১০ শাওয়াল ১৪৪১ , ঢাকা, বুধবার, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩ জুন , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   প্রবাসে বাংলা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
লিবিয়ায় গুলি করে ২৬ বাংলাদেশিকে হত্যা

লিবিয়ায় কিছু মানব পাচারকারীদের বন্দুক হামলায় বৃহস্পতিবার কমপক্ষে ২৬ বাংলাদেশি নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন এবং লিবিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এসকে সেকেন্দার আলী।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও এ ঘটনার খবর জানিয়ে দাবি করেছে যে, লিবিয়ার একটি পাচারকারী পরিবার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ৩০ জন অভিবাসীকে গুলি করে হত্যা করেছে।

এসকে সেকেন্দার আলী বলেন, ‘আহতদের মধ্যে ১১ জন এখন ঝুঁকিমুক্ত এবং তাদেরকে ত্রিপলি মেডিকেল সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়েছে।’

দূতাবাস জানিয়েছে, ত্রিপোলি থেকে ১৮০ কিলোমিটার দূরে মিজদা শহরে ওই অভিবাসীদের হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনার পর লিবিয়ার একটি পরিবারে আশ্রয় নেয়া বেঁচে যাওয়া এক বাংলাদেশির কাছ থেকে ফোনে ঘটনাটি জানতে পারে দূতাবাস।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেন, ‘আমরা বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি। আমাদের মিশনের কর্মকর্তারা হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন।’

লিবিয়ায় গুলি করে ২৬ বাংলাদেশিকে হত্যা
                                  

লিবিয়ায় কিছু মানব পাচারকারীদের বন্দুক হামলায় বৃহস্পতিবার কমপক্ষে ২৬ বাংলাদেশি নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন এবং লিবিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এসকে সেকেন্দার আলী।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও এ ঘটনার খবর জানিয়ে দাবি করেছে যে, লিবিয়ার একটি পাচারকারী পরিবার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ৩০ জন অভিবাসীকে গুলি করে হত্যা করেছে।

এসকে সেকেন্দার আলী বলেন, ‘আহতদের মধ্যে ১১ জন এখন ঝুঁকিমুক্ত এবং তাদেরকে ত্রিপলি মেডিকেল সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়েছে।’

দূতাবাস জানিয়েছে, ত্রিপোলি থেকে ১৮০ কিলোমিটার দূরে মিজদা শহরে ওই অভিবাসীদের হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনার পর লিবিয়ার একটি পরিবারে আশ্রয় নেয়া বেঁচে যাওয়া এক বাংলাদেশির কাছ থেকে ফোনে ঘটনাটি জানতে পারে দূতাবাস।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেন, ‘আমরা বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি। আমাদের মিশনের কর্মকর্তারা হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন।’

দেশে ফিরতে হাজারো কুয়েত প্রবাসীর রাতভর বিক্ষোভ
                                  

কুয়েত থেকে দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন প্রায় সাড়ে চার হাজার বাংলাদেশী। সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পর তারা ২০-২৫ দিন ধরে দেশটির সিভদী, আবদালী, মাঙ্গাফ ও কসর নামে চারটি ক্যাম্পে হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। তাদের মধ্যে ইতিমধ্যে দুইজন স্ট্রোক করে মারা গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পে থাকার পরও দেশে ফিরতে না পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছেন এসব প্রবাসী। রোববার দেশটির স্থানীয় সময় মধ্যরাতে সিভদী ও আবদালী ক্যাম্পে থাকা প্রবাসীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। মারা গেছেন তিনজন। সর্বশেষ গতকাল সিভদী ক্যাম্পে দেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকা চাঁদপুরের হাজিগঞ্জের কাজিগাঁও গ্রামের আমরান (৪৩) স্ট্রোক করে মারা গেছেন। এর কয়েকদিন আগে একই ক্যাম্পে আরো একজন মারা যান বলে জানা যায়। গত ২ মে মারা দেশটির আবদালি ক্যাম্পে মারা গেছেন কুমিল্লার রবিউল ইসলাম।

কুয়েত সরকার গত ১ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সে দেশে অবস্থিত অবৈধ প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে। এরপর বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে চার হাজার অবৈধ প্রবাসী সাধারণ ক্ষমার জন্য আবেদন করেন। যারা আবেদন করবে তাদের দেশে ফেরানোর বিমানভাড়াসহ যাবতীয় খরচ বহন করবে কুয়েত সরকার। কিন্তু প্রায় এক মাস ক্যাম্পে থেকেও দেশে ফিরতে না পেরে ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা দেশটির সিভদী ও আবদালী ক্যাম্প থেকে রাস্তায় বের হয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। রোববার দেশটির স্থানীয় সময় মধ্যরাতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভসহ দেশে ফেরত আসার জন্য বিভিন্ন স্লোগান দেন হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশী। কুয়েতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রণ করে।


সিভদী-ক্যাম্পে থাকা কুমিল্লার রিফাত এই প্রতিবেদককে বলেন, কুয়েতে আছি তিন বছর ধরে। সাধারণ ক্ষমায় আত্মসমর্পণ করার পর হোম কোয়ারেন্টিনে আছি ২২ দিন ধরে। আমাদের ক্যাম্পে দুই হাজারেরও বেশি লোক রয়েছেন। প্রথম যেদিন আত্মসমর্পণ করি, বলা হয়েছিল পাঁচ দিন পরই ফ্লাইট দেয়া হবে। এরপর বলে ৩০ এপ্রিল। কিন্তু এখন দূতাবাসের পক্ষ থেকে কোনো খোঁজই নেয়া হয় না। আমাদের এখানে ইতোমধ্যে দুইজন স্ট্রোক করে মারা গেছেন। প্রত্যেক দিন একই খাবার আমাদের দেয়া হচ্ছে। গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে। গতকাল রাতে সবাই বিক্ষুব্ধ হয়ে ক্যাম্পের গেটে গিয়ে বিক্ষোভ করেছি। পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়েছে। প্রায় ৩ ঘণ্টা ওখানে ছিলাম আমরা।

