| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   প্রবাসে বাংলা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ফরিদগঞ্জের কৃতি সন্তান কাতারের ব্যবসায়ী জালাল আহাম্মেদের সম্মাননা অর্জন

এস.এম ইকবাল :

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পেলেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে কৃতি সন্তান জালাল আহমেদ। গত বুধবার কাতারে বাংলাদেশ ফোরাম কাতার কতৃক আয়োজিত এক জাঁকজমক পূর্ণ কর্পোরেট নাইট অনুষ্ঠানের কাতারের বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদের হাত থেকে জালাল আহমেদ এই সম্মননা গ্রহণ করেন। সিআইপি জালাল আহমেদ কাতারে গোল্ডেন মার্বেল ইন্ডাষ্ট্রির প্রধান নির্বাহী । জালাল আহমেদ গত ২৩ বছর ধরে কাতারে ব্যবসায়ী হিসেবে সুনামের সাথে ব্যবসা করে চলছেন। সেখানে তিনি ৪টি মার্বেল পাথরের কারখানা স্থাপন করেন। যেখানে প্রায় সহস্রাধিক বাংলাদেশী কর্মরত রয়েছেন।  তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকার হাজী আ: রশিদের বড় ছেলে। তিনি ব্যবসায়ী  হিসেবে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সিআইপি হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছেন।

জালাল আহমেদ ছোট ভাই সাহাবুদ্দিন আহমেদ সাবু জানান,  তার ভাই জালাল আহমেদ সর্বদা সাদামাটা জীবন যাপন করেন। গত ২৩ বছর ধরে তিনি কাতারে সুনামের সাথে কাতারে ব্যবসা করে আসছেন। কাতারে তার প্রতিষ্ঠানের নাম গোল্ডেন মার্বেল। তিনি ব্যবসা করার সাথে সাথে এলাকার লোকজনের জন্য নিবেদিত প্রাণ। নিজস্ব অর্থে তিনি  এতিম খানা ও মাদ্রাসা তৈরি করেছেন। সমাজের অসহায় ও দরিদ্র লোকজনের পাশে দাড়াচ্ছেন নিয়মিত। বছরে বিভিন্ন সময়ে দেশে এসে দরিদ্র মানুষের আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করে তাদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার চেষ্টা এখনো করে যাচ্ছেন।

সাহাবুদ্দিন আরো জানান, তারা ৭ ভাই ২ বোন। এর মধ্যে এক বোন মাজেদা বেগম বর্তমান ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিন মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে জালাল আহমেদ স্ত্রীসহ কাতারেই থাকেন। প্রবাসী ব্যবসায়ী হিসেবে তিনি ইতিমধ্যেই কাতার সরকারের সুনজরে রয়েছেন। 

ফরিদগঞ্জের কৃতি সন্তান কাতারের ব্যবসায়ী জালাল আহাম্মেদের সম্মাননা অর্জন
                                  

এস.এম ইকবাল :

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পেলেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে কৃতি সন্তান জালাল আহমেদ। গত বুধবার কাতারে বাংলাদেশ ফোরাম কাতার কতৃক আয়োজিত এক জাঁকজমক পূর্ণ কর্পোরেট নাইট অনুষ্ঠানের কাতারের বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদের হাত থেকে জালাল আহমেদ এই সম্মননা গ্রহণ করেন। সিআইপি জালাল আহমেদ কাতারে গোল্ডেন মার্বেল ইন্ডাষ্ট্রির প্রধান নির্বাহী । জালাল আহমেদ গত ২৩ বছর ধরে কাতারে ব্যবসায়ী হিসেবে সুনামের সাথে ব্যবসা করে চলছেন। সেখানে তিনি ৪টি মার্বেল পাথরের কারখানা স্থাপন করেন। যেখানে প্রায় সহস্রাধিক বাংলাদেশী কর্মরত রয়েছেন।  তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকার হাজী আ: রশিদের বড় ছেলে। তিনি ব্যবসায়ী  হিসেবে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সিআইপি হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছেন।

জালাল আহমেদ ছোট ভাই সাহাবুদ্দিন আহমেদ সাবু জানান,  তার ভাই জালাল আহমেদ সর্বদা সাদামাটা জীবন যাপন করেন। গত ২৩ বছর ধরে তিনি কাতারে সুনামের সাথে কাতারে ব্যবসা করে আসছেন। কাতারে তার প্রতিষ্ঠানের নাম গোল্ডেন মার্বেল। তিনি ব্যবসা করার সাথে সাথে এলাকার লোকজনের জন্য নিবেদিত প্রাণ। নিজস্ব অর্থে তিনি  এতিম খানা ও মাদ্রাসা তৈরি করেছেন। সমাজের অসহায় ও দরিদ্র লোকজনের পাশে দাড়াচ্ছেন নিয়মিত। বছরে বিভিন্ন সময়ে দেশে এসে দরিদ্র মানুষের আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করে তাদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার চেষ্টা এখনো করে যাচ্ছেন।

সাহাবুদ্দিন আরো জানান, তারা ৭ ভাই ২ বোন। এর মধ্যে এক বোন মাজেদা বেগম বর্তমান ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিন মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে জালাল আহমেদ স্ত্রীসহ কাতারেই থাকেন। প্রবাসী ব্যবসায়ী হিসেবে তিনি ইতিমধ্যেই কাতার সরকারের সুনজরে রয়েছেন। 

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা
                                  

 যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে এক বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করেছে এক দুর্বৃত্ত। নিহত বাংলাদেশির নাম জয়নুল ইসলাম। তার বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের কাজীবন্ধ গ্রামে। তিনি মিশিগানের ডেট্রয়েটের কাশ্মীর স্ট্রিটে পরিবারসহ বসবাস করতেন।

তিনি পেশায় একজন ট্যাক্সিচালক ছিলেন। নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তারাবির নামাজ পড়ে ট্যাক্সিক্যাব নিয়ে বের হওয়ার পর গত শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টা থেকে ৩টার মধ্যে সন্ত্রাসী হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন জয়নুল ইসলাম। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধীকে শনাক্ত করার জোর প্রচেষ্টা চলছে।

বেঁচে যাওয়া ১৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন
                                  

লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ার উপকূলবর্তী ভূমধ্যসাগরে অভিবাসীবাহী নৌকাডুবির ঘটনায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া ১৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের টিকে-৭১২ বিমানযোগে দেশে পৌঁছান তারা।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে খবরটি নিশ্চিত করেছে। 

লিবিয়ার ত্রিপোলির বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্র জানায়, লিবিয়া হয়ে দুটি নৌকায় ইতালি যেতে চেয়েছিলেন অভিবাসী প্রত্যাশীরা। একটি নৌকায় প্রায় ৫০ এবং অন্যটিতে ৭০ জন যাত্রী ছিল। ওই দুটি নৌকা গত ৯ মে রাতে একই সময়ে যাত্রা শুরু করে। তবে একটি নৌকা নিরাপদে ইতালি পৌঁছালেও অন্যটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

