| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   এক্সক্লুসিভ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ছুটির নোটিশ

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, পবিত্র ঈদুল আযাহা উপলক্ষে আগামীকাল ১১-০৮-২০১৯ইং তারিখ রোববার থেকে আগামী ১৬-০৮-২০১৯ইং তারিখ শুক্রবার পর্যন্ত স্বাধীন বাংলা ডট কম বার্তা বিভাগসহ সকল বিভাগ বন্ধ থাকবে। ১৭-০৮-২০১৯ইং তারিখ শনিবার থেকে আবার যথারীতি সংবাদ আপলোড করা হবে।

- সম্পাদক

ছুটির নোটিশ
                                  

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, পবিত্র ঈদুল আযাহা উপলক্ষে আগামীকাল ১১-০৮-২০১৯ইং তারিখ রোববার থেকে আগামী ১৬-০৮-২০১৯ইং তারিখ শুক্রবার পর্যন্ত স্বাধীন বাংলা ডট কম বার্তা বিভাগসহ সকল বিভাগ বন্ধ থাকবে। ১৭-০৮-২০১৯ইং তারিখ শনিবার থেকে আবার যথারীতি সংবাদ আপলোড করা হবে।

- সম্পাদক

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প
                                  

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ৩টা ২২ মিনিটে এই ভূমিকম্প হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের অরুণাচল প্রদেশের ক্যামেং জেলার বমডিলা এলাকায়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সিসমিক সেন্টারের দেওয়া তথ্যমতে, অরুনাচলে উৎপত্তিস্থলে ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৫ দশমিক ৫।

ঢাকার আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে উৎপত্তিস্থল ৪৯৯ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে অবস্থিত। সিলেট জেলা থেকে এর দূরত্ব ৩২৫ কিলোমিটার।

ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজ বেলা ৩টা ২২ মিনিটে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। এটি মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প ছিল।’

  

 
 
মিরপুরের ছয়টি পার্ক ও খেলার মাঠের ত্রিমাত্রিকনকশা প্রণয়ন করলেন স্থানীয়রা
                                  

একটি শহরে পার্ক ও খেলার মাঠের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু ঢাকা শহরের প্রতিটি কমিউনিটিতে পার্ক ও খেলার মাঠ সুনিশ্চিত হয়নি। আবার যে সকল এলাকায় মাঠ-পার্ক রয়েছে তাও এলাকাবাসী যথাযথভাবে ব্যবহার করতে পারেন না। একটি মাঠ তখনই সকলের জন্য ব্যবহার উপযোগী হবে, যখন তাতে সকলের চাহিদার প্রতিফলন থাকবে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, হেল্থব্রিজ-কানাডা, ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট, ব্লক বাই ব্লক এবং ইউএনহ্যাবিটেট সম্মিলিত উদ্যোগেমিরপুরের পাঁচটি ওয়ার্ডের (২,৪,৫,৭ এবং ৯ নং) ৬ টি স্থানের পার্ক ও খেলার মাঠগুলোকে সকলের জন্য ব্যবহার উপযোগী করে তৈরির জন্য মাইনক্র্যাফ্ট খেলার মাধ্যমে এলাকাবাসী নকশা প্রণয়ন করেন।এলাকাবাসীর অংশগ্রহণে সকলের জন্য ব্যবহার উপযোগী মাঠের নকশা তৈরির এ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারণ এলাকাবাসীই জানেন যে কিভাবে মাঠের যথাযথ উন্নয়ন, ব্যবহার এবং রক্ষণাবেক্ষণ সম্ভব।  ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর কৈবর্ত সভাকক্ষে দুইদিন দিনব্যাপী কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীগণ ছয়টি ভাগে বিভক্ত হয়ে মাইনক্র্যাফ্ট খেলার মাধ্যমে ছয়টি ভিন্ন নকশা প্রণয়ন করেন। কর্মশালার শেষদিনে সকল গ্রুপ তাদের নিজস্ব ত্রিমাত্রিক নকশা উপস্থাপন করেন। প্রস্তাবিত সকল উপাদানের মধ্য যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান চিহ্নিত করা হয় তা হল-শিশুদের পৃথক খেলার জায়গা, প্রশস্ত হাঁটার রাস্তা, সলিড ওয়ালের পরিবর্তেগ্রিলের ব্যবস্থা করা যাতে বাইরে থেকে ভিতরের কর্মকান্ড দেখা যায়, গণশৌচাগার, আলোর ব্যবস্থা করা, নিরাপত্তা কর্মী ইত্যাদির মাধ্যমে মাঠের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
সমাপনী অনুষ্ঠানে হেলথ ব্রিজ কানাডা এর আঞ্চলিক পরিচালক দেবরা ইফরইমসন বলেন, ছোট একটি পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা খেলার মাঠ বা পার্ক সকলের উপযোগী করে গড়ে তুলতে পারি। যার উজ্জবল দৃষ্টান্ত বৈশাখী খেলার মাঠ। আগে মাঠটি নারীরা শুধু সকাল- সন্ধ্যা হাঁটার কাজে ব্যবহার করতেন। কিন্তু শিশু অঞ্চল তৈরি করার পর মাঠে নারী ও শিুশুদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর পরিচালক আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমরা সকলের জন্য ব্যবহার উপযোগী গণপরিসর তৈরির চেষ্টা করছি। কিন্তু বাজেট স্বল্পতার কারণে আমরা করতে পারছি না। অন্যদিকে ব্যবস্থাপনায় বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ না থাকায় রক্ষণাবেক্ষণের প্রক্রিয়া ব্যহত হচ্ছে। নগরে ছোট আকারে অনেক পরিত্যক্ত জায়গা রয়েছে সেগুলো সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে ব্যবহার উপযোগী করা গেলে গণপরিসরে চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে। ২ দিন ব্যাপি মিরপরের ৫ টি ওয়ার্ডের ৬টি খেলার মাঠ বা পার্কের নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এক্ষেত্রে এলাকাবাসীর অংশগ্রঞন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ঢাক উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আরবান রেজিলিয়েন্স প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকতারেক বিন ইফসুফ বলেন, মাইনক্র্যাফ্ট গেমস এর মাধ্যমে খেলার মাঠ বা পার্ক উন্নয়নে সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব। মাঠ ও পার্কের নকশা অংশগ্রহণমূলক এবং অন্তর্ভূক্তিমূলক হলে সকলের জন্য ব্যবহার উপযোগী হবে। এলাকাবাসী এবং এলাকার যারা নেতৃস্থানীয় আছেন তাদের এ মাঠের নকশা বাস্তবায়ন এবং রক্ষণাবেক্ষণে এগিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার মারুফ হোসেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউএনহ্যাবিটেট এর আঞ্চলিক সমন্বয়কারী এবং গণপরিসর বিশেষজ্ঞ সোহেল রানা, মাইনক্র্যাফট বিশেষজ্ঞ ইউহেনিও ইজাসটেলাম,মিরপুরের ৬ টি এলাকার শিশু-কিশোর, বয়োজ্যেষ্ঠ, পেশাজীবি, রাজনৈতিক কর্মী ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, সেফ দ্যা চিলড্রেন এর প্রতিনিধি এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন। পরিশেষে কর্মশালয় অংশগ্রহণকারী সকলকে সনদপত্র প্রদান করা হয়।

আহসানগঞ্জ স্টেশনে ঢাকাগামী আন্ত:নগর ট্রেনের যাত্রা বিরতীর জন্য এলাকাবাসীর মানববন্ধন
                                  

