ঢাকা, মঙ্গলবার , ৭ আশ্বিন ১৪২৭ , ২২ সেপ্টেম্বর , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অপরাধ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক ডিজির গাড়িচালক শত কোটি টাকার মালিক

নানা অনিয়মের অভিযোগ মাথায় নিয়ে পদত্যাগকারী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক ডিজি আবুল কালাম আজাদের গাড়িচালক আব্দুল মালেক ওরফে মালেক ড্রাইভার শত কোটি টাকার মালিক। মালেকের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি, চাঁদাবাজি, জাল টাকার ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ থাকায় গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তার কাছ থেকে ১ লাখ পঞ্চাশ হাজার জাল টাকা ও একটি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার রাজধানীর তুরাগ থানাধীন কামারপাড়াস্থ ৪২ নম্বর বামনের টেক হাজী কমপ্লেক্সের ৩য় তলার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার শত কোটি টাকার সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে।

র‌্যাবের পরিচালক (মিডিয়া) লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, ড্রাইভার মালেকের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা, জাল টাকা ব্যবসা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। সে তার এলাকায় সাধারণ মানুষকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে শক্তির মহড়া ও দাপট প্রদর্শনের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে এবং জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছিল।


প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মালেক জানান, তিনি পেশায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিবহন পুলের একজন ড্রাইভার এবং একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ৮ম শ্রেণি। তিনি ১৯৮২ সালে সর্বপ্রথম সাভার স্বাস্থ্য প্রকল্পে ড্রাইভার হিসেবে যোগদান করেন।

পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিবহন পুলে ড্রাইভার হিসেবে চাকরি শুরু করেন। বর্তমানে তিনি প্রেষণে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অধিদপ্তরে কর্মরত রয়েছেন।

সূত্র জানায়, মালেকের স্ত্রীর নামে দক্ষিণ কামাড়পাড়ায় ২টি ৭তলা বিলাসবহুল ভবন আছে। ধানমন্ডির হাতিরপুল এলাকায় ৪.৫ কাঠা জমিতে একটি নির্মাণাধীন ১০তলা ভবন আছে এবং দক্ষিণ কামাড়পাড়ায় ১৫ কাঠা জমিতে একটি ডেইরি ফার্ম আছে। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ গচ্ছিত আছে বলেও জানা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক ডিজির গাড়িচালক শত কোটি টাকার মালিক
                                  

নানা অনিয়মের অভিযোগ মাথায় নিয়ে পদত্যাগকারী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক ডিজি আবুল কালাম আজাদের গাড়িচালক আব্দুল মালেক ওরফে মালেক ড্রাইভার শত কোটি টাকার মালিক। মালেকের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি, চাঁদাবাজি, জাল টাকার ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ থাকায় গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তার কাছ থেকে ১ লাখ পঞ্চাশ হাজার জাল টাকা ও একটি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার রাজধানীর তুরাগ থানাধীন কামারপাড়াস্থ ৪২ নম্বর বামনের টেক হাজী কমপ্লেক্সের ৩য় তলার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার শত কোটি টাকার সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে।

র‌্যাবের পরিচালক (মিডিয়া) লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, ড্রাইভার মালেকের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা, জাল টাকা ব্যবসা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। সে তার এলাকায় সাধারণ মানুষকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে শক্তির মহড়া ও দাপট প্রদর্শনের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে এবং জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছিল।


প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মালেক জানান, তিনি পেশায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিবহন পুলের একজন ড্রাইভার এবং একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ৮ম শ্রেণি। তিনি ১৯৮২ সালে সর্বপ্রথম সাভার স্বাস্থ্য প্রকল্পে ড্রাইভার হিসেবে যোগদান করেন।

পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিবহন পুলে ড্রাইভার হিসেবে চাকরি শুরু করেন। বর্তমানে তিনি প্রেষণে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অধিদপ্তরে কর্মরত রয়েছেন।

সূত্র জানায়, মালেকের স্ত্রীর নামে দক্ষিণ কামাড়পাড়ায় ২টি ৭তলা বিলাসবহুল ভবন আছে। ধানমন্ডির হাতিরপুল এলাকায় ৪.৫ কাঠা জমিতে একটি নির্মাণাধীন ১০তলা ভবন আছে এবং দক্ষিণ কামাড়পাড়ায় ১৫ কাঠা জমিতে একটি ডেইরি ফার্ম আছে। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ গচ্ছিত আছে বলেও জানা যায়।

ভুয়া চাকরির সার্কুলারে দালালদের টার্কেট সাধারণ মানুষ
                                  

ওদের কেউ চাকরিপ্রার্থী, আবার কেউ চায় বিদেশে যেতে। আর দালালদেরও টার্গেট এসব সাধারণ মানুষ। এদের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্মাণাধীন তৃতীয় টার্মিনাল এবং সিভিল এভিয়েশন অথরিটিতে চাকরির ভুয়া সার্কুলার দেখিয়ে চাকরির লোভ দেখায় বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সি ও লজিস্টিক সাপোর্ট প্রতিষ্ঠানের দালালরা। তার পর প্রতি চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে নেওয়া হয় ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত। এমনকি দেওয়া হয় ভুয়া নিয়োগপত্রও। এভাবে সারাদেশে হাজার হাজার সাধারণ চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে কোটি কোটি হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র। কেউ জমি বিক্রি করে আবার কেউ সুদে টাকা ধার নিয়ে কথিত নিয়োগদানকারী প্রতিষ্ঠানকে দিচ্ছেন। পরে চাকরি না পেয়ে সব হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন। প্রতারক চক্রের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সক্রিয় রয়েছে। ভুয়া নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নামসর্বস্ব বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সিসহ ডজনখানেক চক্রের সন্ধান পেয়ে মাঠে নেমেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও র‌্যাব।

গত রবিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চারটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালান র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে আরকে চৌধুরী ইন্টারন্যাশনাল, এনএসএসএস, ধানসিঁড়ি লজিস্টিক সার্ভিস ও আশীর্বাদ ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের ১৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- দেওয়া হয়। এ ছাড়া ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। একই দিন সিআইডি এশিয়ান ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস নামে একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করেছে সিআইডি।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম আমাদের সময়কে বলেন, বিমানবন্দরের নির্মাণাধীন তৃতীয় টার্মিনালসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার নাম করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। রবিবার অভিযান চালিয়ে চার প্রতিষ্ঠানের ১৩ জনকে জরিমানা এবং ১৭ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হয়েছে।

