| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   শেয়ারবাজার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
পুঁজিবাজারে মূলধন চার লাখ কোটি ছুঁই ছুঁই

ধীরে ধীরে উন্নতি বা স্থিতিশীলতার পথে এগিয়েছে দেশের শেয়ারবাজার। ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে বড় ধাক্কা ঝেড়ে ফেলে আইন-কানুন সংস্কার ও নিয়মনীতির পরিবর্তনে স্থিতিশীলতার পথে বাজার। নতুন নতুন কম্পানি, বিনিয়োগকারী ও বাজারের পরিধি বেড়েছে। বাজার মূলধন এখন প্রায় চার লাখ কোটি টাকা ছুঁই ছুঁই, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৯ শতাংশের বেশি। ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে দেশের জিডিপি ছিল ১৭ লাখ ৩২ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা আর ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে জিডিপি ১৯ লাখ ৫৬ হাজার ৫৬ কোটি টাকা। ২০১৬ সালে জিডিপি ও শেয়ারবাজার মূলধনের অনুপাত ১৯.৭০ শতাংশ।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইন-কানুন সংস্কার ও নিয়মনীতির পরিবর্তনে পুঁজিবাজার অনেকদূর এগিয়েছে। নতুন নতুন বিনিয়োগকারী ঢুকছে বাজারে। তবে আরো এগিয়ে যেত পারত বাজার। কম্পানির তালিকাভুক্তি বা বাজারে সিকিউরিটিজের চাহিদার চেয়ে জোগান অপর্যাপ্ত। ভালো ভালো বা দৃঢ়ভিত্তির কম্পানির সিকিউরিটিজ সরবরাহ জরুরি।

 

সূত্র জানায়, দেশের পুঁজিবাজারের মূলধন প্রায় চার লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি। চার লাখ কোটি টাকা পার হলে স্থিতিশীলতার পথে একধাপ এগিয়ে যাবে পুঁজিবাজার। গতকাল রবিবার ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৯৭ হাজার ৯৩০ কোটি ১১ লাখ টাকা। এই মূলধনই পুঁজিবাজারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। আর প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা হলেই চার লাখ কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করবে পুঁজিবাজার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন কম্পানি তালিকাভুক্তি, শেয়ারের দাম বৃদ্ধি ও কম্পানির রাইট ও বোনাস শেয়ার ছাড়ার মাধ্যমে বাজার মূলধন বেড়েছে। আবার কম্পানির লভ্যাংশ ও নতুন বিনিয়োগও বাজার মূলধন বৃদ্ধি করেছে। আবার কেউ কেউ বলছেন, ব্যাংক আমানতে সুদের হার কমে যাওয়ায় অনেকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করছেন।

কারণ হিসেবে তাঁরা বলছেন, বর্তমানে ব্যাংক আমানতে সুদ হার এক ডিজিটে অর্থাৎ ব্যাংকে আমানতে সুদ হার গড়ে ৪.৮৪ শতাংশ। এর বিপরীতে ঋণের ক্ষেত্রে গড় সুদ ৯.৫৬ শতাংশ। পুঁজিবাজারে ব্যাংকে বিনিয়োগ করলে শেয়ার লেনদেন ছাড়ায় বছর শেষে ১০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ পাওয়া যাবে। বাজারের তালিকাভুক্ত ব্যাংক ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত হওয়ায় ১০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ দিতে হয়। অর্থাৎ শেয়ার কেনাবেচা না করলেও কিনে রাখলে বছর শেষে লভ্যাংশ আসবে। আমানতের সুবিধা হচ্ছে বছর শেষে ব্যাংকের ক্ষতি হলেও নির্দিষ্ট হারে সুদ পাওয়া যাবে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কম্পানির শেয়ার কিনলে বেশি লাভ হলে শেয়ারের বিপরীতে বেশি লভ্যাংশ আসবে আর ক্ষতি হলে লভ্যাংশ পাওয়া যাবে না।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্র জানায়, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশের শিল্পায়নে উদ্যোক্তারা প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর মাধ্যমে ৩৯০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করেছে। চার কম্পানি রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে এক হাজার ৪১ কোটি টাকা মূলধন বাড়িয়েছে। যার মধ্যে দুই কম্পানি প্রিমিয়াম বাবদ ১৮৩ কোটি টাকা। ১১৭ কম্পানি ১৮৮ কোটি বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে এক হাজার ৮৯৮ কোটি টাকা মূলধন বৃদ্ধি করেছে। আর এই সময়ে বৈদেশিক লেনদেন ৪০২ শতাংশ বেড়েছে। ক্রমাগতভাবেই বৈদেশিক লেনদেন বাড়ছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক রকিবুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নানামুখী উদ্যোগে বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এতে তলানিতে পড়ে থাকা শেয়ারের দাম বেড়েছে। রাইট ও বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমেও মূলধন বেড়েছে। বাজারকে গতিশীল করতে মৌলভিত্তির কম্পানির তালিকাভুক্তি প্রয়োজন। ’

বাজার বিশ্লেষক আবু আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বাজার গতিশীল হয়েছে ঠিকই। বাজারে ভালো সিকিউরিটিজের সরবরাহ কম। বহুজাতিক বা সরকারি কম্পানিগুলো বাজারে তালিকাভুক্ত করতে হবে। এই বাজার আরো এগিয়ে যেতে পারত; কিন্তু সেভাবে এগোয়নি। বাজারের গতিশীলতা ধরে রাখতে ভালো ভালো কম্পানি আনতে হবে। ’

পুঁজিবাজারে মূলধন চার লাখ কোটি ছুঁই ছুঁই
                                  

ধীরে ধীরে উন্নতি বা স্থিতিশীলতার পথে এগিয়েছে দেশের শেয়ারবাজার। ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে বড় ধাক্কা ঝেড়ে ফেলে আইন-কানুন সংস্কার ও নিয়মনীতির পরিবর্তনে স্থিতিশীলতার পথে বাজার। নতুন নতুন কম্পানি, বিনিয়োগকারী ও বাজারের পরিধি বেড়েছে। বাজার মূলধন এখন প্রায় চার লাখ কোটি টাকা ছুঁই ছুঁই, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৯ শতাংশের বেশি। ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে দেশের জিডিপি ছিল ১৭ লাখ ৩২ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা আর ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে জিডিপি ১৯ লাখ ৫৬ হাজার ৫৬ কোটি টাকা। ২০১৬ সালে জিডিপি ও শেয়ারবাজার মূলধনের অনুপাত ১৯.৭০ শতাংশ।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইন-কানুন সংস্কার ও নিয়মনীতির পরিবর্তনে পুঁজিবাজার অনেকদূর এগিয়েছে। নতুন নতুন বিনিয়োগকারী ঢুকছে বাজারে। তবে আরো এগিয়ে যেত পারত বাজার। কম্পানির তালিকাভুক্তি বা বাজারে সিকিউরিটিজের চাহিদার চেয়ে জোগান অপর্যাপ্ত। ভালো ভালো বা দৃঢ়ভিত্তির কম্পানির সিকিউরিটিজ সরবরাহ জরুরি।

 

সূত্র জানায়, দেশের পুঁজিবাজারের মূলধন প্রায় চার লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি। চার লাখ কোটি টাকা পার হলে স্থিতিশীলতার পথে একধাপ এগিয়ে যাবে পুঁজিবাজার। গতকাল রবিবার ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৯৭ হাজার ৯৩০ কোটি ১১ লাখ টাকা। এই মূলধনই পুঁজিবাজারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। আর প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা হলেই চার লাখ কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করবে পুঁজিবাজার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন কম্পানি তালিকাভুক্তি, শেয়ারের দাম বৃদ্ধি ও কম্পানির রাইট ও বোনাস শেয়ার ছাড়ার মাধ্যমে বাজার মূলধন বেড়েছে। আবার কম্পানির লভ্যাংশ ও নতুন বিনিয়োগও বাজার মূলধন বৃদ্ধি করেছে। আবার কেউ কেউ বলছেন, ব্যাংক আমানতে সুদের হার কমে যাওয়ায় অনেকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করছেন।

কারণ হিসেবে তাঁরা বলছেন, বর্তমানে ব্যাংক আমানতে সুদ হার এক ডিজিটে অর্থাৎ ব্যাংকে আমানতে সুদ হার গড়ে ৪.৮৪ শতাংশ। এর বিপরীতে ঋণের ক্ষেত্রে গড় সুদ ৯.৫৬ শতাংশ। পুঁজিবাজারে ব্যাংকে বিনিয়োগ করলে শেয়ার লেনদেন ছাড়ায় বছর শেষে ১০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ পাওয়া যাবে। বাজারের তালিকাভুক্ত ব্যাংক ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত হওয়ায় ১০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ দিতে হয়। অর্থাৎ শেয়ার কেনাবেচা না করলেও কিনে রাখলে বছর শেষে লভ্যাংশ আসবে। আমানতের সুবিধা হচ্ছে বছর শেষে ব্যাংকের ক্ষতি হলেও নির্দিষ্ট হারে সুদ পাওয়া যাবে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কম্পানির শেয়ার কিনলে বেশি লাভ হলে শেয়ারের বিপরীতে বেশি লভ্যাংশ আসবে আর ক্ষতি হলে লভ্যাংশ পাওয়া যাবে না।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্র জানায়, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশের শিল্পায়নে উদ্যোক্তারা প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর মাধ্যমে ৩৯০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করেছে। চার কম্পানি রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে এক হাজার ৪১ কোটি টাকা মূলধন বাড়িয়েছে। যার মধ্যে দুই কম্পানি প্রিমিয়াম বাবদ ১৮৩ কোটি টাকা। ১১৭ কম্পানি ১৮৮ কোটি বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে এক হাজার ৮৯৮ কোটি টাকা মূলধন বৃদ্ধি করেছে। আর এই সময়ে বৈদেশিক লেনদেন ৪০২ শতাংশ বেড়েছে। ক্রমাগতভাবেই বৈদেশিক লেনদেন বাড়ছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক রকিবুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নানামুখী উদ্যোগে বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এতে তলানিতে পড়ে থাকা শেয়ারের দাম বেড়েছে। রাইট ও বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমেও মূলধন বেড়েছে। বাজারকে গতিশীল করতে মৌলভিত্তির কম্পানির তালিকাভুক্তি প্রয়োজন। ’

বাজার বিশ্লেষক আবু আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বাজার গতিশীল হয়েছে ঠিকই। বাজারে ভালো সিকিউরিটিজের সরবরাহ কম। বহুজাতিক বা সরকারি কম্পানিগুলো বাজারে তালিকাভুক্ত করতে হবে। এই বাজার আরো এগিয়ে যেতে পারত; কিন্তু সেভাবে এগোয়নি। বাজারের গতিশীলতা ধরে রাখতে ভালো ভালো কম্পানি আনতে হবে। ’

সূচক ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজারে
                                  

 দুই দিন ব্যাপক দরপতনের পর সূচক ঘুরে দাঁড়িয়েছে দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)। আজ সোমবার সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সূচক বাড়লেও লেনদেনের গতি কম। তবে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর বেড়েছে দুই পুঁজিবাজারে।
ডিএসইতে আজ দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ডিএসইএক্স সূচক ৪৮ দশমিক ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫৩৭১ পয়েন্টে। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে প্রায় ৩১৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা। গত কার্যদিবস এ সময় পর্যন্ত লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৮৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। আজ দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নিয়েছে ৩১৬টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৪০টির, কমেছে ৪৫টির। দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১টি কোম্পানির।
অন্যদিকে, সিএসইতে আজ দুপুর ১২টা নাগাদ সার্বিক সূচক বেড়েছে ১৫৮ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট। মোট লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ২৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। গত কার্যদিবস দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। আজ দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ সিএসইতে লেনদেনে অংশ নিয়েছে ২০৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৫৯টির, কমেছে ৩৪টির। দর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টি কোম্পানির।



দুই পুঁজিবাজারে বাড়ছে সূচক ও লেনদেন
                                  

 সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)। আজ সোমবার সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস লেনদেনের ভালো গতি আছে ডিএসইতে। অন্যদিকে, সিএসইতেও আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেনের গতি বেশি আজ।
এ ছাড়া প্রথম দুই ঘণ্টায় বেশির ভাগ শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে দুই পুঁজিবাজারেই।
ডিএসইতে আজ দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫ দশমিক ২৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪৭৯১ পয়েন্টে। দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৩৫৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা। গত কার্যদিবস এ সময় পর্যন্ত লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৬২ কোটি টাকা। দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নিয়েছে ৩১৬টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৭২টির, কমেছে ১০২টির। দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৪২টি কোম্পানির।
সিএসইতে দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ সার্বিক সূচক বেড়েছে ৩২ দশমিক ৭৬ পয়েন্ট। মোট লেনদেন ছাড়িয়েছে ১৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। গতকাল এ সময় পর্যন্ত লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। প্রথম দুই ঘণ্টায় লেনদেন হয়েছে ২০৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১১২টির, কমেছে ৬৭টির। দর অপরিবর্তিত ২৮টির।

অক্টোবরে ডিএসই’র রাজস্ব বেড়েছে পৌনে পাঁচ কোটি টাকা
                                  

 অক্টোবর মাসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) রাজস্ব আয় হয়েছে ১৫ কোটি ৬২ লাখ ৬৬ হাজার ৭৪৪ টাকা। যা আগের মাসের তুলনায় ৪ কোটি ৭৫ লাখ ৫২ হাজার ৫৩১ টাকা বেশি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে, অক্টোবরে বিনিয়োগকারী ও শেয়ারহোল্ডার এবং ব্রোকারেজ হাউজের শেয়ার বিক্রি থেকে ডিএসই কর্তৃপক্ষের মোট রাজস্ব আয় হয়েছে ১৫ কোটি ৬২ লাখ ৬৬ হাজার ৭৪৪ টাকা। এর আগের মাস সেপ্টেম্বরে রাজস্ব আদায় হয়েছিলো ১০ কোটি ৮৭ লাখ ১৪ হাজার ২১৩ টাকা। আগস্টে আদায় হয়েছিলো ১০ কোটি ৮৮ লাখ ৩৪ হাজার ৭২২ টাকার। আগের মাস জুলাইয়ে হয়েছিলো ৮ কোটি ৪৭ লাখ ৬৪ হাজার ৫১১ টাকা। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ফলে সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরে লেনদেন বেড়েছে। অক্টোবরে রাজস্ব আয়ের মধ্যে ডিএসইর সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আদায় হয়েছে ১০ কোটি ৫৬ লাখ ৪ হাজার ৯৭৪ টাকা। এর আগের মাস সেপ্টেম্বরে হয়েছিলো ৮ কোটি ৬৮ লাখ ৯৩ হাজার ৮২৭ টাকার। তার আগের মাস আগস্টে হয়েছিলো ৯ কোটি ৬২ লাখ ৯২ হাজার ৯৫৯ টাকা। যেখানে জুলাইয়ে রাজস্ব আদায় হয়েছিলো ৬ কোটি ৩৭ লাখ ৩৬ হাজার ১৪৫ টাকার। অপরদিকে অক্টোবর মাসে উদ্যোক্তা-পরিচালক ও প্লেসমেন্ট শেয়ারধারীদের কাছ থেকে ডিএসইর রাজস্ব আদায় হয়েছে ৫ কোটি ৬ লাখ ৬১ হাজার ৭৭০ টাকা। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে রাজস্ব আয় হয়েছিলো ২ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার ৩৮৬ টাকা। আগস্টে হয়েছিলো ১ কোটি ২৫ লাখ ৪১ হাজার ৭৬৩ টাকা। যেখানে জুলাইয়ে হয়েছিলো ২ কোটি ১০ লাখ ২৮ হাজার ৩৬৬ টাকার। আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪, ধারা ৫৩ এর আওতায় ডিএসই জাতীয় রাজস্ব র্বোডকে (এনবিআর) প্রতি মাসে রাজস্ব আদায় জমা দেয়।

লেনদেন ৫শ’ কোটি ছাড়ালো ডিএসইতে
                                  

 ঈদ পরবর্তী দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে এফএনএস অর্থনীতি: (ডিএসই) লেনদেন ৫শ’ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ৩০ কোটি টাকা।
দিনভর সূচকের ওঠানামা শেষে এদিনও পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থান হয়েছে। এর ফলে টানা আট কার্যদিবস উভয় বাজারে সূচক বাড়লো। তবে কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সোমবার সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় দিনের লেনদেন শুরু হয়ে চলে বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত। এরপর শেয়ার কেনার চেয়ে বিক্রির চাপে শুরু হয় সূচক পতন। যা অব্যাহত ছিলো দুপুর ১২টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত। তবে দিনের বাকি সময় লেনদেন হয়েছে সূচকের মিশ্র প্রবণতার মধ্য দিয়ে। দিন শেষে ডিএসইতে সূচক বেড়েছে ২, সিএসইতে বেড়েছে ৫ পয়েন্ট।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩২৩টি কোম্পানির ১৪ কোটি ৬৯ লাখ ৯ হাজার ১৪৯টি সিকিউরিটিজের হাত বদল হয়েছে। যা টাকার অংকে ৫৪০ কোটি ২৬ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছে ৩১৪ কোটি ৯২ লাখ ১৪ হাজার টাকার।
এদিন তিন সূচকে পথচলা ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের কার্যদিবসের চেয়ে ২.১৯ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৬২৬.১৭ পয়েন্ট, ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ২.০৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৬৩.৮৭ পয়েন্ট এবং ডিএসইএস শরীয়াহ্ সূচক ১.৩১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১১০.৮০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩২৩টি সিকিউরিটিজের মধ্যে দাম বেড়েছে ১২১টির, কমেছে ১৩৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৪টি কোম্পানির শেয়ার।
দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৫.৯৪ পয়েন্ট বেড়ে ৮ হাজার ৬৫৮.৩৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩০ কোটি ২৫ লাখ ৭৪ হাজার ১৬৮ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয়েছিলো ৩৫ কোটি ১৪ লাখ ২০ হাজার টাকার।
সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৩৭টি সিকিউরিটিজের মধ্যে দাম বেড়েছে ১০২টির, কমেছে ১০৪টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১টি কোম্পানির শেয়ার।

ঈদে ডিএসই ৯ দিন বন্ধ
                                  

ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কার্যক্রম ১১ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা ৯ দিন বন্ধ থাকবে। গতকাল মঙ্গলবার ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

৯ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা ৯ দিন ডিএসইর সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

ডিএসই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদের আগে ৮ সেপ্টেম্বরই ডিএসইতে শেষ লেনদেন হবে। ঈদের পর ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ডিএসইতে লেনদেন ও দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হবে। তবে সরকারি ঘোষণার সঙ্গে সংগতি রেখে ২৪ সেপ্টেম্বর ডিএসইর লেনদেন ও দাপ্তরিক কার্যক্রম চালু থাকবে।

দেশের অন্য পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কর্তৃপক্ষ এখনো তাদের ছুটি-সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।


আড়াই বছরেও কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে পায়নি স্টক এক্সচেঞ্জ
                                  

নির্ধারিত সময়ের আড়াই বছরেও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে পায়নি। ২০১৩ সালে কার্যকর ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইনে তিন বছরের মধ্যে কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের কাছে স্টক এক্সচেঞ্জের সংরক্ষিত ২৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ সময়সীমা শেষ হচ্ছে আগামী ডিসেম্বরে। ডিএসইর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবশ্য কৌশলগত বিনিয়োগকারী পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। সম্প্রতি ডিএসইর পক্ষ থেকে দেশি কয়েকটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এ ব্যাপারে বৈঠক করা হয়েছে।

জানা গেছে, কৌশলগত বিনিয়োগকারীর কাছে শেয়ার বিক্রির বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা খুবই শক্ত অবস্থানে রয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান এম খায়রুল হোসেন বলেছেন, নির্ধারিত সময় শেষে স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে পাইনি এমন ধরনের কথা মেনে নেওয়া হবে না। গত বছরের ৯ ডিসেম্বর এক চিঠিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) উভয় স্টক এক্সচেঞ্জকে এক বছরের মধ্যে কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের কাছে  শেয়ার বিক্রির নির্দেশ দিয়েছিল। এরই মধ্যে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের স্টক এক্সচেঞ্জ, ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকসহ শীর্ষ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তবে তা থেকে কাঙ্ক্ষিত কোন ফল পাওয়া যায়নি। এদিকে সিএসইও কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে পেতে পরামর্শক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

ডিএসইর বর্তমান পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৮০৩ কোটি টাকা। এ হিসাবে কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের কাছে স্টক এক্সচেঞ্জটিকে অভিহিত মূল্যে প্রায় ৪৫১ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করতে হবে। ডিএসই চাইছে এ শেয়ার প্রিমিয়ামে বিক্রি করতে। আর সিএসইকে অভিহিত মূল্যে ১৫৮ কোটি ৬৩ লাখ টাকারও বেশি শেয়ার বিক্রি করতে হবে। এর বাইরে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ তালিকাভুক্তির মাধ্যমে ৩৫ শতাংশ করে শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রি করবে।

কৌশলগত বা স্ট্র্যাটেজিক বিনিয়োগকারী হবে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদিত দেশি বা বিদেশি কোনো স্টক এক্সচেঞ্জ, কোনো বিনিয়োগ ব্যবস্থাপক কোম্পানি, বিনিয়োগ ব্যাংক বা কোনো স্বনামধন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান। স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কৌশলগত বিনিয়োগকারীর সঙ্গে শেয়ার বিক্রির চুক্তি না হলে কমিশন অবশ্য সময় বাড়াতে পারবে। বর্ধিত সময়েও  কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে না পেলে কমিশনের অনুমোদনক্রমে অন্য যে কারও কাছে শেয়ার বিক্রি করতে পারবে স্টক এক্সচেঞ্জ।

 

   Page 1 of 1
     শেয়ারবাজার
পুঁজিবাজারে মূলধন চার লাখ কোটি ছুঁই ছুঁই
.............................................................................................
সূচক ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজারে
.............................................................................................
দুই পুঁজিবাজারে বাড়ছে সূচক ও লেনদেন
.............................................................................................
অক্টোবরে ডিএসই’র রাজস্ব বেড়েছে পৌনে পাঁচ কোটি টাকা
.............................................................................................
লেনদেন ৫শ’ কোটি ছাড়ালো ডিএসইতে
.............................................................................................
ঈদে ডিএসই ৯ দিন বন্ধ
.............................................................................................
আড়াই বছরেও কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে পায়নি স্টক এক্সচেঞ্জ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]