| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সরবরাহ বাড়লেও কমছে না ইলিশের দাম

ভরা মৌসুমে পদ্মা-মেঘনায় ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ, প্রতিনিয়তই বাড়ছে সরবরাহ। এ মৌসুমে শুরু থেকেই বাজারে ছোট ইলিশের চেয়ে বড় ইলিশ ছিল চোখে পড়ার মতো। মৎস্য অধিদফতর বলছে, গত বছরের তুলনায় এবার বড় ইলিশের সরবরাহ বেড়েছে ২০ শতাংশ বেশি। ভরা মৌসুমে ইলিশের কমতি নেই রাজধানীর বাজারগুলোতেও। তবে, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম এখনও সব ক্রেতার নাগালে আসেনি। বাড়তি দাম সব ধরনের বড় ইলিশে।

সাশ্রয়ী না হওয়ায় এর স্বাদ নিতে পারছেন না অনেকেই। তবে, সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কিছুটা নিম্নমুখী ছোট ইলিশের বাজারে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। কারওয়ান বাজারে আড়াই থেকে তিন কেজি ওজনের ইলিশ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০০ থেকে ৩০০০ টাকায়। এগুলো গত সপ্তাহে ২৬০০ থেকে ২৮০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। একইভাবে, কেজিতে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে দুই থেকে দুই কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম। এসব ইলিশ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০০ থেকে ১৮০০ টাকা কেজি দরে। দেড় থেকে এক কেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকা। এক কেজি থেকে এক কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি। এ বাজারে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি দরে, ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি।

৬০০ গ্রামের প্রতি হালি ইলিশ বিক্রি করতে দেখা গেছে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকায়। প্রতি তিন পিসে কেজি এমন ইলিশ প্রতিকেজি সাড়ে ৪০০ টাকা, চার পিসে কেজি এমন ইলিশের কেজি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। মনিরুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা বলেন, বাজারে শুধু ছোট ইলিশের দাম কমেছে, বড় মাছে এখনও বাড়তি। দাম সবার সাধ্যের মধ্যে নেই। ইলিশের ভরা মৌসুমে দাম আরও কম হওয়া উচিত। কারওয়ান বাজারের ব্রাদার্স মৎস্য ভা-ারের ইলিশ বিক্রেতা কেএম ওলিউল্লাহ বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমায় বড় ইলিশের দাম বেড়েছে। তবে, ছোট ইলিশের চাহিদা কমেছে। অনেকেরই ছোট ইলিশ এক দিনে বিক্রি হয় না, পরের দিন বিক্রি করতে হয়, তখন কম দামেই ছেড়ে দেয়। বড় ইলিশের সরবরাহ বাড়লে দাম কমে যাবে বলে জানান তিনি। ছোট ইলিশের মতো নিম্নমুখী দাম অন্য মাছেরও। পাইকারি এ বাজারে চাপিলা প্রতি পাল্লা (৫ কেজি) ৭০০ থেকে ৮৫০ টাকা, কাঁচকি প্রতি পাল্লা ৯০০ থেকে ১০০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

প্রতিকেজি রুপচাঁদা ৭০০ থেকে ৮৬০ টাকা, আকার ভেদে রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা, মিরকা ১৬০ থেকে ২৫০ টাকা, বাইলা মাছ ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি, চিংড়ি (হরিনা) ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা, গলদা ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, বাগদা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি। প্রতিকেজি তেলাপিয়া ১০০ থেকে ১৩০ টাকা, টাকি ১০০ থেকে ১৮০ টাকা, পাঙাশ ১০০ থেকে ১২০ টাকা, শিং মাছ ২০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

সরবরাহ বাড়লেও কমছে না ইলিশের দাম
                                  

ভরা মৌসুমে পদ্মা-মেঘনায় ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ, প্রতিনিয়তই বাড়ছে সরবরাহ। এ মৌসুমে শুরু থেকেই বাজারে ছোট ইলিশের চেয়ে বড় ইলিশ ছিল চোখে পড়ার মতো। মৎস্য অধিদফতর বলছে, গত বছরের তুলনায় এবার বড় ইলিশের সরবরাহ বেড়েছে ২০ শতাংশ বেশি। ভরা মৌসুমে ইলিশের কমতি নেই রাজধানীর বাজারগুলোতেও। তবে, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম এখনও সব ক্রেতার নাগালে আসেনি। বাড়তি দাম সব ধরনের বড় ইলিশে।

সাশ্রয়ী না হওয়ায় এর স্বাদ নিতে পারছেন না অনেকেই। তবে, সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কিছুটা নিম্নমুখী ছোট ইলিশের বাজারে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। কারওয়ান বাজারে আড়াই থেকে তিন কেজি ওজনের ইলিশ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০০ থেকে ৩০০০ টাকায়। এগুলো গত সপ্তাহে ২৬০০ থেকে ২৮০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। একইভাবে, কেজিতে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে দুই থেকে দুই কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম। এসব ইলিশ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০০ থেকে ১৮০০ টাকা কেজি দরে। দেড় থেকে এক কেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকা। এক কেজি থেকে এক কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি। এ বাজারে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি দরে, ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি।