 

 

সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জিসানুল হক আমাদের সময়কে বলেন, স্যামসাং কোম্পানির ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডার দেখিয়ে লোভনীয় চাকরি দেওয়ার কথা বলে অনলাইনে বিজ্ঞপ্তি দেয় এশিয়ান ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস নামের একটি প্রতিষ্ঠান। তার পর চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আত্মসাৎ করছিল তারা। অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার সময় পাঁচজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা গেছে, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্মাণাধীন তৃতীয় টার্মিনালে কনস্ট্রাকশন লেবার, হেলপার, ইলেকট্রিশিয়ান, ইক্যুইপমেন্ট অপারেটরসহ অন্তত ৫০ পদে নিয়োগ

বিজ্ঞপ্তি দিচ্ছে ভুয়া নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান। মোটা অঙ্কের বেতনের অফারও দেওয়া হচ্ছে এসব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে।

বনানীর ২৭ নম্বর সড়কের এ ব্লকের ৪৫ নম্বর বাড়িতে থাকা এশিয়ান ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস অনলাইনে বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করে, বিমানবন্দরে নির্মাণাধীন তৃতীয় টার্মিনালে স্যামসাং কোম্পানির ওয়ার্ক অর্ডার পেয়েছে তারা। এই প্রকল্পে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। তাদের এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পর বিপুল পরিমাণ চাকরিপ্রার্থীর বায়োডাটা জমা হয়। তারা চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রার্থীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে ভুয়া নিয়োগপত্র দিচ্ছিল। এমনকি চাকরিপ্রার্থীদের কাছে প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণে স্যামসাংয়ের ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডারও দেখাচ্ছিল তারা। অভিযোগ পেয়ে সিআইডি প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালায়। অভিযানে ওই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত গোলাম মাজেদ, নারায়ণ সরকার, মেহেদী, ইমতিয়াজ ও এনায়েত উল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী আশরাফ খান ও সুলতান মাহমুদ পলাতক রয়েছে। অভিযানে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে একাধিক ভুয়া নিয়োগপত্র এবং প্রার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া চেক, বিভিন্ন ভুয়া মেডিক্যাল সনদপত্র, ভুয়া ডাক্তারের সিলমোহর, অসংখ্য চাকরিপ্রার্থীর বায়োডাটা, বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে লোক নিয়োগের ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডারসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সিআইডি বনানী থানায় একটি মামলা করেছে।

এদিকে র‌্যাব বলছে, চাকরি দেওয়ার নামে কয়েক হাজার চাকরিপ্রত্যাশীর কাছ থেকে মেডিক্যাল সার্ভিস ও অফেরতযোগ্য জামানতের কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বেশ কয়েকটি ভুয়া প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়া বিদেশে লোক পাঠানোর নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। এসব চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান আছে।

সাভারে ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট আটক করেছে র‌্যাব
                                  

সাভারে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দুদক কর্মকর্তা পরিচয়দানকারী হারুন অর রশিদ (২৫) নামের এক প্রতারককে আটক করেছে র‌্যাব-৪। গতকাল রোববার দুপুর ১২টার দিকে সাভারের সিআরপি রোড সংলগ্ন ডগরমোড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

র‌্যাব-৪ এর সহকারী পুলিশ সুপার জিয়াউর চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

জানা গেছে, আটক হারুন অর রশিদ নাটোর জেলার বাসিন্দা। তিনি নিজেকে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দুদক কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অবৈধ কাজের সহায়তা এবং চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মানুষের কাছ থেকে মোটা অংঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতেন।

 

 

র‌্যাব জানায়, সম্প্রতি ভুয়া পরিচয় প্রদান করে অভিনব কৌশল ব্যবহার করে সাধারণ জনগনের কাছ থেকে বিভিন্ন প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এক শ্রেণির নব্য প্রতারক। পরে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রতারক হারুন অর রশিদকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে দুদক কর্মকর্তার ভুয়া একটি আইডি কার্ড, র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দুটি বদলি প্রজ্ঞাপন, একটি ওয়্যারলেস সেট, দুটি কাস্টমস অফিসারের ক্যাপ, একটি পুলিশ ক্যাপ, তিনটি জ্যাকেট, একটি ক্রেস্ট, তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-৪ এর সহকারী পুলিশ সুপার জিয়াউর চৌধুরী জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হারুন অর রশিদ কয়েক বছর যাবৎ সাভার, আশুলিয়া, ধামরাই, লালবাগসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় নিজেকে কখনো র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, কখনো দুদকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আবার কখনো কাস্টমস অফিসার পরিচয় দিয়ে আসছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। মূলত তিনি বিভিন্ন অবৈধ কাজের সহায়তা ও চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অংঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতেন।

তিনি জানান, আটক হারুন অর রশিদ লালবাগ থানা এবং দায়রা জজ আদালতের মামলার পলাতক আসামি। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কেজি ২শ’ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের বারসহ বেনাপোল সীমান্তে এক মহিলা আটক
                                  

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত এলাকা থেকে ৯ কেজি ২শ’ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের বারসহ বানেছা খাতুন (৩৫) নামের এক নারী স্বর্ণপাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা।

গতকাল শুক্রবার রাত ১০টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে স্বর্ণের বারসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার বানেছা খাতুন সাদিপুর গ্রামের দুখু মিয়ার স্ত্রী।

৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে: কর্নেল সেলিম রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সাদিপুর গ্রামের বানেছা নামে একজন নারী স্বর্ণপাচারকারী বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের একটি চালান ভারতে পাচার করবেন। এ ধরনের খবরের ভিত্তিতে বেনাপোল বিজিবি কোম্পানি সদরের একটি টহল দল সেখানে অভিযান চালায়। প্রায় ৬ কোটি ২৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের ৯ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ৫৭ পিস স্বর্ণের বারসহ বানেছাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওই নারীর বিরুদ্ধে স্বর্ণপাচারের মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান বিজিবির ওই কর্মকর্তা।

