| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   খাবার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
দারুণ স্বাদের দুধ বাদাম দিয়ে!

ক্যালসিয়ামের দারুণ এক উৎস গরুর দুধ। যাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্সের সমস্যা আছে, তারা গরুর দুধ পান করতে পারেন না। ক্যালসিয়ামের জন্য তাদের অন্যান্য উৎসের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু দুধের স্বাদটা পাবেন কী করে? সহজ সমাধান আছে। বাদাম, শস্য ও চাল থেকেই তৈরি করতে পারেন দারুণ স্বাদ ও পুষ্টির তরল দুধ। দেখে নিন বাদাম থেকে দুধ তৈরির সবচেয়ে সহজ রেসিপিটি।

উপকরণ
এক কাপ বাদাম (সারা রাত ভিজিয়ে পানি ঝরিয়ে নেওয়া)
চার থেকে ছয়টি খেজুর
ছয় কাপ পানি
পছন্দের ফ্লেভার (ভ্যানিলা, কোকো বা দারুচিনি গুঁড়ো)
প্রণালি

বাদাম, পানি ও বীজ ছাড়ানো খেজুর একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন।
একদম মিহি তরল না হওয়া পর্যন্ত ব্লেন্ড করুন। ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ড লাগতে পারে।
মিহি ছাকনি দিয়ে এই তরল ছেঁকে নিন।
নিজের প্রিয় ফ্লেভার মিশিয়ে নিন।
পরিষ্কার বোতলে করে ফ্রিজে রাখতে পারেন চার দিন পর্যন্ত।
এই বাদাম দুধ সাধারণ দুধের মতোই পান করতে পারেন নাশতার সঙ্গে। এ ছাড়া অন্যান্য ফলের সঙ্গে মিশিয়ে স্মুদি তৈরি করতে পারেন বা কফি তৈরিতেও ব্যবহার করতে পারেন।

টিপস
এই দুধ তৈরিতে ব্যবহার করতে পারেন কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, ম্যাকাডেমিয়া বাদাম, ওয়ালনাট ও মিষ্টিকুমড়ার বীজ।
দুধে মিষ্টতা আনতে খেজুর ব্যবহার করা হয়েছে এই রেসিপিতে। চাইলে অন্য কোনো সুইটনার ব্যবহার করতে পারেন। মধু, ম্যাপল সিরাপ বা স্টেভিয়ার মতো উপাদান ব্যবহার করা যেতে পারে।
দুধ ছেঁকে নেওয়ার পর যা থাকবে, সেটাকেও কেক বা কুকি তৈরিতে ব্যবহার করতে পারেন।
যাদের বাদামে অ্যালার্জি আছে, তারা এই রেসিপিতে লাল চাল ব্যবহার করতে পারেন।

দারুণ স্বাদের দুধ বাদাম দিয়ে!
                                  

ক্যালসিয়ামের দারুণ এক উৎস গরুর দুধ। যাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্সের সমস্যা আছে, তারা গরুর দুধ পান করতে পারেন না। ক্যালসিয়ামের জন্য তাদের অন্যান্য উৎসের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু দুধের স্বাদটা পাবেন কী করে? সহজ সমাধান আছে। বাদাম, শস্য ও চাল থেকেই তৈরি করতে পারেন দারুণ স্বাদ ও পুষ্টির তরল দুধ। দেখে নিন বাদাম থেকে দুধ তৈরির সবচেয়ে সহজ রেসিপিটি।

উপকরণ
এক কাপ বাদাম (সারা রাত ভিজিয়ে পানি ঝরিয়ে নেওয়া)
চার থেকে ছয়টি খেজুর
ছয় কাপ পানি
পছন্দের ফ্লেভার (ভ্যানিলা, কোকো বা দারুচিনি গুঁড়ো)
প্রণালি

বাদাম, পানি ও বীজ ছাড়ানো খেজুর একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন।
একদম মিহি তরল না হওয়া পর্যন্ত ব্লেন্ড করুন। ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ড লাগতে পারে।
মিহি ছাকনি দিয়ে এই তরল ছেঁকে নিন।
নিজের প্রিয় ফ্লেভার মিশিয়ে নিন।
পরিষ্কার বোতলে করে ফ্রিজে রাখতে পারেন চার দিন পর্যন্ত।
এই বাদাম দুধ সাধারণ দুধের মতোই পান করতে পারেন নাশতার সঙ্গে। এ ছাড়া অন্যান্য ফলের সঙ্গে মিশিয়ে স্মুদি তৈরি করতে পারেন বা কফি তৈরিতেও ব্যবহার করতে পারেন।

টিপস
এই দুধ তৈরিতে ব্যবহার করতে পারেন কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, ম্যাকাডেমিয়া বাদাম, ওয়ালনাট ও মিষ্টিকুমড়ার বীজ।
দুধে মিষ্টতা আনতে খেজুর ব্যবহার করা হয়েছে এই রেসিপিতে। চাইলে অন্য কোনো সুইটনার ব্যবহার করতে পারেন। মধু, ম্যাপল সিরাপ বা স্টেভিয়ার মতো উপাদান ব্যবহার করা যেতে পারে।
দুধ ছেঁকে নেওয়ার পর যা থাকবে, সেটাকেও কেক বা কুকি তৈরিতে ব্যবহার করতে পারেন।
যাদের বাদামে অ্যালার্জি আছে, তারা এই রেসিপিতে লাল চাল ব্যবহার করতে পারেন।

গাজরের কয়েকটি রেসিপি
                                  

গাজরের সুপ

উপকরণ : কেনোলা অয়েল ৩ টেবিল চামচ, কারি পাউডার ২ চা চামচ, গাজর ৮টি, (খোসা ফেলে পাতলা স্লাইস করে কাটা), ধনেপাতাকুচি ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ (কুচি করে কাটা) ১ টেবিল চামচ, চিকেন স্টক ৫ কাপ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, লবণ আধা চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ।

প্রণালী : একটি বড় সসপ্যানে তেল গরম করে তাতে কারি পাউডার ঢেলে দিন। ৫ মিনিট পর এতে গাজর, পেঁয়াজ, লবণ ও ধনেপাতাকুচি দিয়ে নাড়তে থাকুন। মিনিট দশেক ভাজার পর এতে চিকেন স্টক ঢেলে জ্বাল দিতে থাকুন। ফুটতে শুরু করলে জ্বাল কমিয়ে ঢেকে রান্না করুন গাজর সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত। এবার নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন। ঠাণ্ডা হলে পুরো মিশ্রণ ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। আবার পুরো লিকুইড প্যানে দিয়ে জ্বাল দিন। মাঝারি আঁচে মিনিট ১০ জ্বাল দিয়ে নামিয়ে নিন। লেবুর রস ও গোলমরিচের গুঁড়া মিশিয়ে নিন। ধনেপাতা ও লবঙ্গ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

 

গাজরের কেক

উপকরণ : আনারসকুচি ১ কাপ, ময়দা ২ কাপ, বেকিং সোডা ২ চা চামচ, লবণ আধা চা চামচ, দারুচিনি (গুঁড়া) ২ চা চামচ, ডিম ৪টি, চিনি দেড় কাপ, দুধ ১ কাপ, গলানো মাখন আধা কাপ, ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা চামচ, গাজর কুচি ২ কাপ, নারকেল কোরানো সিকি কাপ, আখরোট (শুকনা ভেজে কুচি করে নেয়া) আধা কাপ।
ফ্রস্টিংয়ের জন্য : ক্রিম চিজ ১২ আউন্স (নরম করা), আইসিং সুগার আধা কাপ, ভ্যানিলা এসেন্স দেড় চা চামচ, নারকেল কোরানো ২ টেবিল চামচ, (রোস্ট করে নেয়া)।

প্রণালী : ওভেন ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াম তাপমাত্রায় প্রিহিট করে নিন। একটি বড় বোলে আনারসের (রস ছাড়া) টুকরোগুলো নিন। তবে রস ফেলে দেবেন না। অন্য বোলে ময়দা, বেকিং সোডা, লবণ ও দারুচিনি গুঁড়া ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। আরেকটি বাটিতে প্রথমে ডিম ফেটুন। ভালোভাবে ফেটা হলে এতে চিনি, দুধ, তেল, ভ্যানিলা এসেন্স ও আনারসের রস (সিকি কাপ) দিয়ে চিনি গলে যাওয়া পর্যন্ত ফেটাতে থাকুন। এবার এতে আনারসের টুকরো, গাজর কুচি, নারকেল (সিকি কাপ) দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর ময়দার মিশ্রণ ঢালুন। ভালোভাবে মেশান পুরো উপকরণ। কেকের ট্রেতে মাখন মেখে গ্রিজ করে নিন। উপরে কিছুটা শুকনো ময়দা ছড়িয়ে দিন। এবার কেকের পুরো উপকরণ ঢেলে ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট বেক করুন। ওপরটা হালকা বাদামি রঙ ধরলে নামিয়ে নিন। ঠাণ্ডা করুন। ফ্রস্টিংয়ের সব উপকরণ একসাথে নিয়ে ইলেকট্রিক মিক্সচার দিয়ে বিট করতে থাকুন মসৃণ হয়ে আসা পর্যন্ত। কেকের ওপর ফ্রস্টিং ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। ওপরে নারকেলও ছড়িয়ে দিতে পারেন।

 

গাজরের সালাদ

উপকরণ : কেনোলা অয়েল ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, মধু ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, লবণ আধা চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া সিকি চা চামচ, গাজরকুচি ২ কাপ, আপেলকুচি ১ কাপ, কিশমিশ সিকি কাপ, আখরোট (কুচি করা) সিকি কাপ।

প্রণালী : একটি বাটিতে কেনোলা অয়েল, লেবুর রস, মধু, লবণ, গোলমরিচের গুঁড়া একসাথে নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার এর সাথে গাজর কুচি, পেঁয়াজ কুচি, আপেলকুচি, কিশমিশ ও আখরোট সামান্য রোস্ট করে এর সাথে মিশিয়ে নিন। ভাত বা রুটির সাথে অথবা এমনি এই সালাদ খেতে পারেন।

চিকেন গ্রিল-উইংস ফ্রাই
                                  

 প্রতিদিনের ইফতারেই আমরা চাই প্রিয় মানুষগুলোর জন্য ভিন্নস্বাদের স্বাস্থ্যকর কোনো আইটেম পরিবেশন করতে। বাইরের মুখোরচক খাবারগুলোর মান নিয়ে অনেকেই আস্থা রাখতে পারেন না। আজ আপনাদের জন্য চিকেনের মজার দু’টি আইটেম। জেনে নিন:

চিকেন গ্রিল

উপকরণ:
মুরগির লেগ পিস (ড্রামস্টিক), টক দই আধা কাপ, আদা বাটা এক টেবিল চামচ, রসুন বাটা এক চা চামচ, লাল মরিচের গুঁড়া দুই চা চামচ, ভিনেগার দুই টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমত, সরিষার তেল আধা কাপ, মধু এক টেবিল চামচ।

প্রস্তুত প্রণালী:
মুরগির টুকরোগুলো ভালোভাবে ধুয়ে টক দইয়ের সাথে, আদা, রসুন, মরিচের গুঁড়া, ভিনেগার, লবণ ও চিনি একসঙ্গে মিশিয়ে ১৫ মিনিট ম্যারিনেট করুন। একটি ফ্রাই প্যানে ম্যারিনেট করা টুকরোগুলো ভালো করে ভেজে নিন। এরপর প্রতিটি ড্রামস্টিক চুলার আগুনে এক মিনিট পুড়িয়ে নিন।

সালাদসহ সুন্দর করে সাজিয়ে ইফতারে পরিবশন করুন।

উইংস ফ্রাই

যা যা লাগবে:
চামড়াসহ চিকেন উইংস- ১২ টুকরো, ময়দা ১ কাপ, গোল মরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ, গার্লিক পাউডার ১/২ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পাপরিকা ১/২ চা চামচ, ডিম ১টা
দুধ সামান্য।

প্রণালী:
প্রথমে ময়দা, গোল মরিচের গুঁড়া, প্যাপরিকা, গার্লিক পাউডার সব একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। অন্য একটি পাত্রে ডিম ও দুধের মিশ্রণ তৈরি করে রাখুন।

প্রথমে উইংসগুলোকে ডিমের মিশ্রণে ডুবিয়ে এরপর শুকনো ময়দার মিশ্রণে মেখে নিন। এরপর আবার ডিমের মিশ্রণে দিয়ে ভালো করে শুকনো ময়দার মিশ্রণ লাগিয়ে নিন।

তেল ভালো করে গরম হলে উইংস দিয়ে ডুবু তেলে মাঝারি আঁচে ১৫ মিনিট ভাজুন। সোনালী রং হলে নামিয়ে নিন। সস ও সালাদ দিয়ে পরিবেশন করুন মচমচে দারুণ মজার উইংস ফ্রাই।

 

রোজায় বাহারী ইফতারের আয়োজন
                                  

শুরু হচ্ছে রোজা। ইফতারে মুখরোচক খাবার খেতে কম-বেশি সবাই পছন্দ করেন। তবে সুস্থতার জন্য ইফতারে মৌসুমি ফল ও পানীয়র পরিমাণ বেশি রাখতে পারেন। নানা স্বাদের ইফতারির রেসিপি দিয়েছেন মুক্তা কাজল।

 

খাসির মাংসের হালিম : উপকরণ - গম আধা কাপ, খাসির মাংস আধা কেজি, টকদই আধা কাপ, আদা বাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ বাটা ১ চা-চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, এলাচ ২টি, দারুচিনি ২ টুকরো, পেঁয়াজ বেরেস্তা ২ টেবিল চামচ, আদা কুচি ১ টেবিল চামচ, মুগডাল ৫০ গ্রাম, মসুর ডাল ৫০ গ্রাম, মাসকলাই ৪০ গ্রাম, মটর ৪০ গ্রাম, ছোলা ৪০ গ্রাম, অড়হর ৪০ গ্রাম, খেসারি ৪০ গ্রাম, গাওয়া ঘি ২ টেবিল চামচ, এলাচ গুঁড়া আধা চা-চামচ ও দারুচিনি গুঁড়া আধা চা-চামচ।

 

 

প্রণালি : মাংসে দই, আদা, রসুন, পেঁয়াজ বাটা, এলাচ, দারুচিনি সব দিয়ে রান্না করে রাখতে হবে। মাংস খুব ভালোভাবে সিদ্ধ হয়ে হাড় থেকে খুলে আসবে। গম ভালোমতো শুকিয়ে চূর্ণ করতে হবে। সব ডাল একসঙ্গে মিশিয়ে লবণ ও ডুবো পানিতে সিদ্ধ করতে হবে। গম লবণ দিয়ে ভালোভাবে সিদ্ধ করে ডালের সঙ্গে মেশাতে হবে। ডাল ও গমের সঙ্গে মাংস মিশিয়ে কম জ্বালে চুলায় দিয়ে মাঝে মাঝে নাড়তে হবে। ঘি গরম করে নিন। পেঁয়াজ বেরেস্তা করে নিয়ে, বড় বাটিতে হালিম ঢেলে ওপরে কিছু ঘি ছড়িয়ে তার ওপর গুঁড়া মসলা ছিটিয়ে দিন।

 

বাহারি ফলের দই-চিড়া

 

উপকরণ: চিড়া ১ কাপ, দই ঠাণ্ডা ১ কাপ (টক/মিষ্টি ইচ্ছা), তালমিছরি গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, কলা, আম, আপেল, কমলা বা মালটা, আঙুর টুকরো ১ কাপ ও মধু ১ টেবিল চামচ।

 

 

প্রণালি : চিড়া ধুয়ে সমপানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। ভিজে ফুলে উঠলে পানি ঝরিয়ে ফল কুচি, মধু, মিছরির গুঁড়া দিয়ে মিশিয়ে পরিবেশন পাত্রে রেখে দই দিয়ে সাজিয়ে দিতে হবে। এরপর ফ্রিজে রাখুন। ফ্রিজ থেকে বের করে পরিবেশন করতে হবে।

 

লাচ্ছি

 

উপকরণ : দই ১ কাপ, ঠাণ্ডা পানি ১ কাপ, গোলাপজল ২ চা-চামচ, চিনি ২ টেবিল চামচ, লবণ ইচ্ছা ও বরফ কুচি।

 

 

প্রণালি : দই ফেটে ঠণ্ডা পানি মেশাতে হবে। মিষ্টি দই হলে চিনি কম দিতে হবে। গোলাপজল ও বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

 

মোরগ মখমলে কাবাব

 

উপকরণ : মোরগের বুকের মাংস ২৫০ গ্রাম, হুইপড ক্রিম ১ টে. চামচ, গ্রেটেড মোজরলা চিজ ২৮ গ্রাম, আদা+রসুন+ পেঁয়াজবাটা ১ চামচ করে, শাহীজিরা (আস্ত) ১ চা চামচ, ডিমের সাদা অংশ ১টির, মধু ১ চা চামচ, গোলমরিচগুঁড়া আধা চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো। উডেড স্টিক, ক্যাপসিকাম রিং+ পেঁয়াজ রিং+লেবু রিং-পরিবেশন।

 

 

প্রণালি : হাড় ছাড়া মোরগের বুকের মাংস কিউব করে কেটে, ধুয়ে পানি ঝরিয়ে অর্ধেক চিজ ও ক্যাপসিকাম রিং ও পেঁয়াজ রিং বাদে সব উপকরণ দিয়ে মেরিনেড করে রাখতে হবে ১৫ মিনিট। পরে ভিজিয়ে রাখা উডেড স্টিকে গেঁথে ১৮০ক্ক পাওয়ারে মাইক্রোওয়েভ ওভেনে ১০ মিনিট বেক করতে হবে বা সামান্য তেলে ফ্রাইপ্যানে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ভাজতে হবে। ওপরে বাকি গ্রেটেড মোজরলা চিজ ছড়িয়ে গ্রুলোটচ্ গান দিয়ে টচ্ করে ক্যাপসিকাম রিং ও পেঁয়াজ রিং, লেবু রিং দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে। পরোটা-নান-তান্দুরি রুটি বা ফ্রাইড রাইসের সঙ্গে খাওয়া যায়।

 

ভেজিটেবল রোল

 

পেস্টি : ময়দা ২ কাপ, পানি ৩-৪ কাপ।

 

ফিলিং : মাংসের কিমা আধা কাপ, চিংড়ি খোসা ছাড়ানো আধা কাপ, বাঁধাকপি কুচি ৩-৪ কাপ, গাজর মিহি কুচি আধা কাপ, তেল ২ টেবিল চামচ, রসুন কুচি ১ টেবিল চামচ, শুকনা/কাঁচা মরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ, ফিসসস ১ চা-চামচ, চিনি ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ কুচি ২টি, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, ময়দা ৩ টেবিল চামচ, সুইচ চিলি সস পরিবেশন করতে ও তেল ভাজার জন্য।

 

 

প্রণালি : পেস্টি তৈরি : ময়দার সঙ্গে পানি মিশিয়ে মথে নিতে হবে। ভেজা কাপড় নিংড়ে পানি ফেলে কাপড় দিয়ে খামির ঢেকে ৩০ মিনিট রাখতে হবে। খামির চার ভাগ করে, ময়দার ছিটা দিয়ে পাতলা রুটি বেলে পছন্দমতো মাপে কেটে টুকরো করতে হবে।

 

ফিলিং তৈরি : একটি প্যানে তেল গরম করে রসুন ও মরিচ দিয়ে ৩০ সেকেন্ড নাড়তে হবে। মাংসের কিমা দিয়ে ২ মিনিট ভাজতে হবে। সব উপকরণ একসঙ্গে দিয়ে ভাজতে হবে। ধনেপাতা কুচি দিয়ে নামিয়ে ঠান্ডা করতে হবে।

 

রোল তৈরি : ময়দার সঙ্গে পানি মিশিয়ে পেস্ট করে রাখতে হবে। এক টুকরো রুটির মাঝখানে ফিলিং দিয়ে রোলের মতো মুড়ে ময়দার গোলা দিয়ে আটকে নিন। ডুবো তেলে ভেজে তুলে নিতে হবে। এবার পরিবেশন করুন সুইট চিলি সসের সঙ্গে।

 

ফ্রুট পাঞ্চ

 

উপকরণ : আপেল কুচি ১টি, নাশপাতি কুচি ১টি, আনারস কুচি ১ কাপ, আনারসের রস ১ কাপ, কমলার রস ১ কাপ, পুদিনাপাতা মিহি কুচি ১ টেবিল চামচ ও ঠাণ্ডা সোডা ওয়াটার।

 

 

প্রণালি : একটি বড় পাত্রে ঠা-া কুচি করা ফল, আনারসের রস ও কমলার রস একত্রে মেশাতে হবে। এবার একটি লম্বা গ্লাসে অর্ধেক গ্লাস সোডা ওয়াটার, বাকি ফল এবং ফলের রস ও বরফ কুচি দিয়ে গ্লাস ভরে সুন্দর করে পরিবেশন করুন।

 

নার্গিসি শাহি চপ

 

উপকরণ : ডিম ৪টি, গরুর মাংসের কিমা ২৫০ গ্রাম, পাউরুটি স্লাইস ১টি, আলু সিদ্ধ ১টি, ব্রেডক্রাম ২ কাপ, ডিম ফেটানো ১টি, পেঁয়াজ বেরেস্তা ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, আদা বাটা ১ চা-চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা-চামচ, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা-চামচ, শুকনা মরিচ গুড়া আধা চা-চামচ, সিরকা ১ চামচ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ২টি, ধনেপাতা কুচি পরিমাণমতো, তেল ভাজার জন্য ও লবণ স্বাদমতো।

 

 

প্রণালি : ডিম সিদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে রাখতে হবে। কিমায় সিরকা, আলু, পাউরুটি স্লাইস এক একে সব মসলা দিয়ে মেখে আধা ঘণ্টা ম্যারিনেট করে রাখতে হবে। কিমার পুরের ভেতর ডিম দিয়ে সুন্দর করে চপের আকার করে নিন। এবার ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে ব্রেডক্রামে গড়িয়ে নিন। ডুবো তেলে হাল্কা আঁচে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ভাজতে হবে। এরপর তুলে নিয়ে সুন্দর করে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

 

মটর ঘুগনি

 

উপকরণ : মটর ৫০০ গ্রাম, পেঁয়াজ মোটা স্লাইস কোয়ার্টার কাপ, হলুদ গুঁড়া কোয়ার্টার চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, শুকনা মরিচ টালাগুঁড়া ১ চা-চামচ, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুচি ৪. টেবিল চামচ, টমেটো কুচি ২টি, শসা কুচি ১টি, পেঁয়াজ কুচি ৩ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ২-৪টি, পেঁয়াজ বেরেস্তা কোয়ার্টার কাপ ও লবণ স্বাদ বুঝে।

 

 

প্রণালি : মটর সারা রাত ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে। পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। পাত্রে তেল গরম করে, কিছু পেঁয়াজ লাল করে ভেজে বেরেস্তা করে তুলে ঠাণ্ডা করতে হবে। এবার কড়াইয়ে মোটা স্লাইস পেঁয়াজ কাটা দিয়ে নেড়ে পেঁয়াজ নরম হলে মটর ও হলুদ দিতে হবে। এবার গোলমরিচ, লবণ ও লেবুর রস দিয়ে অর্ধেক ধনেপাতা কুচি দিয়ে নামাতে হবে। বাটিতে তুলে পেঁয়াজ বেরেস্তা ও মরিচ গুঁড়া ছিটিয়ে দিতে হবে। শসা, টমেটোর বিচি ফেলে ছোট চৌকো টুকরো করে নিতে হবে। ছোট টুকরো করা পেঁয়াজ, টমেটো, শসা, কাঁচামরিচ, ধনেপাতা, লবণ একত্রে মাখিয়ে মটর ঘুগনির সঙ্গে পরিবেশন করুন।

 

পেঁয়াজু

 

উপকরণ : মসুর ডাল ৩-৪ কাপ, পেঁয়াজ কুচি এক থেকে আধা কাপ, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ৩টি, পুদিনা বা ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী ও তেল ভাজার জন্য।

 

 

প্রণালি : ডাল ধুয়ে ডুবো পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে ২ ঘণ্টা। পানি ছেঁকে বেটে নিতে হবে। (খুব মিহি আবার খুব শুকনাও না)। এবার পেঁয়াজ কুচি, হলুদ গুঁড়া, মরিচ কুচি ও লবণ দিয়ে মেখে ধনেপাতা কুচি ও ডাল বাটা দিয়ে নরম ও ভেজা ভেজা করে মাখাতে হবে। এবার প্যানে তেল গরম করে আঙুল দিয়ে চ্যাপ্টা করে পিয়াজু তেলে দিয়ে ভাজতে হবে। পিয়াজু মচমচে ও সোনালি হলে তুলে কিচেন টিস্যুতে রেখে পরে পরিবেশন করুন।

 

বেগুনি

 

উপকরণ : বেসন ১ কাপ, বেকিং পাউডার ৩-৪ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, পানি কোয়ার্টার বা আধা কাপ, বেগুন ১টি, লবণ স্বাদমতো ও তেল ভাজার জন্য।

 

 