৬০০ গ্রামের প্রতি হালি ইলিশ বিক্রি করতে দেখা গেছে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকায়। প্রতি তিন পিসে কেজি এমন ইলিশ প্রতিকেজি সাড়ে ৪০০ টাকা, চার পিসে কেজি এমন ইলিশের কেজি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। মনিরুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা বলেন, বাজারে শুধু ছোট ইলিশের দাম কমেছে, বড় মাছে এখনও বাড়তি। দাম সবার সাধ্যের মধ্যে নেই। ইলিশের ভরা মৌসুমে দাম আরও কম হওয়া উচিত। কারওয়ান বাজারের ব্রাদার্স মৎস্য ভা-ারের ইলিশ বিক্রেতা কেএম ওলিউল্লাহ বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমায় বড় ইলিশের দাম বেড়েছে। তবে, ছোট ইলিশের চাহিদা কমেছে। অনেকেরই ছোট ইলিশ এক দিনে বিক্রি হয় না, পরের দিন বিক্রি করতে হয়, তখন কম দামেই ছেড়ে দেয়। বড় ইলিশের সরবরাহ বাড়লে দাম কমে যাবে বলে জানান তিনি। ছোট ইলিশের মতো নিম্নমুখী দাম অন্য মাছেরও। পাইকারি এ বাজারে চাপিলা প্রতি পাল্লা (৫ কেজি) ৭০০ থেকে ৮৫০ টাকা, কাঁচকি প্রতি পাল্লা ৯০০ থেকে ১০০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

প্রতিকেজি রুপচাঁদা ৭০০ থেকে ৮৬০ টাকা, আকার ভেদে রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা, মিরকা ১৬০ থেকে ২৫০ টাকা, বাইলা মাছ ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি, চিংড়ি (হরিনা) ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা, গলদা ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, বাগদা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি। প্রতিকেজি তেলাপিয়া ১০০ থেকে ১৩০ টাকা, টাকি ১০০ থেকে ১৮০ টাকা, পাঙাশ ১০০ থেকে ১২০ টাকা, শিং মাছ ২০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে দক্ষিণের আরো ভূমিকায় চায় বাংলাদেশ
                                  

আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক কাঠামোতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় দক্ষিণের দেশগুলোর ভূমিকার গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ‘জাতিসংঘের দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা দিবস’ (বুয়েনস আইরেস প্ল্যান অব অ্যাকশন গ্রহণের ৪১তম বার্ষিকী) উদযাপন অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা উল্লেখ করেন। গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়েছে।

স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিমন্ডলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অবশ্যই দক্ষিণকে কেন্দ্রীয়ভাবে আরও বেশী ভূমিকা রাখার সুযোগ দিতে হবে। দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা জোরদার করার জন্য বৈশ্বিক আর্থিক ও অর্থনৈতিক প্রশাসন কাঠামোর একটি মৌলিক পরিবর্তন শুরু হওয়া দরকার। দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা কাঠামোকে সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বক্তব্যে প্রতিশ্রুত ওডিএ প্রদান, নতুন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ব্যাংকগুলির আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি হস্তান্তর ত্বরান্বিত করা, ডব্লিউটিও’র অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য বিধিমালার বাস্তবায়ন এবং জাতিসংঘের উন্নয়ন ব্যবস্থাপনার অধীনে সহায়তা প্রদানের মতো বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

এবছরের মার্চে আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসে অনুষ্ঠিত বাপা+ ৪০ সম্মেলনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন দক্ষিণের দেশগুলোর জন্য মন্ত্রী পর্যায়ের একটি ফোরাম প্রতিষ্ঠার যে প্রস্তাব দেন তার পুনরুল্লেখ করেন স্থায়ী প্রতিনিধি। রাষ্ট্রদূত মাসুদ ‘জ্ঞান ও উদ্ভাবন বিষয়ক দক্ষিণ-দক্ষিণ কেন্দ্র’ -এর বিষয়টিও উল্লেখ করেন, যা বাংলাদেশে স্থাপিত হতে যাচ্ছে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা বিষয়ক উচ্চ-পর্যায়ের কমিটির সভাপতি অ্যাডোনিয়া আয়েবার, ইউএনডিপির প্রশাসক আখিম স্টেইনার এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা বিষয়ক মহাসচিবের দূত জর্জ চেডিয়েক অনুষ্ঠানটিতে বক্তব্য রাখেন।

 

এডিবি ২০২০-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তা দেবে
                                  

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) ২০২০-২০২২ অর্থবছরে বাংলাদেশকে দেশের দ্রুত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য পাঁচ বিলিয়ন ডলারের উন্নয়ন সহায়তা দেয়ার কথা জানিয়েছে। বাংলাদেশে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ গত ১১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর পার্লামেন্ট অফিসে সাক্ষাৎ করেন এবং তাকে বাংলাদেশের জন্য এডিবি’র উন্নয়ন কর্মসূচি বৃদ্ধির কথা জানান। গতকাল শুক্রবার এডিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাক্ষাতকালে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মি. প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে ২০২০-২০২২ সালের জন্য এডিবির নতুন কান্ট্রি অপারেশন্স বিজনেস প্ল্যান (সিওবিপি) হস্তান্তর করেন।

এতে ফার্ম প্রকল্পের জন্য প্রায় পাঁচ বিলিয়ন ডলারের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা বলা হয়েছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এডিবির সহায়তা কর্মসূচিকে স্বাগত জানান এবং অবকাঠামো ও মানব সম্পদ উন্নয়ন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা, গ্রামীণ ও কৃষি উন্নয়ন এবং বেসরকারি সেক্টরের উন্নয়নে তাঁর সরকারের অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো তুলে ধরেন। এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর বলিষ্ঠ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে বলেন, নতুন সিওবিপি সরকারের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এবং সমৃদ্ধি অর্জনের অন্যতম পথ। এডিবির এই সহায়তা অবকাঠামো ও সামাজিক খাতে বণ্টন করা হবে। বরাদ্দের প্রায় ৫৪ শতাংশ মানব সম্পদের আরো উন্নয়ন, পল্লী সেবা, পানি সরবরাহ ও সেনিটেশন কার্যক্রম জোরদার, সড়ক, রেল ও বন্দর সংযোগ বৃদ্ধি, গ্রামীণ উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের সামর্থ্য ও মান বৃদ্ধির কাজে ব্যবহৃত হবে।

বড় প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা-সিলেট সড়ক, জয়দেবপুর-এলেঙ্গা-রংপুর-বুড়িমারী-বাংলাবান্ধা সড়ক, ফরিদপুর-বরিশাল সড়ক, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের ডুয়েলগেজকরণ, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল লাইন, ঢাকা এমআরটি লাইন ৫ (গাবতলী-পান্থপথ-আফতাবনগর), কর্মসংস্থান প্রকল্পের জন্য দক্ষতা, কম্পিউটার এ- সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং টার্শিয়ারী এডুকেশন প্রকল্প, ঢাকা সুয়ারেজ সিস্টেম এ- ওয়াটার সাপ্লাই প্রকল্প এবং খুলনা সুয়ারেজ সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্ট্যানবাই অবস্থায় পাইপলাইনে রয়েছে আরো ৪.৯ বিলিয়ন ডলারের কতিপয় পকল্প সহায়তার অর্থ।

বাধা কাটলে সিআইএসভুক্ত দেশগুলোতে রপ্তানি বাড়বে: বাণিজ্যমন্ত্রী
                                  

 কমনওয়েলথ অব ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টেটসভুক্ত (সিআইএস) দেশগুলোর সঙ্গে বাধা দূর হলে রপ্তানি কয়েকগুণ বাড়বে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিতে পৃথিবীর মধ্যে দ্বিতীয় স্থান দখল করে আছে। বিশ্ববাজারে দিনদিন তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়ছে। বাংলাদেশের কারখানাগুলোতে নিরাপদ ও কর্মবান্ধব পরিবেশে শ্রমিকরা কাজ করছে। দেশে একের পর এক গ্রিন ফ্যাক্টরি গড়ে উঠছে। বাংলাদেশ উজবেকিস্তানসহ সিআইএসভুক্ত দেশ-আজারবাইজান, বেলারুশ, কাজাখাস্তান, কিরগিজিস্তান, আর্মেনিয়া, মলদোভা, রাশিয়া এবং তাজিকিস্তান দেশগুলো বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

গতকাল বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দে গত মঙ্গলবার দেশটির টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত উজবেকিস্তান টেক্সটাইল কনফারেন্স ও ৫ দিনব্যাপী গ্লোবাল টেক্সটাইল ডে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইলিয়রগানিয়েভ, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত, আইএলও, আইএফসি প্রতিনিধিরা। আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে কনফারেন্সের মূল প্রতিপাদ্য উপস্থাপনায় তৈরি পোশাক খাতের বিশ্ববাণিজ্য পরিস্থিতির হাল নাগাদ চিত্র তুলে ধরেন ও বাংলাদেশের ভূমিকা গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উজবেকিস্তানে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং ফার্মাসিউটিক্যালস ইত্যাদি প্রচুর চাহিদা রয়েছে। কিছু জটিলতার কারণে প্রত্যাশা মোতাবেক পণ্য উজবেকিস্তানে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি হচ্ছে না। জটিলতা নিরসনে উজবেকিস্তানের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ। সিআইএসভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্যে গত মে মাসে ইউরেশিয়ান ইকনোমিক কমিশনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এর আগে সোমবার উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইলিয়রগানিয়েভের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সভা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, উজবেকিস্তান বাংলাদেশের ঘনিষ্ট বন্ধুরাষ্ট্র। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে স্থাপতি স্পেশাল ইকনোমিক জোনে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক দেশ বাংলাদেশের স্পেশাল ইকনোমিক জোনে বিনিয়োগ শুরু করেছে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিকখাতের দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববাণিজ্যে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইলিয়রগানিয়েভ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর কথা বলেন। তিনি বাংলাদেশ থেকে তৈরি করা পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং ফার্মাসিউটিক্যালস ইত্যাদি আমদানি বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্য এবং উজবেকিস্তান সরকারের বিনিয়োগ ও পররাষ্ট্র বিষয়ক উপমন্ত্রী এবং কৃষি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী। পরে বাণিজ্যমন্ত্রী উজবেকিস্তনের চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ফোরামের রাউন্ড টেবিল বৈঠকে যোগ দেন। এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের তৈরি করা পোশাক ছাড়াও পর্যটন, যৌথ বিনিয়োগ, ঢাকা-তাসখন্দ সরাসরি ফ্লাইট চালু এবং বাংলাদেশের স্পেশাল ইকনোমিক জোনে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বাণিজ্যমন্ত্রী উজবেকিস্তান সরকারের ও বাণিজ্য প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান। সভায় বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ও উজবেকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের ব্যবসা বাণিজ্য, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

উজবেকিস্তানের পক্ষ থেকে চেম্বারের সভাপতি আধামইকরামভ ছাড়াও বিনিয়োগ ও পররাষ্ট্র বিষয়ক উপমন্ত্রী লাজিজ কুদরাতভ ও উজবেকিস্তানের ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক সারদোরকারিয়েভ বক্তব্য রাখেন। আলোচনায় দু’দেশের মধ্যে ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। গত ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশ উজবেকিস্তানে রপ্তানি করেছে ২৯ দশমিক ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য, একই সময়ে আমদানি করা হয়েছে ১৯৩ দশমিক ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা ও বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে।

 

ভরিতে স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমলো
                                  

অবশেষে ভরিতে স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ফলে আগামীকাল বুধবার থেকে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ৫৬ হাজার ৮৬২ টাকায় বিক্রি হবে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত একই মানের স্বর্ণ প্রতি ভরি বিক্রি হয়েছে ৫৮ হাজার ২৮ টাকায়।

বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও গত আগস্ট মাসেই পরপর চারবার স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিলেন জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ৫৬ হাজার ৮৬২ টাকা। এই মানের স্বর্ণ প্রতি গ্রাম বিক্রি হবে ৪ হাজার ৮৭৫ টাকা করে। প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট দাম পড়বে ৫৪ হাজার ৪১৭ টাকা। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ভরি ৪৯ হাজার ৫১৩ টাকা। প্রতি ভরি সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ হাজার ১৬০ টাকা।

এ ছাড়া প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট রুপার (ক্যাডমিয়াম) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৩৩ টাকা। তবে ২৩ ক্যারেট প্লাটিনাম আগের দাম অর্থাৎ প্রতি ভরি বিক্রি হবে ৬৫ হাজার ২৬ টাকায়।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখনও ভালো মানের স্বর্ণ ভরিতে ১ হাজার ১৬৬ টাকা বাড়ানো হয়েছিল।  এরও আগে ১৮ আগস্ট  সব ধরনের স্বর্ণের দর ভরিতে ১ হাজার ১৬৬ টাকা করে বাড়ানো হয়। তার আগে গত ৮ আগস্ট প্রতি ভরিতে এক হাজার ১৬৬ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

শেয়ার কেনা-বেচার কার্যক্রম সরাসরি দেখতে চায় বিএসইসি
                                  

পুঁজিবাজার উত্থান-পতনে বিভিন্ন ব্রোকার হাউসের ভূমিকা নিরূপণে লেনদেন চলাকালীন (রিয়েল টাইমে) প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত কার্যক্রম দেখতে চায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ- এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। চলতি বছর সূচকের অব্যাহত পতনের পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি। এজন্য লেনদেন সংক্রান্ত সফটওয়্যারের সর্বশেষ প্রযুক্তির মডিউল বিএসইসিতে সরবরাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) জানিয়েছে কমিশন।


চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারির পর থেকে টানা দরপতন হয় পুঁজিবাজারে। গত ২২ জুলাই ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচকটি সাড়ে ১৬ শতাংশ হারিয়ে ৪ হাজার ৯৬৬ পয়েন্টে নেমে আসে। এরপর পরবর্তী এক মাস কিছুটা স্থিতিশীলতা থাকার পর গত ২৫ আগস্ট থেকে আবারও পতন ধারা দেখা দেয় পুঁজিবাজারে। দুইদিন আগে এ সূচকটি নেমে আসে ৪ হাজার ৯৮৬ পয়েন্টে। এমন পরিস্থিতিতে লেনদেন চলাকালীন শীর্ষ ব্রোকার ও এসব প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ গ্রাহকদের শেয়ার কেনা-বেচার তথ্য পর্যালোচনার জন্য ডিএসইর সার্ভিল্যান্স ব্যবস্থার সরাসরি সংযোগ চায় বিএসইসি। জানা গেছে, বিএসইসির সার্ভিল্যান্স বিভাগ স্টেট অব দ্য আর্ট সার্ভিল্যান্স প্রযুক্তি ইনস্ট্যান্ট ওয়াচ মার্কেট সার্ভিল্যান্স সিস্টেম (আইডব্লিউএমএসএস) ব্যবহার করে থাকে। এর মাধ্যমে পুঁজিবাজার পর্যবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এসইসির সার্ভিল্যান্স বিভাগ বহুমাত্রিক নজরদারি কার্যক্রম সম্পাদন করে থাকে। পাশাপাশি ডিএসইর পূর্ববর্তী লেনদেন পদ্ধতি টেসার (দি ইলেক্ট্রনিক সিকিউরিটি আর্কিটেকচার) সঙ্গে সংযুক্ত একটি স্বতন্ত্র টার্মিনাল থেকে ব্রোকার পজিশন সংক্রান্ত প্রাপ্ত তথ্য বিচার-বিশ্লেষণ নজরদারি কার্যক্রম সম্পাদন করত বিএসইসি। যার মাধ্যমে শীর্ষ ব্রোকার হাউসগুলোর শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়, নিট কেনা-বেচা, শীর্ষ গ্রাহকদের শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়, ব্রোকারদের নির্দিষ্ট সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয় ও গ্রাহকদের নির্দিষ্ট সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পেত এসইসি।

পরবর্তী সময়ে ডিএসই টেসার পরিবর্তে নাসডাক ওএমএক্স ও ফ্লেক্সট্রেড সিস্টেম কোম্পানির সহযোগিতায় স্বয়ংক্রিয় অত্যাধুনিক ট্রেডিং সফটওয়্যার ডিএসই এক্সট্রিম আইনেট ম্যাচিং ইঞ্জিন ও ডিএসই ফ্লেক্সটিপি চালু করে। কিন্তু ডিএসই সর্বশেষ প্রযুক্তির ওই মডিউলটি কমিশনকে সরবরাহ করেনি। ফলে বাজার উত্থান-পতনে ভূমিকা রাখা শীর্ষ ব্রোকার হাউস ও তাদের শীর্ষ গ্রাহকদের শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য ও নিট পজিশন লেনদেন চলাকালীন পর্যবেক্ষণ করতে পারে না ডিএসই। এমন পরিস্থিতিতে লেনদেনে ব্যবহৃত সর্বশেষ প্রযুক্তির মডিউলটির একটি টার্মিনাল বিএসইসিতে স্থাপনের জন্য ডিএসইকে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

ভারতের অন্যান্য রাজ্যতেও যেতে পারে ত্রিপুরায় এলপিজি রপ্তানি করবে বাংলাদেশ
                                  

প্রতিবেশী দেশ ভারতের ত্রিপুরায় এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) রপ্তানি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলক একটি চালান ত্রিপুরায় গেছে। বেসরকারি কোম্পানি বেক্সিমকো এলপিজি প্রথমবারের মতো এ জ্বালানি পণ্যটি রপ্তানির উদ্যোগ নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো জানিয়েছে, আমদানি-রপ্তানি-পরিবহন এবং শুল্ক সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়গুলো চলতি মাসের মধ্যে চূড়ান্ত করা হবে। সেক্ষেত্রে আগামি অক্টোবর কিংবা নভেম্বর মাসে নিয়মিত রপ্তানি শুরু হবে। এর মাধ্যমে দেশের রপ্তানি তালিকায় প্রথমবারের মতো যুক্ত হতে যাচ্ছে এলপিজি এবং ত্রিপুরার পর ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলোতেও এই এলপিজি রপ্তানি করা হতে পারে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্র জানায়, দেশে এলপিজি খাতের বিস্তার চায় সরকার।

বাণিজ্যিকভাবেও এটি টেকসই করার ব্যাপারে সরকারি নীতিনির্ধারক এবং বেসরকারি উদ্যোক্তারা আগ্রহী। আগে কোম্পানিগুলো বিদেশ থেকে এলপিজি আমদানি করে দেশে বিক্রি করত। এখন বিদেশে রপ্তানির সুযোগ চাচ্ছিলেন ব্যবসায়ীরা। সম্প্রতি আমদানির পাশাপাশি রপ্তানির সুযোগও রাখা হয়েছে এলপিজি বটলিং প্লান্ট স্থাপন নীতিমালাতে। এর ধারাবাহিকতায় ভারতে এলপিজি রপ্তানি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় চুক্তি স্বাক্ষর প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে।


জ্বালানি বিভাগের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ থেকে এলপিজির প্রধান দুই উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন আমদানি করবে বেসরকারি কোম্পানি বেক্সিমকো। মংলা বন্দরে সেটি খালাস করা হবে। এরপর বাংলাদেশ থেকে তা সরাসরি পশ্চিম ত্রিপুরার বিশালগড় বটলিং প্লান্টে স্থানান্তর করা হবে। ওই কর্মকর্তা আরো জানান, ভারতের ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশনের (আইওসি) পক্ষ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবের পর এ রপ্তানি প্রক্রিয়া শুরুর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। গত আগস্টে এ-সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
এদিকে গত শুক্রবার ভারতীয় সংবাদ সংস্থা ইন্দো এশিয়ান নিউজ সার্ভিসকে (আইএএনএস) ত্রিপুরার ফুড, সিভিল সাপ্লাইজ অ্যান্ড কনজ্যুমার অ্যাফেয়ার্স সচিব দেবাশীষ বসু বলেন, ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন বাংলাদেশের বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় এলপিজি আমদানি করবে। এক মাসের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ওই এলপিজি বাংলাদেশের বাগেরহাটের মংলা বন্দরে পৌঁছবে। এরপর তা ত্রিপুরায় যাবে।
জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, ভারতের ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশনের কাছে এলপিজি বিক্রি করবে বেক্সিমকো। ওই জ¦ালানি পরিবহনও করা হবে বেক্সিমকোর নিজস্ব ট্যাঙ্কারে। তবে এজন্য স্থলবন্দর এবং সড়ককে আরো প্রস্তুত করতে হবে। সেটি করা হচ্ছে।


বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ লিমিটেডের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা এম মুনতাসির আলম বলেন, গত আগস্ট মাসে পরীক্ষামূলক একটি চালান ভারতের ত্রিপুরায় পাঠানো হয়। আরো কিছু প্রস্তুতিমূলক কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলো সম্পন্ন হলে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়মিত রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তিনি বলেন, দেশে এলপিজির খুচরা মূল্য কমাতে চায় বেক্সিমকো। আমদানি বাড়লে পাইকারি পর্যায়ে খরচ কম পড়বে, তাতে খুচরা মূল্য কমানো যাবে।


জানা যায়, ত্রিপুরায় ভারতের পার্শ্ববর্তী রাজ্য আসামের গুয়াহাটি এবং শিলচর থেকে ট্যাঙ্কারে করে এলপিজি পরিবহন করা হয়। আসামের রাজধানী গুয়াহাটি থেকে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার দূরত্ব অন্তত: ৬০০ কিলোমিটার। এর মধ্যে বেশ কিছু পথ পাহাড়ি ও উঁচু-নিচু। আর বাংলাদেশের মংলা বন্দর থেকে ত্রিপুরার বিশালগড় বটলিং প্লান্টের দূরত্ব ৬০০ কিলোমিটারের কিছু কম। কিন্তু এ যাত্রায় বাংলাদেশ অংশে পাহাড়ি ও ঢালুপথ নেই। ভারত অংশেও তা অপেক্ষাকৃত কম।


সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভারতে এলপিজির চাহিদা ও সরবরাহে ঘাটতি না থাকলেও দূরত্ব ও পরিবহন জটিলতায় অনেক স্থানে সময়মতো এলপিজি পরিবহন করা যায় না। এতে ব্যয়ও বেশি পড়ে। বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় এলপিজি পরিবহন সেই জটিলতা ও দূরত্ব কমবে। এতে খরচও কমবে। এ বিবেচনায় বাংলাদেশ থেকে ভারতে এলপিজি পরিবহনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। তার বিপরীতেই এ রপ্তানি প্রক্রিয়া শুরু হলো। পরিবহন জটিলতার কারণে ত্রিপুরা, আসাম, মিজোরাম, মেঘালয়সহ ভারতের উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্যে এলপিজি পরিবহনে ব্যয় বেশি পড়ে। ত্রিপুরার পর ভারতের ওই রাজ্যগুলোতেও বাংলাদেশ থেকে এলপিজি রপ্তানি করা যেতে পারে।


এর আগে বাংলাদেশের সড়ক ব্যবহার করে ত্রিপুরায় খাদ্যপণ্য এবং তেল পরিবহন করে ভারত। ত্রিপুরার ৭২৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য ভারি যন্ত্রপাতিও বাংলাদেশ হয়ে পরিবহন করা হয়। এরপর বিদ্যুৎ ও জ¦ালানি খাতে সহযোগিতার অংশ হিসেবে বর্তমানে ভারত থেকে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ আমদানি করছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ১৬০ মেগাওয়াট আসছে ত্রিপুরা থেকে।

১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ব্যাংকগুলোকে সম্পৃক্ত করার সুপারিশ
                                  

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে যে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছে সরকার, তাতে ব্যাংকগুলোকে যুক্ত করার সুপারিশ এসেছে এক কর্মশালায়। গতকাল সোমবার ঢাকার মিরপুরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউ অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টে (বিআইবিএম) এই কর্মশালা হয়। এতে ‘বিজনেস ফ্যাসিলিটেশন ইন স্পেশাল ইকোনমিক জোনস বাই ব্যাংকস ইন বাংলাদেশ’ শিরোনামের এক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. শাহ মোহা. আহসান হাবিব। তিনি বলেন, ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়ন কাজ ত্বরান্বিত করতে দেশের ব্যাংকগুলোকে অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে।

এতে বিনিয়োগকারীরাও ভরসা পাবেন। আগামী দিনে আমাদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বাণিজ্যস্থানে রূপান্তরিত হবে এসব অর্থনৈতিক অঞ্চল। তাই ভবিষ্যতের সম্ভাব্য এসব অঞ্চলের সঙ্গে ব্যাংকগুলোকে অংশগ্রহণ করাতে হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ব্যাংকগুলোর ‘বোঝাপড়ায়’ এখন ঘাটতি রয়েছে বলে অধ্যাপক হাবিবের দাবি। এই ঘাটতি দূর করতে দুই কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য একটি কমিটি গঠন করার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ডেপুটি গভর্নর এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে ব্যাংক খাত অবদান রাখতে পারলে তিনি নিজেও গর্ব বোধ করবেন।

এই প্রক্রিয়ায় ব্যাংকিং সেক্টরকে যুক্ত করার জন্য যে গাইড লাইন দরকার, তার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংক নিবে এবং প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা প্রদানে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রস্তুত।

বিমানের চতুর্থ ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’ আসছে বৃহস্পতিবার
                                  

জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত সম্পূর্ণ নতুন চতুর্থ ও শেষ বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’। আগামী বৃহস্পতিবার হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে বিকেলে ড্রিমলাইনারটি অবতরণ করবে। এ উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে বিমান বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াবে ১৬টিতে। দেশে পৌঁছানোর পর ড্রিমলাইনারকে ওয়াটার ক্যানন স্যালুটের মাধ্যমে স্বাগত জানানো হবে। উড়োজাহাজটি দেশে আনতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি প্রতিনিধি দল সিয়াটলে বোয়িং কোম্পানির এভারটে ডেলিভারি ও অপারেশন্স সেন্টারে পৌঁছেছেন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২০০৮ সালে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে ১০টি নতুন উড়োজাহাজ ক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। এরইমধ্যে ৪টি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর, ২টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ও ৩টি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ বিমান বহরে যুক্ত হয়েছে। চতুর্থ এবং শেষ উড়োজাহাজ ‘রাজহংস’ বৃহস্পতিবার দেশে আসছে। ‘রাজহংস’ বিমান বহরে সংযোজিত হওয়ার মধ্য দিয়ে সম্পাদিত চুক্তির আওতায় ১০টি উড়োজাহাজের সবই বিমান বুঝে পাবে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হতে যাওয়া চারটি ড্রিমলাইনারের নাম পছন্দ ও বাছাই করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এগুলো হলো- আকাশবীণা, হংসবলাকা, গাঙচিল ও রাজহংস। এর আগে চারটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর, ২টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ইআর এর নামও প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া। যেগুলো হলো- পালকি, অরুণ আলো, আকাশ প্রদীপ, রাঙা প্রভাত, মেঘদূত এবং ময়ূরপঙ্খী। টানা ১৬ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম এই ড্রিমলাইনার চালাতে অন্যান্য উড়োজাহাজের তুলনায় ২০ শতাংশ কম জ¦ালানি প্রয়োজন হবে। ‘রাজহংস’-এর আসন সংখ্যা ২৭১টি। বিজনেস ক্লাস ২৪টি, আর ২৪৭টি ইকোনমি ক্লাস। সম্প্রসারিত বহর দিয়ে বিমান তার চলমান রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হচ্ছে।

সেই সঙ্গে নতুন গন্তব্য সংযোজন প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। ১৩ মে ঢাকা-দিল্লী রুট চালু হয়েছে, ২৮ অক্টোবর মদিনা এবং নভেম্বরে গোয়াংজু নতুন রুট চালু হবে। এছাড়াও আগামীতে ম্যানচেস্টার, কলম্বো, মালে, টোকিও এবং নিউ ইয়র্ক ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন। বহর পরিকল্পনা একটি চলমান প্রক্রিয়া, এই ধারা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে বিমান কানাডা কমার্শিয়াল কোম্পানি থেকে স্বল্প পাল্লার ৩টি নতুন ড্যাশ৮- কিউ৪০০ কিনেছে, যা ২০২০ সালের মার্চ-জুন মাসের মধ্যে বহরে যুক্ত হবে।

বাংলাদেশে বিএমডব্লিউ-মার্সিডিজ গাড়ির অ্যাসেম্বল করতে চায় জার্মানি: অর্থমন্ত্রী
                                  

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জার্মান ব্যবসায়ী প্রতিনিধি জার্মান এশিয়া-প্যাসিফিক বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন (ওএভি)। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে মন্ত্রীর কার্যালয়ে গতকাল সোমবার সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশে বিএমডব্লিউ অথবা মার্সিডিজ ব্র্যান্ডের গাড়ির অ্যাসেম্বল করতে চায় জার্মানি। মন্ত্রী বলেন, তাদের (ওএভি) প্রস্তাব তারা থাইল্যান্ডের মতো বাংলাদেশেও বিএমডব্লিউ অথবা মার্সিডিজ ব্র্যান্ডের গাড়ির অ্যাসেম্বল করতে চাইছে। থাইল্যান্ডে তারা যেভাবে অ্যাসেম্বল করে উইথ প্রোগ্রেসিভ ম্যানুফ্যাকচারিং, বাংলাদেশেও অ্যাসেম্বল করবে উইথ প্রোগ্রেসিভ ম্যানুফ্যাকচারিং পদ্ধতিতে। সুতরাং এটা একটা ভালো প্রস্তাব। আমি মনে করি, এরকম ব্যয়বহুল গাড়ি আর ইমপোর্ট করতে হবে না। কম খরচে আমরা এগুলো ব্যবহার করতে পারবো।

কিছু পার্টস বিদেশ থেকে আসবে, কিছু পার্টস বাংলাদেশে তৈরি হবে। কোন জায়গায় অ্যাসেম্বল করা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, তারা (ওএভি) বিজনেস ধারণা নিয়েছেন। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন। প্রধানমন্ত্রী মার্চে জার্মানি সফর করবেন, সেখানে যাওয়ার পর এগুলো চূড়ান্ত হবে। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত আলাপ হবে। তিনি বলেন, আমাদের পাওয়ার ক্ষেত্রে জার্মানিরা কাজ করছেন আগে থেকেই। আমাদের যে টেলিফোন শিল্প সংস্থা বিল্ড বাই সিমেন্স, আমাদের খুলনায় যে ক্যাবল ফ্যাক্টরি আছে, এটাও সিমেন্স তৈরি করেছে। সুতরাং জার্মানির অবস্থান অনেক আগে থেকেই দেশে। তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। বড় করে পাট ফ্যাক্টরিতে জার্মানিরা আসতে চায় জানিয়ে মুস্তফা কামাল বলেন, তারা এ মুহূর্তে প্রস্তাব দিচ্ছে, তারা আমাদের পাট ফ্যাক্টরি ব্যবহার করতে চায় বড় আকারে।

পাট ফ্যাক্টরি আমাদের জন্য ম্যানেজ করা খুব কঠিন ছিল। এটা অত্যন্ত উত্তম প্রস্তাব। আমরা জার্মানিকে স্বাগত জানিয়েছি যে তোমরা এখানে আসো। তারা স্বল্প পরিসরে পাট নিয়ে বাংলাদেশে কাজ করছে। এখন তারা বড় স্কেলে কাজ করতে চায়। অর্থমন্ত্রী বলেন, পাট নিয়ে জার্মানি বহুমুখী কাজ করে। মার্সিডিজ গাড়ির ভেতরের অনেক কিছু পাট থেকে তৈরি হয়। জার্মানির সব গাড়ির অনেক কম্পোনেন্ট কিন্তু পাটের। ইউরোপে জিএসপি সুবাধি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তাদের সব চেয়ে ভালো প্রস্তাব হলো তারা আমাদের কাছে প্রমিজ করেছে, আমাদের জিএসপি যেনো না চলে যায়। তারা আমাদের কথা দিয়েছে, তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে যেনো আমাদের জিএসপি সুবিধা থাকে। জিএসপি সুবিধা শুধু জার্মানিতে নয়, পুরো ইউরোপে থাকবে। এ ছাড়া জার্মানি তো ইউরোপকে লিড দেয়। ব্যাংকিং খাত প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ব্যাংকের টাকা যাবে কোথায়? টাকা তো ব্যাংকেই থাকবে। সরকার কী কোথাও টাকা রাখতে পারবে? সুতরাং একটা কো-অর্ডিনেট ওয়েতে টাকাগুলো ব্যবহার করা হবে।

 

৯ মাসেও চালু হয়নি জামালপুরে যমুনা ইউরিয়া সার কারখানায়
                                  

 জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলার তারাকান্দি অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সার কারখানা। কারখানাটি গত ৯ মাস যাবত অ্যামোনিয়া গ্যাস প্লান্টের কনভার্টার হিটারে ভয়াবহ অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বন্ধ রয়েছে সার কারখানা। কিন্তু বিকল্প পন্থায় কারখানাটি চালু করতে ইউরোপ থেকে প্রসেস লাইসেন্সর একদল বিশেষজ্ঞ নিয়ে এলেও আজও কারখানা চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে হাজার কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে কারখানাটির। অপর দিকে কারখানা বন্ধ থাকায় কারখানা সংশ্লিষ্ট প্রায় ৩৫হাজার শ্রমিক-কর্মচারীসহ পরিবহন সংশ্লিষ্ট আরো প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, ১০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর ভোর ৬টা কারখানায় অ্যামোনিয়া গ্যাস প্লান্টের কনভার্টার হিটারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ২০০ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি গ্রস্ত হয়। ফলে কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বিকল্প পন্থায় কারখানাটি চালু করতে ইউরোপ থেকে প্রসেস লাইসেন্সর একদল বিশেষজ্ঞ আনা হয়। কিন্তু কারখানাটি চালু করতে ৩৩২ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়। সেখান ইরোপিয়ান বিশেষজ্ঞ দর ২৮০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা তুলতে সক্ষম হলেও কারখানাটি চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে ইউরোপীয় বিশেষজ্ঞ দলকে ৬৬ হাজার ইউরোর অথাৎ আরো কয়েকশ’ কোটি টাকা বিল দিতে হচ্ছে বলে স্বীকার করেছেন কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও এক বৎসর কারখানা বন্ধ থাকলে ক্ষতির পরিমাণ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করছেন কারখানা সংশিষ্টরা।

