগান নিশ্চিত করতে হবে।
ড্রিম বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা রাখিল খন্দকার বলনে আমাদের নিজেদের মাঝে সচেতনতা তৈরী করতে হবে। অসংক্রামক রোগ প্রতরিোধে তরুনদরে এগয়িে আসতে হব।ে তরুন সমাজ এক সাথে কাজ করলে সমাজ ও দেশের উন্নতি ও পরিবর্তন সম্ভব হবে। এরকম অনেক উদাহরণ তৈরি করেছেন বাংলাদেশের তরুনরা।
উন্মুক্ত আলোচনায় ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট’র প্রকল্প কর্মকতা আতিকুর রহমান বলনে অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের ফলে মানুষের গড় অসুস্থতা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির পথে অনেক বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়য়িছে।ে অসচেতনার কারনে মানুষ অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। স্বাস্থ্যকর খাবারের অপর্যাপ্ত যোগানও এক্ষেত্রে অনেকাংশে দায়ী। সরকারের উচিৎ স্বাস্থ্যকর খাবারের পর্যাপ্ত যোগান নিশ্চিত এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারের বিজ্ঞাপন বন্ধের পাশাপাশি এসকল খাবারের উপর স্বাস্থ্য উন্নয়ন কর আরোপ করা প্রয়োজন।
সভাপতির বক্তবে ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট্র’র পরিচালক গাউস পিয়ারী বলনে, উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, আমাদরে আচরনগত ঝুঁকি যমেন অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, শারীরকি পরশ্রিমরে অভাবরে কারণে শারীরকি ঝুঁকি যমেন উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং শ্বাস কষ্ট জনতি রোগে ভুগছ।ি এজন্য স্বাস্থ্যকর খাবাররে যোগন যমেন বাড়াতে হব,ে পাশাপাশি নগরে ব্যায়াম বা শশিুদরে খলোধুলার জন্য খলোর মাঠ এবং উন্মোক্ত স্থান নশ্চিতি করতে হব।ে
ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট’র প্রকল্প কর্মকতা শারমীন আক্তার রনিি এর সঞ্চালনায় সমেনিারে স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসা সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে হটলাইন চালু করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
                                  

 চিকিৎসা সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের অভিযোগ জানাতে হটলাইন চালু করছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের সামনে একটি সাইন বোর্ড লাগানো হবে যাতে এই হট লাইন নম্বরটি লেখা থাকবে। যার মাধ্যমে সাধারণ জনগণ সহজেই চিকিৎসা সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের অভিযোগ জানাতে পারবেন। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম জানান, যেকোনো ধরনের অনাকাংখিত পরিস্থিতি এড়াতে অভিযোগ প্রদানের জন্য হটলাইন নম্বর সংবলিত একটি সাইন বোর্ড সকল সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে স্থাপন করা হবে। তবে সারাদেশের হাসপাতালগুলোতে এটি চালু করতে কিছুদিন সময় লাগবে।

তিনি বলেন, আমি ইতোমধ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল এ- ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) সাথে কথা বলে দ্রুত হটলাইন নম্বর চালু করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং পরিচালক হাসপাতালকে নির্দেশ দিয়েছি। যাতে একজন সাধারণ মানুষ যেকোনো হাসপাতালের বিষয়ে, যেকোনো অভিযোগ সরাসরি জানাতে পারেন। ‘ফোনে যে অভিযোগ করা হবে, তার ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে’ জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে শিগগিরই একটি পলিসি ঠিক করা হবে।

হট লাইন নম্বরে অভিযোগ গ্রহণের জন্য একটি কমিটি থাকবে। তারা অভিযোগ শোনার পর তা লিখে কর্তৃপক্ষকে জানাবে। এরপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, আমরা হট লাইন চালুর প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু করেছি। বিএমডিসি’র সাথে কথা বলে শিগগিরই একটি হটলাইন নম্বর চালু করা হবে। এই নম্বরটি সারাদেশের সকল হাসপাতালের সামনে লাগানো সাইনবোর্ডে লেখা থাকবে। সাধারণ মানুষ চিকিৎসা সংক্রান্ত তাদের যেকোনো অভিযোগ এই হট লাইন নম্বরে জানাতে পারবেন।

পানির ফোয়ারায় জাতীয় পতাকা!
                                  

