১০ শাওয়াল ১৪৪১ , ঢাকা, বুধবার, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩ জুন , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   রাজনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
মোহাম্মদ নাসিম আইসিইউতে, শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে। সোমবার রাত ৯টায় অক্সিজেন জনিত সমস্যা দেখা দিলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয় বলে জানান হাসপাতালের পরিচালক ও প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা আল ইমরান চৌধুরী।

সোমবার রাতে তিনি জানান, দুপুর ১২টায় তিনি জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। করোনার উপসর্গ মনে হওয়ায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়। রাত আটটায় প্রতিবেদন পাওয়া গেলে দেখা যায় তিনি করোনা ভাইরাস আক্রান্ত। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও পরিচালক আল ইমরান চৌধুরী জানান, অক্সিজেন সিচুরেশন কমে যাওয়ায় তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

মোহাম্মদ নাসিম আইসিইউতে, শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল
                                  

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে। সোমবার রাত ৯টায় অক্সিজেন জনিত সমস্যা দেখা দিলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয় বলে জানান হাসপাতালের পরিচালক ও প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা আল ইমরান চৌধুরী।

সোমবার রাতে তিনি জানান, দুপুর ১২টায় তিনি জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। করোনার উপসর্গ মনে হওয়ায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়। রাত আটটায় প্রতিবেদন পাওয়া গেলে দেখা যায় তিনি করোনা ভাইরাস আক্রান্ত। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও পরিচালক আল ইমরান চৌধুরী জানান, অক্সিজেন সিচুরেশন কমে যাওয়ায় তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

খেটে খাওয়া মানুষের কথা ভাবে না বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
                                  

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপি খেটে খাওয়া মানুষের কথা ভাবে না, সেজন্যই তারা সবকিছু বন্ধ করে দেয়ার মতো কথা বলতে পারে।’

আজ রবিবার দুপুরে রাজধানীতে বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে ‘লকডাউন’ খোলার বিরুদ্ধে বিএনপি’র বক্তব্য নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রতিদিন নানা কথা বলছেন। বিএনপি’র বক্তব্যে মনে হয়, তাদের চিন্তাধারা একপেশে। দেশের কোটি কোটি খেটে খাওয়া মানুষের কথা তারা মোটেও চিন্তা করে না। প্রতিদিনের আয়ের ওপরই যে কোটি কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা চলে, তাদের মুখে আহার ওঠে, সেই কথাটা মোটেই তারা চিন্তা করে না। সেজন্যই তারা সবকিছু একেবারে বন্ধ করে দেয়ার মতো কথা বলতে পারে, কারফিউ দেয়ার কথাও মাঝেমধ্যে তারা বলে।’

‘আমাদের দেশ একটি খেটে খাওয়া মানুষের দেশ, এখানে কোটি কোটি মানুষ তাদের প্রতিদিনের উপার্জনের ওপর নির্ভর করে, তাদের কথা মাথায় রেখেই সরকার সঠিক পদক্ষেপ নিয়ে এগুচ্ছে’ বলেন ড. হাছান।

জীবন রক্ষার জন্য জীবিকাকেও রক্ষা করতে হয় এবং সরকারকে জীবন ও জীবিকা দু’টিই রক্ষার জন্য কাজ করতে হয় উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সে কারণেই পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করেছে। যুক্তরাজ্যে মৃত্যুহার ১৪ শতাংশের বেশি, সেখানে বেশ আগেই সমস্ত কর্মকান্ড শুরু হয়েছে। বেলজিয়ামে মৃত্যুর হার ১৬ শতাংশের বেশি, সেখানে গত সপ্তাহে সবকিছু খুলে দেয়া হয়েছে। ইটালি, স্পেনে কি বিপর্যস্ত অবস্থা ছিল! সেখানেও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। ইউরোপের অন্যান্য দেশেও তা শুরু হয়েছে। পাকিস্তানে বেশ ক’দিন আগে সবকিছু খুলে দেয়া হয়েছে। ভারতে দু’সপ্তাহের বেশি সময় আগে ট্রেনসহ নানা গণপরিবহন চালু করা হয়েছে, বিভিন্ন রাজ্যে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড শুরু হয়েছে। আর আমাদের দেশে সরকারের সঠিক পদক্ষেপের ফলে মৃত্যুর হার ১.৩৬ শতাংশ যা ভারত, পাকিস্তান ও ইউরোপ-আমেরিকার চেয়ে অনেক কম।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বাংলাদেশেও মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষার জন্যই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২৬ মার্চ থেকে ঘোষিত সাধারণ ছুটি আজকের পর আর প্রলম্বিত করেননি। কারণ আমাদের দেশ একটি খেটে খাওয়া মানুষের দেশ। এখানে মাসের পর মাস সবকিছু বন্ধ করে রাখা সম্ভব নয়। যেখানে ইউরোপের উন্নত দেশগুলো পারেনি, সেখানে প্রতিদিন এখনও বহুমানুষের মৃত্যু হচ্ছে, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে, তারপরও তারা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করেছে।’

একই সঙ্গে সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে ড. হাছান বলেন, ‘তবে এই অর্থনৈতিক কর্মকান্ড শুরু করা কিম্বা ছুটি প্রলম্বিত না করার মানে এই নয় যে, আমরা করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার আগে যেভাবে চলতাম, সেভাবে চলবো। এখন অবশ্যই আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, সবাইকে মাস্ক পরতে হবে, জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে, সব ধরণের শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখতে হবে। আড্ডা থেকে শুরু করে সামাজিক মেলামেশা পরিহার করতে হবে।’

‘মনে রাখতে হবে, আমার সুরক্ষা আমার হাতে’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র প্রয়োজনেই আমরা ঘর থেকে বের হবো ও কাজ করবো, অপ্রয়োজনীয় কোনো কিছু করবো না, তাহলেই আমরা আমাদেরকে সুরক্ষা দিতে পারবো।

দুর্দিনে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শপথ নিয়েছি : মির্জা ফখরুল
                                  

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তার মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ। এ সময় জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত, জিয়া পরিবার ও দেশের সমৃদ্ধি কামনা এবং করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন তারা।

জিয়াউর রহমানের ৩৯তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে পূর্ব ঘোষিত কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ মাজার জিয়ারত করেন।

পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক। আজকে তার ৩৯তম শাহাদত বার্ষিকীতে তার মাজার জিয়ারত করতে এসেছি। যিনি দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে তার মতো ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রপতি থাকলে দেশের মানুষকে এতো বেশি কষ্ট পেতে হতো না। আমরা আজকে বিশেষ এই দিনে চলমান সঙ্কট ও দুর্দিনে সাধ্যমত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শপথ নিয়েছি। একইসাথে গণতন্ত্র রক্ষা ও পুনরুদ্ধারের শপথ নিয়েছি।

তিনি বলেন, বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি প্রতিরোধ করতে বিশেষজ্ঞরা যে পরামর্শ দিয়েছেন তা গ্রাহ্য করেনি সরকার। বরং তারা সবকিছু চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা জনগণের কল্যাণে কোনো কাজ করতে পারে না।

তিনি আরো বলেন, শুরু থেকেই সরকার অদূরদর্শিতা ও প্রজ্ঞাহীনতার পরিচয় দিয়েছে। লকডাউন তুলে নেয়া ও গণপরিবহন চালু নিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজকে গোটা দেশের মানুষ আতঙ্কিত। প্রতিদিন যে টেস্ট হচ্ছে তাতে করোনা আক্রান্ত রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সবকিছু খুলে দিয়ে সরকার আমাদের সমস্ত জাতিকে বড় ধরনের বিপদে ফেলে দিলো।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা সরকারকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বহু পরামর্শ দিয়েছি। কিন্তু তারা তা আমলে নেয়নি।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার ও শায়রুল কবির খান প্রমুখ।

দেশের সব সঙ্কটে শহীদ জিয়ার নেতৃত্ব অবিস্মরণীয়: মির্জা ফখরুল
                                  

বর্তমান সরকার দেশে একদলীয় সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কর্তৃত্ববাদী শাসনের নির্মমতা চারিদিকে বিদ্যমান। জাতির ক্রান্তিকালে সকল সঙ্কটে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব ছিল অবিস্মরণীয়। জাতীয় জীবনের চলমান সঙ্কটে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রদর্শিত পথ ও আদর্শ বুকে ধারণ করেই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। জাতীয় স্বার্থ, বহুমাত্রিক গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার সুরক্ষায় ইস্পাতকঠিন গণঐক্য গড়ে তুলতে হবে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুন:প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) ৩৯তম শাহাদাতবার্ষিকী আগামীকাল ৩০ মে। এ উপলক্ষে শহীদ জিয়ার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও মাগফিরাত কামনা করে শুক্রবার গণমাধ্যমে বাণী দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল।

তিনি বাণীতে বলেন, বিরোধী দলের অধিকার, চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সবচেয়ে বড় শত্রু মনে করে বর্তমান সরকার। সেজন্য গণতন্ত্রের আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়েছিল। এখন তাকে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেয়া হয়েছে। তার মিথ্যা মামলা ও সাজা প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-শহীদ জিয়ার প্রবর্তিত কালজয়ী দর্শন ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ ও তার অবিনাশী আদর্শ এদেশের মানুষকে উদ্দীপ্ত করে আমাদের জাতীয় স্বাধীনতা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রকে সুরক্ষার এবং উৎপাদন ও অগ্রগতি তরান্বিত করার। জাতির ক্রান্তিকালে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব ছিল অবিস্মরণীয়। তিনি সকল সংকটে দেশ ও জনগণের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেন। মহান স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ঘোষণা, স্বাধীনতা যুদ্ধের ময়দানে বীরোচিত ভূমিকা এবং একটি নতুন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণে তাঁর অনবদ্য অবদানের কথা আমি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রারম্ভে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সিদ্ধান্তহীনতায় দেশের মানুষ যখন দিশেহারা ঠিক সেই মুহুর্তে ২৬শে মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা সারা জাতিকে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করেছে। এই ঘোষণায় দেশের তরুণ, যুবকসহ নানা স্তরের মানুষ মরণপণ যুদ্ধে সামিল হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষে জাতি বিদেশী শাসন থেকে মুক্তি লাভ করে বিজয় অর্জনের অব্যবহিত পরে স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর দুর্বিনীত দুঃশাসনে মানুষের নাগরিক স্বাধীনতা ও কাঙ্খিত গণতন্ত্র মাটিচাপা পড়ে। একের পর এক দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা হরণ করা হয়, দেশ একদলীয় সামন্ততান্ত্রিক শাসনের নিষ্ঠূর কবলে পড়ে পিষ্ট হতে থাকে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করে মানুষের বাক ও চিন্তার স্বাধীনতাকে খর্ব করা হয়। সেই সময় দেশের সর্বত্র বিভৎস অরাজকতা নেমে আসে। গণতন্ত্র হত্যা ও অরাজকতার অমানিশার দুর্যোগের মুখে দেশের সিপাহী-জনতার মিলিত শক্তির মিছিলে জিয়াউর রহমান জাতীয় রাজনীতির পাদপ্রদীপের আলোয় উদ্ভাসিত হন। ফিরিয়ে দেন বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং সংবাদপত্র ও নাগরিক স্বাধীনতা। তিনি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা করেন। উৎপাদনের রাজনীতির মাধ্যমে দেশীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধশালী করেন। বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির আখ্যা থেকে খাদ্য রপ্তানীকারক দেশে পরিণত করেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই মহান জাতীয়তাবাদী নেতার জনপ্রিয়তা দেশী-বিদেশী চক্রান্তকারিরা কখনোই মেনে নিতে পারেনি। এই চক্রান্তকারীরা ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে। এই মর্মান্তিক ঘটনার মধ্য দিয়ে একজন মহান দেশপ্রেমিককে দেশবাসী হারায়। তবে চক্রান্তকারীরা যতই চেষ্টা করুক কোনো ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়ককে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিলেই তিনি বিস্মৃত হন না বরং নিজ দেশের জনগণের হৃদয়ে চিরজাগরুক হয়ে অবস্থান করেন।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী চলছে অজ্ঞাত দানব করোনা মহামারির তান্ডব। ইতোমধ্যে তিন লক্ষাধিক মানুষ এই রোগে মৃত্যুবরণ করেছে, আর আক্রান্ত হচ্ছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। এখন গভীর আতঙ্ক ও উৎকন্ঠার মধ্যে রচিত হচ্ছে দিনযাপনের মানবিক কাহিনী। আমাদের সকলকে এ সম্পর্কে সচেতন থেকে করোনার হাত থেকে বাঁচতে আজ শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকীতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে পানাহ চাই।

তিনি বলেন, রণাঙ্গনের অনন্য মুক্তিযোদ্ধা, নির্ভীক, নির্মোহ রাষ্ট্রনায়ক শহীদ জিয়ার বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী শক্তির ক্রমাগত বিদ্বেষপূর্ণ আক্রমনের পটভূমিতে তার অম্লান স্মৃতিকে বুকে ধারণ করে এবার ৩০ মে মহান নেতার শাহাদাতবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের জন্য দল, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন সমূহসহ সকল স্তরের জনগণের প্রতি আমি উদ্বাত্ত আহবান জানাচ্ছি।

সবকিছু খুলে দিলে অবস্থা আরো খারাপ হবে: ড. কামাল
                                  

কোভিড-১৯ সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যেই সাধারণ ছুটি প্রত্যাহার করে ৩১ মে থেকে অফিস ও গণপরিবহন চালুর সরকারি সিদ্ধান্তকে বড় ভুল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

শুক্রবার তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারি এই সিদ্ধান্তে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আরও বাড়বে। এটা মোটেও সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি।

তিনি বলেন, শুরুতে তো দেশে করোনাভাইরাসকে কোনো গুরুত্বই দেয়া হয়নি। তখন বলা হয়েছে না না এটা কিছু না। তারপর লকডাউন দেয়া হল। সেটাও ঠিকমত পালিত হয়নি।

প্রবীণ এই আইনজীবী বলেন, এখন যদি সবকিছু খুলে দেয়া হয় তাহলে তো অবস্থা আরও খারাপ হবে। আমাদের দেশে এখন যে হারে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে এর মধ্যে সব খুলে দেয়া তো ভুল হবে।

করোনা পরীক্ষা বাড়ানোর তাগিদ দিযে তিনি বলেন, সারাদেশে করোনা পরীক্ষাও সেভাবে হচ্ছে না। করোনা নির্ণয়ের পরীক্ষা যদি আরও করা যেত, তাহলে আক্রান্তের হার আরও বেড়ে যেত।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব রুখতে চলমান সাধারণ ছুটি আর না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার এক প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ নিজ ব্যবস্থাপনায় সীমিত আকারে চলবে। এ সময়ে সীমিত পরিসরে গণপরিবহনও চলবে।

শর্তসাপেক্ষে সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যসম্মত বিধি নিশ্চিত করে গণপরিবহন, যাত্রীবাহী নৌযান, রেল চলাচল করতে পারবে। অর্ধেক টিকিট বিক্রি করে ট্রেন চলাচল চালু করা হবে। বিমান কর্তৃপক্ষ নিজ ব্যবস্থাপনায় বিমান চলাচলের বিষয় বিবেচনা করবে।

তবে সর্বাবস্থায় মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কর্তৃপক্ষ জারিকৃত নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

এই নিষেধাজ্ঞাকালে সব প্রকার সভা-সমাবেশ, গণ জমায়েত ও অনুষ্ঠান আয়োজন বন্ধ থাকবে। এই সময়ে মানতে হবে ১৩ দফা স্বাস্থ্যবিধি।

ব্যর্থতা ঢাকতেই সরকার জনজীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে: রিজভী
                                  

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বাংলাদেশে ঝড়ের বেগে সংক্রমিত হচ্ছে করোনাভাইরাস। আর ভাইরাসের রাজনীতিকরণে ব্যস্ত সরকার। তারা বিরাট চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ব্যর্থতা ঢাকতেই জনজীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এখন সাধারণ ছুটি প্রত্যাহারের জন্য করোনাভাইরাসে প্রাণহানীর সকল দায় সরকারকেই নিতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, করোনাভাইরাসের ভয়াবহ মহামারিতে বিপর্যস্ত গোটা পৃথিবী। বৈশ্বিক বাস্তবতায় বাংলাদেশও যেন করোনার ছোবলে নীল হয়ে উঠেছে। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় দেশে দেশে নেয়া হয়েছে লকডাউন, কারফিউ-জরুরি অবস্থাসহ নানা কঠোর পদক্ষেপ। আর বিশ্বে একমাত্র বাংলাদেশেই ‘ছুটি’ দিয়ে কথিত লকডাউন বলে প্রচার করে আসছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোতে কেউ ‘ছুটি’ শব্দটি ব্যবহার করেনি। আমাদের পাশের দেশ ভারতও ঘোষণা দিয়ে লকডাউন করেছে। মুসলিম দেশগুলো কারফিউ দিয়েছে। ‘ছুটি’ শব্দটি কেনো দেয়া হলো তা নিয়ে সব শ্রেণীর মানুষের মাঝে বিস্ময় রয়েছে। ‘ছুটি’ শব্দটি প্রয়োগ করে শৈথিল্য অপসারণ করা সম্ভব নয়। গার্মেন্টস, দোকান পাট, হাটবাজার, ব্যাংক-বীমা, সরকারি অফিস-আদালত-এতকিছু খোলা রেখে কঠোরভাবে ছুটি পালনের নামে জনগণের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে এখন সাধারণ ছুটি না বাড়ানোর পাশাপাশি বাস, রেল ও লঞ্চের মতো গণপরিবহন চালু করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে সরকার। প্রতিটি বোধ সম্পন্ন মানুষ আশা করেছিল যেভাবে প্রতিদিন ভয়াবহ বিপর্যয়ে ধাবিত হচ্ছে করোনা মহামারি, তাতে সরকার হয়তো কঠোর পদক্ষেপ নিবে। এখনই উপযুক্ত সময়ই ছিল কিছুদিনের জন্য হার্ড-লকডাউন কার্যকর করে ব্যাপক জনগণকে টেস্টের আওতায় এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা। কিন্তু সরকার সেই পথে না গিয়ে হাঁটছে মৃত্যুর মিছিল বাড়ানোর পথে।

তিনি বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অধিক সংখ্যক টেস্ট এবং কঠোর লকডাউনের মাধ্যমে আক্রান্ত ও মৃত্যু নিয়ন্ত্রণে আনার পর শিথিল করছে আর এদেশে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর ভীতিকর মাত্রায় প্রতিটি মানুষ যখন আতংকিত-উৎকণ্ঠিত তখন ছুটি নামের তথাকথিত লকডাউন তুলে নেয়ার পদক্ষেপের মাধ্যমে সরকার কি প্রমাণ করতে চায় ‘করোনার থেকে তারা শক্তিশালী’?

রিজভী বলেন, ৩১ মে থেকে ছুটি প্রত্যাহার করে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ ব্যাপক সংখ্যক মানুষকে মৃত্যুগহব্বরের দিকে ঠেলে দিয়ে নিজেরা নিরাপদ দূরত্বে থেকে নিজেদের বেশ শক্তিশালী মনে করা যায়। সরকারের মন্ত্রী-নেতারা হঠকারী ও অবিবেচক সিদ্ধান্ত দিতেই পারঙ্গম। ছুটি প্রত্যাহারের মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষকে আক্রান্তের দিকে ঠেলে দেয়া হলো। এটা সরকারের সবচাইতে বড় আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। পরবর্তীতে হয়তো আফসোস করারও সুযোগ থাকবে না। টাকার জন্যই জীবন, মানুষের জীবনের দরকার নেই-এটাই সরকারের নীতি। মানুষকে বিপদে ফেলে দেয়ার এই সিদ্ধান্ত বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা বার্তার প্রতিও সরকারের বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন। বাংলাদেশ একাই নয়, মরণঘাতী করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে বিশ্বের প্রতিটি দেশই বিপর্যস্ত। তবে যেসব দেশ মরণঘাতী করোনাভাইরাসের তাণ্ডবকে সাধারণ সংকট ভেবে কর্ম পরিকল্পনা তৈরী করেছিল তাদেরকে নজিরবিহীন পরিস্থিতি মোকবেলা করতে হচ্ছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা দেখেও কোনো কিছু শিখেছি বলে মনে হচ্ছে না।

তিনি বলেন, গত একদশকে প্রতিটি ঘটনায় বিরোধী দল ও মতের মানুষের বিরুদ্ধে র‌্যাব-পুলিশ লেলিয়ে দিয়ে ক্ষমতাসীনরা পরিস্থিতির উপর জবরদস্তিমূলক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল। এবারো মনে হয় তারা একই কায়দায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার পরিকল্পনা করে যাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সারাবিশ্ব যেখানে ‘লকডাউন’, ‘আইসোলেশন’ কিংবা ‘কোয়ারেন্টাইন’-এর মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সেখানে বাংলাদেশ ‘সাধারণ ছুটি’র নামে, সাত দিন কিংবা ১০ দিন করে ছুটি বাড়িয়ে বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখানোর চেষ্টা করেছে। আর এখন আবার অফিস-আদালত খুলে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করেছি, সরকার শুরু থেকেই ‘মরণঘাতী ভাইরাস পরিস্থিতি’ গুরুত্বের সাথে নেয়নি। নিশিরাতের সরকারের মন্ত্রীদের বক্তব্যে মন্তব্যেও এর প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রমাণ পাওয়া গেছে সরকারের অপরিকল্পিত, দায়সারা এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের।

বিএনপির রাজনীতি এখন ‘আইসোলেশনে’ থাকে: কাদের
                                  

বিএনপির রাজনীতি এখন ‘আইসোলেশনে’ থাকে উল্লেখ করে বুধবার দলটির সমালোচনা করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।   

তিনি বলেন, ‘যেকোনো দুর্যোগে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করাই হলো বিএনপির রাজনীতি।’

নিজ সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয়ে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন কাদের।

শেখ হাসিনা সরকার দক্ষতা ও সাহসিকতার সাথে আলোচনা করেই জীবন ও জীবিকার ভারসাম্য তৈরি করার চেষ্টা করছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘লকডাউনের নামে জনগণের জীবনকে স্তব্ধ করার পাশাপাশি জীবিকা রুদ্ধ করে অর্থনৈতিক স্থবিরতা সৃষ্টির অপকৌশলই বিএনপির মনের কথা।’

মন্ত্রী বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সমন্বয়হীনতার কথা বলে কি বোঝাতে চেয়েছেন তা স্পষ্ট না করে বরাবরের মতো কথামালার চাতুরি দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছেন।’

এসময় সকলকে কঠোরভাবে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা এবং ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ঔষধ প্রশাসন উদ্দেশ্যমূলকভাবেই করোনার পরীক্ষা করতে আগ্রহী নয়: মির্জা ফখরুল
                                  

ঔষধ প্রশাসন উদ্দেশ্যমূলকভাবেই করোনার পরীক্ষা করতে আগ্রহী নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করেছি, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র কর্তৃক উদ্ভাবিত করোনা পরীক্ষার কীট যখন বিএসএমএমইউ হাসপাতালে ট্রায়াল পরীক্ষা হচ্ছিল সেই সময়ে হঠাৎ করেই সরকারের ঔষধ প্রশাসন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র কর্তৃক উদ্ভাবিত করোনা পরীক্ষার ট্রায়াল স্থগিত করে দিয়েছে। এতে করে প্রতীয়মান হয় যে, ঔষধ প্রশাসন উদ্দেশ্যমূলকভাবেই করোনার পরীক্ষা করতে আগ্রহী নয়। আমরা দাবি করছি অবিলম্বে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র কর্তৃক উদ্ভাবিত করোনা কীট পরীক্ষার সমাধান হোক।

বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, করোনাভাইরাসে সংক্রমণের হার দ্রুত বাড়ছে এবং এতে করে মৃত্যুর হারও বাড়ছে। আমরা ইতোমধ্যে গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করেছি যে, সাধারণ জনগোষ্ঠীর সাথে সাথে দেশের বরেণ্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ আক্রান্ত হচ্ছেন ও মৃত্যুবরণ করছেন। সোমাবার দেশের বরেণ্য বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা, চিকিৎসক ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আমি তার আশু রোগমুক্তি কামনা করছি। পাশাপাশি অন্যান্য যারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তাদেরও আশু রোগমুক্তি কামনা করছি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ইতোমধ্যে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, গণমাধ্যম কর্মী, রাজনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতৃবর্গ যারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের প্রতি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি এবং তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। এসময় তিনি জনগনকে ঘরে থাকার অবুরোধ জানিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।

করোনা সংকটেও নেতিবাচক রাজনীতির বৃত্তে বিএনপি: কাদের
                                  

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, করোনা ভাইরাসের সংকটের মধ্যেও বিএনপি নেতিবাচক রাজনীতির বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে।

তিনি বলেন, করোনা সংকটের শুরু থেকে আজ অবদি শেখ হাসিনা সরকারের উদ্যোগ, গৃহীত ও বাস্তবায়িত সিদ্ধান্ত যখন দেশ বিদেশে প্রশংসিত, তখন মির্জা ফখরুল সাহেবেরা পুরানো নেতিবাচকতার বৃত্তেই ঘুরপাক খাচ্ছেন।

আজ মঙ্গলবার তার সংসদ ভবনস্থ সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক আনলাইন সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সিয়াম সাধনার পর পবিত্র ঈদের দিনে মানুষের পাশে না থেকে, মানুষকে সাহস না যুগিয়ে মির্জা ফখরুল সাহেবেরা সরকারের বিরুদ্ধে বিশোধগার ও সমালোচনার তীর ছুড়ছেন, যা অনাকাঙ্খিত ও অপ্রত্যাশিত । নিজেরা জনগণের পাশে দাঁড়াবেন না, ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের খোঁজ খবরও নেবেন না, অথচ মিডিয়ায় সরকারের সমালোচনা করবেন। এটা কি বিএনপির রাজনীতি ?’

বিএনপিকে কোনো কর্মসূচিতে সরকার বাধা দেয়নি দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, পবিত্র ঈদের দিনেও জনগণ তাদের মুখের বিষ থেকে রেহাই পায়নি। সরকার একদিকে করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধ ও আক্রান্তদের চিকিৎসা দিচ্ছে, অপর দিকে ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের সুরক্ষায় পূর্ণ মনোনিবেশ করছেন। এমতাবস্থায় বিএনপিকে কোনো কর্মসূচিতে বাধা প্রদান, মিথ্যাবাদী রাখাল বালকের গল্পের মত।

সামনে বাংলাদেশের জন্য আরও কঠিন সময় আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাণঘাতী এ ভাইরাস থেকে রেহাই পেতে প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদারের কোনো বিকল্প নেই। সামনের কঠিন সময় আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলি। ধৈর্যহারা না হয়ে সাবধানতা অবলম্বন করি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি অধিকাংশ মানুষের মাঝে ধৈর্য্য ও শৃঙ্খলার ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। অনেকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে ঘরে অবস্থান করলেও, অনেকেই এসব কানে তুলছে না। স্বাভাবিক সময়ের মত ঘোরাফেরা করছেন, হাটবাজারের ভিড়ে অংশ নিচ্ছেন, স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দুরত্ব মেনে চলছেন না। করছেন না দায়িত্বশীল আচরণ। এই উদাসিনতা নিজের ও আশপাশের সকলের ভয়ানক বিপদ ডেকে আনছেন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ উদ্যোগের অবনতি ঘটাচ্ছে। বাসস

চলে গেলেন বিএনপি নেতা এম এ মতিন
                                  

চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) নির্বাচনী এলাকার চারবারের সাবেক এমপি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এমএ মতিন (৮৭) মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল ৯টায় ঢাকার উত্তরা রেডিক্যাল হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসেনর প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দফতর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দিদার ও মিন্টু জানান, এক সপ্তাহ আগে তিনি উত্তরা নিজ বাসায় ব্রেন স্ট্রোক করলে উত্তরা রেডিক্যাল হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার সকালে সেখানেই মারা যান তিনি। তার স্ত্রী চার বছর আগে মারা যান। তিনি এক ছেলে ও চার মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। মরদেহ আজই চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলায় নেয়া হবে।

স্থানীয়ভাবে জানাজা শেষে টোরাগড় মুন্সিবাড়ী পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমের দাফন করা হবে।

করোনা মোকাবেলায় সরকারের সমন্বয়হীনতা রয়েছে: মির্জা ফখরুল
                                  

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের চরম সমন্বয়হীনতা রয়েছে। সরকার দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে শর্তসাপেক্ষে মাত্র ছয় মাসের জামিন দেওয়াটা অন্যায়। তাকে সম্পূর্ণভাবে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া উচিত বলেন মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার ( ২৫ মে) ঈদুল ফিতরের দিন দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

এর আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা শহীদ জিয়ার মাজার জিয়ারত ও দেশবাসীর জন্য বিশেষ মুনাজাত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার, শায়রুল কবির খান প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। মুনাজাত পরিচালনা করেন ওলামা দলের সদস্য সচিব মাওলানা নজরুল ইসলাম।

মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমানে করোনা ভাইরাস গোটা বিশ্ব ব্যবস্থা ওলটপালট করে দিয়েছে। বাংলাদেশেও আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু এক্ষেত্রে সরকার লকডাউন না করে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। সরকারের কর্মকাণ্ডে চরম অসামঞ্জস্যতা দেখা যাচ্ছে। তারা দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ করছে। এবারের ঈদ একেবারেই অন্যরকম। তারপরও সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। ঈদ মোবারক।

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগে যেমন ছিলো তেমনি আছে। স্থিতিশীল রয়েছে বলেও জানান। এ সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় কারাবন্দী সবার মুক্তি দাবি ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সরকার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে কিছুই করেনি : মির্জা ফখরুল
                                  

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার ব্যর্থ মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই সরকার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে কিছুই করেনি। যা মানুষের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার। অথচ সরকার বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বানিয়েছে, বিভিন্ন মেগা প্রজেক্ট বানিয়েছে। কিন্তু মানুষের যেটা মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার সেই স্বাস্থ্য খাতের জন্য কিছু করেনি সরকার।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।

তিনি সরকারের সমালোচনা করে বলেন, যেখানে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছে। সেখানে বর্তমান সরকার অবহেলা করছে। করোনা টেস্ট করানোর জন্য মানুষ মধ্যরাত থেকে লাইনে দাঁড়াচ্ছে। কিন্তু তারা টেস্ট করাতে পারছে না।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত সরকারকে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু সরকার সবকিছুতেই ষড়যন্ত্র খুঁজে। লকডাউন শিথিল করে মানুষকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হয়েছে। পুরানো ঢাকায় দেখবেন হাজার হাজার মানুষের ঢল। কিসের সামাজিক দূরত্ব। করোনা প্রতিরোধে নির্দেশনা মানা হচ্ছে না।

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সামাজিক দূরত্বসহ অন্যান্য নির্দেশনা মেনেই তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করেছেন। শারীরিক খোঁজ-খবর নেয়াসহ কুশল বিনিময় ও বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, করোনাভাইরাসে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন বিশেষ করে চিকিৎস, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, সাংবাদিক, আইনশৃংখলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য, ব্যাংকার, পেশাজীবী, শ্রমজীবী মানুষ, তাদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করছি। তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি যারা এই করোনা মোকাবিলায় অগ্রসেনানী হিসেবে কাজ করছেন চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যসেবী কর্মী, বিভিন্ন আইন-শৃংখলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যসহ, সাংবাদিক, বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মী, ব্যাংকার, শ্রমজীবী মানুষ (গার্মেন্টস কর্মী) অর্থনীতিকে বাচিয়ে রাখতে যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন তাদের।

তিনি বলেন, প্রায় সোয়া দুই মাস আগে বাংলাদেশে করোনা রোগী শনাক্তের পর সরকারের সমন্বয়হীনতা ও উদাসীনতায় এখন প্রতিদিনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্তান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। মানুষের জীবন বাঁচাতে ব্যর্থ হচ্ছে সরকার। যখন চীনে করোনা মহামারি শুরু হলো তখন সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি। তখন তারা অন্য একটি অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। প্রথম থেকে তারা যথাযথ পদক্ষেপ নিলে তাহলে আজ লাশের সারি দীর্ঘ হতো না। জনগণের কাছে তাদের জবাবদিহিতা না থাকার কারণে সরকার এমন আচরণ করেছে। মানুষকে বাঁচাতে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। যদি তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হতেন তাহলে তারা জনগণের জন্য ব্যবস্থা নিতেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, একদিকে খাদ্যের জন্য হাহাকার চলছে। দেশের সব জেলায়ই ত্রাণের জন্য গরীব অসহায় মানুষ বিক্ষোভ করছে , সড়ক অবরোধ করছে। অন্যদিকে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। পর্যাপ্ত চিকিৎসা পাচ্ছেন না করোনা আক্রান্তরা। এমনকি অন্যান্য রোগে আক্রান্তরাও যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছেন না। বিনা চিকিৎসায় পথে, ঘাটে, বাসে, ফুটপাতে এখন লাশ পড়ে থাকার খবর বের হচ্ছে। এটা কী নিদারুণ অবস্থা। শাহবাগে লম্বা লাইন ধরে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করেও করোনা টেস্ট করাতে না পেরে সড়কেই ছেলে - মেয়ের চোখের সামনে প্রাণ হারিয়েছেন বৃদ্ধ। করোনার টেস্ট করতে মানুষ হয়রানীর শিকার হচ্ছে। সরকার ঘোষিত ৪২টি সেন্টারের বেশ কয়েকটি সেন্টার কার্যকর নয়। যেসব সেন্টারে টেস্ট হচ্ছে তাও অপর্যাপ্ত। মানুষ লাইন ধরে ফিরে যাচ্ছে টেস্ট না করে। গণমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে বিএসএমএমইউ হাসপাতালের সামনের সড়কে কি লম্বা লাইন। আগের রাতে লাইন ধরে অসুস্থ রোগীরা কিভাবে শুয়ে আছে, বসে আছে। তারপরও টেস্টের সিরিয়াল পাচ্ছে না। অন্যান্য হাসপাতালগুলোতেও একই অবস্থা। যে পরিমাণ টেস্ট হচ্ছে তাও আবার এখন পর্যন্ত দিনে ১০ হাজারে ওঠেনি। এরমধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ শতাংশ উঠেছে। যদি বেশি টেস্ট হতো তাহলে আক্রান্তের সংখ্যা আরো অনেক বেশি বেড়ে যেত। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বারবার বলেছে টেস্ট টেস্ট টেস্ট। টেস্টের কোনো বিকল্প নেই। যত বেশি টেস্ট করা হবে তত বেশি সংক্রমিত জনগোষ্ঠীকে বাঁচানো সম্ভব হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, করোনা আক্রান্ত রোগীরা হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরেও ঘুরেও ভর্তি হতে পারছেন না। অভিযোগ রয়েছে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে বিনা চিকিৎসায়। এ যদি সরকারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার অবস্থা হয় তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী তাতো বুঝাই যায়। শুধু কিটের অভাবে করোনার টেস্ট করতে পারছেন না আক্রান্ত রোগীরা। অথচ ডাক্তার জাফরুল্লাহ চৌধুরী সাহেবের কিট অনুমোদন নিয়ে কত টালবাহানা চলছে।

সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনার সংক্রমণ এখন ঊর্ধ্বমুখী, সরকার করোনা মোকাবিলায় চারদিক থেকে ব্যর্থ। দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে আছে বলে সরকারের মন্ত্রীরা প্রতিদিন মুখে বুলি আওড়াচ্ছেন। অথচ স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির এক শতাংশও বরাদ্দ দেয়া হয়নি। আবার যেটুকু বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল তাও হরিলুট হয়েছে। যন্ত্রপাতি ক্রয়ের নামে সরকারি টাকা লুট হয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর ব্যবস্থা অপ্রতুল। দেশের ৯০ ভাগ হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেনের ব্যবস্থাও নেই। এমনকি হাসাপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হয়নি। নিম্নমানের মাস্ক সরবরাহ করে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বিপদে ফেলে দিয়েছে সরকার। নিজেরা আতঙ্কিত হয়ে এখন তারা রোগীদের চিকিৎসা দিতেও ভয় পাচ্ছেন। প্রতিটি ক্ষেত্রে অদূরদর্শিতা, সমন্বয়হীনতা, উদাসীনতা ও একগুয়েমী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। করোনায় মৃত্যুর দায় সরকারকে নিতে হবে।

জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে বিএনপি বিষোদগার করছে : কাদের
                                  

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, চলমান করোনা সংকটে বিএনপি নেতারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন না।

তিনি বলেন, ‘করোনা সংকটে বিএনপি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের ভূমিকা পালন ও জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে। নেতিবাচক রাজনীতির কারনেই বিএনপির পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।’
ওবায়দুল কাদের আজ সোমবার সকালে তাঁর সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, ঈদকে সামনে রেখে দলে দলে মানুষ গ্রামের দিকে চলে যাচ্ছেন। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন মার্কেটের অতিরিক্ত সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এ সময় সকলকে যার যার অবস্থানে থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের ছুটি কাটানোর অনুরোধ করছি। সামান্যতম উপেক্ষা নিজের এবং আশপাশের মানুষের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সংকটের শুরু থেকে অসহায় ও গরীব মানুষের পাশে আছে। আমি নেতাকর্মীদের আসন্ন ঈদে কর্মহীন, বেকার ও ভাসমান মানুষের পাশে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

সমাজের ধনী ও বিত্তবানদের তিনি বলেন, সরকারি সহায়তার পাশাপাশি অসহায় কর্মহীন মানুষের পাশে সবার আগে ছুটে গেছে আওয়ামী লীগ। চালিয়ে যাচ্ছে নানামুখী সহায়তা। আমি এ সময় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বিত্তবান ও সামর্থ্যবানদের কর্মহীন অসহায় ও প্রবাসি পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো অনুরোধ জানাচ্ছি।

মন্ত্রী বলেন, করোনা যুদ্ধে ফ্রন্টলাইনে যারা লড়াই করছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই আপনারা কোন অবস্থাতেই মনোবল ও ধৈর্য হারাবেন না। এসময় আপনারা যে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করছেন সেজন্য দেশবাসীর আপনাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আপনারা হতাশ হবেন না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় করোনাযুদ্ধে জয়ী হব।
ওবায়দুল কাদের বলেন, সঙ্কটের পরীক্ষিত নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতি আপনারা আস্থা রাখুন। সকলের সম্মিলিত প্রয়াসে চলমান দুর্দিন ইনশাআল্লাহ কেটে যাবে। সঙ্তটের রাত যত গভীর হবে সম্ভাবনার সুবর্ণ সকাল ততই ঘনিয়ে আসবে।
সূত্র : বাসস

যারা গরিবের ত্রাণ মেরে খায় তারা কী মানুষ, প্রশ্ন রিজভীর
                                  

করোনাভাইরাসের সংকটকালে গরিব মানুষের জন্য সরকারের ত্রাণ বিতরণে বাটপারি ও চরম জালিয়াতি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, যারা গরিব মানুষের ত্রাণ মেরে খায় তারা কী মানুষ? এদের কী দেশের প্রতি জনগণের প্রতি কোনো মায়া থাকতে পারে? এদের কোনো মায়া নেই বলেই আজকে দেশে ভয়ংকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

তিনি বলেন, সরকার করোনা বিষয়ে সঠিক তথ্য গোপন করে মানুষকে অন্ধকারে রাখছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হলে এসব হতো না।

সোমবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে শংকর এলাকায় গরিব মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রিজভী।

ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মো: আবদুস সালামের উদ্যোগে এই ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠান হয়। এসময় বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, মোহাম্মদপুর থানা বিএনপি সভাপতি মো: ওসমান গনি, সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী মো: ইউসুফ, সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল হোসেন কোয়েল, আদাবর থানা বিএনপি সভাপতি অ্যাডভোকেট আক্তারুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক হাজী মো: নাসির উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ৫০ লাখ মানুষকে ত্রাণ হিসেবে টাকা দিবেন। সেখানে দেখা গেছে ৪০ জন লোকের নামের পাশে শুধু একটিই মোবাইল নাম্বার দেয়া আছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও প্রশাসনের কিছু লোক এই ধরনের অনৈতিক কাজে লিপ্ত। তাহলে বুঝেন কী ধরনের চুরি-চোট্টামি চলছে?

তিনি বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা পকেটের টাকা দিয়ে সারাদেশে অসহায় গরীব মানুষকে প্রাণ দিচ্ছে। আমরা এমনিতেই বিপদে আছি। আমাদের রাস্তায় দেখলেই গ্রেফতার করা হয়। গুম করে নিয়ে যায়। এই অবস্থার মধ্যেও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যতই বিপদ আসুক অসহায় মানুষদের পাশে থাকতে হবে। এজন্য আমরা সারাদেশে সর্বদা মানুষের পাশে আছি এবং থাকব। কিন্তু বিএনপির এসব কার্যক্রম সহ্য করতে পারছে না সরকার। তারা হিংসায় জ্বলে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকার কয়েকটি ফ্লাইওভার তৈরি করে উন্নয়নে ভাসিয়ে দিচ্ছেন বলে প্রচার করছে। কিন্তু করোনা রোগীদের দরকার ভেন্টিলেটর, অক্সিজেন। দেশের ৯০ ভাগ হাসপাতালে এ ব্যবস্থা নেই। তাহলে মানুষ বাঁচবে না মরবে? সরকার মানুষ বাঁচানোর কোনো কাজ করেনি।

রিজভী আরো বলেন, আজকে মানুষের লাশ পরে থাকে রাস্তার ধারে, নদীর কিনারে! হাসপাতালে কোনো চিকিৎসা নেই। অক্সিজেন সিলিন্ডার ও মাস্ক নেই। ভেন্টিলেটর নেই। তাহলে তো মানুষ মরবেই!

এসবের মধ্যেই বিএনপি নেতাকর্মীরা সামর্থ্য অনুযায়ী গরিব অসহায় মানুষের পাশে থাকবে এবং ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখবে বলে জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব।

রওশন এরশাদ অসুস্থ হয়ে সিএমএইচে ভর্তি
                                  

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির (জাপা) চিফ প্যাট্রন রওশন এরশাদ অসুস্থ। শনিবার তিনি ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ( সিএমএইচ) ভর্তি হয়েছেন। তিনি শ্বাসকষ্ট ও এলার্জি জনিত সমস্যায় ভুগছেন বলে তার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

বিরোধীদলীয় নেতার ব্যক্তিগত সহকারী মামুন হাসান ইত্তেফাককে জানান, রওশন এরশাদ আগে থেকেই পায়ের গোড়ালিতে এলার্জি জনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। মূলত এ কারণেই তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রক্তচাপ জনিত কারণে সামান্য যে শ্বাসকষ্ট ছিল সেটিও সেরেছে। চিকিৎসকরা আশা করছেন, আজ সোমবার বিরোধীদলীয় নেতা বাসায় ফিরতে পারবেন।

ত্রাণ বিতরণে তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না: ওবায়দুল কাদের
                                  

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ত্রাণ সহায়তা কর্মসূচির তালিকা প্রণয়নে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।

তিনি বলেন, ‘ত্রাণ সহায়তা কর্মসূচির তালিকা প্রণয়নে কোনো ধরনের অনিয়ম সরকার বরদাস্ত করবে না। ত্রাণ বিতরণে যেই অনিয়ম করবে দলীয় পরিচয়ে হলেও রেহাই পাবে না।’

ওবায়দুল কাদের আজ শনিবার রাজধানী ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী সংসদ ভবনস্থ তার সরকারি বাসা থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশ সফলভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাই, ত্রাণ সহায়তা কর্মসূচির তালিকা প্রণয়নে কোনো ধরনের অনিয়ম সরকার বরদাস্ত করবে না।

তিনি বলেন, যারা ভাসমান, ঘর নেই, খোলা আকাশের নিচে বসবাস করে তাদের খুঁজে খুঁজে তালিকা করে ঈদের আগেই ত্রাণ সাহায্য দেয়া হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ঈদকে সামনে রেখে মানুষের শহর থেকে গ্রামে যাওয়ার প্রবণতা পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলতে পারে। তাই, পরিস্থিতি অবনতিশীল যাতে না হতে পারে সেজন্য শপিংমল, ফেরিঘাটসহ বিভিন্ন পয়েন্টে ভিড় তৈরি করা থেকে বিরত থাকুন।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রকারান্তরে নিজেদের এবং চারপাশের মানুষের জীবনের গভীর অমানিশা ডেকে আনবে, এভাবে চলতে থাকলে দুর্যোগের অন্ধকারাচ্ছন্ন অতিক্রমের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তাই, আমাদের সবাইকে শতর্ক থাকতে হবে।

অসহায় মানুষকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সারাদেশে সংকটের শুরু থেকেই দলীয় নেতা-কর্মীরা জীবনবাজি রেখে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আপনারা এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখুন। যাতে দেশের মানুষ না খেয়ে কষ্ট না পায়।

এ সময়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফি, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আশরাফ তালুকদার, সাবেক প্রচার সম্পাদক আক্তার হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র : বাসস


   Page 1 of 263
     রাজনীতি
মোহাম্মদ নাসিম আইসিইউতে, শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল
.............................................................................................
খেটে খাওয়া মানুষের কথা ভাবে না বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
দুর্দিনে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শপথ নিয়েছি : মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
দেশের সব সঙ্কটে শহীদ জিয়ার নেতৃত্ব অবিস্মরণীয়: মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
সবকিছু খুলে দিলে অবস্থা আরো খারাপ হবে: ড. কামাল
.............................................................................................
ব্যর্থতা ঢাকতেই সরকার জনজীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে: রিজভী
.............................................................................................
বিএনপির রাজনীতি এখন ‘আইসোলেশনে’ থাকে: কাদের
.............................................................................................
ঔষধ প্রশাসন উদ্দেশ্যমূলকভাবেই করোনার পরীক্ষা করতে আগ্রহী নয়: মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
করোনা সংকটেও নেতিবাচক রাজনীতির বৃত্তে বিএনপি: কাদের
.............................................................................................
চলে গেলেন বিএনপি নেতা এম এ মতিন
.............................................................................................
করোনা মোকাবেলায় সরকারের সমন্বয়হীনতা রয়েছে: মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
সরকার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে কিছুই করেনি : মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে বিএনপি বিষোদগার করছে : কাদের
.............................................................................................
যারা গরিবের ত্রাণ মেরে খায় তারা কী মানুষ, প্রশ্ন রিজভীর
.............................................................................................
রওশন এরশাদ অসুস্থ হয়ে সিএমএইচে ভর্তি
.............................................................................................
ত্রাণ বিতরণে তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না: ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
ত্রাণের টাকাও মেরে খাচ্ছে সরকারের লোকেরা: রিজভী
.............................................................................................
স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে: কাদের
.............................................................................................
আওয়ামী লীগের কারণেই পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত বাংলাদেশ: মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
করোনাক্রান্ত রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা আড়াল করছে সরকার: রিজভী
.............................................................................................
উপমন্ত্রী নওফেলের মা হাসিনা মহিউদ্দিন করোনায় আক্রান্ত
.............................................................................................
অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করেছে : কাদের
.............................................................................................
লকডাউন শিথিল করে প্রধানমন্ত্রী ভুল পথে হাঁটছেন: রিজভী
.............................................................................................
মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামীর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন
.............................................................................................
দোষারোপের রাজনীতি পরিহার করুন: হানিফ
.............................................................................................
সরকারের সমালোচনার নামে বিএনপি হীন কৌশল অবলম্বন করছে: কাদের
.............................................................................................
ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে মুক্তি পেতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে ফখরুলের চিঠি
.............................................................................................
ঈদে শপিংয়ের টাকা কর্মহীনদের দান করুন: দলীয় নেতাকর্মীদের কাদের
.............................................................................................
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ব্যাপক অপব্যবহার চলছে: মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
জালিয়াতি মামলায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি গ্রেফতার
.............................................................................................
খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে কোনো জমিই অনাবাদি রাখা যাবে না: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
ত্রাণ নিয়ে বিরোধ: চট্টগ্রামে আ’লীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা
.............................................................................................
গণমাধ্যমই বিএনপিকে বাঁচিয়ে রেখেছে: ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
৬ সপ্তাহে ১২ লাখ মানুষকে ত্রাণ দিয়েছে বিএনপি
.............................................................................................
ঢাকা-৫ আসনের এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লা মারা গেছেন
.............................................................................................
রাজনৈতিক বিরোধিতার নামে সরকারের সমালোচনায় বিএনপি: কাদের
.............................................................................................
করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ব্যর্থ: মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
দুর্বলতায় করোনা আরও বিধ্বংসী হয়ে উঠবে: ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
করোনা পরিস্থিতিতে ৮ দফা প্রস্তাবনা নাগরিক ঐক্যের
.............................................................................................
ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপি মহাসচিবের ত্রাণ বিতরণ
.............................................................................................
দুর্যোগে ঐক্যের বিকল্প নেই: ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
জনগণের ক্ষুধা নিয়ে সরকার তামাশা করছে: বিএনপি
.............................................................................................
বাজার হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কায় পোশাক কারখানা চালু: কাদের
.............................................................................................
নিম্ন মধ্যবিত্তদের সাহায্যে এমপি নিক্সন চৌধুরীর হট লাইন চালু
.............................................................................................
রমজানে ১০ হাজার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা ইশরাকের
.............................................................................................
করোনায় আরো কিছুদিন ধৈর্য ধরুন: ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
করোনায় হেলাল খানের পিতার মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের শোক
.............................................................................................
বাজার অস্থিতিশীল করলে কঠোর ব্যবস্থা: ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
কিছু মানুষ জীবিকা হারিয়ে চরম সংকটে: জিএম কাদের
.............................................................................................
নিপীড়িত পরিবারগুলোকে বিএনপির ঈদ উপহার কর্মসূচির উদ্বোধন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD