বৃহস্পতিবার , ১৬ রবিঃ আউয়াল ১৪৪১ | ১৪ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   রাজনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ডা. শফিকুর রহমান জামায়াতে ইসলামীর আমীর নির্বাচিত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান সংগঠনের সদস্যদের (রুকন) প্রত্যক্ষ ভোটে দলটির আমীর নির্বাচিত হয়েছেন। গত ১৭ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন আজ মঙ্গলবার নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেছে।

ডা. শফিকুর রহমানের সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত

ডা. শফিকুর রহমান ১৯৫৮ সালের ৩১ অক্টোবর মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম আবরু মিঞা ও মাতার নাম মরহুমা খাতিবুন নেসা। তার বর্তমান ঠিকানা সিলেট মহানগরীর শাহপরান থানার সবুজবাগ এলাকায়। তিনি ১৯৮৩ সালে সিলেট মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। তিনি ছাত্র জীবনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সিলেট শহর শাখার সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য হন। তিনি ১৯৮৬ সাল থেকে ৮৮ সাল পর্যন্ত সিলেট জেলা শাখা জামায়াতের সেক্রেটারি ও ১৯৮৯ থেকে ৯১ পর্যন্ত সিলেট জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর এবং ১৯৯১ থেকে ৯৮ সাল পর্যন্ত সিলেট জেলা জামায়াতের আমীর, ১৯৯৮ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত সিলেট মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৯৮ সালে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মনোনীত হন। ২০১০ সাল থেকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, ২০১১ সাল থেকে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ও ২০১৭ সাল থেকে বর্তমান মুহূর্ত পর্যন্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

জামায়াতের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ বর্তমান সরকার ডা. শফিকুর রহমানকে একাধিকবার গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা’ দিয়ে জেলে বন্দি করে রাখে। তিনি জনগণের ভোটাধিকার আদায়ের আন্দোলনসহ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান, একটি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান এবং একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি অনেক এতিমখানা ও মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা এবং বহু দাতব্য চিকিৎসালয়, ক্লাব ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি একটি কামিল মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।’ 

নবনির্বাচিত জামায়াত আমীর সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি, স্পেন, গ্রীস, বেলজিয়াম, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, আরব আমিরাত, ফিলিপাইন, ব্রুনাই প্রভৃতি দেশ ভ্রমণ করেছেন। তিনি ২ কন্যা ও ১ পুত্র সন্তানের জনক। তার স্ত্রী ডা. আমিনা শফিক ৮ম জাতীয় সংসদের সদস্যা ছিলেন। তার ২ মেয়ে চিকিৎসা শাস্ত্রে উচ্চতর শিক্ষা নিয়েছেন এবং একমাত্র পুত্র এমবিবিএস শেষ বর্ষের ছাত্র।

ডা. শফিকুর রহমান জামায়াতে ইসলামীর আমীর নির্বাচিত
                                  

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান সংগঠনের সদস্যদের (রুকন) প্রত্যক্ষ ভোটে দলটির আমীর নির্বাচিত হয়েছেন। গত ১৭ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন আজ মঙ্গলবার নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেছে।

ডা. শফিকুর রহমানের সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত

ডা. শফিকুর রহমান ১৯৫৮ সালের ৩১ অক্টোবর মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম আবরু মিঞা ও মাতার নাম মরহুমা খাতিবুন নেসা। তার বর্তমান ঠিকানা সিলেট মহানগরীর শাহপরান থানার সবুজবাগ এলাকায়। তিনি ১৯৮৩ সালে সিলেট মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। তিনি ছাত্র জীবনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সিলেট শহর শাখার সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য হন। তিনি ১৯৮৬ সাল থেকে ৮৮ সাল পর্যন্ত সিলেট জেলা শাখা জামায়াতের সেক্রেটারি ও ১৯৮৯ থেকে ৯১ পর্যন্ত সিলেট জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর এবং ১৯৯১ থেকে ৯৮ সাল পর্যন্ত সিলেট জেলা জামায়াতের আমীর, ১৯৯৮ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত সিলেট মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৯৮ সালে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মনোনীত হন। ২০১০ সাল থেকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, ২০১১ সাল থেকে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ও ২০১৭ সাল থেকে বর্তমান মুহূর্ত পর্যন্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

জামায়াতের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ বর্তমান সরকার ডা. শফিকুর রহমানকে একাধিকবার গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা’ দিয়ে জেলে বন্দি করে রাখে। তিনি জনগণের ভোটাধিকার আদায়ের আন্দোলনসহ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান, একটি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান এবং একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি অনেক এতিমখানা ও মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা এবং বহু দাতব্য চিকিৎসালয়, ক্লাব ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি একটি কামিল মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।’ 

নবনির্বাচিত জামায়াত আমীর সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি, স্পেন, গ্রীস, বেলজিয়াম, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, আরব আমিরাত, ফিলিপাইন, ব্রুনাই প্রভৃতি দেশ ভ্রমণ করেছেন। তিনি ২ কন্যা ও ১ পুত্র সন্তানের জনক। তার স্ত্রী ডা. আমিনা শফিক ৮ম জাতীয় সংসদের সদস্যা ছিলেন। তার ২ মেয়ে চিকিৎসা শাস্ত্রে উচ্চতর শিক্ষা নিয়েছেন এবং একমাত্র পুত্র এমবিবিএস শেষ বর্ষের ছাত্র।

আশুলিয়ায় কর্মীদের কোপালেন যুবলীগ নেতা
                                  

ঢাকার আশুলিয়ায় যুবলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ইয়ারপুর ইউনিয়নের যুবলীগের কর্মী রিপনসহ অন্তত ৫ জনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে আশুলিয়া থানা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুমন ভূঁইয়া ও তার স্বজনরা।

শনিবার আশুলিয়ার বেরন এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত রিপন মিয়ার স্ত্রী চায়না বেগম আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ এ ঘটনায় অভিযুক্ত উজ্জল ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করেছে।