ভারতীয় ‘শিলং তীর’ নামের জুয়া খেলার ফাঁদে নিঃস্ব বাংলাদেশীরা
                                  

সিলেটের সীমান্তবর্তী ভারতের শিলং ও গৌহাটি এলাকা থেকে ১৯৯০ সাল চালু হয় ‘শিলং তীর’ নামের জুয়া খেলা, যা কালক্রমে অনলাইন জুয়া হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে সিলেট, নেত্রকোনা ও ঢাকাতে। বিভিন্ন এজেন্ট নিয়োগ করে পাতানো এই খেলায় এক দিকে যেমন নিঃস্ব হচ্ছেন বাংলাদেশীরা, অন্য দিকে জুয়াড়িদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া টাকা হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে চলে যাচ্ছে। গত সোমবার ও মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে ভারতীয় ‘শিলং তীর’ নামক এই অনলাইন জুয়া চক্রের চার বাংলাদেশী এজেন্টকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ। তারা হলেন, শামিম মিয়া, আব্দুল আলী, এরশাদ মিয়া ও সোহাগ মিয়া।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ছয়টি মোবাইল, একটি রেজিস্টার খাতা, ১-৯৯ পর্যন্ত নম্বরবিশিষ্ট চারটি চার্ট সংবলিত ব্যবহৃত শিট এবং পাঁচটি অব্যবহৃত চার্ট সংবলিত শিট জব্দ করা হয়। ডিবির অর্গানাইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো: নাজমুল হক গতকাল বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অনলাইন জুয়া শিলং তীর রাজধানীতে পৌঁছে গেছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে তথ্য ও প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে গত সোমবার রাজধানীর গুলশানের কালাচাঁদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজেন্ট শামিম ও আব্দুল আলীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার নেত্রকোনার কলমাকান্দা থানা থেকে এজেন্ট এরশাদ ও সোহাগকে গ্রেফতার করা হয়।

মূলত ভারতের শিলংয়ের জুয়াড়িরা বাংলাদেশে এজেন্ট নিয়োগ দেয়। বাংলাদেশী এজেন্টরা আবার বিভিন্ন এলাকায় তাদের সেলসম্যান নিয়োগ করেন। এই সেলসম্যানদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন ধরনের লোভ দিয়ে শিলং তীরে আসক্ত করে সর্বস্বান্ত করেন। জুয়ার জন্য ভারতের শিলংভিত্তিক ওয়েবসাইট সব হতে প্রাপ্ত ১ হতে ৯৯ পর্যন্ত নম্বরগুলো বিক্রি করা হয়ে থাকে। এই নম্বরগুলো যারা কেনে, তাদের সাথে সেলসম্যানরা যোগাযোগ করেন। তখন জুয়াড়িরা সেলসম্যানের কাছে নম্বর ও বিভিন্ন অঙ্কের টাকা দেয়। সেলসম্যানরা বিক্রীত এই নম্বরের বিপরীতে টাকা এজেন্টের কাছে দেয়। ভারতের শিলংয়ে রোববার ব্যতীত সপ্তাহের ছয় দিন বাংলাদেশ সময় সোয়া ৪টায় এই জুয়া খেলার ড্র অনুষ্ঠিত হয়। ড্রতে ১ হতে ৯৯ এর মধ্যে একটি নম্বর বিজয়ী হয়। যারা ওই নম্বরটি ক্রয় করে তারা বিজয়ী হিসেবে গণ্য হয় এবং বিজয়ীরা নম্বরের ক্রয়মূল্যের ৮০ গুণ টাকা এজেন্টের মাধ্যমে পেয়ে থাকে। কিন্তু বেশির ভাগ জুয়াড়ি বিজয়ী হতে না পেরে তাদের পুঁজি হারিয়ে ফেলে। জুয়াড়ি, সেলসম্যান ও এজেন্টের মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সব লেনদেন সম্পন্ন হয়। প্রতিদিন এভাবে এই চক্রটি সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।

গ্রেফতারকৃতদের গুলশান থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রুজুকৃত মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ডিবি কর্মকর্তা নাজমুল হক।

ভিসার মেয়াদ পুরনের ৮ বছরেও ছাড়েনি বাংলাদেশ, চালাচ্ছে বিভিন্ন প্রতারনার কাজ
                                  

পেশাদার লীগে ফুটবল খেলতে এক মাসের ভিসা নিয়ে ২০১২ সালে বাংলাদেশে এসেছিলেন নাইজেরিয়ান নাগরিক মরো মহাম্মদ ও মরিসন। এর পর তারা নামি একটি ক্লাবের হয়ে ফুটবলও খেলেছেন। কিন্তু এরপর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আট বছর পেরিয়ে গেলেও তারা বাংলাদেশেই অবস্থান করছিলেন। শুধু তাই নয়, এ দীর্ঘসময় তারা ঢাকায় বিস্তার করেছিলেন প্রতারণার জাল।

ফেসবুকে বন্ধুত্বের পর উপহার দেওয়ার নাম করে তারা অনেক মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিতেন বিপুল পরিমাণ অর্থ। অবশেষে দুই সহযোগীসহ এ দুই বিদেশি প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গত মঙ্গলবার রাজধানীর দক্ষিণখানের কাওলা ও ভাটারার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার অন্য দুজন হলেন ঘানার নাগরিক সিসম ও অ্যান্থনি। তারা দুজনও স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে এসে প্রতারণার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ছয়টি ল্যাপটপ, বেশকিছু সিম এবং ছয়টি বিভিন্ন মডেলের মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। চার প্রতারককে গ্রেপ্তার নিয়ে গতকাল বুধবার মালিবাগে সিআইডির প্রধান

 

 

কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বিশেষ পুলিশ সুপার সৈয়দা জান্নাত জানান, এক ভুক্তভোগীর অভিযোগ পেয়ে চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ চার বিদেশি অভিনব কৌশলে প্রতারণা করছিল। তারা বিপরীত লিঙ্গের ব্যক্তিদের নামে ফেসবুক আইডি খুলে নানাজনের সঙ্গে বন্ধুত্ব করত। একপর্যায়ে ফেসবুকের মেসেঞ্জার আইডি থেকে দিত গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টসহ পার্সেল উপহার পাঠানোর প্রস্তাব।

