| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   আইন-আদালত -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
জাহালমকে নিয়ে চলচ্চিত্র-নাটক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

 দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় বিনা দোষে কারাভোগ করা পাটকলশ্রমিক জাহালমকে নিয়ে চলচ্চিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাণের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। সংস্কৃতিসচিব ও তথ্যসচিবের প্রতি ওই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুদকের করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে গতকাল বুধবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার দুদক ওই নিষেধাজ্ঞার আবেদন করে। আবেদনটি গতকাল শুনানির জন্য ওঠে। আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম জাহিদ সারোয়ার। পরে খুরশীদ আলম খান বলেন, জাহালমের কারাভোগ নিয়ে এর আগে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত রুল দিয়েছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় জাহালমকে নিয়ে চলচ্চিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে দুদক আবেদনটি করে। হাইকোর্ট ওই স্বতঃপ্রণোদিত রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জাহালমকে নিয়ে চলচ্চিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের এসব নির্মাণ থেকে বিরত রাখতে সংস্কৃতিসচিব ও তথ্যসচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত সোমবার এ বিষয়ে খুরশীদ আলম খান বলেন, কয়েকটি অনলাইনে জাহালমের জীবনের গল্প নিয়ে সিনেমা বানানো হবে বলে খবর প্রকাশিত হয়। বিষয়টি কমিশনের নজরে আসে। কমিশন ১৪ মার্চ সিদ্ধান্ত নেয়, ওই সিনেমা নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করা হবে। সে অনুসারে প্রতিবেদন দুটি যুক্ত করে নিষেধাজ্ঞার আবেদন প্রস্তুত করা হয়। গত মঙ্গলবার দুদক আদালতের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জাহালমকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সোনালী ব্যাংকের সাড়ে ১৮ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতি মামলার আসামি আবু সালেক নামের এক ব্যক্তি। কিন্তু জাহালমকে আবু সালেক হিসেবে চিহ্নিত করে ২৬টি মামলায় আসামি করা হয়। প্রায় তিন বছর কারাভোগ করে হাইকোর্টের নির্দেশে গত ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি মুক্তি পান। তাঁর কষ্টের কাহিনি নিয়ে সিনেমা নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মারিয়া তুষার।

জাহালমকে নিয়ে চলচ্চিত্র-নাটক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা
                                  

 দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় বিনা দোষে কারাভোগ করা পাটকলশ্রমিক জাহালমকে নিয়ে চলচ্চিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাণের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। সংস্কৃতিসচিব ও তথ্যসচিবের প্রতি ওই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুদকের করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে গতকাল বুধবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার দুদক ওই নিষেধাজ্ঞার আবেদন করে। আবেদনটি গতকাল শুনানির জন্য ওঠে। আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম জাহিদ সারোয়ার। পরে খুরশীদ আলম খান বলেন, জাহালমের কারাভোগ নিয়ে এর আগে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত রুল দিয়েছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় জাহালমকে নিয়ে চলচ্চিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে দুদক আবেদনটি করে। হাইকোর্ট ওই স্বতঃপ্রণোদিত রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জাহালমকে নিয়ে চলচ্চিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের এসব নির্মাণ থেকে বিরত রাখতে সংস্কৃতিসচিব ও তথ্যসচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত সোমবার এ বিষয়ে খুরশীদ আলম খান বলেন, কয়েকটি অনলাইনে জাহালমের জীবনের গল্প নিয়ে সিনেমা বানানো হবে বলে খবর প্রকাশিত হয়। বিষয়টি কমিশনের নজরে আসে। কমিশন ১৪ মার্চ সিদ্ধান্ত নেয়, ওই সিনেমা নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করা হবে। সে অনুসারে প্রতিবেদন দুটি যুক্ত করে নিষেধাজ্ঞার আবেদন প্রস্তুত করা হয়। গত মঙ্গলবার দুদক আদালতের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জাহালমকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সোনালী ব্যাংকের সাড়ে ১৮ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতি মামলার আসামি আবু সালেক নামের এক ব্যক্তি। কিন্তু জাহালমকে আবু সালেক হিসেবে চিহ্নিত করে ২৬টি মামলায় আসামি করা হয়। প্রায় তিন বছর কারাভোগ করে হাইকোর্টের নির্দেশে গত ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি মুক্তি পান। তাঁর কষ্টের কাহিনি নিয়ে সিনেমা নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মারিয়া তুষার।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে নয়াপল্টনে বিএনপির অনশন
                                  

দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে কারাবন্দি ও অসুস্থ দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে গণঅনশন করছেন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ঢাকার কেরাণীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা এতে অংশ নিয়েছেন।
আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকার কেরাণীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ব্যানারে এ অনশন শুরু হয়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই অনশন চলবে।
অনশনে উপস্থিত আছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুন রায় চৌধুরীসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বিকেল তিনটার দিকে এ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ।

আবরার নিহতের ঘটনায় গুলশান থানায় মামলা
                                  

সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আবরার আহমেদ চৌধুরী নিহত হওয়ার ঘটনায় গুলশান থানায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে মামলা করেছেন নিহত আবরারের চাচা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুব।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটায় বিইউপিতে ক্লাস ছিল আবরারের। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী তিনি। ক্লাসে যাওয়ার জন্য সকাল সাড়ে সাতটার দিকে নর্দ্দায় যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা বিইউপির বাসে উঠতে যাচ্ছিলেন তিনি। এ সময় সুপ্রভাত পরিবহনের একটি বাস তাঁকে চাপা দেয়। তিনি বাসের চাকায় পিষ্ট হন। পরে তাঁর লাশ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
দুর্ঘটনার পর যমুনা ফিউচার পার্কের সামনের রাস্তা অবরোধ করেন আবরারের সহপাঠী, বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের বিচার দাবিতে স্লোগান দেন। সহপাঠীরা কিছুতেই ভাবতে পারছেন না, কিছুক্ষণ আগেও প্রাণোচ্ছল ছিল যে মানুষটি, তিনি আর নেই। পরে প্রগতি সরণির দুই পাশে সড়ক অবরোধ করে বিইউপিসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। তবে যানবাহন ভাঙচুরের মতো কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। শিক্ষার্থীদের দাবি দোষী বাসচালকের শাস্তি। নিরাপদ সড়কের দাবিতে স্লোগানও দিচ্ছেন তাঁরা।
বিইউপির একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, খুব শান্ত ও অমায়িক স্বভাবের ছিলেন আবরার। কারও সঙ্গে কখনো মনোমালিন্য হতো না তাঁর। সহপাঠীদের সবার সঙ্গেই ভালো বন্ধুত্ব ছিল তাঁর।

৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের রায় হলো ৮ বছর পর
                                  

৪ বছরের এক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে মনির মোল্লা নামের এক বখাটের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বরিশালের একটি আদালত।

সোমবার বিকেলে বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মনির মোল্লা বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গাজীরপাড় এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ২ অক্টোবর মনির ২ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে তার প্রতিবেশী প্রতিবন্ধী এক শিশুকে (৪) পার্শ্ববর্তী বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে মনির পালিয়ে যায়। ঘটনার দিনই শিশুটির মা বাদী হয়ে মনিরকে আসামি করে মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উজিরপুর থানা পুলিশের এসআই আলমগীর হোসেন ২০১১ সালের ২১ নভেম্বর মনির মোল্লাকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেন। আদালতে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এ রায় দেন।

জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে বাফুফের কিরণ
                                  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে করা মামলায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কার্যনির্বাহী সদস্য ও নারী ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তারের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
শনিবার (১৬ মার্চ) ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মো. নোমান এ আদেশ দেন। এদিন রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে তাকে গ্রেফতার করে মতিঝিল থানা পুলিশ বিকেলে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে। এ সময় তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করা হয়।
অপরদিকে তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালতের মতিঝিল থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক জালাল উদ্দিন বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন।
এর আগে ১২ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারী মামলা আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। গ্রেফতার-সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২ এপ্রিল দিন ধার্য করা হয়েছে।

বাদী পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রেফায়েতুল করিম লেলিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করার অভিযোগে কিরণের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (১২ মার্চ) ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবু হাসান চৌধুরী প্রিন্স একটি মানহানি মামলা করেন।
মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন করা হয়। ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারী মামলাটি আমলে নিয়ে কিরণের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ‘গত ৮ মার্চ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ক্রীড়ামোদী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে হীন মানসিকতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, বাংলাদেশ ফুটবল সংগঠকদের মানহানির উদ্দেশ্যে মাহফুজা আক্তার কিরণ বলেন, পিএম হিসেবে সব খেলাই তার কাছে সমান। সেখানে কেন দু’চোখে দেখবে? মেয়েরা ব্যাক টু ব্যাক চ্যাম্পিয়ন। গিফট তো পরের কথা, অভিনন্দন তো দিতে পারে, মিডিয়ায় কি কোনো অভিনন্দন জানাইছে? বিএফএফের টাকা কেন প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে দেয়াব? বিসিবির অনেক স্বার্থ আছে। বিসিবি সরকারের অনেক ফ্যাসিলিটিজ নেয়। চুন থেকে পান খসলেই প্লট পেয়ে যয়, গাড়ি পেয়ে যায়। বিএফএফ সরকারের কাছ থেকে কোনো ফ্যাসিলিটিজ নেয় না।’

কিরণের এমন বক্তব্য বেসরকারি টেলিভিশন, পত্রিকা ও অনলাইনে প্রকাশিত হয়। তার এমন বক্তব্যে বাদীর ৫০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে মর্মে আদালতে মামলাটি করা হয়।

সুপ্রিম কোর্ট বারের নতুন সভাপতি আমিন, সম্পাদক খোকন
                                  

দেশের আইনজীবীদের অন্যতম সংগঠন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (২০১৯-২০) নির্বাচনে সভাপতি পদে জয় পেয়েছেন আওয়ামীপন্থী আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক পদে এ এম মাহাবুব উদ্দিন খোকন।
আমিন উদ্দিন আওয়ামী লীগ-সমর্থিত আইনজীবীদের মোর্চা সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ (সাদা হিসেবে পরিচিত) সমর্থিত প্রার্থী ছিলেন। অন্যদিকে মাহাবুব উদ্দিন খোকন বিএনপি ও জামায়াত-সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (নীল হিসেবে পরিচিত) সমর্থিত প্রার্থী ছিলেন।
সভাপতি-সম্পাদক দুই প্যানেল থেকে নির্বাচিত হওয়ায় সুপ্রিম কোর্ট বারের নেতৃত্ব এবার দুই অংশ বিভক্ত হলো।
এরআগের দুই মেয়াদেই সুপ্রিম কোর্ট বারের নেতৃত্বে ছিলেন জয়নুল আবেদীন ও মাহবুব উদ্দিন খোকন।
বুধ ও বৃহস্পতি দু’দিনব্যাপী নির্বাচনের পর আজ শুক্রবার দুপুরে এ ফল ঘোষণা করা হয়।

জিয়া অরফানেজ মামলা: সাজা স্থগিত ও জামিন চেয়ে খালেদা জিয়ার আপিল
                                  

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে আপিল দায়ের করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আপিলে সাজার রায় স্থগিত ও খালেদা জিয়ার জামিন প্রার্থনা করা হয়েছে। 
আজ বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় খালেদার আইনজীবীরা এ আপিল দায়ের করেন।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, হাইকোর্টে দুদকের আবেদন এক তরফাভাবে শুনানি করে রায় দেওয়া হয়েছে। ওই রায়ে খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার বঞ্চিত হয়েছেন। ন্যায়বিচার হলে তিনি এ মামলা থেকে খালাস পেতেন। এজন্য তিনি আপিল দায়ের করেছেন। আশা করছি, আপিল বিভাগে তিনি ন্যায়বিচার পাবেন।’

 গত বছরের ৩০ অক্টোবর এই মামলায় খালেদার সাজা বৃদ্ধিতে দুদকের আবেদন গ্রহণ করে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড দেন।
একইসঙ্গে পাঁচ বছরের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আপিল খারিজ করে দেন আদালত। এ ছাড়া ১০ বছরের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে কাজী কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদের আপিল খারিজ করেন আদালত। তবে রায় ঘোষণার সময় খালেদা জিয়ার কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারত মো. আখতারুজ্জামান। রায়ে বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ মামলার অন্য পাঁচ আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাঁদের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা জরিমানা করা হয়।

রায়ের পর ওই দিনই খালেদা জিয়াকে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। 

সুপ্রিম কোর্ট বারে ভোট শুরু
                                  

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০১৯-২০ সেশনের নির্বাচন শুরু হয়েছে। আজ বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুই দিনব্যাপী (বুধ ও বৃহস্পতিবার) এ নির্বাচন প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে দুপুরে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
নির্বাচনে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির আট হাজার ৮৮ জন সদস্য তাদের পছেন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করবেন। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালন করছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ ওয়াই মশিউজ্জামান। সাত সদস্যবিশিষ্ট একটি নির্বাচন সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে। 


এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার এ ওয়াই মশিউজ্জামান বলেন, নির্বাচনের সব প্রস্তুতি অত্যন্ত সুন্দভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি, দুই দিনের এ নির্বাচন ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারবো। 
কার্যনির্বাহী কমিটির মোট ১৪টি পদের নির্বাচনে মূলত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে সরকার সমর্থকদের সাদা প্যানেল ও বিএনপি সমর্থকদের নীল প্যানেল। 
বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সরকার সমর্থকদের নীল প্যানেল এবং বিএনপি সমর্থকদের সাদা প্যানেল হলে ও সুপ্রিম কোর্টে তার বিপরীত হয়ে আসছে। এখানে সরকার সমর্থকদের সাদা প্যানেল ও বিএনপি সমর্থকদের নীল প্যানেল। 


নির্বাচনে প্রার্থীরা হলেন-

নীল প্যানেল
বিএনপি সমর্থক জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের (নীল প্যানেল) সভাপতি পদে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল জামিল (এ জে) মোহাম্মদ আলী এবং সম্পাদক পদে বর্তমান সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহাবুব উদ্দিন খোকন, সহ-সভাপতি পদে মো. আব্দুল জব্বার ভুঁইয়া এবং আব্দুল বাতেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
কোষাধ্যক্ষ পদে মো. ইমাম হোসেন, সহ-সম্পাদক পদে মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান এবং শরীফ ইউ আহম্মেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য পদে রাশিদা আলিম ঐশী, মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী, কাজী আখতার হোসেন, মো. শাফিউর রহমান, মো. শরীফ উদ্দিন রতন, মো. মোহাদ্দেস উল ইসলাম ও সৈয়দা শাহীন আরা লাইলি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সাদা প্যানেল
সাদা প্যানেলের সভাপতি পদে সমিতির সাবেক সম্পাদক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন (এ এম আমিন উদ্দিন) ও সম্পাদক পদে বাংলাদেশ আইন সমিতির সাবেক সম্পাদক আইনজীবী আবদুন নুর দুলাল প্রার্থী হয়েছেন। 


সহ-সভাপতি (দুটি) পদে বিভাষ চন্দ্র বিশ্বাস ও জসিম উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ পদে সৈয়দ আলম টিপু, সহ-সম্পাদক (দুটি) পদে কাজী শামসুল হাসান শুভ ও মোহাম্মদ বাকির উদ্দিন ভূঁইয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য পদে আফিয়া আফরোজ, চঞ্চল কুমার বিশ্বাস, হুমায়ূন কবির, শামীম সরদার, মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন, মোহাম্মদ মশিউর রহমান ও মোহাম্মদ জগলুল কবির প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।


এদিকে জয়ের বিষয়ে আশাবাদী দুটি প্যানেলের প্রার্থীরা। 
এ বিষয়ে বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী এ এম মাহবুবউদ্দিন খোকন সাংবাদিকদের বলেন, দেশের শীর্ষ আদালতের আইনজীবীদের এখানে দু’টি কাজ হলো আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য কাজ করা। আমরা এ দুটি বিষয় এবং স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠার জন্য ফাইট করে যাচ্ছি। দেশে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা নেই, সরকারের হস্তক্ষেপ সবখানেই। আইনজীবীরা সরকারের হস্তক্ষেপকে প্রতিহত করার জন্য অতীতে ভোট দিয়েছেন। দেশে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা না থাকলে গণতন্ত্র দুর্বল হবে এবং সরকারের হস্তক্ষেপ বাড়বে। গণতন্ত্র ও আইনের শাসন দুর্বল থাকবে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি হবে। মানুষ ন্যায়বিচার পেলে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে।


অন্যদিকে সরকার সমর্থক সাদা প্যানেল থেকে এবারের সম্পাদক প্রার্থী আবদুন নুর দুলাল বলেন, এবার কোনো পদেই নমিনেশন নিয়ে কোনো বিতর্ক সৃষ্টি হয়নি। সবাই আমাদের প্যানেলকে সর্বসম্মতভাবে গ্রহণ করেছেন। আশা করছি, এবারের নির্বাচনে আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নির্বাচিত হতে পারব। আর আমি নির্বাচিত হলে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিকে অবশ্যই দলীয় রাজনীতিমুক্ত রাখার চেষ্টা করব।

দুর্নীতি মামলায় পুলিশ সার্জেন্টের সাত বছরের কারাদণ্ড
                                  

অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় পুলিশ সার্জেন্ট মো. আজাহার আলীকে সাত বছর কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১২ মার্চ) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ কামাল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।


দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬(২) ধারায় ২ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের টাকা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া ২৭ (১) ধারায় ৫ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের টাকা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রমনা থানায় এই মামলাটি দায়ের করে দুদক।

ঢাকা বার নির্বাচনে আওয়ামীপন্থীদের নিরঙ্কুশ জয়
                                  

ঢাকা আইনজীবী সমিতির (বার) ২০১৯-২০ কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী সমর্থিত আইনজীবীদের সাদা প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছে।

বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ও বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ ) অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনের ফল শুক্রবার দিবাগত (৯ মার্চ) মধ্যরাতে ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
নির্বাচনে ২৭টি পদের মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, ট্রেজারার, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক, সহ-সাধারণ সম্পাদক, দফতর সম্পাদক, সমাজকল্যাণ সম্পাদক, ক্রীড়া সম্পাদক এবং নির্বাহী সদস্য ৯ জনসহ মোট ১৮টি পদে জয়ী হয়েছে। বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত নীল প্যানেল সিনিয়র সহ-সভাপতি, লাইব্রেরি সম্পাদক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং নির্বাহী সদস্য ৬ জনসহ মোট ৯টি পদে জয়লাভ করেছে।

নির্বাচনে এবার ১৭ হাজার ৮৯৭ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার কথা ছিল। তবে দুদিনব্যাপী ভোটগ্রহণে ৯ হাজার ৩৬৪ জন ভোট দিয়েছেন। বাকি ৮ হাজার ৫৩৩ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেননি।

এ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বারের সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান বাদল।

নীল প্যানেলে সভাপতি পদে মো. ইকবাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক পদে মো. হোসেন আলী খান হাসান এবং সাদা প্যানেলে সভাপতি পদে গাজী শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আসাদুজ্জামান খান রচি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

সাদা প্যানেলের প্রতিদ্বন্দ্বিরা

সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মোহাম্মাদ হাবিবুর রহমান, সহ-সভাপতি পদে মো. জাহাঙ্গীর হোসেন দুলাল, ট্রেজারার পদে আব্দুল জলিল আফরাদ (কবির), সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মাদ ওমর ফারুক আসিফ, গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে মো. আতাউর রহমান খান রুকু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে শায়লা পারভীন পিয়া, দফতর সম্পাদক পদে মো. জাহিদুল ইসলাম কাদির, ক্রীড়া সম্পাদক পদে মো. উজ্জ্বল মিয়া ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে হুমায়ুন খন্দকার টগর।

সদস্য পদে আয়েশা বিনতে আলী, এএইচএম শফিকুল ইসলাম মোল্লা সোহাগ, হোয়াত আল মাহমুদ জিকু, কাওছার হাসান, মো. সাব্বির হাসান, মো. বাহারুল ইসলাম বাহার, মো. হাসান আকবার আফজাল, মো. ইব্রাহিম হোসেন, মো. জুয়েল শিকদার, মো. মাসুম মিয়া, মো. মাসুম মৃধা, সাইফুল ইসলাম, সৌরভ হোসেন, তানভীর আহমেদ সজিব ও তুষার ঘোষ।

নীল প্যানেলের প্রতিদ্বন্দ্বিরা

সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম দেওয়ান, সহ-সভাপতি পদে এ আর মিজানুর রহমান, ট্রেজারার পদে মো. লুৎফর রহমান আজাদ, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মো. নিহার হোসেইন ফারুক, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মো. সাখাওয়াত উল্লাহ ভূঁইয়া ছোটন, গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে মো. জিয়াউল হক জিয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোরশেদা খাতুন শিল্পী, দফতর সম্পাদক পদে মো. জুলফিকার আলী হয়দার জীবন, খেলাধুলা সম্পাদক পদে মো. মনিরুল ইসলাম আকাশ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে মাহবুব হাসান রানা।

সদস্য পদে আজহার উদ্দিন রিপন, কাজী রাওশান দিল আফরোজ, এম আর রাসেল, মো. বাবুল আক্তার, মো. ইব্রাহিম খলিল, মো. ইকবাল মাহমুদ সরকার, মো. মেহেদী হাসান জুয়েল, মো. রাসেদুল ইসলাম রাসেল, মোহাম্মাদ ইব্রামি (স্বপন), মোহাম্মাদ মোস্তফা কামাল, মো. ইয়াছিন মিয়া, মোছা. ফারহানা আক্তার লুবনা, নজরুল হক সুভা, শাহীন সুলতানা খুকি ও সাদেকুল ইসলাম ভূঁইয়া জাদু।

এর আগে ২০১৮-১৯ কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী সমর্থিত আইনজীবীদের সাদা প্যানেলই জয়লাভ করেছিল। এতে ২৭টি পদের মধ্যে সাধারণ সম্পাদকসহ ১৪টি পদেই জয়ী হয়েছিলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা। অপরদিকে সভাপতি পদসহ ১৩ পদ পান বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত আইনজীবীরা।

২০১৭-২০১৮ কার্যবর্ষের নির্বাচনে ২৭টি পদের মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২১টি পদে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত নীল প্যানেল জয়লাভ করে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল ৬টি পদে জয়লাভ করে।

এ ছাড়া ২০১৬-১৭ মেয়াদের কার্যকরী কমিটি নির্বাচনে ২৭টি পদের মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২১টি পদেই জয়ী হন আওয়ামী সমর্থীত আইনজীবীরা। অপরদিকে বিএনপি সমর্থীত নীল প্যানেল পেয়েছিল ৬টি পদ।

ইঁদুর ধরতে পারে না, এমন বিড়ালের দরকার নেই : দুদককে হাইকোর্ট
                                  

সোনালী ব্যাংকের সাড়ে ১৮ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতি সংক্রান্ত ৩৩টি মামলার শুনানিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হাইকোর্ট। এ সময় আদালত বলেন, ইঁদুর ধরতে পারে না, বিড়াল থাকার দরকার নেই।

এরপর মামলার সকল নথিপত্র আদালতে জমা দেওয়ার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

দুদকের মামলায় নিরীহ জাহালমের কারাভোগসংক্রান্ত মামলার শুনানি নিয়ে বুধবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ১০ এপ্রিল পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেন আদালত।

সোনালী ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় জাহালমের বিনাদোষে তিন বছর কারাভোগের দায় দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নিতেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট।

আদালত বলেন, ‘দুদক যখন জানতে পারলো জাহালম নির্দোষ, তখন তার জামিন করানো উচিত ছিল। এর দায় দুদককে নিতেই হবে।’

একইসঙ্গে সোনালী ব্যাংকের সাড়ে ১৮ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় ৩৩টি মামলার সকল নথিপত্র আদালতে জমা দেয়ার জন্য দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে আদালত বলেন, ‘ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় কতজন ব্যাংক অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে- আমরা সব দেখবো।’

আদালতে এদিন দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। আর ভুক্তভোগী জাহালমের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী অমিত দাস গুপ্ত।

দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম সাংবাদিকদের জানান, টাঙ্গাইলের নাগরপুর ডুমুরিয়ার জাহালমকে দুদকের মামলায় ভুল আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিলের যাবতীয় নথিপত্র তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১০ এপ্রিল দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) এসব নথি দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এ মামলায় দুদকের পক্ষে হলফনামা জমা দেন আইনজীবী খুরশীদ আলম। শুনানিতে তিনি সোনালী ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির মামলায় জাহালমকে কীভাবে ২৬ মামলার আসামি করা হয়, আবার দুদকের অধিকতর তদন্তে জাহালম কীভাবে নির্দোষ প্রমাণিত হলেন- এসব ব্যাপারে হলফনামা থেকে আদালতকে পড়ে শোনান।

