| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   তথ্যপ্রযুক্তি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
এবার কি মহাবিশ্বে প্রাণের অস্তিত্ব মিলবে?

একশ এগার আলোকবর্ষ দূরে একটি গ্রহে পানির সন্ধান পেয়ে সেখানে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনায় আশাবাদী হয়ে উঠেছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, কোনো নক্ষত্রের বাসযোগ্য দূরত্বের কোনো গ্রহের বায়ুম-লে পানির অস্তিত্ব পাওয়া গেল এই প্রথম। অর্থাৎ সূর্যের সঙ্গে যেমন দূরত্ব রেখে পৃথিবী ঘুরছে, ওই গ্রহটি যে নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, তাদের তুলনামূলক দূরত্বও তেমন। ফলে পৃথিবীতে যেমন প্রাণের উদ্ভব ঘটেছে, ওই গ্রহটিতেও প্রাণের অস্তিত্ব থাকার বাস্তব পরিবেশ রয়েছে। পৃথিবী থেকে ৬৫০ মিলিয়ন মিলিয়ন মাইল দূরত্বের কে২-১৮বি নামে গ্রহটিতে পানি পাওয়ার খবর বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার অ্যাস্ট্রনমিতে এসেছে বলে বিবিসি জানিয়েছে।


তবে গ্রহটিতে আদৌ প্রাণে বিকাশ ঘটেছে কি না বা পৃথিবীর সঙ্গী আর কোনো গ্রহ রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে লাগবে আরও অন্তত ১০ বছর। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই সময়ের মধ্যে নতুন স্পেস টেলিস্কোপ আবিষ্কার হবে, যা দিয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে প্রাণের উদ্ভব ঘটানোর মতো গ্যাস ওই গ্রহটিতে রয়েছে কি না? কে২-১৮বিতে পানির সন্ধানের অভিযানের নেতৃত্বদাতা ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক জিওভান্না তাদের আবিষ্কারকে এক কথায় বলেছেন ‘অভূতপূর্ব’। “এই প্রথম আমরা এমন গ্রহে পানির সন্ধান পেলাম, যেটি তার নক্ষত্রের বাসযোগ্য অংশে রয়েছে। যেখানকার তাপমাত্রা প্রাণের অস্তিত্বের জন্য সম্ভাবনাময়।

”নক্ষত্রের এই বাসযোগ্য অংশের মানে হল সেই অঞ্চলটি, যেখানে তাপমাত্রা এমন থাকে যাতে পানি তরলকারে কোনো গ্রহের পৃষ্ঠদেশে থাকতে পারে। ওই গ্রহটির বিষয়ে আরও জানতে হাবলের চেয়ে আরও আধুনিক টেলিস্কোপ আবিষ্কারের অপেক্ষায় থাকতে হলেও ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের ড. ইনগো ওয়াল্ডমান এখনই উচ্ছ্বসিত। “বিজ্ঞানে এটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এবং আমরা সবসময় রোমাঞ্চিত হই এই ভেবে যে মহাবিশ্বে প্রাণ শুধু আমাদের পৃথিবীতেই আছে। কিন্তু আগামি ১০ বছরের মধ্যে আমরা জানব, এমন কোনো রাসায়নিক কি রয়েছে, যা অন্য গ্রহেও প্রাণ সৃষ্টিতে সক্ষম।” এই গবেষক দল হাবল স্পেস টেলিস্কোপে ২০১৬ ও ১০১৭ সালে নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে কে২-১৮বি গ্রহে পানির সন্ধান পেয়েছেন। তারা বলছেন, এই গ্রহটির বায়ুম-লে পানির ভাগ ৫০ শতাংশ; আর পানির গঠন পৃথিবীর পানির অনুরূপ। এই গ্রহটির আকার পৃথিবীর দ্বিগুণ। এর তাপমাত্রা শূন্য থেকে ৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। এই সব তথ্য তুলে ধরে গবেষক দলের সদস্য ড. অ্যাঞ্জেলস সিয়ারাস বলেন, “এটা আমাদের সেই প্রশ্নের উত্তরের কাছাকাছি নিয়ে নিয়ে এসেছে- পৃথিবী কি একা?”

 

এবার কি মহাবিশ্বে প্রাণের অস্তিত্ব মিলবে?
                                  

একশ এগার আলোকবর্ষ দূরে একটি গ্রহে পানির সন্ধান পেয়ে সেখানে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনায় আশাবাদী হয়ে উঠেছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, কোনো নক্ষত্রের বাসযোগ্য দূরত্বের কোনো গ্রহের বায়ুম-লে পানির অস্তিত্ব পাওয়া গেল এই প্রথম। অর্থাৎ সূর্যের সঙ্গে যেমন দূরত্ব রেখে পৃথিবী ঘুরছে, ওই গ্রহটি যে নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, তাদের তুলনামূলক দূরত্বও তেমন। ফলে পৃথিবীতে যেমন প্রাণের উদ্ভব ঘটেছে, ওই গ্রহটিতেও প্রাণের অস্তিত্ব থাকার বাস্তব পরিবেশ রয়েছে। পৃথিবী থেকে ৬৫০ মিলিয়ন মিলিয়ন মাইল দূরত্বের কে২-১৮বি নামে গ্রহটিতে পানি পাওয়ার খবর বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার অ্যাস্ট্রনমিতে এসেছে বলে বিবিসি জানিয়েছে।


তবে গ্রহটিতে আদৌ প্রাণে বিকাশ ঘটেছে কি না বা পৃথিবীর সঙ্গী আর কোনো গ্রহ রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে লাগবে আরও অন্তত ১০ বছর। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই সময়ের মধ্যে নতুন স্পেস টেলিস্কোপ আবিষ্কার হবে, যা দিয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে প্রাণের উদ্ভব ঘটানোর মতো গ্যাস ওই গ্রহটিতে রয়েছে কি না? কে২-১৮বিতে পানির সন্ধানের অভিযানের নেতৃত্বদাতা ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক জিওভান্না তাদের আবিষ্কারকে এক কথায় বলেছেন ‘অভূতপূর্ব’। “এই প্রথম আমরা এমন গ্রহে পানির সন্ধান পেলাম, যেটি তার নক্ষত্রের বাসযোগ্য অংশে রয়েছে। যেখানকার তাপমাত্রা প্রাণের অস্তিত্বের জন্য সম্ভাবনাময়।

”নক্ষত্রের এই বাসযোগ্য অংশের মানে হল সেই অঞ্চলটি, যেখানে তাপমাত্রা এমন থাকে যাতে পানি তরলকারে কোনো গ্রহের পৃষ্ঠদেশে থাকতে পারে। ওই গ্রহটির বিষয়ে আরও জানতে হাবলের চেয়ে আরও আধুনিক টেলিস্কোপ আবিষ্কারের অপেক্ষায় থাকতে হলেও ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের ড. ইনগো ওয়াল্ডমান এখনই উচ্ছ্বসিত। “বিজ্ঞানে এটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এবং আমরা সবসময় রোমাঞ্চিত হই এই ভেবে যে মহাবিশ্বে প্রাণ শুধু আমাদের পৃথিবীতেই আছে। কিন্তু আগামি ১০ বছরের মধ্যে আমরা জানব, এমন কোনো রাসায়নিক কি রয়েছে, যা অন্য গ্রহেও প্রাণ সৃষ্টিতে সক্ষম।” এই গবেষক দল হাবল স্পেস টেলিস্কোপে ২০১৬ ও ১০১৭ সালে নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে কে২-১৮বি গ্রহে পানির সন্ধান পেয়েছেন। তারা বলছেন, এই গ্রহটির বায়ুম-লে পানির ভাগ ৫০ শতাংশ; আর পানির গঠন পৃথিবীর পানির অনুরূপ। এই গ্রহটির আকার পৃথিবীর দ্বিগুণ। এর তাপমাত্রা শূন্য থেকে ৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। এই সব তথ্য তুলে ধরে গবেষক দলের সদস্য ড. অ্যাঞ্জেলস সিয়ারাস বলেন, “এটা আমাদের সেই প্রশ্নের উত্তরের কাছাকাছি নিয়ে নিয়ে এসেছে- পৃথিবী কি একা?”

 

ফের ইউটিউবের জরিমানা ১৭ কোটি ডলার
                                  

শিশুদের গোপনীয়তা নীতিমালা অমান্য করায় ইউটিউবকে রেকর্ড ১৭ কোটি মার্কিন ডলার জরিমানা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। ফেডারেল ট্রেড কমিশনের (এফটিসি) সঙ্গে মীমাংসায় জরিমানা দিতে রাজি হয়েছে ইউটিউবের মালিক প্রতিষ্ঠান গুগল। বিবিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়, বাবা-মায়ের সম্মতি ছাড়াই ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের ডেটা সংগ্রহের অভিযোগ আনা হয়েছে ইউটিউবের বিরুদ্ধে। এফটিসির পক্ষ থেকে বলা হয়, এই ডেটা ব্যবহার করে শিশুদেরকে লক্ষ্য করে বিজ্ঞাপন দেখানো হচ্ছিলো, যা ১৯৯৮ চিলড্রেন’স অনলাইন প্রাইভেসি প্রোটেকশন অ্যাক্ট (কোপপা) অমান্য করছে।

এফটিসি চেয়ারম্যান জো সিমন্স বলেন, “এই আইন অমান্য করায় ইউটিউবের কোনো অজুহাত নেই। সিমন্স আরও বলেন কোপপা মানার বিষয়ে গুগল অস্বীকার করছে যে মূল ইউটিউব সেবার একটি অংশ শিশুদের জন্য। কিন্তু ব্যবসায়িক গ্রাহকদের কাছে উপস্থাপনায় তারা ভিন্ন চিত্র তুলে ধরছে। উদাহরণ হিসেবে এফটিসির পক্ষ থেকে বলা হয়, “শীর্ষস্থানীয় টিভি চ্যানেলগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ৬ থেকে ১১ বছরের শিশুদের নাগালে পৌঁছাতে ইউটিউব এখন সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে।” ইউটিউব কিডস নামের ভিন্ন একটি অ্যাপে নিয়মিতভাবে কনটেন্ট পর্যালোচনাও করে প্রতিষ্ঠানটি। এফটিসিকে গুগল জরিমানা দেবে ১৩ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার, যা কোপপা মামলার ইতিহাসে সর্বোচ্চ। বাকি ৩.৪ কোটি ডলার দিতে হবে নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যকে। এফটিসির পাঁচ কমিশনারের মধ্যে একজন রোহিত চোপড়া বলেন, তার মনে হয় মামলা মীমাংসা যথেষ্ট হয়নি। ইউটিউবে শিশুদের ছড়া এবং কার্টুনের ভিডিও দিয়ে “টোপ” ফেলেছে গুগল।

টুইটারের চোপড়া আরও বলেন, যে জরিমানা করা হয়েছে তা “খুব সামান্য প্রভাব ফেলবে” এবং ইউটিউবে যে পরিবর্তনগুলো আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তা “যথেষ্ট নয়"। মামলা মীমাংসার অংশ হিসেবে গুগলকে একটি ভিন্ন ব্যবস্থা বানাতে হবে, যাতে শিশুদের জন্য কনটেন্টগুলো স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা থাকবে। এক ব্লগ পোস্টে ইউটিউব প্রধান সুজান ওজসিকি বলেন, “স্পষ্টভাবে শিশুদের জন্য বানানো কনটেন্ট” স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত ও লেবেল করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করবে ভিডিও স্ট্রিমিং সাইটটি। শিশুদের চরিত্র, খেলনা এবং গেইমের মতো বিষয়গুলোতে জোর দেওয়া হবে। শিশুদের জন্য যারা কনটেন্ট বানাবেন তাদেরকে জানানো হবে তার ভিডিওটি কোপপা আইনের আওতায় পড়তে পারে, এমনটাও জানিয়েছে এফটিসি। তথ্য জোগাড়ের বিষয়ে জানাতে গুগল এবং ইউটিউবকে আরও উন্মুক্ত হতেও বলা হয়েছে। বাবা-মায়ের সম্মতিতেই শিশুরা যাতে ভিডিও দেখে সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে ইউটিউব পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠান প্রধান।

শিশুদের ভিডিও থেকে নেওয়া ডেটা দিয়ে বিজ্ঞাপন টার্গেট করা বন্ধ করা হবে। “চার মাসের মধ্যে শিশুদের ভিডিও কনটেন্ট থেকে যে ডেটাগুলো আসছে আমরা ধরে নেবো তা শিশুদের থেকেই আসছে, গ্রাহকের বয়স যাই হোক না কেনো,” বলেন ওজসিকি। “তার মানে আমরা ডেটা সংগ্রহ সীমিত করবো এবং শুধু শিশুদের বানানো ভিডিওগুলো সমর্থন করতে যতটুকু দরকার ততোটুকু ডেটাই ব্যবহার করা হবে।”

 

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২: বিশেষজ্ঞের পরামর্শে পরিকল্পনার নির্দেশ টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর
                                  

প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ যথাসম্ভব ত্রুটিমুক্ত, প্রয়োজনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ ও চাহিদা মেটানোর মতো অবস্থানে কাজে লাগানোর উপযোগী করতে বিশেষজ্ঞ পরামর্শের ভিত্তিতে পরিকল্পনা গ্রহণে বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডকে (বিসিএসসিএল) নির্দেশ দিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। গতকাল বুধবার রাজধানীর আইইবি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ বিষয়ে অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন বলে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রতিরক্ষা, আবহাওয়া, কৃষি, স্বাস্থ্যসহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২তে কী কী সুবিধা থাকা উচিত ও ১৫ বছর পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’র কার্যক্ষমতা শেষ হওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে স্বল্পমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী এবং দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে। প্রয়োজনে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-৩ ও ৪ নিয়েও এখন থেকেই ভাবতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি সম্পন্ন নেতৃত্বে বাংলাদেশ এমন একটি জায়গায় দাঁড়িয়েছে, যেখানে প্রকল্পের জন্য মেধা খাটানোর দরকার হয়, অর্থের জন্য চিন্তা করতে হয় না। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যেতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, স্যাটেলাইট পরিচালনায় আমাদের ছেলে-মেয়েদের দক্ষতা অর্জনের যে ক্ষমতা, সেটাই আমাদের শক্তি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ দিয়ে আমরা কী অর্জন করতে চাই তা আজকের মতবিনিময় থেকে অর্জিত ফলাফল ও পরামর্শ পরিকল্পনা গ্রহণে সহায়ক হবে।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকায় স্পেস ইউনিভার্সিটি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার মাধ্যমে এ বিষয়ক মানবসম্পদের অভাব পূরণের ব্যবস্থা নিয়েছেন। বেতবুনিয়ায় ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা ও ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নে বাংলাদেশের সদস্যপদ অর্জনকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিস্ময়কর দূরদর্শিতা বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিপ্লবের যে সূচনা করে গেছেন, তারই ধারাবাহিকতায় তার কন্যার হাতে গত দশ বছরে বাংলাদেশ বিশ্বে ডিজিটাল বিপ্লবের পথপ্রদর্শক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের উদ্যোগ নেন। ২০০১ সালে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের কারণে সে কর্মসূচি আর বাস্তবায়িত হয়নি। ২০০৯ সালে তিনি ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশকে ৫৭তম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী গর্বিত দেশ হিসেবে তুলে ধরেছেন। মহাকাশ থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ঘরে ডিজিটাল সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগকে অর্পিত দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করতে হবে বলে জানান মন্ত্রী। বিসিএসসিএল চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক।

 

এআই সব দিক থেকেই মানব ক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাবে: মাস্ক
                                  

সব দিক থেকেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মানব ক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাবে বলে মত দিয়েছেন টেসলা এবং স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্ক। বুধবার আলিবাবা চেয়ারম্যান জ্যাক মা’র সঙ্গে এআইয়ের মতো উন্নয়নশীল প্রযুক্তি নিয়ে বিতর্কের সময় এমনটা দাবি করেছেন মাস্ক। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়ার্ল্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কনফারেন্সে মাস্ক বলেন, একদিন কম্পিউটার “সব দিক থেকেই” মানব ক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাবে।

অন্যদিকে জ্যাক মা বলেন, মানুষ সব সময়ই এর নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় থাকবে। এআইয়ের উন্নতির উদাহরণ দিতে গিয়ে দাবা এবং চীনা বোর্ড গেইম গো’র কথা বলেছেন টেসলা ও স্পেসএক্স প্রধান। মস্তিষ্কের জন্য চিপ বানানোর লক্ষ্যে নিউরালিঙ্ক নামের একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করেছেন মাস্ক। প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে মাস্ক বলেন, মস্তিষ্কের সঙ্গে মেশিনের সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে মানুষের ক্ষমতা আরও বাড়বে। চলতি বছরের জুলাই মাসে চিপের মধ্যে মস্তিষ্কের ক্ষুদ্র ‘থ্রেড’ বসানোর কথা জানিয়েছে নিউরালিঙ্ক। ব্রেইন-মেশিন ইন্টারফেইস হিসেবে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো তারের সংযোগ ছাড়াই মস্তিষ্ক থেকে বিশাল ডেটা পাঠাতে এবং পড়তে পারবে এই চিপ।

অন্যদিকে আলিবাবা চেয়াম্যানের দাবি, মেশিন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করবে এমনটা “অসম্ভব”। দাবা এবং গো খেলায় এআই নিয়ে মাস্কের অভিমতের জবাবে মা বলেন, এই খেলাগুলো বানানো হয়েছে এক ব্যক্তির সঙ্গে অন্য ব্যক্তির খেলার জন্য, ব্যক্তির সঙ্গে মেশিনকে খেলানোর জন্য নয়। “দুইটি কম্পিউটার একে অপরের সঙ্গে লড়ছে আমি এটা দেখলে খুশি হবো,” যোগ করেন মা।

 

মাত্র ১৩ মিনিট চার্জে ২ দিন চলবে
                                  

 প্রায় সব স্মার্টফোনেই এখন ফাস্ট চার্জিং-এর প্রযুক্তি আছে। কিন্তু মাত্র ১৩ মিনিটে ফুল চার্জ? সাংহাইয়ের মোবাইল কংগ্রেস ২০১৯-এ এমনই ফাস্ট চার্জিংয়ের প্রযুক্তি প্রকাশ্যে এনে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল ভিভো। সেই সময়ে সংস্থা দাবি করেছিল, এই বিশেষ প্রযুক্তির চার্জিং ব্যবস্থায় মাত্র ১৩ মিনিটেই ফুল চার্জ হবে ব্যাটারি। ৫ মিনিটেই হবে ৫০% চার্জ। নতুন এই চার্জিং ব্যবস্থাকে সুপার ফ্ল্যাশচার্জ ১২০ ওয়াট বলে অভিহিত করছে ভিভো।

তবে সেই সময়ে এই প্রযুক্তি কোন ফোনে ব্যবহার করা হবে সে বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিল সংস্থা। অবশেষে হল প্রতীক্ষার অবসান। সেপ্টেম্বরে অবমুক্ত হচ্ছে ‘ভিভো নেক্স-৩’। শুধু তাই নয়, ব্যাটারিতে প্রায় ২ দিন পর্যন্ত চার্জ থাকবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ছাড়াও বাকি স্পেসিফিকেশনেও দেওয়া হয়েছে নজর। ফোনের স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও ৯৯.৩%। থাকছে ৬৪ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সেনসর।

ভারতের স্মার্টফোনের বাজারে এগিয়ে থাকতে অভিনব কিছু করার চেষ্টা করছে সবকটি মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী সংস্থা। দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি, শক্তিশালী জঅগ ও প্রসেসর, ভাল মানের ক্যামেরা সেনসর ইত্যাদি দিয়ে ক্রেতাকে আকর্ষণ করার চেষ্টা করছে সব স্মার্টফোন প্রস্তুতকারীরা। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে দ্রুত চার্জিংকেই হাতিয়ার করতে চাইছে ভিভো।

অ্যান্ড্রয়েড ফোন হারিয়ে গেলে করনীয়
                                  

যেকোনও স্মার্টফোন বা কম্পিউটার থেকে গুগলে ‘ফাইন্ড মাই ফোন’ টাইপ করুন। এবার আপনার ফোনে যে জি-মেইল দিয়ে গুগল অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করা আছে সেই একই জি-মেইল দিয়ে গুগলে সাইন ইন করুন। সাইন ইনের পর গুগল আপনার স্মার্টফোনটির সর্বশেষ অবস্থান দেখাবে। অবস্থান শনাক্ত হলে আপনি চাইলে "প্লে সাউন্ড" অপশনে ক্লিক করে আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোনে কল দিতে পারবেন। কল দিলে ৫ মিনিটের জন্য আপনার ফোনে পূর্ণ ভলিউমে রিং বাজবে,এমনকি এটি নীরব বা ভাইব্রেট মোডেও থাকলেও।
আপনি ফোনটি লকও করতে পারবেন। রিমোটলি ফোনটি লক করতে নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করুন।


ধহফৎড়রফ.পড়স/ভরহফ এই অপশনে যান এবং আপনার গুগল অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন। যদি আপনার একাধিক ফোন থাকে, পর্দার উপরের অংশে হারিয়ে যাওয়া ডিভাইসে ক্লিক করুন। যদি আপনার হারিয়ে যাওয়া ডিভাইসে একাধিক ব্যবহারকারীর প্রোফাইল থাকে তাহলে প্রধান প্রোফাইলে থাকা গুগল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সাইন ইন করুন। যদি আপনার ডিভাইস না পাওয়া যায়, তাহলে আপনি এর শেষ অবস্থানটি দেখতে পাবেন। এ পর্যায়ে লক অ্যান্ড ইরেজ -এই অপশনে ক্লিক করুন। আপনার ডিভাইসটি আপনার দেওয়া পিন,প্যাটার্ন বা পাসওয়ার্ড দিয়ে লক হয়ে যাবে।


আপনি যদি "ইরেজ" অপশন নির্বাচন করেন তাহলে এটি আপনার ডিভাইসের সব তথ্য স্থায়ীভাবে মুছে যাবে। তবে এই পদ্ধতিতে এসডি কার্ডের তথ্য মোছা যায় না। আপনি এভাবে তথ্য মুছে ফেলার পরে আপনার ‘ফাইন্ড মাই ফোন’ অপশনটি কাজ করবে না।
সূত্র: গেজেটস নাউ

অবিক্রিত পণ্য দান করার ঘোষণা দিয়েছে অ্যামাজন
                                  

অবিক্রিত পণ্য দাতব্য সংস্থায় দান করার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন।
ফুলফুলমিন্ট বাই অ্যামাজন ডোনেশনস নামে এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যে অ্যামাজনের গুদামে যেসব বিক্রেতা তাদের পণ্য রাখেন তাদের জন্যই আনা হয়েছে এই প্রকল্প-- খবর সিএনবিসি’র।


চলতি বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে এই প্রকল্প। কোনো বিক্রেতা যখনই তাদের অবিক্রিত পণ্য নষ্ট করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেবেন তখনই তাদের এসব পণ্য দানের তালিকায় তোলা হবে। বিক্রেতা চাইলে এই প্রকল্প থেকে বেরও হয়ে আসতে পারবেন।
বুধবার বিকালেই এক ব্লগ পোস্টে এই প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছে অ্যামাজন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গুড৩৬০ এবং যুক্তরাজ্যের নিউলাইফ এবং বার্নার্ডোর মতো অলাভজনক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে পণ্য দান করা হবে বলে জানানো হয়েছে।


অ্যামাজনের গুদামে যেসব পণ্য অবিক্রিত রয়েছে এবং নষ্ট করাটা জরুরী সেগুলো এই প্রকল্পের মাধ্যমে দান করা হবে। এতে গুদামে খালি জায়গাও বাড়বে। ফলে উচ্ছিষ্ট পণ্যগুলো কোনো কাজ আসবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে নিয়মিতভাবে গুদামের অবিক্রিত পণ্য ধ্বংস করে থাকে অ্যামাজন। ফরাসী টিভি’র পক্ষ থেকে বলা হয় আগের বছর শুধু ফ্রান্সেই ৩০ লাখ পণ্য বিনষ্ট করেছে ই-কমার্স জায়ান্ট মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবিক্রিত পণ্যের পরিমাণ অন্যান্য দেশের চেয়ে আরও বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


অ্যামাজনের এই প্রকল্পের মাধ্যমে অবিক্রিত পণ্য ফেরত নেওয়ার চেয়ে খরচ কমবে তৃতীয় পক্ষের বিক্রেতাদের। বিক্রি হয়নি এমন পণ্য ফেরত বিক্রেতা ফেরত নিতে চাইলে অ্যামাজনকে দিতে হয় ৫০ সেন্ট। আর এই পণ্য ধ্বংস করতে দিতে হয় ১৫ সেন্ট।

নগদ অ্যাপ এলো আইওএস প্ল্যাটফর্মেও
                                  

নগদ গ্রাহকরা এখন থেকে আইফোন ও আইপ্যাডে নগদ অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন। বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মোবাইলভিত্তিক আর্থিক লেনদেন সেবা নগদ-এর আইওএস অ্যাপ উন্মুক্ত হয়েছে ১ অগাস্ট বৃহস্পতিবার।


আইওএস অ্যাপটিতে নগদ অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের সব সুবিধাই পাওয়া যাবে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অ্যাপটির মাধ্যমে গ্রাহকরা টাকা পাঠানো, ক্যাশ আউট করা, মোবাইল ব্যালেন্স রিচার্জ ও কেনাকাটা করতে পারবেন।


এই অ্যাপে স্বীয় নিবন্ধন ফিচার যোগ করা হয়েছে। এর জন্য গ্রাহকদের নিজেদের একটি ছবি অথবা সেলফি এবং নিজেদের জাতীয় পরিচয়পত্রের উভয় পাশের ছবি থাকতে হবে। নগদ অ্যাপটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে ডিজিটাল কেওয়াইসি ফর্মটি পূরণ করে জাতীয় তথ্যভা-ার থেকে তথ্য যাচাই করে নেবে। এর ফলে নতুন অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন করতে এক মিনিটের বেশি সময় লাগে না বলে দাবি নগদের।

নগদ অ্যাপ এলো আইওএস প্ল্যাটফর্মেও
                                  

নগদ গ্রাহকরা এখন থেকে আইফোন ও আইপ্যাডে নগদ অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন। বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মোবাইলভিত্তিক আর্থিক লেনদেন সেবা নগদ-এর আইওএস অ্যাপ উন্মুক্ত হয়েছে ১ অগাস্ট বৃহস্পতিবার।


আইওএস অ্যাপটিতে নগদ অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের সব সুবিধাই পাওয়া যাবে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অ্যাপটির মাধ্যমে গ্রাহকরা টাকা পাঠানো, ক্যাশ আউট করা, মোবাইল ব্যালেন্স রিচার্জ ও কেনাকাটা করতে পারবেন।


এই অ্যাপে স্বীয় নিবন্ধন ফিচার যোগ করা হয়েছে। এর জন্য গ্রাহকদের নিজেদের একটি ছবি অথবা সেলফি এবং নিজেদের জাতীয় পরিচয়পত্রের উভয় পাশের ছবি থাকতে হবে। নগদ অ্যাপটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে ডিজিটাল কেওয়াইসি ফর্মটি পূরণ করে জাতীয় তথ্যভা-ার থেকে তথ্য যাচাই করে নেবে। এর ফলে নতুন অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন করতে এক মিনিটের বেশি সময় লাগে না বলে দাবি নগদের।

‘ছারপোকা ব্লাড ব্যাংক’, রক্তের সন্ধান দেবে অ্যাপস
                                  

রক্তদান একটি মানবিক কাজ। বাংলাদেশে চিকিৎসার জন্য প্রতিনিয়তই রক্তের প্রয়োজন হয়। আমাদের দেশে মানবিক এই কাজের জন্য তরুনরা সবচেয়ে বেশি এগিয়ে। কিন্তু প্রচার ও নির্দিষ্ট ডাটা না থাকার কারনে রক্ত পেতে বেশ বেগ পেতে হয়। তাছাড়া অধিকাংশ সময়ই আকস্মিক বা ইমার্জেন্সিতে রক্তদাতা খুজে পাওয়া খুবই কষ্ট সাধ্যব্যাপার। এমনই এক সমাস্যার সমাধান নিয়ে এসেছে "প্রজেক্ট ছারপোকা" ।

ইন্টারনেট যখন বাংলাদেশে প্রসার হচ্ছে তখন থেকেই রক্তদান নিয়ে কাজ করছিল বেশ কিছু সংগঠন। এর মধ্যে সূচনালগ্ন থেকেই প্রথম সারি থেকে কাজ করে এসেছে প্রজেক্ট ছাড়পোকার একটি অংশ ছাড়পোকা ব্লাড ব্যাংক। ২০১৬ সালে ব্লাডব্যাংক এর কার্যক্রম শুরু হলেও তা এতদিন ছিল ফেসবুক নির্ভর। কিন্তু বর্তমানে এ কাজে আরো গতি আনতে তৈরী হলো Charpoka Blood Bank নামের একটি এন্ড্রয়েড অ্যাপস

মাত্র ২ মেগাবাইটের একটি অ্যাপ ডাউনলোড করে রেজিস্ট্রেশন করলে যে কেউ এখান থেকে রক্ত দিতে পারবে ও নিতে পারবে , কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই। এ এপটিতে ব্যাবহার হয়েছে আধুনিক সব ফিচার যা অতীতে কোন রক্তদান সংক্রান্ত এপে ব্যাবহার করা হয়নি।

প্রজেক্ট ছারপোকার পরিচালক কাজী নিপু বলেন, ছারপোকা ব্লাড ব্যাংক দেশের সব ডোনারকে এক প্লাটফর্মে এনে দাঁড় করানোর ব্যবস্থা করেছে। একটা সময় আমরা আশা করতে পারি রক্তদাতাদের সবচেয়ে বড় ডাটাবেজ তৈরী হবে এখানে, ফলে দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে রক্ত চেয়ে মানুষ সাহায্য চাইতে পারবে। যেহেতু বাংলাদেশে এন্ড্রয়েড ব্যাবহারকারীর সংখ্যা বেশী তাই আপাতত শুধু এন্ড্রয়েড মোবাইল দিয়ে প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটি নামিয়ে নিতে পারবেন যে কেউ। তবে ভবিষ্যতে অন্য মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম এর জন্যও অ্যাপ তৈরীর পরিকল্পনা রয়েছে।

অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারেন এই লিংক থেকে https://play.google.com/store/apps/details?id=com.charpoka.charpokabloodbank&hl=en

তদন্তের মুখে ফেসঅ্যাপ
                                  

 ফেসঅ্যাপ নামের একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের সাহায্যে চেহারার ধরন পাল্টানোর বিষয়টি নিয়ে এখন তোলপাড় চলছে। অনেকেই নীতিমালা না পড়ে অ্যাপ ডাউলোড করে তা দিয়ে ‘বুড়ো ছবি’ বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন। কিন্তু অ্যাপটির বিরুদ্ধে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেসঅ্যাপ নিয়ে এফবিআইকে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন সিনেটর চাক শুমার।

টুইটারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে শুমার লিখেছেন, মার্কিন নাগরিকদের তথ্য বিদেশি শক্তির কাছে চলে যেতে পারে।
শুমার ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) ও ফেডারেল ট্রেড কমিশনের (এফটিসি) কাছে চিঠি দিয়েছেন। এতে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে লিখেছেন, রাশিয়ার সরকার আপলোড করা ব্যক্তিগত তথ্যে ঢুকতে পারে। তাঁর মতোই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটি (ডিএনসি)।বার্তা সংস্থা সিএনএনকে ডিএনসির প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা বব লর্ড বলেছেন, অ্যাপটি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সামান্য একটি সেলফি আপলোড করতে গেলেও এটি ছবির পুরো অ্যাকসেস নিয়ে নেয়। তিনি সবাইকে দ্রুত অ্যাপটি মুছে ফেলার পরামর্শ দেন। ডিএনসির পক্ষ থেকে অবশ্য সতর্ক থাকার কারণ রয়েছে। ২০১৫ ও ২০১৬ সালে তাদের কম্পিউটার নেটওয়ার্কে আক্রমণ হয়েছিল। যাতে প্রচুর তথ্য বেহাত হয়। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলেন, এর পেছনে রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার হাত ছিল।


ফেসঅ্যাপ নিয়ে যা হচ্ছে
বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সবাই এখন ফেসঅ্যাপ নিয়ে কথা বলছেন। অ্যাপটি ছবি সম্পাদনা করে চেহারায় তারুণ্য বা বয়সের ভাঁজ দেখাতে পারে। নিজের ছবির ক্ষেত্রে এ অভিজ্ঞতা কেমন হয়, তা দেখতেই অনেকে ফেসঅ্যাপের বুড়ো ফিল্টার ব্যবহার করছেন। ফেসঅ্যাপ কিন্তু নতুন কোনো অ্যাপ্লিকেশন নয়। ২০১৭ সালেই এ অ্যাপ বিভিন্ন ফিল্টারের কারণে ভাইরাল হয়েছিল। অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস প্ল্যাটফর্মে চালু আছে এটি। নিউরাল ফেস ট্রান্সফরমেশনস অ্যাপ হিসেবে তৈরি করেছে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ওয়্যারলেস ল্যাব।
অ্যাপটির মাধ্যমে মানুষের মুখের বিভিন্ন রূপ বদল করার সুবিধা ওই সময় থেকেই চালু ছিল। এটি অনেকটাই বাস্তবসম্মত ছবি তৈরি করতে পারছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি চ্যালেঞ্জ আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। কার চেহারা বেশি মানানসই, তা দেখাতেই বুড়ো ছবি আপলোডের এ চ্যালেঞ্জ নেওয়া হচ্ছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে ছবি সম্পাদনার কাজ করছে জনপ্রিয় অ্যাপটি। স্মার্টফোন থেকে যেকোনো ছবি নিজেদের সার্ভারে আপলোড করে এই ছবি এডিটিংয়ের কাজ করে ফেসঅ্যাপ।

অ্যাপটির বিরুদ্ধে উদ্বেগ তিনটি:
১. এটি রাশিয়ার কোম্পানি ওয়্যারলেস ল্যাবের তৈরি।
২. এটি স্থানীয়ভাবে ছবি প্রক্রিয়াকরণ করে না। এটি ক্লাউডে ছবি আপলোড করে।
৩. আইওএস প্ল্যাটফর্মে ক্যামেরা রোলে অনুমতি দেওয়া না হলেও ছবি আপলোড করে অ্যাপটি।


ফেসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
সমালোচনার জবাবে ফেসঅ্যাপ নির্মাতারা বলছেন, অ্যাপ ব্যবহারকারী সম্পাদনার জন্য যে ছবিটি নির্বাচন করেন, তার বাইরে কোনো ছবি স্থানান্তর করে না ফেসঅ্যাপ। তারা কোনো থার্ড পার্টির কাছে তথ্য বিনিময় বা বিক্রি করে না। তারা কোনো তথ্য রাশিয়ায় পাঠায় না। ছবি আপলোড করার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই তারা তা মুছে ফেলে। ক্লাউডে ছবি রাখার জন্য গুগল ও আমাজনের ক্লাউড সার্ভার ব্যবহার করে। পেইড সাবসক্রিপশন মডেলের মাধ্যমে তারা অর্থ আয় করে। তারা কোনো নিয়মবহির্ভূত কাজ করছে না।


কিন্তু কোম্পানিটির এসব বক্তব্য সত্ত্বেও এফবিআই ও মার্কিন ফেডারেল ট্রেড কমিশনকে (এফটিসি) ফেসঅ্যাপের বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে বলেছেন সিনেটর শুমার। চিঠিতে ওই সিনেটর বলেছেন, ‘যেসব তথ্য জড়ো করা হচ্ছে, সেগুলোর সুরক্ষার পাশাপাশি কারা এ তথ্যভান্ডারে প্রবেশ করতে পারবে, সে বিষয়ে ব্যবহারকারীরা সচেতন কি না, এ উভয় বিষয় নিয়ে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’ ডেমোক্রেট পার্টির জাতীয় কমিটি ২০২০ সালের নির্বাচনে তাদের দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের ও তাদের প্রচারণা কর্মকর্তাদের ফেসঅ্যাপ ব্যবহার না করার জন্য সতর্ক করার পর শুমার এ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন বলে মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে।


বাড়ছে ক্লোন অ্যাপের ব্যবহার
অ্যাপ বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান সেন্সর টাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, গত ৯ দিনে ১ কোটি ৩০ লাখ বার ডাউনলোড হয়েছে ফেসঅ্যাপ অ্যাপ্লিকেশনটি। ফেসঅ্যাপের জনপ্রিয়তা দেখে এর বেশ কিছু ‘ক্লোন’ বা নকল অ্যাপও চলে এসেছে। ‘ক্লোন’ অ্যাপগুলোর জনপ্রিয়তাও বাড়ছে ব্যাপক হারে। অ্যাপ স্টোর ও গুগল প্লেস্টোরে ফ্রি ও পেইড অ্যাপের শীর্ষ তালিকায় অনেক চেহারা পরিবর্তনের অ্যাপ জায়গা করে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে এগেইনবুথ, ফেসঅ্যাপ! ওল্ডিফাইয়ের ডাউনলোড বেড়েছে ব্যাপক হারে।

ড্রোন বাজার এক দশকে তিন গুণ হবে
                                  

এক দশকের মধ্যে অসামরিক ড্রোনের বাজারের মূল্য তিন গুণ বেড়ে ১৪৩০ কোটি মার্কিন ডলারে দাঁড়াবে বলে উঠে এসেছে এক গবেষণায়।এই বাজারে অধিপত্য ধরে রেখেছে ড্রোন নির্মাতা চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো।


জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হলেও এই বাজার দ্রুত বৃদ্ধি পাবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
চলতি বছর অসামরিক ড্রোন বাজারের মূল্য বলা হচ্ছে ৪৯০ কোটি মার্কিন ডলার। ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন আরও বেশি অঞ্চলে ড্রোন ওড়ানোর অনুমতি দেওয়ায় এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে এর ব্যবহার বাড়ায় এই খাতের মূল্য বাড়বে বলে উঠে এসেছে অ্যারোস্পেস বিশ্লেষণা প্রতিষ্ঠান টিল গ্রুপের গবেষণায়-- খবর বার্তাসংস্থা রয়টার্সের।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ড্রোনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে শুরু করেছে। তাদের ধারণা, চীনের বানানো ড্রোনের মাধ্যমে সংবেদনশীল ডেটা ও ফুটেজ সংগ্রহ করতে পারে বেইজিং।


টিল গ্রুপের বিশ্লেষক ফিল ফিনেগান বলেন, সংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের বাণিজ্যিক ও ভোক্তা ড্রোনগুলোর তিন চতুর্থাংশ আসে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে।
চলতি বছরের মে মাসে চীনা ড্রোনগুলোতে ডেটা ঝুঁকির কথা জানিয়ে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করেছে ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি।
ড্রোন নিয়ে সমালোচনার কেন্দ্রে রয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান ডিজেআই। নিরাপত্তার বিষয়টিকে “মিথ্যা” ও “বিভ্রান্তিকর” দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
ডিজেআইয়ের মুখপাত্র মিকায়েল ওল্ডেনবার্গ বলেন, নিজেদের ডেটার “পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ” থাকে গ্রাহকের কাছে।


অসামরিক ড্রোনগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক যাচাইয়ের কাজে ব্যবহার করা হয়। নির্মাণ, শক্তি এবং খনন কাজের মতো বাণিজ্যগুলোতে এর ব্যবহার দেখা যায়।
ড্রোন ব্যবহারের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কৃষি খাত। ফসলে কীটনাশক দেওয়া এবং জমির অবস্থা যাচাইয়ের কাজে ড্রোন ব্যবহার করা হয়।


২০১৭ সালে ডিজেআই ড্রোন ব্যবহার বাতিল করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী। প্রতিরক্ষা বিভাগকে ন্যাশনাল ডিফেন্স অথোরাইজেশন অ্যাক্ট নীতিমালায় চীনা ড্রোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয় দেশটির সেনাবাহিনী।

 

অনলাইনে সরকারি ফরম, কমছে ভোগান্তি
                                  

 দিন দিন বেড়েই চলেছে ইন্টারনেটের ব্যবহার। সরকারি ও বেসরকারি নানা সেবা এখন ওয়েবসাইটেই পাওয়া যায়। এসব সেবা পেতে প্রয়োজনীয় ফরম পূরণের কাজও এখন সহজে অনলাইনে সেরে নেওয়া যায়। বাংলাদেশে অনলাইনে ভর্তির আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০০৯ সালে, সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এরপর একে একে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজেও এ প্রক্রিয়ায় ভর্তি কার্যক্রম চালু হয়। এখন তো একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কাজও হয় অনলাইনে। নানা সরকারি-বেসরকারি কাজের ফরমও পূরণ করা যায় ওয়েবসাইটে।


কাজ হয় সহজে
২০১৭ সালে অনলাইন ভর্তির কার্যক্রম নিয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সহযোগিতায় একটি সমীক্ষা চালায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন বা এটুআই। ওই সমীক্ষায় দেখা যায়, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা অনলাইনে ভর্তির আবেদন করেন, তাদের খরচ ৭৫ শতাংশ কম হয়। সাধারণ প্রক্রিয়ার চেয়ে অনলাইনে সময়ও কম লাগে ৮০ শতাংশ। অর্থ, সময় এবং আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে এসব সুবিধার পাশাপাশি নানা ভোগান্তি থেকেও রক্ষা পান শিক্ষার্থীরা।
অনলাইন ফরম পূরণের সুবিধা হলো, দেশের যে প্রান্তেই থাকুন, ইন্টারনেট সুবিধা নিয়ে যেকোনো সময় বা পরিস্থিতিতে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। কম্পিউটারের পাশাপাশি মোবাইল ফোনেও কাজ সারা যায়। একাধিক প্রতিষ্ঠানের সামনে লাইন ধরতে হয় না। অনলাইন ফরমপূরণ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ফাহমিদুল হক বলেন, প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে গতিশীল করেছে। মানুষের শারীরিক কষ্ট কমে গেছে। অনলাইনে ফরম পূরণের মত বিষয়গুলো এমন পরিবর্তন এনেছে দেশে। প্রযুক্তিগত সমস্যাগুলোকে যদি আরো সুষ্ঠু এবং সংগঠিতভাবে করা যায়, তাহলে অনলাইন ফরম পূরণ নিঃসন্দেহে একটা ভালো উদ্যোগ।


পাওয়া যায় সরকারি-বেসরকারি সেবা
এখন শুধু কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে নয়, সরকারি ও বেসরকারি নানা সেবা ও উদ্যোগের ফরম অনলাইনে পূরণ করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে অনলাইন টিন সনদ, পাসপোর্ট আবেদন, সঞ্চয়পত্রের ফরমের মত নানা দরকারি ফরম। সরকারি নানা ফরম নিয়ে বেশ আগেই সরকারের ই-সিটিজেন সার্ভিস কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ধরনের ফরম অনলাইনে যুক্ত করা হয়েছে। ইউএনডিপির সহযোগিতায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পরিচালিত ভড়ৎসং.মড়া.নফ ঠিকানার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন থেকে সরাসরি এসব ফরম দেখা ও নামানো যায়। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় দেওয়া ফরমগুলো পিডিএফ এবং ওয়ার্ড ডকুমেন্টÑদুভাবেই পাওয়া যাবে। বাংলাদেশ ফরম নামের ওই ওয়েব পোর্টালের স্লোগান হচ্ছে, ‘সকল ফরম এক ঠিকানায়’। সাইটটিতে ১ হাজার ৬৮০ রকম ফরম পাবেন। এর বাইরে ংবৎারপব.মড়া.নফ ঠিকানার ওয়েবসাইটে সরকারি সেবাসংক্রান্ত তথ্য রয়েছে। সেখানেও বিভিন্ন ফরম পাওয়া যায়।


এক ঠিকানায় সব ফরম
বাংলাদেশ ফরম সাইটটিতে ধরন অনুযায়ী অর্থ ও ব্যাংকসংক্রান্ত ফরম সংখ্যা ৫২, আইনশৃঙ্খলা ও আদালতসংক্রান্ত ১০৬টি, কৃষি ও সার নিয়ে ৬০টি, চাকরিসংক্রান্ত ১৮৫টি, তথ্যডাক ও টেলিযোগাযোগ-সংক্রান্ত ৫০টি, নিবন্ধনসংক্রান্ত ৫৭টি, পরিবহন ও যোগাযোগসংক্রান্ত ২৪টি, পরিবেশ ও বন নিয়ে ২২টি, পুরস্কার প্রাপ্তির আবেদন ১১টি, প্রতিবেদন ২০টি, ভূমিসংক্রান্ত ২৮টি, মৎস্য ও প্রাণিসংক্রান্ত ১২টি, লাইসেন্সসংক্রান্ত ৫৯টি, শিক্ষা বোর্ড ১৯৩টি, শিক্ষাসংক্রান্ত ১৪৫টি, শিল্প ও বাণিজ্য ৭৬টি, সিটি করপোরেশন ২৮২টি, স্থানীয় সরকার ৩৪টি, স্বাস্থ্যসংক্রান্ত ৪৪টি এবং অভিযোগ ও পরামর্শসংক্রান্ত ২১৮টি ফরম রয়েছে।এর বাইরে দপ্তর অনুযায়ী সরকারের বিভিন্ন কাজের ফরম পাওয়া যাবে। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাতীয় সংসদ, নির্বাচন কমিশনসহ বিভিন্ন ধরনের ফরম এখানে দেওয়া আছে। এর বাইরে সব ফরমের মধ্যে পাসপোর্ট, ভিসা, নাগরিকত্ব, জন্মনিবন্ধন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, আয়কর রিটার্ন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, টেলিফোন, গ্যাসসংযোগসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা রকম ফরম এ বিভাগে পাওয়া যাবে। ফরম নামাতে প্রথমে নির্ধারিত ফরমের নামের ওপর ক্লিক করতে হবে। এরপর পরবর্তী পৃষ্ঠায় দেওয়া ওই ফরমের পিডিএফ বা ওয়ার্ড ফরমেটে মুদ্রণ ও পূরণযোগ্য ফরম নামানো যাবে। ওয়েবসাইটটিতে ফরম পূরণ করে কিছু নমুনাও রাখা হয়েছে। সাইটটিতে জনপ্রিয় ফরম নামে একটি বিভাগে সব ধরনের জনপ্রিয় ফরম রাখা হয়েছে।

এনআইডি যাচাইয়ের গেটওয়ে ‘পরিচয়’ উদ্বোধন করবেন জয়
                                  

সহজে এবং দ্রুত জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাইয়ের গেটওয়ে Ôwww.porichoy.gov.bdÕ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। আজ বুধবার বিকেল ৩ টায় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সেবার উদ্বোধন করবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। ‘পরিচয়’ হচ্ছে একটি গেটওয়ে সার্ভার; যা নির্বাচন কমিশনের জাতীয় ডাটা বেসের সঙ্গে সংযুক্ত।

এটি এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং যা সরকারি-বেসরকারি বা ব্যক্তিগত যেকোনো সংস্থার গ্রাহকদের, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাই করে নিমিষেই সেবা দিতে পারবে। এনআইডি যাচাই করার জন্য এখন থেকে আর আগের মতো ৩-৫ কর্মদিবস অপেক্ষা করতে হবে না। বর্তমান প্রক্রিয়ায়, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে লগ ইন করে সংস্থাগুলো জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ম্যানুয়ালি যাচাই করে থাকে। আবার অনেক সংস্থা এনআইডি যাচাইকরণও করে না, কারণ নির্বাচন কমিশনের এনআইডি ডাটাবেসের অ্যাক্সেস তাদের নেই। যা গ্রাহকদের জাল বা সঠিক আইডি যাচাই করার জন্য অনুমতি দেয়। কিন্তু ‘পরিচয়’ গেটওয়ে ব্যবহার করলে এনআইডি যাচাই করার জন্য কোনো মানুষের প্রয়োজন নেই। যেকোনো প্রতিষ্ঠান সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে ‘পরিচয়’র সার্ভারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করলে এনআইডি শনাক্তের ফলাফল সঙ্গে সঙ্গেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পেয়ে যাবে। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এটি দেশের জনগণের জন্য এমন দুর্দান্ত সুবিধা আনবে যারা এখন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, ডিজিটাল ওয়ালেট অ্যাকাউন্ট খোলা বা যে কাজগুলোতে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধনের প্রয়োজন হয় তারা খুব উপকৃত হবে। তাদের জন্য অনেক সহজ ও সময় সাশ্রয় হবে। নিজের নাম নিবন্ধন করে যাচাইয়ের জন্য আর ৪/৫ দিন অপেক্ষা করতে হবে না, ভোগান্তিও পোহাতে হবে না। এটি সঙ্গে সঙ্গেই জাল আইডিগুলো শনাক্ত করে জালিয়াতি প্রতিরোধ করবে এবং পরিসেবাগুলোকে আরও নিরাপদ করবে। ‘পরিচয়’ গেটওয়ে গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বজায় রাখবে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাইয়ের খরচ কমিয়ে কাজকে দ্রুত করবে।

সামান্য ব্যয় বাড়বে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে
                                  

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে এ বছর বৈশ্বিক ব্যয় সামান্য বাড়ছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গার্টনারের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়, গত বছরের তুলনায় এ বছর বৈশ্বিক পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তি বিভিন্ন খাতে প্রাতিষ্ঠানিক ক্রয়ে গড়ে দশমিক ৬ শতাংশ খরচ বাড়তে পারে। চলতি বছর মোট ৩ দশমিক ৭৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রযুক্তি খাতে ব্যয় হচ্ছে। গত বুধবার গার্টনার ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।


গার্টনারের ভাইস প্রেসিডেন্ট জন ডেভিড লাভলক বলেন, আর্থিক মন্দাভাবের গুঞ্জন, ব্রেক্সিট, বাণিজ্যযুদ্ধ ও করারোপের মতো নানা ঘটনা সত্ত্বেও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ব্যয় চলতি বছর প্রায় একই রকম থাকছে। এ বছর তথ্যপ্রযুক্তি খাতে খুব বেশি খরচ বাড়ায়নি প্রতিষ্ঠানগুলো।
গার্টনারের প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি বছরে দেশভেদে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ব্যয়ের চিত্র বিভিন্ন রকম। তবে প্রতিটি দেশেই তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ব্যয়ের ক্ষেত্রে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি লক্ষ করা গেছে। বাণিজ্যযুদ্ধ সত্ত্বেও উত্তর আমেরিকায় এ বছর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যয় ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বাড়তে পারে। চীনে এ খাতে ব্যয় বাড়বে ২ দশমিক ৮ শতাংশ।
চলতি বছর সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হবে এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার খাতে। ২০১৮ সালে এ খাতের ব্যয় ছিল ৪১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা এ বছর ৪৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে। এ বছর মোট প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৯ শতাংশ।
গার্টনারের বিশেষজ্ঞ লাভলক বলেন, আগামি কয়েক বছর ধরে ক্লাউড প্রযুক্তি মূলধারায় চলে আসবে। ফলে প্রতিষ্ঠানের প্রধান কারিগরি কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোর ক্ষেত্রে এ প্রযুক্তি গ্রহণ করবেন। ডেটা সেন্টারের মতো পুরোনো প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ কমতে দেখা যাবে।
বৈশ্বিক পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির মোট ব্যয়ের ক্ষেত্রে গ্রাহকের ব্যয় করা প্রযুক্তিপণ্যের ব্যয় ক্রমে কমছে। পিসি, ল্যাপটপ, ট্যাবলেটের মতো পণ্য এখন অনেক জায়গায় মানুষের হাতে হাতে চলে এসেছে। ফলে সেখানে নতুন পণ্য বিক্রি হচ্ছে কম। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে গ্রাহক পণ্যে ব্যয় কমেছে। ক্লাউড অ্যাপ্লিকেশন এসব ডিভাইসের সুবিধা আরও বাড়াচ্ছে। ডিভাইস চালু রাখতে কম শক্তির যন্ত্রপাতি হলেই চলছে। চলতি বছর ডিভাইসের বাজার ৪ দশমিক ৩ শতাংশ কমে যাবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে গার্টনার।

ব্যাংকের নিয়মে আসতে হবে ফেসবুককে: ট্রাম্প
                                  

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ক্রিপটোকারেন্সির ভক্ত নন। ফেসবুককে যদি লিবরা নামের ক্রিপটোকারেন্সি চালু করতে হয়, তবে তাদের ব্যাংকিং চার্টারের প্রয়োজন পড়তে পারে। বৃহস্পতিবার এক টুইটে তিনি এসব কথা বলেছেন।


ফেসবুকের পক্ষ থেকে নতুন ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা চালুর পরিকল্পনা জানানোর পর থেকে অনেকেই এর সমালোচনা করছেন। সে তালিকায় এবার যুক্ত হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর আগে সেন্ট্রাল ব্যাংকের প্রধান, ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ার জেরোম পাওয়েল, ফ্রান্সের অর্থনমন্ত্রী ব্রুনো লা মারি, ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর মার্ক কার্নি ফেসবুকের লিবরার সমালোচনা করেছেন।
ট্রাম্প বলেছেন, মার্কিন ডলারের মতো নির্ভরযোগ্য, বিশ্বাসযোগ্য মুদ্রাই হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত মুদ্রা।


ট্রাম্প তাঁর টুইটে বলেছেন, ক্রিপটোকারেন্সি প্রকৃত অর্থ নয়। অনিয়ন্ত্রিত ক্রিপটো সম্পদ বেআইনি আচরণ, বিশেষ করে মাদক ও অন্যান্য অনৈতিক কার্যক্রম বাড়াতে পারে। ফেসবুক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান যদি ব্যাংক হতে চায়, তবে তাদের নতুন ব্যাংকিং চার্টার খুঁজতে হবে এবং পুরোপুরি ব্যাংকিং নিয়মনীতির আওতায় আসতে হবে। ফেসবুকের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের টুইট বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেসবুকের এ মুদ্রা যদি মূলধারার লেনদেন পদ্ধতি হিসেবে ঢুকে পড়ে, তবে গ্রাহকদের জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি হবে। অনেকের বাজে খরচের অভ্যাস গড়ে উঠবে। যুক্তরাষ্ট্রের অনেক আইনপ্রণেতা এ মুদ্রা আনার বিপক্ষে। সমালোচকেরাও এ নিয়ে মুখ খুলেছেন।
কনসোর্টিয়াম সহযোগী, পেমেন্ট সেবাদাতা, ক্রেডিট কার্ড কোম্পানি ও গ্রাহক কোম্পানিদের সঙ্গে নিয়ে নতুন মুদ্রা আনতে বেশ আটঘাট বেঁধে নেমেছে ফেসবুক। ২০২০ সালের প্রথমার্ধ্বে এ মুদ্রা আনার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। ফেসবুকের লিবরা সবাইকে একটি ইলেকট্রনিক ওয়ালেটের সুবিধা দেবে। ফেসবুক বলছে, আন্তর্জাতিক সব মুদ্রার মূল্যমানের সঙ্গে সংগতি রেখে এই মুদ্রার মূল্যমান ধরা হবে। প্রচলিত মুদ্রা দিয়ে লিবরা কেনা যাবে।


ফেসবুকের এক শ্বেতপত্রে বলা হয়, লিবরার সঙ্গে ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্যের যোগসূত্র থাকবে না বলে তাদের লক্ষ্য করে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা হবে না। তবে ফেসবুকের পক্ষ থেকে লিবরা পেমেন্টের সঙ্গে ফেসবুকের বিভিন্ন পণ্য যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে ফেসবুকের। ফেসবুকের এসব পণ্য কয়েক শ কোটি ব্যবহারকারী নিয়মিত ব্যবহার করছেন। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিটকয়েনের মতো ক্রিপটোকারেন্সির সঙ্গে এর পার্থক্য হবে সহজলভ্য ও সহজে ব্যবহার করার সুবিধা। বিটকয়েন ব্যবহার করে বিভিন্ন বিল দেওয়া, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ও সেবার দাম দেওয়া যাবে।


বিশেষজ্ঞ রস বলেন, লিবরা মূলত কোনো কিছু বিনিময়ের মুদ্রা বা কারেন্সি হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে। এটি বিটকয়েনের মতো কোনো বিনিয়োগ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। একে স্থিতিশীল ডিজিটাল ক্রিপটোকারেন্সি হিসেবে বর্ণনা করেছে ফেসবুক। এর পেছনে বাস্তব সম্পদের সম্পূর্ণ বিনিয়োগ থাকবে।


ফেসবুক বলছে, ভার্চ্যুয়াল মুদ্রায় ব্যাংক ডিপোজিট, স্বল্পমেয়াদি সরকারি নিরাপত্তার মতো বিষয় যুক্ত থাকবে। এতে অন্যান্য ক্রিপটোকারেন্সির মতো মুদ্রাস্ফীতি হবে না।
লিবরার উন্নয়নকারী ফেসবুকের ক্যালিব্রা বিভাগের প্রধান ডেভিড মার্কাস বলেন, ভবিষ্যতে ভার্চ্যুয়াল মুদ্রায় তাঁরা নানা আর্থিক সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এর মধ্যে ঋণদানের মতো বিষয়ও রয়েছে। লক্ষণীয় বিষয় হলো, একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী তাঁর অ্যাকাউন্টে যে লিবরা জমা রাখবেন, তার বিপরীতে ফেসবুক তাঁকে কোনো সুদ দেবে না। কিন্তু ফেসবুক গ্রাহকের জমা রাখা সেই লিবরা বিনিয়োগ করে তা দিয়ে আয় করা যাবে। কোটি কোটি গ্রাহকের জমা রাখা কোটি কোটি লিবরা লগ্নি করে ফেসবুক আয় করবে, কিন্তু সেই আয়ের কোনো অংশ গ্রাহক পাবেন না।

 


   Page 1 of 61
     তথ্যপ্রযুক্তি
এবার কি মহাবিশ্বে প্রাণের অস্তিত্ব মিলবে?
.............................................................................................
ফের ইউটিউবের জরিমানা ১৭ কোটি ডলার
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২: বিশেষজ্ঞের পরামর্শে পরিকল্পনার নির্দেশ টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর
.............................................................................................
এআই সব দিক থেকেই মানব ক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাবে: মাস্ক
.............................................................................................
মাত্র ১৩ মিনিট চার্জে ২ দিন চলবে
.............................................................................................
অ্যান্ড্রয়েড ফোন হারিয়ে গেলে করনীয়
.............................................................................................
অবিক্রিত পণ্য দান করার ঘোষণা দিয়েছে অ্যামাজন
.............................................................................................
নগদ অ্যাপ এলো আইওএস প্ল্যাটফর্মেও
.............................................................................................
নগদ অ্যাপ এলো আইওএস প্ল্যাটফর্মেও
.............................................................................................
‘ছারপোকা ব্লাড ব্যাংক’, রক্তের সন্ধান দেবে অ্যাপস
.............................................................................................
তদন্তের মুখে ফেসঅ্যাপ
.............................................................................................
ড্রোন বাজার এক দশকে তিন গুণ হবে
.............................................................................................
অনলাইনে সরকারি ফরম, কমছে ভোগান্তি
.............................................................................................
এনআইডি যাচাইয়ের গেটওয়ে ‘পরিচয়’ উদ্বোধন করবেন জয়
.............................................................................................
সামান্য ব্যয় বাড়বে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে
.............................................................................................
ব্যাংকের নিয়মে আসতে হবে ফেসবুককে: ট্রাম্প
.............................................................................................
ফ্রান্সে ফেসবুক-গুগলের ওপর ৩ শতাংশ কর
.............................................................................................
গ্রামীণফোন, টেলিনর ও ইউনিসেফের চুক্তি স্বাক্ষর
.............................................................................................
দাম বেড়েছে ব্যাংকিং কার্ডের
.............................................................................................
মোবাইল ফোন বিস্ফোরণ ঠেকাতে করনীয়
.............................................................................................
গুগলে জানা যাবে বাস, ট্রেনে ভিড়ের তথ্য
.............................................................................................
অ্যাপল ছেড়ে দিচ্ছেন জনি আইভ
.............................................................................................
মহাকাশযানের জ্বালানি চাঁদের বরফ থেকে!
.............................................................................................
সুপারকম্পিউটারের তালিকায় পেছালো চীন
.............................................................................................
ফোর্ড তৃতীয় প্রজন্মের স্বচালিত গাড়ির পরীক্ষায়
.............................................................................................
মোড়ানো যায় এমন স্মার্টফোন আনবে স্যামসাং
.............................................................................................
করের আওতায় আসছে ফেইসবুক-গুগল-অ্যামাজন
.............................................................................................
জাকারবার্গকে চেয়ারম্যান পদ থেকে সরাতে ভোট!
.............................................................................................
বেড়েছে বিটকয়েনের মূল্য
.............................................................................................
ভ্যাট নিবন্ধন ছাড়া ব্যবসা করতে পারবে না ফেসবুক-গুগল
.............................................................................................
ডিজেআই ড্রোন শনাক্ত করবে প্লেন, হেলিকপ্টার
.............................................................................................
নতুন স্টারহপার রকেটের পরীক্ষায় স্পেসএক্স
.............................................................................................
তিনশ’ কোটি প্রোফাইল সরিয়েছে ফেইসবুক
.............................................................................................
ফেসবুক ইউটিউবে সরকারি নিয়ন্ত্রণ সেপ্টেম্বর থেকে
.............................................................................................
জাপানি মহাকাশযান কৃত্রিম গর্ত বানাতে গ্রহাণুতে ‘বোমা মেরেছে’
.............................................................................................
এবার ফোনে আসছে ৬৪ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা
.............................................................................................
গুগলের ডিরেক্টর হলেন প্রথম বাংলাদেশি জাহিদ সবুর
.............................................................................................
সহজে ইমিগ্রেশন পার হতে বিমান ও স্থলবন্দরে ই-গেট বসানোর উদ্যোগ
.............................................................................................
স্বয়ংক্রিয়ভাবে গুগল লোকেশন ডেটা মুছতে দেবে
.............................................................................................
উবারের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ায় ক্লাস অ্যাকশন মামলা
.............................................................................................
রমজানে ‘৩৩৩’ নম্বরে ফোন করে পাওয়া যাবে ইসলামিক সেবা
.............................................................................................
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন সফটওয়্যারের যাত্রা শুরু
.............................................................................................
ট্রেনের টিকিট কাটার মোবাইল অ্যাপ চালু
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে যুক্ত হচ্ছে এটিএম বুথ ও টিভি চ্যানেল
.............................................................................................
এই রোবট ঘন্টায় ২০০ আইফোন খুলতে পারে
.............................................................................................
মাইক্রোসফট ফাইল সমর্থন আসছে গুগল ডকস-এ
.............................................................................................
গ্যালাক্সি ফোল্ডের ‘প্রি-অর্ডার’ শুরু!
.............................................................................................
শীঘ্রই কৃষ্ণ গহ্বরের ছবি দেখবে বিশ্ববাসী: নাসা
.............................................................................................
নাসা মহাকাশে রোবট ‘মৌমাছি’ পাঠাচ্ছে
.............................................................................................
আসছে আইফোন এসই ২
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]