বৃহস্পতিবার , ১৬ রবিঃ আউয়াল ১৪৪১ | ১৪ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   আইন-আদালত -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
নাইমুল আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

দৈনিক প্রথম আলোর সাময়িকী কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী নাইমুল আবরার রাহাতের মৃত্যুতে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক শিক্ষার্থী ওবায়েদ আহমেদের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাইজুল্লাহ ফয়েজ রিটটি দায়ের করেন।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো: মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চের অনুমতি নিয়ে তিনি রিটটি দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন। আগামী রোববার আবেদনটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে বলে তিনি জানান।

রিটে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, তথ্য সচিব, শিক্ষা সচিব, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানী লিমিটেড (ডেসকো), বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষ (ডেসা), দৈনিক প্রথম আলোর প্রকাশক, সম্পাদক এবং সাময়িকী কিশোর আলোর সম্পাদককে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী জানান, প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণের টাকা আদায়ের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনার জন্য প্রথম আলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বাকী বিবাদীদের প্রতি নির্দেশনা জারির আর্জি জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ৩ নভেম্বর আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনী নোটিশ পাঠানো হয়। ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরণের অনুষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তথ্য সচিব, শিক্ষা সচিব এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সচিবকে অনুরোধ জানিয়ে এ নোটিশ প্রদান করা হয়।

নাইমুল আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট
                                  

দৈনিক প্রথম আলোর সাময়িকী কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী নাইমুল আবরার রাহাতের মৃত্যুতে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক শিক্ষার্থী ওবায়েদ আহমেদের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাইজুল্লাহ ফয়েজ রিটটি দায়ের করেন।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো: মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চের অনুমতি নিয়ে তিনি রিটটি দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন। আগামী রোববার আবেদনটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে বলে তিনি জানান।

রিটে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, তথ্য সচিব, শিক্ষা সচিব, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানী লিমিটেড (ডেসকো), বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষ (ডেসা), দৈনিক প্রথম আলোর প্রকাশক, সম্পাদক এবং সাময়িকী কিশোর আলোর সম্পাদককে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী জানান, প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণের টাকা আদায়ের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনার জন্য প্রথম আলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বাকী বিবাদীদের প্রতি নির্দেশনা জারির আর্জি জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ৩ নভেম্বর আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনী নোটিশ পাঠানো হয়। ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরণের অনুষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তথ্য সচিব, শিক্ষা সচিব এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সচিবকে অনুরোধ জানিয়ে এ নোটিশ প্রদান করা হয়।

চ্যারিটেবল মামলায় জামিন চেয়ে খালেদা জিয়ার আপিল
                                  

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জামিন চেয়ে করা হাইকোর্টের খারিজাদেশের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করেছেন।​

আজ বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ জামিন আবেদন দাখিল করা হয় বলে জানান বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, আবেদনটি চেম্বার আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

এ বিষয়ে বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করা হয়েছে। আপিল নম্বর ১৬৭৭। এর আগে গত ৩১ জুলাই দুর্নীতির মামলায় অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, খালেদা জিয়াকে তার সাংবিধানিক ও আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। উনি গুরুতর অসুস্থ। এছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বৃহৎ একটি রাজনৈতিক দলের চেয়ারপারসন। এই বিষয়গুলো বিবেচনায় না নিয়ে তার প্রতি অবিচার করা হয়েছে। ২০১০ সালের ৮ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা দায়ের করে দুদক। ক্ষমতার অপব্যবহার করে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয় আসামিদের বিরুদ্ধে। এই মামলায় খালেদা জিয়াসহ চার আসামিকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন খালেদা জিয়া। ওই আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে হাইকোর্ট। পাশাপাশি নিম্ন আদালতের নথি আসা সাপেক্ষে জামিন আবেদনের শুনানি গ্রহণ করা হবে বলে জানায় আদালত।

আবরার হত্যা মামলা: ২৫ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল
                                  

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে শিবির সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২৫ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ বুধবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম।

চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডে ছাত্রলীগ নেতাসহ বুয়েটের ২৫ ছাত্রের সম্পৃক্ততা পেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা। তাদের সবাইকেই চার্জশিটভুক্ত করা হয়েছে। সাক্ষী হয়েছেন ৩০ জন। এক মাসের মধ্যে এ মামলার তদন্ত শেষ করল ডিবি পুলিশ।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও তদন্তে পাওয়া তথ্যানুযায়ী চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শিবিরকর্মী সন্দেহে আবরারকে খুন করা হয়েছে। আসামিরা ওই হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নিয়েছেন। চার্জশিটে যে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ২১ আসামি কারাগারে রয়েছেন। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত ১৬ জন এবং এজাহারের বাইরে পাঁচজন আসামি রয়েছেন। এজাহারভুক্ত তিন আসামি এখনো পলাতক।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তার করা আসামিদের মধ্যে এজাহারভুক্ত আট জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডে অপর আসামিদের সম্পৃক্ততাও উঠে এসেছে। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুই জন সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। এর বাইরে তদন্ত কর্মকর্তারা বুয়েটের শিক্ষক, শেরেবাংলা হলের প্রভোস্ট, চিকিৎসক, নিরাপত্তাকর্মীসহ বিভিন্নজনের সাক্ষ্য নিয়েছেন। চার্জশিটে তাদের সাক্ষী হিসেবে রাখা হয়েছে।

চার্জশিটের সঙ্গে আলামত হিসেবে আবরারের রক্তমাখা জামা-কাপড়, মেসেঞ্জারে আসামিদের লিখিত যোগাযোগ, প্রযুক্তিগত অন্যান্য যোগাযোগ, শেরেবাংলা হলের সিসিটিভি ফুটেজসহ ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা আলামতও জমা দেওয়া হয়েছে।

আসামিদের অন্তত ১১ জন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পদে ছিলেন। অপর আসামিরাও ছাত্রলীগের কর্মী বা সমর্থক ছিলেন। তবে আবরার হত্যাকাণ্ডের পর ছাত্রলীগ থেকে পদধারীদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনার পর বুয়েটে ছাত্র রাজনীতিও নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্তু মামলার তদন্তের সময়ে রাজনৈতিক পরিচয় বাদ দিয়ে তাদের অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করা হয়েছে। চার্জশিটেও এর প্রতিফলন থাকছে। কার কী অপরাধ, কতটুকু অপরাধ—তা চার্জশিটে উল্লেখ করা হচ্ছে।

চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন : মেহেদী হাসান রাসেল, মুহতাসিম ফুয়াদ, অনিক সরকার, মেহেদী হাসান রবিন, ইফতি মোশররফ সকাল, মনিরুজ্জামান মনির, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, অমিত সাহা, মাজেদুল ইসলাম, মো. মুজাহিদুল, মো. তানভীর আহমেদ, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মো. জিসান, মো. আকাশ, শামীম বিল্লাহ, মো. সাদাত, মো. তানিম, মো. মোর্শেদ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, মুনতাসির আল জেমি, মিজানুর রহমান, শামসুল আরেফিন রাফাত, ইশতিয়াক আহমেদ মুন্না, এস এম মাহমুদ সেতু প্রমুখ।

তাদের মধ্যে মুন্না, অমিত সাহা, মিজান, রাফাত ও সেতুর নাম এজাহারে ছিল না। আসামিদের মধ্যে রাসেল ছিলেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক, ফুয়াদ সহসভাপতি, অনিক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক, রবিন সাংগঠনিক সম্পাদক, সকাল উপসমাজসেবা সম্পাদক, মনির সাহিত্য সম্পাদক, জিয়ন ক্রীড়া সম্পাদক, রাফিদ উপদপ্তর সম্পাদক, অমিত সাহা উপ-আইনবিষয়ক সম্পাদক এবং তানিম, মুজাহিদুর ও জেমি সদস্য।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামি মো. জিসান, মোর্শেদ ও এহতেশামুল তানিম এখনো পলাতক। এ মামলায় এজাহারভুক্ত আট আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা হলেন—নাজমুস সাদাত, ইফতি মোশাররফ, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, অনিক সরকার, মুজাহিদুর রহমান, মেহেদি হাসান রবিন, তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর ও মনিরুজ্জামান মনির।

৬ অক্টোবর রাতে শেরেবাংলা হলে নিজের কক্ষ থেকে আবরারকে ডেকে নিয়ে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। পরের দিন তার বাবা বরকতুল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

নবম ওয়েজ বোর্ডের প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রিপরিষদের সুপারিশ কেন বেআইনি নয় : হাইকোর্ট
                                  

 নবম ওয়েজবোর্ডের প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রিপরিষদের তিনটি সুপারিশ কেন বেআইনি হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীদের নবম ওয়েজবোর্ডসহ পরবর্তী ওয়েজ বোর্ডগুলোর আওতায় আনার নির্দেশ কেন দেয়া হবে না- রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। তথ্য সচিব ও শ্রম সচিবকে চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এ রুল জারি করে আদেশ দেন। গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস রিটটি দায়ের করেন। রিটে মন্ত্রিসভার সুপারিশ প্রজ্ঞাপনে থাকা অন্যান্য সিদ্ধান্তের সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করা হয়। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তীর্থ সলিল পাল, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী নুরুল করিম। আইনজীবী তীর্থ সলিল পাল বলেন, নবম ওয়েজবোর্ডে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনের দ্বাদশ অধ্যায়ে মন্ত্রিসভার তিনটি সুপারিশ রয়েছে।

সেগুলো হলো সংবাদকর্মীরা আয়কর দেবেন, এক মাসের গ্র্যাচুইটি পাবেন ও নবম ওয়েজবোর্ড পর্যায়ক্রম অনুসরণযোগ্য। অথচ প্রজ্ঞাপনে আছে সংবাদকর্মীরা দু’টি গ্র্যাচুইটি পাবেন। এ সুপারিশ গেজেটে থাকা সিদ্ধান্তে সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ ছাড়া পঞ্চম ওয়েজ বোর্ড নিয়ে করা মামলার রায়ে এসেছে, সংবাদকর্মীদের আয়কর দেবেন সংবাদপত্রের মালিক। তাই মন্ত্রিসভার ওই সুপারিশ আইন সমর্থন করে না। এমনকি কাউকে একবার কোনো অধিকার দেয়া হলে আইন অনুসারে তা খর্ব করা যায় না। এ আইনজীবী আরো বলেন, শ্রম বিধিমালায় গণমাধ্যমের ব্যাখ্যায় ইলেকট্রনিক মিডিয়াও আছে। তাই তাদের ওয়েজবোর্ডের আওতায় আনার নির্দেশনাও চাওয়া হয় রিটে।

চট্টগ্রামে হত্যা মামলায় ৬ জনের ১০ বছর করে কারাদন্ড
                                  

চার বছর আগে রাউজানে এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে ছয় আসামিকে ১০ বছর করে কারাদন্ড দিয়েছে চট্টগ্রামের আদালত। গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আবদুল হালিম এ রায় দেন। দন্ডিতরা হলেন- হারুন অর রশিদ, জাফর ড্রাইভার, সালাউদ্দিন, বাঁচা মিয়া, আলমগীর ও আবু তালেব। এদের মধ্যে হারুন অর রশিদ ছাড়া বাকিরা পলাতক। রায় ঘোষণার পর হারুনকে কারাগারে পাঠানো হয়। এ মামলায় মাওলানা সামশুল আলম, আবুল কাশেম ও আবদুস শুক্কর নামের তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তাদেরকে খালাস দেয়া হয়। ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আইয়ুব খান বলেন, দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ছয় আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। ঘটনাটি ‘আকস্মিক হত্যাকান্ড’ হওয়ায় ৩০৪, ৩৪ ধারায় এই সাজা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা করে অর্থদন্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি ৩২৩ ধারায় ‘ইচ্ছাকৃত আঘাত’ এর অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় প্রত্যেককে ছয় মাস করে সাজা দেওয়া হয়। উভয় সাজা একসাথে চলবে এবং অর্থদন্ডের টাকা নিহত নুরুল আমিনের পরিবারকে দেওয়া হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। মামলার নথি থেকে জানা যায়, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ২০১৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর রাউজান উপজেলার উত্তর গুজরা গ্রামের দোস্ত মোহাম্মদ এবাদত খানা প্রাঙ্গণে নুরুল আমিনের মাথায় রড দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে নুরুল আমিন মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মতিজা বেগম বাদি হয়ে হত্যা মামলা করেন। মামলায় ২০১৬ সালের ৩১ আগস্ট অভিযোগ গঠন করা হয়। ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গতকাল মঙ্গলবার আদালত রায় দেয়।

ব্যাংক ঋণে অনিয়ম দূরে ৯ সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের
                                  

ব্যাংকিংখাতের ঋণ অনুমোদন ও আদায়ে দুর্বলতা খুঁজে বের করে তার প্রতিকারে সুপারিশ করার জন্য ৯ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক তা বাস্তবায়ন করবে। এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে গতকাল রোববার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এছাড়া ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে ঋণ পুনঃতফসিল করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুসারে সুবিধা নেওয়ার জন্য আবেদন করার সময়সীমা আরো ৯০ দিন বাড়িয়ে দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে ঋণ খেলাপিদের পরে ঋণগ্রহণ করতে হলে ২০১২ সালের জারি করা ‘মাস্টার সার্কুলার অন লোন রিশিডিউলিং’ সংক্রান্ত সার্কুলারের বিধি নিষেধ অনুসরণ করতে হবে। আদালতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন আজমালুল হোসেন কিউসি, শামীম খালেদ আহমেদ ও ব্যারিস্টার মুনীরুজ্জামান, ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন শাহ মঞ্জুরুল হক। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। পরে মনজিল মোরসেদ বলেন, কোর্ট আদেশে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছেন যে বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরে যারা বিশেষজ্ঞ আছেন সেই রকম নয়জন ব্যক্তিকে দিয়ে একটি কমিটি গঠন করে, সেই কমিটি সরকারি বেসরকারি সব ব্যাংকের যে দুর্বলতা, বিশেষ করে ঋণ পরিশোধ, ঋণ অনুমোদন এবং সংগ্রহে অনিয়মসহ সব বিষয়ে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি করবেন। সেখানে তারা এগুলো তৈরি করে কি কি উপায়ে এগুলো দূর করা যায়, এ দুরাবস্থাগুলো দূর করা যায়, এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে তারা প্রতিবেদন দেবেন। আদালত বলেছেন, যে প্রতিবেদন দেবেন বাংলাদেশ তা কার্যকর করবেন। তিনি আরও বলেন, ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে ঋণ পুনঃতফসিলের বিষয়ে আদালত আদেশ দিয়েছেন যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০১২ সালের ‘মাস্টার সার্কুলার অন লোন রিশিডিউলিং’ সংক্রান্ত সার্কুলার-যেটাতে বলা আছে কেউ যদি ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ গ্রহণ করে পরে সে যদি ঋণ নিতে যায় তার কাছে যে ঋণ পাবে তার ১৫ শতাংশ অর্থ দিতে হবে। এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে। এবং সিআইবিতে তার নাম পাঠাতে হবে। শাহ মঞ্জুরুল হক বলেন, আদালত কমিশন গঠনে সরকারের প্রতি কোনো নির্দেশনা দেননি। শুধুমাত্র বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি কমিটি করতে বলেছেন।

ব্যাংকিং সেক্টরে কমিটির কাজ হচ্ছে-ব্যাংকিং সেক্টরে অনিয়ম কেন হয়েছে সেটি তদন্ত করে দেখে রিপোর্ট তৈরি করবে। বাংলাদেশ ব্যাংক যে সার্কুলার (২ শতাংশ) দিয়েছিলেন সেটি অবৈধ হয়নি বরং আরও তিন মাস সময় বাড়িয়ে দিয়েছেন ওই সার্কুলারের মেয়াদ। দুই শতাংশ জমা দিয়ে পরে লোন নিতে পারবেন। তবে পরে লোন দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে যেটি মাস্টার সার্কুলারে উল্লেখ আছে, সেই বিধিবিধান যেন মান্য করা হয়। মঞ্জুরুল হক আরও বলেন, এ রায়ের ফলে আমাদের মনে হয় না ব্যাংকিংখাতে কোনো সমস্যা আছে। এর ফলে বরং ব্যাংকিং সেক্টর আরও ভালো হবে।

