| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   আইন-আদালত -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের বিধান প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল

 পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত বোর্ডের প্রণীত রেজ্যুলেশনের ৮১ নম্বর প্রবিধান অনুযায়ী, উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ না রাখার বিধানটি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে খাতা পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজনীয় বিধান কেন প্রণয়ন করা হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা ও আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সব বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী শিকদার মাহমুদুর রাজী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

পরে আইনজীবী শিকদার মাহমুদুর রাজীবলেন, বোর্ডের আইন অনুযায়ী খাতা পুনর্মূল্যায়নের কোনও সুযোগ নেই। যা করা যায় তা হলো পুনঃনিরীক্ষা। এর ফলে খাতার নম্বরের বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থাকলেও খাতার মূল্যায়ন করার সুযোগ নেই। তাই সেই সুযোগ চেয়ে রিটটি দায়ের করা হয়। প্রসঙ্গত, এর আগে এসএসসি ও এইচএসসিসহ সমমানের বোর্ড পরীক্ষায় উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ চেয়ে রিটটি দায়ের করা হয়। গত ১৪ মে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিকদার মাহমুদুর রাজী ও আইনুন নাহার সিদ্দিকা এ রিট দায়ের করেন।

পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের বিধান প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল
                                  

 পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত বোর্ডের প্রণীত রেজ্যুলেশনের ৮১ নম্বর প্রবিধান অনুযায়ী, উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ না রাখার বিধানটি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে খাতা পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজনীয় বিধান কেন প্রণয়ন করা হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা ও আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সব বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী শিকদার মাহমুদুর রাজী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

পরে আইনজীবী শিকদার মাহমুদুর রাজীবলেন, বোর্ডের আইন অনুযায়ী খাতা পুনর্মূল্যায়নের কোনও সুযোগ নেই। যা করা যায় তা হলো পুনঃনিরীক্ষা। এর ফলে খাতার নম্বরের বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থাকলেও খাতার মূল্যায়ন করার সুযোগ নেই। তাই সেই সুযোগ চেয়ে রিটটি দায়ের করা হয়। প্রসঙ্গত, এর আগে এসএসসি ও এইচএসসিসহ সমমানের বোর্ড পরীক্ষায় উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ চেয়ে রিটটি দায়ের করা হয়। গত ১৪ মে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিকদার মাহমুদুর রাজী ও আইনুন নাহার সিদ্দিকা এ রিট দায়ের করেন।

সামুদ্রিক জলসীমায় ২৩ জুলাই পর্যন্ত মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ
                                  

 দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় আগামি ২৩ জুলাই পর্যন্ত একটানা ৬৫দিন সকলপ্রকার যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক মৎস্যযান কর্তৃক মৎস্য ও ক্রাস্টিয়ান্স (চিংড়ি, লবস্টার, কাটলফিশ ইত্যাদি) আহরণ সম্পর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু এসব তথ্য জানান। সামদ্রিক মাছের প্রজননকাল হওয়ায় ডিমওয়ালা মাছের নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টিসহ মাছের মজুদ সংরক্ষণ, সুষ্ঠু ও বিজ্ঞানসম্মত সহনশীল আহরণনিশ্চিত করতেই এই নিষেধাজ্ঞারোপ করেছে মৎস্য ও প্রানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত ২০০ নটিক্যাল মাইল অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত একটানা ৬৫দিন এই মৎস আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে। ঈদের আগেই জেলেদের খাদ্য সহায়তা দেয়া হবে জানিয়ে আশরাফ আলী খান খসরু বলেন, উপকূলীয় ১২টি জেলাধীন ৪২ উপজেলার ৪ লাখ ১৪ মহাজার ৭৮৪টি জেলে পরিবারের মাছ-আহরণ ব্যতিত বিকল্প আয়ের উৎস না থাকায় এবারই প্রথম নিষিদ্ধকালীন ৬৫দিনের জন্য ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় পরিবার প্রতি মাসিক ৪০ কেজি করে মোট ৩৬ হাজার মেট্রিক টন চাল সহায়তা প্রদান করা হবে।

মাছের তিনটি নিষিদ্ধ সময়ের জন্য আগামি ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে ২২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, ৮ মাস জাটকানিধরোধ এবং ২২দিন মা-ইলিশ সংরক্ষণের মতন ৬৫দিনের জন্যও ভিজিএফ খাদ্যসহায়তার ফলে জেলেপরিবারের খাদ্যসংস্থান হওয়ায় তারা সামুদ্রিক ডিমওয়ালা মাছ ও চিংড়ি আহরণ থেকে বিরত থাকবে এবং ডিমওয়ালা মাছ ও চিংড়ির নিরাপদপরিবেশ সৃষ্টি হবে। প্রতিমন্ত্রী বলনে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে মোট ৪২.৭৭ লক্ষ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হওয়ার মাধ্যমেই দেশ মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে।

এই উৎপাদনের মধ্যে সামুদ্রিক মৎস্যখাতরে অবদান ৬.৫৬ লক্ষ মেট্রেকটন, যা দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনের ১৫.৩৩ শতাংশ। সংবাদসম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের সচিব রইছ উল আলম মন্ডল, মৎস্য অধিদফতরের ডিজি আবু সাইদ মো. রাশেদুল হক, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডিজি ড ইয়াহিয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

কারাগারে মাদক মামলার আসামিদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড করার প্রস্তাব
                                  

 সারাদেশে কারাগারগুলোতে মাদক মামলায় অভিযুক্ত ও দ-প্রাপ্তদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড করার প্রস্তাব দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। গতকাল বুধবার সংসদ ভবনে কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব দেওয়া হয় বলে কমিটির সভাপতি শামসুল হক টুকু জানান। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, মাদক সংক্রান্ত বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত এবং সাজাপ্রাপ্তদের আলাদা ওয়ার্ড করার প্রম্তাব দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় এখন এ বিষয়ে তাদের কার্যক্রম হাতে নেবে।

কমিটির সদস্য জাতীয় পার্টির এমপি পীর ফজলুর রহমান বলেন, সারা দেশে কারাগারগুলোতে অন্তত ২৪ হাজার কয়েদি আছেন, যারা মাদক আইনের মামলায় অভিযুক্ত অথবা দন্ডপ্রাপ্ত। এদেরকে কাউন্সেলিং করাতে বলা হয়েছে। জেলা পর্যায়ে সরকারি চিকিৎসকদের এ বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে কাউন্সেলিংয়ের কাজে লাগানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এ ছাড়া বৈঠকে মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করতে বলা হয়েছে। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে ট্রেনে পাথর ছোড়ার ঘটনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে। রেল কর্তৃপক্ষ জানায়, পাথর ছোড়ার ঘটনা বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আছে।