মাদারীপুরের কালকিনিতে দুই শিক্ষার্থী পানির ফোয়ারার মাধ্যমে জাতীয় পতাকা বানিয়ে রীতিমত এলাকায় তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। এই দৃষ্টিনন্দিত পানির ফোয়ারার মধ্যে জাতীয় পতাকা দেখতে মাদারীপুর, বরিশালসহ বিভিন্ন জেলার উৎসুক জনতা ভিড় করছেন। 

সরকারের সহায়তা পেলে এ ফোরায়াকে আরও বৃহৎ আকারে তৈরি করে গণভবনের সম্মুখে স্থাপন করতে চান বলে জানিয়েছেন ক্ষুদে বিজ্ঞানী নিউটন হাওলাদার ও সাকিব ইসলাম সবুজ। 

জানা গেছে, মাদারীপুরের রমজানপুর ডক্টর আবদুস সোবহান গেলাপ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের ইলেকট্রনিক্স বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র নিউটন হাওলাদার ও সাকিব ইসলাম সবুজ। প্রায় ছয় মাস আগে ব্যক্তিগত কাজে ঢাকায় যান এ দুই শিক্ষার্থী। সন্ধ্যার পর প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনের সম্মুখ দিয়ে আসার সময় দৃষ্টিনন্দিত ফোরায়া দেখে মুগ্ধ হন তারা। 

এর পরে বাড়িতে ফিরে শুধু ফোরায়া নয়, তার মধ্যে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করা যায় তা নিয়ে ভাবতে থাকেন তারা। গত তিন মাস আগে থেকে নিজেদের অর্থ দিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে ইলেকট্রনিক্স চারটি পাম্প মটরের মাধ্যমে চার ফিট দৈর্ঘ্য জাতীয় পতাকাটির ফোরায়ারা আবিষ্কার করেন তারা। 

পানি ফোয়ারায় জাতীয় পতাকা আবিস্কারক নিউটন হাওরাদার বলেন, ‘সরকারের সহযোগিতা পেলে এ জাতীয় পতাকাটি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সম্মুখে স্থাপন করতে চাই। আমরা দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ধরনের পানির ফোয়ারা দেখি। এই পানির ফোয়ারায় যদি জাতীয় পতাকা থাকে তাহলে ছোট শিশুরা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে।’

এ ব্যাপারে আবদুস সোবহান গেলাপ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, এসব ছাত্ররা যদি প্রযুক্তিগত সহায়তা পায় তাহলে আরও নুতন নতুন জিনিস আবিষ্কার করতে পারবে। তাই এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে গবেষণার জন্য সরকার বেশি অর্থ বরাদ্দ দিলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে।


   Page 1 of 9
     এক্সক্লুসিভ
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নাবিকের পরিবারকে ৮৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ
.............................................................................................
নারী নির্যাতন বন্ধে পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন আনা দরকার: খুশি কবির
.............................................................................................
হামলার হুমকি দিয়ে বাংলায় পোস্টার প্রকাশ করেছে আইএস
.............................................................................................
দক্ষ জনশক্তি গড়তে মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় চায় বিএসএইচআরএম
.............................................................................................
সড়ক দূর্ঘটনা হ্রাসে সমতলে সড়ক পারাপারে জেব্রা ক্রসিং এর দাবি
.............................................................................................
বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে বিশেষভাবে সক্ষমব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে
.............................................................................................
‘তাজমহল দেখা ও বউয়ের জন্য শাড়ি কেনা ছাড়া’ ভারতে আমলাদের প্রশিক্ষণে পাওয়ার কিছু নেই : এম হাফিজউদ্দিন খান
.............................................................................................
চীনা ঋণের ফাঁদে এবার কেনিয়া, হারাচ্ছে সমুদ্রবন্দর
.............................................................................................
চীনা ঋণের ফাঁদে এবার কেনিয়া, হারাচ্ছে সমুদ্রবন্দর
.............................................................................................
কে হচ্ছেন সংসদ উপনেতা?
.............................................................................................
বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০১৮ ফাস্টফুড, কোমল পানীয় ও এনার্জি ড্রিংক্স নিষিদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী
.............................................................................................
রায়েরবাজার বৈশাখী খেলার মাঠে শিশু অঞ্চল তৈরির কার্যক্রম শুরু
.............................................................................................
রায়েরবাজারের এ্যাকশন এরিয়া প্ল্যান প্রণয়ন
.............................................................................................
সুস্থ্য জীবনের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত জরুরী
.............................................................................................
চিকিৎসা সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে হটলাইন চালু করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
.............................................................................................
পানির ফোয়ারায় জাতীয় পতাকা!
.............................................................................................
আজ থেকে চট্টগ্রামে আবাসন মেলা
.............................................................................................
বাংলাদেশের ওয়ান ইলেভেন সম্পর্কে মুখ খুললেন মুহাম্মদ ইউনুস
.............................................................................................
জাতিসংঘ ঘোষিত প্রথম বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস উদযাপন
.............................................................................................
ঈদের তিনদিন আগে থেকে মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলা নিষেধ
.............................................................................................
গাজীপুরে আইইউটি পরিদর্শনে ওআইসির মহাসচিব
.............................................................................................
রমজানে ৬ ঘণ্টা সিএনজি স্টেশন বন্ধ
.............................................................................................
কুয়াকাটার কলেজ ছাত্র শাওনের চালকবিহীন সোলার গাড়ি
.............................................................................................
নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হতে বাংলাদেশের সহযোগিতা চায় ভিয়েতনাম
.............................................................................................
শিশুদের সঠিক বিকাশে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের দাবি
.............................................................................................
এসডিজি অর্জনে তামাকজাত দ্রব্যের উপর অধিক হারে কর বৃদ্ধির করতে হবে
.............................................................................................
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে যুক্ত হচ্ছে নতুন রেলপথ
.............................................................................................
ভুয়া ডিগ্রীধারী ডাক্তারদের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা
.............................................................................................
ছেড়ে দেওয়া হয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৩ নেতাকে
.............................................................................................
স্থানীয়দের সম্পৃক্ততায় খেলার মাঠের নকশা প্রণয়ন শুরু
.............................................................................................
ঢাকা শহরের তিনটি সড়কে গাড়িমুক্ত কর্মসূচি পালনের সুপারিশ
.............................................................................................
স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতিকারী ঢাবি অধ্যাপক মোর্শেদকে অব্যাহতি
.............................................................................................
কৃষিজমি ও পরিবেশ বাঁচাতে পোড়া ইটের বদলে ব্লক ব্যবহারের উদ্যোগ
.............................................................................................
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র: নোয়ার্ট
.............................................................................................
দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: বদিউল
.............................................................................................
ট্রেন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে অবৈধ ও অরক্ষিত রেলক্রসিং
.............................................................................................
চিকিৎসা সেবার বিশেষ অবদানের জন্য পুরষ্কার পেলেন ডা. মো: হারুনুর রশীদ
.............................................................................................
প্লেন দুর্ঘটনায় নিহতরা পাবেন ১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবস: নদী বাঁচলে, বাঁচবে দেশ
.............................................................................................
হকার ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা ও আইন প্রণয়নের দাবি
.............................................................................................
মিয়ানমারকে আমরা চাপ দেব : লিসা কার্টিস
.............................................................................................
ভালো মানুষ গড়তে ভালো পৃথিবী দরকার: ঢাবি উপাচার্য
.............................................................................................
অগ্নিঝরা মার্চ মাস শুরু
.............................................................................................
আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে বাড়ি পাচ্ছে কক্সবাজারের সাড়ে ৪ হাজার পরিবার
.............................................................................................
ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় আজ, আপনহারা-বাঁধনছেড়া প্রাণ
.............................................................................................
ঢাকায় ভারসাম্যপূর্ণভাবে প্রতিটি কমিউনিটিতে বিদ্যালয়ের প্রতিশ্রুতি
.............................................................................................
প্রতি জেলায় মেডিকেল কলেজ ও বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হবে
.............................................................................................
হাই-টেক পার্কে ৫০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে: পলক
.............................................................................................
সরকারি চাকুরেদের জন্য মিরপুরে হবে ২৮৮টি ফ্ল্যাট
.............................................................................................
নগরের জলাভূমিসমূহ দখল ও দূষণমুক্ত করার দাবি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]