ঢাকা, মঙ্গলবার , ৭ আশ্বিন ১৪২৭ , ২২ সেপ্টেম্বর , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   আইন-আদালত -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
প্রতারক সাহেদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দাবি রাষ্ট্রপক্ষের

অস্ত্র মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে যুক্তি উপস্থাপনকালে আদালতের কাছে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রত্যাশা করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু অস্ত্র মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে যুক্তি উপস্থাপনকালে আদালতের কাছে তার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রত্যাশা করছেন।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন রাষ্ট্রপক্ষ। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে সাহেদের আইনজীবী যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন। এদিন সাহেদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় রোববার পরবর্তী দিন ধার্য করেন আদালত।

এর আগে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন সাহেদ। এসময় আদালত তাকে সাফাই সাক্ষী দিবেন কি-না প্রশ্ন করলে সাহেদ সাফাই সাক্ষী দিবেন না বলে জানান। এর পর আদালত রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিউপস্থাপনের জন্য এদিন ধার্য করেন।

আত্মপক্ষ সমর্থনে সাহেদ বলেন, আমার কাছে থেকে কোনো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়নি। আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। আমি আদালতের কাছে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করছি। মামলায় ১৪ জনের মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

করোনায় নানা প্রতারণার অভিযোগে গত ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকায় আনা হয়। করোনা পরীক্ষার নামে ভুয়া রিপোর্টসহ বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় পরদিন সাহেদের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর পর তাকে নিয়ে উত্তরায় অভিযানে গিয়ে অস্ত্র উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ডিবি পুলিশের পরিদর্শক এস এম গাফফারুল আলম তার বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় এ মামলা করে।

৩০ জুলাই ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়ার আদালতে সাহেদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. শায়রুল।

২৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

-বাসস

প্রতারক সাহেদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দাবি রাষ্ট্রপক্ষের
                                  

অস্ত্র মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে যুক্তি উপস্থাপনকালে আদালতের কাছে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রত্যাশা করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু অস্ত্র মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে যুক্তি উপস্থাপনকালে আদালতের কাছে তার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রত্যাশা করছেন।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন রাষ্ট্রপক্ষ। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে সাহেদের আইনজীবী যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন। এদিন সাহেদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় রোববার পরবর্তী দিন ধার্য করেন আদালত।

এর আগে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন সাহেদ। এসময় আদালত তাকে সাফাই সাক্ষী দিবেন কি-না প্রশ্ন করলে সাহেদ সাফাই সাক্ষী দিবেন না বলে জানান। এর পর আদালত রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিউপস্থাপনের জন্য এদিন ধার্য করেন।

আত্মপক্ষ সমর্থনে সাহেদ বলেন, আমার কাছে থেকে কোনো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়নি। আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। আমি আদালতের কাছে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করছি। মামলায় ১৪ জনের মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

করোনায় নানা প্রতারণার অভিযোগে গত ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকায় আনা হয়। করোনা পরীক্ষার নামে ভুয়া রিপোর্টসহ বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় পরদিন সাহেদের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর পর তাকে নিয়ে উত্তরায় অভিযানে গিয়ে অস্ত্র উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ডিবি পুলিশের পরিদর্শক এস এম গাফফারুল আলম তার বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় এ মামলা করে।

৩০ জুলাই ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়ার আদালতে সাহেদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. শায়রুল।

২৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

-বাসস

বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু
                                  

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় ২৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু হলো। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ১-এর বিচারক আবু জাফর মোঃ কামরুজ্জামানের আদালতে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় এ মামলায় ২৫ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। এর আগে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়।


আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পাবলিক প্রসিকিউটর বলেন, গত ৯ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠন বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও গ্রেফতার ২২ আসামির শুনানি শেষ হয়েছে। ওই দিন শুনানি শেষে আদালত অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য আজ দিন ধার্য করেন। আজ আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।



এর আগে ১৩ জানুয়ারি মামলাটি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন। এর পর মহানগর দায়রা জজ আদালত দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ পাঠানোর আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের ছাত্র আবরারকে তার কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। তারা ২০১১ নম্বর কক্ষে নিয়ে গিয়ে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের সিঁড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় গত ৭ অক্টোবর রাজধানীর চকবাজার থানায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ ১৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ পরে ২২ জনকে গ্রেফতার করে। এর মধ্যে আটজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তারা সবাই বুয়েট ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।

গত বছরের ১৩ নভেম্বর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৭ জন এবং এজাহারের বাইরে থাকা ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনসহ মোট ২২ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক রয়েছে তিনজন।

এজাহারভুক্ত আসামিরা হলো মেহেদী হাসান রাসেল, অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মেহেদী হাসান রবিন, মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুল ইসলাম, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এএসএম নাজমুস সাদাত, মোর্শেদুজ্জামান জিসান ও এহতেশামুল রাব্বি তানিম।

এজাহারবহির্ভূত ছয়জন হলো ইশতিয়াক আহমেদ মুন্না, অমিত সাহা, মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, এসএম মাহমুদ সেতু ও মোস্তবা রাফিদ।

পলাতক তিন আসামি হলো মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। তাদের মধ্যে প্রথম দু’জন এজাহারভুক্ত।

অ্যাটর্নি জেনারেল করোনা পজিটিভ, সিএমএইচএ ভর্তি
                                  

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল শুক্রবার সকালে মাহবুবে আলমের শরীরে জ্বর দেখা দেয়। পরে চিকিৎসক তাকে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন।

সুপ্রিম কোর্টের একাধিক আইনজীবী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা শুনেছি ওনার করোনা পজিটিভ।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, করোনা আক্রান্ত হয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল সিএমএইচ-এ চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে। সেখানকার কর্মরত ডাক্তাররা সার্বক্ষণিক তার চিকিৎসায় নিয়োজিত আছেন।