কমিটির সভাপতি শামসুল হক বলেন, মাদক সেবী, শিশু, চোরাকারবারী- এরাই পাথর ছোড়ে। অনেক সময় ট্রেন কেন থামে না, সেই ক্ষোভ থেকে পাথর ছোড়ে। আমরা রেল কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ডেকেছিলাম। তারা কাজ করছে। আইন-শৃঙ্খলা বিঘœকারী যে কোনো সম্ভাব্য অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার তথ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে যথাযথভাবে তদারকি এবং আসন্ন ঈদ সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার সুপারিশ করা হয় বৈঠকে। সেইসঙ্গে ঈদ সামনে রেখে যাতে কোনোভাবে চাঁদাবাজি না হয় সেদিকে কঠোর নজর রাখতে নির্দেশ দেয় সংসদীয় কমিটি। বৈঠকে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ এবং পর্নগ্রাফি বন্ধের বিষয়েও আলোচনা হয়।

এ বিষয়ে পীর ফজলুর রহমান বলেন, সারা দেশে শিশু ও নারীর ওপর যৌন নির্যাতন নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। কমিটি এ বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর অবস্থানে থাকতে বলেছে। শামসুল হক টুকুর সভাপতিত্বে এ বৈঠকে কমিটির সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, হাবিবর রহমান, ফরিদুল হক খান, পীর ফজলুর রহমান এবং নূর মোহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

পটুয়াখালীর সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
                                  

 নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের এক মামলার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বিপরীতধর্মী তথ্য থাকার বিষয়ে অনুসন্ধান করে পটুয়াখালীর সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বুধবার এ আদেশ দেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের প্রতি এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পটুয়াখালীর রাঙাবালীতে ধর্ষণের পর সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে হত্যার ঘটনায় ২০১৮ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা হয়।

ওই বছরের ২৫ অক্টোবর নিহত শিক্ষার্থীর ময়নাতদন্ত করেন পটুয়াখালীর সিভিল সার্জনের নেতৃত্বাধীন মেডিকেল বোর্ড। ওই মামলার আসামি দানেশ চৌকিদার হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। তার জামিন আবেদনের শুনানির সময় দেখা যায় মেডিকেল সার্টিফিকেটে কন্ট্রাডিকটরি (বিপরীতধর্মী) তথ্য রয়েছে। এ কারণে গত ৭ মে হাইকোর্ট ব্যাখ্যা দিতে পটুয়াখালীর সিভিল সার্জনকে ২২ মে তলব করেন। এ তলবাদেশ অনুসারে গতকাল বুধবার হাইকোর্টে হাজির হয়ে পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন নিশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট দানেশ চৌকিদারের জামিন আবেদন খারিজ করে আদেশ দেন।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী তুষার বণিক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ। পরে ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ বলেন, ওই ঘটনার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের বর্ণনায় চারটি ইনজুরির কথা উল্লেখ আছে। অথচ মন্তব্য অংশে শ্বাসরোধ করে হত্যার কথা বলা হয়েছে, তবে যা দুর্ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধরনের কন্ট্রাডিকটরি তথ্য থাকায় পটুয়াখালীর সিভিল সার্জনসহ ময়না তদন্তকারী চিকিৎসা বোর্ডের সদস্যদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ ছাড়া আসামির জামিন আবেদন খারিজ করেছেন।

 

যানবাহনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হাইকোর্টের রুল
                                  

আইন অনুযায়ী গণপরিবহনসহ সব ধরনের যানবাহনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে রুল জারি করেছে আদালত। মটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩-এর ধারা ৬০(৩) এবং ২০১৭ সালের ২ মার্চ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) পরিচালকের জরি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বাস, মিনিবাসসহ সব ধরনের যানবাহনে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র স্থাপন করার নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

এছাড়া সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জনগণের জানমাল রক্ষায় যানবাহনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছে আদালত। যোগাযোগ সচিব, স্বারষ্ট্র সচিব, পুলিশ প্রধান, বিআরটিএ চেয়ারম্যান, ফায়ার সর্ভিসের মহাপরিচালক ও বিআরটিএর প্রকৌশল পরিচালককে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাই কোর্ট বেঞ্চ গতকাল বুধবার এ রুল জারি করে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দ মিছবাহুল আনওয়ার। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. সোহরাব সরকার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। আইনজীবী সৈয়দ মিছবাহুল আনওয়ার পরে সাংবাদিকদের বলেন, যানবাহনে ওভারহিটিংসহ বিভিন্ন কারণে প্রায়ই অগ্নিদুর্ঘটনা ঘটছে।

এ বিষয়ে গণপরিবহনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখার বিধান আইনে থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও ব্যবস্থা যদি যানবাহনে থাকে তাহলে এরকম দুর্ঘটনা খুব সহজেই এড়ানো যায়। তাছাড়া বর্তমানে বাজারে অত্যন্ত স্বল্পমূল্যে এবং যানবাহনে ব্যবহার উপযোগী অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র পাওয়া যাচ্ছে। তারপরও সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না থাকায় জনসাধারণ বা যাত্রীসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই রিট আবেদনটি করা হয়। আদালত প্রাথমিক শুনানি নিয়ে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা স্থাপনের বিষয়ে রুল জরি করেছেন। চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি ধানম-ি ২৭ নম্বরে সানরাইজ প্লাজার সামনে রাস্তার গ্যাস পাইপ ছিদ্র হয়ে একটি বাসে আগুন ধরে যায়। এতে আটজন যাত্রী আহত হন। ২৯ মার্চ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নূরে মক্কা পরিবহনের একটি বাসের ইঞ্জিন অতিরিক্ত আগুন ধরে যায়। এছাড়াও গত বছরের ৫ জানুয়ারি ফার্মগেইটে রাইদা পরিবহনের একটি বাসে আগুন ধরে ১২ যাত্রী আহত হন। এরপর ১০ ফেব্রুয়ারি বনানীর চেয়ারম্যান বাড়ি ক্রসিংয়ে চলন্ত একটি বাসের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন ধরে যায়।

একইভাবে ২০১৭ সালের ২৪ জুন সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বিপিএটিসির সামনে বিআরটিসির দ্বিতল একটি বাসে আগুন ধরলে ১৫ যাত্রী আহত হন। একই বছরের ২০ ডিসেম্বর শাহবাগে একটি বাসের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে দেশের বিভন্ন স্থানে যানবাহনে অগ্নিদুর্ঘটনার প্রকাশিত খবর যুক্ত করে চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে হাই কোর্টর সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি করেন আইনজীবী আবুল বারাকাত মো. সাজ্জাদ আল বারী সোহেল। সেই রিটের ওপর শুনানি করেই হাই কোর্ট রুল জারি করল।

 

বরগুনায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
                                  

 ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দিতে না পারায় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদ-, এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদ- ও অপর তিন আসামিকে তিন বছর করে সশ্রম কারাদ- ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। গতকাল সোমবার দুপুরে ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। দ-প্রাপ্ত আসামিরা হলেন- বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার কচুপাত্র গ্রামের রকমান আকনের ছেলে সহিদুল।

একই গ্রামের সহিদুলের আপন বড় ভাই দুলাল, সহিদুলের আত্মীয় আনোয়ার হোসেন ও মজিবর রহমান। এ সময় অপর ৬ জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। রায় ঘোষণা করার সময় সহিদুল ও মজিবর আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর আসামি দুলাল ও আনোয়ার পলাতক রয়েছেন। মামলার বাদী শিউলীর চাচা আলতাফ হোসেন তালতলী থানায় ২০০৪ সালের ৬ জুলাই অভিযোগ করেন তার আপন ভাই জালাল তালুকদারের মেয়ে শিউলিকে ২০০২ সালে সহিদুলের সঙ্গে বিয়ে দেন। কিছুদিন সংসার করার পর ২০০৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর শিউলির বাবার ঘরে বসে ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করে সহিদুল। যৌতুক দিতে অস্বীকার করলে সহিদুল রাগ করে চলে যায়।

একই সঙ্গে শিউলিও স্বামী সহিদুলের সঙ্গে শ্বশুরবাড়ী যায়। পরের দিন ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে শিউলির কাছে আবারও ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করে সহিদুল। শিউলি যৌতুক দিতে অস্বীকার করলে তারা লাঠি দিয়ে শিউলিকে বেদম মারধর করে। এতে গুরুতর আহত হয় শিউলি। এ সময় পানি পান করার জন্য চিৎকার করলে অন্য আসামিরা শিউলির হাত পা চেপে ধরে এবং সহিদুল শিউলির মুখে বিষ ঢেলে দেয়। পরে সহিদুল এবং ওই আসামিরা শিউলির বাবা জালাল তালুকদারকে ফোন করে জানায় শিউলি বিষ পান করে আত্মহত্যা করেছে।

এ ঘটনায় তালতলী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়। ময়নাতদন্তে রির্পোটে দেখা যায় শিউলির শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শিউলি আত্মহত্যা করেনি। তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা শামসুল হক ২০০৫ সালের ৩১ আগস্ট দ-প্রাপ্ত আসামিসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। অপর ৬ জন আসামিদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। মামলার বাদী শিউলির চাচা আলতাফ হোসেন বলেন, সহিদুলকে ফাঁসি দিলে আমরা খুশি হতাম। আসামি সহিদুল জানান, এ রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবে।

 

ei¸bvq ¯¿x nZ¨vi `v‡q ¯^vgxi hve¾xeb

GdGbGm: 50 nvRvi UvKv †hŠZzK w`‡Z bv cvivq ¯¿x‡K wcwU‡q nZ¨vi Awf‡hv‡M ¯^vgx‡K hve¾xeb Kviv`Ð, GK jvL UvKv Rwigvbv Abv`v‡q Av‡iv 6 gv‡mi webvkÖg Kviv`Ð I Aci wZb Avmvwg‡K wZb eQi K‡i mkÖg Kviv`Ð I 10 nvRvi UvKv K‡i Rwigvbv Abv`v‡q Av‡iv wZb gv‡mi webvkÖg Kviv`‡Ûi Av‡`k w`‡q‡Qb ei¸bvi bvix I wkï wbh©vZb `gb UªvBey¨bvj| MZKvj †mvgevi `ycy‡i IB UªvBey¨bv‡ji wePviK †gv. nvwdRyi ingvb G ivq †NvlYv K‡ib| `ÐcÖvß Avmvwgiv n‡jb- ei¸bv †Rjvi ZvjZjx Dc‡Rjvi KPzcvÎ MÖv‡gi iKgvb AvK‡bi †Q‡j mwn`yj| GKB MÖv‡gi mwn`y‡ji Avcb eo fvB `yjvj, mwn`y‡ji AvZ¥xq Av‡bvqvi †nv‡mb I gwRei ingvb| G mgq Aci 6 Rb Avmvwg‡K †eKmyi Lvjvm †`Iqv nq| ivq †NvlYv Kivi mgq mwn`yj I gwRei Av`vj‡Z Dcw¯’Z wQ‡jb| Aci Avmvwg `yjvj I Av‡bvqvi cjvZK i‡q‡Qb| gvgjvi ev`x wkDjxi PvPv AvjZvd †nv‡mb ZvjZjx _vbvq 2004 mv‡ji 6 RyjvB Awf‡hvM K‡ib Zvi Avcb fvB Rvjvj ZvjyK`v‡ii †g‡q wkDwj‡K 2002 mv‡j mwn`y‡ji m‡½ we‡q †`b| wKQyw`b msmvi Kivi ci 2003 mv‡ji 14 †m‡Þ¤^i wkDwji evevi N‡i e‡m 50 nvRvi UvKv †hŠZzK `vwe K‡i mwn`yj| †hŠZzK w`‡Z A¯^xKvi Ki‡j mwn`yj ivM K‡i P‡j hvq| GKB m‡½ wkDwjI ¯^vgx mwn`y‡ji m‡½ k¦ïievox hvq| c‡ii w`b 15 †m‡Þ¤^i `ycy‡i wkDwji Kv‡Q AveviI 50 nvRvi UvKv †hŠZzK `vwe K‡i mwn`yj| wkDwj †hŠZzK w`‡Z A¯^xKvi Ki‡j Zviv jvwV w`‡q wkDwj‡K †e`g gviai K‡i| G‡Z ¸iæZi AvnZ nq wkDwj| G mgq cvwb cvb Kivi Rb¨ wPrKvi Ki‡j Ab¨ Avmvwgiv wkDwji nvZ cv †P‡c a‡i Ges mwn`yj wkDwji gy‡L wel †X‡j †`q| c‡i mwn`yj Ges IB Avmvwgiv wkDwji evev Rvjvj ZvjyK`vi‡K †dvb K‡i Rvbvq wkDwj wel cvb K‡i AvZ¥nZ¨v K‡i‡Q| G NUbvq ZvjZjx _vbvq GKwU Acg„Zz¨ gvgjv nq| gqbvZ`‡šÍ wi‡c©v‡U †`Lv hvq wkDwji kix‡i AmsL¨ AvNv‡Zi wPý i‡q‡Q| wkDwj AvZ¥nZ¨v K‡iwb| Zv‡K nZ¨v Kiv n‡q‡Q| G NUbvq gvgjv n‡j Z`šÍKvix Kg©KZ©v kvgmyj nK 2005 mv‡ji 31 AvM÷ `ÐcÖvß Avmvwgmn 10 R‡bi weiæ‡× Awf‡hvMcÎ `vwLj K‡i| Aci 6 Rb Avmvwg‡`i †eKmyi Lvjvm w`‡q‡Qb Av`vjZ| gvgjvi ev`x wkDwji PvPv AvjZvd †nv‡mb e‡jb, mwn`yj‡K dvuwm w`‡j Avgiv Lywk nZvg| Avmvwg mwn`yj Rvbvb, G iv‡qi weiæ‡× Zviv D”P Av`vj‡Z Avwcj Ki‡e|