মো: শরিফুল ইসলাম রানা : গত সাতদিন ধরে ধারাবাহিক ভাবে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজের দাবিতে নওগাঁর আত্রাইয়ের আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে প্রতিদিন বেলা সাড়ে ১২ টা থেকে দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেন আসা পর্যন্ত  মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও রেললাইন অবরোধ করে ট্রেন দাঁড় করানোর মত বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করছে উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ। ঢাকাগামী দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেনটি আসলে আন্দোলনকারীদের অবরোধের মুখে চালক ট্রেন থামিয়ে দেন। প্রায় ১০ মিটিন বিরতির পর আবার ট্রেন ছেড়ে চলে যায়। আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকাগামী আন্ত:নগর ট্রেনের স্টপেজের দাবি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আত্রাই উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ এবাদুর রহমান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম।

বর্তমানে আহসানগঞ্জ ষ্টেশনের উপর দিয়ে প্রতিদিন ঢাকাগামী 6 জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করলেও কেবলমাত্র নীলসাগর এক্সপ্রেসের স্টপেজ এ ষ্টেশনে রয়েছে। যাহা ঢাকার উদ্দেশ্যে রাত 1.25 টার সময় অতিক্রম করে। ফলে আত্রাই উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী রানীনগর, বাগমারা, নলডাঙ্গা, সিংড়া-এর ঢাকাগামী যাত্রীদের যারপর নেই দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। প্রতিদিন আত্রাই থেকে প্রায় ২শতাধিক যাত্রী ঢাকা যাতায়াত করেন । ফলে বানিজ্যিক ভাবে আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনটি সফল কারণ পূর্বের একই সময়ে সম পর্যায়ের ষ্টেশন আক্কেলপুর স্টেশন, বিরামপুর স্টেশন, ফুলবাড়ী স্টেশন গুলোর সঙ্গে আহসানগঞ্জ স্টেশনের আয়ের পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, যেখানে আক্কেলপুর স্টেশন, বিরামপুর স্টেশন, ফুলবাড়ী স্টেশন ০৪ জোড়া জোনাল ট্রেন ও ০৩ জোড়া ঢাকাগামী আন্ত:নগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি থেকে আয় করে যথাক্রমে-১০,৫৪,৮১৮/-টাকা ৯,৪৭,৮০৭/-টাকা, এবং ১০,৭৮,৮৮০/- টাকা সেখানে আহসানগঞ্জ স্টেশন ০৩ জোড়া জোনাল ট্রেন এবং ০১ জোড়া ঢাকাগামী ট্রেন যাত্রাবিরতি থেকে আয় করে-১৩,৯৯,৮৭৪/-টাকা ( 2016 সালে পরিসংখ্যান)।

আবার আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনটি ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী কারণ সেই ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলে কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গ হয়ে আসামে যতগুলো ট্রেন চলাচল করত তার প্রায় সবগুলো ট্রেন আহসানগঞ্জ স্টেশনে যাত্রা বিরতি করত। মহাত্মা গান্ধী, বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় সহ বহু মনিষীর পদস্পর্শ ঘটেছে আহসানগঞ্জ রেল স্টেশনে। জ্ঞান তাপস স্যার যদুনাথ সরকার কলকাতা থেকে তাঁর গ্রামের বাড়ী সিংড়া উপজেলা করচমাড়িয়া গ্রামে যাতায়াত করতেন এই আহসানগঞ্জ রেল স্টেশনের মাধ্যমে। বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কুঠিরবাড়ী পতিসরে যেতেন এই আহসানগঞ্জ রেল স্টেশনের মাধ্যমে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 26/10/1970 সালে (9 কার্তিক) রোজ সোমবার আত্রাই এসেছিলেন রেলগাড়ীতে করে এবং এই আহসানগঞ্জ প্লাটফরমে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন।

এ ব্যাপারে আত্রাই উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ এবাদুর রহমান এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বলেন  আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকাগামী দ্রুতযান এক্সপ্রেস, লালমনি এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, পঞ্চগড় এক্সপ্রেস এবং খুলনা গামী সিমান্ত এক্সপ্রেস আন্ত:নগর ট্রেনের যাত্রা বিরতীর ঘোষনা না করা হলে আগামীতে অবরোধসহ কঠিন কর্মসূচির ঘোষনা করা হবে।

কর্মস্থলে ফেরার পালা
                                  

 স্বজনদের সাথে ঈদ-উল ফিতরের আনন্দ উপভোগ শেষে এবার শুরু হয়েছে কর্মে ফেরার পালা। কর্ম এবং পেটের তাগিদে ঈদের চতুর্থ দিন (গতকাল) লঞ্চ ও বাসযোগে বরিশাল ছাড়ছেন হাজার হাজার মানুষ। যদিও ঝক্কিঝামেলা এড়াতে তাদের কর্মে ফেরার যুদ্ধ শুরু হয় ঈদের তৃতীয় দিন অর্থাৎ ৭ জুন থেকেই। তবে গতকাল নদী বন্দর ও বাস টার্মিনালে পূর্বের দিনের তুলনায় যাত্রীদের ভীড় ছিলো বেশি।


বরিশাল-ঢাকা নৌ রুটে চলাচলকারী লঞ্চ মালিকদের সূত্রে জানা গেছে, ঈদ-উল ফিতরে স্বজনদের সাথে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে শেখরের টানে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বরিশালে আসেন ১২ লক্ষাধিক মানুষ। ঈদ আনন্দ উপভোগ করে তারা আবার কর্মের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন। তবে পূর্বের ঈদগুলোতে একটু আগেভাগেই যাত্রীদের ভিড় ছিলো লক্ষনীয়। এবার ছুটি একটু বেশি হওয়ায় এখন পর্যন্ত সে রকমের ভীড় বাড়েনি।


বরিশাল নদী বন্দরে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রার অপেক্ষায় থাকা গাজীপুরের গার্মেন্টস সুপারভাইজার আলমগীর হোসেন জানান, আজ রবিবার ছুটি শেষ হচ্ছে। তাই আগে ভাগেই বরিশাল থেকে চলে যেতে হচ্ছে। বাকেরগঞ্জ উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স এর ছাত্র জসিম উদ্দিন শান্ত বলেন, স্বজনদের সাথে ঈদ আনন্দ করেছি। এখন লেখা-পড়ায় মনযোগি হতে হবে। তাছাড়া ঢাকায় বন্ধুরা রয়েছে। ওদের সাথেও একটাদিন ব্যয় করতে চাই। তাই একটু আগেভাগেই বরিশাল ত্যাগ করছি।
বরিশাল সদর নৌ-থানার ওসি মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন জনকণ্ঠকে জানান, ঈদের তৃতীয় দিনের চেয়ে গতকাল একটু ভীড় বেশি ছিলো। তবে তা তুলনামুলক নয়। কর্মে ফেরা যাত্রীদের নিরাপত্তায় নৌ-বন্দরে নৌ পুলিশের পাশাপাশি মেট্রোপলিটন পুলিশ, র‌্যাব, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের পাশাপাশি যাত্রীদের সহযোগিতা ও বন্দরের শৃঙ্খলা রক্ষায় ক্যাডেট ও স্কাউট সদস্যরা কাজ করছে।


অপরদিকে বরিশাল নৌ বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা আজমল হুদা মিঠু সরকার জনকণ্ঠকে বলেন, ঈদের পরেরদিন থেকেই কর্মে ফেরা মানুষের যাত্রা শুরু হয়েছে। ঈদের দ্বিতীয় ও তৃতীয়দিন অর্থাৎ ৬ ও ৭ জুন বরিশাল থেকে ছয়টি করে লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে। তবে ওই দুইদিন যাত্রীদের তেমন চাঁপ ছিলোনা। তিনি আরও বলেন, গতকাল নদী বন্দরে যাত্রীদের চাঁপ পূর্বের দিনের থেকে অনেক বেশি। সে অনুযায়ী নদী বন্দরের জেটিতে ১৩টি বেসরকারী লঞ্চ বার্দিং করা রয়েছে। এরমধ্যে ১০টি লঞ্চে যাত্রী তোলা হচ্ছে। ওই ১০টি লঞ্চ বরিশাল থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। তবে যাত্রীদের চাঁপ বেশি হলে বাকি তিনটি লঞ্চও যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে। এরপূর্বে দিবা সার্ভিসের দুটি ক্যাটামেরন টাইপের দুটি নৌ-যান যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে। তাছাড়া নদী বন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়া প্রতিটি লঞ্চই সদর ঘাটে যাত্রী নামিয়ে পুনরায় বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসছে।


আজমল হুদা মিঠু সরকার বলেন, ঈদ উপলক্ষে নৌ-বন্দরে বিআইডব্লিউটিএ ১৪দিনব্যাপী সেবাপক্য পালন করছে। যার কারণে বন্দরে যাত্রীদের কোন ভোগান্তি নেই। তবে ভোগান্তি একটাই, তা হলো পল্টুন সংকট। পল্টুনের অভাবে একটি লঞ্চের পেছনে আরেকটি লঞ্চ বার্দিং করতে হচ্ছে। যাত্রীরাও এক লঞ্চ থেকে ঝুঁকি নিয়ে অপর লঞ্চে উঠছে।
শুধুমাত্র লঞ্চেই নয়, কর্মে ফেরা যাত্রীদের ভীড় বাড়ছে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালেও। জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, গতকাল সকাল থেকে শতাধিক পরিবহন ঈদ ফেরত যাত্রী নিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উদ্দেশ্যে যাত্রী নিয়ে ছেড়ে গেছে।

 

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে স্বাধীন বাংলা ডট কম ৪ দিন বন্ধ থাকবে
                                  

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামীকাল (মঙ্গলবার) ০৪.০৬.১৯ হইতে ০৭.০৬.১৯ (শুক্রবার) পর্যন্ত স্বাধীন বাংলা ডট কম অনলাইনের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে । যথাক্রমে আগামী (শনিবার) ০৮.০৬.১৯ থেকে পূনরায় নিউজ আপডেট করা হবে।

 

                                                                                                                                                                 ধন্যবাদান্তে

                                                                                                                                                             সম্পাদক ও প্রকাশক

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নাবিকের পরিবারকে ৮৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ
                                  

 সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মেরিন একাডেমির ৫১তম ব্যাচের ক্যাডেট নাবিক মো. আলী আসগরের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৮৩ লাখ ৩৮ হাজার ১২৩ টাকা দেওয়া হয়েছে। সচিবালয়ে গতকাল রোববার আসগরের বাবা মো. আলী আকবর খান এবং মা মোছা. রাজিয়া আকবরের হাতে ক্ষতিপূরণের অর্থের চেক তুলে দেন নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আসগর চট্টগ্রামের সরকারি শিপিং অফিসের মাধ্যমে স্থানীয় ম্যানিং এজেন্ট (নাবিক নিয়োগের মধ্যস্ততাকারী প্রতিষ্ঠান) মেসার্স মেরিন হাইভ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনাধীন ‘এমভি ডালি’ জাহাজে যোগ দেন।

গত বছরের ৮ জুলাই জাহাজ পরিবর্তন করে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো বন্দরে ‘এমভি এশিয়া পার্ল-ভি’ জাহাজে যোগ দেন তিনি; যা চীনের এশিয়া মেরিন প্যাসিফিক কোম্পানির অন্তর্ভুক্ত। গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর জাহাজটি আর্জেন্টিনার পুরতো স্যান মার্টিন বন্দরে অবস্থানের সময় মাস্টারের অনুমতি নিয়ে শোর লিভে (জাহাজ থেকে নেমে তীরে সময় কাটানো) যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন আসগর। গত বছরের ১২ অক্টোবর আসগরের লাশ বাংলাদেশে এনে তার বরগুনার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। প্রাথমিকভাবে মেরিন হাইভ লিমিটেডের বিভিন্ন ক্যাডেটের সহায়তায় সাড়ে ৬ লাখ টাকা সংগ্রহ করে আসগরের মায়ের নামে ব্যাংকে জমা করা হয়। পরে মেরিন হাইভের উদ্যোগে বীমা কোম্পনি প্রটেকশন অ্যান্ড ইনডেমনিটি ক্লাবের (পি অ্যান্ড আই ক্লাব) সহযোগিতায় এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের নির্দেশনায় পারিবারিক ক্ষতিপূরণ হিসাবে এক লাখ ডলারের সমপরিমাণ ৮৩ লাখ ৩৮ হাজার ১২৩ টাকা গ্রহণ করা হয় বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, অর্থ দিয়ে এই শোক ভুলে যাওয়ার জন্য।

বাবার কাঁধের মধ্যে সন্তানের লাশ খুব ভারী বিষয়। সন্তানকে ঘিরে যে সম্ভাবনা ছিল তা শুরুতেই নিভে গেছে। তারা শুধু সন্তানকেই হারাননি, আমরাও একজন দক্ষ নাবিক হারিয়েছি। একটা নাবিক তৈরি করা এত সহজ ব্যাপার নয়, দুঃসাহসিক কাজ। আলী আসগরের ক্ষতিপূরণের মধ্য দিয়ে আমরা একটা বার্তা দিতে চাই, আমরা এই সেক্টরে প্রত্যেকটি নাবিকের পাশে আছি।

নারী নির্যাতন বন্ধে পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন আনা দরকার: খুশি কবির
                                  

 নারীর প্রতি সহিংসতা দূর করতে নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার শিক্ষা যেন শৈশবেই শিশুরা পায়, সেজন্য পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন আনার পরামর্শ দেওয়া এক অনুষ্ঠান থেকে।
গতকাল শনিবার ঢাকার গুলশান শুটিং ক্লাবে ‘নারীবান্ধব নিরাপদ কর্মস্থল’ নামে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা অ্যাকশন এইডের একটি আন্তর্জাতিক ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এই পরামর্শ দেন অধিকারকর্মী খুশি কবির।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে নারীকে দমন করা ও নির্যাতন করাকে স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দেখা হয়। আবার তার শ্রমকে মর্যাদা দেওয়া হয় না। আইনের পাশাপাশি দরকার মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া। মানুষকে শ্রদ্ধা করতে না শিখলে আইনের বাস্তবায়ন হবে না। এজন্য আমাদের পাঠ্যপুস্তকেও পরিবর্তন আনা দরকার। পাঠ্যপুস্তকে বিভিন্ন অধ্যায় সংযোজন করা প্রয়োজন, যেন শিক্ষার্থীরা নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়। অ্যাকশন এইডের আবাসিক প্রতিনিধি ফারাহ্ কবির বলেন, একদিকে আইনে যৌন হয়রানিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়নি। অন্যদিকে বিদ্যমান আইনের প্রয়োগেও রয়েছে গুরুতর অভাব। মামলার বিলম্বিত নিষ্পত্তি এবং তদন্ত কর্মকর্তা এবং পাবলিক প্রসিকিউটরদের অদক্ষতা ও অবহেলার কারণে ক্ষতিগ্রস্তরা প্রায়ই বিচার পেতে ব্যর্থ হন। এর প্রভাব পড়ছে নারীর মনে, কাজে, সমাজে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) এর অধ্যাপক ও বিজিএমইএ-এর পরিচালক এ মোমেন বলেন, পিতৃতান্ত্রিক চিন্তা বদলাতে সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন। পোশাক শিল্প মালিকদের প্রতিনিধি হিসেবে আমি বলতে পারি, শেষ পর্যন্ত দায়টা আমাদের উপর। আমরা নিরাপত্তা নিশ্চিত কারার মধ্যমে একটি টেকসই ব্যবসা ব্যবস্থা পরিচালনা করতে চাই, যেখানে কোন সহিংসতা থাকবে না। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোল্লা জালাল উদ্দিন বলেন, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রয়োজনে সরকার আইন সংশোধন ও নতুন আইন প্রনয়ন করবে। তবে শুধু আইন দিয়ে সহিংসতা বন্ধ করা সম্ভব না। এজন্য আমাদের দৃষ্ঠিভঙ্গিতেও পরিবর্তন আনতে হবে। ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি হাই কমিশনার পেনি মর্টন সহিসংতার মূল কারণগুলো চিহ্নিত করে তার সমাধানের পরামর্শ দেন। আমার চাই নারীর অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সংযুক্তি বাড়ুক। এজন্য নারীর প্রতি সহিংসতা একটি প্রতিবন্ধকতা।

এটার সমাধান করতে হবে। কারণ সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা না হলে সমাজের উন্নতি হবে না। অনুষ্ঠানে ‘কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা: প্রতিদিন প্রত্যেক কর্মক্ষেত্রে ঘটছে’ নামের গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক তাসলিমা ইয়াসমিন। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী, কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা মানবাধিকারের সর্বাধিক লঙ্ঘনের মধ্যে একটি। এক শুমারি অনুযায়ী, ১৫ বছরের বেশি বয়সী ৩৫ শতাংশ নারী (বিশ্বব্যাপী ৮১৮ মিলিয়ন নারী) তাদের বাড়িতে, কমিউনিটিতে অথবা কর্মক্ষেত্রে যৌন বা শারীরিক সহিংসতার শিকার হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের যৌন সহিংসতাকে সংজ্ঞায়িত এবং শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনের বিভিন্ন ফাঁক-ফোকর চিহ্নিত করে আইন সংশোধনের জন্য অ্যাডভোকেসি বৃদ্ধি ও শক্তিশালী করা, কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে বিশেষ আইন প্রণয়নে পদক্ষেপ নেওয়া, যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া-মহ বেশ কিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয় গবেষণা প্রতিবেদনে।

২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে পৌছানোর কর্মসূচির মূলনীতির উপর ভিত্তি করে অ্যাকশনএইড ইন্টারন্যাশনাল আগামি তিন বছরের জন্য ‘নারী বান্ধব নিরাপদ কর্মস্থল’ নামে একটি প্রচারাভিযানের উদ্বোধন করে এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

হামলার হুমকি দিয়ে বাংলায় পোস্টার প্রকাশ করেছে আইএস
                                  

আইএসের নামে হামলার হুমকি দিয়ে বাংলা ভাষায় একটি পোস্টার প্রকাশের খবর এসেছে ভারতের সংবাদ মাধ্যমে। আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠীটির সমর্থক একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত ওই পোস্টারে লেখা হয়েছে- ‘শিঘ্রই আসছি, ইনশাল্লাহ’। পোস্টারে ‘আল মুরসালাত’ নামে একটি গ্রুপের লোগোও ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে এই পোস্টারটি প্রকাশিত হয়েছে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে। শ্রীলঙ্কায় হামলার পর এই পোস্টার প্রকাশ ভারত কিংবা বাংলাদেশে হামলার হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গত ২১ এপ্রিল ইস্টার সানডেতে শ্রীলঙ্কার তিনটি চার্চ ও কয়েকটি হোটেলে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়ে আড়াইশ মানুষকে হত্যার পেছনে আইএসকে দায়ী করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্প্রতি প্রায় উৎখাত হওয়া আইএস দক্ষিণ এশিয়ার বৌদ্ধপ্রধান দেশটিতে ভয়াবহ ওই হামলার দায় স্বীকার করে বার্তাও দিয়েছে। ভারতের গোয়েন্দা সূত্রের উদ্ধৃত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া বলেছে, শ্রীলঙ্কায় হামলার পর হুমকি দিয়ে পোস্টার প্রকাশের এই ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় হামলার পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশেও জঙ্গি ও সন্ত্রাসী হামলা চালানোর চেষ্টা চলছে।

বাংলাদেশে ২০১৬ সালে গুলশান হামলায় জড়িতরা নিজেদের আইএস সমর্থক হিসেবে দেখিয়েছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যের দলটির সঙ্গে বাংলাদেশি জঙ্গিদের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা উড়িয়ে দিয়েছিল সরকার। গুলশান হামলায় জড়িত থাকা নব্য জেএমবির সদস্যরা আইএস দ্বারা উদ্বুদ্ধ বলে মনে করা হয়। এই দলটির শাখা ভারতেও সক্রিয় বলে দেশটির গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের দাবি। সিরিয়ার বড় অঞ্চলে যখন আইএসের শক্ত অবস্থান, তখন বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অংশ নিয়ে আইসের বাংলা খিলাফত প্রতিষ্ঠার খবরও এসেছিল জঙ্গিগোষ্ঠীটির নিজস্ব প্রচার মাধ্যমে।

 

দক্ষ জনশক্তি গড়তে মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় চায় বিএসএইচআরএম
                                  

 দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে একটি মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় ও পেশাজীবীদের জন্য একটি এমপ্লয়মেন্ট অ্যাক্ট তৈরি করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (বিএসএইচআরএম)। উদ্যোক্তারা বলছেন, দক্ষতার উন্নয়ন করা গেলে দেশ থেকে বিদেশিরা চাকরি করে যে পরিমাণ টাকা নিয়ে যান, তাও সাশ্রয় করতে পারবে বাংলাদেশ। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত অষ্টম আন্তর্জাতিক মানবসম্পদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বক্তারা। বিএসএইচআরএম এই সম্মেলনের আয়োজন করে। সম্মেলনের প্রধান অতিথি মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এমসিসিআই) সভাপতি ব্যারিস্টার নিহাদ কবির বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিতে বাড়ছে মানবসম্পদের চ্যালেঞ্জ।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিশীলতা ধরে রাখতে মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়নের বিকল্প নেই। আর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে মানবসম্পদ। নিহাদ কবির আরো বলেন, দেশে অন্তত পাঁচ লাখ বিদেশি কাজ করেন, যাঁরা এ দেশ থেকে বছরে পাঁচ থেকে সাত বিলিয়ন ডলার নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁরা যে খুব টেকনিক্যাল পেশাজীবী, তা কিন্তু নয়। ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং মানবসম্পদ বিভাগে তাঁরা যা করছেন, তা আমাদের দেশের মানবসম্পদ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব, যদি তাঁদের সেভাবে দক্ষ করে গড়ে তোলা যায়। বর্তমানে দেশে ২০ হাজারেরও বেশি মানবসম্পদ পেশাজীবী রয়েছেন জানিয়ে বিএসএইচআরএমের প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মাশেকুর রহমান খান বলেন, পেশাজীবীদের উন্নয়নে অন্যান্য দেশের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা এখন সময়ের দাবি। ভারত, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কাসহ অন্যান্য দেশের মতো একটি মানবসম্পদ (এইচআর) মিনিস্ট্রি করা দরকার।

এ ছাড়া আমাদের দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে যেসব মানুষ, তাদের প্রশিক্ষিত ও দক্ষ গড়ে তোলার জন্য এইচআর মিনিস্ট্রি একান্ত অপরিহার্য। মাশেকুর রহমান আরো বলেন, যাঁরা প্রফেশনালস, তাঁদের পক্ষে কোনো আইন নেই। সে জন্য একটি এমপ্লয়মেন্ট অ্যাক্ট দরকার বলেও জানান তিনি। মানবসম্পদ উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য সম্মেলনে মনোয়ার আহামেদ ও প্রয়াত এস এ হককে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়। সম্মেলনে অংশ নেন দেশ-বিদেশের সাত শতাধিক মানবসম্পদ পেশাজীবী।

সড়ক দূর্ঘটনা হ্রাসে সমতলে সড়ক পারাপারে জেব্রা ক্রসিং এর দাবি
                                  

সারাদেশে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক পথচারী। ঢাকায় সড়ক দূর্ঘটনায় যারা মৃত্যুবরণ করেন তার ৭২ শতাংশই পথচারী। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পথচারী সড়ক পারাপার করতে গিয়ে দূর্ঘটনার শিকার হন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় (এসডিজি) ২০৩০ সাল নাগাদ সড়ক দূর্ঘটনাজনিত মৃত্যু ও পঙ্গুত্ব অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও এতে সকলের জন্য প্রবেশগম্য, নিরাপদ, সুলভ এবং টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা উল্লেখ আছে। পথচারীদের চলাচল নিরাপদ করে সড়ক দূর্ঘটনাজনিত মৃত্যু অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব। অনেক স্থানেই দূর্ঘটনা পরবর্তী সময়ে পদচারী সেতু (ফুটওভার ব্রিজ) নির্মাণ করতে দেখা যায়। পদচারী সেতু অসুস্থ নারী-পুরুষ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, শিশু ও বৃদ্ধ কিংবা ভারী ব্যাগ বহনকারীদের জন্য উপযোগী নয়। সমতলে সড়ক পারাপারের সুবিধা নিশ্চিত করেই সকলের জন্য প্রবেশগম্য ও নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

আজ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, বুধাবার সকাল ১১.০০ টায় পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, প্রত্যাশা মাদকবিরোধী সংগঠন, নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম, রায়েরবাজার হাই স্কুল, ঢাকা আইডিয়াল ক্যাডেট স্কুল, তরু পল্লব, বাংলাদেশ ঘুড়ি ফেডারেশন, ওয়ার্ক ফর গ্রীণ বাংলাদেশ, বিসিএইচআরডি, কার ফ্রি সিটিস এলায়েন্স বাংলাদেশ, ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবীইং, সাইকেলারস অব বাংলাদেশ, পরিবেশ আন্দোলন মঞ্চ এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর সম্মিলিত উদ্যোগে সড়ক দূর্ঘটনা হ্রাসে সমতলে সড়ক পারাপারে জেব্রা ক্রসিং এর দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা বলেন, আধুনিক শহরগুলোতে সড়ক পারাপারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় জেব্রা ক্রসিং। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর রাজপথে বেশ কয়েকটি সড়কে জেব্রা ক্রসিং অংকন করা হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃক জেব্রা ক্রসিং এ স্টপ লাইনের পূর্বে গাড়ি থামাতে দেখা যাচ্ছে। তবে অধিকাংশ স্থানেই কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এখনও পথচারীদের ঝুঁকি নিয়ে সড়ক পারাপার করতে হচ্ছে। সুতরাং, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পথচারীবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার। মানববন্ধন থেকে পথচারীর নিরাপদে রাস্তা পারাপারে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ তুলে ধরা হয়। যেমন: নগরে ও মহাসড়কে পথচারীদের নিরাপদে সড়ক পারাপারের ব্যবস্থা করা; সমতলে পারাপারের জন্য সড়কে নির্দ্দিষ্ট বিরতিতে জেব্রা ক্রসিং নিশ্চিত করা; জেব্রা ক্রসিংয়ে সিগন্যাল লাইট ও সাইন বোর্ড স্থাপন করা; জেব্রা ক্রসিংয়ের পূর্বে গাড়ি থামানোর জন্য আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা; প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে জেব্রা ক্রসিং এবং ক্রসিং গার্ডের ব্যবস্থা করা; নিয়মিত জেব্রা ক্রসিংগুলো রক্ষণাবেক্ষনের জন্য জন্য বাজেট বরাদ্দ করা এবং পথচারীদের জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ করা।

সভাপতির বক্তব্যে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর পরিচালক গাউস পিয়ারী বলেন, রাস্তা পারাপারে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো না থাকা ও ফুটপাত ব্যবহার করতে না পারা এবং সামগ্রিক অব্যবস্থাপনা পথচারীদের দূর্ঘটনার শিকার হওয়ার অন্যতম কারণ। জাতীয় সমন্বিত বহুমাধ্যমভিত্তিক পরিবহন নীতিমালা, ২০১৩ তে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা রয়েছে। কাজেই নীতিমালা অনুযায়ী পথচারীবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

মানববন্ধনে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর পরিচালক গাউস পিয়ারী এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আইডিয়াল ক্যাডেট স্কুল এর প্রধান শিক্ষক এম এ মান্নান মনির, পরিবেশ আন্দোলন মঞ্চ এর আমির হোসেন, প্রত্যাশা মাদকবিরোধী সংগঠন এর নির্বাহী পরিচালক হেলাল আহমেদ, ওয়ার্ক ফর গ্রীণ বাংলাদেশ এর রাসেদ, ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবীইং এর মাসুম বিল্লাহ ভূইয়া প্রমুখ।

বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে বিশেষভাবে সক্ষমব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে
                                  
এখনো প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, তৃতীয় লিঙ্গ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি মানুষদের আমরা সমাজের মূলস্রোত ধারায় আনতে পারিনি। তারা প্রতিনিয়তই নানা ধরনের বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। শুধুমাত্র ব্যক্তির প্রতিবন্ধীতা নয়, সামাজিক এবং অবকাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা এই সকল বৈচিত্র্যময় ব্যক্তিদের চলার পথের অন্যতম অন্তরায়। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতার মূল লক্ষ্যই ছিল একটি বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণ করা। আমাদের অনেক অর্জন আছে কিন্তু এখন ও আমরা একটি বৈচিত্র্যময় ও একীভূত সমাজ ব্যবস্থা গড়ার ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে আছি। “ বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে বিশেষভাবে সক্ষমব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে” আজ ৯ ফেব্রুয়ারি, ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবীইংয়ের পক্ষ থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের মানিক মিয়া সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত “সমাজে বৈচিত্রতার গুরুত্ব: বর্তমনা ও ভবিষ্যৎ শীষক আলোচনা সভার বক্তরা এই অভিমত ব্যক্ত করেন। ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবীইংয়ের ভারপ্রাপ্ত নিবাহী পরিচালক দেবরা ইফরইমসনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করে সাবেক তত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা ও মানবাধিকারকর্মী এড. সুলতানা কামাল, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী, কথা সহিত্যিক সালমা বাণী, সচেতন সমাজ সেবা হিজড়া সংঘের সভাপতি ইভান আহমেদ কথা, দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মনি রানী দাস, সাংবাদিক নিখিল ভদ্র। দেবরা ইফরইমসন বলেন, আমাদের সমাজে নানা শ্রেণী, ভাষা,ধর্ম,বর্ণের মানুষ বসবাস করে। এই বৈচিত্রতা আমাদের শক্তি। আমার আমাদের শক্তিকে কাজে লাগাতে পারলেই সুন্দর রাষ্ট্র গঠন করতে পারব। বিশেষভাবে সক্ষমব্যক্তিদের কাজের সুযোগ দিতে পারলে। তাদের অবদান আমাদের সমাজ গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, সারা পৃথিবীতে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ কোটা থাকে। শুধু কোটা নয় পিছিয়ে পড়া মানুষদের মূলস্রোতে আনতে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের পিছিয়ে রেখে আমরা সেই লক্ষ্যে পৌছাতে পারব না। বৈচিত্র্যময় মানুষগুলোকে পিছনে রেখে কখনোই উন্নত দেশ গড়া সম্ভব নয়। তাদের অধিকার গুলো প্রতিষ্ঠায় করতে কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী হতে হবে। মানবিকতা, অধিকার, বিবেক, ভালোবাসা, মানুষের দায়িত্ববোধ থেকে কাজ করলেই আমরা একটি বৈষম্যমুক্ত সমাজ পাবো। গাউস পিয়ারী বলেন, একটি মানবিক রাষ্ট্র গড়তে আমাদের বিশেষভাবে সক্ষমব্যক্তিসহ সকলকে নিয়ে একসাথে কাজ করতে হবে। আমরা বহুদূর এগিয়ে এসেছি তারপরও সমাজে যারা এখনো নানাভাবে বৈষম্যের শিকার তাদের সমস্যাগুলো শুনে সমাধানে কাজ করতে হবে। দয়া, মায়া করুনা নয়। সুস্থ সুন্দরভাবে বাঁচা তাদের অধিকার। সেই অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের কথা শুনুনু। তাদের মতামতের ভিত্তিতে পরিকল্পনা করুন। ইভান আহমেদ কথা বলেন, বৈষম্যহীন রাষ্ট্রের কথা বলেও আমাদের দেশের বৈষম্যের অন্যতম উদাহরন হিজড়া সমাজ। কত ধরণের বৈষম্যের শিকার হয় তারা তা বলে শেষ করা যাবে না। হিজড়ারা সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, নাগরিক এবং রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। আমাদের কথা বলতে সুযোগ দিতে হবে। আমরা আমাদের কথা বলে সংসদের সংরক্ষিত আসনের সুযোগ চাই। সালমা বানী বলেন, ভিন্নভাবে সক্ষমদের ব্যক্তিদের সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। রাষ্ট্রকেই প্রতিটি ব্যক্তিকে শান্তিতে, সম্মানের সাথে, নিরাপদে বেঁচে থাকার সুযোগ তৈরি করতে হবে। ভিন্নভাবে সক্ষমব্যক্তিদের মূলস্রোতে আনতে আমাদের পদক্ষেপ নিতে হবে। তাদের জন্য বিশেষ কোটাই নয়। প্রয়োজনে বিশেষ অগ্রাধিকার ভিত্তিকে তাদের শিক্ষা,স্বাস্থ্য,চিকিৎসা, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। মনি রানি দাস বলেন, দলিত সম্প্রদায়ের মানুষরা এখনো বৈষম্যের শিকার। উচ্চ শিক্ষার পর আমাদের কমসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সকল স্তরের মানুষ সমর্থন দিচ্ছে। আমরা আমাদের কন্ঠ জোরালো করতে সংরক্ষিত আসনে একজন দলিত প্রতিনিধির দাবী করি। নিখিল ভদ্র বলেন, শুধু শারিরিক প্রতিবন্ধকতাই নয়। অবকাঠানো প্রতিবন্ধকতা আমাদের এই শহরে গৃহবন্দী করছে। সম্ভবনাময় বিশেষ ভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের প্রতিভা বিকাশের পথকে সংকুচিত করছে। ফলে তারা মূলধারা থেকে পিছিয়ে পড়ছে। মুক্ত আলোচনায় প্রতিবন্ধীব্যক্তি, তৃতীয় লিঙ্গের, আদিবাসী প্রতিনিধিরা সমাজের ভিন্নক্ষেত্রে তাদের সমস্যা ও বৈষম্যের কথা তুলে ধরেন।
‘তাজমহল দেখা ও বউয়ের জন্য শাড়ি কেনা ছাড়া’ ভারতে আমলাদের প্রশিক্ষণে পাওয়ার কিছু নেই : এম হাফিজউদ্দিন খান
                                  

সাবেক আমলা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দিন খান বলেছেন, আমলাদের ভারতে প্রশিক্ষণের খবর শুনে আমি বিভ্রান্ত হয়ে গেলাম। আমলাদের প্রশিক্ষণ দেয়ার মতো যথেষ্ট ব্যবস্থা আমাদের আছে। পূর্বের তুলনায় আমাদের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এখন যথেষ্ট উন্নত।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। আমাদের সামরিক বাহিনীতে বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে। যেখানে বিদেশিরা আসে প্রশিক্ষণ নেয়ার জন্য। আমি ভারতে গিয়ে আমলাদের প্রশিক্ষণের কোনো প্রয়োজন আছে মনে করি না। 
শনিবার বিবিসি বাংলার সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বলেন, ‘তাজমহল দেখা ও বউয়ের জন্য শাড়ি কেনা ছাড়া’ ভারতে আমলাদের প্রশিক্ষণে পাওয়ার কিছু নেই।
তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের যথেষ্ট ব্যবস্থা থাকার পরেও কেন ভারতে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হবে তার যৌক্তিকতা আমি খুঁজে পাচ্ছি না। আমলাদের প্রশিক্ষণের জন্য ভারতের দ্বারস্থ হওয়ায় আমি অবাক হয়েছি। 
তিনি আরো বলেন, কর্মকর্তাদের যদি দক্ষতার অভাব দেখা যায় তাহলে অদক্ষতার কারণ কী? প্রথমে কারণ বুঝতে হবে। আমার মতে, বিগত দশ থেকে বার বছর আমলাদের নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি সবকিছুতে স্বচ্ছতার অভাব ছিলো। এগুলো হয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনায়। যার ফলে অদক্ষ লোক নিয়োগ পেয়েছে।  
তারপরেও আমি মনে করি, ভারতে গিয়ে আমলাদের প্রশিক্ষণ নেয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ আমাদের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা যথেষ্ট উন্নত।

চীনা ঋণের ফাঁদে এবার কেনিয়া, হারাচ্ছে সমুদ্রবন্দর
                                  

চীনের ঋণের ফাঁদে পড়েছে কেনিয়া সরকার। সময়মতো যদি চীনের ঋণ পরিশোধ করা না হয় তাহলে দেশটির প্রধান সমুদ্রবন্দর মমবাসা পোর্টের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ১৫ বছরের মধ্যে কেনিয়াকে সম্পূর্ণ ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

এ বছর জুনে চীনের দেওয়া পাঁচ বছরের ‘গ্রেস টাইম’ শেষ হয়ে যাবে। ফলে জুলাই থেকে কেনিয়াকে প্রতি বছর আগের তুলনায় তিন গুণ বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

চীনের আর্থিক সহায়তায় ২০১১ সালে নাইরোবি-মমবাসা রেলপথ নির্মাণকাজ শুরু হয়। এটি স্বাধীনতার পর কেনিয়ায় সবচেয়ে বৃহৎ ও ব্যয়বহুল অবকাঠামো নির্মাণ।

দেশটির রাজধানী নাইরোবি থেকে মমবাসা সরাসরি রেল যোগাযোগের জন্য স্ট্যান্ডার্ড গেজ রেলওয়ে (এসজিআর) নির্মাণে কেনিয়া সরকার চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত এক্সিম ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়।

কেনিয়ার অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম TUKO.co.ke সংবাদমাধ্যম জানায়, চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত এক্সিম ব্যাংক মোট ব্যয়ের ৯০ শতাংশ ঋণ দিতে রাজি হলে ২০১৪ সালের ১১ মার্চ দুই দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত ঋণচুক্তি স্বাক্ষর হয়।

এসজিআর নামে ওই ঋণচুক্তি স্বাক্ষরের সময় কেনিয়া নিজেদের সম্পদ রক্ষার সার্বভৌম ক্ষমতা ত্যাগ করেছিল ফলে ওই চুক্তির শর্তাবলী চীনা আইন অনুযায়ী পরিচালিত। এতে কেনিয়া সরকারের নিজেদের সম্পদ রক্ষার কোনো অধিকার নেই।

ফাঁস হওয়া একটি চুক্তিপত্রে দেখা যায়, চীনের এক্সিম ব্যাংকের কাছ থেকে নেওয়া প্রায় ২০০ কোটি ইউরো যদি কেনিয়ার ন্যাশনাল রেলওয়ে কর্পোরেশন সময়মতো পরিশোধ করতে না পারে তবে চীন সরকার দেশটির মমবাসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে। কেনিয়ার সবচেয়ে বড় এবং লাভজনক বন্দর এটি।

এর আগে গভীর সমুদ্র বন্দর হাম্বানতোতা বন্দর নির্মাণে চীনের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে শ্রীলঙ্কা। চুক্তি অনুসারে বন্দরটির নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নে শ্রীলঙ্কা ১১০ কোটি মার্কিন ডলার পাবে। হাম্বানতোতা বন্দরটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত। চীনের ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড উদ্যোগে বন্দরটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এই বন্দরটি চীন ও ইউরোপের বন্দর ও সড়ককে সংযুক্ত করবে।

চুক্তি অনুসারে, চীনের একটি রাষ্ট্রীয় কোম্পানি বন্দরটি ৯৯ বছরের জন্য লিজ পাবে। একই সঙ্গে কাছের একটি শিল্পাঞ্চলে ১৫ হাজার একরের মালিকানাও পাবে চীনা কোম্পানিটি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, চীনের পক্ষ থেকে শ্রীলঙ্কাকে আশ্বস্ত করা হয়েছে, বন্দরটি শুধু বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হবে।

বন্দরটি চীন ও ইউরোপে বাণিজ্যে প্রধান সমুদ্র পথে পরিণত হবে। চীনের সামরিক বাহিনী বন্দরটি ব্যবহার করবে এই আশঙ্কায় কয়েক মাস পিছিয়ে যাওয়ার পর শনিবার চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলো। শ্রীলঙ্কা সরকার জানিয়েছে, চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে পাওয়া অর্থ দিয়ে বিদেশি ঋণশোধ করা সম্ভব হবে।

চুক্তি বাস্তবায়ন করতে কয়েক হাজার গ্রামবাসীকে উচ্ছেদ করতে হবে। তবে শ্রীলঙ্কার সরকার জানিয়েছে, উচ্ছেদ হওয়া গ্রামবাসীদের নতুন ভূমি দেওয়া হবে। ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধ অবসান হওয়ার পর থেকে কয়েকশ কোটি ডলার অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করেছে চীন।

এ ছাড়া ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে জিম্বাবুয়ের কেনেথ কউণ্ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নেয় চীন। ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় চীন এমন এটি নিয়ে নেয়।

২০১৭ সালে হাম্বানটোটা বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, এই ঘটনা চীন সরকারের বিশ্বজুড়ে আধিপত্য বিস্তারে অবকাঠামো উন্নয়নের নামে ঋণ ও সাহায্যকে হাতিয়ার বানানোর একটি উদাহরণ মাত্র। চীন ঋণ আদায়ে কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে এটা সে কথাও বলছে।

চীনা ঋণের ফাঁদে এবার কেনিয়া, হারাচ্ছে সমুদ্রবন্দর
                                  

চীনের ঋণের ফাঁদে পড়েছে কেনিয়া সরকার। সময়মতো যদি চীনের ঋণ পরিশোধ করা না হয় তাহলে দেশটির প্রধান সমুদ্রবন্দর মমবাসা পোর্টের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ১৫ বছরের মধ্যে কেনিয়াকে সম্পূর্ণ ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

এ বছর জুনে চীনের দেওয়া পাঁচ বছরের ‘গ্রেস টাইম’ শেষ হয়ে যাবে। ফলে জুলাই থেকে কেনিয়াকে প্রতি বছর আগের তুলনায় তিন গুণ বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

চীনের আর্থিক সহায়তায় ২০১১ সালে নাইরোবি-মমবাসা রেলপথ নির্মাণকাজ শুরু হয়। এটি স্বাধীনতার পর কেনিয়ায় সবচেয়ে বৃহৎ ও ব্যয়বহুল অবকাঠামো নির্মাণ।

দেশটির রাজধানী নাইরোবি থেকে মমবাসা সরাসরি রেল যোগাযোগের জন্য স্ট্যান্ডার্ড গেজ রেলওয়ে (এসজিআর) নির্মাণে কেনিয়া সরকার চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত এক্সিম ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়।

কেনিয়ার অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম TUKO.co.ke সংবাদমাধ্যম জানায়, চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত এক্সিম ব্যাংক মোট ব্যয়ের ৯০ শতাংশ ঋণ দিতে রাজি হলে ২০১৪ সালের ১১ মার্চ দুই দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত ঋণচুক্তি স্বাক্ষর হয়।

এসজিআর নামে ওই ঋণচুক্তি স্বাক্ষরের সময় কেনিয়া নিজেদের সম্পদ রক্ষার সার্বভৌম ক্ষমতা ত্যাগ করেছিল ফলে ওই চুক্তির শর্তাবলী চীনা আইন অনুযায়ী পরিচালিত। এতে কেনিয়া সরকারের নিজেদের সম্পদ রক্ষার কোনো অধিকার নেই।

ফাঁস হওয়া একটি চুক্তিপত্রে দেখা যায়, চীনের এক্সিম ব্যাংকের কাছ থেকে নেওয়া প্রায় ২০০ কোটি ইউরো যদি কেনিয়ার ন্যাশনাল রেলওয়ে কর্পোরেশন সময়মতো পরিশোধ করতে না পারে তবে চীন সরকার দেশটির মমবাসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে। কেনিয়ার সবচেয়ে বড় এবং লাভজনক বন্দর এটি।

এর আগে গভীর সমুদ্র বন্দর হাম্বানতোতা বন্দর নির্মাণে চীনের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে শ্রীলঙ্কা। চুক্তি অনুসারে বন্দরটির নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নে শ্রীলঙ্কা ১১০ কোটি মার্কিন ডলার পাবে। হাম্বানতোতা বন্দরটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত। চীনের ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড উদ্যোগে বন্দরটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এই বন্দরটি চীন ও ইউরোপের বন্দর ও সড়ককে সংযুক্ত করবে।

চুক্তি অনুসারে, চীনের একটি রাষ্ট্রীয় কোম্পানি বন্দরটি ৯৯ বছরের জন্য লিজ পাবে। একই সঙ্গে কাছের একটি শিল্পাঞ্চলে ১৫ হাজার একরের মালিকানাও পাবে চীনা কোম্পানিটি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, চীনের পক্ষ থেকে শ্রীলঙ্কাকে আশ্বস্ত করা হয়েছে, বন্দরটি শুধু বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হবে।

বন্দরটি চীন ও ইউরোপে বাণিজ্যে প্রধান সমুদ্র পথে পরিণত হবে। চীনের সামরিক বাহিনী বন্দরটি ব্যবহার করবে এই আশঙ্কায় কয়েক মাস পিছিয়ে যাওয়ার পর শনিবার চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলো। শ্রীলঙ্কা সরকার জানিয়েছে, চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে পাওয়া অর্থ দিয়ে বিদেশি ঋণশোধ করা সম্ভব হবে।

চুক্তি বাস্তবায়ন করতে কয়েক হাজার গ্রামবাসীকে উচ্ছেদ করতে হবে। তবে শ্রীলঙ্কার সরকার জানিয়েছে, উচ্ছেদ হওয়া গ্রামবাসীদের নতুন ভূমি দেওয়া হবে। ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধ অবসান হওয়ার পর থেকে কয়েকশ কোটি ডলার অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করেছে চীন।

এ ছাড়া ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে জিম্বাবুয়ের কেনেথ কউণ্ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নেয় চীন। ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় চীন এমন এটি নিয়ে নেয়।

২০১৭ সালে হাম্বানটোটা বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, এই ঘটনা চীন সরকারের বিশ্বজুড়ে আধিপত্য বিস্তারে অবকাঠামো উন্নয়নের নামে ঋণ ও সাহায্যকে হাতিয়ার বানানোর একটি উদাহরণ মাত্র। চীন ঋণ আদায়ে কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে এটা সে কথাও বলছে।

কে হচ্ছেন সংসদ উপনেতা?
                                  

কে হচ্ছেন একাদশ জাতীয় সংসদের উপনেতা? সোমবার গঠিত মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়া সিনিয়র কোনো নেতা নাকি অন্য কেউ। এ নিয়ে দল বা এমপিদের মধ্যে নানা কথোপকথন হচ্ছে। নেতাদের ধারণা দলের সিনিয়র নেতা সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী ও সাবেক এলজিআরডিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন- এই চারজন থেকেই উপনেতা হতে পারেন।

বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে বেশিরভাগই ডাক পাননি নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায়। সংসদ উপনেতা পদের দিকে তাকিয়ে আছেন বাদ পড়া মন্ত্রীরা। রাষ্ট্রপতি একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করলে ‘সংসদ উপনেতা’ নির্বাচন করা হবে। সাধারণত প্রবীণ কোনো নেতাকেই সংসদ উপনেতা বানানো হয়। যেমন- দশম সংসদে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে উপনেতা বানানো হয়েছিল। বয়স এবং শারীরিক অবস্থার কারণে সাজেদা চৌধুরীকে আবার উপনেতা করা সম্ভব নয়। এ পদে নতুন কেউ আসবেন। তবে এ পদে আসার মতো যোগ্য অনেক নেতাই আওয়ামী লীগে রয়েছেন।

জানা গেছে, উপনেতা এবং মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর কয়েকজন উপদেষ্টা থাকেন। এসব পদে সিনিয়র নেতাদের আনা হতে পারে। এর আগে যারা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ছিলেন তারা বাদ পড়তে পারেন। মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়া সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ইতোমধ্যে মন্তব্য করেছেন যে সময় এখনও ফুরিয়ে যায়নি। কারণ প্রধানমন্ত্রীর হাতে এখনও কয়েকটি মন্ত্রণালয় আছে।

গত মন্ত্রিসভার আকার ছিল ৫৩ সদস্যের। এবার প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীসহ ৪৭ জন শপথ নিয়েছেন। সে হিসেবে মন্ত্রিসভার আকার আরও বাড়বে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। তখন বাদ পড়া সিনিয়র নেতাদের জায়গা হতে পারে।

এবার মন্ত্রিপরিষদ থেকে যারা বাদ পড়েছেন তারা হলেন- অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, এলজিআরডি মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী ইমাজউদ্দিন প্রামাণিক, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বন ও পরিবেশমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (জাপা), পানিসম্পদমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, সাংস্কৃতিকমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ (ডিলু), খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, বেসামরিক ও বিমান পরিবহনমন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামাল। 


   Page 1 of 9
     এক্সক্লুসিভ
ছুটির নোটিশ
.............................................................................................
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প
.............................................................................................
মিরপুরের ছয়টি পার্ক ও খেলার মাঠের ত্রিমাত্রিকনকশা প্রণয়ন করলেন স্থানীয়রা
.............................................................................................
আহসানগঞ্জ স্টেশনে ঢাকাগামী আন্ত:নগর ট্রেনের যাত্রা বিরতীর জন্য এলাকাবাসীর মানববন্ধন
.............................................................................................
কর্মস্থলে ফেরার পালা
.............................................................................................
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে স্বাধীন বাংলা ডট কম ৪ দিন বন্ধ থাকবে
.............................................................................................
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নাবিকের পরিবারকে ৮৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ
.............................................................................................
নারী নির্যাতন বন্ধে পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন আনা দরকার: খুশি কবির
.............................................................................................
হামলার হুমকি দিয়ে বাংলায় পোস্টার প্রকাশ করেছে আইএস
.............................................................................................
দক্ষ জনশক্তি গড়তে মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় চায় বিএসএইচআরএম
.............................................................................................
সড়ক দূর্ঘটনা হ্রাসে সমতলে সড়ক পারাপারে জেব্রা ক্রসিং এর দাবি
.............................................................................................
বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে বিশেষভাবে সক্ষমব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে
.............................................................................................
‘তাজমহল দেখা ও বউয়ের জন্য শাড়ি কেনা ছাড়া’ ভারতে আমলাদের প্রশিক্ষণে পাওয়ার কিছু নেই : এম হাফিজউদ্দিন খান
.............................................................................................
চীনা ঋণের ফাঁদে এবার কেনিয়া, হারাচ্ছে সমুদ্রবন্দর
.............................................................................................
চীনা ঋণের ফাঁদে এবার কেনিয়া, হারাচ্ছে সমুদ্রবন্দর
.............................................................................................
কে হচ্ছেন সংসদ উপনেতা?
.............................................................................................
বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০১৮ ফাস্টফুড, কোমল পানীয় ও এনার্জি ড্রিংক্স নিষিদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী
.............................................................................................
রায়েরবাজার বৈশাখী খেলার মাঠে শিশু অঞ্চল তৈরির কার্যক্রম শুরু
.............................................................................................
রায়েরবাজারের এ্যাকশন এরিয়া প্ল্যান প্রণয়ন
.............................................................................................
সুস্থ্য জীবনের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত জরুরী
.............................................................................................
চিকিৎসা সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে হটলাইন চালু করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
.............................................................................................
পানির ফোয়ারায় জাতীয় পতাকা!
.............................................................................................
আজ থেকে চট্টগ্রামে আবাসন মেলা
.............................................................................................
বাংলাদেশের ওয়ান ইলেভেন সম্পর্কে মুখ খুললেন মুহাম্মদ ইউনুস
.............................................................................................
জাতিসংঘ ঘোষিত প্রথম বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস উদযাপন
.............................................................................................
ঈদের তিনদিন আগে থেকে মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলা নিষেধ
.............................................................................................
গাজীপুরে আইইউটি পরিদর্শনে ওআইসির মহাসচিব
.............................................................................................
রমজানে ৬ ঘণ্টা সিএনজি স্টেশন বন্ধ
.............................................................................................
কুয়াকাটার কলেজ ছাত্র শাওনের চালকবিহীন সোলার গাড়ি
.............................................................................................
নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হতে বাংলাদেশের সহযোগিতা চায় ভিয়েতনাম
.............................................................................................
শিশুদের সঠিক বিকাশে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের দাবি
.............................................................................................
এসডিজি অর্জনে তামাকজাত দ্রব্যের উপর অধিক হারে কর বৃদ্ধির করতে হবে
.............................................................................................
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে যুক্ত হচ্ছে নতুন রেলপথ
.............................................................................................
ভুয়া ডিগ্রীধারী ডাক্তারদের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা
.............................................................................................
ছেড়ে দেওয়া হয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৩ নেতাকে
.............................................................................................
স্থানীয়দের সম্পৃক্ততায় খেলার মাঠের নকশা প্রণয়ন শুরু
.............................................................................................
ঢাকা শহরের তিনটি সড়কে গাড়িমুক্ত কর্মসূচি পালনের সুপারিশ
.............................................................................................
স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতিকারী ঢাবি অধ্যাপক মোর্শেদকে অব্যাহতি
.............................................................................................
কৃষিজমি ও পরিবেশ বাঁচাতে পোড়া ইটের বদলে ব্লক ব্যবহারের উদ্যোগ
.............................................................................................
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র: নোয়ার্ট
.............................................................................................
দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: বদিউল
.............................................................................................
ট্রেন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে অবৈধ ও অরক্ষিত রেলক্রসিং
.............................................................................................
চিকিৎসা সেবার বিশেষ অবদানের জন্য পুরষ্কার পেলেন ডা. মো: হারুনুর রশীদ
.............................................................................................
প্লেন দুর্ঘটনায় নিহতরা পাবেন ১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবস: নদী বাঁচলে, বাঁচবে দেশ
.............................................................................................
হকার ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা ও আইন প্রণয়নের দাবি
.............................................................................................
মিয়ানমারকে আমরা চাপ দেব : লিসা কার্টিস
.............................................................................................
ভালো মানুষ গড়তে ভালো পৃথিবী দরকার: ঢাবি উপাচার্য
.............................................................................................
অগ্নিঝরা মার্চ মাস শুরু
.............................................................................................
আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে বাড়ি পাচ্ছে কক্সবাজারের সাড়ে ৪ হাজার পরিবার
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]