প্রণালি : বেসন ও বেকিং পাউডার ভালোমতো মেশাতে হবে। এবার হলুদ, মরিচ গুঁড়া ও লবণ দিতে হবে। পানি দিয়ে থক থকে গোলা তৈরি করে ১ ঘণ্টা ঢেকে রাখতে হবে। প্রয়োজনে আরেকটু পানি দেওয়া যায়। লম্বা ও চিকন বেগুন ধুয়ে ১০-১২ সেমি পাতলা স্লাইস করে লবণ মাখিয়ে রাখতে হবে। এবার কড়াইয়ে তেল গরম করে, বেসনের গোলায় ডুবিয়ে তেলে দিয়ে উল্টেপাল্টে মচমচে ও বাদামি রঙ করে ভেজে তেল ছেঁকে টিস্যুতে তুলে পরিবেশন করতে হবে।

 

চিকেন ব্রেস্ট কবিরাজি

 

উপকরণ : মুরগির বুকের মাংস ২ পিস, কাসুন্দি ১ টে. চামচ, রসুনবাটা ১ চা চামচ, আদাবাটা ১ চা চামচ, পেঁয়াজবাটা ১ চা চামচ, মরিচগুঁড়া আধা চা চামচ, গোলমরিচগুঁড়া আধা চা চামচ, পুঁদিনাপাতাকুচি ২ চা চামচ, ধনেপাতাকুচি ২ চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, ডিম ফেটানো ২টি, ব্রেডক্রাম আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো, তেল ভাজার জন্য।

 

 

প্রণালি : মুরগির বুকের মাংস আস্ত পাতলা কাটা। তেল, ব্রেডক্রাম ও ডিমের গোলা বাদে বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে মেরিনেড করে রাখতে হবে। এবার ব্রেডক্রামে গড়িয়ে ডিমের গোলায় ডুবিয়ে ডুবো তেলে ভেজে নিতে হবে। ওপরে আরও অল্প অল্প ফেটানো ডিম ছিটিয়ে দিয়ে দুই পাশ ভালোমতো ভেজে তুলে নিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

ব্রাউনি মিল্ক শেক
                                  

অনেক রকম মিল্ক শেক তো খাওয়া হয়েছে, এবার একটু ব্যতিক্রম কিছু হলে নিশ্চয়ই মন্দ হয় না! চলুন তবে শিখে নেয়া যাক ব্রাউনি মিল্ক শেক তৈরির উপায়।

উপকরণ : আধ কাপ ভ্যানিলা আইসক্রিম, এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ দুধ, এক কাপ ব্রাউনি ভেঙে নিন, ডাস্টিংয়ের জন্য আইসিং সুগার।

 

প্রণালি : ব্লেন্ডারে সব উপকরণ একসঙ্গে দিন। ঢাকা দিয়ে খুব কম স্পিডে দশ সেকেন্ডের মতো চালিয়ে দিন। পুরো মিশ্রণটি একেবারে মসৃণ হয়ে যাবে, সেটা না হলে আরও একবার চালিয়ে নিতে হবে। উপরে আরও খানিকটা ভাঙা ব্রাউনি ছড়িয়ে দিন। আইসিং সুগার ডাস্ট করে দিন। পছন্দের কোনো গ্লাস বা জারে ঢেলে পরিবেশন করুন।

সবজি দিয়ে তৈরি সুস্বাদু খাবার
                                  

শীতকালে সাশ্রয়ে ও খুব সহজে পাওয়া যায় নানারকম সবজি। অতিথি আপ্যায়নে কিংবা নিজেদের খাওয়ার জন্য সবজির নানারকম সুস্বাদু খাবার ঘরে বসে অনায়াসে তৈরি করতে পারেন।

বাঁধাকপি-গরুর মাংস

উপকরণ : বাঁধাকপি মাঝারি আকারের একটি, গরুর মাংস এক কেজি, মরিচগুঁড়া দুই চা-চামচ, হলুদগুঁড়া এক চা-চামচ, ধনে গুঁড়া এক চা-চামচ, পেঁয়াজ বাটা + রসুন বাটা দুই টেবিল চামচ, আদা বাটা এক টেবিল চামচ, জিরাগুঁড়া এক চা-চামচ, গরম মসলা (দারুচিনি, এলাচ, গোলমরিচ) এক টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ আস্ত চার থেকে পাঁচটি, সয়াবিন তেল ও পানি পরিমাণমতো, লবণ স্বাদমতো।

প্রস্তুতপ্রণালি : বাঁধাকপি কেটে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। চুলায় পাত্র দিয়ে প্রথমে তেল দিন, এরপর পেঁয়াজকুচি বাদামি রঙে ভেজে এতে জিরাগুঁড়া বাদে সব মসলা দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে মাংস দিয়ে দিন। মাংস সেদ্ধ হয়ে এলে তাতে বাঁধাকপি দিন। রান্না হয়ে এলে কিছুক্ষণ দমে রেখে গরম গরম পরিবেশন করুন।

সবজি পোলাও

উপকরণ : পোলাও চাল (বাসমতি চাল) ৫০০ গ্রাম, ফুলকপি আধাকাপ, ব্রকলি আধাকাপ, গাজর কিউব করে কাটা আধাকাপ, আলু কিউব করে কাটা আধাকাপ, মটরশুঁটি আধাকাপ, সবজির স্টক সাড়ে তিন কাপ, আদা বাটা এক টেবিল চামচ, রসুন বাটা এক চা-চামচ, পেঁয়াজ বাটা এক টেবিল চামচ, জিরা বাটা এক চা-চামচ, পোস্তদানা বাটা এক টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, লেবুর রস দুই টেবিল চামচ, চিনি এক চা-চামচ, দুধ আধাকাপ, কাঁচামরিচ ১০ থেকে ১২টি, তেল আধাকাপ, লবঙ্গ চারটি, দারুচিনি চার টুকরা, তেজপাতা দুইটি, এলাচ চারটি, ঘি তিন টেবিল চামচ।

প্রস্তুতপ্রণালি : ফুটন্ত পানিতে লবণ দিয়ে সব সবজি আলাদাভাবে আধা সেদ্ধ করে নিতে হবে। চাল ধুয়ে পানি ঝরাতে হবে। তেল গরম করে গরম মসলা ও তেজপাতা ফোঁড়ন দিয়ে সব বাটা মসলা কষিয়ে সবজির স্টক দিতে হবে। পানি ফুটলে লেবুর রস ও চাল দিতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে দুধ, চিনি ও কাঁচামরিচ দিয়ে ৫ থেকে ৭ মিনিট আঁচে রাখতে হবে। সব সবজি দিয়ে সবজির ওপর ঘি দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট দমে রাখতে হবে। সবজি পোলাও ভাজা, কাবাব ও মাংসের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।
বাঁধাকপি-গরুর মাংস

গরুর মাংসের কালো ভুনা
                                  
উপকরণ : গরুর মাংস ১ কেজি, সর্ষের তেল ১/৮ কাপ (মাংসে চর্বি থাকলে তেল কম করে নেবেন), পেঁয়াজ কুঁচি ১/২ কাপ, পেঁয়াজ বাটা ১/২ কাপ, মরিচ গুঁড়া ২ চা চামচ (ঝাল অনুযায়ী), হলুদ গুঁড়া ১/২ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ২ চা চামচ, জিরা গুঁড়া ১/২ চা চামচ, গরম মসলার গুঁড়া ১ চা চামচ (১/২ চা চামচ শুরুতে আর ১/২ চা চামচ নামানোর আগে), লবণ স্বাদমতো, টক দই ২ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ ৩/৪টি, এলাচ ৪/৫টি, দারুচিনি ২/৩ টুকরা, তেজপাতা ৩/৪টি, গোলমরিচ আস্ত ১ চা চামচ, লবঙ্গ ৫/৬টি। বাগারের জন্য :সর্ষের তেল ১/৮ কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি ১ কাপ, শুকনা আস্ত মরিচ ৩/৪টি, আস্ত রসুনের কোয়া ১০/১২টি।
 
প্রণালি : কালো ভুনা করার জন্য গরুর মাংসের সব অংশ মিক্স করে হাড়সহ ১ কেজি মাংস নিবেন। মাংস থেকে পানি ঝরিয়ে নিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি, পেঁয়াজ বাটা, সর্ষের তেল, গরম মসলা, লবণ, টকদই, কাঁচামরিচ, লালমরিচ গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, গরম মসলার গুঁড়া, আদা-রসুন বাটা সব মিক্স করে সঙ্গে ১/২ কাপ পানি দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। মাংসে পানি দরকার পড়বে না। তারপরও যদি দরকার পড়ে কষানোর জন্য, তাহলে পরিমাণমতো পানি দিবেন। মাংস কষিয়ে পানি বের হবে আর এই পানিতে মাংস সিদ্ধ হয়ে যাবে। মাঝে মাঝে মাংস নেড়ে দিতে হবে যেন কোনো ভাবে তলায় মসলা বা মাংস লেগে না যায়। 
 
একপর্যায়ে যখন মাংস প্রায় সিদ্ধ হয়ে লবণ, মসলা সব ঠিকঠাক মতো হয়ে আসবে আর মসলাও মাখা মাখা হয়ে আসবে, ঠিক তখনই চুলার আঁচ একদম কম করে দিতে হবে। এভাবে প্রায় ঘণ্টাখানেক  লাগতে পারে কালো ভুনা করতে। এরমাঝে মাংস নেড়ে উপর নিচ করে দিবেন কিন্তু কোনোভাবেই মসলা যেন পুড়ে না যায়। 
 
কালোভুনা মানে কালো মাংস কিন্তু পুড়া মাংস নয়, সুতরাং সেটা খেয়াল রাখতে হবে। এরমাঝে ১ কাপ পানি দিয়ে আবার মাংস কষান। এভাবে কষাতে কষাতে দেখবেন মাংস কালো কালো হয়ে আসছে আর তেলও ছেড়ে দিয়েছে। তখন ১/২ চা চামচ জিরা গুঁড়া আর বাকি ১/২ চা চামচ গরম মসলার গুঁড়া মিশিয়ে নেবেন। চুলার আঁচ কিন্তু একই থাকবে। কোনোভাবেই বাড়ানো যাবে না। অন্য প্যানে এবার বাকি সর্ষের তেল গরম করে গোটা রসুন ভেজে, আস্ত শুকনা মরিচ দিন, হালকা ভেজে পেঁয়াজ দিয়ে দিন। পেঁয়াজ যখন বাদামি হয়ে আসবে, ঠিক তখন পেঁয়াজের বাগার কালোভুনায় ঢেলে দিন। 
 
এবার ২/৩ মিনিট চুলায় রেখে নামিয়ে গরম গরম সাদা ভাত, পরোটা, পোলাও, নানের সঙ্গে পরিবেশন করুন চটগ্রামের ঐতিহ্যবাহী কালোভুনা। কালোভুনা একটু ঝাল ঝাল হয়। কেউ চাইলে ঝালের পরিমাণ কমিয়ে বাড়িয়ে নিতে পারেন।
ঈদ স্পেশাল রেসিপি
                                  
বরাবরই কোরবানি ঈদে রাঁধুনিদের মনোযোগের কেন্দ্রে থাকে গোশতের নানা আয়োজন। আপন পরিজনের পাশাপাশি অতিথি আপ্যায়নে গোশতে আয়োজনে একটু ভিন্নতা আনতে সচেষ্ট থাকেন তারা। আর তাদের আগ্রহের কথা মাথায় রেখে কড়চা সেজেছে নানারকম রেসিপি নিয়ে।
 
আফগানি পোলাও
উপকরণ : মাংস ১ কেজি, টমেটো ৩টি (ব্লেন্ড করা), পোলাওয়ের চাল ৩ কাপ, রসুন ৪-৫ কোয়া কুঁচি, পেঁয়াজ ৩টি (কুঁচি করা), আদা ১ চা চামচ (কুঁচি করা), ছোট এলাচ ৮টি, গোটা ধনে ১ চা চামচ, জিরা ১ চা চামট, লবঙ্গ ১/২ চা চামচ, লাল মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, দারুচিনি ৩টি ছোট টুকরো, কাঁচা মরিচ ২-৩টি (কুঁচি করা), গরম পানি ৭ কাপ, সাদা তেল ২ টেবিল চামচ, ঘি ২ টেবিল চামচ, কিশমিশ ১৫-২০টি, গাজর ১/৪ কাপ জুলিয়ান কাট।
 
প্রণালি : প্রথমে মাংস ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন আদা, রসুন, গোটা গরম মসলা, পেঁয়াজ, ধনে, জিরা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে ৭ কাপ পানিতে ৩০ মিনিট ধরে মাংস সিদ্ধ করে নিন। এবার মাংসের টুকরোগুলো আলাদা করে রেখে দিন। একটি পাত্রে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ দিয়ে সোনালি করে ভাজুন। এতে টমোটো কাঁচা মরিচ, লাল মরিচ গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষান। মসলা কষানো হয়ে এলে তাতে মাংসের টুকরোগুলো যোগ করুন। এর মধ্যে আগে থেকে বানিয়ে রাখা চিকেন স্টক ভালো করে ছেঁকে ঢেলে দিন। এতে চাল মিশিয়ে ফুটতে দিন। যতক্ষণ না চাল সমস্ত স্টক শুষে নিয়ে সিদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতে কিশমিশ ছড়িয়ে আরও ২-৩ মিনিট হালকা আঁচে ঢাকনা দিয়ে রান্না করুন। অল্প ঘিয়ে গাজর ভেজে নিন নরম হওয়া পর্যন্ত। পোলাওয়ের উপর ছড়িয়ে দিন। তৈরি হয়ে গেল আফগানি পোলাও।
 