 

কুষ্টিয়ায় মাদক মামলায় স্বামী-স্ত্রীর যাবজ্জীবন
                                  

 কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার এক দম্পতিকে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন দিয়েছে আদালত। কুষ্টিয়ার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী  সোমবার এ রায় ঘোষণা করেন। এছাড়া আদালত তাদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। জরিমানা না দিলে তাদের আরও এক বছর কারাগারে রাখার আদেশ দিয়েছে আদালত। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- উপজেলার খোদ্দভালুকা গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মো. হবিবর (৫০) ও হবিবরের স্ত্রী জোছনা খাতুন (৪২)।

রায় ঘোষণার সময় উভয় আসামি আদালতের কাঠগড়ায় ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অনুপ কুমার নন্দী মামলার নথির বরাতে জানান, ২০১৭ সালের ২৯ অগাস্ট কুষ্টিয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল তাদের বাড়ি ঘেরাও করে তল্লাশি চালায়। তাদের বিছানার নিচে থেকে উদ্ধার করা হয় ৫০ গ্রাম হেরোইনের একটি প্যাকেট। সে সময় হেরোইন মাপার নিক্তিও উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ১০ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। আইনজীবী অনুপ বলেন, আদালত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে স্বামী-স্ত্রীকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন দিয়েছে। এ ছাড়া আদালত তাদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। জরিমানা না দিলে তাদের আরও এক বছর কারাগারে রাখার আদেশ দিয়েছে আদালত।

চট্টগ্রামে ভাইকে না পেয়ে বোনকে হত্যা: ৩ আসামি রিমান্ডে
                                  

 চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় ভাইকে না পেয়ে বোনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে আদালত। মহানগর হাকিম আল ইমরান সোমবার প্রত্যেকের জন্য তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে বাকলিয়া থানার ওসি নেজাম উদ্দিন জানান। তিনি বলেন, গ্রেফতার নূরনবী, মুছা ও আহমদ কবিরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল।

শুনানি শেষে আদালত তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। এছাড়া ওই ঘটনায় গ্রেফতার নূর আলম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হওয়ায় তাকে আদালতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান ওসি। বাকলিয়া থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গতকাল সোমবার ভোর রাতে মো. মুছা ও আহমদ কবিরকে গ্রেফতার করা হয়। গত শনিবার রাতে বাকলিয়ার বলিরহাট বজ্রঘোনা এলাকায় মদিনা মসজিদের পাশে এক বাড়িতে ঢুকে বুবলি আক্তার নামে ২৮ বছর বয়সী এক নারীকে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। পরে পুলিশ জানায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বুবলিদের বাড়িতে হামলা করেছিল স্থানীয় কয়েকজন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বুবলির ভাই রুবেলকে হত্যা করা।

শ্বশুড়বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসা বুবলি ওই সময় ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে খুন হন। বুবলির বাবা নোয়া মিয়া শনিবার রাতে বাকলিয়া থানায় যে হত্যা মামলা দায়ের করেন, সেখানে ছয় জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়। এজাহারে নাম থাকা ছয় আসামি হলেন- শাহ আলম, তার ভাই নূর আলম (২৫), নবী হোসেন (৬০), মো. জাবেদ (২৪), মো. মুছা (৪০) ও আহমদ কবির (৪২)। তাদের মধ্যে হত্যাকা-ের প্রধান আসামি শাহ আলম ওই রাতেই পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। শাহ আলমের ছোট ভাই নূর আলম ও তাদের সহযোগী নবী হোসেনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। ওসি বলেন, মুছা ও আহমদ কবির পালিয়ে তাদের দুই স্বজনের বাসায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। নূর আলমের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার ভোরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

পুলিশ হত্যাকান্ড ব্যবহৃত পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করতে পারলেও আসামি জাবেদ এখনও পলাতক বলে জানান ওসি। মামলার এজাহারে নোয়া মিয়া বলেছেন, তার ছেলে রুবেল পেশায় কাঠমিস্ত্রি। শনিবার রাতে শাহ আলম দলবল নিয়ে রুবেলকে খুঁজতে তাদের বাসায় যায়। বুবলি তাদের বাধা দিলে তার ‘মুখে পিস্তল ঠেকিয়ে’ গুলি করে শাহআলম। শাহ আলমকে ওই এলাকার একজন ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদকসেবী’ হিসেবে বর্ণনা করে মামলার এজাহারে বলা হয়, রুবেলের কাছে টাকা দাবি করে তা না পেয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা চালায় সে।

হবিগঞ্জে ট্রাকচাপায় নিহত ২
                                  

হবিগঞ্জের মাধবপুরে পাথর বোঝাই ট্রাকচাপায় দুইজন নিহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সকালে মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড ডাক বাংলোর কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মাধবপুর শহরের পশ্চিম মাধবপুরের তৈয়ব আলীর ছেলে আইয়ুব আলী (৩৫) এবং পাশ্ববর্তী বিজয়নগর উপজেলার ভাইগদিয়া গ্রামের আবন মিয়ার ছেলে জোনায়েদ মিয়া (২৮)।

পুলিশ জানায়, সকালে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা পাথরবোঝাই একটি ট্রাক মাধবপুর ডাকবাংলোর কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আইয়ুব আলীর দোকানে ঢুকে যায়। এতে ট্রাকচাপায় দোকান মালিক আইয়ুব আলী ও পরিবহন শ্রমিক জোনায়েদ মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান।

আহত হন আরও দুইজন। শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি লিয়াকত হোসেন বলেন, ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

গাইবান্ধার ১১০ পুকুর লিজ নিয়ে আদালতে জবাব দিতে হবে ডিসিসহ ১৬ জনকে
                                  

 গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গোপন দরপত্রের মাধ্যমে সরকারি ১১০টি (খাস) পুকুর ইজারা দেওয়ার অভিযোগে রিট আবেদনের ভিত্তিতে ১৬ জনের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। ওই দরপত্র প্রক্রিয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে ভূমি মন্ত্রনালয়ের সচিব, গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক, গোবিন্দগঞ্জের ইউএনও, ভূমি কর্মকর্তা, জেলা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবং মৎসজীবী সমিতির আট সভাপতিসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে এই রুল জারি করা হয়। এ ছাড়া জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না কেন, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

আগামি চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বিবাদীদের আদেশ দেওয়া হয়। গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ১৬টি মৎসজীবী সমিতির পক্ষে সাপমারা মৎসজীবী সমিতির সভাপতি আবদুল লতিফ ম-লের রিট আবেদনের পর গত ৩০ এপ্রিল শুনানি হয়। শুনানিতে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও রাজিক আল জলিল দ্বৈত বেঞ্চ বিবাদীদের বিরুদ্ধে রুল জারির আদেশ দেন। গত ৮ মে বিচারপতিদের স্বাক্ষরিত আদেশের কপি গাইবান্ধা পৌঁছেছে।

নীতিমালা উপেক্ষা, অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্যে সরকারি ১১০টি পুকুর ইজারার অভিযোগে গত ২১ এপ্রিল হাইকোর্টে রিট আবেদন (নং ৪৪৯৯/১৯) দাখিল করা হয়। গোপন প্রক্রিয়ায় তড়িঘড়ি পুনঃদরপত্রে পুকুরগুলো প্রভাবশালী মহল ও অমৎসজীবী সমিতিকে দেওয়া ইজারা ‘অবৈধ’ দাবি করে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, ইউএনও, সহকারি কমিশনার ভূমি কর্মকর্তা, জেলা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবং ৮টি মৎসজীবী সমিতির সভাপতিকে মামলায় বিবাদী করা হয়। অনিয়ম ও গোপনে ১১০টি পুকুর ইজারার অভিযোগে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রামকৃ বর্মণ বলেন, নীতিমালা মেনেই দরপত্র আহ্বান করা হয়। বন্দোবস্ত কমিটির সিন্ধান্ত ও সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই পুকুর লিজ দেওয়া হয়েছে। গোপন ও অনিয়মের অভিযোগ ভিত্তিহীন।

মৎসজীবীদের অভিযোগের (রিট আবেদন) প্রেক্ষিতে আদালতের দেওয়া নির্দেশ মেনেই রিটের জবাব দাখিল করা হবে। রিট আবেদনকারী আবদুল লতিফ ম-ল বলেন, আমাদের না জানিয়ে গোপনে দরপত্র আহ্বান করে ১২১টি পুকুরের মধ্যে ১১০টি পুকুর লিজ সম্পন্ন করেছে প্রশাসন। গেজেটে একটি সমিতি দুটির বেশি পুকুর পাবে না উল্লেখ থাকলেও তা লঙ্ঘন করে ১০-১১টি করে পুকুর লিজ দেওয়া হয় একটি সমিতিকে। অথচ এ উপজেলায় রেজিস্ট্রেশনভুক্ত সমিতি আছে ৪০ থেকে ৪১টি। এ ছাড়া যেসব সমিতিকে পুকুরগুলো লিজ দেওয়া হয় সেই সমিতিগুলোর সভাপতি/সম্পাদক মৎসজীবী নয়। এসব সমিতির সভাপতি কেউ স্কুলের শিক্ষক, কেউ সাবেক জনপ্রতিনিধি আবার কেউ সম্পদশালী। দৃশ্যমাণ অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রতিকার দাবিতে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত আবেদন করে এবং মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেও কোনও প্রতিকার পাইনি। আজও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। উল্টো হুমকি ও পুকুর দখলের আতঙ্কে আছি আমরা। গোপন দরপত্র বাতিল ও নতুন করে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের জন্য উচ্চ আদালতে রিট করি।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুকিতুর রহমান রাফি বলেন, প্রকাশ্যে দরপত্র আহ্বান না করে পুকুরগুলো লিজ দেওয়া হয়। পুকুর লিজে নীতিমালা মানা হয়নি। ইউএনও ও বন্দোবস্ত কমিটি মনগড়া সিদ্ধান্তে ৯টি সমিতিকে ১১০টি পুকুর নামমাত্র রাজস্বে লিজ দেয়। এতে সরকার যেমন রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে, তেমনি কমিশন বাণিজ্যে পকেট ভারী হয়েছে প্রশাসন ও একটি প্রভাবশালী মহলের। দৃশ্যমান অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের কারণে আওয়ামী লীগ ও সরকারের মর্যাদা ক্ষুণ হয়েছে।

প্রকৃত মৎসজীবীদের অবস্থা বিবেচনা করে সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রতিকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করি। উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ১২১টি পুকুর ইজারা দিতে প্রথম দরপত্র আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি দেয় উপজেলা প্রশাসন। ৬ মার্চ সেই দরপত্র দাখিলকে কেন্দ্র করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে জড়ায় ক্ষমতাসীন দলের দুই পক্ষ। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ পরিস্থিতিতে দরপত্র স্থগিত করে পরবর্তীতে ২৪ মার্চ পুনঃদরপত্র আহ্বান করে। সেই দরপত্রে ৩ এপ্রিল ১১০টি পুকুর লিজ দেওয়া হয়।

অস্ত্র মামলায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের ১৪ বছরের কারাদন্ড
                                  

অস্ত্র মামলায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। পেকুয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর সম্প্রতি চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নেন। রায় ঘোষণার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক খোন্দকার হাসান মো. ফিরোজ গতকাল বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন। এছাড়া একই মামলায় আদালত জাহাঙ্গীরের অন্য তিন ভাইকেও বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছে। রায় ঘোষণার পর তাদেরও কারাগারে পাঠানো হয়। আদালতের পিপি মমতাজ আহমদ মামলার নথির বরাতে জানান, ২০১৭ সালের ১৩ অগাস্ট জাহাঙ্গীরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে র‌্যাবের একটি দল তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০টি গুলি ও ১৭ লাখ টাকা উদ্ধার করে। এ সময় বাড়ি থেকে জাহাঙ্গীর ও তার অন্য তিন ভাইকে আটক করে র‌্যাব। এ ঘটনায় র‌্যাব পেকুয়া থানায় ওই চারজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করে।

