| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   প্রবাসে বাংলা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
নজরুলের জীবন অবলম্বনে নাটক ‘নীলকণ্ঠ নজরুল’ যুক্তরাষ্ট্রে মঞ্চস্থ

তিনি পদ্মা আর গঙ্গার ভাটায় এনেছিলেন আশার জোয়ার। মানুষের বিভেদ ভোলাতে গেয়েছিলেন সাম্যের গান। নিজ পায়ে শেকল পরে জাতিকে করেছিল শেকলমুক্ত। স্বাধীনতার স্বাদ পেতে মানুষকে করেছেন প্রতিবাদী। তিনি আমাদের জাতীয় কবি, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম।

চরম দৈন্যতা, প্রতিকূলতা, অপমান, অপবাদ আর শোকের সাথে আমৃত্যু বসবাস করেন রাগ-অনুরাগের এই মহান কবি। যার লেখনি, গান, কবিতা আর বজ্রকন্ঠে জাগ্রত হয় জনতা। তিনিই একসময় সব হারিয়ে বাকরুদ্ধবস্হায় বেঁচে ছিলেন তিন যুগ। অবশেষে একদিন শান্ত হন রণক্লান্ত এই বীর যোদ্ধা। এভাবেই প্রদর্শিত হয় নজরুলের বৈচিত্রময় জীবনকাহিনী।

নজরুলের জীবন অবলম্বনে নাটক ‘নীলককণ্ঠ নজরুল’ মঞ্চস্থ হয় যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়। স্থানীয় সময় রোববার বিকেলে ক্যাল পোলি বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটারে মঞ্চস্থ হওয়া নাটকটি দেখতে ভিড় করেন অগনিত নজরুলপ্রেমী দর্শক। বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি অনুবাদ থাকায় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের অভিনয় উপাভোগ্য ছিল বিদেশি দর্শকদের কাছেও।

নাটকটি রচনা করেছেন ড. মদনগোপাল মুখাপাধ্যায়। পরিচালনায় ছিলেন কালাচাঁদ শীল, সৌম্যকান্তি মুখার্জি ও ড. অর্ণব ব্যানার্জি।

অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘প্রথম’ আয়োজিত অনন্য এই আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল প্রিয়তোষ সাহা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আয়োজক সংগঠন ‘প্রথম’ এর প্রতিনিধি দীপক সরকার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দেবযানী মুমু সরকার ও সুনেত্রা সেন।

নজরুলের জীবন অবলম্বনে নাটক ‘নীলকণ্ঠ নজরুল’ যুক্তরাষ্ট্রে মঞ্চস্থ
                                  

তিনি পদ্মা আর গঙ্গার ভাটায় এনেছিলেন আশার জোয়ার। মানুষের বিভেদ ভোলাতে গেয়েছিলেন সাম্যের গান। নিজ পায়ে শেকল পরে জাতিকে করেছিল শেকলমুক্ত। স্বাধীনতার স্বাদ পেতে মানুষকে করেছেন প্রতিবাদী। তিনি আমাদের জাতীয় কবি, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম।

চরম দৈন্যতা, প্রতিকূলতা, অপমান, অপবাদ আর শোকের সাথে আমৃত্যু বসবাস করেন রাগ-অনুরাগের এই মহান কবি। যার লেখনি, গান, কবিতা আর বজ্রকন্ঠে জাগ্রত হয় জনতা। তিনিই একসময় সব হারিয়ে বাকরুদ্ধবস্হায় বেঁচে ছিলেন তিন যুগ। অবশেষে একদিন শান্ত হন রণক্লান্ত এই বীর যোদ্ধা। এভাবেই প্রদর্শিত হয় নজরুলের বৈচিত্রময় জীবনকাহিনী।

নজরুলের জীবন অবলম্বনে নাটক ‘নীলককণ্ঠ নজরুল’ মঞ্চস্থ হয় যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়। স্থানীয় সময় রোববার বিকেলে ক্যাল পোলি বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটারে মঞ্চস্থ হওয়া নাটকটি দেখতে ভিড় করেন অগনিত নজরুলপ্রেমী দর্শক। বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি অনুবাদ থাকায় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের অভিনয় উপাভোগ্য ছিল বিদেশি দর্শকদের কাছেও।

নাটকটি রচনা করেছেন ড. মদনগোপাল মুখাপাধ্যায়। পরিচালনায় ছিলেন কালাচাঁদ শীল, সৌম্যকান্তি মুখার্জি ও ড. অর্ণব ব্যানার্জি।

অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘প্রথম’ আয়োজিত অনন্য এই আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল প্রিয়তোষ সাহা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আয়োজক সংগঠন ‘প্রথম’ এর প্রতিনিধি দীপক সরকার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দেবযানী মুমু সরকার ও সুনেত্রা সেন।

দুর্নীতিগ্রস্ত সিনারফ্লাক্সের জালে আটকা ৭০ হাজার কর্মীর ভাগ্য
                                  

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে নাটকীয়তা শেষ হচ্ছে না। দেশটিতে যেতে অপেক্ষায় থাকা ৭০ হাজার কর্মীর ভাগ্য নিয়ে শুরু হয়েছে ছিনিমিনি। বাংলাদেশের অন্যতম এই শ্রমবাজার সিন্ডিকেটমুক্ত করতে জিটুজি-প্লাসের এসপিপিএ (ঝরংঃবস চবৎসড়যড়হধহ চবশবৎলধ অংরহম) সিস্টেম বাতিল করে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের সরকার।

 

ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে মালয়েশিয়ান কোম্পানি সিনারফ্লাক্স ও বেস্টিনেটের সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করে মালয়েশিয়া সরকার।

 

কিন্তু বিস্ময়কর হলো-মালয়েশিয়ান তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানি সিনারফ্লাক্স ও বেস্টিনেটের মাধ্যমেই পাইপলাইনে থাকা ৭০ হাজার কর্মী পাঠানো হচ্ছে মালয়েশিয়ায়। এভাবে হাজার হাজার কর্মীর ভাগ্য নিয়ে টানাহেঁচড়া শুরু হয়েছে। মালয়েশিয়ান যে আইটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ, তাদের মাধ্যমেই অপেক্ষায় থাকা ৭০ হাজার কর্মী যাবে সে দেশে! কেন এই দ্বৈতনীতি? এ প্রশ্নের উত্তর মেলাতে পারছেন না এ দেশীয় অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা। তাদের পরামর্শ সত্যি অভিবাসন ব্যয় কমাতে হলে সংশ্লিষ্টদের চিন্তা ও চেতনায় সৎ থাকতে হবে।

 

জানা গেছে, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিতর্কিত মালয়েশিয়ান দাঁতশ্রী আমিন নূর এ সিনারফ্লাক্সের কর্ণধার। মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী এম কুলাসেগারার বাংলাদেশি জনশক্তি আমদানিসংক্রান্ত সর্বশেষ তদন্ত প্রতিবেদনে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগে দুর্নীতির হোতা হিসেবে বাংলাদেশি মালয়েশিয়ান দাঁতশ্রী আমিন নূর ও মালয়েশিয়ার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম উঠে আসে।

 

বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশ সরকারের লক্ষ্য অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে কর্মী প্রেরণে অধিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। সেটি করতে নানা উদ্যোগও দৃশ্যমান। কিন্তু যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, খোদ নিয়োগকারী দেশ মালয়েশিয়ার, সেই দুর্নীতিগ্রস্ত বেস্টিনেট ও সিনারফ্লাক্সের মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর অর্থ বাংলাদেশ সরকারের সদিচ্ছাকে গলাটিপে ধরা। সরকার চাইলে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে অন্য মাধ্যম ব্যবহার করতে পারে আলোচনার মাধ্যমে।

 

জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রার মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান আমাদের সময়কে বলেন, সহনীয় অভিবাসন ব্যয় সবারই কাম্য। কিন্তু একটা জটিলতা রয়েছে। তা হলো, ১ সেপ্টেম্বরের আগে যারা এসপিপিএ সিস্টেমে প্রবেশ করেছেন, মাহাথিরের সরকার সেই পদ্ধতি বহাল রেখেছে। এতে জড়িয়ে আছে ৭০ হাজার কর্মীর ভাগ্য। কিন্তু আমরা গণমাধ্যমসহ নানা সূত্রে জেনেছি, এফডব্লিউসিএমএসের মাধ্যমে যারা গেছেন, তাদের অভিবাসন ব্যয় বেড়ে গেছে। এখন আমাদের দাবি, অভিবাসন ব্যয় কমানো। এ জন্য দুই দেশের সরকার একটা উপায় বের করতে পারে। বায়রার এমন দাবি আজ জয়েন্ট ওয়ার্কিং কমিটির সভায় উত্থাপিত হতে পারে।

 

বায়রার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শফিকুল আলম ফিরোজ বলেন, সিন্ডিকেটমুক্ত করতে আমরা কথা বলেছি। আমরা যে কোনো মূল্যে অভিবাসন ব্যয় কমাতে চাই। এ জন্য সরকার যৌক্তিক উদ্যোগ নিতে পারে। আমাদের আপত্তি নেই।

 

শ্রম অভিবাসন বিশেষজ্ঞ হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরন এ প্রসঙ্গে বলেন, এখন যদি তাদের মাধ্যমেই পাঠানো হয়, তা হলে এত হইচই হলো কেন? স্বচ্ছতা নির্ণয়ে সরকার চাইলে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি), বায়রার মাধ্যমে বা অন্য কোনো উপায়ে এসব কর্মী পাঠাতে পারে। আর যদি সিনারফ্লাক্সের মাধ্যমে কর্মী যায়, তা হলে এই শ্রমবাজার নিয়ে যে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত চলছে, তা বলা যেতেই পারে।

 

তিনি আরও বলেন, বিএমইটি, বায়রা বা ওই ১০ এজেন্সিকে দিয়েও যদি এ অসমাপ্ত কাজ শেষ করা যায়, তা হলে কর্মীপ্রতি বাড়তি ৫ হাজার রিঙ্গিত গচ্চা যাবে না। কিন্তু জেনেশুনে কেন ফের বিতর্কিত সিনারফ্লাক্সকে টেনে আনা হচ্ছে তা ভাবার বিষয়।

 

জানা গেছে, কর্মী নিয়োগের নামে ডিজিটাল কারচুপির আশ্রয় নিয়ে সিনারফ্লাক্সের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই কর্মীপ্রতি ৫ হাজার রিঙ্গিত করে হাতিয়ে নিয়েছে। বর্তমানে এসপিপিএ সিস্টেম বাতিল হওয়ায় অপেক্ষমাণ ৭০ হাজার কর্মীর কাছে থেকে ৭ হাজার রিঙ্গিত করে দাবি করছে সিনারফ্লাক্স। অনেকে এমন অভিযোগ করলেও পাছে ভিসা বাতিল হয়Ñ এ কারণে নাম প্রকাশ করতে চাননি কর্মীরা। তবে এ প্রতিবেদককে এসব নির্মম সত্য অকপটে জানিয়েছেন তারা।

 

অঙ্কের হিসাব বলছে, সিনারফ্লাক্সের দাবি মানলে ৭০ হাজার অপেক্ষমাণ কর্মীকে হাজার কোটি টাকা বাড়তি খরচ করতে হবে। আর এতে দুই দেশের সরকারের সদিচ্ছাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে। মাহাথির মোহাম্মদ ক্ষমতায় আসার পর পরই বিদেশি কর্মী নিয়োগে বাংলাদেশের নাম দেশটিতে ব্যাপক আলোচনায় আসে। অভিযোগের তীর ছিল ওই দেশের দুই কোম্পানির বিরুদ্ধে। একপর্যায়ে বাতিল করা হয় তাদের সিস্টেম ব্যবহার করে কর্মী পাঠানো। আবার বহালও রাখা হয়েছে তাদের অনিয়ম।

 

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মালয়েশিয়ান সিনারফ্লাক্সের কর্ণধার দাঁতশ্রী আমিন নূর ব্যাপক দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে জনশক্তি রপ্তানি প্রক্রিয়া মনমতো সাজিয়ে নেন, যা মাহাথিরের সরকার বাতিল করেছে। পুরো ঘটনার তদন্তে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র সচিবকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত শেষে মালয়েশিয়ার বর্তমান মানবসম্পদমন্ত্রী এম কুলাসেগারার এক প্রতিবেদনে জানান, ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে কর্মী আনা হচ্ছে। আর পুরো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত মালয়েশিয়ার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাংলাদেশি মালয়েশিয়ান দাঁতশ্রী আমিন নূর।

 

জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশন ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কতিপয় প্রভাবশালী কর্মকর্তা চাইছেন এ সিনারফ্লাক্সের মাধ্যমেই কর্মী যাক। এ নিয়ে তাদের লিখিত সুপারিশও রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। তবে হাইকমিশনের কর্মকর্তারা এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তবে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু হলে কোনো সিন্ডিকেট থাকবে না। জনশক্তি রপ্তানি খাতে সব ব্যবসায়ীই সুযোগ পাবেন।

 

এদিকে আজ বুধবার সকাল ১০টায় প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ সফররত মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি দলের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা। জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের এ সভায় মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন বলে মন্ত্রণালয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। মালয়েশিয়ার হিউম্যান রিসোর্স মন্ত্রণালয়ের পলিসি বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি এমডিএম বেট্টী হাসানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হচ্ছেন, মালয়েশিয়ার পেনিনস্যুলার ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক জেনারেল (অপারেশন) আসরি এবি রহমান, মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফরেন ওয়ার্কার্স ম্যানেজমেন্ট ডিভিশনের আন্ডার সেক্রেটারি জমরি মত জিন, হিউম্যান রিসোর্স মন্ত্রণালয়ের লিগ্যাল ডিভিশনের লিগ্যাল অ্যাডভাইজর মো. নওয়ায়ী ইসমাইল, হিউম্যান রিসোর্স মন্ত্রণালয়ের পলিসি ডিভিশনের সহকারী সচিব শাহাবুদ্দিন আবু বকর ও মালয়েশিয়ার পেনিনস্যুলার ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র সহকারী পরিচালক নওরলিয়া আনাক জওয়র।

 

জানা গেছে, সভায় কর্মী পাঠানো নিয়ে বিদ্যমান সমস্যা ও তার সমাধানে একমত হতে চেষ্টা করবে দুই দেশ।

কুয়েতে চাকরি হারাচ্ছেন ৩ হাজার ১৪০ প্রবাসী
                                  

কুয়েতের সিভিল সার্ভিস কমিশনের প্রধান আল জাসার জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে কুয়েতি নাগরিক নন এমন ৩ হাজার ১৪০ জনের সাথে চাকরির চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। এরা কুয়েতের সরকারি সংস্থায় নিয়োজিত বিদেশি।

মন্ত্রণালয়, বিভাগসহ সবগুলো সরকারি সংস্থার বাজেট কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশটির কর্মসংস্থান খাতে সংস্কারনীতি বাস্তবায়নের প্রথম বছরে এ ঘোষণা আসলো।

আল জাসার বলেন, কুয়েত সিভিল সার্ভিস কমিশন ২০১৭ সালে যে সরকারি চাকরির পুনর্বাসনের যে নীতি গ্রহণ করেছে সেটার আলোকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত সেপ্টেম্বরে দেশটির সিভিল সার্ভিস কমিশন একটি ডিক্রি জারি করে যাতে বলা হয়, আগামী ৫ বছরের বছরের মধ্যে সরকারি চাকরিতে প্রবাসীদের স্থলে কুয়েতিদের নিয়োগ দেওয়া হবে। কুয়েতে বিদেশিরা মোট জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ। ২০১৬ সালের মাঝামাঝিতে বিদেশিদে সংখ্যা ছিল ৭ মিলিয়ন।

‘ল্যাটিন আমেরিকায় বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার সময় এখনই’
                                  
ব্রাজিল, মেক্সিকো, আর্জেন্টিনা, চিলি, পেরু, ভেনিজুয়েলা, প্যারাগুয়ে, বলিভিয়াসহ পুরো ল্যাটিন আমেরিকা জুড়ে বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার পাশাপাশি আন্তরিকতার সঙ্গে বহুমূখী প্রচেষ্টা জোরদার করা হলে ল্যাটিন আমেরিকাই হয়ে উঠবে বাংলাদেশ থেকে বৈধ জনশক্তি রফতানির আকর্ষণীয় বাজার। 
 
গত বৃহস্পতিবার ব্রাজিলের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন নগরী রিও দি জানেইরোর একটি অভিজাত হোটেল হিল্টন কোপাকাবানাতে অনুষ্ঠিত বিশেষ সেমিনারে উঠে আসে ল্যাটিন আমেরিকা-বাংলাদেশ বহুপাক্ষিক অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সম্পর্কের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ। 
 
প্যারিস ভিত্তিক ‘বিশ্ব বাংলাদেশ সংস্থা’ ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ অর্গানাইজেশন (ডব্লিউবিও) কর্তৃক আয়োজিত ‘ল্যাটিন আমেরিকায় বাংলাদেশের সম্ভাবনা’ শীর্ষক গুরুত্বপূর্ণ এই সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্রাসিলিয়াতে দায়িত্বরত রাষ্ট্রদূত জুলফিকার রহমান। ডব্লিউবিও সভাপতি কাজী এনায়েত উল্লাহর সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ আলোচক ছিলেন আর্জেন্টিনা-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের (এবিসিসিআই) সভাপতি আলিম আল রাজী তালুকদার। রাজধানী ব্রাসিলিয়া ও বাণিজ্যিক নগরী সাও পাউলোর কমিউনিটি ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের মধ্যে সেমিনারে যোগ দেন জয়নাল আবেদিন, হারুনুর রশিদ, জামাল আহমদ, মুস্তাফিজুর রহমান তাপাদার, সুরাইয়া আক্তার সুমি, লায়েছ আহমদ মিনু, এ এইচ এম খায়রুল ইসলাম প্রমুখ।
 
রাষ্ট্রদূত জুলফিকার রহমান বলেন, ‘বর্তমানে ল্যাটিন আমেরিকায় শুধুমাত্র ব্রাজিল ও মেক্সিকোতে আমাদের দূতাবাস থাকায় প্রবল সম্ভাবনাময় বিশাল এই অঞ্চলে বাংলাদেশকে আমরা ঠিক সেভাবে মেলে ধরতে পারছি না। যদিও অদূর ভবিষ্যতে আর্জেন্টিনা ও চিলিতে মিশন খোলার পরিকল্পনা বাংলাদেশ সরকারের রয়েছে, তথাপি আমাদের সময় এসেছে আজ পলিসি মেকিং-এর ক্ষেত্রে আরো বেশি যত্নবান হবার।’
 
ল্যাটিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ কমিউনিটি ও বিজনেস চেম্বারকে সংগঠিত করে একটি সম্মিলিত শক্তি হিসেবে যে কোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার আহ্বান জানান সেমিনারের আয়োজক  ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউবিও) সভাপতি কাজী এনায়েত উল্লাহ।
জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত
                                  
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি একটি পরিবারের ৪ সদস্য নিহত এবং অপর দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। জেদ্দা থেকে তায়েফ যাওয়ার পথে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
 
নিহতরা হলেন- মৃত অহিদের রহমানের ছেলে প্রবাসী মশিউর রহমান (৪৭) এবং তার তিন কন্যা- সায়মা (১৪), সিনথিয়া (১২) ও সাবিহা (৯)। নিহত তিন কন্যা বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ (ন্যাশনাল কারিকুলাম) এর শিক্ষার্থী ছিলেন।
 
এছাড়া মশিউর রহমানের স্ত্রী ও ছেলে গুরুতর আহত হয়ে কিং আব্দুল আজিজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। 
 
মশিউর রহমানের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের সাঈদ ভাঙ্গা গ্রামে। দীর্ঘদিন ধরে জেদ্দার নাজলা এলাকায় তিনি পরিবারসহ বসবাস করে আসছেন। তায়েফে তার ব্যবসা আছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
 
জেদ্দা কনস্যুলেটের কাউন্সিলর (শ্রম) আমিনুল ইসলাম জানান, আমরাও এরকম একটি খবর পেয়েছি। হাসপাতালে লোক পাঠানো হয়েছে খুব শিগগিরই বিস্তারিত জানাতে পারবো।
মুম্বাইয়ে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকী পালন
                                  
বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন মুম্বাইয়ে বুধবার জাতীয় শোক দিবস এবং স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদতবার্ষিকী পালিত হয়েছে। 
 
মুম্বাইস্থ বাংলাদেশের উপ হাইকমিশনার লুৎফর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ করেন। তিনি উপস্থিত অতিথি ও উপহাইকমিশনের সদস্যদের নিয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান।  শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ১৫ আগস্ট ১৯৭৫-এ শহীদ বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সকলের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। 
 
এরপর জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। বাণীপাঠের পর উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য লে. জেনারেল কুলদীপ ব্রার এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর উদয় সাটে এ আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন।
সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘নিবিড় যোগাযোগ বলয় গঠন’
                                  
বাংলাদেশ হাই কমিশনের উদ্যোগে সিঙ্গাপুরে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হলো- ‘নেটওয়ার্কিং উইথ বাংলাদেশ স্টুডেন্ট ইন সিঙ্গাপুর ইভেন্ট’।
 
হাই কমিশনের হলরুমে শনিবার সিঙ্গাপুরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রায় অর্ধশতাধিক ছাত্র-ছাত্রী এবং অধ্যাপনা পেশায় নিয়োজিত কয়েক জন বাংলাদেশি শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমান অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।
 
হাই কমিশনার তার বক্তব্যে সিঙ্গাপুরে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন,  তারা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের কাণ্ডারী। দেশের বর্তমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রার বিভিন্ন সূচক তুলে ধরে তিনি বিদেশে বাংলাদেশের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের প্রচারে ছাত্র-ছাত্রীরা গুরুত্বপর্ণ ভ‚মিকা রাখতে পারে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি পড়াশোনা শেষে তাদের অর্জিত জ্ঞান বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য উদাত্ত্ব আহ্বান জানান।
এক ক্লিকেই ডলার যাবে বাংলাদেশে
                                  

এক ক্লিকেই ডলার যাবে বাংলাদেশে। শুনতে অবাক লাগলেও এটিই এখন সত্যি। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের এবার নতুন উদ্ভাবন ফামাক্যাশ। একের ভেতর অনেক। দোকানে গিয়ে লম্বা লাইনে না দাঁড়িয়ে এবং সময় নষ্ট না করেই নিজের ফোনে অ্যাপস ডাউনলোড করে এক ক্লিকেই অর্থ পাঠান বাংলাদেশসহ বিশ্বের যে কোন দেশে। তাও আবার সম্পূর্ণ নিরাপদে ব্যাংকের মাধ্যমে। ফামাক্যাশ হতে পারে আপনার ওয়ালেট, ফামাক্যাশের কার্ডের মাধ্যমে আপনি বিশ্বের যেকোন দেশে গিয়ে নিরাপদে ঐ কার্ড ব্যবহার করে খরচ করতে পারেন। আবার অন্য কারো কাছ থেকে অর্থ পেতেও পারেন।

ফামাক্যাশ হচ্ছে আমেরিকার মোবাইল ফোনভিত্তিক বিশ্বব্যাপী একটি ফাইন্যান্সিয়াল কোম্পানি। সেই ফামাক্যাশের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ৪ আগস্ট আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে।

নিউইয়র্কের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং কম্যুনিটি নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে হলভর্তি অডিটোরিয়ামে লাগোর্ডিয়া মেরিয়ট হোটেলের বলরুমে ফিতাকেটে ফামাক্যাশের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান মঞ্জুর হোসাইন।

ফামাক্যাশের প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান ড. সাইফুল খন্দকারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রূপালী ব্যাংক লিমিডেটের চেয়ারম্যান মঞ্জুর হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মোহাম্মদ আতাউর রহমান প্রধান, আমেরিকার ব্যাংক সিবিডব্লিউর প্রেসিডেন্ট ও ফামাক্যাশের এডভাইজার সুচিত্রা পধভাবন, ড. রিচার্ড স্টুয়াট, পিটার ইনেস্টাইন, এক্সজিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট রবিউল করিম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর খাজা রেহান বখত, ডিরেক্টর হাসানুজ্জামান হাসান, গৌরব আরোরা, আক্তার জামান, কনসালটেন্ট রব আয়াস, এশিয়া ও মধ্যপাশ্চের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ভাইস প্রেসিডেন্ট হোসাইন সিরাজি, এ্যাটর্নী স্কট রোসেনব্লাম, ওয়াশিংটন বাংলাদেশ দূতাবাসের ইকোনোমিক মিনিস্টার সাহাবুদ্দিন পাটোয়ারি, কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং এর প্রতিনিধি পিটার, ইনভেস্টর পিপল এন টেকের প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিফ, জন গালো প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ফামাক্যাশের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা সাইফুল খন্দকার ভিডিওর মাধ্যমে ফামাক্যাশের বর্তমান এবং ভবিষ্যত কর্মকান্ড তুলে ধরেন। ড. সাইফুল বলেন, ফামাক্যাশ অচিরেই সমগ্র ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং এশিয়াতে চালু হবে।

তিনি আরো বলেন, আগামী বছরে ফামা ব্যাংক চালু করা হবে আমেরিকা, ইউরোপ, মিডিকস ইস্ট ও এশিয়াতে। এই ব্যাংক মোবাইল এবং আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স (এআই) বেজড্ হবে যাতে কাস্টমার খুব সহজে ডিপোজিট, উথড্রো, এবং পারসোনাল ও ব্যবসায়িক ঋণ নিতে পারে। ফামার অলটিমেট উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের দুই থেকে তিন বিলিয়ন কাস্টমারকে তাদের ফাইনান্সিয়াল নেটওয়ার্কে নিয়ে আশা।

ড. সাইফুল বলেন, যদি বাংলাদেশ সরকার অনুমতি দেয় তাহলে ফামাক্যাশ বাংলাদেশেও সেবা দিতে পারবে। ফামাক্যাশের মাধ্যমে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স অনেক বাড়বে।

রূপালি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মনজুর হোসেন বলেন, আজকের দিনটি একটি ঐতিহাসিক দিন এবং শুভ দিন। শুভ দিন রূপালী ব্যাংকের জন্য, শুভ দিন সিবিডব্লিউ ব্যাংকের জন্য এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য।

তিনি বলেন, আজকে আমরা সিবিডব্লিউ ব্যাংকের সাথে চুক্তি করেছি। আমরা ফামাক্যাশের সাথে একত্রে কাজ করতে চাই এবং অচিরেই ফামাক্যাশের সাথে আমাদের চুক্তি হবে। সিবিডব্লিউ ব্যাংক এবং রূপালী ব্যাংক ফামাক্যাশের মাধ্যমে বাংলাদেশে বৈধ পথে অর্থ প্রেরণ করবে। তিনি ফামাক্যাশের প্রশংসা করেন এবং ফামাক্যাশকে সমস্ত সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

রূপালি ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ আতাউর রহমান প্রধান বলেন, আজ রূপালী ব্যাংকের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। আমরা যখন গত বছর আমেরিকায় এসেছিলাম, তখন জ্যাকসন হাইটসে একটি অনুষ্ঠানে বলেছিলাম আমরা আমেরিকাতে কর্মকান্ড শুরু করবো, সেই কাজটি আজ করতে পেরেছি।

তিনি বলেন, আজ থেকে ৬ মাস আগে ফামাক্যাশ পুরো প্রজেক্টটি আমাদের সামনে উপস্থাপন করে। প্রজেক্টটি আমাদের মনপুত হওয়ায় আমরা এগিয়ে আসি। তিনি বলেন, বর্তমানে রেমিটেন্সের বড় বাজার রয়েছে। আমরা সিবিডব্লিউ ব্যাংক এবং ফামাক্যাশের মাধ্যমে সেই বাজার ধরতে চাই।

আমেরিকার সিবিডব্লিও এর প্রেসিডেন্ট সুচিত্রা বলেন, তারা ফামার সাথে পার্টনারশিপ করেছে কারণ তারা জানে ভবিষ্যৎ ব্যাংকিংই হবে মোবাইলে। এখানে উল্লেখ্য সিবিডব্লিউ ব্যাংক ও ফামাক্যাশের উল্লেখযোগ্য শেয়ার হোল্ডার। সিবিডব্লিও ফামাক্যাশের ৭.৫% শেয়ার ওন করে।

সুচিত্রা প্রধভাবন বলেন, আমাদের সাথে রূপালী ব্যংকের চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশীদের সেবা প্রদান করতে চাই।

কনসালটেন্ট রব আয়ার্স বলেন, আমি এই লাইনে প্রায় ২৫ বছর ধরে কাজ করছি। মানিগ্রামসহ বেশ কয়েকটি অর্থপ্রেরণকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছি। ফামাক্যাশের ভবিষ্যত আমার কাছে ভাল লেগেছে, তাই আমি যুক্ত হয়েছি।

ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিফ বলেন, আমি এ কোম্পানীর একজন শেয়ারহোল্ডার। ফামাক্যাশই ফার্স্ট বিলিয়ন ডলারের কোম্পানী বাংলাদেশী কম্যুনিটিতে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ফামার বোর্ড অব অ্যাডভাইজর ড. রিচার্ড সোয়াট যিনি স্ট্যানফোর্ড ইউনিভারসিটির রিসার্চ ফেলো এবং আমেরিকার ফিনটেক ইন্ডাস্ট্রির স্বনামধন্য সিনিয়র এসিকিউটিভ।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সুচিত্রা, মঞ্জুর হোসেন, আতাউর রহমানকে ফামাক্যাশের পক্ষ থেকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। ক্রেস্ট তুলে দেন ড. সাইফুল খন্দকার। সর্বশেষে ড. সাইফুল সবাইকে ধন্যবাদ দেন এবং কমিউনিটির সবার দোয়া চান। তিনি বলেন, ফামাক্যাশের সাকসেস মানে বাংলাদেশের সাকসেস।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ কামনা
                                  

অবিলম্বে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দাবিতে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ কামনায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছে বিএনপির সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল’ এর যুক্তরাষ্ট্র শাখা।

গতকাল শুক্রবার অপরাহ্নে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেই নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরের সামনে অনুষ্ঠিত এ বিক্ষোভে বিএনপি, ছাত্রদল, জাসাস, জাতীয়তাবাদী ফোরামের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। 

‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘উই ওয়ান্ট পিচ’, ‘নো জাস্টিস-নো পিচ’, ‘হুয়াট উই ওয়ান্ট-রিলিজ খালেজা জিয়া’, ‘হুয়াট উই ডিমান্ড-রিয়েল ডেমক্র্যাসি’ ইত্যাদি স্লোগান উঠে এ বিক্ষোভ থেকে। স্লোগানে নেতৃত্ব দেন ব্রুকলীন বিএনপির সেক্রেটারি জাহাঙ্গির সোহরাওয়ার্দি, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রদলের সেক্রেটারি মাজহারুল ইসলাম জনি এবং যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সেক্রেটারি কাওসার আহমেদ। 

মুুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি আলহাজ্ব বাবরউদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি সুরুজ্জামানের সার্বিক সমন্বয়ে এ বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন- যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ সম্রাট, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আন্তর্জাতিক সম্পাদক গিয়াস আহমেদ, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক এম এ বাতিন, বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মাহফুজুল মাওলা নান্নু, সৈয়দা মাহমুদা শিরিন, এলিজা আকতার মুক্তা, ব্রুকলীন বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয়তাবাদী ফোরামের নেতা নূরুল আমিন পলাশ, নাসিম আহমেদ, সাবেক কমিশনার আলী হোসেন, হেলালুর রহমান প্রমুখ। 

এ সময় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সব মামলা প্রত্যাহার দাবি এবং `দৈনিক আমার দেশ` পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলার নিন্দা জানানো হয়। 

সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আন্তর্জাতিক সম্পাদক গিয়াস আহমেদ বলেন, বিশ্ব বিবেককে জেগে উঠতে হবে বাংলাদেশে নব্য স্বৈরাচারের পতন ত্বরান্বিত করতে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র আজ বিপন্ন। ১৬ কোটি মানুষের কথা বলার অধিকার হরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনীতিক খালেদা জিয়াকে সাজানো মামলায় কারাগারে নিয়ে সরকার আবারও এক তরফা নির্বাচনে ক্ষমতা দীর্ঘ করতে চায়। 

‘ইতিমধ্যেই জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনায় বিএনপির পক্ষ থেকে দরখাস্ত করা হয়েছে। সেখানে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চলমান ষড়যন্ত্রের বিস্তারিত তথ্য রয়েছে’, বলেন বিএনপি নেতা সম্রাট। স্টেট ডিপার্টমেন্টেও দেন-দরবার চলছে বলে উল্লেখ করেন এই নেতা। 

একই দাবিতে শিগগিরই ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ সম্রা

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত
                                  
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো তিন বাংলাদেশি। গতকাল শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুরে সৌদি আরবের দাম্মাম প্রদেশের সানাইয়া সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
 
নিহতরা হলেন- নরসিংদীর জামালিয়া কান্দীর আবুল কাসেমের ছেলে মোহাম্মদ রবি এবং কালাই গোবিন্দপুরের জসীম উদ্দিন।  আহতরা হলেন- মোহাম্মদ হাবিবুর, আলী আহম্মদ ও জনি গাজী। তাদেরকে দাম্মামের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত
                                  
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশি নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১১ জন। আজ বুধবার স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের স্থানীয় চারটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জেদ্দা কনস্যুলেটের কাউন্সিলর (শ্রম) আমিনুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
 
জানা গেছে, মিনিবাসে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন ষোলোজন বাংলাদেশি শ্রমিক। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে জেদ্দার মোহাম্মদীয়া নামক স্থানে মিনিবাসটি দুর্ঘটনায় পড়ে। এ সময়  ঘটনাস্থলেই ৫ বাংলাদেশি নিহত হন। গুরুতর আহত হন ১১ জন। হতাহতদের খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
 
এদিকে, জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট থেকে নিহত একজনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি হলেন- নড়াইল জেলার মহিষওলা গ্রামের মোহসিন হোসাইনের পুত্র মো. মনিরুল ইসলাম।
 
নিহতদের মরদেহ জেদ্দাস্থ কিং ফাহাদ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশংকাজনক।
 
দুর্ঘটনায় আহত বাংলাদেশিদের মধ্যে জেদ্দার কিং ফাহাদ হাসপাতালে ৪ জন, কিং আবদুল আজিজ হাসপাতালে ২জন, সৌদি জার্মান হাসপাতালে ৩ জন ও কিং আব্দুল্লাহ হাসপাতালে ২ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ইউরোপে থাকার সুযোগ হারাচ্ছে অবৈধ অবস্থানকারী লক্ষাধিক বাংলাদেশী
                                  

 ইউরোপে অবৈধ অবস্থানকারী লক্ষাধিক বাংলাদেশীকে দেশে ফিরতে হবে। অভিবাসন ইস্যুতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশগুলোর নতুন চুক্তির আওতায় ওসব বাংলাদেশীর ইউরোপে থাকার আর কোনো সুযোগ থাকছে না। কারণ ইইউভুক্ত ২৮টি দেশ অভিবাসন ইস্যুতে যে চুক্তিতে সই করেছে, তাতে অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। ইইউ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে মহাদেশীয় সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ, ইউরোপে থাকা অভিবাসন প্রত্যাশীদের বিশেষ হোল্ডিং সেন্টারে রাখা এবং আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এমনকি অভিবাসন প্রত্যাশীদের এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাওয়া বন্ধ করতে এবং তুরস্ক ও লিবিয়ার মতো ইউরোপের সীমান্তের কাছের দেশগুলোকে অভিবাসন ঠেকাতে প্রণোদনা দিতেও একমত ইইউ সদস্যরা। আর যাদের অভিবাসন বা আশ্রয়ের আবেদন গৃহীত হয়নি এবং যারা ইউরোপে সুরক্ষা পাওয়ার দাবিদার নন, তাদের ফেরত পাঠাতে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে সহযোগিতার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।


সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, অভিবাসন সংক্রান্ত ইইউর চুক্তির শর্তই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশীদের বিপদে ফেলেছে। ইউরোস্ট্যাটের পরিসংখ্যান অনুযায়ী তাদের সংখ্যা লক্ষাধিক। অবৈধভাবে ইইউতে প্রবেশ করা নাগরিকের সংখ্যা বিচারে বাংলাদেশের অবস্থান ৩০টি দেশের মধ্যে ১৬তম। ২০০৮ সাল থেকে সেখানে অবৈধভাবে গেছে মোট ১ লাখ ৪ হাজার ৫৭৫ বাংলাদেশী। ২০০৮-১৫ সময়কালে মোট ৯৩ হাজার ৪৩৫ জন বাংলাদেশী অবৈধ অনুপ্রবেশ করে। আর ২০১৬ সালে অনুপ্রবেশ করে আরো ১০ হাজার ৩৭৫ জন বাংলাদেশী। অবৈধ ওসব বাংলাদেশী ইইউ সদস্যভুক্ত ২৮টি দেশে অবস্থান করছে। ২০০৮ সালে অবৈধভাবে ওসব দেশে গেছেন ৭ হাজার ৮৫ জন, ২০০৯ সালে ৮ হাজার ৮৭০, ২০১০ সালে ৯ হাজার ৭৭৫, ২০১১ সালে ১১ হাজার ২৬০ ও ২০১২ সালে ১৫ হাজার ৩৬০ জন বাংলাদেশী। তাছাড়া ২০১৩ সালে ১০ হাজার ১৩০, ২০১৪ সালে ১০ হাজার ১৪৫, ২০১৫ সালে ২১ হাজার ৫৭৫ ও ২০১৬ সালে ১০ হাজার ৩৭৫ জন বাংলাদেশী ইইউ সদস্যভুক্ত দেশগুলোয় অবৈধভাবে প্রবেশ করেছে।


সূত্র জানায়, নতুন চুক্তিতে অভিবাসনকে কোনো একক দেশ নয়, পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য চ্যালেঞ্জ বলে অভিহিত করা হয়েছে। স্বাক্ষরকারী নেতারা যে কোনোভাবে ২০১৫ সালের মতো শরণার্থী ও অভিবাসীর অনিয়ন্ত্রিত প্রবাহের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। অবৈধ অভিবাসীর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে গত বৃহস্পতিবার টানা ৯ ঘণ্টা আলোচনা করেন ইইউ নেতারা। দীর্ঘ আলোচনার পর ইইউভুক্ত দেশগুলোর সরকারপ্রধানরা ওই অভিবাসন চুক্তির ঘোষণা দেন। ২০১৪ সালে ইউরোপে শরণার্থীর ঢল নামার পর থেকে অভিবাসন ইস্যুতে ইইউ দেশগুলোর মতপার্থক্য ও দূরত্ব বাড়তে থাকে। গ্রিস, পোল্যান্ড ও চেক প্রজাতন্ত্রের মতো নতুন সদস্য দেশগুলো শরণার্থী ইস্যুতে নমনীয় নীতি গ্রহণে জোর অনীহা দেখায়।

একই অবস্থান নেয় অভিবাসন-প্রত্যাশী ও শরণার্থীর চাপে বিপর্যস্ত পুরনো সদস্য ইতালি। বিষয়টিকে ঘিরে হুমকিতে পড়া জোটের সংহতি ও অস্তিত্ব টেকাতে ইইউ নেতারা অভিবাসন প্রশ্নে এ কড়াকড়িতে একমত হলেন ইইউ নেতারা। তবে চুক্তিতে অভিবাসীদের আবেদন গ্রহণ-প্রত্যাখ্যানে সুরক্ষার প্রয়োজন বিবেচনার কথা বলা হয়েছে। ওই হিসাবে সিরীয় ও আফগান নাগরিকদের আবেদন তুলনামূলক ইতিবাচকভাবে দেখা হবে। আর অন্যান্য দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে তাদের জন্মভূমির সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে। ইউরোপে রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী বাংলাদেশীদের বিষয়ে ইউরোস্ট্যাটের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী ইইউ সদস্যভুক্ত বিভিন্ন দেশে ২০১৬ সালে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে ১৭ হাজার ২৫৫ জন বাংলাদেশীদের আবেদন ছিল। তা ২০১৭ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ২৮০ জনে। আর ২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে ইইউতে আবেদন করেছে ৮৩ হাজার ৪৯৫ জন বাংলাদেশী। ওসব বাংলাদেশীর বেশির ভাগেরই আবেদন ইতালি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, গ্রিস, জার্মানিসহ অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রে। শুধু ইতালিতে বাংলাদেশীদের আবেদনের ৬৩ শতাংশ জমা পড়েছে।


সূত্র আরো জানায়, ইইউর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অবৈধ অভিবাসীদের ইউরোপ থেকে বের করে দেবে। যেসব নাগরিকের ইইউতে থাকার কোনো অধিকার নেই, সেসব নাগরিককে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে হবে। যেসব দেশ তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করবে, সেসব দেশের নাগরিকদের জন্য ইইউর ভিসা সীমিত হয়ে যাবে। ২০১৪ সাল থেকে অভিবাসীদের নিয়ে কড়াকড়ি আরোপ করে ইইউ। দীঘ সময় ধরে অনুপ্রবেশ করা ওসব অবৈধ অভিবাসী মানব পাচারের শিকার। তাদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে ইতালি হয়ে ইউরোপে প্রবেশ করে। মানব পাচার ঠেকাতে ওই পথটি বন্ধ করেছে ইইউ। ওই পথে আসা বেশির ভাগই মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নাগরিক।
এদিকে বিশ্বের যেকোনো স্থানে অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশীদের ফিরিয়ে নিয়ে আসার বিষয়ে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। আর ইইউতে অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশী নাগরিকদের ফিরিয়ে আনতে তাদের সঙ্গে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) সই করেছে বাংলাদেশ। ইতিমধ্যে কিছু বাংলাদেশী ফেরতও এসেছে। নিয়মমাফিক উপায়ে ওসব অবৈধ বাংলাদেশীদের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর নাগরিকত্ব নিশ্চিত করে ফিরিয়ে আনা হবে।


অন্যদিকে ইইউর নতুন সিদ্ধান্তে অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে বাংলাদেশের ওপর কোনো বাড়তি চাপ আসবে কিনা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি যখন প্রথম উত্থাপন করা হয়েছে, তখন থেকেই এর ফলাফলের বিষয়ে নজর রাখা হচ্ছে। যে চুক্তিতে ইইউ নেতারা উপনীত হয়েছেন, তাতে দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ওপর এখনো কোনো বাড়তি প্রভাব পড়ার বিষয়টি প্রতীয়মান হয়নি। তবে ইইউতে অবৈধভাবে পাড়ি দেয়া, রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করা বা শরণার্থী হিসেবে নতুন করে আবেদন করা অথবা বাংলাদেশীদের অনিষ্পন্ন আবেদনে এর প্রভাব অবশ্যই পড়বে। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

খালেদার মুক্তির দাবিতে যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের জাতিসঙ্ঘে বিক্ষোভ
                                  

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে রিমান্ডে নির্মম নির্যাতনের প্রতিবাদে সোমবার বিকেলে নিউ ইয়র্কস্থ জাতিসঙ্ঘ সদর দফতরের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র যুবদল।

এসময় বক্তারা বলেন, সরকার জনগনকে ভয় পায় বলেই বিএনপি চেয়ারপারসনসহ দলের শীর্ষ নেতাদের কারান্তরীণ করে রেখেছে। গুম, খুনের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। সরকার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের কারাগারে নিপীড়ণ করে মৃত্যমুখে ঠেলে দিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. মুজিবুর রহমান, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু, সাবেক সহ-সভাপতি প্রফেসর দেলোয়ার হোসেন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, কামাল সাঈদ মোহন, মাহমুদুর রহমান, আবুল হাসেম শাহাদত, এমলাক হোসেন ফয়সাল, ফারুক চৌধুরী, এবাদ চৌধুরী, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আন্তর্জাতিক সম্পাদক গোলাম ফারুক শাহীন, নিউইয়র্ক সিটি বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা তারেক রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন পরিষদের সভাপতি পারভেজ সাজ্জাদ, ডা: তারেক জামান, ডা: জাহিদ দেওয়ান শামীম, হাসানুর রহমান, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সহ-সভাপতি হেলালুর রহমান, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম মাহমুদ মিজান প্রমুখ। বিক্ষোভ সমাবেশটি সঞ্চলনা করেন যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আহমদ।

এসময় বক্তারা জাতিসংঘের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, বেগম জিয়াসহ রাজনৈতিক নেতাদের মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে অবিলম্বে জাতিসঙ্ঘের তদন্ত টিম বাংলাদেশে পাঠাতে হবে।

তারা আরো বলেন, বাংলাদেশে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে জাতিসঙ্ঘের তত্ত্বাবধানে আসন্ন নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

বক্তারা আরো বলেন, সরকার ভেবেছিল খালেদা জিয়াকে বন্দী করে বিএনপিকে ধ্বংস করে দিবে। সরকারের সে চক্রান্ত জিয়ার আদর্শের সৈনিকরা ধূলিস্যাৎ করে দিয়েছে।

সাংবাদিক মঈনুল আলমের দাফন সম্পন্ন
                                  
প্রবীন সাংবাদিক মঈনুল আলমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ স্থানীয় সময় বাদ জোহর টরন্টোস্থ নাগেট মসজিদে জানাজা নামাজ শেষে তাঁকে পিকারী গোরস্থানে দাফন করা হয়।
 
মঈনুল আলম ১৮ জুন টরোন্টোর স্থানীয় সময় বিকাল সাড়ে ৫টা স্কার্বো জেনারেল হাসপাতালে ৮১ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলায়হি রাজেউন)। মৃত্যুর আগে তাঁর ক্যান্সার ধরা পরে বলে ডাক্তারেরা জানান। মঈনুল আলম ১৯৯৫ সাল থেকে স্বপরিবারে কানাডায় বসবাস করছিলেন। তাঁর স্ত্রী নার্গিস আলম একজন খ্যাতিমান সেতার শিল্পী। তাঁর একাধিক গ্রন্থ রয়েছে। তার মধ্যে ‘রক্তঋণ’ অন্যতম। তাঁর বাবা মাহবুবুল আলমও ছিলেন একজন লব্ধ প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিক এবং লেখক।
 
চট্রগ্রাম প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা মঈনুল আলম ছিলেন এক জন সৌখিন চিত্রশিল্পী এবং আলোকচিত্রী। দেশে-বিদেশে তাঁর বেশ ক’টি চিত্র প্রদর্শনী হয়েছে। তিনি দীর্ঘ ৩৫ বছর দৈনিক ইত্তেফাকের চট্টগ্রাম অফিসের ব্যুরো প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন।
কুয়েতে ঘুমের মধ্যে বাংলাদেশি যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন
                                  

 কুয়েতে ঘুমন্ত অবস্থায় মো. রহমত উল্লাহ (২০) নামে এক বাংলাদেশি যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

ঘটনাটি ঘটেছে কুয়েত শহরের বাহেরভাঙ্গাত এলাকায় মালিক আব্দুল্লাহ বিল্ডিংয়ে।

নিহত মো. রহমত উল্লাহ মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার পৌর মহল্লার গোবিন্দল মাঝিপাড়া গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে। তিনি এক সন্তানের জনক।

নিহতের বাবা সদ্য প্রবাসফেরত বাবুল হোসেন এ খবর শুনে বৃহস্পতিবার দুপুরে কুয়েতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

নিহতের পরিবার ও মামাতো ভাই মো. জসিম জানান, গত ৫-৭ বছর আগে আমার মামা বাবুল হোসেন কুয়েতের মালিক আবদুল্লাহর বিল্ডিং দেখাশোনা ও ভাটা উত্তোলনের কাজ নেয়। এরপর তার ছেলেকে প্রায় দুই বছর আগে ওই কাজের জন্য রহমত উল্লাহকে ভিসা দিয়ে নিয়ে যান।

এর মাঝখানে বাবা-ছেলে দুজনই ছুটিতে দেশে আসেন। গত ২ মাস আগে ছুটি শেষে রহমত কুয়েতে আবার চলে যায়। প্রতিদিনের মতো বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় বাবুল তার ছেলের মোবাইলে কল করে ঘুম থেকে ওঠার জন্য বারবার চেষ্টা করেন। পরে ওই বিল্ডিংয়ে কর্মরত বাংলাদেশি নজরুলকে ফোন করে রহমতের খবর নিতে বলেন।

পরে নজরুল গিয়ে তার শয়নকক্ষে দরজা আটকানো পেয়ে ডাকাডাকি শুরু করে একপর্যায় জানালার গ্লাসে দেখতে পান পেটে ছুরিকাঘাত রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। পরে পুলিশকে খবর দিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে।

সূত্র: যুগান্তর

আর কেউ যেন গৃহকর্মী হিসেবে সৌদি না যায়
                                  
সারা দিনরাত কাজ করাতো। খেতে দিত না। খাবার চাইলে মারধর করত। বেতন চাইলেও মারত। দেশে আসতে চাইলে মেরে অন্য বাসায় বিক্রি করে দিত। এক মালিকের বাড়িতে বেতন চাইলে স্বামী ও স্ত্রী দু’জন মিলে ব্যাপক মারধর করে। মরে গেছি মনে করে বাড়ির সামনের রাস্তায় ফেলে দেয়। পরে সৌদি পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।— এগুলো সৌদি আরবে গৃহকর্মী হিসেবে গিয়ে নির্যাতিত হয়ে ফিরে আসা কিশোরগঞ্জের কুলসুম বেগমের (ছদ্মনাম) কথা।
 
গত রবিবার রাত আটটা ২০ মিনিটে সৌদি আরবের এয়ার এরাবিয়া এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে করে কুলসুমসহ নির্যাতনের শিকার ৩০ জন নারীকর্মী দেশে ফিরেছেন। এর আগে গত ১৫ মে সৌদি আরব থেকে নির্যাতনের শিকার আরো ৪০জন গৃহকর্মী দেশে ফিরেন। স্বপ্ন নিয়ে তারা  দেশ ছেড়েছিলেন। সৌদি আরব গিয়েছিলেন গৃহকর্মীর কাজ নিয়ে। আর ফেরত আসলেন পলিথিন ভরা কয়েকটি ছেঁড়া কাপড় নিয়ে। ইমিগ্রেশন শেষ হওয়ার পর বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় তাদের চোখে ছিল অশ্রু। নিজেদের আড়াল করতে তারা মুখমন্ডল কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখেন। এর মধ্যে কেউ কেউ ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিলেন। বলছিলেন, ‘ছবি, ভিডিও করে কী করবেন? পারলে অন্য নারীদের সৌদি যাওয়া ঠেকান। আর কেউ যেন গৃহকর্মী হিসেবে সৌদি আরব না যায়।  আটকে পড়া নারীদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেন।’
 
ওই নারীরা সৌদি আরবের রিয়াদে বিভিন্ন বাড়ির গৃহকর্তা ও তাদের স্ত্রীদের মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। পরে তাদেরকে দেশটির ‘সফর’ জেলে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে তাদের দেশে পাঠানো হয়।  রবিবার দেশে ফেরা নির্যাতনের শিকার  নারীদের বাড়ি ঢাকা, কুমিল্লা, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পটুয়াখালী, বরিশাল, যশোর, হবিগঞ্জ ও গোপালগঞ্জে বলে জানা গেছে।
 
সৌদি ফেরত নারীরা জানিয়েছেন, দেশটির বাসাবাড়িতে কাজ করতে গিয়ে তারা বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হন। কাজ করার পর তারা কোনো ধরনের বেতন পাননি। উল্টো বেতন চাইতে গিয়ে মারধর, শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বাধ্য হয়ে তারা বাসা বাড়ি থেকে পালিয়ে যান এবং বাংলাদেশের আশ্রয় কেন্দ্রে তাদের রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে তারা দেশে ফেরেন।
 
দুই মাস আগে সৌদিতে এক দালালের মাধ্যমে যান কুলসুম। সেখানে গিয়ে তিনি যে বাসায় কাজ করেন সে বাসার মালিক ও তার স্ত্রী তাকে সারাদিন রাত কাজ করাতেন। আর কাজ করে মাসের শেষে বেতন চাইলে তাকে মারধর করা হতো। দু মাস কাজ করলেও তাকে কোনো বেতনই দেওয়া হয়নি।
 
শুধু তাই নয়, বাসার মালিকের কাছে বেতন চাওয়ায় মারধর করে তাকে ২৫ হাজার রিয়েলে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। সেখানে মারধর করে তাকে রাস্তায় মৃত ভেবে ফেলে দেয়া হয়।
 
তিনি আরও জানান, বেতন চাইলে মালিক তাকে বলতেন, তোকে দুই বছরের জন্য ২৫ হাজার রিয়েলে কিনে আনছি। কুলসুম বলেন, বাড়িতে ফোন দিতে চাইলে ফোন দিতে দিতো না। খালি মারত। আমরা তো গেছিলাম সুখের জন্য। কিন্তু সুখ তো কপালে জুটলো না। রবিবার রাতে তিনি যে দেশে ফিরেছেন তখন পর্যন্ত খবরটি পায়নি তার পরিবার। তিনি বলেন, রাতে কোথায় থাকব জানি না, বাড়ির কাউকে একদিনও ফোন করতে পারিনি।
 
স্বামী হারানো নওগাঁ সদরের আয়েশা দুই সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন। গ্রামের দালালের খপ্পরে পড়ে বেশি বেতনের প্রলোভনে পড়ে সৌদি যান। স্বপ্ন ছিল সৌদিতে গিয়ে আয়ের টাকায় দুটি সন্তানের ভবিষ্যত তৈরি করবেন তিনি। কিন্তু তার সে স্বপ্ন এখন দাফনের পথে। গ্রামে ফিরবেন কি না তা তিনি জানেন না। তার ওপর যে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছে, তাতে তিনি সামাজিক লজ্জার ভয়ে নওগাঁ যেতেও পারছেন না।
 
আয়েশা জানান, তিনি দু বছর কাজ করেছেন, কিন্তু তাকে মাত্র ১৩ মাসের বেতন দেওয়া হয়েছে। বাকি ১১ মাসের কোনো বেতন তিনি পাননি। বেতনের কথা তুললেই মারধর করা হতো। তিনি কাজ করবেন না জানালে বাসার মালিক তাকে মারধর করে রাস্তায় ফেলে যান। পরে সৌদি পুলিশের কাছে তিনি আটক হয়ে এক সপ্তাহ জেল খেটে দেশে ফিরেন।
 
আয়েশা বলেন, টাকা রেখে জান নিয়ে চলে আসছি। মালিক মেরে রাস্তায়  ফেলে দিয়েছিল। টাকার কথা বললেই মারত। স্বামী যেতে দিবেনা, তাও গেছিলাম, তখন স্বামীর কথা শুনি নাই। নওগাঁ যে যাব কিভাবে সেটা ভাবছি।
 
অন্যদিকে, বরিশাল সদরের মালা বেগম (২৫)। তিনিও আয়েশা ও কুলসুমের সাথে সৌদি গিয়েছিলেন। যাওয়ার সময় এক প্রতিবেশীর কাছে ৩০ হাজার টাকা ধার করে সৌদি পাড়ি জমান। কিন্তু যাওয়ার পর থেকে বাড়িতে কোনো টাকা পয়সা পাঠাতে পারেননি।
 
খালি হাতে ফেরত আসার কারণে বেশির ভাগের হাতে মোবাইল ফোনও নেই। অনেকেই জানেন না রাতের বেলা তারা কোথায় যাবেন। নির্যাতনের শিকার হওয়া সৌদি আরব ফেরত এই নারীদের সহায়তা করতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির তথ্য কর্মকর্তা আল-আমিন। তিনি বলেন, যে নারীদের যাওয়ার কোনো জায়গা নেই তাদের ব্র্যাকের একটি সেন্টারে সাময়িক আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। আর যাদের যাওয়ার জন্য হাতে টাকা নেই সেই নারীদের আর্থিকভাবে সহায়তা করা হচ্ছে। অসুস্থ হয়ে কেউ ফিরলে তাদের চিকিত্সার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কয়েক দিন বেশি সময় আশ্রয় লাগলে অভিবাসন নিয়ে কর্মরত ওকাবের আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হচ্ছে। ব্র্যাকের এই কর্মকর্তা জানান, ব্র্যাকের পক্ষ থেকে ১২০ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বরাবর আবেদন করা হয়, এর মধ্যে এ নিয়ে মোট ৯০ জন নারীকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।  

   Page 1 of 11
     প্রবাসে বাংলা
নজরুলের জীবন অবলম্বনে নাটক ‘নীলকণ্ঠ নজরুল’ যুক্তরাষ্ট্রে মঞ্চস্থ
.............................................................................................
দুর্নীতিগ্রস্ত সিনারফ্লাক্সের জালে আটকা ৭০ হাজার কর্মীর ভাগ্য
.............................................................................................
কুয়েতে চাকরি হারাচ্ছেন ৩ হাজার ১৪০ প্রবাসী
.............................................................................................
‘ল্যাটিন আমেরিকায় বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার সময় এখনই’
.............................................................................................
জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
মুম্বাইয়ে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকী পালন
.............................................................................................
সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘নিবিড় যোগাযোগ বলয় গঠন’
.............................................................................................
এক ক্লিকেই ডলার যাবে বাংলাদেশে
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ কামনা
.............................................................................................
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
ইউরোপে থাকার সুযোগ হারাচ্ছে অবৈধ অবস্থানকারী লক্ষাধিক বাংলাদেশী
.............................................................................................
খালেদার মুক্তির দাবিতে যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের জাতিসঙ্ঘে বিক্ষোভ
.............................................................................................
সাংবাদিক মঈনুল আলমের দাফন সম্পন্ন
.............................................................................................
কুয়েতে ঘুমের মধ্যে বাংলাদেশি যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন
.............................................................................................
আর কেউ যেন গৃহকর্মী হিসেবে সৌদি না যায়
.............................................................................................
ইতালিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
ভিসার মেয়াদ শেষে দেশে না ফিরলে জরিমানা ৫০ হাজার রিয়াল
.............................................................................................
মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে ২ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত
.............................................................................................
জর্জিয়ার সিনেটে বাংলাদেশি শেখ রহমানের জয়
.............................................................................................
সৌদিতে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ১৪১ বাংলাদেশি
.............................................................................................
সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার ৫ নারীকে দেশে ফেরত
.............................................................................................
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
সিঙ্গাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
ইতালিতে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
বিদেশগামী নারী কর্মীদের নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করবে সরকার: নুরুল ইসলাম
.............................................................................................
প্রবাসীদের জাতীয় পরিচয়পত্র দ্রুত দেওয়ার সুপারিশ
.............................................................................................
সৌদি আরবে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু
.............................................................................................
মেক্সিকো সীমান্তে ছয় মাসে আটক ১৭১ বাংলাদেশি
.............................................................................................
ফিলিপাইনে ১১ বাংলাদেশিসহ ৬৬ জন আটক
.............................................................................................
লন্ডনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাউন্সিল প্রার্থীর ওপর হামলা
.............................................................................................
সিডনিতে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিহত
.............................................................................................
মেলবোর্নের আকাশে উড়ল বাংলাদেশের পতাকা
.............................................................................................
সময়মতো এমআরপি পাচ্ছে না হাজার হাজার সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশী
.............................................................................................
আবুধাবিতে চার খুনে ১০ বাংলাদেশি শ্রমিক গ্রেপ্তার
.............................................................................................
সৌদি আরবস্হ হাইল কেন্দ্রিয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের কার্য নির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন
.............................................................................................
মালিতে নিহত ৪ সেনা সদস্যের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে
.............................................................................................
মালয়েশিয়ায় ২৮ বাংলাদেশি আটক
.............................................................................................
বাংলাদেশিদের জন্য আবার বন্ধ কুয়েতের শ্রমবাজার
.............................................................................................
মালিতে মাইন বিস্ফোরণে চার বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত
.............................................................................................
প্রবাসেও সক্রিয় প্রশ্ন ফাঁসের চক্র
.............................................................................................
সৌদিতে দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু
.............................................................................................
খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র
.............................................................................................
সৌদিতে নতুন আইন, বেকার হবেন কয়েক লাখ শ্রমিক
.............................................................................................
ফ্রান্স প্রবাসীদের সম্মিলিত উদ্যোগে একুশের আয়োজন
.............................................................................................
স্পেনে বাংলাদেশি অভিবাসীদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা চালু
.............................................................................................
অস্ট্রেলিয়ায় ছুরিকাঘাত করে গ্রেপ্তার হলেন বাংলাদেশি তরুণী
.............................................................................................
স্বামী বিদেশি হলেও সৌদি নাগরিকত্ব পাচ্ছে সন্তানরা
.............................................................................................
চার তলা ভবন থেকে পড়ে প্রবাসী শ্রমিকের মৃত্যু
.............................................................................................
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি হত্যায় ব্রিটিশের ৪৩ বছরের কারাদন্ড
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]