| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   নগর - মহানগর -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
দশ হাজার কিমি. নদী খননের পরিকল্পনা

দেশের ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথের নাব্য বাড়ানোর খসড়া মহাপরিকল্পনা তৈরি করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এর আওতায় ১৭৮টি নদী খনন (ড্রেজিং) করা হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে এ কর্মযজ্ঞ শেষ করতে চায় সংস্থাটি।

খসড়া পরিকল্পনায় প্রাধান্য পেয়েছে হাওর, পার্বত্য ও দক্ষিণাঞ্চলের ৮০টি নদ-নদী। এর মধ্যে বরিশাল ও খুলনা বিভাগে রয়েছে অর্ধশত নদী খনন। এ কর্মযজ্ঞে মোট ব্যয় হবে ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি। যদিও এত বিশাল নৌপথ খনন করার মতো সক্ষমতা ও জনবল এই মুহূর্তে সংস্থাটির নেই। এদিকে ড্রেজিং কার্যক্রম বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে তদারকিও বাড়িয়েছে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি নদী খননের আগে ও পরে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ করে রেকর্ড রাখা বাধ্যতামূলক করে একটি পরিপত্র জারি করেছে। এ পরিপত্রে নদী খননে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ১৬ দফা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিআইডব্লিউটিএ আশা করছে, এ বিশাল কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হবে। সমুদ্র বন্দরগুলো থেকে নৌপথেই দেশের বিভিন্ন স্থানে পণ্য পরিবহন করা যাবে। পাশাপাশি ফসল উৎপাদনে সেচ সুবিধা ও মাছচাষ অনেকগুন বেড়ে যাবে। পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটবে।

সংস্থাটির ড্রেজিং বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সংস্থাটির তিনটি প্রকল্প চলমান আছে। এগুলোর আওতায় তিন হাজার ৩১৫ কিলোমিটার নদী খনন কাজ চলছে। আরও দুটি মেগা প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। শিগগিরই এ দুটি প্রকল্পের আওতায় এক হাজার ৩৯৩ কিলোমিটার খনন শুরু হবে। বাকি নদীগুলো খননে নতুন প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। নতুন-পুরাতন সব প্রকল্পের আওতায় ১০ হাজার ৫০০ কিলোমিটার নৌপথ খনন করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মোজাম্মেল হক যুগান্তরকে বলেন, সরকারের দুটি পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথমত, ঢাকার চার পাশের নদী বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী দখল ও দূষণমুক্ত করে চলাচলের উপযোগী করা। দ্বিতীয়ত, ১০ হাজার কিলোমিটার নদী খনন করা। আমরা এ দুটি পরিকল্পনা সামনে রেখে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছি। তিনি বলেন, ঢাকার চার পাশের নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে। মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী বিআইডব্লিউটিএ এ চার নদীর যেখানে নাব্য সংকট রয়েছে সেখানে খনন, বর্জ্য উত্তোলন, নদীর তীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণ, যেসব স্থানে নদীর প্রশস্ততা কম সেখানে তা বাড়ানো হবে। অপর দিকে আরেকটি মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী, ১৭৮টি নদীর ১০ হাজার কিলোমিটার খনন করবে বিআইডব্লিউটিএ। পাশাপাশি বন্দরগুলোতে অবকাঠামো উন্নয়নেও পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের সামনে অর্থায়ন, জনবল ও সক্ষমতাসহ নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে সবার সহযোগিতা পেলে তা বাস্তবায়ন করা একেবারে অসম্ভব তা বলা যাবে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংস্থাটির একাধিক কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে দেশে বর্ষাকালে নৌপথের পরিমাণ ছয় হাজার কিলোমিটার। শুষ্ক মৌসুমে তা কমে দাঁড়ায় চার হাজার থেকে সাড়ে চার হাজার কিলোমিটারে। তারা জানান, গত ১০ বছরে সবমিলিয়ে দেড় হাজার কিলোমিটার নৌপথের নাব্য ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আর আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খনন করার মতো সক্ষমতা নেই।

এর কারণ প্রসঙ্গে তারা জানান, এসব নদী খননে সংস্থার যে জনবল ও যন্ত্রপাতি প্রয়োজন তা নেই। বর্তমানে সংস্থাটির বহরে ৩৫টি ড্রেজার রয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি প্রায়ই নষ্ট থাকে। আরও ৪৫টি ড্রেজার সংগ্রহ করা হচ্ছে। বহরে থাকা ৩৫টি ড্রেজারে প্রয়োজনের তুলনায় ৩০-৪০ শতাংশ জনবল কম রয়েছে। ফলে এসব ড্রেজার দিয়ে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ পলি অপসারণ করা যায় না। অপর দিকে প্রতি বছর নদী রক্ষণাবেক্ষণে এক কোটি থেকে এক কোটি ২০ লাখ ঘনমিটার পলি অপসারণ করতে হয় সংস্থাটিকে। ফলে বেসরকারি খাতের ড্রেজারের ওপর নির্ভরশীল হতে হচ্ছে।

তারা বলেন, প্রতি বছরই নদী রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি নাব্য উন্নয়ন কাজ করতে হবে। ফলে পাঁচ বছরে ১০ হাজার কিলোমিটার নতুন নদী খনন করা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। খসড়া কর্মপরিকল্পনায় দেখা গেছে, উল্লেখযোগ্য প্রকল্পের মধ্যে এক হাজার ৯২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে অভ্যন্তরীণ নৌ-পথের ৫৩টি রুটে ক্যাপিটাল ড্রেজিং (প্রথম পর্যায়ে ২৪টি নৌপথ খনন) প্রকল্পের আওতায় ২৪টি নদী খননের কাজ চলছে। এর আওতায় দুই হাজার ৪৭০ কিলোমিটার নৌপথ উন্নয়নে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের কাজ ৫০ শতাংশ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি ৫০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২টি নদীর ৬৩৫ কিলোমিটার ও ৯৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে মোংলা থেকে চাঁদপুর হয়ে রূপপুর পর্যন্ত নৌপথ খনন কাজ চলছে। বাকি নৌপথ সরকারের এ মেয়াদে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা ধরা হয়েছে।

আরও দেখা গেছে, বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় চট্টগ্রাম থেকে আশুগঞ্জ হয়ে বরিশাল পর্যন্ত ৯৬০ কিলোমিটার নৌপথ উন্নয়নে খননকাজ আগামী বছর শুরু হবে। এতে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে তিন হাজার ২০০ কোটি টাকা। ২০২৫ সালের মধ্যে এ প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তুলাই ও পুনর্ভবা- এই চার নদীর ৪৯৩ কিলোমিটার খননে চার হাজার ৩৭১ কোটি টাকার প্রকল্প কয়েক মাস আগে অনুমোদন পেয়েছে। এটির বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৪ সালের জুন মাস। এ ছাড়া গোমতী নদীর ৯৫ কিলোমিটার খননে ৭৯৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে।

অন্যদিকে জিনাই, ঘাঘট, বংশী ও নাগদা নদী খনন ও বন্যা ব্যবস্থপনায় চার হাজার ৮১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। এটির বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে চলতি বছর থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত।

আরও দেখা গেছে, সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও রাঙ্গামাটি-থেগামুখ পর্যন্ত ২৫২ কিলোমিটার নৌপথ খনন ও পুনরুদ্ধারে সমীক্ষা চালানো হয়েছে। এসব নদী খননে এক হাজার ৩১৩ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া পার্বত্য তিন জেলার ১২টি নদীর ৭০০ কিলোমিটার খননে সমীক্ষা চালানো হয়েছে। এ ১২টি নদী খননে চার হাজার কোটি টাকা সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে। খুলনা বিভাগের ১২টি নদীর ৬৫০ কিলোমিটার খনন, রক্ষণাবেক্ষণ, বন্দর অবকাঠামো নির্মাণে সাত হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য ব্যয় ধরে ডিপিপি প্রস্তুতের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। আর বরিশাল বিভাগের ৩১টি নদী খনন, রক্ষণাবেক্ষণ, বন্দর অবকাঠামো নির্মাণে ছয় হাজার ৫০০ কোটি টাকা সম্ভাব্য ব্যয় ধরে আরেকটি ডিপিপি প্রস্তুতে পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। এর বাইরে আগামী অর্থবছরে আরও ৪৭টি নদী খননের জন্য সমীক্ষা চালানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

নদী ড্রেজিংয়ে স্বচ্ছতা রাখতে ১৬ নির্দেশনা : সম্প্রতি নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় নদী খননে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ১৬ দফা নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্রি জারি করেছে। নৌপরিবহন সচিব আবদুস সামাদ স্বাক্ষতির পরিপত্রে বলা হয়েছে, নদী খননের পলি কোনোভাবেই নদীতে ফেলা যাবে না। নদী খননের আগে ও খননের পরে যৌথ জরিপ করতে হবে, যাতে নির্ধারিত গভীরতা অর্জিত হয়েছে কিনা তা যাচাই করা যায়। তীর ও ঢাল যথাযথ সংরক্ষণ করে নদীর তলদেশে সুষম খনন করতে হবে। যত্রতত্র খনন করা যাবে না। খননের পলি স্তূপাকারে রাখতে হবে যাতে তা নদীতে ধুয়ে নামতে না পারে। এ ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক নিষ্কাশন ব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। এ ছাড়া পরিপত্রে নদীর পলি ব্যবস্থাপনায় বেশ কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

 
 
দশ হাজার কিমি. নদী খননের পরিকল্পনা
                                  

দেশের ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথের নাব্য বাড়ানোর খসড়া মহাপরিকল্পনা তৈরি করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এর আওতায় ১৭৮টি নদী খনন (ড্রেজিং) করা হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে এ কর্মযজ্ঞ শেষ করতে চায় সংস্থাটি।

খসড়া পরিকল্পনায় প্রাধান্য পেয়েছে হাওর, পার্বত্য ও দক্ষিণাঞ্চলের ৮০টি নদ-নদী। এর মধ্যে বরিশাল ও খুলনা বিভাগে রয়েছে অর্ধশত নদী খনন। এ কর্মযজ্ঞে মোট ব্যয় হবে ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি। যদিও এত বিশাল নৌপথ খনন করার মতো সক্ষমতা ও জনবল এই মুহূর্তে সংস্থাটির নেই। এদিকে ড্রেজিং কার্যক্রম বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে তদারকিও বাড়িয়েছে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি নদী খননের আগে ও পরে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ করে রেকর্ড রাখা বাধ্যতামূলক করে একটি পরিপত্র জারি করেছে। এ পরিপত্রে নদী খননে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ১৬ দফা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিআইডব্লিউটিএ আশা করছে, এ বিশাল কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হবে। সমুদ্র বন্দরগুলো থেকে নৌপথেই দেশের বিভিন্ন স্থানে পণ্য পরিবহন করা যাবে। পাশাপাশি ফসল উৎপাদনে সেচ সুবিধা ও মাছচাষ অনেকগুন বেড়ে যাবে। পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটবে।

সংস্থাটির ড্রেজিং বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সংস্থাটির তিনটি প্রকল্প চলমান আছে। এগুলোর আওতায় তিন হাজার ৩১৫ কিলোমিটার নদী খনন কাজ চলছে। আরও দুটি মেগা প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। শিগগিরই এ দুটি প্রকল্পের আওতায় এক হাজার ৩৯৩ কিলোমিটার খনন শুরু হবে। বাকি নদীগুলো খননে নতুন প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। নতুন-পুরাতন সব প্রকল্পের আওতায় ১০ হাজার ৫০০ কিলোমিটার নৌপথ খনন করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মোজাম্মেল হক যুগান্তরকে বলেন, সরকারের দুটি পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথমত, ঢাকার চার পাশের নদী বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী দখল ও দূষণমুক্ত করে চলাচলের উপযোগী করা। দ্বিতীয়ত, ১০ হাজার কিলোমিটার নদী খনন করা। আমরা এ দুটি পরিকল্পনা সামনে রেখে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছি। তিনি বলেন, ঢাকার চার পাশের নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে। মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী বিআইডব্লিউটিএ এ চার নদীর যেখানে নাব্য সংকট রয়েছে সেখানে খনন, বর্জ্য উত্তোলন, নদীর তীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণ, যেসব স্থানে নদীর প্রশস্ততা কম সেখানে তা বাড়ানো হবে। অপর দিকে আরেকটি মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী, ১৭৮টি নদীর ১০ হাজার কিলোমিটার খনন করবে বিআইডব্লিউটিএ। পাশাপাশি বন্দরগুলোতে অবকাঠামো উন্নয়নেও পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের সামনে অর্থায়ন, জনবল ও সক্ষমতাসহ নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে সবার সহযোগিতা পেলে তা বাস্তবায়ন করা একেবারে অসম্ভব তা বলা যাবে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংস্থাটির একাধিক কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে দেশে বর্ষাকালে নৌপথের পরিমাণ ছয় হাজার কিলোমিটার। শুষ্ক মৌসুমে তা কমে দাঁড়ায় চার হাজার থেকে সাড়ে চার হাজার কিলোমিটারে। তারা জানান, গত ১০ বছরে সবমিলিয়ে দেড় হাজার কিলোমিটার নৌপথের নাব্য ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আর আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খনন করার মতো সক্ষমতা নেই।

এর কারণ প্রসঙ্গে তারা জানান, এসব নদী খননে সংস্থার যে জনবল ও যন্ত্রপাতি প্রয়োজন তা নেই। বর্তমানে সংস্থাটির বহরে ৩৫টি ড্রেজার রয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি প্রায়ই নষ্ট থাকে। আরও ৪৫টি ড্রেজার সংগ্রহ করা হচ্ছে। বহরে থাকা ৩৫টি ড্রেজারে প্রয়োজনের তুলনায় ৩০-৪০ শতাংশ জনবল কম রয়েছে। ফলে এসব ড্রেজার দিয়ে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ পলি অপসারণ করা যায় না। অপর দিকে প্রতি বছর নদী রক্ষণাবেক্ষণে এক কোটি থেকে এক কোটি ২০ লাখ ঘনমিটার পলি অপসারণ করতে হয় সংস্থাটিকে। ফলে বেসরকারি খাতের ড্রেজারের ওপর নির্ভরশীল হতে হচ্ছে।

তারা বলেন, প্রতি বছরই নদী রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি নাব্য উন্নয়ন কাজ করতে হবে। ফলে পাঁচ বছরে ১০ হাজার কিলোমিটার নতুন নদী খনন করা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। খসড়া কর্মপরিকল্পনায় দেখা গেছে, উল্লেখযোগ্য প্রকল্পের মধ্যে এক হাজার ৯২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে অভ্যন্তরীণ নৌ-পথের ৫৩টি রুটে ক্যাপিটাল ড্রেজিং (প্রথম পর্যায়ে ২৪টি নৌপথ খনন) প্রকল্পের আওতায় ২৪টি নদী খননের কাজ চলছে। এর আওতায় দুই হাজার ৪৭০ কিলোমিটার নৌপথ উন্নয়নে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের কাজ ৫০ শতাংশ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি ৫০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২টি নদীর ৬৩৫ কিলোমিটার ও ৯৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে মোংলা থেকে চাঁদপুর হয়ে রূপপুর পর্যন্ত নৌপথ খনন কাজ চলছে। বাকি নৌপথ সরকারের এ মেয়াদে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা ধরা হয়েছে।

আরও দেখা গেছে, বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় চট্টগ্রাম থেকে আশুগঞ্জ হয়ে বরিশাল পর্যন্ত ৯৬০ কিলোমিটার নৌপথ উন্নয়নে খননকাজ আগামী বছর শুরু হবে। এতে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে তিন হাজার ২০০ কোটি টাকা। ২০২৫ সালের মধ্যে এ প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তুলাই ও পুনর্ভবা- এই চার নদীর ৪৯৩ কিলোমিটার খননে চার হাজার ৩৭১ কোটি টাকার প্রকল্প কয়েক মাস আগে অনুমোদন পেয়েছে। এটির বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৪ সালের জুন মাস। এ ছাড়া গোমতী নদীর ৯৫ কিলোমিটার খননে ৭৯৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে।

অন্যদিকে জিনাই, ঘাঘট, বংশী ও নাগদা নদী খনন ও বন্যা ব্যবস্থপনায় চার হাজার ৮১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। এটির বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে চলতি বছর থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত।

আরও দেখা গেছে, সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও রাঙ্গামাটি-থেগামুখ পর্যন্ত ২৫২ কিলোমিটার নৌপথ খনন ও পুনরুদ্ধারে সমীক্ষা চালানো হয়েছে। এসব নদী খননে এক হাজার ৩১৩ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া পার্বত্য তিন জেলার ১২টি নদীর ৭০০ কিলোমিটার খননে সমীক্ষা চালানো হয়েছে। এ ১২টি নদী খননে চার হাজার কোটি টাকা সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে। খুলনা বিভাগের ১২টি নদীর ৬৫০ কিলোমিটার খনন, রক্ষণাবেক্ষণ, বন্দর অবকাঠামো নির্মাণে সাত হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য ব্যয় ধরে ডিপিপি প্রস্তুতের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। আর বরিশাল বিভাগের ৩১টি নদী খনন, রক্ষণাবেক্ষণ, বন্দর অবকাঠামো নির্মাণে ছয় হাজার ৫০০ কোটি টাকা সম্ভাব্য ব্যয় ধরে আরেকটি ডিপিপি প্রস্তুতে পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। এর বাইরে আগামী অর্থবছরে আরও ৪৭টি নদী খননের জন্য সমীক্ষা চালানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

নদী ড্রেজিংয়ে স্বচ্ছতা রাখতে ১৬ নির্দেশনা : সম্প্রতি নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় নদী খননে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ১৬ দফা নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্রি জারি করেছে। নৌপরিবহন সচিব আবদুস সামাদ স্বাক্ষতির পরিপত্রে বলা হয়েছে, নদী খননের পলি কোনোভাবেই নদীতে ফেলা যাবে না। নদী খননের আগে ও খননের পরে যৌথ জরিপ করতে হবে, যাতে নির্ধারিত গভীরতা অর্জিত হয়েছে কিনা তা যাচাই করা যায়। তীর ও ঢাল যথাযথ সংরক্ষণ করে নদীর তলদেশে সুষম খনন করতে হবে। যত্রতত্র খনন করা যাবে না। খননের পলি স্তূপাকারে রাখতে হবে যাতে তা নদীতে ধুয়ে নামতে না পারে। এ ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক নিষ্কাশন ব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। এ ছাড়া পরিপত্রে নদীর পলি ব্যবস্থাপনায় বেশ কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

 
 
জ্বালাতন থেকে বাঁচতে পরিকল্পিত হত্যা
                                  

রাজধানীর নটর ডেম কলেজের ছাত্র ইয়োগেন হেনসি গোন সালভেজ হত্যার প্রধান আসামি সখিনা বেগম সবিতাকে (২৬) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৩। শনিবার রাতে মুগদা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ১২ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে রাজধানীর সবুজবাগের কদমতলার হীরাঝিল মসজিদ গলির ৭৭/এ নম্বর বাসার নিচ তলার একটি ঘর থেকে ইয়োগেনের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

র‌্যাব জানিয়েছে, সখিনা বেগম সবিতার করা এক মামলায় সাক্ষী ছিল ইয়োগেন সালভেস। সাক্ষী হওয়ার সুবাদে সবিতার কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিত সে। একপর্যায়ে তা মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। জ্বালাতন থেকে বাঁচার জন্য পরিকল্পিতভাবে ইয়োগেনকে ১২ ফেব্রুয়ারি হত্যা করে সবিতা। সবিতার গ্রামের বাড়ি গাজীপুরের ছোটকয়ের এলাকায়। সে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি পাস করে ঢাকা জজ কোর্টে শিক্ষানবিস আইনজীবী।

একটি কোচিং সেন্টারেও পড়াত সে। এ বাসা ভাড়া করেছিল সবিতা। ইয়োগেনের পিঠে ও পেটে ১৫টিসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের কোতোয়ালির পাথরঘাটায়। তবে থাকত ঢাকার নারিন্দা এলাকায় মামাতো বোন শিপ্রার বাসায়। র‌্যাব জানিয়েছে, নিহত ইয়োগেনের সঙ্গে সবিতার ২০১৩ সালে পরিচয়। ২০১৭ সালে ইয়োগেন নটর ডেম কলেজে পড়ার সময় তাদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। জাফর উল্লাহ নামে এক আইনজীবীর সঙ্গে পরিচয় ছিল সবিতার।

সবিতার দেয়া তথ্যমতে, জাফরের বিরুদ্ধে হয়রানি ও প্রতারণার মামলা করে সবিতা। ওই মামলার সাক্ষী ছিল ইয়োগেন। সাক্ষী হওয়ায় ইয়োগেন তার কাছে বিভিন্ন সময় টাকা দাবি করত। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সবিতাকে ভয়ভীতি দেখাত সে। পরে জাফরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে রাজি হয় সে। কিন্তু ইয়োগেনের আশঙ্কা ছিল সাক্ষ্য দিলে জাফর তার ক্ষতি করতে পারে। এজন্য আলাদা একটি বাসা ভাড়া করে দেয়ার জন্য সবিতাকে অনুরোধ করে। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে সবুজবাগের কদমতলার হীরাঝিলের ওই বাসা ভাড়া নেয় সবিতা। তবে বাসায় ওঠেনি ইয়োগেন। সবিতার কাছে বাসা ভাড়ার অগ্রিম আট হাজার টাকা দাবি করে। এছাড়া মাদক সেবনের জন্যও টাকা দাবি করত নিয়মিত। এতে বিরক্ত হয়ে ইয়োগেনকে হত্যার পরিকল্পনা করে সবিতা। হত্যার উদ্দেশ্যে ৫ ফেব্রুয়ারি পুরান ঢাকা থেকে ৪৫০ টাকায় একটি ব্যাগ ও ৬৫০ টাকায় একটি বঁটি কেনে সবিতা। এরপর থেকেই ইয়োগেনকে হত্যা করার সুযোগ খোঁজে।

 

১২ ফেব্রুয়ারি ইয়োগেনকে নিয়ে সবিতা তার ভাড়া বাসায় যায়। বাসার সিসি ক্যামেরা ফুটেজে ইয়োগেন ও সবিতার যাওয়ার দৃশ্য ধরা পড়ে। ইয়োগেন একবার বাইরে গেলে সবিতা জুসের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মেশায়। ইয়োগেন বাসায় ফিরলে ওই জুস খেতে দেয় সবিতা। এসব দৃশ্য সে ইয়োগেনের মোবাইল ফোনে ভিডিও করে। পরে ইয়োগেনের ফোন থেকেই ইউটিউব চ্যানেলে চারটি ভিডিও আপলোড করে।

ইয়োগেন অচেতন হওয়ার পর হাত-পা, মুখ কাপড় দিয়ে বেঁধে উপর্যুপরি বঁটি দিয়ে কোপাতে থাকে সবিতা। এ সময় ইয়োগেন উঠার চেষ্টা করলে পিঠের ওপর কোপ মারে। খুন নিশ্চিত হওয়ার পর সবিতা খালি পায়ে বাসা থেকে বের হয়ে যায়।

মাত্র দুই লাখ টাকায় বদলে যায় নমুনার টিন!
                                  

গরিবের জন্য ত্রাণের ঢেউটিন ক্রয়সংক্রান্ত দরপত্রে অংশ নেয়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের নমুনা টিন বদলে দিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের এক কর্মকর্তাকে দুই লাখ টাকা দিয়েছিলেন জামায়াত নেতা খন্দকার আবদুর রব ওরফে ‘মুরব্বি’।

অরুনেন্দ্র কিশোর নামের ওই কর্মকর্তা (অবসরে যাওয়া ত্রাণ শাখার উপ-পরিচালক) দরপত্রে অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী গ্যালভানাইজিং লিমিটেডের নমুনার ঢেউটিন বদলে বিএসটিআইতে পরীক্ষার জন্য পাঠান। অক্টোবরের শেষের দিকে এমন জালিয়াতির ঘটনা প্রকাশ্যে এলেও ২১টি নাশকতার মামলার আসামি আবদুর রবের মদদপুষ্ট দুটি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়ার সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অধিদফতর। প্রতিষ্ঠান দুটি হল- সানজি এন্টারপ্রাইজ ও জয় এন্টারপ্রাইজ। এমনকি প্রভাবশালী মহলের চাপে জালিয়াতির ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটিও স্থগিত করা হয়। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ৫ লটের ঢেউটিন ক্রয়সংক্রান্ত দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

খোদ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের কর্মকর্তারা বলছেন, এমন ভয়াবহ জালিয়াতি ধরা পড়ার পরও জড়িত দুটি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়ার সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠছে, অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত না করে কাজ দেয়া দুর্নীতিকে উৎসাহিত করা হচ্ছে কিনা। এ ধরনের ভয়াবহ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে সানজি এন্টারপ্রাইজ এবং জয় এন্টারপ্রাইজকে সরকারি দফতরে ‘ব্ল্যাক লিস্টেড’ করা উচিত। বিতর্ক এড়াতে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত। এদিকে জালিয়াতির বিষয়টি উল্লেখ করে কর্ণফুলী গ্যালভানাইজিং লিমিটেড হাইকোর্টে একটি রিট করেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক আবু মোহাম্মদ হাশিম যুগান্তরকে বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি করা হলেও পরে কমিটি স্থগিত করা হয়। এখন বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন আছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করব।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ৩১ অক্টোবর দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সভায় জালিয়াতির ঘটনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সব সদস্যই একমত ছিলেন, জালিয়াতির ঘটনার যেন সুষ্ঠু তদন্ত হয়। সেখানে নমুনার টিন পুনরায় পরীক্ষার কথাও বলা হয়। এ ঘটনায় ৪ নভেম্বর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটিও গঠন করে দেন অধিদফতরের মহাপরিচালক। পরে প্রভাবশালী মহলের চাপে কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। এমনকি অভিযুক্ত দুটি প্রতিষ্ঠানকে চারটি সমলটে ৬০ কোটি টাকার কাজ দেয়ার সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

একটি প্রতিষ্ঠানের নমুনা টিন বদলে দিয়ে বিএসটিআইতে পরীক্ষার জন্য পাঠানোর অভিযোগ প্রসঙ্গে অরুনেন্দ্র কিশোর অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, দরপত্রে অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলো নমুনা হিসেবে যে ঢেউটিন জমা দেয় সেগুলোই বিএসটিআইতে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। কোনো অনিয়মের ঘটনা ঘটেনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াত নেতা আবদুর রব যুগান্তরকে বলেন, তিনি কখনোই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরে যান না। তবে সানজি ও জয় এন্টারপ্রাইজ তার কাছ থেকে পাইকারি দরে ঢেউটিন সংগ্রহ করে থাকে। তিনি মুরব্বি হিসেবে তাদের বিভিন্নভাবে পরামর্শ দেন।

আগস্টে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং খুলনা ত্রাণ গুদামে মজুদ সংরক্ষণের জন্য ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম সমলটে ঢেউটিন ক্রয়ের দরপত্র আহ্বান করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর। ওই দরপত্রে অংশ নেয় একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের সদস্য আবদুর রবের মদদপুষ্ট দুটি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে জয় এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী তার মেয়ের জামাতা আবদুল কাদের। সানজি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী হলেন আবদুল কাদেরের ভাই আবদুস সোবাহান।

জাতীয় কবিতা উৎসব শুরু কাল
                                  

অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে সম্প্রীতির স্বদেশের বিনির্মাণে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে জাতীয় কবিতা পরিষদ। ১ ও ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাকিম চত্বরে অনুষ্ঠিত হবে পরিষদের আয়োজনে ৩৩তম জাতীয় কবিতা উৎসব। এবারের উৎসবের স্লোগান ‘বাঙালির জয় কবিতার জয়’।

পহেলা ফেব্রুয়ারি সকালে উৎসব উদ্বোধন করবেন প্রখ্যাত কবি আসাদ চৌধুরী। সারা দেশের কবিদের সঙ্গে এবারের উৎসবে অংশ নেবেন নয় দেশের আমন্ত্রিত চৌদ্দজন কবি। নিবন্ধিত কবিদের কবিতাপাঠ, মুক্ত আলোচনা, আবৃত্তি পরিবেশনা, সেমিনার, ছড়াপাঠ, কবিতার গানসহ মোট দশটি অধিবেশনে সাজানো হয়েছে দু’দিনের উৎসব। এবারের উৎসবে কবিতা পরিষদের পক্ষ থেকে পহেলা ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় কবিতা দিবস’ ঘোষণা দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের সিভিল সার্ভিসে পৃথকভাবে সংস্কৃতিবিষয়ক ক্যাডার সার্ভিস চালুর দাবি জানিয়েছে পরিষদ।

বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জাতীয় কবিতা পরিষদ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উৎসবের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি তারিক সুজাত। উৎসবের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন কবি রবিউল হুসাইন। পরিষদের সভাপতি কবি মুহাম্মদ সামাদের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন পরিষদের বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কবি নূহ-উল আলম লেনিন, কবি কাজী রোজী, আনজির লিটন, দিলারা হাফিজ, আনোয়ারা সৈয়দ হক, আমিনুর রহমান সুলতান প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে পয়লা ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় কবিতা দিবস হিসেবে ঘোষণার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়। রাষ্ট্রীয় পুরস্কারগুলোর ক্ষেত্রে সামরিক শাসনামলে সৃষ্ট নীতিমালা ও পদ্ধতি গণতান্ত্রিক সরকারগুলোও অসতর্কভাবে অনুসরণ করছে। রবিউল হুসাইন বলেন, কবিরা শুধু কবিতাই লেখে না, দেশ ও সমাজের প্রতি নিজেদের দায়িত্বটুকু যথাযথভাবে পালন করে। নূহ উল-আলম লেনিন বলেন, ব্যক্তি নয়, পুরস্কার দেয়া হয় কীর্তিকে।

৩৩তম উৎসবে ভারতের কবিদের মধ্যে অংশ নিচ্ছেন জ্যোতির্ময় দত্ত, মিনাক্ষী দত্ত, রাতুল দেব বর্মণ, বীথি চট্টোপাধ্যায় ও শিবান্তি ঘোষ। এছাড়া অংশ নিচ্ছেন যুক্তরাজ্যের ক্লেয়ার বুকার, তুরস্কের তারিক গুনারসেল, ইরাকের ড. আলী আল সালাহ, কঙ্গোর কামা কামান্ডা, স্পেনের জুলিও পাভানেত্তি, উরুগুয়ের আনাবেল ভিলার, চীনের ড. তানজিয়ান চাই, মালয়েশিয়ার মালিম ঘোজালি ও নেপালের পুষ্প খানাল।

উৎসবের প্রথম দিনে থাকছে মুক্ত আলোচনা ও নিবন্ধিত কবিদের কবিতাপাঠ এবং আবৃত্তি পরিবেশনাসহ পাঁচটি অধিবেশন। দ্বিতীয় দিনে ‘বাঙালির জয় কবিতার জয়’ এবং ‘কাব্যনাটক’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

২৬ মার্চের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা
                                  

আগামী ২৬ মার্চের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। শনিবার সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার আন্দারমানিক আবদুল্লাহ মডেল পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, খুব শিগগিরই সংসদের পাশ থেকে জিয়ার মাজার সরিয়ে নেয়া হবে। কারণ সেটা সংসদের জায়গা। সংসদ ভবনের যে আসল নকশা ছিল সেটা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেটা অনুসারে যা থাকার কথা সেগুলো থাকবে, আর যা থাকার কথা নয়- সেগুলো থাকবে না।

মন্ত্রী বলেন, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আসা না আসা বিএনপির ব্যাপার। মানুষ প্রত্যাশা করে যে, সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করুক। যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তারা হারিয়ে যাবে। পরে বাটিচালান দিয়েও তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। উপজেলা নির্বাচনে যদি কেউ না আসে তাহলেও নির্বাচন বন্ধ থাকবে না। আবার নির্বাচনে কারও অংশগ্রহণও বন্ধ থাকবে না। নির্বাচনের সময় দেখা যাবে, কিভাবে অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হয়।

নিজের দলের (আওয়ামী লীগ) বিদ্রোহী প্রার্র্থীদের ব্যাপারে আগাম সতর্ক করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটি কঠোর ব্যবস্থা নেবে। সে ব্যাপারে সুস্পষ্ট নিদের্শনা কেন্দ্র থেকে আসবে, যার কারণে দলের বাইরে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্র্থী হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

মন্ত্রী দুপুরে উপজেলার লতিফপুর এলাকায় আফাজউদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। আবদুল্লাহ মডেল পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সাংবাদিক সরকার আবদুল আলীম। বক্তব্য রাখেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুরাদ কবীর, চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন, আবদুল্লাহ মডেল পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাংবাদিক আলহাজ শোয়াইব মৃধা।

অপর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আফাজউদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের চেয়ারম্যান আলহাজ জলিল উদ্দিন। ওই কলেজের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিন, কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কালিয়াকৈর থানার ওসি আলমগীর হোসেন মজুমদার, পৌরসভার মেয়র মজিবুর রহমান প্রমুখ।

২৬ মার্চের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা
                                  

আগামী ২৬ মার্চের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। শনিবার সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার আন্দারমানিক আবদুল্লাহ মডেল পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, খুব শিগগিরই সংসদের পাশ থেকে জিয়ার মাজার সরিয়ে নেয়া হবে। কারণ সেটা সংসদের জায়গা। সংসদ ভবনের যে আসল নকশা ছিল সেটা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেটা অনুসারে যা থাকার কথা সেগুলো থাকবে, আর যা থাকার কথা নয়- সেগুলো থাকবে না।

মন্ত্রী বলেন, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আসা না আসা বিএনপির ব্যাপার। মানুষ প্রত্যাশা করে যে, সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করুক। যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তারা হারিয়ে যাবে। পরে বাটিচালান দিয়েও তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। উপজেলা নির্বাচনে যদি কেউ না আসে তাহলেও নির্বাচন বন্ধ থাকবে না। আবার নির্বাচনে কারও অংশগ্রহণও বন্ধ থাকবে না। নির্বাচনের সময় দেখা যাবে, কিভাবে অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হয়।

নিজের দলের (আওয়ামী লীগ) বিদ্রোহী প্রার্র্থীদের ব্যাপারে আগাম সতর্ক করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটি কঠোর ব্যবস্থা নেবে। সে ব্যাপারে সুস্পষ্ট নিদের্শনা কেন্দ্র থেকে আসবে, যার কারণে দলের বাইরে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্র্থী হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

মন্ত্রী দুপুরে উপজেলার লতিফপুর এলাকায় আফাজউদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। আবদুল্লাহ মডেল পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সাংবাদিক সরকার আবদুল আলীম। বক্তব্য রাখেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুরাদ কবীর, চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন, আবদুল্লাহ মডেল পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাংবাদিক আলহাজ শোয়াইব মৃধা।

অপর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আফাজউদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের চেয়ারম্যান আলহাজ জলিল উদ্দিন। ওই কলেজের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিন, কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কালিয়াকৈর থানার ওসি আলমগীর হোসেন মজুমদার, পৌরসভার মেয়র মজিবুর রহমান প্রমুখ।

তরুণীকে হেনস্তা করায় চার পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
                                  

তরুণীকে হেনস্তা করায় চার পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

 
রাজধানীতে মধ্যরাতে সিএনজিতে থাকা এক তরুণীকে তল্লাশির নামে হেনস্তা করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট এক এএসআই ও তিন কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এ ঘটনায় তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডিএমপির সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (খিলগঁাও জোন) নাদিয়া জুঁইকে। তার তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেল রানা বলেন, ‘মোট চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের একজন রামপুরা থানার এএসআই ও বাকি তিনজন পিএমও (পাবলিক অডার্র ম্যানেজমেন্ট) পূবর্ বিভাগের।

উল্লেখ্য, সোমবার দিনগত রাতে রাজধানীর রামপুরা টিভি সেন্টার এলাকায় তল্লাশির নামে সিএনজিচালিত অটোরিকশার এক নারী যাত্রীকে হেনস্তা করেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এই নারীর সঙ্গে দুব্যর্বহারের সাড়ে ছয় মিনিটের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

 

ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় কাঁঠালবাড়ী ঘাটে যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড়
                                  

ঈদের ছুটি শেষে আজ সোমবার সকাল থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের ঢল নামে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে। নাব্যতা সঙ্কটের কারণে কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সকাল থেকে ঢাকাগামী যাত্রীদের লঞ্চে পারাপারে প্রচণ্ড ভিড় দেখা গেছে। যাত্রী চাপ বেশি থাকায় ঘাটের লঞ্চগুলো অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে শিমুলিয়া ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।

আবহাওয়া ভালো থাকায় পদ্মা পার হতে কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি ঢাকাগামী মানুষদের। লঞ্চের পাশাপাশি স্পীডবোট চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। নাব্যতা সঙ্কটের কারণে বন্ধ রয়েছে রো রো ও ডাম্প ফেরি চলাচল। শুধুমাত্র কে-টাইপ ও মিডিয়াম ৭টি ফেরি চলাচল করছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রী ও চালকরা।

ঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়, নদীতে ড্রেজিং কাজ চলমান থাকায় এই নৌরুটে শনিবার রাত ১১টা থেকে রোববার সকাল ৭টা পর্যন্ত এবং রোববার রাত ৮টা থেকে সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সব ধরনের ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। পাশাপাশি বিকল্প নৌরুট পাটুরিয়া-দৌলদিয়া ঘাট ব্যবহারের পরামর্শ দেন।

এদিকে দীর্ঘ সময় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ঘাটে আটকা পড়েছে ৫ শতাধিক যানবাহন।

এদিকে রোববার সকালে পরীক্ষামূলকভাবে শুধু যাত্রী নিয়ে কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাট থেকে শিমুলিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া কিশোরী নামের একটি ফেরি লৌহজং টার্নিং পয়েন্টে ডুবোচরে আটকা পড়ে। এক ঘন্টারও বেশি সময় চেষ্টা করে ডুবোচরের হাত থেকে রক্ষা পেলেও ফেরিটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। পরবর্তীতে লঞ্চ ও স্পীডবোটের মাধ্যমে যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। এরপর মাঝ পদ্মায় কিশোরী ফেরিটিকে নোঙ্গর করে রাখা হয়েছে। পরে দুপুরের দিকে ফেরিটিকে উদ্ধার করা হয়।

বিআইডব্লিউটিসির কাঠালবাড়ী ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম মিয়া জানান, ঈদের ছুটি শেষে রোববার সকাল থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বেড়েছে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে। কিন্তু নাব্যতা সংকটে গত শুক্রবার থেকে স্বাভাবিকভাবে ফেরি চলাচল করতে পারছে না। দিনে ছোট ফেরিগুলো চললেও দুর্ঘটনা এড়াতে শনিবার রাত ১১টা থেকে রোববার সকাল ৭টা এবং রোববার রাত ৮টা থেকে সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সকল ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। তবে এ সংকট দূর করতে কয়েকটি ড্রেজার মেশিন দিয়ে দ্রুত খননকাজ চলছে। নাব্যতার কারণে শুধুমাত্র কে-টাইপ ও মিডিয়াম ফেরি অল্প যানবাহন নিয়ে চলাচল করছে। এতে ঘাট এলাকায় কয়েক শতাধিক যানবাহন আটকা পড়েছে।

এবারের ঈদে বড় ধরনের অপরাধ হয়নি : ডিএমপি কমিশনার
                                  
নগরীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত ভালো ও কঠোর ছিল উল্লেখ করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, এবারের ঈদে পুলিশের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার ফলে রাজধানীতে উল্লেখযোগ্য কোন বড় অপরাধ সংঘটিত হয়নি। 
 
রবিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। 
 
তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমূখর পরিবেশে ঈদ উদযাপনের ব্যবস্থা করেছি। আমরা নিজেরা ঈদের ছুটিতে না গিয়ে সাধারণ মানুষের নামাজের নিরাপত্তা দিয়েছি। পুলিশ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে ঈদে নগরীর আইন শৃংখলা রক্ষা করেছে।’ 
 
সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, শুধু ঢাকা সিটিতে না, সারাদেশে উল্লেখযোগ্য কোন বড় অপরাধ সংঘটিত হয়নি। ঢাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত ভালো ও কঠোর ছিল। 
 
তিনি বলেন, ঈদের আগে নগরবাসী নিরাপদে গভীর রাত পর্যন্ত শপিং করে বাড়ি ফিরেছেন। আমরা বাস, ট্রেন ও লঞ্চ টার্মিনালে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলাম। ফলে নগরবাসী নিরাপদে উৎসবমূখর পরিবেশে নিজ নিজ গৌন্তব্যে ঢাকা ছেড়েছেন।
মালয়েশিয়ায় পাহাড়ধসে বাংলাদেশী নিহত
                                  

মালয়েশিয়ায় পাহাড়ধসে রুহুল আমিন ওরফে ইরফান (৩২) নামে এক বাংলাদেশী শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দিন ইসলাম ওরফে দিলু মিয়া (৪৭) নামে অন্য এক বাংলাদেশী। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার বিকেল ৪টায় মালয়েশিয়ার পেনাং শহরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলা ট্রিবিউন।
নিহত ইরফান যশোরের মণিরামপুরের কাশিমপুর ইউনিয়নের ইত্যা গ্রামের ছায়েদ আলীর ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক। ৯ বছর আগে তিনি মালয়েশিয়ায় যান। আহত দিলু মিয়া ইরফানের বোন-জামাই।
ইরফানের খালাতো ভাই মইন হোসেন জানান, রাস্তা তৈরির জন্য পাহাড় কাটার কাজ করছিলেন ইরফান ও দিলু। এ সময় পাহাড়ধসে পড়লে তারা মাটিচাপা পড়েন। এতে ঘটনাস্থলে ইরফানের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দিলু মিয়া গুরুতর আহত হন।
তিনি আরো বলেন, ‘পেনাং শহরে আমাদের বেশ কয়েকজন পাড়া-প্রতিবেশী রয়েছেন। তাদের মাধ্যমে আমরা এ দুর্ঘটনার খবর পেয়েছি। তারা জানান, দিলু মিয়াকে মালয়েশিয়ায় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’ আগামী বুধবার ইরফানের লাশ ইত্যায় নিজ বাড়িতে পৌঁছতে পারে বলেও জানান মইন। কাশিমপুর ইউপির ১নং ওয়ার্ডের সদস্য শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মালয়েশিয়া প্রবাসী ইত্যা গ্রামের বেশ কয়েকজনের সাথে ফোনে কথা বলে ইরফানের মৃত্যু ও দিলু মিয়ার আহত হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছি। তারা সেখানে এক চীনা মালিকের অধীনে কাজ করতেন। ইরফানের লাশ কবে দেশে আসবেÑ এ ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’

নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি করার আহ্বান মেয়রের
                                  
নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি করতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তিনি বলেন, ‘আপনাদের কাছে অনুরোধ, নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি করুন। তাহলে বর্জ্য অপসারণ করা সহজ হবে।’
 
রবিবার নগর ভবনে পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মেয়র এই আহ্বান জানান। এবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় পশু জবাইয়ের জন্য ৬০২টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।
 
পশু কোরবানির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানী থেকে বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়ে মেয়র বলেন, ‘গত তিন বছর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কোরবানির পশু বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। আপনাদের সহায়তায় এবারও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব হবে।’
 
সিটি কর্পোরেশন জানায়, গতবছর কোরবানির ঈদে রাজধানীতে মোট ২২ হাজার টন পশুর বর্জ্য জমেছিল।
বড়পুকুরিয়ার সাবেক দুই এমডিকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ
                                  
বড়পুকুরিয়া খনির কোল ইয়ার্ড থেকে কয়লা উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার তদন্তে কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) সাবেক দুই ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কামরুজ্জামান ও মাহবুবুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
 
গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার পেট্রোবাংলার সাত কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
 
এ ছাড়া দুদক গত ১৩ আগস্ট ওই সব কর্মকর্তাসহ পেট্রোবাংলার ৩২ জনকে তলব করে চিঠি দেয়। যাদের আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ আগস্ট জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা রয়েছে।
 
দুদক সূত্র জানায়, দুদকের নোটিশের প্রেক্ষিতে গতকাল সকাল ১০টার দিকে (বিসিএমসিএল) সাবেক দুই ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কামরুজ্জামান ও মাহবুবুর রহমান দুদক কার্যলয়ে উপস্থিত হন।
 
পরে সাড়ে ১০টা থেকে দুদকের অনুসন্ধান টিমের তদারকি কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক কাজী শফিকুল আলমের নেতৃত্বে উপ-পরিচালক শামসুল আলম ও দুই সদস্য সহকারী পরিচালক এ এস এম সাজ্জাদ হোসেন এবং সহকারী পরিচালক এ এস এম তাজুল ইসলাম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
কমলাপুরে ‘তুফান’ ঝড়
                                  

রাজধানীর কমলাপুরের পশুর হাটে ২০ লাখ টাকা দাম হাঁকা হয়েছে একটি গরুর। এর মালিক দিনাজপুরের ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান। তিনি গরুর নাম রেখেছেন ‘তুফান’। তার সঙ্গে রয়েছে ‘টাইগার’। দাম হাঁকা হয়েছে ১৮ লাখ টাকা।

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র নুরুজ্জামান পড়াশোনার পাশাপাশি নিজ বাড়িতে তৈরি করেছেন গরুর খামার। তার খামারে ২০টির মতো গরু রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় গরুটি হলো ‘তুফান’।

‘তুফান’ সম্পর্কে নুরুজ্জামান বলেন, দুই বছর আগে বাছুর কিনেছিলাম। এখন কমলাপুর বাজারের সবচেয়ে বড় গরু এটি। ভবিষ্যতে আরও বড় আকারে খামার করার চিন্তা রয়েছে। গরু লালন-পালন সম্পর্কে তিনি বলেন, গরুর পেছনে দৈনিক ৩৫০ টাকা খরচ হয়। অন্য গরুগুলোও বেশ বড়, যার প্রতিটির দাম লাখ টাকা থেকে শুরু করে সাত লাখ টাকা 

কোরবানির গরু আসলেও জমেনি বেচাকেনা
                                  
রাজধানীর পশুর হাটে এখনও কোরবানির গরু আসছে, কিন্তু সেই তুলনায় জমেনি বিক্রি। যদিও গতকাল শনিবার ঢাকার পশুর হাটগুলোতে ক্রেতার সংখ্যা বেড়েছে, সেই তুলনায় বিক্রি বাড়েনি। তবে অনেকে আবার ঝামেলা এড়াতে আগেভাগেই বেশি দামে ক্রয় করছেন গরু, আবার অনেকে বাজার পর্যবেক্ষণ করছেন। কেউ বা দরদামও করেছেন কিন্তু কেনা হয়নি কোরবানির পশুটি। তবে আজ রবিবার থেকে মূল বেচা-বিক্রি শুরু হবে, এমনটাই আশা করছেন বেপারী ও ইজারাদাররা।
 
রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, এবারের কোরবানির হাটে দেশিয় গরুর আধিক্যই বেশি। ক্রেতাদের কাছে দেশি গরুর চাহিদা বেড়েছে। মাঝারি আকারের গরুর চাহিদাই বেশি বলে বলছেন বেপারীরা। হাটে প্রচুর গরু থাকলেও ছাগল, মহিষ, ভেড়া ও উট কম। শুধু গাবতলী পশুর হাটে একটি উট ও দুটি দুম্বা তোলা হয়েছে।
 
ক্রেতারা বলছেন, গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম অনেক বেশি। এক লাখের গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে দেড় লাখ টাকা। তবে বেপারীরা বলছেন, খরচ বেশি। খাদ্য, ওষুধ, পরিবহন ও রাস্তার খরচ মিলে পশুর দাম বেশি পড়েছে।
 
এদিকে দুই সিটি কর্পোরেশনের ইজারার শর্তে ১৯ আগস্টের আগে হাটে পশু বেচাকেনা করা যাবে না উল্লেখ থাকলেও এ শর্ত না মেনে আগে থেকেই হাট শুরু করেছেন ইজারাদাররা। তবে আগে হাট শুরু করলেও বেচা-বিক্রি জমেনি। সিটি করপোরেশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আজ রবিবার থেকেই কোরবানির পশুর মূল বেচা-বিক্রি শুরু হবে।
 
অপরদিকে এক হাটের পশু অন্য হাটে জোর করে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। যদিও সরকারি নির্দেশনায় বলা আছে, এক হাটের পশু অন্য হাটে নেওয়া যাবে না। প্রতি বছরের মতো এবারও পশুবাহী ট্রাকে হাটের নাম লেখা থাকবে বলে জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। কিন্তু সেই নির্দেশনা না মেনে এক হাটের গরু অন্য হাটে জোর করে নিয়ে যাচ্ছেন প্রভাবশালীরা। বেপারীরা জানিয়েছেন, ঢাকায় গরু নিয়ে আসতে পথিমধ্যে অনেক বাঁধা পেরুতে হয়েছে। অনেক হাটে জোর করে পশু নামিয়ে দেয়া হচ্ছে।
 
গতকাল শনিবার রাজধানীর হাজারীবাগ হাট, বীর শ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়াম এলাকা সংলগ্ন হাট, তেজগাঁও সাব রেজিস্ট্রার অফিস সংলগ্ন, শনির আখড়া ও মোহাম্মদপুর বসিলা পশুর হাটসহ কয়েকটি হাট ঘুরে দেখা যায়, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর ও উত্তরবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাকে গরু নিয়ে এসেছেন বেপারীরা।
 
হাজারীবাগ পশুর হাটে কোরবানির গরু কিনতে এসেছেন আমিনুল ইসলাম খান। তিনি জানান, অনেকক্ষণ ঘুরেছি কিন্তু গরু কিনতে পারিনি। কারণ বেপারীরা গরুর দাম অনেক বেশি চাচ্ছে। এদিকে গাবতলী পশুর হাটে এক লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়ে গরু কিনেছেন আসলাম হোসাইন। তিনি বলেন, গতবারের চেয়ে এবার গরুর দাম বেশি। এরপরও ঝামেলা মুক্ত থাকতে আগেই কিনলাম।
 
বসিলা পুলিশ লাইন হাটে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থেকে গরু এনেছেন মো. আবদুর রহিম। তিনি বলেন, তিনদিন হলো হাটে এসেছি। একটি গরু আড়াই লাখ টাকায় বিক্রি করেছি। এখনো চারটি গরু আছে। গরু পালতে যা কিছু দরকার তার সব কিছুরই দাম বেশি। তাহলে আমরা কম দামে কিভাবে গরু বিক্রি করব ?
 
বসিলা পুলিশ লাইন হাটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসরাফিল হোসেন বলেন, বেপারী, খামারি ও কৃষক যারাই এ হাটে গরু আনবে, তাদের জন্য সব সুযোগ সুবিধা দেয়া হবে। নিরাপত্তার জন্য সব সময় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ বক্সে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন আছে।
 
গাবতলী পশুর হাটে আমজাদ বেপারী উট এবং দুম্বা দুটি কিনে এনেছেন ভারতের রাজস্থান থেকে। প্রতি বছরই আনেন উট ও দুম্বা। আমজাদ ব্যাপারীর ছেলে জাফর বলেন, উটের দাম ১৮ লাখ টাকা আর দুম্বা জোড়ার দাম চেয়েছি ৭ লাখ টাকা।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দেশের স্বার্থ রক্ষায় চাই সমন্বিত আইন
                                  

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দেশের স্বার্থ রক্ষায় একটি সমন্বিত আইন করা প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞজন। তারা বলেন, বাকস্বাধীনতা যেমন প্রয়োজন তেমন গুজবকে রোধ করাও প্রয়োজন। ‘প্রসেসড ডিজিটাল অ্যাকট : ফরদার থটস’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন তারা।

গতকাল শনিবার পেন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ- জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে। সংস্থার প্রেসিডেন্ট কথাসাহিত্যিক মাসুদ আহমেদের সভাপতিত্বে বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লিগ্যাল ইকোনমিস্ট মোঃ শাহজাহান সিদ্দিকী। প্যানেলিস্ট হিসেবে আলোচনা করেন- দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, দৈনিক ইত্তেফাক সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শফিকুর রহমান, ব্রতী’র প্রধান নির্বাহী শারমিন মুরশিদ, পেন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর নির্বাহী প্রেসিডেন্ট কবি কাজী রোজী এমপি, পেন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর প্রধান উপদেষ্টা কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা প্রমুখ।

মাহফুজ আনাম বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতার মাধ্যমে সমাজ উন্নতি লাভ করে। আমরাও মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করে এগিয়ে যাব। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মত প্রকাশের ক্ষেত্রে আমাদের দায়িত্বশীল হতে হবে। একটি দেশের তথ্যের নির্ভরযোগ্যতার মান নিয়ে প্রশ্ন থাকার কারণেই গুজব ছড়ায়। ডিজিটাল অ্যাক্টের দ্বারা আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মত প্রকাশের ব্যবস্থা হচ্ছে। কোনো পরোয়ানা ব্যতীত তল্লাশি, জব্দ, গ্রেফতার— এই একটি ধারা সমগ্র মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে নষ্ট করে। লাগামহীনতাও বন্ধ করা দরকার। এজন্য সূক্ষ্ম ভারসাম্য আনা দরকার।

মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য যতটুকু চেষ্টা করতে পারছি, সুশীল সমাজ ও সাধারণ জনগণের জন্য আমরা ততটুকু করতে পারছি না। এজন্য সকল পর্যায় থেকে চেষ্টা করা দরকার। প্রিন্ট মিডিয়ার জন্য আইন আছে, সম্প্রচার আইন আছে আবার ডিজিটাল আইন হলে সবগুলোর সঙ্গে দ্বন্দ্ব না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

মুহম্মদ নূরুল হুদা বলেন, সৃজনশীল লেখকরা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে পারেন। কল্পনার সঙ্গে বাস্তবতার দ্বন্দ্ব থাকে। এজন্য লেখকদের রক্ষা করতে হবে।

শারমিন মুরশিদ বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় সরকারের দায়বদ্ধতা আছে। সমাজের সমৃদ্ধির জন্য মেধা, ভাবনা-চিন্তার বিকাশ দরকার। প্রেস ক্লাউন্সিলের মতো জনগণের জন্যেও কাউন্সিল দরকার।

মুহম্মদ শফিকুর রহমান বলেন, এ ধরনের আলোচনা বেশি বেশি প্রয়োজন। আইন স্বাধীনতা খর্ব করলে সমাজ এগুতে পারে না। তবে মত প্রকাশ সুষ্ঠুভাবে করার জন্য আইন দরকার। সবকিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আইন চূড়ান্ত করা দরকার। কবি কাজী রোজী বলেন, আইন আইনের মতো চলছে, চলবে। আইন হোক জনগণের জন্য।

তাসমিমা হোসেন বলেন, গণতন্ত্রের জন্য বাকস্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান বিশ্বে জঙ্গি তত্পরতাও আছে। আমাদের নিজেদের বুঝতে হবে আমরা কতটুকু স্বাধীনতা প্রয়োগ করবো।

মাসুদ আহমেদ বলেন, আজকের এই গোলটেবিল আলোচনার বিবেচ্য বিষয়গুলো স্পিকারের মাধ্যমে সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির কাছে পেন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ পৌঁছানোর উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

বৈঠকের শুরুতে পেন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর সেক্রেটারি জেনারেল ড. সৈয়দা আইরিন জামান স্বাগত বক্তব্যে গোলটেবিল আলোচনার বিষয়বস্তুর জাতীয় গুরুত্ব উপস্থাপন করেন।

সড়কে গাড়ির চাপ কিছু স্থানে যানজট
                                  

ঈদের ছুটি কাটাতে বাস-ট্রেনসহ বিভিন্ন যানবাহনে ঢাকা ছাড়ছেন অগণিত মানুষ। গতকাল শনিবার রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের চাপ তেমন না থাকলেও মহাসড়কে বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয় যানজট। পরিবহন সংশ্লিস্টরা জানিয়েছেন, আজ থেকে সড়কে গাড়ির চাপ আরো বাড়বে। ফলে যানজট ভয়াবহ আকার ধারণ করার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনে গতকাল কমলাপুরে ঘরমুখো ট্রেনযাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। তবে গতকালও কয়েকটি ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় হয়েছে।

আগামী ২২ আগস্ট সারাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। সরকারি ছুটি আগামী মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে। মাঝে রবি ও সোমবার অফিস-আদালত খোলা থাকবে। তবে অনেকেই এই দুইদিন ছুটি নিয়ে আগেভাগেই বাড়ির পথ ধরতে শুরু করেছেন।

হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি আতিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কে সকালের দিকে যানবাহনের চাপ ছিল বেশি। এটাকে যানজট বলা যাবেনা, গাড়ির গতি ছিল কিছুটা কম। তবে দুপুরের পর থেকে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়। ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে কোন ধরনের সমস্যা ছিলনা। ঢাকা- টাঙ্গাইল সড়কে দু’একটি স্থানে গাড়ির চাপ বেশি ছিল। তবে গাড়ি চলাচলে কোন সমস্যা হয়নি। দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ঘাটেও গাড়ির চাপ ছিল বেশি। তিনি আরো বলেন, আজ দুপুরের পর থেকে মহসড়কে গাড়ির চাপ বাড়বে। এ কারণে কোন কোন স্থানে যানজট হবার আশঙ্কা রয়েছে।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর প্রতিনিধি জানান, গতকাল ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গাজীপুরের চন্দ্রায় থেমে থেমে চলেছে যানবাহন। গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের চান্দিনা চৌরাস্তা, বোর্ডবাজারসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় যানজট না থাকলেও গাড়ি চলেছে ধীর গতিতে। গাজীপুর হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফাজ্জাল হোসেন বলেন, গাড়ির বাড়তি চাপ এবং অপ্রশস্ত রাস্তার কারণে সামান্য যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। সিরাজগঞ্জে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কেও যানবাহনের বাড়তি চাপ রয়েছে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার (এসপি) সঞ্জিত কুমার রায় জানান, ঈদযাত্রায় মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে পুলিশ প্রশাসন সার্বক্ষণিক মহাসড়কে অবস্থান করবে। ইতোমধ্যে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ সদস্যরা দায়িত্বে রয়েছেন।

কুমিল্লা প্রতিনিধি জানান, গতকাল সকাল দশটার দিকে দাউদকান্দি টোল প্লাজার দুপাশে চট্টগ্রাম অভিমুখী প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকায় যানজট তৈরি হয়। অপরদিকে ঢাকামুখী অংশে ছিল প্রায় আট কিলোমিটার যানজট। তবে দুপুরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও দাউদকান্দির মুন্সিগঞ্জ এলাকায় বিকালে তৈরি হয় যানজট।

হানিফ পরিবহনের জিএম মোশাররফ হোসেন বলেন, রাস্তায় যানজটের কারণেই গাড়ি নির্ধারিত সময়ে আসতে বিলম্ব হচ্ছে।  তিনি বলেন, গতকাল পর্যন্ত টার্মিনালে যাত্রীর চাপ বাড়েনি। আজ থেকে যাত্রীর চাপ বাড়বে। তা সত্বেও ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কে চান্দুরা, নবীনগর, এলেঙ্গা ও হাটুভাঙ্গা এলাকায় গতকাল সকাল থেকেই যানজট তৈরি হয়। তবে দুপুরের পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। তিনি আরও বলেন, আজ থেকে সড়কে গাড়ির চাপ বাড়ার ফলে যানজট তীব্র আকার ধারণ করার আশঙ্কা রয়েছে। দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ফেরি পারাপারে ১৪-১৫টি বাস আটকে আছে তাদের। তবে পর্যাপ্ত বাস থাকায় আধা ঘণ্টা পর পর বাস ছাড়ছে বলে তিনি জানান।

বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শ্যামলী পরিবহনের এমডি রমেশ চন্দ্র ঘোষ বলেন, চালকের লাইসেন্স ও গাড়ির ফিটনেস তল্লাশির কারণে ঈদের সময় সড়ক-মহাসড়কে পর্যাপ্ত বাস চলাচল নিয়ে পরিবহনে একটা অস্থিরতা ছিল। এর ফলে ঈদের সময় বাসে করে যারা বাড়ি ফিরবেন তাদেরকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে বলে আশঙ্কা ছিল। তবে বিষয়টি নিয়ে মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। আশা করি বাসযাত্রায় তেমন সমস্যা হবে না।

এদিকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), সিটি কর্পোরেশন, পুলিশ ও পরিবহন মালিক সমিতির যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছরের নেয় এবারও বাস টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ‘ভিজিলেন্স টিম’ কাজ করছে। গাবতলী বাস টার্মিনালের ভিজিলেন্স টিমের পরিদর্শক ফয়সাল হাসান বলেন, এখনো সরকারি ছুটি শুরু হওয়ার একদিন বাকি, তাই যাত্রীদের চাপ বেশ কম। তবে আস্তে আস্তে চাপ বাড়বে।

রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে বিলম্বে ট্রেন ছেড়ে যাবার বিষয় স্টেশনের ম্যানেজার সীতাংশু চক্রবর্তী বলেন, ঈদে প্রতিটি স্টেশনে অতিরিক্ত যাত্রী ওঠানামা করে, ফলে অতিরিক্ত সময়ের জন্য ট্রেন কিছুটা দেরিতে পৌঁছায়। আর যে ট্রেনগুলো বিলম্বে আসে সেই ট্রেনগুলো বিলম্বেই ছেড়ে যায়। তবে আমরা চেষ্টা করছি সব ট্রেনের শিডিউল ঠিক রাখতে। তিনি আরও বলেন, গতকাল তেজগাঁওয়ে একটি ট্রেনের ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যাওয়ায় প্রায় ১ ঘণ্টা চলাচল বন্ধ ছিল, যার প্রভাব অন্য ট্রেনগুলোর উপর পড়েছে। ফলে বাকি ট্রেনগুলো কমলাপুর থেকে বিলম্বে ছেড়ে গেছে। গতকাল চারটি বিশেষ ট্রেনসহ ৬৮ টি ট্রেন কমলাপুর ছেড়ে যায় বলে তিনি জানান।


   Page 1 of 6
     নগর - মহানগর
দশ হাজার কিমি. নদী খননের পরিকল্পনা
.............................................................................................
জ্বালাতন থেকে বাঁচতে পরিকল্পিত হত্যা
.............................................................................................
মাত্র দুই লাখ টাকায় বদলে যায় নমুনার টিন!
.............................................................................................
জাতীয় কবিতা উৎসব শুরু কাল
.............................................................................................
২৬ মার্চের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা
.............................................................................................
২৬ মার্চের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা
.............................................................................................
তরুণীকে হেনস্তা করায় চার পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
.............................................................................................
ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় কাঁঠালবাড়ী ঘাটে যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড়
.............................................................................................
এবারের ঈদে বড় ধরনের অপরাধ হয়নি : ডিএমপি কমিশনার
.............................................................................................
মালয়েশিয়ায় পাহাড়ধসে বাংলাদেশী নিহত
.............................................................................................
নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি করার আহ্বান মেয়রের
.............................................................................................
বড়পুকুরিয়ার সাবেক দুই এমডিকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ
.............................................................................................
কমলাপুরে ‘তুফান’ ঝড়
.............................................................................................
কোরবানির গরু আসলেও জমেনি বেচাকেনা
.............................................................................................
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দেশের স্বার্থ রক্ষায় চাই সমন্বিত আইন
.............................................................................................
সড়কে গাড়ির চাপ কিছু স্থানে যানজট
.............................................................................................
মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক বিভাজকে, শ্রমিক নিহত
.............................................................................................
শিল্পী হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ
.............................................................................................
ঘাড় মটকে, মুখ থেঁতলে স্কুলছাত্রকে হত্যা
.............................................................................................
বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে আজ শায়িত হবেন গোলাম সারওয়ার
.............................................................................................
ঈদে বাড়ি ফেরা : আজ থেকে বাস, কাল শুরু ট্রেনের
.............................................................................................
গুজব ছড়ানোর অপরাধে দুই শিক্ষার্থী গ্রেফতার
.............................................................................................
ঢাবি ছাত্রীকে আটকের পর ছেড়ে দিয়েছে ডিবি
.............................................................................................
এত কিছুর পর জানা গেল পুলিশই ঘাতক
.............................................................................................
৫১ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৬২
.............................................................................................
শহিদুল আলমের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ
.............................................................................................
সাভারে সড়ক দুর্ঘটনায় পিকআপ চালক নিহত
.............................................................................................
আজ শেষ হচ্ছে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি
.............................................................................................
আজ শেষ হচ্ছে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি
.............................................................................................
শুক্রবার রাজধানীর যেসব এলাকায় গ্যাস বন্ধ থাকবে
.............................................................................................
র‌্যাবের সাবেক অধিনায়ক লে. ক. হাসিনুরকে তুলে নেয়ার অভিযোগ
.............................................................................................
দ্বিতীয় দিনেও কমলাপুরে টিকিট প্রত্যাশীদের দীর্ঘলাইন
.............................................................................................
নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন : এ পর্যন্ত অর্জন কতটুকু?
.............................................................................................
সংঘর্ষের পর বন্ধ তিন ভার্সিটি
.............................................................................................
শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরেছে, মুখরিত স্কুল-কলেজ
.............................................................................................
ছাত্রলীগের হামলার শিকার ঢাকা মেডিকেলের শিক্ষার্থী
.............................................................................................
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট জব্দ
.............................................................................................
সংঘর্ষ ধাওয়া পাল্টাধাওয়া
.............................................................................................
ঢাবিতে মিছিল, রামপুরায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া
.............................................................................................
ঢাকার রাস্তায় একসঙ্গে তিনজনের বেশি নয়: ডিএমপি কমিশনার
.............................................................................................
ডিবি কার্যালয়ে আলোকচিত্রী শহীদুল আলম
.............................................................................................
জিগাতলায় শিক্ষার্থীদের মিছিলে কাঁদানে গ্যাস
.............................................................................................
ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা, আহত ১৭
.............................................................................................
ছবিতে জিগাতলায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা
.............................................................................................
ছাত্রদের ন্যায্য দাবিকে ভিন্নখাতে নেয়ার চেষ্টা চলছে : ডিএমপি কমিশনার
.............................................................................................
মিরপুরে সড়ক অবরোধ, মেয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেশি
.............................................................................................
মিরপুরে হামলা করল কারা
.............................................................................................
সপ্তম দিনের মতো রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
ছাত্র অধিকার পরিষদের ধর্মঘটের ডাক আজ
.............................................................................................
শিক্ষার্থী বিক্ষোভ দমনের চিন্তা সরকারের
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]