কুয়েতের আবদালি ক্যাম্পে থাকা আশরাফুল বলেন, দুই বছর আগে কুয়েতে এসেছি। আমাদের কোম্পানির নাম আল কোর্তাস। এখানে আসার পর প্রাথমিকভাবে বৈধতা পাই। তারপর আর আকামা দেয়নি। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি আল কোর্তাস নামে যে কোম্পানিতে এসেছি তাদের নামে কুয়েত সরকার ৭০টি ভিসার অনুমোদন দিয়েছিল। কিন্তু তারা জালিয়াতি করে ৭০০ লোক নিয়ে আসে। ধরা পড়ার পর ওই কোম্পানি নিষিদ্ধ করা হয়। এই কোম্পানির দায়িত্বে ছিলেন বাংলাদেশের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের বারেক নামের একজন। তার মাধ্যমেই বেশির ভাগ লোক কুয়েতে আসি। কুয়েতে তার ১০ বছর জেল হয়েছে। তিনি পালিয়ে চলে গেছেন। আবদালি ক্যাম্পে আমরা প্রায় দুই হাজার মানুষ রয়েছি। কুয়েত সরকার আমাদের ক্ষমা করে দিয়েছে। অনেক দিন অপেক্ষায় আছি বাড়ি যাব। করোনাভাইরাসের এই সময় এখানে কত সমস্যা। কিন্তু আমাদের দেশে নেয়ার কোনো লক্ষণ নেই। দূতাবাসের নম্বরে ফোন দিলে ধরে না।

কচুর ক্যাম্পে থাকা মোহাম্মাদ শামীম নামের এক প্রবাসী- বলেন, ২৫ দিন ধরে ক্যাম্পে রয়েছি। প্রথম দিকে খাওয়া দাওয়া ছিল ঠিকভাবে। প্রথম রমজান থেকে সমস্যা। অন্যান্য রাষ্ট্রের লোকজনকে ফ্লাইট দিয়েছে। আমাদের কেন দেশে নেয়া হচ্ছে না? এখানে কী যে সমস্যা তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। ইতিমধ্যে ৩ জন মারা গেছেন বিভিন্ন ক্যাম্পে। আর সপ্তাহ খানেক থাকলে আমাদের অনেকেই মারা যাবে। কারণ এখানে অনেক বয়স্ক লোকও রয়েছেন। তিনি বলেন, ডাক্তারি পরীক্ষা হচ্ছে নিয়মিত। আমরা করোনামুক্ত। আমাদের ক্যাম্প ৮শ’র মতো লোক আছে, যার মধ্যে বাংলাদেশী ৭শ’র মতো। একই ক্যাম্পে রয়েছেন ফেনীর দাগনভূঁইয়ার আব্দুল খালেক। তিনি বলেন, ১৯৯৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে কুয়েত প্রবাসী আমি। অবৈধ হয়েছি গত ২৫ মার্চ থেকে। সরকার যেহেতু সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে, তাই দেশে ফেরার জন্য আত্মসমর্পণ করেছি। গত ১২ এপ্রিল থেকে ক্যাম্পে আছি। কিন্তু, আমাদের ফ্লাইট দেয়া হচ্ছে না।

কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, কুয়েতে এক লাখ ৬০ হাজার অবৈধ অভিবাসী রয়েছে। এবার ২০২০ এর সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নিয়েছেন ২৫ হাজার অবৈধ অভিবাসী। অর্থাৎ এখনো এক লাখ ৩৫ হাজার অবৈধ অভিবাসী সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নেয়া থেকে বিরত রয়েছেন। তবে এর মধ্যে বাংলাদেশী কত জানা যায়নি। অবশ্য কুয়েতে প্রায় ১৫ থেকে ১৭ হাজার অবৈধ অভিবাসী বাংলাদেশী রয়েছেন বলে ধারণা করা হয়। এর মধ্যে ২০১৮ সালের সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নিয়েছিলেন আট হাজার বাংলাদেশী। এবার ২০২০ সালের সাধারণ ক্ষমায় এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার হাজার অবৈধ অভিবাসী বাংলাদেশী সাধারণ ক্ষমার আবেদন করেছেন। রাজধানী কুয়েত সিটির বাইরে চারটি ক্যাম্পে তাদের রাখা হয়েছে। ক্যাম্প গুলো হলো, আব্দালীয়া, সেভদি, মাঙ্গাফ ও কসর।

ক্যাম্পে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশীরা জানান, সাধারণ ক্ষমার অধীনে যেসব কর্মী দেশে ফিরে আসবে তাদের কোনো জেল/জরিমানা হবে না বরং তাদের বিনামূল্যে টিকিট দেয়া হবে এমন প্রতিশ্রুতিতে তারা আত্মসমর্পণ করেন। কিন্তু এখন তাদের বিভিন্ন ক্যাম্পে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, কুয়েত প্রবাসীরা আমাদের সাথেও যোগাযোগ করছেন। সাধারণ ক্ষমার বিয়ষটি আমরা অবগত। তবে করোনার এই সঙ্কটকালীন সময়ে যেহেতু ফ্লাইট চলাচল বন্ধ কাজেই হুট করে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া সবার জন্যই কঠিন। তবে সাধারণ ক্ষমতায় নিবন্ধিতদের মধ্যে ১২৬ জন গত ২৭ এবং ১২১ জন গত ২৮ এপ্রিল আলজাজিরা এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে দেশে ফেরত আনা হয়েছে। বাকিদের বিষয়েও সরকার ও দূতাবাস অবগত বলেই আমরা মনে করছি। দূতাবাস এই প্রবাসীদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের আশ্বস্ত করতে পারে। এ ব্যাপারে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীনকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, সেদেশ থেকে জেলমুক্তদের দেশে ফেরানোর বিষয়টি চূড়ান্ত হলেও যারা সাধারণ ক্ষমায় আত্মসমর্পণ করেছেন তাদের দেশে ফেরানোর বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। আলোচনার মাধ্যমেই তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানান তিনি।||নয়া দিগন্ত

