বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   এক্সক্লুসিভ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন ২২ জানুয়ারি

২২ জানুয়ারি বুধবার ইলেকট্রনিকস পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনার উদ্বোধন করবেন।

রবিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ই-পাসপোর্ট ভবন ও ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম উদ্বোধন সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেন, এই পাসপোর্ট বহির্বিশ্বে বাংলাদেশি পাসপোর্টের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে এবং পাসপোর্টের নিরাপত্তা অধিকতর নিশ্চিতকরণসহ ই-পাসপোর্টের মাধ্যমে বিদেশ ভ্রমণ ও ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সহজ হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের আওতাধীন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় জার্মান কোম্পানি ভেরিডোস জিএমবিএইচ কর্তৃক ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে ৫ থেকে ১০ বছর।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর প্রাথমিকভাবে রাজধানীর আগারগাঁও, উত্তরা ও যাত্রাবাড়ী থেকে ই-পাসপোর্ট সরবরাহ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৩৫০০ টাকা, জরুরি ফি ৫৫০০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ৭৫০০ টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৫০০০ টাকা, জরুরি ফি ৭০০০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ৯০০০ টাকা।

নতুন পাসপোর্টের ক্ষেত্রে অতীব জরুরিতে ৩ দিনে, জরুরিতে ৭ দিনে ও সাধারণ পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে ২১ দিনের পাসপোর্ট পাওয়া যাবে। তবে পুরনো অথবা মেয়দোত্তীর্ণ পাসপোর্ট রি-ইস্যু করার ক্ষেত্রে অতীব জরুরি পাসপোর্ট ২ দিনে, জরুরি পাসপোর্ট ৩ দিনে ও সাধারণ পাসপোর্ট ৭ দিনের মধ্যে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।

এছাড়া, বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে সাধারণ আবেদনকারী, শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা আলাদা ই-পাসপোর্ট ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে সাধারণ আবেদনকারীদের জন্য ৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ১০০ মার্কিন ডলার ও জরুরি ফি ১৫০ মার্কিন ডলার। ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ১২৫ মার্কিন ডলার ও জরুরি ফি ১৭৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল

ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা জন্মনিবন্ধন সনদ (বিআরসি) অনুযায়ী পূরণ করতে হবে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছরের কম) আবেদনকারী, যার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই, তার পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের ডিজিটালাইজড আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে। সেটি নিবন্ধন রয়েছে। কাজেই তথ্য গোপন করে কোনও রোহিঙ্গাদের ই-পাসপোর্ট গ্রহণের সুযোগ নাই। তারপরও রোহিঙ্গারা যদি বিভিন্ন ধরনের ফাঁক-ফোকরের মাধ্যমে ই-পাসপোর্ট করতে যায় তাহলে বিভিন্ন প্রশ্নে তারা ধরা পড়বে।

তিনি বলেন, ই-পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে তবে বিভিন্ন ধরনের নাজেহাল এড়াতে এটি অনলাইনে করার চেষ্টা করছি যেন অতীতের তুলনায় সহজ হয়।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ২০২০ সালের মধ্যে দেশের সর্বত্র ই-পাসপোর্ট চালু হবে। বাংলাদেশে প্রথম ই-পাসপোর্ট পাবে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী। প্রতিদিন ২৫ হাজার পাসপোর্ট ইস্যু করা যাবে।’

সংবাদ সম্মেলনে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। বাসস

ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন ২২ জানুয়ারি
                                  

২২ জানুয়ারি বুধবার ইলেকট্রনিকস পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনার উদ্বোধন করবেন।

রবিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ই-পাসপোর্ট ভবন ও ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম উদ্বোধন সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেন, এই পাসপোর্ট বহির্বিশ্বে বাংলাদেশি পাসপোর্টের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে এবং পাসপোর্টের নিরাপত্তা অধিকতর নিশ্চিতকরণসহ ই-পাসপোর্টের মাধ্যমে বিদেশ ভ্রমণ ও ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সহজ হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের আওতাধীন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় জার্মান কোম্পানি ভেরিডোস জিএমবিএইচ কর্তৃক ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে ৫ থেকে ১০ বছর।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর প্রাথমিকভাবে রাজধানীর আগারগাঁও, উত্তরা ও যাত্রাবাড়ী থেকে ই-পাসপোর্ট সরবরাহ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৩৫০০ টাকা, জরুরি ফি ৫৫০০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ৭৫০০ টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৫০০০ টাকা, জরুরি ফি ৭০০০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ৯০০০ টাকা।

নতুন পাসপোর্টের ক্ষেত্রে অতীব জরুরিতে ৩ দিনে, জরুরিতে ৭ দিনে ও সাধারণ পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে ২১ দিনের পাসপোর্ট পাওয়া যাবে। তবে পুরনো অথবা মেয়দোত্তীর্ণ পাসপোর্ট রি-ইস্যু করার ক্ষেত্রে অতীব জরুরি পাসপোর্ট ২ দিনে, জরুরি পাসপোর্ট ৩ দিনে ও সাধারণ পাসপোর্ট ৭ দিনের মধ্যে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।

এছাড়া, বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে সাধারণ আবেদনকারী, শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা আলাদা ই-পাসপোর্ট ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে সাধারণ আবেদনকারীদের জন্য ৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ১০০ মার্কিন ডলার ও জরুরি ফি ১৫০ মার্কিন ডলার। ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ১২৫ মার্কিন ডলার ও জরুরি ফি ১৭৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল

ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা জন্মনিবন্ধন সনদ (বিআরসি) অনুযায়ী পূরণ করতে হবে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছরের কম) আবেদনকারী, যার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই, তার পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের ডিজিটালাইজড আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে। সেটি নিবন্ধন রয়েছে। কাজেই তথ্য গোপন করে কোনও রোহিঙ্গাদের ই-পাসপোর্ট গ্রহণের সুযোগ নাই। তারপরও রোহিঙ্গারা যদি বিভিন্ন ধরনের ফাঁক-ফোকরের মাধ্যমে ই-পাসপোর্ট করতে যায় তাহলে বিভিন্ন প্রশ্নে তারা ধরা পড়বে।

তিনি বলেন, ই-পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে তবে বিভিন্ন ধরনের নাজেহাল এড়াতে এটি অনলাইনে করার চেষ্টা করছি যেন অতীতের তুলনায় সহজ হয়।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ২০২০ সালের মধ্যে দেশের সর্বত্র ই-পাসপোর্ট চালু হবে। বাংলাদেশে প্রথম ই-পাসপোর্ট পাবে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী। প্রতিদিন ২৫ হাজার পাসপোর্ট ইস্যু করা যাবে।’

সংবাদ সম্মেলনে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। বাসস

দেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র পায়রায় পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু
                                  

 দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র পায়রা পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদন শুরু করেছে। কেন্দ্রটিকে গতকাল সোমবার বেলা ১১টায় জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সিনক্রোনাইজিং বা সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবুধাবি থেকে দেশে ফিরলে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের দিনক্ষণ ঠিক করা হবে। ুবাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানির (বিসিপিসিএল) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এম খোরশেদুল আলম কেন্দ্রটির উৎপাদন শুরুর খবর নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সফলভাবে কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে। বিভিন্ন ধাপে এখন উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে সুবিধাজনক সময়ে কেন্দ্রটি উদ্বোধন করবেন তিনি। ইতোমধ্যে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক শাহ আবদুল মাওলা বলেন, আজকে (গতকাল সোমবার) বেশ কিছুক্ষণ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট চালানো হয়েছে। এখন ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যাচ্ছে গ্রিডে।

দুপুরের পর আমরা বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দেবো। মঙ্গলবার (আজ) আবারও চালাবো। প্রতিদিন অল্প অল্প করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে, এরপর বাড়ানো হবে। পাশাপাশি যন্ত্রপাতিগুলোও চলবে এই মাসজুড়েই। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন শুরু হওয়া নিয়ে এক ধরনের উচ্ছ্বাস ছিল সবার মাঝে। কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র তো বটেই, এটি দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র। সব মিলিয়ে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। এর আগে দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনক্ষমতা ছিল ৪৫০ মেগাওয়াট, যা গ্যাসচালিত।

আমদানি করা কয়লায় উৎপাদনের জন্য পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশ এবং চীনের সমান অংশীদারিত্বে নির্মাণ করা হয়েছে। কেন্দ্রটি রাষ্ট্রীয় নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (এনডব্লিউপিজিসিএল) এবং চীনের ন্যাশনাল মেশিনারি এক্সপোর্ট অ্যান্ড ইমপোর্ট করপোরেশন (সিএমসি) যৌথভাবে নির্মাণ করেছে। দুই বিলিয়ন ডলার বা ১৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে নির্মিত এই কেন্দ্রের ঋণ সহায়তা দিয়েছে চীনের এক্সিম ব্যাংক। কেন্দ্রটি নির্মাণে এনডব্লিউপিজিসিএল এবং সিএমসি যৌথভাবে বিসিপিসিএল গঠন করেছে। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ইউনিট রয়েছে। প্রথম ইউনিট ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। সমান ক্ষমতার দ্বিতীয় ইউনিটটি উৎপাদনে আসবে আগামি মে মাসে। উল্লেখ্য, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ।

দুদকের ভয়ে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে অর্থ খরচে স্থবিরতা
                                  

 সরকারি স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আতঙ্ক বিরাজ করছে। সব কাজকর্ম স্থবির হয়ে রয়েছে। মূলত গত এক বছরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুদকের অভিযানই স্বাস্থ্য খাতে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তার মধ্যে কেউ গ্রেপ্তার হয়েছে, কেউ গ্রেপ্তার আতঙ্কে রয়েছে। পাশাপাশি গ্রেপ্তার থেকে বাঁচতে কেউ কেউ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, কেউ গা-ঢাকা দিয়েছে। ফলে সার্বিকভাবে সরকারি স্বাস্থ্য খাতে এক ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দুদকের ভয়ে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা নিজেদের গুটিয়ে রেখেছে। যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রীর প্রয়োজন হলেও ওই প্রক্রিয়ায় হাত দেয়া হচ্ছে না।

ফলে গত অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতের বড় ধরনের অর্থ ফেরত গেছে। চলতি অর্থবছরেও বরাদ্দ অর্থ ব্যয় হচ্ছে না। এমন অবস্থা অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছর শেষেও বিপুল অর্থ ফেরত যাবে। ফলে মুখ থুবড়ে পড়বে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দুদকের চলমান অভিযানে স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ক্রয় প্রক্রিয়ায় আগ্রহ দেখাচ্ছে না। সারাদেশে সরকারি হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজে যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রীর প্রয়োজন হয়। অথচ দুর্নীতির ভয়ে সবাই হাত গুটিয়ে বসে আছে। কেউ টেন্ডার আহ্বান করছেন না। এমনকি কেনাকাটার বকেয়া পরিশোধের জন্যও তারা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কিংবা মন্ত্রণালয়ে চিঠি লিখছে না। আর ঠিকাদাররা মাসের পর মাস ঘুরেও বকেয়া বিল তুলতে পারছে না। ফলে এক ধরনের স্থবিরতার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে অর্থবছরের ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও মোট বরাদ্দের ১০ শতাংশ অর্থও ব্যয় করতে পারেনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ অবস্থায় আগামী ৩০ জুনের মধ্যে বাকি ৯০ শতাংশ অর্থ ব্যয় নিয়ে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে। অথচ বিগত বছরগুলোতে প্রথম ৬ মাসের মধ্যে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ব্যয় হতো। আর শেষ ৬ মাসে বাকি অর্থ ব্যয় করা হয়। কিন্তু এবার প্রথম ছয় মাসে ১০ শতাংশ অর্থও ব্যয় হয়নি। এমন অবস্থায় আগামী ৬ মাসের মধ্যে বাকি ৯০ শতাংশ অর্থ ব্যয়ের কোনো সম্ভাবনা নেই। ফলে অব্যয়িত অর্থ ফেরত চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অবস্থান জিরো টলারেন্স। পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাতের অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে গণমাধ্যমে বারবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে আলোচনা-সমালোচনার কারণে ক্রয় প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এক ধরনের ভীতির সঞ্চার করেছে। অনেকেই এ ধরনের পদে থাকতে চাইছেন না। আবার অনেকে ক্রয় প্রক্রিয়া থেকে দূরে থাকছে কিংবা ক্রয় প্রক্রিয়া বিলম্বিত করছে। তাতে করে স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়ন বিঘ্নিত ও সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।


সূত্র আরো জানায়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তুলনায় এদেশে স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বরাদ্দ অনেক কম। এ কারণে জনপ্রতি স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৬৭ শতাংশ মানুষই নিজের পকেট থেকে ব্যয় করে। তারপরও যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়, তা ব্যয় করতে না পারা দুঃখজনক। এমন পরিস্থিতি জনগণের স্বাস্থ্যসেবা আরো ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে। আইন মেনে দুর্নীতি যাতে না হয়, সেভাবে কেনাকাটা সম্পন্ন করা হলে কোনো সমস্যা নেই। ভয়ের কোনো কারণ নেই। সততার সঙ্গে কেনাকাটা করলে দুদককে কেন ভয় করতে হবে। সুতরাং, জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনা করে এ ক্ষেত্রে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
এদিকে এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, অন্যান্য খাতের মতো স্বাস্থ্য খাতও দুর্নীতির বাইরে নয়। তবে অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সবসময়ই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে তদন্ত করে অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। সুতরাং, অনিয়ম করে কেউ রেহাই পায় না। কিন্তু বর্তমানে এক ভীতিকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আর্থিক সংশ্লিষ্টতা আছে এমন কাজ করতে কর্মকর্তারা আগ্রহী হচ্ছেন না। তাতে করে কাজকর্মে গতিশীলতা হ্রাস পেতে পারে। সবার প্রতি আহ্বান থাকবে, স্বচ্ছতার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করুন। এতে ভয়ের কিছু নেই।
অন্যদিকে এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, কোনো সংস্থার ভয়ে নয়, স্বাস্থ্য খাতে অপ্রয়োজনীয় কোনো যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হচ্ছে না। এ বিষয়ে সবাইকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ওই অনুযায়ী বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির তালিকা চাওয়া হয়েছে। তাদের পাঠানো তালিকা ধরে যন্ত্রপাতি কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে অর্থবছরের প্রথম ৬ মাস কাজকর্মে গতি একটু কম থাকে। পরবর্তী ৬ মাস দ্রুতগতিতে কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এটি শুধু এবারই নয়, বিগত অর্থবছরেও এভাবে কাজ হয়েছে। সুতরাং বাকি ৬ মাসে দ্রুতগতিতে কাজ করে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা হবে।

 

নোয়াখালীর হাতিয়া-নিঝুম দ্বীপে হচ্ছে বিশেষ পর্যটন জোন
                                  

 নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলা ও নিঝুম দ্বীপকে ঘিরে বিশেষ পর্যটন জোন গড়ে তোলা হচ্ছে। এজন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকার ব্যয়ের একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে বে-সামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে ওই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় ওই অঞ্চলে যাওয়া পর্যটকদের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হবে রেস্তোরাঁ, কটেজ এছাড়াও পানিতে ভ্রমণের জন্য থাকবে ক্রুজ ভেসেল। গতকাল রোববার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বে-সামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সংসদীয় কমিটির সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য বে-সামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, তানভীর ইমাম এবং সৈয়দা রবিনা আক্তার অংশগ্রহণ করেন। কমিটি সূত্রে জানা যায়, পর্যটন শিল্পের বিকাশে হাতিয়া ও নিঝুম দ্বীপকে ঘিরে নেওয়া প্রকল্প যথাযথভাবে বাস্তবায়নের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে হবিগঞ্জ জেলা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর এলাকায় ছোট রেস্ট হাউজ নির্মাণসহ পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা য়ায় কি না তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে ব্যক্তি মালিকানার উদ্যোগে পেশকৃত প্রস্তাব বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে জানানো হয়, কক্সবাজারে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সে অবস্থিত হোটেল প্রবাল ও উপালকে পাঁচ তারকা মানের হোটেলে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া হোটেল লাবনীকে আন্তর্জাতিক মানের হোটেলে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

সরকারি হাসপাতালগুলোতে চালু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু কর্নার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
                                  

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখতে দেশের সকল সরকারি হাসপাতালে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ নামে হেলপ সেন্টার চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। গতকাল রোববার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিক উপলক্ষে আয়োজিত কর্মপরিকল্পনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

জাহিদ মালেক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সকল হাসপাতালে মানুষের স্বাস্থ্য ও তথ্য সহায়তা নিশ্চিত করতে আলাদা করে একটি বঙ্গবন্ধু কর্নার নামে হেলপ সেন্টার চালু করা হবে। এর পাশাপাশি দেশের সকল সরকারি ক্লিনিক, হাসপাতালে প্রায় ২০ হাজার গাছও লাগানো হবে বলেও জানান তিনি। সভায় প্রাথমিকভাবে প্রতিটি সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে অন্তত একটি করে দীর্ঘজীবী গাছ রোপন, পরিচ্ছন্ন হাসপাতাল কর্মসূচি গ্রহণ, প্রত্যেক হাসপতালে স্বাস্থ্য সহায়তার জন্য হেলপ ডেস্ক স্থাপন, ঢাকায় ৫টি বড় হাসপাতালে সমন্বিত জরুরি বিভাগ চালুকরণ এবং বিভাগীয় হাসপাতাল ও দেশের বৃহত্তর হাসপাতালগুলোর প্রতিটিতে কিডনি, ডায়ালাইসিস চালু করতে উদ্যোগের ব্যাপারে সভায় একাত্মতা ঘোষণা করা হয়।

পাশাপাশি দেশের ৮টি বিভাগে শিশুদের জন্য বিনামূল্যে ইনস্যুলিন প্রদান করার ব্যাপারেও উদ্যোগ নেয়া হবে বলে সভায় জানানো হয়। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, অতিরিক্ত সচিব সুপ্রিয় কুমার কুন্ডু ও মো. হাবিবুর রহমান খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেনসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য বিভাগের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ড্রিমলাইনার সোনার তরী ও অচিন পাখি আসছে ২১ ও ২৪ ডিসেম্বর
                                  

বিমানের ৭৮৭-৯ সিরিজের ড্রিমলাইনার সোনার তরী ও অচিন পাখি ২১ ও ২৪ ডিসেম্বর বিকেল পৌনে ৪টায় হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। ২৮ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পঞ্চম ও ষষ্ঠ ড্রিমলাইনার দুটি উদ্বোধন করবেন। এ সময় তিনি বিমানের মোবাইল অ্যাপসও উদ্বোধন করবেন। বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত সম্পূর্ণ নতুন এ দুটি উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াবে ১৮টি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উড়োজাহাজ দু’টি ‘সোনারতরী ও অচিনপাখি’ নামকরণ করেছেন। বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনারে আসন সংখ্যা থাকছে মোট ২৯৮টি। এর মধ্যে বিজনেস ক্লাস ৩০টি, প্রিমিয়াম ইকোনমি ক্লাস ২১টি এবং ২৪৭টি ইকোনমি ক্লাস। বিমানের মোবাইল অ্যাপস ব্যবহার করে যাত্রী নিজের মোবাইল থেকেই বিমানের সকল গন্তব্যের টিকিট কিনতে পারবেন। মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন বিকাশ, রকেট বা যে কোন কার্ডের মাধ্যমে।

গুগল প্লে স্টোর অথবা অ্যাপল অ্যাপস স্টোর থেকে যে কোন স্মার্টফোনে অ্যাপসটি ডাউনলোড করলে পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে বিমানের ফ্লাইট সংক্রান্ত সকল তথ্য পাওয়া যাবে। এই অ্যাপসের মাধ্যমে যাত্রী ফ্লাইট সম্পর্কিত সকল তথ্য, ফ্লাইট স্ট্যাটাস, ফ্লাইট শিডিউল, সেলস সেন্টার সমূহের ঠিকানা, অনলাইন টিকেট ও রিফান্ড হেল্পডেস্ক, এবং টিকেট বুকিং সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য জানতে পারবেন।

চীনে নির্মিত দুটি ফ্রিগেট নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর
                                  

চীনে নির্মিত দুটি ফ্রিগেট ওমর ফারুক ও আবু উবাইদাহ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সাংহাইয়ের সেনজিয়া শিপইয়ার্ডে ঐতিহ্যবাহী রীতিতে জাহাজ দুইটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করা হয়।

