বৃহস্পতিবার , ১৬ রবিঃ আউয়াল ১৪৪১ | ১৪ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   খেলাধূলা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
প্রথম টেস্ট শুরু আজ : জয়ের ভাবনায় বাংলাদেশ

ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়াম আয়তনে অনেক বড়ো নয়। তিনতলা গ্যালারির চেয়ারগুলো হলুদ, নীল রঙে আচ্ছাদিত। মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের অধীন স্টেডিয়ামের গ্যালারিগুলোর নামকরণ করা হয়েছে ভারতীয় কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের নামে। সুনীল গাভাস্কার, কপিল দেব, শচীন টেন্ডুলকার, অনীল কুম্বলেদের নাম শোভা পাচ্ছে গ্যালারিতে।

ভারতের বর্তমান টেস্ট দলটার অনেকের নামও ভবিষ্যতে গ্যালারির নামকরণে ব্যবহার হবে। কারণ এই দলে কয়েকজন বিশ্ব কাঁপানো ক্রিকেটার আছেন। বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন দলটা সাদা পোশাকে ক্রিকেট দুনিয়ার এক নম্বর। ব্যাটিং, বোলিং মিলে দুর্দান্ত। ঘরের মাটিতে যারা প্রায় অপ্রতিরোধ্যই বলা চলেও। যদিও ভারতের অধিনায়ক কোহলি বলছেন, ভারতকে হারানোর সামর্থ্য রয়েছে বাংলাদেশের। নিছক সম্মান দেওয়ার রীতিটা ধরে রেখেছেন তিনি।

তবে বাংলাদেশের নতুন টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক রাখঢাক না রেখেই বলেছেন, আজ ইন্দোরে সিরিজের প্রথম টেস্টে জয়ের লক্ষ্যেই খেলতে নামবে তার দল। হোলকার স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-ভারত টেস্ট শুরু হবে আজ সকাল ১০টায়।

কোহলি, পূজারা, রোহিত শর্মাদের নিয়ে পোক্ত ব্যাটিং লাইন ভারতের। ইশান্ত শর্মা, উমেশ যাদব, মোহাম্মদ শামি আছেন পেস আক্রমণে। স্পিনের ভার সামলে থাকেন রবিচন্দন অশ্বিন ও রবীন্দ্র জাদেজা। উলটো দিকে বাংলাদেশ দলে নেই সাকিব-তামিমের মতো দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। সঙ্গে নতুন অধিনায়ক। মুশফিকুর রহিম কিপিং ছেড়ে শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলবেন এই টেস্ট থেকে।

বাংলাদেশের সামনে তাই বিশাল চ্যালেঞ্জ। মুমিনুল অবশ্য জয়ের লক্ষ্য থেকে কক্ষচ্যুত হচ্ছেন না এত প্রতিকূলতা দেখেও। গতকাল বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেছেন, ‘লক্ষ্য অবশ্যই ভালো খেলা। আমরা জেতার জন্যই মাঠে নামব। আপনি যখন যাদের বিপক্ষেই খেলেন, প্রতিপক্ষ যত শক্তিশালীই হোক কেউ হারার জন্য মাঠে নামে না। সবাই সবসময় জেতার জন্যই মাঠে নামে। আমিও এভাবেই ভাবি। আমরা সব সময় সব ম্যাচে জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামি।’

প্রতিপক্ষ অনেক শক্তিশালী বলেই কি না নিজেদের ওপর কোনো চাপ নেই বলে মনে করেন মুমিনুল। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে আমাদের কোনো চাপ নেই। কারণ আমাদের কোনো প্রত্যাশা ঐরকম নেই। আপনারাও জানেন, আমরাও জানি সবাই জানে। আমাদের ঐরকম চাপও নেই। আমরা আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করব।’

টেস্টের এক নম্বর দলের বিরুদ্ধে নয় নম্বর দলের হারানোর কিছু নেই, এটাই স্বাভাবিক। মুমিনুল তাই চাপমুক্ত থেকে লড়তে চান সর্বস্ব দিয়ে। নিংড়ে দিতে চান সেরাটা।

মুমিনুলের নেতৃত্বেই আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। প্রথম অ্যাসাইনমেন্টটাই বড্ড শক্ত হয়ে গেল। তবে নতুন অধিনায়ক বলছেন, মানসিকভাবে শক্ত থাকতে পারলে, ভালো খেলতে পারলে এই সিরিজেই আগামীর ধারাবাহিক সফলতার দুয়ার উন্মোচিত হবে।

প্রথম টেস্ট শুরু আজ : জয়ের ভাবনায় বাংলাদেশ
                                  

ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়াম আয়তনে অনেক বড়ো নয়। তিনতলা গ্যালারির চেয়ারগুলো হলুদ, নীল রঙে আচ্ছাদিত। মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের অধীন স্টেডিয়ামের গ্যালারিগুলোর নামকরণ করা হয়েছে ভারতীয় কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের নামে। সুনীল গাভাস্কার, কপিল দেব, শচীন টেন্ডুলকার, অনীল কুম্বলেদের নাম শোভা পাচ্ছে গ্যালারিতে।

ভারতের বর্তমান টেস্ট দলটার অনেকের নামও ভবিষ্যতে গ্যালারির নামকরণে ব্যবহার হবে। কারণ এই দলে কয়েকজন বিশ্ব কাঁপানো ক্রিকেটার আছেন। বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন দলটা সাদা পোশাকে ক্রিকেট দুনিয়ার এক নম্বর। ব্যাটিং, বোলিং মিলে দুর্দান্ত। ঘরের মাটিতে যারা প্রায় অপ্রতিরোধ্যই বলা চলেও। যদিও ভারতের অধিনায়ক কোহলি বলছেন, ভারতকে হারানোর সামর্থ্য রয়েছে বাংলাদেশের। নিছক সম্মান দেওয়ার রীতিটা ধরে রেখেছেন তিনি।

তবে বাংলাদেশের নতুন টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক রাখঢাক না রেখেই বলেছেন, আজ ইন্দোরে সিরিজের প্রথম টেস্টে জয়ের লক্ষ্যেই খেলতে নামবে তার দল। হোলকার স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-ভারত টেস্ট শুরু হবে আজ সকাল ১০টায়।

কোহলি, পূজারা, রোহিত শর্মাদের নিয়ে পোক্ত ব্যাটিং লাইন ভারতের। ইশান্ত শর্মা, উমেশ যাদব, মোহাম্মদ শামি আছেন পেস আক্রমণে। স্পিনের ভার সামলে থাকেন রবিচন্দন অশ্বিন ও রবীন্দ্র জাদেজা। উলটো দিকে বাংলাদেশ দলে নেই সাকিব-তামিমের মতো দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। সঙ্গে নতুন অধিনায়ক। মুশফিকুর রহিম কিপিং ছেড়ে শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলবেন এই টেস্ট থেকে।

বাংলাদেশের সামনে তাই বিশাল চ্যালেঞ্জ। মুমিনুল অবশ্য জয়ের লক্ষ্য থেকে কক্ষচ্যুত হচ্ছেন না এত প্রতিকূলতা দেখেও। গতকাল বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেছেন, ‘লক্ষ্য অবশ্যই ভালো খেলা। আমরা জেতার জন্যই মাঠে নামব। আপনি যখন যাদের বিপক্ষেই খেলেন, প্রতিপক্ষ যত শক্তিশালীই হোক কেউ হারার জন্য মাঠে নামে না। সবাই সবসময় জেতার জন্যই মাঠে নামে। আমিও এভাবেই ভাবি। আমরা সব সময় সব ম্যাচে জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামি।’

প্রতিপক্ষ অনেক শক্তিশালী বলেই কি না নিজেদের ওপর কোনো চাপ নেই বলে মনে করেন মুমিনুল। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে আমাদের কোনো চাপ নেই। কারণ আমাদের কোনো প্রত্যাশা ঐরকম নেই। আপনারাও জানেন, আমরাও জানি সবাই জানে। আমাদের ঐরকম চাপও নেই। আমরা আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করব।’

টেস্টের এক নম্বর দলের বিরুদ্ধে নয় নম্বর দলের হারানোর কিছু নেই, এটাই স্বাভাবিক। মুমিনুল তাই চাপমুক্ত থেকে লড়তে চান সর্বস্ব দিয়ে। নিংড়ে দিতে চান সেরাটা।

মুমিনুলের নেতৃত্বেই আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। প্রথম অ্যাসাইনমেন্টটাই বড্ড শক্ত হয়ে গেল। তবে নতুন অধিনায়ক বলছেন, মানসিকভাবে শক্ত থাকতে পারলে, ভালো খেলতে পারলে এই সিরিজেই আগামীর ধারাবাহিক সফলতার দুয়ার উন্মোচিত হবে।

ভারতের বিপক্ষে ভালো করা সম্ভব : মুমিনুল
                                  

ভারতের বিপক্ষে ভালো করা সম্ভব বলে মনে করছেন বাংলাদশ অধিনায়ক মুমিনুল হক। আজ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ভারতের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজ হারের পর আগামীকাল শুরু হচ্ছে টেস্ট সিরিজ। প্রথম ম্যাচের আগে আজ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হক বলেন, `প্রস্তুতির ঘাটতি না থাকায় ভারতের বিপক্ষে চাপমুক্ত থেকে ভালো করা সম্ভব।`

কাল বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায় ইন্দোরে প্রথম টেস্ট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশের টেস্ট দল : সাদমান ইসলাম, ইমরুল কায়েস, সাইফ হাসান, মুমিনুল হক (অধিনায়ক), লিটন দাস, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ মিথুন, তাইজুল ইসলাম, নাইম হাসান, মোস্তাফিজুর রহমান, আল-আমিন হোসেন, আবু জায়েদ ও এবাদত হোসেন।

এবার ওয়ানডে র‌্যাংকিং থেকেও বাদ সাকিব!
                                  

টি-টোয়েন্টির পর ওয়ানডে র‌্যাংকিং থেকেও বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের নাম মুছে ফেলেছে বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা আইসিসি।

জুয়াড়িদের কাছ থেকে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পাওয়ার কথা আইসিসিকে না জানানোয় দুই বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেটে নিষিদ্ধ হয়েছেন সাকিব আল হাসান। তবে এর মধ্যে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত রাখা হয়েছে।

এরই মধ্যে র‌্যাংকিং রেকর্ড থেকে সাকিবের নাম বাদ দেয়া হলো।

সম্প্রতি ওয়ানডে র‍্যাংকিং নতুন করে হালনাগাদ করে আইসিসি। শীর্ষ স্থানে থাকা সাকিবের নাম এতে রাখা হয়নি। ফলে ওয়ানডের অলরাউন্ডারদের র‍্যাংকিংয়ে ইংলিশ ক্রিকেটার বেন স্টোকস উঠে এসেছেন শীর্ষে।

বাংলাদেশি অলরাউন্ডারের রেটিং পয়েন্ট ছিল ৪০৪। সাকিব নিষিদ্ধ হওয়ায় স্টোকস ৩১৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়েও শীর্ষে উঠে যান।

টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিং থেকেও বাদ পড়েছেন সাকিব। এই বিভাগে অলরাউন্ডারের তালিকায় ৩৫৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বর ছিলেন তিনি। নতুন র‌্যাংকিংয়ে সাকিবের জায়গা দখল করেছেন অস্ট্রেলীয় তারকা ক্রিকেটার গ্ল্যান ম্যাক্সওয়েল।

অবশ্য টেস্ট অলরাউন্ডারদের র‍্যাংকিংয়ে সাকিবের নাম রয়েছে এখনো। সেখানে ৩৯৭ রেটিং নিয়ে বাংলাদেশি তারকা আছেন ৩-এ।

এদিকে, টি-টোয়েন্টির অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ে চার নম্বরে উঠে এসেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। এ ছাড়া বাংলাদেশের আর কোনো ক্রিকেটার সেরা দশে নেই।

তিনটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে সাকিবের উপর নিষেধাজ্ঞা দেয় আইসিসি। ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবরের আগে আর ক্রিকেট মাঠে ফিরতে পারছেন না এই বাংলাদেশি অলরাউন্ডার।

ইউভেন্তুসের নায়ক আবারও দিবালা
                                  

 চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পাওলো দিবালার দুই মিনিটে পার্থক্য গড়ে দেওয়ার স্মৃতি এখনও তরতাজা। এবার সেরি আয় গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলের নায়ক হলেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। এসি মিলানকে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছে ইউভেন্তুস। ইউভেন্তুস স্টেডিয়ামে রোববার রাতে লিগের ম্যাচটি ১-০ গোলে জিতেছে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নেমে পার্থক্য গড়ে দেন দিবালা।

গত ২২ অক্টোবর ইউরোপ সেরার মঞ্চে লোকোমোতিভ মস্কোর বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পর তার দুই মিনিটে করা দুই গোলে জয় পেয়েছিল ইউভেন্তুস। ম্যাচের শুরুর দিকে বল দখলের পাশাপাশি আক্রমণেও আধিপত্য করা ইউভেন্তুস প্রথম ভালো সুযোগও পেয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্যভ্রষ্ট শটে হতাশ করেন গনসালো হিগুয়াইন। ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে পাল্টা আক্রমণে মনোযোগ দেয় মিলান। প্রথমার্ধের তুলনামূলক ভালো সুযোগও তৈরি করেছিল তারা। কিন্তু গোলমুখে বল পেয়েও লক্ষ্যভ্রষ্ট হেড করেন পোলিশ ফরোয়ার্ড পিয়াতেক। এরপর ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতার হেড দারুণ নৈপুণ্যে ঠেকিয়ে দেন ইউভেন্তুস গোলরক্ষক ভয়চেখ স্ট্যাসনি। দ্বিতীয়ার্ধের দশম মিনিটে একরকম আচমকাই দলের সেরা তারকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে তুলে কোচ নামান দিবালাকে। মাঠে নেমেই দলকে এগিয়ে নেওয়ার দুরূহ সুযোগ পেয়েছিলেন এই ফরোয়ার্ড। কিন্তু তার স্লাইডিং শট পাশের জালে লাগে। পরের মিনিটে পিয়াতেকের বুলেট গতির শট দারুণ ক্ষিপ্রতায় রুখে জাল অক্ষত রাখেন ইউভেন্তুস গোলরক্ষক।

৭৭তম মিনিটে দুই আর্জেন্টাইনের দারুণ বোঝাপড়ায় কাক্সিক্ষত গোল পেয়ে যায় দিবালা। স্বদেশি হিগুয়াইনের দারুণ পাস পেয়ে প্রথম টোকায় ডি-বক্সে বাড়িয়ে কোনাকুনি শটে ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি। আগের দিন হেল্লাস ভেরোনোকে ২-১ গোলে হারিয়ে ১২ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠেছিল ইন্টার মিলান।

১০ জয় ও দুই ড্রয়ে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ফিরল গত আটবারের চ্যাম্পিয়ন ইউভেন্তুস। দুইয়ে নেমে গেছে ইন্টার। তৃতীয় স্থানে থাকা লাৎসিওর পয়েন্ট ২৪। সমান ম্যাচে সপ্তম হারের স্বাদ পাওয়া মিলান ১৩ পয়েন্ট নিয়ে আছে চতুর্দশ স্থানে। একসময়ের ঐতিহ্যবাহী দলটি জিতেছে মোটে চার ম্যাচে, ড্র একটিতে।

রুবেলের ৭ উইকেট ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে
                                  

রঙিন পোশাকে বল হাতে যতটা উজ্জ্বল, সাদা পোশাকে ততটাই বিবর্ণ রুবেল হোসেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট বা টেস্ট ম্যাচ, রেকর্ড ভালো নয় কোথাও। সেই রুবেল জ¦লে উঠলেন সাদা পোশাক আর লাল বলে। জাতীয় লিগের ম্যাচে আগুন ঝরা বোলিংয়ে ৭ উইকেট নিয়েছেন ভারত সফরের দলে সুযোগ না পাওয়া পেসার। জাতীয় লিগের প্রথম স্তরে খুলনার হয়ে রাজশাহীর বিপক্ষে সোমবার এই বিধ্বংসী পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন রুবেল। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের উইকেটে আছে বেশ ঘাসের ছোঁয়া। খানিকটা আর্দ্রতা ছিল।

কন্ডিশন একটু স্যাঁতস্যাঁতে। সবকিছু পক্ষে পেয়ে রুবেলও বোলিং করেছেন দুর্দান্ত। নিয়েছেন ৫১ রানে ৭ উইকেট। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে এটি তার সেরা বোলিং। আগের সেরা ছিল ২০১৭ সালে দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে পূর্বাঞ্চলের বিপক্ষে ২২ রানে ৫ উইকেট। ম্যাচে নিজের প্রথম স্পেলে ৩ ওভারে ১৮ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন রুবেল। রাজশাহী পেয়েছিল ৩৯ রানের উদ্বোধনী জুটি। সোমবার সকালে অভিষেক মিত্রকে ফিরিয়ে রুবেলের শিকার শুরু। ৬ ওভারের ওই স্পেলে পরে ফিরিয়ে দেন রাজশাহীর আরেক ওপেনার ৪৩ রান করা মিজানুর রহমানকেও। এরপর তিনে নামা জুনায়েদ সিদ্দিককে ফেরান জিয়াউর রহমান। বাঁহাতি স্পিনার আবদুর রাজ্জাক মিডল অর্ডারে নেন ফরহাদ হোসেন ও শাকির হোসেনের উইকেটের। এরপর শুধুই রুবেল। একাই ধসিয়ে দিয়েছেন বাকি ব্যাটিং লাইন আপ। নতুন স্পেলের প্রথম বলেই সাব্বির রহমানকে ফিরিয়ে ধ্বংসযজ্ঞের শুরু। নিয়েছেন একের পর এক উইকেট। লাঞ্চের ঠিক আগে ফরহাদ রেজাকে ফিরিয়ে পূর্ণ করেছেন ৫ উইকেট। লাঞ্চের পরও চালিয়ে গেছেন তোপ।

গুটিয়ে দিয়েছেন রাজশাহীকে। লাঞ্চের আগে ও পরে মিলিয়ে দুর্দান্ত এই স্পেলে তার বোলিং ফিগার ছিল ৮.৪-৩-২০-৫! সাদা পোশাকে রুবেলের এই সাফল্য বিরল। বাংলাদেশের উইকেট ও কন্ডিশনে পেসারদের কাজ যদিও কঠিন, সেসব বিবেচনায়ও নিয়েও তার রেকর্ড ভীষণ সাদামাটা। ৫৭তম প্রথম শ্রেণির ম্যাচ চলছে তার,এই ৭ উইকেটের পর এখনও উইকেট মোটে ৯৩টি। ৫ উইকেটের স্বাদ পেলেন মাত্র ৪ বার। বাংলাদেশের হয়ে ২৬ টেস্ট খেলে উইকেট নিয়েছেন কেবল ৩৩টি। ১০টির বেশি উইকেট আছে, এমন বোলারদের মধ্যে টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে বোলিং গড় রুবেলের (৮০.৩৩)। জাতীয় লিগের এই পারফরম্যান্স তার জন্য হতে পারে নতুন কিছুর প্রেরণা।

 

ভারতকে হারিয়ে টি-২০ শিরোপাজয়ের স্বপ্ন, পরাজয় নিয়ে ভঙ্গ
                                  

ভারতের মাটিতে ভারতকে হারিয়ে টি-২০ শিরোপাজয়ের স্বপ্ন দেখছিল বাংলাদেশ। কিন্তু স্বপ্নটা স্বপ্নই রয়ে গেলো। খুব কাছে এসেও ধরা দিলো না। তিন ম্যাচ সিরিজের শেষটিতে ৩০ রানে হারলো বাংলাদেশ। হলো আরো একটি পরাজয়। আরো একটি স্বপ্নভঙ্গ। এ নিয়ে সপ্তমবারের মতো কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের শিরোপা হাতছাড়া হলো বাংলাদেশের।

দিল্লিতে প্রথম টি-২০ ম্যাচ জিতে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন বুনে বাংলাদেশ। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচেই হার। তাতে দমে যাননি টাইগাররা। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস সৃষ্টির আশায় ছিল। সেটা সহজও করে এনেছিল তারা। তরুণ মোহাম্মদ নাঈম সেই দায়িত্বটি সুচারু রুপে করেও যাচ্ছিলেন। কিন্তু শিভাব দুবের বলে সাজঘরে ফিরে স্বপ্নভঙ্গের সুর তুলে গেলেন। সেই সুর বেদনাবিধুর হয়ে বাজলো শেষ সময়ে। ফলে টি-২০ সিরিজে পরাজিত হলো বাংলাদেশ।

 

সন্ধ্যায় টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় বাংলাদেশ। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। বাংলাদেশের পরিকল্পনাও এমনটা ছিল। সেই কাজটি সাড়েন বাংলাদেশের পেসার শফিউল ইসলাম। ইনিংসের নবম বলে ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন শফিউল। আগের ম্যাচে ৪৩ বলে ৮৫ রান রোহিত এবার ২ রানের বেশি করতে পারেননি।

অধিনায়ককে হারানোর ধাক্কাটা সামলে উঠার চেষ্টা করেন আরেক ওপেনার শিখর ধাওয়ান ও লোকেশ রাহুল। দ্রুত রান তুলে বাংলাদেশের বোলারদের উপর চাপ সৃষ্টি করেন তারা। তবে পাওয়া প্লে’র শেষ ওভারে শফিউলের হাত ধরে দ্বিতীয় সাফল্য পায় বাংলাদেশ। ১৬ বলে চার বাউন্ডারি মেরে ১৯ রান করা ধাওয়ানকে থামিয়ে দেন শফিউল।

৩৫ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়ে ভারত। তৃতীয় উইকেটে সর্তকতার সাথে বড় জুটি গড়ার চেষ্টা করেন রাহুল ও শ্রেয়াস আইয়ার। মারমুখী মেজাজে রানের চাকা ঘুড়িয়েছেন রাহুল। ৩৩তম বলেই টি-২০ ক্যারিয়ারে ষষ্ঠ হাফ-সেঞ্চুরির দেখা পান রাহুল। হাফ-সেঞ্চুরির পর ভুল শট খেলে নিজের ইনিংসের সমাপ্তি টানেন রাহুল। বাংলাদেশের পেসার আল-আমিনের শিকার হবার আগে ৭টি চারে ৩৫ বলে ৫২ রান করেন তিনি। আইয়ারের সাথে ৪১ বলে ৫৯ রান যোগ করেন রাহুল।

রাহুলের ফিরে যাবার পর রানের জন্য মারমুখী হয়ে উঠেন আইয়ার। আগেই ২টি ছক্কা হাঁকানো আইয়ার ১৫তম ওভারে বাংলাদেশের স্পিনার আফিফ হোসেনের প্রথম তিন বলেই টানা ছক্কা মারেন। ঐ ওভারের পঞ্চম বলে ১ রান নিয়ে ২৭তম বলে টি-২০ ক্যারিয়ারে প্রথম হাফ-সেঞ্চুরির দেখা পান আইয়ার।

১৭তম ওভারের প্রথম বলে ভারতের উইকেটরক্ষক ঋসভ পান্থকে ৬ রানে বোল্ড করেন সৌম্য। একই ওভারের পঞ্চম বলে আইয়ারকেও বিদায় দিয়ে ভারতের রানের গতি কমানোর পথ তৈরি করেন সৌম্য। ১১তম ম্যাচে প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে ৩৩ বলে ৩টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৬২ রান করেন আইয়ার।

কিন্তু পরের দিকে মনিষ পান্ডিয়ার ১৩ বলে ৩টি চারে অপরাজিত ২২ ও শিবম দুবের ৮ বলে ৯ রানে ৫ উইকেটে ১৭৪ রানের সংগ্রহ পায় ভারত।

বাংলাদেশের শফিউল ও সৌম্য ২টি করে উইকেট নেন।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে মারকুটো ব্যাটিংয়ের পরিকল্পনা নিয়ে নেমেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু কিছু সময় পরেই সেই পরিকল্পনা বাদ দিতে হয়। কারণ তৃতীয় ওভারেই দুই বলের ব্যবধানে দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। লিটন দাস মিড উইকেট দিয়ে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে ক্যাচ দেন। দুর্দান্ত কায়দায় খানিকটা দৌড়ে ওয়াসিংটন সুন্দর ক্যাচটা নেন। ক্যাচ ধরার পর শিশিরে সিক্ত ঘাসে তার পা কিছুটা পিছলে গেলেও বল হাত থেকে ছাড়েননি। লিটন আরেকবার সিরিজে ফিরলেন মাথা নিচু করে। ৮ বলে ৯ রান তুলে। তিন ম্যাচের সিরিজে ব্যর্থ বাংলাদেশের এই ওপেনার।

লিটনের আউটের পরই সৌম্য সরকার ওয়ানডাউনে খেলতে নেমে দীপক চাহারের পরের বলে ক্যাচ তুলে দেন। ত্রিশ গজের বৃত্তের কোনায় দাঁড়ানো শিভম দুবে ক্যাচটি ধরতে কোনো ভুল করেননি। শূন্য রানে আউট সৌম্য।

তৃতীয় ওভার শেষে ১২ রানে ২ উইকেট হারানো বাংলাদেশের ডাগআউটের পরিবেশ তখন দিক হারানো নাবিকের মতো। জয়ের জন্য ১৭৫ রানকে অনেক দূরের পথ মনে হচ্ছিল। স্কোরবোর্ডে ১৩ রানের সঞ্চয়ে তখন নেই ২ উইকেট।

তবে নাঈম ছিলেন। তিনি মারকুটে ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন দেখিয়ে যাচ্ছিলেন। দলীয় সংগ্রহ যখন ১২৬ তখনই সাজঘরে ফিরলেন নাঈম। ১০ বাউন্ডারি ও দুটি ছক্কার অনবদ্য ৮১ রানের একটি ইনিংস খেলে বিদায় নিলেন এই ওপেনার। সাথেই বিদায় নিলো বাংলাদেশের জয়ের স্বপ্ন।

ক্রিজে এলেন আফিফ হোসেন। কিন্তু শিভমের বলে রানের খাতা না খুলেই ফিরলেন তিনি। এরপর দীপক চাহালের বলে ফিরলেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ। ফিরলেন বাকি তিনজনও।

১৮ রানে ৫ উইকেটের পতন হলো। বাংলাদেশ গুটিয়ে গেলো ১৪৪ রানে। ৩০ রানে জয় নিয়ে সিরিজ জিতলো ভারত।

বাদ পড়লেন মোস্তাফিজ-মোসাদ্দেক, দলে মিথুন-রনি
                                  

সিরিজ নির্ধারনী ম্যাচে দু’টি পরিবর্তন নিয়ে খেলতে নামবে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচের একাদশ থেকে বাদ পড়ছেন মোসাদ্দেক হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান। গ্রোয়েন ইনজুরিতে পড়েছেন মোসাদ্দেক। তার জায়গায় খেলবেন মোহাম্মদ মিথুন।

আর দু’ম্যাচে ৬.৪ ওভার বল করে ৫০ রান দিয়েছেন মোস্তাফিজ। প্রথম শ্যাচে দুই ওভার বল করে ৭.৫০ ইকোনোমিতে দিয়েছেন ১৫ ও দ্বিতীয় ম্যাচে ৩.৪  ওভার বল করে ৯.৫৪ ইকোনোমিতে দিয়েছেন ৩৫ রান। তার পরিবর্তে প্রায় এক বছর পর টি-টোয়েন্টি খেলতে নামবের আরেক বাঁ-হাতি আবু হায়দার রনি। প্রায় এক বছর পর টি-টোয়েন্টি খেলতে নামবেন তিনি।

দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের কাছে ৮ উইকেট সিরিজ জয়ের ইতিহাস হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। তবে সিরিজ জিতে ইতিহাস গড়ার সুযোগ এখনো রয়েছে টাইগারদের সামনে। তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে জিতলেই ভারতের বিপক্ষে প্রথমবারের মত সিরিজ জয়ের স্বাদ পাবে বাংলাদেশ। রোববার নাগপুরের বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি।

নিজেদের মাটিতে কখনো টি-টোয়েন্টিতে সিরিজে হারেনি ভারত। তবে দেশের মাটিতে ভারতকে টি-টোয়েন্টিতে সিরিজে হারানোর পথ তৈরি করেছে বাংলাদেশ। জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করে টাইগাররা। দিল্লিতে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেটে জয় পায় মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের দল। এরপর আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে সিরিজ নিজেদের করে নেয়ার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মার বিধ্বংসী ব্যাটিং-এ বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দীর্ঘায়িত হয়। ৬টি করে চার-ছক্কায় ৪৩ বলে ৮৫ রান করেন রোহিত। সিরিজে সমতা ফেরায় ভারত।

কিন্তু তারপরও সিরিজ জয়ের আশা ছাড়েনি বাংলাদেশ। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ জিতে সিরিজ নিজেদের করে নেয়ার ব্যাপারে আশাবাদি বাংলাদেশ কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো। তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় ম্যাচে আমরা ভালো অবস্থায় ছিলাম। কিন্তু ব্যাটিং-এ আমরা কিছু ভুল করেছি। তবে আমরা বিশ্বাস করি, আমরা ভারতকে চাপে রাখতে পারি এবং যেকোন দিনই তাদের হারাতে পারি।’

চলতি সিরিজেই ভারতকে এই ফরম্যাটে প্রথমবারের মত হারানোর নজির গড়ে বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত ১০ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দু’দল। এরমধ্যে ৯টিতে জিতেছে ভারত।

এখন পর্যন্ত ৯১টি টি-টোয়েন্টতে আন্তর্জাতিক ম্যাচের মধ্যে ৩০টি জিতেছে টাইগাররা। ওয়ানডেতের মত প্রশংসনীয় সাফল্য নেই বাংলাদেশের। তবে এ বছর ছোট ফরম্যাটে ভালো ফল করেছে তারা। ৬ ম্যাচ খেলে ৪টি জিতেছে। তৃতীয় ম্যাচের ফলাফলের আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এ বছর বাংলাদেশের পারফরমেন্স ছোট ফরম্যাটে সেরা-ই।

তাই এ বছরের পরিসংখ্যান বাংলাদেশকে আত্মবিশ্বাসী রাখতে সহায়তা করবে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচের পর স্পষ্টভাবে ফেভারিট ভারত।

ব্যাটসম্যানদের মত বাংলাদেশের বোলারাদের নিয়ে চিন্তা করতে হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। দ্বিতীয় ম্যাচে আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ছাড়া কোন বোলারই ভারতের ব্যাটসম্যানদের পরীক্ষায় ফেলতে পারেননি। প্রথম ম্যাচে স্লো পিচ থাকায় সেখান থেকে ফায়দা নিতে পেরেছিলো বাংলাদেশের বোলাররা। দিল্লির মত নাগপুরের পিচ না হওয়াতে বোলাররা ভালো করতে পারেনি। তারপরও শেষ ম্যাচে সাফল্য পাবার ব্যাপারে আশাবাদি বাংলাদেশ।

জুয়াড়ির তথ্য গোপন করার অভিযোগে আইসিসি কর্তৃক এক বছরের নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার আগে খেলোয়াড়দের সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর দাবীতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বিপক্ষে ধর্মঘটে নেতৃত্ব দানকারী সাকিব আল হাসানকে নিয়ে টালমাটাল অবস্থার মধ্যেও সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয় বাংলাদেশের জন্য ছিল অনেক বড় স্বস্তির বিষয়।

প্রথম ম্যাচ জয়ের পর বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বলেছিলেন, সিরিজে তাদের হারানোর কিছুই নেই। যা তাদের ভালো করতে অনুপ্রেরণা দিয়েছিলো। এখন যদি, ডোমিঙ্গোর বক্তব্য বিবেচনা করা হয় তবে আবারো চাপ বিহীন ক্রিকেট খেলতে পারবে বাংলাদেশ।

সূত্র : বাসস

 
 
‘ইতিহাসের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ’ উদ্বোধন হবে বিপিএলে
                                  

 বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীর সরকারি আয়োজনের ‘কাউন্টডাউন’ শুরু হওয়ার কথা আগামী ৮ ডিসেম্বর। সেদিনই বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে এবার উদ্বোধন হবে বিপিএলের, জানালেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান। বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীকে সামনে রেখে এবার আয়োজন করা হচ্ছে বিশেষ বিপিএল। নাম ঠিক করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু বিপিএল। আগের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করা হয়নি। এবার সব দল থাকবে বিসিবির তত্ত্বাবধানে। আগে বলা হয়েছিল, এবারের আসর শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ৬ ডিসেম্বর।

তার দু-একদিন আগে উদ্বোধন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য তার সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে বদলানো হয়েছে তারিখ। বুধবার বিসিবিতে সভা শেষে নতুন তারিখ জানালেন বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান। “বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীর কাউন্টডাউন শুরু হচ্ছে ৮ তারিখ (ডিসেম্বর), সরকার এর মধ্যেই ঘোষণা করেছে। আমরা আনন্দিত একটি কারণে যে, প্রথম দিনেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু বিপিএল উদ্বোধনের জন্য সম্মতি দিয়েছেন। আমাদের জন্য এটি বিরাট ব্যাপার, প্রথম দিন থেকে ক্রিকেট দিয়ে শুরু হচ্ছে।” “৮ তারিখ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন, ১১ তারিখ খেলা শুরু হবে।” উদ্বোধনী আয়োজন জমজমাট করার কথা বেশ কিছু দিন থেকেই বলে আসছে বিসিবি। বুধবারের সভা শেষে বিসিবি সভাপতি জানালেন দারুণ সব চমক উপহার দেওয়ার কথা।

“যেহেতু বঙ্গবন্ধুর নামে হচ্ছে, জাকজমকপূর্ণভাবে করা উচিত। এটুকু বলতে পারি, ক্রিকেট বোর্ডের ইতিহাসে এত জাঁকজমকপূর্ণভাবে কোনো আয়োজন করা হয়নি। সেরকম কিছু করারই ইচ্ছে আছে।” “বিরাট প্রোগ্রাম, এখন বলা যাবে না (আয়োজনে যা থাকবে)। তবে অনেক অনেক কিছু থাকবে। এত কিছু একসঙ্গে বাংলাদেশে আর হয়নি, তেমন কিছু করার ইচ্ছে আছে।” আগামী ১৭ নভেম্বর হবে এবারের আসরের প্লেয়ার্স ড্রাফট। আগের বারের মতোই ৭ দল নিয়ে হবে টুর্নামেন্ট। বিসিবির তত্ত্বাবধানে আয়োজন হলেও দলগুলির জন্য আলাদা স্পন্সর আহবান করেছিল বিসিবি। বিসিবি সভাপতি জানালেন, ৫টি স্পন্সর প্রতিষ্ঠান এর মধ্যেই চূড়ান্ত হয়ে গেছে। বাকি দুটি সরাসরি বিসিবি পরিচালনা করার সম্ভাবনাই বেশি। স্পন্সরদের সঙ্গে আলোচনার পর ঠিক করা হবে দলগুলির নাম।

কিছুদিন আগে বিসিবি জানিয়েছিল, দলগুলির কোচ হতে আগ্রহ জানিয়ে আবেদন করেছিলেন অনেকে। তাদের মধ্য থেকে চার জনকে চূড়ান্ত করা হয়েছে বুধবারের সভায়। তাদের নাম অবশ্য এখনই জানালেন না বিসিবি প্রধান। তবে জানিয়ে রাখলেন, “ভালো ভালো কোচ। সবচেয়ে নামকরা যারা আছেন, জাতীয় দলের জন্য যাদের সঙ্গে কথা বলছিলাম, ওই ধরনের কোচই আসবে।”

 

মরিয়া হয়ে আছে ভারত, অধীর অপেক্ষায় বাংলাদেশ
                                  

ভারত যে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া সেটা বেশ ভালোভাবে বুঝতে পারছেন মাহমুদউল্লাহ। অধিনায়ক জানালেন, সিরিজ জেতার সুযোগ কাজে লাগাতে অধীর হয়ে আছে বাংলাদেশও। রাজকোটের সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায়। এর আগের দিন দলের অনুশীলন শেষে মাহমুদউল্লাহ জানান, দিল্লিতে হারের পর প্রতিপক্ষ কতটা তেতে আছে অনুভব করতে পারছেন তিনি।

“আমরা হয়তো কিছুটা হলেও আঁচ করতে পারছি, তারা দৃঢ়ভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে। আরও বেশি আগ্রাসী ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করবে। “ওরা মরিয়া হয়ে আছে, আমরাও কিন্তু মরিয়া হয়ে আছি। এটা কিন্তু অনেক বড় একটা সুযোগ আমাদের জন্য, আমাদের ক্রিকেটের জন্য। আমরা প্রথমবারের মতো ভারতে একটা দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ খেলতে এসেছি। যদি আমরা ভালো খেলে সিরিজটা জিততে পারি আমাদের জন্য অনেক বড় একটা অর্জন হবে। জিততে কি করতে হবে ভালো করে জানা আছে মাহমুদউল্লাহর। “টি-টোয়েন্টিতে আমার মনে হয়, আপনি যদি উইকেট বুঝতে পারেন, সেই অনুযায়ী বোলিংয়ের লেংথ ঠিক করতে পারেন এবং ফিল্ড প্লেসিং করতে পারেন তাহলে আপনার জেতার ভালো সুযোগ থাকবে।

“টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটই এমন, এখানে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একটা পরিকল্পনা নিয়ে আপনি এগোলেন এরপর হয়তো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হলো, এই ধরনের মানিয়ে নেওয়ার সামর্থ্য থাকা বেশি প্রয়োজন।”ভারতের বোলিং আক্রমণ একটু অনভিজ্ঞ। তবে তাতে বৈচিত্র্যের অভাব নেই। নেই কেবল একজন বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার। মাহমুদউল্লাহ মনে করেন, এমন একটা বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে প্রথম বল থেকে থাকতে হবে ইতিবাচক। “তাদের বোলিং আক্রমণে বৈচিত্র্য আছে। ভালো কিছু স্পিনার আছে, পেসার আছে। আমাদের প্রথম বল থেকেই দাপট দেখাতে হবে তাহলে মোমেন্টাম আমাদের দিকে আসবে।”

 

ভারতের মাটিতেই টাইগারদের ইতিহাস গড়া জয়
                                  

বাংলাদেশ কখনো ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জেতেনি। তার মধ্যে আছে ২০১৬ বিশ্বকাপে খুব কাছাকাছি গিয়ে হারা। এবার তাদেরই মাটিতে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে রোহিত শর্মাদের উড়িয়ে দিয়েছেন মুশফিকরা।

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে এই ম্যাচে সাত উইকেটে জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

আজ রোববার সন্ধ্যায় অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকরা তুলেছে ১৪৮ রান। টার্গেটে খেলতে নেমে তিন বল বাকি থাকতেই সাত উইকেটের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন মুশফিকুর রহীম। ৩৫ বলে ৮টি চার ও ১টি ছয়ের মারে তিনি এই রান করে অপরাজিত থাকেন। তার সঙ্গে ৭ বলে ১৫ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ।

এ ছাড়া সৌম্যর ব্যাট থেকে আসে ৩৯ রান। তবে ব্যর্থ ছিলেন লিটন দাস। তিনি মাত্র ৭ রান করেন। অভিষেকে খেলতে নেমেই দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ। তিনি ২৮ বলে ২৬ রান করেন।

এর আগে ইনিংসের প্রথম ওভারের শেষ বলে ব্যক্তিগত ৯ রানে এলবির ফাঁদে পড়েন রোহিত শর্মা। দলীয় ১০ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। এর পর দলীয় ৩৬ রানের মাথায় আমিনুল ইসলামের বলে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ তুলে দেন ১৭ বলে ১৫ রান করা লোকেশ রাহুল। দলীয় ৭০ রানের মাথায় আবারও আঘাত হানেন লেগ স্পিনার আমিনুল। ফিরিয়ে দেন শ্রেয়ার্স আইয়ারকে। ১৩ বলে এক চার আর দুই ছক্কায় ২২ রান করে মোহাম্মদ নাঈমের হাতে ধরা পড়েন তিনি।

ম্যাচের ১৫তম ওভারে রানআউট হন ওপেনার শিখর ধাওয়ান। বিদায়ের আগে এই ওপেনার ৪২ বলে করেন ৪১ রান। তার ইনিংসে ছিল তিনটি চার আর একটি ছক্কার মার। দলীয় ৯৫ রানের মাথায় ভারত চতুর্থ উইকেট হারায়। ১০২ রানের মাথায় বিদায় নেন অভিষিক্ত শিভাম দুবে (১)। আফিফ হোসেনের বলে তারই হাতে ক্যাচ তুলে দেন এই অভিষিক্ত।

ক্রুনাল পান্ডিয়া ৮ বলে ১৫ এবং ওয়াশিংটন সুন্দর ৫ বলে ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন।

বাংলাদেশের হয়ে শফিউল ইসলাম ৪ ওভারে ৩৬ রান খরচায় কোনো উইকেট পাননি। মোস্তাফিজ ২ ওভারে ১৫ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন। ৩ ওভারে আমিনুল ২২ রান দিয়ে তুলে নেন দুটি উইকেট। সৌম্য সরকার ২ ওভারে ১৬, মোসাদ্দেক ১ ওভারে ৮, মাহমুদউল্লাহ ১ ওভারে ১০ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি। আল আমিন ৪ ওভারে ২৭ রান খরচায় কোনো উইকেট পাননি। আফিফ হোসেন ৩ ওভারে ১১ রান দিয়ে পান একটি উইকেট।

কঠিন চ্যালেঞ্জ পাড়ি দিয়েই জিততে চায় বাংলাদেশ
                                  

ভারত সফরের প্রাক্কালে গেল অক্টোবরে অনেক ঝড় বয়ে গেছে বাংলাদেশের ক্রিকেটে। ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলেন ক্রিকেটাররা। সেই সমস্যার সমাধান হতেই হাজির হয় সাকিব আল হাসানের ইস্যু। ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব গোপন করে দুই বছর নিষিদ্ধ হন এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার। এতসব কিছু পেরিয়ে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বে ভারত সফরে গিয়েছে বাংলাদেশ দল। সাকিব-তামিমের মতো নির্ভরযোগ্য ক্রিকেটার ছাড়াই ভারত সফরের কঠিন চ্যালেঞ্জ পাড়ি দিতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন শক্তিশালী ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের টি-২০ সিরিজের মিশন শুরু হচ্ছে আজ। দিল্লির বায়ু দূষণকে এড়িয়ে মাঠের ক্রিকেটে মনোযোগী এখন টাইগাররা। অরুন জেটলি স্টেডিয়ামে আজ সিরিজের প্রথম টি-২০ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়।

বাংলাদেশের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ বলছেন, এই ম্যাচে বাংলাদেশের হারানোর কিছু নেই। সবকিছু পেছনে ফেলে আজ ২২ গজে জয়ের জন্যই লড়বে টাইগাররা।

যদিও অতীত পরিসংখ্যান বাংলাদেশের জন্য সুখকর নয়। টি-২০ তে দুই দলের ৮ বারের সাক্ষাতে জয় নেই বাংলাদেশের। কয়েকবার বাগে পেয়েও জয় নিশ্চিত করতে পারেনি টাইগাররা।

সাকিব-তামিম না থাকলেও জয়ের জন্য মুখিয়ে বাংলাদেশ। গতকাল ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘ভারত অনেক শক্তিশালী দল। এখানে আমাদের হারানোর কিছু নেই। বরং এখানে অনেক কিছু পাওয়ার আছে। সবকিছু ভুলে আমরা ম্যাচ জয়ের জন্য খেলব, এটাই জানি।’

ভারতের মাটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পেতে ব্যাটসম্যানদের প্রতিই তাকিয়ে আছেন মাহমুদউল্লাহ। উইকেট ভালো থাকবে আশায় ব্যাটসম্যানদের দায়িত্বই বেশি দেখছেন তিনি। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেছেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ব্যাটসম্যানদের দায়িত্বটা বেশি। কারণ বেশিরভাগ সময় ভারতের উইকেটগুলো ভালো থাকে। এখন ভালো ব্যাটিং করে, নিজেদের জায়গা থেকে ভালো খেলে বড়ো একটা টার্গেট দিতে পারলেই হয়। আর বোলিংয়ের কথা বললে, আমি ব্যক্তিগতভাবে আমাদের পেস আক্রমণ নিয়ে সন্তুষ্ট। আশা করি তারাও ভালো করতে পারবে।’আজ ম্যাচের দিন উইকেট দেখেই একাদশ চূড়ান্ত করবে বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘আমি এখনো উইকেট দেখিনি। এখনো বেশ সময় আছে। ম্যাচের দিন উইকেট দেখে ঠিক করব। যদি ঘাস থাকে তাহলে তিন পেসার খেলাব, যদি স্পিনারদের জন্য সহায়তা থাকে, তাহলে বাড়তি স্পিনার খেলাব। আমাদের সব প্রস্তুতিই রয়েছে।’

ওয়ার্নার দাপটে হোয়াইটওয়াশড শ্রীলঙ্কা
                                  

পুরো সিরিজে ডেভিড ওয়ার্নারকে একবারও আউট করতে পারলেন না লঙ্কান বোলাররা। টানা তৃতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে দাপট দেখালেন অস্ট্রেলিয়ান এই ওপেনার। অন্যদিকে, ব্যাটিং কিংবা বোলিং কোনো বিভাগেই ভালো করতে পারল না শ্রীলঙ্কা। ফলাফল, শেষ ম্যাচেও বড় ব্যবধানে হেরে হোয়াইটওয়াশড হলো সফরকারীরা। মেলবোর্নে শুক্রবার সিরিজের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। কুসাল পেরেরার ফিফটিতে প্রথমে ব্যাট করে ১৪২ রান করে সফরকারীরা। জবাবে ওয়ার্নারের অপরাজিত ফিফটিতে ১৪ বল হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা। রান তাড়ায় উদ্বোধনী জুটিতে ভিত গড়ে দেন ওয়ার্নার ও ফিঞ্চ।

জুটিটি অবশ্য ভাঙতে পারত আগেই। মালিঙ্গার ব্যর্থতায় ব্যক্তিগত ১২ রানে জীবন পান ওয়ার্নার। পরের ওভারে ১৫ রানে থাকা ফিঞ্চের ক্যাচ ছাড়েন ওশাদা ফার্নান্দো। এক চার ও তিন ছক্কায় ৩৭ রান করা ফিঞ্চকে ফেরান লাহিরু কুমারা, ভাঙে ৬৯ রানের জুটি। উইকেটে এসেই বোলারদের ওপর চড়াও হন স্টিভ স্মিথ। তবে ইনিংস লম্বা করতে পারেননি, ১৩ রান করে নুয়ান প্রদিপের বলে ধরা পড়েন লাকশান সান্দাক্যানের হাতে। গ্লেন ম্যাক্সওয়েল সরে দাঁড়ানোয় একাদশে আসা বেন ম্যাকডারমটকে টিকতে দেননি মালিঙ্গা। অবশ্য রিপ্লেতে দেখা যায়, রিভিউ নিলে বেঁচে যেতেন তরুণ ব্যাটসম্যান। অ্যাশন টার্নারকে নিয়ে বাকিটা সহজেই সারেন ওয়ার্নার। চারটি চার ও এক ছক্কায় ৫৭ রান করেন বাঁহাতি ওপেনার। প্রথম ম্যাচে ১০০ রান করা ওয়ার্নার দ্বিতীয় ম্যাচে খেলেছিলেন ৬০ রানের ইনিংস।

সিরিজে ২১৭ রান করে হয়েছেন সিরিজ সেরা। টস হেরে ব্যাট করতে নামা লঙ্কানরা শুরুতেই বড় ধাক্কা খায়। ইনিংসের প্রথম ওভারে নিরোশান ডিকভেলাকে বিদায় করেন ছুটি কাটিয়ে ফেরা মিচেল স্টার্ক। আরেক ওপেনার কুসাল মেন্ডিসকে তুলে নেন কেন রিচার্ডসন। তৃতীয় উইকেটে আভিস্কা ফার্নান্দোকে নিয়ে ৪৩ রানের জুটি গড়েন পেরেরা। ৪টি চার ও একটি ছক্কায় ৩৮ বলে ফিফটি তুলে নেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। সিরিজে কোনো লঙ্কান ব্যাটসম্যানের এটাই একমাত্র ফিফটি। শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে ঝড় তুলতে পারেননি কেউই। ভানুকা রাজাপাকসের ১০ বলে ১৭ রানের ক্যামিওতে সিরিজে নিজেদের সর্বোচ্চ স্কোর পায় সফরকারীরা। সিডনিতে রোববার শুরু হবে পাকিস্তানের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।


সংক্ষিপ্ত স্কোর:
শ্রীলঙ্কা: ২০ ওভারে ১৪২/৬ (কুসল মেন্ডিস ১৩, ডিকভেলা ০, কুসল পেরেরা ৫৭, আভিস্কা ফার্নান্দো ৩০, ওশাদা ৬, জয়সুরিয়া ১২, রাজাপাকসে ১৭*, মালিঙ্গা ৮*; স্টার্ক ৪-০-৩২-২, রিচার্ডসন ৪-০-২৫-২, কামিন্স ৪-০-২৩-২, অ্যাগার ৪-০-২৪-০, জ্যাম্পা ৪-০-৩০-০)
অস্ট্রেলিয়া: ১৭.৪ ওভারে ১৪৫/৩ (ফিঞ্চ ৩৭, ওয়ার্নার ৫৭*, স্মিথ ১৩, ম্যাকডারমট ৫, টার্নার ২২*; মালিঙ্গা ৪-০-২২-১, কুমারা ৪-০-৪৯-১, প্রদিপ ৩.৪-০-২০-১, জয়সুরিয়া ২-০-২৪-০, সান্দাক্যান ৪-০-২৫-০)
ফল: অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে জয়ী
ম্যান অব দা ম্যাচ: ডেভিড ওয়ার্নার
ম্যান অব দা সিরিজ: ডেভিড ওয়ার্নার

 

পুরনো রূপে মেসিকে ফিরে পেল বার্সেলোনা
                                  

 লিওনেল মেসির অসাধারণ নৈপুন্যে রিয়াল ভায়োদোলিদকে মঙ্গলবার লা লিগায় ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বার্সেলোনা। এ যেন পুরনো মেসিকেই ফিরে পাওয়া, একইসাথে নিজেকে শতভাগ ফিট প্রমান করে আরো একবার জানান দেয়া কেন তিনি বিশ্ব সেরা। ক্যাম্প ন্যুতে স্বাগতিক প্রায় ৬০ হাজার দর্শক আরো একবার তাদের প্রিয় আর্জেন্টাইন তারকার ট্রেডমার্ক ফ্রি-কিকের গোল উপভোগ করেছে। এর আগে আরতুরো ভিদালকে দিয়ে দলের পক্ষে দ্বিতীয় গোলটি করেছেন। ৭৫ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করার পর সতীর্থ লুইস সুয়ারেজের গোলেরও যোগান দিয়েছেন। মোট কথা কালকের রাতটি ছিল পুরোটাই মেসিময়।

পুরো ম্যাচে দুটি গোল ও দুটি এসিস্ট ছাড়াও অল-রাউন্ড পারফরমেন্সে নিজেকে শতভাগ ফিট প্রমানে এতটুকু ছাড় দেননি মেসি। ম্যাচ শেষে বার্সা কোচ আর্নেস্টো ভালভার্দে বলেছেন, ‘আমি জানি না এই মুহূর্তে আমার কি বলার আছে।’ ভায়াদোলিদের মিডফিল্ডার মাইকেল বলেছেন, ‘তার পা থেকে যেন প্রতিদিনই যাদু বেড়িয়ে আসে। এটা শুধুমাত্র উপভোগের বিষয়, আর দিনশেষে প্রশংসার বিষয়।’ ম্যাচের দুই মিনিটের মধ্যেই ক্লেমেন্ট ল্যাঙ্গেল্টের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল বার্সেলোনা। কিন্তু ১৫ মিনিটে মার্ক-আন্দ্রে টার স্টেগানের ছোট একটি ভুলে কিকো অলিভাস ভায়াদোলিদকে সমতায় ফেরান। কিন্তু এই ১৫ মিনিট যেন মেসি নিজেকে ধীরে ধীরে প্রস্তুত করে তুলছিলেন। এই জয়ে ১০ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগা টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে বার্সেলোনা। দুই ঘন্টা আগে এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ আলাভেসের সাথে ১-১ গোলে ড্র করায় বার্সেলোনার সাথে সমতায় ফিরতে পারেনি। তাদের সংগ্রহে এখন রয়েছে ২০ পয়েন্ট। সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ভালভার্দের দল এই নিয়ে টানা সাতটি ম্যাচে জয় তুলে নিল। গত ২৪ সেপ্টেম্বর ভিয়ারেলের বিপক্ষে জয় দিয়ে এই যাত্রা শুরু হয়েছিল। ঐ ম্যাচেই ইনজুরি কাটিয়ে মৌসুমের প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন মেসি। এর আগে মাসের শুরুতে তিনি স্বীকার করেছিলেন ইনজুরি থেকে নিজেকে পুনরায় ফিট প্রমান করাটা কিছুটা সময়ের ব্যপার। যদিও মাঠে ফিরে তিনি সেভিয়া, এইবার ও স্লাভিয়া প্রাগের বিপক্ষে গোলও পেয়েছেন।

কিন্তু কালকের ম্যাচের পারফরমেন্স সবদিক থেকেই একটি বার্তা সকলের কাছে পৌঁছে দিয়েছে মেসি এখনো সেরা। তবে ভালভার্দে বিশ্বাস করেন এখনো মেসির অনেক কিছুই দেয়ার বাকি আছে। বার্সা কোচ বলেছেন, ‘এখনো সে পূর্ণ ফিটনেস ফিরে আসার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিদিনই তার উন্নতি হচ্ছে।’ এল ক্লাসিকো স্থগিত হওয়ায় বার্সা ও রিয়াল মাদ্রিদ গত সপ্তাহটা পুরোটাই বিশ্রাম পেয়েছিল। এর এটাই ভায়াদোলিদের জন্য দূর্ভাগ্য বয়ে নিয়ে আসে। একেবারে সতেজ হয়ে খেলতে নেমে বার্সেলোনা কোন প্রকার ছাড় দেয়নি। ৩৪ মিনিটে মেসির কার্লিং ফ্রি-কিকে ভায়াদোলিদের দূর্ভাগ্যের শুরু। এই ফ্রি-কিকে ভায়াদোলিদ গোলরক্ষক জোর্দি মাসিপের কিছুই করার ছিলনা। এর আগে ২৯ মিনিটে আরটুরো ভিডালকে দিয়ে বার্সেলোনাকে পুনরায় এগিয়ে দিয়েছিলেন মেসি। বিরতির পর আঁতোয়া গ্রিজম্যানের পরিবর্তে মাঠে নামেন আনসু ফাতি।

১৭ বছরে পা দেবার আগে এটাই তার শেষ ম্যাচ ছিল। ৭৫ থেকে ৭৭ মিনিটের মধ্যে মেসি নিজে এক গোল করার পাশাপাশি সুয়ারেজকে দিয়ে করিয়েছেন এক গোল। এই নিয়ে মৌসুমের অষ্টম গোল করলেন সুয়ারেজ। ইনজুরি টাইমে সম্ভবত ম্যাচের প্রথম ভুলে হ্যাটট্রিক পাওয়া হয়নি আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের। তবে দলকে বড় জয় উপহার দিয়ে স্বাগতিক সমর্থকদের ঠিকই আনন্দে ভাসিয়েছেন।

 

এমসিসি থেকে সরে দাঁড়ালেন সাকিব
                                  

 মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) ক্রিকেট কমিটি থেকে সরে দাঁড়ালেন বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-২০ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। এক বিবৃতিতে এ খবর নিশ্চিত করেছে এমসিসি। ২০১৭ সালে বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এমসিসি ক্রিকেট কমিটির সদস্য হয়েছিলেন সাকিব। মঙ্গলবার ক্রিকেটের প্রধান সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) সাকিবকে দু’বছরের নিষিদ্ধ করে।

দুর্নীতি দমন ইউনিটের কাছে জুয়াড়িদের ব্যাপারে তথ্য গোপন রাখার অপরাধে আইসিসি শাস্তি দেয় সাকিবকে। তবে নিজের দায় স্বীকার করে নেয়ায় এক বছর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক বছর নিষিদ্ধ হওয়ায় এমসিসি’র পদ থেকে সরে যাবার সিদ্বান্ত নেন সাকিব। এ ব্যাপারে ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান মাইক গ্যাটিং বলেন, ‘সাকিবকে কমিটি থেকে হারানোয় আমরা ব্যথিত।

গত কয়েক বছরে এখানে যথেষ্ট অবদান রেখেছে সে। সাকিবের পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানাই আমরা। সঠিক সিদ্ধান্ত সে নিয়েছে বলে আমরা মনে করি।’ ক্রিকেটের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে প্রস্তাব দেয় এমসিসি। তাদের প্রস্তাবেই ক্রিকেটে নানা পরিবর্তন এসে থাকে। প্রতি বছর দু’বার এই কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২০২০ সালের মার্চে শ্রীলংকায় পরবর্তী সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সাকিব সততার পরিচয় দিয়েছে: অর্থমন্ত্রী
                                  

 অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আইসিসির আইনটি সাকিবের ভালোভাবে জানা ছিল। তারপরও কেন ও এমন করল। সরল ভেবে সাকিব কাজটি করেছে। সাকিবের সার্ভিস এক বছর পাব না, এটা দুঃখজনক।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত ১৯তম অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। অর্থমন্ত্রী বলেন, তারপরও আমি মনে করি সাকিব ভালো কাজটি করেছে। সে তার সততার পরিচয় দিয়েছে। সে সত্যি বলেছে। সে আরও একটি কাজ করতে পারতো, সে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে বা প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি বলতে পারতো। যদিও আইসিসিকে এ বিষয়ে অনুরোধ করলে কতটা লাভ হতো জানি না। তিনি বলেন, আইসিসি এসব বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর। ডিসিপ্লিন কোনোভাবে ব্রেক হোক এটা তারা চায় না। বিশেষ করে ক্রিকেটে ম্যাচ ফিক্সিং আইসিসি পছন্দ করে না, করবেও না। এই খেলা মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু এখানে আইসিসি কাউকে ছাড় দেয় না, ছাড় দেয়ার উদাহরণ নেই। মুস্তফা কামাল বলেন, আইসিসির আইনটি সাকিবের ভালোভাবে জানা ছিল, তারপরও কেন ও এমন করল। সাকিব হয়তো এটা সরলতার কারণে করেছে। কেন করেছে আমি জানি না। আইনটি কিন্তু তার জানা।

আমাদের টিম যখন বাইরে যায় তখন আমরা একটি ওরিয়েন্টেশন কোর্স করি। এতে প্রত্যেকটি খেলায়াড় কী করবে না করবে সব বলে দেয়া হয়। সুতরাং এটা দুর্ভাগ্যবশত। তিনি আরও বলেন, সাকিবের সার্ভিসটা এক বছর পাবো না। আমাদের দেশ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ওর একটা রিপ্লেসমেন্ট সম্ভব নয়। এ শাস্তিটা কি কমানোর সুযোগ রয়েছে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, কোনো ক্ষেত্রে আইসিসি এ ধরনের শাস্তি কমায়নি। ওরা তো বলে দিয়েছে, যদি সাকিব আইসিসিকে ভালোভাবে সহযোগিতা করে তাহালে এক বছর পর থেকে খেলতে পারবে। উল্লেখ্য, ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পাওয়ার পর তা গোপন করায় সাকিব আল হাসানকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি, যার মধ্যে এক বছরের শাস্তি দোষ স্বীকার করায় স্থগিত থাকবে। গত মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সাকিবের এই শাস্তির ঘোষণা দেয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা।

অপরাধ এবং শাস্তি দুটোই মেনে নেয়ায় শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকছে না সাকিবের। এই শাস্তির ফলে ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্রিকেটে মাঠে নামতে পারবেন না বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। তার মানে, আগামি বছরের অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন না সাকিব।

 

একই লিগে মেসির সঙ্গে খেলে উন্নতি হয়েছে রোনালদোর
                                  

দীর্ঘ নয় বছর লিওনেল মেসির সঙ্গে লা লিগায় খেলে নিজের খেলার অনেক উন্নতি হয়েছে বলে মনে করেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। নিজেদের দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফুটবলার হিসেবে দুজনকেই সমৃদ্ধ করেছে বলে মত ইউভেন্তুসের পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডের। রিয়ালে নয় বছরের ক্যারিয়ারে চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও দুটি লা লিগাসহ অনেক শিরোপা জিতেছেন রোনালদো। সব প্রতিযোগিতা মিলে ক্লাবটির হয়ে করেছেন রেকর্ড ৪৫০ গোল। বার্সেলোনার হয়ে চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও রেকর্ড ১০টি লা লিগা জয়ী মেসিও এ সময়ে গড়েছেন অনেক রেকর্ড। একই লিগে দুজনের দ্বৈরথ দেখাটা ফুটবলপ্রেমীদের জন্য ছিল রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।

নিজেদের মধ্যে লড়াইটা উপভোগ করেছেন সময়ের সেরা দুই তারকাও। কিছুদিন আগে এক রেডিও সাক্ষাৎকারে মেসি বলেন, রোনালদো স্পেনে থাকলে খুশি হতেন তিনি। ফ্রান্স ফুটবলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এবার পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড জানালেন, মাদ্রিদে থাকতে মেসির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতাটা অনেক বেশি অনুভব করতেন তিনি। "অনেকেই বলতো যে আমরা একজন আরেক জনকে অনুপ্রাণিত করি। স্পেনে একসাথে খেলাটা আমাদেরকে দুজনকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। এটা সত্যিৃআমাদের মধ্যে ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। আমরা দুজন নিজেদের ক্লাবের প্রতীক ছিলাম। সে সম্ভবত সম্প্রতি বলেছে যে, প্রতিযোগিতামূলক পর্যায়ে সে আমার অভাব বোধ করে।"


   Page 1 of 181
     খেলাধূলা
প্রথম টেস্ট শুরু আজ : জয়ের ভাবনায় বাংলাদেশ
.............................................................................................
ভারতের বিপক্ষে ভালো করা সম্ভব : মুমিনুল
.............................................................................................
এবার ওয়ানডে র‌্যাংকিং থেকেও বাদ সাকিব!
.............................................................................................
ইউভেন্তুসের নায়ক আবারও দিবালা
.............................................................................................
রুবেলের ৭ উইকেট ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে
.............................................................................................
ভারতকে হারিয়ে টি-২০ শিরোপাজয়ের স্বপ্ন, পরাজয় নিয়ে ভঙ্গ
.............................................................................................
বাদ পড়লেন মোস্তাফিজ-মোসাদ্দেক, দলে মিথুন-রনি
.............................................................................................
‘ইতিহাসের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ’ উদ্বোধন হবে বিপিএলে
.............................................................................................
মরিয়া হয়ে আছে ভারত, অধীর অপেক্ষায় বাংলাদেশ
.............................................................................................
ভারতের মাটিতেই টাইগারদের ইতিহাস গড়া জয়
.............................................................................................
কঠিন চ্যালেঞ্জ পাড়ি দিয়েই জিততে চায় বাংলাদেশ
.............................................................................................
ওয়ার্নার দাপটে হোয়াইটওয়াশড শ্রীলঙ্কা
.............................................................................................
পুরনো রূপে মেসিকে ফিরে পেল বার্সেলোনা
.............................................................................................
এমসিসি থেকে সরে দাঁড়ালেন সাকিব
.............................................................................................
সাকিব সততার পরিচয় দিয়েছে: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
একই লিগে মেসির সঙ্গে খেলে উন্নতি হয়েছে রোনালদোর
.............................................................................................
আশরাফুলের দেড়শ ম্যাড়মেড়ে ম্যাচে
.............................................................................................
আইসিসির নিষেধাজ্ঞা: এক বছর মাঠে নামতে পারবেন না সাকিব
.............................................................................................
সাকিব নিষিদ্ধ হতে পারেন ১৮ মাসের জন্য
.............................................................................................
মুশফিক ছাড়ছেন কিপিং
.............................................................................................
স্বর্ণ পদকপ্রাপ্ত শীলাসহ ৩ কৃতি খেলোয়াড়কে ফ্ল্যাট উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
সংবাদ সম্মেলনে দাবি বাড়ালেন ক্রিকেটাররা
.............................................................................................
না খেললে, না খেলবে ক্রিকেটাররা: বিসিবি সভাপতি
.............................................................................................
“দেশের ক্রিকেটকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত”
.............................................................................................
ক্রিকেটারদের কার বেতন কত?
.............................................................................................
১১ দফা দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দিলেন ক্রিকেটাররা
.............................................................................................
বিশ্বকাপে প্রমাণ করতে হবে,আমরা অনেক বেশি উপযুক্ত : সাকিব
.............................................................................................
নেইমার ও এমবাপে ভবিষ্যতের ব্যালন ডি’অর জয়ী
.............................................................................................
বাংলাদেশে মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসর
.............................................................................................
মেসি `ঢাকায় প্যারাগুয়ে ম্যাচ` দিয়ে ফিরবেন
.............................................................................................
মাহমুদউল্লাহ বোলিংয়ের সাফল্যে তৃপ্ত
.............................................................................................
খুলনা-রংপুর ম্যাচ ড্র
.............................................................................................
সেনেগালের পর নাইজেরিয়া রুখে দিল ব্রাজিলকে
.............................................................................................
সাইফের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের সিরিজ জয়
.............................................................................................
শনিবার থেকে প্রথম বিভাগ টি-টোয়েন্টি
.............................................................................................
দ্বিতীয় সুযোগ কাজে লাগাতে পেরেছেন সাকিব আল হাসানরা
.............................................................................................
ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে নির্বাচকের হুঁশিয়ারি
.............................................................................................
পাকিস্তানকে ৬৪ রানে হারাল শ্রীলঙ্কা
.............................................................................................
বায়ার্নের কাছে ৭-২ গোলে বিধ্বস্ত টটেনহ্যাম
.............................................................................................
‘দ্য হান্ড্রেডে’ সাকিব ক্রিকেটের নতুন সংস্করণ
.............................................................................................
আট জাঁতি এশিয়া ইমার্জিং কাপ হবে বাংলাদেশে
.............................................................................................
বিশ্বরেকর্ডই গড়লেন নেপালের খাড়কা
.............................................................................................
বিসিবি নিরাপত্তা পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে পাকিস্তানে
.............................................................................................
বাংলাদেশের লক্ষ্য র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি ও আত্মবিশ্বাস অর্জন
.............................................................................................
সিপিএল অভিষেকে জ্বলতে পারলেন না লিটন
.............................................................................................
ভুটানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ
.............................................................................................
সিপিএলে বড় জয় সাকিবের দলের
.............................................................................................
বৃষ্টি’র কারনে করাচিতে ভেসে গেল ওয়ানডে ফেরার ম্যাচ
.............................................................................................
ঘরের মাঠে ২২ ম্যাচ পর পিএসজি হার
.............................................................................................
জয় পেলেও অতৃপ্ত সাকিব-রশিদ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]