| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   বিবিধ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
শহরের প্রত্যেকের তৈলচিত্র আঁকছেন ব্রিটিশ চিত্রকর

নিজের প্রতিকৃতি দেখতে কার না ভালো লাগে! আর তা যদি হাজারো মানুষের প্রতিকৃতির মধ্যে জাদুঘরের মতো বিশেষ এক সংগ্রহশালায় থাকে, কি অপূর্ব! শহরবাসীকে এমন সুযোগই করে দিয়েছেন ব্রিটেনের বিশিষ্ট চারুশিল্পী গ্রাহাম হার্ড-উড। স্বদেশীদের ছবি আঁকায় নিজেকে উৎসগ করে এমন প্রতিজ্ঞাই করে বসেছেন ৫৫ বছর বয়সী এই চিত্রকর। ইতিমধ্যে তিনি ১১২টি তৈলচিত্র অঙ্কনের কাজ শেষ করেছেন। আগামী এক দশকে শহরের বাকি ১,৬৮৮টি চিত্র অঙ্কন শেষ করবেন বলে আশাবাদী তিনি।

গ্রাহাম হার্ড-উড থাকেন ব্রিটেনের সবচেয়ে ছোট শহর এসটি ডেভিডস-এ, যার অধিবাসীর সংখ্যা ১,৮০০। নিজের শখ থেকেই তিনি চিত্র অঙ্কন শুরু করেছিলেন। যখন বন্ধবান্ধব আর আপনজনদের কয়েক ডজন চিত্র তিনি অংকন করে ফেললেন, তখনই হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিলেন শহরের শেষ বাসিন্দার চিত্রটি পর্যন্ত তিনি অংকন করেই তবে ক্ষান্ত যাবেন। সেই থেকে শুরু। 

 


গ্রাহাম হার্ড-উড বলেন, এসটি ডেভিডস একটি বিশেষ বৈচিত্রময় শহর।

এখানকার অধিবাসীরা মিলেমিশে বাস করে। সবাই আমাকে গ্রহণ করেছে, এটা খুবই ভালো লাগার। এটা (চিত্রাঙ্কন) আমার আবাসভূমির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একটি উপায়। তিনি বলেন, আমি ছবি আঁকার কাজ শেষ করে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করবো। একটি সংগ্রহশালায় সবাই তার চিত্র দেখতে পাবে।

প্রতিটি চিত্র অংকনের জন্য একজন ব্যক্তিকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা সময় দিতে হয়, তবে নিজের চিত্র অংকনের জন্য সবাই অনন্দের সাথে গ্রাহামকে সময় দিয়ে থাকেন। সাধারণত প্রতি দুই দিনে আঁকা হচ্ছে একেকটি চিত্র। এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ডেইলি মেইল।

গ্রাহাম বলেন, চিত্রটি আঁকা শেষে দূর থেকে এটি দানবিয় মনে হবে, তবে কাছ থেকে ঠিকই আপনি বুঝতে পারবেন, এটি হুবহু আপনার প্রতিচ্ছবি। শহরের লোকজন গ্রাহামের এই অকর্ষণীয় কর্মের প্রসংশায় এখন পঞ্চমুখ। আগ্রহের সাথে নিজের চিত্র অঙ্কনে সময় দিচ্ছেন সব শ্রেণি-পেশার লোকেরা।

শহরের প্রত্যেকের তৈলচিত্র আঁকছেন ব্রিটিশ চিত্রকর
                                  

নিজের প্রতিকৃতি দেখতে কার না ভালো লাগে! আর তা যদি হাজারো মানুষের প্রতিকৃতির মধ্যে জাদুঘরের মতো বিশেষ এক সংগ্রহশালায় থাকে, কি অপূর্ব! শহরবাসীকে এমন সুযোগই করে দিয়েছেন ব্রিটেনের বিশিষ্ট চারুশিল্পী গ্রাহাম হার্ড-উড। স্বদেশীদের ছবি আঁকায় নিজেকে উৎসগ করে এমন প্রতিজ্ঞাই করে বসেছেন ৫৫ বছর বয়সী এই চিত্রকর। ইতিমধ্যে তিনি ১১২টি তৈলচিত্র অঙ্কনের কাজ শেষ করেছেন। আগামী এক দশকে শহরের বাকি ১,৬৮৮টি চিত্র অঙ্কন শেষ করবেন বলে আশাবাদী তিনি।

গ্রাহাম হার্ড-উড থাকেন ব্রিটেনের সবচেয়ে ছোট শহর এসটি ডেভিডস-এ, যার অধিবাসীর সংখ্যা ১,৮০০। নিজের শখ থেকেই তিনি চিত্র অঙ্কন শুরু করেছিলেন। যখন বন্ধবান্ধব আর আপনজনদের কয়েক ডজন চিত্র তিনি অংকন করে ফেললেন, তখনই হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিলেন শহরের শেষ বাসিন্দার চিত্রটি পর্যন্ত তিনি অংকন করেই তবে ক্ষান্ত যাবেন। সেই থেকে শুরু। 

 


গ্রাহাম হার্ড-উড বলেন, এসটি ডেভিডস একটি বিশেষ বৈচিত্রময় শহর।

এখানকার অধিবাসীরা মিলেমিশে বাস করে। সবাই আমাকে গ্রহণ করেছে, এটা খুবই ভালো লাগার। এটা (চিত্রাঙ্কন) আমার আবাসভূমির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একটি উপায়। তিনি বলেন, আমি ছবি আঁকার কাজ শেষ করে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করবো। একটি সংগ্রহশালায় সবাই তার চিত্র দেখতে পাবে।

প্রতিটি চিত্র অংকনের জন্য একজন ব্যক্তিকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা সময় দিতে হয়, তবে নিজের চিত্র অংকনের জন্য সবাই অনন্দের সাথে গ্রাহামকে সময় দিয়ে থাকেন। সাধারণত প্রতি দুই দিনে আঁকা হচ্ছে একেকটি চিত্র। এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ডেইলি মেইল।

গ্রাহাম বলেন, চিত্রটি আঁকা শেষে দূর থেকে এটি দানবিয় মনে হবে, তবে কাছ থেকে ঠিকই আপনি বুঝতে পারবেন, এটি হুবহু আপনার প্রতিচ্ছবি। শহরের লোকজন গ্রাহামের এই অকর্ষণীয় কর্মের প্রসংশায় এখন পঞ্চমুখ। আগ্রহের সাথে নিজের চিত্র অঙ্কনে সময় দিচ্ছেন সব শ্রেণি-পেশার লোকেরা।

আবার যে কারণে হাসপাতালে `বৃক্ষ-মানব`
                                  

দীর্ঘ আট মাস পর আবারও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ফিরে এসেছেন বৃক্ষ-মানব হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ আবুল বাজানদার। তার অসুখ সারে নি, হাতে আবারো আগের মতোই গজিয়ে গেছে শেকড়।

গত বছরের মে মাসে কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজ বাড়ি খুলনায় চলে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দীর্ঘদিন চিকিৎসা না নেয়ার কারণে হাতে আবারও আগের মতো শেকড় গজিয়ে গেছে বাজানদারের।

"বাড়ি ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি মোটেও সঠিক ছিল না" - সোমবার বললেন আবুল। তবে তার ফিরে যাওয়ার বিষয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে তার কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল বলে উল্লেখ করছেন তিনি।

বাজানদার বলেন, "আমাকে স্যারেরা (ডাক্তাররা) যখন জানালো যে আমার হাত পুরোপুরি ঠিক হবেনা, এটা মাঝে মাঝেই গজাবে আর সেটা অপারেশন করতে হবে। এটা জেনে আমি মানসিকভাবে দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই।"

এমন অবস্থায় বাজানদার চিকিৎসকদের জানান যে তিনি নতুন করে আর কোন অস্ত্রোপচার করবেন না, বাড়ি ফিরে যাবেন। যদি এই শেকড় বাড়তে থাকে, তাহলে তিনি পুনরায় চিকিৎসা নিতে আসবেন।

দীর্ঘদিন চিকিৎসা না নেয়ার কারণে আবুল বাজানদারের হাতে আবারও আগের মতো শেকড় গজিয়ে গেছে। তার এমন সিদ্ধান্তের কথা শুনে চিকিৎসকরা বিষয়টি লিখিত আকারে সই করার শর্ত জুড়ে দেন বলে জানান বাজানদার।

সেই কাগজে সই করলে পরবর্তী চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কায় কাউকে কিছু না জানিয়েই হাসপাতাল ছেড়ে যান তিনি।

"আমি স্যারেদের (ডাক্তারদের) বলেছি আমার রোগটা যেহেতু পুরোপুরি সারবেনা, তারা যেন আমাকে ছুটি দেন, আমি বাড়ি যাব। কিন্তু আমি সই করতে চাইনি। যদি চিকিৎসা আর না পাই এই ভয়ে। কিন্তু সবাই যে বলছে আমি পালিয়ে গেছি। আমি আসলে পালিয়ে যাইনি।"

তবে বাজানদারের এই চিকিৎসা না পারার আশঙ্কাকে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়কারী ডাক্তার সামন্ত লাল সেন।

তিনি বলেন, "বাজানদারের এখান থেকে চলে যাওয়ার পেছনে মান অভিমান অনেক কিছুই আছে। তার হয়তো মনে হয়েছিল এখানে তার সঙ্গে কেউ কেউ ভাল ব্যবহার করেনি। পরে এলে তাকে ভর্তি করবেনা। এসব কিছুই তার ভুল ধারণা। আমরা চিকিৎসকরা রোগকে প্রাধান্য দেই - রোগীকে না। রোগী যেই হন, যেমনই হন আমরা তার চিকিৎসা করবোই।

ছেলের ভুল হয়েছে স্বীকার করেছেন মা আমেনা বিবিও।

বাজানদারের যাবতীয় চিকিৎসার ব্যয়ভার সরকার বহন করায় কিছুটা স্বস্তিতে আছেন ঠিকই তবে ছেলের শারীরিক অবস্থার দিন দিন অবনতি হতে থাকায় প্রতিনিয়ত উদ্বেগের মধ্যে থাকতে হয় তাকে। তার দাবি বাজানদারের চিকিৎসা যেন পুনরায় শুরু করা হয়।

আমেনা বিবি বলেন, "আমার ছেলে না হয় ছোট মানুষ ভুল করেছে, বাড়ি চলে গিয়েছে। আমি থাকলে স্যারেদের (ডাক্তারদের) বুঝায় বলতাম। আমি চাই আমার ছেলে চিকিৎসার মধ্যে থাকুক। তারা আমার ছেলেকে সুস্থ করে আমার কোলে ফিরায়ে দেবে আমি সেই আশাই করি।"

আবুল বাজানদার খুলনায় নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার পরও ডাক্তার সামন্ত লাল সেনের সঙ্গে তার বেশ কয়েকবার ফোনে কথা হয়। ড. সেন প্রতিবারই তাকে ফিরে আসার কথা বলেন।

আবুল বাজানদার ঠিক কি কারণে হাসপাতাল ছেড়েছিল, তার কোন অভিযোগ ছিল কিনা সে বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলেননি ডা সামন্ত লাল সেন।

তিনি বলেন, "ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মাত্র দুইশ রোগীর জনবল দিয়ে সাড়ে পাঁচশ রোগীর চিকিৎসা দেয়া হয়। এমন পরিস্থিতিতে অনেকের অভিযোগ থাকতেই পারে। আমি সেটা অস্বীকার করিনা। তবে আশা করি সামনে আর কোন অভিযোগ থাকবে না। এ বিষয়টা আমি খেয়াল রাখব।"

টানা দুই বছর চিকিৎসার পর আবুল বাজানদার অনেকটা সুস্থ হয়ে এলেও দীর্ঘদিন চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে না থাকায় এবার তার হাতে-পায়ে আবারও আগের মতো শেকড়ের গজিয়ে উঠতে দেখা যায়। এ অবস্থায় বাজানদারের চিকিৎসা নতুন করে শুরু করতে হবে বলে জানিয়েছেন ডা সামন্ত লাল সেন।

আগামীকাল বেলা ১১টার দিকে ৯ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড বাজানদারের পরবর্তী চিকিৎসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে তিনি জানান। প্লাস্টিক সার্জারি, চর্মরোগ, এনেসথেশিয়া ও প্যাথলজি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে বোর্ডটি গঠন করা হবে।

গত ১০ বছর ধরে হাত-পায়ে শেকড় মতো গজানোর মতো বিরল এক জেনেটিক রোগে ভুগছেন আবুল বাজানদার। মেডিকেলের ভাষায় এপিডার্মো ডিসপ্লেশিয়া ভেরুকোফরমিস ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কারণে তার এমনটা হয়ে থাকে।

বিষয়টি গণমাধ্যমের নজরে এলে ২০১৬ সালে ঢাকা মেডিকেলে রাষ্ট্রীয় খরচে আবুল বাজানদারের চিকিৎসা শুরু হয়।

সংসদ নির্বাচন : সাংগঠনিক ইউনিটের জরুরি সভা ডেকেছে ছাত্রলীগ
                                  

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের সব সাংগঠনিক ইউনিটের (জেলা, মহানগর ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে জরুরি সভার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।

আগামী ৪ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে এই জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার সংগঠনটির সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে সভায় অংশগ্রহণকারী ছাত্রলীগ নেতাদের স্ব স্ব ইউনিটের যাবতীয় সাংগঠনিক সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতাসহ পূর্ণাঙ্গ সাংগঠনিক প্রতিবেদন তৈরি করে নিয়ে আসার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সভায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবার ভাসবে টাইটানিক
                                  

১৯১২ সালের ভয়ঙ্কর স্মৃতিকে সরিয়ে ফের সমুদ্রে ভাসতে চলেছে টাইটানিক। নাম দেয়া হয়েছে ‘টাইটানিক-২’।
৭+`-২০২২ সালের মধ্যেই সমুদ্রে সাঁতরাবে। এর প্রথম যাত্রা হবে চীনের জিয়াংশু থেকে দুবাই পর্যন্ত। ইতিমধ্যে টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।
১০ লাখ ডলারের বেশি তার এক একটির দাম। অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী ক্লাইভ পালমারের ব্লু স্টার লাইন সংস্থা এটি তৈরি করছে।
প্রথম টাইটানিক জাহাজটিও তৈরি করেছিল এই সংস্থাই। টাইটানিক-২ যেন প্রথম টাইটানিকেরই যমজ। বাইরে থেকে দেখতে ১৯১২-এর মডেল হলেও ভেতরটা পুরো আধুনিক।
একেবারে একুশ শতাব্দীর ছোঁয়া। চলবে স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রিত ডিজিটাল পদ্ধতিতে। থাকবে রাডার, জিপিএস সিস্টেমও। কিন্তু নিরাপত্তা ও বিনোদনের কথা মাথায় রেখে অনেক কিছু রদবদল করা হয়েছে এর। ২৭০ মিটার লম্বা, ৫৩ মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট টাইটানিক-২ এও রয়েছে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণীর আসনের ব্যবস্থা। খবর গ্য গার্ডিয়ানের।

বিশ্বের অন্যতম অভিজাত জাহাজ টাইটানিক। ১৯১২ সালে বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, টাইটানিক কোনোদিনই ডুববে না। কিন্তু প্রথম যাত্রাকালেই ইতিহাসের অন্যতম ট্র্যাজেডিই ঘটে যায়। কিন্তু টাইটানিককে আজও নিজেদের স্মৃতিতে ভাসিয়ে রেখেছে মানুষ। ১৯৯৭ সালে জেমস ক্যামেরনের ছবি ‘টাইটানিক’ তাতে আরও ইন্ধন জোগায়। এরপর অনেকেই ভাবতে শুরু করেন, যদি আরও একবার ভাসিয়ে তোলা যায় এই কিংবদন্তির জাহাজটিকে। সেই স্বপ্ন থেকেই অস্ট্রেলিয়ার খনি ব্যবসায়ী ক্লাইভ পামার উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন ‘টাইটানিক-২’ নির্মাণে। আর সেই জাহাজ সত্যিই এবার ভাসতে চলেছে।
২০২২ সালেই সমুদ্রের জলে ভাসবে ‘টাইটানিক-২’। তবে ব্লু স্টার লাইনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, প্রথম যাত্রার তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তিনি বলেন, ‘জাহাজের নির্মাণ কাজ চলছে। কাজ শেষ হলেই যাত্রার তারিখ ঘোষণা করা হবে।’ এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে হৈচৈই পড়ে গেছে সামাজিক মাধ্যমগুলোতে। আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে জাহাজের নিরাপত্তা, লাইফ জ্যাকেট, যাত্রীর সংখ্যা, নাবিকের সংখ্যা প্রভৃতি।

টাইটানিক ট্র্যাজেডির ১১০তম বার্ষিকীতে জাহাজটি প্রথম যাত্রায় চীন থেকে দুবাই এরপর দুবাই থেকে ইংল্যান্ডের সাদাম্পটনে পৌঁছবে। তারপর পুরনো টাইটানিকের রুট ধরেই এটি পাড়ি দেবে আটলান্টিক। ডুবে যাওয়া টাইটানিকের জন্য নির্ধারিত রাস্তা ধরেই তা পৌঁছবে নিউইয়র্কে। ব্লু স্টার লাইন জানিয়েছে, এর আনুমানিক ২৪০০ যাত্রীর ব্যবস্থা থাকবে। এর বাইরে নাবিক থাকবেন ৯০০ জন। পুরনো টাইটানিক ছিল কয়লাচালিত। নতুন জাহাজটি হবে ডিজেলচালিত। এতে আরও থাকবে, হেলিপ্যাড, প্রত্যেক যাত্রীর জন্য লাইফবোট। থাকবে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণী মিলিয়ে মোট ৮৪০টি কেবিন।

অনুশোচনায় আত্মহত্যা করেছিলেন সেই ফটো সাংবাদিক
                                  

 প্রিয় মাঠের পাশে লাল নিশান পিকাপ ট্রাকটি থামালেন শেষবারের মতো। এখানেই ফটো সাংবাদিক কেভিন একদিন খেলা করতেন, পড়াশোনা করতেন, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতেন। তিনি গাড়ি চালু রেখে গাড়ির এক্সিট পাইপের সঙ্গে একটি নল লাগিয়ে তার অপর প্রান্ত চেপে ধরেন নিজের নাকে। সেই নল দিয়ে বেরিয়ে আসা কার্বন মনোক্সাইড বিষ আহরণে মনোযোগ দিলেন তিনি। এরপর আস্তে আস্তে নিভিয়ে দিলেন নিজেকে। মিশে গেলেন সন্ধ্যার আকাশের তারকাদের মাঝে।
১৯৬০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে জন্ম গ্রহণ করেন কেভিন কার্টার। ক্রীড়া ফটো সাংবাদিকতার মধ্যে দিয়ে কর্ম জীবন শুরু করেন তিনি। 
১৯৯৩ সালের মার্চে সুদানে দুর্ভিক্ষের ছবি তোলার জন্য অ্যাসাইনমেন্ট পান কেভিন। তখন সুদানে দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা প্রতিদিনই বাড়ছে। খাদ্যের অভাবে দিনের পর দিন মানুষ মারা যাচ্ছে। কোথাও কোনো ফসলের ছিটে ফোঁটা নেই। শুধু তীব্র তাপদাহ, কোথায়ও পানি নেই। এরই মধ্যে অ্যাসাইনমেন্টের কাজে সুদানের আয়দ গ্রামে আসেন কেভিন। এখানে রোদের তাপ যেন কংকালসার মানুষের দেহকে পুড়িয়ে দেওয়ার আনন্দে মেতেছে। প্রত্যেকটি মানুষই ত্রাণের খাদ্যের ওপর নির্ভরশীল। কেভিনও সেইদিন সেই অসহায় মানুষগুলোর মুখোমুখি হন।
ক্যামেরার লেন্স ঘোরাতে ঘোরাতে হঠাৎ আবিষ্কার করলেন এক কংকালসার ক্ষুধার্ত শিশুকে, যে খাদ্যের খোঁজে বেরিয়েছে। তবে এক চুল পরিমাণও হাটার শক্তি নেই শিশুটির। যেন মুখ থুবড়ে উপুড় হয়ে বসে আছে রোদ্দুরের মাঝে। আর শিশুটির ঠিক পেছনে শকুনও ওৎ পেতে আছে শিকারের অপেক্ষায়। প্রায় ২০ মিনিট অপেক্ষা করে কয়েকটি শট নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন কেভিন। অদূরে একটি গাছের নিচে বসে ধুমপান করতে করতে পরবর্তী কাজের জন্য তৈরি হতে থাকেন। কেভিন শুধু ভেবেছিল স্থিরচিত্র ধারণ করাই তার কাজ।
কেভিনের সেই ছবি প্রথম ১৯৯৩ সালের ২৬ মার্চ দ্য নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত হয়েছিল। তারপর থেকে হৈ চৈ পড়ে যায়। রীতিমত সাংবাদিকসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনগুলোও নেমে পড়ে ছবির নেপথ্যে। এই ছবির জন্য খ্যাতির চুঁড়ায় পৌঁছে গেলন কেভিন কার্টার। পুলিৎজার পুরস্কার জিতে নিল তার এই কালজয়ী ছবি।

আর এই জয়ই কাল হয়ে দাঁড়ায় কেভিনের জন্য। কারণ এর পরই কি হলো সেই ক্ষুধার্ত শিশুটির? কিভাবে আপনি ফেলে আসতে পারলেন সে শিশুটিকে?- বিশ্ববাসীর এমন নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে। এ কারণে ছবিটি তোলার মাত্র তিন মাস পরই আত্মহত্যা করেন তিনি।
মারা যাওয়ার আগে ছোট একটি চিরকুটে তাঁর আত্মহত্যার কারণ লিখে যান কেবিন। চিরকুটে তিনি লেখেন, ‘আমি সত্যিই, একদম সত্যিই দুঃখিত। দুঃখগুলো আমার আনন্দকে অতিক্রম করে কবেই উবে গেছে। আনন্দের কোনো চিহ্ন আর অবশিষ্ট নেই। সত্যিই আমি চরম হতাশ।’ 
কেভিন কার্টারের আত্মহত্যার কারণ হিসাবে তাঁর সাথে থাকা বিখ্যাত চিত্রসাংবাদিক জোআঁও সিলভা জানিয়েছেন, ‘কার্টার ছবি তুলে আসার আগে সেই শকুনটাকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দিয়ে আসেন। তবে ভয়ে তিনি বাচ্চাটিকে ধরেননি। কারণ তিনি এই ভেবে ছিলেন শিশুটি কোনো ভয়ানক রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তবে ছবি না তুলে যদি বাচ্চাটিকে নিকটবর্তী ত্রাণশিবিরে নিয়ে গেলে শিশুটি হয়তো বেঁচে যেত এই হতাশায় ও অনুশোচনায় আত্মহত্যা করেন কেভিন! অথচ শিশুটি সেই সময় মারা যায়নি, আরো ১৩ বছর বেঁচে ছিল। নিয়ং কং নামের ছবির বাচ্চাটি মারা যায় ২০০৭ সালে।

‘১৮ বছরের আগে কোনো শিশুকে রাজনীতিতে অন্তর্ভুক্তিকরণ নয়’
                                  

শীর্ষনিউজ, ঢাকা: ১৮ বছরের আগে কোনো শিশুকে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করা হবে না। শিশুরা আরও যেসব সুপারিশ করেছে তা আমরা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে যুক্ত করতে চাই। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস এস কামাল হোসেনের এ ঘোষণাকে স্বাগত জানাতে বৃহস্পতিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে শিশুদের উল্লাসের রোল ওঠে গুলশানের লেকশোর হোটেলের লাভিটা হল। সেখানে বসেছিল চাইল্ড পার্লামেন্টের ১৭তম আসর।
‘চাইল্ড পার্লামেন্ট’ ন্যাশনাল চিল্ড্রেন টাস্কফোর্সের এক অনন্য উদ্যোগ, যেখানে ১২ থেকে ১৮ বছরের শিশুরা সত্যিকার সংসদের আদলে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির শিশুদের প্রতিনিধিত্ব করে। এখানে শিশুরাই নিজেদের সমস্যাগুলো তুলে আনে। তারা বিভিন্ন গবেষণা ও ঘটনাকে বিশ্লেষণ করে তারপর সেই সমস্যাগুলো পার্লামেন্টের কাছে তুলে ধরে।
এই পার্লামেন্টের কাজ কী? ঠিক জাতীয় সংসদের মতো, যখন কোনো আইন হয়, নীতিমালা হয় সেগুলো যেন শিশুদের কথা মাথায় রেখে করা হয় সেটার সুপারিশ করে তারা।
শিশু স্পিকার মেফতাহুন নাহারের পরিচালনায় বসে শিশু পার্লামেন্টের ১৭তম আসর। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি স্পিকার মাহমুদা সিদ্দিকা এলিজা। অবিকল আসল সংসদের মতো জাতীয় সংগীত গেয়ে শুরু হয় অধিবেশন। স্পিকার আহ্বান করেন তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন উত্থাপনের। একে একে আসতে থাকে তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন। আসে সেগুলোর সুপারিশও, তাও শিশু সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে।
যারা শিশু সংসদের সঙ্গে পরিচিত নয়, তাদের চোখ ততক্ষণে কপালে। এইসব বিষয়ে প্রশ্ন শিশুরা তৈরি করেছে? নিজে নিজে?
জবাব আসে, হ্যাঁ। দেশের ৬৪টি জেলা থেকে আসা চাইল্ড পার্লামেন্টের শিশু, তাদের সঙ্গে আরও ১৬ জন বিশেষ এলাকার প্রতিনিধি শিশুরা এসেছে যার যার অঞ্চলের শিশুদের প্রতিনিধিত্ব করতে। দেশের শীর্ষ স্থানীয় নীতি নির্ধারকদের জানাতে শিশুদের কল্যাণে আসলে কোন কোন জায়গায় ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। এই শিশুদের পার্লামেন্টের কাজ করতে সহায়তা করেছে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল ও সেভ দ্য চিলড্রেন।
তারকা চিহ্নিত প্রশ্নে শিশুরা মোট নয়টি সমস্যা তুলে আনে সংসদের সামনে। তারাই করে সমস্যাগুলো সমাধানের সুপারিশ। এর মধ্যে আছে শিশু হত্যা, শিশু নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, গণপরিবহনে যৌন হয়রানি, মাদকের কবল থেকে শিশুদের রক্ষা করা, নির্বাচন ও রাজনৈতিক কাজে শিশুদের ব্যবহার বন্ধ করা। 
তারা দাবি করে, ২০১৩ সালের শিশু আইনের বাস্তবায়ন ও সুপারিশ করে শিশুর শিক্ষা ও সুরক্ষায় বাজেট বরাদ্দের। রাজনৈতিক ইশতিহারে বাজেট বরাদ্দ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান, প্রতিবন্ধী শিশু, পার্বত্য এলাকার শিশু, পথশিশু, যৌনপল্লীর শিশু, আদিবাসী শিশুসহ সকল পিছিয়ে পড়া শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিতের সুপারিশ করা হয়। ঘটনাগুলোর দ্রুত বিচারে আনার এবং তা বাস্তবায়নের দাবিও করেন তারা।
শিশুদের এই পার্লামেন্ট পর্যবেক্ষণে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ আলম লেলিন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং জাতীয় পার্টির সভাপতি মণ্ডলির সদস্য ব্যারিস্টার শামিম হায়দার পাটোয়ারী।
এছাড়াও অধিবেশনে অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ওরলা এ মারফী, হেড অব চাইল্ড রাইটস অ্যান্ড প্রটেকশন তানিয়া নুসরাত জামান এবং সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্ক পিয়ার্স ও ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. শামীম জাহান।
শিশু এমপিদের প্রশ্ন ও সুপারিশ শেষে আলোচনার সুযোগ আসে সত্যিকার নীতি নির্ধারকদের। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন জানান, শিশুদের জন্য জুভেনাইল কোর্টের আইন পাশ হয়েছে, শীঘ্রই এর বাস্তবায়ন হবে।
আওয়ামী লীগ নেতা এস এম কামাল হোসেন শিশু সুরক্ষায় আইন প্রণয়নের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত বাধ্যতামূলক পরীক্ষা ব্যবস্থা তুলে দেওয়া ও আনন্দময় শিক্ষাব্যবস্থা প্রচলনের আহ্বার জানান নূহ আলম লেলিন।
আইনে বিশেষ পরিস্থিতিতে বাল্যবিবাহের বিধান থাকা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মত দেন বিএনপি নেতা ড. মঈন খান। শিশুশ্রম বন্ধের জন্য ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত বাধ্যতামূলক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করার সুপারিশ করেন শামিম হায়দার পাটোয়ারী। শিশুদের জন্য সুনির্দিষ্ট খাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির কথা বলেন মোয়াজ্জম হোসেন আলাল।
অধিবেশন শেষে শিশু পার্লামেন্টের স্পিকার মেফতাহুন নাহার ও তার ডেপুটি স্পিকার মাহমুদা সিদ্দিকা এলিজা বসেন সংবাদ সম্মেলনে। তারা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন পেশাদারি দায়িত্বশীলতা নিয়ে।
মেফতাহুন নাহার বলেন, ‘এটি চাইল্ড পার্লামেন্টের ১৭তম আসর। এর আগেও পার্লামেন্ট থেকে আমরা অনেকগুলো সুপারিশ করেছি যা নীতি নির্ধারক মহলে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হয়ে, যা হয়নি তা হচ্ছে বাস্তবায়ন। যতদিন তা বস্তবায়ন না হয় এবং শিশুদের সমস্যা সমাধান না হয় আমরা এমনিই পার্লামেন্টে আসব শিশুদের প্রতিনিধিত্ব করতে। তাদের সমস্যা তুলে ধরতে এবং সমস্যা সমাধান চাইতে।’
শীর্ষনিউজ/এনএস

নিমেষেই অদৃশ্য হয় যে প্রাণী
                                  

শীর্ষনিউজ ডেস্ক: সমুদ্রে কিছু প্রাণী অদৃশ্য হতে পারে। বিষয়টি নানা প্রশ্ন জাগায়। আসলে কি এমন প্রাণী আছে? হ্যাঁ, কিছু প্রাণী রয়েছে যারা নিজের দেহকে এমনভাবে লুকিয়ে ফেলে, যা অদৃশ্য হওয়ার মতোই বলা যায়। প্রাণীগুলোর মধ্যে গ্লাস অক্টোপাস ও গ্লাস স্কুইড অন্যতম।
গ্লাস অক্টোপাস: সমুদ্রে দুটি উপায়ে নিজেদের লুকায় সামুদ্রিক প্রাণী গ্লাস অক্টোপাস। এটি সাগরের তলদেশে বসবাসকারী প্রাণী বালি বা পাথরের সঙ্গে মিশে যেতে পারে কিংবা লুকিয়ে পড়তে পারে প্রবালের আড়ালে।
এ সময় এটি প্রায়ই কালো হয়ে যায়, যা অদৃশ্য হওয়ার নামান্তর। সমুদ্রপৃষ্ঠের কাছাকাছি যখন এই প্রাণীগুলো চলে আসে তখন শিকারীর কাছ থেকে লুকাতে চাইলে এক বিশেষ আলোর ঝলকানি সৃষ্টি করে। যা বায়োলিউমিনিসেন্স নামে পরিচিত। এই প্রক্রিয়ায় তারা শিকারীদের সামনে বিভ্রম সৃষ্টি করে। আর শিকারীরা ভাবে শিকারটি অদৃশ্য হয়ে গেছে।
গ্লাস স্কুইড: গ্লাস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত প্রায় ৬০ প্রজাতির স্কুইড রয়েছে। সমুদ্রের ২০০ থেকে ১০০০ মিটারের মধ্যে বসবাস করে এরা। গ্লাস স্কুইডের শরীর পুরোপুরি স্বচ্ছ, তবে এদের বড় চোখগুলো অপ্রকাশিত।
এটি তাদের জন্য একটি সমস্যা। যেহেতু নিচের সাঁতার কাটা শিকারীরা সহজেই তাদের ছাড়া দেখতে পারে, এজন্য গ্লাস স্কুইড তাদের লুকানোর জন্য ছদ্মবেশের একটি চতুর রূপ ব্যবহার করে। চোখের নিচে একটি বিশেষ কৌশলে এরা আলো তৈরি করতে পারে। সেই আলো সূর্যালোক থেকে নিচে ফিল্টারিং হয়ে আসা আলোর অনুরূপ দেখায়। তাই এটি সম্পূর্ণরূপে নিচে সাঁতার কাটা শিকারিদের কাছে তখন অদৃশ্য করে তোলে।
পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দেখেছেন, স্কুইড বিশেষ প্রক্রিয়ায় যে আলো সৃষ্টি করে তা বিস্ময়করভাবে চার দিকের অন্য আলোর সঙ্গে মিশে যায়। তখন এমন একটি বিভ্রম তৈরি করে যা দেখে মনে হয় আলোটি চতুর্দিক থেকে আসছে। এতে প্রাণীটির একটি ছদ্মবেশ তৈরি হয়।

সক্ষমতা সূচকে বাংলাদেশের একধাপ অবনমন
                                  

বিশ্ব প্রতিযোগিতার সক্ষমতার সূচকে একধাপ অবনমন হয়েছে বাংলাদেশের। বিশ্বের ১৪০টি দেশের মধ্যে এবার বাংলাদেশের অবস্থান হয়েছে ১০৩তম। গত বছর এ সূচকে বাংলাদেশের ১০২ নম্বর অবস্থানে ছিল।

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বিশ্ব প্রতিযোগিতার সক্ষমতা সূচক ২০১৮ শীর্ষক এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ১২টি সূচকের মধ্যে বাংলাদেশের ৯টিতে অবনতি হয়েছে। উন্নতি করেছে তিনটিতে।

অনুষ্ঠানে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন ও গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম উপস্থিত ছিলেন।

ঈদুল আযহার বন্ধের নোটিশ
                                  

 

আগামী ২১/০৮/২০১৮ইং রোজ মঙ্গলবার থেকে ২৩/০৮/২০১৮ ইং রোজ বৃহস্প্রতিবার পর্যন্ত ঈদুল আযহা উপলক্ষে স্বাধীন বাংলা ডট কমের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকিবে। আগামী ২৪/০৮/২০১৮ ইং রোজ শুক্রবার থেকে সকল কার্যক্রম চলবে।

অর্গানিক গরুর চাহিদার সাথে দামও বেশি
                                  

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অর্গানিক পদ্ধতিতে পালন করা গরু কোরবানি দেয়া জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিশেষ পদ্ধতিতে পালন করা এসব গরু মূলত শহুরে ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয় হলেও, সেগুলো নিয়ে আসা হয় বিভিন্ন জেলার প্রত্যন্ত বাজার থেকে।

পালনকারী ও বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে প্রচলিত ধরণের গরুর চেয়ে এ ধরণের গরুর দাম একটু বেশি।

কিন্তু তা সত্ত্বেও চাহিদা বাড়ায়, তারাও প্রতি বছর গরু পালনের সংখ্যা বাড়াচ্ছেন।

কেন বাড়ছে অর্গানিক গরুর জনপ্রিয়তা?

ঢাকার কাছে সাভারের বইলাপুরের বনগাঁও গ্রামে আনোয়ারুল আমিন মাসুমের গরুর খামারে এই মূহুর্তে মোট ৩৪টি গরু আছে। উঁচু প্রাচীর তোলা ফার্মে ঢুকতেই গোবরের গন্ধ নাকে লাগে। টিনশেড গোয়াল ঘরে সারি বেধে দাড়িয়ে থাকা গরুগুলোর বিশেষত্ব হলো তাদের অর্গানিক পদ্ধতিতে পালন করা হচ্ছে, ঈদে কোরবানি দেবার জন্য। কিন্তু অর্গানিক পদ্ধতিতে পালন করা মানে কি?

আমিন ব্যাখ্যা করছেন এভাবে, "এ পদ্ধতিতে কোনো ধরণের মেডিসিন ব্যবহার না করে, স্টেরয়েড জাতীয় খাবার না খাইয়ে যে গরুটা পালছেন, এটাই অর্গানিক গরু। খড়, ঘাস, ভুষি, তারপর ভুট্টার সাইলেজ খাইয়ে পালন করি আমরা গরুগুলোকে।"

আমিন বলেছেন, দুই বছর আগে তিনি প্রথম কোরবানির সময়ে অর্গানিক পদ্ধতিতে পালন করা গরু বিক্রি শুরু করেন। এবং এসব গরুর চাহিদাও বাড়ছে।

একই কথা বলছেন, বেঙ্গল মিটের বিপণন বিভাগের প্রধান মেহেদী সাজ্জাদ। এর কারণ হিসেবে তিনি বলছেন, মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বেড়েছে।

"মানুষের মধ্যে একটা সাধারণ সচেতনতা আছে তারা কৃত্রিম পদ্ধতিতে মোটাতাজা করা গরু কিনতে চায় না। এখন অনেক ব্যবসায়ী মেডিসিন দিয়ে মোটাতাজা করে, সেটা চায় না মানুষ। বরং এখন অর্গানিক পদ্ধতিতে পালন করা গরুর চাহিদা বাড়ছে। কত শতাংশ সেটা বলা মুশকিল, কিন্তু আমরা দেখছি প্রতি বছর এটি বেড়েই চলেছে।"

বাংলাদেশে এই মুহূর্তে ঠিক কতগুলো খামারে অর্গানিক পদ্ধতিতে গরু পালন করা হচ্ছে তার সঠিক হিসেব নেই, কারণ বেশির ভাগ খামার কেবল ঈদের সময়ের জন্য এ ধরণের গরু পালন করে থাকে। তবে, বেঙ্গল এবং কাজী গ্রুপের মতো বড় খামারগুলোতে বছরজুড়ে গোশত বিক্রির জন্যও এ পদ্ধতিতে গরু পালন করা হয়।

সাধারণত অর্গানিক পদ্ধতিতে পালন করা গরুর দাম, কোরবানির হাটে ওঠা একই ওজনের অন্য গরুর চেয়ে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বেশি হয়। খামারিরা বলছেন, তার কারণ স্টেরয়েড বা গরু মোটা তাজাকরণের জন্য অস্বাভাবিক কিছু ব্যবহার না করে, বিশেষ খাবার ও রুটিন মেনে গরু পালনের জন্যই এর দাম বেশি হয়।

তবে, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক লামিয়া আসাদ বলছেন, অর্গানিক গরুর দাম সাধারণ ক্রেতাদের সামর্থ্যের মধ্যে নিয়ে আসা সম্ভব।

"প্রথমত আমাদের মানসিকতা বদলাতে হবে, কারণ বাজারে গরু কিনতে এসে আমরাই তো মোটা বেশি ওজন এমন গরু কিনতে চাই। কিন্তু দেশী গরুর ওজন তো ওভাবে হুট করে বাড়ে না, ফলে দেখা যায় সেটার চাহিদা কমই থাকে।"

"আবার অর্গানিক পদ্ধতিতে পালন করা গরুকে যেসব জিনিস খাওয়ানো হয়, সেসবও তো আমাদের দেশেই তৈরি হয়, ফলে সেসবের জন্য দাম না বাড়িয়ে দামটা আরেকটু কম রাখা যায়। একই সঙ্গে সরকারকেও এ খাতে ভর্তুকি দিয়ে খামারিদের উৎসাহিত করতে হবে।"

বাংলাদেশের পশুপালন মন্ত্রণালয় বলছে, তারা বিভিন্ন জেলায় স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতিতে গরু পালনের জন্য প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। কিন্তু একই সঙ্গে ক্রেতাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য তারা চেষ্টা করছে, যাতে ঈদের সময় মানুষ বুঝেশুনে পশু কেনে। তাতে অর্গানিক গরুর খামারিরাও হয়তো আরো উৎসাহিত হবেন।

ঢাকা বাঁচাতে দরকার কার্যকর সমন্বিত পরিকল্পনা
                                  

ঢাকাকে বাঁচানো জরুরী প্রয়োজন। এজন্য একটি কার্যকর সমন্বিত পরিকল্পনা দরকার। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে দুই সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ ঢাকার সংশ্লিষ্ট ৫৪টি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং নগর পরিকল্পনাবিদ পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, জন অধিকার বিশেষজ্ঞ প্রমুখের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী ওয়ার্কিং গঠন করতে হবে। নইলে ঢাকা শহরকে বাঁচানো সম্ভব হবে না।
পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)’র উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। “অবসবাসযোগ্য নগরীর তালিকায় অন্যতম ঢাকা, উত্তরণের উপায়”-শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে পবা’র চেয়ারম্যান আবু নাসের খানের সভাপতিত্ব করেন। 
পবা’র সম্পাদক ওয়াহেদ রাসেলের সঞ্চালনায় উক্ত সংবাদ সম্মেলনের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পবা’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. লেলিন চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন পবা’র সাধারণ সম্পাদক প্রকৌ. মো. আবদুস সোবহান, নাসফ-এর সাধারন সম্পাদক মো. তৈয়ব আলী, সহ-সম্পাদক ব্যারিস্টার নিশাত মাহমুদ, গ্রীণ ফোর্সের সমন্বয়ক মেসবাহ সুমন, নবযাত্রা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মো. আজমল হোসেন প্রমুখ।
মূল বক্তব্যে বলা হয়, ঢাকা গত ৭ বছর যাবত বসবাসেরর অযোগ্য শহরগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ নম্বরে উঠা-নামা করছে। আমরা ঢাকার বর্তমান অবস্থার দিকে তাকালে লক্ষ্য করি ঢাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ৬৩ ভাগ। এ শহরে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে প্রায় ২ লাখ লোক বাসবস করে। শহরে বসবাসকারী জনসংখ্যার ৪০ ভাগ হচ্ছে ঢাকায়। দেশের জিডিপির ৩৫ শতাংশ ঢাকা থেকে আসে এবং দেশের সামগ্রিক কর্ম সামর্থ্যরে ৩০ ভাগ ঢাকাতে বসবাস করে। ঢাকার বস্তিগুলোর জনঘনত্ব বাংলাদেশের একটি সাধারণ গ্রামের তুলনায় ৩০ ভাগ বেশি। এই প্রেক্ষাপটে ঢাকার অবস্থাকে বিশ্লেষণ করতে হবে। 
ঢাকাকে বসবাসযোগ্য করতে পবা’র পক্ষ থেকে সুপারিশ দেয়া হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে। এতে বলা হয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে দুই সিটি করপোরেশন, রাজউক, ওয়াসা, ঢাকা মেট্রো পলিটান পুলিশসহ ঢাকা নগর সংশ্লিষ্ট ৫৪টি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে শক্তিশালী একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করে আগামী ৬ মাসের মধ্যে বসবাসযোগ্য ঢাকার একটি মহাপরিকল্পনা প্রনয়ন এবং বাস্তবায়নের কাজ শুরু করতে হবে। এই ওয়ার্কিং কমিটিতে শহরে বসবাসের উপযোগীতার সাথে যুক্ত বিশেষজ্ঞগণ যেমন নগর-পরিকল্পনাবিদ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, পরিবেশবাদীসহ এ সম্পর্কিত বিষয়ে বিশেষজ্ঞগণ যুক্ত থাকবেন। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কেন্দ্রিয় সরকার, স্থানীয় সরকার এবং জনগণ যুক্ত থাকবে। এই বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য রাজনৈতিক মনোভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রত্যাশা করবো প্রতিটি রাজনৈতিক দল ঢাকা মহানগরীর উন্নয়ন পরিকল্পন্ াজনসম্মুখে প্রকাশ করবে। 
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় ঢাকা শহর বর্তমানে সেবা প্রদান এবং উৎপাদন দুধরনের কর্মকান্ডের প্রাণ কেন্দ্র । ঢাকা শহর ভিত্তিক এই উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডকে ক্রনান্বয়ে ঢাকা শহরের বাইরে সারা দেশে পরিকল্পিতভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে। ঢাকা শুধু কেন্দ্রিয় সেবা প্রদানের ক্ষেত্র হবে। এ জন্য সারা দেশে কার্যকরী প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিকেন্দ্রিকরণের যে নিদের্শনা আমাদের সংবিধানে বর্ণিত হয়েছে তা অতি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

নিয়মের ঊর্ধ্বে ১৪ লাখ রিকশা
                                  

ট্রাফিক সপ্তাহের মধ্যেও নিয়ম মানানো যায়নি রিকশা ও অটোরিকশা চালকদের। যান্ত্রিক গাড়িগুলোর বিরুদ্ধে মামলা করা সম্ভব হলেও রিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কোনো বিধান নেই ট্রাফিক পুলিশের কাছে। ফলে রাজধানীর প্রায় ১৪ লাখ রিকশা যেভাবে খুশি চলছে। নিষিদ্ধ সড়কেও তারা সরব। আর ভাড়া আদায়েও নেই নিয়মনীতি। 

কখনো কখনো পুরো শহরটাকে মনে হয় ‘যেন রিকশার শহর’। কোনো কোনো এলাকায় রিকশাই বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় ট্রাফিকব্যবস্থার ক্ষেত্রে। পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নগরীর রাস্তায় চলাচলকারী সব যানবাহন ও চালকের জন্য আইন থাকলেও রিকশার ব্যাপারে কোনো আইন নেই। ফলে তারা ফ্রি স্টাইলে চলছে। রাজধানীর বেশির ভাগ মার্কেট আর বিপণিবিতানের সামনে যে যানজট তার মূলে রয়েছে রিকশা।

রাজধানীর অলিগলি থেকে ভিআইপি সড়ক সবই এখন রিকশার দখলে। ১২-১৪ বছরের শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত এসব রিকশারচালক। কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা করে না রিকশাচালকেরা। যেভাবে পারছে, যে জায়গা থেকে পারছে রিকশা চালাচ্ছে। রিকশার গ্যারেজ মালিক ও রিকশাচালকদের তথ্য অনুযায়ী রাজধানীতে এখন ১৪ লাখের ওপর রিকশা চলছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোতে কোনো তথ্য নেই। কোনো গলিতে ১০ মিনিট দাঁড়ালেই বোঝা যাবে কত সংখ্যক রিকশা রাস্তায় চলছে।
গত ৫ আগস্ট থেকে ট্রাফিক সপ্তাহ চলার কারণে এই সময়ে রাজধানীতে গণপরিবহনের সঙ্কট সৃষ্টি হয়। যেসব গাড়ির কাগজপত্রে ত্রুটি রয়েছে, চালকদের লাইসেন্সে ত্রুটি রয়েছে সেসব যানবাহন ও চালক রাস্তায় বের হয়নি। বের হলেও তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয়। কিন্তু সব কিছুর ঊর্ধ্বে রিকশা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসব রিকশা চলাচলে বৈধ কোনো অনুমতি না থাকলেও তা চলছে বছরের পর বছর। 

রাজধানীর ভিআইপি সড়কসহ কিছু কিছু সড়কে রিকশা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানছে না চালকেরা। যাদের দায়িত্ব রয়েছে এগুলো নিয়ন্ত্রণের সেই ট্রাফিক পুলিশও এ ব্যাপারে নির্বিকার। পুলিশের সামনে দিয়েই ভিআইপি সড়ক দিয়ে রিকশার অবাধ যাতায়াত। 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিদিন নতুন করে রিকশা নামছে রাজধানীর পথে। একটি রিকশা রাস্তায় নামলেই মালিকের লাভ। একটি রিকশা নির্মাণে খরচা হয় ১২-১৫ হাজার টাকা। মাসে আয় হয় কমপক্ষে সাড়ে তিন হাজার টাকা। রিকশার কোনো লাইসেন্স লাগে না। চালকেরও কোন লাইসেন্স বা প্রশিক্ষণ লাগে না। শুধু প্যাডেল ঘোরাতে পারলেই চলে। অভিযোগ রয়েছে এই রিকশা এখন প্রশাসন থেকে শুরু করে একটি সঙ্ঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের কোটি কোটি টাকার উপার্জনের পথ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত পাঁচ বছরে অন্তত শত কোটি টাকা হাতিয়েছে রিকশার ভুয়া নম্বর প্লেট বিক্রি করে। আর ওই নম্বর প্লেটকেই বৈধ গণ্য করছে পুলিশ প্রশাসন। ওই নম্বর প্লেট যেসব রিকশার রয়েছে তা অবাধে চলতে পারছে রাজধানীতে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অবৈধ এই বাণিজ্য চলছে রিকশা-ভ্যান মালিক ও শ্রমিক নামধারী কিছু সংগঠনের ব্যানারে। সহায়তা করছে সিটি করপোরেশন এবং মহানগর পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য। বানানো ওই নম্বর প্লেট দিয়েই চলছে অন্তত ১৪ লাখ রিকশা ও ভ্যান। তবে এর নির্দিষ্ট কোনো হিসাব নেই ঢাকা সিটি করপোরেশন বা ট্রাফিক পুলিশের কাছে। এখন রাজধানীর সব পথঘাট উন্মুক্ত পেয়ে রিকশা ও ভ্যানের সংখ্যা আরো বেড়ে চলছে। সূত্র জানায়, সরকারি কোনো পরিসংখ্যান না থাকলেও রাজধানীতে রিকশাচালকের সংখ্যা ১৫ লাখের কম হবে না। সূত্র জানায়, যারা এক সময় রিকশার নম্বর প্লেট বিক্রি করতেন তাদের অনেকেই এখন রাজনৈতিক দলের বড় নেতা। 
রিকশা-ভ্যান মালিক-শ্রমিক সংগঠন সূত্রে জানা যায়, রাজধানীতে বর্তমানে কমপক্ষে ১৪ লাখ রিকশা-ভ্যান, ঠেলাগাড়ি ও ঘোড়ার গাড়ি রয়েছে। কিন্তু বৈধ লাইসেন্স রয়েছে মাত্র ৮৭ হাজার। এই লাইসেন্সও অনেক পুরনো। এর মধ্যে রিকশা ৭৯ হাজার ৫৫৪টি, ভ্যান ৮ হাজার। বাদবাকি ঠেলাগাড়ি ও ঘোড়ার গাড়িসহ অন্যান্য অযান্ত্রিক বাহন। ১৯৮৬ সালে শেষ লাইসেন্স ইস্যু করা হয়। অজ্ঞাত কারণে ৩২ বছর ধরে সিটি করপোরেশন থেকে কোনো বৈধ লাইসেন্স ইস্যু করা হচ্ছে না। আর পুরনো লাইসেন্স নবায়নও করা হচ্ছে না। আর এই সুযোগে একটি সঙ্ঘবদ্ধ চক্র বিভিন্ন সংগঠনের নামে রিকশা-ভ্যানের লাইসেন্স দিয়ে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ঢাকা মহানগর এলাকায় রিকশা মালিক ও শ্রমিকদের নামে অন্তত ৩০টি সংগঠন রয়েছে। এরাই মূলত রাজধানীর রিকশা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। রাজধানীর যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য কোনো কোনো এলাকায় মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে রিকশা নিষিদ্ধ করা হয়।

ওই নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল আছে। কিন্তু তা কার্যকর নেই। এই সুযোগে ভিআইপি রোডেও চলছে রিকশা ভ্যান। মাঠপর্যায়ে কর্মরত ট্রাফিক পুলিশের একাধিক কর্মকর্তার সাথে কথা হলে তারা বলেন, রিকশার বিরুদ্ধে কোনো আইন নেই। চালকেরও কোনো লাইসেন্স লাগে না। ব্যবস্থা নেবেন কিভাবে। মাঝে মধ্যে অভিযান চালানো হয়। সেখানে কিছু রিকশা ভ্যান আটক করা হয়। এর বাইরে কিছুই করার নেই।

বেসরকারি মেডিক্যাল, ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপন ও নবায়ন ফি বাড়ছে ৫০ গুণ
                                  

ছত্রিশ বছর পর বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল স্থাপনের লাইসেন্স ও নবায়ন ফি ৫০ গুণ বাড়ানো হচ্ছে। ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপন ও নবায়ন ফি বাড়ছে এলাকা ও প্রকারভেদে ১০ থেকে ৪০ গুণ। একই সাথে বাড়ছে ডেন্টাল ক্লিনিক স্থাপন ও নবায়ন ফি। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য ও সেবা বিভাগ থেকে পাঠানো এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব গত সপ্তাহে অর্থ বিভাগ থেকে অনুমোদন করা হয়েছি। অর্থ বিভাগ থেকে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে, বর্তমান যে ফি তা ১৯৮২ সালে ধার্য করা হয়েছে। সময়ের প্রয়োজনে ও রাজস্ব আদায়ের ফির জন্য তা বাড়ানোর প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

জানা গেছে, ফি বাড়ানো সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনটি চলতি সপ্তাহের মধ্যে জারি করা হবে। আর এ ফি বাড়ানো হলে জনগণের চিকিৎসা ব্যয় বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো তাদের ওপর আরোপিত বর্ধিত ফি জনগণের কাছ থেকেই আদায় করবে। 

সূত্র জানায়, বর্তমানে একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের লাইসেন্স ও বার্ষিক নবায়ন ফি ধার্য রয়েছ মাত্র পাঁচ হাজার টাকা। এ ফি বাড়িয়ে আড়াই লাখ করা হয়েছে। একই সাথে বাড়ানো হয়েছে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক স্থাপন ও নবায়ন ফি। বর্তমান বিভাগীয় বা সিটি করপোরেশনের আওতায় বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক স্থাপন ও নবায়ন ফি ধার্য রয়েছে পাঁচ হাজার টাকা। ১০ থেকে ৫০ বেডের জন্য এখন লাইসেন্স ও নবায়ন ফি দিতে হবে ৫০ হাজার টাকা। ৫০ থেকে ১০০ বেডের জন্য এক লাখ টাকা, ১০১ থেকে ২৪৯ বেডের ক্ষেত্রে দেড় লাখ টাকা এবং ২৫০ বেডের জন্য প্রদান করতে হবে দ্ইু লাখ টাকা। 

একইভাবে জেলা পর্যায়ে এ ফি হবে বর্তমান ৫ হাজার টাকার পরিবর্তে ৪০ হাজার, ৭৫ হাজার, এক লাখ এবং দেড় লাখ টাকা। উপজেলা পর্যায়ে তা হবে ২৫ হাজার, ৫০ হাজার, ৭৫ হাজার এবং এক লাখ টাকা। 

ডায়গনস্টিক সেন্টার স্থাপনের লাইসেন্স ফি ও নবায়ন ফিও প্রকার ভেদে বাড়ানো হয়েছে সর্Ÿোচ্চ ৫০ গুণ। এ ক্ষেত্রে বলা হয়েছে ডায়াগনস্টিক ল্যাব ক্যাটাগরি-এ (রুটিন প্যাথলজি, বায়োকেমিস্ট্রি, হেমাটোলজি, এক্স-রে, আল্ট্রাসনোগ্রাম, হিন্টোজাবলোজি, মাইক্রোবায়লজি, ইমিউনোলজি, হরমোন পরীক্ষা, রেডিওলোজি ও ইমেজিং, সিটিস্ক্যান এবং এমআরআই) বর্তমানে লাইসেন্স ফি ও নবায়ন ফি মাত্র এক হাজার টাকা। এটি বিভাগীয়/সিটি করপোরেশন, জেলা ও উপজেলাপর্যায়ে করা হয়েছে যথাক্রমে ৫০ হাজার, ৪০ হাজার এবং ২৫ হাজার টাকা। 

‘বি’ ক্যাটাগরির ডায়াগনস্টিক সেন্টারের জন্য এ ফি হবে এলাকাভেদে বিদ্যমান এক হাজার টাকার পরিবর্তে ৩৫ হাজার, ২৫ হাজার এবং ২০ হাজার ্টাকা। ‘সি’ ক্যাটাগরির জন্য ২৫, ২০ এবং ১৫ হাজার টাকা। বিদেশ গমনের উদ্দেশ্যে স্থাপিত মেডিক্যাল চেকআপ সেন্টার স্থাপন ও নবায়ন ফি বিদ্যমান ১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে ডেন্টাল ক্লিনিক স্থাপন ফি ও নবায়ন ফি এক হাজার টাকার পরিবর্তে করা হয়েছে এলাকাভেদে ৩০, ২৫ ও ২০ হাজার টাকা। 

এ বিষয়ে অর্থ বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য ও সেবা বিভাগ থেকে পাঠানো প্রস্তাবটি কার্যকর করা সম্পূর্ণ যৌক্তিক। বর্তমান সময়ে জীবনযাত্রার মান অনুযায়ী বিদ্যমান হার অত্যন্ত কম। এতে সরকার প্রাপ্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ ফি কার্যকর হলে সাধারণ জনগণের সেবা প্রদানের পাশাপাশি রাজস্বের আওতা সম্প্রসারণ এবং সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে।

ইসলামের শিক্ষা মানুষকে দেয় প্রশান্তি ও আত্ম-বিশ্বাস: নওমুসলিম জয়নাব
                                  

অস্ট্রিয়ার নও-মুসলিম `জয়নাব ল্যান্টসেল`-এর মুসলমান হওয়ার কাহিনী খুবই চমকপ্রদ।  ইসলাম সম্পর্কে  তাঁর কিছু বক্তব্য ও চিন্তাধারা খুবই যুক্তিপূর্ণ।   ইসলাম হচ্ছে যুক্তি, বিবেক, মানবীয় সম্মান ও মানুষের প্রকৃত স্বাধীনতার ধর্ম।  এ ধর্ম মানুষকে দেয় ইহকাল ও পরকালের সৌভাগ্যের দিশা। মিসেস ক্লারা ল্যান্টসেল মুসলমান হওয়ার পর নিজের জন্য `জয়নাব` নামটি বেছে নেন। ব্যাপক গবেষণার পর মুসলমান হন তিনি। ক্লারা ল্যান্টসেল জন্মসূত্রে ছিলেন খ্রিস্টান। কিন্তু এ ধর্ম তার প্রশ্নগুলোর সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি।

তিনি প্রচলিত খ্রিস্ট ধর্ম প্রসঙ্গে বলেছেন- ‘যেসব কারণে খ্রিস্ট ধর্ম যুব সমাজ ও জনসাধারণের কাছে আকর্ষণ হারাচ্ছে সেসবের মধ্যে সুদৃঢ় ভিত্তি না থাকা অন্যতম। কারণ, এ ধর্মের বিধি-বিধানগুলোর নির্দিষ্ট কোনো মানদণ্ড নেই। প্রত্যেকেই খ্রিস্ট ধর্মের বিধি-বিধানগুলোকে নিজের সুবিধামত ব্যাখ্যা করে।’

মিসেস ক্লারা ল্যান্টসেল আরো বলেছেন- ‘কেউ যদি উচ্চতর লক্ষ্যে উপনীত হতে চায় তাহলে তার উচিত বেশি বেশি প্রচেষ্টা চালানো এবং দিক-নির্দেশনা ও উপদেশের আলোকে বেশি বেশি পদক্ষেপ নেয়া, ঠিক যেভাবে একজন ক্রীড়াবিদ মেডেল অর্জনের জন্য ব্যাপক পরিশ্রম করেন ও নানা উপদেশ মেনে চলেন। তাই আধ্যাত্মিক লক্ষ্য অর্জনের জন্যও ন্যূনতম প্রচেষ্টাগুলো চালানো জরুরি। এই সর্বনিম্ন কর্তব্যগুলো হল ধর্মের মূল ভিত্তি–কেন্দ্রীক যার অভাবে ধর্ম ক্রমেই ধ্বসে পড়ে। খ্রিস্ট ধর্ম ঠিক এই দশারই শিকার হয়েছে। এ ধর্মে তথাকথিত যেসব বাইবেল ও পবিত্র বাণী দেখা যায় সেগুলোর বেশিরভাগই মতামত মাত্র এবং খ্রিস্ট ধর্মে মানুষের জীবন-যাপন পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত ও যথাযথ বিধান নেই। কিন্তু আমি সব সময়ই পূর্ণাঙ্গ জীবন-বিধানের সন্ধানে ছিলাম যাতে তা আমাকে সবচেয়ে ভালো পথে পরিচালিত করতে পারে।’

শৈশবে যুদ্ধাহত একদল ইরানির সাথে পরিচয়ের সূত্রে ইসলামের সৌন্দর্য দেখেছিলেন অস্ট্রিয়ার নও-মুসলিম জয়নাব ওরফে মিসেস ক্লারা ল্যান্টসেল যা ইসলামের দিকে তার আকৃষ্ট হওয়ার অন্যতম কারণ। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন: `ইসলামের রয়েছে আকর্ষণীয় বহু দিক। এইসব আকর্ষণের মধ্যে আমার কাছে যে দু`টি দিক সবচেয়ে মধুর ও সুন্দর মনে হয়েছে তার একটি হল, ইসলাম মানুষকে প্রফুল্ল থাকার ও সুন্দর আচার-আচরণের শিক্ষা দেয়। চিকিৎসার জন্য অস্ট্রিয়ায় আসা একদল যুদ্ধাহত ইরানির মধ্যে আমি আধ্যাত্মিক নানা আকর্ষণসহ এই দিকটি দেখতে পেয়েছি। তাদের অনেকেরই ছিল না হাত ও পা এবং রাসায়নিক হামলার কারণে অনেকের চেহারাও বিকৃত হয়ে পড়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা ছিলেন বেশ উৎফুল্ল ও প্রফুল্ল। তাদের এমন আনন্দিত ভাব আমাদের ওপর গভীর প্রভাব ফেলত। এইসব আচরণ ছিল খুব দৃঢ় ও গভীর বিশ্বাসের সুফল। শৈশবের সেই অভিজ্ঞতার কারণেই আমি ইসলাম সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়েছিলাম। ধর্মের প্রভাবে মানুষের এতটা দৃঢ়-বিশ্বাস বা আত্মবিশ্বাস ও প্রশান্ত চিত্ত এক অবিশ্বাস্য বিস্ময়।`

অস্ট্রিয়ার নও-মুসলিম জয়নাব ওরফে মিসেস ক্লারা ল্যান্টসেলের মতে, দ্বিতীয় যে বড় দিক ইসলামের দিকে তার আকৃষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে তা হল ইসলামী বিধি-বিধানের সুদৃঢ় অস্তিত্ব। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন: `ইসলামী শরিয়তে রয়েছে মানুষের জন্য জীবনের সব দিকের বিধান। এইসব বিধান নানা সমস্যার ক্ষেত্রে মানুষকে দেয় সর্বোত্তম সমাধান ও মানুষকে পরিচালিত করে পূর্ণতার দিকে।`

ইসলাম সমাজ গঠনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি পরিবার ব্যবস্থাকেও শক্তিশালী করার বিধান ও দিক-নির্দেশনা দিয়েছে। পরিবার সম্পর্কে অস্ট্রিয়ার নওমুসলিম জয়নাব ওরফে মিসেস ক্লারা ল্যান্টসেল বলেছেন-`ইসলাম ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনসহ জীবনের সব ক্ষেত্রের খুঁটি-নাটি দিক সম্পর্কেও বিস্তারিত এবং নিখুঁত দিক-নির্দেশনা দেয়। একমাত্র ইসলামেরই রয়েছে এই বিশেষ বৈশিষ্ট। ইসলাম মানুষের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে তার জীবন্ত উপস্থিতি বজায় রাখতে সক্ষম। ইসলামের বিধি-বিধানগুলো মানুষের বিবেক ও যুক্তির সঙ্গেও মানানসই। ফলে এ মহান ধর্ম মানুষের অসহায় একাকীত্ব ও অর্থহীনতার ভাবকে এ পার্থিব জীবনেই দূর করতে সক্ষম।`

অস্ট্রিয়ার নওমুসলিম ল্যান্টসেল আরো বলেছেন- `বাইবেলে দয়া প্রদর্শনের কথা যদি থেকেও থাকে তা বাস্তবায়নের পদ্ধতি বা রূপ সম্পর্কে তাতে কোনো দিক-নির্দেশনা পাবেন না। ফলে এ সংক্রান্ত উপদেশ পালনের ক্ষেত্রে বাস্তবতার ময়দানে মানুষ ভুল করতে পারে। অস্ট্রিয়ায় একজন নিষ্ঠাবান বা বিশ্বাসী ক্যাথলিক ও সাধারণ নাগরিকের মধ্যে পার্থক্য হল ওই ঈমানদার ক্যাথলিক প্রতি রোববারে এবং কয়েকটি বিশেষ দিনে গির্জায় হাজির হন। এ ছাড়া তাদের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। কিন্তু একজন মুসলমান যদি আন্তরিকভাবে ধর্মীয় বিধি-বিধান মেনে চলেন তাহলে তিনি সর্বোত্তম কল্যাণ লাভ করেন।` 

অস্ট্রিয়ার নও-মুসলিম নারী জয়নাব ওরফে ল্যান্টসেল ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করায় পরিবার ও সমাজের পক্ষ থেকে নানা বাধা-বিপত্তির শিকার হয়েছেন। কিন্তু ইসলাম তাকে দিয়েছে আত্মিক প্রশান্তি। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন- `যে ধর্মের বিধান মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের পদে পদে উপস্থিত পাশ্চাত্যে সে ধর্মের বিধান মেনে চলা বেশ কঠিন। কিন্তু এই কষ্টের মধ্যেও আল্লাহর উপস্থিতিকে অনুভব করা যায়। খোদার সাথে সম্পর্ক ও নৈকট্য আর ভালোবাসা নানা কাজ বা আমলের মধ্যে প্রকাশিত হয়।  আসলে ইসলামের মহান শিক্ষাগুলো মানুষকে দেয় প্রশান্তি ও আত্ম-বিশ্বাস। অথচ এই প্রশান্তি আজ পাশ্চাত্যে পুরোপুরি অস্তিত্বহীন।`

বেপরোয়া জবি ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রণ নেই নেতাদের
                                  

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একশ্রেণীর নেতাকর্মীর উচ্ছৃঙ্খলতা যেন থামছেই না। কিছু নেতাকর্মীর কর্মকাণ্ডে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অস্থির হয়ে উঠেছে। প্রতিপরে ওপর হামলা, অন্তর্দ্বন্দ্ব, সংঘর্ষ, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, দখলবাণিজ্য, এমনকি ছাত্রী হয়রানির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ারও অভিযোগ উঠেছে অনেক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। শুধু গত ১ মাসেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা প্রায় ১৫টি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। বিভিন্ন সংঘর্ষের ঘটনায় গত এক মাসে সাংবাদিকসহ আহত হন ২৭ জন। বেশির ভাগই ঘটেছে আধিপত্য বিস্তার, অন্তঃকোন্দল ও মেয়েঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে। ছাত্রলীগ নেতারা অভিযুক্ত হচ্ছেন প্রশ্নফাঁসের মতো কেলেঙ্কারিতেও। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, বহিষ্কারের মতো ঘটনাও ঘটে। আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের কঠোর হুঁশিয়ারি থাকলেও ছাত্রলীগ দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রলীগের এসব ঘটনায় আওয়ামী লীগের অনেক সিনিয়র নেতাও বিরক্ত। অপরাধীদের বিরুদ্ধে তেমন কোনো কার্যকরী পদপে না নেয়া ও উচ্ছৃঙ্খল কর্মীদের সঠিক ব্যবস্থা না করায় প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ভূমিকা।

ছাত্রলীগ সূত্রে, ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর তরিকুল ইসলামকে সভাপতি ও শেখ জয়নাল আবেদীন রাসেলকে সাধারণ সম্পাদক করে এক বছরের জন্য জবি ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটি ঘোষণার ছয় মাসের মাথায় কেন্দ্রীয় কমিটি জবি ছাত্রলীগের কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দেন। বিগত সময়ে ক্যাম্পাসে মারামারি, শিক্ষক-সাংবাদিক লাঞ্ছনা, বিভিন্ন সময়ে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। কমিটির স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের তিন মাসের মাথায় ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

গত বুধবার ক্যাম্পাস থেকে বাসায় ফেরার পথে ইংরেজি বিভাগ ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সুমনকে বেধড়ক মারধর করে শাখা ছাত্রলীগের ১৩তম ব্যাচের কিছু জুনিয়র কর্মী। আহত সুমন কোটা সংস্কার আন্দোলন ও বিভাগীয় এক শিক্ষকের পক্ষে আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিলেন। হামলাকারীরা শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদিন রাসেলের কর্মী।

গত ২৭ জুলাই মেয়েঘটিত প্রেমের প্রস্তাব নিয়ে সভাপতি গ্রুপের এক ছেলেকে মারধর করে সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের জুনিয়র কর্মীরা। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে বিকেল ৪টার দিকে সভাপতি গ্রুপের কর্মী শরীফুল ইসলাম শিমুল (১১তম ব্যাচ) ও তার বন্ধু দৈনিক ইনকিলাবের বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা নাইমুর রহমান নাবিল ক্যাম্পাস থেকে বাসায় ফেরার সময় বাহাদুর শাহ পার্কের সামনে সাধারণ সম্পাদকের গ্রুপের কর্মী আশিকুর রহমান আশিক (১২তম ব্যাচ, নৃবিজ্ঞান বিভাগ), কৌণিক (১২তম ব্যাচ) তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মী আশিকুর রহমান আশিক সাংবাদিক নাবিলকে গুরুতর আহত করেন।

গত ৮ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনে দেশব্যাপী ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে প্রতিগতিশীল ছাত্রজোট ব্যানারে ক্যাম্পাসে বিােভ মিছিলে ছাত্রলীগের কর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় জবি ছাত্রলীগের কর্মী রিয়াজের নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একটি গ্রুপ অংশ নেয়। এ সময় সাংবাদিকেরা সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকের ওপরও তারা হামলা চালায়। হামলায় সাংবাদিকসহ ১৫ জন আহত হন। গুরুতর আহত হন দৈনিক সমকালের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক লতিফুল ইসলাম, জবি সাংবাদিক সমিতির সহসভাপতি বণিক বার্তার জবি প্রতিনিধি সামি সরকার, ইত্তেফাকের জবি সংবাদদাতা আহসান জোবায়ের ও ডেইলি সানের সাংবাদিক কবির হোসেন, আমার সংবাদের আসলাম অর্ক, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি কিশোর কুমার সরকার, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বি, সাংগঠনিক সম্পাদক সমিত ভৌমিক, দফতর সম্পাদক অনিমেষ রায়, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আও সদস্য জাহিন।
এ ঘটনার জেরে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার হন ছাত্রলীগ কর্মী হাবুল হোসেন পরাগ ও নূরে আলম সিদ্দিকি।

গত ১৮ জুলাই শিাবর্ষের ভর্তি পরীায় জালিয়াতিতে সম্পৃক্ততার সত্যতা পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিার্থী ও জবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আকিব বিন বারীকে স্থায়ী বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গত ১২ মার্চ বাসে বসাকে কেন্দ্র করে বাসে অবস্থানরত শিার্থীদের বেধড়ক মারধর, ঘটনা পর্যবেণে যাওয়া শিকদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা এবং এক শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত করার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার হন শাখা ছাত্রলীগ কর্মী অর্ণব। কর্মকর্তা মারধরের ঘটনায় স্থায়ী বহিষ্কার হন রাজিব বিশ্বাস, সিনিয়র শিক্ষার্থীকে বেধড়ক পিটিয়ে বহিষ্কার হন সিয়াম ও সাংবাদিক মারধরের আরেক ঘটনায় সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান থেকে বহিষ্কারাদেশ পান আরেক ছাত্রলীগ কর্মী শাকিল।

কখনো সংগঠন আবার কখনো প্রতিষ্ঠান থেকে বহিষ্কার করেও বেপরোয়া ছাত্রলীগ কর্মীদের লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না। বিভিন্ন ঘটনায় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেল তাদের কর্মীদের শান্ত রাখার অঙ্গীকার করলেও বরাবরই তারা ব্যর্থ হয়েছেন।

সিনিয়র এক নেতা বলেন, বর্তমান নেতাদের সাংগঠনিক প্রজ্ঞা না থাকা, ক্যাম্পাস পর্যায়ে রাজনীতিতে অভিজ্ঞতার অভাব, পূর্ববর্তী বিভিন্ন গ্রুপের আধিপত্য থাকা ও নীতিনির্ধারক পর্যায়ে সাবেক নেতাদের অবমূল্যায়ন করার কারণে মাঠপর্যায়ে কর্তৃত্ব হারাচ্ছেন বর্তমান নেতারা।

কমছে কেন পেঙ্গুইনের সংখ্যা
                                  

তিন দশকে বিশ্বে কিং পেঙ্গুইনদের সবচেয়ে বড় আবাসস্থানে তাদের সংখ্যা প্রায় ৯০ শতাংশ কমে গেছে। গত সোমবার প্রকাশিত এক গবেষণা রিপোর্টে এ কথা বলা হয়েছে। 

কিং পেঙ্গুইন হলো পেঙ্গুইন প্রজাতির মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম। আয়তনের দিক থেকে অ্যাম্পেরার পেঙ্গুইনের পরেই কিং পেঙ্গুইন। এরা লম্বায় ৭০-১০০ সেমি এবং ওজন ১১ থেকে ১৬ কেজি হয়। দক্ষিণ আটল্যান্টিকে পাওয়া যায় এদের। কিং পেঙ্গুইন দক্ষিণ অ্যান্টার্কটিক দ্বীপপুঞ্জে অথবা উত্তর অ্যান্টার্কটিকায় প্রজনন করে। তারা কখনো বাসা বানায় না। তারা ডিম পাড়ার পর কখনো সেটাকে মাটিতে শুইয়ে রাখে আবার কখনো সেটিকে তাদের পায়ের ওপর ডানায় ঢেকে রেখে বহন করে। তাদের এ প্রক্রিয়াকে বলে ব্রড প্যাচ। বাচ্চা ফুটানোর দুই মাস সময়ের মধ্যে বাবা-মা পেঙ্গুইন পালা করে এক সপ্তাহ সময়ের জন্য সেটিকে তা দেয়। কিং পেঙ্গুইনদের মধ্যে দুইটি প্রজাতি রয়েছে। অ্যাপটেনোডাইস পেটেগনিকা পেটেগনিকাস নামের প্রজাতিটি বাস করে ফকল্যান্ড ও দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপে। অন্য দিকে অ্যাপটেনোডাইস পেটেগনিকা হ্যালি ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণাঞ্চলে বসবাস করে।

শেষবার যখন বিজ্ঞানীরা ফ্রান্সের অধিকৃত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ইয়েল অক্স কোচনে পা রেখেছিলেন, তখন তারা সেখানে ২০ লাখ পেঙ্গুইনের দেখা পেয়েছিলেন। কিং পেঙ্গুইনদের এই কলোনিটি আফ্রিকা ও অ্যান্টার্কটিকার মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। তবে সম্প্রতি তোলা স্যাটেলাইট ইমেজ ও হেলিকপ্টার থেকে তোলা ছবিতে দেখা গেছে, পেঙ্গুইনের সংখ্যায় ধস নেমেছে।

অ্যান্টার্কটিক সায়েন্সে প্রকাশিত সেই রিপোর্টে বলা হয়, সেখানে মাত্র দুই লাখ পেঙ্গুইন অবশিষ্ট রয়েছে। কিং পেঙ্গুইনরা এ দ্বীপের স্থায়ী বাসিন্দা। প্রাপ্তবয়স্করা মাঝে মধ্যে খাদ্যের জন্য সাগরে যায়, কিন্তু তারা কখনো স্থানান্তরিত হয় না। কিন্তু ইয়েল অক্স কোচন দ্বীপটি কেন পেঙ্গুইনশূন্য হয়ে উঠছে? তার রহস্য কী? ফ্রান্সের সেন্টার ফর বায়োলজিক্যাল স্টাডিজের পরিবেশবিদ এবং লেখক হেনরি উইমিস্ক্রিস বলেন, এটি পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত ও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কারণ এখানের কলোনিতে বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কিং পেঙ্গুইন বসবাস করত। উইমিস্ক্রিস ১৯৮২ সালে প্রথম এ কলোনির ওপর দৃষ্টিপাত করেন। 

উইমিস্ক্রিস বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় ১৯৯৭ সালে ভারত মহাসাগরের দক্ষিণ অংশে একটি এল নিনোর সৃষ্টি হয়েছিল। এর প্রভাবে সেখান থেকে মাছ ও স্কুইড দক্ষিণে সরে গিয়েছিল, ফলে পেঙ্গুইনগুলো খাদ্য সমস্যা পতিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে পেঙ্গুইনদের সংখ্যা কমে যায় এবং তাদের প্রজনন ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছরে এল নিনো একবার আঘাত করে। উইমিস্ক্রিস ও তার সহযোগীদের গবেষণা অনুসারে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে গিয়ে ইয়েল অক্স কোচন পেঙ্গুইনদের বাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে। আর এই কিং পেঙ্গুইনদের জন্য স্থানান্তরও কোনো বিকল্প নয়, কারণ তাদের কাছাকাছি পরিসীমার মধ্যে এ রকম অনুকূল পরিবেশ বা দ্বীপ আর নেই। 

গবেষকেরা বলছেন, এ কলোনিতে তাদের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ার পেছনে তাদের আধিক্যেরও ভূমিকা রয়েছে। সংখ্যা অধিক হারে বেড়ে যাওয়ায় খাদ্যের অভাবে তাদের মধ্যে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তা দ্রুত ও কঠোরভাবে তাদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য অনেকাংশেই দায়ী। তবে এই ঘনত্বের বিষয়টি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আরো প্রকট আকার ধারণ করেছে। এ ছাড়া তাদের সংখ্যা এভাবে হ্রাস পাওয়ার পেছনে অ্যাভিয়ান কলেরাকেও দায়ী করা হচ্ছে। ম্যারিয়ন ও আমস্টারডাম দ্বীপের কাছে কিং পেঙ্গুইনসহ বেশ কিছু সামুদ্রিক পাখিও এতে আক্রান্ত হয়েছে। তবে সুখের খবর হচ্ছে, এখনো কিং পেঙ্গুইনদের সংখ্যা সর্বোচ্চপর্যায়ের আতঙ্কের জায়গায় নেই। অবশ্য এ রিপোর্টটি পুনঃমূল্যায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।


   Page 1 of 11
     বিবিধ
শহরের প্রত্যেকের তৈলচিত্র আঁকছেন ব্রিটিশ চিত্রকর
.............................................................................................
আবার যে কারণে হাসপাতালে `বৃক্ষ-মানব`
.............................................................................................
সংসদ নির্বাচন : সাংগঠনিক ইউনিটের জরুরি সভা ডেকেছে ছাত্রলীগ
.............................................................................................
আবার ভাসবে টাইটানিক
.............................................................................................
অনুশোচনায় আত্মহত্যা করেছিলেন সেই ফটো সাংবাদিক
.............................................................................................
‘১৮ বছরের আগে কোনো শিশুকে রাজনীতিতে অন্তর্ভুক্তিকরণ নয়’
.............................................................................................
নিমেষেই অদৃশ্য হয় যে প্রাণী
.............................................................................................
সক্ষমতা সূচকে বাংলাদেশের একধাপ অবনমন
.............................................................................................
ঈদুল আযহার বন্ধের নোটিশ
.............................................................................................
অর্গানিক গরুর চাহিদার সাথে দামও বেশি
.............................................................................................
ঢাকা বাঁচাতে দরকার কার্যকর সমন্বিত পরিকল্পনা
.............................................................................................
নিয়মের ঊর্ধ্বে ১৪ লাখ রিকশা
.............................................................................................
বেসরকারি মেডিক্যাল, ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপন ও নবায়ন ফি বাড়ছে ৫০ গুণ
.............................................................................................
ইসলামের শিক্ষা মানুষকে দেয় প্রশান্তি ও আত্ম-বিশ্বাস: নওমুসলিম জয়নাব
.............................................................................................
বেপরোয়া জবি ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রণ নেই নেতাদের
.............................................................................................
কমছে কেন পেঙ্গুইনের সংখ্যা
.............................................................................................
সাগর উত্তাল, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
.............................................................................................
এক মাসে ৩১ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে বিজিবি
.............................................................................................
দেশে এখনও ৮.৮ শতাংশ মানুষ কেরোসিনের আলোয় নির্ভরশীল
.............................................................................................
ছয় মাসে ২০২১টি শিশু নির্যাতনের শিকার
.............................................................................................
বাংলাদেশে এইডস রোগে আক্রান্ত ৮৬৫ জন
.............................................................................................
মাদক কারবারে শৃঙ্খলা বাহিনীর ২৫০ জন
.............................................................................................
বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২ বছর
.............................................................................................
‘খাদ্য সংকটে’ শূন্যরেখার রোহিঙ্গারা
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের জন্য ১৬ কোটি টাকা সহায়তা দেবে জাপান
.............................................................................................
গ্যাস উত্তোলন ও অনুসন্ধানে সরকারি সংস্থার কচ্ছপগতিতে কাটছে না সঙ্কট
.............................................................................................
প্লাস্টিকের উৎপাদন ও ব্যবহার রোধে আইনের কঠোর প্রয়োগ দাবি টিআইবি’র
.............................................................................................
শতভাগ ঈদ বোনাস দাবি বেসরকারি শিক্ষকদের
.............................................................................................
সংরক্ষিত নেই সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের সুনির্দিষ্ট তথ্যাবলী
.............................................................................................
আরও দু’বছর কুয়েতের রাষ্ট্রদূত থাকছেন আবুল কালাম
.............................................................................................
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে প্রাধান্য দেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ
.............................................................................................
চলন্ত ট্রেনে ঢিল ছোঁড়া দুষ্কৃতকারীদের নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন করার উদ্যোগ
.............................................................................................
সরকারি চাকুরেদের বেতন বাড়ছে ভোটের আগে
.............................................................................................
অনিরাপদ পানিতে দেশে দিনে দিনে কলেরার প্রকোপের মাত্রা বাড়ছে
.............................................................................................
সর্বোচ্চ উৎপাদনেও নিয়ন্ত্রণে নেই লোডশেডিং
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের দ্বিতীয় তালিকা প্রস্তুত, নিতে রাজি হয়নি মিয়ানমার
.............................................................................................
বই সঙ্কটে আটকে রয়েছে বিপুলসংখ্যক পাসপোর্ট
.............................................................................................
সড়ক বিভাগের সচিব নজরুলকে আরও ২ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ
.............................................................................................
বাজারের ৭৫ শতাংশের বেশি প্রাস্তুরিত দুধ সরাসরি পানের জন্য নিরাপদ নয়
.............................................................................................
আরো ৩ দিন বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা
.............................................................................................
দক্ষিণ গোলার্ধে ৭৮ ফুট উঁচু ঢেউয়ের রেকর্ড
.............................................................................................
ভোক্তার স্বার্থ রক্ষায় বিভিন্ন পণ্যের ভেজাল রোধে ৯টি ল্যাবরেটরি স্থাপনের উদ্যোগ
.............................................................................................
দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী বর্ষণ ও শিলা বৃষ্টি হতে পারে
.............................................................................................
শিল্পখাতে সাড়ে ৮ লাখ নারীর কর্মসংস্থান কমেছে
.............................................................................................
পাসপোর্ট আইন হালনাগাদ ও যুগোপযোগী করার উদ্যোগ
.............................................................................................
রমজানে অফিস ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা
.............................................................................................
কোটা বাতিল নিয়ে অগ্রগতি নেই : মন্ত্রিপরিষদ সচিব
.............................................................................................
দেশের অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরগুলোতে ঝুঁকি নিয়ে ওঠানামা করছে বিমান
.............................................................................................
সেবার মান নিশ্চিত না হলে মোবাইল কোম্পানিকে জরিমানা গুনতে হবে
.............................................................................................
খাদ্যে ভেজালের কারণে বছরে ১০ হাজার কোটি টাকা নষ্ট, ২০০ রোগ সৃষ্টি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]