এই অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এসময় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সহকারী নৌপ্রধান (পার্সোনেল) রিয়ার এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল এবং চীনের নৌবাহিনীর ইষ্টার্ণ ফ্লিটের ডেপুটি কমান্ড্যান্ট রিয়ার এডমিরাল বাই ইয়াওপিংসহ দুই দেশের নৌবাহিনীর উচ্চপদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। আইএসপিআর বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নতুন এ যুদ্ধজাহাজ দু‘টি নৌবহরে অন্তর্ভূক্তির মাধ্যমে নৌবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়। উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আধুনিক নৌবাহিনী গড়ে তোলার লালিত স্বপ্ন ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক আগ্রহ ও নির্দেশনায় নৌবাহিনী আজ আধুনিক, ত্রিমাত্রিক ও যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে বিশ্ব দরবারে আত্মপ্রকাশ করেছে। নৌবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবেই এই দুটি যুদ্ধজাহাজ সংযোজিত হতে যাচ্ছে।

আইএসপিআর আরও জানায়, আধুনিক এই যুদ্ধজাহাজ দু‘টির প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১১২ মিটার এবং প্রস্থ ১২.৪ মিটার যা ঘন্টায় সর্বোচ্চ ২৪ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলতে সক্ষম। প্রতিটি জাহাজ বিভিন্ন আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জামে সুসজ্জিত। এছাড়া, অন্যান্য আধুনিক সমরাস্ত্রের পাশাপাশি জাহাজে রয়েছে সমুদ্রে উদ্ধার তৎপরতা, সন্ত্রাস ও জলদস্যু দমন এবং চোরাচালান বিরোধী নানাবিধ অপারেশন পরিচালনার সক্ষমতা।

জাহাজ দুটি দেশের জলসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি দূর্যোগকালীন জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা, অবৈধ মৎস্য নিধন, সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় মানবপাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধ, জলদস্যুতা দমন, জেলেদের নিরাপত্তা বিধানসহ বর্তমান সরকারের ব¬ু-ইকোনমির বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যুদ্ধজাহাজ দুটি আগামী মাসে বাংলাদেশে এসে পৌঁছাবে বলে আশা করা যায়।

আগামী বিশ্বকে তরুণরাই নেতৃত্ব দেবে: বীর বাহাদুর
                                  

তরুণরা সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার, আগামী বিশ্বকে তারাই নেতৃত্ব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অতি বৃষ্টিপাত, খরা ও ঝড় হচ্ছে। একইসঙ্গে বৃক্ষনিধনের মাধ্যমে বন উজাড়ের কারণে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। এই পরিস্থতি মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী তরুণ সমাজকে পার্বত্য অঞ্চলগুলোর পরিবেশ রক্ষায় সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

গতকাল বুধবার সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস ২০১৯ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মেসবাহুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেন, পার্বত্য এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও টেকসই ভবিষ্যৎকে সামনে রেখে ২০০৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১১ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস নির্ধারণ করেন। এরপর থেকে প্রতিবছর দিনটি পর্বত দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, পৃথিবীর প্রায় ২২ শতাংশ পার্বত্য অঞ্চল।

পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবন অত্যন্ত বৈচিত্রময়। পর্বতমালা, নদ-নদী, বহু প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী এ অঞ্চলকে করেছে বৈচিত্রপূর্ণ। বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন অপরিহার্য।

সৌদি, বাংলাদেশে হজযাত্রীর কোটা ১০ হাজার বাড়িয়েছে
                                  

 ২০২০ সালে বাংলাদেশের হজযাত্রীর কোটা আরও ১০ হাজার বাড়িয়েছে রাজকীয় সৌদি সরকার। মক্কায় হজ চুক্তিতে এ সিদ্ধান্ত হয় বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণলয়। বর্তমানে এক লাখ ২৭ হাজারের সঙ্গে নতুন করে আরো ১০ হাজার হজযাত্রী পবিত্র হজব্রত পালন করার সুযোগ পাবেন। ২০২০ সালের সৌদি-বাংলাদেশ হজচুক্তির জন্য ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল গত ২ ডিসেম্বর সৌদি আরব যায়। বুধবার (০৪ ডিসেম্বর) সৌদি আরবের জেদ্দায় ২০২০ সালের বাংলাদেশ-সৌদি আরব হজ চুক্তি অনুষ্ঠিত হয়। এবারের হজ চুক্তিতে বাংলাদেশের বর্তমান মুসলিম জনসংখ্যার ভিত্তিতে অতিরিক্ত ২০ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রীর হজের অনুমতি চাওয়া হয়। বাংলাদেশের ৫০ শতাংশ হারে হজযাত্রীর জেদ্দা এবং মদিনায় ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তাব করা এবং সৌদি আরব অংশের বাংলাদেশি শতভাগ হজযাত্রীর ইমিগ্রেশন ঢাকায় সম্পন্ন করার প্রস্তাব করা হয়। তবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথা এখনো জানানো হয়নি। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, আগামী বছর অতিরিক্ত ১০ হাজারসহ সর্বমোট এক লাখ ৩৭ হাজার ১৯১ জন হজযাত্রী হজে যেতে পারবেন। সৌদি হজ ও ওমরাহর বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এবং সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী ড. মোহাম্মদ সালেহ তাহের বেনতেন চুক্তিতে সই করেন। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, আগামী ২০২০ সালের হজে বাংলাদেশের হজযাত্রীর সংখ্যা বেড়েছে ১০ হাজার। এজেন্সি প্রতি হজযাত্রীর সর্বনিম্ন সংখ্যা ১০০ এবং সর্বোচ্চ সংখ্যা ৩০০ বহাল রাখা থাকছে (চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমান বন্দর ব্যবহারকারী হজযাত্রী ছাড়া)। শতভাগ হজযাত্রীর ইমিগ্রেশন সৌদি আরবের পরিবর্তে ঢাকায় সম্পন্ন করা হবে। মদিনা থেকে হজ ফ্লাইটের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। হজ এজেন্সিগুলোর জন্য এআইটিএ সনদ থাকার শর্তারোপ করা হচ্ছে না। প্রত্যেক হজযাত্রীর ইন্স্যুরেন্স কভারেজ দেবে সৌদি সরকার। রুট টু মক্কার মতো ফিরতি হজযাত্রীদের জন্য রুট টু ঢাকা’র সুবিধা চালু করা বিষয় রয়েছে। এ ছাড়া পরিবহন সুবিধা বৃদ্ধি এবং উন্নত করার আশ্বাস রয়েছে। এবারও মিনায় দ্বিতল খাট না রাখার বিষয় উল্লেখ রয়েছে চুক্তিতে। এর আগে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ প্রতিমন্ত্রী ডক্টর আবদুল ফাত্তাহ বিন সোলায়মান মাশাতের নেতৃত্বে সৌদি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ২০২০ সালের হজ চুক্তির বৈঠকে বাংলাদেশের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ যেসব প্রস্তাব তুলে ধরেন সেগুলো হলো- বাংলাদেশের হজযাত্রীর কোটা বাড়ানো, রুট টু মক্কা ইনিশিয়েটিভের আওতায় শতভাগ হজযাত্রীর ইমিগ্রেশন বাংলাদেশে করা এবং হজ শেষে দেশে ফেরার সময় জেদ্দা ও মদিনা এয়ারপোর্টে হাজিদের ইমিগ্রেশন সহজ করা, হাজিরা ৪২ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিনের কম সময়ে দেশে ফিরতে পারেন সে ব্যবস্থা গ্রহণ, ভিসা প্রসেসিং সহজ করা, খাওয়া-থাকাসহ সৌদি আরবে বাংলাদেশি হাজিদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো, কালো তালিকাভুক্ত বেসরকারি এজেন্সির তালিকা দ্রুত প্রকাশ করা, হাজিদের জন্য বাধ্যতামূলক খাবার সরবরাহের প্রথা বন্ধ করা, মিনায় উন্নতমানের বাংলাদেশি খাদ্য পরিবেশন ও উন্নতমানের আবাসনের ব্যবস্থা করা, হজের সময় বাংলাদেশের আইন লঙ্ঘন করে সৌদি এয়ারলাইন্সের টিকিট বিক্রির স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, হজযাত্রী পরিবহনে বাস সার্ভিস উন্নত করা এবং বাংলাদেশি হাজিদের জন্য ট্রেন পরিবহনের সুবিধা বৃদ্ধি করা। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন ধর্ম সচিব মো. আনিছুর রহমান, সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসি, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মিজানুর রহমান, জেদ্দার কাউন্সিলর (হজ) মাকসুদুর রহমান, হজ অফিস ঢাকার পরিচালক সাইফুল ইসলাম ও হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন আব বাংলাদেশ (হাব) সভাপতি এম শাহাদাৎ হোসাইন তাসলিম প্রমুখ।