 

স্বামীর সকল সম্পত্তিতে ভাগ পাবেন দেশের হিন্দু বিধবা নারীরা: হাইকোর্ট
                                  

এখন থেকে কৃষি জমিসহ স্বামীর সকল সম্পত্তিতে ভাগ পাবেন দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিধবা নারীরা। বুধবার ঐতিহাসিক এই রায় ঘোষণা করেছেন বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরীর একক হাইকোর্ট বেঞ্চ।

এ বিষয়ে আদালতে এমিকাস কিউরি (আদালতের বন্ধু) হিসেবে মামলা পরিচালনায় সহায়তা করা আইনজীবী ব্যারিস্টার উজ্জল ভৌমিক বলেন, ১৯৪৭ সালে ইন্ডিয়ান ফেডারেল কোর্টের এ সংক্রান্ত এক মামলার রায়ে কৃষি জমিতে অংশীদারিত্ব হারান হিন্দু বিধবা নারীরা।

যা পরবর্তীতে ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশের আইনে সংযুক্ত করা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, তবে আজকের ঐতিহাসিক এ রায়ের ফলে ৮৩ বছর পর স্বামীর সম্পত্তিতে অধিকার ফিরে পেলেন হিন্দু বিধবা নারীরা। এর মধ্যে এখন থেকে কৃষি জমিসহ স্বামীর সকল সম্পত্তিতে ভাগ পাবেন তারা।

দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, হিন্দু বিধবা নারীরা স্বামীর কৃষি জমিতে ভাগ পেতেন না। কিন্তু ১৯৯৬ সালে খুলনায় গৌরীদাসী নামে এক বিধবা নারী তার স্বামীর জমিতে ভাগ পান। যা নিয়ে ওই সময়ে খুলনার বিচারিক আদালতে (বটিয়াঘাটা) মামলা দায়ের করেন এই নারীর দেবর জ্যোতিন্দ্রনাথ মণ্ডল।

একই বছর শুনানি শেষে বিচারিক আদালত এই মামলার রায়ে বলেন, হিন্দু বিধবারা স্বামীর অন্য জমিতে অধিকার রাখতে পারবেন। কিন্তু কৃষি জমির অধিকার রাখেন না। সেই রায়ের বিরুদ্ধে তখন খুলনার জজ আদালতে আপিল করেন গৌরীদাসী। তার আবেদনের ভিত্তিতে হিন্দু বিধবা নারী স্বামীর কৃষি জমির ভাগ পাবেন বলে রায় দিয়েছিলেন জজ আদালত।

এরপর সেই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু হয়। উভয় পক্ষের দীর্ঘ শুনানি এবং এমিকাস কিউরিদের মতামত নিয়ে হাইকোর্ট তার রায়ে হিন্দু বিধবা নারীর পক্ষে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলায় আরও তিন জনের সাক্ষ্যগ্রহণ
                                  

ফারমার্স ব্যাংকের ৪ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আরও তিন জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত। সাক্ষীরা হলেন- সোনালী ব্যাংক সুপ্রিম কোর্ট শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার আতিকুল ইসলাম ও শাখাওয়াত হোসেন নিশন এবং একই শাখার সিনিয়র অফিসার মো. আওলাদ হোসেন।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের পর ৪ সেপ্টেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ঠিক করেন। এ নিয়ে মামলাটিতে চার্জমিটভূক্ত ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে সাত জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো।

মঙ্গলবার সাক্ষ্যগ্রহণকালে মামলাটিতে জামিনে থাকা আসামি ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম শামীম ও সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক ক্রেডিট প্রধান গাজী সালাহউদ্দিন এবং ব্যাংকটির ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান, নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা হাজির হন। আর ফারমার্স ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক ও অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতী (বাবুল চিশতী) কারাগারে থেকে আদালতে আনা হয়। 

মামলাটিতে এসকে সিনহাসহ চারজন পলাতক রয়েছেন। অপর তিনজন হলেন, ফারমার্স ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট শাফিউদ্দিন আসকারী, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা সান্ত্রী রায় ওরফে সিমি ও তার স্বামী রণজিৎ চন্দ্র সাহা।

এর আগে গত ১৩ আগস্ট একই আদালত এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে ১৮ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ঠিক করেন।

গত বছর ১০ ডিসেম্বর মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক বেনজীর আহমেদ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এর আগে একই বছর ১০ জুলাই দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ফারমার্স ব্যাংকে শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহার নামে মঞ্জুরকৃত ঋণের ৪ কোটি টাকা সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সুপ্রিম কোর্ট সোনালী ব্যাংক শাখার হিসাবে জমা হয়। সঞ্চয়ী হিসাব নং : ৪৪৩৫৪৩৪০০৪৪৭৫-এ জমা হওয়ার পর ওই টাকা বিভিন্নভাবে স্থানান্তর করে উত্তোলন করা হয়।

আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে নিজেরা লাভবান হয়ে এবং অন্যদের লাভবান করতে এ ধরনের অপরাধ করেন। তারা অবৈধভাবে ভুয়া ঋণ সৃষ্টির মাধ্যমে ৪ কোটি টাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে নগদে উত্তোলন ও বিভিন্ন পে-অর্ডারের মাধ্যমে নিজ আত্মীয়র নামীয় হিসাবে হস্তান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন।

পরে সেই অর্থ নিজেদের ভোগদখলে রেখে তার অবৈধ প্রকৃতি, উৎস অবস্থান গোপন বা এর ছদ্মাবরণে পাঁচার করেছেন মর্মে তদন্তে প্রমাণিত হয়। যা দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২)(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

প্রসঙ্গত, ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় এবং কিছু পর্যবেক্ষণের কারণে ক্ষমতাসীনদের তোপের মুখে ২০১৭ সালের অক্টোবরের শুরুতে ছুটিতে যান তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র সিনহা। পরে বিদেশ থেকেই তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন।

ফাজিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডিতে সভাপতি হতে ফাজিল বা ডিগ্রি পাস করা লাগবে
                                  

দেশের ফাজিল (স্নাতক) ও কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদ্রাসার গভর্নিং বডিতে সভাপতি পদের যোগ্যতার বিষয় নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গ্র্যাজুয়েট (ডিগ্রি পাস) ছাড়া কোনো ব্যক্তি সভাপতি হতে পারবে না।

এ সংক্রান্ত মামলার রিটকারী আইনজীবী মো. হুমায়ন কবির আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম গত ১৯ আগস্ট স্বাক্ষরের পর ১৫ পৃষ্ঠার এ রায়ের অনুলিপি প্রকাশ হয়।

রায়ে বলা হয়, কোনো ফাজিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি হতে হলে সেই ব্যক্তিকে ফাজিল বা ডিগ্রি পাস হতে হবে। আর কোনো কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি হতে গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কামিল বা মাস্টার্স পাস হতে হবে।কালিশ পুনাইল হামিদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি হাইকোর্টের বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই রায় ঘোষণা করেন।

ওই রায়ে আরো বলা হয়, কোনো মাদ্রাসার প্রধান প্রথমে স্নাতক ডিগ্রিধারী তিন জন ব্যক্তির নাম ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির কাছে পাঠাবেন। ভিসি এই তিন জনের মধ্য থেকে একজনকে সভাপতি পদে মনোনীত করবেন। তবে রায়ে উল্লেখ করা হয়, ডিও লেটারে কেউ সভাপতি হলে সেটা বাতিল হবে।

এ ছাড়া রায়ে হাইকোর্ট বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলার কালিশ পুনাইল হামিদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সভাপতি পদে এমপির ডিও লেটারধারী মো. বেলাল হোসাইন বাবলুকে মনোয়ন দেওয়ায় তার সভাপতি পদ বাতিল ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৮ মার্চ মাদ্রাসাটির সভাপতি পদে এমপির ডিও লেটারধারী মো. বেলাল হোসাইন বাবলুকে মনোনয়ন দেয় ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠান প্রধান ভিসির কাছে একমাত্র তার নামই সুপারিশ করে পাঠান। পরে ওই মাদ্রাসার অভিভাবক সদস্য আরিফুল ইসলাম বেলাল হোসাইন বাবুলকে সভাপতি পদে মনোয়ন দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার মামলা
                                  

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ বুধবার চট্টগ্রামের একটি আদালতে মামলাটি করেন বিপ্লব পার্থ নামের স্থানীয় এক সাংবাদিক। বিকেলে এ বিষয়ে আদেশ দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, বিচারক আবু সালেম মোহাম্মদ নোমানের আদালতে (সিএমএম আদালত-২) এদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মামলাটি দায়ের করা হয়। বাদী বিপ্লব পার্থ পরে নিজেই গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, সম্প্রতি এক সমাবেশে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী সনাতন ধর্ম, ধর্মগ্রন্থ ও হিন্দু ধর্মের প্রবর্তক রামকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন। রামায়ণ ও মহাভারত নিয়েও কটূক্তি করেন তিনি। যা দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মনে আঘাত দিয়েছে।গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র

আদালত আজ বিকেলে এ বিষয়ে আদেশ দেবেন বলেও জানান বাদী।

উল্লেখ্য, ভাসানী অনুসারী পরিষদ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গত ৯ আগস্ট এক সমাবেশের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

এ সময় তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি ঈদুল আজহা গেল। কিন্তু আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশের ২৫ কোটি মানুষ তাদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা পালন করতে পারেনি। নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা গরুর মাংস খেতে পারল না। অথচ হিন্দুরা এমনকি নরেন্দ্র মোদির (ভারতের প্রধানমন্ত্রী) পূর্বপুরুষরা চিরকাল গরুর মাংস খেত। ২৫ কোটি মুসলমানকে তাদের ধর্ম পালন করতে দিচ্ছে না চোখ অন্ধ ভারত।

ডা. জাফরুল্লাহ আরো বলেন, ভারত রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছে একটা কাল্পনিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে। প্ররোচনা ও মিথ্যাচারের গল্পকাহিনী রয়েছে মহাভারত ও রামায়ণ দুটোর মধ্যেই। আর সেই গল্পকাহিনীর ওপর ভিত্তি করেই ভারত ৫০০ বছরের পুরোনা বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলেছে এবং সেখানে আজগুবি রাম মন্দির নির্মাণ করেছে। ভারতীয়দের জন্য এটা একটা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। এমনকি এর বিরুদ্ধে একটা কথাও বলিনি আমরা যারা বাংলাদেশের মানুষ।

ওসি প্রদীপ-লিয়াকত ও এসআই নন্দ দুলাল রিমান্ডে
                                  

রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও থানার এসআই নন্দদুলাল রক্ষিতকে।

আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে তাদের জেলা কারাগার থেকে নিয়ে গেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেল সুপার মোকাম্মেল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সোমবার আদালতের নির্দেশের ১২ দিন পর ওসি প্রদীপ, পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত ও এসআই নন্দদুলালকে রিমান্ডে নেয়ার ঘোষণা দেন র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক আশিক বিল্লাহ। আজ মঙ্গলবার তিনি আমাদের সময়কে বলেন, ‘সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত অনেক দূর এগিয়েছে। আজ সকাল ১০টার দিকে কারাগারে থাকা রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামি ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও নন্দ দুলাল রক্ষিতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।’

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রাম বিভাগীয় অতিরিক্ত কমিশনার মিজানুর রহমান বলেছেন, ‘আজ মঙ্গলবার ওসি প্রদীপকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা ছিল। কিন্তু র‌্যাবের একটি দল ওসি প্রদীপসহ তিনজনকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে। একইভাবে ওসি প্রদীপকে আমরাও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কারাগারে পৌঁছেছি। যেহেতু তাকে আমাদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন ছিল, সেহেতু পুরো বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি অবহিত করেছি। তাদের নির্দেশে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো: রাশেদ। এ নিয়ে সিনহা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। আগের গ্রেপ্তার সাতজন হলেন- উপপরিদর্শক (এসআই) লিটন, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুন এবং সিনহা হত্যা মামলায় পুলিশের করা মামলার তিন সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়ার মারিশবুনিয়ার নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দীন ও মোহাম্মদ আইয়াস।

গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিষবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি মামলা হয়। একটি মামলায় হয় টেকনাফ থানায়। মামলা দুটির আসামি ছিলেন- সিনহার সহকর্মী সিফাত ও শিপ্রা। বর্তমানে তারা জামিনে মুক্ত আছেন।

গত ৫ আগস্ট বাদী হয়ে টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলী, থানার এসআই নন্দলাল রক্ষিতসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন সিনহার বড় বোন।

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলার গণশুনানীতে ৯ জন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষ্য
                                  

কক্সবাজারের টেকনাফে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আয়োজিত গণশুনানীতে ৯ জন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষ্য দিয়েছেন।

রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ কার্যালয়ে এই গণশুনানী শুরু হয়। এরআগেই সাক্ষ্য দিতে আগ্রহী ১১ জন প্রত্যক্ষদর্শীকে নিবন্ধন করে গণশুনানীর নির্দিষ্ট কক্ষে নিয়ে যায় তদন্ত দল। দুপুর ২টা পর্যন্ত তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ চলে। তদন্তকারী দলের সদস্যরা তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। প্রত্যক্ষর্দীদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

সূত্র জানিয়েছে- শুনানীতে সাক্ষ্য দিতে নিবন্ধনভুক্ত ১১ জনই টেকনাফ বাহারছড়া এলাকার বাসিন্দা। বেলা সাড়ে ১১টা হতে বক্তব্য গ্রহণ শুরু করে তদন্ত দল। শুনানীতে তদন্ত কমিটির আহবায়ক ও চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মনোনীত প্রতিনিধি লে. কর্নেল সাজ্জাদ, চট্টগ্রামের ডিআইজি মনোনীত প্রতিনিধি অতিরিক্ত ডিআইজি জাকির হোসেন এবং কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাজাহান আলি উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল সাড়ে ৯টা হতে গণশুনানী স্থলে আসা শুরু করেন স্থানীয় লোকজন। বক্তব্য দিতে আগ্রহীরা নাম রেজিস্ট্রেশন বুথে যান। গণশুনানী উপলক্ষে শাপলাপুর এলাকা, ক্যাম্পস্থল এবং আশপাশে এলাকা কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরী করেছে আইন শৃংখলা বাহিনী।

তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সিনহা হত্যাকাণ্ডে বেশ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর জানার চেষ্টা করছেন তারা। এই হত্যাকা- পরিকল্পিত, নাকি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটেছে। কার নির্দেশে সিনহাকে গুলি করেছিলেন লিয়াকত। ঘটনার সময় আদৌ সিনহার হাতে অস্ত্র ছিল কি না, এসব প্রশ্ন অতি গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মতে, এসব প্রশ্নের জবাব মিললেই ঘটনার সবকিছু স্পষ্ট হবে।

শুনানীতে বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন অংশ নিয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের স্বাধীনভাবে কথা বলতে সুযোগ দিতে এই গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়।

এরআগে শনিবার শামলাপুর এপিবিএন চেকপোস্ট এলাকা পরিদর্শন করেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিনিয়র এএসপি খাইরুল ইসলাম। সেখানে তিনি বিভিন্ন জনের সাথে কথা বলেন।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই রাতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান। এ ঘটনায় নিহতের বোন শাহরিয়ার শারমিন ফেরদৌস বাদি হয়ে গত ৫ আগস্ট টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

আসামিরা হলেন- টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ, টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহার হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী, উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিত, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, পুলিশ কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. মোস্তফা ও এসআই টুটুল। এদের মধ্যে আসামি মোস্তফা ও টুটুল পলাতক।

এরমধ্যে রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া পুলিশের চার সদস্য এবং এ ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষীকে গত শুক্রবার থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে র‌্যাব।

রিমান্ডভূক্তরা হচ্ছেন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন, পুলিশের দায়ের করা মামলার সাক্ষী মো. নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াছ।

এরআগে একই ঘটনায় টেকনাফ থানায় দুটি, রামু থানায় একটি মামলা করে পুলিশ। এই ৩টি মামলায় আসামি করা হয়েছে সিনহার সঙ্গি সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও শিপ্রা রাণী দেবনাথকে। তারা জামিনে রয়েছেন।

সূত্র : বাসস

বৈদ্যুতিক লাইন মাটির নিচে স্থাপন, ২০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প
                                  

রাজধানী ঢাকার অন্যতম জঞ্জালের নাম বৈদ্যুতিক তার। যত্রতত্র এমনভাবে ছড়ানো-ছিটানো যে, সৌন্দের্যের হানি তো বটেই, দুর্ঘটনার কারণও হয়ে ওঠে মাঝে মাঝে। এসব বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইন মাটির নিচে স্থাপন করতে বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও কার্যকর হতে দেখা যায়নি। তবে এবার এ সংক্রান্ত একটি মহাপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। রাজধানী ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের সব বৈদ্যুতিক লাইন মাটির নিচে স্থাপন করা হবে।

বৃহৎ এই প্রকল্পে খরচ ধরা হয়েছে ২০ হাজার ৫০১ কোটি ৫২ লাখ টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকবে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)। ২০২৩ সালের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন করার কথা রয়েছে।

তবে এই মহাপরিকল্পনা হাতে নেওয়ার আগে একটা পাইলট প্রকল্প হাতে নিতে চায় কর্তৃপক্ষ। পাইলট প্রকল্পটির আওতায় পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকার হাতিরঝিল ও ধানমন্ডির সব বৈদ্যুতিক তার মাটির নিচ দিয়ে সঞ্চালন করা হবে। যদি এতে সফল হওয়া যায় এবং বিষয়টা কার্যকর প্রমাণিত হয় তখন মূল পরিকল্পনার আওতায় ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে কাজ শুরুর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রকল্প প্রসঙ্গে পরিকল্পনা কমিশেনর শিল্প ও শক্তি বিভাগের সদস্য (সচিব) প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, ডিপিডিসি এলাকায় দিন দিন বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। তাই পুরো বিষয়টাকে একটা সিস্টেমের মধ্যে আনার তাগিদ ছিল অনেকদিন থেকেই। অবশেষে তা শুরু করতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। প্রকল্পটি পরবর্তী একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে।

ঋণ জালিয়াতির মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার বিচার শুরু
                                  

ফারমার্স ব্যাংকের ৪ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হলো।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম চার্জগঠন করে আগামী ১৮ আগস্ট সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ঠিক করেছেন।

মামলাটিতে ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম শামীম ও সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক ক্রেডিট প্রধান গাজী সালাহউদ্দিন আত্মসমর্পণ করে জামিনে আছেন। আজ শুনানিকালে তারা হাজির হন। আর ফারমার্স ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক ও অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতী (বাবুল চিশতী) কারাগারে রয়েছেন। এ ছাড়া এসকে সিনহাসহ অপর আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

পলাতক অপর আসামিরা হলেন- ফারমার্স ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট শাফিউদ্দিন আসকারী, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান, একই এলাকার নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, সান্ত্রী রায় ওরফে সিমি ও তার স্বামী রণজিৎ চন্দ্র সাহা।

গত বছরের ১০ ডিসেম্বর মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক বেনজীর আহমেদ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এর আগে একই বছর ১০ জুলাই দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ফারমার্স ব্যাংকে শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহার নামে মঞ্জুরকৃত ঋণের ৪ কোটি টাকা সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সুপ্রিমকোর্ট সোনালী ব্যাংক শাখার হিসাবে জমা হয়। সঞ্চয়ী হিসাব নং : ৪৪৩৫৪৩৪০০৪৪৭৫-এ জমা হওয়ার পর ওই টাকা বিভিন্নভাবে স্থানান্তর করে উত্তোলন করা হয়। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে নিজেরা লাভবান হয়ে এবং অন্যদের লাভবান করতে এ ধরনের অপরাধ করেন। তারা অবৈধভাবে ভুয়া ঋণ সৃষ্টির মাধ্যমে ৪ কোটি টাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে নগদে উত্তোলন ও বিভিন্ন পে-অর্ডারের মাধ্যমে নিজ আত্মীয়ের নামীয় হিসাবে হস্তান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন।

পরে সেই অর্থ নিজেদের ভোগদখলে রেখে তার অবৈধ প্রকৃতি, উৎস অবস্থান গোপন বা এর ছদ্মাবরণে পাচার করেছেন মর্মে তদন্তে প্রমাণিত হয়। যা দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২)(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

প্রসঙ্গত, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় এবং কিছু পর্যবেক্ষণের কারণে ক্ষমতাসীনদের তোপের মুখে ২০১৭ সালের অক্টোবরের শুরুতে ছুটিতে যান তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র সিনহা। পরে বিদেশ থেকেই তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন।

পাঁচ মাস পর সুপ্রিমকোর্ট খুলছে আজ
                                  

করোনার কারণে প্রায় পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর সুপ্রিমকোর্ট খুলছে আজ। তবে পুরোপুরি শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারকার্য সম্পন্ন হবে না। ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে ৩৫টি এবং শারীরিক উপস্থিতিতে ১৮টি হাইকোর্ট বেঞ্চে বিচারকাজ চলবে। আজ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এসব বেঞ্চে দুই পদ্ধতিতে বিচারকাজ চলবে বলে সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ জানিয়েছে।


ভার্চুয়াল আদালতের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শারীরিক উপস্থিতি ছাড়া আজ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার আইন ২০২০ এবং অত্র কোর্টের জারি করা প্র্যাকটিস ডাইরেকশন অনুসরণের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শুধু ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকার্য পরিচালনার জন্য প্রধান বিচারপতি বেঞ্চগুলো গঠন করেছেন। এতে দ্বৈত এবং একক ৩৫টি বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে।

শারীরিক উপস্থিতিতে আদালতের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শারীরিক উপস্থিতির মাধ্যমে আজ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকার্য পরিচালনার জন্য প্রধান বিচারপতি বেঞ্চগুলো গঠন করেছেন। এতে দ্বৈত এবং একক ১৮টি বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে।

হাইকোর্টে আবেদন দাখিলে ৫ দফা নির্দেশনা : সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মামলা ও দরখাস্ত ফাইলিং এবং নকল সরবরাহের ক্ষেত্রে পাঁচ দফা নির্দেশনা দিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন। নির্দেশনাগুলো হল- এক. করোনা পরিস্থিতির পূর্বের প্রচলিত নিয়ম অনুসারে সব মামলা ও দরখাস্ত ফাইলিং করা যাবে। দুই. ভার্চুয়াল কোর্টে মামলা ও দরখাস্ত শুনানির ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল শুনানির লিংক পাঠানোর জন্য ফাইলিংয়ের সময় সব মামলা ও দরখাস্তের ওপর নিয়োজিত আইনজীবীর ই-মেইল অ্যাড্রেস উল্লেখ করতে হবে। তিন. ফাইলিং শাখায় ইতোমধ্যে দাখিলকৃত মামলা ও দরখাস্তসমূহের ক্ষেত্রে করোনা পরিস্থিতির পূর্বের প্রচলিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে। চার. শরীরিক উপস্থিতি ও ভার্চুয়াল উভয় পদ্ধতিতে মামলা ও দরখাস্ত শুনানির জন্য করোনা পরিস্থিতির পূর্বের প্রচলিত নিয়ম অনুসারে দৈনিক কার্যতালিকা প্রস্তুত ও প্রচারিত হবে। পাঁচ. নকল শাখার স্বাভাবিক কার্যক্রম চলমান থাকায় শারীরিক উপস্থিতি ও ভার্চুয়াল উভয় পদ্ধতিতে পরিচালিত সব বেঞ্চ থেকে প্রদত্ত আদেশ এবং রায়ের নকল করোনা পরিস্থিতির পূর্বের প্রচলিত নিয়মে সরবরাহ করা হবে।

 

মেজর সিনহার সহোযোগী সিফাতের জামিন মঞ্জুর
                                  

কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে নিহত অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদের সহযোগী সায়েদুল ইসলাম সিফাতের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ সোমবার বেলা ১১টায় জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম রামুর বিচারক দেলোয়ার হোসেনের আদালতে তার জামিন মঞ্জুর হয়। সিফাতের আইনজীবী মাহবুবুল আলম শাহীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গতকাল জামিন হয়েছিল মেজর সিনহার আরেক সহযোগী শিপ্রা দেবনাথের।

আইনজীবী মাহবুবুল আলম শাহীন বলেন, সায়েদুল ইসলাম সিফাতের বিরুদ্ধে পুলিশ দুটি মামলা করেছে। কক্সবাজারের রামু থানায় করা হয়েছিল মাদক মামলা, যেটার জামিন হয়ে গেল। অন্য একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে টেকনাফ থানায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত টেকনাফের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে এই মামলার জামিন শুনানি চলছে।মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ

গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া চেকপোস্টে তল্লাশীর সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ। এ সময় তার সঙ্গে থাকা শিপ্রা ও সিফাতকে আটক করে মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

টিকটক থেকে অশ্লীল ভিডিও সরাতে আইনি নোটিশ
                                  

মাইক্রো ভিডিও অ্যাপ টিকটক থেকে সব ধরনের অশ্লীল ভিডিও বা কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন এক আইনজীবী। নোটিশটি পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মনিরুজ্জামান লিংকন।

নোটিশে তথ্য সচিব এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আইসিটি বিভাগের সচিবকে এ বিষয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে মানুষ প্রতিনিয়ত নতুন নতুন আবিষ্কার সম্পর্কে জানতে পারছে। এর একদিকে মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু বিভিন্ন প্রকার অ্যাপসের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত না হওয়ায় সমাজের একটি বড় অংশ বিশেষ করে, তরুণ সম্প্রদায় অনেক ক্ষেত্রে বিপথগামী হচ্ছে। এ থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে আমাদের এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বহুল ব্যবহৃত একটি অ্যাপ হলো টিকটক। যা মূলত একটি কনটেন্ট ক্রিয়েটার অ্যাপ। এর মাধ্যমে বিভিন্ন জনসচেতনতা এবং সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধ সমৃদ্ধ বিভিন্ন কন্টেন্ট তৈরি করার কথা। কিন্তু বাস্তবতা হলো- অ্যাপটি ব্যবহার করে এমন কিছু অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি করে সোশ্যল মিডিযায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যার মাধ্যমে কোমলমতি শিশু, কিশোর ও যুবক শ্রেণি বিপথগামী হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে।

এমতাবস্থায় নোটিশ প্রাপ্তির ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অতি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় হওয়ায় টিকটক থেকে সব ধরনের অশ্লীল ভিডিও বা কনটেন্ট সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা নিতে এবং এসব বিষয় তৈরির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়।

সেনা কর্মকর্তা সিনহা নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা
                                  

পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ বুধবার তার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া মামলাটি দায়ের করেন। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার শারমিন জানান, তার ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করা হয়েছে, এই অভিযোগে তারা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টেকনাফ উপজেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারহার আদালতে মামলাটি দাখিল করেন নিহত সাবেক সেনা কর্মকর্তার বোন। অ্যাডভোকেট মো. মোস্তফার নেতৃত্বে এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

মামলায় টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস এবং বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ লিয়াকতসহ ৯ পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে। আদালত মামলার তদন্ত করার জন্য র‍্যাবকে দায়িত্ব দিয়েছে বলে জানা গেছে।

ঢাকা থেকে গিয়ে একটি মাইক্রোবাসে করে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সামনে পৌঁছান শারমিন শাহরিয়া। এর পর অ্যাডভোকেট মো. মোস্তফার চেম্বারে গিয়ে মামলার প্রস্তুতি নেন। পরিবারের অন্য সদস্যরাও তার সঙ্গে রয়েছেন।

গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা রাশেদ। পুলিশের পক্ষ থেকে ওই সময় বলা হয়, রাশেদ সিনহা তার পরিচয় দিয়ে ‘তল্লাশিতে বাধা দেন’। এর পর তিনি ‘পিস্তল বের করলে’ দায়িত্বরত পুলিশ তাকে গুলি করে। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের কথাও জানায় পুলিশ। এ নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকেও মামলা করা হয়েছে।

সিনহা ২০১৮ সালে সৈয়দপুর সেনানিবাসে থাকা অবস্থায় স্বেচ্ছায় অবসরে যান। ৫১ বিএমএ লং কোর্সে অংশ নিয়ে সেনাবাহিনীতে কমিশন পেয়েছিলেন তিনি। অবসরে যাওয়ার পর থেকে সিনহা ভ্রমণ বিষয়ক একটি ডকুমেন্টারি বানানোর কাজ করছিলেন। ‘লেটস গো’ নামে ওই ডকুমেন্টারির কাজেই গত এক মাস ধরে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকায় ছিলেন। আরো তিন সঙ্গীসহ তারা উঠেছিলেন নীলিমা রিসোর্টে।

এদিকে, গতকাল মঙ্গলবার সিনহা রাশেদের মা নাসিমা আক্তারকে ফোন করে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে সমবেদনা ও সান্ত্বনা দেন। সেইসঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার এবং আর্থিক সহায়তারও আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।

ওই ঘটনায় ইতোমধ্যে ২১ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ঘটনা তদন্তে উচ্চ পর্যায়ের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

অনিশ্চয়তায় ৬০ হাজার আইনজীবীর জীবন জীবিকা
                                  

করোনাভাইরাসের মহামারী দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবিকার কথা চিন্তা করে সরকারের পক্ষ থেকে অফিস, দোকানপাট, মিল, কল-কারখানা, বাস, লঞ্চ খুলে দেয়া হয়েছে। তবে এখনো আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয়নি। সীমিত আকারে ভার্চুয়ালি আদালতের কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় অসুবিধার মধ্যে পড়েছেন প্রায় ৬০ হাজার আইনজীবী।

গত মার্চ মাস থেকে নিয়মিত আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আইনজীবীদের জীবন-জীবিকা অনিশ্চিত হয়ে গেছে। আর নিয়মিত আদালতের কার্যক্রম চালু না হওয়ায় মানুষ ন্যায়বিচার বঞ্চিত হচ্ছেন বলে মনে করেন আইনজীবীরা। তাই অন্যান্য সেক্টরের মতো অবিলম্বে নিয়মিত আদালত খুলে দেয়ার দাবি আইনজীবীদের।

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, লকডাউন পরবর্তী সময়ে জীবন-জীবিকার কথা চিন্তা করে সরকারের পক্ষ থেকে অফিস, দোকানপাট, মিল, কল-কারখানা, বাস, লঞ্চ খুলে দেয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি অল্প কয়েকজন বিচারপতিকে নিয়ে ভার্চুয়াল আদালত চালু করেছেন। নিঃসন্দেহে এটি একটি ভালো কাজ হয়েছে এবং এজন্য প্রধান বিচারপতি প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু দেখা যাচ্ছে ভার্চুয়াল পদ্ধতিকে স্থায়ী পদ্ধতির দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সাধারণ আইনজীবী ও বার (আইনজীবী সমিতি) সংশ্লিষ্ট সব আইনজীবীরা এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

এ বিষয়ে সাধারণ আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সদস্যসচিব এ বি এম রফিকুল হক তালুকদার রাজা বলেন, করোনায় সবকিছুই তো খোলা, অফিস, মার্কেট খুলে দেয়া হয়েছে, চলছে বাস। করোনার মধ্যে মানুষ সব কিছুই করছে। কোনো পেশার লোক বসে নেই, পুলিশ বাহিনী, আর্মি, বিডিয়ার, ডাক্তার সবাই কাজ করছে। শুধু আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারছে না। নিয়মিত আদালত খোলা না থাকায় মানুষ ন্যায়বিচার পাচ্ছে না। এ কারণে আমরা অবিলম্বে আদালত খুলে দেয়ার কথা বলছি।

সম্প্রতি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সুপ্রিম কোর্টসহ সারা দেশের সব আদালত অবিলম্বে নিয়মিতভাবে খুলে দেয়ার দাবিতে আন্দোলন করছেন সুপ্রিম কোর্ট ও ঢাকা বারের আইনজীবীরা।

বেশ কিছুদিন থেকে সুপ্রিম কোর্টের সাধারণ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ নিয়মিত আদালত খুলে দেয়ার দাবিতে আন্দোলন করছে।
সংগঠনের পক্ষে অবিলম্বে আদালত খুলে দেয়াসহ পাঁচটি দাবি জানানো হয়েছে। এগুলো হলো :

এক. অবিলম্বে সুপ্রিম কোর্টসহ সারা দেশের সব আদালত নিয়মিতভাবে খুলে দিতে হবে।

দুই. আইন অঙ্গনকে দুর্নীতিমুক্ত রাখার জন্য যথোপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

তিন. ২০২০ ও ২০২১ সালের সুপ্রিম কোর্ট ও নি¤œ আদালতের সব ঐচ্ছিক ছুটি বাতিল করতে হবে।

চার. দেশের সব আদালতে চার মাস যাবৎ নিয়মিত কোর্ট বন্ধ থাকায় ৬০ হাজার আইনজীবীর প্রত্যেককে সরকারি কোষাগার থেকে আর্থিক প্রণোদনা হিসেবে ১ লাখ টাকা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

পাঁচ. আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জামানতবিহীন ও সুদমুক্ত ৫ লাখ টাকা ৫ বছর মেয়াদি ব্যক্তিগত ব্যাংক লোনের ব্যবস্থা করতে হবে।


   Page 1 of 78
     আইন-আদালত
প্রতারক সাহেদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দাবি রাষ্ট্রপক্ষের
.............................................................................................
বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু
.............................................................................................
অ্যাটর্নি জেনারেল করোনা পজিটিভ, সিএমএইচএ ভর্তি
.............................................................................................
স্বামীর সকল সম্পত্তিতে ভাগ পাবেন দেশের হিন্দু বিধবা নারীরা: হাইকোর্ট
.............................................................................................
সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলায় আরও তিন জনের সাক্ষ্যগ্রহণ
.............................................................................................
ফাজিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডিতে সভাপতি হতে ফাজিল বা ডিগ্রি পাস করা লাগবে
.............................................................................................
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার মামলা
.............................................................................................
ওসি প্রদীপ-লিয়াকত ও এসআই নন্দ দুলাল রিমান্ডে
.............................................................................................
অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলার গণশুনানীতে ৯ জন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষ্য
.............................................................................................
বৈদ্যুতিক লাইন মাটির নিচে স্থাপন, ২০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প
.............................................................................................
ঋণ জালিয়াতির মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার বিচার শুরু
.............................................................................................
পাঁচ মাস পর সুপ্রিমকোর্ট খুলছে আজ
.............................................................................................
মেজর সিনহার সহোযোগী সিফাতের জামিন মঞ্জুর
.............................................................................................
টিকটক থেকে অশ্লীল ভিডিও সরাতে আইনি নোটিশ
.............................................................................................
সেনা কর্মকর্তা সিনহা নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা
.............................................................................................
অনিশ্চয়তায় ৬০ হাজার আইনজীবীর জীবন জীবিকা
.............................................................................................
জেকেজির চেয়ারম্যান সাবরিনা ৩ দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
করোনা টেস্ট নিয়ে প্রতারণা: ডা. সাবরিনা গ্রেফতার
.............................................................................................
ময়ূর লঞ্চের মালিকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা
.............................................................................................
করোনাভাইরাসে দেশে প্রথম বিচারকের মৃত্যু
.............................................................................................
জাল নথিতে হাইকোর্ট থেকে হত্যা মামলার ৫ আসামির জামিন
.............................................................................................
করোনা ঝুঁকি এড়াতে সুপ্রিম কোর্টের উদ্যোগে মুক্তি পেল শিশুরা
.............................................................................................
নিয়মিত আদালত চালুর দাবি আইনজীবীদের
.............................................................................................
এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে বেতন আদায় স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
.............................................................................................
ভার্চুয়াল শুনানি নিয়ে ১৫ দিনে সাড়ে ২৭ হাজার আসামির জামিন
.............................................................................................
উপজেলা পর্যায়ে টিসিবি পণ্য বিক্রির নির্দেশ
.............................................................................................
আবরার হত্যা : জিয়নের জামিন আবেদন নাকচ
.............................................................................................
ভার্চুয়াল শপথে কারিগরি ত্রুটি, রাতে সশরীরে শপথ ১৮ বিচারপতির
.............................................................................................
অনলাইনে শপথ নিলেন স্থায়ী হওয়া ১৮ বিচারপতি
.............................................................................................
ভার্চুয়াল আদালতে ১০ কার্যদিবসে ২০ হাজার ৯৩৮ জনের জামিন
.............................................................................................
সংগ্রাম সম্পাদককে জামিন দেননি হাইকোর্টের ভার্চুয়াল বেঞ্চ
.............................................................................................
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে বিচারের ক্ষমতা পেল আদালত
.............................................................................................
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে র‍্যাবের মামলায় ১১ আসামি, কার্টুনিস্টসহ কারাগারে ২
.............................................................................................
৫ মে পর্যন্ত আদালতের কার্যক্রম বন্ধ
.............................................................................................
রবিবার থেকে স্বল্প পরিসরে আদালত চলবে
.............................................................................................
অমানবিক বাড়ি মালিকদের সম্পদের তথ্য নিচ্ছে দুদক
.............................................................................................
স্বাস্থ্যকর্মীদের বাড়ি ছাড়তে বললে আইনি ব্যবস্থা: দুদক চেয়ারম্যান
.............................................................................................
বিনা সুদে ঋণ পাবেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা
.............................................................................................
সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ত্রাণ দিতে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু হত্যা: আব্দুল মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর খুনি আব্দুল মাজেদ কারাগারে
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর খুনি ক্যাপ্টেন (অব.) আব্দুল মাজেদ গ্রেফতার
.............................................................................................
সব আদালতে সাধারণ ছুটি ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ল
.............................................................................................
জামিন ও নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ালেন প্রধান বিচারপতি
.............................................................................................
কুড়িগ্রামের সাবেক ডিসিসহ চারজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা
.............................................................................................
শর্ত ভঙ্গ করলে খালেদা জিয়ার মুক্তির সিদ্ধান্ত বাতিল হয়ে যাবে: এটর্নি জেনারেল
.............................................................................................
সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন: প্রথমদিনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
ড. ইউনূসের আদালতে ক্ষমা প্রার্থনা, ৭ হাজার টাকা অর্থদন্ড
.............................................................................................
অর্থ আত্মসাতের মামলায় ২ ব্যাংক কর্মকর্তা কারাগারে
.............................................................................................
ভিপি নূরকে ৩ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
সম্পাদক মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী
সম্পাদক কর্তৃক ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ইউরোপ মহাদেশ বিষয়ক সম্পাদক- প্রফেসর জাকি মোস্তফা (টুটুল)
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমেদ
নির্বাহী সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম রানা
বার্তা সম্পাদক : মোঃ আকরাম খাঁন
সহঃ সম্পাদক: হোসাইন আহমদ চৌধুরী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন : ০২-৯৫৬২৮৯৯ মোবাইল: ০১৬৭০-২৮৯২৮০
ই-মেইল : swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD