| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   সারাদেশ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
শিশুর ৪টি আঙ্গুল কেটে দেয়া যুবলীগ নেতা কারগারে

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ৫ বছরের শিশু ইয়ামিন মিয়ার ডান হাতের ৪টি আঙ্গুল কেটে দেয়া সেই যুবলীগ নেতা অদুদ মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে জের হাজতে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা অদুদ মিয়াকে সুনামগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

যুবলীগ নেতা অদুদ জেলার তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের সোলেমানপুর গ্রামের জমির আলীর ছেলে ও শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি। নির্যাতনের শিকার শিশু ইয়ামিন (৫) তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের সুলেমানপুর গ্রামের শাহানুর মিয়ার ছেলে এবং সুলেমানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্র।

মামলা ও অন্যান্য সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৪মার্চ শনিবার বিকেলে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় শিশু ইয়ামিন গরুর ঘাস কাটার জন্য মহালিয়া হাওর পাড়ে ময়নাখালি নির্মাণাধীন বাঁধের ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পা পিছলে বাঁধের নিচে পড়ে যায়। এ সময় নির্মাণাধীন অবস্থায় থাকা এই বাঁধের ড্রেসিং করা কাজের সামান্য ক্ষতি হয়। এরপর ময়নাখালি বাঁধের ২৮নং পিআইসি সুলেমানপুর গ্রামের জমির উদ্দিনের ছেলে অদুদ মিয়া শিশু ইয়ামিনের হাতে থাকা কাঁচি কেড়ে নিয়ে তার(ইয়ামিনের) হাতের ৪টি আঙ্গুল কেটে দেয়।

পরে রক্তাক্ত ও গুরুতর আহতাবস্থায় শিশু ইয়ামিনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশু ইয়ামিন যুবলীগ নেতা আব্দুল অদুদের বর্বরতার শিকার হওয়ার পর বিভিন্ন গনমাধ্যমে খবরটি জোরালোভাবে প্রকাশিত হয়।

এ বিষয়ে তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন কান্তি ধর ও মামলার তদর্ন্তকারী কর্মকর্তা আমির হোসেন জানান, উপজেলায় মহালিয়া হাওরের ময়না খালি ফসল রক্ষা বাঁধে গত বছরের ২৪ মার্চ তুচ্ছ কারণে ৫ বছরের শিশু ইয়ামিন মিয়ার ডান হাতের ৪টি আঙ্গুল কাঁচি দিয়ে কেটে দেয় প্রকল্পের ২৮নং পিআইসি শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের সাবেক যুবলীগ আহ্বায়ক অদুদ মিয়া। এ ঘটনায় অদুদ মিয়া ও তার সহোদর আলম মিয়াকে আসামী করে ২৬ মার্চ ইয়ামিন মিয়ার বাবা শাহানুর মিয়া বাদী হয়ে তাহিরপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ১৪(৩)১৮ইং।

তারা আরো বলেন, মামলা হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা অদুদ পলাতক ছিল। মামলা দায়েরের পর অদুদের ছোট ভাই আলম মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাহিরপুর থানার এসআই আনোয়ার হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বুধবার (২০মার্চ) দুপুরে সোলেমানপুর বাজার থেকে আসামী যুবলীগ নেতা অদুদ মিয়াকে আটক করে।

নির্যাতনের শিকার শিশু ইয়ামিন (৫) তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের সুলেমানপুর গ্রামের শাহানুর মিয়ার ছেলে এবং সুলেমানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্র।

শিশুর ৪টি আঙ্গুল কেটে দেয়া যুবলীগ নেতা কারগারে
                                  

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ৫ বছরের শিশু ইয়ামিন মিয়ার ডান হাতের ৪টি আঙ্গুল কেটে দেয়া সেই যুবলীগ নেতা অদুদ মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে জের হাজতে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা অদুদ মিয়াকে সুনামগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

যুবলীগ নেতা অদুদ জেলার তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের সোলেমানপুর গ্রামের জমির আলীর ছেলে ও শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি। নির্যাতনের শিকার শিশু ইয়ামিন (৫) তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের সুলেমানপুর গ্রামের শাহানুর মিয়ার ছেলে এবং সুলেমানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্র।

মামলা ও অন্যান্য সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৪মার্চ শনিবার বিকেলে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় শিশু ইয়ামিন গরুর ঘাস কাটার জন্য মহালিয়া হাওর পাড়ে ময়নাখালি নির্মাণাধীন বাঁধের ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পা পিছলে বাঁধের নিচে পড়ে যায়। এ সময় নির্মাণাধীন অবস্থায় থাকা এই বাঁধের ড্রেসিং করা কাজের সামান্য ক্ষতি হয়। এরপর ময়নাখালি বাঁধের ২৮নং পিআইসি সুলেমানপুর গ্রামের জমির উদ্দিনের ছেলে অদুদ মিয়া শিশু ইয়ামিনের হাতে থাকা কাঁচি কেড়ে নিয়ে তার(ইয়ামিনের) হাতের ৪টি আঙ্গুল কেটে দেয়।

পরে রক্তাক্ত ও গুরুতর আহতাবস্থায় শিশু ইয়ামিনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশু ইয়ামিন যুবলীগ নেতা আব্দুল অদুদের বর্বরতার শিকার হওয়ার পর বিভিন্ন গনমাধ্যমে খবরটি জোরালোভাবে প্রকাশিত হয়।

এ বিষয়ে তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন কান্তি ধর ও মামলার তদর্ন্তকারী কর্মকর্তা আমির হোসেন জানান, উপজেলায় মহালিয়া হাওরের ময়না খালি ফসল রক্ষা বাঁধে গত বছরের ২৪ মার্চ তুচ্ছ কারণে ৫ বছরের শিশু ইয়ামিন মিয়ার ডান হাতের ৪টি আঙ্গুল কাঁচি দিয়ে কেটে দেয় প্রকল্পের ২৮নং পিআইসি শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের সাবেক যুবলীগ আহ্বায়ক অদুদ মিয়া। এ ঘটনায় অদুদ মিয়া ও তার সহোদর আলম মিয়াকে আসামী করে ২৬ মার্চ ইয়ামিন মিয়ার বাবা শাহানুর মিয়া বাদী হয়ে তাহিরপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ১৪(৩)১৮ইং।