ইউনেস্কো নির্বাহী পরিষদে সহ-সভাপতি নির্বাচিত বাংলাদেশ
                                  

ইউনেস্কো নির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) ইউনেস্কো সদর দপ্তরে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিষদের ২০৮ তম সভায় ৫৮ সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ইলেক্টোরাল গ্রুপ ৪ থেকে সহ সভাপতি নির্বাচিত হয় বাংলাদেশ। চ্যানেল২৪

বাংলাদেশ ২০১৭-২০২১ মেয়াদে ইউনেস্কো-এর নির্বাহী পরিষদের নির্বাচিত সদস্য। এই নির্বাহী পরিষদের ২০৮তম সভায় বাংলাদেশ ছাড়াও অন্যান্য গ্রুপ হতে সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছে সুইজারল্যান্ড, রাশিয়া, সেন্ট লুসিয়া, ইথোপিয়া ও মিশর।

বাংলাদেশ ইউনেস্কোর নির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি হিসেবে আগামী ২ বছর এশিয়া ও প্রশান্ত অঞ্চলের ৪৪টি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করাসহ কল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করবে।

সবার জন্য পেনশন ব্যবস্থা চালু করতে চায় সরকার: পরিকল্পনামন্ত্রী
                                  

দেশের সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের কর্মীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, সরকার সবার জন্য পেনশন ব্যবস্থা চালু করতে চায়। এজন্য কাজ শুরু হয়েছে। সর্বজনীন পেনশন চালুর ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত অর্থ সংস্থানেরও কথা ভাবা হচ্ছে। গতকাল বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ইন্ট্রোডিউসিং অ্যা ইউনিভার্সাল পেনশন স্কিম ইন বাংলাদেশ: ইন সার্চ অব অ্যা ফ্রেমওয়ার্ক’ শীর্ষক এক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। সংলাপের আয়োজন করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ও অক্সফাম ইন বাংলাদেশ।

সংলাপে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য একটি ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম’ চালু করার সুযোগ, প্রয়োজনীয় নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং সংশ্লিষ্ট চ্যালেঞ্জসমূহ নিয়ে আলোচনা হয়। এম এ মান্নান বলেন, আমার জানা মতে, অর্থমন্ত্রণালয়ের ভেতরে ছোট একটি সেল আছে, যারা সবার জন্য পেনশন চালুর বিষয়ে প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে। বক্তব্যে সর্বজনীন পেনশন কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, অন্য দেশগুলো কীভাবে এটা চালাচ্ছে, অর্থের সংস্থান কীভাবে করা যায়, আয়োজকদের কাছে এ ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক পরামর্শ চান পরিকল্পনামন্ত্রী। এসময় তিনি সর্বজনীন পেনশন চালুর ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত অর্থ সংস্থানের প্রস্তাবও করেন। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সবাই এখানে অংশ নিতে পারবে না।

আমাদের এখনও ১১-১২ শতাংশ মানুষ আছে, যাদের আমরা হতদরিদ্র বলি। যাদের কোনও নিট আয় নাই। আমাদের রাজনৈতিক শক্তির প্রথম টার্গেট ওই নিচের ১১-১২ ভাগ মানুষকে টেনে ওপরে আনা। তারা কন্ট্রিবিউট করতে পারবে না, তাই আসতে পারবে না, সেই ধরনের চিন্তায় আমরা যাবো না। সংলাপে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য একটি ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম’ চালু করার জন্য এখনই উপযুক্ত সময়। সংলাপে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ব ব্যাংকের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন, সিপিডির বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ও অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

নিউইয়র্কে সাদেক হোসেন খোকার জানাযায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল
                                  

অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার নামাজে জানাযায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল নেমেছিল। স্থানীয় সময় সোমবার রাতে এশার নামাজের পর নিউইয়র্কের কুইন্সের জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে তার নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে সাদেক হোসেন খোকার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছনোর কথা রয়েছে। অন্তিম ইচ্ছা অনুযায়ী ঢাকার জুরাইন কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে সমাহিত করা হবে সাদেক হোসেন খোকাকে।

জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে নামাজে জানাযার আগে বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকাকে স্যালুট জানান সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম যুক্তরাষ্ট্র শাখার নেতারা। তারা জাতীয় পতাকা দিয়ে মরদেহ ঢেকে দেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি রাশেদ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল বারী বকুল, সহ-সভাপতি আবুল বাশার চুন্নু ও কার্যকরি সদস্য লাবলু আনসার।