আদালত বলেছেন সব ব্যাংক যেন সুদকে সিঙ্গেল ডিজিটে আনে। মুনীরুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক সব সময়েই বিভিন্ন সময়ে গঠিত কমিটির পরামর্শ নিয়ে কাজ করে থাকে। এ ক্ষেত্রে আমি মনে করি যে, আজকে আদালত যে কমিটি গঠন করতে বলেছেন, তাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজের কাজের ইন্টারাপ্ট হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক আরও সফলভাবে কাজ করতে পারবে। গত ২৮ জুন আর্থিক খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা বন্ধে কমিশন গঠন এবং ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট সংক্রান্ত জারি করা রুলের ওপর শুনানি শেষ হয়। মানবাধিকার সংগঠন এইচআরপিবির করা এক রিট আবেদনে হাইকোর্ট গত ১৩ ফেব্রুয়ারি এক আদেশে ঋণখেলাপির তালিকা দাখিলের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে রুল জারি করেন। রুলে আর্থিক খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা বন্ধে কমিশন গঠনের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না ও এই কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

পরে ২৪ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক সিলগালা করে ঋণখেলাপিদের তালিকা হাইকোর্টে দাখিল করেছিলেন। এর মধ্যে গত ১৬ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট সংক্রান্ত সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়। এরপর রিটকারীদের আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ২১ মে ওই সার্কুলারের ওপর ২৪ জুন পর্যন্ত স্থিতাবস্থা বজার রাখার জন্য আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২ জুলাই আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত ৮ জুলাই পর্যন্ত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। ৮ জুলাই এ স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও দুই মাস বাড়ান। তবে যারা ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্টের সুবিধা নেবেন তারা নতুন করে ঋণ নিতে পারবেন না। এ ছাড়া বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন কোর্টে এ রিট মামলা শুনানি করতে বলেন। সে আদেশ অনুসারে রিট মামলাটি ওই আদালতের কার্যতালিকায় ওঠে। রুল শুনানি অবস্থায় ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট নিয়ে আদালতের আদেশের কয়েক বার বাড়িয়েছেন। পাশাপাশি ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট নিয়ে রুলও জারি করেন।

 

AviI 4 eQi Xvwe DcvPvh© AvLZviæ¾vgvb

GdGbGm: mvgwqKfv‡e XvKv wek¦we`¨vj‡qi DcvPv‡h©i `vwqZ¡ cvjb K‡i Avmv Aa¨vcK †gv. AvLZviæ¾vgvb‡K AviI Pvi eQ‡ii Rb¨ GB c‡` wb‡qvM w`‡q‡Q miKvi| Zv‡K DcvPvh© wb‡qvM w`‡q MZKvj †iveevi cÖÁvcb Rvwi K‡i‡Q wk¶v gš¿Yvjq| wek¦we`¨vj‡qi GK msev` weÁw߇Z G Z_¨ Rvwb‡q ejv nq, wm‡bU g‡bvbxZ c¨v‡bj †_‡K ivóªcwZ †gv. Ave`yj nvwg` Zv‡K Pvi eQ‡ii Rb¨ G wb‡qvM w`‡q‡Qb| XvKv wek¦we`¨vj‡qi DcvPvh© wb‡qv‡M MZ 31 RyjvB wZbR‡bi c¨v‡bj P‚ovšÍ K‡i wek¦we`¨vj‡qi wm‡bU| eZ©gvb DcvPvh© Aa¨vcK †gv. AvLZviæ¾vgv‡bi m‡½ †mLv‡b Dc-DcvPvh© (cÖkvmb) Aa¨vcK gynv¤§` mvgv` Ges wk¶K mwgwZi mfvcwZ Aa¨vcK GGmGg gvKmy` Kvgvj ¯’vb †c‡qwQ‡jb| 2017 mv‡ji 6 †m‡Þ¤^i ÔmvgwqKfv‡eÕ DcvPv‡h©i `vwqZ¡ †`Iqv nq †m mgq Dc-DcvPv‡h©i (cÖkvmb) `vwq‡Z¡ _vKv Aa¨vcK AvLZviæ¾vgvb‡K| Gi Av‡M 2016 mv‡ji 23 Ryb †_‡K XvKv wek¦we`¨vj‡qi Dc-DcvPvh© wQ‡jb wZwb|

 

রাজশাহীতে মাদক বিক্রেতার যাবজ্জীবন
                                  

রাজশাহীতে এক মাদক বিক্রেতাকে যাবজ্জীবন কারাদ- দেওয়া হয়েছে। তার নাম কবির হোসেন (৩১)। এ ছাড়া তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও পাঁচ মাস কারাদ- দিয়েছেন আদালত। গতকাল বুধবার দুপুরে রাজশাহীর বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক ইসমত আরা এ রায় ঘোষণা করেন।

রাজশাহীর বিশেষ জজ আদালত-১ এর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শফিকুল ইসলাম জানান, ২০১৬ সালের ৪ মার্চ ২০০ গ্রাম হেরোইনসহ গোদাগাড়ী উপজেলার সাধুর মোড় ঘুণ্টিঘর এলাকার কবির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা করা হয়।

রায় ঘোষণার সময় আসামি কবির আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তাকে রাজশাহী কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে দন্ড ৫ দিনের মধ্যে আদেশের সত্যায়িত অনুলিপি দিতে হবে
                                  

 ভ্রাম্যমাণ আদালদে (মোবাইল কোর্ট) দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির আবেদনের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে আদেশের সত্যায়িত অনুলিপি (সার্টিফায়েড কপি) দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে এ আদেশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। পৃথক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়। রিটের পক্ষে ছিলেন সৈয়দা আফসার জাহান। গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে ব্যবসায়ী অলি উল্লাহ অলিকে ছয় মাসের সাজা দেন মোবাইল কোর্ট। পরে সংশ্লিষ্ট আদালতের আদেশের অনুলিপি চেয়ে আবেদন করেন তিনি।

কিন্তু সেই অনুলিপি না পেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন ওই ব্যবসায়ী। এছাড়া মহিউদ্দিন নামের আরেক ব্যক্তিও ছয় মাসের দ-ের অনুলিপি চেয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের কাছে আবেদন করেন। তিনিও তা না পেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। আদালত আবেদনের শুনানি নিয়ে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের আদেশের অনুলিপি দিতে আদেশ দেন।