ত্রিপোলির বাংলাদেশ দূতাবাসের লেবার কাউন্সিলর এ এস এম আশরাফুল ইসলাম বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৪ বাংলাদেশিকে জীবিত এবং এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম উত্তম কুমার। তার বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়ায়।

এর আগে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় কতজন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাননি জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, উদ্ধার হওয়া ১৪ জনের সবাই বাংলাদেশি। এ ছাড়া নিহতদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য নেই। যেহেতু ৩৭ জনকে পাওয়া যাচ্ছে না, সেক্ষেত্রে ৩০ থেকে ৩৫ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সোমবার (১৪ মে) রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নৌকাডুবির নিহত ঘটনায় ২৭ বাংলাদেশির পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে বলে জানানো হয়।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পারিবারিক যোগাযোগ পুনঃস্থাপন (আরএফএল) বিভাগে দায়িত্বরত পরিচালক ইমাম জাফর শিকদার বলেন, তিউনিসিয়া রেড ক্রিসেন্টের আঞ্চলিক প্রধান মাঙ্গি স্লিমের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া চার বাংলাদেশির সঙ্গে কথা বলে নিহত ২৭ বাংলাদেশির পরিচয়ের বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন তারা। তবে লাশ না পাওয়ায় তাদের নাম এখনও নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকায় রাখা হয়েছে।

সৌদি আরবে চালু হচ্ছে ‘গ্রিন কার্ড’
                                  

পেশাজীবী প্রবাসীদের সরাসরি স্থায়ী বসবাসের অনুমতি দিতে গ্রিন কার্ড চালু করছে সৌদি আরব।  গতকাল বুধবার সে দেশের মন্ত্রিসভায় প্রথমবারের মতো এই পরিকল্পনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

দেশটির সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ইকামা’ নামে এই পরিকল্পনার আওতায় বসবাসের অনুমতি পাওয়া প্রবাসীরা দেশটিতে ব্যবসা করা ও সম্পত্তি কেনার সুযোগ পাবেন।  এমনকি কোনো সৌদি স্পন্সর ছাড়াই পরিবারের সঙ্গে দেশটিতে বসবাস করতে পারবেন তারা।

বর্তমানে সৌদিতে যে ব্যবস্থা চালু আছে, তাতে সেখানে ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে বসবাস করতে একজন সৌদি চাকরিদাতার স্পন্সরশিপের অপরিহার্যতা রয়েছে।  এ ব্যবস্থার আওতায় প্রায় এক কোটি বিদেশি সৌদি আরবে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।

তবে এখনও পরিকল্পনার বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।  নতুন ইকামা ব্যবস্থা নিয়ে আশাবাদী সৌদি কর্মকর্তারা। তাদের বিশ্বাস, এই ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বেশি সংখ্যক বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাকে সৌদি আরবের প্রতি আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে।

ভূমধ্যসাগরে নিহতদের মধ্যে ২৭ বাংলাদেশির লাশ শনাক্ত
                                  

 তিউনিসিয়া উপকূলে ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে নিহতদের মধ্যে ২৭ জন বাংলাদেশির লাশ শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। রেড ক্রিসেন্টের পারিবারিক যোগাযোগ পুনঃস্থাপন বিভাগের প্রোগ্রাম কর্মকর্তা সাইয়্যেদা আবিদা ফারহীন বলছেন, নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা ধারণার চেয়েও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। সংঘাতময় লিবিয়ার জুয়ারা থেকে অবৈধভাবে ইতালিতে যেতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রওনা হয়েছিলেন ওই নৌযাত্রীরা।

ভোররাতে তিউনিসিয়া উপকূলে আরেকটি ছোট নৌকায় তাদের ওঠানোর পর যাত্রীর ভারে তা ডুবে যায়। তিউনিসিয়ার জেলেরা সাগর থেকে ১৬ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেন, তাদের মধ্যে ১৪ জন বাংলাদেশি। ফারহীন জানান, চারজন বাংলাদেশি এখন তিউনিসিয়ার জারজিস শহরে হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

তবে তারা ওই ১৪ জনের মধ্যে কি না- সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত হতে পারেননি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে এ মোমেন গত রোববার সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ওই নৌকার আরোহীদের মধ্যে ৩০ থেকে ৩৫ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে রেড ক্রিসেন্ট কর্মকর্তা ফারহীন জানান, তিউনিসিয়া রেড ক্রিসেন্টের মাধ্যমে যে তথ্য তারা পেয়েছেন, তাতে ওই নৌকায় ৮৫ থেকে ৯০ জন আরোহী ছিলেন। তাদের মধ্যে ৩২ জন মিশরীয় নাগরিক ছিলেন বলে বেঁচে ফিরে আসা যাত্রীরা বলেছেন। নৌকার আরোহীদের মধ্যে ৫০ থেকে ৫৫ জন বাংলাদেশি থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা আগের ধারণার চেয়ে বেশি হতে পারে।

ফারহীন জানান, এ পর্যন্ত মোট ২৭ জন বাংলাদেশির লাশ শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের অধিকাংশের বাড়ি সিলেট, মাদারীপুর ও নোয়াখালী জেলায়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন গত রোববার ঢাকায় সাংবাদিকদের বলেন, তিউনিসিয়ায় বাংলাদেশের দূতাবাস না থাকায় সঠিক তথ্য পেতে দেরি হচ্ছে। এজন্য লিবিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শেখ সিকান্দার আলী দূতাবাসের একজন কর্মকর্তাকে তিউনিসিয়া পাঠিয়েছেন বলে জানান মন্ত্রী। রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, তিউনিসিয়ায় নৌকা ডুবিতে হতাহত ও নিখোঁজদের পরিচয় জানার পাশাপাশি দেশে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে কাজ করছে তারা।

এ বিষয়ে যে কোনো তথ্যের জন্য স্বজনদেরকে ০০৮৮ ০১৮১১ ৪৫৮৫২১ (২৪ ঘণ্টা), ০০৮৮ ০১৮১১ ৪৫৮৫২৪ (৯টা থেকে ৩.৩০ টা, অফিস চলাকালীন), ০০৮৮ ০২ ৪৯৩৫৪২৪৬ (৯টা থেকে ৩.৩০ টা, অফিস চলাকালীন) নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

 

মন্ত্রণালয়ের অসহযোগিতায় প্রবাসী কর্মীর লাশ দেশে পদে পদে হয়রানি শিকার হচ্ছে স্বজনরা
                                  

বিদেশে কর্মরত রয়েছে এদেশের বিপুলসংখ্যক কর্মী। আর বিদেশে কর্মরত ওসব কর্মীদের অনেকেই কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হয়। ওসব ঘটনায় অনেকে মারাও যায়। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের অসহযোগিতার কারণে ওসব প্রবাসী কর্মীদের লাশ দেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না। এমনকি ওসব প্রবাসী কর্মীর স্বজনরা দিনের পর দিন মন্ত্রণালয়ে ঘুরে নিজ খরচেও লাশ আনতে পারে না। ফলে বাংলাদেশী প্রবাসী কর্মীর লাশ মাসের পর লাশ সংশ্লিষ্ট দেশেই পড়ে থাকছে।

যা এক অমানবিক পরিস্থির জন্ম দিচ্ছে। পাশাপাশি বিদেশ থেকে বৈধ কর্মীর লাশ আনা বাবদ সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা দেয়ার বিধান থাকলেও ওই টাকা পেতেও নানা কাঠখড় পোড়াতে হয়। আর লাশ দেশে আনার পর সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৩ লাখ টাকা নিহত পরিবারকে দেয়ার আইন রয়েছে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, মন্ত্রণালয় ওই টাকা দিতেও নানা টালবাহানা করে। ক্ষতিপূরণের টাকা পেতেও নিহত স্বজনদের টাকা গুনতে হয়। টাকা না দিলে ক্ষতিপূরণের টাকা মেলে না। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।


সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বাংলাদেশী কর্মীও বিদেশে মৃত্যুর পর মাসের পর মাস কেটে গেলেও মৃত অনেকের পরিবারই নানা কারণে ক্ষতিপূরণ পায়নি। বিগত একযুগের বেশি সময়ে ৩২ হাজারেরও বেশি প্রবাসী কর্মীর লাশ দেশে এসেছে। কিন্তু তার মধ্যে ১২ হাজারের বেশি পরিবার সরকারি ক্ষতিপূরণ পায়নি। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় মতে, আইনি জটিলতায় কর্মস্থল থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে দেরি হয়। আবার যদি কারোর অবৈধ পথে বিদেশে গিয়ে মৃত্যু ঘটে তার দায় নেয় না মন্ত্রণালয়। ফলে ওই লাশ স্বজনরা দেশে আনতে মন্ত্রণালয়ের কোন সহযোগিতাই পায় না। এমন অবস্থায় ওই লাশ আর দেশেই আসে না। অথচ বিদেশে কাজ করতে গিয়ে বাংলাদেশী কর্মীরা হরহামেশায়ই বিভিন্ন দুর্ঘটনার শিকার হয়। মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশী কর্মীরা কাজ করছে। সম্প্রতি সৌদি আরব ও মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজন বাংলাদেশী কর্মী নিহত হয়। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নিজ উদ্যোগে তাদের লাশ দেশে আনার কথা। কিন্তু লাশের স্বজনরা দিনের পর দিন মন্ত্রণালয়ে ঘুরেও তেমন কোন সহযোগিতা পায়নি।


সূত্র জানায়, বিগত দশ বছর আগে সৌদি আরবেই মারা গেছে ২০ হাজারের বেশি বাংলাদেশী কর্মী। তাদের অনেকের লাশ দেশেই আনা হয়নি। মূলত সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের গাফিলতি ও দায়িত্বহীনতার কারণে লাশগুলো দেশে আসেনি। স্বজনরা নিজেদের টাকা ব্যয় করে হলেও লাশ দেশে আনার জন্য মন্ত্রণালয়ে বার বার গিয়েও কোন সহযোগিতা পাননি। তাছাড়া বিভিন্ন দেশের কর্মস্থল থেকে ক্ষতিপূরণ পেতে প্রায় ৬ হাজার পরিবার অপেক্ষা করছে। ক্ষতিপূরণের আশ্বাস মিললেও এখন পর্যন্ত কোন টাকাই পাওয়া যায়নি।

তাছাড়া বিদেশে যেসব কোম্পানিতে নিহত বাংলাদেশী কর্মীরা কাজ করেছে সেখান থেকেও কোন টাকা পাওয়া যায়নি। ওই টাকা আদায়ের জন্য বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের হাইকমিশন ও দূতাবাসের ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূণ। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, তারা এ বিষয়ে কোন কাজই করে না। সরকারি হিসেবে ২০০৫ থেকে পর্যন্ত ৩২ হাজার ৪৬৭ জন কর্মীর মরদেহ দেশে এলেও এখনো ১২ হাজার ২৪০ জনের পরিবার সরকারী ক্ষতিপূরণ পাননি।
সূত্র আরো জানায়, প্রবাসী কর্মীর মৃত্যুর পর প্রায় ৬ হাজার পরিবারের কর্মস্থল থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় হয়নি। তারমধ্যে সৌদি আরবে ৩ হাজার ১৪৬, ওমানে ৫১১, মালয়েশিয়ায় ৪৪৫, আবুধাবিতে ৪০৬টিসহ বিভিন্ন দেশে কয়েক হাজার ক্ষতিপূরণের নথি আটকে আছে। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দাবি- আইনগত জটিলতায় কর্মস্থল থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে দেরি হয়। তবে প্রবাসী কর্মীর মৃত্যুর পর কম সময়ে ক্ষতিপূরণ পেতে আইন উপদেষ্টা নিয়োগসহ সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
এদিকে শ্র ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশে মৃত কর্মীদের দুই জায়গা থেকে ক্ষতিপূরণ পাবার কথা। প্রথমত বিদেশে কর্মরত প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য বেশিরভাগ কর্মীই ওই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কারণ আইনের নানা প্যাঁচে ক্ষতিপূরণের টাকা বেশির ভাগ পরিবার পাচ্ছে না। যদিও দাবি উঠেছে বিদেশে কোন কর্মী দুর্ঘটনায় মারা গেলে তাদের পরিবারকে সরকার ঘোষিত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আবার যেসব কর্মী বিদেশ যাবে তাদের নামে বাধ্যতামূলকভাবে ইন্সুরেন্স করতে হবে। যাতে পরিবারগুলো সরকারের কাছ থেকেও ক্ষতিপূরণের টাকা পায়, আবার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলোর কাছ থেকেও ক্ষতিপূরণ পায়। আর তাহলেই নিহত কর্মীর পরিবার একটা কিছু করে খেতে পারবে। কারণ এমনও পরিবার আছে যার একমাত্র কর্মক্ষম ব্যক্তিরই মৃত্যু হয়েছে। ওই পরিবার যাতে ভালভাবে চলতে পারে তার জন্য এসব দাবি বাস্তবায়ন করা জরুরি। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে তিপূরণ দিতে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালুর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, যাদের পাসপোর্ট পাওয়া যায় না। তাদের কাগজপত্র ছাড়াই নথিভুক্ত করা হচ্ছে। ক্ষতিপূরণ পাওয়া যেন সহজ হয় সেক্ষেত্রে সরকারকে আন্তরিক হতে হবে। কোন কর্মী মারা গেলে তার পরিবার যাতে সহজে ক্ষতিপূরণ পেতে পারে তার জন্যে ওয়ান স্টপ সার্ভিসের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। তাছাড়া ওই প্রতিষ্ঠান থেকে যতো দ্রুত সম্ভব ক্ষতিপূরণ উদ্ধারে সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
অন্যদিকে এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, লাশ আনা নিয়ে নানা বিষয় রয়েছে। এখানে অনেক আইনি জটিলতা আছে। বৈধ কর্মী হলে মন্ত্রণালয় থেকে লাশ আনা বাবদ তাৎক্ষণিকভাবে ৩০ হাজার টাকা দেয়া হয়। লাশ দেশে আনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে যথাযথভাবে আবেদন করলে পরিবারকে আরো ৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়।

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহতদের অধিকাংশই বাংলাদেশি
                                  

লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে অভিবাসীবাহী একটি নৌকা ডুবে নিহত ৬০ জনের মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশি। রেড ক্রিসেন্ট এই তথ্য জানিয়েছে।

তিউনিসিয়ার উপকূলের কাছে গত বৃহস্পতিবার রাতে নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকাডুবির ঘটনায় গত শুক্রবার তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তিউনিসিয়ায় রেড ক্রিসেন্টের কর্মকর্তা মঙ্গি স্লিম বলেন, নৌকাটিতে প্রায় ৭৫ জন আরোহী ছিলেন। তাঁদের সবাই পুরুষ। তাঁদের মধ্যে ৫১ জনই বাংলাদেশি।

তিউনিসিয়ার জেলেরা নৌকার আরোহীদের মধ্যে ১৬ জনকে উদ্ধার করেন। তাঁদের মধ্যে ১ শিশুসহ ১৪ জন বাংলাদেশি।

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানায়, অভিবাসীবাহী নৌকাটি বৃহস্পতিবার লিবিয়ার জুওয়ারা থেকে রওনা হয়। ইতালি যাওয়ার পথে নৌকাটি ডুবে যায়।

বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, নৌকাটি প্রবল ঢেউয়ের মধ্যে পড়ে ডুবে যায়।

চলতি বছর এটিই অভিবাসনপ্রত্যাশী বহনকারী কোনো নৌকাডুবির সবচেয়ে বড় ঘটনা।

ইউএনএইচসিআরের তথ্যমতে, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে লিবিয়া থেকে ইউরোপে পাড়ি জমাতে গিয়ে অন্তত ১৬৪ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

দু’দিনে দেশে ফিরলেন ৩৭৫ বাংলাদেশী
                                  

বিভিন্ন দেশ থেকে দু’দিনে ৩৭৫ জন বাংলাদেশী দেশে ফিরেছেন। সৌদি আরব, ওমান, লিবিয়া, ইরাক, ও ইরানসহ কয়েকটি দেশ থেকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন তারা। তাদের বেশির ভাগই ভাগ্যবদলের আশায় বিদেশ গিয়ে কাজ না পেয়ে দেশে ফিরেছেন। কয়েকজন অবশ্য অবৈধ পন্থায় ইউরোপ যাওয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক, ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরীফুল হাসান বলেন, গত দু’দিনে বিভিন্ন দেশ থেকে ৩৭৫ জন দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে বুধবার ফিরেছেন ২১০ জন। তাদের মধ্যে সৌদি আরব থেকে ৭৫ জন, ইরান থেকে ৪৫ জন, ওমান থেকে ৪৩ জন, কাতার থেকে ৪০ জন এবং লিবিয়া থেকে সাতজন। বুধবার রাত ২টায় সৌদি আরব থেকে ফিরেছেন ১০৫ জন এবং বৃহস্পতিবার দুপুরে ইরান, ইরাক ও লিবিয়া থেকে ফিরেছেন আরো ৬০ জন কর্মী।

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহকারী পরিচালক তানভীর আহমেদ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় জানান, বর্তমানে ইমিগ্রেশনের ভেতরে ৭০ জনের মতো আছেন। এর মধ্যে বুধবারেরও কয়েকজন আছেন। আমরা তাদের জন্য ইফতারের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিদেশ ফেরত এসব বাংলাদেশী প্রতারিত হয়ে দেশে ফিরেছেন। বেশির ভাগই কাজ না পেয়ে, খেয়ে না খেয়ে দেশে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন। অনেকে আবার বিভিন্ন পথে ইউরোপে যাওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে যেতে না পেরে বা ‘ধরা’ খেয়ে দেশে ফিরেছেন।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফেরার পর তাদের ঠিকানা অনুযায়ী নিজ নিজ থানা পুলিশের মাধ্যমে ভেরিফিকেশন করা হচ্ছে। ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দর অভ্যন্তরে ইমিগ্রেশন পার হতে দেয়া হচ্ছে না। ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম এবং প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক এসব বাংলাদেশীর ইফতারসহ খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করছে।

পরিচয় নিশ্চিত হলো সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের
                                  

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশি নাগরিকদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বুধবার সকালে ১৭ জন শ্রমিক দাম্মাম থেকে মদিনা যাওয়ার পথে রিয়াদের কাছাকাছি শাকরা নামক স্থানে তাদের বহনকারী মিনিবাসের চাকা ফেটে খাঁদে পড়ে গেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে ১০ জন নিহত হন। আহত হন আরও ৭ জন।

আহত ৫ জনের মধ্যে ২ জন রিয়াদে ও ৩ জনকে শাকরা হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া অন্য দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, ওই মিনিবাসে থাকা সকল বাংলাদেশি শ্রমিকই আল হাবিব কোম্পানি ফর ট্রেডিং কমার্শিয়াল কন্ট্রাক্টস লিঃ এ কর্মরত ছিলেন। দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্র রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে সরেজমিন পরিদর্শন করে বিস্তারিত খোঁজ খবর নেওয়া হয়েছে।

এই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশী নাগরিকগণ হলেন, বাহাদুর, পিতা: হাবেজ উদ্দিন, মাতা: মালেকা, ঠিকানা: ঝাগরমান, কালিহাতি, টাঙ্গাইল, পাসপোর্ট নম্বর: BW 0337299; রফিকুল ইসলাম, পিতা: মোঃ আনোয়ার হোসেন, মাতা: মোসা. হিরা খাতুন, ঠিকানা: মাধবপুর. বাহাদুরপুর, ভেড়ামাড়া, কুষ্টিয়া, পাসপোর্ট নম্বর: BW 0798074; মো. ইউনুস আলি, পিতা: মো. আব্দুল খালেক, মাতা: মোসা. আমেনা খাতুন, ঠিকানা: রঘুনাথপুর, আলিপুর, ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ, পাসপোর্ট নম্বর: BY 0525493; জামালউদ্দিন মাঝি, পিতা: মান্নান মাঝি, মাতা: নুরজাহান, ঠিকানা: তারাকান্দি, মনোহরদি, নরসিংদি, পাসপোর্ট নম্বর: BN 0571736; গিয়াসউদ্দিন মৃধা, পিতা: মোঃ তফিজউদ্দিন মৃধা, মাতা: মোসা. হামিদা, ঠিকানা: তেগরা, মান্দা, নওগাঁ, পাসপোর্ট নম্বর: BL 0177817; মো. জুয়েল, পিতা: মো. গিয়াসউদ্দিন, মাতা: আমেনা খাতুন, ঠিকানা: বাহাদিয়া, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ, পাসপোর্ট নম্বর: BE 0245406; ইমদাদুল, পিতা: রশিদ, মাতা: মোসাম্মত কাজলি বেগম, ঠিকানা: তাতারদি, শেখেরগাঁ, মনোহরদি, নরসিংদী, পাসপোর্ট নম্বর: BX 0400348; মো. মানিক, পিতা: মো. রমজান আলী, মাতা: মোসা. মানিকজান, ঠিকানা: তুরুকবাড়িয়া, মান্দা, নওগাঁ, পাসপোর্ট নম্বর: BX 0505953; মো. আল আমিন, পিতা: আব্দুল মান্নান শেখ, মাতা: পদেনা বেগম, ঠিকানা: দমনমারা, খিদিরপুর, মনোহরদি, নরসিংদী, পাসপোর্ট নম্বর: BP 0049523; মো. মনির হোসেন, পিতা: মো. শামসুল হক, মাতা: মমতাজ বেগম ঠিকানা: কস্তুরিপাড়া, কালিহাতি, টাঙ্গাইল, পাসপোর্ট নম্বর: BX 0564818।

 

বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে আহতদের সুচিকিৎসার বিষয় নিশ্চিত করা হবে বলে জানান রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ। এছাড়া যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মৃতদেহ দেশে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হবে জানানো হয়।

কাতারে শত শত কর্মী কফিল খুঁজে না পেয়ে পথে পথে ঘুরছেন
                                  

মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ ধনী দেশ কাতারের রাজধানী দোহায় বৈধভাবে পাড়ি জমানোর পরও বাংলাদেশী শ্রমিকদের দিন কাটছে মানবেতরভাবে। লাখ লাখ টাকা খরচ করে যাওয়ার পর তাদের ভাগ্যে জুটছে না চাকরি। খুঁজে পাচ্ছেন না কোম্পানি। বাধ্য হয়ে আরবিদের দয়ায় এখন তাদের রাত কাটাতে হচ্ছে গাড়ির ভেতর অথবা কোনো মজলিসে। এসব অভিযোগ জানাতে দেশটিতে থাকা বাংলাদেশ দূতাবাসে গেলে সেখান থেকেও শ্রমিকদের সহযোগিতা না করে তাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। কাতারের পথে পথে বেকার ঘুরে বেড়ানো এসব নিঃস্ব ও প্রতারিত কর্মী দ্রুত তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। 

কাতারের দোহা থেকে লিখিত ও অডিও বার্তায় পাঠানো অভিযোগে আব্দুল মালেক উল্লেখ করেন, চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি তিনি রাজধানীর উত্তরার লিননাস ওয়ার্ল্ড সার্ভিস নামক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাতারে গিয়েছেন। এর জন্য তার খরচ হয়েছে তিন লাখ ৭২ হাজার টাকা। চুক্তি মোতাবেক কোম্পানির ভিসা দেয়ার কথা বলা হয়। কাজ করতে হবে ৮ ঘণ্টা। থাকা মালিকের। খাওয়ার জন্য ৩০০ রিয়াল দেয়া হবে। আর মাসিক বেতন হবে ১৫০০ রিয়াল। দুই বছর পর দেশে যাওয়ার জন্য কোম্পানি থেকে আসা যাওয়ার বিমান টিকিট দেয়া হবে। কিন্তু কাতারে যাওয়ার পর থেকে আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তার ভাগ্যে কাজ জুটেনি। খুঁজে পাননি চুক্তি মোতাবেক কোম্পানি। যে কফিলের কথা বলে দালাল নিয়ে এসেছে এখন পর্যন্ত তারও দেখা পাননি তিনি। এখন দালালকে ফোন দিলে ফোনও ধরছে না। কখনো ফোনে পেলেও উল্টো হুমকি দেয়া হচ্ছে। এসব কারণে তার দিন কাটছে মানবেতরভাবে। তিনি বলেন, দিন কাটে যেমন তেমন, রাত কাটাতে হচ্ছে কখনো গাড়িতে অথবা আরবিদের কোনো মজলিসের অনুষ্ঠানে। মালেক লিখেছেন, এমন দুর্দশা তার একার নয়, শত শত প্রবাসী বাংলাদেশী তার মতো ফ্রি ভিসার নামে কোম্পানির কাজ না পেয়ে বেকার পথে পথে ঘুরছেন। 

লিখিত এবং অডিও বার্তায় আব্দুল মালেক আরো অভিযোগ করেন, এসব অভিযোগ জানাতে তিনিসহ কয়েকজন প্রতারিত শ্রমিক অনেক কষ্ট করে খুঁজে বের করে বাংলাদেশ দূতাবাসে গেলে সেখান থেকেও তাদের সাহায্য সহযোগিতা না করে তাড়িয়ে দেয়া হয়। 

দূতাবাসের কর্মকর্তারা তাদের বলেছেন, ‘তোমরা এখানে কেন এসেছো? তোমাদের ভিসা আমরা দিয়েছি? এমন কথা শুনে ভারাক্রান্ত মন নিয়ে দূতাবাস থেকে তারা বের হয়ে যান। তাদের মতো সমস্যা নিয়ে দূতাবাসে শত শত শ্রমিক অপেক্ষা করছে জানিয়ে আব্দুল মালেক উল্লেখ করেন, রাতে আমরা কোথায় থাকব? অনুরোধ করলে আরবিরা আমাদের কোনো দিন তাদের গাড়িতে রাখে। আবার কখনো কোনো মজলিসে নিয়ে রাখে। এভাবেই আড়াই মাস পার করেছি। কিন্তু এখনো পর্যন্ত আমাদের বিপদ থেকে উদ্ধারে কেউ-ই এগিয়ে আসছে না। তার মতে, সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা না দেয়া হলে বিদেশে হাজার হাজার রেমিট্যান্স যোদ্ধারা নিঃস্ব হয়ে যাবে। 

এর আগে টেলিফোনে আব্দুল মালেক নয়া দিগন্তকে এসব অভিযোগ করে বলেন, আমরা যখন কাতারে আসি তার আগে দেশে বিএমইটি থেকে ট্রেনিং দিয়ে আমাদের হাতে স্মার্ট কার্ড দেয়া হয়। তখন বলা হয়েছিল বিদেশে স্মার্ট কার্ড দিয়ে তোমরা সব ধরনের সহযোগিতা পাবে। এ তথ্য দূতাবাস কর্মকর্তাদের কাছে বললে তারা বলছেন, ‘এসব স্মার্ট কার্ড-মার্ড এই দেশে চলে না? এরপর দূতাবাস থেকে জানিয়ে দেয়া হয় ‘তোমাদের জন্য দূতাবাসের কিছুই করণীয় নাই’। তবে তিনি ওই কর্মকর্তার নাম জানাতে পারেননি। 

গতকাল শনিবার সন্ধ্যার পর এসব অভিযোগের সত্যতা জানতে কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমদের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে গতকাল সন্ধ্যার পর প্রতারিত শ্রমিক আব্দুল মালেকের দেয়া অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তরার লিননাস ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের মালিক এবং পাঞ্জেরী হজ অ্যান্ড ওমরাহ সার্ভিসের চেয়ারম্যান আলহাজ মো: আরজু আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি নয়া দিগন্তকে শুধু বলেন, আব্দুল মালেকের নামে কাতার থেকে একটি ভিসা পাঠিয়েছিল আব্দুর রব নামের এক ব্যক্তি। তার রেফারেন্সে মালেক আমার অফিসে এসেছিল। আমার অফিস থেকে শুধু বিমানের টিকিট ইস্যু করা হয়েছিল। তবে তাকে বিদেশে পাঠাতে প্রসেসিং কোনো এজেন্সির নামে হয়েছে তা তিনি বলতে পারেননি। 
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব রৌনক জাহানের সাথে এ সমস্যার বিষয়ে গত রাতে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। 

তবে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর বহির্গমন শাখার একজন কর্মকর্তা নয়া দিগন্তকে নাম না জানিয়ে বলেন, কাতারগামী কর্মীদের সত্যায়ন পদ্ধতি এখন উঠে গেছে। গত দুই মাস থেকে সত্যায়ন ছাড়াই কাতারগামী কর্মীরা যেতে পারছে। তবে সেখানে তারা কোন অবস্থায় আছে সেই প্রতিবেদন আমাদের হাতে আসেনি। অবশ্য ব্যুরোর একজন কর্মকর্তা দূতাবাসের সত্যায়ন পদ্ধতি তুলে দেয়ায় শ্রমিকদের কোম্পানির সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি ঝুঁকির মধ্যে থেকে যাবে বলে এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন। এখন তার ওই বক্তব্যই সত্য হতে চলেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সত্যায়ন ছাড়া কাতারে পাড়ি জমানো শ্রমিকেরা কেমন আছেন সেটি সরেজমিন জানতে প্রতিনিধিদল পাঠানোর কোনো বিকল্প নেই।

বাগদাদে জিম্মিদশা থেকে উদ্ধারে বাংলাদেশীদের আকুতি
                                  

ইরাকের রাজধানী বাগদাদের একটি দোতলা বাড়িতে ঢাকার বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে পাড়ি জমানো দেড় শতাধিক বাংলাদেশী শ্রমিক সাড়ে ৩ মাস ধরেই বন্দী হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময়ের মধ্যে তাদের ঠিকমতো দেয়া হচ্ছে না দৈনন্দিন খাবার। আর যে খাবার দেয়া হচ্ছে সেগুলো খেয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। 
বাংলাদেশীরা জাল আকামা নিয়ে অবস্থান করছেন এমন সংবাদে ইরাকি পুলিশ ওই বাড়িতে সম্প্রতি অভিযান চালিয়ে এক ইরাকিকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এ সময় ওই বাড়ি থেকে শ্রমিকদের আটক করতে না পারলেও পুলিশ শ্রমিকদের জাল আকামা লাগানো দেড় শতাধিক পাসপোর্ট জব্দ করে। এখন পাসপোর্ট ছাড়া বের হলেই তাদের পুলিশের হাতে ধরা পড়ার ভয় রয়েছে। এ অবস্থায় দালালচক্র তাদের জিম্মিদশা থেকে মুক্তি দিতে স্বজনদের কাছে টেলিফোন করে লাখ লাখ টাকা দাবি করছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব বাংলাদেশী দালালদের হাতে বন্দী থাকলেও গতকাল পর্যন্ত ইরাকে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে তাদের উদ্ধারে কোনো পদক্ষেপ এমনকি খোঁজও নেয়া হয়নি বলে আটক শ্রমিকেরা অভিযোগ করেন। এখন যেকোনো উপায়ে তাদের উদ্ধারের আকুতি ও সবার পাসপোর্ট ফেরতের দাবি জানিয়ে তারা বলছেন, তাদের যারা জিম্মি করে রেখেছে তাদের যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়। 

গতকাল ইরাকের রাজধানী বাগদাদের কেরাদা কারমনি মেক্সিমল এলাকার একটি বাড়িতে বন্দী আকতার হোসেন টেলিফোনে নয়া দিগন্তকে বলেন, আমার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারের দেল্লায়। একটি রুমে আমিসহ ১৪ জন বন্দী আছি। অন্য রুমে আরো অনেকেই বন্দী আছে। সবমিলিয়ে ১৬৫ জনের মতো আছি। তিনি বলেন, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি সকাল ১০টার ফ্লাইটে আমরা বাগদাদে এসেছি। এরপর থেকে অদ্যবাধি বাগদাদের এই দোতলা বাড়িতেই বন্দী অবস্থায় আছি। দালালরা আমাদের ঠিকমতো খাবার দিচ্ছে না। বাইরের আলো বাতাসও দেখতে দিচ্ছে না। আর যে খাবার দিচ্ছে সেটি আমরা খেতে পারছি না। আকতার বলেন, আগে টাকা আনার জন্য মারধর করত। এখন মারধর করে না। তবে বাড়ি থেকে দুই আড়াই লাখ করে টাকা দিতে বলে। তার মতে, আমরা যদি এই ভবনের ছাদে উঠতে যাই সাথে সাথে গালাগালি করে নামিয়ে দেয়। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে এই বাড়িতেই ইরাকি পুলিশ অভিযান চালায়। এর আগেই দালালরা আমাগো অন্য জায়গায় সরিয়ে নেয়। পরে পুলিশ আমাগো বাড়ি থেকে সবার পাসপোর্ট নিয়ে যায়। আকতারের অভিযোগ, আমাদের পাসপোর্টে যে আকামা লাগানো ছিল পুলিশ বলছে সেগুলো অভিযানকালে জাল। তখন এই বাড়ি থেকে এক ইরাকি নাগরিককে পুলিশ আটক করে। শুনছি তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করছে ইরাকি পুলিশ।

ঢাকার ভাটারা এলাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সি থেকে পাঠানো ১৩ জন কর্মী বর্তমানে ওই বাড়িতে বন্দী হয়ে আছেন। তারা হচ্ছেন- মিলন হোসেন, সুমন হাওলাদার, পিপুল মিয়া, জামাল হোসেন, শাহজাহান মিয়া, সুজন মিয়া, আসাদ উল্লাহ, ফজলু হোসেন, আশেক মিয়া, অঞ্জন, মনির হোসেন লাবলু মিয়া শাউল। অপরদিকে নাজ অ্যাসোসিয়েটসের একজন শ্রমিক রয়েছেন। তার নাম আকতার হোসেন। 
ভাটারা এলাকার বায়রার সদস্য ও ‘ক’ অদ্যাক্ষরের রিক্রুটিং এজেন্সি থেকে পাড়ি জমানো শ্রমিক সুজন এ প্রতিবেদককে বলেন, আমরা এখানে অনেক বিপদের মধ্যে আছি। আমাদের বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের পরের দিন এই বাড়িতে এনে বন্দী করে রাখে ইরাকি নাগরিক বাবা ইয়াদ ও তার দোসর বাংলাদেশী তিন দালাল সোহাগ, মতিয়ার ও মোতালেব। তাদের মূল দালাল হচ্ছে মতিন। তাকে ইরাকে সবাই ‘মতিন ভাই’ নামে ডাকে। এরাই ১৬০-১৬৫ জনকে আটক করে রেখেছে সাড়ে ৩ মাস ধরে। এখানে আনার পর তারা আমাদের বলেছিল, আমাদের চাকরি দেবে। দেই দিচ্ছি করে কতদিন চলে গেল। বাড়িতে মা-বাবা কান্নাকাটি করছে। এখন দালালরা চাকরি না দিয়ে আবার দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা করে এনে দিতে বলছে। 

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমাগো কারো পাসপোর্ট নাই। শুনছি পুরো বাগদাদের মোড়ে মোড়ে পুলিশের চেকপোস্ট বসেছে। ঘর থেকে বের হলেই পুলিশের হাতে ধরা পড়তে হবে। দাবি আগে তাদের সবার পাসপোর্ট দেয়া হোক। পাসপোর্ট পেলে আমরা নিজেরাই চাকরি খুঁজে নেব। তিনি বলেন, আমাদের পাসপোর্টে যে আকামা দালালরা লাগিয়ে দিয়েছিল সেগুলোর সবই জাল। দূতাবাস থেকে কেউ যোগাযোগ করেছিলেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত কেউ আসেনি। আর আমরাও যোগাযোগ করিনি। দালালরা বলেছে ‘দূতাবাসের সব লোক তাগো’। শুধু ১৬৫ জন নয়, এমন অনেক স্থানে বাংলাদেশীদের এনে জিম্মি করে রাখা হয়েছে। 

গতকাল ভাটারা এলাকার ক অদ্যাক্ষরের রিক্রুটিং এজেন্সির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। তবে বনানীর অপর এজেন্সি থেকে পাঠানো অফিসের ম্যানেজার টুটুল এ প্রসঙ্গে বলেন, সর্বশেষ জানুয়ারি মাসে তাদের অফিস থেকে ইরাকে লোক গিয়েছিল। ওই মুহূর্তে ইরাক থেকে সুজন ও আখতার টেলিফোন দিলে তখন তাদের অভিযোগগুলো তাকে শোনানো হয়। কিছুক্ষণ বক্তব্য শোনার এক পর্যায়ে টুটুল মোবাইল বন্ধ করে দেন। এরপর তার সাথে আর কথা বলা সম্ভব হয়নি। এ প্রসঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সবিচ রৌনক জাহান এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক সেলিম রেজার সাথে যোগাযোগ করা হলে তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হযনি। পরে ব্যুরোর একজন পরিচালক এ প্রতিবেদকে বলেন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে একটি এজেন্সির লাইসেন্স ব্লক করা হয়েছে। এর আগে ইরাকে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর (শ্রম) রেজাউল কবির নয়া দিগন্তকে বলেছিলেন, পুরো বিষয়টি দূতাবাস অবহিত রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। দুষ্ট চক্রের কারণে শ্রমবাজার ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেয়া হবে না।

যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে নিহত ৮
                                  

যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে আটজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার যুক্তরাষ্ট্রে ওই ভয়াবহ টর্নোডে আঘাত হানে।

মিসিসিপির গভর্নর ফিল ব্রায়ান্ট জানিয়েছেন, শনিবার কয়েকটি টর্নেডো অঙ্গরাজ্যের ১৭টি কাউন্টিতে তাণ্ডব চালিয়েছে এবং এতে একজন নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছেন।

ঝড়ের কারণে দেশটিতে প্রায় তিন হাজার ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ফ্লাইট বাতিলের অধিকাংশ ঘটনাই শিকাগোর বিমানবন্দরগুলোতে, টেক্সাসের হিউস্টনে, নর্থ ক্যারোলাইনার শার্লোটে, পিটসবার্গ, কলম্বাস, ওহিওতে এবং পূর্ব উপকূলের বিমানবন্দরগুলোতে ঘটেছে।

টর্নেডোতে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ৫৫টি বাড়ি ভেঙে পড়েছে। এদের একটি গির্জা, চারটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি রয়েছে। এছাড়া ওই এলাকার ২৬ হাজার বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন গভর্নর ফিল ব্রায়ান্ট।

লন্ডনে এক বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার
                                  

যুক্তরাজ্যের পূর্ব লন্ডন রোমান রোডের বাসা থেকে সা‌য়েম বখত (৩২)নামের একজন বাংলাদেশি প্রবাসীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত সায়েমের বাড়ি সুনামগঞ্জের চরমহল্লা ইউ‌নিয়নে।

গতকাল রোববার সা‌য়ে‌মের লন্ডন প্রবাসী ভ‌গ্নিপ‌তি হুমায়ুন কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হুমায়ুন কবীর জানান, ব্রিটিশ বাংলাদেশিকে বিয়ে করে দেড় বছর আগে লন্ডনে আসেন সায়েম। তিনি স্ত্রীর স‌ঙ্গে পূর্ব লন্ড‌নের রোমান রো‌ডের বাড়িতে বসবাস কর‌তেন। তা‌দের এক‌টি কন্যা সন্তানও র‌য়ে‌ছে‌। সম্প্রতি সায়ে‌মের স্ত্রীর স‌ঙ্গে তার ডিভোর্সের প্রক্রিয়া চল‌ছিল। তারা দুজনেই আলাদা থাক‌তেন।

তিনি আরও বলেন, রোববার জানা যায় সায়েম তার স্ত্রীর বাসায় মারা গে‌ছেন।পু‌লিশ লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নি‌য়ে গে‌ছে। তদন্ত প্রতিবেদন এলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

জানা গেছে, সায়েমের বাবা কদর মিয়া সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার চর মহল্লা ইউ‌নিয়‌নের সাবেক চেয়ারম্যান। সায়েম দেশে থাকা অবস্থায় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন।

দেশে ফিরল মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ যুবকের মরদেহ
                                  

মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ বাংলাদেশে পৌঁছেছে। গতকাল শুক্রবার রাত ১টা ৫ মিনিটে মরদেহ বহনকারী মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের এমএইচ ১৯৬ ফ্লাইটটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। 

এ সময় নিহতদের পরিবারের কাছে লাশগুলো হস্তান্তর করা হয় এবং সেই সঙ্গে নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে প্রবাসী কল্যাণ ডেক্স থেকে লাশ পরিবহন ও দাফন খরচ বাবদ ৩৫ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয়।

বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহকারী পরিচালক তানভীর হোসেন গণমাধ্যমকে এসব কথা জানান।

নিহতরা হলেন- চাঁদপুরের আল আমিন (২৪), সোহেল (২৪), নোয়াখালীর গোলাম মোস্তফা (২২), এবং কুমিল্লার মহিন (৩৭) ও রাজু মুন্সি (২৬)। আজ শনিবার ভোর ৪টার পর তাদের স্বজনরা লাশ নিয়ে নিজ নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গত রবিবার (৭ এপ্রিল) মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে তাদের বহনকারী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে গাড়ির চালকসহ ১০ জন নিহত হন। বাসটিতে মোট ৪৩ জন যাত্রী ছিল।

আহত ফায়ারম্যান সোহেল রানা মারা গেছেন
                                  

রাজধানীর বনানীতে এফ আর টাওয়ারে লাগা আগুন নেভাতে গিয়ে গুরুতর আহত ফায়ারম্যান সোহেল রানা সিঙ্গাপুরে একটি হাসপাতালে মারা গেছেন। সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ২টা ১৭ মিনিট) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে সোহেল রানাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-মিডিয়া) শাহজাহান সিকদার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ মার্চ বনানীর এফ আর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৬ জন নিহত ও ৭০ জন আহত হয়। অগ্নিকাণ্ডের পর কুর্মিটোলা ফায়ার স্টেশনের ফায়ারম্যান সোহেল রানা ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের উঁচু ল্যাডারে (মই) উঠে আগুন নেভানো ও আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধার কাজ করছিলেন। এক পর্যায়ে সোহেলের শরীরে লাগানো নিরাপত্তা হুকটি মইয়ের সঙ্গে আটকে যায়। তিনি মই থেকে পিছলে পড়ে বিপজ্জনকভাবে ঝুলছিলেন। এ সময় তার একটি পা ল্যাডারের চাপে ভেঙে যায়। ল্যাডারের চাপে তার পেটের নাড়ি-ভুড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়।

মালয়েশিয়ায় বাস দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশিসহ নিহত ১১
                                  

মালয়েশিয়া বাস দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশিসহ ১১ জন নিহত ও ৩৪ জন আহত হয়েছে। রবিবার রাত ১১টার দিকে নিলাই থেকে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে যাওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দেশটির সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রবিবার রাতে নিলাই থেকে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরগামী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ৫ জন বাংলাদেশিসহ ১০ জন কর্মী নিহত হয়। এর পর হাসপাতালে আরো একজনের মৃত্যু হয়। নিহত বাংলাদেশিরা হলেন- মো. রাজিব মুনশী (২৬), মো. সোহেল (২৪), মহিন (৩৭), আল আমিন (২৫), গোলাম মোস্তফা (২২)।

বাসে মোট ৪৩ জন যাত্রী ছিলেন। তারা সবাই বিদেশি শ্রমিক। আহতদের দেশটির সারডাং, পুত্রজায়া, বান্টিং ও কাজাং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরগামী বাসের যাত্রীরা নিলাই এলাকার হোস্টেলে থাকতো। তারা কাজের জন্য বিমান বন্দরে যাচ্ছিল।

দেশটির সেপাং পুলিশের প্রধান সহকারী অফিসার জুলফিকার আদমশাহ বলেন, পরিবহন আইন ১৯৮৭ সেকশন ৪১ (১)-এর অধীনে এই দুর্ঘটনার তদন্ত চলছে।

ওই অঞ্চলের অগ্নিনির্বাপক ও উদ্ধার অভিযান বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ ফাদিল সালেহ বলেন, আমরা রাত ১১ টা ১৬ মিনিটে দুর্ঘটনাস্থল থেকে ফোন পাই।

তিনি আরো বলেন, দুর্ঘটনার কবলে পড়া যাত্রীদের উদ্ধারে আমাদের হিমশিম খেতে হয়। তাদের উদ্ধারের জন্য বাসের বিভিন্ন অংশ কাটতে হয়।


   Page 1 of 12
     প্রবাসে বাংলা
ফরিদগঞ্জের কৃতি সন্তান কাতারের ব্যবসায়ী জালাল আহাম্মেদের সম্মাননা অর্জন
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা
.............................................................................................
বেঁচে যাওয়া ১৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন
.............................................................................................
সৌদি আরবে চালু হচ্ছে ‘গ্রিন কার্ড’
.............................................................................................
ভূমধ্যসাগরে নিহতদের মধ্যে ২৭ বাংলাদেশির লাশ শনাক্ত
.............................................................................................
মন্ত্রণালয়ের অসহযোগিতায় প্রবাসী কর্মীর লাশ দেশে পদে পদে হয়রানি শিকার হচ্ছে স্বজনরা
.............................................................................................
ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহতদের অধিকাংশই বাংলাদেশি
.............................................................................................
দু’দিনে দেশে ফিরলেন ৩৭৫ বাংলাদেশী
.............................................................................................
পরিচয় নিশ্চিত হলো সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের
.............................................................................................
কাতারে শত শত কর্মী কফিল খুঁজে না পেয়ে পথে পথে ঘুরছেন
.............................................................................................
বাগদাদে জিম্মিদশা থেকে উদ্ধারে বাংলাদেশীদের আকুতি
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে নিহত ৮
.............................................................................................
লন্ডনে এক বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার
.............................................................................................
দেশে ফিরল মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ যুবকের মরদেহ
.............................................................................................
আহত ফায়ারম্যান সোহেল রানা মারা গেছেন
.............................................................................................
মালয়েশিয়ায় বাস দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশিসহ নিহত ১১
.............................................................................................
ইউরোপে পাড়ি জমাতে ভূমধ্যসাগরেই সিলেটী তরুণদের স্বপ্ন ধূলিস্যাৎ
.............................................................................................
ওমানে বাংলাদেশীসহ এক হাজার প্রবাসী গ্রেফতার
.............................................................................................
নজরুলের জীবন অবলম্বনে নাটক ‘নীলকণ্ঠ নজরুল’ যুক্তরাষ্ট্রে মঞ্চস্থ
.............................................................................................
দুর্নীতিগ্রস্ত সিনারফ্লাক্সের জালে আটকা ৭০ হাজার কর্মীর ভাগ্য
.............................................................................................
কুয়েতে চাকরি হারাচ্ছেন ৩ হাজার ১৪০ প্রবাসী
.............................................................................................
‘ল্যাটিন আমেরিকায় বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার সময় এখনই’
.............................................................................................
জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
মুম্বাইয়ে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকী পালন
.............................................................................................
সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘নিবিড় যোগাযোগ বলয় গঠন’
.............................................................................................
এক ক্লিকেই ডলার যাবে বাংলাদেশে
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ কামনা
.............................................................................................
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
ইউরোপে থাকার সুযোগ হারাচ্ছে অবৈধ অবস্থানকারী লক্ষাধিক বাংলাদেশী
.............................................................................................
খালেদার মুক্তির দাবিতে যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের জাতিসঙ্ঘে বিক্ষোভ
.............................................................................................
সাংবাদিক মঈনুল আলমের দাফন সম্পন্ন
.............................................................................................
কুয়েতে ঘুমের মধ্যে বাংলাদেশি যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন
.............................................................................................
আর কেউ যেন গৃহকর্মী হিসেবে সৌদি না যায়
.............................................................................................
ইতালিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
ভিসার মেয়াদ শেষে দেশে না ফিরলে জরিমানা ৫০ হাজার রিয়াল
.............................................................................................
মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে ২ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত
.............................................................................................
জর্জিয়ার সিনেটে বাংলাদেশি শেখ রহমানের জয়
.............................................................................................
সৌদিতে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ১৪১ বাংলাদেশি
.............................................................................................
সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার ৫ নারীকে দেশে ফেরত
.............................................................................................
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
সিঙ্গাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
ইতালিতে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
বিদেশগামী নারী কর্মীদের নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করবে সরকার: নুরুল ইসলাম
.............................................................................................
প্রবাসীদের জাতীয় পরিচয়পত্র দ্রুত দেওয়ার সুপারিশ
.............................................................................................
সৌদি আরবে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু
.............................................................................................
মেক্সিকো সীমান্তে ছয় মাসে আটক ১৭১ বাংলাদেশি
.............................................................................................
ফিলিপাইনে ১১ বাংলাদেশিসহ ৬৬ জন আটক
.............................................................................................
লন্ডনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাউন্সিল প্রার্থীর ওপর হামলা
.............................................................................................
সিডনিতে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিহত
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]