| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অপরাধ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ধর্মকে পুঁজি করে ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, এফআইসিএলের চেয়ারম্যান গ্রেফতার

৩০০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় ফারইস্ট ইসলামি মাল্টি কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের (এফআইসিএল) চেয়ারম্যান শামীম কবিরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীতে সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান। মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শামীম কবিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ ছাড়া মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনসহ মোট ২৮টি মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। একটি মামলায় তাঁর তিন বছর সাজাও হয়েছে। চার বছর ধরে পলাতক ছিলেন তিনি। বিশেষ পুলিশ সুপার বলেন, সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিট গত ৯ জুলাই শামীম কবিরকে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা থেকে গ্রেফতার করে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি নোয়া মাইক্রোবাস, দুটি মোবাইল ফোন, শামীম কবিরের পাসপোর্ট, ২৯টি জমির দলিল, ডিভিআর ও চারটি চেক বই জব্দ করা হয়েছে। শামীম কবিরকে তিন দিনের রিমান্ডে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিআইডি। মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, শামীম কবির কুমিল্লায় নিজ উপজেলা চৌদ্দগ্রামের মুন্সিরহাটে ফারইস্ট ইসলামি মাল্টি কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড নামের একটি কোম্পানি খোলেন। এরপর কোম্পানিটির আরো শাখা বিস্তার করতে থাকেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতায় থানা থেকে জেলা পর্যায়ে এবং চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন স্থানে এফআইসিএলের শাখা অফিস খোলেন। শামীম কবির ইসলাম ধর্মকে পুঁজি করে কতিপয় ধর্মভীরু ও স্বল্পশিক্ষিত লোকদের আল্লাহর কিছু মহান বাণী শোনাতেন।

পবিত্র কোরআন শরিফ রাখতেন অফিসে। এরপর লোকজনকে অফিসে দাওয়াত দিয়ে এফআইসিএলে বিনিয়োগ করতে বলতেন। এ ছাড়া তিনি পাড়ায় পাড়ায় ওয়াজ করে নিজেকে ধর্মের বরপুত্র দাবি করে তাঁর প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করতে বলতেন। বিনিয়োগ করলে লাখ টাকায় প্রতি মাসে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত মুনাফা দেওয়ার কথা বলে লিফলেট বিতরণ ও পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতেন। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার বলেন, ওয়াদা অনুযায়ী তিনি ২০০৭ সাল থেকে ১২ সাল পর্যন্ত মুনাফা দিয়ে গ্রাহক সংগ্রহ করেন। এভাবে টানা কয়েক বছর মুনাফা পেয়ে সাধারণ মানুষ অন্য সব স্থান থেকে টাকা তুলে এফআইসিএলে রাখা শুরু করে। এমনকি বেশি লাভের আশায় ধার-দেনা করে, পেনশনের টাকা অথবা জমি বিক্রি করে গ্রাহক এখানে টাকা রাখতেন।

এভাবে ২০ হাজার গ্রাহকের ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে ২০১৩-১৪ সালে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেন। এরপর তিনি আত্মগোপনে চলে গিয়ে মালয়েশিয়ায় চলে গেছেন বলে এলাকায় প্রচার করতে থাকেন। শামীম কবিরের বরাত দিয়ে মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, আত্মসাৎ করা টাকা দিয়ে তিনি তাঁর নিজ গ্রাম ও সিলেটের জৈন্তাপুরে প্রাসাদসম বাড়ি, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্লট ও ফ্ল্যাট কেনাসহ বিভিন্ন জেলায় ৪০ একর জমি কিনেছেন তিনি। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০১৫ সালে শামীম কবিরের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে একটি মামলা করে। সেই মামলা বর্তমানে সিআইডি তদন্ত করছে বলেও জানিয়েছেন মোল্যা নজরুল ইসলাম।

ধর্মকে পুঁজি করে ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, এফআইসিএলের চেয়ারম্যান গ্রেফতার
                                  

৩০০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় ফারইস্ট ইসলামি মাল্টি কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের (এফআইসিএল) চেয়ারম্যান শামীম কবিরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীতে সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান। মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শামীম কবিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ ছাড়া মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনসহ মোট ২৮টি মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। একটি মামলায় তাঁর তিন বছর সাজাও হয়েছে। চার বছর ধরে পলাতক ছিলেন তিনি। বিশেষ পুলিশ সুপার বলেন, সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিট গত ৯ জুলাই শামীম কবিরকে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা থেকে গ্রেফতার করে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি নোয়া মাইক্রোবাস, দুটি মোবাইল ফোন, শামীম কবিরের পাসপোর্ট, ২৯টি জমির দলিল, ডিভিআর ও চারটি চেক বই জব্দ করা হয়েছে। শামীম কবিরকে তিন দিনের রিমান্ডে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিআইডি। মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, শামীম কবির কুমিল্লায় নিজ উপজেলা চৌদ্দগ্রামের মুন্সিরহাটে ফারইস্ট ইসলামি মাল্টি কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড নামের একটি কোম্পানি খোলেন। এরপর কোম্পানিটির আরো শাখা বিস্তার করতে থাকেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতায় থানা থেকে জেলা পর্যায়ে এবং চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন স্থানে এফআইসিএলের শাখা অফিস খোলেন। শামীম কবির ইসলাম ধর্মকে পুঁজি করে কতিপয় ধর্মভীরু ও স্বল্পশিক্ষিত লোকদের আল্লাহর কিছু মহান বাণী শোনাতেন।

পবিত্র কোরআন শরিফ রাখতেন অফিসে। এরপর লোকজনকে অফিসে দাওয়াত দিয়ে এফআইসিএলে বিনিয়োগ করতে বলতেন। এ ছাড়া তিনি পাড়ায় পাড়ায় ওয়াজ করে নিজেকে ধর্মের বরপুত্র দাবি করে তাঁর প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করতে বলতেন। বিনিয়োগ করলে লাখ টাকায় প্রতি মাসে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত মুনাফা দেওয়ার কথা বলে লিফলেট বিতরণ ও পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতেন। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার বলেন, ওয়াদা অনুযায়ী তিনি ২০০৭ সাল থেকে ১২ সাল পর্যন্ত মুনাফা দিয়ে গ্রাহক সংগ্রহ করেন। এভাবে টানা কয়েক বছর মুনাফা পেয়ে সাধারণ মানুষ অন্য সব স্থান থেকে টাকা তুলে এফআইসিএলে রাখা শুরু করে। এমনকি বেশি লাভের আশায় ধার-দেনা করে, পেনশনের টাকা অথবা জমি বিক্রি করে গ্রাহক এখানে টাকা রাখতেন।

এভাবে ২০ হাজার গ্রাহকের ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে ২০১৩-১৪ সালে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেন। এরপর তিনি আত্মগোপনে চলে গিয়ে মালয়েশিয়ায় চলে গেছেন বলে এলাকায় প্রচার করতে থাকেন। শামীম কবিরের বরাত দিয়ে মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, আত্মসাৎ করা টাকা দিয়ে তিনি তাঁর নিজ গ্রাম ও সিলেটের জৈন্তাপুরে প্রাসাদসম বাড়ি, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্লট ও ফ্ল্যাট কেনাসহ বিভিন্ন জেলায় ৪০ একর জমি কিনেছেন তিনি। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০১৫ সালে শামীম কবিরের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে একটি মামলা করে। সেই মামলা বর্তমানে সিআইডি তদন্ত করছে বলেও জানিয়েছেন মোল্যা নজরুল ইসলাম।

ঠাকুরগাঁওয়ে ৮ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, এসআই আটক
                                  

 ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় আট হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট ও দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ; এ ঘটনায় পুলিশের এক এসআই ও তার সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। গতকাল রোববার পুরাতন ডাকবাংলো থেকে তাদের আটক করা হয় বলে জানান ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান মনির। আটকরা হলেন এসআই হেলাল উদ্দীন প্রমাণিক (৪৫) ও তার সহযোগী মানিক আলী (২৫)। এসআই হেলাল বর্তমানে ঠাকুরগাঁও আদালতে কর্মরত রয়েছেন।


পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান মনির বলেন, পাঁচ দিন আগে পীরগঞ্জ উপজেলা থেকে আকিমুল ইসলাম নামে একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি এসআই হেলাল উদ্দীন প্রমাণিকের কাছ থেকে মাদকদ্রব্য ক্রয় করে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করেন বলে জানান। তার এই তথ্যের ভিত্তিতে এসআই হেলাল উদ্দীন প্রমাণিকের উপর নজরদারি বাড়ানো হয়।


মনিরুজ্জামান আরও বলেন, গতকাল রোববার দুপুরে কক্সবাজার থেকে এসে পীরগঞ্জ উপজেলার পুরাতন ডাকবাংলোতে প্রবেশ করেন এসআই হেলাল উদ্দীন প্রমাণিক ও তার সহযোগী মানিক আলী। সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা ডিবি পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় আট হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট ও দুই কেজি গাজাসহ এসআই হেলাল উদ্দীন প্রমাণিক ও মানিককে হাতেনাতে আটক করা হয়। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

চুরি হওয়া ৪ হাজার জ্যাকেট উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৬
                                  

চট্টগ্রামের একটি পোশাক কারখানার জ্যাকেটভর্তি কভার্ড ভ্যান চুরির ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ; উদ্ধার করা হয়েছে চুরি যাওয়া চার হাজারের বেশি জ্যাকেট। নগরীর বায়েজীদ বোস্তামী থানা এলাকায় আমিন জুট মিল উত্তর গেইট সংলগ্ন মৃধাপাড়া এলাকা থেকে গতকাল মঙ্গলবার ভোর রাতে তাদের গ্রেপ্তার করে চার হাজার ৩২০টি জ্যাকেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন- শাহাদাত হোসেন (২৮), ওবায়দুল হক (৩৭), সোহাগ হোসেন (৩২), সিরাজ মিয়া (২৮), কভার্ড ভ্যান চালক রুবেল হোসেন (২২) ও মো. সুমন (৩০)।


গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (উত্তর) মীর্জা সায়েম মাহমুদ জানান, উদ্ধার করা জ্যাকেটগুলো নগরীর চাক্তাই এলাকার ডীপস অ্যাপরেলস নামের একটি পোশাক কারখানায় তৈরি করা হয়েছিল ফ্রান্সে রপ্তানির জন্য।
“সোমবার রাতে কারখানা থেকে আটটি কভার্ড ভ্যানে করে জ্যাকেটগুলো রপ্তানির জন্য ইসহাক ব্রাদার্সের ডিপোতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সাতটি কভার্ড ভ্যান ঠিক সময়ে ডিপোতে পৌঁছালেও একটি পৌঁছায়নি।”
অভিযোগ পেয়ে গোয়েন্দা পুলিশ কাজ শুরু করে। রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমিন জুট মিলের উত্তর গেইট মৃধাপাড়াস্থ হক ফুড এজেন্সির পরিত্যক্ত গুদামে অভিযান চালানো হয়।
“অভিযানে গুদাম ন থেকে ৪ হাজার ৩২০টি জ্যাকেট উদ্ধার ও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।”


গোয়ন্দা কর্মকর্তা সায়েম বলেন, গ্রেপ্তাররা সংঘবদ্ধ চোর। তারা বিভিন্ন কারাখানায় তৈরি পোশাক রপ্তানির জন্য বন্দরে নেওয়ার পথে গাড়িসহ চুরি করে।
“আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে গার্মেন্টেসে তৈরি বিভিন্ন ধরনের পোশাক বিদেশে শিপমেন্ট করার আগে চক্রটি গাড়ি চালকের সাহযোগিতায় অন্য স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে কার্টন থেকে পোশাক বের ঝুট কিংবা অন্যকিছু দিয়ে ফের কার্টন প্যাকিং করে যথাস্থানে পৌঁছে দেয়।”


তিনি আরও বলেন, এ চক্রের সদস্যরা কভার্ড ভ্যানে কন্টেইনারের সিলগালা করা তালা না খুলে তালা লাগানোর ঘরটি কেটে দরজা খুলে ফেলে। পরে পোশাকগুলো সরানোর পর কার্টন রেখে আবার সেটি ঝালাই করে দেয়। গ্রেপপ্তারদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলে জানান সায়েম।

 

কক্সবাজারে ১ লাখ ৭০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
                                  

কক্সবাজার শহরের তারাবনিয়ার ছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বসতঘর থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সদস্যরা। গত শুক্রবার দিবাগত রাতে এ অভিযান চালানো হয়।

আটকরা হলেন-টেকনাফের লেদা এলাকার মৃত আবুল সামার ছেলে মো. রবিউল আলম (৩১) ও হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকার মো. হেলাল উদ্দিনের ছেলে মো.আবছার উদ্দিন (১৬)। এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে দীন মোহাম্মদ নামের একজন পালিয়ে গেছে বলে জানায় র‌্যাব। র‌্যাব-১৫ ব্যাটালিয়ানের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান জানান, তারাবনিয়ার ছড়া এলাকার হাজী দানু আলমের বাড়িতে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা বেচা-কেনার উদ্দেশ্য অবস্থান করছে। গোপন সূত্রে এমন খবর পেয়ে তিনি এবং সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. শাহ আলমের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল ওই বাড়িতে অভিযান চালায়।

এ সময় ওই বাড়ির বারান্দা থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করা হয়। তিনি আরও জানান, র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দীন মোহাম্মদ নামের একজন পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

 

চট্টগ্রামে ২০০ লিটার মদসহ দুইজন গ্রেফতার
                                  

 নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানার বালুছড়া এলাকা থেকে ২০০ লিটার চোলাই মদসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় একটি প্রাইভেট কারও জব্দ করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ভোররাতে বালুছড়া তুফানি রোড হিন্দুপাড়া বিশ্বাস বাড়ির গলির মুখ থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার দুইজন হলেন- রাঙ্গামাটি জেলার কোতোয়ালী থানার চম্পকনগর এলাকার বাদশা আলমের ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন খোকন (৩৫) ও গর্জনতলী এলাকার মৃত তপন বড়ুয়ার স্ত্রী সুচিত্রা বড়ুয়া (২৮)।

বায়েজিদ বোস্তামি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রিটন সরকার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বালুছড়া তুফানি রোড হিন্দুপাড়া বিশ্বাস বাড়ির গলির মুখে অভিযান চালিয়ে ২০০ লিটার চোলাই মদসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একটি প্রাইভেট কারও জব্দ করা হয়েছে। দেলোয়ার হোসেন খোকন ও সুচিত্রা বড়ুয়া বালুছড়া এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন বলে জানান প্রিটন সরকার।

ব্যাংকের ৩১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বগুড়ায় ব্যবসায়ী গ্রেফতার
                                  

 সোস্যাল ইসলামি ব্যাংক লিমিটেডের ৩১ কোটির বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বগুড়ার এক ব্যাসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে বগুড়া শহরের নামাজগড় থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়; গতকাল শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়। গ্রেফতার মাকসুদুল আলম খোকন বগুড়ার ‘মেসার্স মাসফা এন্টারপ্রাইজ’-এর মালিক। তিনি জেলা যুবলীগের বিগত কমিটির সদস্য ছিলেন।

দুদকের উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের মামলায় চার্জশিটভুক্ত ওয়ারেন্টের আসামি মেসার্স মাসফা এন্টারপ্রাইজের মালিক মাকছুদুল আলম খোকন নিয়ম মেনে আদালতে আত্মসমর্পণ না করায় পুলিশ ওয়ারেন্ট তামিলের অংশ হিসেবে তাকে গ্রেফতার করেছে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালের ২৩ অক্টোবর থেকে ২০১১ সালের ৩ নভেম্বর পর্যন্ত একটি সংঘবদ্ধ জালিয়াত চক্রের হোতা হিসেবে ব্যাংকের বগুড়া শাখার এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপক (সাময়িক বরখাস্ত) রফিকুল ইসলাম, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ শাখার ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (সাময়িক বরখাস্ত) মো. আতিকুল কবির, বগুড়া শাখার জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা (সাময়িক বরখাস্ত) মো. মাহবুবুর রহমানের যোগসাজশে ব্যাংকের গ্রাহকদের হিসাব থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেন। আত্মসাৎকৃত অর্থের মধ্যে মাকসুদুল আলম খোকন একাই ছয় কোটি টাকা পান বলে নিশ্চিত করেণ দুদক উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম।

আমিনুল ইসলাম জানান, ৪০ কোটি ৮৩ লাখ ৭৬ হাজার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে ২০১১ সালের ৩০ নভেম্বর সোস্যাল ইসলামি ব্যাংকের বগুড়া শাখার ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বগুড়া সদর থানায় ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে দুদক মামলাটি তদন্ত করে নয়জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করে। অভিযোগপত্রে আত্মসাৎকৃত টাকার পরিমাণ ৩১ কোটি ১৮ লাখ ৪৯ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

 

লালমনিরহাটে বাইপাস সড়কে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন
                                  

 লালমনিরহাটের পাটগ্রামে দিনরাত ২৪ঘন্টা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হলেও প্রশাসনের ভুমিকা রয়েছে রহস্যজনক। চোখের সামনেই বালু উত্তোলন করা হলেও প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে। উপজেলার কোন কোন স্থানে প্রশাসন পাথর উত্তোলন না করে বালু উত্তোলনের মৌখিক অনুমতি দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে এমনিই তথ্য জানা গেছে।

গতকাল শুক্রবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে পাটগ্রাম উপজেলার ঝোংড়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম কাফির বাজার সংলগ্ন বাইপাস সড়কের সন্নিকটে বোমা মেশিন দিয়ে বালি উত্তোলন করছে। এই বালু উত্তোলনের কারণে বাইপাস সড়ক, বাজার ও বসতবাড়ি রয়েছে হুমকির মুখে। এদিকে উপজেলার বাউরা ইউনিযনে ৩নং শিবরাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠেও বোমা মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। কাফির বাজার এলাকার মৃত লুৎফর রহমানের পুত্র রশিদুল ইসলাম জানান, পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেশিনের কাছে এসে কোন ভাবেই যেন পাথর উত্তোলন করা হয় নির্দেশ দিলেও মৌখিক ভাবে বালু উত্তোলন করার অনুমতি দিয়ে চলে গেছেন। কাফির বাজার এলাকার চায়ের দোকানদার মোশারফ হোসেনও একই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

জোংড়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)’র মৌখিক অনুমতি নিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বালুমহাল ইজারা আইনের ১৫(১)এই আইনের ধারা ৪ এ বর্ণিত কতিপয় ক্ষেত্রে বালু বা মাটি উত্তোলন নিষিদ্ধ সংক্রান্ত বিধানসহ অন্য কোন বিধান কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অমান্য করিলে বা এই আইন বা অন্যকোন বিধান লংঘন করিয়া অথবা বালু বা মাটি উত্তোলনের জন্য বিশেষ ভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে বালু বা মাটি উত্তোলন করিলে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী ব্যক্তিবর্গ বা তাহাদের সহায়তাকারী কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ অনুর্ধ্ব দুই বৎসর কারাদন্ড বা সর্বনিম্নে ৫০ হাজার টাকা হইতে ১০লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন।

পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল করিম বলেন, বোমা মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের অনুমতি দেয়ার কথা অস্বীকার করেন। এ রকম অনেকেই তার নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধভাবে বোমা মেনি দিয়ে বালু উত্তোলন করছে। বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলেও জানান তিনি।

চার আঙুল কেটে নিলেন ছাত্রলীগ নেতা
                                  

রামদা দিয়ে এক যুবকের হাতের চার আঙুল কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ নেতা ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে। শনিবার সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা সদরে এ ঘটনা ঘটে।

আহত যুবকের নাম জি এম তুষার। তিনি কলারোয়ার পাটুরিয়া গ্রামের মুনসুর গাজীর ছেলে। তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা হলেন মেহেদি হাসান নাইস। তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।

জি এম তুষার জানান, দুপুরে মেহেদি হাসান নাইসের নেতৃত্বে মন্টু, পলাশ, জুয়েলসহ কয়েকজন নেতাকর্মী তুষারকে পিটিয়ে আহত করেন। এক পর্যায়ে রামদা দিয়ে তার ডান হাতের চারটি আঙুল কেটে দেন নাইস।

আহতের বাবা মুনসুর গাজী বলেন, পাটুরিয়া গ্রামে ৩৩ শতক জমি নিয়ে তাদের সঙ্গে মন্টুদের বিরোধ চলছিল। এর জেরে এ ঘটনা ঘটায় মেহেদি হাসান।

কলারোয়া থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, থানায় মামলা দায়ের করেছেন আহত তুষারের চাচা আবু সিদ্দিক। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বিসিএস ক্যাডার প্রভাষককে ছাত্রলীগের কিল, ঘুষি ও লাথি
                                  

পাবনায় উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় অসাদুপায় অবলম্বনে (নকলে) বাধা দেয়ায় শহরের সরকারী শহীদ বুলবুল কলেজে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করেছে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা। এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বুধবার সারাদেশে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

তবে, ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ রয়েছে দাবি করে ঘটনায় নিজেদের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন ছাত্রলীগ নেতারা।
এদিকে শিক্ষক লাঞ্ছিতের ঘটনায় কোন ব্যবস্থা না নিলেও বানোয়াট অভিযোগের তদন্তে কমিটি করেছে কলেজ প্রশাসন। এ নিয়ে শিক্ষকদের চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

কলেজের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, ১২ মে দুপুর দুইটা। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিলেন সরকারী শহীদ বুলবুল কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক মাসুদুর রহমান। কলেজের মূল ফটকে পৌছামাত্র কিছু বুঝে ওঠার আগেই অতির্কিতে হামলা করে শিক্ষক মাসুদুরকে পেটাতে শুরু করে একদল যুবক।

ছবিতে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শামসুদ্দীন জুন্নুনকে হামলাকারীদের নিবৃত্ত করতে দেখা গেলেও, শিক্ষকদের অভিযোগ জুন্নুনের নির্দেশেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর থানায় অভিযোগ তো দূরের কথা নিরপত্তাহীনতায় ঘর থেকেই বের হচ্ছেন না শিক্ষক মাসুদুর রহমান।

ভুক্তভোগী শিক্ষক মাসুদুর রহমান বলেন, ৬ মে কলেজের ১০৬ নম্বর কক্ষে উচ্চতর গণিত পরীক্ষায় পরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করছিলাম। এ সময় দুজন পরীক্ষার্থী দেখাদেখি করায় তাদের সতর্ক করি। তারপরেও তারা বিরত না হলে, কিছু সময়ের জন্য খাতা জব্দ করে রাখায় তারা ক্ষুব্ধ হয়।

এ ঘটনার পর বুঝতে পারছিলাম ছাত্রলীগের ছেলেরা আমার উপর ক্ষুব্ধ। পরে, ১২ মে বাড়ি ফেরার সময় কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি শামসুদ্দীন জুন্নুনের নির্দেশে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা আমাকে কিল, ঘুষি, লাথি দিয়ে ফেলে দেয়। পরে শিক্ষকরা এসে আমাকে উদ্ধার করে।
মাসুদুর আরো বলেন, ঘটনার পর আমি ভয়ে কাউকে জানাইনি। থানায় অভিযোগ করারও সাহস হয়নি। গত রাতে সামাজিক মাধ্যমে ঘটনা জানাজানির পর অনেকেই আমাকে সাহস দিয়েছেন।

৩৬ তম বিসিএস এর শিক্ষক মাসুদুর বলেন, আমাকে মারধোরের পর ঘটনা আড়াল করতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা যৌন হয়রানির কথা বলা হচ্ছে। যে নারী শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছে তারাও আমাকে বলেছে তাদের অভিযোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছে। আমি সরকারী চাকুরীজীবী হিসেবে, কর্মরত অবস্থায় লাঞ্ছিত হলাম, এরপরেও যদি বিচার না পাই তবে আর কিছুই বলার নেই।

লাঞ্ছিতের ঘটনার পর মাসুদুর বিরুদ্ধে এক পরীক্ষার্থীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। শিক্ষক লাঞ্ছিতের ঘটনায় কোন ব্যবস্থা না নিলেও বানোয়াট অভিযোগের তদন্তে কমিটি করেছে কলেজ প্রশাসন। এ নিয়ে শিক্ষকদের চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

কলেজ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ বলেন, শিক্ষকের উপর হামলার ঘটনা সমগ্র শিক্ষক সমাজের জন্য অপমানের। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ চাই অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি নেয়া হবে।

মাসুদুরকে লাঞ্ছিতের ঘটনায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারাদেশে নিন্দার ঝড় উঠেছে। ঘটনার বিচার দাবী করেছেন মাসুদুরের সহকর্মীরা। ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস কলেজ অধ্যক্ষেরও। তবে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি।

সরকারী শহীদ বুলবুল কলেজ শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি শামসুদ্দিন জুন্নুন বলেন, শিক্ষক মাসুদুরের উপর হামলায় আমি বা ছাত্রলীগ জড়িত নয়। বহিরাগত সন্ত্রাসীরা স্যারকে আক্রমণ করলে আমরা প্রতিরোধ করে সন্ত্রাসীদের বের করে দিয়েছি।

কলেজ অধ্যক্ষ আব্দুল কুদ্দুস বলেন, শিক্ষকরা বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে আমরা সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

শিক্ষকদের অভিযোগ কেবল মাসুদুর নয়, ইতিপূর্বে একাধিক শিক্ষক ছাত্রলীগ নামধারী বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দ্বারা আক্রান্ত হলেও ভয়ে মুখ খোলেন নি তারা। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে এসব ঘটনার বিচার দাবী করেছেন শিক্ষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

পাবনা থানার ওসি ওবাইদুল হক জানান, বুলবুল কলেজের বিষয়টি শুনেছি। কেউ কোন লিখিত অবিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে এ ঘটনায় পাবনার সর্বত্র ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই ঘটনায় কলেজের সকল শিক্ষক আতঙ্ক এবং নিরাপত্বা হিনতায় রয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার সাথে যারা জড়িত রয়েছে তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সকল শিক্ষক।

বরিশালে চার মাসে ১৯ খুন, ১৩২ নারী ও ১০শিশু নির্যাতনের শিকার
                                  

দিন দিন বরিশালের থানাগুলোতে অপরাধ প্রবণতা বেড়েই চলেছে। কিন্তু এসব অপরাধরোধে প্রশাসনের নেই কোন আপাতদৃষ্ট পদক্ষেপ। ফলে জণজীবনে বাড়ছে অস্থিরতা ও আতংক। ২০১৮ সালের প্রথম চার মাসের সংঘঠিত অপরাধের তুলনায় ২০১৯ সালের প্রথম চার মাসে মেট্রোপলিটন ও জেলার ১৪টি থানা এলাকায় ১১৫টি অপরাধ বেশি সংঘঠিত হয়েছে। এরমধ্যে খুনের সংখ্যা ১৯টি।

২০১৯ সালের প্রথম চার মাসে মোট এক হাজার ২৭৭টি অপরাধ সংঘঠিত হয়েছে। জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য উঠে এসেছে। অপরাধের সংখ্যা দিন দিন বাড়লেও তা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তেমন কোন কার্যকরী ভূমিকা না থাকায় অপরাধীদের সাহস দিন দিন বেড়েই চলেছে। জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক পরিসংখ্যান সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে বরিশাল মেট্রোপলিটন ও জেলার ১৪টি থানা এলাকায় চারটি খুনের ঘটনা, ১৪টি চুরি ও সিধেল চুরি সংঘঠিত হয়েছে। নারী নির্যাতনের অভিযোগে ২২টি, শিশু নির্যাতনের অভিযোগে আটটি, মাদকের ১৫০টি মামলাসহ মোট ৩১৯টি অপরাধ সংঘঠিত হয়েছে। ফেব্রুয়ারী মাসে ১৪টি থানা এলাকায় আটটি খুনের ঘটনা, ১৩টি চুরি ও সিধেল চুরি, নারী নির্যাতনের অভিযোগে ৩৫টি, শিশু নির্যাতনের ঘটনায় একটি, মাদকের ১৩৬টি মামলাসহ মোট ২৮৮টি অপরাধ সংঘঠিত হয়েছে।

মার্চ মাসে ১৪টি থানা এলাকায় তিনটি খুনের ঘটনা, ১২টি চুরি ও সিধেল চুরি, নারী নির্যাতনের অভিযোগে ৩৬টি, শিশু নির্যাতনের ঘটনায় একটি, মাদকের ১৫২টি মামলাসহ মোট ৩২১টি অপরাধ সংঘঠিত হয়েছে। এপ্রিল মাসে ১৪টি থানা এলাকায় চারটি খুনের ঘটনা, ১৫টি চুরি ও সিধেল চুরি, নারী নির্যাতনের অভিযোগে ৩৯টি, মাদকের ১৬২ টি মামলাসহ মোট ২৪৯টি অপরাধ সংঘঠিত হয়েছে।

বাহিনীতে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার ৬
                                  

 রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব এক চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করার কথা জানিয়েছে, যারা সেনা, নৌ, বিমান, পুলিশ, কারারক্ষীসহ বিভিন্ন বাহিনীতে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা চালিয়ে আসছিল। গ্রেফতাররা হলেন- মো. মানিক চাঁদ ওরফে রাজ (২৮), এসএম আলাউদ্দিন আল মাসুদ (৩৬), মো. ইসমাইল হোসেন (৩১), মো. রতন হোসেন (১৮), মো. শরিফুল ইসলাম ( ৩২) ও সম্রাট মল্লিক (২৪)।


গত রোববার রাতে মিরপুর ও খিলক্ষেত এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে র‌্যাব-৪ অধিনায়ক চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির জানান। সোমবার কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ওই চক্র এ পর্যন্ত ২৫ থেকে ২৬ জনের কাছ থেকে দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে তথ্য পেয়েছেন তারা। এদের দলনেতা মানিক চাঁদ। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়েছে। কিন্তু নিজেকে সে ম্যাজিস্টেট বলে পরিচয় দিত। রূপনগরে তার সুসজ্জিত একটি অফিস ছিল। সেখানে বসে সে বিভিন্ন পদে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা হাতিয়ে নিত। এ চক্রটি দুই থেকে আড়াই বছর ধরে প্রতারণা চালিয়ে আসছিল জানিয়ে র‌্যাব কর্মকর্তা মঞ্জুরুল বলেন, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, কুষ্টিয়ার প্রত্যন্ত এলাকার বেকার চাকরিপ্রত্যাশী যুবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করত তারা।


সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, কিংবা পেট্রোবাংলা, জিটিসিএল, পিডিবিসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে তুলনামূলক নিন্ম পদে চাকরির প্রলোভন দেখানো হত তাদের। এভাবে তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হত টাকা রাশেদুল ইসলাম লিটন নামে সিরাজগঞ্জের এক ভুক্তভোগী উপস্থিত ছিলেন র‌্যাবের সংবাদ সম্মেলনে। তিনি বলেন, গ্রেফতার আলাউদ্দিন নিজেকে এসআই হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল তার কাছে।


তার ভাতিজাকে পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১২ লাখ টাকা নিয়েছিল। কিন্তু চাকরি না দিয়ে উল্টো আমার নামে তিনটি মামলা করে সে। সেখানে অভিযোগ করা হয়, আমি নাকি বিদেশ লোক পাঠানোর কথা বলে ইসমাইল ও রতনের কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা নিয়েছি। পাবনার আবু সাইদও ওই চক্রের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়ার বর্ণনা দেন সংবাদ সম্মেলনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ
                                  

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে আসবাব কেনার নামে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদসহ পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। গতকাল রোববার রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে গিয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদকের একটি দল। এর আগে সেখানে গিয়ে অভিযোগসংশ্লিষ্ট নথিও সংগ্রহ করে সংস্থাটি।


দুদক সূত্র জানিয়েছে, অভিযোগটি অনুসন্ধানের জন্য দুদকের চট্টগ্রাম ২ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মাহবুবুল আলমকে দলনেতা ও সহকারী পরিচালক রতন কুমার দাশকে সদস্য করে দুই সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়। এই দলটিই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে গিয়ে সংশ্লিষ্ট লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ছাড়া আরও যাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁরা হলেন, অধিদপ্তরের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন বিভাগের সাবেক পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর আবদুর রশীদ, কর্মসূচি ব্যবস্থাপক মো. ইউনুস, উপ-কর্মসূচি ব্যবস্থাপক কামরুল কিবরিয়া ও প্রধান সহকারী আবদুল মালেক। তবে উচ্চমান সহকারী খায়রুল আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি অফিসে উপস্থিত ছিলেন না। এর আগে সেখানে উপস্থিত হয়ে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে আসবাবপত্র ক্রয়সংক্রান্ত যাবতীয় রেকর্ডপত্রের সত্যায়িত কপি, মেডিকেল কলেজে ফার্নিচার ক্রয়সংক্রান্ত আইন-বিধি ও নীতিমালার কপি সংগ্রহ করে দুদকের দলটি।


দুদক সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আসবাব কেনার জন্য ২০ কোটি ৮৫ লাখ ৮৪ হাজার ৮০০ টাকার প্রশাসনিক অনুমোদনসহ বরাদ্দ চান। চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন বিভাগের প্রশাসনিক প্ল্যানে তাঁদের জন্য কোনো বরাদ্দ ছিল না। তারপরও মন্ত্রণালয়ের থোক বরাদ্দ থেকে ওই পরিমাণ টাকা বরাদ্দ দেওয়াসহ প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য পাওয়া প্রস্তাব সুপারিশসহ অগ্রবর্তী করা হয়। নথিতে ওই ছয়জন কর্মকর্তা-কর্মচারী সই করেন।


জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অনুসন্ধান দলের প্রধান দুদকের চট্টগ্রাম-২ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মাহবুবুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে আসবাবপত্র কেনার মাধ্যমে দুর্নীতির অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের আসবাবপত্র কেনার জন্য দুটি প্রতিষ্ঠানকে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়। এর মধ্যে একটিকে ৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়। আরেক প্রতিষ্ঠানের টাকা পরিশোধ করা হয়নি। দুদকের এই কর্মকর্তা বলেন, আসবাবপত্র কেনার জন্য কোনো বরাদ্দ ছিল না। তারপরও মন্ত্রণালয়ের থোক বরাদ্দ থেকে টাকা বরাদ্দ দেওয়াসহ প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেন মহাপরিচালকসহ জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আসা ছয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সই করেছেন। তাঁর মতে, এখানে দুর্নীতি হয়েছে, সেটা স্পষ্ট।


দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা জানান, অনুসন্ধান দলের পক্ষ থেকে কমিশনে অনুসন্ধান প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। সেই প্রতিবেদন বিবেচনা করে কমিশন যে নির্দেশনা দেবে সে অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


জিজ্ঞাসাবাদ শেষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের কাছে দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেন।
তিনি বলেন, ‘কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের বিষয়ে আমার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। আমি যেন সহযোগিতা করি। তারা আমার বক্তব্য চেয়েছে, আমি বক্তব্য দিয়েছি। আমি আগেও সহযোগিতা করেছি, এখনো করব। তখন স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিভাগে যাঁরা দায়িত্বরত ছিলেন, তাঁদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে।’ এর আগে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিনে সরকারের সাড়ে ৩৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ২৬ এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মেডিকেল এডুকেশন শাখার সাবেক হিসাবরক্ষক আবজাল হোসেন, তাঁর স্ত্রীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। ওই মামলায় অধিদপ্তরের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন বিভাগের সাবেক পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর আবদুর রশীদ এবং মেডিকেলটির সাবেক ও বর্তমান অধ্যক্ষকেও আসামি করা হয়।

চাঁদাবাজির অভিযোগে শরীয়তপুরে ৩ পুলিশ বরখাস্ত
                                  

 শরীয়তপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে ট্রাফিক পুলিশের টিএসআইসহ তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। জেলার পুশিল সুপার আবদুল মোমেন জানান, গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর গতকাল শুক্রবার তাদের বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন শরীয়তপুর ট্রাফিক পুলিশের উপপরিদর্শক (টিএসআই) গোলাম মোস্তফা, এটিএসআই আবদুল কুদ্দুস ও কনস্টেবল সুব্রত।

শরীয়তপুর-চাঁদপুর মহাসড়কে মনোহর বাজার মোড় থেকে নরসিংহপুর পর্যন্ত অন্তত পাঁচটি পয়েন্টে বিভিন্ন পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে পুলিশ সদস্যরা চাঁদা আদায় করতেন বলে গতকাল শুক্রবার গণ্যমাধ্যমে খবর আসে। এই খবরের ভিত্তিতে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয় বলে জানান পুশিল সুপার। তিনি বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিআরটিএ’র কাগজপত্র জালিয়াত চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার
                                  

 বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) রুট পারমিট, গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেট, রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ট্যাক্স টোকেনসহ মোটরযানের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জালিয়াতিতে জড়িত একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) পুলিশের একটি দল গত মঙ্গলবার বিকালে পূর্ব কাফরুল এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে বলে গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। গ্রেফতার পাঁচজন হলেন, মো. আবদুল খালেক (৬৭), মো. আনোয়ারুল হক শিমুল (৪২), মো. আবদুল জলিল (৬৪), মো. আবদুর রহিম (৩১) ও মো. মোতালেব হোসেন (৫৮)।

পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আবদুল বাতেন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ওই পাঁচজনের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ জাল রুট পারমিট ফরম, রুট পারমিট, রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সনদ, ট্যাক্স টোকেন ফরম, বীমা ফরম, বীমা স্ট্যাম্প স্টিকার, ডকুমেন্ট প্রাপ্তি রশিদ, রেজিস্ট্রেশন আবেদন ফরম, বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও অফিসের ১৫০টি সিল এবং গাড়ির ডিজিটাল নম্বর প্লেট উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ছাড়া জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটার ও প্রিন্টার জব্দ করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। আব্দুল বাতেন বলেন, এই চক্রটি গত প্রায় ১২ বছর ধরে মোটরযানের কাগজপত্র জালিয়াতি করে আসছিল। গাড়ি ও চালকের ধরন, চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন অংকের অর্থের বিনিময়ে তারা সব ধরনের জাল নথি প্রস্তুত ও সরবরাহ করত। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে তারা গ্রাহক সংগ্রহ করত। নকল কাগজপত্র বানিয়ে তারা নিজেরাই সিল স্বাক্ষর দিয়ে গ্রাহকদের তা সরবরাহ করত। অদক্ষ ড্রাইভাররা অথবা চোরাই বা ত্রুটিযুক্ত গাড়ি মালিকরা স্বল্প খরচে এই চক্রের মাধ্যমে জাল কাগজপত্র সংগ্রহ করত। অতিরিক্ত কমিশনার বাতেন বলেন, যারা দালাল ধরে আসল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার চেষ্টা করত, তাদেরও এরা বিভিন্ন সময়ে জাল কাগজপত্র ধরিয়ে দিয়ে প্রতারণা করার কথা স্বীকার করেছে।

গাড়ি প্রতি সব কাগজপত্র দেওয়ার জন্য তারা ক্ষেত্রবিশেষে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা আদায় করত। এর আগে গত রোববার পশ্চিম ধানমন্ডির মধুবাগের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে মোস্তফা কামাল জয় (৩৮), তার স্ত্রী শাম্মি আনসারী ও শাম্মির বোন সাদিয়াকে (২৩) গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, জয় লোকজনের কাছ থেকে টাকা নিয় ওই বাসায় বসে কম্পিউটারে জাল ড্রাইভিং লাইসেন্স, স্মার্টকার্ড, ব্লু বুক তৈর করতেন। আর তাকে এই কাজে সহায়তা করতেন স্ত্রী ও শ্যালিকা। জয় ও তার সহযোগী মো. শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতারের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই গত মঙ্গলবার কাফরুল থেকে ওই চক্রের পাঁচজনকে গ্রেফতার করার কথা জানান বাতেন। তিনি বলেন, আনোয়ারুল হক শিমুল ও আবদুল জলিল এর আগেও জাল কাগজপত্রসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। জামিনে ছাড়া পাওয়ার পর আবার তারা জালিয়াতিতে জড়িয়েছেন। এ ঘটনায় রাজধানীর কাফরুল থানায় একটি মামলা করা হয়েছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা বাতেন।

প্রাইভেটকারে গণমাধ্যমের স্টিকার ব্যবহার করে ইয়াবা পাচার
                                  

 ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুন্ড এলাকায় একটি বেসরকারি টেলিভিশনের স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকার থেকে ১ হাজার ৩৩০ পিস ইয়াবাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার ভোররাতে সীতাকু- থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার চারজন হলেন- চন্দনাইশ উপজেলার আবুল কাশেমের ছেলে মুরাদ ইসলাম (২২), তিনি নিজেকে গাড়িচালক হিসেবে দাবি করেছে। হাটহাজারী উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের তাজুল ইসলামের ছেলে মো. নাজিম (৩৬), চকরিয়া দরবেশঘাটার সুজা আকবরের ছেলে মুসলিম উদ্দিন (৩৫) ও একই এলাকার আজিজুল হকের ছেলে মো. সায়েম (২৭)।


সীতাকুন্ড থানার ওসি মো. দেলওয়ার হোসেন বলেন, গোপন সংবাদ ছিল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ব্যবহার করে ইয়াবা নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছে চার যুবক। সেই সংবাদের ভিত্তিতে ভোরে জিটিভির স্টিকার লাগানো একটি প্রাইভেটকারে তল্লাসি চালায় পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৩৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।


তিনি আরও জানান, পুলিশ ওই চারজনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার চার যুবক গাড়িতে জিটিভির লোগো ব্যবহার করলেও তারা জিটিভির কেউ নন বলে জানা গেছে।

ঢিলের আঘাতে চুরমার বনলতা এক্সপ্রেস!
                                  

গত ২৭ এপ্রিল থেকে বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু করেছে বিরতিহীন বনলতা এক্সপ্রেস। রাজশাহী-ঢাকা রুটের একমাত্র এই বিরতিহীন ট্রেন নিয়ে ভ্রমণকারীদের আগ্রহের অন্ত নেই। দ্রুতগতির এই ট্রেনটি দেশের ট্রেন বহরে যুক্ত সর্বাধুনিক বলে জানাচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষ। এতে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা থাকার কথাও জানাচ্ছে রেল। কিন্তু যাত্রা শুরুর দু’দিনেই শ্রী হারিয়েছে ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানিকৃত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। শুরু থেকেই ঝকঝকে নতুন এই ট্রেনটিতে ঢিল ছোড়ার উৎসবে মেতে উঠেছে এক শ্রেণির মানুষ। তাদের ঢিলের আঘাতে চুরমার হয়ে গেছে বনলতার ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড। চিড় ধরেছে জানালার কাচেও। চলতি পথে ঢিলের আঘাতে ডিজিটাল নেমপ্লেট ভেঙে নষ্ট হয়ে গেছে।


শুধু বনলতা নয়, ঢিলের আঘাতে গত কয়েক বছরে আমদানি করা নতুন কোচগুলোর অবস্থাও শোচনীয়। চলন্ত ট্রেনে ঢিল ছোঁড়া মারাত্মক অপরাধ। আশ্চর্য হলেও সত্য যে, বছরের পর বছর প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন ট্রেনে এই ঢিল ছোড়ার ঘটনা ঘটছে। এসি বগির যাত্রীরা ঢিলের আঘাত থেকে বেঁচে গেলেও ননএসির যাত্রীরা প্রতিদিন আহত হচ্ছেন।

যাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। তবে এ সমস্যার সমাধানে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে। এটা রোধ করতে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করাও জরুরি।


   Page 1 of 8
     অপরাধ
ধর্মকে পুঁজি করে ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, এফআইসিএলের চেয়ারম্যান গ্রেফতার
.............................................................................................
ঠাকুরগাঁওয়ে ৮ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, এসআই আটক
.............................................................................................
চুরি হওয়া ৪ হাজার জ্যাকেট উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৬
.............................................................................................
কক্সবাজারে ১ লাখ ৭০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
.............................................................................................
চট্টগ্রামে ২০০ লিটার মদসহ দুইজন গ্রেফতার
.............................................................................................
ব্যাংকের ৩১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বগুড়ায় ব্যবসায়ী গ্রেফতার
.............................................................................................
লালমনিরহাটে বাইপাস সড়কে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন
.............................................................................................
চার আঙুল কেটে নিলেন ছাত্রলীগ নেতা
.............................................................................................
বিসিএস ক্যাডার প্রভাষককে ছাত্রলীগের কিল, ঘুষি ও লাথি
.............................................................................................
বরিশালে চার মাসে ১৯ খুন, ১৩২ নারী ও ১০শিশু নির্যাতনের শিকার
.............................................................................................
বাহিনীতে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার ৬
.............................................................................................
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ
.............................................................................................
চাঁদাবাজির অভিযোগে শরীয়তপুরে ৩ পুলিশ বরখাস্ত
.............................................................................................
বিআরটিএ’র কাগজপত্র জালিয়াত চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার
.............................................................................................
প্রাইভেটকারে গণমাধ্যমের স্টিকার ব্যবহার করে ইয়াবা পাচার
.............................................................................................
ঢিলের আঘাতে চুরমার বনলতা এক্সপ্রেস!
.............................................................................................
আগুনে নিঃশেষ জীবিকার শেষ সম্বল ছুঁয়ে আর্তনাদ
.............................................................................................
এফআর টাওয়ারে আগুনের ঘটনায় পুলিশের মামলা
.............................................................................................
গুলশানে যান চলাচল স্বাভাবিক
.............................................................................................
এসি বিস্ফোরণে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
.............................................................................................
বাসায় খাদ্যমন্ত্রীর মেয়ে জামাইয়ের মৃত্যু, স্বজনদের দাবি হত্যাকাণ্ড
.............................................................................................
এবার চকবাজারে ভাঙারি দোকানে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩
.............................................................................................
আগুন লাগা বস্তির পাশের ডোবায় মিলল ২ শিশুর লাশ
.............................................................................................
স্মার্টরা যেভাবে ধ্বংস করে তাদের ক্যারিয়ার
.............................................................................................
ঢা‌বিতে গাছ প‌ড়ে নারী নিহত, আহত ৭
.............................................................................................
রাজধানীতে গ্যাসলাইন বিস্ফোরণ, দুই গাড়িতে আগুন
.............................................................................................
উচ্ছেদ অভিযানে বাধা: আটক ছাত্রলীগ নেতা মুচলেকায় মুক্ত
.............................................................................................
কোটি টাকার সরকারি ও নকল ক্যান্সার ঔষধ জব্দ, গ্রেফতার ২
.............................................................................................
সবুজবাগে বাসায় নটর ডেম কলেজ ছাত্রের লাশ
.............................................................................................
ইন্টারভিউ দিতে এসে প্রাণ গেল নারী ‍চিকিৎসকের
.............................................................................................
পাকিস্তান হাই কমিশনে চুরি, ৬ চোর পাকড়াও
.............................................................................................
তেজগাঁওয়ে মালবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত
.............................................................................................
লঞ্চের কেবিন থেকে ব্লগার জুলভার্ন ‘নিখোঁজ’
.............................................................................................
পোস্তগোলা ব্রিজ এলাকায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ-গোলাগুলি, নিহত ১, আহত শতাধিক পুলিশ
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর খুনি রশিদের জামাতা গ্রেফতারের পর রিমান্ডে
.............................................................................................
‘ফেসবুকে গুজব ছড়ানোয়’ গ্রেপ্তার ফারিয়া রিমান্ডে
.............................................................................................
পরিবহন শ্রমিকদের জন্য অবাধ ‘নেশা
.............................................................................................
গুজব ছড়ানোর দায় স্বীকার করেছে নওশাবা : র‌্যাব
.............................................................................................
উদ্বোধনের আগেই ট্রেনের মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি!
.............................................................................................
মৌলভীবাজারে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে প্রকৌশলী আটক
.............................................................................................
কোটি টাকার ইয়াবাসহ শ্যামলী বাস আটক
.............................................................................................
ইউনাইটেড হাসপাতালকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা
.............................................................................................
বাংলাদেশে তৈরি হয়ে ভারতে পাচার হচ্ছে জাল রুপি
.............................................................................................
হাত দিয়ে জিন ধরেন ‘টেরট বাবা’
.............................................................................................
চোরাচালানকারীদের হাতকড়া পরানোর অনুমতি চায় শুল্ক গোয়েন্দা
.............................................................................................
ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে কৃষি ব্যাংকের ঋণ কর্মকর্তাসহ দু’জন আটক
.............................................................................................
পাহাড়ে এত অস্ত্র আসছে কোত্থেকে
.............................................................................................
অবৈধভাবে পারাপারের সময় বেনাপোল সীমান্তে ৩২ বাংলাদেশি আটক
.............................................................................................
মুন্সীগঞ্জে সেতু প্রকল্পের তেল চুরির দায়ে আটক তিনজন কারাগারে
.............................................................................................
ডিবি পুলিশ পরিচয়ে প্রতারক চক্রের ৫ সদস্য আটক
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]