| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   চট্রগ্রাম -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
রোহিঙ্গাদের জন্য পাঠানো যুক্তরাজ্যের আরও ৮৫ টন ত্রাণ চট্টগ্রামে পৌঁছেছে

 মিয়ানমারে দমন-পীড়নের মধ্যে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাজ্যের ত্রাণের দ্বিতীয় চালান চট্টগ্রামে পৌঁছেছে। গতকাল শুক্রবার সকাল পৌনে ৭টায় ওই ত্রাণ নিয়ে একটি উড়োজাহাজ চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামে। বাংলাদেশের পক্ষে ত্রাণ গ্রহণ করেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা ডিএফআইডি থেকে পাঠানো এই চালানে ৮৫ দশমিক ০৮ টন ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে। এর মধ্যে আছে এক হাজার ৪৭৮ শেল্টার কিট, ২০ হাজার কম্বল এবং সাড়ে ১০ হাজার স্লিপিং ম্যাট। ডিএফআইডির লজিস্টিকস কর্মকর্তা মার্ক কুইন এবং চট্টগ্রামে আইওএমর অ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স অ্যাসিসটেন্ট মাসুদুর রহমান খান ত্রাণ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ডিএফআইডির পাঠানো ৯৮ টন ত্রাণবাহী প্রথম বিমানটি গত বৃহস্পতিবার বিকালে চট্টগ্রামে আসে। এ নিয়ে দুই দিনে মোট ১৮৩ টন ত্রাণ সামগ্রী পাঠাল যুক্তরাজ্য। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য গতকাল শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ, রেডক্রস ও রেডক্রিসেন্টের পাঠানো মোট এক হাজার ৪৮৬ টন ত্রাণ চট্টগ্রামে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ভারত দুটি বিমান ও একটি জাহাজে করে মোট ৮০৭ টন, চীন দুটি বিমানে ১১০ দশমিক ৫৩ টন, যুক্তরাজ্য দুটি বিমানে ১৮৩ টন, সৌদি আরব একটি বিমানে ৯৪ টন, ইন্দোনেশিয়া আটটি বিমানে ৭৭ টন, ইরান দুটি বিমানে ৬৮ টন, মরক্কো একটি বিমানে ১৪ টন ও মালয়েশিয়া একটি বিমানে ১২ টন ত্রাণ পাঠিয়েছে। এছাড়া মালয়েশিয়ান রেড ক্রিসেন্ট ১০১ দশমিক ৫ টন ও জাপানি রেডক্রস ১৮ দশমিক ৫ টন ত্রাণ পাঠিয়েছে। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ বিষয়ক দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী মার্ক ফিল্ড এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী অ্যালিস্টার বার্ট গত বৃহস্পতিবার ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সঙ্গে বৈঠক করে আরও ৩০ মিলিয়ন পাউন্ড (৪ কোটি ২ লাখ ৭৬ হাজার ডলার) সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা মিয়ানমার ও বাংলাদেশে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যয় করা হবে।

 

রোহিঙ্গাদের জন্য পাঠানো যুক্তরাজ্যের আরও ৮৫ টন ত্রাণ চট্টগ্রামে পৌঁছেছে
                                  

 মিয়ানমারে দমন-পীড়নের মধ্যে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাজ্যের ত্রাণের দ্বিতীয় চালান চট্টগ্রামে পৌঁছেছে। গতকাল শুক্রবার সকাল পৌনে ৭টায় ওই ত্রাণ নিয়ে একটি উড়োজাহাজ চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামে। বাংলাদেশের পক্ষে ত্রাণ গ্রহণ করেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা ডিএফআইডি থেকে পাঠানো এই চালানে ৮৫ দশমিক ০৮ টন ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে। এর মধ্যে আছে এক হাজার ৪৭৮ শেল্টার কিট, ২০ হাজার কম্বল এবং সাড়ে ১০ হাজার স্লিপিং ম্যাট। ডিএফআইডির লজিস্টিকস কর্মকর্তা মার্ক কুইন এবং চট্টগ্রামে আইওএমর অ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স অ্যাসিসটেন্ট মাসুদুর রহমান খান ত্রাণ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ডিএফআইডির পাঠানো ৯৮ টন ত্রাণবাহী প্রথম বিমানটি গত বৃহস্পতিবার বিকালে চট্টগ্রামে আসে। এ নিয়ে দুই দিনে মোট ১৮৩ টন ত্রাণ সামগ্রী পাঠাল যুক্তরাজ্য। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য গতকাল শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ, রেডক্রস ও রেডক্রিসেন্টের পাঠানো মোট এক হাজার ৪৮৬ টন ত্রাণ চট্টগ্রামে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ভারত দুটি বিমান ও একটি জাহাজে করে মোট ৮০৭ টন, চীন দুটি বিমানে ১১০ দশমিক ৫৩ টন, যুক্তরাজ্য দুটি বিমানে ১৮৩ টন, সৌদি আরব একটি বিমানে ৯৪ টন, ইন্দোনেশিয়া আটটি বিমানে ৭৭ টন, ইরান দুটি বিমানে ৬৮ টন, মরক্কো একটি বিমানে ১৪ টন ও মালয়েশিয়া একটি বিমানে ১২ টন ত্রাণ পাঠিয়েছে। এছাড়া মালয়েশিয়ান রেড ক্রিসেন্ট ১০১ দশমিক ৫ টন ও জাপানি রেডক্রস ১৮ দশমিক ৫ টন ত্রাণ পাঠিয়েছে। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ বিষয়ক দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী মার্ক ফিল্ড এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী অ্যালিস্টার বার্ট গত বৃহস্পতিবার ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সঙ্গে বৈঠক করে আরও ৩০ মিলিয়ন পাউন্ড (৪ কোটি ২ লাখ ৭৬ হাজার ডলার) সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা মিয়ানমার ও বাংলাদেশে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যয় করা হবে।

 

চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার আটক: জিংকের বস্তায় তেজস্ক্রিয়তা মিলেছে
                                  

চট্টগ্রাম বন্দরে আটক পণ্যবাহী কন্টেইনারটির ভেতর থেকে নয়টি জিংক অক্সাইডবাহী বস্তায় তেজস্ক্রিয়তা শনাক্ত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের নয় সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল বস্তাগুলো পরীক্ষার পর গত মঙ্গলবার তেজস্ক্রিয়তা শনাক্তের কথা জানান। গত রোববার থেকে দলটি চট্টগ্রাম বন্দরে রাখা কন্টেইনারটি পরীক্ষা শুরু করেছিল। বিশেষজ্ঞ দলের নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা দেবাশীষ পাল বলেন, কন্টেইনারটিতে প্রতিটি ৫০০ কেজি ওজনের মোট ৪১টি জিংক অক্সাইডের বস্তা ছিল। সোমবার তেজস্ক্রিয়তাবিহীন বস্তাগুলো সরানো হয়। গত মঙ্গলবার তেজস্ক্রিয়তা আছে এমন নয়টি বস্তা শনাক্ত করা হয়। এই নয়টি বস্তা আলাদা করে একটি কন্টেইনারে রেখে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। দেবাশীষ বলেন, আলাদা কন্টেইনারে এমনভাবে বস্তাগুলো রাখা হয়েছে যাতে পরিবেশ বা মানুষের কোনো ধরনের ক্ষতি না হয়। বস্তাগুলোতে থাকা তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা জানতে চাইলে দেবাশীষ পাল বলেন, সর্বনিম্ন প্রতি ঘণ্টায় দশমিক তিন মাইক্রোসিয়েভার্ট (তেজষ্ক্রিয় বিকিরণের একক) থেকে সর্বোচ্চ প্রতি ঘণ্টায় আট মাইক্রোসিয়েভার্ট পর্যন্ত তেজস্ক্রিয়তা শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রাথমিক পরীক্ষায় মনে হচ্ছে যে উৎস থেকে জিঙ্ক অক্সাইড আহরণ করা হয়েছিল সেখানে কোনো তেজষ্ক্রিয় পদার্থের স্পর্শে এই জিঙ্ক অক্সাইডগুলো তেজষ্ক্রিয়তা প্রদর্শন করছে। চট্টগ্রাম কাস্টমসের কমিশনার এ এফ এম আবদুল্লাহ খান খান বলেন, যে নয়টি বস্তায় তেজষ্ক্রিয়তা শনাক্ত হয়েছে যার মধ্যে একটি মাত্রা আট মাইক্রোসিয়েভার্টস এর বেশি। বিশেষজ্ঞরা নমুনা সংগ্রহ করে তাদের ঢাকার পরীক্ষাগারে নিয়ে গেছেন। সেখান থেকে প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। গত ২২ অগাস্ট কন্টেইনারবাহী একটি গাড়ি চট্টগ্রাম বন্দরের তেজস্ক্রিয়তা শনাক্তকরণ ফটক পার হওয়ার সময় সংকেত বেজে উঠলে কন্টেইনারটি আটক করা হয়। সিটাডেল গ্লোবাল করপোরেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠান জিঙ্ক অক্সাইড ঘোষণায় কন্টেইনারটি চীনে পাঠাচ্ছিল।

 

কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পাহাড়ে অবৈধ বসতি
                                  

 মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে একদল লোক কক্সবাজারের উখিয়ায় পাহাড়ের ঢালে তাদের ঘর করতে দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বালুখালিতে সামাজিক বনায়নের জন্য বরাদ্দকৃত জমিতে এসব ঘর তৈরি করা হচ্ছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও প্রভাবশালীদের ২১ জনের একটি দল পরিবার প্রতি তিন হাজার করে টাকা নিয়ে রোহিঙ্গাদের ঘর বানাতে দিচ্ছে বলে বালুখালি সামাজিক বনায়ন প্লট সমিতির সভাপতি আলমগীর নিশা অভিযোগ করেছেন। তিনি গত বুধবার বলেন, ওই চক্রে কয়েকজন সাবেক মেম্বার, কয়েকজন ডাকাত ও খারাপ প্রকৃতির মানুষ রয়েছে। এদের সঙ্গে পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটরও আছেন। তাদের বিরুদ্ধে কথা বললে আমাদের সমস্যা হবে। তিনি কারও নাম না বললেও স্থানীয় কয়েকজন এই দলের প্রধান হিসেবে পালংখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল কাদের ভুট্টোর নাম বলেছেন। তিনি বলেন, তারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের ধরে এনে তাদের পকেট চেক করে টাকা নিয়ে পাহাড়ি ঢালে মাসিক ৫০০ বা ১ হাজার টাকা ভাড়ার ভিত্তিতে বরাদ্দ দিচ্ছেন। গত বছরের শেষ দিকে মিয়ানমারে সহিংসতার মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অনেককে উখিয়ার কুতুপালং ও বালুখালীর মাঝখানে একটি এলাকায় থাকতে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। তাদের আবাসনের জন্য ওই এলাকার ৫০ একর জমি বরাদ্দের জন্য বন বিভাগের কাছে আবেদন করা হয়েছে। নতুন করে আসা রোহিঙ্গাদেরও সেখানে স্থান দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। ওই এলাকার প্রায় দুই মাইল দূরে পাহাড়ি ঢালে এই রোহিঙ্গা বসতি গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানান সেখানে সামাজিক বনায়নের জন্য জমি ইজারা নেওয়া সিরাজুল কবির। তিনি বলেন, এই প্লট সরকার আমাকে বনায়নের জন্য বরাদ্দ দিয়েছে। এখন ফজলুল কাদের ভুট্টোর নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে জোর করে টাকা নিয়ে ভাড়ার ভিত্তিতে ঘর বানিয়ে দিচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মিয়ানমার থেকে আসা সানজিদা বেগম বলেন, গত সোমবার আমরা এক সাথে দুই পরিবার এসেছি। বালুখালীর পাহাড়ের ঢালে ঘর করার জন্য হুন্ডি আনোয়ার ও নূরুল আলম বাঘা আমাদের কাছ থেকে ৬ হাজার টাকা নিয়েছে। পরের মাস থেকে ৫০০ টাকা করে ভাড়া দাবিও তারা করে গেছে। কিন্তু আমরা ভাড়া কোথা থেকে দেব? আরেক শরণার্থী মোহাম্মদ হোছন বলেন, আমার সাথে চারটি পরিবার আছে। সাবেক মেম্বার ফজলুল কাদের ভুট্টো ও ফখরুদ্দিন আমার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা নিয়েছেন। শরণার্থী মোহাম্মদ রশিদ বলেন, আমরা ছয় পরিবার একসাথে থাকতে চেয়েছি। তিনদিন আগে ছয়টি ঘর করার জন্য আমার কাছ থেকে বার্মাইয়া সৈয়দ নূর ও মাহমুদুল হক ১৮ হাজার টাকা নিয়েছে। মোহাম্মদ ফরিদ আলম বলেন, আকবর আহমদ নামে একজন তার কাছ থেকে চার হাজার টাকা নিয়েছেন। রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ঘর করতে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে নূরুল আলম বাঘা বলেন, হ্যাঁ, সত্য। রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে একটি সিন্ডিকেট টাকা নিচ্ছে। কিন্তু ওই সিন্ডিকেটে আমি নেই। আমি টাকাও নিচ্ছি না। রোহিঙ্গারা তাকে টাকা দেওয়ার কথা বলেছে জানালে তিনি বলেন, যারা বিপদে পড়ে আমাদের দেশে এসেছে তাদের কাছ থেকে আমি কীভাবে টাকা নেই বলেন? অভিযোগের মুখে থাকা সাবেক ইউপি মেম্বার আবদুর রহিম রাজা বলেন, আমি সাবেক মেম্বার, সে হিসেবে ওই সিন্ডিকেটে আমাকে রাখতে পারে। কিন্তু আমি কিছু জানি না, কোনও টাকা-পয়সা পাইনি। কয়েক দিন আগে একদল রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢোকার সময় তাদের কাছ থেকে গরু-ছাগল কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনতাইয়ের অভিযোগে উখিয়া থানা যুবলীগের নেতা মাসুদ আমিন শাকিলসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। একই ঘটনায় দুদিন আগেও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে জানিয়ে উখিয়া থানার ওসি আবদুল খালেক বলেন, এখনও কেউ রোহিঙ্গাদের সঙ্গে অন্যায় করলে বা টাকা আদায় করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পাহাড়ি ঢালে করতে দেওয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কেউ আমাকে অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেব।

 

কক্সবাজারে নাফ নদী থেকে আরও ১১ রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার
                                  

 কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় নাফ নদী থেকে আরও ১১ রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার করা হয়েছ; যাদের মধ্যে এক নারী ও শিশু রয়েছে। টেকনাফ থানার ওসি মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন খান জানান, গত বুধবার সকাল ৭টা থেকে বিভিন্ন সময় সাবরাং ইউনিয়নে নাফ নদীর শাহপরীর দ্বীপ, তুলাতলী পয়েন্ট ও বাহারছড়া সমুদ্র উপকূল থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়। লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে এলাকাবাসীর সহায়তায় সেগুলো উদ্ধার করে। তিনি বলেন, এর মধ্যে শাহপরীর দ্বীপ থেকে তিনজন, বাহারছড়া থেকে চার জন ও তুলতিুলি পয়েন্ট থেকে চার জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে এক নারী ও এক শিশু রয়েছে। লাশগুলো মিয়ানমারের দিক থেকে ভেসে এসেছে বলে স্থানীয়রা তাদের জানিয়েছেন। এ নিয়ে গত দুই সপ্তায় ৮৪ রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার করা হল বাংলাদেশে। এ ছাড়া আরও দুই রোহিঙ্গা নারী গত বুধবার অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। গত ২৪ অগাস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে পুলিশ পোস্ট ও সেনাক্যাম্পে হামলার পর থেকে রোহিঙ্গাদের ওপর নতুন করে দমন-পীড়ন চলছে। প্রতিদিনই হাজার হাজার রোহিঙ্গা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে।

পায়ুপথ দিয়ে বেরিয়ে এলো ১২ স্বর্ণের বার
                                  

কৌশলে তলপেটে করে ১২টি স্বর্ণের বার পাচার করছিলেন বেলাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি। চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে তিনি ধরা পড়েছেন শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের হাতে। পরে তার পায়ুপথ দিয়ে বিশেষ কৌশলে বের করে আনা হয় সোনার বারগুলো।

শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের মহাপরিচালক মইনুল খান জানান, বেলাল হোসেন শারজাহ থেকে এয়ার এরাবিয়ার একটি উড়োজাহাজে সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর পৌঁছান। তাঁর বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। উদ্ধারকৃত সোনার দাম প্রায় ৬৫ লাখ টাকা বলে জানান তিনি।

শুল্ক গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, এই যাত্রী প্রথমে স্বীকার করতে না চাইলেও জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি পেটে সোনার বার লুকিয়ে আনার কথা স্বীকার করেন। জিজ্ঞাসাবাদে ওই যাত্রী জানিয়েছেন তাঁরা চার বন্ধু সোনা পাচারের ব্যবসা শুরু করেছিলেন। এটি ছিল প্রথম চালান।

আটক যাত্রী শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের হেফাজতে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারের নির্মাণসামগ্রী পড়ে স্কুলছাত্রী আহত
                                  

 কয়েক দফা দুর্ঘটনায় বিভিন্ন পথচারী আহত হওয়ার পর এবার চট্টগ্রাম নগরীতে নির্মাণাধীন আখতারুজ্জামান বাবু ফ্লাইওভার থেকে নির্মাণসামগ্রী পড়ে এক শিক্ষার্থীর আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর বাংলাদেশ মহিলা সমিতি (বাউয়া) স্কুলের সামনে এ দুর্ঘটনার শিকার হন ওই স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সামিলা রহমান (১১)। দুপুরে নগরীর মেহেদিবাগের বেসরকারি ন্যাশনাল হাসপাতালে সামিলার মাথায় অস্ত্রোপচার হয়েছে। অস্ত্রোপচারের পর ২৪ ঘণ্টা তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। সামিলার বাবা আইনজীবী মুজিবুর রহমান অপারেশন থিয়েটারের সামনে বলেন, সকালে হেঁটে স্কুলে ঢুকার সময় ফ্লাইওভার থেকে একটি পাথর পড়ে সামিলার মাথায় পেছনের অংশ ফেটে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল গিয়ে তাকে ন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে আসি। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। অস্ত্রোপচারের পর তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করবেন জানিয়ে তিনি বলেন, এর আগে বহদ্দারহাট ফ্লাইওভারের গার্ডার ধ্বসে এত প্রাণহানি হওয়ার পরেও তারা এখনো সতর্ক হয়নি। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে নির্মাণ কাজ চলছে, অথচ নিরাপত্তার কোনো বালাই নাই তাদের। পথচারীরাও দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। এগুলো বন্ধ হওয়া উচিত। ন্যাশনাল হাসপাতালের সার্জন ডা. মো. আবু নাছের বলেন, সামিলার মাথার পেছনে অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা ছয়টি সেলাই দিয়েছি। অস্ত্রোপচারের পর থেকে তাকে আমরা ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রেখেছি। আখতারুজ্জামান বাবু ফ্লাইওভারের প্রকল্প পরিচালক চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহফুজুর রহমান বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, বাওয়া স্কুরের সামনের অংশে ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে অনেক আগে। ওখানে কোনো চলমান কাজ নেই। ফ্লাইওভার থেকে নির্মাণসামগ্রী পড়ার কোনো প্রশ্নই উঠে না। ঘটনাস্থল পরির্দশন করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, স্কুলের সামনে একটা পাগল পথচারীদের ইট ছুড়ে মারছে বলে খবর পেয়েছি। হয়ত ওই পাগলের ছোঁড়া ইট বা পাথরেও ওই শিক্ষার্থী আহত হয়ে থাকতে পারে। নগরীর মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত প্রায় পাঁচ দশমিক দুই কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে এ ফ্লাইওভারটির নির্মাণ কাজের উদ্বোধন হয় ২০১৪ সালের ১১ নভেম্বর।


ফের বিবাদে মহিউদ্দিন-নাছির
                                  

 হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে বাদানুবাদের পর এবার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র স্থানান্তর নিয়ে কথার লড়াইয়ে জড়িয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের দুই শীর্ষ নেতা এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও আ জ ম নাছির উদ্দিন। ফেব্রুয়ারিতে অবতরণ কেন্দ্রটি পাথরঘাটা থেকে রাজাখালে সরিয়ে নেন মেয়র নাছির; গত মাসে সেটি আগের স্থানে নিয়ে আসেন সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন। তখন থেকেই এ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র নিয়ে দুই নেতার বিবাদ প্রকাশ্য। পাথরঘাটা থেকে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র সরানোর ‘ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে এরইমধ্যে মহিউদ্দিন অনুসারী সোনালী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি আজ সোমবার লালদীঘি মাঠে সমাবেশ ডেকেছে। নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন বলছেন, সমাবেশে তিনি চট্টগ্রামের স্বার্থ পরিপন্থি সব কাজের প্রতিবাদ জানাবেন।   গত শনিবার চশমা হিলে নিজের বাসভবনে পারিবারিক মেজবানে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “চট্টগ্রামের স্বার্থের পরিপন্থি কাজ যেই করুক, আমি তার প্রতিবাদ করব। আমার ছেলে হোক বা আমার বন্ধু হোক... আমার পিতা হোক। চট্টগ্রামের স্বার্থের পরিপন্থি কাজ আমার জীবন থাকতে আমি করতে দেব না। সমাবেশ থেকে হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধিরও প্রতিবাদ করা হবে বলে জানান আওয়ামী লীগের এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। আপনারা অনুরোধ করছেন কথা বলার জন্য। গর্হিত কথা বলা বলা পছন্দ করি না। যখন যা প্রয়োজন হয় তা বলি। দীর্ঘদিন ধরে আমি চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগকে তৈরি করেছি। চট্টগ্রামে রাজনীতির ক্ষেত্র তৈরি করেছি। আজ যে যা ইচ্ছে তাই করে চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার চক্রান্ত করছে। আমি বঙ্গবন্ধুর কর্মী। অন্যায়কে জীবনে প্রশ্রয় দিই নাই। আগামীতেও যারা অন্যায় করছে, দলের ক্ষতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই রুখে দাঁড়াব। লালদীঘিতে সমাবেশের আয়োজনের বিষয়ে মহিউদ্দিন বলেন, সভা তিনিই ডেকেছেন। কথা একটাই- ‘অযোগ্য-অথর্ব’ লোক চট্টগ্রামবাসী চায় না। জীবনে নরম কথা বলি নাই। কারও কাছে মাথা নত করি নাই। ১০ তারিখে লালদীঘিতে আসুন। সেখানে গরম কথা বলব।ৃ সমস্ত কিছু নোট করেছি। সেগুলো লালদীঘির ময়দানে ঘোষণা করব। অনুগ্রহ করে আপনাদের মিডিয়ার মাধ্যমে আমার বক্তব্যগুলো তুলে ধরবেন। চট্টগ্রাম বন্দর ঘিরে ‘লুটপাট’ চলছে অভিযোগ করে মহিউদ্দিন এর জন্য মেয়র নাছিরকে দায়ী করেন। চট্টগ্রাম অর্থনীতির একটা শ্রেষ্ঠ কেন্দ্র। এটা বিভিন্নভাবে অবহেলিত হচ্ছে। বন্দরকে নিয়ে লুটপাট করা হচ্ছে। চারজন নেতা... একজন নাছির সাহেব। আর কইতান ন পানলার (আর বলতে পারছি না)। নগর আওয়ামী লীগ সভাপতির এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাধারণ সম্পাদক নাছির।
তার ভাষ্য, ‘নিজের স্বার্থ কিংবা চিন্তার বিরুদ্ধে গেলেই’ মহিউদ্দিন চৌধুরী এমন কথা বলা শুরু করেন। এ পর্যন্ত কতজনকে তিনি বহিষ্কার করেছেন আবার সঙ্গে নিয়ে ভাতও খেয়েছেন। সমালোচনা করেছেন আবার হিরোও বানিয়েছেন। এর রহস্য কেবল তিনি জানেন আর জানেন মহান রাব্বুল আল আমিন। তার স্বার্থের বা চিন্তার বিরুদ্ধে গেলে তখন বলা শুরু করেন। বন্দর নিয়েও তিনি সবসময় বলেন। তিনি মনে করেন, তিনি যা করেন, সবই যৌক্তিক, বলেন মেয়র। এর আগে গত বছরের মার্চে দুই নেতা হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে বাদানুবাদে জড়ান। মেয়র নির্বাচনের আগে হোল্ডিং ট্যাক্সের বিরোধিতা করলেও গত বছর নগরজুড়ে জমি ও স্থাপনার হোল্ডিং ট্যাক্স পুনঃনির্ধারণের ঘোষণা দেন নাছির। পরদিন থেকেই প্রকাশ্যে এর বিরোধিতায় নামেন মহিউদ্দিন। এ প্রসঙ্গে নাছিরের ভাষ্য, সিটি করপোরেশন কেবল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের গেজেট অনুসরণ করে। সিটি করপোরেশন আদায়ের এখতিয়ার রাখে, হোল্ডিং ট্যাক্স ধার্য করে না। আমাদের আয়ের একমাত্র উৎস রাজস্ব। হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় না হলে করপোরেশন চলবে না। উন্নয়ন চলবে না। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের জন্য তিনি (মহিউদ্দিন চৌধুরী) বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। চলতি বছরের মার্চে চট্টগ্রাম সফরে এসে বিমানবন্দর সড়কের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। মহিউদ্দিনের মেয়াদেই চট্টগ্রামের রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এরপর থেকেই নগরীর রাজনীতিতে নানা ইস্যুতে আবার সরব হয়ে ওঠেন বর্ষীয়ান মহিউদ্দিন। সবশেষ ২ এপ্রিল সিটি করপোরেশনের এক সভায় নাছির অভিযোগ করেন, তাকে ‘ব্যর্থ ও অজনপ্রিয়’ করতে একটি পক্ষ চেষ্টা চালাচ্ছে। দলীয় সভাপতির ‘প্রশংসা’কে কাজে লাগিয়ে মহিউদ্দিন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র রাজঘাট থেকে পুনরায় পাথরঘাটায় নিয়ে আসাসহ নানা ধরনের তৎপরতা ‘বাড়িয়ে দিয়েছেন’ বলে নাছিরের অভিযোগ। তার ভাষায়, লালদিঘীর সমাবেশও তেমনি একটি কর্মসূচি। তিনি একজন দায়িত্বশীল প্রবীণ জননেতা। সরকারি দলের নগর কমিটির সভাপতি, তিনবার মেয়র ছিলেন। সরকারি সিদ্ধান্ত, বিধি-বিধান সবই তিনি জানেন। তিনি এত বড় নেতা, যে কোনো স্থানে কথা বলতে পারেন। মিটিং করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর প্রয়োজন নেই, বলেন নাছির।


ছাত্রদল নেতা নুরু ‘হত্যা’ মামলা তদন্তে অপারগতা চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের
                                  

 কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা নুরুল আলম নুরুকে (৪৫) ‘গুলি করে হত্যার’ মামলা তদন্তে অপারগতা জানিয়ে সদর দপ্তরে চিঠি দিয়েছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) নূরে আলম মিনা। চিঠিতে মামলাটির তদন্ত সিআইডি অথবা পিবিআইকে দিয়ে করার অনুরোধ করেছেন এসপি। গতকাল সোমবার পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-অপরাধ) বরাবরে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা বলেন, যেহেতু অভিযোগ এসেছে জেলা পুলিশের একটা টিম তাকে (নুরু) তুলে নিয়ে খুন করেছে, এখন তদন্ত তো শুরু হবে সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই। আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আমরা কিভাবে তদন্ত করব ? আবার তাদের পরিবার কোন মামলা করেনি। মামলার বাদি আমাদের একজন এস আই যিনি লাশের সুরতহাল করেছেন। এখন আমরা তদন্ত করলেও সেটা বিশ্বাসযোগ্য হবে না। এজন্য স্বপ্রণোদিত হয়ে সিআইডি অথবা পিবিআইকে তদন্তভার দিতে বলেছি। এসপি বলেন, ভিকটিমের পরিবার থানায় মামলা না করলেও আদালতে যেতে পারেন। তখন হয়ত আদালত তদন্তের বিষয়ে একটা নির্দেশনা দিতে পারেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের কোয়েপাড়া গ্রামের খেলাঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীর থেকে নুরুর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। হাত-পা ও চোখ বাঁধা মৃতদেহের মাথায় গুলির চিহ্ন থাকার কথা জানিয়েছিল পুলিশ। নুরুর বাড়ি রাউজান উপজেলার গুজরা ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের কমলার দিঘীর পাড় এলাকায়। নুরু উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন। বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নুরুকে নগরীর চকবাজার থানার চন্দনপুরা এলাকায় বাসা থেকে নুরুকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করে বিএনপি। রাউজান থানার নোয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এস আই জাবেদের নেতৃত্বে জেলা পুলিশের একটি সশস্ত্র টিম নুরুকে তুলে নিয়ে যায়, এমন অভিযোগ করেছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও রাউজানের সাবেক সাংসদ গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী। তবে এই ঘটনায় নুরুর পরিবার মামলা করতে রাজি না হওয়ায় রাউজান থানার এসআই মো.কামাল মামলা দায়ের করেন।


খাদ্যশস্য দ্রুত খালাসে চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন যন্ত্র
                                  

 জাহাজ থেকে খাদ্যশস্য দ্রুত খালাস করতে শ্রমিকের বদলে চট্টগ্রাম বন্দর প্রথমবারের মতো আধুনিক যন্ত্র নিয়ে এসেছে। ‘নিউমেটিক কনভেয়র’ নামে বায়ুচাপভিত্তিক এই পণ্য স্থানান্তর যন্ত্রটি শুক্রবার উদ্বোধন করেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, নতুন এই যন্ত্র যুক্ত হওয়ার ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজের গড় অবস্থানকালীন সময় কমবে। আগে ৪০ হাজার টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি জাহাজ থেকে শ্রমিক দিয়ে পণ্য খালাস করতে কমপক্ষে ১৫ দিন লাগত। এ যন্ত্র দিয়ে একই জাহাজ থেকে মাত্র পাঁচ থেকে ছয় দিনে পণ্য খালাস করা যাবে। শাজাহান খান বলেন, আগে যেভাবে পণ্য খালাস হত তাতে শ্রমিকদের কায়িক পরিশ্রম ছিল বেশি। এ যন্ত্র শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাও বৃদ্ধি করবে। নিউমেটিক কনভেয়র কিনতে ছয় কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এটি জাহাজ থেকে প্রতি ঘণ্টায় ১৭০ টন খাদ্যশস্য খালাসে সক্ষম। বেলজিয়ামে তৈরি ভিগান টাইপ-১০০ মডেলের যন্ত্রটি চট্টগ্রাম বন্দরকে সরবরাহ করেছে বড়তাকিয়া কনস্ট্রাকশন কোম্পানি। চট্টগ্রাম বন্দরের ছয় নম্বর জেটিতে এই যন্ত্রের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পণ্য পরিমাপ ও ব্যাগিংয়ের দুটি যন্ত্রও উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। কানাডার তৈরি মেশিন দুটি কিনতে ব্যয় হয়েছে তিন কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এটির সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড। নতুন তিনটি যন্ত্র চট্টগ্রাম বন্দরে কাজ শুরু করলে সমুদ্র বন্দরের সেবামান তত্ত্বাবধানকারী সংস্থা লয়েড লিস্টে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আশাপ্রকাশ করেন মন্ত্রী। অন্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম এ লতিফ, নৌ মন্ত্রণালয়ের সচিব অশোক মাধব রায়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম খালেদ ইকবাল ও চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম।


চট্টগ্রামে কাভার্ড ভ্যান চাপায় নিহত ২
                                  

নগরীর কাস্টমস মোড়ে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত হয়েছেন।
রবিবার, ২৯ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।


নগর পুলিশের বন্দর জোনের সহকারী কমিশনার কামরুল হাসান জানান, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য নিয়ে বের হওয়া একটি কাভার্ডভ্যান কাস্টমস ব্রিজের উপর মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এতে ২৫ বছর বয়সী এক যুবক ঘটনাস্থলেই মারা যান। অপর যুবক গুরুতর আহত হলে তাকে আশঙ্কাজন অবস্থায় চট্টগ্রামে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার পর কাভার্ডভ্যানের চালক ও সহকারীকে আটক করেছে পুলিশ। তবে নিহতদের পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।

আইইবির কনভেনশনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
                                  

ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) এর ৫৭তম কনভেনশনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে (আইইবি) চার দিনব্যাপী এ কনভেনশনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এবারের কনভেনশনের মূল প্রতিপাদ্য ডিজিটাল টেকনোলজি ফর ডেভোলাপমেন্ট। কনভেনশনের মূল আকর্ষণ হিসেবে জাতীয় সেমিনারের বিষয়বস্তু নির্ধারণ করা হয়েছে ইউটিলাইজেশন অব ডিজিটাল টেকনোলজি ফর প্রো পিপল ডেভোলাপমেন্ট।

সেমিনারে বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রেক্ষাপটে একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলাসহ সরকার কর্তৃক গৃহীত এসডিজি বাস্তবায়নে উপযোগী টেকসই অবকাঠামো ডিজাইন ও নির্মাণ এবং কল-কারখানায় নিরাপদ ও সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ, নাগরিকের সার্বিক জীবন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রকৌশলীদের ভূমিকা ও করণীয় সম্পর্কে অবহিত করা হবে।

এদিকে দুপুর ২টায় প্রকৌশলী এম এ রশীদ বক্তৃতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বিকেল সাড়ে ৪টায় ফিয়েস্কা সেমিনারে প্রধান অতিথি থাকবেন পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। সেমিনারে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের পক্ষে পেপার উপস্থাপন করা হবে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রয়েছে ফিয়েস্কা এক্সিকিউটিভ কমিটির সভা এবং সন্ধ্যা ৭টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

হাটহাজারী মাদ্রাসায় পাগড়ি পাচ্ছেন ২৫০০ শিক্ষার্থী
                                  

চট্টগ্রামের দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসার বিশেষ সমাবর্তনে প্রায় আড়াই হাজার তরুণ আলেমকে বিশেষ সম্মানসূচক পাগড়ি প্রদান করা হবে। গত বছরের দাওরায়ে হাদীস (টাইটেল) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের এ পাগড়ি দেয়া হবে।

 

শুক্রবার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ঐতিহ্যবাহী এ বৃহৎ কওমি মাদ্রাসার চত্বরে বার্ষিক মাহফিল ও দস্তাবন্দী সম্মেলনে এ পাগড়ি দেয়া হবে।

দেশের সর্ববৃহৎ এ দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে সমকালীন মুসলিম বিশ্ব পরিস্থিতি ও ইসলামের সার্বিক বিষয়ে দিক-নির্দেশনা প্রদান করে দেশের প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও শীর্ষস্থানীয় ওলামা মাশায়েখগণ কুরআন-হাদীস ভিত্তিক বক্তব্য রাখবেন।

মাহফিলে দেশ ও জাতির উদ্দেশে বিশেষ হেদায়াতি বক্তব্য ও আখেরি মুনাজাত পরিচালনা করবেন দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রসার মহাপরিচালক ও হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার উলামা-মাশায়েখ ও মুসল্লী উপস্থিত হয়ে মাদ্রাসার বিভিন্ন হল রুম, ছাত্রবাস, মসজিদ ও স্থানীয় আবাসিক হোটেলে অবস্থান করছেন।

সম্মেলনের আগের দিন বিশাল মাঠ জুড়ে সামিয়ানা স্থাপন, স্টেজ নির্মাণ ও মুসল্লীদের বসার ব্যবস্থাসহ সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে পুরো ক্যাম্পাস জুড়েই উৎসবমুখর অবস্থা বিরাজ করছে।

এদিকে শুক্রবার মাহফিলের নির্ধারিত দিন হলেও বৃহস্পতিবার বাদ জোহর থেকেই বয়ান শুরু হয়েছে।

২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের দাওরায়ে হাদীস (টাইটেল) উত্তীর্ণ প্রায় আড়াই হাজার সাবেক ছাত্র বর্তমানে মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে অবস্থান করে নির্ধারিত টোকেন সংগ্রহ ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্নে ব্যস্ত রয়েছেন।

এ উপলক্ষে হাটহাজারী মাদ্রসার মহাপরিচালক ও হেফাজত আমির আল্লামা শাহ শফী এক বিবৃতিতে দেশের সর্বস্তরের মুসলিম জনসাধারণের প্রতি বার্ষিক মাহফিল ও দস্তারবন্দী সম্মেলনে শরীক হওয়ার আহ্বান জানান। সম্মেলনের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্যও  সবার সহযোগিতা ও দোয়া চেয়েছেন।

চিটাগাং গ্রামার স্কুলে শিক্ষার্র্থীদের মাসিক বেতন ১৯ হাজার টাকা!
                                  

বাড়তি ভর্তি ফিসহ অন্যান্য ফি আদায়ের বিষয়ে তদারকিতে গিয়ে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে ৬৩ হাজার টাকা ভর্তি ফি ও ১৯ হাজার টাকা মাসিক বেতন আদায়ের তথ্য পেয়েছে জেলা প্রশাসনের একটি তদারকি দল। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রামের সার্সন রোডে চিটাগাং গ্রামার স্কুলে (সিজিএস) গিয়ে এ চিত্র দেখতে পায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমান নেতৃত্বাধীন একটি তদারকি দল। তদারকি দলটি শুরুতে সিজিএস কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের ভর্তি ফি, পুনঃভর্তি ফি, সেশন ফি, উন্নয়ন ফি এবং স্কুল পরিবর্তন (টিসি) ফি বিষয়ে জানতে চায়। তদারকি দলের চাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে কি পরিমাণ ফি নেওয়া হয় তার একটি তালিকা করে দেয় সিজিএস কর্তৃপক্ষ। এ সময় সিজিএসর অধ্যক্ষ মাহিন খানসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে তদারকি দলের নেতৃত্বদানকারী তাহমিলুর রহমান বলেন, অতিরিক্ত ভর্তি ফিসহ অন্যান্য ফির বিষয়ে তদারকির যে সিদ্ধান্ত জেলা প্রশাসন নিয়েছে তার ভিত্তিতেই আমরা কাজ করছি। নগরীকে পাঁচটি জোনে ভাগ করে মোট ৯৮টি স্কুলে এ তদারকির কাজ শুরু হয়েছে। এখানে (সিজিএস) কি ধরনের ফি তারা নেয় সেটা আমরা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছি। ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর বলেন, তারা (সিজিএস স্কুল কর্তৃপক্ষ) মাত্র ৬৩ হাজার টাকা ভর্তি ফি এবং শ্রেণি ভেদে ১৬ থেকে ১৯ হাজার টাকা মাসিক বেতন নেয় বলে জানিয়েছেন। সরকারি নীতিমালা অনুসারে ব্রিটিশ কারিকুলামে পরিচালিত বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এই ফি কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ সেটা মিলিয়ে দেখার পাশাপাশি পরবর্তীতে অভিভাবকদের কাছ থেকেও তথ্য নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। তাহমিলুর বলেন, কোনো অসামঞ্জস্য এবং তথ্য লুকানোর প্রমাণ পেলে শিক্ষাবোর্ডকে বলব এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে। এ বিষয়ে সিজিএসর অডিট ব্যবস্থাপক আজিজুর রহমান উপস্থিত সংবাদকর্মীদের বলেন, ভর্তি ফি ও বেতন নির্ধারণ করে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি। সরকারি গেজেট অনুসারে এর এখতিয়ারও কমিটির আছে। অতিরিক্ত বেতন-ভর্তি ফি নেওয়ায় অভিভাবকসহ বিভিন্ন পক্ষের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রাম নগরীর স্কুলগুলোর প্রকৃত চিত্র জানতে এই তদারকি দল গঠন করার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন। ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমানের নেতৃত্বাধীন তদারকি দলে ছিলেন থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজি মো. সাজ্জাদুল হক, জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী পরিদর্শক সাব্বির আহমেদ এবং ক্যাব সদরঘাট থানার সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস। সিজিএস স্কুলে পরিদর্শনের সময় ন্যাশনাল কারিকুলামের অধীনে পরিচালিত কোনো স্কুলে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভর্তি ফি নেয়ার বিধান রয়েছে বলে জানান জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী পরিদর্শক সাব্বির আহমেদ। তিনি বলেন, ব্রিটিশ কারিকুলামের ক্ষেত্রে এই ফি কতটা হতে পারে, সেটা সরকারি নীতিমালা কী- তা খোঁজ নিয়ে জানাতে পারব। ব্রিটিশ কারিকুলামে পরিচালিত হলেও বেতন-ফি বাংলাদেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন ক্যাব প্রতিনিধি জান্নাতুল ফেরদৌস। সিজিএস স্কুল থেকে তদারকি দলটি নগরীর ওয়াসা মোড় সংলগ্ন বাংলাদেশ মহিলা সমিতি উচ্চবিদ্যালয় (বাওয়া) ও কলেজ পরিদর্শনে যায়। বাওয়া স্কুলের প্রবেশ পথে কয়েকজন অভিভাবক তদারকি দলকে জানায়, প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে ১০ হাজার ৩০০ টাকা ফি নেওয়া হয়। এসময় সড়কের বিপরীত পাশে অবস্থিত পুলিশ লাইন উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানায়, এবছর সাড়ে চার হাজার টাকা ভর্তি ফি দিয়ে তাকে ভর্তি হতে হয়েছে। অন্য এক অভিভাবক জানান, পাঁচ হাজার ২০০ টাকা করে ভর্তি ফি দিয়ে তিনি তার দুই সন্তানকে পুলিশ লাইন উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়েছেন। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমান বাওয়া স্কুলের ভেতরে যান। বাওয়া স্কুলের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আনোয়ারা বেগম তদারকি দলকে ষষ্ঠ থেকে দশম পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণির ভর্তি ফিসহ অন্যান্য ফি আদায়ের তালিকা ও রসিদ দেন। এরপর ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমান ফি আদায়ের ওই তালিকা ও রসিদের তথ্য থেকে সাংবাদিকদের জানান, প্রাক প্রাথমিক পর্যায়ে স্কুলটিতে এক মাসের বেতনসহ ১০ হাজার ৩০০ টাকা ভর্তি ফি নেওয়া হয়। তিনি বলেন, কেউ টিসি নিয়ে চলে যেতে চাইলে ভর্তি ফি ও পুরো মাসের বেতন দিতে হয় বলে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন। এটা সরকারি নীতির সাথে সাংঘর্ষিক। জেলা প্রশাসনের গঠিত পাঁচটি দল পাঁচজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় স্কুল পরিদর্শন করছে বলেও জানান তাহমিলুর রহমান।


সময় মতো নিলাম না হওয়ায় বন্দরে নষ্ট হচ্ছে শত কোটি টাকার পণ্য
                                  

 সময় মতো নিলাম না হওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দরে বিপুল পরিমাণ আমদানি পণ্য নষ্ট হচ্ছে। বন্দরের খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকা ওসব পণ্যের মধ্যে গাড়ি, ফটোস্ট্যাট মেশিন, গার্মেন্টের মূলধনী যন্ত্রপাতিসহ নানা ধরনের সামগ্রী রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকায় ওসব পণ্যের গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে বন্দরে  নিলামযোগ্য পণ্যভর্তি তিন সহস্রাধিক কনটেইনার পড়ে রয়েছে। আর ওসব পণ্য দখল করে আছে বন্দর ইয়ার্ডের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ জায়গা। অথচ নিয়ম অনুযায়ী কাস্টমস কর্তৃপক্ষের এক মাসের বেশি সময় পড়ে থাকা পণ্য নিলামে তুলে বিক্রি করার কথা। কিন্তু নিয়মিত নিলাম না হওয়া ও ব্যবসায়ীদের অনেকে সময় মতো পণ্য খালাস না করায় নিলামযোগ্য পণ্যেও স্তূপ জমছে বন্দরে। চট্টগ্রাম কাস্টমস সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, নিলামযোগ্য পণ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণের জন্য বন্দর স্টেডিয়ামের কাছে পাঁচ একর জায়গায় অকশন শেড নির্মাণ করা হয়েছে। বিগত ২০১৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর উদ্বোধনের পর বন্দর কর্তৃপক্ষকাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে শেডটির চাবি হস্তান্তর করে। তবে ওই শেডে নিলামযোগ্য কী পণ্য নেয়া হবে, কীভাবে নেয়া হবে তা ঠিক করতে না পারায় এখনো অত্যাধুনিক ওই শেডটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। অথচ খোলা আকাশের নিচে নিলামযোগ্য শত কোটি টাকার পণ্য অযতœ-অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে।
সূত্র জানায়, বন্দর কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়ীদের অনেকেই পণ্য এনে বন্দরে মাসের পর মাস ফেলে রাখায় গত ডিসেম্বর থেকে কনটেইনার রাখার ভাড়াও বাড়িয়েছে। চার দিনের `ফ্রি অব টাইম` শেষে বন্দর ইয়ার্ডে থাকা প্রতিটি এফসিএল (ফুল কনটেইনার লোড) কনটেইনারের জন্য আগের তুলনায় দ্বিগুণ ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে যে কনটেইনারের ভাড়া ছিল ৬ ডলার এখন তা হয়েছে ১২ ডলার। কিন্তু ভাড়া বৃদ্ধির পরও নির্ধারিত সময়ে অনেক ব্যবসায়িই পণ্য খালাস করছে না। ফলে বন্দরে নিলামযোগ্য পণ্যের পরিমাণ ক্রমেই বাড়ছে। আর ওসব পণ্য রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে। বন্দরের চার নম্বর গেটের সাথে লাগোয়া নিলাম শাখার চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বাস, ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রো, মিক্সার মেশিন, ফটোস্ট্যাট মেশিন, মূলধনী যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন দামি পণ্য। ওসব পণ্যের গায়ে বেড়ে উঠেছে লতা জাতীয় বিভিন্ন উদ্ভিদ।
সূত্র আরো জানায়, ২৩২টি প্রতিষ্ঠান বিগত ২০১১-১২ অর্থবছরে পণ্য আমদানি করে তা এখনো বন্দরে ফেলে রেখেছে। তার মধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের একাধিক চালান ফেলে রেখেছে। তানিয়া এন্টারপ্রাইজ ইউনিট-২ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে ২২৭ কোটি পাঁচ লাখ টাকা মূল্যের ৪টি চালানে ১৭ কোটি ২৮ লাখ টাকা, এসি বাজারের কাছে প্রায় ২ কোটি ৭ লাখ টাকা মূল্যের পণ্য আনা ১০টি চালানে প্রায় দুই কোটি টাকা, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্ট ব্ল্যান্ডার্স লিমিটেডের ২৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা মূল্যের ৩৬টি চালানে ৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের ৬৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা মূল্যের ১০টি চালানে ৩৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, এসকে এন্টারপ্রাইজের ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা মূল্যের ১৩টি চালানে ৩৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা, গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেডের ৯৬ লাখ টাকা মূল্যের পাঁচটি চালানে ৫৭ লাখ টাকা, তিতাস মোটরসের কাছে ৪৯ লাখ টাকা মূল্যের পাঁচটি চালানে ৬৩ লাখ টাকা শুল্ক পাবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। একইভাবে ৫ শতাধিক প্রতিষ্ঠান ২০১২-১৩ অর্থবছরে পণ্য আমদানি করে ফেলে রেখেছে। ওসব পণ্যের অনেকগুলো আইনি জটিলতার কারণেও নিলামে তুলতে পারছে না কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
এদিকে নিলাম প্রক্রিয়ায় যুক্ত মেসার্স আর রেজা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী সৈয়দ জহিরুল ইসলাম নাঈম জানান, `দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় অনেক পণ্যেরই রঙ বিবর্ণ হয়ে গেছে। পণ্যের গায়ে কয়েক স্তরে ধুলার আস্তরণ জমেছে। নিলাম শাখার আশপাশে ৫০০ গজের মধ্যে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অর্ধশত গাড়িসহ নানা পণ্য। ওভাবে পড়ে থাকায় নষ্ট হচ্ছে পণ্যের গুণগত মান।
অন্যদিকে এ বিষয়ে কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার মাজেদুল হক জানান, `পণ্য আনার এক মাসের মধ্যে খালাসের নিয়ম থাকলেও তা ব্যবসায়ীদের অনেকেই তা মানছে না। তাতে ন্যায্য রাজস্ব থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।`

চট্টগ্রামে এক দশকে কর্মস্থলে নারীর নেতৃত্ব বেড়েছে ১৫ গুণ
                                  

 এক দশকে চট্টগ্রাম জেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে নারীর সংখ্যা ১৫ গুণ বেড়েছে বলে এক অর্থনৈতিক শুমারির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ২০১৩ সালের অর্থনৈতিক শুমারির চট্টগ্রাম জেলার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে চট্টগ্রামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নারীপ্রধানের সংখ্যা বেড়ে ৩০ হাজার ৬৫৩ জনে উন্নীত হয়েছে, যা ২০০৩ সালে ছিল দুই হাজার ১৮৭ জন। চট্টগ্রামে সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে ও অংশগ্রহণকারী নারীর সংখ্যা বেড়েছে। এক দশক আগে কৃষি, শিল্প ও নির্মাণ খাতসহ আর্থিক কর্মকান্ডে নারীর সংখ্যা ছিল ৬১ হাজার ২৪৪ জন, ২০১৩ সালে তা উন্নীত হয়েছে পাঁচ লাখ ৮৪ হাজার ১৪৫ জনে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠানে গত বৃহস্পতিবার এই প্রতিবেদন তুলে ধরেন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) উপ-পরিচালক মহিউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, করপোরেট অফিস, উৎপাদনশীল খাত, কুটির শিল্প ও আয়বর্ধক প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকান্ডে নারীর নেতৃত্ব বাড়ছে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার রুহুল আমিন বলেন, সরকার যে ভিশন-২০২১ নির্ধারণ করেছে সেটি পূরণে আমাদের পরিসংখ্যান ব্যুরোর এ তথ্য সহায়ক হবে। এক দশকে নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক ও অর্থনৈতিক নানা সূচকে ইতিবাচক পরিবর্তন স্পষ্ট হয়েছে এই অর্থনৈতিক শুমারিতে। শুমারির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই এক দশকে চট্টগ্রামে বেড়েছে প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে; মহানগরী ও উপজেলা মিলিয়ে একলাখ ৯৪ হাজার ৯২২ থেকে প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৮০ হাজার ৫৫০টি। বর্তমানে তিন লাখ ৮০ হাজার ৫৫০টি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মানুষের সংখ্যা ১৯ লাখ ৬৮ হাজার ৮৬২ জন, যা ২০০৩ সালে ছিল ৭ লাখ চার হাজার ৩৫১ জন। ২০১৩ সালের অর্থনৈতিক শুমারিতে মোট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫০ দশমকি ৪৩ শতাংশ শহর এলাকায় ও ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ উপজেলায় অবস্থিত। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি জেলা প্রশাসক সামসুল আরেফিন বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে পরিসংখ্যান বর্তমানের সঙ্গে আপডেট হওয়া উচিত। আমরা এখন ২০১৩ সালের পরিসংখ্যান পাচ্ছি ২০১৬ সালে। তিন বছরে কিন্তু অনেক কিছু দ্রুত পাল্টে গেছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর যুগ্ম পরিচালক মো. এমদাদুল হকের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ব্যুরো ঢাকার পরিচালক আবদুল কাদির মিয়া।

সাংবাদিকদের লেখার ভিত্তিতেই জনমত গড়ে ওঠে: মেয়র নাছির
                                  

 জনমত গঠনে সাংবাদিকদের ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি উল্লেখ করে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন চ্যালেঞ্জিং কাজ। সাংবাদিকরা যেভাবে লিখবেন, উপস্থাপন করবেন সেভাবেই জনমত গড়ে ওঠে। এ কারণে অনেক সময় পাঠকের মধ্যে বিভক্তি-বিভাজন তৈরি হয়। আমি মনে করি, আমাদের শেষ ভরসাস্থল আপনারাই (সাংবাদিক)। ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন। গতকাল শুক্রবার প্রেসক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন কমোডর এডব্লিউ চৌধুরী বীর উত্তম, বীর বিক্রম। মেয়র বলেন, সাংবাদিকরা গুরু দায়িত্ব, কঠিন দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জিং দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যক্তিগতভাবে কারও প্রতি পছন্দ থাকতে পারে, কোনো দলের প্রতি দুর্বলতা থাকতে পারে, এমনকি আঞ্চলিকতার প্রতিও দুর্বলতা থাকতে পারে। এটি বাস্তবতা। সাংবাদিকদের এ বাস্তবতার ঊর্ধ্বে উঠে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। রাজনৈতিক অবক্ষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে আত্মসমালোচনার তাগিদ দিয়ে মেয়র বলেন, চার ঘণ্টার মিটিংয়ে দেড়-দুই ঘণ্টা চলে যায় অতিথিদের নামের আগে বিশেষণ ও প্রশংসা করতেই। ছাত্রজীবনে আমরা যখন রাজনীতি করতাম তখন প্রচুর বক্তৃতা শুনতাম। সাধারণ মানুষ বক্তৃতা শুনতেন। স্বাধীনতার আগের চেয়ে এখন অনেক বেশি সভা-সমাবেশ হচ্ছে। সেই হিসেবে মূল্যবোধ শাণিত হওয়ার কথা। কিন্তু এখন রাস্তার পাশে সভা চলে, পাশ দিয়ে সবাই চলে যায়। সাধারণ মানুষ বক্তৃতা শুনতে আসে না। তাদের ধারণা হয়তো, বক্তৃতা শোনা মানে সময় নষ্ট করা। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে আমাদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা অনেক। আমরা বাঙালি। রাজনৈতিক মতাদর্শে পার্থক্য থাকতে পারে। আমাদের দেশ এগিয়ে যাক-এ মৌলিক প্রত্যাশায় পার্থক্য আছে বলে মনে করি না। তাই দেশ বিনির্মাণে সব সংকীর্ণতা পরিহার করে আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করে যেতে হবে। নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আমাদের ঐতিহ্য, ইতিহাস জানা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। শুধু সরকারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছা যাবে না। আইন প্রয়োগ যেমন প্রশাসনের দায়িত্ব তেমনি আইন মেনে চলাও নাগরিকের দায়িত্ব। মেয়র বলেন, বিদেশে এত ট্রাফিক পুলিশ থাকে না। কিন্তু সেখানে রাস্তায় ক্যামেরা বসানো আছে। বাঙালি চালকেরা ক্যামেরার আওতা পেরোলেই বেশি স্পিডে গাড়ি চালান। আইন মেনে চলার প্রবণতা বাঙালির কম। দেশকে এগিয়ে নিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব অগ্রণী ভূমিকা রাখবে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবও অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। প্রেসক্লাবের সভাপতি কলিম সরওয়ারের সভাপতিত্বে সম্মেলনের উদ্বোধন পর্বে স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সহসভাপতি শহীদ উল আলম ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আবৃত্তিশিল্পী ফারুক তাহেরের নির্দেশনায় বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করে প্রেসক্লাব সদস্যের সন্তানরা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ। বিকেলে সাংগঠনিক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় এবং শনিবার দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবার ১৫ পদে ৩৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।



   Page 1 of 3
     চট্রগ্রাম
রোহিঙ্গাদের জন্য পাঠানো যুক্তরাজ্যের আরও ৮৫ টন ত্রাণ চট্টগ্রামে পৌঁছেছে
.............................................................................................
চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার আটক: জিংকের বস্তায় তেজস্ক্রিয়তা মিলেছে
.............................................................................................
কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পাহাড়ে অবৈধ বসতি
.............................................................................................
কক্সবাজারে নাফ নদী থেকে আরও ১১ রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার
.............................................................................................
পায়ুপথ দিয়ে বেরিয়ে এলো ১২ স্বর্ণের বার
.............................................................................................
চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারের নির্মাণসামগ্রী পড়ে স্কুলছাত্রী আহত
.............................................................................................
ফের বিবাদে মহিউদ্দিন-নাছির
.............................................................................................
ছাত্রদল নেতা নুরু ‘হত্যা’ মামলা তদন্তে অপারগতা চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের
.............................................................................................
খাদ্যশস্য দ্রুত খালাসে চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন যন্ত্র
.............................................................................................
চট্টগ্রামে কাভার্ড ভ্যান চাপায় নিহত ২
.............................................................................................
আইইবির কনভেনশনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
হাটহাজারী মাদ্রাসায় পাগড়ি পাচ্ছেন ২৫০০ শিক্ষার্থী
.............................................................................................
চিটাগাং গ্রামার স্কুলে শিক্ষার্র্থীদের মাসিক বেতন ১৯ হাজার টাকা!
.............................................................................................
সময় মতো নিলাম না হওয়ায় বন্দরে নষ্ট হচ্ছে শত কোটি টাকার পণ্য
.............................................................................................
চট্টগ্রামে এক দশকে কর্মস্থলে নারীর নেতৃত্ব বেড়েছে ১৫ গুণ
.............................................................................................
সাংবাদিকদের লেখার ভিত্তিতেই জনমত গড়ে ওঠে: মেয়র নাছির
.............................................................................................
দেশি প্রজাতির বিদেশি বাঘ দেখতে চিড়িয়াখানায় ভিড়
.............................................................................................
কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা না বাড়ায় তিন বছরেই চট্টগ্রাম বন্দর অচলের আশঙ্কা
.............................................................................................
পরীক্ষা ছাড়াই ছেড়ে দেয়া হচ্ছে নজরদারিতে থাকা পণ্যের চালান
.............................................................................................
খরচ ও অপচয় কমাতে প্রিপেইড মিটারে চট্টগ্রামে চালু হচ্ছে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সেবা
.............................................................................................
বাঁশখালীর এমপিকে ক্ষমা চাইতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম সিইউজে’র
.............................................................................................
কর্ণফুলী টানেল নিমার্ণে পরামর্শক দেশি-বিদেশি ৬ প্রতিষ্ঠান
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া সন্তান রেখে স্কুলছাত্রীকে বিয়ের চেষ্টা
.............................................................................................
ভগ্নিপতিকে খুন করে থানায় শ্যালক
.............................................................................................
চট্টগ্রামে মাজারের টাকা লুটের মামলা বিচার শুরুর জন্য প্রস্তুত
.............................................................................................
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অবৈধভাবে লিবিয়াগামী ৩৯ জন আটক
.............................................................................................
মিতু হত্যা: মুসাকে ধরিয়ে দিলে ৫ লাখ টাকা পুরস্কার
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক মানদন্ড অনুযায়ী চট্টগ্রাম বন্দরে বাড়ানো হয়নি জেটির সংখ্যা
.............................................................................................
পশু আমদানি কমেছে মিয়ানমার থেকে
.............................................................................................
বন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করার উদ্যোগ
.............................................................................................
চট্টগ্রামে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর বাসায় সংঘর্ষ, আহত ২
.............................................................................................
চট্টগ্রামে ঘর থেকে দুই ভাইয়ের লাশ উদ্ধার
.............................................................................................
ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দর ও বিভিন্ন নৌ-ঘাটে আটকা পড়েছে লাখ লাখ টন পণ্য
.............................................................................................
চট্টগ্রামে পুলিশের সঙ্গে পোশাক শ্রমিকদের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক
.............................................................................................
অ্যামোনিয়া গ্যাস কতটা ভয়ঙ্কর!
.............................................................................................
চট্টগ্রামে আনসারুল্লাহর সদস্য সন্দেহে তিনজন গ্রেফতার
.............................................................................................
চট্টগ্রামে ঘুষ লেনদেনের সময় বিটিসিএল’র বিভাগীয় প্রকৌশলীসহ গ্রেফতার ৩
.............................................................................................
চট্টগ্রামে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ স্থাপনের জন্য কাটা পড়বে ৪শ গাছের মাথা
.............................................................................................
নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চিঠির জবাব দেবেন মেয়র নাছির
.............................................................................................
`নাছিরের কথার ব্যাখ্যা চাইবে মন্ত্রণালয়`
.............................................................................................
চট্টগ্রামে নির্মিত হবে আরেকটি বন্দর
.............................................................................................
পার্বত্য ভূমি কমিশন চেয়ারম্যানের ক্ষমতা কমিয়ে অধ্যাদেশ জারি
.............................................................................................
আইন অমান্য করায় চট্টগ্রামে ১০৪৫ মামলা, ৮১ গাড়ি আটক
.............................................................................................
চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ ২ জন গ্রেফতার
.............................................................................................
চট্টগ্রামে কফি হাউসের ভেতর থেকে যুবকের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার
.............................................................................................
নিলামে উঠছে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা শতাধিক গাড়ি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]