এসব গিফট বক্সে কয়েক মিলিয়ন ডলারের মূল্যবান সামগ্রী রয়েছে বলে তারা ভুক্তভোগীকে জানাত এবং তা রিসিভ করতে বলত কাস্টমস থেকে। প্রতারণার শিকার ব্যক্তি সেই পার্সেল গ্রহণ করতে গেলে চক্রের অন্য সদস্যরা নিজেদের কাস্টমস কমিশনার পরিচয় দিয়ে ভিকটিমকে শুল্ক বাবদ মোটা অঙ্কের টাকা কয়েকটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পরিশোধের জন্য চাপ দিত। এ সময় উপহার গ্রহণ না করলে আইনি জটিলতার ভয়ও দেখানো হতো। সম্প্রতি এক ভিকটিম তাদের দেওয়া বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৫৫ হাজার টাকা জমা দেন।

সৈয়দা জান্নাত আরও জানান, গত কয়েক মাসে আসামিরা সারাদেশে অসংখ্য মানুষের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে অবস্থান করে এ ধরনের প্রতারণা করলেও এখানে তাদের অবস্থানের বৈধ কোনো কাগজপত্র এবং পাসপোর্ট দেখাতে পারেনি। এ চক্রের সদস্যরা পর্যটক, খেলোয়াড়, ব্যবসা ও স্টুডেন্ট ভিসায় বাংলাদেশে প্রবেশ করে। পরে স্থানীয় কিছু এজেন্টের সহায়তায় এ ধরনের প্রতারণা করে আসছিল।

সল্পমেয়াদি ভিসায় দেশে আসা আফ্রিকানদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে জানিয়ে বিশেষ পুলিশ সুপার আরও বলেন, ভিসার মেয়াদ শেষ হলেও বছরের পর বছর তারা কী করে বাংলাদেশে অবস্থান করছিল তা খতিয়ে দেখা হবে। এ বিষয়ে এসবির (পুলিশের বিশেষ শাখা) সঙ্গে আলোচনা করবে সিআইডি। কারণ ইমিগ্রেশন বিভাগ এসবির অধীনে। গ্রেপ্তার বিদেশিদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী খায়রুল ইসলাম রাজধানীর কাফরুল থানায় একটি মামলা করেছেন।

সাহেদ আবারও রিমান্ডে
                                  

রাজধানীর পল্লবী থানায় করা প্রতারণার মামলায় রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম মাসুদুর রহমান এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সাহেদকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে দশ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে বিচারক ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১০ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ পদ্মা ব্যাংকের (সাবেক দি ফারমার্স ব্যাংক) অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাহেদকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

গত ৬ জুলাই র‌্যাব উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে ভুয়া করোনার সনদ জব্দ করে। গ্রেপ্তার করা হয় হাসপাতালটির ৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে। পরে র‌্যাব বাদী হয়ে হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদসহ ১৭ জনের নামে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা করে। সেই মামলায় গত ১৪ জুলাই সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-ঠিকাদারকে কুপিয়ে হত্যা
                                  

বগুড়া পল্লী বিদ্যুত সমিতির (পবিস) উপঠিকাদার নাহিদকে (২৫) ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বগুড়া শহরতলীর শাকপালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি শহরতলীর ফুলতলা পূর্বপাড়ার জাহিদুল ইসলামের ছেলে। তিনি বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-ঠিকাদার ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাহিদকে কয়েকজন যুবক মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ফুলতলা বাজার থেকে শাকপালা মোড়ে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর সেখান থেকে শাকপালা পশ্চিমপাড়া গোরস্থানের পাশে তাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। স্থানীয়রা তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। রাত সাড়ে ১০টায় পুলিশ নাহিদের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের শনাক্ত এবং দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেন।

বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী বলেছে, পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে নাহিদকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত এবং গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।

ফরিদগঞ্জে ছিনতাই কালে আটক ১
                                  

এস,এম ইকবাল চাঁদপুর (ফরিদগঞ্জ) প্রতিনিধি:

ফরিদগঞ্জে ছিনতাইকালে এলাকাবাসী এক ছিনাতাই কারিকে আটককেরে থানা পুলিশের  হাতে সোপর্দ করেছে।

১৮ আগস্ট( বুধবার) রাতে উপজেলার ৩ নং সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের লক্ষীপুর এলাকার বড় হাজী বাড়ির মসজিদের সংলগ্নে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে জাহাঙ্গির আলম ছিডু (৩০)কে এলাকাবাসী  আটক করে ,পরে এসআই নুরুল ইসলাম ঘটনাস্থল থেকে ছিনতাইকারিকে উদ্ধাব করে থানায় নিয়ে আসে।

ছিনতাইকারী জাহাঙ্গির আলম (ছিডু) ঐ এলাকার আবদুল মালেকের ছেলে।

এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রকিব জানান, উপজেলার সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নে    ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত সিএনজি ও ধারালো দা উদ্ধার করা হয়েছে এবং ছিনতাই কারির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।অপর পলাতক ছিনতাইকারি দেরকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে প্রতারণাকারী দুজনকে গ্রেপ্তার
                                  

সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে প্রতারণাকারী একটি চক্রের হোতা সৈয়দ আরিফ হাসান রনিসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গত বুধবার রাজধানীর তেজগাঁও থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার অন্যজন হলেন আরিফের সহযোগী সাইফুল ইসলাম।

সিআইডি বলছে, এই চক্রের সদস্যরা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বেকার যুবক-যুবতীদের টার্গেট করে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন পদে চাকরির প্রলোভন দেখাত। তারা পদ অনুযায়ী চার থেকে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিত চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে।

চাকরিপ্রার্থীরা ভুয়া নিয়োগপত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে বুঝতে পারেন প্রতারিত হয়েছেন। গ্রেপ্তার সাইফুলের কয়েক নিকটাত্মীয় সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে চাকরি করেন। তাদের নাম করেই তারা চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করছিল। 

এখন পর্যন্ত ২০ ভুক্তভোগীর বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (ঢাকা মেট্রো-উত্তর) খালিদুল হক হাওলাদার আমাদের সময়কে বলেন, এই চক্রের মাধ্যমে প্রতারিত হয়েছেন এমন অনেক ভুক্তভোগীর সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজনও প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেছে। প্রতারক চক্রের আরও কয়েক সদস্যের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সিআইডি কর্মকর্তারা জানান, গ্রেপ্তার আরিফের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তার বাসা থেকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভুয়া নিয়োগপত্র পাওয়া গেছে।

এমনকি চাকরিপ্রার্থীদের যোগদানপত্র, বেতনবিল অনুমোদনপত্র, অগ্রিম বেতন বিলের অনুমোদন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশ ও বদলির আদেশসহ ৭টি বিভিন্ন সিলমোহর উদ্ধার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফার্মগেটের সাগর সৈকত মার্কেটের সাইফুল ইসলামের এসএম কম্পিউটার অ্যান্ড সার্ভিসে অভিযান চালানো হয়।

সেখানে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তার স্বাক্ষর স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগপত্রসহ অন্যান্য নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজ প্রস্তুত করা হতো। অভিযানে ওই প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার মনিটর, পিসি, স্ক্যানার ও প্রিন্টার জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার তেজগাঁও থানায় মামলা হয়েছে।

ফরিদগঞ্জে ১৭ হাজার ৫`শ ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ ৩ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক
                                  

এম এইচ রাকিব মিয়াজি :

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ১৭ হাজার ৫`শ পিছ ইয়াবা ও নগদ ৭০ হাজার টাকা ৩ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।  সোমবার দুপুর  সাড়ে ১২টায় উপজেলার পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের পশ্চিম জয়শ্রী এলাকা  থেকে তাদের আটক করা হয়।  

 

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ফরিদগঞ্জ - হাজীগঞ্জ) সার্কেল আফজাল হোসেন বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এ সময় ৩ মাদক ব্যবসায়ীকেও হাজির করা হয়।

আটককৃত  মাদক ব্যবসায়ীরা হলো−ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৭ নং পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের মামুন পাটওয়ারী (৪২) ও চট্টগ্রামের লোহাগড়ার রাসেল (৩৫) এবং রেজাউল করিম (২২)।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ফরিদগঞ্জ - হাজীগঞ্জ)  সার্কেল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় ফরিদগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রকিবের নেতৃত্বে এস আই জালাল উদ্দিন, এ এস আই শিকদার হাসিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল উপজেলার ৭ নং পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের পশ্চিম জয়শ্রী পাটওয়ারী বাড়ি (খালপাড়স্থ) মামুন পাটওয়ারীর বসত বিল্ডিং এ অভিযান পরিচালনা করে মামুন পাটওয়ারী (৪২), চট্টগ্রাম লোহাগড়ার রাসেল (৩৫) ও রেজাউল করিম (২২) কে আটক করে এবং তাদের কাছ থেকে ১৭ হাজার ৫`শ পিছ ইয়াবা। যাহার আনুমানিক মূল্য ৫২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, মাদক বিক্রয়ের ৭০ হাজার টাকা। একই সাথে ইয়াবা পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত  রেজিষ্ট্রেশন বিহীন আনুমানিক ১লক্ষ ৫৭ হাজার টাকা মূল্যের লাল রং এর এফাসি মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়। 

তিনি জানান, আটক মামুন,  রাসেল  ও রেজাউল করিম কক্সবাজার থেকে ইয়াবা এনে ঢাকাসহ আশপাশের কয়েকটি জেলায় ইয়াবা সরবরাহ করতো। তারা শীর্ষ ইয়াবা ডিলার। তাদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা ও ফেনী জেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে।

তিনি আরো জানান, গত বছরের জুলাই মাসে আটককৃত মামুনের ছোট ভাই সালাউদ্দিন (রাজু) কে ২ হাজার ১` শ পিছ ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফজাল হোসেন জানান, এটিই চাঁদপুর জেলার মাদক আটকের মধ্যে বড় চালান।             

 এদিকে ৩ মাদক ব্যবসায়ী  আটকের সংবাদে ঐ এলাকার সাধারন জনগনের মাঝে  স্বস্তির ভাব বিরাজ করছে।  

ফরিগঞ্জে পরীক্ষার প্রশ্ন বাবদ ৩শ’ টাকা করে উত্তোলনের অভিযোগ
                                  

এম. এইচ রাকিব মিয়াজি,  ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি:

চাঁদপুর ফরিদগঞ্জের সীমান্তবর্তী মনতলা হামিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে করোনা কালীন সময়ে প্রায় ৭শ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পরীক্ষার প্রশ্ন বাবদ ৩শ টাকা করে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ উঠে।

এ টাকা থেকে পরীক্ষার্থীদের মোবাইলে কথা বলার খরচ, ১৫ই আগস্ট পালনের খরচ ও শিক্ষকদের নানা খরচ দাবি করছেন প্রধান শিক্ষক। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষকের চাপে টাকা ম্যানেজ করতে হিমসীমে পড়তে দেখা যায়।

এ ঘটনায় ফরিদগঞ্জের সাংসদ সাংবাদিক শফিকুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলী রেজা আশ্রাফী ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি তীব্রভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট থেকে ১০ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশীদের রুমে ভিড় জমায়। একের পর এক শিক্ষার্থীরা হাতে পরীক্ষার প্রশ্ন ও কাগজ নিয়ে বাড়িতে ফিরে যায়।

এ সময় নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী মারিয়া আক্তার, ১০ম শ্রেনীর ফাতেমা ও জান্নাত এবং ৮ম, ৭ম শ্রেনীর হাবিব, ফয়শালসহ প্রায় ১৫/২০ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রশ্ন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেন, প্রধান শিক্ষক আমাদের কাছ থেকে ৩০০ টাকা করে রেখে সব বিষয়ের প্রশ্ন হাতে দিয়ে বলেছেন বাড়ীতে পরীক্ষা দিতে।

এ ধরনের কোন নির্দশনা রয়েছে কিনা জানতে ফরিদগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ্ আলী রেজা আশ্রাফীকে ফোন দিলে তিনি বলেন, বর্তমান করোনা মহামারিতে সরকার বিদ্যালয় বন্ধ রেখেছে। এসময় পরীক্ষার ফি বাবদ কোন অর্থ উত্তোলন করা অবৈধ ও বেআইনি। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হবে।

অভিযুক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হারুন অর রশীদ বলেন, করোনার এ সময়ে আমরা প্রায় শিক্ষার্থীদের ফোনে পড়ালেখার খোজখবর নেই তার একটা খরচ, প্রশ্ন ও কাগজের খরচ, আসছে ১৫ই আগষ্ট শোক দিবস পালনের খরচ, শিক্ষকদের খরচ সব মিলিয়ে ম্যানেজিং কমিটির সাথে সিদ্ধান্তক্রমে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এ টাকা উত্তলন করেছি।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ প্রধান শিক্ষকের এমন হীনও সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানেন না।

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আল আমিন পাটোয়ারি,সদস্য ফয়েজ আহমেদসহ সবাই এমন কোন সিদ্ধান্ত হয়নি দাবি করে প্রধান শিক্ষকের অর্থ বানিজ্যের তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানান।

প্রধান শিক্ষকের এমন অনিয়মের বিষয়ে ফরিদগঞ্জের সাংসদ সাংবাদিক শফিকুর রহমান বলেন, মনতলা হামিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে ৪তলা ভবনের কাজ চলমান। আমি যেখানে অনিয়মের কথা শুনবো তার সাথে কোন আপোষ নেই। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বলবো।

প্রসঙ্গত,২০০৬ সালে ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকের পদে বসেন হারুন অর রশীদ। সেই সময় তার এ নিয়োগ নিয়ে তুমুল পর্যায় পৌচে। তার পর থেকেই তিনি নিজ অবস্থানে টিকে থাকতে প্রচন্দের লোক নিয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠন, শিক্ষক ও দপ্তরী নিয়োগে অর্থ বানিজ্য,বিদ্যালয়ে কোচিং বানিজ্য,গাইড বই বানিজ্য,ফরম ফি বানিজ্য,একক ক্ষমতা বলে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পরীক্ষার নামে অর্থ বানিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে পূর্বে থেকে আলোচিত ও সমালোচিত। তার এসব অনিয়মে শিক্ষা অধিদপ্তরে একাধিক লিখিত অভিযোগ রয়েছে বলে জানা যায়।

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যার সময়কার ঘটনার বর্ণনা
                                  

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যার সময়কার ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী সিফাতের। তিনি জানান,গত ৩১ জুলাই, কক্সবাজার শামলাপুর চেকপোস্টে দায়িত্বরত এপিবিএন সদস্যদের তল্লাসি চৌকিতে গাড়ি থামান মেজর অবসরপ্রাপ্ত সিনহা মো. রাশেদ খান। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তারা ছেড়ে দিলেও ড্রাম ফেলে পথ রোধ করে টেকনাফ থানা পুলিশ।

সিফাত বলেন, ‘আমাদের হাতে ট্রাইপড ছিল, সম্ভবত এটা তারা ভুল বুঝতে পারে। গাড়িতে নামার সময় আমাদের হাতে কোনো অস্ত্র ছিল না।’

মেজর (অবঃ) সিনহার সফরসঙ্গী সিফাত বলেন, ‘গাড়ি থেকে নামতেই গুলির শব্দ, তারপর মাটিতে লুটিয়ে পড়ার দৃশ্য। যেন কল্পনাকেও হার মানায় সেদিনের ঘটনা।’

সিফাত বলেন, ‘উনি (সিনহা) নামার সময়ে দুই হাত উঁচু করে নামেন। এরপর আমি পিছনে চলে যাই। কিন্তু গাড়ির কারণে আমি আর কিছু দেখতে পারি নাই। যখন নামেন তখন বলেন, কাল্ম ডাউন, কাল্ম ডাউন আওয়াজ শুনতে পাই। যে অফিসার বন্দুক তাক করেছিলেন (তিনি বলছিলেন)। এর ভিতরে গুলির শব্দ শুনি। পরে দেখি সিনহা সাহেব শুয়ে পড়েন; আমি ভাবছি; হয়-তো উনার শরীরে গুলি লাগেনি। ফাঁকা আওয়াজ হয়েছে। তারপর দেখি উনার শরীর থেকে রক্ত বের হচ্ছে।’

সিফাতের দাবি, সিনহার ব্যক্তিগত অস্ত্রটিও ছিল গাড়িতে, সিনহা নেমেছিলেন হাত উঁচু করেই।

সেদিনের পুরো ঘটনার সাক্ষী সিফাত গত ১০ আগস্ট কক্সবাজার কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। যদিও পুরো ঘটনা সবার সামনে তুলে ধরতে ক্ষানিকটা সময়ও চেয়েছেন সিনহার সঙ্গী সিফাত ও শিপ্রা।

প্রকল্পের পুরো ১৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকা হাওয়া: দুদক অনুসন্ধান
                                  

প্রকল্পের আওতায় কেনাকাটার নাম করে অর্থ আত্মসাৎ থামছে না। পণ্যের অস্বাভাবিক দাম নির্ধারণ করে সরকারি অর্থের যথেচ্ছাচারের কথা শোনা যায় প্রায়শই। এবার জানা গেল, কেনাকাটার নামে পুরো টাকাটাই হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাও আবার যেনোতেনো পরিমাণ নয়, ১৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকা! ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের কেনাকাটার নামে। দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এমন লুটপাটের তথ্য-প্রমাণ।

দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ও ৫০০ শয্যার হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্পের আওতায় যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ২৪২ কোটি ৪১ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। ওই কেনাকাটার তখনই জন্য হংকংয়ের ফারভেন্ট কোম্পানির অনুকূলে ২৬টি এলসি (ঋণপত্র) খোলা হয়।

বরাদ্দ হওয়া ২৪২ কোটি টাকার মধ্যে এলসিগুলোর বিপরীতে ১৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ফারভেস্ট কোম্পানির অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। কিন্তু দুই বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো যন্ত্রপাতি গ্রহণ করা হয়নি। আসলে কেনাকাটার নামে পুরো টাকাটাই মেরে দেওয়া হয়েছে।

ওই সময় এক আদেশে সব যন্ত্রপাতি উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে (ওটিএম) কেনার জন্য আদেশ দিয়েছিল মন্ত্রণালয়। কিন্তু সেই আদেশ লঙ্ঘন করে কেনাকাটার ক্ষেত্রে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) কার্যাদেশ দেওয়া হয়। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, প্রকল্প পরিচালক ও ঠিকাদার মিলে মন্ত্রণালয়ের আদেশ অমান্য করে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কার্যাদেশ দেয়। এভাবে তারা ১৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকা হংকংয়ে পাচার করে দিয়েছে।

চাঁদপুরে নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে নিম্নমানের লাচ্ছা সেমাই
                                  

এস.এম ইকবাল, চাঁদপুর প্রতিনিধি:

মহামারী  করোনা সংক্রমণের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চাঁদপুরে নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে নিম্নমানের লাচ্ছা সেমাই। শহরের পুরানবাজারের নিতাইগঞ্জে কোহিনূর বেকারি, মীম বেকারি, আলম ফুড ও বেগম ফুডসহ ৫-৬টি প্রতিষ্ঠান নামে-বেনামে লাচ্ছা সেমাই তৈরি করছে।

বিশেষ করে ঈদে সেমাইয়ের চাহিদা বেশি থাকায় বেকারিগুলোতে শ্রমিকরা স্বাস্থ্যবিধি না মেনে রাত-দিন তৈরি করছেন নিম্নমানের লাচ্ছা সেমাই।

খবর পেয়ে চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (সদর-সার্কেল) নেতৃত্বে প্রশাসনের ২০-২৫ জনের একটি টিম সেমাই কারখানায় অভিযান চালায়। এ সময় মালিক পক্ষের কাউকে সেমাই কারখানায় পাওয়া যায়নি। পরে তাদের না পেয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে থানায় হাজির হতে নির্দেশ দেয়া হয়।

কারখানাগুলোতে দেখা যায়, করোনাভাইরাস প্রতিরোধের কোনো ব্যবস্থা নেই কারখানায়। শ্রমিকদের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা দেখা যায়নি। ছিল না কারও মুখে মাস্ক। শ্রমিকরা খালি হাতে ময়দা মাখছেন। শরীরের ঘাম তৈরিকৃত সেমাইয়ে পড়ছে। দুটি বড় চুলায় পুরাতন ও পোড়া তৈল দিয়ে নোংরা পরিবেশে লাচ্ছা সেমাই তৈরি করছেন শ্রমিকরা। কারখানার পাশেই গোয়ালঘর। যত্রতত্র ফেলা রয়েছে ময়দা, ডালডা ও পোড়া নষ্ট সেমাই। যেন পুরো কারখানা ময়লার ভাগাড়। এতে যেকোনো সময় চাঁদপুরে মহামারি করোনাভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, সবসময় নোংরা পরিবেশে সেমাই তৈরি করে এসব কারখানা। তবে ঈদ এলে তাদের সেমাইয়ের চাহিদা বেশি থাকায় ঈদের আগে এভাবে নোংরা পরিবেশে সেমাই তৈরি করা হয়। প্রশাসন থেকেও প্রতি বছর ঈদের আগে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হয়। তারপরও থেমে নেই তারা। প্রশাসন চলে গেলে নোংরা পরিবেশে নামে-বেনামে নিম্নমানের লাচ্ছা সেমাই তৈরির কাজ চালায় এসব প্রতিষ্ঠান। অনেক প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্রও নেই।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আব্দুল-আল-মাহমুদ জামান বলেন, নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে বেকারিগুলোতে নিম্নমানের সেমাই তৈরির খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মালিক পক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। তাদের থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

হাসপাতালে নকল মাস্ক সরবরাহে ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী গ্রেপ্তার
                                  

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে নকল মাস্ক সরবরাহের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী শারমিন জাহানকে।   

গতকাল শুক্রবার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর শাহবাড় মোড় থেকে অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের মালিক শারমিন জাহানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারের পর তাকে নেওয়া হয় মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে। সেখানে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানিয়েছেন ডিবির কর্মকর্তারা।

গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া ডিবির রমনা জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মিশু বিশ্বাস আমাদের সময়কে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

এর আগে নকল মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী শারমিন জাহানের বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার রাতে মামলা করেছে বিএসএমএমইউ’র প্রক্টর অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন-১ শাখায় সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত শারমিনের মালিকানাধীন অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনাল গত ২৭ জুন ১১ হাজার মাস্ক সরবরাহের কার্যাদেশ পায়।

মামলার এজাহারের  বলা হয়, ‘এই কার্যাদেশের বিপরীতে অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনাল ৩০ জুন প্রথম দফায় ১ হাজার ৩০০, ২ জুলাই দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় ৪৬০ ও ১ হাজার এবং চতুর্থ দফায় ৭০০ মাস্ক সরবরাহ করে। তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় পণ্য “সামগ্রিক গুণগতমানের স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী পাওয়া যায়নি“ বলে অভিযোগ করা হয়।’

মামলায় অভিযোগ করা হয়, কোনো কোনো ফেস মাস্কের বন্ধনী ছিঁড়ে গেছে, কোনো মাস্কের ছাপানো ইংরেজিতে লেখা ত্রুটিপূর্ণ পাওয়া গেছে। এ ধরনের ত্রুটিতে কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে, মাস্ক নিম্নমানের ছিল। এর ফলে কোভিড-১৯ সম্মুখযোদ্ধাদের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারত।

এ বিষয়ে ১৮ জুলাই অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী শারমিন জাহানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় বিএসএমএমইউ। ২০ জুলাই লিখিত জবাবে শারমিন দুঃখপ্রকাশ করেন, যা আসামির দোষ স্বীকারের শামিল। বিষয়টি আমলে নিয়ে শারমিন জাহানের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০ ও ৪০৬ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজে স্নাতকোত্তর করা শারমিন ২০০২ সালে ছাত্রলীগের বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের গত কমিটিতে তিনি মহিলা ও শিশুবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসম্পাদক ছিলেন।

শারমিন ২০১৬ সালের ৩০ জুন স্কলারশিপ নিয়ে চীনের উহানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যান। গত ২৩ জানুয়ারি থেকে উহানে লকডাউন শুরু হলে তিনি দেশে ফিরে আসেন। তার শিক্ষা ছুটির মেয়াদ এখনো শেষ হয়নি বলে জানা গেছে। এর মধ্যে চীনে থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালের মার্চে অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনাল নামে সরবরাহকারী হিসেবে ব্যবসা শুরু করেন তিনি।


   Page 1 of 14
     অপরাধ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক ডিজির গাড়িচালক শত কোটি টাকার মালিক
.............................................................................................
ভুয়া চাকরির সার্কুলারে দালালদের টার্কেট সাধারণ মানুষ
.............................................................................................
সাভারে ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট আটক করেছে র‌্যাব
.............................................................................................
কেজি ২শ’ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের বারসহ বেনাপোল সীমান্তে এক মহিলা আটক
.............................................................................................
ভারতীয় ‘শিলং তীর’ নামের জুয়া খেলার ফাঁদে নিঃস্ব বাংলাদেশীরা
.............................................................................................
ভিসার মেয়াদ পুরনের ৮ বছরেও ছাড়েনি বাংলাদেশ, চালাচ্ছে বিভিন্ন প্রতারনার কাজ
.............................................................................................
সাহেদ আবারও রিমান্ডে
.............................................................................................
বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-ঠিকাদারকে কুপিয়ে হত্যা
.............................................................................................
ফরিদগঞ্জে ছিনতাই কালে আটক ১
.............................................................................................
সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে প্রতারণাকারী দুজনকে গ্রেপ্তার
.............................................................................................
ফরিদগঞ্জে ১৭ হাজার ৫`শ ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ ৩ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক
.............................................................................................
ফরিগঞ্জে পরীক্ষার প্রশ্ন বাবদ ৩শ’ টাকা করে উত্তোলনের অভিযোগ
.............................................................................................
অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যার সময়কার ঘটনার বর্ণনা
.............................................................................................
প্রকল্পের পুরো ১৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকা হাওয়া: দুদক অনুসন্ধান
.............................................................................................
চাঁদপুরে নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে নিম্নমানের লাচ্ছা সেমাই
.............................................................................................
হাসপাতালে নকল মাস্ক সরবরাহে ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী গ্রেপ্তার
.............................................................................................
সাভারে দুই ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গরু বিক্রির প্রায় ১৬ লাখ টাকা ছিনতাই
.............................................................................................
ফরিদগঞ্জে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যা
.............................................................................................
রিজেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গ্রেফতার
.............................................................................................
রিজেন্ট হাসপাতালের সাহেদ অস্ত্রসহ সাতক্ষীরা সীমান্তে গ্রেফতার
.............................................................................................
লালমনিরহাটে মাটির নিচে সরকারি ওষুধ!
.............................................................................................
চাল চুরির সময় হাতেনাতে গ্রেপ্তার খাদ্যগুদাম কর্মকর্তাসহ সাতজন
.............................................................................................
কাপ্তাইয়ে দুর্বৃত্তের গুলিতে একজন নিহত
.............................................................................................
মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণা চক্রের মূল হোতা আটক
.............................................................................................
রাজবাড়ীতে স্কুলশিক্ষককে গুলি করে হত্যা
.............................................................................................
কুমিল্লায় সালিশ বৈঠকে ছুরিকাঘাতে যুবককে হত্যা, আটক ২
.............................................................................................
রাজশাহীতে স্কুল ব্যাগে সাড়ে ৫ কেজি গাঁজাসহ যুবক আটক
.............................................................................................
কুড়িগ্রামে ইয়াবাসহ ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেফতার
.............................................................................................
ভূয়া কাগজে ব্যাংক থেকে টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারকচক্র
.............................................................................................
শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৫টি সোনার বার আটক
.............................................................................................
গৃহবধূকে অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগে আটক ২
.............................................................................................
বরিশালে মাদকের আস্তানা থেকে আ. লীগ নেতাসহ আটক ৩
.............................................................................................
সিরাজগঞ্জে ছিনতাই-ডাকাতির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬
.............................................................................................
বিনা টিকিটে রেলভ্রমণের দায়ে ৬শ যাত্রীর জরিমানা
.............................................................................................
রাজশাহীতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার
.............................................................................................
৯০ লাখ টাকা খুইয়েছেন সাবেক এমপি, প্রতারক চক্রের ৩ সদস্য আটক
.............................................................................................
ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় : ডিবির ৬ সদস্য সাময়িক বরখাস্ত
.............................................................................................
ঘুষের নালিশ পেয়ে ভূমি কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করলেন ডিসি
.............................................................................................
বাবার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী মেয়েকে ছাদ থেকে ফেলে হত্যার অভিযোগ
.............................................................................................
পাওনা ২০ টাকার জন্য চানাচুর বিক্রেতা খুন
.............................................................................................
বগুড়ায় যুবলীগ নেতার ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
.............................................................................................
থানা হেফাজতে মৃত্যু: ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, মাথায়-পায়ে আঘাতের চিহ্ন
.............................................................................................
নাটোরের চলনবিলে খেজুর রসে বিষ ছিটিয়ে পাখি শিকার
.............................................................................................
চট্টগ্রামে শাহ আমানতে ১২টি স্বর্ণের বারসহ ২ যাত্রী আটক
.............................................................................................
নাটোরে ১০ লাখ টাকার হেরোইনসহ বাসযাত্রী আটক
.............................................................................................
দিনাজপুরে পৌনে ২ কোটি টাকাসহ প্রকল্প কর্মকর্তা আটক
.............................................................................................
সাতক্ষীরায় পাইপ বসাতে উপকূল রক্ষা বাঁধ কাটলো চিংড়ি ঘের মালিকরা
.............................................................................................
স্বামীকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ কার্যালয়ে পোশাককর্মীকে ধর্ষণ
.............................................................................................
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দেড় মণ গাঁজাসহ আটক ৪
.............................................................................................
লালমনিরহাটে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগে যুবলীগ নেতা আটক
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
সম্পাদক মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী
সম্পাদক কর্তৃক ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ইউরোপ মহাদেশ বিষয়ক সম্পাদক- প্রফেসর জাকি মোস্তফা (টুটুল)
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমেদ
নির্বাহী সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম রানা
বার্তা সম্পাদক : মোঃ আকরাম খাঁন
সহঃ সম্পাদক: হোসাইন আহমদ চৌধুরী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন : ০২-৯৫৬২৮৯৯ মোবাইল: ০১৬৭০-২৮৯২৮০
ই-মেইল : swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD