বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   রাজনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা ও সাজা প্রত্যাহারের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার দুপুরে একটি বিক্ষোভ মিছিল আদাবর রিং রোড থেকে শুরু হয়ে কিছুদূর গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। মিছিলে মোহাম্মদপুর, আদাবর থানা যুবদল, ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

মিছিল শেষে এক পথসভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, এদেশের কিংবদন্তীসম গণতন্ত্রী, বাক ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার নির্ভিক নেত্রী ‘গণতন্ত্রের মা’ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে বন্দী করে রাখা হয়েছে। বেগম জিয়ার ন্যায্য জামিন পাবার অধিকারকেই কেবল বাধাগ্রস্ত নয়, বরং শারীরিকভাবে ভীষণ অসুস্থ চারবারের সাবেক একজন প্রধানমন্ত্রীকে সুচিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি সরকারের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বেশ কয়েকদিন ধরে বমি করছেন। তিনি খেতে পারছেন না, তার অসুস্থতা আগের চেয়ে অনেকগুন বেড়েছে। দেশনেত্রীর অসুস্থতা বর্তমানে মারাত্মক পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। কিন্তু সরকারের নির্দেশে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বেগম জিয়ার অসুস্থতার বিষয়ে সঠিক তথ্য না দিয়ে দেশনেত্রীকে সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করছে।

এ সময় তিনি অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং তাকে তার পছন্দের হাসপাতালে সুচিকিৎসার সুযোগ দানের দাবি জানান।

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল
                                  

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা ও সাজা প্রত্যাহারের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার দুপুরে একটি বিক্ষোভ মিছিল আদাবর রিং রোড থেকে শুরু হয়ে কিছুদূর গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। মিছিলে মোহাম্মদপুর, আদাবর থানা যুবদল, ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

মিছিল শেষে এক পথসভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, এদেশের কিংবদন্তীসম গণতন্ত্রী, বাক ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার নির্ভিক নেত্রী ‘গণতন্ত্রের মা’ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে বন্দী করে রাখা হয়েছে। বেগম জিয়ার ন্যায্য জামিন পাবার অধিকারকেই কেবল বাধাগ্রস্ত নয়, বরং শারীরিকভাবে ভীষণ অসুস্থ চারবারের সাবেক একজন প্রধানমন্ত্রীকে সুচিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি সরকারের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বেশ কয়েকদিন ধরে বমি করছেন। তিনি খেতে পারছেন না, তার অসুস্থতা আগের চেয়ে অনেকগুন বেড়েছে। দেশনেত্রীর অসুস্থতা বর্তমানে মারাত্মক পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। কিন্তু সরকারের নির্দেশে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বেগম জিয়ার অসুস্থতার বিষয়ে সঠিক তথ্য না দিয়ে দেশনেত্রীকে সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করছে।

এ সময় তিনি অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং তাকে তার পছন্দের হাসপাতালে সুচিকিৎসার সুযোগ দানের দাবি জানান।

সাদসহ ১৬ জনকে পদ দেওয়ায় রওশনের ওপর রংপুরের নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধ
                                  

 জাতীয় পার্টির (জাপা) চিফ প্যাট্রন রওশন এরশাদ ছেলে রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদসহ ১৬ জনকে পদ দেওয়ায় রংপুরে দলের নেতা-কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ ধরনের নির্দেশনা দলে বিভাজন তৈরি করবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন জাপার জেলা ও মহানগরের নেতাকর্মীরা। এ ছাড়া রওশন এরশাদের এ ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার নেই বলেও তারা মন্তব্য করেছেন। এ ব্যাপারে রংপুর মহানগর জাপার সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম মহাসচিব এসএম ইয়াসির বলেছেন, ‘দলের সম্মেলনে গঠনতন্ত্র সংশোধন করে বিভিন্ন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।

সেখানে সারাদেশের নেতা-কর্মীদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রওশন এরশাদকে চিফ প্যাট্রন করা হয়েছে। আর দলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয় চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে। তারপরও রওশন এরশাদ কোনো ক্ষমতাবলে ১৬ জনকে বিভিন্ন পদবি দিলেন? এভাবে নিজের খেয়াল খুশিমতো কিছু করার ক্ষমতা দল তাকে দেয়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘রওশন এরশাদ এর আগে প্রয়াত চেয়ারম্যান এরশাদকে বেকায়দায় ফেলানোর জন্য বিভিন্ন সিদ্ধান্ত তার ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এতে করে দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে এ ধরনের কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কাজ করতে তার প্রতি আহ্বান জানাই।’ রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং মহানগর জাপার সভাপতি ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, ‘তিনি (রওশন) বারবার যা ইচ্ছে তাই করবেন, তা হতে পারে না।

আমরা দলের নেতা-কর্মীরা তার এ ধরনের সিদ্ধান্ত মানতে পারি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এবার দলের সম্মেলনে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে সর্বময় ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। রওশন এরশাদের দলের কোনও নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ কিংবা দলের কোনও বিষয়ে তার সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার নেই। ইচ্ছে করলে তিনি নিজের ছেলে সাদসহ ১৬ জনকে পদবি দেওয়ার আগে দলের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে পারতেন। কিন্তু তা করেননি।’মহানগর সভাপতি বলেন, রংপুর হচ্ছে জাপার দুর্গ। এখানে রওশন এরশাদের কথায় নয়, জিএম কাদেরের কথায় দল চলবে। একই কথা জানান রংপুর জেলা জাপার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, ‘দলের গঠনতন্ত্র সবাইকে মানতে হবে। রওশন এরশাদ এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না যা দলের গঠনতন্ত্র বিরোধী এবং রংপুরে নেতা-কর্মী মানবে না।’ রংপুরে তৃণমূল পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী জানিয়েছেন, রংপুরে রওশন এরশাদের কোনও স্থান নেই। তিনি দলের চিফ প্যাট্রন। তা নিয়ে থাকা উচিত। বাড়াবাড়ি করলে তার সম্মানহানি হবে। রংপুরের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা জিএম কাদের ছাড়া আর কারও নির্দেশনা মানবেন না।

ঢাকা দূষণে বাড়তি করের সঙ্গে শাস্তির বিধান করব: রুবেল
                                  

 মেয়র নির্বাচিত হলে রাজধানী দূষণে বাড়তি করের সঙ্গে কঠোর শাস্তির বিধান করতে পদক্ষেপ নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মেয়রপ্রার্থী আহম্মেদ সাজেদুল হক রুবেল। তিনি বলেছেন, অসহনীয় যানজট, জলাবদ্ধতা, ত্রুটিপূর্ণ পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার সমাধান নেই। বর্জ্য নিষ্কাশনেও চরম ব্যর্থ। মশা মারার ভুল উদ্যোগে কোটি কোটি টাকা অপচয় করেছে। এ অবস্থা থেকে ঢাকাবাসীকে মুক্ত করতে আমরা পরিকল্পিতভাবে এগোব। আমার স্বপ্ন পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তোলা।

গতকাল রোববার রাজধানীর কাফরুল, মিপুরের সেনপাড়া, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, কচুক্ষেত এলাকায় গণসংযোগের সময় তিনি ভোটারদের এই প্রতিশ্রুতি দেন বলে সিপিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। রুবেল বলেন, মেয়র নির্বাচিত হলে রাজধানীকে নানাভাবে দূষিত করলে অধিক মাত্রায় কর ধার্য করার পাশাপাশি কঠোর শাস্তির বিধান করব।

যারা খাদ্যে ভেজাল দেবে তাদের ‘দৃষ্টান্তমূলক’ শাস্তি দেওয়া হবে বলেও সাধারণ ভোটারদের কাছে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। রুবেলের ভোটের প্রচারে যোগ দিয়ে পথসভায় বক্তব্য রাখেন সিপিবির সহ-সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ জহির চন্দন, কেন্দ্রীয় নেতা আসলাম খান, যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খান আসাদুজ্জামান মাসুম, সাবেক ছাত্রনেতা তারিক হোসেন মিঠুল, রোমান হায়দার, মোফাজ্জল হোসেন লস্কর, সিপিবির মিরপুর থানার সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন, ১৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি আলী কাওসার মামুন, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আজীম, ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সম্পাদক গৌতম রায়, মীর্জা রাসেদ স্বামী তানজিল। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে রুবেল লড়বেন সিপিবির দলীয় প্রতীক কাস্তে নিয়ে।

নির্বাচন কমিশনকে ব্যর্থ-অযোগ্য বললেন মির্জা ফখরুল
                                  

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন একেবারেই ব্যর্থ এবং অযোগ্য। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সামনে এ মন্তব্য করেন তিনি। এসময় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের দুই মেয়র প্রার্থী, বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দসহ কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিবাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে একেবারেই ব্যর্থ এবং অযোগ্য। তার প্রমাণ হচ্ছে সিটি নির্বাচনের তারিখ তারা নির্ধারণ করে রেখেছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজার দিনে। বড় সমস্যা হচ্ছে যেখানে নির্বাচনী কেন্দ্রগুলো হয়, সেখানেই পূজা হয়। এতে করে বড় ধরণের সমস্যা হতে পারতো। কিন্তু এসব চিন্তা না করে তারা তারিখ নির্ধারণ করেছিল। নির্বাচন কমিশনের অযোগ্যতার কারণেই এমন সমস্যার সৃষ্টি হয়।

তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একজন ক্ষণজন্মা মানুষ ছিলেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে তিনি বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তিনি বাংলাদেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে একটি মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের। আমরা যখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মদিবস পালন করছি, তখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে একটা মিথ্যা মামলায় আওয়ামী লীগ সরকার কারাগারে আটকে রেখেছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বিদেশি নির্বাসিত করে রেখেছে। লক্ষ লক্ষ বিএনপির নেতাকর্মীকে তারা মিথ্যা মামলা দিয়েছে, হত্যা করেছে, গ্রেফতার করেছে, গুম করেছে, খুন করেছে। দেশটাকে একটা অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে তারা।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে আওয়ামী লীগ দেশে একটা একদলীয় শাসন ব্যবস্থা তৈরি করতে চায়। সেজন্যই তারা অত্যাচার নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়ে যাচ্ছে। আজকে আমরা এখানে শপথ নিয়েছি যেকোন ত্যাগের বিনিময়ে আমরা এই দেশকে এবং গণতন্ত্রকে মুক্ত করব। বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো এবং জিয়াউর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করব।

মির্জা ফখরুল বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র মানেই তো সবার সমান সুযোগ, তা কি এখন এই দেশে আছে? আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের সকল গণতান্ত্রিক স্তরগুলোকে সংকুচিত করে ফেলেছে। গণতান্ত্রিক তার্যক্রম সীমিত করে দিয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। গত জাতীয় নির্বাচনে ৩০ তারিখের নির্বাচন ২৯ তারিখ রাতে করে নিয়েছে তারা।

তিনি বলেন, আজকে এই ঢাকা সিটি নির্বাচনে একটি দলের প্রার্থীরা বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে, কারণ একটি অযোগ্য নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা নিতে সক্ষম নয়। এবং তাদের সেই যোগ্যতা নেই। তিনি আরো বলেন, ইভিএমে নির্বাচন করার মানে হচ্ছে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেয়ার আরেকটা অপকৌশল। জনগণের রায় কখনো ইভিএমের মাধ্যমে জনগণের সামনে আসবে না। ইভিএম হচ্ছে একটা ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থা। পৃথিবীর কোন দেশেই এই ব্যবস্থাকে ত্রুটিহীন সিস্টেম বলা যায় না। ব্যালটের মাধ্যমে যদি ভোট দেয়া হয় সেটাই জনগণের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা। জনগণ ভোট দিলে চুরি-ডাকাতি না হলে মোটামুটি একটা ফল পাওয়া যায়। কিন্তু ইভিএমে ভোটের ফলাফলকে পরিবর্তন করার মতো যথেষ্ট ত্রুটি আছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৩ ছাত্রলীগ নেতার পদত্যাগ
                                  

 ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি থেকে একযোগে পদত্যাগ করেছেন কমিটির বিভিন্ন পদের ১৩ জন নেতা। এদের মধ্যে দুইজন সহ-সভাপতি ও চারজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন। কমিটি গঠনের ১৫ দিনের মাথায় তারা কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন। গতকাল শনিবার পদত্যাগী নেতারা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেলের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল পদত্যাগপত্র পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। জেলা ছাত্রলীগ, নাটাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের কোনও নেতার সঙ্গে পরামর্শ না করেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পদত্যাগী নেতারা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে গত ৩ জানুয়ারি দানিছুর রহমান বাবুকে সভাপতি এবং মেহেদী আলম আরিফকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৫ সদস্যবিশিষ্ট নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদন দেয় সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজি খাইরুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম রায়হান। এ ব্যাপারে পদত্যাগী সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, একটি অশিক্ষিত ছেলেকে কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করায় তিনি সহ-সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি বলেন, তিনি স্নাতক পড়ছেন। একটি অশিক্ষিত ছেলের নেতৃত্বে তিনি রাজনীতি করবেন না। পদত্যাগী সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম রোমান বলেন, জেলা ছাত্রলীগ, নাটাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের কোনও নেতার সঙ্গে পরামর্শ না করেই এই কমিটি গঠন করায় তিনি কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন। এ ব্যাপারে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজি খাইরুল আলম বলেন, আগের আহ্বায়ক কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি সংগঠনকে গতিশীল করার জন্য সবার সঙ্গে পরামর্শ করেই নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ২৫ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দেন। তিনি বলেন, ১৩ জনের পদত্যাগের কথা লোকমুখে শুনেছেন। কোনও কপি পাননি। কেউ তার কাছে পদত্যাগপত্র জমাও দেননি। এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল ১৩ জনের পদত্যাগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জেলা ছাত্রলীগের সঙ্গে কোনও ধরনের পরামর্শ না করেই তার নিজের ইচ্ছায় সংগঠন পরিচালনা করেন। তিনি বলেন, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে শোকজ করা হবে।

 

সিটি নির্বাচনে ইভিএম বাতিলের আহ্বান ঐক্যফ্রন্টের
                                  

আসন্ন ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতি বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। গতকাল শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ আহ্বান জানান জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা আসম আবদুর রব। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস নেই। সে কারণে সুষ্ঠু ভোট ছাড়াই ক্ষমতা দখল ও ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার নিত্যনতুন কূটকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। জনগণকে নানাভাবে হয়রানি ভয়ভীতি, সন্ত্রাস ও গ্রেফতারের মাধ্যমে নির্বাচন বিমুখ করা হয়েছে। নির্বাচনে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে সরকার ও নির্বাচন কমিশন। আর ইভিএম হলো ভোটচুরির নতুন পদ্ধতি। আল্লাহর ওয়াস্তে আপনারা ইভিএমপন্থা বাদ দিন। এটাকে বঙ্গোপসাগরে ফেলে দিন। তিনি বলেন, যেকোনো যন্ত্র বা প্রযুক্তি চলে মানুষের কমান্ডে। কিন্তু যাঁরা কমান্ডে আছে তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইভিএমের মাধ্যমে জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করবে একথা বলাই বাহুল্য। ইভিএমে প্রযুক্তি এবং তথ্য পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে, মধ্যরাতে ভোটের ধারাবাহিকতায় এটা হবে আরও একটি জঘন্য দৃষ্টান্ত। ইভিএম পদ্ধতি বিতর্কিত এবং সাংবিধানিকভাবে অগ্রহণযোগ্য। এভাবে ভোট করলে তা পুরো নির্বাচনি প্রক্রিয়া, পদ্ধতি ও ব্যবস্থাকে অশুভ পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে নিঃসন্দেহে। জেএসডির সভাপতি আরো বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে নির্বাচন সম্পর্কে প্রকাশ্যে পেপার ব্যালটের কথা বলা হয়েছে। বলা হয়েছে ভোটের গোপনীয়তা রক্ষিত হবে। কিন্তু ইভিএমে ভোটের গোপনীয়তা থাকে না, ভোটারদের কাছে কোনো প্রমাণ থাকে না। একটি সত্যিকারের গণতন্ত্রের মৌলিক অধিকার ও সংবিধান লঙ্ঘন। জনগণ সব ক্ষমতার মালিক। গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ও প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণ সেই মালিকানা প্রতিষ্ঠা করেন। তারা সুষ্ঠু ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেন। কিন্তু বর্তমানে দেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে নানাবিধ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে। ভোট ছাড়াই নির্বাচন ও সরকার গঠিত হচ্ছে। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ২০১৮ সালে দিনের ভোট রাতে করে কলঙ্কলেপন করেছেন। ২০২০ সাল বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর বছর। এই বছর আর ভোট কারচুপি না করে পদত্যাগ করুন। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক আবু সাঈদ, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বিকল্প ধারার সভাপতি ড. নুরুল আমিন বেপারী, জেএসডির সানোয়ার হোসেন, শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, ঐক্যফ্রন্টের দপ্তর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু প্রমুখ।

সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সরকার বদ্ধপরিকর: তাজুল
                                  

 সিটি নির্বাচনসহ সব ধরনের নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, শত বাধা-বিপত্তি, হত্যার হুমকি, নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে শেখ হাসিনা মানুষের ভাত ও ভোটের অধিকার আদায়ের জন্য জীবনভর সংগ্রাম করেছেন। তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। গতকাল শনিবার চট্টগ্রামের রাউজানের নোয়াজিষপুর অদুদিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নোয়াজিষপুর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনার আত্মত্যাগের কারণেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে। তার নেতৃত্বেই দেশের আর্থ-সামাজিক খাতে অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। শেখ হাসিনার সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে দেশ আজ উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ উন্নত দেশের তালিকায় স্থান করে নেবে। অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি এবং রাউজানের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী বলেন, রাউজান এখন হরতাল, চাঁদাবাজ মুক্ত। এখানে সন্ত্রাসীদের কোনো স্থান নেই।

তিনি বলেন, রাউজানে ৩০০ বিদ্যালয়ে প্রায় ১ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে। ১৮২টি বিদ্যালয়ে প্রাথমিকের প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থীকে মিড ডে মিল দেওয়া হচ্ছে। শেখ হাসিনার সরকারই এসব উদ্যোগ নিয়েছে। অনুষ্ঠানে রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহসানুল হায়দার বাবুল, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সুশংকর চন্দ্র, স্থানীয় সরকার বিভাগ চট্টগ্রাম জেলার উপ-পরিচালক ইয়াছমিন পারভিন তিবরীজি, নোয়াজিষপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সরোয়ার্দী সিকদার বক্তব্য দেন।

সরকারের দাস হয়ে ইভিএম’র ব্যবস্থা করেছে ইসি: সেলিমা
                                  

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বলেছেন, দেশের জনগণ ইভিএম (ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন) চায় না। বিশ্বের অনেক উন্নত রাষ্ট্র ইভিএম বাতিল করেছে। তার পরেও নির্বাচন কমিশন এই অবৈধ সরকারের দাস হয়ে ইভিএমের ব্যবস্থা করেছে। যাতে সরকার সহজেই ভোট চুরি করে নিয়ে নিতে পারে এবং দুই সিটি কর্পোরেশনে জয় লাভ করতে পারে। গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে জাগপার জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সেলিমা রহমান বলেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

জনগণ এখন বিএনপিকে চায়। বেগম খালেদা জিয়াকে চায়। তার শাসন ব্যবস্থাকে চায়। কিন্তু বর্তমান অবৈধ সরকার ভোটচুরির একটি নতুন কৌশল অবলম্বন করেছে। তারা এবার সিল মেরে নয় মেশিন দিয়ে ভোট চুরি করার ব্যবস্থা করছে। বাংলাদেশের ৯৫ ভাগ মানুষ আওয়ামী লীগের পক্ষে -আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এ কথা উল্লেখ করে সেলিমা রহমান বলেন, যদি দেশের ৯৫ ভাগ মানুষ আপনাদের পক্ষে হয়। তা হলে সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে এত ভয় পান কেন? সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে দেখেন। কোনো দলের জনসমর্থন বেশি। জনগণ যদি আপনাদের ওপর আস্থা পায়, তা হলে তো তারা আপনাদেরকে নির্বাচিত করবে। এত ভয় কিসের? তিনি অভিযোগ করে বলেন, জনগণ যাতে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে না যায়, তার জন্য বিএনপির দুই প্রার্থীর গণসংযোগে হামলা করা হচ্ছে।

বিএনপির দুই মেয়র প্রার্থীর পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এ সময় তিনি ২০ দলীয় জোটের সকল দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণের কাছে যেতে হবে। জনগণকে সম্পৃক্ত করে আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকারের পতন ঘটাতে হবে। জাগপার একাংশের সভাপতি আবিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।

কঠিন সময় পার করছে দেশ: ফখরুল
                                  

 শুধুমাত্র বিএনপি নয়, গোটা দেশ আজ কঠিন সময় পার করছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান সরকার মুক্তিযুদ্ধের কথা বললেও এর সমস্ত চেতনাকে ধ্বংস করেছে, তেমনি দেশের গণতন্ত্রকেও। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হয়েও খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধান সংশোধন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি। ক্ষমতায় টিকে থাকতে নতুন আঙ্গিকে ছদ্মবেশী বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে একতরফা ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে আছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে নীলফামারী জেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলমগীর সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখনে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল মাহমুদ টুকু, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু ও জহুরুল আলম প্রমুখ। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার দেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। নির্বাচন কমিশন বিচার বিভাগ কেউ আজ স্বাধীন নয়। সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে আমরা আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিয়েছি। নির্বাচনকে ঘিরে দলীয় প্রার্থীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে সরকার। তার পরেও গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে বিএনপি প্রার্থীদের পক্ষে।

জনগণের ভোটাধীকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে আজ কোনো শাসন ব্যবস্থা নেই। সব ধবংস হয়ে গেছে। ৭১ এরপর তারা কম্বল চুরি করলেও এখন করছে ব্যাংক চুরি। হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট হচ্ছে ব্যাংক থেকে। চারিদিকে শুধু দুর্নীতি আর দুর্নীতি। চোরের খনিতে পরিণত হয়েছে গোটা দেশ। বিএনপি মহাসচিব বলেন, যে দানব সরকার আমাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিচ্ছে তার বিরুদ্ধে একজোট হয়ে দাঁড়াতে হবে। খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। সম্মেলনে সাবেক যুবদল নেতা আলমগীর সরকার ও সাবেক ছাত্রদল নেতা জহরুল ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

চট্টগ্রাম সিটি ও ৩ উপনির্বাচন নিয়ে বসছে ইসি
                                  

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন এবং একাদশ সংসদের তিনটি শূন্য আসনে ভোটের তারিখ ঠিক করতে আগামী সপ্তাহে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ২১ জানুয়ারি বিকেল ৩টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে ইসির ৫৮তম সভা হবে। মার্চ মাসে ভোট করার লক্ষ্যে ওই সভায় সার্বিক প্রস্তুতি তুলে ধরবেন ইসি কর্মকর্তারা।

গতকাল বুধবার ইসির উপ সচিব মো. শাহেদুন্নবী স্বাক্ষরিত সভার নোটিসে বলা হয়েছে, আরপিওর খসড়া চূড়ান্ত করা; গাইবান্ধা-৩, ঢাকা-১০ ও বাগেরহাট-৪ আসনের উপ নির্বাচন; চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের প্রস্তুতি, ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য খসড়া চূড়ান্ত করার তারিখ নির্ধারণের বিষয়টি কমিশনের সভার আলোচ্যসূচিতে থাকছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন মার্চে হতে পারে বলে ইতোমধ্যে আভাস দিয়েছেন সিইসি কে এম নূরুল হুদা। তিনি বলেছেন, আমার ধারণা মার্চ মাস হবে নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত সময়। এপ্রিল মাসে রমযান আছে। মার্চ মাসে সম্ভবত পরীক্ষা বা অন্য কিছু নেই। সংসদীয় আসন শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ভোট করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে মার্চের মধ্যেই তিনটি উপ নির্বাচন করতে হবে কমিশনকে। গাইবান্ধা- ৩ ( সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা মো. ইউনুস আলী সরকার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান গত ২৭ ডিসেম্বর। ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে ২৯ ডিসেম্বর শেখ ফজলে নূর তাপস পদত্যাগ করলে ঢাকা-১০ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়। এরপর ১০ জানুয়ারি মারা যান বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক প্রতিমন্ত্রী মো. মোজাম্মেল হোসেন।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, মুজিববর্ষ শুরু হচ্ছে ১৭ মার্চ, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, আর এপ্রিলজুড়ে এইচএসসি পরীক্ষা- এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ভোটের তারিখ নির্ধারণ বসবে কমিশন। ২০১৫ সালে ঢাকার দুই সিটির সঙ্গে নির্বাচন হলেও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নতুন পর্ষদের দায়িত্ব পালন পরে শুরু হয়েছিল। সেজন্য ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ১৮০ দিন গণনা শুরু হবে। চট্টগ্রাম সিটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের জুলাইয়ে।

ইভিএম মেশিনগুলো বঙ্গোপসাগরে ফেলে দিতে বললেন আমীর খসরু
                                  

 বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, নির্বাচন কমিশন অনুমোদন ছাড়া এলসি খুলে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে ইভিএম মেশিন (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) কিনেছে এবং এতে দেশের জনগণের চার হাজার কোটি টাকা অপচয় হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে তিনি বলেন, ইভিএম মেশিনগুলো বঙ্গোপসাগরে ফেলে দিন। গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আমীর খসরু বলেন, কোনও গণতান্ত্রিক দেশে যেখানে সামান্য পরিমাণ জবাবদিহিতা আছে, সেখানে যাঁরা মূল স্টেকহোল্ডার তাদের মতামত সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করে নির্বাচন কমিশন এরকম কাজ করতে পারে না। আর সবচাইতে বড় কথা হলো আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ যেখানে ২১ হাজার টাকা করে ইভিএম মেশিন কিনেছে, সেই ইভিএম মেশিন আমাদের নির্বাচন কমিশন কিনেছে দুই লাখ ৩০ হাজার টাকা দামে। অর্থাৎ প্রায় ১১ গুণ বেশি দাম দিয়ে। তাই আমি নির্বাচন কমিশনকে বলবো এসব মেশিন ক্রয় করা হয়ে গেছে, দুর্নীতির টাকাও পকেটে ঢুকে গেছে। এখন আল্লাহর ওয়াস্তে বাংলাদেশের জনগণকে বাঁচান। তাদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার স্বার্থে, এদেশের গণতন্ত্রের স্বার্থে, এদেশের মানুষের অধিকারের স্বার্থে দয়া করে মেশিনগুলোকে বঙ্গোপসাগরে ফেলে দিন। এই জাতিটাকে এবার মাফ করে দিন আপনারা।

যাঁরা প্রযুক্তি বোঝে, যাঁরা প্রযুক্তির জন্ম দেয়, সেই সমস্ত দেশ ইভিএম বন্ধ করে দিয়েছে। এই ইভিএম ব্যবহার করলে তাদের ভোটাধিকার নিয়ে শঙ্কা আছে, এজন্য তারা এটাকে বাদ দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ব্যালটবাক্সে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার সই দিয়ে দিনের বেলা ভোট চুরি করা এতটা সহজ নয়, সেটা আওয়ামী লীগ ৩০ তারিখের নির্বাচনে বুঝতে পেরেছিল। তাই ২৯ তারিখ রাতে ভোট ডাকাতি করেছিল। এজন্য সরকার জানে যে ব্যালটে সিল মেরে দিনের আলোতে ভোট চুরি করা কতটা কষ্টের। তাই তারা নতুন অধ্যায় চালু করেছে। আর সেই অধ্যায় হলো ইভিএম অধ্যায়। তাই আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, ইভিএম বন্ধ করতে হবে। আর ইভিএম বন্ধ না হলে আগামি দিনের নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে আমাদের ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। চট্টগ্রামের উপনির্বাচন প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের উপনির্বাচনে প্রায় সব কেন্দ্র ক্ষমতাসীনরা দখল করে নিয়েছে। অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ভয়ভীতির মাধ্যমে তারা কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে।

ভোটাররা ভোট দিক বা না দিক তারা তাদের ইভিএমের মাধ্যমে সুন্দরভাবে ভোটগুলো তাদের পক্ষে নিয়ে নিচ্ছে। ঢাকাতেও একই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন উপলক্ষে ৩০ তারিখের আগ পর্যন্ত কোনও গ্রেফতার-হয়রানি বা অভিযান চলবে না বলে নির্বাচন কমিশন আশ্বস্ত করেছিল উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, আমি নিজে গিয়েছি, নির্বাচন কমিশনার আমাকে কথা দিয়েছেন ৩০ তারিখ পর্যন্ত কোনও গ্রেফতার হবে না, অভিযান চলবে না। কিন্তু কী দেখা যাচ্ছে? গ্রেফতারও চলছে, অভিযানও চলছে। আক্রমণ চলছে, হামলা চলছে। হামলা মামলার মাধ্যমে ভয়ভীতির সৃষ্টি করছে।

চট্টগ্রাম-৮ আসনে ভোট শেষ হওয়ার আগেই পুনর্নির্বাচন দাবি বিএনপির প্রার্থীর
                                  

 কেন্দ্র দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচনে ভোট স্থগিত করে নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবু সুফিয়ান। গতকাল সোমবার ভোটগ্রহণের মাঝপথে বেলা দেড়টার দিকে নগরীর নাসিমন ভবনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি। এর আগে সকালে ভোট শুরুর পর একটি কেন্দ্রের বাইরে বোমাবাজির ঘটনা ঘটে।

এ ছাড়া কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেন আবু সুফিয়ান। এর কয়েক ঘণ্টা পর সংবাদ সম্মেলনে এসে তিনি বলেন, সকাল থেকে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বহিরাগত কর্মীরা অধিকাংশ কেন্দ্র দখলে নিয়েছে, বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেওয়া হচ্ছে এবং গোপন বুথে ছাত্রলীগ-যুবলীগের কর্মীরা জোর করে ভোট দিচ্ছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছি ভোট স্থগিত করে পুনরায় নির্বাচন দিতে। লিখিত আবেদন করেছি। কেন্দ্র ও মাঠ পর্যায়ে যাঁরা ভোটের কাজে আছেন তাদের সাথে আলোচনা করে সময় নিচ্ছি। ঘণ্টাখানেক পরে আবার আপনাদের জানাব। তিনি বলেন, ১৭০টি কেন্দ্রর মধ্যে অলমোস্ট সব কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। ভোটারদের যেতে দেওয়া হচ্ছে না। গোপন বুথে ছাত্রলীগ যুবলীগের কর্মীরা ভোট দিচ্ছে।

গতরাত থেকে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে। সকাল থেকে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে আবারো, যাতে ভোটাররা কেন্দ্রে না যায়। কোনো ব্যবস্থা প্রশাসন নেয়নি। সকাল থেকে ভোটাররা বাধা ডিঙিয়ে কেন্দ্রে গেছে। আবু সুফিয়ান বলেন, বহিরাগত সন্ত্রাসী গ্রুপ পুলিশের উপস্থিতিতে কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। গোপন বুথে জোর করে নৌকায় ভোট দিচ্ছে। পরিবেশ না পেয়ে বলেছি ভোট স্থগিত করতে, পুনর্র্নিবাচন দিতে। কোনো পরিবেশ নেই। ভোটের নামে তামাশা ও ট্যাক্সের টাকা খরচের প্রহসন। আজ এটা বিশ্বাস জন্মেছে যে, এ সরকারের আমলে সুষ্ঠু কোনো নির্বাচন সম্ভব না। সংবাদ সম্মেলনে নগর বিএনপির সভাপতি শাহাদাত হোসেন বলেন, আমরা বলেছি প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে। চট্টগ্রাম-৮ আসনে বাইরে থেকে ছাত্রলীগ যুবলীগকর্মীরা কীভাবে সেখানে যেতে পারে? প্রতি কেন্দ্রে ৫০০- ১০০০ লোক অবস্থান নিয়েছে। আপনারা দেখেছেন কিছু ছেলে লাইন ধরে ভোট দিচ্ছে। সেখানে ভোটের লাইনে কোনো বয়স্ক, মধ্য বয়স্কদের দেখা যায়নি। সেখানে সব দলীয় ও বাইরের ছেলে। প্রহসনের নির্বাচনে ভোট সুষ্ঠু হচ্ছে দেখানোর জন্য এ পদ্ধতি অবলম্বন করা হচ্ছে। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এসব অভিযোগ রিটার্নিং কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে বলে জানান শাহাদত। ১২০টি কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। তিনি ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলেও এখনো কিছু করতে পারেননি। হামলার অভিযোগ করে তিনি বলেন, ছাত্র-যুবলীগের ক্যাডাররা কেন্দ্র দখলে নিয়েছে। এজেন্টদের মেরে বের করে দেওয়া হয়। ভোটারদের গতরাত থেকে হুমকি দেওয়া হয় যেন না আসে।

আমাদের নগর বিএনপির অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। যুবদলের খোরশেদকে কোপানো হয়েছে। অ্যাডভোকেট ইছহাক, ওঁর ৮০ বছরের উপর বয়স, তাকেও মারা হয়েছে। এভাবে তারা ভোট উৎসব করছে। লাইনে লোক দাঁড় করিয়ে প্রহসনের নির্বাচন করা হচ্ছে। এ অভিযোগগুলো রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানিয়েছে। লিখিত আবেদন করে পুনর্র্নিবাচন দাবি করেছেন প্রার্থী। নির্বাচন কমিশনের নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রতি সেন্টারে সেনা সদস্য থাকবে বলেছিলেন সিইসি ও ইসি। এখন রিটার্নিং কর্মকর্তা বলছেন, ইভিএমে কারিগরি ত্রুটি হলে সেটা দেখার জন্য সেনাবাহিনী থাকবে, ভোটের পরিবেশের জন্য নয়।
চট্টগ্রামের মেয়র নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের ব্যক্তিগত সহকারী রায়হান ইউসুফের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখলের অভিযোগ করেছেন বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান। তিনি বলেন, সকালে আমি চান্দগাঁও আবাসিক সিডিএ পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে নিজের ভোট দিতে যাই। এসময় মেয়র আ জ ম নাছিরের পিএস রায়হান ইউসুফের নেতৃত্বে কয়েকশ ছেলে ভোটদান বাধাগ্রস্ত করে, কেন্দ্র ঘিরে ফেলে। তারা আমাকে অবরুদ্ধ করে ফেলে। চান্দগাঁও যে কেন্দ্রে ভোট দিয়েছি সেখানে। অভযোগ অস্বীকার করে রায়হান ইউসুফ বলেন, ইভিএমে কেন্দ্র দখলের কোনো সুযোগ নেই। তিনি সেখানে যাননি। বোয়ালখালীর নির্বাচনে ২২ জন ম্যাজিস্ট্রেট, ছয় প্লাটুন র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ-আনসার সব আছে। বিএনপি প্রার্থী আমাকে চেনেন কি না সন্দেহ। তার অভিযোগ বানোয়াট। ডাহা মিথ্যা কথা। তারা অপবাদের রাজনীতি করছে।


এদিকে কেন্দ্র থেকে দলীয় প্রার্থীর এজেন্টদের বের করে দেয়ার বিষয়ে বিএনপিপ্রার্থীর অভিযোগের ‘সত্যতা সেভাবে পাওয়া যায়নি’ বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান। তিনি বলেন, উনারা সকালে কয়েকটি কেন্দ্রের বিষয়ে অভিযোগ করেছিলেন, সেগুলোর জন্য ব্যবস্থা নিয়েছি। ভোট স্থগিত চেয়ে বিএনপিপ্রার্থীর আবেদনের বিষয়ে মো. হাসানুজ্জামান বলেন, উনাদের আবেদন এখনো আমার হাতে আসেনি। আসলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কেন্দ্র দখলের অভিযোগের বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, “যখন যেখানে তারা বলেছেন, সেখানে ম্যাজিস্ট্রেট ও বিজিবি পাঠিয়েছি। অধিকাংশ কেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্ট বের করে দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উনারা যেভাবে বলছেন সেভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।

নীরবে ভোট ডাকাতির জন্য এবার ইভিএম: রিজভী
                                  

 গত সংসদ নির্বাচনের অস্বস্তি এড়াতে এবার সরকার নীরবে ডিজিটাল ভোট চুরি করতে ঢাকা সিটির নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। গতকাল রোববার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ২৯ ডিসেম্বর রাতের ভোট ডাকাতির কেলেংকারিতে অস্বস্তিতে পড়ে সরকার এখন ইভিএমের মাধ্যমে ডিজিটাল ভোট ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।

‘তাবেদার’ নির্বাচন কমিশন সেই আয়োজন করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট সকলের আপত্তি সত্ত্বেও ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের তোড়জোড় বেপরোয়া দুর্বৃত্তপনারই বর্ধিত প্রকাশ। সারাবিশ্বে বাতিল হওয়া ভোটাধিকার হরণের যন্ত্র ইভিএমে ভোট করার পথ থেকে এখনি সরে আসার জন্য আমরা ইসির প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। রিজভী বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোট ভোটকক্ষ প্রায় ১৪ হাজার। প্রতিটি কক্ষে একটি করে ইভিএম ধরে ১৪ হাজার ইভিএমের প্রয়োজন পড়ে। ইসির বক্তব্য অনুযায়ী, ব্যাকআপ হিসাবে ৫০ শতাংশ মেশিন যদি রাখাও হয়, তা হলে প্রতি কক্ষের জন্য অতিরিক্তসহ মোট ২১ হাজার ইভিএম লাগার কথা। কিন্তু নির্বাচন কমিশন আরো ১৪ হাজার ইভিএম অতিরিক্ত প্রস্তুত করে রাখছে। এটি রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো- ভোটের আগেই ভোটের ফলাফল প্রস্তুত করা। আমরা মনে করি, এটি সম্পূর্ণরূপে রহস্যজনক। বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে ইভিএমের ক্রটির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, ইভিএমে ডিজিটাল ভোট ডাকাতি করা যায় খুবই সহজে।

নির্বাচন কমিশন যে ইভিএমটি ব্যবহার করতে যাচ্ছে তার ইউনিট আছে দুইটি। একটি কন্ট্রোল ইউনিট, অন্যটি ব্যালট ইউনিট। কন্ট্রোল ইউনিটে ফিঙ্গার প্রিন্ট থাকলেও ব্যালট ইউনিটে ফিঙ্গার প্রিন্টের ব্যবস্থা নেই। ইভিএমের কন্ট্রোল ইউনিটে ফিঙ্গার প্রিন্ট ম্যাচিংয়ের পর ব্যালট ইউনিটে গিয়ে একজনের ভোট দিতে পারবেন অন্যজন।
“কোনো ভোটারের ফিঙ্গার প্রিন্ট ম্যাচিং না হলে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের হাতে ৫ শতাংশ ফিঙ্গার ম্যাচিং ক্ষমতা দিয়ে দিচ্ছে এই সরকারের একান্ত অনুগত নির্বাচন কমিশন। ফলে সাজানো ভোটের ফলাফলের মাধ্যমে জনগণকে ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন বারবার বলছে, ব্যালট ইউনিট গোপন কক্ষে থাকবে, সেখানে ভোটার ছাড়া কারোর যাওয়ার সুযোগ নেই- এটা সম্পূর্ণ ডাহা মিথ্যা তথ্য। এখন অধিকাংশ ভোটকক্ষের নিয়ন্ত্রণ থাকে ক্ষমতাসীন দলের হাতে। প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা এবং পোলিং অফিসারদের সবাই সরকারি কর্মকতা।

সরকারের হুকুমেই তাদের কাজ করতে হয়।তাদের সাথে যুক্ত থাকে সরকারি দলের প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট নামের ক্যাডার বাহিনী। নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মির সরফত আলী সপু ও সহসাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম উপস্থিত ছিলেন।

একবার রাতের আঁধারে ভোট করেছেন, এবার ইভিএমে: সেলিমা
                                  

 ইভিএম ভোট চুরির নতুন প্রয়াস উল্লেখ করে সরকারের উদ্দেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বলেছেন, সত্যিকার অর্থে আপনারা যদি বিশ্বাস করেন যে ভোট হচ্ছে ক্ষমতা পরিবর্তনের উপায়, আপনারা যদি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন; আপনাদের যদি জবাবদিহিতা থাকে তা হলে সুষ্ঠুভাবে সিটি করপোরেশন নির্বাচন দেন। গতকাল শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতীয়তাবাদী নবীন দলের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সেলিমা বলেন, আপনারা নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করেন।

একবার করেছেন রাতের আঁধারে ভোট। এবার আবার আপনারা ইভিএমের মাধ্যমে ভোট চুরির নতুন প্রয়াস করেছেন। আপনাদের ইভিএমের নতুন কৌশলে জনগণ ভোট দিতে পারবে না। আমরা দেখেছি তাদের কৌশলের কোনো শেষ নেই। তিনি বলেন, আমরা বিশ্ববাসীকে দেখাব এই সরকারের কোনো ক্ষমতা নেই, সরকার অবৈধ। তারা জোর করে সবকিছু করছে। এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং ফ্যাসিস্ট সরকারের থেকে মুক্তি আশা করছি। এই আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণের কাছে গিয়ে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। এই কারণে আমরা এই সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, আমরা নির্বাচনে গিয়েছি জনগণের সঙ্গে থেকে জনগণকে নিয়ে আগামি আন্দোলন সংগঠিত করার জন্য। আন্দোলনের মাধ্যমে যেন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি করতে পারি, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটাতে পারি সেই কারণে আমরা নির্বাচনে গিয়েছি। নির্বাচন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পদক্ষেপ। এই সরকারের পতন ঘটাতে পারলে খালেদা জিয়া মুক্তি পাবে। সরকারের পতন ঘটবে। আমরা চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, দেশে দুর্নীতি-দুঃশাসন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

সরকারের কাছে আমরা বেগম খালেদার মুক্তি চাচ্ছি না। আমরা চাচ্ছি গণতান্ত্রিকভাবে যেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি হয়। তিনি অসুস্থ, আশঙ্কা হচ্ছে তাকে বর্তমান সরকার সুস্থ অবস্থায় আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেবে কিনা। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি হুমায়ূন আহমেদ তালুকদারের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান সালেহ প্রিন্স, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোহেল রানা প্রমুখ।

সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ের মতো গড়ে তোলা হবে ঢাকাকে : আতিকুল
                                  

ঢাকাকে সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ের মতো গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম।

আজ রোববার সকালে উত্তরায় নির্বাচনী গণসংযোগ করেন আতিকুল ইসলাম। সেখানে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকাকে সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ের মতো গড়ে তোলা হবে।’

এদিন উত্তরার রাজলক্ষ্মী প্লাজার সামনে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন আতিকুল ইসলাম। এরপর কসাইবাড়ি রেলগেইট, কাচপুর, দক্ষিণখানে গণসংযোগ করেন।

আগামী ৩০ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের দিনকে সামনে রেখে গত শুক্রবার থেকে প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর দুই সিটির প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারে নেমেছেন।

৩০ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ চলবে। পুরো ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে। 

সংবিধান লঙ্ঘন করা মানে বঙ্গবন্ধুকে অসম্মান করা: কামাল
                                  

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর স্বাক্ষরিত দলিল সংবিধান বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘরে রাখা আছে। প্রত্যেক স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের এই দলিল দেখানো উচিত। এই স্বাধীন বাংলাদেশের জনগণ যদি গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্ছিত হয় তা হলে বঙ্গবন্ধুর কথা অমান্য করা হবে।

গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণফোরাম আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ১০ জানুয়ারি ৭২, অকথিত ঘটনাবলী’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। কামাল হোসেন বলেন, আমার সৌভাগ্য হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো একজন নেতার সঙ্গে কর্মী হিসেবে কাজ করার। এই বাংলাদেশ যতদিন থাকবে ততদিন বাংলার মানুষ তাকে শ্রদ্ধা করবেন। তিনি বাংলাদেশকে স্বাধীন করে জনগণকে দেশের মালিকানা হিসেবে রেখে গেছেন। তার স্বাক্ষরিত দলিলে লেখা আছে, এই দেশের মালিক জনগণ। আমরা বঙ্গবন্ধুর মতো অসাধারণ নেতৃত্ব পেয়েছিলাম বলেই আজ স্বাধীনতা পেয়েছি।

তিনি বলেন, সংবিধানের ৭ম অনুচ্ছেদে লেখা আছে দেশের মালিক জনগণ। স্বাধীন দেশে স্বৈরাচার থাকার কোনো অধিকার নেই। এই দেশের প্রতিটি জনগণ কেন তার মৌলিক অধিকার পালন করতে পারে সে কথা বঙ্গবন্ধু বলে গেছেন। তিনি কখনো অন্যায়ের ব্যাপারে আপোশ করেননি। ড. কামাল বলেন, আমাদের এখানে গণতন্ত্র নেই। স্বাধীনতার পরিবর্তে আমরা স্বৈরতন্ত্রকে মেনে নিয়েছি। গণতন্ত্র রক্ষার জন্য মাঝে মাঝে ঝুঁকি নিতে হয়, আমাদের ঝুঁকি নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমরা খুবই অল্প সময়ের মধ্যে বঙ্গবন্ধুকে হারিয়েছি। তাকে যেন কখনো অমান্য করা না হয়। বঙ্গবন্ধুকে শুধু দেশের মানুষ নয় বিভিন্ন দেশের মানুষ তাকে শ্রদ্ধা করতো এবং ভালোবাসতো। আমাদের সংবিধান এবং মৌলিক অধিকারগুলো যেন সকলে অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে পারে সে ব্যাপারে আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করব।


   Page 1 of 254
     রাজনীতি
খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল
.............................................................................................
সাদসহ ১৬ জনকে পদ দেওয়ায় রওশনের ওপর রংপুরের নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধ
.............................................................................................
ঢাকা দূষণে বাড়তি করের সঙ্গে শাস্তির বিধান করব: রুবেল
.............................................................................................
নির্বাচন কমিশনকে ব্যর্থ-অযোগ্য বললেন মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৩ ছাত্রলীগ নেতার পদত্যাগ
.............................................................................................
সিটি নির্বাচনে ইভিএম বাতিলের আহ্বান ঐক্যফ্রন্টের
.............................................................................................
সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সরকার বদ্ধপরিকর: তাজুল
.............................................................................................
সরকারের দাস হয়ে ইভিএম’র ব্যবস্থা করেছে ইসি: সেলিমা
.............................................................................................
কঠিন সময় পার করছে দেশ: ফখরুল
.............................................................................................
চট্টগ্রাম সিটি ও ৩ উপনির্বাচন নিয়ে বসছে ইসি
.............................................................................................
ইভিএম মেশিনগুলো বঙ্গোপসাগরে ফেলে দিতে বললেন আমীর খসরু
.............................................................................................
চট্টগ্রাম-৮ আসনে ভোট শেষ হওয়ার আগেই পুনর্নির্বাচন দাবি বিএনপির প্রার্থীর
.............................................................................................
নীরবে ভোট ডাকাতির জন্য এবার ইভিএম: রিজভী
.............................................................................................
একবার রাতের আঁধারে ভোট করেছেন, এবার ইভিএমে: সেলিমা
.............................................................................................
সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ের মতো গড়ে তোলা হবে ঢাকাকে : আতিকুল
.............................................................................................
সংবিধান লঙ্ঘন করা মানে বঙ্গবন্ধুকে অসম্মান করা: কামাল
.............................................................................................
ইভিএমের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান খসরুর
.............................................................................................
আমাদের নতুন আন্দোলন শুরু হলো: ফখরুল
.............................................................................................
ফরিদগঞ্জে সাবেক এমপি ও বর্তমান এমপি গ্রুপের সংঘর্ষ
.............................................................................................
নির্বাচনে অনিয়ম হলে সরকার পতনের আন্দোলন: গয়েশ্বর
.............................................................................................
প্রতীক পেলেন ঢাকা উত্তর-দক্ষিণের মেয়র প্রার্থীরা
.............................................................................................
নির্বাচনী প্রচারণায় মন্ত্রী-এমপিরা অংশ নিতে পারবেন না: মাহবুব তালুকদার
.............................................................................................
খালেদার মুক্তি দাবিতে রাজধানীতে বিএনপির বিক্ষোভ
.............................................................................................
সিইসির সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক আজ
.............................................................................................
কাউন্সিলরপ্রার্থীদের হুমকি: লিখিত অভিযোগ দিলেন ইশরাক
.............................................................................................
আমাদের বিশ্বাস সুন্দর নির্বাচন হবে: আতিকুল
.............................................................................................
মোশাররফ-মওদুদ দায়িত্বে দুই সিটিতে বিএনপির নির্বাচন
.............................................................................................
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে উত্তরে তোফায়েল দক্ষিণে আমু
.............................................................................................
জরুরি বৈঠকে বসছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা
.............................................................................................
ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত পুনর্মিলনীতে আমন্ত্রণ পাননি শোভন ও গোলাম রাব্বানী
.............................................................................................
সুষ্ঠু হবে না -প্রমাণের জন্য সিটি নির্বাচনে যাচ্ছে বিএনপি: ফখরুল
.............................................................................................
৩৩ প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি
.............................................................................................
গণঅভ্যুত্থান হবে ছাত্রদলের নেতৃত্বে : ফখরুল
.............................................................................................
দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণের রাজনীতি করছে জাপা: জিএম কাদের
.............................................................................................
‘গণতন্ত্র উদ্ধার আন্দোলন’ সমাবেশে হেফাজতের কর্মী-সমর্থকরা
.............................................................................................
সরকারের ইচ্ছাপূরণেই ঢাকার ভোটেও ইভিএম: বিএনপি
.............................................................................................
সরকারের কপালে বড় কলঙ্কের তিলক : মান্না
.............................................................................................
ঐক্যফ্রন্টের মিছিলে পুলিশের বাধা, ফের বিক্ষোভের ঘোষণা
.............................................................................................
আঘাত দিলে প্রতিঘাত পাবেন: রাঙ্গাঁ
.............................................................................................
রওশন আমৃত্যু প্রধান পৃষ্ঠপোষক, কাদের চেয়ারম্যান
.............................................................................................
ঢাকাসিটি করপোরেশনের নির্বাচনে জামানত ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা
.............................................................................................
মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তাপস-সেলিম
.............................................................................................
দক্ষিণে বিএনপির ইশরাক, উত্তরের সিদ্ধান্ত আজ
.............................................................................................
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীদের পূর্ণ সমর্থন দিবে ২০ দল
.............................................................................................
জামায়াতের নতুন সেক্রেটারি জেনারেল হলেন গোলাম পরওয়ার
.............................................................................................
সিটি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার আশা জিএম কাদেরের
.............................................................................................
নুরের ওপর হামলা: সনজিত-সাদ্দামকে গ্রেফতারের দাবি
.............................................................................................
দুই সিটি নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু আজ
.............................................................................................
ঢাকা দুই সিটি নির্বাচনে ইভিএম নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে বিএনপি
.............................................................................................
কুষ্টিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]