ভুল আসামি হয়ে ২৬ মামলায় প্রায় ৩ বছর কারাগারে থাকা পাটকল শ্রমিক নিরীহ জাহালমকে সব মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি মুক্তির নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। সোনালী ব্যাংকের অর্থ জালিয়াতির অভিযোগে দুদকের করা সব মামলা থেকে নিরীহ জাহালমকে অব্যাহতি দিয়ে মুক্তি দিতে এ নির্দেশ দেয়া হয়। ওইদিন আদালত বলেন, ‘এক নির্দোষ লোককে এক মিনিটও কারাগারে রাখার পক্ষে আমরা না।’

একইসঙ্গে আদালত এই ভুল তদন্তের সঙ্গে কারা জড়িত, তাদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। না হলে আদালত এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।

মুক্তির নির্দেশের পরপরই গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে মুক্তি পেয়ে নিজ গ্রামে ফেরেন জাহালম।

সোনালী ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি টাকা জালিয়াতির অভিযোগে আবু সালেকের বিরুদ্ধে ৩৩টি মামলা হয়। এর মধ্যে ২৬টিতে জাহালমকে আসামি আবু সালেক হিসিবে চিহ্নিত করে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয় দুদক। চিঠি পাওয়ার পর দুদক কার্যালয়ে হাজির হয়ে পাঁচ বছর আগে জাহালম বলেছিলেন, তিনি সালেক নন। কিন্তু নিরীহ পাটকল শ্রমিক জাহালমের কথা সেদিন দুদকের কেউ বিশ্বাস করেনি। ২০১৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি দুদকের এসব মামলায় জাহালম গ্রেফতার হন। তিনি জেল খাটছেন, আদালতে হাজিরা দিয়ে চলেছেন।

গত ৩০ জানুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিকে ‘স্যার, আমি জাহালম, সালেক না’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এ প্রতিবেদনটি ওইদিন এ হাইকোর্ট বেঞ্চের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অমিত দাশ গুপ্ত। শুনানি নিয়ে আদালত জাহালমের আটকাদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে স্বপ্রণোদিত রুল জারি করে। একইসঙ্গে, নিরীহ জাহালমের গ্রেফতারের ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে দুদক চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি, মামলার বাদী দুদক কর্মকর্তা, স্বরাষ্ট্র সচিবের প্রতিনিধি ও আইনসচিবের প্রতিনিধিকে ৩ ফেব্রুয়ারি স্বশরীরে আদালতে হাজির থাকার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ওইদিন সংশ্লিষ্টরা আদালতে হাজির হন।

অর্পিত দায়িত্ব পালন করছে না মানবাধিকার কমিশন: হাইকোর্ট
                                  

মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে হাইকোর্ট বলেছেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আইনে অর্পিত দায়িত্ব পালন করছে না রাষ্ট্রীয় এ সংস্থাটি। আমরা আরও মর্মাহত যে মানবাধিকার কমিশনের আদেশ একের পর এক উপেক্ষা করা হলেও তারা উচ্চ আদালতে প্রতিকারের জন্য আসেনি।


মিরপুরের গৃহকর্মী খাদিজাকে নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা একটি রিটের শুনানিতে আজ বুধবারবিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন। আদালত এ ঘটনায় কয়েকটি পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান। মানবাধিকার সংগঠন চিলড্রেন চ্যারিটি অব বাংলাদেশ হাইকোর্টে এ রিট করেন।


গত ১০ জানুয়ারি মানবাধিকার লংঘনের ঘটনায় যথাযথ প্রতিকার দিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ২০১৩ সালে রাজধানীর মিরপুরে গৃহকর্মী খাদিজাকে নির্যাতনের ঘটনায় কেন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি সে ব্যাপারে আগামী এক মাসের মধ্যে একটি প্রতিবেদন দাখিল করতে স্বরাষ্ট্র সচিবের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়েছে।


গতকাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে তারা খাদিজার ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা তদন্ত এবং এক উপ পরিদর্শক তথ্য গোপনের ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করেছে। এ কমিটিকে ১৮ মার্চ প্রতিবেদন দিতে বলেছেন আদালত।

কুমিল্লায় হত্যা মামলা: খালেদা জিয়ার ৬ মাসের জামিন
                                  

কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাসে পেট্রলবোমা হামলার ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বুধবার বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এসএম মজিবুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার এ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি শেষ হয়। আদালতে তার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এজে মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ও অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
এর আগে গত ৪ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার একটি আদালত এ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। পরে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তার পক্ষে জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।

বিমান ও বেবিচকের দুর্নীতি নিয়ে দুদকের প্রতিবেদন
                                  

 বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) দুর্নীতির ১৯টি উৎস চিহ্নিত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদক গঠিত প্রাতিষ্ঠানিক টিমের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে এসব দুর্নীতি বন্ধে আট দফা সুপারিশও করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বিমান ক্রয় ও লিজ নেওয়া, রক্ষণাবেক্ষণ, টিকিট বিক্রি, কার্গোতে আমদানি-রপ্তানি, ক্যাটারিং খাতসহ আটটি দুর্নীতির উৎস চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে বেবিচকের ক্রয় খাত, সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা, নির্মাণ ও উন্নয়নমূলক কাজ, কনসালট্যান্ট নিয়োগ, বিমানবন্দরের স্পেস/স্টল ও বিলবোর্ড ভাড়া, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজসহ ১১টি খাতে দুর্নীতির উৎস চিহ্নিত করে ১১টি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করা হয়েছে।


দুদকের কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান গতকাল রবিবার সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীর কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী দুদকের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘শুধু দুর্নীতি নয়, যারা কাজে অবহেলা করবে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতিবাজের স্থান নেই।’
ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, বেবিচকে দুর্নীতির ১১টি উৎস চিহ্নিত করার পাশাপাশি এসব প্রতিরোধে ১১টি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রণয়ন করা হয়েছে।


দুদকের প্রাতিষ্ঠানিক টিমের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসে দুর্নীতির আটটি উৎস উল্লেখ করে কোন খাতে কিভাবে দুর্নীতি হয় সে সম্পর্কেও বলা হয়েছে।
ক্রয় ও লিজ : বিমান, বিমানের স্পেয়ার্স, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্টস ক্রয় ও লিজ নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি হয়ে থাকে। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও বিমানের সঙ্গে লিয়াজোঁ করার নামে মধ্যস্বত্বভোগী ফার্ম ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কতিপয় বোর্ড ডিরেক্টরকে অনৈতিকভাবে কনভিন্স করে পরস্পর যোগসাজশে মিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নেয়।
রক্ষণাবেক্ষণ ও ওভারহলিং : বিমান এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্ট রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনাকাটায় শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি হয়। নিম্নমানের যন্ত্রাংশ অতি উচ্চমূল্যে ক্রয় দেখিয়ে ঠিকাদার ও ম্যানুফ্যাকচারার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগসাজশে এই অপকর্ম চলে।

গ্রাউন্ড সার্ভিস : দুর্নীতির অন্যতম খাত হলো গ্রাউন্ড সার্ভিস ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে অধিক মূল্যে নিম্নমানের ইকুইপমেন্ট কেনা। এমনকি রক্ষণাবেক্ষণের মূল্যবান উপকরণাদি বিক্রি করে হাতিয়ে নেওয়া হয় কোটি কোটি টাকা।
কার্গো এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট : কার্গোসেবায় সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে কোটি কোটি টাকা এয়ারওয়ে বিল কম পাচ্ছে বিমান। আমদানি ও রপ্তানি পণ্যের ওজন ও ভলিয়ম রেকর্ডভিত্তিক কম দেখিয়েও বেশি পরিমাণ মালামাল বিমানে ওঠানো হয়। এই অতিরিক্ত টাকা আমদানি-রপ্তানিকারকের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেয় সিন্ডিকেট।
যাত্রী : ট্রানজিট প্যাসেঞ্জার ও লে-ওভার প্যাসেঞ্জারের হিসাব এদিক-সেদিক করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করছে সিন্ডিকেট। ট্রানজিট প্যাসেঞ্জারের সংখ্যা কয়েক গুণ বেশি দেখিয়ে খাবারের বিল করে অতিরিক্ত টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি হয়। লে-ওভার প্যাসেঞ্জারদের জন্য নিয়ম অনুযায়ী হোটেলের প্রতি রুমে একজন রাখার কথা। কিন্তু বাস্তবে প্রতি রুমে চার-পাঁচজন রাখা হয়। আর বিল তৈরি করা হয় জনপ্রতি।

অতিরিক্ত ব্যাগেজ চার্জ : অতিরিক্ত ওজনের ব্যাগেজের জন্য যাত্রীর কাছ থেকে বাড়তি চার্জ নিলেও তা মূল্য হিসাবে না দেখিয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। অন্যদিকে যাত্রীদের বুকিং ট্যাগ ও ফ্লাইট ডিটেইলে অতিরিক্ত ওজন দেখানো হয় না।
টিকিট বিক্রি : প্রায়ই বাংলাদেশ বিমানের টিকিট পাওয়া যায় না। অথচ বাস্তবে বিমানের আসন খালি যায়। এ ক্ষেত্রে যোগসাজশ করে বেসরকারি এয়ারলাইনসকে বেশি টিকিট বিক্রির সুবিধা করে দেওয়া হয়। বিনিময়ে বিমানের কর্মকর্তারা পান মোটা অঙ্কের কমিশন।
ক্যাটারিং : নিম্নমানের খাবারের কারণে দেশি-বিদেশি অনেক এয়ারলাইনস বিএফসিসি থেকে খাবার নেয় না। এর ফলে শুধু বিএফসিসি খাতেই বিমান কোটি কোটি টাকা লোকসান দিচ্ছে।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বেবিচকে দুর্নীতির উৎস হিসেবে ১১টি খাত উল্লেখ করা হয়েছে।
ক্রয় : সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে বিভিন্ন ক্রয়ে টেন্ডারের স্পেসিফিকেশন ও প্রাক্কলন প্রি-ডিফাইন করিয়ে নেয় ঠিকাদাররা। এভাবে তারা কাজ পেয়ে নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়।
নির্মাণ ও উন্নয়ন কাজ : বেবিচকের বেশির ভাগ প্রকৌশলীর বিদেশে একাধিক বাড়ি-গাড়ি রয়েছে। কাগজপত্র ঠিক রেখে যেনতেনভাবে নিম্নমানের কাজ করে ঠিকাদার ও প্রকৌশলীরা অর্থ ভাগ-বাটোয়ারা করে নেন।


সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা : প্রচুর সম্পত্তি অবৈধ দখলে থাকলেও দখলদারদের সঙ্গে অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশের কারণে নিয়মতান্ত্রিক উচ্ছেদসহ যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। আর গোপনে অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে মাসোয়ারা আদায় করেন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা।
বিমানবন্দরের স্পেস/স্টল ও বিলবোর্ড ভাড়া : সম্পত্তি শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মালিকানায় বিমানবন্দরের ভেতরে ও বাইরে ব্যাঙের ছাতার মতো টং দোকান গড়ে উঠেছে, যেগুলো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সঙ্গে মানানসই নয়।
কনসালট্যান্ট নিয়োগ : উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকৃত অভিজ্ঞ কনসালট্যান্ট নিয়োগ দেওয়া হয় না। এতে কনসালট্যান্টদের বেতন-ভাতাদিতে বেবিচকের আর্থিক ব্যয় হলেও কাজের কাজ কিছুই হয় না।


বিদেশে প্রশিক্ষণ : প্রায় প্রতি মাসেই বিদেশে একাধিক প্রশিক্ষণে ব্যস্ত থাকেন কর্মকর্তারা এবং এসব ব্যয়বহুল প্রশিক্ষণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের কাজে আসে না।
মন্ট্রিল কনভেনশন বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা : মন্ট্রিল কনভেনশন বাস্তবায়ন না করায় একদিকে যাত্রীরা অধিকারবঞ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েই চলেছে। 
মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ : প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের নামে প্রচুর অর্থ ব্যয় করা হয়। আর এভাবে মেইনটেন্যান্স কাজে বড় ধরনের দুর্নীতি হয়।
এয়ারক্রাফটের লাইসেন্স প্রদান : লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে অসাধু কর্মকর্তারা মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সংস্থার শর্তাদি পরিপালন না করে প্রাইভেট এয়ারক্রাফটের লাইসেন্স প্রদান করেন, যা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।


ফ্লাইট ফ্রিকোয়েন্সি ও শিডিউল অনুমোদন : টাকার বিনিময়ে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলারের অনাপত্তি না নিয়েই এয়ারলাইনসগুলোকে নতুন ফ্রিকোয়েন্সি/শিডিউল অনুমোদন দেওয়া হয়ে থাকে। আর এতে এয়ারলাইনাররা তাদের পছন্দমতো সময়ে শিডিউল পেয়ে থাকে।
অপারেশনাল কার্যক্রম : প্রশাসনিক কাজে মারাত্মক সমন্বয়হীনতা যাত্রী দুর্ভোগকে অসহনীয় পর্যায়ে নিয়ে গেছে। বর্তমানে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ক্যাটাগরি-২-এ অবস্থান করছে। ফলে সরাসরি দেশের বিমান যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারছে না।

কাগজপত্র না পাওয়ায় অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল
                                  

গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না পাওয়ায় অভিযোগ গঠন (চার্জ) বিষয়ে শুনানির সময় পেলেন। গতকাল বুধবার খালেদা জিয়াসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় খালেদার পক্ষে শুনানির জন্য সময়ের আবেদন করলে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু সৈয়দ মো. দিলজার হোসেন শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ১৮ মার্চ ধার্য করেন।

ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত আদালতে দুপুরের দিকে খালেদা জিয়াকে হুইলচেয়ারে করে কারাগার থেকে আনা হয়। পরে খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবীরা শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেন। 

অ্যাডভোকেট মাসুদ আজমেদ তালুকদার, জিয়া উদ্দিন জিয়া ও জয়নাল আবেদীন মেজবা আদালতকে বলেন, আগের ধার্য তারিখে মামলার আলামতসংক্রান্ত জব্দ তালিকা ও অন্য কাগজপত্র সরবরাহের জন্য আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। কিন্তু সেগুলো এখনো পাওয়া যায়নি। অথচ অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য ওই সব কাগজপত্র প্রয়োজন। তাই সময় চাওয়া হচ্ছে। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল খালেদা জিয়াসহ সব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আরজি জানিয়ে শুনানি শেষ করেন। 

২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুদকের উপপরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী সাবেক চারদলীয় জোট সরকারের তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তাঁর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের নামে তেজগাঁও থানায় গ্যাটকো কেলেঙ্কারির এ মামলা করেন। মামলার পরদিন খালেদা জিয়া ও কোকোকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরের বছর ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের নামে এই মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতি করেন।

 
 
চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডকে দুর্ঘটনা বলা যাবে না, এটা অবহেলা: হাইকোর্ট
                                  

রাজধানীর চকবাজারের চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কাউকে না কাউকে দায় নিতে হবে মন্তব্য করে হাইকোর্ট বলেছেন, আগুনে মানুষ পুড়ে মরে, সিটি কর্পোরেশন শুধু আন্তরিক হলে হবে না, কাজও করতে হবে।

চুড়িহাট্টায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ, কেমিক্যাল অপসারণসহ কয়েক দফা নির্দেশনা চেয়ে করা পৃথক পৃথক তিনটি রিটের শুনানিতে সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এসব কথা বলেন।

শুনানির শুরুতেই রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার সময় আবেদন করেন। পরে রিটের শুনানি মুলতবি করেন আদালত। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সরকার খুব আন্তরিক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় আদালত বলেন, নিমতলীর ঘটনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের কমিটির যে সুপারিশ ছিল, সেগুলোর বাস্তবায়ন হলে চকবাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটতো না। নিমতলীর আগুনরে ঘটনার পরে প্রধানমন্ত্রী দুই বোনকে দত্তক নিয়েছিলেন।

তখন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সরকার এই ঘটনার বিষয়ে খুবই আন্তরিক। এ সময় আদালত বলেন, আন্তরিক হলে লাভ নেই। মানুষতো চলে গেছে। কাজ তো করতে হবে।

আদালত আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেই চকবাজারের ঘটনা তদরকি করেছেন। এ সময় বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি বলেন, ওনি তো একা দেশ চালাতে পারবেন না। সুপারিশ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনেরও দায়িত্ব রয়েছে।

আদালত বলেন, ওই সব এলাকার বাড়ির মালিকরা তিনগুণ বেশিতে গোডাউন ভাড়া দেন। আর নিজেরা থাকেন গুলশানে। মারা যায় গরিব মানুষ। সিটি কর্পোরেশন দেখেও না দেখার ভান করে। যারা রাস্তায় মারা গেল তাদের কী দোষ?

আদালত বলেন, পত্রিকায় দেখেছি, সুপারিশ বাস্তবায়নের কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এটা বাস্তবায়ন করা তাদের দায়িত্ব ছিল। আমরা জানি না তারা কোনো পদক্ষেপ নিয়েছেন কিনা। পদক্ষেপ না নিলে ধরে নিতে হবে তাদের অবহেলা ছিল।

আদালত আরও বলেন, পুরান ঢাকার রাস্তা দিয়ে ফায়ার সার্ভিসের গাড়িও যেতে পারে না। ৫ থেকে ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে না হয় কিছু হবে না। কিন্তু ৭ থেকে ৮ মাত্রায় ভূমিকম্প হলে কোনো বিল্ডিং থাকবে না। এ ধরনের ভূমিকম্প হলে কাউকে উদ্ধার করারও কেউ থাকবে না।

চকবাজারের আগুনের ঘটনাটি অনাকাঙ্খিত উল্লেখ করে আদালত বলেন, এটাকে দুর্ঘটনা বলা যাবে না, এটা অবহেলা। এর দায় কাউকে না কাউকে নিতেই হবে। একজন দায়িত্বশীল আরেকজনের উপর দোষ চাপিয়ে দিচ্ছেন, এটা ঠিক না। আমাদের অর্থনীতি অনেক উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু এ ধরনের ঘটনা দেশের ভাব মর্যদা নষ্ট করে দিচ্ছে।

এ সময় অপর একটি রিটের শুনানির জন্য উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। আদালতকে তিনি বলেন, নিমতলীর ঘটনায় কমিটি যে সুপারিশ করেছিল তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় চকবাজারের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তিনি কোর্টকে এ বিষয়ে শুনানির গ্রহণের আবেদন জানান। আইনজীবী বলেন, এ কাজে সরকারকে সম্পৃক্ত না করলে সুপারিশ বাস্তবায়ন হবে না।

আদালত বলেন, আমরা তো সরকারের বক্তব্য শুনতে চাই। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সময় নিয়েছেন।

নিমতলীর ঘটনার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির সুপারিশ সমূহের উল্লেখ করে আদালত বলেন, সরকারকেই বাস্তবায়ন করতে হবে। নিমতলীর ঘটনার পর কিছুটা বাস্তবায়ন হলে এ ঘটনা ঘটতো না। এ সময় আদালত বলেন, আপনার সবগুলো রিট এক সঙ্গে করে নিয়ে আসেন, আগামীকাল (মঙ্গলবার) দুপুর ২টায় আমরা শুনবো। 


   Page 1 of 62
     আইন-আদালত
জাহালমকে নিয়ে চলচ্চিত্র-নাটক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে নয়াপল্টনে বিএনপির অনশন
.............................................................................................
আবরার নিহতের ঘটনায় গুলশান থানায় মামলা
.............................................................................................
৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের রায় হলো ৮ বছর পর
.............................................................................................
জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে বাফুফের কিরণ
.............................................................................................
সুপ্রিম কোর্ট বারের নতুন সভাপতি আমিন, সম্পাদক খোকন
.............................................................................................
জিয়া অরফানেজ মামলা: সাজা স্থগিত ও জামিন চেয়ে খালেদা জিয়ার আপিল
.............................................................................................
সুপ্রিম কোর্ট বারে ভোট শুরু
.............................................................................................
দুর্নীতি মামলায় পুলিশ সার্জেন্টের সাত বছরের কারাদণ্ড
.............................................................................................
ঢাকা বার নির্বাচনে আওয়ামীপন্থীদের নিরঙ্কুশ জয়
.............................................................................................
ইঁদুর ধরতে পারে না, এমন বিড়ালের দরকার নেই : দুদককে হাইকোর্ট
.............................................................................................
অর্পিত দায়িত্ব পালন করছে না মানবাধিকার কমিশন: হাইকোর্ট
.............................................................................................
কুমিল্লায় হত্যা মামলা: খালেদা জিয়ার ৬ মাসের জামিন
.............................................................................................
বিমান ও বেবিচকের দুর্নীতি নিয়ে দুদকের প্রতিবেদন
.............................................................................................
কাগজপত্র না পাওয়ায় অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল
.............................................................................................
চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডকে দুর্ঘটনা বলা যাবে না, এটা অবহেলা: হাইকোর্ট
.............................................................................................
সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পাথর উত্তোলন বন্ধের নির্দেশ
.............................................................................................
ডাকসু নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
.............................................................................................
ডাকসু নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
.............................................................................................
চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুই মামলা
.............................................................................................
চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মামলা
.............................................................................................
সালমান-সানাইয়ের পর তালিকায় রেশমী, ভাদাইমারা
.............................................................................................
খালেদা ‘ঘুম থেকে না ওঠায়’ পেছাল শুনানি
.............................................................................................
অসুস্থতার জন্য খালেদা জিয়াকে আদালতে আনা হয়নি
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর ছবি না থাকায় ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাস’ বই বাজার থেকে সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ
.............................................................................................
অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ড: ৬ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট
.............................................................................................
একাদশ সংসদের এমপিদের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ
.............................................................................................
অর্থ আত্মসাত: বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তার ১০ বছর কারাদণ্ড
.............................................................................................
পুনরায় ভোট চেয়ে ঐক্যফ্রন্টের ৩২ প্রার্থীর মামলা
.............................................................................................
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ১৩-১৪ মার্চ
.............................................................................................
মানুষের জীবন নিয়ে বাণিজ্য করে যাচ্ছে চিকিৎসকরা: হাইকোর্ট
.............................................................................................
মানুষের জীবন নিয়ে বাণিজ্য করে যাচ্ছে চিকিৎসকরা: হাইকোর্ট
.............................................................................................
চিকিৎসকদের প্র্যাকটিস নীতিমালা তৈরি করতে কমিশন গঠনের নির্দেশ
.............................................................................................
নাইকো মামলায় আসামিদের চার্জ গঠনের পরবর্তী শুনানি ২০ ফেব্রুয়ারি
.............................................................................................
খাদ্যে ভেজাল মেশানো বড় দুর্নীতি: হাইকোর্ট
.............................................................................................
দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের জরিপ প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিলের নির্দেশ
.............................................................................................
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ফাইজার পরিবারকে ১লাখ টাকা দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ
.............................................................................................
আদালতই খালেদার ভবিষ্যৎ নির্ধারক: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
সব ধরনের কোচিং বাণিজ্য নিষিদ্ধ
.............................................................................................
ঝুলে আছে মাদকের দেড় লাখ মামলা
.............................................................................................
দুই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বাড়ল এক বছর
.............................................................................................
নদী দখলকারী নির্বাচন করা ও ঋণ গ্রহণের অযোগ্য: হাইকোর্ট
.............................................................................................
জাহালমকে রোববারই মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ
.............................................................................................
নদী দখলকারী নির্বাচন করা ও ঋণ গ্রহণের অযোগ্য: হাইকোর্ট
.............................................................................................
বড়পুকুরিয়া মামলা: আইনজীবীর মাধ্যমে খালেদা জিয়ার হাজিরা
.............................................................................................
সাংবাদিক গৌতম দাস হত্যায় পাঁচজনের সাজা বহাল
.............................................................................................
জোড়া খুনের দায়ে এমপিপুত্র রনির যাবজ্জীবন
.............................................................................................
চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধে সরকারকে নোটিশ
.............................................................................................
১২ ফেব্রুয়ারি আদালতে না আসলে যমুনা ব্যাংকের এমডিকে ধরে আনার নির্দেশ হাইকোর্ট’র
.............................................................................................
পূর্বধলার পাঁচজনের বিষয়ে যেকোনো দিন রায়
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]