পুলিশ তদন্ত শেষে চারজনের বিরুদ্ধেই আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। পিপি মমতাজ বলেন, ২১ মাসের বিচারকাজ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত জাহাঙ্গীরকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদ-াদেশ দেয়। এ ছাড়া তার অন্য তিন ভাইকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়। জাহাঙ্গীর কক্সবাজার জেলা পরিষদেরও সদস্য ছিলেন একসময়। আসামিপক্ষ অস্ত্র রাখার অভিযোগ অস্বীকার করে একে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করে আসছিল। কিন্তু তারা যথাযথ যুক্তি ও তথ্য-প্রমাণ দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে বলে জানান পিপি মমতাজ।

দুধ-দইয়ে ভেজাল মিশ্রণকারীদের তালিকা চান হাইকোর্ট
                                  

 কোন কোন কোম্পানির দুধ ও দইয়ে ভেজাল বা রাসায়নিক দ্রব্য পাওয়া গেছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের নাম-ঠিকানা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ১৫ মের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে এ তালিকা দাখিল করতে বলা হয়েছে। গতকাল বুধবার দুধ ও দইয়ে ভেজাল রয়েছে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাজার থেকে সংগৃহীত কাঁচা তরল দুধে ৯৬টি নমুনার মধ্যে ৯৩টিতেই সিসা ও অ্যান্টিবায়োটিক অণুজীব পাওয়া গেছে। প্যাকেটজাত দুধে ৩১টি নমুনার মধ্যে ১৮টিতেই ভেজাল পাওয়া গেছে। এ ছাড়া দুধে ও দইয়ে উচ্চমাত্রার বিভিন্ন রাসায়নিক পাওয়া গেছে। কোন কোন কোম্পানি দুধে এই ভেজাল বা রাসায়নিক দ্রব্য মেশানোর সঙ্গে জড়িত, প্রতিবেদনে তাদের নাম-ঠিকানা না দেওয়ায় আদালত ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে আদালত তাদের নাম-ঠিকানা আগামি ১৫ মের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ সারা দেশে গরুর দুধ, দই এবং গো-খাদ্যে কী পরিমাণ ব্যাকটেরিয়া, কীটনাশক, সিসা রয়েছে তা নিরূপণের জন্য একটি জরিপ পরিচালনার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

১৫ দিনের মধ্যে খাদ্য সচিব, মৎস্য ও প্রাণি সচিব, কৃষি সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নিরাপত্তার খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ সব সদস্য, কেন্দ্রীয় নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটি এবং বিএসটিআইর চেয়ারম্যানকে জরিপের প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন। জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের একটি গবেষণা প্রতিবেদন নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে খবর প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনের আলোকে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।

ফরিদগঞ্জে রমজানে অসাধু ব্যবসায়ীদের অপতৎপরতা ঠেকাতে ভ্রাম্যমান আদালত চলবে
                                  

এস.এম ইকবাল,(ফরিদগঞ্জ) চাঁদপুর সংবাদদাতা:

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সৌদি আরব সহ বিভিন্ন দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যে কম রাখতে সেই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে চলে প্রতিযোগিতা । অথচ আমাদের দেশে এর উল্টো চিত্র দেখা যায়। এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ী রমজান মাসকে পূজি করে চড়ামূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য বিক্রি করেই ক্ষান্ত নেই। মেয়াদ উর্ত্তীন্ন পন্য ও পচা মালামাল বিক্রি করে ক্রেতাদের সাথে প্রতিনিয়ত প্রতারনা করেই আসছে। এদিকে রমজান শুরুর আগেই বাজারে হঠাৎ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা দেখে জনমনে স্বস্তি যেমন বাড়ছে তেমনি আবার এই আদালত কয়দিনই বা চলবে তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে।


সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, ফরিদগঞ্জে সরকারী ভাবে তালিকাভুক্ত মোট ৪১ হাট বাজারের ইজারাদার থাকলেও প্রায় সবগুলো বাজারেই টোল আদায়ের চার্ট সাঁটানো নেই। যে কারনে ইজারাদারগন কোন রকম রিচির্ড প্রদান ছাড়াই তাদের ইচ্ছেমতেই টোল আদায় করেই যাচ্ছে। টোল আদায়ের র্চ্টা প্রকাশ্যে সাঁটানো থাকার নিয়ম থাকলেও এই নিয়ম কেউই পালন করছে না। যে কারনে প্রতিনিয়ত ব্যবসায়ী ও ক্রেতা সাধারন তাদের মালামাল ক্রয় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নানা ভাবে প্রতারিত হয়ে আসছেন বলে এলাকায় বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছ্ ে। অথচ হাট বাজার ইজারা দেয়ার শর্তাবলীতে টোল আদায়ের চার্ট সাঁটানোর জন্য অঙ্গিকার করেই ইজারাদার সরকারী কাগজে তার সই স্বাক্ষর দিয়েই বাজার ইজারা নিয়ে থাকেন। এ বিষয়ে কেউ হয়রানীর ভয়ে প্রতিবাদ করারও সাহস পাচ্ছে না।


অপরদিকে এবারের রমজান মাসে যেন কোন অসাধু ব্যবসায়ী ক্রেতাসাধারনের কাছে তাদের মালামাল বিক্রির ক্ষেত্রে চড়া মূল্যে মুনাফা আদায় না করতে পারে সেজন্য সরকারী প্রশাসন তৎপর রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। যার ফলশ্রুতিতে সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলী আফরোজ ও সহকারী কমিশনার {ভূমী } মমতা আফরিন থানা পুলিশ নিয়ে উপজেলার কয়টি বড় বড় বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা সহ অভিযানে নেমেছে। পূর্ব থেকে কাউকে কিছু না জানিয়ে জনস্বার্থে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের এমন অভিযান দেখে সবার মধ্যেই স্বস্তি বিরাজ করতে দেখা যায়।


এ বিয়য়ে ফরিদগঞ্জের ইউএনও আলী আফরোজ গতকাল রবিবার এ প্রতিনিধিকে বলেন, পবিত্র রমজান মাসে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে যে কোন বাজারে যে কোন সময়ই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে। টোল আদায়ের চার্ট না সাঁটানো প্রসংগে ইউএনও বলেন, এটি আমার নজরে এসেছে। অচিরেই এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আমরা কাজ করছি।

 

উচ্চ আদালতে থাকা দুই মামলায় জামিন হলে মুক্তি পাবেন খালেদা জিয়া
                                  

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৫ বছরের সাজা মাথায় নিয়ে গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এরপর অসুস্থতার কথা বলে তার আইনজীবীরা বার বার জামিন আবেদন করলেও তা মেলেনি। চিকিৎসার জন্য একবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুদিন ভর্তি ছিলেন। বর্তমানে আবারও একই হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে কয়েকবার খালেদা জিয়ার মুক্তির গুঞ্জন শুনা গেলেও তা বাস্তবে রূপ নেয়নি। তবে দীর্ঘ আলোচনা শেষে বিএনপি জোটের ৭ জন সংসদ সদস্য শপথ নিয়ে সংসদে গেলে বিষয়টি আবারো আলোচনায় আসে। ধারনা করা হচ্ছিল বিএনপির সদস্যরা সংসদে গেলে খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলতে পারে। আর তাদের শপথের পর এখন খুব শিগগিরই খালেদা জিয়ার মুক্তির আশা করছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা।

জানতে চাইলে খালেদা জিয়ার আইনজীবী প্যানেলের অন্যতম সদস্য ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন বলেন, উচ্চ আদালতে থাকা দুই মামলায় জামিন হলে খালেদা জিয়ার মুক্তিতে কোন বাধা দেখছিনা। তিনি বলেন, নিম্ন আদালতের দুটি মামলায় গ্রেফতার সংক্রান্ত পরোয়ানা থাকলেও সেগুলোতে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়নি। আর ওই দুটিই জামিন যোগ্য মামলা। তাই আগামী রোজার মধ্যেই খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এছাড়া খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন মেজবাহ বলেন, ধর্র্মীয় উস্কানি ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটুক্তির অভিযোগে গুলশান থানার মামলায় পরোয়ানা থাকলেও গ্রেফতার দেখানো হয়নি। তাই উচ্চ আদালতে থাকা দুই মামলায় জামিন পেলে খালেদা জিয়ার মুক্তিতে কোন বাধা থাকবেনা বলে জানান তিনি।

উচ্চ আদালতে থাকা দুই মামলা হচ্ছে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট। অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালত খালেদা জিয়াকে ৫ বছর সাজা দিয়েছিলেন। তবে হাইকোর্টে খালাস চেয়ে আবেদন করলে তার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়। এরপর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়, সেইসঙ্গে জামিনও চাওয়া হয় এ মামলায়। বিষয়টি এখন আপিল বিভাগে শুনানির জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।

আর চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালত ৭ বছরের সাজা দিয়েছেন খালেদা জিয়াকে। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। গত ৩০ এপ্রিল এ মামলায় খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। অর্থ দণ্ড স্থগিত করে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত আদেশে স্থিতাবস্থাও জারি করেছেন হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে নিম্ন আদালতের নথি চাওয়া হয়েছে। নথি আসলে জামিন বিষয়ে আদেশ দিবেন বলে জানান হাইকোর্ট।

এছাড়া গ্যাটকো ও বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি চলছে পুরান ঢাকার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে। আর নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি চলছে পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে।

খালেদার কয়লা খনি দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৬ মে
                                  

 বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি আগামি ১৬ মে নির্ধারণ করেছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার পুরান ঢাকার বকশী বাজারে অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালত ২-এর বিচারক এ এস এম রুহুল ইমরান এই আদেশ দেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী হান্নান ভূঁইয়া বলেন, এ মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল গতকাল বৃহস্পতিবার ।

কিন্তু এ মামলায় খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন দিন ধার্য করেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন -সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সাবেক কৃষিমন্ত্রী এম কে আনোয়ার (মৃত), সাবেক তথ্যমন্ত্রী এম শামসুল ইসলাম (মৃত), মো. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী, হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব নজরুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক মুঈনুল আহসান, সাবেক জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন এবং সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার মো. আমিনুল হক।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানায় খালেদা জিয়াসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পরে ওই বছরের ৫ অক্টোবর পুলিশ তদন্ত করে ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এ মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট বেঞ্চ বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন।

সুপ্রিম কোর্টে এত মামলা যে ফাইল রাখার জায়গা নেই : প্রধান বিচারপতি
                                  

 প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টে বর্তমানে এত মামলা যে ফাইল রাখার মতো পর্যন্ত জায়গা নেই। এক কথায় ক্রিটিক্যাল অবস্থা, এভাবে চলতে পারে না। গতকাল রোববার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চে একটি মামলার শুনানিতে প্রসঙ্গক্রমে তিনি একথা বলেন।


প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘গতকাল (২৭ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে জিআইজেডের উপস্থাপন করা সুপ্রিম কোর্টের মামলার নিরীক্ষা প্রতিবেদন দেখে আমি প্রায় বিব্রত। এত মামলা! এভাবে চলতে পারে না। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি মামলাজট নিরসন বিষয় নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সকল বিচারপতিদের নিয়ে বসব। সবাইকে বলব যে, এ অবস্থায় কী করবেন আপনারা দেখেন।’


জিআইজেডের ওই প্রতিবেদনে বিব্রত হয়েছেন মন্তব্য করে গতকাল রোববার তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের মামলার নিরীক্ষা প্রতিবেদন দেখে আমি প্রায় বিব্রত। এত মামলা! এভাবে চলতে পারে না। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি সুপ্রিম কোর্টের সকল বিচারপতিকে নিয়ে বসব। সবাইকে বলব যে, এ অবস্থায় কী করবেন আপনারা দেখেন। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে প্রায় সোয়া পাঁচ লাখ মামলা বিচারাধীন। ১৯৮২ সালে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ২৫ হাজার। আগাম জামিনের আবেদনগুলো যদি নিয়মিতভাবে নিস্পত্তি করা না হত, তাহলে সুপ্রিম কোর্টে মামলার সংখ্যা এখন ১০ লাখ ছাড়িয়ে যেত বলে মনে করেন প্রধান বিচারপতি।


এর আগে গত শনিবার সুপ্রিম কোর্টের জুডিশিয়াল রিফর্ম কমিটি ও জার্মান ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন বাংলাদেশ (জিআইজেড) আয়োজিত দেশের মামলার বিচার-সংক্রান্ত এক নিরীক্ষা প্রতিবেদন উপস্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘বিচারাধীন মামলার বন্দিদের নিয়ে দেশের কারাগারগুলো প্রচ-রকম গাদাগাদি পূর্ণ।’
প্রধান বিচারপতি বিচার ব্যবস্থার বিদ্যমান অবস্থা তুলে ধরার পাশাপাশি মামলাজট ও এর সমস্যা থেকে উত্তরণের বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন। আর বিচারাধীন মামলার তুলনায় বিচারকের অপর্যাপ্ততা তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘প্রতিদিন মামলাজট বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশে প্রতি দশ লাখ লোককে মাত্র ১০ জন বিচারক বিচারিক সেবা দিচ্ছেন।’
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির একটি নিরীক্ষা তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোতে ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ মামলা পারস্পরিক বোঝাপড়া বা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়ে থাকে। এবং সেখানে বড়জোর ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মামলা নিষ্পত্তি হয় আদালতে। আর আমাদের দেশে চিত্র ঠিক এর বিপরীত। এদেশে কেবল ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মামলার নিষ্পত্তি হয়ে থাকে বোঝাপড়া বা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে। আর ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ মামলার নিষ্পত্তি হয় আদালতে।’


তিনি বলেন, “বিচারক সঙ্কট, অবকাঠামোগত অপ্রতুলতাকে মামলাজটের অন্যতম কারণ মনে হলেও শুধুমাত্র বিচারক বা অবকাঠামোগত উন্নয়ন দিয়ে এ অবস্থার উন্নয়ন সম্ভব নয়। এর থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন সঠিক মামলা ব্যবস্থাপনা, যা নিশ্চিত করতে আমাদের দুটি ধাপে কাজ করতে হবে। প্রথমত, প্রাতিষ্ঠানিক বিচার ব্যবস্থায় মামলা দায়েরের হার কমানো এবং দ্বিতীয়ত, মামলা দায়েরের পর প্রতিটি পর্যায়ে সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দ্রুত সময়ে মামলা নিষ্পত্তি করা।


   Page 1 of 66
     আইন-আদালত
পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের বিধান প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল
.............................................................................................
সামুদ্রিক জলসীমায় ২৩ জুলাই পর্যন্ত মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ
.............................................................................................
কারাগারে মাদক মামলার আসামিদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড করার প্রস্তাব
.............................................................................................
পটুয়াখালীর সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
.............................................................................................
যানবাহনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হাইকোর্টের রুল
.............................................................................................
বরগুনায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
.............................................................................................
কুষ্টিয়ায় মাদক মামলায় স্বামী-স্ত্রীর যাবজ্জীবন
.............................................................................................
চট্টগ্রামে ভাইকে না পেয়ে বোনকে হত্যা: ৩ আসামি রিমান্ডে
.............................................................................................
হবিগঞ্জে ট্রাকচাপায় নিহত ২
.............................................................................................
গাইবান্ধার ১১০ পুকুর লিজ নিয়ে আদালতে জবাব দিতে হবে ডিসিসহ ১৬ জনকে
.............................................................................................
অস্ত্র মামলায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের ১৪ বছরের কারাদন্ড
.............................................................................................
দুধ-দইয়ে ভেজাল মিশ্রণকারীদের তালিকা চান হাইকোর্ট
.............................................................................................
ফরিদগঞ্জে রমজানে অসাধু ব্যবসায়ীদের অপতৎপরতা ঠেকাতে ভ্রাম্যমান আদালত চলবে
.............................................................................................
উচ্চ আদালতে থাকা দুই মামলায় জামিন হলে মুক্তি পাবেন খালেদা জিয়া
.............................................................................................
খালেদার কয়লা খনি দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৬ মে
.............................................................................................
সুপ্রিম কোর্টে এত মামলা যে ফাইল রাখার জায়গা নেই : প্রধান বিচারপতি
.............................................................................................
আজ থেকে বন্ধ ২০ লাখ সিম
.............................................................................................
ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের কর্মকর্তা খাদেম হত্যায় ৬ জনের মৃত্যুদন্ড
.............................................................................................
তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানো মোবাইল টাওয়ার অপসারণে সমীক্ষা প্রতিবেদন চেয়েছে হাইকোর্ট
.............................................................................................
ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ
.............................................................................................
পাবনায় ৩ পুলশি হত্যায় ৮ চরমপন্থীর যাবজ্জীবন
.............................................................................................
সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় নারীর যাবজ্জীবন
.............................................................................................
খালেদার ২ মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৩ জুন
.............................................................................................
সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ কার্যকরে গেজেট চেয়ে হাইকোর্টে রিট
.............................................................................................
চিকিৎসার জন্য ওসমানী হাসপাতালে নেওয়া হলো বাবরকে
.............................................................................................
কুষ্টিয়ায় মাদক মামলায় নারীর যাবজ্জীবন, ২ সহোদরের ১৫ বছর কারাদন্ড
.............................................................................................
বাগেরহাটে স্কুলছাত্র বাদল হত্যায় ২ আসামির মৃত্যুদন্ড বহাল
.............................................................................................
চাঁপাইনবাবগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা, ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
খাদ্যে ভেজালরোধে মিরপুরে বিএসটিআই অভিযান শুরু
.............................................................................................
যশোরে মানবপাচার মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন
.............................................................................................
পিরোজপুরে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড
.............................................................................................
আট জেলায় সরকারি প্রতিষ্ঠানে দুদকের অভিযান
.............................................................................................
রাজধানীতে হত্যা মামলায় ২ সহোদরের ফাঁসির আদেশ
.............................................................................................
বেনাপোলে তিনটি কাভার্ড ভ্যান বোঝাই ভারতীয় ইমিটেশন গয়না আটক
.............................................................................................
১১ কোটি টাকার সার আত্মসাতের মামলায় তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
.............................................................................................
তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি গড়াল আদালতে, শবে বরাত কবে জানা যাবে ১৭ এপ্রিল
.............................................................................................
খাগড়াছড়িতে শিশু অপহরণ মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন
.............................................................................................
কর্ণফুলী নদীর পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে হাইকোর্টের আদেশ বহাল
.............................................................................................
রাবি শিক্ষক শফিউল হত্যায় তিনজনের ফাঁসির আদেশ
.............................................................................................
রাসেলকে ৫ লাখ টাকা পরিশোধ করলো গ্রিন লাইন
.............................................................................................
নাইকো মামলার পরবর্তী শুনানি ২৩ এপ্রিল
.............................................................................................
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহার-কায়সারের আপিল শুনানি ১৮ জুন
.............................................................................................
কর্ণফুলী নদীর তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ
.............................................................................................
আবরারের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ বহাল
.............................................................................................
হবিগঞ্জে কৃষক হত্যায় ৬ জনের যাবজ্জীবন
.............................................................................................
ওয়াহেদ ম্যানশনের মালিকের দুই ছেলে ৭ দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
কুমিল্লার হত্যা মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বহাল
.............................................................................................
রাসেলকে ৫০ লাখ টাকা দিতে গ্রিন লাইনকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট
.............................................................................................
কামিল মাদরাসায় অধ্যক্ষ নিয়োগের অভিজ্ঞতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল
.............................................................................................
গ্রিন লাইনের গাড়ি নিলামে দিয়ে ক্ষতিপূরণ আদায় করা হবে: হাইকোর্ট
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]