বিফ পাস্তা ইন হোয়াইট সস 
উপকরণ : বিফ ১৫০ গ্রাম, পাস্তা ২৫০ গ্রাম, রসুন কুচি ১ চা চামচ, সয়া সস ২ চা চামচ, ভিনেগার ১ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, লাল হলুদ বেল পেপার ১/৪ কাপ। হোয়াইট সসের জন্য : মাখন ২ চা চামচ, ময়দা ২ চা চামচ, তরল দুধ ১ কাপ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ, লবণ ১/৪ চা চামচ।
 
প্রণালি : বিফ পাতলা স্লাইস করে কেটে নিন। সয়াসস ও ভিনেগারে মেরিনেট করে রেখে দিন ২ ঘণ্টা। বেল পেপার স্লাইস করে নিন। পাস্তা সিদ্ধ করে পানি ছেঁকে নিন। প্যানে মাখন গরম করে ময়দা ব্রাউন করে ভাজুন। এতে দুধ দিয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন। ফুটে ঘন হয়ে এলে লবণ, গোল মরিচ গুঁড়া দিয়ে নামিয়ে নিন। এবার অন্য প্যানে মাখন গলান। রসুন কুচি দিন। মেরিনেটেড বিফ দিন। ভাজা ভাজা হলে এতে বেল পেপার কুচি ও পাস্তা দিন। তৈরি করা হোয়াইট সস দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন লেটুস টমেটো দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার বিফ পাস্তা ইন হোয়াইট সস।
 
কালারফুল চিলি বি
উপকরণ : বিফ ৫০০ গ্রাম, লাল বেল পেপার ১৫০ গ্রাম, হলুদ বেল পেপার ১৫০ গ্রাম, সয়াসস ২ চা চামচ, ভিনেগার ১ চা চামচ, উস্টার সস ২ চা চামচ, টমেটো সস ১/২ কাপ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, লাল মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ ১ চা চামচ, চিনি স্বাদমতো, গোল মরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ, সাদা তেল ৩ চা চামচ।
 
প্রণালি :বিফ জুলিয়ান কাট করে কেটে নিন। এতে সয়াসস ও ভিনেগার দিয়ে মেরিনেট করুন। বেল পেপারগুলো জুলিয়ান কাট করুন। প্যানে তেল গরম করে এতে বিফ ও আদা রসুন বাটা দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজুন। পানি বের হলে ঢেকে দিন। ৫ মিনিট পর পানি শুকালে বেল পেপার ও বাকি উপকরণ দিন। সামান্য পানি দিন। আরও ৫ মিনিট অল্প আঁচে রাখুন। গরম গরম সাজিয়ে পরিবেশন করুন কালারফুল চিলি বিফ।
 
কোল্ড বিফ সালাদ উইথ রাইস নুডলস
উপকরণ : রাইস নুডলস ১০০ গ্রাম, বিফ স্লাইস ১০০ গ্রাম, সয়াসস ১ চা চামচ, উস্টার সস ১ চা চামচ, জুকিনি কয়েক পিস, চাইনিজ ক্যাবেজ ১/৪ কাপ, রসুন কুচি ২ কোয়া, বেল পেপার ১/৪ কাপ, গাজর ১/৪ কাপ, শসা ১/৪ কাপ, সাদা গোল মরিচ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, লেটুস পাতা কয়েকটা, লবণ স্বাদমতো, মাখন ১ চা চামচ, রাইস ভিনেগার ২ চা চামচ, লাল মরিচ কুচি ২ চা চামচ, চিনি ১ চা চামচ, সাদা তিল ১ চা চামচ (রোস্টেড)।
 
প্রণালি : রাইস নুডলস সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে আলাদা করে রাখুন। প্যানে মাখন,রসুন কুচি দিয়ে সামান্য ভেজে বিফ স্লাইস দিন। নেড়েচেড়ে সয়াসস উস্টার সস দিয়ে ঢেকে দিন। এতে জুকিনি, চাইনিজ ক্যাবেজ বেল পেপার ও গাজর দিন। কয়েক মিনিট নেড়েচেড়ে নামিয়ে নিন। বাকি উপকরণ টস করে মিশিয়ে নিন। উপরে রোস্টেড সাদা তিল ছড়িয়ে দিন। ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন।
 
বিফ তন্দুরি কাবাব
উপকরণ : গরুর মাংস ১ কেজি (কিমা), আদার রস ১ টেবিল চামচ, রসুনের রস ১ টেবিল চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, তন্দুরি মসলা ২ টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, চিনি ১ চা চামচ, কাশ্মিরি লাল মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, সিরকা সিকি কাপ, টক দই আধা কাপ, পেঁয়াজ বাটা সিকি কাপ, গরম মসলার গুঁড়া আধা চা চামচ, সরিষার তেল আধা কাপ, ঘি ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, লেবুর রস ২ চা চামচ, কাঠি ১২-১৫টি।
 
প্রণালি : উপরের সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে ৫-৬ ঘণ্টা মেরিনেট করুন। এবার কাঠিতে গেঁথে ওভেনের ট্রে ঘি ব্রাশ করে প্রিহিট ওভেনে ২০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেটেডে ৪০-৪৫ মিনিট রান্না করুন। মাঝে একবার ঘি ও মসলার মিশ্রণ ব্রাশ করে দিন। একপিঠ হলে উল্টে দিবেন। সিদ্ধ ও পোড়া পোড়া হলে নামিয়ে নিন। এবার ১টা ছোট বাটিতে কাঠ কয়লার আগুন ধরিয়ে ট্রের মাঝে রেখে ফয়েল পেপারে ঢেকে দিন। কিছুক্ষণ পরে ফয়েল পেপার খুলে পরিবেশন ডিশে সাজিয়ে নিন।
 
শিক কাবাব
উপকরণ : গরুর মাংস আধা কেজি (পাতলা করে কাটা), আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ২ চা চামচ, টক দই আধা কাপ, পেঁপে বাটা ১ টেবিল চামচ, কাবাব মসলা ২ চা চামচ, সাদা সরিষা বাটা ২ চা চামচ, শুকনা মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ৩ টেবিল চামচ, চিনি আধা চা চামচ, ঘি ১ টেবিল চামচ, সরিষার তেল সিকি কাপ, লবণ পরিমাণমতো, পোস্তবাটা ২ চা চামচ, বেসন ৩ টেবিল চামচ।
 
প্রণালি : ঘি বাদে সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে ৩-৪ ঘণ্টা মেরিনেট করুন। এবার শিকে গেঁথে কাঠকয়লার আগুনে ঝলসে নিন। মাঝে একবার ঘি ব্রাশ করে নিন। হয়ে গেলে পরিবেশন পাত্রে রেখে রায়তা ও নান রুটির সঙ্গে পরিবেশেন করুন।
ঈদ আয়োজনে স্পেশাল খাবারের রেসিপি
                                  
বরাবরই কোরবানি ঈদে রাঁধুনিদের মনোযোগের কেন্দ্রে থাকে গোশতের নানা আয়োজন। আপন পরিজনের পাশাপাশি অতিথি আপ্যায়নে গোশতে আয়োজনে একটু ভিন্নতা আনতে সচেষ্ট থাকেন তারা। আর তাদের আগ্রহের কথা মাথায় রেখে কড়চা সেজেছে নানারকম রেসিপি নিয়ে।
 
আফগানি পোলাও
উপকরণ : মাংস ১ কেজি, টমেটো ৩টি (ব্লেন্ড করা), পোলাওয়ের চাল ৩ কাপ, রসুন ৪-৫ কোয়া কুঁচি, পেঁয়াজ ৩টি (কুঁচি করা), আদা ১ চা চামচ (কুঁচি করা), ছোট এলাচ ৮টি, গোটা ধনে ১ চা চামচ, জিরা ১ চা চামট, লবঙ্গ ১/২ চা চামচ, লাল মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, দারুচিনি ৩টি ছোট টুকরো, কাঁচা মরিচ ২-৩টি (কুঁচি করা), গরম পানি ৭ কাপ, সাদা তেল ২ টেবিল চামচ, ঘি ২ টেবিল চামচ, কিশমিশ ১৫-২০টি, গাজর ১/৪ কাপ জুলিয়ান কাট।
 
প্রণালি : প্রথমে মাংস ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন আদা, রসুন, গোটা গরম মসলা, পেঁয়াজ, ধনে, জিরা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে ৭ কাপ পানিতে ৩০ মিনিট ধরে মাংস সিদ্ধ করে নিন। এবার মাংসের টুকরোগুলো আলাদা করে রেখে দিন। একটি পাত্রে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ দিয়ে সোনালি করে ভাজুন। এতে টমোটো কাঁচা মরিচ, লাল মরিচ গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষান। মসলা কষানো হয়ে এলে তাতে মাংসের টুকরোগুলো যোগ করুন। এর মধ্যে আগে থেকে বানিয়ে রাখা চিকেন স্টক ভালো করে ছেঁকে ঢেলে দিন। এতে চাল মিশিয়ে ফুটতে দিন। যতক্ষণ না চাল সমস্ত স্টক শুষে নিয়ে সিদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতে কিশমিশ ছড়িয়ে আরও ২-৩ মিনিট হালকা আঁচে ঢাকনা দিয়ে রান্না করুন। অল্প ঘিয়ে গাজর ভেজে নিন নরম হওয়া পর্যন্ত। পোলাওয়ের উপর ছড়িয়ে দিন। তৈরি হয়ে গেল আফগানি পোলাও।
 
বিফ পাস্তা ইন হোয়াইট সস 
উপকরণ : বিফ ১৫০ গ্রাম, পাস্তা ২৫০ গ্রাম, রসুন কুচি ১ চা চামচ, সয়া সস ২ চা চামচ, ভিনেগার ১ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, লাল হলুদ বেল পেপার ১/৪ কাপ। হোয়াইট সসের জন্য : মাখন ২ চা চামচ, ময়দা ২ চা চামচ, তরল দুধ ১ কাপ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ, লবণ ১/৪ চা চামচ।
 
প্রণালি : বিফ পাতলা স্লাইস করে কেটে নিন। সয়াসস ও ভিনেগারে মেরিনেট করে রেখে দিন ২ ঘণ্টা। বেল পেপার স্লাইস করে নিন। পাস্তা সিদ্ধ করে পানি ছেঁকে নিন। প্যানে মাখন গরম করে ময়দা ব্রাউন করে ভাজুন। এতে দুধ দিয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন। ফুটে ঘন হয়ে এলে লবণ, গোল মরিচ গুঁড়া দিয়ে নামিয়ে নিন। এবার অন্য প্যানে মাখন গলান। রসুন কুচি দিন। মেরিনেটেড বিফ দিন। ভাজা ভাজা হলে এতে বেল পেপার কুচি ও পাস্তা দিন। তৈরি করা হোয়াইট সস দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন লেটুস টমেটো দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার বিফ পাস্তা ইন হোয়াইট সস।
 
কালারফুল চিলি বি
উপকরণ : বিফ ৫০০ গ্রাম, লাল বেল পেপার ১৫০ গ্রাম, হলুদ বেল পেপার ১৫০ গ্রাম, সয়াসস ২ চা চামচ, ভিনেগার ১ চা চামচ, উস্টার সস ২ চা চামচ, টমেটো সস ১/২ কাপ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, লাল মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ ১ চা চামচ, চিনি স্বাদমতো, গোল মরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ, সাদা তেল ৩ চা চামচ।
 
প্রণালি :বিফ জুলিয়ান কাট করে কেটে নিন। এতে সয়াসস ও ভিনেগার দিয়ে মেরিনেট করুন। বেল পেপারগুলো জুলিয়ান কাট করুন। প্যানে তেল গরম করে এতে বিফ ও আদা রসুন বাটা দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজুন। পানি বের হলে ঢেকে দিন। ৫ মিনিট পর পানি শুকালে বেল পেপার ও বাকি উপকরণ দিন। সামান্য পানি দিন। আরও ৫ মিনিট অল্প আঁচে রাখুন। গরম গরম সাজিয়ে পরিবেশন করুন কালারফুল চিলি বিফ।
 
কোল্ড বিফ সালাদ উইথ রাইস নুডলস
উপকরণ : রাইস নুডলস ১০০ গ্রাম, বিফ স্লাইস ১০০ গ্রাম, সয়াসস ১ চা চামচ, উস্টার সস ১ চা চামচ, জুকিনি কয়েক পিস, চাইনিজ ক্যাবেজ ১/৪ কাপ, রসুন কুচি ২ কোয়া, বেল পেপার ১/৪ কাপ, গাজর ১/৪ কাপ, শসা ১/৪ কাপ, সাদা গোল মরিচ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, লেটুস পাতা কয়েকটা, লবণ স্বাদমতো, মাখন ১ চা চামচ, রাইস ভিনেগার ২ চা চামচ, লাল মরিচ কুচি ২ চা চামচ, চিনি ১ চা চামচ, সাদা তিল ১ চা চামচ (রোস্টেড)।
 
প্রণালি : রাইস নুডলস সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে আলাদা করে রাখুন। প্যানে মাখন,রসুন কুচি দিয়ে সামান্য ভেজে বিফ স্লাইস দিন। নেড়েচেড়ে সয়াসস উস্টার সস দিয়ে ঢেকে দিন। এতে জুকিনি, চাইনিজ ক্যাবেজ বেল পেপার ও গাজর দিন। কয়েক মিনিট নেড়েচেড়ে নামিয়ে নিন। বাকি উপকরণ টস করে মিশিয়ে নিন। উপরে রোস্টেড সাদা তিল ছড়িয়ে দিন। ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন।
 
বিফ তন্দুরি কাবাব
উপকরণ : গরুর মাংস ১ কেজি (কিমা), আদার রস ১ টেবিল চামচ, রসুনের রস ১ টেবিল চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, তন্দুরি মসলা ২ টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, চিনি ১ চা চামচ, কাশ্মিরি লাল মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, সিরকা সিকি কাপ, টক দই আধা কাপ, পেঁয়াজ বাটা সিকি কাপ, গরম মসলার গুঁড়া আধা চা চামচ, সরিষার তেল আধা কাপ, ঘি ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, লেবুর রস ২ চা চামচ, কাঠি ১২-১৫টি।
 
প্রণালি : উপরের সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে ৫-৬ ঘণ্টা মেরিনেট করুন। এবার কাঠিতে গেঁথে ওভেনের ট্রে ঘি ব্রাশ করে প্রিহিট ওভেনে ২০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেটেডে ৪০-৪৫ মিনিট রান্না করুন। মাঝে একবার ঘি ও মসলার মিশ্রণ ব্রাশ করে দিন। একপিঠ হলে উল্টে দিবেন। সিদ্ধ ও পোড়া পোড়া হলে নামিয়ে নিন। এবার ১টা ছোট বাটিতে কাঠ কয়লার আগুন ধরিয়ে ট্রের মাঝে রেখে ফয়েল পেপারে ঢেকে দিন। কিছুক্ষণ পরে ফয়েল পেপার খুলে পরিবেশন ডিশে সাজিয়ে নিন।
 
শিক কাবাব
উপকরণ : গরুর মাংস আধা কেজি (পাতলা করে কাটা), আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ২ চা চামচ, টক দই আধা কাপ, পেঁপে বাটা ১ টেবিল চামচ, কাবাব মসলা ২ চা চামচ, সাদা সরিষা বাটা ২ চা চামচ, শুকনা মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ৩ টেবিল চামচ, চিনি আধা চা চামচ, ঘি ১ টেবিল চামচ, সরিষার তেল সিকি কাপ, লবণ পরিমাণমতো, পোস্তবাটা ২ চা চামচ, বেসন ৩ টেবিল চামচ।
 
প্রণালি : ঘি বাদে সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে ৩-৪ ঘণ্টা মেরিনেট করুন। এবার শিকে গেঁথে কাঠকয়লার আগুনে ঝলসে নিন। মাঝে একবার ঘি ব্রাশ করে নিন। হয়ে গেলে পরিবেশন পাত্রে রেখে রায়তা ও নান রুটির সঙ্গে পরিবেশেন করুন।
রকমারি কেক
                                  
হালকা নাস্তা বা অনুষ্ঠান উদযাপনেও কেকের কেকের কদর রয়েছে সবখানে। এক্ষেত্রে সাধারণত বেকারির ওপরেই ভরসা করেন সবাই। তবে চাইলে ঘরেও বসে মজাদার স্বাদের কেক তৈরি করতে পারেন আপনি নিজেই। এমনই ৪ রকমের কেকের রেসিপি নিয়ে রইল এ আয়োজন। রেসিপিগুলো দিয়েছেন খুরশিদা রনী ও ছবি তুলেছেন রহমান লিমু
 
অরেঞ্জ কেক
 
উপকরণ :ময়দা ১৫০ গ্রাম, ডিম ৩টা, চিনি ১৫০ গ্রাম, কর্নফ্লাওয়ার ২০ গ্রাম, বেকিং পাউডার ৫ গ্রাম, অরেঞ্জ জুস ৫০ মি.লি., অরেঞ্জ জেস্ট ৫ গ্রাম, হুইপড ক্রিম ৫০০ মি.লি., আইসিং সুগার ১৫০ গ্রাম, ভ্যানিলা অ্যাসেন্স ৫ গ্রাম, ফুড কালার কয়েক ফোঁটা (ইয়েলো/অরেঞ্জ), সাজানোর জন্য মাল্টা স্লাইস ও চেরি।
 
প্রণালি :ডিমের সাদা ও হলুদ অংশ আলাদা করুন। কুসুমের সঙ্গে চিনি বিট করে মেশান। চিনি গলে না যাওয়া পর্যন্ত নাড়ুন। এবার অরেঞ্জ জুস দিন। এতে ময়দা, কর্নফ্লাওয়ার, বেকিং পাউডার দিয়ে হালকা করে মেশান। অরেঞ্জ জেস্ট দিন। সাদা অংশ ফোম করে নিন। এবার সেটাও মিশিয়ে দিন। ব্যস কেক ব্যাটার রেডি। প্রি-হিটেড ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি তাপে বেক করুন। ২০-২৫ মিনিটেই কেক হয়ে যাবে। কেক ঠাণ্ডা হলে ক্রিম দিয়ে সাজান।
 
কালারফুল কাপ কেক
 
উপকরণ :ডিম ২টি, ময়দা ১/২ কাপ, বাটার ১/৪ কাপ, ক্যাস্টর সুগার ১/২ কাপ, বেকিং পাউডার ১/২ চা চামচ, গুঁড়া দুধ ৩ চা চামচ, তরল দুধ ৪ চা চামচ, ফুড কালার কয়েক ফোঁটা, ভ্যানিলা অ্যাসেন্স ১/২ চা চামচ, সাজানোর জন্য বাটার ক্রিম ও সুইট বল পরিমাণমতো।
 
প্রণালি :একটা বোলে চিনি ও বাটার ফেটিয়ে নিন। একটা একটা করে ডিম মেশান আর ফেটাতে থাকুন। তরল দুধ দিয়ে আবারও মেশান। এবার ময়দায় বেকিং পাউডার, গুঁড়া দুধ আলতো করে মেশান। ডো রেডি হয়ে গেলে এবার একে আলাদা আলাদা বাটিতে নিয়ে ফুড কালার দিন। কাপ কেক মোল্ড রেডি করুন। ওভেন প্রি-হিট করে নিন। মোল্ডে কালারড ডো পর পর ঢেলে দিন। ১৮০ ডিগ্রি তাপে ২০-২৫ মিনিট বেক করুন। কাপ কেক ঠাণ্ডা হলে ক্রিম ও সুইট বল দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
 
ব্ল্যাক ফরেস্ট কেক
 
উপকরণ :ময়দা ১/৪ কাপ, ডিম ৩টি, কোকো পাউডার ১/৪ কাপ, গুঁড়া দুধ ৪ চা চামচ, কফি পাউডার ১ চা চামচ, চিনি ১/২ কাপ, বেকিং পাউডার ১/২ চা চামচ, লিক্যুইড চকলেট ১০০ মি.লি., বাটার ২০০ গ্রাম, আইসিং সুগার ১০০ গ্রাম, ভ্যানিলা ৫ গ্রাম, চকলেট স্পিংকেলস সাজানোর জন্য, চেরি সাজানোর জন্য।
 
প্রণালি :ডিম চিনি ইলেকট্রিক বিটারে ফেটিয়ে নিন। ময়দা কোকো পাউডার বেকিং গুঁড়া দুধ একত্রে ঢেলে নিন। কফি পাউডারে ১/৪ কাপ গরম পানিতে গুলে নিন।
ডিমের মিশ্রণে অল্প অল্প করে ময়দার মিশ্রণ দিন। শেষ হলে গোলানো কফি দিয়ে আবারও নেড়ে মেশান। গোলা ৬ ইঞ্চি ২টি কেক প্যানে ডো ২ ভাগে ভাগ করে ঢেলে বেক করুন এতে কেক ভালো হবে। ক্রিম বানাতে বাটার, আইসিং সুগার বিট করে নিন। ভ্যানিলা অ্যাসেন্স দিন। স্টার নজেল দিয়ে পছন্দমতো ডিজাইন করে নিন। চকলেট ও চেরি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
 
মার্বেল কেক
 
উপকরণ :ডিম ২টি, ময়দা ১/২ কাপ, বাটার ১০০ গ্রাম, চিনি ১/২ কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ২ চা চামচ, গুঁড়া দুধ ২ চা চামচ, বেকিং পাউডার ১/২ চা চামচ, কোকো পাউডার ২ চা চামচ, ভ্যানিলা অ্যাসেন্স ১ চা চামচ।
 
প্রণালি :বাটার ও চিনি ফেটিয়ে একে একে ডিম যোগ করুন। কোকো পাউডার বাদে সব উপকরণ একে একে মেশাতে হবে। আলাদাপাত্রে ১/২ কাপ পরিমাণ ব্যাটারে কোকো পাউডার মেশান। কেক মোল্ড গ্রিজ করে নিন। কেক ব্যাটার ও কোকো পাউডার মিশ্রিত ব্যাটার পর পর সাজিয়ে দিন। এবার প্রি-হিটেড ওভেনে বেক করুন।
নবাবি সংস্কৃতি ও সুখাদ্যের শহর
                                  
বাঙালির খাবার মানেই ভাতের সঙ্গে শাক, ডাল, মাছ। সেই আদিকাল থেকেই তো তাই। এই তো মাত্র ৭০০ বছর আগে ‘প্রাকৃতপৈঙ্গলে’ অজ্ঞাতনামা এক কবি লিখেছিলেন -‘ওগগরভত্তা রম্ভঅপত্তা, গাইকঘিত্তা দুদ্ধসজুতা।/ মোইণিমচ্ছা ণালিচগচ্ছা, দিজ্জই কন্তা খা পুণবন্তা। অর্থাত্ ‘কলার পাতায় ঢালা ফেনসহ গরম ভাত, কিছু গাওয়া ঘি, গরম দুধ, ময়না মাছ, নালিতা শাক (পাট শাক) স্ত্রী পরিবেশন করছে, পুণ্যবান খাচ্ছে।’ বাঙালির খাবার মানে তো এই। কিন্তু সেই বাঙালির পাত এখন শুধু মাছে ভাতে থেমে নেই। সেই পাতে উঠে এসেছে মোঘলদের রসুই ঘরের সব মেনু।

 

পুরনো ঢাকা হোক বা লখনৌ, দিল্লির চাঁদনি চক হোক অথবা কলকাতার পার্ক সার্কাস খিদিরপুরের অখ্যাত কোন গলি, পাকিস্তানের করাচি, লাহোর — সবখানেই বিরিয়ানি, রেজালার ঘ্রাণ জানাবে আমন্ত্রণ। এখানকার রেস্টুরেন্টগুলো মোঘল খাবারের আসল স্বাদ নিয়ে হাজির থাকে সবসময়। বাতাসে জাফরানের খুশবু, কাবাবের পোড়া গন্ধ, বরফ মেশানো লসিসর মাদকতায় নিজেকে না জড়িয়ে পারবেন না। যতই বলুক মাছে ভাতে বাঙালি, ধ্যাত্তেরি বলে ঘিয়ে জড়ানো বিরিয়ানিতে হাত ডোবাতেই হয়। এখন অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে উত্সবে, অনুষ্ঠানে, বন্ধুদের আড্ডায়, অতিথি আপ্যায়নে — হিন্দু মুসলমান      নির্বিশেষে সবার রসুই ঘর দখল করে নিয়েছে মোঘলদের খাবার।

 

মোঘল রসুইঘর বৃত্তান্ত

 

নবাবি সংস্কৃতি ও সুখাদ্যের শহর বলতে প্রথমেই যে নামটি আসে তা হলো উত্তর ভারতের অযোধ্যার লখনৌ। এখানকার নবাবরা মধ্য এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর ভারতের রান্নার সঙ্গে মোঘল রান্নার রন্ধনশৈলী মিলিয়ে নতুন নতুন খাবার তৈরি করেছিলেন। এর পাশাপাশি কাশ্মিরি, পাঞ্জাবি ও হায়দ্রাবাদের নবাবদের হাত ধরে কাবাব, কোরমা, কালিয়া, বিরিয়ানি, শিরমাল, নেহারি, তাফতান রুটি, রুমালি রুটি, বাকরখানি, জর্দা, লাসসি, শরবতের নানা প্রকারভেদ যেমন সৃষ্টি হয় তেমনি নতুন নতুন মেনুও উঠে আসে। শুধু খাবার কেন পান সাজানো ও পানের উপাদানেও মোঘল প্রভাব রয়েছে।

 

‘ঢাকাই খাবার ও খাদ্য সংস্কৃতি’ বইয়ে লেখক সাদ উর রহমান বলছেন, ‘মোঘল ও ব্রিটিশ আমলে নবাবদের খাদ্য বিলাসিতা ও শখ দেখে বাবুর্চিরা নতুন নতুন রান্না সৃষ্টি করতেন।’ এক বাবুর্চি বানিয়েছিলেন আনার দানার পোলাও। যার প্রতিটি দানা অর্ধেক সাদা, অর্ধেক লাল আর কাঁচের মতো ঝকঝকে। আরেকজনের আবিষ্কার নবরতন পোলাও যা নয়টা রঙের চাল দিয়ে তৈরি।

 

অযোধ্যার নবাব আবুল কাশেম খান ছিলেন সৌখিন স্বভাবের মানুষ। তার বাড়িতে খুব মসলাদার পোলাও রান্না হতো। ৩৪ সের মাংস ফুটিয়ে রস বের করে তাতে সেদ্ধ করা হতো চাল। যা মুখে দিলেই মনে হতো সব দানা গলে হজম হয়ে গিয়েছে। এত হালকা ছিল যে বোঝার উপায় থাকত না তাতে এতকিছু মেশানো হয়েছিল। এরচেয়েও আকর্ষণীয় পোলাও নাকি নবাব ওয়াজেদ আলী শাহের বেগম খাসমহল সাহেবাদের জন্য রান্না করতেন। আর নবাব হোসেন আলী খান ছিলেন উঁচু দরের ভোজন রসিক। তার বাড়িতে প্রায় ২০ রকম পোলাও রান্না হতো। এ জন্য তার নামই হয়ে গিয়েছিল ‘চাওয়াল ওয়ালে’।

 

লখনৌয়ের নবাব আলী খান একদিন তার এক বন্ধুকে খাবার পাঠালেন। দেখা গেল সেটা আস্ত কাঁচা কুমড়া। তিনি হতাশ হয়ে তার রাঁধুনিকে বললেন, কাল এটা রেঁধে দিতে। নবাবের কর্মচরী বললেন, হুজুর, এটা রান্না করা। নবাবের বন্ধু সেটা মুখে দিয়ে বুঝতে পারলেন কী অপূর্ব তার স্বাদ।

 

ঘি নিয়ে রয়েছে এমনি এক মজার গল্প। অযোধ্যার নবাব গাজী উদ্দিন হায়দার পরোটা খেতে ভালোবাসতেন। তার বাবুর্চি প্রতিদিন ছয়টা পরোটা ভাজতেন। পরোটা পিছু নিতেন পাঁচ সের করে মোট ৩০ সের ঘি। সন্দেহ হলে উজির জিগ্যেস করলেন এত ঘি লাগে কেন? বাবুর্চি বললো, পরোটা ভাজি। উজির তখন তার সামনে বানাতে বললেন। বাবুর্চি পরোটা বানালেন। ঘি যা বাঁচলো তা ফেলে দিলেন। উজির বাবুর্চিকে জিগ্যেস করলেন সব ঘি তো লাগলো না। বাবুর্চি জবাব দিল, এই ঘি তো তেল হয়ে গেছে। এটা আর কোনো কাজে লাগবে না। উজির ঘি দেয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিলেন। এরপর পরোটারও স্বাদও গেল কমে। খবর গেল নবাবের কাছে। স্বাদ কমে যাওয়ার কারণে উজিরকেই তিরস্কার করলেন নবাব। বাবুর্চি আগের মতোই ঘি পেতে লাগলেন। ফিরে এলো পরোটার স্বাদ!

 

এই বাবুর্চিদের হাতযশ অনেকটা কল্প কাহিনীর মতো। লখনৌয়ের এক বাবুর্চি ‘বাদাম কা সালান’ বানাতেন (বাদামের সবজি)। যা খেতে নাকি অপূর্ব ছিল। কোনো কোনো বাবুর্চি করলার মোসাল্লাম বানাতেন; যা দেখতে কাঁচা ছিল। একমাত্র কেটে খেলে বোঝা যেত তার স্বাদ। বাবুর্চি পীরের নাম ছিল অড়হর ডালের জন্য। নবাবদের পছন্দের এই ডালকে বলা হতো সুলতানি ডাল।

 

বাঙালির রসু্ইঘরে মোঘল মেনু

 

মুসলিমদের হাত ধরে মধ্যযুগে বাঙালি সমাজের একটি অংশে নতুন ধরনের খাবারের রীতি চালু হয়। খুব ধীরে হলেও খাবারের অভ্যাসে বদল ঘটতে শুরু করে। উপ-মহাদেশের বাইরে থেকে আসা বাদশা, নবাব, আমীররা পারস্য এবং পশ্চিম ও কেন্দ্রীয় এশিয়া থেকে রান্নার ঐতিহ্য নিয়ে এসেছিল। ভারতের মধ্যযুগের ইতিহাসে তুর্কি মোঘলদের আধিপত্য। তুর্কিরাই দিল্লিতে সুলতান শাহী প্রতিষ্ঠার মূলে ছিলেন। ১৫২৬ সালে মোগল যুগের সূচনার আগে বাবরের পূর্ব পুরুষ তৈমুর ছিলেন বরলাস নামের মোঙ্গল গোত্রের মানুষ। তাদের আদিবাস ছিল বর্তমানের দক্ষিণ কাজাখিস্তানে। কালক্রমে মোঘলরা তুর্কিদের সঙ্গে মিশে যান। চেঙ্গিস খান মুসলমান ছিলেন না। মুসলমান হয়েছেন অনেক পরে। মুসলমান হওয়ার পরে তুর্কি ও মোঘলরা উন্নত ইরানি বা পারস্য সংস্কৃতির সংস্পর্শে আসেন। এতে ভারতে মোঘল বাদশাহদের মধ্যে পারসিক সভ্যতার প্রভাব ছিল বেশি। যা তাদের খাবার রান্না ও তা পরিবেশনের রীতিতে দেখা যায়।

 

গোলাম মুরশিদের ‘হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি’ গ্রন্থে বলা হয়েছে, মোঘলদের এসব রান্না কখন যে বৃহত্তর বাঙালি সমাজে স্থান করে নিয়েছে তা ঠিকঠাক জানা যায় না। গোলাম হোসেন সালিম তার গ্রন্থ ‘রিয়াজ-উস-সালাতীন’ বইয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, এ দেশের উঁচু-নিচু সবাই মাছ, ভাত, সর্ষের তেল, দই, ফল আর মিঠাই ক্ষেতে পছন্দ করে। প্রচুর লাল মরিচ এবং লবণ তাদের পছন্দ। তারা আদৌ গমের রুটি খায় না। ঘিয়ের রান্না খাসি এবং মোরগের মাংস তাদের মোটেই সহ্য হয় না।’

 

মুকুন্দরামের চণ্ডীমঙ্গল, বিজয়গুপ্তের মনসামঙ্গল আর নারায়ণ দেবের পদ্মাপুরাণ থেকে ইঙ্গিত মেলে মুসলিমরা মাংস খেত। আর মোরগ জবাই করে মোল্লারা পয়সা পেত। এসব লেখা থেকে ইংরেজ আমল শুরুর আগ পর্যন্ত বাঙালিরা যেসব খাবার খেত তার বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যায়। সেখান থেকে জানা যায়, বাঙালি পরিবারগুলোতে শাক, মাছ ও সবজি এবং মিষ্টি খাওয়ার প্রচলন ছিল। উনিশ শতকের শুরুতে ঈশ্বর গুপ্তের লেখায় হিন্দু বাড়িতেও পোলাও যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল সে বর্ণনা পাওয়া যায়।

 

ঢাকায় মোঘলদের খাবার

 

ঢাকার নবাবরা এসেছিলেন ভারতের কাশ্মির থেকে। কাশ্মিরি নবাবি রান্নার সঙ্গে স্থানীয় রান্নার বিভিন্ন উপকরণের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে তারা খাবার বৈচিত্র্যময় করে তুলেছিলেন। এসব বাদশাহি ও নবাবি খাবার দীর্ঘদিনের অভ্যাসে ঢাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে যা এখন ঢাকাই খাবার নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে। এশিয়াটিক সোসাইটি প্রকাশিত ‘ঢাকাই খাবার’ গ্রন্থে বলা হয়েছে, নবাবদের রসুইঘরে বাবুর্চিদের মাধ্যমে মোঘলদের এসব খাবারের বিস্তৃতি ঘটে। খাবার তৈরির দিক থেকে ঢাকার বর্তমান বাবুর্চিরা মোঘল আমলের ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন। ঢাকার জনপ্রিয় বেশিরভাগ খাবার এসেছে মোঘলদের রেসিপি থেকে। এই বাবুর্চিদের হাত ধরে সাধারণের মাঝে ছড়িয়েছে। তবে এসব খাবার জনপ্রিয়তা পেয়েছে ইংরেজ আমলের শেষ দিকে।

 

ঢাকার শাহী বিরিয়ানি

 

মোঘলদের খাবারের কথায় সবার প্রথমে থাকে বিরিয়ানি। ঢাকায় এই বিরিয়ানি এসেছিল নবাবদের হাত ধরে। সদরঘাটের নবাববাড়িতে লখনৌ থেকে বাবুর্চি আনা হয়েছিল বিরিয়ানি রান্নার জন্য। সেই বাবুর্চির হাত ধরেই বাংলাদেশে বেশ কিছু বাবুর্চিও লখনৌ বিরিয়ানি ধারার সূত্রপাত হয়। তাদের শিষ্যরাই ঢাকায় এখনো বাঁচিয়ে রেখেছে শাহী বিরিয়ানি ঘরানাকে। তবে কমিউনিটি সেন্টারগুলোর সাশ্রয়ী খাবার বানানোর চাপে আসল শাহী বিরিয়ানি হারিয়ে যেতে বসেছে। এ নিয়ে আক্ষেপ করছিলেন এসময়ের জনপ্রিয় বাবুর্চি আলহাজ মোঃ পিন্টু মিয়া। তিনি বললেন, লখনৌ-এর মূল শাহী বিরিয়ানি হারিয়েই যেতে বসেছে। এখন সেই বিরিয়ানি খুব কম বাড়িতেই রান্নার ডাক পাই। বাবুর্চিকে স্বাধীনতা না দিলে ভাল স্বাদের জিনিস হবে না। এটা কেউ বোঝে না। কিন্তু একসময় পুরনো ঢাকায় শাহী বিরিয়ানির কদর ছিল। এখন সস্তা খাবার পরিবেশনের চাপে সেই স্বাদ হারিয়েই যাচ্ছে। কিন্তু নান্নু মিয়া, তার ছেলে সুব্রত মিয়া, নাজির মিয়া, মনু মিয়ারা ঢাকা শহরে শাহী বিরিয়ানির নামজাদা বাবুর্চি ছিলেন। পরে পিচ্চু মিয়া, তার ছেলে রুস্তম মিয়াও খুব ভাল বিরিয়ানি বানাতেন।

 

বাংলাদেশে নানা ধরনের বিরিয়ানির স্বাদ পেতে হলে যেতে হবে পুরনো ঢাকায়। এখানকার স্বনামধন্য বাবুর্চিরাই ঐতিহ্যবাহী বিরিয়ানির বনেদিয়ানাকে টিকিয়ে রেখেছেন। স্বনামধন্য বিরিয়ানি হাউজ যেমন রয়েছে তেমনি ছোট ছোট বিরিয়ানির দোকানগুলোর রান্নাও বেশ সুস্বাদু। কাজী আলাউদ্দিন রোড, নাজিমুদ্দিন রোড, উর্দু রোড, বংশাল, সিদ্দিকবাজার, চকবাজার, রায়সাহেব বাজার, নবাবপুর, কোতোয়ালি, ইসলামপুর, ওয়ারী, মালিটোলা ও মৌলভীবাজার এলাকায় বিরিয়ানির দোকানগুলো গড়ে উঠেছে।

 