মামলার এজাহার ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুমন ভূঁইয়ার লোকজন আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ব্যানার-ফেস্টুনের মাধ্যমে যুবলীগের অপপ্রচার ও সন্মানহানি করে আসছিল। এ জন্য আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কবির হোসেন সকার গত শুক্রবার রাতে সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অপপ্রচারে ব্যবহৃত ব্যানার ফেস্টুন খুলে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়।

শুক্রবার রাতে যুবলীগ কর্মী রিপন মিয়া, ফারুক, শিপু, রিপন, বাবু ও নয়ন ইয়ারপুর এবং জামগড়া এলাকায় অপপ্রচারে ব্যবহৃত ব্যানার-ফেস্টুন খুলে পিকআপ গাড়িতে করে জামগড়া থেকে নরসিংহপুরের দিকে যাচ্ছিল।

 

বিষয়টি জানতে পেরে রুবেল আহম্মেদ ও তার বাহিনীর লোকজন যুবলীগ কর্মীদের গতিরোধ করে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের হত্যার উদ্দেশে কুপিয়ে আহত করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত যুবলীগ কর্মী রিপন মিয়ার স্ত্রী বলেন, শুক্রবার রাতে রুবেল আহম্মেদ ভূঁইয়া আমার স্বামী রিপনকে হত্যার উদ্দেশ্যে রামদা দিয়ে মাথায় কোপ দিলে তার মাথা কেটে মগজ বের হয়ে আসে।

আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কবির হোসেন সরকার বলেন, অপপ্রচারের বিষয়ে এর আগে শিমুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক আমির হোসেন জয় ও আশুলিয়া থানা যুবলীগের সদস্যরা আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। শুক্রবার রাতে সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অপপ্রচারে ব্যবহৃত ব্যানার-ফেস্টুন খুলে আনার সময় আমার কর্মীদের কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।

আশুলিয়া থানার এসআই শফিকুল ইসলাম সুমন বলেন, যুবলীগ কর্মীদের মারধরের ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত উজ্জল ভূইয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ইডেন কলেজের এক নেত্রী কোপালেন আরেক নেত্রীকে, সংঘর্ষে আহত ১০
                                  

শনিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ইডেন মহিলা কলেজের শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনায় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য সাবিকুন্নাহার তামান্নাসহ (২২) প্রায় দশজন আহত হয়েছেন। হলে বহিরাগত থাকা নিয়ে এ সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবা নাসরিন রুপা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলে ২১৯ নং কক্ষে নাবিলা নামের একজন বহিরাগত প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে টাকার বিনিময়ে রাখতেন। তাকে অবৈধভাবে রুমে রাখাকে কেন্দ্র করে হলের অন্য নেত্রীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রুপা তার অনুসারীদের নিয়ে অন্য নেত্রীদের ওপর হামলা করেন। পরে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক আঞ্জুমান আরা অনুর সর্মথকরাও পাল্টা হামলা চালান। এসময় রুপার বটির আঘাতে তামান্নার বাম হাত কেটে যায়। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। অনুর অনুসারি তামান্না। এ ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রুপা ও অনুর মধ্যে বিরোধ চলছিলো। রুপার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলায়। তামান্নার বাড়ি বরগুনা জেলায়।

এ বিষয়ে রূপা বলেন, এমন কোনো সমর্থক তৈরি করিনি, যারা শিক্ষার্থীদের মারধর করবে। অনুর সর্মথকরা বঙ্গমাতা হলে গিয়ে আমার কর্মীদের ওপর হামলা করে। পরে আমার ২০৮ নম্বর কক্ষে গিয়ে আইফোন এবং ৭ হাজার ৫০০ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। আমি খবর পেয়েছিলাম তারা নাবিলাকে মারধর করে। আমি সেখানে গেলে তারা আমার ওপরও হামলা চালায়। তারা ৬টি হলের প্রত্যেকটি পলিটিক্যাল রুমে গিয়ে রুমের কর্মীদের মারধর করে। নাবিলা তার চাচাতো বোন এবং ইডেন কলেজের ডিগ্রির শিক্ষার্থী।

আনজুমানারা অনু বলেন, আমি ক্যাম্পাসে ছিলাম না, ঘটনার পরে আসছি। আমি কাউকে মারধর করিনি।

এ ঘটনায় লালবাগ থানার ওসি একেএম আশরাফ উদ্দিন বলেন, হলে মেয়েদের মধ্যে মারামারির ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, আমরা এ বিষয়ে শুনেছি সামান্য হাতাহাতি হয়েছে। আমরা ঘটনার বিষয়ে পুরোপুরি অবগত হয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করবো ।

ক্যাসিনোর গল্প সাজিয়ে মূল দুর্নীতি থেকে দৃষ্টি সরানো যাবে না: ফখরুল
                                  

সরকারের উদ্দেশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, চুনোপুঁটি ধরে আর ক্যাসিনোর গল্প সাজিয়ে মূল দুর্নীতি থেকে আপনি জনগণের দৃষ্টিকে আড়াল করতে পারবেন না। গত শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর গুলিস্তানে মহানগর নাট্যমঞ্চে ৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছেন, এর হিসাব কোথায়?

শেয়ারবাজার থেকে হাজারো কোটি টাকা লুট করে নিয়েছেন, সেই হিসাব কোথায়? এসবের হিসাব থাকবে না। কারণ এর সঙ্গে জড়িতরা কেউ মন্ত্রী, কেউ উপদেষ্টা, আবার কেউ আপনাদের আপনজন। সরকারে যারা আছেন তারা ৭ নভেম্বরকে স্বীকার করে না উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, তারা স্বীকার করবে কেন? তারা তো দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিশ্বাস করে না। যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বোভৌমত্বে বিশ্বাস করে, বাংলাদেশকে সারা পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দেখতে চায়, তারা অবশ্যই ৭ নভেম্বরকে বিশ্বাস করে এবং ধারণ করে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, গত বৃহস্পতিবার সারাদিন সাদেক হোসেন খোকার বিভিন্ন জানাজা ছাড়া আর কোনো খবর ছিল না। আজকে আমাদের পত্র-পত্রিকাগুলোতে লক্ষ্য করবেন, এটাকে বেশিরভাগ পত্রিকা ভেতরের এবং পেছনের পাতায় দিয়েছে। আমি জানি মিডিয়াগুলোকে প্রশ্ন করলে তারা বলবে, আমাদের করার কিছু নেই। আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ নির্দেশে করছে, আবার কেউ স্বপ্রণোদিতভাবে করছে। কারণ এটা ছাপলে হয়তোবা তার ব্যবসা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যারা কথা বলেন, তাদের টেলিভিশনে ডাকা হয় না, যারা লিখেন, তারা ঘর থেকে বের হতে পারেন না। বর্তমান সরকারকে একনায়কতান্ত্রিক সরকার দাবি করে তিনি বলেন, এর থেকে মুক্তি পেতে হবেই। মুক্তির কোনো বিকল্প নেই। দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তি করতে হলে, গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে হলে, অধিকারগুলোকে ছিনিয়ে আনতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, রাস্তায় নামতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তিকে এককভাবে পরাজিত করা যায় না। সব দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হয় এবং আমরা সেই পথেই যাচ্ছি।

আমরা মনে করি সব দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে এই একনায়কতান্ত্রিক ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে সমর্থ হব। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

এ ছাড়া অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, নিতাই রায় চৌধুরী, আহমেদ আযম খান, যুগ্ম-মহাসচিব ও মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মুনসী বজলুল বাসিত আনজু, মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম।

সরকার দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে: ভিপি নুর
                                  

সরকার ক্ষমতায় থাকার জন্য পাগল হয়ে গেছে। তাই দেশের মানুষ ও ভিন্নমতের মানুষের ওপর ক্ষমতা হারানোর ভয়ে দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। দেশকে একটি গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর।

গত শুক্রবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে নোয়াখালী জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রলীগ ও পুলিশের নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল পূর্বে সমাবেশে তিনি একথা বলেন। ডাকসুর ভিপি বলেন, আজকে শুধু বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাই নয় বরং প্রত্যেকটি ভিন্নমতের মানুষ যারা সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলে, সরকারের অন্যায়, অনিয়ম, লুটপাট দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে সবাই আজকে নির্যাতনের শিকার, হামলার শিকার, মামলার শিকার। সরকারকে হুঁশিয়ার করে নুর বলেন, এভাবে মানুষকে আর দমন করতে পারবেন না। মানুষ কিন্তু নিজ হাতে অস্ত্র তুলে নেবে। প্রয়োজনে আপনাদের দেশছাড়া করবে। সেজন্য কিন্তু ১৯৭১ সালে ৩০ লাখ শহীদ রক্তের বিনিময়ে ও দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন করেছিল। সেই দেশের মানুষ তাদের স্বাধীনতাকে রক্ষার জন্য, গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য, সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সুশাসন নিশ্চিতের জন্য প্রয়োজনে আবার নিজ হাতে অস্ত্র তুলে নেবে। তখন কিন্তু দেশে গৃহযুদ্ধ লেগে যাবে।

কারণ আপনারা ইতোমধ্যে দেশের প্রত্যেকটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছেন। তিনি আরও বলেন, নিজেদের নগ্ন হস্তক্ষেপের মাধ্যমে আজকে কোন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কাজ করতেছে না। বিচার বিভাগ সরকারের নিয়ন্ত্রণে। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা দেশে মৃত্যুবরণ করার আকুতি জানিয়েছিলেন। কিন্তু ভিন্নমতের রাজনীতির কারণে তাকে পাসপোর্ট দেয়া হয়নি। নুর বলেন, আজকে মানুষের মনে ক্ষোভ, সেই ক্ষোভ আপনারা বুঝতে বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন। আপনারা নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, কোটা সংস্কার আন্দোলনসহ প্রত্যেকটি আন্দোলনে দেখেছেন জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ।

সেই প্রতিবাদগুলো শুধুমাত্র ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নয় আপনাদের যে ব্যর্থতা, আপনাদের যে দুঃশাসন, আপনাদের যে নির্যাতন, নিপীড়ন সে নির্যাতনের বিরুদ্ধে ছিল। আপনারা আজকে যদি সময় থাকতে সংশোধন হোন, না হলে জনগণ কিন্তু আপনাদের বিতাড়িত করতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে আসবে। আমরা বলে দিতে চাই জনগণ, সাধারণ ছাত্র, শিক্ষক, যেকোনো মানুষের আন্দোলনে ষড়যন্ত্র না খুঁজে যুক্তিকতা দিয়ে বিবেচনা করে আন্দোলনের সমাধানের চেষ্টা করুন। বিক্ষোভ মিছিল পূর্ববর্তী সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, তারেক রহমান, সোহরাপ হোসেন, মোল্লা বিন ইয়ামিন, মো. আতাউল্লাহ প্রমুখ।

নেত্রীর মুক্তির কথা বলতে যাদের অনীহা, তাদের সঙ্গে চলা ক্ষতিকর: গয়েশ্বর
                                  

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের দিকে ইঙ্গিত করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, আমরা যাদের সঙ্গে চলি তাদের যদি আমাদের নেত্রীর মুক্তির কথা বলতে অনীহা থাকে তাহলে তাদের সঙ্গে দীর্ঘ পথচলা ক্ষতিকর হবে। গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকায় হোমনা উপজেলা জাতীয়তাবাদী ফোরাম আয়োজিত এক স্মরণসভা ও মিলাদ মাহফিলে তিনি একথা বলেন। বিএনপি নেতা এম কে আনোয়ারের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, আমি বিশ্বাস করি, যদি আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে মাঠে থাকি তাহলে আমাদের শক্তি যথেষ্ট। সেই কারণে যারা (জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট) আছে তাদের সম্মান করি ও গুরুত্ব দেই। কিন্তু তারা যদি আমাদের ঘাড়ে চেপে তাদের নিজস্ব টার্গেট নিয়ে চলতে চায়, সেই পথ চলা আমাদের জন্য বোকামি হবে। খালেদা জিয়ার মুক্তি জন্য তাদের কেন মঞ্চে চিরকুট দিতে হবে প্রশ্ন করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির কথা তারা কেন বলতে পারবে না? আর যার বিরুদ্ধে আমরা রাজনীতি করি তাদের কথা জোরেশোরে আমাদের সামনে কেন বলা হয়। তারপরও আমরা সহ্য করি কেন? শুধুমাত্র করি- জাতীয় ও জনগণের স্বার্থে। একারণে আমি মনে করি, সবাইকে একটু সতর্ক হওয়া ভালো। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য গয়েশ্বর বলেন, আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, আমাদের নিজেদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস নেই। তারপরও জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার তাগিদ থেকে ছোট, বড় ও মাঝারি দলসহ অনেক দল নিয়ে ঐক্য করেছি। আবার ফ্রন্টও করেছি। এটা কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক অলঙ্কার হতে পারে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আজকে এ ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটাতে হবে। আর নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধিনে ভোটের মাধ্যমে এদেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে না পারলে আজকের এ অত্যাচার ও নিপীড়ন থেকে দেশকে রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

তিনি বলেন, গত মঙ্গলবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি কি করেছেন? এ ভিসির প্রতি স্পষ্ট অভিযোগ, গত ঈদে ছাত্রলীগের ছেলেদের ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা সেলামি দিয়েছেন। তার কাছে ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ৮৬ কোটি টাকা চাঁদা চেয়েছেন। সেই ভিসিকে রক্ষা করার জন্য গত মঙ্গলবার ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা দানবে রূপান্তরিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। বিশ্বাস করা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র তারই সহকর্মী একটি মেয়েকে পেটে লাথি মেরে ফেলে দিতে পারে! এটা বিশ্বাস করা যায় না। কারা এদেরকে দানব বানালো? এ স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদী সরকার।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ বক্তব্য দেন। এ ছাড়া গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

মার্কিন দূতাবাসে বিএনপি নেতাদের বৈঠক
                                  

বাংলাদেশ সফররত মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি অ্যালিস ওয়েলসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির শীর্ষ স্থানীয় কয়েকজন নেতা। গতকাল বুধবার সকালে বারিধারার মার্কিন দূতাবাসে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল এ তথ্য জানা গেছে। সূত্রের দাবি, বৈঠকটি একঘণ্টার বেশি সময় স্থায়ী ছিল। তবে বৈঠকে বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, মার্কিন দূতাবাসের বৈঠকটিতে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে বিএনপির ফরেইন অ্যাফেয়ার্স কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, শামা ওবায়েদসহ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। অ্যালিস ওয়েলসের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারা। বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ যুগান্তরকে দেখা করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি এটিকে সৌজন্য সাক্ষাত বলে দাবি করেন।

এরআগে, গত ২৮ অক্টোবর বিদেশি কয়েকটি রাষ্ট্র ও সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কয়েকজন নেতা। ওই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

ফায়ার সার্ভিস সপ্তাহ শুরু হচ্ছে আজ
                                  

নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে আজ বুধবার সারাদেশে শুরু হচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০১৯। এ বছর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ পালনের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সচেতনতা, প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণ দুর্যোগ মোকাবেলার সর্বোত্তম উপায়।’ আগামী ১২ নভেম্বর পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ পালনের মাধ্যমে দেশব্যাপী চালু থাকা ৪১১টি ফায়ার স্টেশনে বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করা হবে। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী দিয়েছেন।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, উদ্ধার, অগ্নি প্রতিরোধ ও অগ্নি নির্বাপণ কার্যক্রম সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিতকরণ এবং সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে দেশব্যাপী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ পালন একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ কার্যক্রমের সার্বিক সাফল্য কামনা করে বলেন, আমি আশা করব, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর কর্মীরা নতুন উদ্যমে সাহস, দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন এবং নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে সহায়তা করবেন। বুধবার সপ্তাহের প্রথম দিন নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচলে অবস্থিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মালটিপারপাস কমপ্লেক্স থেকে সকাল সাড়ে ৯টায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের শুভ উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

অন্যদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মোঃ শহিদুজ্জামান উপস্থিত থাকবেন। আগামী ১২ নভেম্বর সন্ধ্যায় পূর্বাচলে অবস্থিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মালটিপারপাস কমপ্লেক্সে সমাপনী অনুষ্ঠানের পর ফায়ার কনসার্টের মাধ্যমে সপ্তাহ পালনের কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

 

নির্যাতন-নিপীড়ন ’৭১ সালের পাকিস্তানি নির্যাতনকে ছাড়িয়ে গেছে: ফখরুল
                                  

গণতন্ত্র ও বিরোধী রাজনীতি ধ্বংসে সরকার সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সরকার ২৬ লাখ মানুষকে আসামি করেছে। হাজারের বেশি মানুষকে পঙ্গু করে দিয়েছে। সবশেষ রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে গত ২৯ ডিসেম্বর রাতে ক্ষমতা দখল করেছে। আজকে দেশে যে নির্যাতন-নিপীড়ন, তা অনেক সময় মনে হয় ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি সেনাদের নির্যাতনকে ছাড়িয়ে গেছে।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে তরিকুল ইসলাম স্মৃতি সংসদ আয়োজিত ‘তরিকুল ইসলাম : জীবন ও সংগ্রাম‘ শীর্ষক স্মরণসভায় সভাপতির বক্তেব্যে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই সরকার সচেতনভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করছে। তার একটি মাত্রই উদ্দেশ্য, দেশকে তারা অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। সিপিডির গবেষণা প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের যে প্রবৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে সেটা সঠিক নয়। তারা বলছে, বাংলাদেশের প্রতিটি অর্থনীতির স্তম্ভ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

ব্যাংক লুট, শেয়ারবাজার লুট, টাকা পাচার- এক লাখ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে ব্যাংকের মাধ্যমে, যা দিয়ে পাঁচটি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা যেত। বিএনপি মহাসচিব বলেন, একদিকে বিচারব্যবস্থা ধ্বংস, প্রশাসন ধ্বংস, অন্যদিকে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। মানুষের সব অধিকারকে হরণ করা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া এসবের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছিলেন বলে তাকে কারাগারে যেতে হয়েছে। মির্জা ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ওপর দেশের মানুষের আস্থা রয়েছে বলে তাকে আটকে রাখা হয়েছে। আমরা যদি তরিকুল ইসলাম ও সাদেক হোসেন খোকার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে চাই তাহলে অবশ্যই খালেদা জিয়াকে আমাদের মুক্ত করতে হবে। বেগম জিয়াকে মুক্তি, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করে নির্বাচন করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য।

আসুন সে লক্ষ্যে আমরা সবাই আত্মত্যাগ করি। বিএনপি নেতা শামীমুর রহমান শামীম ও মীর রবিউল ইসলাম লাভলুর সঞ্চালনায় স্মরণসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বরকতউল্লা বুলু, নিতাই রায় চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, তরিকুল ইসলামের স্ত্রী যশোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম বক্তব্য দেন।

খোকা দেশপ্রেমিক ছিলেন : বি চৌধুরী
                                  

 বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার মৃত্যুতে বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী গভীর শোক প্রকাশ করে বলেছেন, তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধ্ াএবং দেশপ্রেমিক মানুষ ছিলেন।

গতকাল সোমবার সাবেক এ রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক শোক বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শোক বাণীতে তিনি বলেন, সাবেক মন্ত্রী এবং অবিভক্ত ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন খোকার মৃত্যুতে আমি দুঃখিত এবং শোকাহত হয়েছি। তিনি আমার এলাকার লোক ছিলেন এবং দীর্ঘদিন আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি।

তিনি একজন দেশপ্রেমিক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তার সুন্দর আচরণের জন্য তিনি সাধারণ মানুষের দোয়া পাবেন। আমি তার আত্মীয়-পরিজনের জন্য সমবেদনা প্রকাশ করছি। আল্লাহ তার রুহের মাগফেরাত কামনা করুন।

বাকস্বাধীনতা না থাকলে কোনও স্বাধীনতাই থাকবে না: শাহদীন মালিক
                                  

 দেশে বাকস্বাধীনতা না থাকলে কোনও স্বাধীনতাই থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক। গতকাল শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে মৌলিক অধিকার সুরক্ষা কমিটি আয়োজিত ‘হুমকির মুখে বাকস্বাধীনতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। সভাপতির বক্তব্যে ড. শাহদীন মালিক বলেন, বাকস্বাধীনতা না থাকলে কোনো স্বাধীনতাই থাকবে না। আমাদের জীবন পশুর জীবন হয়ে যাবে।

স্বাধীন দেশে পশুর মতো বাঁচা যায় না। তিনি বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলছি। এভাবে বাকস্বাধীনতা সংকুচিত হতে থাকলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাও থাকবে না। শাহদীন মালিক বলেন, এখন যতগুলো আইন তৈরি হচ্ছে, প্রত্যেকটি আইনেই বাকস্বাধীনতা খর্ব হয় এমন শর্ত জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। আমেরিকার ১৭৯১ সালের সংবিধানে বলা হয়েছে, বাকস্বাধীনতা খর্ব হয় এমন কোনো আইন সংসদে পাস করা যাবে না। অথচ, স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও আমরা সেই গণতন্ত্রে যেতে পারিনি। আমরা রাজা-বাদশাহদের যুগে ফিরে গেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, আমাদের বাকস্বাধীনতা না থাকলেও ক্ষমতাসীনদের বাকস্বাধীনতা রয়েছে। তারা যখন-তখন দেশের গণমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে যা ইচ্ছে তা বলে যাচ্ছেন। খালেদা জিয়া, ড. ইউনূস ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামালের বিরুদ্ধে তারা যা ইচ্ছে তা বলছেন। এখানে তাদের বাকস্বাধীনতার রয়েছে। আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, নতুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আপনার চিন্তাকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

এই আইন দিয়ে আপনার চিন্তা নিয়ন্ত্রণ হবে। তিনি বলেন, প্রশাসনে যখন দলীয়-গোত্রীয়দের নিয়োগ দেওয়া হয়, তখন তারা দলের ‘পারপাস সার্ভ’ করে, দলের পক্ষে বলপ্রয়োগ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, চিন্তাকে প্রকাশ করতে দিতে হয়, পৃথিবী জুড়েই এর চর্চা চলছে। খাবার কম দিয়েও যদি মানুষকে কথা বলতে দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে মানুষ কথা বলাটাই বেছে নেবে। গণতন্ত্র ও উন্নয়নের জন্য বাকস্বাধীনতা প্রয়োজন রয়েছে।

যুবকদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বেকার সমস্যা: জিএম কাদের
                                  

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের বলেছেন, যুবকদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো বেকার সমস্যা। যুব শ্রেণির মানুষ প্রচুর বেকার। ভবিষ্যৎ কি হবে এটা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন তারা। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় যুব সংহতি আয়োজিত যুব দিবসের এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রতিবছর বেকার সংখ্যা বাড়ছে।

যুবকদের বেকার হওয়ার কারণে সারা দেশব্যাপী যারা সামনে দিকের নাগরিক, নতুন প্রজন্ম তাদের মধ্যে হতাশা। এটা শেষ পর্যন্ত গিয়ে মাদকের সঙ্গে জড়িত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। আমাদের দেশের প্রচুর মানুষ মাদকাসক্ত হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী বেকারের সংখ্যা তুলে ধরে তিনি বলেন, তারা শেষ পর্যন্ত মাদকের অর্থযোগান দেয়ার জন্য নানা ধরনের অসামাজিক এবং অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত হচ্ছে। এর একটা কারণ চাকরির সংস্থান নেই। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্ন প্রকার সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। তারা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। আমাদের এর বাইরে যেতে হবে। আমাদের যে বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প সেগুলোতে যেন যুবকদের কর্মসংস্থান হয় সেই ধরনের প্রকল্প বাছাই করে প্রকল্প নিতে হবে।

কাদের বলেন, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এমনভাবে ঢেলে সাজাতে হবে যেখানে শিক্ষিত হয়ে আমাদের যুবকরা বেকার থাকবে না। দেশে বা বিদেশে নিজে বা যেভাবেই হোক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। সেইভাবেই শিক্ষা ব্যবস্থাও আমাদের তৈরি করতে হবে। আমরা আশাবাদী সামনের দিকে সরকার এই বিষয়গুলোতে দৃষ্টি দেবে। কোনো মানুষ যেন বেকার না থাকে সে বিষয়ে আমরা যা যা করার করব বলে মন্তব্য করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান।

জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি আলমগীর সিকদার লোটনের সভাপতিত্বে সমাবেশ পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য এস এম ফয়সল চিশতী, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, জাতীয় যুব সংহতি ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সদস্য সচিব মঞ্জুরুল হক মঞ্জু প্রমুখ।

আন্দোলনের জন্য নেতাকর্মীরা প্রস্তুত হচ্ছে: ফখরুল
                                  

 জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠায় আন্দোলনের জন্য বিএনপি নেতাকর্মীরা প্রস্তুত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, সরকারের নির্যাতনে এখন দেশের মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে ২০ মাস যাবত কারাগারে রাখা হয়েছে। এখন তিনি হাসপাতালে আছেন। সাদেক হোসেন খোকার বিভিন্ন মামলায় সাজা হয়েছে। শুধু তাকেই নয়, তার সন্তানসহ পরিবারের কেউ বাদ নেই। বিএনপির নেতাদের মধ্যে কেউ বোধ হয় অবশিষ্ট নেই যাদের বিরুদ্ধে মামলা নেই। এ অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষ কিন্তু কখনও মাথা নোয়ায়নি।

মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। বিশেষ করে বিএনপি নেতাকর্মীরা সবাই প্রস্তু হচ্ছে একটা আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে এই দানবীয় সরকারকে সরিয়ে দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য। গতকাল শুক্রবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত সাদেক হোসেন খোকার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আসুন - কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয় অন্তুর থেকে খোকা ভাইয়ের রোগমুক্তির জন্য দোয়া করি, দেশনেত্রীর মুক্তির জন্য দোয়া করি, আমরা কায়মনোবাক্যে অন্তর থেকে তার আরোগ্যের জন্য দোয়া চাই। আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিক এবং আমাদের অন্যতম নেতা সাদেক হোসেন খোকাকে রোগ মুক্ত করুক- আমরা আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করি। মহাসচিব অভিযোগ করে বলেন, আমরা কেউ ভালো নেই, সবাই নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার, মামলার শিকার। খোকা ভাইসহ তার পরিবারের সবার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। তিনি আজ গুরুতর অসুস্থ। গত ২৯ তারিখে (অক্টোবর) তার সঙ্গে আমার কথা হয়ে। যখন কথা বলি- তিনি কথা বলতে পারছিলেন না। শুধু আমাকে বললেন, সবাইকে বলবেন, আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি সেইদিন, ৩০ তারিখে এখানে মিটিং ছিল, সেখানে বলেছি যে, খোকা ভাইয়ের আশু আরোগ্য লাভের জন্য দোয়া করবেন। সভাপতির বক্তব্যে মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল বলেন, খোকা ভাইয়ের অসুস্থতার খবরে আমরা সবাই মর্মাহত হয়ে পড়েছি। আমরা মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করব, উনি সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসেন।

কারণ, দেশ ও জাতির ক্রান্তিলগ্নে এই অন্ধকার সময়ে খোকা ভাইয়ের মতো একজন সাহসী ও দেশপ্রেমিক নেতা ও বলিষ্ঠ সংগঠক আমাদের ভীষণ প্রয়োজন। মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশারের পরিচালনায় দোয়া মাহফিলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ও বক্তব্য দেন। দোয়া মাহফিলে বিএনপির রুহুল কবির রিজভী, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, এহছানুল হক মিলনসহ কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকশ’ নেতাকর্মী অংশ নেন। নিচতলা, ফুটপাত ও সড়কে মাদুর বিছিয়ে তারা এই মোনাজাতে অংশ নেন।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ম্যানহাটনের মেমোরিয়াল স্নোন ক্যাটারিং ক্যান্সার সেন্টারে চিকিৎসা নিচ্ছেন সাদেক হোসেন খোকা। গত ১৮ অক্টোবর তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২০১৪ সালের ১৪ মে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য নিউইয়র্কে যান সাদেক হোসেন খোকা। তখন থেকে চিকিৎসকের পরামশ্যে নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সে থাকছেন তিনি।

আন্দোলনকে কেউ শক্তি দিয়ে থামাতে পারবে না: ড. কামাল
                                  

স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির আগেই সবাইকে সংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেছেন, আমাদের আন্দোলন হবে ইতিবাচক, আন্দোলন হবে শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত করার জন্য। এ ধরনের আন্দোলনকে কেউ শক্তি দিয়ে থামাতে পারবে না, ধ্বংস করতে পারবে না। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনাসভায় ড. কামাল একথা বলেন। ঐক্যফ্রন্ট নেতা বলেন, আর মাত্র এক/ দেড় বছর পর স্বাধীনতার ৫০ বছর। সেটাকে সামনে রেখে আসেন আমরা জেলায় জেলায় যাই।

আক্রমণাত্মক কথা না বলে তাদের বুঝাই যে শহীদরা কীসের জন্য স্বাধীনতাযুদ্ধে মূল্য দিয়েছিলেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল সত্যিকার অর্থে একটা স্বাধীন দেশে বাস করা। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে যদি বলি- আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি, দেশের মালিকানা দেশের জনগণের কাছে পৌঁছে দিয়ে আমরা মনে করবো আমাদের ৫০ বছরের স্বাধীনতা অর্থপূর্ণ হয়েছে। চলেন এটা আমরা সবাই মিলে করি, প্রত্যেক জেলায়, প্রত্যেক গ্রামে, পাড়ায়-মহল্লায়। ইনশাল্লাহ আমি মনে করি আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো। ড. কামাল বলেন, জনগণের মধ্যে যখন ঐকমত্য হয়েছে সেই ঐকমত্যের সামনে কোনো কিছু দাঁড়াতে পারেনি। বন্দুক নিয়ে কামান নিয়ে কোনো কিছু দাঁড়াতে পারেনি। বাঙালি যখন ঐকমত্যে আসে সেই শক্তি হলো সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই শক্তির কাছাকাছি আমরা অলরেডি এসে গেছি।

আপনারা পরীক্ষা করে দেখেন। জেলায়-জেলায়, গ্রামে-গ্রামে দিয়ে দেখেন। মানুষ একাত্তরে যে স্বপ্ন দেখেছিল। প্রত্যেক পরিবারে শহীদ হয়েছিল। আমি যেখানে যাই, জিজ্ঞেস করি- এখানে শহীদদের কবর আছে কি-না, সবাই বলে প্রতিটা গ্রামে শহীদদের কবর আছে।

এত শহীদ কেন জীবন দিয়েছিলেন? ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন? কারণ এই দেশের জনগণ হবে ক্ষমতার মালিক। সেই মালিকানার জন্য কত মূল্য দেওয়া হয়েছে। জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রবের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, জেএসডির সহ-সভাপতি তানিয়া রব, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, বিকল্প ধারার সভাপতি অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী প্রমুখ।

 

ছাত্রদলের কমিটিতে পদ পেতে বিবাহিতদের অনশন
                                  

ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান পেতে আমরণ অনশনে বসেছেন বিবাহিত হওয়ার কারণে সংগঠনের কাউন্সিলে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বঞ্চিতরা। বিএনপির সহযোগী সংগঠনটির বিগত কমিটির ২০-৩০ জন নেতা সকাল থেকে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মাদুর বিছিয়ে বসে আছেন। তাদের ব্যানারে নিজেদের দাবি-দাওয়ার পাশাপাশি কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিও লেখা রয়েছে। অনশন থেকে ছাত্রদলের বিগত কমিটির স্কুল বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ খান বলেন, আমাদের ছাত্রদলের পেছনে অনেক ত্যাগ রয়েছে।

বিবাহিতরা ছাত্রদলের কাউন্সিলে অংশ নিতে পারবে না বলে আমাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। আমরা ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আমাদের দাবি না মেনে যদি কমিটি গঠন করা হয়, তা আমরা মেনে নেব না। গত ৩ জুন রাজিব আহসান ও আকরামুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ছাত্রদলের কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন কাউন্সিলের তারিখ ঘোষণার সঙ্গে নতুন বিধি হিসেবে বিবাহিত এবং ২০০০ সালের আগে এইচএসসি পাস করাদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ না থাকার কথা জানানো হয়। এতে ছাত্রদলের অনেক পরিচিত মুখ বাদ পড়ে যান। গত ১৯ সেপ্টেম্বর ছাত্রদলের কাউন্সিলে ফজলুল রহমান খোকন সভাপতি এবং ইকবাল হোসেন শ্যামল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তারাই এখন ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।

অনশনকারীদের একজন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএম হল শাখার জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মুজাহিদ রহমান বলেন, আমরা ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান পেতে চাই, আমাদের নিতে হবে। এই দাবি না মানা পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবে। আমরা একেবারেই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি করছি। অনশনে ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের মধ্যে বাবুল আখতার শান্ত, কামাল আহমেদ, সানোয়ার আলম, মাইনুল ইসলাম, মাহমুদুল আলম শাহিন, শিহাবুর রহমান, বেলাল হোসেন, মাহফজুল ইসলামসহ অনেকের নাম মাইকে ঘোষণা করা হয়।

অনশনকারীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, দাবি নিয়ে ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে কথা হয়েছে তাদের, সংগঠনের বর্তমান নেতারা এ বিষয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তাদের অনশন চলার মধ্যেই নয়া পল্টনের ওই কার্যালয়ের তৃতীয় তলায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের যৌথসভা হয়। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও ছিলেন কার্যালয়ে। বেলা দেড়টার দিকে মহাসচিব অনশনকারীদের দিকে হাত তুললেও কিছু না বলেই গাড়িতে উঠে চলে যান।

শুদ্ধি অভিযান সরকারের শুদ্ধ না থাকারই স্বীকৃতি: ফখরুল
                                  

 বর্তমান সরকারের চলমান শুদ্ধি অভিযানের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেছেন, কিসের শুদ্ধি অভিযান? এটা তাদের নিজেদের শুদ্ধি। তিনি সরকারকে প্রশ্ন করে বলেন, তাহলে স্বীকার করছেন যে আপনারা শুদ্ধ নন? কাদা ও গ্লানিতে আপনারা ভরে গেছেন। শুদ্ধি অভিযানের নামে চুনো-পুটিদের ধরার পাশাপাশি যাদের নির্দেশে এসব দুর্নীতি লাগামহীন অবস্থায় পৌঁছেছে তাদেরও গ্রেফতারের দাবি জানান বিএনপি মহাসচিব। গতকাল সোমবার দুপরে ঠাকুরগাঁও পৌর মিলনায়তনে জেলা কৃষকদলের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান সরকার কথায় কথায় বলে আসছে, দেশে উন্নয়নের লহরী চলছে। যে দেশের ৮০ ভাগ কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পায়না, সেখানে কীভাবে উন্নয়ন সম্ভব। আজকে কৃত্তিমভাবে জিডিপির যে প্রবৃদ্ধি দেখানো হচ্ছে, এ উন্নয়নকে উন্নয়ন বলা যাবেনা। এ উন্নয়নকে আত্মহননকারী উন্নয়ন বলেও মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি আরো বলেন, যে উন্নয়ন মানুষকে ঋণগ্রস্ত করবে, পর-নির্ভরশীল করবে, ভবিষ্যৎ রুদ্ধ করে দেবে, সে উন্নয়ন উন্নয়ন হতে পারেনা। অথচ সরকার বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানোর প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। এসময় তিনি সিঙ্গাপুরের প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরে বলেন, সিঙ্গাপুর ছোট্ট একটি বন্দর নগরী। সেখানে কোনো কৃষি কাজ বা ফসল ফলেনা। তারা সব কিছুই বাইরে থেকে আমদানি করে। সেখানে শুধু বড় বড় রাস্তা, ওভার ব্রিজ ও রঙ্গিণ ক্যাসিনো রয়েছে। সরকার এদেশের কৃষকদের পণ্যের নায্য মূল্য না দিয়ে বাংলাদেশকে ক্যাসিনোর শহর বানাতে চায়।

ফখরুল আরো বলেন, আজকে আদালতে গেলে আমাদের প্রতি সুবিচার করা হয়না। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সরকার অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলায় ১৮ মাস ধরে আটক করে রেখেছে। তাকে জামিন না দিয়ে তার মৌলিক অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। জেলা কৃষকদের সভাপতি আনোয়ারুল হকের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব হাসান জাফির তুহিন, জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমিনসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতারা।


   Page 1 of 248
     রাজনীতি
ডা. শফিকুর রহমান জামায়াতে ইসলামীর আমীর নির্বাচিত
.............................................................................................
আশুলিয়ায় কর্মীদের কোপালেন যুবলীগ নেতা
.............................................................................................
ইডেন কলেজের এক নেত্রী কোপালেন আরেক নেত্রীকে, সংঘর্ষে আহত ১০
.............................................................................................
ক্যাসিনোর গল্প সাজিয়ে মূল দুর্নীতি থেকে দৃষ্টি সরানো যাবে না: ফখরুল
.............................................................................................
সরকার দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে: ভিপি নুর
.............................................................................................
নেত্রীর মুক্তির কথা বলতে যাদের অনীহা, তাদের সঙ্গে চলা ক্ষতিকর: গয়েশ্বর
.............................................................................................
মার্কিন দূতাবাসে বিএনপি নেতাদের বৈঠক
.............................................................................................
ফায়ার সার্ভিস সপ্তাহ শুরু হচ্ছে আজ
.............................................................................................
নির্যাতন-নিপীড়ন ’৭১ সালের পাকিস্তানি নির্যাতনকে ছাড়িয়ে গেছে: ফখরুল
.............................................................................................
খোকা দেশপ্রেমিক ছিলেন : বি চৌধুরী
.............................................................................................
বাকস্বাধীনতা না থাকলে কোনও স্বাধীনতাই থাকবে না: শাহদীন মালিক
.............................................................................................
যুবকদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বেকার সমস্যা: জিএম কাদের
.............................................................................................
আন্দোলনের জন্য নেতাকর্মীরা প্রস্তুত হচ্ছে: ফখরুল
.............................................................................................
আন্দোলনকে কেউ শক্তি দিয়ে থামাতে পারবে না: ড. কামাল
.............................................................................................
ছাত্রদলের কমিটিতে পদ পেতে বিবাহিতদের অনশন
.............................................................................................
শুদ্ধি অভিযান সরকারের শুদ্ধ না থাকারই স্বীকৃতি: ফখরুল
.............................................................................................
সরকারের শেখানো কথা বলছেন বিএসএমএমইউ’র পরিচালক: রিজভী
.............................................................................................
ফরিদগঞ্জ সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়ন বিএনপি’র সম্মেলন সম্পন্ন
.............................................................................................
ফরিদগঞ্জে পৃথক আয়োজনে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত
.............................................................................................
দেশে পূর্ণাঙ্গ শাসন ব্যবস্থা নেই: খোকন
.............................................................................................
ভালো ঘুমের জন্য
.............................................................................................
অপসংস্কৃতির আগ্রাসনে সুস্থ সংস্কৃতি বিপর্যয়ের মুখে: জিএম কাদের
.............................................................................................
ফরিদগঞ্জ সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপি’র সম্মেলন সম্পন্ন
.............................................................................................
রাস্তায় নামা ছাড়া মুক্তি কঠিন: টুকু
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ, উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে চান
.............................................................................................
নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য: দুঃখ প্রকাশ করলেন মেনন
.............................................................................................
ফরিদগঞ্জে গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপি’র সম্মেলন সম্পন্ন
.............................................................................................
সরকারের নিষ্ঠুর ও অমানবিক আচরণে দেশের মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত: রিজভী
.............................................................................................
রাজনীতি করতে হবে জনগণের স্বার্থ রক্ষায়: জিএম কাদের
.............................................................................................
আমি সাক্ষী, গত নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি: মেনন
.............................................................................................
দুর্নীতির ঘুণপোকা উন্নয়নকে চরমভাবে বাধাগ্রস্ত করছে: মেনন
.............................................................................................
ফরিদগঞ্জের পাইকপাড়া উত্তর, চরদুঃখিয়া পূর্ব ও চরদুঃখিয়া পশ্চিম ইউনিয়ন বিএপির সম্মেলন সম্পন্ন
.............................................................................................
ফরিদগঞ্জে তিন ইউনিয়নের বিএপির সম্মেলন সম্পন্ন
.............................................................................................
গোপালগঞ্জে বিরোধের জেরে হত্যা, আটক ৪
.............................................................................................
সারাদেশে ভয়ের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে: ফখরুল
.............................................................................................
আবরার হত্যার প্রতিবাদে ২২ অক্টোবর সমাবেশ করবে ঐক্যফ্রন্ট
.............................................................................................
আট উপজেলায় ভোট, দু’টিতে বিএনপি প্রার্থীদের বর্জন
.............................................................................................
ঐক্যফ্রন্টের র‌্যালিতে পুলিশের বাধা
.............................................................................................
‘আমাদের কণ্ঠ স্তব্ধ করার ক্ষমতা আপনার নেই, পারবেনও না’
.............................................................................................
সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার: বিএনপি
.............................................................................................
শিবির না হলে তোর ফেসবুকে এসব স্ট্যাটাস কেন
.............................................................................................
রাজশাহীতে আ. লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ, গোলাগুলি
.............................................................................................
দেশে সামাজিক অস্থিরতা ও রাজনৈতিক শূন্যতা বিরাজ করছে: জিএম কাদের
.............................................................................................
জামায়াতের আমিরকে পাশে নিয়ে অলির সংবাদ সম্মেলন
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ছাত্রদলের মিছিল
.............................................................................................
শেরপুরে হুইপ আতিকের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগে
.............................................................................................
ধরমপাশায় আ.লীগের দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, ১৪৪ ধারা
.............................................................................................
বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়ন যুবলীগের নয়া কমিটি
.............................................................................................
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ফ্যাসিবাদী সরকার অন্যায় ভাবে কারাগারে বন্দী করে রেখেছে: আলহাজ এমএ হান্নান
.............................................................................................
রংপুর-৩ আসনে উপনির্বাচনে জয়ী এরশাদপুত্র সাদ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]