 

১৯৭২ সালের মন্ত্রিসভা বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর
                                  

 ১৯৭২ সালে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকের ৩ কপি কার্যবিবরণী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকের শুরুতে ’৭২ সালের বৈঠকসমূহের মূল ইংরেজি থেকে স্ক্যান করা ১ কপি, এর নতুন ইংরেজি কপি এবং বাংলা অনুবাদ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তাঁর তেজগাঁও কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সব কর্মকান্ডের চেক-লিস্টের একটি কপি প্রধানমন্ত্রীকে দেন। আইসিটি বিভাগ প্রণীত কৌশলপত্রের একটি কপিও প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া হয়।

আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ও এ বিভাগের সিনিয়র সচিব প্রণীত কপিটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। সকল পর্যায়ে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে গৃহীত কর্মপরিকল্পনার আলোকে এই কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার অনুসরণে এই কর্মপরিকল্পনা ও পরবর্তী কৌশল প্রণীত হয়।

প্রতিমন্ত্রী ও সচিব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ- অগ্রগতির ১০ বছর’ শীর্ষক একটি প্রকাশনাও প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। বৈঠকে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

আর্থিক খাতে অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে রুলের শুনানি শেষ, রায় ৩ নভেম্বর
                                  

 আর্থিক খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা বন্ধে কমিশন গঠন এবং ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট সংক্রান্ত জারি করা রুলের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে রায়ের জন্য আগামী ৩ নভেম্বর দিন ঠিক করেছেন হাইকোর্ট। গতকাল সোমবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন নির্ধারণ করেন। আদালতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন আজমালুল হোসেন কিউসি. ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন শাহ মঞ্জুরুল হক। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

মানবাধিকার সংগঠন এইচআরপিবির করা এক রিট আবেদনে হাইকোর্ট গত ১৩ ফেব্রুয়ারি এক আদেশে ঋণখেলাপির তালিকা দাখিলের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে রুল জারি করেন। রুলে আর্থিক খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা বন্ধে কমিশন গঠনের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না ও এই কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। পরে গত ২৪ জুন বাংলাদেশ সিলগালা করে ঋণখেলাপিদের তালিকা হাইকোর্টে দাখিল করেছিলেন। এর মধ্যে গত ১৬ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়। এরপর রিটকারীদের আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ২১ মে ওই সার্কুলারের ওপর ২৪ জুন পর্যন্ত স্থিতাবস্থা বজার রাখার জন্য আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২ জুলাই আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত ৮ জুলাই পর্যন্ত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন।

৮ জুলাই এ স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও দুই মাস বাড়ান। তবে যারা ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্টের সুবিধা নেবেন তারা নতুন করে ঋণ নিতে পারবেন না। এ ছাড়া বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন কোর্টে এ রিট মামলা শুনানি করতে বলেন। সে আদেশ অনুসারে রিট মামলাটি ওই আদালতের কার্যতালিকায় ওঠে। রুল শুনানি অবস্থায় ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট নিয়ে আদালতের আদেশের কয়েক বার বাড়িয়েছেন। পাশাপাশি ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট নিয়ে রুলও জারি করেন।

গ্রাম আদালতের রায়ে চাঁদপুরের ১৫টি পরিবার দীর্ঘ বিশ বছর পর চলাচলের রাস্তা পেল
                                  

বিশেষ প্রতিবেদক:

চাঁদপুর জেলার অন্তর্গত মতলব-দক্ষিণ উপজেলার আওতাধীন খাদেরগাঁও ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামের আব্দুল করিম প্রধানীয়া বাড়ির ১৫টি পরিবার বড়ই অসহায় অবস্থায় জীবনযাপন করে আসছিলেন। বাড়ি থেকে চলাচলের জন্য তাদের কোন রাস্তা ছিল না। তারা ছিলেন অনেকটা বিছিন্ন দ্বীপের মত। বাড়ির আশে-পাশে থাকা নালা-নর্দমা ও খানা-খন্দ মাড়িয়ে তাদের বাইরে আসতে হোত। এভাবে তাদের বিশ বছর কেটে যায়। চলাচলের রাস্তা বের করার জন্য তারা অনেক চেষ্টা-তদ্বির করেছেন। করেছেন অনেক সালিশ-দরবার। কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। উল্টো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এবং শান্তি ভঙ্গ হয়েছে। চলাচলের এই রাস্তা বের করার জন্য বহুদিন যাবৎ এলাকায় বিরোধ চলছিল। এই নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-ঝাট্টি ও মারামারি হোত।

 

একদিন এই মারামারিকে কেন্দ্র করে ভূক্তভূগী মোঃ হাসেম খান (পিতা: মৃত গফুর খান) আবু তাহের গঙদের বিরুদ্ধে ৮ জুলাই ২০১৯ তাদের খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে ১০ টাকা ফি প্রদান সাপেক্ষে একটি ফৌজদারী মামলা দায়ের করেন। গ্রাম আদালত উক্ত মামলাটি আমলে নিয়ে ঐ মাসের ১৫ তারিখে গ্রাম আদালতে হাজির হওয়ার জন্য মামলার প্রতিবাদীদের প্রতি সমন জারি করেন। সমন পেয়ে মামলার প্রতিবাদীগণ ইউনিয়ন পরিষদে হাজির হন এবং নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। গ্রাম আদালত বিধিমালা ২০১৬ এর বিধি-৩১ মোতাবেক উক্ত মামলায় কোন আপোষরফা না হওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গ্রাম আদালত গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং আদালতে বিচারিক প্যানেল সদস্য মনোনয়নের জন্য উভয় পক্ষকে আদেশ দেন।

 

আদালতের আদেশ মোতাবেক ২২ জুলাই ২০১৯ আবেদনকারী ও প্রতিবাদী গ্রাম আদালতের নির্দিষ্ট ফরমে প্রত্যেকে দুই জন করে মোট চার জন বিচারিক প্যানেল সদস্য মনোনীত করেন এবং যথানিয়মে তা আদালতে দাখিল করেন। এরপর ৮ আগষ্ট ২০১৯ চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জর হোসেন রিপনের সভাপতিত্বে গ্রাম আদালতের এজলাস কক্ষে মামলার প্রথম শুনানী অনুষ্ঠিত হয়। শুনানীর সময় মামলার উভয় পক্ষ এবং সাক্ষ্যীদের জবানবন্দী নেওয়া হয়। জবানবন্দী অনুযায়ী মামলার বিচার্য বিষয় নির্ধারণকালে স্পষ্ট হয় যে, মারামারির সূত্রপাত হয় চলাচলের রাস্তা নিয়ে। এ মতাবস্থায়, মামলার বিচার্য-বিষয় মারামারির পাশাপাশি চলাচলের রাস্তার প্রতিবন্ধকতা উঠে আসে এবং চলাচলের এই সমস্যা নিয়েই গত দুই দশক ধরে তাদের মাঝে বিরোধ লেগে আছে। মারামারির বিষয়টি প্রথম শুনানীতে সমাধান হলেও রাস্তার প্রতিবন্ধকতার বিষয়টি নিয়ে সরেজমিন তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে আরেকটি শুনানী করার সিদ্ধান্ত হয় এবং ১৪ আগষ্ট ২০১৯ শুনানীর জন্য নতুন দিন-ক্ষণ নির্ধারণ করা হয়।

 

সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হওয়ার পর বিচারিক প্যানেল সদস্যদের নিয়ে আদালতের চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে সাত দিনের মধ্যে আবার শুনানী শুরু হয়। শুনানীতে উভয় পক্ষের সাক্ষ্যী সহ সবাই হাজির হন। প্রাণবন্ত শুনানী শেষে এই মর্মে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয় যে, প্রস্তাবিত রাস্তার জন্য উভয় বাড়ির সবাই নিজ নিজ সীমানা থেকে আড়াই ফুট করে উভয় দিক থেকে মোট পাঁচ ফিট জায়গা মূল সংযোগ রাস্তা পর্যন্ত ছেড়ে দেবেন এবং উক্ত পাঁচ ফিটের মধ্যে কারো কোন স্থাপনা বা গাছ-পালা থাকলে সেগুলো দ্রুত সরিয়ে নিবেন। সিদ্ধান্তে আরো ঘোষণা করা হয় যে, ৩১ আগষ্ট ২০১৯ রোজ শনিবার ইউপি চেয়ারম্যান বিরোধপূর্ণ স্থানের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে উক্ত স্থানটি পরিদর্শন করবেন এবং প্রস্তাবিত রাস্তাটি উন্মুক্ত করে দিবেন। অর্থ্যাৎ গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান ইউপি চেয়ারম্যানকে আদালতের রায় বাস্তবায়নের দ্বায়িত্ব দেন।

 

গ্রাম আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জর হোসেন রিপন ইউপি সদস্যদ্বয় যথাক্রমে হাবিব উল্লাহ হবু, মোজাম্মেল হক মিয়াজী, মোঃ মহসিন প্রধান, গ্রাম আদালত সহকারী মোঃ ইব্রাহীম ঢালীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গদের নিয়ে সেখানে যান এবং নিজ হাতে উপস্থিত সহযোগীদের নিয়ে জমি মাপজোক করে চলাচলের জন্য উক্ত প্রস্তাবিত রাস্তার জায়গা বের করেন এবং সবার চলাচলের জন্য তা উন্মুক্ত করেন। এ সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন খাদেরগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাহিদুর রহমান জাহাঙ্গীর মিয়াজী ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম ঢালী। তারা সবাই তাকে সহযোগিতা করেন।

 

ইউপি চেয়ারম্যানের আন্তরিকতায় ও গ্রাম আদালতের এমন জনহিতকর সিদ্ধান্তে এলাকার দীর্ঘদিনের একটি বিরোধের অবসান ঘটল এবং বন্ধীপ্রায় ১৫টি পরিবার সহ এলাকার মানুষ স্বাচ্ছন্দে চলাচলের জন্য একটি রাস্তা পেল। এতে সবাই খুশী। তাদের ধারণা গ্রাম আদালত এভাবে এগিয়ে গেলে এলাকার মানুষ উপকৃত হবে।।

 

নাচোলের প্যানেল মেয়র বাবুর ১ বছর কারাদন্ড
                                  

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ঋণ খেলাপি, চেক জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায় নাচোল পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহম্মেদ বাবুর এক বছরের জেল ও ৩৩ লাখ টাকার অর্থদন্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের মো. শওকত আলী এ রায় দেন।


আদালতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম মাহবুব আলম জুয়েল জানান, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক রহনপুর শাখার তৎকালীন ম্যানেজার জহুরুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০১৭ সালে এমআই অ্যাকট সেশান ১০৪৯/১৭ ঋণ খেলাপি, প্রতারণা ও চেক জালিয়াতির মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকে দীর্ঘদিন থেকে মামলার আসামি বাবু আদালতে অনুপস্থিত থাকেন।


তিনি আরও জানান, খুব শিগগিরই আসামি বাবুকে আদালতে আত্মসমর্পণ ও রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোটে আপিল করা হবে। তবে এ ব্যাপারে ফারুক আম্মেদ বাবুর সঙ্গে একাধিকবার তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

চুয়াডাঙ্গায় স্বর্ণ পাচার মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন
                                  

চুয়াডাঙ্গায় স্বর্ণ পাচার মামলায় দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল সোমবার দুপুরে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতের বিচারক মোহা. রবিউল ইসলাম এ রায় দেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ঢাকার নবাবগঞ্জের কান্দামাত্রা এলাকার খোসাই মন্ডলের ছেলে দীপক মন্ডল ও জগেস মল্লিকের ছেলে প্রভাত মল্লিক।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ১১ জুলাই চুয়াডাঙ্গার দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে প্রবেশ করতে যায় পাসপোর্টধারী যাত্রী দীপক মন্ডল ও প্রভাত মল্লিক। ভারতে প্রবেশের আগে ভ্রমণ প্রক্রিয়া কাজের সময় সন্দেহ হলে তাদের আটক করে দর্শনার স্থল ও শুল্ক কর্মকর্তারা। পরে ওই দুই যাত্রীর দেহ তল্লাশি করে আন্ডারওয়্যারের ভেতর থেকে ৮টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় এক কোটি ৩০ লাখ টাকা।

ওইদিনই দীপক ও প্রভাতকে আসামি করে দামুড়হুদা মডেল থানায় স্বর্ণ চোরাচালান মামলা দায়ের করেন শুল্ক ও গোয়েন্দা তদন্ত বিভাগের (বেনাপোল সার্কেল) সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা সাজিবুল ইসলাম। পরে একই বছরের ২৯ আগস্ট দীপক ও প্রভাতকে অভিযুক্ত করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন দামুড়হুদা মডেল থানার উপপরিদর্শক আমজাদ হোসেন। এরপর গতকাল সোমবার দুপুরে ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও যাচাই বাছাই শেষে দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়।

 

চাঁপাইনবাবঞ্জে মাদক মামলায় দু’জনের ১৪ বছর কারাদন্ড
                                  

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় দু’জনের ১৪ বছর করে কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ শওকত আলী এ রায় দেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের নবাবজায়গীর গ্রামের শরিফুল ইসলাম শরিফ (৩৯) ও শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্তি ইউনিয়নের রাণীবাড়ী চাঁদপুরের খাইরুল ইসলামের ছেলে রায়হান আলী (২৪)। রায় ঘোষণার সময় শরিফুল উপস্থিত থাকলেও অপর আসামি রায়হান পলাতক রয়েছেন।

অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) আঞ্জুমান আরা জানান, ২০১৫ সালের ৩১ মে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নয়াগোলা পুলিশ লাইন্স এলাকায় একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে ৭৪০ বোতল ফেনসিডিলসহ শরিফুল ও রায়হানকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় একই দিন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আতিকুল ইসলাম বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় দু’জনসহ আরও চার জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

২০১৫ সালের ২১ অক্টোবর আদালতে ছয় জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় ওই দু’জনকে ১৪ বছর করে কারাদ এবং অভিযুক্ত অপর চারজন নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় মামলা থেকে তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

 

ফরিদপুরে হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি
                                  

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মুদী ব্যবসায়ী বিকাশ সাহা (৪৪) হত্যা মামলায় ৪ জনকে ফাঁসি দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেলে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক কামরুন্নাহার বেগম এ আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় চার আসামির মধ্যে তিনজন আদালতে হাজির ছিলেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ভাঙ্গা পৌরসভার চৌধুরী কান্দা সদরদি মহল্লার স্বপন মুন্সি (২৬), নাহিদ শেখ (২৪), আইনাল শেখ (২৬)। পলাতক আসামি ওই একই এলাকার আলমিন শেখ (২০)।


ভারপ্রাপ্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এমএ সালাম জানান, ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ রাত সাড়ে ৯টায় ফরিদপুরের ভাঙ্গা বাজার থেকে বিকাশ দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার সময় আসামিরা তাকে হত্যা করে জনৈক আবদুল কাদেরের বাঁশ ঝাড়ে ফেলে রাখে।

এ ঘটনায় ২০১৭ সালের ৩১ মার্চ নিহতের ভাই উত্তম কুমার সাহা বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ভাঙ্গা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক মিরাজ হোসেন মামলাটি তদন্ত করে চারজনকে অভিযুক্ত করে ২০১৭ সালের ২৩ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। দীর্ঘ শুনানী ও সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

গ্রামীণফোনের কাছে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা আদায়ে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা
                                  

গ্রামীণফোনের কাছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) প্রায় ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা দাবি আদায়ের ওপর দুই মাসের অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে করা গ্রামীণফোনের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি একেএম আবদুল হাকিম ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামি ৫ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন। আদালতে গ্রামীণফোনের পক্ষে ছিলেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এএম আমিন উদ্দিন, আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া ও আইনজীবী তানিম হোসেইন শাওন।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহাংগীর আলম। পরে তানিম হোসেইন শাওন বলেন, চলতি বছরের ২ এপ্রিল বিভিন্ন খাতে ১২ হাজার ৫শ ৮০ কোটি টাকা দাবি করে বিটিআরসি গ্রামীণফোনকে চিঠি দিয়েছিল। পরে গ্রামীণফোন ওই চিঠির বিষয়ে নিম্ন আদালতে টাইটেল স্যুট (মামলা) করে। একইসঙ্গে ওই মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর‌্যন্ত অর্থ আদায়ের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করা হয়।

পরে ২৮ আগস্ট নিম্ন আদালত গ্রামীণফোনের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন খারিজ করে দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে গ্রামীণফোন। শুনানি শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার আদালত আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে টাকা আদায়ের ওপর দু’মাসের অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দেন বলে জানান তানিম হোসেইন শাওন।


   Page 1 of 71
     আইন-আদালত
নাইমুল আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট
.............................................................................................
চ্যারিটেবল মামলায় জামিন চেয়ে খালেদা জিয়ার আপিল
.............................................................................................
আবরার হত্যা মামলা: ২৫ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল
.............................................................................................
নবম ওয়েজ বোর্ডের প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রিপরিষদের সুপারিশ কেন বেআইনি নয় : হাইকোর্ট
.............................................................................................
চট্টগ্রামে হত্যা মামলায় ৬ জনের ১০ বছর করে কারাদন্ড
.............................................................................................
ব্যাংক ঋণে অনিয়ম দূরে ৯ সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের
.............................................................................................
রাজশাহীতে মাদক বিক্রেতার যাবজ্জীবন
.............................................................................................
ভ্রাম্যমাণ আদালতে দন্ড ৫ দিনের মধ্যে আদেশের সত্যায়িত অনুলিপি দিতে হবে
.............................................................................................
১৯৭২ সালের মন্ত্রিসভা বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর
.............................................................................................
আর্থিক খাতে অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে রুলের শুনানি শেষ, রায় ৩ নভেম্বর
.............................................................................................
গ্রাম আদালতের রায়ে চাঁদপুরের ১৫টি পরিবার দীর্ঘ বিশ বছর পর চলাচলের রাস্তা পেল
.............................................................................................
নাচোলের প্যানেল মেয়র বাবুর ১ বছর কারাদন্ড
.............................................................................................
চুয়াডাঙ্গায় স্বর্ণ পাচার মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন
.............................................................................................
চাঁপাইনবাবঞ্জে মাদক মামলায় দু’জনের ১৪ বছর কারাদন্ড
.............................................................................................
ফরিদপুরে হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি
.............................................................................................
গ্রামীণফোনের কাছে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা আদায়ে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা
.............................................................................................
ড. কামালের গাড়িবহরে হামলা: মামলার প্রতিবেদন ২০ নভেম্বর
.............................................................................................
অভিজিৎ হত্যা মামলার শুনানি ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত
.............................................................................................
আবরার হত্যা: মনিরের স্বীকারোক্তি, রাফাত ফের রিমান্ডে
.............................................................................................
ফাহাদ হত্যা: ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ রিটের শুনানি আজ
.............................................................................................
বাংলাদেশে ঢুকে মাছ শিকারের দায়ে ৪৯ ভারতীয় জেলে আটক
.............................................................................................
ড. ইউনুসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা স্থগিত
.............................................................................................
সুপ্রিমকোর্ট খুলছে আজ
.............................................................................................
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
.............................................................................................
নাটোরে মাদক মামলায় যুবকের ৭ বছরের কারাদন্ড
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিং বন্ধে সচিব-ইউজিসি চেয়ারম্যানকে আইনি নোটিশ
.............................................................................................
মাদক মামলায় মোহামেডানের লোকমান কারাগারে
.............................................................................................
মাদকের মামলায় ফের রিমান্ডে কলাবাগান ক্লাবের ফিরোজ
.............................................................................................
লঞ্চ টার্মিনালে প্রবেশ ফি বাতিলে আইনি নোটিশ
.............................................................................................
ফখরুলসহ বিএনপির ৩ নেতার জামিন
.............................................................................................
বাসচাপায় রাজীব-দিয়ার মৃত্যু: তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন
.............................................................................................
চুয়াডাঙ্গায় ৩ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন-অন্যজনের ২৮ বছর
.............................................................................................
১২৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ: খুলনায় সোনালী ব্যাংকের ৪ কর্মকর্তা কারাগারে
.............................................................................................
সিনহার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার প্রতিবেদন দাখিল ২৯ অক্টোবর
.............................................................................................
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য নির্দেশনা
.............................................................................................
ফ্লাইওভারে ছুরিকাঘাতে নিহত চালকের চিকিৎসার বিষয়ে ব্যাখ্যা চান হাইকোর্ট
.............................................................................................
রায় প্রভাবিত করতে পারে এমন বিষয় গণমাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে না
.............................................................................................
ময়মনসিংহ মেডিকেলের ছাত্রকে কোপানোর দায়ে একজনের যাবজ্জীবন
.............................................................................................
২ দিনের রিমান্ডে স্বর্ণ পাচারকারী
.............................................................................................
হোসেনি দালানে বোমা হামলা: শিশু আসামির বিরুদ্ধে পৃথক চার্জশিট ২৪ সেপ্টেম্বর
.............................................................................................
জেলা হাসপাতালে আইসিইউ-সিসিইউ প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান হাইকোর্ট
.............................................................................................
সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২ অক্টোবর
.............................................................................................
সিটি করপোরেশনের গাফিলতির কারণে ডেঙ্গুতে এত মানুষের মৃত্যু : হাইকোর্ট
.............................................................................................
নোয়াখালীতে হত্যার দায়ে ২ জনের যাবজ্জীবন
.............................................................................................
শিশু আদালত প্রতিষ্ঠায় সরকারের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে: বিচারপতি ইমান আলী
.............................................................................................
মামলার ভারে জর্জরিত বিচার ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী
.............................................................................................
হাইকোর্টের তিন বিচারপতিকে সাময়িক বিরতির নির্দেশ
.............................................................................................
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামালায় যুবকের ১৫ বছরের কারাদন্ড
.............................................................................................
পেপারবুক প্রস্তুত হলেই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আপিল শুনানি: অ্যাটর্নি জেনারেল
.............................................................................................
হাসপাতালে রোগী ভর্তির চিত্র দেখলেই ওষুধের কার্যকারিতা বোঝা যায়: হাইকোর্ট
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]