তারা আরো বলেন, মামলা হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা অদুদ পলাতক ছিল। মামলা দায়েরের পর অদুদের ছোট ভাই আলম মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাহিরপুর থানার এসআই আনোয়ার হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বুধবার (২০মার্চ) দুপুরে সোলেমানপুর বাজার থেকে আসামী যুবলীগ নেতা অদুদ মিয়াকে আটক করে।

নির্যাতনের শিকার শিশু ইয়ামিন (৫) তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের সুলেমানপুর গ্রামের শাহানুর মিয়ার ছেলে এবং সুলেমানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্র।

‘হারাতে চাই না আর কোনো ভাই, নিরাপদ সড়ক চাই’
                                  

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় সিএনজির চাপায় স্কুলছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে কালো ব্যাজ ধারণ করে উপজেলা পরিষদ ঘেরাও ও সমাবেশ করেছে নিহতের সহপাঠীরা।

মঙ্গলবার দেওয়ানগঞ্জের রাজিবপুর সড়কের বাহাদুরাবাদ পোল্লাকান্দি ব্রিজ সড়কে সিএনজির চাপায় নিহত হয় চুকাইবাড়ি বীর হলকা উচ্চবিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ওয়াজ কুরুনী (১৪)। নিহত ওয়াজ কুরুনী স্থানীয় পশু চিকিৎসক আ. সামাদের ছেলে।

ওয়াজ কুরুনী নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে সহপাঠীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। বুধবার দুপুরে আজিজা রোজবার্ড কলেজিয়েট স্কুলের পাঁচ শতাধিক ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী নিরাপদ সড়কের দাবিতে কালো ব্যাজ ধারণ করে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে ‘হারাতে চাই না আর কোন ভাই, নিরাপদ সড়ক চাই’ স্লোগান দিয়ে উপজেলা পরিষদ ঘেরাও করে। সেই সঙ্গে বিক্ষোভ মিছিল করে তারা। এরপর সমাবেশ করা হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেয়- নিহতের সহপাঠী দশম শ্রেণির ছাত্র লিয়ন, লাজিব ও অভিভাবক সেলিনা আক্তার প্রমুখ। শোকাহত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে এতে উপস্থিত ছিলেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আমির হোসেন মুরাদ।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের সান্ত্বনা দিয়ে সড়কে দুর্ঘটনা রোধে পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন। সেই সঙ্গে স্কুলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানালে ফিরে যায় শিক্ষার্থীরা।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন প্রগতি সরণি এলাকায় সু-প্রভাত বাসের চাপায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী আবরার আহাম্মেদ চৌধুরী নিহত হন।

পরে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা আট দফা দাবি ঘোষণা করেন। বুধবার সকাল থেকেও রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন চালিয়ে যান। বিকেলে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক শেষে ২৮ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

হানিফের দুই বাস ৪ খণ্ড, নিহত ৩
                                  

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ এলাকায় বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড়ে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার বিকেল ৪টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ সড়কের সয়দাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ও আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ শহীদ আলম বলেন, যাত্রীবাহী হানিফ পরিবহনের বিপরীতমুখী দুটি বাস একই লেইনে ঢুকে পড়লে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছেন বলেও জানান ওসি সৈয়দ শহীদ আলম।

এদিকে, মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন প্রগতি সরণি এলাকায় সু-প্রভাত বাসের চাপায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী আবরার আহাম্মেদ চৌধুরী নিহত হন।

পরে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা আট দফা দাবি ঘোষণা করেন। বুধবার সকাল থেকেও রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন চালিয়ে যান। বিকেলে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক শেষে ২৮ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

মুয়াজ্জিনকে চাপা দিল ইউনিক পরিবহন
                                  

মাগুরায় ইউনিক পরিবহনের বাসের চাপায় এক মসজিদের মুয়াজ্জিন প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবার দুপুরে মাগুরা-ফরিদপুর সড়কের পারনান্দুয়ালী বাস টার্মিনাল সংলগ্ন ৩নং ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মুয়াজ্জিনের নাম সালাম মন্ডল। তিনি মাগুরা সদর উপজেলার লস্করপুর গ্রামের মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে। স্থানীয় একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন সালাম মন্ডল।

মাগুরার পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, বুধবার ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ইউনিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস মাগুরা-ফরিদপুর সড়কের পারনান্দুয়ালী বাস টার্মিনাল সংলগ্ন ৩নং ব্রিজ এলাকায় মুয়াজ্জিন সালাম মন্ডলকে চাপা দেয়। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে পড়ে যায় বাসটি। তখন বাসের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান সালাম মন্ডল। ঘাতক বাসটি আটক করতে পারলেও চালক ও হেলপার পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। বাসচালককে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম।

এ নিয়ে গত তিনদিনে মাগুরায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজছাত্রসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় ১২ জন আহত হয়েছেন। প্রতিদিন সড়কে প্রাণহানির ঘটনায় শঙ্কিত এলাকাবাসী।

এদিকে, মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন প্রগতি সরণি এলাকায় সু-প্রভাত বাসের চাপায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী আবরার আহাম্মেদ চৌধুরী নিহত হন।

পরে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা আট দফা দাবি ঘোষণা করেন। বুধবার সকাল থেকেও রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন চালিয়ে যান। বিকেলে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক শেষে ২৮ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

সিলেটে নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় শিক্ষার্থীরা
                                  

ঢাকায় সু-প্রভাত পরিবহনের বাসচাপায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী আবরার আহম্মেদ চৌধুরী নিহতের ঘটনায় সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমা এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে তারা।

‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘জবাব চাই’, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সসহ গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন পারাপারে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করতে দেখা যায়। বিকেল ৩টার দিকে পুলিশ প্রশাসনের অনুরোধে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেন।

উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন প্রগতি সরণি এলাকায় সু-প্রভাত (ঢাকা মেট্রো-ব-১১-৪১৩৫) বাসের চাপায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী আবরার আহম্মেদ চৌধুরী নিহত হন। পরে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ৮ দফা দাবি ঘোষণা করেন এবং বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করে সারাদেশে বিক্ষোভের ডাক দেন আন্দোলনকারীরা।

ময়মনসিংহে হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি
                                  

ময়মনসিংহের তারাকান্দার কোদালধর এলাকার সহোদর দুই কৃষক হত্যা মামলায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার দুপুরে বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. এহ্সানুল হক এ আদেশ দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— একই এলাকার রামচন্দ্রপুরের জমির উদ্দিনের ছেলে লিয়াকত আলী (৫৫), লিয়াকত আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩৫), জমির উদ্দিনের ছেলে আবুল কাসেম (৫০) ও সিরাজ আলীর ছেলে হোসেন আলী (৬২)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, জমি নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে ২০০১ সালের ৪ আগস্ট দুপুরে ধারালো রাম দাঁ-বল্লমের আঘাতে আসামিরা মৃত হাফিজ উদ্দিনের দুই ছেলে আব্দুর রশিদ ও গিয়াস উদ্দিনকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে ৪ আগষ্ট নিহত গিয়াস উদ্দিনের ভাই আব্দুল খালেক বাদী হয়ে তারাকান্দা থানায় ২২ জনের নামে মামলা করেন।
দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ১৫ জন সাক্ষির সাক্ষ্য ও যুক্তিতর্ক শুনে বিচারক এ আদেশ দেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের অ্যাডভোকেট শেখ আবুল হাসেম, বাদীপক্ষের অ্যাডভোকেট আব্দুর গফুর, বিশ্বনাথ পাল ও আসামি পক্ষের অ্যাডভোকেট এএইচএম খালেকুজ্জামান মামলা পরিচালনা করেন।

যশোরে পিকআপচাপায় স্কুলছাত্রীর পা বিচ্ছিন্ন
                                  

স্কুলের সামনেই পিকআপের চাকায় পিষ্ট ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী মেফতাহুল জান্নাত নিপার জীবন রক্ষা পেলেও তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। 
আজ বুধবার সকালে যশোর-বেনাপোল সড়কের নাভারণে বুরুজবাগান পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আহত আরও তিন ছাত্রীকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
মেফতাহুল জান্নাত নিপা শার্শা উপজেলার দক্ষিণ বুরুজবাগান এলাকার রফিকুল ইসলামের মেয়ে।
দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী একই এলাকার সবুজ কুঁড়ি প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসেন বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিপাসহ চার শিক্ষার্থী একটি রিক্সা-ভ্যানে করে তাদের স্কুলের সামনে পৌঁছামাত্রই দ্রুতগামী একটি পিকআপ শিক্ষার্থীদের রিকশাভ্যানটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে নিপা গুরুতর আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুর্ঘটনার পরপরই ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পিকআপটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় ও যশোর-বেনাপোল সড়ক এক ঘণ্টা ধরে অবরোধ করে রাখে।


যশোর জেনারেল হাসপাতালে অর্থোপেডিক বিভাগের ডাক্তার আব্দুর রউফ জানান, অপারেশনের মাধ্যমে নিপার ডান পা হাঁটুর নিচ থেকে কেটে ফেলতে হয়েছে। সে এখন আশঙ্কামুক্ত।
খবর পেয়ে হাসপাতালে নিপাকে দেখতে যান যশোরের জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল। তিনি বলেন, ‘নিপার সব ধরণের চিকিৎসার ভার জেলা প্রশাসন বহন করবে’।
নিপার বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার মেয়েটা খুবই মেধাবী। তার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন ছিল। কিন্তু কপালে এ কি ঘটে গেল!’ রফিকুল ইসলাম বলেন, এ বছরই নিপা বুরুজবাগান পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি হয়। ভর্তি পরীক্ষার মেধা তালিকায় সে প্রথম স্থান অধিকার করে। এর আগে সে একটি প্রি-ক্যাডেট স্কুল থেকে ৫ম শ্রেণি পাশ করে। সেখানেও তার রোল ছিল এক।

বিয়ে বাড়িতে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা
                                  

বিয়ে বাড়িতে মদ খেয়ে মাতলামির প্রতিবাদ করায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে মধু প্রামাণিক (৪০) নামে এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার ভোররাতে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত মধু প্রামাণিক শাহজাদপুর উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের শহীদ আলী প্রামাণিকের ছেলে।

নিহতের ছোট ভাই আব্দুল মতিন বলেন, মঙ্গলবার আমাদের বাড়িতে চাচাতো ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। এ উপলক্ষে সাউন্ড বক্স বাজিয়ে আনন্দ করছিল পরিবারের লোকজন। এ সময় পাশের বাড়ির জাহাঙ্গীর মদ খেয়ে বিয়ে বাড়িতে মাতলামি করতে থাকে। বিষয়টি তার ভাই জহুরুলকে জানালে তিনি জাহাঙ্গীরকে নিয়ে যান। রাত সাড়ে ৯টার দিকে মাতাল জাহাঙ্গীর, তার ভাই বাচ্চু, জিন্নাহ ও ছেলে মিঠুন লাঠিসোটা এবং হাসুয়া নিয়ে আক্রমণ করে।

একপর্যায়ে মধু প্রামাণিককে কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায় তারা। পরে মধু প্রামাণিককে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে পোতাজিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং সেখানে অবস্থার অবনতি হলে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোররাতে তার মৃত্যু হয়।

শাহজাদপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাজা গোলাম কিবরিয়া জানান, খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং হাসপাতাল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এবার সুন্দরগঞ্জে ট্রাকচাপায় স্কুলছাত্রী নিহত
                                  

উপজেলায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ঠ হয়ে স্কুলছাত্রী সুমি আক্তার(১৪)নিহত হয়েছে। বুধবার সকালে বামনডাঙ্গা সুন্দরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে সাঁকা মারা ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সুমি আক্তার করুণাময়ী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী। সে রামভদ্র গ্রামের গনি মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সুমি আক্তার বাড়ি থেকে বাইসাইকেল যোগে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় বামনডাঙ্গা সুন্দরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে সাঁকা মারা ব্রিজ সংলগ্ন পৌছলে পিছন দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের চাকায় পিষ্ঠ হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সুন্দরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম আব্দুস সোবহান জনান, ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করার চেষ্টা চলছে।

নাচতে নাচতে মেলায় যাওয়ার পথেই ঝরল প্রাণ
                                  

নাটোরের বড়াইগ্রামে পিকআপ ভ্যান খাদে পড়ে একজন নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর ১৪ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নাটোরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বড়াইগ্রাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলিপ কুমার জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে বড়াইগ্রাম উপজেলার চাপিলা ইউনিয়ানের পাবনাপাড়া থেকে প্রায় ৩০ জন যুবক একটি পিকআপ ভ্যানে পার্শ্ববর্তী রাথুরিয়া এলাকায় ওরসের মেলায় যাচ্ছিলেন। পথে কান্দাইল এলাকায় যাত্রীরা হঠাৎ পিকআপের ওপর নাচ-গান শুরু করলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন।

এক পর্যায়ে পিকআপটি রাস্তার পাশে উল্টে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে কমপক্ষে ২০ জন আহত হন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত রনী নামে একজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায়

ট্রেনে কাটা পড়ে ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
                                  

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেলের তিন আরোহী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার ভেন্নাবাড়ি রেলক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- গোপালগঞ্জ জেলা শহরের ইসলামবাগ এলাকার সিদ্দিক সিকদারের ছেলে রাজু সিকদার (২৫) ও মোহাম্মদপাড়া এলাকার কামরুল চৌধুরীর ছেলে তানভীর চৌধুরী রকি (১৯)।

গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশের ওসি মো. মনিরুল ইসলাম জানান, রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটি সদর উপজেলার গোবরা স্টেশন থেকে গোপালগঞ্জ রেলস্টেশনে যাচ্ছিল। এ সময় মোটরসাইকেলে গোপালগঞ্জ-বর্ণি সড়কের ভেন্নাবাড়ি রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলে তিন যুবক নিহত হন।

বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ঘরের ওপর ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ লাইন!
                                  

ওজোপাডিকোর উদাসিনতায় প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবার প্রতি মুহূর্তে মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে। জাতীয় পাওয়ার গ্রিডের ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের নিচে বসবাসকারি এই পরিবারগুলোর উপর যেকোনো মুহূর্তে নেমে আসতে পারে মহাদূর্যোগ। প্রায় একবছর হলো বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরও তারা কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় পরিবারগুলো অসহায়ভাবে দিনযাপন করছে।

জানা যায়, ফরিদপুর শহরের বাইপাস সড়কের দক্ষিণ-পশ্চিম পাশ দিয়ে ওজোপাডিকোর ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন চলে গেছে। এই লাইনের মাঝ বরাবর ব্রাহ্মণকান্দা এলাকায় প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবার বসবাস করে। বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ওই বসতঘরগুলোর উপর দিয়ে যাওয়ায় ঝুঁকিতে রয়েছে পরিবারগুলো।

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন এই বসতির টিনের ঘরগুলোর কোনো কোনো ক্ষেত্রে মাত্র আধা হাত উপর দিয়ে চলে গেছে। বাড়িঘরের উপর দিয়ে ৩৩ হাজার ভোল্ট বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন টানা কোনোভাবেই আইনসিদ্ধ নয়। এটা ওই বাড়িঘরে বসবাসকারীদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।

এ লাইন নেয়ার অনেক আগে থেকেই এখানে পরিবারগুলো বসবাস করে আসছে। নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে পরিবারগুলো বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনটি সরিয়ে স্থাপনের জন্য বারবার কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করলেও কেউ কোনো কথাই শোনেনি।

যথেষ্ঠ পরিমাণে জায়গা থাকা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নেয়ার সময় পরিবারগুলোর অনুরোধ উপক্ষো করে ওজোপাডিকো লাইন টেনে যায়। এই পরিবারগুলোর নিরাপত্তার বিষয়টি তারা কোনোভাবেই আমলেতো নেয়ইনি উল্টো পানির মধ্যে দিয়ে পিলার স্থাপন করে লাইন টেনে নিয়ে গেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। ফলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। যেকোনো মুহূর্তে পানিতে বিদ্যুৎ সঞ্চালিত হয়ে পুরো এলাকা মারাত্মক বিপর্যয়ে পড়তে পারে।

 

ওই এলাকার বাসিন্দা ভুক্তভোগী শেখ বাশার জানান, আমার বসতঘরের উপর দিয়ে ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ লাইন চলে গেছে। দীর্ঘদিন যাবৎ আমরা ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছি। বিদ্যুৎ লাইনের কারণে ঘরবাড়ি মেরামতও করতে পারছি না। ঝড়ো বাতাস হলে পরিবার পরিজন নিয়ে শংকার মধ্যে থাকি। এছাড়া লাইনের পিলার বাসার পাশে খালের মধ্যে থাকায় পানিতে নামতেও আমরা ভয় পাই। লাইনটি সরানোর জন্য কর্তৃপক্ষকে লিখিত আবেদন করা হলেও দীর্ঘদিন যাবৎ তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

বিষয়টি নিয়ে ওজোপাডিকো ফরিদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিক্রয় ও বিপণন) মো. মুরশীদ আলমের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ লাইন সরানোর ব্যাপারে ব্রাহ্মণকান্দা এলাকাবাসীর লিখিত আবেদনটি আমলে নিয়ে সুপারিশসহ খুলনায় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

ওজোপাডিকো খুলনা কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এটিএম তারিকুল ইসলাম (পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেল, ফরিদপুর) জানান, এলাকাবাসীর লিখিত আবেদনটি আমি পেয়েছি। ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন সরানোর ক্ষমতা আমাদের নেই। এটা সম্পূর্ণভাবে সদর দফতরের এখতিয়ারে। আবেদনটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সুপারিশ করে সদর দফতরে পাঠিয়েছি। সেখান থেকে অনুমোদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কেউ চান ছেলে কেউ মেয়ে, এতেই বড় হচ্ছে পরিবার
                                  

‘ছেলে হোক, মেয়ে হোক, দুটি সন্তানই যথেষ্ঠ’- পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের এমন স্লোগানের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই বললেই চলে। দম্পতিদের প্রয়োজনীয় সচেতনতার অভাব ও প্রান্তিক পর্যায়ে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নিয়ে কুসংস্কারের কারণে দেশের জনসংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। আবার দম্পতিদের কেউ ছেলে সন্তান ও কেউ মেয়ে সন্তানের আশায় একাধিক সন্তান নিয়ে পরিবার বড় করছেন। আর এর প্রভাব পড়ছে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার নাটাই (উত্তর) ইউনিয়নের ছায়া সুনিবিড় গ্রাম ‘ক্ষুদ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া’। এ গ্রামের অধিকাংশ মানুষ কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। গ্রামটিতে জন্ম নিয়ন্ত্রণের কোনো বালাই নেই! পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরে মাঠ কর্মীরা বাড়ি-বাড়ি গিয়ে পরিবার ছোট রাখতে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নেয়ার কথা বললেও কোনো কাজ হচ্ছে না। গ্রামের প্রতিটি ঘরেই তিন থেকে পাঁচজন করে শিশু রয়েছে।

নারীদের কেউ কেউ পরিবার ছোট রাখার জন্য জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করতে চাইলেও বাধা হয়ে দাঁড়ান পুরুষরা। নানা কুসংস্কারের দোহাই দিয়ে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করতে দেন না তারা। এর ফলে নিয়ন্ত্রণ না থাকায় গ্রামের জনসংখ্যা বেড়েই চলেছে। প্রতিবছরই কোনো না কোনো ঘরে যোগ হচ্ছে নতুন শিশুর মুখ।

ক্ষুদ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া গ্রামের গৃহবধূ সুফিয়া বেগম। ২৭ বছর বয়সী এই নারী ১৭ বছর বয়সেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। প্রথম বছরেই ঝুঁকি নিয়ে মেয়ে সন্তান প্রসব করেন তিনি। তবে স্বামী সেলিম মিয়া চান ছেলে সন্তান। দুই বছরের মধ্যে আবারও মেয়ে সন্তানের জন্ম দেন সুফিয়া। পরিবারের আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে সুফিয়া আর সন্তান নিতে চাননি। কিন্তু স্বামীর ইচ্ছায় ছেলে সন্তানের জন্য আবার গর্ভধারণ করেন সুফিয়া। এবার একবছর পর ছেলে সন্তান জন্ম নেয় সেলিম-সুফিয়ার ঘরে।

সুফিয়া বেগম জানান, প্রথম দুই মেয়ে ও পরে এক ছেলে জন্ম নেয়ার পর আবারও আরেকটি ছেলে সন্তানের জন্য চাপ দিতে থাকেন স্বামী। বছর তিনেক বিরতি দিয়ে আবারও মেয়ে সন্তান প্রসব করেন তিনি। তাই এতে খুশি হতে পারেননি সেলিম। আবারও সন্তান নিতে বলেন সুফিয়াকে। কিন্তু তিনি সাড়া না দিয়ে স্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নিতে চান। এতে বাধা দেন সেলিম। পরবর্তীতে সেলিম কিছুদিনের জন্য বাড়ির বাইরে গেলে সুফিয়া ইমপ্ল্যান্ট পদ্ধতি গ্রহণ করেন। বিষয়টি পরে জানতে পেরে সুফিয়ার উপর রাগ করেন সেলিম।

একই গ্রামের আরেক গৃহবধূ আসমা বেগম তিন ছেলে ও এক মেয়ের মা। প্রথম ছেলে সন্তান হওয়ার পর স্বামী আক্তার হোসেন একটি মেয়ে সন্তান চাইছিলেন। সেজন্য আবার গর্ভধারণ করেন তিনি। এবার পরপর দুইবার ছেলে সন্তান প্রসব করেন তিনি। তবে অনিচ্ছা সত্ত্বেও আবার গর্ভে সন্তান ধারণ করেন। এবার মেয়ে সন্তানই জন্ম দেন তিনি। তাই স্বামীও খুব খুশি। তবে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণে ভয় আছে জানিয়ে আসমাকে তা করতে দেননি। এখন তিনি অস্থায়ী জন্ম নিরোধক হিসেবে পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের দেয়া বড়ি সেবন করেন।

ওই গ্রামেরই পাঁচ সন্তানের জননী মমতাজ বেগমের বয়স এখন ৩৫ বছর। প্রথমবার ছেলে সন্তান জন্ম দেয়ার পর অটোরিকশা চালক স্বামী নাসির মিয়া মেয়ের জন্য আবার সন্তান নিতে বলেন। কিন্তু পরপর চারটি ছেলে সন্তান জন্ম দেন তিনি। এরপর আবার মেয়ের জন্য স্বামীর ইচ্ছায় গর্ভধারণ করেন। এবার তিনি মেয়ে সন্তান প্রসব করেন। খুশি হয়ে স্বামী-স্ত্রী দুইজনই আর সন্তান নেবেন না বলে ঠিক করেন। তবে ভয়ের কারণ দেখিয়ে মমতাজকে স্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নিতে দেননি নাসির।

মমতাজ জানান, জন্ম নিয়ন্ত্রণের স্থায়ী পদ্ধতি হিসেবে তিনি লাইগেশন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু অপারেশনের ভয়ে নাসির সেটি করতে দেননি। এরপর ইনজেকশন নিতে চাইলে সেটিতেও ভয় আছে জানিয়ে নিতে দেননি। তাই এখন অস্থায়ী পদ্ধতি হিসেবে প্রতিদিন রাতে বড়ি সেবন করেন মমতাজ। তবে নাসির নিজের জন্য কোনো পদ্ধতিই গ্রহণ করছেন না।

সুফিয়া, আসমা ও মমতাজের মতো ক্ষুদ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া গ্রামের আরও অনেক নারী তাদের পরিবার ছোট রাখার জন্য জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করতে চাইলেও পুরুষদের কারণে সেটি পারছেন না। ছেলে-মেয়ের আশায় এভাবে পরিবার বড় করার বিষয়ে পুরুষরাও খোলাখুলি করে কিছু বলতে চান না।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, নারী-পুরুষের জন্য জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি হিসেবে অস্থায়ী ও স্থায়ী বেশ কয়েকটি পদ্ধতি চলমান রয়েছে। এগুলোর মধ্যে খাবার বড়ি, ইনজেকশন, কনডম, ভ্যাসকেটমি, এনএসভি, ইমপ্ল্যান্ট ও লাইগেশন অন্যতম। সবগুলো পদ্ধতিই পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মাধ্যমে বিনামূল্যে গ্রহণ করা যায়। এগুলোর মধ্যে কেউ কেউ খাবার বড়ি ও কনডম নিলেও বাকি পদ্ধতিগুলো কেউই নিতে চান না। জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নিয়ে কুসংস্কারই এর মূল কারণ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ক্ষুদ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ও পল্লী চিকিৎসক সিরাজুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, গ্রামে জনশ্রুতি রয়েছে ১০/১২ বছর আগে হানিফ মিয়া নামে এক ব্যক্তি জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি হিসেবে ভ্যাসেকটমি গ্রহণ করেছিলেন। কিছুদিন পর তিনি মারা যান। এরপর থেকে গ্রামের বেশিরভাগ মানুষের ধারণা জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণের কারণেই হানিফ মারা গেছেন। এজন্য কেউ জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করতে চান না। তবে এই ধারণা ভাঙতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরকেই কিছু একটা করতে হবে। নিয়মিত সভা-সেমিনার করে দম্পতিদের জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতন ও গ্রহণে উদ্বুদ্ধকরণের পক্ষে মত দেন তিনি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আকিব উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, পরিবার-পরিকল্পনা সম্পর্কে দম্পতিদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিনিয়ত আমরা কাজ করে যাচ্ছি। জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নিয়ে কুসংস্কার রোধ করে পুরুষদেরকে আরও সচেতন করার জন্য ক্ষুদ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বড় আকারে একটি সচেতনতামূলক সেমিনার করা হবে বলে জানান তিনি।

রংপুর কোতয়ালী মেট্রো থানায় আটক রেখে শারিরিক নির্যাতন ও ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে প্রাইভেট কার লিখে নেয়ার অভিযোগ ওসি’র বিরুদ্ধে
                                  

রংপুর ব্যুরোঃ রংপুরে ২৪ ঘন্টা থানায় আটক রেখে শারীরিক নির্যাতন, ক্রস ফায়ারের ভয় দেখিয়ে নিজস্ব প্রাইভেট কার, ব্লাংক চেক স্বক্ষর, নগদ টাকা ও স্ট্যাম্পে স্বীকারোক্তি আদায়ে করে নিয়েছেন কোতয়ালী থানার ওসি এবং এক দারগার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন নর্থ জোন কম্পিউটার স্যলুশনের ম্যানেজা মোঃ হোসেন জাকির বিন শহিদ সুমন। মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তোলা হয়। তবে অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে নর্থ জোন কম্পিউটার স্যলুশনের ম্যানেজার সুমন জানান, তার বিরুদ্ধে থানায় কোন অভিযোগ বা মামলা নেই। অভিযোগ ছাড়াই ৯ জানুয়ারি রংপুর মহানগর কোতয়ালি থানায় রাতে তাকে বাসা থেকে ডেকে আনা হয়। থানায় উপস্থিতির পর তার সাথে চরম দুর্ব্যবহার এবং শারিরিক নির্যাতন করে ২৪ ঘন্টা আটক রাখা হয়। আটক ২৪ ঘন্টায় থেমে থেমে তাকে শারিরিক নির্যাতন বর্ণনা তিনি অশ্রুস্বজল নয়নে সাংবাদিক সম্মেলনে তুলে ধরেন। বেআইনী এ কর্ম করা হয়েছে কোতয়ালী মেট্রোর ওসি রেজাউল ইসলামের নির্দ্দেশে। তার পেয়ার দোষ বলে পরিচিত নর্থ জোন কম্পিউটার স্যলুশনের মালিক আবুল হাসানের ইচ্ছামতে। তিনি বলেন, কোতয়ালি মেট্রো থানার এসআই ফেরদৌস ও মামুন তাকে রাতে নগরীর খামার পাড়া বাসা থেকে কৌশলে ডেকে নিয়ে এনে অকথ্য নির্যাতন চালায়। এসময় কোতয়ালি থানার (ওসি) রেজাউল করিম ক্রসফারের হুমকি দিয়ে জোর করে তার প্রাইভেট কার, চেক স্বাক্ষর, নগদ টাকা স্ট্যাম্পে স্বীকারোক্তি আদায় করেছিনে। সুমনের অপরাধ তিনি কম্পিউটার স্যলুশেনে থাকবেন না জানালে তার বিরুদ্ধে চক্রন্ত শুরু হয়। চক্রান্তের এক পর্যায়ে তাকে থানায় ডেকে নিয়ে শারিরিক নির্যাতন চালানো হয়। এবিষয়টি তিনি আইজিপি ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরারব লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছেন। এর প্রেক্ষিতে কমিশনার বিষয়টি তদন্তের ভার দিয়েছিয়েছেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শহীদুল্ল্যাহ কায়সারকে। বিগত প্রায় ২ মাস অতিবাহিত হলেও তিনি কোন সুবিচার পাননি। সুমন প্রতিষ্ঠানের মালিক আবুল হাসানের সাথে ও ওসি রেজাউলের সাথে মুঠোফোনে কথার একটি অডিও সিডি সাংবাদিকদের সরবরাহ করেন। এব্যাপারে সাংবাদিক রা হাসানের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি তার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারের সুমনের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, মানেজারের বিরুদ্ধে স্টোরের মালামাল খোয়া যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগে তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছিল। বিষয়টি নিস্পত্তির জন্য। তাকে থানায় কোন ধরনের নির্যাতন চালানো হয়নি। তবে তিনি এনিয়ে মামলা করেননি বলেও জানান। মামলা ছাড়া তাকে কেন থানায় ডাকা হয়েছিল এ প্রসঙ্গে তিনি কোন সুস্পষ্ট জবাব দিতে পারেননি। কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিমের সাথে মুঠোফোনে কথা হয়। থানায় ডেকে নির্যাতন করা ও জোর করে কোন কিছু লিখে নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।

রংপুরের বাড়ীতে হামলা ভাংচুর লুটপাট অগ্নিসংযোগ নারী নির্যাতনের ঘটনায় নতুন কেউ গ্রেফতার হয়নি।।
                                  

    রংপুর ব্যুরোঃ রংপুরের বাড়ীতে হামলা ভাংচুর লুটপাট অগ্নিসংযোগ নারী নির্যাতনের ঘটনায় নতুন কেউ গ্রেফতার হয়নি।। আসামীরা বাদীর লোক পরিচয়ে হাসপাতাল থেকে রোগীদের ডিসচার্জ করিয়েছে । কাউনিয়া থানার হারাগাছ নাজিরদহ গ্রামের গফফারটারীতে একদল অস্ত্রধারী রমাজন আলীর বাড়ীতে বৃহস্পতিবার সকালে অতর্কিত হামলা চালিয়ে লুটপাট ভাংচুর করে বাড়ীতে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। বাড়ীর মহিলাদের বিবস্ত্র করে নির্যাতন করে। হামলাকারী দুস্কৃতকারীদের অস্ত্রের আঘাতে আহত ৬ জনের ৩জনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভির্তি করা হলে হাসপাতালের কিছু দালালদের মাধ্যমে রোগীর অভিভাবক পরিচয় দিয়ে এবং রোগীর চিকিৎসাপত্র চুরি করে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে মারাত্মক আহত মনোয়ারা বেগম রমজান আলী মমিনুরকে হাসপাতাল থেকে করে ডিসচার্জ করিয়ে নেয়। বাদীপক্ষ রোগীদের চিকিৎসার কাজে যখন ব্যস্ত ঠিক এ সময় আসামীপক্ষ দালালের মাধ্যমে এ অপকর্ম করে বলে জানাযায়। 

গত ১৮/৩/১৯ তারিখে অসুস্থ রোগীকে হাসপাতাল থেকে চলে যেতে বলা হলে ঘটনাটি প্রকাশ পায়। পরে এব্যাপারে হাসপাতালের পরিচালকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয় খোঁজ খবর নেবেন বলে জানান। মামলার এজাহার মতে জানা যায়, পূর্বঘটনার জের ধরে, ঘটনার দিন সকাল অনুমান ৯টার দিকে আসামী জামাল উদ্দিন (৩৫), ইউনুছ আলী (৫৫) মোঃ শফি মিয়া (৪৮), জেলেখা বেগম (৪২) আলম (৫০) বল্টু (৪০)সহ অন্যান্য ২০ জন আসামী নামীয় এবং বেনামি ৫০/৬০ মহিলা ও পুরুষ এ হামলার ঘটনা ঘটায়। আসামীদের বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় মামলা দায়ের হয়েছে মামলা নং-০৭/২২ তারিখ ১৪/৩/১৯ইং ধারা-১৪৩/ ৪৪৮/ ৩২৩/ ৩২৪/ ৩২৬/ ৩০৭/ ৩৭৯/ ৪৩৬/ ৪২৭/ ৩৫৪/ ৫০৬/ ১১৪/ ৩৪ পেনাল কোড। আসামীরা লাঠাসোডা, বল্লম, রাম দা, ছোরা, নিয়ে বাদী রমজান আলীর বাড়িতে হামলা চালায়। বাধা দিতে গেলে আসামীরা রমজানের ২টি টিনের ঘর একটি রান্না ঘরে আগুন ধরিয়ে দিলে আসবাপপত্র ধান-চালসহ সংসারের যাবতীয় জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এলাকাবাসী আগুন নিভানোর জন্য এগিয়ে এলে অস্ত্রের মুখে তাদের বাধা দেয়া হয়। বাড়ির লোকজনদের ছোরা লাঠিসোডা দ্বারা মারপিট করে এবং মহিলাদের পড়নের কাপড় ছিঁের তাদের বিবস্ত্রকরে নির্যামন চালায় করে এবং মারপিট করতে থাকে। স্থানীয় কতিপয় টাউট এবং গডফাদাররা মামলাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে আপোষের নামে পুলিশের বাধা প্রদান করাহচ্ছে। তারা স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী এবং মামলার এজাহার নামীয় আসামীরা বাদী ও স্বাক্ষীদের হুমকীদান অব্যহত রেখেছে। হারাগাছ পৌর এলাকার সর্বস্তরের জনগণ অবিলম্বে মামলার আসামীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেছেন।

 

যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদে নামাজের সময় পাহারা দিচ্ছেন অমুসলিমরা
                                  

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে জুমার নামাজ চলাকালীন শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদের অনুসারী ব্রেন্টন ট্যারান্টের নির্বিচার গুলিতে ৫০ জন মুসল্লি নিহত হন। নৃশংস ওই হামলার জেরে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি মসজিদে নামাজের সময় অমুসলিমদের পাহারা দিতে দেখা গেছে।

দেশটির স্থানীয় বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে এ নিয়ে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তাছাড়া মসজিদে নামাজ চলাকালীন অমুসলিমদের পাহারা দেয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আর এমন উদ্যোগের প্রশংসা করছেন দেশটির অনেক নাগরিক।

কিরি বেলডন নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, গত শনিবার নামাজ চলাকালীন সেখানকার এক মসজিদের সামনে তিনি একটি মানববন্ধন দেখতে পান। মানববন্ধনটি তৈরি করেছে অমুসলিমরা। মসজিদে যাতে মুসল্লিরা নিরাপদে নামাজ আদায় করতে পারে তাই এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

দিতিয়া ডেন্স নামে এক টুইটার ব্যবহারকারী সেই মানববন্ধনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন। তিনি লিখেছেন, নিউজিল্যান্ডে দুটি মসজিদে নামাজরত অবস্থায় অর্ধশত মুসল্লিকে হত্যার পর মুসলিমদের নিরাপত্তার কেতা ভেবে এমন পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিউজিল্যান্ডে হামলার ঘটনার পর থেকে সেখানকার মসজিদে যখনই নামাজ শুরু হয় তখন মসজিদের বাইরে অমুসলিমরা লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থেকে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। তিনি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘চলুন শান্তি আর ভালোবাসা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেই।’

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর সংবাদে আরও জানানো হয়, ওই অঞ্চলটিতে দীর্ঘদিন ধরেই মুসলিম, খ্রিস্টান ও ইহুদিরা সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে আসছেন। তারা একে অপরকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে থাকেন। এমনকি তাদের এই সম্পর্কটার নামই হয়ে গেছে ফেইথ ট্রাইও বা বিশ্বাসের ত্রয়ী।


   Page 1 of 353
     সারাদেশ
শিশুর ৪টি আঙ্গুল কেটে দেয়া যুবলীগ নেতা কারগারে
.............................................................................................
‘হারাতে চাই না আর কোনো ভাই, নিরাপদ সড়ক চাই’
.............................................................................................
হানিফের দুই বাস ৪ খণ্ড, নিহত ৩
.............................................................................................
মুয়াজ্জিনকে চাপা দিল ইউনিক পরিবহন
.............................................................................................
সিলেটে নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
ময়মনসিংহে হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি
.............................................................................................
যশোরে পিকআপচাপায় স্কুলছাত্রীর পা বিচ্ছিন্ন
.............................................................................................
বিয়ে বাড়িতে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা
.............................................................................................
এবার সুন্দরগঞ্জে ট্রাকচাপায় স্কুলছাত্রী নিহত
.............................................................................................
নাচতে নাচতে মেলায় যাওয়ার পথেই ঝরল প্রাণ
.............................................................................................
ট্রেনে কাটা পড়ে ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
.............................................................................................
ঘরের ওপর ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ লাইন!
.............................................................................................
কেউ চান ছেলে কেউ মেয়ে, এতেই বড় হচ্ছে পরিবার
.............................................................................................
রংপুর কোতয়ালী মেট্রো থানায় আটক রেখে শারিরিক নির্যাতন ও ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে প্রাইভেট কার লিখে নেয়ার অভিযোগ ওসি’র বিরুদ্ধে
.............................................................................................
রংপুরের বাড়ীতে হামলা ভাংচুর লুটপাট অগ্নিসংযোগ নারী নির্যাতনের ঘটনায় নতুন কেউ গ্রেফতার হয়নি।।
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদে নামাজের সময় পাহারা দিচ্ছেন অমুসলিমরা
.............................................................................................
পাহাড়ে চিরুনি অভিযান চালানো হবে : ব্রি. জেনারেল হামিদুল
.............................................................................................
সিরাজগঞ্জে আ.লীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম
.............................................................................................
মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১
.............................................................................................
রংপুরে বাসে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কা, হেলপারসহ নিহত ৩
.............................................................................................
বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত মদ পানে বাবা-ছেলের মৃত্যু
.............................................................................................
রাঙ্গামাটিতে সন্ত্রাসী হামলায় আহত ৭ জন ঢাকা সিএমএইচে
.............................................................................................
রাঙ্গামাটিতে এবার আ.লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা
.............................................................................................
জামালপুরে যুবককে গলা কেটে হত্যা
.............................................................................................
সুনামগঞ্জে আ.লীগ নেতাক ছুরিকাঘাতে হত্যা
.............................................................................................
জাতীয় পতাকা উত্তোলন বেলুন, শান্তির পায়রা উড়িয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে
.............................................................................................
কেন্দ্র থেকে ফেরার পথে ব্রাশ ফায়ার, প্রিসাইডিং অফিসারসহ নিহত ৪
.............................................................................................
ভোট দিয়ে সিলমারা ব্যালট ফেসবুকে পোস্টের হিড়িক!
.............................................................................................
রাতেই ভোটের অভিযোগে বর্জন
.............................................................................................
নিরুত্তাপ ভোটে ব্যতিক্রম নওগাঁ
.............................................................................................
বগুড়ায় কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারের অপেক্ষা
.............................................................................................
দুপুর পর্যন্ত ৫ ভোট!
.............................................................................................
বাঘাইছড়িতে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভোট বর্জন
.............................................................................................
সিলেটের গির্জায় নিরাপত্তা জোরদার
.............................................................................................
মৌলভীবাজারে দেড় ঘণ্টায় ৬ ভোট!
.............................................................................................
এক ঘণ্টা পরও ভোটারশূন্য সিলেট সদরের অনেক কেন্দ্র
.............................................................................................
পুষ্প বেগমের বুক জুড়াল কুড়িয়ে পাওয়া শিশু
.............................................................................................
গরু জবাই করে ভোটারদের খাওয়াচ্ছেন প্রার্থী!
.............................................................................................
ভোটের দায়িত্ব পালনের সময় প্রিজাইডিং কর্মকর্তার মৃত্যু
.............................................................................................
মা-মেয়েকে গণধর্ষণ, মোখলেছ-বাদল-বাবুকে খুঁজছে পুলিশ
.............................................................................................
পাহাড়ের কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম
.............................................................................................
পটুয়াখালীর মন্দির-গির্জায় র‌্যাবের নিরাপত্তা জোরদার
.............................................................................................
আব্বুকে ভালো হওয়ার সুযোগ দিন: যৌনপল্লীতে বিক্রি করে দেয়া মেয়ের আকুতি
.............................................................................................
সড়ক দুর্ঘটনায় নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ আহত ১৫
.............................................................................................
খাদ্যমন্ত্রীর জামাতার রহস্যজনক মৃত্যু: দোষীদের বিচারের দাবিতে সড়ক অবরোধ-বিক্ষোভ
.............................................................................................
তালাক গোপন রেখে স্ত্রীর সঙ্গে যা করলো আকাশ
.............................................................................................
প্রাণে বাঁচতে মসজিদে লাশের ভেতর লুকান মাসুম
.............................................................................................
জয়পুরহাটে আ.লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২
.............................................................................................
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে ক্রেনের পাইল ছিঁড়ে ২ শ্রমিক নিহত
.............................................................................................
পাবনায় আ’লীগ ও শ্রমিক লীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]