| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   প্রশাসন -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
মাদকাসক্ত কেউ গাড়ির চালক-হেলপার হতে পারবে না: ডিএমপি কমিশনার

 মাদকের কারণে সড়কে অনেক বড় বড় দুর্ঘটনা ঘটে উল্লেখ করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, মাদকাসক্ত কোনও লোক গাড়ির চালক বা হেলপার হতে পারবে না। এ বিষয়ে পরিবহন মালিক শ্রমিককে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। গতকাল শনিবার রাজধানীর মহাখালী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আয়োজিত ট্রাফিক সচেতনতা সভায় তিনি এ কথা বলেন। পরিবহন মালিকদের উদ্দেশে ডিএমপি কমিশনার বলেন, মাদকাসক্ত কোনও চালক বা হেলপারের হাতে গাড়ি তুলে দেবেন না। কোনও চালককে বা হেলপারকে দেখার পর যদি আপনাদের মনে হয় সে মাদকাসক্ত তাহলে তার ডোপ টেস্ট করান। এ বিষয়ে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করবো। যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে যে ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে এর বেশি যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া যাবে না।

আর যদি কেউ এটি অমান্য করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রমজানে রাজধানীর নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, রমজানের ১৯ দিনে রাজধানীতে কোনও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেনি। আমরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছি। মানুষ নিরাপত্তার সঙ্গে গভীর রাত পর্যন্ত ঈদ কেনাকাটা করে নিরাপদে বাড়ি ফিরছে। কারণ আমরা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছি। তবে সামনের দিনগুলোতে বিভিন্ন টার্মিনালে হকারের বেশে অজ্ঞান পার্টির লোকজন ঢুকতে পারে। তাদের বিষয়ে আমরাও সতর্ক রয়েছি।

কিন্তু যাত্রী এবং পরিবহন কর্তৃপক্ষকেও এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদযাত্রার সময় রাজধানীর যেসব পয়েন্ট হয়ে গাড়ি বের হয় এবং প্রবেশ করে সেগুলো ফাঁকা ও যানজটমুক্ত রাখতে হবে। তাহলে গাড়ি খুব দ্রুত যাত্রী নিয়ে প্রবেশও করতে পারবে, সঙ্গে বেরও হতে পারবে। এতে করে ঈদ যাত্রার ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে।

 

মাদকাসক্ত কেউ গাড়ির চালক-হেলপার হতে পারবে না: ডিএমপি কমিশনার
                                  

 মাদকের কারণে সড়কে অনেক বড় বড় দুর্ঘটনা ঘটে উল্লেখ করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, মাদকাসক্ত কোনও লোক গাড়ির চালক বা হেলপার হতে পারবে না। এ বিষয়ে পরিবহন মালিক শ্রমিককে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। গতকাল শনিবার রাজধানীর মহাখালী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আয়োজিত ট্রাফিক সচেতনতা সভায় তিনি এ কথা বলেন। পরিবহন মালিকদের উদ্দেশে ডিএমপি কমিশনার বলেন, মাদকাসক্ত কোনও চালক বা হেলপারের হাতে গাড়ি তুলে দেবেন না। কোনও চালককে বা হেলপারকে দেখার পর যদি আপনাদের মনে হয় সে মাদকাসক্ত তাহলে তার ডোপ টেস্ট করান। এ বিষয়ে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করবো। যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে যে ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে এর বেশি যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া যাবে না।

আর যদি কেউ এটি অমান্য করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রমজানে রাজধানীর নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, রমজানের ১৯ দিনে রাজধানীতে কোনও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেনি। আমরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছি। মানুষ নিরাপত্তার সঙ্গে গভীর রাত পর্যন্ত ঈদ কেনাকাটা করে নিরাপদে বাড়ি ফিরছে। কারণ আমরা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছি। তবে সামনের দিনগুলোতে বিভিন্ন টার্মিনালে হকারের বেশে অজ্ঞান পার্টির লোকজন ঢুকতে পারে। তাদের বিষয়ে আমরাও সতর্ক রয়েছি।

কিন্তু যাত্রী এবং পরিবহন কর্তৃপক্ষকেও এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদযাত্রার সময় রাজধানীর যেসব পয়েন্ট হয়ে গাড়ি বের হয় এবং প্রবেশ করে সেগুলো ফাঁকা ও যানজটমুক্ত রাখতে হবে। তাহলে গাড়ি খুব দ্রুত যাত্রী নিয়ে প্রবেশও করতে পারবে, সঙ্গে বেরও হতে পারবে। এতে করে ঈদ যাত্রার ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে।

 

ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার: ডিএমপি কমিশনার
                                  

ঈদকে আনন্দময় ও উৎসবমুখর করতে রাজধানী জুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। তবে ঈদকে সামনে রেখে এখন পর্যন্ত ছিনতাই, মলম পার্টি ও চাঁদাবাজির সুস্পষ্ট কোনও ঘটনা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

গতকাল শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে মজার স্কুল নামের একটি সংগঠন আয়োজিত পথশিশুদের ঈদের পোশাক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ছিনতাই-চাঁদাবাজির সুস্পষ্ট কোনও ঘটনানি। তবে কেউ যদি অপরাধীর সুস্পষ্ট বর্ণনা দিতে পারেন তাহলে সেই তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। রাজধানীতে ছিনতাই ও চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেনি বলে তাদের অস্তিত্ব নেই সেটা বলা যাবে না।

তারা (ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ) আছে। তবে আমরা (পুলিশ) তাদের ধাওয়ার ওপরে রেখেছি। দুই মাস আগে থেকে আমাদের গোয়েন্দা পুলিশ এসব অপরাধীদের গতিপথ অনুসরণ করছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অনেককে গ্রেফতারও করেছে। আবার অনেককে গ্রেফতারের প্রস্তুতি চলছে। ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীর বাস, লঞ্চ, ট্রেন স্টেশনসহ পুরো ঢাকায় মানুষের নিরাপত্তা দিতে ডিএমপির পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ফাঁকা ঢাকায় চুরি, ডাকাতি ঠেকাতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নজরদারি থাকবে।

ঢাকা ওয়াসায় দুদকের অভিযান
                                  

অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে রাজধানীর উত্তরায় ওয়াসার মডস জোন-৯-এ অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আরেক অভিযানে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আর্থিক অনিয়ম উদঘাটিত হয়েছে। বরিশালের উজিরপুরে নদী দখলের অভিযোগেও অভিযান চালিয়েছে দুদক। গতকাল বুধবার দুদক উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানান, উত্তরায় ওয়াসার মডস জোন-৯-এ দুদক সহকারী পরিচালক শেখ গোলাম মাওলার নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে পুলিশসহ ৫ সদস্যের এনফোর্সমেন্ট টিম অংশ নেয়। দুদক টিম নির্বাহী প্রকৌশলীর দফতরে গ্রাহকদের আসা অভিযোগ রেজিস্টার যাচাই করে। কিছু গ্রাহকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে সমস্যা জানতে চায়। অভিযানের সময় ওয়াসার পানি বহনকারী ট্রাকের ২ জন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ পায় দুদক টিম।

এ ছাড়া দুদক টিম উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর রোডের পানির লাইন যাচাই করে অবৈধ সংযোগের সন্ধান পায়। ওয়াসা কর্তৃপক্ষ দুদকের উপস্থিতিতে সেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরেও ৬টি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এছাড়া, কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের তথ্যপ্রমাণ পেয়েছে দুদক।

দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন ‘১০৬’ নম্বর) অভিযোগ পেয়ে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর একটি টিম সেখানে অভিযান চালায়। দুদক টিম সরেজমিন দেখতে পায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৩টি গাছের টেন্ডার দেখিয়ে সবগুলো বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জেনারেটর অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। এই জেনারেটর মেরামতের কথা বলে ২০১৮ সালে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পায় দুদক। এদিকে, বরিশালের উজিরপুরে নদী দখলের অভিযোগে অভিযান চালায় দুদক। দুদক টিম স্থানীয় ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে দেখতে পায়, গৌরনদী-ধামুড়া-মিরেরহাটের ওপর দিয়ে প্রবাহিত সন্ধ্যা নদীর ধামুড়া পয়েন্টে প্রায় ২০০ অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এসব স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে দুদক।

 

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রত্যাহার
                                  

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণাধীন আবাসন প্রকল্পের আসবাবপত্রসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজে ‘অস্বাভাবিক’ ব্যয়ের অভিযোগ ওঠার পর প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলমকে প্রত্যাহার করেছে সরকার। গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো. শাহাদাৎ হোসেন গতকাল বুধবার বলেন, অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় মাসুদুল আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনিয়মে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না জানতে চাইলে শাহাদাৎ হোসেন বলেন, বিষয়টি তদন্ত কমিটি তদন্ত করছে।

” পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের নির্মাণাধীন ভবনের আসবাবপত্রে ‘অস্বাভাবিক’ ব্যয়ের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ দেখে গত রোববার মন্ত্রণালয় দুটি তদন্ত কমিটি করে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রূপপুর প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের জন্য নির্মাণাধীন গ্রিনসিটি আবাসন প্রকল্পের জন্য আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র কেনায় ওই দুর্নীতি হয়েছে। সেখানে একটি বালিশের পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা। এর মধ্যে বালিশের দাম ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা, আর আর সেই বালিশ ফ্ল্যাটে ওঠানোর খরচ ৭৬০ টাকা দেখানো হয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যায় বলা হয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক নির্মাণাধীন ছয়টি ভবনে আসবাবপত্রসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজের জন্য দাপ্তরিক প্রাক্কলন প্রণয়নপূর্বক ছয়টি প্যাকেজে ই-জিপিতে দরপত্র আহবান করা হয়।

প্যাকেজসমূহের প্রতিটির ক্রয়মূল্য ৩০ কোটি টাকার নিম্নে প্রাক্কলন করায় গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদন ও ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়। এ ক্ষেত্রে দাপ্তরিক প্রাক্কলন প্রণয়ন, অনুমোদন ও ঠিকাদার নিয়োগে মন্ত্রণালয়ের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের পাওনা পরিশোধ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সে সময় জানানো হয়।

দুনীতি হচ্ছে উন্নয়নের ভাই-বোন, চাঁদপুরে দুদক চেয়ারম্যান
                                  

দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, দুনীতি বন্ধ হবে না। এটা সম্ভবও না। তবে সবাই আন্তরিক হলে দুনীতি কমিয়ে আনা সম্ভব। 

 

রোববার সকাল সাড় ১০টায় চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কাযলয়ে জেলা পযায়ের কর্মকতাদের সাথে দুনীতি প্রতিরোধ বিষয়ক সভায় বক্তব্য রাখেন।

দুদক চেয়ারম্যান আরো বলেন, আমরা সবাই জানি দেশ অথনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। অথনীতি যতো এগিয়ে যাবে, দুনীতিও পিছু নেবে। কারন দুনীতি হচ্ছে উন্নয়নের ভাই-বোন। এটা হচ্ছে পুঁজিবাদী ব্যবস্থার সংঙ্ঘা।

তিনি বলেন, পুলিশ অনেক সময় আসামি ধরতে মানুষের বাড়ি যায়। কিন্তু আমরা কী ওই পুলিশ হতে পারিনা যারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের খোজ খবর নেবেন। আপনার মেয়েটা ভালো আছে কী না। কেউ তাকে টিজ করে কি না।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু কতোটা টেকসই হয়েছে তা কী বলতে পারি। যতোটা উন্নয়ন হয়েছে সেটা ধরে রাখাই বড় উন্নয়ন। 
উদাহরণ স্বরুপ বলা যায়, শতভাগ শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে এসে। এটা বড় ধরনের উন্নয়ন। যা
বিশ্বের রোল মডেল। কিন্তু কতোজন শিক্ষার্থী ড্রপ আউট হলো, ক্লাসে ঠিক মতো পড়ানো হয় কি না। তা মনিটরিং না হলে এ উন্নয়নের দাম নেই। 

সভায় জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান, পুলিশ সুপার(ভারপ্রাপ্ত ) মিজানুর রহমানসহ সরকারের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকতা, জন প্রতিনিধি ও সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।

রংপুর ভুয়া লাইসেন্সে অস্ত্র মামলায় ৩৯১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জসিট অনুমোদন
                                  

রংপুর ডিসি অফিসের জিএম শাখা থেকে জেলা প্রশাসকের সই জাল করে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে চারশ অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের ঘটনায় বুধবার ৩৯১ জনের বিরুদ্ধে চার্জসিট অনুমোদন করেছে দুদক। দ্রত এই চার্জসিট আদালতে জমা দেয়া হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের সহকারি পরিচালক আতিকুল ইসলাম। এর আগে গত ২৫ এপ্রিল এই মামলার চার্জসিটভুক্ত ৬০ আসামী রংপুর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে তাদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। উল্লেখ্য ২০০৩ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে সামসুল ও তার সিন্ডিকেট রংপুর ডিসিদের সই জাল করে ব্যাকডেটে ৪০০ বেশী আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেন। এর মাধ্যমে তিনি কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ হওয়ায় তার অফিসে অভিযান চালিয়ে সামসুলের আলমিরা থেকে ১৫টি ভুয়া আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স, ১৫ টি ভুয়া লাইসেন্সের ভলিউম, ৭ লাখ নগদ টাকা, ১১ লাখ টাকার এফডিআর ও ২ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ডিসি অফিস ও দুদক দুটি মামলা করে। মামলাটি পরে দুদকে স্থানান্তর করা হলে রংপুর র‌্যাব-১৩ সদস্যরা গত বছরের ৬ জুলাই শামসুল ইসলামকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১৭ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল থেকে তার সহয়োগী আব্দুল মজিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া শামসুলে স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। দুদকের সহকারি পরিচালক ও মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম জানান, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিল সাক্ষর জাল করে অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের মামলায় ৩৯১জনের বিরুদ্ধে চার্জসিট অনুমোদন দিয়েছে দুদক ঢাকা অফিস। আরেকবার আসামীদের নাম ঠিকানাগুলো যাচাই করে খুব দ্রুত আদালতে চার্জসিট দাখিল করা হবে।

ফরিদগঞ্জ থানার ওসিসহ দুই পুলিশ অফিসার পুরস্কৃত
                                  

এস. এম ইকবাল:

চাঁদপুরে সঠিকভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনে পুরস্কার পেলেন ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ও দুই অফিসার। পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন ওসি আব্দুর রকিব, এস আই নুরুল ইসলাম ও এ এস আই ইলিয়াছুর রহমান। বুধবার দুপুর ১২টায় চাঁদপুর পুলিশ লাইন্স কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ সভায় পুরস্কার তুলে দেন এসপি জিহাদুল কবির (বিপিএম-পিপিএম)। 

এপ্রিল মাসে দক্ষতা, সততা ও সাহসীকতা, মাদক, ওয়ারেন্ট তামিল, সন্ত্রাস ও মাদক প্রতিরোধে আইন শৃংঙ্খলার উন্নতি অব্যাহত রাখায় চাঁদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ এ্যাসিভমেন্ট হিসেবে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশকে নির্বাচিত করা হয়েছে। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার (পদোন্নতি প্রাপ্ত) মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফজাল হোসেন হাজিগঞ্জ (সার্কেল), শেখ রাছেল কচুয়া সার্কেল এবং জেলার অন্যান্য থানার অফিসার ইনচার্জ প্রমুখ। 

 

 

 

dwi`MÄ _vbvi Iwmmn `yB cywjk Awdmvi cyi¯‹„Z

Gm. Gg BKevj:

Puv`cy‡i mwVKfv‡e †ckvMZ `vwqZ¡ cvj‡b cyi¯‹vi †c‡jb dwi`MÄ _vbvi Awdmvi BbPvR© I `yB Awdmvi| cyi¯‹vi cÖvßiv n‡jb Iwm Avãyi iwKe, Gm AvB byiæj Bmjvg I G Gm AvB BwjqvQzi ingvb| eyaevi `ycyi 12Uvq Puv`cyi cywjk jvBÝ Kvh©vj‡q AbywôZ gvwmK Kj¨vY mfvq cyi¯‹vi Zz‡j ‡`b Gmwc wRnv`yj Kwei (wewcGg-wcwcGg)|

GwcÖj gv‡m `¶Zv, mZZv I mvnmxKZv, gv`K, Iqv‡i›U Zvwgj, mš¿vm I gv`K cªwZ‡iv‡a AvBb k„s•Ljvi DbœwZ Ae¨vnZ ivLvq Puv`cyi †Rjvi †kÖô G¨vwmf‡g›U wn‡m‡e dwi`MÄ _vbv cywjk‡K wbe©vwPZ Kiv n‡q‡Q|

G mgq Dcw¯’Z wQ‡jb, cywjk mycvi (c‡`vbœwZ cÖvß) wgRvbyi ingvb, AwZwi³ cywjk mycvi AvdRvj †nv‡mb nvwRMÄ (mv‡K©j), †kL iv‡Qj KPzqv mv‡K©j Ges †Rjvi Ab¨vb¨ _vbvi Awdmvi BbPvR© cªgyL|

 

রাজশাহীতে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে ধরা খেলেন সমবায় কর্মকর্তা
                                  

 সমবায় সমিতি নিবন্ধনের জন্য টাকা নেওয়ার সময় রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা নৃপেন্দ্র নাথ দাসকে হাতেনাতে ধরেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ মোরশেদ আলমের নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি দল আজ মঙ্গলবার দুপুরে ওই কর্মকর্তাকে তার কার্যালয় থেকে আটক করে। কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, ঘুষের আট হাজার টাকা নেওয়ার সময় নৃপেন্দ্রকে গ্রেফতার করা হয়।

দুদকের এক র্কমকর্তা জানান, সরমংলা একতা মৎস্য চাষী সমবায় সমিতির নিবন্ধনের জন্য গত ১৩ মার্চ আবদুল বাতেন নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি আবেদন করেন। ওই সমিতির নিবন্ধনের জন্য বাতেনের কাছে নৃপেন্দ্র নাথ ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। নিরূপায় হয়ে আবদুল বাতেন টাকা দিতে রাজি হন এবং প্রথম দফায় সাত হাজার টাকাও নেন নৃপেন্দ্র। এরপর আবদুল বাতেন দুদকের রাজশাহী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এ বিষয়ে অভিযোগ করলে দুদক ওই সমবায় কর্মকর্তাকে গ্রেফতারে প্রস্তুতি নেয়। গতকাল মঙ্গলবার নিজ কার্যালয়ে ঘুষের বাকি আট হাজার টাকা নেওয়ার সময় নৃপেন্দ্র নাথ দাসকে আটক করে দুদকের দল।

সড়ক-মহাসড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় ঈদের আগে-পরে দু’সপ্তাহ পুলিশ মোতায়েনের উদ্যোগ
                                  

আসন্ন ঈদে সড়ক-মহাসড়কে নিরাপত্তা ও যানজট সহনীয় রাখতে বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ওই লক্ষ্যে দফায় দফায় বৈঠক বসেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সড়ক-মহাসড়কে ঈদের আগে ও পরে দু’সপ্তাহ পুলিশ মোতায়েন থাকবে। ইতিমধ্যে মহাসড়কে বাড়তি পুলিশ, র‌্যাব, এপিবিএন, আনসার, ট্রাফিক পুলিশ ও গোয়েন্দাদেও স্থায়ীভাবে মোতায়েনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বিশেষ করে রাজধানীর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার মাধ্যমে দেশের সবকটি জেলা যাতায়াতের দিক থেকে জল ও স্থল পথে সংযুক্ত। যার ফলে ওই তিনটি জেলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের সড়ক-মহাসড়কের যানজটপ্রবণ এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন যান চলাচল নিশ্চিত করা গেলে দেশের অন্যান্য জায়গায় যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হবে। সেজন্য ওই তিন জেলায় দায়িত্বরত নীতি নির্ধারকদের জনদুর্ভোগ কমাতে কঠোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশের ১১ হাজার ৮০৬ কিলোমিটার মহাসড়কে অন্তত অর্ধশত যানজটপ্রবণ স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। তার মধ্যে ঢাকার মহাখালী, আব্দুল্লাহপুর, সায়েদাবাদ, গাবতলী, যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর, কদমতলী, শনির আখড়া, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর ব্রিজ, চট্টগ্রামের মীরসরাই, ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ-নারায়ণগঞ্জের পঞ্চবটি, ফতুল্লা, শ্যামপুর, কুমিল্লার দাউদকান্দি ব্রিজ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা, কালিয়াকৈর, যমুনা সেতুর পূর্বপাড়, এলেঙ্গা, ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, ঢাকা-মাওনা ফেরিঘাটসহ অন্তত ৩০টি স্পট মারাত্মক যানজটপ্রবণ। ওসব স্পটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলছে। পুলিশ সদর দফতর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।


সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সড়ক-মহাসড়কের মারাত্মক যানজটপ্রবণ স্থানগুলোতে ঈদের এক সপ্তাহ আগ থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। মহাসড়কগুলোর যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশ সমন্বয় করে কাজ করবে। রাস্তাায় বিকল হয়ে পড়া যানবাহন সরাতে অতিরিক্ত রেকার রাখা হচ্ছে। থাকছে এ্যাম্বুলেন্স। গাড়ির গতিসীমা মাপার জন্য স্পিড গান নিয়েও রাস্তায় থাকছে পুলিশ। যানজটের ভোগান্তি কমাতে চিহ্নিত যানজটপ্রবণ স্থানগুলোতে কোন প্রকার যানবাহন দাঁড়াতে দেয়া হবে না। ওসব স্পটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে সবচেয়ে বেশি। তবে যানবাহন স্বল্প সময়ের জন্য নির্ধারিত জায়গায় দাঁড়াতে পারবে।

যানজটপ্রবণ স্পটগুলোতে ইতোমধ্যেই সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে, যাতে দূর থেকেই যানজট পরিস্থিতি সম্পর্কে আগাম তথ্য পাওয়া যায়। ওই তথ্য মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্দেশ অমান্যকারী যান চালককে জেল জরিমানাসহ রুট পারমিট বাতিলেরও সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি যানজটরোধে সড়ক-মহাসড়কের পাশে থাকা অস্থায়ী ছোট বড় বাজার বা হাট ও অন্যান্য ভাসমান ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বসতে দেয়া হচ্ছে না। যানজট নিরসনে সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া কোন নিত্যপণ্যবাহী যানবাহনে তল্লাশি না করার নির্দেশও জারি হয়েছে।
সূত্র জানায়, দেশের লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর ও রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ২০টি মাঝারি ধরনের যানজটপ্রবণ স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। তার বাইরে কয়েকটি জেলা শহরে প্রায় ১০টি হালকা যানজটপ্রবণ স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে।

যানজটপ্রবণ ওসব স্থান মেরামত করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি সদস্য মোতায়েনের বিষয়টি অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। ঈদের পরে কমপক্ষে এক সপ্তাহ পর্যন্ত ওসব জায়গায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি সদস্য মোতায়েন থাকবে। তাছাড়া যানবাহন দাঁড়ানোর জন্য সড়ক-মহাসড়কে অপেক্ষাকৃত সুবিধাজনক স্থান যানবাহন দাঁড়ানোর জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। রাস্তার ওপর বা যত্রতত্র কোন যানবাহন থামতে দেয়া হবে না। ফেরিঘাটগুলোয় ফেরিতে নিয়মতান্ত্রিক যান পারাপারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ নির্দেশ তদারকি করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের যথাযথ কর্তৃপক্ষ ছাড়াও প্রতিটি ফেরিঘাটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি সদস্য মোতায়েন থাকবে।
সূত্র আরো জানায়, যানজটের পাশাপাশি সড়ক-মহাসড়কের অপরাধ রোধে বাস, লঞ্চ ও ট্রেন স্টেশনগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি, ছোঁ পার্টি ও ছিনতাইকারীদের তৎপরতা রোধে সর্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি যাত্রীদের সচেতনতা বাড়াতেও সবটার্মিনালে নানামুখী প্রচার চালানো হচ্ছে। মহাসড়কে পরিবহন ছিনতাই, ডাকাতি, রাহাজানি বন্ধে টহল জোরদার করা হয়েছে। চিহ্নিত অপরাধপ্রবণ স্পটে বাড়তি চেকপোস্ট বসানো হচ্ছে। সড়ক-মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ ছিনতাই স্পটগুলোয় পুলিশ ও র‌্যাবের মোটরসাইকেল টহল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স সর্বক্ষণিক টহল থাকবে। মহাসড়কের চিহ্নিত ডাকাতদের ছবিসহ তালিকা প্রতিটি বাস টার্মিনালে টাঙানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাছাড়া মাদকাসক্ত চালক, হেলপার, দ্রুত গতির যান ও অতিরিক্ত ওজন নিয়ে যাতায়াতকারী যানবাহন চিহ্নিত করতে সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি থাকছে চেকপোস্ট, বাড়তি টহল ব্যবস্থা, স্পিড গান ও এ্যালকোহল ডিটেক্টর।


এদিকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সড়ক ও জনপথ বিভাগ, পুলিশ সদর দফতর, জেলা পুলিশ, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতি এবং হাইওয়ে পুলিশের মধ্যে ওসব বিষয়ে আগাম বৈঠক হচ্ছে। বৈঠকের মূল এজেন্ডাই হচ্ছে ঘরে ফেরা মানুষের দুর্ভোগ কিভাবে লাঘব করা যায়। মহাসড়কে দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ ভুয়া চালক, ফিটনেসবিহীন যান, মাদকাসক্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো, বেপরোয়া গতি ও রাস্তার খানাখন্দ। ভুয়া চালক ও ফিটনেসবিহীন যান ধরতে বিআরটিএ এবং হাইওয়ে পুলিশের অভিযান চলছে। আর মাদকাসক্ত চালকদের শনাক্ত করতে এ্যালকোহল ডিটেক্টর নিয়ে হাইওয়ে পুলিশ থাকছে রাস্তায়। কোন গাড়ির গতি অস্বাভাবিক মনে হলেই স্পিড গান দিয়ে গাড়ির গতি মাপা হচ্ছে।


অন্যদিকে বুয়েটের (বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়) এক্সিডেন্টাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের হিসেব অনুযায়ী সারাদেশের সব মহাসড়কে বর্তমানে দেড় শতাধিক ব্ল্যাকস্পট (দুর্ঘটনাপ্রবণ) স্থান আছে। আগে ছিল ২০৮টি। প্রতিবছর গড়ে সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনায় ৫ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। আর হাইওয়ে পুলিশের হিসাব মতে, মৃত্যুর পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনায় বছরে গড়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষ আহত হয়। আহতদের মধ্যে গড়ে অন্তত ৫ হাজার মানুষকে চিরতরে পঙ্গুত্ববরণ করতে হয়। মহাসড়কে দুই পাশে অবৈধ স্থাপনা সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। উচ্চ আদালত মহাসড়কের আশপাশের ১০ মিটার পর্যন্তঅবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু ওই নির্দেশনা এখনও পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। ফলে হাইওয়েতে যানজট সহনীয় পর্যায়ে আসেনি।


এ প্রসঙ্গে হাইওয়ে পুলিশ প্রধান মোঃ আতিকুল ইসলাম জানান, ঈদে মানুষের ঘরে ফেরা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশের কার্যক্রম আরো বাড়ানো হয়েছে। যানজটপ্রবণ স্থানগুলোর ক্ষেত্রে বাড়তি নজরদারি রাখা হচ্ছে।

রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান রাজনৈতিকভাবেই করতে হবে: মিজানুর
                                  

রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান অর্থনৈতিক বা সামরিক ব্যবস্থা দিয়ে হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান। গতকাল শনিবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, সমস্যার চরিত্র রাজনৈতিক হলে তার সমাধান রাজনৈতিকভাবেই হতে হবে। অর্থনৈতিক বা সামরিকভাবে হতে পারে না। রাজনৈতিক নেতাদের এই বিষয়টি বুঝতে হবে।

পার্বত্য জন সংহতি সমিতির নেতা মঙ্গল কুমার চাকমার ‘বিবর্ণ পাহাড়: পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা ও সমাধান’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে মিজানুর এসব বলেন। তিনি আরও বলেন, সমতা, মানব সত্তার মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচার- এই তিনটি বিষয় আমাদের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে রয়েছে। কিন্তু যখন মানুষ হত্যা হয়, তুলে নিয়ে যাওয়া হয় তখন বাংলাদেশ জন্মের সার্থকতা থাকে না। আমরা দেখি অসহায়দের হাতে চেক তুলে দিচ্ছে সামরিক বাহিনীর পোশাক পরা লোকজন।বেসামরিক মানুষজনের কাছে যেতে হবে বেসামরিকভাবে।

বেসামরিক মানুষের কাছে সামরিক পোশাক পরে যাওয়া মানে শক্তি প্রদর্শন করা। কোনো সভ্য দেশ এভাবে করে না। পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার বিভিন্ন দিক নিয়ে মঙ্গল চাকমার বইটি প্রকাশ করেছে ‘বটেশ্বর বর্ণন’। বইটি গত বই মেলায় প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম ধানমন্ডির ডব্লিইউভিএ মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রংয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন সাদেকা হালিম, সাংবাদিক সোহরাব হাসান, আদিবাসী ফোরামের তথ্য ও প্রচার সম্পাদক দীপায়ন খীসা।

বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউর মান তদারকিতে নেমেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর
                                  

 দেশের বেসরকারি হাসপাতালগুলোর ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের (আইসিইউ) মান তদারকিতে নেমেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ওই লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিশেষ মনিটরিং টিম। মূলত কিছুসংখ্যক বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা ও উপকরণ ছাড়াই আইসিইউ পরিচালনার পাশাপাশি উচ্চ আইসিইউ ফি আদায়ের অভিযোগ পাওয়ার প্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।


সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) চিকিৎসা সুবিধা খুবই সীমিত। দেশের চার-ভাগের তিন ভাগ সরকারি হাসপাতালে এ চিকিৎসা সুবিধা নেই। অথচ প্রয়োজনের সময় আইসিইউ চিকিৎসা সুবিধা না পেলে অনেক রোগীই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। অনেক প্রাইভেট হাসপাতালে এ চিকিৎসা সুবিধা থাকলেও তা ব্যয়বহুল। গরিব রোগীর পক্ষে আকাশচুম্বি ওই চিকিৎসা ব্যয় বহন করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাছাড়া দীর্ঘদিন ধরেই অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউ চিকিৎসাসেবা প্রশ্নবিদ্ধ। কারণ অনেক বেসরকারি হাসপাতালই আইসিইউর নামে উচ্চ চিকিৎসা ফি আদায় করলেও সেখানে সার্বক্ষণিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থাকে না। বরং সরকারি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক ডেকে নিয়ে নামমাত্র আইসিইউ সেবার কাজ চালানো হয়।


সূত্র জানায়, আইসিইউ যে কোন হাসপাতালের একটি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র। তাতে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস যন্ত্র, হার্ট মনিটরসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি থাকে। সেখানে মুমূর্ষু রোগীর চিকিৎসা দেন এ্যানেসথেসিয়া এ্যানালজেসিয়া ও ইনটেনসিভ কেয়ার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। আর ইমার্জেন্সি চিকিৎসা বলতে দুর্ঘটনা বা অপঘাতের রোগীর জীবন রক্ষায় তাৎক্ষণিক চিকিৎসা। সেক্ষেত্রে অক্সিজেন, ওষুধ, ছোটখাটো অপারেশন, রক্ত ও আইভি স্যালাইনের ব্যবস্থা। আইসিইউ চিকিৎসার ব্যয় অনেক বেশি। আবার সেটি চালু করতেও অনেক টাকার প্রয়োজন। ১০ বেডের একটি আইসিইউ চালু করতে কমপক্ষে ২ কোটি টাকা লাগে। অভিজ্ঞ চিকিৎসক, নার্সও নিয়োগ দিতে হয়। তাই ছোটখাটো হাসপাতালে এ ধরনের চিকিৎসাব্যবস্থা থাকে না। দুর্ঘটনার রোগীর চেতনা থাকা অবস্থায় শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে এবং এ্যাজমা বা অন্য কোন রোগের কারণে এমনটি হলে দু-এক ঘণ্টা বিলম্বে মেডিসিন বা আইসিইউ সেবা পেলেও রোগী বেঁচে যান। সড়ক দুর্ঘটনাসহ যে কোন অপঘাতে জ্ঞান হারানোর পর মানুষের শরীরে মাত্র তিন থেকে পাঁচ মিনিট অক্সিজেন থাকে। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে খুব কম মানুষই ইমার্জেন্সি মেডিসিনের নাগাল পায়।


সূত্র আরো জানায়, অনেক বেসরকারি হাসপাতালই ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের নামে উচ্চ চিকিৎসা ফি আদায় করছে। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা ও উপকরণ ছাড়াই চলছে রাজধানীর কিছুসংখ্যক হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ)। অভিযোগ রয়েছে, প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত মেডিক্যাল উপকরণ ও ওষুধের পরিমাণ দেখিয়ে বিল বাড়িয়ে দেয়া হয়। পর্যাপ্ত সংখ্যক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রাখা হয় না। দু’তিনটি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা সব রোগের চিকিৎসা করানোর ব্যবসা চালানো হয়। অনেক হাসপাতালে আইসিইউর শতকরা ৭০ ভাগ শয্যার সঙ্গে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র নেই। শতকরা ৬০ ভাগ আইসিইউতে প্রতিটি শয্যার জন্য একজন করে সেবিকা নেই। আর যেসব সেবিকা আছেন তাদের শতকরা ৬৪ ভাগেরই প্রশিক্ষণ নেই। তাছাড়া টাকা খরচ করেও কিছু হাসপাতালে সেবা পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনিতেই উচ্চ ফি ও সীমিত শয্যার কারণে আইসিইউ সেবা নিতে পারে না অনেক দরিদ্র রোগী।


এদিকে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আইসিইউতে রোগীকে ওঠা-নামা, কাত করানোসহ বিভিন্ন অবস্থানে রাখার জন্য বিশেষায়িত শয্যার দরকার। প্রত্যেক রোগীর জন্য পৃথক ভেন্টিলেটর (কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র) ও কার্ডিয়াক মনিটর (হৃদযন্ত্রের অবস্থা, শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা, কার্বন-ডাই অক্সাইড নির্গমনের মাত্রা, শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি, রক্তচাপ পরিমাপক), ইনফিউশন পাম্প (স্যালাইনের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম মাত্রা নির্ধারণ যন্ত্র) দরকার। আইসিইউতে শক মেডিশন (হৃদযন্ত্রের গতি হঠাৎ থেমে গেলে তা চালু করার যন্ত্র), সিরিঞ্জ পাম্প (শরীরে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে যে ওষুধ প্রবেশ করানো হয় তার মাত্রা নির্ধারণের যন্ত্র), ব্লাড ওয়ার্মার (রক্ত দেয়ার আগে শরীরের ভেতরকার তাপমাত্রার সমান করার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র) থাকবে। পাশাপাশি কিডনি ডায়ালাইসিস মেশিন, আল্ট্রাসনোগ্রাম, এবিজি মেশিন (মুমূর্ষু রোগীর রক্তে বিভিন্ন উপাদানের মাত্রা নির্ধারণ) থাকতে হবে। জরুরি পরীক্ষার জন্য আইসিইউসির সঙ্গে একটি পরীক্ষাগার থাকাও আবশ্যক। মূলত জটিল রোগের চিকিৎসা ও জরুরি প্রয়োজনে আইসিইউর সেবা নিতে হয়। চিকিৎসকরাও এই সেবার কথা ব্যবস্থাপনাপত্রে লেখেন। কিন্তু খরচ করেও কিছু হাসপাতালে সেবা পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে আইসিইউ একটি ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। আইসিইউগুলো কে, কীভাবে চালাচ্ছে, তা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত নজরদারিতে থাকা প্রয়োজন। রাজধানীর নামী হাসপাতালে আইসিইউর দৈনিক খরচ ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা এবং মাঝারি হাসপাতালে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা বলা হলেও রোগীকে তার দ্বিগুণ টাকা দিতে হয়।
অন্যদিকে প্রাইভেট হাসপাতালের বিরুদ্ধে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের (আইসিইউ) নামে উচ্চ ফি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। শুধু প্রতিদিন প্রতি বেডের পেছনেই গুনতে হচ্ছে কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা। রোগীর অবস্থা অনুযায়ী বাড়তে থাকে আইসিইউর দৈনিক চিকিৎসা ব্যয়। প্রতিদিন গড়ে একজন রোগীকে ৩০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। উচ্চ হারের কারণে প্রাইভেট হাসপাতালের আইসিইউ সেবা গ্রহণ করতে পারে না স্বল্প আয়ের লোকজন। টাকার অভাবে অনেক রোগীকেই আইসিইউ সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে মৃত্যুবরণ করতে হয়। অত্যাধুনিক চিকিৎসা সেবা ব্যবস্থা থাকার পরও প্রাইভেট হাসপাতালের আইসিইউ ফি কমানো সম্ভব। অনেক রোগীই আইসিইউ ফি ও ওষুধপত্রের টাকা হাতে নিয়ে ভর্তি হয়। কিন্তু দু’দিন পরই আইসিইউ ফিসহ চিকিৎসা খরচ লাখ টাকার বেশি হয়ে যায়। কিন্তু অনেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষফি বেড়ে যাওয়ার কোন ব্যাখ্যা পর্যন্ত দিতে চায় না। আর পুরো টাকা পরিশোধ না করলে রোগী আটকে রাখার মতো ঘটনাও ঘটছে।


এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, দেশের প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজসহ জেলা সদর হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (আইসিইউ) স্থাপনের বিষয়টি সরকারি বিবেচনায় রয়েছে। জেলা সদর পর্যায়ের হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা উদ্যোগী হলে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিটি হাসপাতালে আইসিইউ স্থাপন করা যাবে। সেজন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহে সার্বিক সহযোগিতা করবে সরকার। এ উদ্যোগ সফল হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অনেকাংশে কমে যাবে। উচ্চ ফি নেয়ার প্রতিযোগিতাও বেশি থাকবে না। পাশাপাশি রোগী ও তাদের অভিভাবকের আরও সচেতন হওয়া দরকার। দেশের বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউ নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে। প্রতিটি হাসপাতালের আইসিইউর মান পর্যবেক্ষণে মাঠে রয়েছে স্বাস্থ্য অধিদতফতরের বিশেষ মনিটরিং টিম। মানহীন আইসিইউ দিয়ে মরণাপন্ন রোগীর জীবন নিয়ে ব্যবসা করতে দেয়া হবে না।

দুর্নীতিবাজ এবং অদক্ষ ঠিকাদারদের কালো তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ
                                  

মানহীনভাবে সরকারি যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে বা সময়মতো বাস্তবায়ন হয়নি ওসব প্রকল্পের ঠিকাদারদের কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। তারা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিনা তাও দেখা হবে। এমনকি কীভাবে তারা কাজ পেয়েছে তাও বিশ্নেষণ করা হবে। বিশেষ করে গত ৫ বছরে মানহীনভাবে বাস্তবায়িত প্রকল্পের ঠিকাদারদের কালো তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকার মানসম্মতভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য স্বচ্ছ ও দক্ষ ঠিকাদার নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।


সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, মূলত যেসব ঠিকাদার দুর্নীতিবাজ ও অদক্ষ তাদের কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। তার অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগ সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে (২০১৪-২০১৮) যেসব উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে, সেগুলোর ঠিকাদারদের বিস্তারিত তথ্য নিচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। সম্প্রতি সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থায় চিঠি দিয়ে গত ৫ বছরে বাস্তবায়ন হয়েছে এমন সব প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিঠিতে প্রত্যেকটি প্রকল্পের নাম, ব্যয়, বাস্তবায়ন অগ্রগতি এবং প্রকল্পটি কোন ঠিকাদার বাস্তবায়ন করেছে, ওসব তথ্য দিতে বলা হয়েছে। ওই ঠিকাদার উন্মুক্ত, সরাসরি না সীমিত দরপত্র পদ্ধতিতে কাজ পেয়েছিলেন তাও জানাতে হবে। পাশাপাশি প্রকল্পের গুণগত মান বিষয়ে বাস্তবায়নকারী মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা সংস্থার প্রধানদের মতামত দিতে বলা হয়েছে।


সূত্র জানায়, প্রকল্প বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোর নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিশেষ করে পর্যাপ্ত জনবল না থাকা, যথাযথভাবে প্রকল্পের প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাই না হওয়া, দরপত্র আহ্বানে দেরি করা, বারবার দরপত্র, মামলা, ডিপিপিপি সংশোধন, একই ব্যক্তিকে একাধিক প্রকল্পের পিডি করাসহ বিভিন্ন ধরনের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে বাস্তবায়ন পর্যায়ে গিয়ে প্রকল্পে ঠিকাদাররা নতুনভাবে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন অজুহাতে সময়মতো কাজ শেষ করে না। তাতে সময় বেশি লাগে। অনেক প্রকল্পে ওই কারণে ব্যয় বেড়ে যায়। তাছাড়া রডের বদলে বাঁশ ব্যবহার, প্রকল্প শেষ হওয়ার পরপরই ভবন বা স্থাপনা ভেঙে পড়া, এমনকি চলমান অবস্থায় ভেঙে পড়ার ঘটনাও আছে। কিন্তু সরকার টেকসই উন্নয়ন চায়। যে কারণে ওসব খাতে দুর্নীতি বন্ধ করাই হচ্ছে সরকারের লক্ষ্য।


সূত্র আরো জানায়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) এক প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে উন্নয়ন সহায়তা থোকসহ এডিপিতে ১ হাজার ৫২১টি প্রকল্প ছিল। ওসব প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল ৬৩ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের এডিপিতে ১ হাজার ৪৫৭টি প্রকল্প ছিল, যাতে বরাদ্দ ছিল ৭৭ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১ হাজার ৫৫৭টি প্রকল্পে ৯৩ হাজার ৯০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রকল্প ছিল ১ হাজার ৭১০টি আর বরাদ্দ ছিল এক লাখ ১৯ হাজার ২৯৬ কোটি টাকা। সর্বশেষ ২০১৭-১৮ অর্থবছরের এডিপিতে মোট প্রকল্প ছিল ১ হাজার ৭২৩টি।

ওসব প্রকল্পে এক লাখ ৫৭ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়।
এদিকে এডিপির প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকে বিনিয়োগ প্রকল্প। তাছাড়া কারিগরি সহায়তা প্রকল্প, জেডিসিএফ ও উন্নয়ন সহায়তা প্রকল্প থাকে। ৫৭টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক সম্পদের মাধ্যমে ওসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করে থাকে। কোনো বছরই এডিপির পুরোটা বাস্তবায়ন হয় না। এমনকি সংশোধিত এডিপিও বাস্তবায়ন সম্ভব হয় না।
অন্যদিকে এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য শামসুল আলম জানান, প্রকল্পের মান নিয়ে সুশীল সমাজ ও সরকারের ভেতরেই প্রশ্ন উঠছে। সেজন্য দেখা দরকার কারা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। একই প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি বারবার প্রকল্প পাচ্ছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা দরকার। তাদের অন্য কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা আছে কিনা সেটা জানাও জরুরি। পাশাপাশি যেসব ঠিকাদারের প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, তাদের চিহ্নিত করা দরকার। সেজন্য সব পক্ষ থেকে সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে।

ট্রেনে বিনা টিকিটে ভ্রমণ রোধ এবং নিরাপত্তা জোরদারে বিশেষ উদ্যোগ
                                  

বেড়েই চলেছে বিনা টিকিটে ট্রেনে যাত্রীভ্রমণ। ওসব যাত্রীকে আটক, জরিমানা আদায় করেও ঠেকানো যাচ্ছে না। বরং অনেক ক্ষেত্রে টিকিট চেক করতে গিয়ে চেকাররা বিনা টিকিটের যাত্রীদের হাতে মারধরের শিকার হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ট্রেনে বিনা টিকিটে ভ্রমণ রোধ এবং ট্রেনে নিরাপত্তা জোরদারে প’স ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে ই-প্রসিকিউশন চালু করা হচ্ছে। এ পদ্ধতিতে কেন্দ্রীয় ই-সার্ভারের মাধ্যমে যাত্রীসেবা ট্রেনগুলোর টিকিট চেকিংসহ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। আর লাইভ অভিযান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলে যাবে। রেল কর্তৃপক্ষ তাতে বিনা টিকিটে ভ্রমণপ্রবণতা কমবে বলে মনে করছে। রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।


সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, প্রযুক্তিগত বিশেষ ডিভাইসের মাধ্যমে চলন্ত ট্রেনে শুধুমাত্র যাত্রী নয়, টিকিট চেকারদের অনিয়মও চিহ্নিত করা যাবে। ওই প্রযুক্তিতে ভয়েজ রেকর্ডিংসহ অনিয়মের তথ্য কেন্দ্রীয় সার্ভারে পৌঁছে যাবে। ওই ডিভাইস দিয়ে ট্রেনে অবৈধ মালামাল উঠানো কিংবা সন্দেহজনক যাত্রীদের ছবিও উঠানো যাবে। এমনকি ট্রেনে নিরাপত্তায় নিয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো অনিয়ম হলে তা ওই ডিভাইসে ধারণ করা যাবে।


সূত্র জানায়, বর্তমানে যাত্রীসেবায় দৈনিক ৩৫০টি ট্রেন নিয়োজিত রয়েছে। কিন্তু ওসব ট্রেনে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ যাত্রীই বিনা টিকিটে ভ্রমণ করছে। তাদের আটক-জরিমানা করার পরও এই অসাধুতা থামানো যাচ্ছে না। বরং ট্রেনে প্রতিদিন প্রায় অর্ধেক যাত্রীই বিনা টিকিটে ভ্রমণ করছে। তার ওপর আসনের সমান সংখ্যক যাত্রী দাঁড়িয়ে, দরজায় ঝুলে বা ছাদে উঠে গন্তব্যে যাচ্ছে। প্রতিমাসে রেলওয়ের বাণিজ্য বিভাগ পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলে শতাধিক অভিযান পরিচালনা করে। আর প্রতিবার কমবেশি এক কোটি ২৫ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। বিনা টিকিটে ট্রেনে চড়ার অসাধুতা রোধ করা গেলে রেলের আয় বহুগুণ বাড়তো।


সূত্র আরো জানায়, রেল কর্তৃপক্ষের পক্ষে লোকবলের অভাবে টিকিট চেকিং অভিযান ঠিকমতো পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। বরং জরিমানা আদায়কালে অনেক সময় হামলার শিকার হতে হয়। আর ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার না থাকায় হামলাকরীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া যায় না। ২০০৭ সালের ২৯ অক্টোম্বর সংস্থাপন মন্ত্রণালয় রেলওয়ে কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার রহিত করে। তাতে রেলওয়েতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা যাচ্ছে না। ফলে বিনা টিকিটের যাত্রীদের উৎপাত বাড়ছেই। রেলওয়ে কর্মকর্তারা তাদের ‘ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার’ ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন।


এদিকে এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মিয়াজাহান জানান, রেলে অভিযানকালে শত শত বিনা টিকিটের যাত্রীকে জরিমানা করা হয়। কিন্তু লোকবলের অভাবে ৮০ শতাংশই পার পেয়ে যায়। ওসব ঠেকাতেই বিশেষ প’স ডিভাইস চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ওই বিষয়ে বেশ কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে। ডিভাইস কেনা হয়েছে। প’স ডিভাইসগুলো কেন্দ্রীয় সার্ভারে সংযুক্ত থাকবে।


অন্যদিকে রেলপথ সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন জানান, রেলওয়েতে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার থাকা জরুরি। প্রথম পর্যায়ে প’স ডিভাইস দিয়ে পরীক্ষামূলক কাজ শুরু করতে চায় রেল কর্তৃপক্ষ। সবকিছু ঠিক থাকলে, যথাযথভাবে সব কাজ সম্পন্ন করা গেলে তা সর্বত্র চালু করা হবে।

ডিপিডিসি কার্যালয়ে দুদকের অভিযান
                                  

 ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) জুরাইন কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সেখানে বিভিন্ন অনিয়ম উদঘাটন করার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। গতকাল মঙ্গলবার এই অভিযান পরিচালিত হয়।


এ বিষয়ে দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন ১০৬) অভিযোগ আসে, বৈদ্যুতিক মিটার সংযোগ, নবায়ন ও অন্যান্য সেবা দিতে গিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে দালালেরা টাকা নিচ্ছেন। এই কাজে সহায়তা করছেন ডিপিডিসির মিটার রিডারা ও কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চলার সময় দুদকের দলটি ওই দপ্তরে জমা হওয়া বিভিন্ন আবেদনের নথি খতিয়ে দেখে এবং নথিতে লেখা মোবাইল নম্বরের সঙ্গে গ্রাহকের নামের অমিল পায়।

ওই সব আবেদন দালালেরা উপস্থাপন করেছেন মর্মে প্রাথমিকভাবে বলা হয়। আবু সাঈদ নামের একজন মিটার রিডারের সঙ্গে দালালের যোগসাজশের প্রমাণ পায় দুদক দল। তাঁকে বরখাস্ত করার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন ফকিরকে সুপারিশ করা হয়। নির্বাহী প্রকৌশলী দুদক দলের উদঘাটিত সব অনিয়মের বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়ে দুদককে জানানোর আশ্বাস দেন। দুদকের দলটি সেখান থেকে বিভিন্ন বকেয়া বিলের নথি সংগ্রহ করে।

ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা রয়েছে: সেনাপ্রধান
                                  

ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সাভার সেনানিবাসের ফায়ারিং রেঞ্জে সেনাবাহিনীর বার্ষিক ফায়ারিং প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন জেনারেল আজিজ আহমেদ। জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, সেনাবাহিনী আগাম কোনো নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করে না।

কারণ, দুর্যোগ মোকাবিলায় করণীয় সম্পর্কে সেনাবাহিনীকে স্থায়ী নির্দেশনাই দেওয়া রয়েছে। তাই ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবিলায় সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। সেনাপ্রধান বলেন, ভারতের ওড়িষ্যা উপকূলের দিকে ধেয়ে আসা প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর সকল ডিভিশন ও এরিয়া হেডকোয়ার্টারকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট ডিভিশনগুলোর পক্ষ থেকে বেসামরিক প্রশাসনের সাথেও যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছে। জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, আমরা নিজেদের রক্ষা করার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি এবং দুর্যোগের পূর্বে, দুর্যোগ চলাকালে বা দুর্যোগ পরবর্তী যেকোনো দায়িত্ব পালনের জন্য সেনাবাহিনী পুরোপুরিভাবে প্রস্তুত রয়েছে। এর আগে সেনাপ্রধান ফায়ারিং প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ আটজন ফায়ারারকে সেনাবাহিনীর শ্রেষ্ঠ ফায়ারিং পুরস্কার প্রদান করেন।

প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ছয় স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেড ও রানার্সআপ ২৪ পদাতিক ডিভিশন দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লে. জেনারেল শফিকুর রহমান, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট লগ এরিয়ার জিওসি মেজর জেনারেল এস এম সফিউদ্দিন আহমেদ, নয় পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আকবর হোসেন, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। পরে সেনাপ্রধান সাভার সেনানিবাসে হকি গ্রাউন্ড ও আর্মি ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনেস্ট্রেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ শুরু হচ্ছে আজ
                                  

আজ মঙ্গলবার থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সারাদেশে কয়েকটি ধাপে হালনাগাদ কার্যক্রম চলবে। প্রথম ধাপে ২৩ এপ্রিল থেকে ১৩ মে পর্যন্ত ৬৪ জেলার ১৩৫টি উপজেলা/থানায় ভোটারের তথ্যসংগ্রহ করা হবে। ইসি সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, এবার সারাদেশে ৮০ লাখ ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করার টার্গেট নিয়ে কমিশন ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু করবে। তিনি বলেন, এবার হালনাগাদ কার্যক্রমে ২০০৪ সালের পহেলা জানুয়ারি বা তার আগে যাদের জন্ম এসব নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরমধ্যে যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে তাদের নাম ২০২০ সালে প্রকাশিত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হবে।

আর তাদের বয়স এখনো ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি, তাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাবে। এছাড়া বিগত হালনাগাদ কার্যক্রমে যারা বাদ পড়েছিলেন ভোটার তালিকায় নিবন্ধনের জন্য তাদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। হালনাগাদ কার্যক্রমে নতুন ভোটারের পাশাপাশি মৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেয়া হবে এবং ভোটার স্থানান্তরের আবেদন নেয়া হবে। এবারের হালনাগাদে হিজড়া জনগোষ্ঠী ‘হিজড়া’ হিসেবে ভোটার তালিকায় নিবন্ধিত হতে পারবেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের পর ২৫ মে থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারিত কেন্দ্রে নাগরিকদের আঙুলের ছাপ সংগ্রহ ও নিবন্ধনের কাজ চলবে। এবার ৫২ হাজার ৫০০ জন তথ্য সংগ্রহকারী, ১০ হাজার ৫০০ জন সুপারভাইজার ও ৭৮০ জন সহকারী রেজিস্ট্রেন কর্মকর্তা এই কর্মযজ্ঞে নিয়োজিত থাকবেন। মঙ্গলবার থেকে যেসব এলাকায় তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে এগুলো হলো- রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় পঞ্চগড় সদর, ঠাকুরগাঁও সদর, দিনাজপুর সদর ও নবাবগঞ্জ, নীলফামারী সদর ও ডিমলা, লালমনিরহাট সদর, রংপুর সদর ও পীরগঞ্জ, কুড়িগ্রাম সদর ও রৌমারী এবং গাইবান্ধা সদর ও ফুলছড়ি উপজেলা। রাজশাহী বিভাগের জয়পুরহাট সদর, বগুড়া সদর, দুপচাচিয়া ও সারিয়াকান্দি এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট, নওগাঁ সদর, পোরশা ও বদলগাছি, রাজশাহীর বোয়ালিয়া ও রাজপাড়া, নাটোর সদর ও সিংড়া, সিরাজগঞ্জ সদর ও তাড়াশ, পাবনা সদর ও ইশ্বরদী উপজেলা। খুলনা বিভাগের মেহেরপুর সদর, কুষ্টিয়া সদর ও দৌলতপুর, চুয়াডাঙ্গা সদর, ঝিনাইদহ সদর ও হরিণাকুন্ডু, যশোর সদর, অভয়নগর, বাঘারপাড়া, মাগুড়া সদর, নড়াইল সদর, বাগেরহাট সদর, খুলনা সদর, সোনাডায্গা ও দৌলতপুর, সাতক্ষীরা সদর ও তালা উপজেলা। বরিশাল বিভাগের বরগুনা সদর, পটুয়াখালি সদর ও গলাচিপা, ভোলা সদর ও মনপুরা, বরিশাল সদর, আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী, ঝালকাঠি সদর, পিরোজপুর সদর ও নেসারাবাদ উপজেলা।

ঢাকা বিভাগের গোপালগঞ্জ সদর, টুঙ্গিপাড়া, মাদারীপুরের কালকিনি, শরীয়তপুর সদর ও ডামুড্যা, ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও সদরপুর, রাজবাড়ী সদর, মানিকগঞ্জ সদর ও শিবালয়, মুন্সিগঞ্জ সদর ও গজারিয়া, নরসিংদীর মনোহরদী ও পলাশ, নারয়নগঞ্জ সদর ও আড়াইহাজার, ঢাকার দোহার, নবাবগঞ্জ, কিরানীগঞ্জ, সাভার, সূত্রাপুর, কোতোয়ালি ও ডেমরা, গাজীপুরের শ্রীপুর, কালিগঞ্জ ও কাপাসিয়া উপজেলা। ময়মনসিংহ বিভাগের টাঙ্গাইল সদর, সখীপুর ও ঘাটাইল, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ও মাদারগঞ্জ, শেরপুরের শ্রীবর্দী, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া, ভালুকা, ইশ্বরগঞ্জ ও গফরগাঁও, নেত্রকোনা সদর ও কলমাকান্দা, কিশোরগঞ্জ সদর, পাকুন্দিয়া ও তাড়াইল উপজেলা। সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভপুর, সিলেট সদর, বালাগঞ্জ ও কানাইঘাট, মৌলভীবাজার সদর ও শ্রীমঙ্গল, হবিগঞ্জ সদর ও বাহুবল উপজেলা। চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও নাসিরনগর, কুমিল্লার লালমাই, ব্রাহ্মণপাড়া, বুড়িচং, লাকসাম ও হোমনা, চাঁদপুর সদর ও হাজীগঞ্জ, ফেনী সদর ও পরশুরাম, নোয়াখালী সদর, কোম্পানীগঞ্জ ও সেনবাগ, লক্ষীপুর সদর ও রামগতি, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডু, মিরসরাই, কর্ণফুলী, লোহাগড়া, চন্দনাইশ ও আনোয়ারা, কক্সবাজার সদর ও কুতুবদিয়া, খাগড়াছড়ি সদর, রাঙামিাটি সদর ও বান্দরবান সদর উপজেলা। বর্তমানে দেশের ১০ কোটি ৪১ লাখ ৪২ হাজার ৩৮১ জন ভোটারের মধ্যে ৫ কোটি ২৫ লাখ ১২ হাজার ১০৫ জন পুরুষ ও ৫ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার ২৭৬ জন নারী। অর্থাৎ ভোটার তালিকায় পুরুষ ও নারীর অনুপাত- ৫০.৪২ : ৪৯.৫৮।
চট্টগ্রামের ৯ উপজেলাকে ‘বিশেষ এলাকা’ ঘোষণা: ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা অন্তর্ভুক্তি ঠেকাতে চট্টগ্রামের ৯ উপজেলাকে ‘বিশেষ এলাকা’ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসব উপজেলায় ভোটার হতে সাধারণ তথ্যের পাশাপাশি বিশেষ তথ্য ফরম পূরণ করতে হবে। উপজেলাগুলো হচ্ছে- রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী, পটিয়া, কর্ণফুলী, আনোয়ারা, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, লোহাগড়া ও বাঁশখালী। ইতোমধ্যে এসব উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক ও নির্বাচন কর্মকর্তাকে সদস্য সচিব করে ১৫ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইসির সহকারি সচিব মোশাররফ হোসেন স্বাক্ষরিত একটি পত্রের মাধ্যমে বিশেষ কমিটির ১০টি কাজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে আজ মঙ্গলবার থেকে চট্টগ্রামের ছয় উপজেলায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু হবে। উপজেলাগুলো হচ্ছে- সীতাকু-, মিরসরাই, কর্ণফুলী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ ও আনোয়ারা। এর মধ্যে কর্ণফুলী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ ও আনোয়ারা বিশেষ এলাকার আওতায়। জেলা নির্বাচন অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, বিশেষ এলাকায় ভোটার হতে ইচ্ছুকদের সাধারণ তথ্যের পাশাপাশি একটি বিশেষ তথ্য ফরম পূরণ করতে হবে। ওইসব তথ্য যাচাই করবে বিশেষ কমিটি। বিশেষ তথ্যগুলো হচ্ছে-


ভাই-বোনের ডাটাবেজে পিতা-মাতার নামের সঙ্গে আবেদনকারীর ফরম-১ এ উল্লিখিত পিতা-মাতার নামের মিল থাকতে হবে। চাচা-ফুফুর ডাটাবেজে তাদের পিতার নাম ও ঠিকানার সঙ্গে আবেদনকারীর বিশেষ তথ্য ফরমে প্রদত্ত পিতামহের নাম ও ঠিকানার মিল থাকতে হবে। প্রয়োজনে নিকট আত্মীয়র মোবাইল নম্বরে কথা বলে তাদের পরিচিতি কিংবা তথ্য সম্পর্কিত বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে। এ ছাড়া ভোটার হতে ইচ্ছুক ব্যক্তিকে বাংলাদেশের সচরাচর নিবাসী হতে হবে। নিবাসের প্রমাণস্বরূপ তাকে এ-সংক্রান্ত প্রণীত অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহ ফরম অনুযায়ী যা চাওয়া হবে সব তথ্য দিতে হবে। যদি বিশেষ এলাকায় কোনো ব্যক্তি নিজস্ব সম্পত্তির সূত্রে তালিকাভুক্তির দাবি করেন, তখন সম্পত্তির মালিকানা ও এ-সংক্রান্ত সকল দলিলাদি তথ্য সংগ্রহকারীকে দিতে হবে। যারা বাংলাদেশি কোনো নাগরিকের সঙ্গে ভোটার তালিকাভুক্তির দাবি করবেন, তাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা নাগরিক সনদপত্রসহ দলিলাদির তথ্য সংগ্রকারীকে দিতে হবে। নির্দেশনা অনুযায়ী, বিশেষ এলাকায় তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফরম-২ (ভোটারের তথ্য যে ফরমে লিপিবদ্ধ হয়) এর সঙ্গে ফরম-১ মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে দালিলিক কাগজপত্রসহ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার বরাবর জমা দেবেন। এরপর বিশেষ কমিটি কাগজপত্র দেখে যাদের আবেদন বাতিল করবে, তারা চাইলে সংশোধনকারী কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারবেন। সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মুনীর হোসাইন খান বলেন, বিশেষ এলাকাতে ইসির নির্দেশেনা মেনে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হবে। রোহিঙ্গাদের ভোটার হওয়ার বিষয়ে যদি কেউ তাদের সপক্ষে সহযোগিতা অথবা মিথ্যা তথ্য দেন অথবা কারও গাফিলতি পরিলক্ষিত পাওয়া গেলে, তাদের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা আইন ২০০৯-এর ১৮ ধারা অনুযায়ী ফৌজদারি মামলা দেবে ইসি, যোগ করেন মো. মুনীর হোসাইন খান।


   Page 1 of 12
     প্রশাসন
মাদকাসক্ত কেউ গাড়ির চালক-হেলপার হতে পারবে না: ডিএমপি কমিশনার
.............................................................................................
ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার: ডিএমপি কমিশনার
.............................................................................................
ঢাকা ওয়াসায় দুদকের অভিযান
.............................................................................................
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রত্যাহার
.............................................................................................
দুনীতি হচ্ছে উন্নয়নের ভাই-বোন, চাঁদপুরে দুদক চেয়ারম্যান
.............................................................................................
রংপুর ভুয়া লাইসেন্সে অস্ত্র মামলায় ৩৯১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জসিট অনুমোদন
.............................................................................................
ফরিদগঞ্জ থানার ওসিসহ দুই পুলিশ অফিসার পুরস্কৃত
.............................................................................................
রাজশাহীতে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে ধরা খেলেন সমবায় কর্মকর্তা
.............................................................................................
সড়ক-মহাসড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় ঈদের আগে-পরে দু’সপ্তাহ পুলিশ মোতায়েনের উদ্যোগ
.............................................................................................
রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান রাজনৈতিকভাবেই করতে হবে: মিজানুর
.............................................................................................
বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউর মান তদারকিতে নেমেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর
.............................................................................................
দুর্নীতিবাজ এবং অদক্ষ ঠিকাদারদের কালো তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ
.............................................................................................
ট্রেনে বিনা টিকিটে ভ্রমণ রোধ এবং নিরাপত্তা জোরদারে বিশেষ উদ্যোগ
.............................................................................................
ডিপিডিসি কার্যালয়ে দুদকের অভিযান
.............................................................................................
ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা রয়েছে: সেনাপ্রধান
.............................................................................................
ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ শুরু হচ্ছে আজ
.............................................................................................
কুয়েত যাচ্ছেন সেনাবাহিনী প্রধান
.............................................................................................
নন-ক্যাডার সহকারী সচিব হলেন ৪৬ কর্মকর্তা
.............................................................................................
আইজি ব্যাজ পেলেন ৫১৪ পুলিশ সদস্য
.............................................................................................
নির্বাচনে নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালন করায় ডিসিদের মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অভিনন্দন বার্তা
.............................................................................................
পকেটে মাদক দিয়ে চালান দিলে পুলিশের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএমপি
.............................................................................................
অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ডিজিটাল মনিটরিংয়ের প্রয়োজন আছে
.............................................................................................
পুলিশ পদক পেলেন ৩৪৯ কর্মকর্তা
.............................................................................................
১৩ পরিচালকসহ দুদকের ৬২ কর্মকর্তার পদোন্নতি
.............................................................................................
নির্বাচনে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান
.............................................................................................
নির্বাচনের বিষয়ে কিছু বলার নেই : খালেদা
.............................................................................................
নির্বাচনে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান
.............................................................................................
ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান সেনাপ্রধানের
.............................................................................................
মান্নাকে গোয়েন্দা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ
.............................................................................................
ঢামেক অধ্যক্ষের চাকরির মেয়াদ ২ বছর বাড়ল
.............................................................................................
কাল মাঠে নামছে সেনাবাহিনী
.............................................................................................
নির্বাচনের চমৎকার পরিবেশ রয়েছে : আইজিপি
.............................................................................................
১২১ এএসপিকে বদলি
.............................................................................................
সেনা প্রধানের সাথে কোরিয় রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাত
.............................................................................................
সরকারি ব্রিফে অংশ নিতে পারবেন না ডিসি-কমিশনাররা
.............................................................................................
সরকারি ব্রিফে অংশ নিতে পারবেন না ডিসি-কমিশনাররা
.............................................................................................
পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগকারীকে ধরিয়ে দেয়ার আহ্বান ডিএমপির
.............................................................................................
সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে ডিএমপি কমিশনারের সাক্ষাৎ
.............................................................................................
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন ভঙ্গে জরিমানা ৩৯ লাখ টাকা
.............................................................................................
নির্বাচনে যেকোন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন প্রস্তুত: ডিএমপি
.............................................................................................
আইন না মানার সংস্কৃতিই সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ: ডিএমপি কমিশনার
.............................................................................................
সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হবে: সিইসি
.............................................................................................
আইনি ভিত্তি পেলেই নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে: সিইসি
.............................................................................................
আশুরায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে: ডিএমপি কমিশনার
.............................................................................................
আন্দোলনের নামে অরাজকতা বরদাস্ত করা হবে না: আইজিপি
.............................................................................................
স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রার বাণী শোনালেন কাদের
.............................................................................................
পুলিশ পরিদর্শক মামুন হত্যায় জড়িত সন্দেহে আরও ৪ জন গ্রেফতার
.............................................................................................
কক্সবাজারে ঘুষের গ্রহণের মামলায় এসআই কারাগারে
.............................................................................................
`আমি স্বেচ্ছায় গাড়িটি রাস্তায় ফেলে গেলাম`
.............................................................................................
স্যালাইনের কৃত্রিম সংকট, দুদকের হানা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]