কুয়েতে ক্যাম্পে থাকা সাড়ে ৪ হাজার বাংলাদেশি দেশে ফিরতে চান
                                  

কুয়েত সরকারের কাছে সাধারণ ক্ষমার জন্য আবেদন করা প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বাংলাদেশি দেশে ফিরে আসতে চান, কারণ তারা কুয়েত শহরের বাইরে ক্যাম্পে করুন জীবনযাপন করছেন।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল ইসলাম বলেন, করোনাভাইরাস সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বিমানগুলো স্থগিত থাকায় এখনই তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা কঠিন।

তিনি জানান, গত ২৭ এপ্রিল ১২৬ জনকে এবং ২৮ এপ্রিল আরও ১২১ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

 

তিনি কুয়েতে সরকার ও বাংলাদেশ দূতাবাসকে ক্যাম্পগুলোতে আটকা পড়া নাগরিকদের সাথে যোগাযোগ করা এবং তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দেয়ার আহ্বান জানান।

এপ্রিলের শুরুতে কুয়েত সরকার অবৈধ বিদেশি কর্মীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে এবং তাদেরকে ১১-১৫ এপ্রিল, ২০২০ এর মধ্যে প্রক্রিয়া শেষ করার আহ্বান জানায়।

 

কুয়েত সরকার জানায়, সমস্ত অবৈধ বাসিন্দাকে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে দেশ ত্যাগ করতে বলা হয়েছে এবং এ সময়ের মধ্যে তাদের জরিমানা করা হবে না।

এদিকে কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, সেখানকার সকল অবৈধ নাগরিককে সুযোগটি কাজে লাগিয়ে দেশ ত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে।

 

কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের ভেরিভায়েড ফেসবুক পেজ থেকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বাংলাদেশি নিবন্ধন করে দেশে আসার আবেদন করেন।

তাদের সবাইকে কুয়েত শহরের বাইরের চারটি ক্যাম্প-আবদালিয়া, সেবদি, মঙ্গাফ এবং কসরে আশ্রয় দেয়া হয়েছে।

 

সূত্রমতে, সেখানে বৈধ কাগজপত্র না থাকা বাংলাদেশিরা কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছে তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে নিতে কারণ ক্যাম্পে তারা করুণ অবস্থায় বাস করছেন।

ক্যাম্পে থাকা ওই বাংলাদেশিরা জানান, জরিমানা বা সাজা দেয়া হবে না এবং দেশে ফেরার জন্য বিনামূল্যে টিকিট দেয়া হবে এমন আশ্বাস পেয়ে তারা আত্মসমর্পণ করলেও, এখন ক্যাম্পে বিভিন্ন সমস্যায় পড়ছেন।

এদিকে আবদালিয়া শিবিরে আটকেপড়া কয়েকজন বাংলাদেশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা ভিডিও বার্তায় অভিযোগ করে বলেন, কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কেউ তাদের সাথে যোগাযোগ করেননি। সূত্র: ইউএনবি

সিঙ্গাপুরে একদিনে ৫৭০ বাংলাদেশীর করোনা শনাক্ত
                                  

সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশী শ্রমিকদের উপর করোনার ভয়ঙ্কর থাবা। একদিনেই দেশটিতে ৫৭০ বাংলাদেশী প্রবাসীর শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এরফলে এশিয়ার দ্বীপ দেশটিতে ২ হাজার ৫৯৭ জন বাংলাদেশী করোনায় আক্রান্তের খবর এলো। সারা বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের যত রোগী রয়েছে, তার চেয়ে এই সংখ্যা বেশি। বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা এখন ২ হাজার ১৪৪ জন।

শনিবার সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে রেকর্ড ৯২৪ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে, এর মধ্যে বাংলাদেশিই সর্বাধিক।

সিঙ্গাপুরে প্রায় ৬ হাজার আক্রান্তের মধ্যে অধিকাংশই প্রবাসী শ্রমিক। বিভিন্ন ডরমিটরিতে একসাথে থাকা এই শ্রমিকদের মধ্যে দ্রুতই ভাইরাস সংক্রমিত হচ্ছে বলে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

কেবল এস-১১ ডমরিটরিতেই শনিবার পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৭৫ জন। সিঙ্গাপুরে এখন পর্যন্ত মোট কোভিড-১৯ রোগী ৫ হাজার ৯৯২ জনের মধ্যে নতুন একজনসহ মোট ১১ জন মারা গেছেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭০৮ জন।

সিঙ্গাপুরের চ্যানেল নিউজ এশিয়ার খবরে বলা হয়, মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭০ গুণ বেড়েছে।

কাতারে করোনায় ৫ শতাধিক বাংলাদেশী আক্রান্ত, মৃত্যু ৩
                                  

বৈশ্বিকভাবে মহামারি আকার ধারণ করা প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে মধ্যপ্রাচ্যের কাতারে পাঁচ শতাধিক বাংলাদেশী আক্রান্ত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ মঙ্গলবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘কাতারে পাঁচ শতাধিক বাংলাদেশী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সেখানকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং চিকিৎসাধীন থাকা তিন বাংলাদেশিী মৃত্যু হয়েছে।’

কাতারে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে থাকায় বাংলাদেশিদের আক্রান্তের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে বলে কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুসারে, করোনাভাইরাসে কাতারে মোট সাতজনের মৃত্যু হয়েছে এবং মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪২৮ জনে।

কাতারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, তাদের দেশে আক্রান্তদের মধ্যে ৩৭৩ জন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ফিরেছেন।

ঢাকার সরকারি কর্মকর্তাদের দেয়া তথ্য মতে, কাতারে বর্তমানে প্রায় সাড়ে তিন লাখ বাংলাদেশি কাজ করছেন।
সূত্র : ইউএনবি

যুক্তরাজ্যের ছায়া মন্ত্রী হলেন টিউলিপ সিদ্দিক
                                  

ব্রিটেনের লেবার পার্টির শিশু বিষয়ক ছায়া মন্ত্রী হিসেবে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন ব্রিটিশ বাংলাদেশি এমপি, বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি ও শেখ রেহানার কন্যা টিউলিপ সিদ্দিক। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে লেবার পার্টির প্রাক-প্রাথমিক ছায়া মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এবার শিশু বিষয়ক ছায়া মন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন।

বৃহস্পতিবার পূর্ণাঙ্গ শেডো ক্যাবিনেট গঠন করেন লেবার পার্টির নবনির্বাচিত নেতা স্যার কিয়ার স্ট্যারমার। শেডো কেবিনেটে স্থান পেয়েছেন লিডারশিপ প্রতিদ্বন্দ্বী লিসা নন্দা, রেবেকা লং বেইলি, এমিলি থর্নবারি ও জেসিকা ফিলিপ। এই ক্যাবিনেটের এডুকেশন ডিপার্টমেন্টের চিলড্রেন এন্ড অ্যার্লি ইয়ার্স ছায়ামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হ্যামস্টেড এন্ড কিলবার্ন আসনের এমপি টিউলিপ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিক বলেন, আমি অ্যাঞ্জেলা রায়নার ছায়া শিক্ষা দলের অংশ হিসেবে বছরের শুরু থেকে ছায়ামন্ত্রী নিযুক্ত হতে পেরে আনন্দিত। শৈশবকালীন পড়াশোনা শিশুর বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, সুবিধাবঞ্চিত ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে অনেকে এমনকি স্কুল শুরু করার আগেই পিছিয়ে পড়ে। এটা যাতে না ঘটে তা নিশ্চিত করতে আমার সহকর্মীদের সাথে আমি কাজ করার আশা করি। টিউলিপ সিদ্দিক ২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত শিশু যত্ন ও প্রাথমিক শিক্ষার জন্য সর্বদলীয় সংসদীয় গোষ্ঠীর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

উল্লেখ্য, টিউলিপ সিদ্দিক ২০১৫ সালে হ্যামস্টেড এন্ড কিলবার্ন আসন থেকে প্রথমবার নির্বাচিত হন। ২০১৭ সালের নির্বাচনে তিনি বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেন। সর্বশেষ গত বছরের ডিসেম্বরের নির্বাচনেও তিনি জয়লাভ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলামের মৃত্যু
                                  

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৌলভীবাজার-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. সিরাজুল ইসলাম মারা গেছেন।

রবিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় জানায়, মো. সিরাজুল ইসলাম করোনায় আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের এলমহার্স্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় মৃত্যুবরণ করেন।

জাতির পিতার ঘনিষ্ঠ সহচর, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মৌলভীবাজার-১ আসনে দুইবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য মো. সিরাজুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম স়ংগঠক হিসেবে দেশমাতৃকার মুক্তিসংগ্রামে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার মৃত্যুতে জাতি একজন গর্বিত সূর্যসন্তানকে হারাল।

মন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

মো. সিরাজুল ইসলাম বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, চার মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

ব্রিটেনে আটকা পড়া বাংলাদেশীদের হাই কমিশনের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ
                                  

ব্রিটেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম কোভিড-১৯ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ব্রিটিশ-বাংলাদেশীদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। মঙ্গলবার এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী মারাত্মক করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে ব্রিটেনে যে কয়েকজন ব্রিটিশ-বাংলাদেশী ভাই ও বোনের দুঃখজনক মৃত্যু হয়েছে, আমি তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করি ও তাদের শোক-সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি। সেইসাথে আমি প্রার্থনা করি, মহান আল্লাহতা’লা যেন সবাইকে এ ভাইরাস মোকাবেলায় সব ধরনের বিধি-বিধান ও সতর্কতা মেনে চলার তৌফিক দান করেন ও আমাদের সকলকে এই মহামারি থেকে সুরক্ষা করেন।’

হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম তার বার্তায় ব্রিটিশ-বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্রিটিশ সরকার ঘোষিত লকডাউন এর নির্দেশনা মেনে সবাইকে ঘরে থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেন এবং পরিবারের বয়োঃজ্যেষ্ঠসহ ঝুঁকিপূর্ণদের বিশেষ সুরক্ষা ও যত্ন নেয়ার আহ্বান জানান।

বর্তমানে ব্রিটেনে কোনো বাংলাদেশী নাগরিক কোনো কারণে আটকে পড়ে থাকলে ও বাংলাদেশে ফেরত যেতে চাইলে তাদেরকে বাংলাদেশ হাইকমিশন লন্ডনের ইমেইলে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন সাইদা মুনা তাসনীম। নির্ধারিত ইমেইল হচ্ছে : hc@bhclondon.org.uk
করোনাভাইরাস: যুক্তরাষ্ট্রে পিতাসহ মুন্সীগঞ্জের চিকিৎসকের মৃত্যু
                                  

মুন্সীগঞ্জের-বিক্রমপুরের লৌহজংয়ের কাজির পাগলা গ্রামের সন্তান আমেরিকা প্রবাসী চিকিৎসক শাকিল করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। করোনায় মারা গেছেন তার পিতা শফিকুল ইসলামও। আর হাসপাতালে করোনার সাথে লড়াই করছেন তার মা রাশিদা খানম।

পরিবারের এই তিন সদস্যই সম্প্রতি সেখানে করোনায় আক্রান্ত হন। পরে অল্প সময়ের ব্যবধানে পিতা-পুত্র শুক্রবার হাসপাতালে মারা যান।

মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কাজির পাগলা গ্রামের বাসিন্দা মো. অলিউর ইসলাম অলি এ তথ্য দিয়ে জানানন, এই মৃত্যুর খবরে কাজির পাগলা গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে ।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের মহাসচিব (অর্থ ও পরিকল্পনা) আবুল বাসার বলেন, ‘শফিকুল আমার ক্লাস ফ্রেন্ড। তার মৃত্যুর সংবাদ আমাকে ব্যথিত করেছে। শফিক এক সময় ভাল ফুটবল খেলতো। কাজির পাগলা বাজারে তার সবচেয়ে বড় ওষুধের দোকান ছিল। ১৯৭২ সালে আমরা কাজির পাগলা এটি ইনস্টিটিউশন থেকে একই সাথে মেট্রিক পাস করি। ১৯৯১ সালে শফিক ডিবি ওয়ান লটারি পেয়ে সপরিবারে আমেরিকায় যায় এবং সেখানেই বসবাস করছিল। তারপরও এলাকার সাথে ভালো যোগাযোগ ছিল। সেখানেই তাদের দাফন করা হচ্ছে বলে শুনেছি’ ।  || ইউএনবি

মালয়েশিয়ায় গৃহবন্দি ৬ লাখ বাংলাদেশি
                                  

করোনার সংক্রমণ রোধে এই মুহূর্তে পুরো বিশ্ব থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে মালয়েশিয়া। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত এ অবস্থা চলতে থাকবে। এই সময়ের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে লকডাউনের সময়কাল আরো বাড়তে পারে।করোনার প্রভাবে মালয়েশিয়ার রাস্তাঘাট এখন জনশূন্য

গতদিনে দেশটিতে আরো ১১০ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৯০০ জনে। এছাড়া ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হয়ে এখন পর্যন্ত সেখানে ২ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রায় ৬ লক্ষ বাংলাদেশি গৃহবন্দি অবস্থায় আছেন। তবে কোনো বাংলাদেশি এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হননি। তারপরও সেখানে সংক্রমণের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন প্রবাসীরা।

এর আগে গত ১৮ মার্চ থেকে নিজেদের পুরো লকডাউন করে নেয় মালয়েশিয়া। ফলে সেখানকার রাস্তাঘাট এখন জনশূন্য, সব জায়গায় সুনসান নীরবতা। কোথাও কেউ নেই। রাস্তাঘাটে নিরাপত্তাকর্মী ছাড়া মাঝেমধ্যে দুই একজনকে দেখা যায়।

একের পর এক বন্ধ হচ্ছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। শুধু হাসপাতাল, ফার্মেসি ও সুপারশপ খোলা রয়েছে। আর বাকি সবকিছুই বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বেশি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এ নির্দেশ অমান্য করলে জেল-জরিমানার ব্যবস্থাও আছে।

এদিকে লকডাউনের সময় শ্রমিকদের বেতন যেন বন্ধ না হয় সেজন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়। এক ঘোষণায় মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতুক সেরি এম সারাভানান বলেন, দেশ লকডাউন হলেও শ্রমিকদের বেতন পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তাই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের বেতন পরিশোধ করতে হবে।

আরও ১৫৫ বাংলাদেশি ফিরলেন ইতালি থেকে
                                  

ইতালি থেকে আরও ১৫৫ জন বাংলাদেশি ফিরেছেন। রবিবার সকালে তাদের নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট।

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাদের আশকোনা হজ ক্যাম্পে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে শনিবার দিবাগত রাত ১টা ৪০ মিনিটে কাতার এয়ারওয়েজের একটি বিমানে ইতালি থেকে কাতার হয়ে দেশে ফিরেন আরও ৫৮ বাংলাদেশি।

ঢাকায় নামার পর এদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। পরে তাদের গাজীপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন তারা।

তার আগে, শনিবার সকালে ইতালি থেকে দেশে ফিরেন ১৪২ জন। শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে তাদের সরাসরি নেওয়া হয় আশকোনার হজ ক্যাম্পে।

পরীক্ষা করে তাদের দেহে করোনার অস্তিত্ব না পাওয়ায় প্রায় ১১ ঘণ্টা পর তাদের বাড়িতে পাঠানো হয়। সেখানে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশে যে তিনজনের দেহে নোভেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছিলো, তাদের দুইজনই এসেছিলেন ইতালি থেকে।

এদিকে নতুন করে করোনা ভাইরাসে দেশে আরো দুইজন আক্রান্ত হয়েছেন। শনিবার রাতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা নতুন করে আরো দুইজন করোনা ভাইরাস রোগীর সন্ধান পেয়েছি। ইতালি ও জার্মানি থেকে আগত তারা সেলফ কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।’

জেদ্দায় পাসপোর্ট ভোগান্তিতে বাংলাদেশী প্রবাসীরা
                                  

বাংলাদেশের বৃহৎ শ্রমবাজার সৌদি আরবের জেদ্দায় বসবাসকারী শত শত বাংলাদেশী শ্রমিক পাসপোর্ট ভোগান্তিতে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। ভোগান্তি যেন কোনোভাবেই তাদের পিছু ছাড়ছে না। ইতোমধ্যে অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে। তারপরও জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল অফিস-সংশ্লিষ্টদের সেদিকে খেয়াল দেয়ার সময় নেই বলে অভিযোগ উঠেছে। শ্রমিকদের অভিযোগ, সেবার নামে কনসাল জেনারেল অফিসে এখন চলছে নীরবে অনিয়ম। তবে যারা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার চেষ্টা করছে তারাই এখন তাদের টার্গেটে পড়ছেন।

জেদ্দায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশ দুতাবাসসহ সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে এসব অভিযোগ জানিয়ে আসলেও অদ্যাবধি পাসপোর্ট জটিলতার কোনো সুরাহা হয়নি বরং ভোগান্তি আরও বাড়ছে। এতে দিন যত যাচ্ছে প্রবাসীদের মধ্যে পাসপোর্ট না পাওয়ার আতঙ্ক বাড়ছে। এমনটি মনে করছেন দেশটিতে থাকা বিভিন্ন পেশার প্রবাসীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেদ্দা কনস্যুলেট অফিস সাধারণত তিন ধরনের সেবা দিয়ে থাকে। পাসপোর্ট সংক্রান্ত, লেবার উইং এবং সোনালী ব্যাংক প্রতিনিধির মাধ্যমে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা ও ওয়েজ আর্নার্স বন্ড সেবা। পাসপোর্ট-সংক্রান্ত সেবাটি ব্যাপক ও জরুরি।

গতকাল জেদ্দায় বসবাসরত বাংলাদেশীদের পাসপোর্ট ভোগান্তির বিষয়ে মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা নয়া দিগন্তকে জানান, গত ১২ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে প্রায় ২০ হাজার পাসপোর্ট জেদ্দা কনস্যুলেট জেনারেল অফিসে গেলেও সেগুলো রহস্যজনক কারণে অপেক্ষায় থাকা প্রবাসীদের ডেলিভারি দেয়ার জন্য এখনো প্রস্তুত করা হয়নি।

ওই কর্মকর্তা বলছেন, মূলত পাসপোর্ট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজে ধীরগতির কারণেই ডেলিভারির জন্য এখনো প্রস্তুত করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ বাংলাদেশী পাসপোর্ট রিনিউয়ের জন্য আবেদন জমা দিতে কনসাল জেনারেল অফিসের ফাস্ট সেক্রেটারি (পাসপোর্ট ও ভিসা) মো: কামরুজ্জামানের দরজার সামনে দারস্থ হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু বেশির ভাগ সময় দুরদুরান্ত থেকে আসা প্রবাসীদের তিনিসহ অন্যান্যরা ঠিকমতো সেবা দিতে ব্যর্থ হচ্ছেন। আবার কখনও কখনও প্রবাসীরা দিনভর লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে কাউন্টারে যেতে যেতেই বেলা গড়িয়ে যাচ্ছে। আর নির্দিষ্ট সময়ের পর কনস্যুলেটের পাসপোর্ট অফিস বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। অবশ্য ওই সময় দালাল ও ফড়িয়ারা থাকেন বেপোরোয়া।

গতকাল জেদ্দা কনসাল জেনারেল অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কর্মকর্তা এই পাসপোর্ট ডেলিভারির সাথে জড়িত তার বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে প্রবাসী বাংলাদেশীদের পাসপোর্ট জটিলতা কোনোভাবে কাটবে না। দিন যত যাবে ভোগান্তি ততই বাড়তে থাকবে। তারা দ্রুত এর সমাধান চান।

গতকাল রোববার রাতে সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহের সাথে জেদ্দা কনসাল জেনারেল অফিসে প্রবাসীদের পাসপোর্ট ভোগান্তির কথা জানতে চাইলে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পাননি বলে জানান। তিনি বলেন, আমরা দ্রুত পাসপোর্ট সরবরাহের জন্য সৌদি সরকারের সহযোগিতাও নিচ্ছি। আরও কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। পাসপোর্ট প্রাপ্তিতে প্রবাসীদের যাতে কোনো ভোগান্তি না হয় সেজন্য আমরা সদা চেষ্টা করছি।

মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি যুবক নিহত
                                  

মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। গত সোমবার সন্ধ্যায় কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত স্বপন মিয়া (৩৫) ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানাধীন দত্তেরবাজার ইউনিয়নের যাত্রাসিদ্ধি গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাগলা থানার দত্তেরবাজার ইউনিয়নের যাত্রাসিদ্ধি গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে স্বপন মিয়া প্রায় ৮ বছর যাবৎ মালয়েশিয়ায় চাকরি করেন।

গত বছর ছুটিতে দেশে ফিরে এসে বিয়ে করে স্ত্রীকে রেখে পুনরায় মালয়েশিয়ায় চলে যান। আর মাত্র ২ বছর মালয়েশিয়ায় থেকে একেবারে দেশে ফিরে আসার কথা ছিল স্বপন মিয়ার। গত সোমবার সন্ধ্যায় ডিউটি শেষে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে দ্রুতগামী গাড়িচাপায় ঘটনাস্থলেই স্বপন মারা যান।

এ ঘটনায় পরিবারে লোকজনের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত স্বপনের চাচাতো ভাই নাজমুল হক বলেন, স্বপন মিয়া ১০ বছরের চুক্তিতে মালয়েশিয়ায় চাকরি করছিল। এরইমধ্যে ৮ বছর চলে গেছে। আর ২ বছর পর তার ফিরে আসার কথা ছিল। দত্তেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রোকসানা বেগম বলেন, ঘটনাটি নিহতের পরিবারের জন্য খুবই দুঃখজনক ঘটনা। স্বপন গত বছর দেশে ফিরে বিয়ে করে দাম্পত্য জীবন শুরু করেছিল।

 

সৌদি থেকে ফিরলো আরও ১০৯ বাংলাদেশি
                                  

সৌদি আরব থেকে আরও ১০৯ বাংলাদেশিকে ফিরে আসতে হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের এসভি ৮০৪ বিমানযোগে তারা দেশে ফেরেন। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৬ দিনে এক হাজার ৬১০ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন। বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। গত বৃহস্পতিবার ফেরা সিলেটের তালেব (৩০) মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।

রাতেই তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পাঁচ বছর আগে শ্রমিক হিসাবে সৌদি যান তালেব। কিন্তু গত দুই মাস আগে সেখানে মানসিক ভারসাম্য হারান তিনি। তবে মাত্র দুই মাস আগে সৌদি গিয়েছেলন নোয়াখালীর আজিম হোসেন। পাসপোর্টে তিন মাসের ভিসা থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। তিনি বলেন, বাজার করার জন্য মার্কেটে যাওয়ার সময় পুলিশ আটক করে। গ্রেফতারের সময় পুলিশের সঙ্গে নিয়োগকর্তার কথা বলার পরেও তাকে দেশে পাঠানো হয়েছে। মুন্সিগঞ্জের রুহুল আমিন, কুমিল্লার ফিরোজ হোসেন ও মানিক, শরিয়তপুরের মিলন, যশোরের মোসলেম উদ্দিন, বগুড়ার মেহেদি হাসান, গাজীপুরের রাজিবসহ ১০৯ বাংলাদেশির বেশিরভাগেরই এমন অবস্থা। দেশে ফেরা কর্মীদের অভিযোগ, আকামা তৈরির জন্য নিয়োগ কর্তাকে টাকা দিলেও আকামা করে দেয়নি। পুলিশ গ্রেফতারের পর নিয়োগ কর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কর্মীর দায় নিচ্ছে না। বরাবরের মতো গত বৃহস্পতিবারও ফেরত আসাদের মাঝে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগীতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম থেকে জরুরি সহায়তা দেওয়া হয়। ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান জানান, ২০১৯ সালের ২৫ হাজার ৭৮৯ বাংলাদেশিকে সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। নতুন বছর শুরুর ১৬ দিনে এক হাজার ৬১০ বাংলাদেশি সৌদি থেকে ফিরতে বাধ্য হলেন। তাদের প্রায় সবাই খালি হাতে ফিরেছেন। কয়েকমাস আগে গিয়েছিলেন এমন লোকও আছেন। তারা সবাই ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশায় ভুগছেন। শরিফুল হাসান গত বছরের পরিসংখ্যান দিয়ে জানান, প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের তথ্য অনুযায়ী ২০১৯ সালে মোট ৬৪ হাজার ৬৩৮ কর্মী দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে সৌদি আরব থেকে ২৫ হাজার ৭৮৯, মালয়েশিয়া থেকে ১৫ হাজার ৩৮৯, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ছয় হাজার ১১৭, ওমান থেকে সাত হাজার ৩৬৬, মালদ্বীপ থেকে দুই হাজার ৫২৫, কাতার থেকে দুই হাজার ১২, বাহরাইন থেকে এক হাজার ৪৪৮ ও কুয়েত থেকে ৪৭৯ বাংলাদেশি শূন্য হাতে ফিরেছেন, যাদের পরিচয় ডিপোর্টি। তিনি আরও বলেন, এই মানুষগুলোর পাশে সবার দাঁড়ানো উচিত।

ফেরত আসা প্রবাসীদের আমরা শুধু বিমানবন্দরে সহায়তা দিয়েই দায়িত্ব শেষ করছি না, তারা যেন ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেজন্য কাউন্সিলিং, দক্ষতা প্রশিক্ষণ ও আর্থিকভাবেও পাশে থাকতে চাই। সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা সবাই মিলে কাজটি করতে হবে। তিনি বলেন, এভাবে যেন কাউকে শূন্য হাতে ফিরতে না হয় সেজন্য রিক্রুটিং এজেন্সিকে দায়িত্ব নিতে হবে। দূতাবাস ও সরকারকেও বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে হবে। বিশেষ করে ফ্রি ভিসার নামে প্রতারণা বন্ধ করা উচিত।

 

মালয়েশিয়ায় ২০০ বাংলাদেশিসহ মোট চার শতাধিক বিভিন্ন দেশি আটক
                                  

পুরো মালয়েশিয়া জুড়ে ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের পরিচালিত অভিযানে ২০০ বাংলাদেশিসহ মোট চার শতাধিক বিভিন্ন দেশের অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য মতে, গত ৭ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারি দেশটির রাজধানী কুয়ালালামপুরের বিভিন্ন কনস্ট্রাকশন সাইট, শাহ আলম সেলাংগার এবং কেডাহ অঞ্চলে অভিযান পরিচালনা করে অভিবাসীদের আটক করা হয়।

গত বছরের আগস্ট থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অবৈধ অভিবাসীদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করতে ‘ব্যাক ফর গুড’ কমসূচির ঘোষণা দিয়েছিল মালয়েশিয়া সরকার। অবৈধ অভিবাসীদের দেশে ফেরার মেয়াদ শেষ হওয়ায় এখনো যেসব অভিবাসী অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় রয়েছে তাদেরকে আটক করতেই পূর্বঘোষিত এ অভিযান পরিচালনা করছে দেশটির ইমিগ্রেশন অধিদপ্তর ও পুলিশ।

গত ৭ জানুয়ারি বিকেলে শাহ আলমের বাতুকাভাহ, কোতা দামানছারার পাচার রায়া, মেডান সেলেরা, রেস্টুরেন্টসহ মোট সাত জায়গায় পরিচালিত অভিযানে  ২৬ বাংলাদেশিসহ ৮২ জনকে আটক করা হয়। এ ছাড়া কেহডার আলোস্টারের কুলিমে একটি ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালিয়ে ৭০ বাংলাদেশিসহ ১৪৫ অভিবাসীকে আটক করা হয়। আলোরস্টারে চালানো অপর এক অভিযানে ৫৬ বাংলাদেশিসহ ৭০ জনকে আটক করা হয়েছে।

পরদিন ৮ জানুয়ারি রাজধানীর বুকিত কিরিংছি ও কেপোং এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১২ বাংলাদেশিসহ ৩৪ জনকে আটক করা হয়। সবশেষে ১০ জানুয়ারি শাহ আলমের একটি বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন সাইটে অভিযান চালিয়ে ৯৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়াও মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের নিয়মিত অভিযানে প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও আটক হচ্ছে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা।

বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা মালয়েশিয়ার
                                  

বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে মালয়েশিয়া। দেশটির মানবসম্পদ বিষয়ক মন্ত্রী এম কুলা সেগরান এই তথ্য জানিয়েছেন। গতকাল মালয়েশিয়ার বার্তা সংস্থা বারনামার খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

কুলা সেগরান বলেন, ‘নতুন একটি চুক্তির জন্য নতুন কিছু শর্ত নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এই আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। নিয়োগদাতা কোম্পানি কর্মীর সব খরচ বহন করবে। যাতায়াতের বিমান ভাড়া, ভিসা ফি, শারীরিক পরীক্ষা, নিরাপত্তা পরীক্ষা এবং লেভি চার্জ প্রদান করবে। চলতি মাসেই একটি ওয়ার্কিং কমিটি বাংলাদেশ সফর করবে। খুব সামান্য কয়েকটি বিষয় নিষ্পত্তি হতে বাকি রয়েছে। এগুলোর নিষ্পত্তি হলেই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে যাবে।’

২০১৮ সালে বাংলাদেশে থেকে কর্মী নেওয়া স্থগিত করে মালয়েশিয়া। গত রবিবার বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী জানান, নির্ধারিত খরচে কর্মীদের যাওয়া নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার পক্ষে নন।

এ বিষয়ে সেগরান বলেন, অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাংলাদেশ থেকে কর্মী প্রেরণ বন্ধ করতে এ পদ্ধতি অবশ্যই দরকার। কর্মীদের কাছ থেকে বেশি অর্থ নিয়ে তাদের শোষণ করার অনেক ঘটনা রয়েছে।


   Page 1 of 15
     প্রবাসে বাংলা
লিবিয়ায় গুলি করে ২৬ বাংলাদেশিকে হত্যা
.............................................................................................
দেশে ফিরতে হাজারো কুয়েত প্রবাসীর রাতভর বিক্ষোভ
.............................................................................................
কুয়েতে ক্যাম্পে থাকা সাড়ে ৪ হাজার বাংলাদেশি দেশে ফিরতে চান
.............................................................................................
সিঙ্গাপুরে একদিনে ৫৭০ বাংলাদেশীর করোনা শনাক্ত
.............................................................................................
কাতারে করোনায় ৫ শতাধিক বাংলাদেশী আক্রান্ত, মৃত্যু ৩
.............................................................................................
যুক্তরাজ্যের ছায়া মন্ত্রী হলেন টিউলিপ সিদ্দিক
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলামের মৃত্যু
.............................................................................................
ব্রিটেনে আটকা পড়া বাংলাদেশীদের হাই কমিশনের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ
.............................................................................................
করোনাভাইরাস: যুক্তরাষ্ট্রে পিতাসহ মুন্সীগঞ্জের চিকিৎসকের মৃত্যু
.............................................................................................
মালয়েশিয়ায় গৃহবন্দি ৬ লাখ বাংলাদেশি
.............................................................................................
আরও ১৫৫ বাংলাদেশি ফিরলেন ইতালি থেকে
.............................................................................................
জেদ্দায় পাসপোর্ট ভোগান্তিতে বাংলাদেশী প্রবাসীরা
.............................................................................................
মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি যুবক নিহত
.............................................................................................
সৌদি থেকে ফিরলো আরও ১০৯ বাংলাদেশি
.............................................................................................
মালয়েশিয়ায় ২০০ বাংলাদেশিসহ মোট চার শতাধিক বিভিন্ন দেশি আটক
.............................................................................................
বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা মালয়েশিয়ার
.............................................................................................
সৌদি থেকে ফিরলেন ১৫ নারীসহ আরও ১০৬ বাংলাদেশি
.............................................................................................
ইরাকে বাংলাদেশিদের বাংলাদেশ দূতাবাসের সতর্কতা
.............................................................................................
মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরা অবৈধরা ৫ বছর ব্ল্যাকলিস্টেড
.............................................................................................
প্রবাসে বাড়ছে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যুর সংখ্যা
.............................................................................................
এজেন্সির অভিনব স্টাইলে প্রতারণা এখনো অব্যাহত,নিঃস্ব বিদেশগামী শ্রমিকরা
.............................................................................................
লিবিয়ায় ৩ কর্মীর মরদেহসহ ১৫২ কর্মী দেশে ফিরেছে
.............................................................................................
দুবাইয়ে প্রবাসীদের এনআইডি কার্যক্রম শুরু
.............................................................................................
সৌদি থেকে ফিরলেন আরও ৬১ কর্মী
.............................................................................................
সৌদি থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৫৩ বাংলাদেশি
.............................................................................................
সৌ‌দি আরবে ধরপাকড় : একদিনেই ফিরলেন ২০০ বাংলাদেশী
.............................................................................................
দক্ষিণ আফ্রিকায় ডাকাতের দেওয়া আগুনে বাংলাদেশির মৃত্যু
.............................................................................................
সৌদিতে দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬ জনের মধ্যে ১১ জন বাংলাদেশি
.............................................................................................
সৌদি থেকে ২ দিনে দেশে ফিরলেন ২৫০ বাংলাদেশি
.............................................................................................
সৌদি আরবে ছুরিকাঘাতে বাংলাদেশি খুন, গ্রেপ্তার ৩
.............................................................................................
দক্ষিণ আফ্রিকা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
ওমানে অমানুষিক নির্যাতনের বর্ণনা দিলেন বরিশালের নার্গিস
.............................................................................................
লন্ডনে ভিসা জালিয়াতির চক্রের চার বাংলাদেশিকে সাজা থেকে অব্যাহতি
.............................................................................................
দক্ষিণ আফ্রিকায় দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা
.............................................................................................
মেক্সিকোতে ১৭ বাংলাদেশি উদ্ধার
.............................................................................................
ফরিদগঞ্জের কৃতি সন্তান কাতারের ব্যবসায়ী জালাল আহাম্মেদের সম্মাননা অর্জন
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা
.............................................................................................
বেঁচে যাওয়া ১৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন
.............................................................................................
সৌদি আরবে চালু হচ্ছে ‘গ্রিন কার্ড’
.............................................................................................
ভূমধ্যসাগরে নিহতদের মধ্যে ২৭ বাংলাদেশির লাশ শনাক্ত
.............................................................................................
মন্ত্রণালয়ের অসহযোগিতায় প্রবাসী কর্মীর লাশ দেশে পদে পদে হয়রানি শিকার হচ্ছে স্বজনরা
.............................................................................................
ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহতদের অধিকাংশই বাংলাদেশি
.............................................................................................
দু’দিনে দেশে ফিরলেন ৩৭৫ বাংলাদেশী
.............................................................................................
পরিচয় নিশ্চিত হলো সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের
.............................................................................................
কাতারে শত শত কর্মী কফিল খুঁজে না পেয়ে পথে পথে ঘুরছেন
.............................................................................................
বাগদাদে জিম্মিদশা থেকে উদ্ধারে বাংলাদেশীদের আকুতি
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে নিহত ৮
.............................................................................................
লন্ডনে এক বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার
.............................................................................................
দেশে ফিরল মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ যুবকের মরদেহ
.............................................................................................
আহত ফায়ারম্যান সোহেল রানা মারা গেছেন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD