| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   রাজধানী -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
‘চুক্তি নয়, আগামি মাস থেকে সব গাড়ি চলবে টিকিটে’

 সড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে আগামি মাস থেকেই চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থার পরিবর্তে সব গাড়ি টিকিট সিস্টেমে চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত হোসেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে ট্রাফিক শৃঙ্খলা ও সচেতনতা বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার এনায়েত হোসেন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণ চালকদের নেশা ও চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালানো। তাই এ দু’টি পথই বন্ধ করতে হবে। সামনের মাস থেকেই সব গাড়ি টিকিট সিস্টেমে চলবে। এই সময়ের মধ্যেই বাস মালিকদের টিকেট সিস্টেমে বাস চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। নেশাগ্রস্ত চালকদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে মহাসচিব বলেন, চাইলে নেশাগ্রস্ত চালকদের ধরতে যন্ত্র দিয়ে পরীক্ষা করান। আমাদের কোনো আপত্তি নেই। রাজধানীতে সব গাড়ি টিকিট সিস্টেমে চালানোর প্রসঙ্গ টেনে এনায়েত হোসেন বলেন, ঢাকা মহানগরীতে সব বাস টিকিট সিস্টেমেই চলত। বিএনপির আমলে সাদেক হোসেন খোকা একরাতের মধ্যে বাসের টিকিট কাউন্টারগুলো তুলে দিয়েছিলেন। এরপর রাস্তার পাশে ছাতার নিচে বসেই কাউন্টার তৈরি করে টিকেট বিক্রি চলছিল। ছিনতাইকারীরা টাকা লুট করতে শুরু করল। ফলে বাধ্য হয়ে একসময় চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালানো শুরু হলো। সেই সিস্টেমই এখনও চলছে। ‘প্রথমে হয়তো আমরা কাউন্টার পাব না। সেক্ষেত্রে রাস্তার পাশে ছাতার নিচে টিকিট বিক্রি করব। এরপর আমরা ধীরে ধীরে আবার কাউন্টারে ফিরে যাব। আমরা টিকিট সিস্টেমে আবার ফিরে আসব। আমরা চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালাব না। এটি বন্ধ হলে দুর্ঘটনা অনেক কমে যাবে। কারণ তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটছে। চুক্তিভিত্তিক চালানোর ব্যবস্থা না থাকলে কেউ পাল্লা দিয়ে গাড়ি চালাবেন না,’Ñ বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সড়ক ফেডারেশনের মহাসচিব ওসমান আলী বলেন, ৪০ লাখ গাড়ি রয়েছে সারাদেশে। এর বিপরীতে লাইসেন্সধারী চালক আছেন মাত্র ২৩ লাখ। তাহলে বাকি গাড়িগুলো কিভাবে চলে? এ বিষয়ে বিআরটিএ’কে উদ্যোগী হতে হবে। চালকরা যেন দ্রুত লাইসেন্স পান। রাস্তা থেকে নসিমন-করিমন-ভটভটি-অটোরিকশা চলাচল বন্ধ করতে হবে। মাঝে মধ্যে পুলিশ এসব বন্ধ করার উদ্যেগ নিলেও জনপ্রতিনিধিরা হস্তক্ষেপ করেন। ফলে এসব পরিবহন আবার চলে। তাই প্রধানমন্ত্রীকে উদ্যোগী হয়ে এসব জনপ্রতিনিধিদের কঠোরভাবে বলতে হবে, যেন তারা এসব ফিরিয়ে আনতে হস্তক্ষেপ না করেন। ওসমান আলী কুড়িল থেকে মালিবাগ পর্যন্ত সড়কে রিকশা একলাইনে আনার অনুরোধ জানান। তিনি আরও বলেন, পাঠ্যপুস্তকে ট্রাফিক আইন সম্পর্কে একটি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করার কথা ছিল। সেটি এখনও করা হয়নি। টিভি ও পত্রিকায় শত শত বিষয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। অথচ ট্রাফিক আইন নিয়ে একটি বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয় না। মহাসড়কগুলোতে রাস্তায় যাত্রী নামিয়ে দিয়ে গাড়ি রিকুইজিশনের ব্যবস্থারও প্রতিবাদ জানান সড়ক ফেডারেশনের মহাসচিব। এ বিষয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শকের সঙ্গে কথা বলতে ডিএমপি কমিশনারকে অনুরোধ জানান তিনি।

 

‘চুক্তি নয়, আগামি মাস থেকে সব গাড়ি চলবে টিকিটে’
                                  

 সড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে আগামি মাস থেকেই চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থার পরিবর্তে সব গাড়ি টিকিট সিস্টেমে চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত হোসেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে ট্রাফিক শৃঙ্খলা ও সচেতনতা বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার এনায়েত হোসেন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণ চালকদের নেশা ও চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালানো। তাই এ দু’টি পথই বন্ধ করতে হবে। সামনের মাস থেকেই সব গাড়ি টিকিট সিস্টেমে চলবে। এই সময়ের মধ্যেই বাস মালিকদের টিকেট সিস্টেমে বাস চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। নেশাগ্রস্ত চালকদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে মহাসচিব বলেন, চাইলে নেশাগ্রস্ত চালকদের ধরতে যন্ত্র দিয়ে পরীক্ষা করান। আমাদের কোনো আপত্তি নেই। রাজধানীতে সব গাড়ি টিকিট সিস্টেমে চালানোর প্রসঙ্গ টেনে এনায়েত হোসেন বলেন, ঢাকা মহানগরীতে সব বাস টিকিট সিস্টেমেই চলত। বিএনপির আমলে সাদেক হোসেন খোকা একরাতের মধ্যে বাসের টিকিট কাউন্টারগুলো তুলে দিয়েছিলেন। এরপর রাস্তার পাশে ছাতার নিচে বসেই কাউন্টার তৈরি করে টিকেট বিক্রি চলছিল। ছিনতাইকারীরা টাকা লুট করতে শুরু করল। ফলে বাধ্য হয়ে একসময় চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালানো শুরু হলো। সেই সিস্টেমই এখনও চলছে। ‘প্রথমে হয়তো আমরা কাউন্টার পাব না। সেক্ষেত্রে রাস্তার পাশে ছাতার নিচে টিকিট বিক্রি করব। এরপর আমরা ধীরে ধীরে আবার কাউন্টারে ফিরে যাব। আমরা টিকিট সিস্টেমে আবার ফিরে আসব। আমরা চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালাব না। এটি বন্ধ হলে দুর্ঘটনা অনেক কমে যাবে। কারণ তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটছে। চুক্তিভিত্তিক চালানোর ব্যবস্থা না থাকলে কেউ পাল্লা দিয়ে গাড়ি চালাবেন না,’Ñ বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সড়ক ফেডারেশনের মহাসচিব ওসমান আলী বলেন, ৪০ লাখ গাড়ি রয়েছে সারাদেশে। এর বিপরীতে লাইসেন্সধারী চালক আছেন মাত্র ২৩ লাখ। তাহলে বাকি গাড়িগুলো কিভাবে চলে? এ বিষয়ে বিআরটিএ’কে উদ্যোগী হতে হবে। চালকরা যেন দ্রুত লাইসেন্স পান। রাস্তা থেকে নসিমন-করিমন-ভটভটি-অটোরিকশা চলাচল বন্ধ করতে হবে। মাঝে মধ্যে পুলিশ এসব বন্ধ করার উদ্যেগ নিলেও জনপ্রতিনিধিরা হস্তক্ষেপ করেন। ফলে এসব পরিবহন আবার চলে। তাই প্রধানমন্ত্রীকে উদ্যোগী হয়ে এসব জনপ্রতিনিধিদের কঠোরভাবে বলতে হবে, যেন তারা এসব ফিরিয়ে আনতে হস্তক্ষেপ না করেন। ওসমান আলী কুড়িল থেকে মালিবাগ পর্যন্ত সড়কে রিকশা একলাইনে আনার অনুরোধ জানান। তিনি আরও বলেন, পাঠ্যপুস্তকে ট্রাফিক আইন সম্পর্কে একটি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করার কথা ছিল। সেটি এখনও করা হয়নি। টিভি ও পত্রিকায় শত শত বিষয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। অথচ ট্রাফিক আইন নিয়ে একটি বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয় না। মহাসড়কগুলোতে রাস্তায় যাত্রী নামিয়ে দিয়ে গাড়ি রিকুইজিশনের ব্যবস্থারও প্রতিবাদ জানান সড়ক ফেডারেশনের মহাসচিব। এ বিষয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শকের সঙ্গে কথা বলতে ডিএমপি কমিশনারকে অনুরোধ জানান তিনি।

 

যান চলাচল বন্ধ, ভরসা কেবল পা
                                  

সু-প্রভাত বাসের চাপায় আবরার আহমেদ চৌধুরী নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক গেট এলাকায় রাস্তা বন্ধ করে অবরোধ করছে শিক্ষার্থীরা। অবরোধের কারণে এই সড়কে যানচলাচল পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে তাই বাধ্য হয়েই পায়ে হেঁটে যেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। অবরোধ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অবরোধে কারণে রামপুরা-মালিবাগের দিক আসা গণপরিবহনসহ সকল যানবাহন নতুন বাজার এলাকা থেকে ঘুরিয়ে দেয়া হচ্ছে। অন্যদিকে উত্তরা, বিমানবন্দর, খিলক্ষেতের দিক থেকে আসা যানবাহনগুলো কুড়িল বিশ্বরোড থেকে ঘুরিয়ে দেয়া হচ্ছে। বেলা আড়াইটা পর্যন্ত রাস্তা বন্ধ করে সড়কে বসে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা।

নতুন বাজার থেকে রামপুরা সড়কে এবং কুড়িল বিশ্বরোড থেকে খিলক্ষেতের রাস্তায় ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়েছে। বসুন্ধরা এলাকায় পুরো যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। যার ফলে সাধারণ মানুষকে বাধ্য হয়েই পায়ে হেঁটেই এই পথ দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে করে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাদের। কিছুটা পথ পায়ে হেঁটে, কিছুটা রিকশায় করে এ এলাকায় দিয়ে চলাচল করছেন পথচারীরা। তবে ভোগান্তির শিকার হলেও পথচারীরা বলছেন, আমাদের কষ্ট হলেও আমরা চাই সড়ক নিরাপদ হোক।

 

সাইদুর রহমান নামের একজন পথচারী বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগত কাজে উত্তরা থেকে মালিবাগ যাচ্ছিলাম। কিন্তু ছাত্রদের আন্দোলনের কারণে বাস বন্ধ করে দিলে আমি কুড়িল বিশ্বরোড থেকে হেঁটে এসেছি। বাসসহ সব যানবাহন বন্ধ থাকায় নতুন বাজার পর্যন্ত হেঁটে যাব। সেখান থেকে বাস চলাচল করছে।’

তিনি বলেন, ‘ছাত্রদের আন্দোলনে বাস বন্ধ থাকায় আমাদের মতো সাধারণ পথচারীদের ভোগান্তি হচ্ছে। তবুও আমরা চাই সড়ক নিরাপদ হোক। ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসুক।’

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা গেট এলাকায় সু-প্রভাত বাসের চাপায় মারা যান বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) ছাত্র আবরার আহমেদ চৌধুরী। তিনি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আরাফাত আহমেদের বড় ছেলে।

সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় রাজধানীতে রোববার (১৭ মার্চ) থেকে শুরু হয়েছে পঞ্চমবারের মতো ট্রাফিক সপ্তাহ। এরই মধ্যে বাসচাপায় একজন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হলো।

সু-প্রভাতের রুট পারমিট ও লাইসেন্স বাতিলের ঘোষণা মেয়র আতিকুলের
                                  

 প্রগতি স্মরণীতে নিহত শিক্ষার্থী আবরার আহমেদ চৌধুরীর নামে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণে ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।
রাজধানীর প্রগতি স্মরণীতে বাসচাপায় নিহত শিক্ষার্থী আবরার আহমেদ চৌধুরীর নামে দুই মাসের মধ্যে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে মেয়র এ ঘোষণা দেন।
মঙ্গলবার দুপুরে প্রগতি স্মরণীর নর্দায় দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে এই ঘোষণা দেন উত্তরের মেয়র। এর আগে সকালে সড়ক পার হওয়ার সময় সুপ্রভাত পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালের (বিইউপি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ছাত্র আবরার আহমেদ চৌধুরী নিহত হন। পরে সহপাঠীর মৃত্যুর প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে নামে বিইউপি`র শতাধিক শিক্ষার্থী।

মেয়র আতিক ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর ছাত্ররা লিখিতভাবে ৮ দফা দাবি পেশ করেন। মেয়র সেসব দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন শিক্ষার্থীদের।
মেয়র আতিকুল বলেন, ছাত্ররা যে দাবীগুলো করেছে, তা খুবই যৌক্তিক। দাবিগুলো যেভাবেই হোক আমাদের দেখতে হবে। ছাত্ররা যেসব দাবি জানিয়েছে তার মধ্যে একটি হচ্ছে ঘাতক বাস চালকের ফাঁসির দাবি। আমি বলতে চাই বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী যত দ্রুত সম্ভব তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি আরো বলেন, ঘাতক সুপ্রভাত পরিবহনের রুট পারমিট ও লাইসেন্স বাতিল করা হবে। রাজধানীতে সুপ্রভাত পরিবহনের বাস চলবেনা। ফিটনেস ছাড়া বাস ও লাইসেন্স ছাড়া চালককে গাড়িসহ রাস্তায় নামানোর জন্য সুপ্রভাত পরিবহনের মালিকের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উত্তরের প্রতিটি বাস স্টপেজ মার্ক করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে উত্তরের মেয়র বলেন, চেকিং সিস্টেম, কন্টাক্ট সিস্টেম বাতিল এবং সিটিং সার্ভিস যত দ্রুত সম্ভব কার্যকর করার নির্দেশ দিচ্ছি। নির্দিষ্ট স্থানে বাস থামবে, ঢাকা উত্তরের প্রত্যেকটি স্টপেজ আমরা মার্ক করে দেব। ডিএনসিসি ও ডিএমপিকে আজ থেকেই এই মার্কিং এর নির্দেশনা দিয়ে দিচ্ছি, অবিলম্বে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, প্রতিটি বাসে চালকের ছবিসহ বায়োডাটাসহ লাইসেন্স ঝুলিয়ে রাখতে হবে। আমি নির্দেশ দিয়ে দিচ্ছি অনতিবিলম্বে এটি কার্যকর করতে হবে।
আবরারের নামে ফুটওভার ব্রিজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার গেট, আফতাবনগর, লিংকরোড, রামপুরা ব্রিজসহ সকল পয়েন্টে ফুটওভার ব্রিজ করার নির্দেশনা আমরা ইতিমধ্যেই দিয়েছি। আজ যে জায়গায় আবরার মারা গেছে, আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে এখানে আবরারের নামে একটি ফুটওভার ব্রিজ করে দেয়া হবে।  
উত্তরের নতুন মেয়র আরো বলেন, প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক যে বাস কোম্পানি নিয়ে কাজ করছিলেন, যতদ্রুত সম্ভব করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করবো। আর এই প্রত্যেকটি পয়েন্ট নিয়ে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবো। ছাত্রদের সকল দাবি আমি নিজে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করবো।

বাসচাপায় নিহত আবরারের জানাজা সম্পন্ন, বনানী কবরস্থানে দাফন
                                  

রাজধানীর নর্দা এলাকায় প্রগতি সরণিতে বাসের চাপায় নিহত বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী আবরার আহমেদ চৌধুরীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর সেনানিবাসের মধ্যে বিইউপি এডিবি গ্রেড গ্রাউন্ড মাঠে জানাজা হয়।
২৫ এডিবি গ্রেড মসজিদের ইমাম মওলানা তাজুল ইসলাম জানাজায় ইমামতি করেন।
জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে আবরারকে দাফন করা হবে। ইতিমধ্যে তার লাশ বনানী কবরস্থানে নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
সকাল সাড়ে ৮টায় বিইউপিতে ক্লাস ছিল আবরারের। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি। ক্লাসে যাওয়ার জন্য সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নর্দা এলাকা থেকে দাঁড়িয়ে থাকা বিইউপির বাসে উঠতে যাচ্ছিলেন তিনি। এ সময় সুপ্রভাত পরিবহনের একটি বাস তাকে চাপা দেয়। তিনি বাসের চাকায় পিষ্ট হন। পরে তার লাশ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
দুর্ঘটনার পর প্রগতি সরণি অবরোধ করেন আবরারের সহপাঠী, বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের বিচার দাবিতে স্লোগান দেন। বর্তমানে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

বসুন্ধরা গেটে শিক্ষার্থীদের অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ
                                  

সু-প্রভাত বাসের চাপায় আবরার আহমেদ চৌধুরী নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক গেট এলাকায় রাস্তা বন্ধ করে অবোরোধ করছে শিক্ষার্থীরা। অবরোধ নিয়ন্ত্রণে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অবরোধে বিমানবন্দর থেকে বাড্ডা হয়ে রামপুরা-গুলিস্তান রুটের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

জানা গেছে, রাধানীর কুড়িল মোড়ে বিমানবন্দর থেকে বাড্ডা হয়ে রামপুরা-গুলিস্তান রুটের যান অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ। আবার নতুন বাজার মোড় থেকে গুলিস্তান থেকে ছেড়া আসা যান অন্য রুটে ঘুরিয়ে দেয়া হচ্ছে। এতে এসব এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে জানাতে চাইলে পুলিশের গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) আব্দুল আহাদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি। বাসচাপায় এক ছাত্রের নিহতের ঘটনায় ছাত্ররা বিক্ষোভ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে।’

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা গেট এলাকায় সু-প্রভাত বাসের চাপায় মারা যান আবরার আহমেদ চৌধুরী। তিনি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আরিফ এর বড় ছেলে।

উল্লেখ্য, সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় রাজধানীতে গত রোববার (১৭ মার্চ) থেকে শুরু হয়েছে পঞ্চমবারের মতো ট্রাফিক সপ্তাহ। এরই মধ্যে বাসচাপায় একজন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হলো।

সু-প্রভাতে প্রাণ গেল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর
                                  

রাজধানীর বসুন্ধরা গেট এলাকায় সু-প্রভাত বাসের চাপায় আবরার আহমেদ চৌধুরী নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবরার বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এর শিক্ষার্থী।

পুলিশের গুলশান জোনের এডিসি আবদুল আহাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সকালে বসুন্ধরা গেটে সু-প্রভাত পরিবহনের একটি বাস ওই শিক্ষার্থীকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘাতক বাসের চালককে আটক করা হয়েছে। বাসটিও জব্দ করেছে পুলিশ।

নিহতের লাশ কুর্মিটোলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে সহপাঠী নিহতের খবর পেয়ে সকাল থেকেই ওই এলাকার সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এতে বসুন্ধরা গেট এলাকা থেকে রামপুরা পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা সড়ক ছাড়েননি।

উল্লেখ্য, সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় রাজধানীতে গত রোববার (১৭ মার্চ) থেকে শুরু হয়েছে ৫ম বারের মতো ট্রাফিক সপ্তাহ। এরইমধ্যে বাসচাপায় একজন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হলো।

মহাখালীতে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে আগুন, দগ্ধ ৩
                                  

 রাজধানীর মহাখালীর একটি বাসায় গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে আগুনে তিনজন দগ্ধ হয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে দুইজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন-সাগর (২৫) ও হিমেল (২০)।
রোববার (১৭ মার্চ) সকাল ৮ টার দিকে মহাখালীর আমতলীর একটি বাসায় এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
দগ্ধদের সঙ্গে থাকা জাকির হোসেন জানান, আমতলীর একটি বাসার তৃতীয় তলায় থাকেন সাগর ও হিমেল। তারা একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন। সকালে বাসায় কাজের বুয়া এলে দরজা খুলে দেয় সাগর। পরে সে ধূমপান করতে দিয়াশলাই (ম্যাচ) জ্বালাতেই সবকটি রুমে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে কাজের বুয়াসহ তারা তিনজন দগ্ধ হন।
তাৎক্ষণিকভাবে সাগর ও হিমেলকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। আর কাজের বুয়া অন্য একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ধারণা করা হচ্ছে, লিকেজ হয়ে আগেই সবকটি রুমে গ্যাস ছড়িয়ে ছিলো।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) বাচ্চু মিয়া জানান, দগ্ধ হয়ে ঢামেকে সাগর ও হিমেল নামে দ্ইু যুবক ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাগর ৬৫ শতাংশ ও হিমেল ১৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৮১
                                  

রাজধানীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে পরিচালনা করে মাদক সেবন ও বিক্রির অপরাধে ৮১ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত ডিএমপি ও মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এসময় গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ১৬৫৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২৪০ গ্রাম হেরোইন ও ৯০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১৬ মার্চ) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪৯টি মামলা হয়েছে।

ডিএমপি জানায়, ঢাকা মেগা সিটিকে মাদকমুক্ত করতে প্রতিনিয়ত এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার দিনভর মাদকবিরোধী অভিযানে ৭২ জনকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

টঙ্গীতে গাড়ি চাপায় পোশাক শ্রমিক নিহত
                                  

ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের টঙ্গী বাজার এলাকায় বাটা গেটের সামনে রাস্তাপারাপারের সময় গাড়ি চাপায় ছখিনা (৩০)নামে এক পোশাক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে আজ মঙ্গলবার সকাল পৌনে আটটায়। নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ছখিনা বগুড়া জেলার সোনাতলা থানা এলাকার মধ্যদেবকান্দির বাসিন্দা।
জানা যায়, সকাল সাড়ে সাতটায় স্থানীয় পিমকী এ্যাপারেলস লি. কারখানায় যাওয়ার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হন ছখিনা। এসময় বাটা গেটের সামনে পৌঁছলে গজীপুরগামী বাসের চাপায় গুরুতর আহত হন তিনি। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ছখিনা স্টেশনরোড মাছিমপুর এলাকায় মান্নান মাস্টারের বাড়িতে ভাড়া থেকে ওই কারখানায় অপারেটর হিসেবে চাকরি করে আসছিলেন। 


এ ব্যাপারে টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি এমদাদুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং ঘাতক বাসটি আটক রয়েছে বলে জানান। তবে লাশ নিহতের স্বজনদের অনুরোধে বিনা ময়নাতদন্তে হস্তান্তর করা হয়েছে।

টঙ্গীতে পুলিশ-ছিনতাইকারী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ২
                                  

গাজীপরের টঙ্গীতে পুলিশের সঙ্গে ছিনতাইকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘঠেছে। এতে পুলিশের গুলিতে দুই ছিনকারী গুলিবিদ্ধ ও তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আজ সোমবার ভোররাত পৌনে ৪টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। 


আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- টঙ্গী পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল হাসান, কনস্টেবল রাজ্জাক ও রফিক। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ দু’জন হলেন- জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ফুলকারচর এলাকার মমিজ উদ্দিন (২৩) ও গাজীপুর মহানগরের বাসন থানার পালেরপাড়া এলাকার মোশারেফ হোসেন (৩৫)। তাদেরকে টঙ্গীর আহসান উল্লাহ জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


গ্রেফতার আরও দু’জন হলেন- জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার কটাপুর বাজার এলাকার আখলেছ (২০) ও গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি থানার গোপালপুর এলাকার ইমরান (২২)।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক জানান, ঢাকার আশুলিয়া বেড়িবাঁধ এলাকায় ছিনতাই করে পালানোর সময় রাত আনুমানিক পৌনে চারটায় টঙ্গীর তিলারগাতি রোড এলাকায় টহল পুলিশ তাদের গতিরোধ করে। এসময় ছিনতাইকারীরা উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাসানের হাতে ছুরিকাঘাত করে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ তাদের আত্মরক্ষার্থে কনস্টেবল আব্দুর রহমান দুই রাউন্ড ও রফিকুল দুই রাউন্ড মোট চার রাউন্ড গুলি করে চার ছিনতাইকারীকে আটক করে। আটকের সময় তাদের তল্লাশি করে ৪টি মোবাইল, একটি ল্যাপটপ, দুটি ছোড়া ও দুই হাজার ২৪৭ টাকা উদ্ধার করা হয়।


তিনি আরও জানান, পুলিশ-ছিনতাইকারী সংঘর্ষে ধস্তাধস্তিতে দুই কনস্টেবল আহত হন। পুলিশের গুলিতে পায়ে জখম অবস্থায় মমিজ উদ্দিন ও মোশারেফ হোসেনকে প্রথমে টঙ্গীর আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল ও পরে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠনো হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

‘যারাই মাদক ব্যবসার দুঃসাহস দেখাবে, নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হবে’
                                  

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ‘এ সপ্তাহে রমনায় এক মাদক ব্যবসায়ীকে পালানোর সময় পায়ে গুলি করে পঙ্গু করে দেয়া হয়েছে। তাও আমরা দুবার চিন্তা করিনি। এই মাদককে দমন করতে হবে। প্রয়োজনে এ ধরনের কঠোর ব্যবস্থা আমাদের গ্রহণ করতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে একটা সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

কমিশনার বলেন, ‘তবে একটা কথা বলি, সত্য কথা, কেউ কিছু মনে করবেন না। পুলিশের সহযোগিতা ছাড়া আর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি-নেতাদের সহযোগিতা ছাড়া মাদক ব্যবসা চলতে পারে না। এটা সত্য কথা।’

রোববার বিকেলে রাজধানীর গুলশান বিভাগের কড়াইল বস্তি-সংলগ্ন এরশাদ স্কুল মাঠে আয়োজিত ‘মাদক ও জঙ্গিবাদবিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য এ কথা বলেন তিনি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, গত সপ্তাহে দেখেছেন, এই পুরান ঢাকার বিখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী হযরত আলী, ৩৩টি মাদক মামলার আসামি। গত সপ্তাহে পুলিশের সঙ্গে এনকাউন্টারে নিশ্চিহ্ন হয়েছে, খতম হয়েছে। এরপরও যারা মাদক ব্যবসার দুঃসাহস দেখাবে তাদেরও একই পরিণতি হবে। ছাড় দেয়া হবে না। আমার পুলিশ যদি মাদকের আখড়া থেকে চাঁদা তোলে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি যদি মাদকের আখড়া থেকে টাকা তোলে, স্থানীয় নেতারা যদি সুবিধা নেয়, এই মাদক ব্যবসা বন্ধ করা যাবে? যাবে না।’ এ সময় উপস্থিত জনতা সমস্বরে বলে ওঠেন ঠিক ঠিক।

কমিশনার বলেন, ‘আমি পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, যদি কোনো পুলিশের সদস্য, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদককে সহযোগিতা করে, তাকে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখবেন। সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে যেভাবে মামলা নেই, ওই পুলিশের বিরুদ্ধেও মামলা নিয়ে তাকে হুড় হুড় করে টেনে নিয়ে যাব। ইতোমধ্যে অনেক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে তাকে কোর্টে চালান করে দিয়েছি। জিরো টলারেন্স। বাপ হলেও রক্ষা নেই, ছেলে হলেও রক্ষা নেই। মাদক ব্যবসায়ীকে চরমভাবে দমন করা হবে।’

‘সম্মানিত নেতাদের বলতে চাই, আপনারা দল ভারী কিংবা অন্য যে কোনো কারণে হোক, চোরচোট্টা, গুণ্ডা, বদমায়েশ, ছিনতাইকারী বা মাদক ব্যবসায়ীদের ভাতা দেন তাহলে আপনাদেরও আইনের আওতা আনা হবে। কেউ রক্ষা পাবেন না। কাউকে ডরাই না। যে এই ভয়াবহ মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকবে, সে যেই হোক, তার পরিচয় যাই হোক, অবস্থান যেখানেই হোক, তার কোমড়ে রশি দিয়ে বেঁধে হুড় হুড় করে টেনে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করব। এটা আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার।’

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, আমরা ওয়াদা করছি ঢাকা মহানগরকে মাদকমুক্ত করব। আমরা ঢাকা মহানগরে আর ঐশী তৈরি হতে দেব না। কারও বাবা যেন না বলে, কমিশনার সাহেব আমার সন্তানকে জেলে দেন। আটকে রাখেন। দোজখের আজাব ওই বাপ ওই মা এই দুনিয়াতেই পেয়ে যায়। মাদকের ব্যবসা করলে নগদ দুটা টাকা হয়তো পাবেন কিন্তু হাজার হাজার সন্তান নষ্ট হয়ে যায়, আপদে পরিণত হয়।’

তিনি বলেন, মাদক সর্বনাশের নাম। মাদক নির্মূল করা পুলিশের একার কাজ নয়। রাজনীতিবিদদেরও একার নয়। এটা সবার দায়িত্ব। আমাদের সন্তানদের রক্ষা করতে হবে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যদি রক্ষা করতে চাই তাহলে মাদককে দমন ও নির্মূল করতে হবে। যারা মাদক খায়, ব্যবসা করে, চালান আনে, যারা মাদকের জন্য অর্থলগ্নি করে, মাদকের জন্য আশ্রয় দেয় প্রশ্রয় দেয়, কোর্টে গিয়ে জামিন করায়, তাদের সবাইকে রুখতে হবে। তাদের ঘৃণা করতে হবে। সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। থু মারতে হবে। থু মারতে হবে তাদের গায়ে মুখে। কারও রক্ষা নেই।

কমিশনার বলেন, যারা মাদক বহন করে তারা গরিব মানুষ। কিন্তু ব্যবসা করে যারা বড় লোক। আশ্রয় দেয় বড়লোক। প্রভাবশালীর ছত্রচ্ছায়ায় গরিবরা মাদকের ব্যবসা করতে পারে না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, মাদকসহ ধরা পড়লে জিজ্ঞাসাবাদ করব। কোর্টে ৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেব, কার আশ্রয়-প্রশ্রয়ে সে মাদকের ব্যবসা করেছে।

এর আগে তিনি ওই এলাকায় ডে কেয়ার সেন্টার ও লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গুলশান বিভাগের ডিসি মোস্তাক আহমেদসহ পুলিশের অন্য কর্মকর্তারা।

উচ্ছেদের প্রতিবাদে গুলিস্তানে হকারদের ঝটিকা মিছিল
                                  

রাজধানীর গুলিস্তানে রোববার দুপুরে হকাররা উচ্ছেদ অভিযানের বিরুদ্ধে ঝটিকা মিছিল করেছেন।
গুলিস্তান আন্ডারপাসের সামনে থেকে বেলা পৌনে ১২টার দিকে হঠাৎ একদল হকার `দুনিয়ার মজদুর, এক হও হও` স্লোগানে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন।
এ হকাররা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ হয়ে জিরো পয়েন্ট প্রদক্ষিণ করে গুলিস্তানের সড়কে মিছিল করতে থাকেন।
এ সময় তারা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে উদ্দেশ করে বলেন, আমাদের পুনর্বাসন করে তার পর উচ্ছেদ করুন।
কথায় কথায় হকার উচ্ছেদ চলবে না, চলবে না বলেও হকাররা স্লোগান দেন। পরে তারা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন।
গুলিস্তান আহাদ পুলিশবক্সের এসআই ওবায়দুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, পুলিশ যাওয়ার আগেই হকাররা রাস্তা ছেড়ে পালিয়েছে। পরে তারা প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে সমাবেশ করেছে।

মৌচাকের আনারকলি মার্কেটে আগুন
                                  

রাজধানীর মৌচাকের আনারকলি সুপার মার্কেটে আগুন লেগেছে। শনিবার বিকেল ৫টা ২৪ মিনিটে মার্কেটের চতুর্থ তলায় আগুনে সূত্রপাত।

খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্তব্যরত কর্মকর্তা কামরুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। আগুনে হতাহতেরও কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

আইইবির তদন্ত প্রতিবেদন: কেমিক্যাল গুদাম থেকেই অগ্নিকাণ্ড
                                  

ঢাকার চকবাজারের চুড়িহাট্টার ওয়াহেদ ম্যানশনে অগ্নিকাণ্ডের কারণ বের করতে ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন বাংলাদেশের (আইইবি) বিশেষজ্ঞ দলের তদন্ত প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, কেমিক্যালের গুদাম থেকেই আগুন লেগেছে। ২ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেয়া প্রতিবেদনে অগ্নিকাণ্ডের কারণ চিহ্নিত করে পুরান ঢাকাকে নিরাপদ করতে আটটি সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে অগ্নিকাণ্ডের পর ২৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত কমিটি গঠন করে আইইবি। ছয় সদস্যের কমিটি ২৮ ফেব্রুয়ারি আইইবির সাধারণ সম্পাদকের কাছে প্রতিবেদন পেশ করে।

এ প্রসঙ্গে আইইবির তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব প্রকৌশলী কাজী খায়রুল বাশার যুগান্তরকে বলেন, ‘চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত সম্পর্কে নানা তথ্য পাওয়া গেছে। সবকিছু যাচাই-বাছাই করে আমাদের ধারণা হয়েছে, কেমিক্যাল থেকেই ওয়াহেদ ম্যানশনে অগ্নিকাণ্ড ঘটছে। এর বাইরে অন্য কোনো কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে এমনটা আমাদের মনে হয়নি।’

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, চুড়িহাট্টার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সিসিটিভি ফুটেজ এবং ক্যামেরায় তোলা কিছু ভিডিও চিত্রে আগুন ছড়িয়ে পড়তে দেখে অনেকে দাবি করছেন, আগুনটা বাইরে থেকে শুরু হয়ে ভবনে ছড়িয়েছে।

 

কিন্তু মসজিদের পাশে সিসিটিভি ফুটেজে বিস্ফোরণের সঙ্গে এয়ার ফ্রেশনারের (বায়ূ বিশুদ্ধিকরণ) ক্যান দেখতে পাওয়া যায়। তাতে আপাত দৃষ্টিতে আগুন ওয়াহেদ ম্যানশনের দোতলা হতে শুরু হয়েছে বলে ধারণা হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওই ভবনে বিপুল পরিমাণে অতি দাহ্য পদার্থ থাকায় বিস্ফোরণে বাইরের দেয়াল ভেঙে পড়ে এবং অভ্যন্তরীণ দেয়ালের পলেস্তরা খসে পড়ে। তবে ভেতরের দিকে অক্সিজেন কম থাকায় আগুন সেদিকে বাড়তে পারেনি। এজন্য ওয়াহেদ ম্যানশন সংলগ্ন ওয়াহেদ মঞ্জিলের কোন ক্ষতি হয়নি, বরং রাস্তার দিকে আগুন ছড়িয়েছে। ওয়াহেদ ম্যানশনের একতলা সিঁড়িঘরেও তেমন ক্ষতি হয়নি।

ভিন্নধর্মী তথ্য সম্পর্কে আইইবির তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত বিপরীতমুখী নানা তথ্য আসায় ঘটনাস্থলের পরিপূর্ণ ফরেনসিক তদন্ত প্রয়োজন। শুধু চাক্ষুষ পরিদর্শনে যা দৃষ্টিগোচর হয়েছে তাতে ওয়াহেদ ম্যানশনের দ্বিতীয় তলার দেয়ালে কোনো ভি’সাইন বা আওয়ার গ্লাস তৈরি হলেও এখন সেটা অবলোকন করা সম্ভব নয়। কেননা, দ্বিতীয় তলার দেয়াল বিস্ফোরণে ভেঙে পড়েছে, আর ভেতরের দেয়ালের পলেস্তরা খসে পড়েছে।

প্রতিবেদনের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ওয়াহেদ ম্যানশনসংলগ্ন এলাকা পরিদর্শনের সময় ধারণা পাওয়া যায়, আশপাশে ডিপিডিসির বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ছিল না বলে বিদ্যুৎ বিতরণ লাইনেও শর্টসার্কিটের কোনো আলামত ছিল না। ট্রান্সফরমার যেখানে ছিল তা অক্ষত অবস্থায় ছিল।

বিদ্যুৎ বিতরণ লাইনগুলোও অক্ষত ছিল। প্লাস্টিক দানা নেয়ার জন্য যে পিকআপ ওয়াহেদ ম্যানশনের নিচে দাঁড়িয়ে ছিল, তা ডিজেল চালিত ছিল। পরিদর্শনকালে ওয়াহেদ ম্যানশনের দ্বিতীয় তলায় বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনীসামগ্রীর মজুদের ভস্মীভূত ও প্রায় অক্ষত অবশেষ দেখা যায়। সেগুলোর মধ্যে ছিল- বাদামের তেল, রেড়ির তেল, জলপাইয়ের তেল, এয়ার ফ্রেশনার ও সুগন্ধি।

আট দফা সুপারিশ : ১. আইন ও বিধির অসামঞ্জস্যতা অবসানের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি করা একান্ত প্রয়োজন। ওই কমিটির মাধ্যমে সংস্থাগুলোর সব আইন ও বিধির সমন্বয় সাধন করে নতুন একটি সমন্বিত আইন ও বিধি প্রয়ণন করতে হবে। সংস্থাগুলো নিজ নিজ কার্যপরিধি অনুযায়ী সমন্বিতভাবে কার্যসম্পাদন করবে এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ করবে। আর এ কাজগুলোর সমন্বয় সাধনের জন্য সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদ্বয়ের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা যেতে পারে।

অথবা ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন এবং রাজউকের ১ হাজার ৫২৮ কিলোমিটার এলাকা পরিচালনা করার জন্য একটি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা এবং সেই মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের এবং রাজউকের পুরো এলাকা তদারকি ও মনিটরিং এবং সম্পাদনা করা যেতে পারে।

২. পুরান ঢাকার রাস্তাগুলো অত্যন্ত সরু এবং বড় যানবাহন চলাচলের অযোগ্য। ওই এলাকার বাসিন্দাদের পর্যায়ক্রমে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে নতুনভাবে পরিকল্পিত নগরায়ণের পদক্ষেপ নিতে হবে। ৩. কেরানীগঞ্জ বা সাভার এলাকার কেমিক্যাল পল্লী গঠনের মাধ্যমে অনতিবিলম্বে দাহ্য পদার্থের গোডাউন সরানোর ব্যবস্থা করতে হবে ৪. গ্যাস, ইলেকট্রিক, টেলিফোন ও পানির লাইনের জন্য আলাদা আলাদা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা করতে হবে।

৫. পুরান ঢাকার কেমিক্যাল ব্যবসায়ী, গুদামজাতকারী ও পরিবহনে নিয়োজিত সবাইকে কেমিক্যাল ব্যবহার ও সংরক্ষণের ঝুঁকিগুলো সম্পর্কে অবহিত করতে হবে। কেমিক্যালের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ব্যাপারে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে জনমত গঠনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

৬. বিস্ফোরক দ্রব্যাদির আমদানি, মজুদ. বিতরণ ও ব্যবহারের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য একটি জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে ৭. ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে বিল্ডিং কোড ও ইমারত নির্মাণ বিধিমালা প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। ৮. রাজউক ও সিটি কর্পোরেশনের আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

ভবনগুলো ধ্বংস নয়, সংস্কার করতে হবে : চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো ধ্বংস নয়, সংস্কার করে ব্যবহার করা সম্ভব বলে জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) গঠিত তদন্ত কমিটি। ১১ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটি রোববার ডিএসসিসি মেয়রের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে ভবনটির ডিটেইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাসেসমেন্ট (ডিইএ) করতে হবে। ডিইএ’র রিপোর্ট অনুযায়ী পরের ১৫০ দিনের মধ্যে নতুন করে প্রয়োজনীয় মজবুত রেট্রোফিটিং করতে হবে। এ দুটি সুপারিশ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ভবনটি ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়া বাকি চারটি ভবনের সামনের দিকের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ভেঙে মেরামতের পর ডিএসসিসি ও রাজউকের যথাযথ অনুমোদনের পর ব্যবহার করা যাবে।

এ প্রসঙ্গে তদন্ত কমিটির সদস্য ও ডিএসসিসির প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ‘পুরান ঢাকার চকবাজারের চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ধ্বংস করা লাগবে না, সংস্কার করে ব্যবহার করা যাবে। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনে এই সুপারিশ করেছে।’

চুড়িহাট্টার ওয়াহেদ ম্যানশন ছাড়াও তার পার্শ্ববর্তী চারটি ভবন (হোল্ডিং নং-৬৫, ১৮, ১৭ এবং চুড়িহাট্টা মসজিদ) বাহ্যিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে পুরান ঢাকার চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডে ঘটনাস্থলে ৬৭ জন ও পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়।

আশুলিয়ায় ঝুটের গুদামে ভয়াবহ আগুন
                                  

সাভার উপজেলার আশুলিয়ায় একটি মার্কেটের নিচ তলায় থাকা সুয়েটার কারখানার সুতা এবং ঝুটের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সন্ধ্যায় বাইপাইলের করিম সুপার মার্কেটের পঞ্চম তলা ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ডে অবস্থিত আনজির এ্যাপারেলেস লিমিটেড সুয়েটার কারখানার সুতার গুদাম থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়।

খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যায় হঠাৎ মার্কেটের নিচতলার আনজির এ্যাপারেলেস লিমিটেড স্যুয়েটার কারখানার সুতার গুদাম ঘর থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে থাকে। এরপর সেখান থেকে আগুন দ্রুত মার্কেটের নিচতলার ঝুটের গোডাউনে ছড়িয়ে পড়লে ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। পরে ধামরাই ও সাভার ফায়ার সার্ভিসের আরো ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

এলাকাবাসী জানায় ওই মার্কেটটিতে কেমিকেলের গুদাম রয়েছে। যে কোন সময় আরো বড় ধরনের আগুন লাগার ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা আশংকা করছে।

ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো: আবদুল হামিদ জানান, সন্ধ্যায় আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করেন। তবে সরু গলি ও কাজ করার মতো জায়গা না থাকায় আগুন নেভাতে কিছুটা বেগ পেতে হয়। দেওয়াল ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে কাজ করতে হয়েছে। এছাড়া আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় সাভার ও ধামরাই থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা যোগ দিলে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের জোন কমান্ডার আনোয়ারুল হক বলেন, তাৎক্ষণিক ভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

বারডেমের ভেন্টিলেটর দিয়ে লাফিয়ে আত্মঘাতী তরুণ
                                  

রাজধানীর বারডেম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হওয়া সোহরাব হোসেন (২১) নামে এক রোগী ১২ তলার বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে লাফিয়ে নিচে পড়ে আত্মহনন করেছেন।

শনিবার (২ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে তিনি নিচে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায় রমনা থানা পুলিশ। সোহরাবের বাড়ি নরসিংদীতে। 
তার বাবার নাম মতিউর রহমান।

রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মাইনুল ইসলাম গণ্যমাধ্যমকে জানান, সোহরাবের শারীরিক সক্ষমতায় স্বাভাবিকতা ছিল না বিধায় গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে পরিবার। 
এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অস্ত্রোপচার হয়। 

এরমধ্যে তাকে বিয়ে করানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও শনিবার বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে নিচে পড়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।


   Page 1 of 88
     রাজধানী
‘চুক্তি নয়, আগামি মাস থেকে সব গাড়ি চলবে টিকিটে’
.............................................................................................
যান চলাচল বন্ধ, ভরসা কেবল পা
.............................................................................................
সু-প্রভাতের রুট পারমিট ও লাইসেন্স বাতিলের ঘোষণা মেয়র আতিকুলের
.............................................................................................
বাসচাপায় নিহত আবরারের জানাজা সম্পন্ন, বনানী কবরস্থানে দাফন
.............................................................................................
বসুন্ধরা গেটে শিক্ষার্থীদের অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ
.............................................................................................
সু-প্রভাতে প্রাণ গেল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর
.............................................................................................
মহাখালীতে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে আগুন, দগ্ধ ৩
.............................................................................................
রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৮১
.............................................................................................
টঙ্গীতে গাড়ি চাপায় পোশাক শ্রমিক নিহত
.............................................................................................
টঙ্গীতে পুলিশ-ছিনতাইকারী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ২
.............................................................................................
‘যারাই মাদক ব্যবসার দুঃসাহস দেখাবে, নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হবে’
.............................................................................................
উচ্ছেদের প্রতিবাদে গুলিস্তানে হকারদের ঝটিকা মিছিল
.............................................................................................
মৌচাকের আনারকলি মার্কেটে আগুন
.............................................................................................
আইইবির তদন্ত প্রতিবেদন: কেমিক্যাল গুদাম থেকেই অগ্নিকাণ্ড
.............................................................................................
আশুলিয়ায় ঝুটের গুদামে ভয়াবহ আগুন
.............................................................................................
বারডেমের ভেন্টিলেটর দিয়ে লাফিয়ে আত্মঘাতী তরুণ
.............................................................................................
দুর্ভোগে বাউনিয়াবাঁধবাসী
.............................................................................................
সাত-সকালে প্রাণ গেল দুই শ্রমিকের
.............................................................................................
ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল
.............................................................................................
দুই সিটিতে নতুন কাউন্সিলর যারা
.............................................................................................
উত্তরায় আবাসিক ভবনে আগুন ॥ শিশু ও নারীসহ অবরুদ্ধ ৮ জন উদ্ধার
.............................................................................................
ফলাফল যাই হোক মেনে নেব: শাফিন আহমেদ
.............................................................................................
রাজধানীর দুই সিটি কর্পোরেশনে ভোটগ্রহণ চলছে
.............................................................................................
ডিএসসিসি ৭০ নম্বর ওয়ার্ড: কাউন্সিলর প্রার্থী জহির উদ্দিনের পথসভা
.............................................................................................
মতিঝিল শাপলা চত্বরে সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন
.............................................................................................
বিটিভি ভবনে আগুন
.............................................................................................
ওয়াহেদ ম্যানশনের বেসমেন্টে দাহ্য রাসায়নিকের বড় মজুতের সন্ধান
.............................................................................................
যানজটে বিশ্বে প্রথম স্থান অর্জন করল ঢাকা
.............................................................................................
সকালে রাজধানীতে হঠাৎ শিলাবৃষ্টি
.............................................................................................
বইমেলায় শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র ‘ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার’
.............................................................................................
রাজধানীতে সড়কে প্রাণ গেল পথচারীর
.............................................................................................
চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে অতিরিক্ত শ্রেণিশিক্ষকদের প্রতীকী অনশন
.............................................................................................
বাড্ডায় ফুটপাতে বাস, চা দোকানি ও নৈশ প্রহরী নিহত
.............................................................................................
পুরুষ নির্যাতন আইনের দাবিতে প্রেসক্লাবে মানববন্ধন
.............................................................................................
মাঘে রাজধানী ছেড়ে পালিয়েছে শীত
.............................................................................................
রাজধানীতে ভুয়া দুই ‘দুদক কর্মকর্তা’ আটক
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি ২৬ ফেব্রুয়ারি
.............................................................................................
প্রশ্নফাঁস চক্রের মূলোৎপাটনের দাবি সিআইডির
.............................................................................................
কেন্দ্রের দুইশ’গজের মধ্যে জনসাধারণের প্রবেশ নিষেধ
.............................................................................................
ঢামেকে নবজাতক কিনতে এসে নারী আটক
.............................................................................................
দুদকের অভিযান: মতিঝিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত
.............................................................................................
বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স ফুড কোর্টে অভিযান
.............................................................................................
বিমানবন্দরের সামনে ফুটপাতে ট্রাক, ২ পথচারী নিহত
.............................................................................................
ট্যাডোবর সভাপতি জীবন সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক
.............................................................................................
বেলুনে গ্যাস ভরার সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ১
.............................................................................................
নব্য জেএমবির হাল ধরতে দেশে ফিরে আসে রিপন
.............................................................................................
হাতিরঝিলে ছিনতাইয়ের শিকার নারী সাংবাদিক
.............................................................................................
হলি আর্টিজান হামলা মামলার চার্জশিটভূক্ত আসামি গ্রেফতার
.............................................................................................
অপহৃতকে উদ্ধার, পালাল অপহরণকারী চক্র
.............................................................................................
সিসি ক্যামেরার ফুটেজে চুরির দৃশ্য
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]