সাদেক হোসেন খোকার নামাজে জানাযায় ইমামতি করেন জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের খতিব মাওলানা মির্জা আবু জাফর বেগম। এর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের ফার্স্ট সেক্রেটারি শামীম হোসেন। তিনি বক্তব্য শুরু করার পর মসজিদে উপস্থিত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতাকর্মীরা চিৎকার শুরু করেন। খোকার পাসপোর্ট নবায়ন না করার প্রতিবাদ জানান। পরিস্থিতি হট্টগোলে রূপ নিলে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মো. আব্দুস সালাম, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের সাধারণ সম্পাদক মনজুর আহমদ চৌধুরী এবং সাদেক হোসেন খোকার ছেলে প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন সবাইকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

এসময় ইশরাক হোসেন বলেন, নিউইয়র্ক কনস্যুলেট পাসপোর্ট নবায়ন না করলে দ্রুত সময়ের মধ্যে তার বাবার মরদেহ দেশে নিয়ে যাবার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়েছে। তিনি দলের নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আপনারা আমার বাবার জন্য যা করেছেন আমার পরিবার তা মনে রাখবে। সাদেক হোসেন খোকার ছোট ছেলে ইশফাক হোসেনও উপস্থিত ছিলেন সেখানে।

যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতাকর্মী ছাড়াও দলমত নির্বিশেষে অসংখ্য প্রবাসী সাদেক হোসেন খোকার জানাযায় অংশ নেন। মসজিদের প্রতিটি ফ্লোর কানায় কানায় ভরে যায়। মসজিদের আশেপাশের সড়কেও তার জানাযায় অংশ নেন শত শত মানুষ।

সোমবার দুপুরে নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুন নেসা ইত্তেফাককে জানিয়েছেন, সাদেক হোসেন খোকার বড়ো ছেলে ইশরাক হোসেন কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। ফিউনারেল হোমের কাগজপত্র পাওয়া মাত্রই কনস্যুলেট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। কনসাল জেনারেল জানান, সাদেক হোসেন খোকার স্ত্রী ইসমত আরার জন্য ট্রাভেল পাস চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। এ ব্যাপারে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি। এর আগে পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদন করা হলেও তা এখনো প্রক্রিয়াধীন বলে জানান কনসাল জেনারেল।

স্থানীয় সময় রবিবার দিবাগত রাত ২টা ৫০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সোমবার দুপুর ১টা ৫০ মিনিট) নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের বিশেষায়িত হাসপাতাল মেমোরিয়াল স্লোয়ান ক্যাটারিং ক্যান্সার সেন্টারে ইন্তেকাল করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা। তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। চিকিৎসার জন্য ২০১৪ সালের ১৪ মে মাসে সাদেক হোসেন খোকা সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রে যান।

আরও ২২টি মিটারগেজ কোচ আসছে: রেলমন্ত্রী
                                  

 রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, দেশবাসীকে স্বল্পমূল্যে, নিরাপদ ও আরামদায়ক এবং সহজলোভ্য, পরিবেশবান্ধব পরিবহন সুবিধা দিতে আরও নতুন কোচ আমদানি করছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রী জানান, এরই ধারাবাহিকতায় তৃতীয় ধাপে ইন্দোনেশিয়া থেকে ২২টি মিটারগেজ কোচ বাংলাদেশে এসে পৌঁছাবে আগামীকাল সোমবার। রেলওয়ের জন্য মিটারগেজ ও ব্রডগেজ প্যাসেঞ্জার ক্যারেজ বা কোচ সংগ্রহ প্রকল্প দপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ প্রকল্পের আওতায় কয়েকধাপে ২০০টি মিটারগেজ কোচ আমদানি করা হচ্ছে ইন্দোনেশিয়া থেকে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের আওতায় প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে ৪৮টি মিটারগেজ কোচ বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে।

সদ্য আসা এসব কোচের মধ্যে ১৪টি কোচ দিয়ে চলছে ঢাকা-কুড়িগ্রাম রুটে আন্তঃনগর ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’। বাকি ৩৬টি মিটারগেজ কোচ দিয়ে উত্তরাঞ্চলগামী রংপুর এক্সপ্রেস ও লালমনি এক্সপ্রেসের পুরাতন কোচগুলো পরিবর্তন করে নতুন মিটারগেজ কোচ স্থাপন করা হয়েছে। একইসাথে তৃতীয় ধাপে আরও ২২টি মিটারগেজ কোচ আগামি সপ্তাহে বাংলাদেশে এসে পৌঁছাবে। ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা প্রতিটি মিটারগেজ কোচের মূল্য ৩.০৩ কোটি টাকা এবং প্রতিটি ব্রডগেজ কোচের মূল্য ৪.২২ কোটি টাকা। প্রকল্পের সংশ্লিষ্টরা বলেন, তৃতীয় ধাপে আমদানি করা মিটারগেজের ২২টি কোচ ইতিমধ্যেই ইন্দোনেশিয়া থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। আগামি ৪ নভেম্বর বাংলাদেশে এসে সেগুলো পৌঁছাবে। আগের কোচের মতো এগুলো সবুজ ও সাদা রঙের হবে।

আমদানি করা এসব কোচ দেশে আসার পরে ওয়ার্কশপের কাজ শেষ করে নির্দিষ্ট রুটে নামানো হবে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা যায়, নতুন ২২টি কোচ কোন রুটে বরাদ্দ দেওয়া হবে সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এসব কোচ দেশে পৌঁছানোর পরে বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। যেসব রুটের কোচ অনেক পুরনো হয়ে গেছে সেসব রুটের নতুন আমদানি করা কোচগুলো যুক্ত করা হতে পারে। এর আগে আলাদা ব্রডগেজ কোচ সংগ্রহ প্রকল্পের আওতায় ৫০টি ব্রডগেজ কোচ আমদানি করা হয় ইন্দোনেশিয়া থেকে। যা এর মধ্যেই বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন রুটে চলাচল করছে। আমদানি করা ব্রডগেজ কোচ দিয়ে তিনটি রুটে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, বেনাপোল এক্সপ্রেস ও বনলতা এক্সপ্রেস চালানো হচ্ছে।

পেনশন নিয়ে নতুন সুখবর দিল সরকার
                                  

সরকারি চাকরি শেষে শতভাগ পেনশন তুলে নেওয়া (সমর্পণ) অবসরপ্রাপ্তদের মৃত্যুর পর তার বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ও প্রতিবন্ধী সন্তানরাও (যদি থাকে) পেনশন সুবিধা পাবেন। গতকাল বৃহস্পতিবার অর্থ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অর্থ বিভাগের ২০১৮ সালের ৮ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপন মোতাবেক শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীর পেনশন পুনঃস্থাপিত হয়ে থাকলে তার মৃত্যুর পর তার বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ও প্রতিবন্ধী সন্তান (যদি থাকে) পুনঃস্থাপিত পেনশন সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া তাদের চিকিৎসা ভাতা ও উৎসব ভাতা প্রাপ্যতার বিষয়ে অর্থ বিভাগের ২০১৭ সালের ৩ আগস্টের প্রজ্ঞাপন অনুসরণীয় হবে।

২০১৮ সালের ৮ অক্টোবরের অর্থ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অবসর গ্রহণের তারিখ থেকে ১৫ বছর সময় অতিক্রান্তের পর তাদের পেনশন পুনঃস্থাপন করা হবে। প্রচলিত পদ্ধতি ও নিয়ম অনুসরণ করে শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীদের নতুন পেনশন সুবিধাদি নির্ধারণ করা হবে। আর পেনশন পুনঃস্থাপনের সুবিধা ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা যেতে পারে। তবে ওই তারিখের আগের কোনো বকেয়া আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে না।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এ সুবিধার আওতায় আসবেন প্রায় ২০ হাজার অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবী। এজন্য সরকারের পেনশন খাতে অতিরিক্ত ব্যয় হবে ১৪৫ কোটি টাকা।

জলবায়ু বিপর্যয়রোধে শিক্ষার্থীরাদের সাথে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা
                                  

জলবায়ুর বিপর্যয়ের ক্ষতিকর প্রভাবে সারা বিশ্বের প্রাণ-প্রকৃতি আজ হুমকির মুখে। প্রাণ প্রকৃতির বিপর্যয়ের পাশাপাশি লাখ লাখ মানুষ অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিকভাবে অভিবাসনে বাধ্য হবে। উন্নত দেশগুলো তাদের নিজেদের ভোগ-বিলাসের জন্য আমাদের মত ছোট রাষ্ট্রগুলোকে দিনের পর দিন ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাদের অতিমাত্রায় কার্বন নিঃসরণের জন্য আমরা আজ বাস্তুহারা হচ্ছি। জলবায়ু পরিবর্তনে সৃষ্ট বিরূপ প্রভাব মোকবেলায় সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।  
 
স্টপ এমিশনস নাও এর উদ্যোগে রাজধানীর রায়েরবাজার এলাকার আজ ২৮ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে সকাল ১১ টায় শের-ই-বাংলা আইডিয়াল বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে সচেতনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠীত হয়, যার উদ্দ্যেশ্য হল বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে বিশ^নেতৃবৃন্দকে কার্বণ নিঃসরণ কমাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য আহবার জানানো। শের-ই-বাংলা আইডিয়াল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব কামাল হোসেন অপু এর সভাপতিত্তে উক্ত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন স্টপ এমিশনস নাও এর সদস্য সচিব মনজুর হাসান দিলু। উক্ত অনুষ্ঠানে আরো বক্ত্যব্য রাখেন, ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবীংই বাংলাদেশ এর পলিসি অফিসার জনাব আ. ন. ম. মাছুম বিল্লাহ ভূঞা, বাংলাদেশ ইয়ুথ ক্লাইমেট নেটওয়ার্ক কর্মকর্তা জনাব মাহামুদুল হাসান।  
মতনিময় সভায় ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে প্রথমে একটি ভিডিও প্রদ্রর্শন করা হয়। এরপর একটি উপস্থাপনার মাধ্যমে জলবায়ু বিপর্যয়ের কারন ও তার প্রভাব এবং করণীয় সম্পর্কে তুলে ধরেন সামিউল হাসান সজীব। তাছাড়াও উক্ত মতবিনিময় সভায় শিক্ষার্থীদের মাঝে কুইজ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয় এবং কুইজ বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরন করা হয়।  


বক্তারা তাদের বক্ত্যেবের মাধ্যমে জলবায়ু বিপর্যয়রোধের তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্ববান জানান। এই বিপর্যয়, কোন একক দেশ বা জাতির নয় বরং পৃথিবীর অস্তিত্ব রক্ষায় আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং অধিক কার্বন নি:সরণকারী দেশগুলোকে চাপ প্রয়োগ করতে হবে যাতে তারা আমাদের আহ্বানে সাড়া দেয়। জলবায়ু বিপর্যয়ের ক্ষতিকর প্রভাবে সমগ্র প্রাণ প্রকৃতি হুমকির মুখে। এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামীতে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুহারা হয়ে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিকভাবে শরনার্থী হতে বাধ্য হবে। এটি মানবসৃষ্ট দূর্যোগ। এ বিপর্যয় রুখতে অতিস্বত্ত্বর কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। জলবায়ুর বিপর্যয়ের ফলে আগামী ২১০০ সালেই বাংলাদেশ তার অস্তিত্ব হারাতে পারে। আমরা শুধু আমাদের স্বদেশ রক্ষায় যুদ্ধে নেমেছি তা নয়, এ আন্দোলন সমগ্র পৃথিবীকে রক্ষার আন্দোলন।


শিক্ষার্থীরা তাদের বক্ত্যবে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে আমার দেশ আজ হুমকির মুখে। শিল্প উন্নত দেশগুলোর অতিমাত্রায় কার্বন নিঃসরণের জন্য আমরা আজ বাস্তুহারা হচ্ছি। এভাবে চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে আমরা হয়তো আমাদের বাংলাদেশ নামক দেশটিকেও বিশ্ব মানচিত্র থেকে হারাবো। তাই, আমরা আজ সকলে এক হয়ে জলবায়ু বিপর্যয়রোধে কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোকে আহ্বান জানাতে চাই যে, “তোমরা তোমাদের অধিক কার্বন নিঃসরণ বন্ধ করো।”

১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হচ্ছে সড়ক পরিবহন আইন
                                  

বহুল আলোচিত সড়ক পরিবহন আইন আগামি ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হচ্ছে। আইনটি কার্যকরের তারিখ ঘোষণা করে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে গতকাল বুধবার প্রজ্ঞাপন হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর ধারা ১ এর উপ-ধারা (২) এ দেওয়া ক্ষমতাবলে সরকার ১ নভেম্বর তারিখকে আইন কার্যকর হওয়ার তারিখ নির্ধারণ করল।

গত বছরের ৮ অক্টোবর ‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’ এর গেজেট জারি করা হলেও তার কার্যকারিতা ঝুলে ছিল। গত বছর ঢাকায় বাসচাপায় দুই ছাত্র-ছাত্রীর মৃত্যুর পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের নজিরবিহীন আন্দোলনের মুখে আগের আইন কঠোর করে ২০১৮ সালে আগের আইন কঠোর করে এই আইনটি করা হয়েছিল। এই আইনে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদ- ও অর্থদ-ের বিধান রয়েছে। গত বছর অগাস্টে আইনের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় সরকার। জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার পর গত বছরের ৮ অক্টোবর ‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’ এর গেজেট প্রকাশ হয়। এই আইন অনুযায়ী, মোটরযান চালনাজনিত কোনো দুর্ঘটনায় কোনো ব্যক্তি গুরুতর আহত বা নিহত হলে এ-সংক্রান্ত অপরাধ দ-বিধি-১৮৬০ এর এ-সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। তবে দ-বিধির ৩০৪বি ধারাতে যাই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তির বেপরোয়া বা অবহেলাজনিত মোটরযান চালনার কারণে সংঘটিত কোনো দুর্ঘটনায় কোনো ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত বা নিহত হলে চালক সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদ- বা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দ-ে দ-িত হবে।

আইনের ১১৪ ধারায় বলা হয়েছে, এই আইনের অধীন অপরাধের তদন্ত, বিচার, আপিল ইত্যাদির ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি (১৮৯৮) প্রযোজ্য হবে। কিন্তু গেজেট প্রকাশের পরও আইনটি কার্যকর না হওয়ায় আদালতে রিট আবেদনও হয়েছিল। আইনটি প্রণয়নের পর থেকে তার প্রবল বিরোধিতা করে আসছিল পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলো। তাদের দাবি, সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ঘটনার মামলায় নতুন আইনে শাস্তির মাত্রা ‘অযৌক্তিক’ বেশি। এরপর গত ২৫ সেপ্টেম্বর পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে উপ-কমিটির সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক আইন সংশোধনের সুপারিশ সম্বলিত একটি প্রতিবেদন জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের কাছে দেবেন বলে জানিয়েছিলেন। তবে পরে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আইনটি সংশোধনের প্রস্তাব নাকচ করে দেন। এরপরই আইনটি কার্যকরের তারিখ ঘোষণা হল।


   Page 1 of 11
     এক্সক্লুসিভ
ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন ২২ জানুয়ারি
.............................................................................................
দেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র পায়রায় পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু
.............................................................................................
দুদকের ভয়ে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে অর্থ খরচে স্থবিরতা
.............................................................................................
নোয়াখালীর হাতিয়া-নিঝুম দ্বীপে হচ্ছে বিশেষ পর্যটন জোন
.............................................................................................
সরকারি হাসপাতালগুলোতে চালু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু কর্নার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
ড্রিমলাইনার সোনার তরী ও অচিন পাখি আসছে ২১ ও ২৪ ডিসেম্বর
.............................................................................................
চীনে নির্মিত দুটি ফ্রিগেট নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর
.............................................................................................
আগামী বিশ্বকে তরুণরাই নেতৃত্ব দেবে: বীর বাহাদুর
.............................................................................................
সৌদি, বাংলাদেশে হজযাত্রীর কোটা ১০ হাজার বাড়িয়েছে
.............................................................................................
ইউনেস্কো নির্বাহী পরিষদে সহ-সভাপতি নির্বাচিত বাংলাদেশ
.............................................................................................
সবার জন্য পেনশন ব্যবস্থা চালু করতে চায় সরকার: পরিকল্পনামন্ত্রী
.............................................................................................
নিউইয়র্কে সাদেক হোসেন খোকার জানাযায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল
.............................................................................................
আরও ২২টি মিটারগেজ কোচ আসছে: রেলমন্ত্রী
.............................................................................................
পেনশন নিয়ে নতুন সুখবর দিল সরকার
.............................................................................................
জলবায়ু বিপর্যয়রোধে শিক্ষার্থীরাদের সাথে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা
.............................................................................................
১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হচ্ছে সড়ক পরিবহন আইন
.............................................................................................
নির্বাচনপ্রক্রিয়া দুর্নীতির আওতামুক্ত নয়: মাহবুব তালুকদার
.............................................................................................
৩ বছরে বিদেশ সফর করেছেন বিদ্যুৎ বিভাগের ৩ হাজার কর্মকর্তা
.............................................................................................
শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তির দাবি
.............................................................................................
জানুয়ারির মধ্যে ঢাকা-ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট চালু হবে: বিমান সচিব
.............................................................................................
জানুয়ারির মধ্যে ঢাকা-ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট চালু হবে: বিমান সচিব
.............................................................................................
ডাবল লাইনের বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু জানুয়ারিতে: রেলমন্ত্রী
.............................................................................................
ছুটির নোটিশ
.............................................................................................
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প
.............................................................................................
মিরপুরের ছয়টি পার্ক ও খেলার মাঠের ত্রিমাত্রিকনকশা প্রণয়ন করলেন স্থানীয়রা
.............................................................................................
আহসানগঞ্জ স্টেশনে ঢাকাগামী আন্ত:নগর ট্রেনের যাত্রা বিরতীর জন্য এলাকাবাসীর মানববন্ধন
.............................................................................................
কর্মস্থলে ফেরার পালা
.............................................................................................
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে স্বাধীন বাংলা ডট কম ৪ দিন বন্ধ থাকবে
.............................................................................................
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নাবিকের পরিবারকে ৮৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ
.............................................................................................
নারী নির্যাতন বন্ধে পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন আনা দরকার: খুশি কবির
.............................................................................................
হামলার হুমকি দিয়ে বাংলায় পোস্টার প্রকাশ করেছে আইএস
.............................................................................................
দক্ষ জনশক্তি গড়তে মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় চায় বিএসএইচআরএম
.............................................................................................
সড়ক দূর্ঘটনা হ্রাসে সমতলে সড়ক পারাপারে জেব্রা ক্রসিং এর দাবি
.............................................................................................
বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে বিশেষভাবে সক্ষমব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে
.............................................................................................
‘তাজমহল দেখা ও বউয়ের জন্য শাড়ি কেনা ছাড়া’ ভারতে আমলাদের প্রশিক্ষণে পাওয়ার কিছু নেই : এম হাফিজউদ্দিন খান
.............................................................................................
চীনা ঋণের ফাঁদে এবার কেনিয়া, হারাচ্ছে সমুদ্রবন্দর
.............................................................................................
চীনা ঋণের ফাঁদে এবার কেনিয়া, হারাচ্ছে সমুদ্রবন্দর
.............................................................................................
কে হচ্ছেন সংসদ উপনেতা?
.............................................................................................
বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০১৮ ফাস্টফুড, কোমল পানীয় ও এনার্জি ড্রিংক্স নিষিদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী
.............................................................................................
রায়েরবাজার বৈশাখী খেলার মাঠে শিশু অঞ্চল তৈরির কার্যক্রম শুরু
.............................................................................................
রায়েরবাজারের এ্যাকশন এরিয়া প্ল্যান প্রণয়ন
.............................................................................................
সুস্থ্য জীবনের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত জরুরী
.............................................................................................
চিকিৎসা সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে হটলাইন চালু করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
.............................................................................................
পানির ফোয়ারায় জাতীয় পতাকা!
.............................................................................................
আজ থেকে চট্টগ্রামে আবাসন মেলা
.............................................................................................
বাংলাদেশের ওয়ান ইলেভেন সম্পর্কে মুখ খুললেন মুহাম্মদ ইউনুস
.............................................................................................
জাতিসংঘ ঘোষিত প্রথম বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস উদযাপন
.............................................................................................
ঈদের তিনদিন আগে থেকে মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলা নিষেধ
.............................................................................................
গাজীপুরে আইইউটি পরিদর্শনে ওআইসির মহাসচিব
.............................................................................................
রমজানে ৬ ঘণ্টা সিএনজি স্টেশন বন্ধ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]