ভালো মান ও স্বাদের জন্য ফখরুদ্দিন বাবুর্চির নাম রয়েছে। ফখরুদ্দিন বাবুর্চির বিরিয়ানি তো দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে ইউরোপ, আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া ধানমণ্ডির পিন্টু বাবুর্চিরও রয়েছে সুনাম। এর পাশাপাশি স্টার কাবাবের বিরিয়ানি কম দামে ভাল মানের বিরিয়ানি হিসাবে বেশ জনপ্রিয় ভোজনরসিকদের কাছে। এছাড়াও বিরিয়ানির খুব নাম কাজী আলাউদ্দিন রোডের হাজির বিরিয়ানি, হানিফ বিরিয়ানি, মৌলভীবাজার রোডের নান্না মিয়ার বিরিয়ানি, উর্দু রোডের রয়েল বিরিয়ানি, নর্থ-সাউথ রোডের আল রাজ্জাক, কোতোয়ালির কাশ্মির বিরিয়ানি হাউস, বিক্রমপুর কাচ্চি বিরিয়ানি, সুরিটোলার রহিম বিরিয়ানি, নাজিমুদ্দিন রোডের মামুন বিরিয়ানি ঢাকায় বিখ্যাত। এ ছাড়া কালামস কিচেন, ক্যাফে ইউসুফ, ইসলামিয়া রেস্তোরাঁ, আল-ইসলাম রেস্টুরেন্ট, ঘরোয়া হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, মতিঝিল ঘরোয়া হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, বাবুর্চিখানা ও কড়াই-গোস্ত’র বিরিয়ানির কদর কম নয়।

 

বিরিয়ানির পাশাপাশি রয়েছে মোরগ মোসাল্লাম, খাসির রেজালা, মোরগ ও খাসির রোস্ট, কোফতা, কালিয়া, কোর্মা, জাহাজি কালিয়া প্রভৃতি। এছাড়া কাবাবের সমারোহ তো রয়েছেই। এসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পারসন্দের শিক কাবাব, টিকিয়া ও শামি কাবাব, জালি কাবাব, নার্গিস কাবাব, বটি কাবাব, শিক কাবাব প্রভৃতি।
কোরবানিতে গরুর মাংসের সেরা চার পদ
                                  

সামনেই আসছে কোরবানির ঈদ। গৃহিণী সমাজে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। আদা রসুন পেঁয়াজ বাটা হচ্ছে কিনা, ফ্রিজে মাংস রাখার যথেষ্ট জায়গা আছে কিনা ইত্যাদি নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত আমাদের রাঁধুনিসমাজ।

ঈদের দিন মেহমান এবং আত্মীয় স্বজনদের কোন কোন পদ দিয়ে আপ্যায়ন করবেন সেই চিন্তায় ঘুম হারাম কিংবা সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন? তবে আপনার জন্যই আমাদের আজকের এই আয়োজন। চলুন আজ দেখে নেই গরুর মাংসের কিছু সাধারণ রেসিপি যা আপনার রন্ধনকৌশলের সুখ্যাতি এনে দিতে বাধ্য।

মেজবানি মাংস

mejbani-mangso

 

চট্টগ্রামের বিখ্যাত মেজবানি মাংসের কথা শুনেছেন আশা করি। অনেকের ধারণা বাসায় এত মজা করে মেজবানি মাংস রান্না করা অসম্ভব। তাদের জন্য আশার বাণী হল মেজবানি মাংস বাসায় রান্না করলেও বাবুর্চির হাতে রান্না টেস্ট পাবেন। আজ তেমনই একটা রেসিপি আপনাদের জন্য দেখানো হল। চলুন, দেখে নিই কি সেই স্পেশাল রেসিপি?

প্রয়োজনীয় উপকরণঃ

  • ২-৩ কেজি গরুর মাংস ছোট ছোট টুকরো করে কাটুন এবং ভাল করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
  • মোটামুটি এক কেজি পেঁয়াজ, অর্ধেক কুচি করা বাকি অর্ধেক বাটা
  • ১০০ গ্রাম আদাবাটা এবং ১০০ গ্রাম রসুন বাটা
  • ২/৩ চামচ হলুদ মরিচ
  • ১ চামচ শাহি জিরা এবং ধনিয়া গুড়া
  • ৫০ গ্রাম সাদা সরিষাবাটা
  • ৫০ গ্রাম চিনাবাদামবাটা
  • ২০০ গ্রাম নারকেলবাটা
  • কাশ্মীরি শুকনা মরিচ। এতে ঝালের চেয়ে রংটা সুন্দর আসে
  • ১ কেজি সরিষার তেল
  • লবণ স্বাদমত
  • ঝালের জন্য ১০-১২ টা কাঁচামরিচ দিতে পারেন।
  • ১ টেবিলচামচ চিনি এবং ৫/৬ টা তেজপাতা
  • ৫/৬ টা ভাজা আলু দিতে  পারেন আপনার ইচ্ছামত

এখন আমরা একটা স্পেশাল মসলার কথা  বলবো যেটাকে বলতে পারেন মেজবানি মাংসের প্রাণ। স্পেশাল এই মশলার জন্যই মেজবানি মাংস এতটা স্পেশাল। চলুন দেখে নেই কিভাবে ঘরে বসেই তৈরি করবেন এই মশলা

  • ৫-৬ টা লবঙ্গ, ৩-৪ টা এলাচ, ৩ টুকরো দারুচিনি, ২/৩ চামচ জয়ত্রি, ২/৩ চামচ পোস্তদানা, জয়ফল, গোলমরিচ ৬/৭ টা। এবার সব একসাথে পানি দিয়ে বেটে পেস্ট করে নিন।

প্রস্তুত প্রণালীঃ

চিনি, পেঁয়াজ কুচি আর তেজপাতা বাদে বাকি সকল উপকরণ দিয়ে মাংস মাখিয়ে নিন  এবং ১ ঘন্টা রাখুন। একটা কড়াইয়ে তেল দিন এবং তেল তপ্ত  হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর কুচানো পেঁয়াজ এবং তেজপাতা দিয়ে হালকা লাল না হওয়া পর্যন্ত ভাজতে থাকুন। এবার মাখান মাংসটা ঢেলে দইন। ৫-৬ মিনিট কষান। এবার বেশি করে পানি দিয়ে ঢেকে দিন। মাংস অল্প আঁচে সেদ্ধ করুন। মনে রাখবেন ঢাকনাটা যেন ভাল করে বন্ধ করা থাকে। হয়ে ভাজা আলু দিয়ে নামিয়ে ফেলুন। হয়ে গেল সুস্বাদু মেজবানি মাংস, গরম ভাত কিংবা পরোটা দিয়ে খেতে পারেন

জালি কাবাব

jali-kabab-2

 

কোরবানির ঈদ। আত্মীয় স্বজন মেহমানদের আপ্যায়নে জালি কাবাবের তুলনাই হয় না। তাই এই কোরবানে গৃহিণীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে জালি কাবাব। তো চলুন দেখে আসি কিভাবে তৈরি করবেন লোভনীয় মোঘলাই জালি কাবাব।

প্রয়োজনীয় উপকরণঃ

গরুর মাংস ১ কাপ (একদম ছোট ছোত টুকরো করবেন যাতে সেদ্ধ হতে বেশি সময় না নেয়), মসুরের ডাল ১ মুঠের কম, ছোলার ডাল ১ মুঠ, ইচ্ছে হলে ১টা ছোট আলুও দিতে পারেন, কাঁচামরিচ কুচি স্বাদমত, লবণ স্বাদমত, ১/২ কাপ মিহি করে কাটা পেঁয়াজ কুচি, আদা রসুন বাটা ২ চা চামচ, টমেটো সস ১ চা চামচ, জিরা এবং ধনিয়া বাটা মিক্স ১ চা চামচ, সামান্য হলুদ, গরম মশলা এবং এলাচ বাটা ১ চা চামচ, ডিম ১ টি।

প্রস্তুত প্রণালীঃ

লোহার কড়াই বা প্রেশার কুকারে পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, অর্ধেক গরম মশলা বাদে বাকি সব সেদ্ধ করুন। সিদ্ধ হলে পানি শুকিয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন পানি যেন না থাকে এবং ঝরঝরে হয় যেন। এবার পাটা কিংবা ব্লেন্ডারে মিহি করে ব্লেন্ড করুন। এবার পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ এবং বাকি মশলা দিয়ে ভাল করে নরম করে মেখে নিন। ১২-১৩ টা কাবাব তৈরি করুন। এবার ডিমটি কসুম সহ ফাটিয়ে নিন সাতেহ ৪-৫ ফোঁটা পানি মিশিয়ে নিন। কাবাবগুলো ডিমে চুবিয়ে ডুবো তেলে বাদামী করে ভাজুন। মনে রাখবেন কাবাব যত ভাল করে ডিমে ডোবাবেন তত ভাল জালি জালি ভাবটা আসবে। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল মজাদার জালি কাবাব। পরিবেশন করুন বিরিয়ানী, তেহারি, কাচ্চি কিংবা শুধু সস দিয়ে।

গরুর মাংসের কালো ভুনা

kalo-vuna-1

 

kalo-vuna-2

 

সারা বছর কম বেশি আমরা সবাই পুরান ঢাকা যাই গরুর কালো ভুনা খেতে। এই কোরবানে লোভনীয় এই কালো ভুনা খেতে পারবেন নিজে বাসায় সহস্তে রান্না করে। চলুন দেখে নেই গরুর মাংসের কালো ভুনার রেসিপি।

প্রয়োজনীয় উপকরণঃ

গরুর মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ ফালি ১ কাপ, কালো গোল মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, আদা রসুন বাটা ১ চা চামচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, মরিচ গুঁড়া, জয়ফল জয়ত্রি গুঁড়া, এলাচ গুঁড়া, ভাজা জিরা গুঁড়া সবই ১ টেবিল চামচ, সরিষার তেল পরিমাণ মত, কাচামরিচ ইচ্ছামত, লবণ স্বাদমত।

প্রস্তুত প্রণালীঃ

তেল এবং পেঁয়াজ ছাড়া আর বাদ বাকি সব উপকরণ মাংসে মাখিয়ে কিছুক্ষণ (১ ঘন্টা) রাখুন। এবার মাংস চুলায় কিংবা প্রেশার কুকারে বসান। কিছুক্ষণের মাঝে মাংস থেকে পানি বের হয়ে এলে দেখবেন পানি টানতে শুরু করবে এবং আপনি বুঝবেন মাংস সেদ্ধ হয়ে এসেছে। মাংস মোটামুটি শুকিয়ে এলে নামিয়ে ফেলুন এবং একটা কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ কাঁচামরিচ দিয়ে দিন। পেঁয়াজ হালকা ভেজেই মাংস দিয়ে দিন এবং অল্প আঁচে ভাজতে থাকুন। এমনভাবে ভাজবেন যেন মাংসের মশলা শুকিয়ে তেল উপড়ে উঠে আসবে কিন্তু খেয়াল রাখবেন মাংস যেন শক্ত না হয়ে যায়। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল মজাদার গরুর কালো ভুনা। গরম গরম পরোটা দিয়ে পরিবেশন করুন।

গরুর মাংসের কিমা কাঠি কাবাব

kima-kathi-kabab

জালি কাবাবের পর কিমা কাঠি কাবাব সবচেয়ে জনপ্রিয়। মজাদার এই কাবাব বানানোর রেসিপিটা দেখে নিন।

প্রয়োজনীয় উপকরণঃ

গরুর মাংসের কিমা আধা কেজি, আদা বাটা, রসুন বাটা, কাবাব মশলা, গরম মশলা বাটা, লেবুর রস সবই ১ চা চামচ করে, পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ, কাঁচামরিচ ইচ্ছামত, তেল ১ কাপ, গোল মরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, দুধ ৪ টেবিল চামচ, পাউরুটি ২ টুকরো, বসেল লিফ ১ চা চামচ, লবণ স্বাদমত।

প্রস্তুত প্রণালীঃ

প্রথমে পুরো দুধটুকুই একটা পেয়ালায় ঢেলে নিন এবং এতে ভালভাবে পাউরুতি ভিজিয়ে নিন। এবার পাউরুটির দলাটুকু কিমার সাতেহ মেখে নিন। অন্যান্য মশলা এবং রুটি মিশ্রিত কিমা একসাথে ভালভাবে মেখে ঘন্টাখানেক ঢেকে রেখে দিন। এবার হাতের মুঠি ভরে কিমার দলা নিয়ে কাবাব বানিয়ে শিকে গেঁথে নিন। এবার কড়াইয়ে তেল দিন। তেল তপ্ত হলে এতে কাবাবের শিক্তি লাল লাল করে ভাজুন। ব্যস হয়ে গেল মজাদার মাংসের কিমা কাবাব। লুচি, পরোটা কিংবা বিরিয়ানির সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন।

স্বাস্থ্যকর দুটি স্যুপের রেসিপি
                                  

যদিও স্যুপ বাঙালি খাবার না কিন্তু আমরা অনেকেই এটি খেতে খুব ভালোবাসি। এছাড়াও স্বাস্থ্যকর ডায়েট চার্ট করতে একটা স্যুপ অবশ্যই রাখা উচিত। স্যুপে তেল ব্যবহার করা হয় না এবং চর্বি থাকে না বলে এটি একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। যেকোনো রোগের পথ্য হিসেবেও স্যুপ অত্যন্ত উপকারী। চলুন জেনে নেই চমৎকার স্বাদের স্যুপের রেসিপি।

ভেজিটেবল চিকেন অ্যান্ড পাস্তা স্যুপ

উপকরণ :
চিকেন স্টক ৮ কাপ, মুরগির বুকের মাংস টুকরো ১ কাপ, পাস্তা ২৫০ গ্রাম, আদা কুচি আধা চা চামচ, রসুন কুচি আধা চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়ো আধা চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, গাজর, ফুলকপি, ক্যাপসিকাম টুকরো আধা কাপ, টমেটো পেস্ট আধা চা চামচ, টমেটো কেচাপ আধা চা চামচ, পেঁয়াজ ফালি ২ টেবিল চামচ, সেলারি কুচি ২ টেবিল চামচ, টেস্টিং সল্ট আধা চা চামচ, চিনি আধা চা চামচ, তেল ২ টেবিল চামচ।

প্রণালি :
হাঁড়িতে তেল দিয়ে গরম হলে আদা-রসুন কুচি দিয়ে ভাজুন। এবার মুরগির মাংস দিয়ে ভাজুন। সব রকম সবজি দিয়ে দুই মিনিট ভেজে স্টক ঢেলে দিন। ফুটে উঠলে টমেটো পেস্ট, টমেটো কেচাপ ও পাস্তা দিন। লবণ, গোলমরিচ দিন। পাস্তা সিদ্ধ হলে চিনি দিয়ে নামিয়ে নিন।


টমেটো ক্রিম স্যুপ

উপকরণ:
টমেটো আধা কেজি, হোয়াইট সস পাতলা ২ কাপ, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ, চিনি ১ চা-চামচ বা পরিমাণমতো, লবণ পরিমাণমতো, স্বাদলবণ আধা চা-চামচ, আদাকুচি ১ চা-চামচ, পেঁয়াজকুচি ১ টেবিল চামচ, ডিম ১টি, ফিশ সস ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ২টি, সাদা গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ।

প্রণালি:
টমেটো ধুয়ে টুকরা করে আদা, কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ দিয়ে ২ কাপ পানি দিয়ে অল্প সেদ্ধ করে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। আরো ২ কাপ পানি মিশিয়ে ছেঁকে অল্প অল্প করে হোয়াইট সস মিলিয়ে লবণ, চিনি, স্বাদলবণ, ফিশ সস, গোলমরিচ দিয়ে চুলায় দিন।

ফুটে উঠলে ডিম ফেটিয়ে আস্তে আস্তে গরম স্যুপের ওপর ঢালতে হবে আর নাড়তে হবে। গরম স্যুপ সার্ভিং ডিশে ঢেলে ওপরে ক্রিম দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আমড়ার টক আচার
                                  

আমড়ার টক আচার

উপকরণ: আমড়া ১২টি, সিরকা ১ কাপ, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, পাঁচফোড়ন ১ টেবিল-চামচ, আদা বাটা আধা চা-চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, সরিষার তেল পৌনে এক কাপ, লবণ স্বাদমতো, শুকনা মরিচ ২টি।

প্রস্তুত প্রণালি: আমড়া খোসা ফেলে টুকরা করে সিরকায় ১০-১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে তুলে নিন। এবার হলুদ ও লবণ দিয়ে এক দিন কড়া রোদে শুকিয়ে নিন। গরম তেলে সব মসলা, আমড়া ও সিরকা দিয়ে নাড়ুন। আচার হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন।

বর্ষায় যে খাবার না খেলে আফসোস হয়
                                  

বৃষ্টির বিকেল মানেই যেন বিলাসিতার বিকেল। বিকেল বেলা বারান্দায় বসে টিপ টিপ বৃষ্টি দেখতে দেখতে কিছু খাওয়ার মজাই আলাদা।

কী খেতে পারেন বৃষ্টির বিকেলে? জেনে নিন কিছু রেসিপি।

মুড়ি মাখানো:

মুড়ি মাখানো পছন্দ নয় এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। আর দিনটি যদি হয় বৃষ্টিভেজা, তাহলে মুচমুচে মুড়ির স্বাদ না নেওয়াটা অন্যায়ই হবে।

যা যা লাগবে: মুড়ি, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কুঁচি, ধনেপাতা কুচি, টমেটোকুচি, চানাচুর, আচারের তেল, লেবুর রস, কাসুন্দি(ইচ্ছে হলে)

বানানোর পদ্ধতি: প্রথমে মুড়ি ছাড়া বাকি সব উপকরণ একসাথে ভালো করে মাখিয়ে নিন।তারপর তাতে মুড়ি যোগ করুন। বৃষ্টিভেজা বিকেলেটা বেশ জমে যাবে মাখানো মুড়ির সাথে।

মুরগীর পাকোড়া:

মুরগীর মাংস বলতেই অনেকের জিভে জল আসে, সেখানে মুচমুচে মুরগীর মাংস মানেই সুস্বাদ। জেনে নিন মুরগীর মাংসের পাকোড়ার রেসিপি।

যা যা লাগবে: হাড়ছাড়া মুরগীর মাংস ১ কাপ, আদা-রসুন বাটা ১ চা চামচ, গরম মশলা গুঁড়ো ১ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ৩ চা চামচ, মরিচ বাটা ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১চিমটি, আলু সেদ্ধ ১ কাপ, পাউরুটির পিস প্রয়োজনমতো, লবণ স্বাদমতো, তেল ভাজার জন্য।

বানানোর পদ্ধতি: আলু সেদ্ধ করে ভালো করে ম্যাশ করে নিন। মাংসগুলো কিমা করে নিন।তারপর সেটা সিদ্ধ করে নিন।

একটি বড় পাত্রে পাউরুটি ছাড়া সব উপকরণ একসাথে মাখান। ছোট ছোট টুকরা করে পাউরুটি দিয়ে মিশ্রণটি শক্ত করে নিন। তারপর চ্যাপ্টা বা গোল আকারে গড়ে নিয়ে ডুবোতেলে ভেজে তুলুন। একটি কিচেন টিস্যুতে ছড়িয়ে রাখুন পাকোড়াগুলো। তাহলে বাড়তি তেল শুষে যাবে। এবার সস বা মেয়োনেজের সাথে পরিবেশন করুন।

ধোঁয়া উঠা এক কাপ চা : ঠান্ডা ঠান্ডা বৃষ্টিভেজা বিকেলে এক কাপ গরম গরম চা হলে কিন্তু মন্দ হয় না।

যা যা লাগবে: দুধ ১/২ লিটার, চিনি স্বাদমতো, এলাচি- ২টি, চায়ের লিকার প্রয়োজনমতো।

বানানোর পদ্ধতি: দুধে এলাচদানা দিয়ে জ্বাল দিয়ে দুধ ঘন করে নিন। দুধ ঘন হয়ে আসলে চায়ের লিকার দিয়ে দিন। বেশ কিছুক্ষণ জ্বাল দিয়ে চা ঘন হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এরপর স্বাদমতো চিনি মিশিয়ে বৃষ্টির আওয়াজ শুনতে শুনতে উপভোগ করুন এক কাপ ধোঁয়া উঠা গরম চা।

মাখন তৈরী করুণ বাড়িতেই
                                  

খাবারের স্বাদ বাড়াতে মাখনের বিকল্প নেই। স্বার আর পুষ্টিতে ভরা মাখন সকালের নাস্তায় অনেকেই খেয়ে থাকেন। সেসব মাখন বাজার থেকে কিনে আনা হয়। কিন্তু বাজার থেকে কেনা মাখনে পুষ্টিগুণ নাও থাকতে পারে। আপনি খুব সহজেই ঘরে বসে তৈরি করে নিতে পারেন মাখন। আর সেজন্য প্রয়োজন মাত্র দুটি উপকরণ। চলুন জেনে নেই-

উপকরণ : দুধের সর অথবা মালাই, পানি।

প্রণালি : প্রতিদিনের দুধ থেকে মালাই বা দুধের সর আলাদা করে জমিয়ে রাখুন। নরমাল ফ্রিজে এই মালাই ২-৩ দিন রাখতে পারবেন। তবে ড্রিপ ফ্রিজে এটি ১০-১৫ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে পারবেন। এবার একটি ফুড প্রসেসর নিন। ফুড প্রসেসরে মালাই দিয়ে দিন। এর সাথে আধা কাপ পানি দিয়ে ব্লেন্ড করুন (একটি বড় বোলের এক বোল দুধের সর বা মালাইয়ের জন্য আধকাপ পানি)।


   Page 1 of 10
     খাবার
দারুণ স্বাদের দুধ বাদাম দিয়ে!
.............................................................................................
গাজরের কয়েকটি রেসিপি
.............................................................................................
চিকেন গ্রিল-উইংস ফ্রাই
.............................................................................................
রোজায় বাহারী ইফতারের আয়োজন
.............................................................................................
ব্রাউনি মিল্ক শেক
.............................................................................................
সবজি দিয়ে তৈরি সুস্বাদু খাবার
.............................................................................................
গরুর মাংসের কালো ভুনা
.............................................................................................
ঈদ স্পেশাল রেসিপি
.............................................................................................
ঈদ আয়োজনে স্পেশাল খাবারের রেসিপি
.............................................................................................
রকমারি কেক
.............................................................................................
নবাবি সংস্কৃতি ও সুখাদ্যের শহর
.............................................................................................
কোরবানিতে গরুর মাংসের সেরা চার পদ
.............................................................................................
স্বাস্থ্যকর দুটি স্যুপের রেসিপি
.............................................................................................
আমড়ার টক আচার
.............................................................................................
বর্ষায় যে খাবার না খেলে আফসোস হয়
.............................................................................................
মাখন তৈরী করুণ বাড়িতেই
.............................................................................................
ঈদ স্পেশাল রেসিপি
.............................................................................................
পুর ভরা আলুর চপ
.............................................................................................
ভুনা গোশত
.............................................................................................
ঈদে সেমাইয়ের নানা পদ
.............................................................................................
নিজেই তৈরি করুন ‘কালো জামের শরবত’
.............................................................................................
ফ্রুট ককটেল
.............................................................................................
চিকেন ক্রিম চীজ কাবাব
.............................................................................................
ইফতারে ভিন্ন স্বাদে ‘স্বাস্থ্যকর’ নানা পদ
.............................................................................................
সেহেরীতে রাখুন স্বাস্থ্যকর খাবার
.............................................................................................
কম সময়ে রান্না করুন জর্দা-পোলাও!
.............................................................................................
ঘরেই তৈরি করুন হালিম
.............................................................................................
ফল দিয়ে আইসক্রিম
.............................................................................................
ভুলেও গরম করবেন না যে খাবার!
.............................................................................................
চকোলেট আইসক্রিম তৈরি করবেন যেভাবে
.............................................................................................
খোসাসহ আমের আচার তৈরি করবেন যেভাবে
.............................................................................................
কাঁচা ও পাকা আমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
.............................................................................................
হার্টের জন্য ক্ষতিকর খাবার
.............................................................................................
ভিন্নধর্মী বেগুনের ডিশ বেগুন মশলা
.............................................................................................
দেহের ‌`শক্তিঘর` লিচু
.............................................................................................
কাঁচা আমের কয়েকটি আচার
.............................................................................................
যে ৬ ধরনের খাবার খেতে নিষেধ করেন সব পুষ্টিবিদেরাই
.............................................................................................
স্বাস্থ্যকর নাশতায়...
.............................................................................................
এই সময়ে শিশুর খাবার
.............................................................................................
ভেজা কাঠবাদাম খাবেন যে ৮ কারণে
.............................................................................................
হালকা মশলায় সুস্বাদ: চিকেন কিমা পোলাও
.............................................................................................
মধুর গুণের শেষ নেই
.............................................................................................
খালিপেটে ভুল করেও যেসব খাবার নয়
.............................................................................................
যে খাবার মন ভালো রাখে!
.............................................................................................
গরমের ঠাণ্ডাই
.............................................................................................
ঝাল ঝাল প্যান কেক
.............................................................................................
মেজবানি মাংস ঘরেই তৈরি করুন
.............................................................................................
ভেজালের বাজারে নির্ভেজাল আম চিনার উপায়
.............................................................................................
ঝটপট তৈরি হবে স্ট্রবেরি ইয়োগার্ট
.............................................................................................
পারফেক্ট চিকেন মোমো তৈরি করে নিন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]