এ ছাড়া কারখানা চালু অবস্থায় অ্যামোনিয়া তরল গ্যাস ডিলারদের মাধ্যমে বাজারে বিক্রি করা হইতো। কিন্তু কারখানা বন্ধ থাকায় গ্যাসের চাহিদা বেড়ে গেছে ফলে এর প্রভাব পড়েছে বাজারেও। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিসিআইসির ডিলাররা। অপরদিকে জেএফসিএল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন এর সাবেক সাধারন সম্পাদক মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, শ্রমিক নেতা মো. জাহিদুর রহমান জানান, কারখানা বন্ধ থাকায় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কারখানা সংশ্লিষ্ট শ্রমিক-কর্মচারী বেকার হয়ে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে বলে জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে তারাকান্দির পরিবহন শ্রমিক নেতা মাসুদ আলী জানান- কারখানা এলাকায় প্রায় ৬শ ট্রাক আছে, প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ শ ট্রাকে সার পরিবহন করা হয়ে থাকে। কারখানা বন্ধ থাকার কারণে পরিবহন সংশ্লিষ্ট ট্রাকের চালক-হেলপার,ট্রাক মালিকরাসহ আরো প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এদিকে জামালপুর, শেরপুর, টাঙ্গাইল জেলা এবং উত্তরবঙ্গের ১৬টি জেলাসহ, মোট ১৯ জেলায় এ কারখানার আওতাধীন উৎপাদিত যমুনা দানাদার ইউরিয়া সার সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এবার জামালপুরসহ দেশের উত্তরাঞ্চল জেলা গুলো মধ্যে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষক। তাদের ক্ষতি পুশিয়ে নিতে পানি নামার সাথে সাথেই বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। তাই কৃষকরা চাহিদা অনুযায়ী সার না পেলে তাদের ফসল উৎপাদন ব্যাহতের আশঙ্কা রয়েছে। অপরদিকে দীর্ঘদিন কারখানা বন্ধ থাকায় আগামি ইরি-বোরো মৌসুমে সার সংকট দেখা দিতে পারে,এমন হতাশা ব্যক্ত করেছেন বিসিআইসির ডিলাররাসহ অনেকেই। কারখানা সুত্রে জানাযায়, যমুনা সার কারখানাটি ১৯৯১ইং সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে সার উৎপাদনে যায়। তখন থেকেই ১হাজার ৭ শত মেঃ টন ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়ে আসছিল। কিন্তু যন্ত্রপাতি পুরনো হওয়া এবং চাহিদার তোলনায় তিতাসগ্যাস সরবরাহ না থাকার কারণে গড়ে সার উৎপাদন নেমে এসেছিল ১ হাজার ৬শত মেঃ টনে। সে হিসাব অনুযায়ী গত ৯ মাসে সার উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৩২ হাজার মেঃ টন। এসব সারের চাহিদা পুরণের জন্য সরকারী ভাবে বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৮ মেঃ টন ইউরিয়া সার। সরেজমিনে দেখাগেছে, কারখানা বাল্ক স্টোরে সারের বস্তা রাখার কোন প্রকার নিয়ম না থাকলেও বাল্ক স্টোরে ১২৭ মেঃ টন গুটি ইউরিয়া রাখা হয়েছে। এ ছাড়া কারখানায় দুটি মাত্র গুদামে রয়েছে। গুদাম দুইটিতে ১২ হাজার মেঃ টন সার মজুদ রাখা সম্ভব হয়েছে। অবশিষ্ট আমদানি করা ২৮ হাজার ৮১ মেঃ টন ইউরিয়া সার মূল কারখানার ভেতরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে রাস্তায়, খোলা আকাশের নিচে রাখা হয়েছে। খোলা আকাশের নীচে রাখা বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার রোদ পুড়ে বৃৃষ্টিতে ভিজে গলে জমাট বেঁধে নষ্ট হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিসিআইসির ডিলার আবুল হোসেন সরকার বলেন বিদেশ থেকে আমদানি করা সার তোলনা মুলক ভাবে মানহীন এবং নি¤œমানের। এই সার ব্যবহার করে কৃষকরা আশানুরূপ ফসল না হওয়ায় সার নিতে চরম অনীহা প্রকাশ করেন কৃষকরা। ট্রাক ও ট্যাংক লরি মালিক সমিতি তারাকান্দি শাখার সভাপতি আশরাফুল আলম মানিক বলেন, আমদানীকৃত ইউরিয়া সারের মান অত্যন্ত খারাপ। ট্রাকে তোলার সময় অনেক বস্তা থেকে পানি ঝরে। সার ডিলারদের গুদামে নিয়ে গেলে তারা নিতে চান না। এ সংক্রান্ত বিষয়ে যমুনা সার কারখানার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) ওয়ায়েছুর রহমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাহিদানুযায়ী ইউরিয়া সার মজুদ রয়েছে। ফলে কৃষক পর্যায়ে ইউরিয়া সার নিয়ে কোন সংকট হবে না। তিনি আরও বলেন, টানা কয়েক মাস সার রাখা হলে নিচের কিছু বস্তা নষ্ট হতে পারে। তবে সার জমাট বেঁধে গেলেও এর গুণগত মান নষ্ট হয় না বলে জানান। এ বিষয়ে কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক খান জাভেদ আনোয়ারের কাছে কারখানা চালু করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সার কারখানা স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠান জাপানের মিট সু বিসি হ্যাপি ইন্ডাস্ট্রিয়াল করপোরেশন। সেই মিতসুবিশি কোম্পনীর সঙ্গে বিসিআইসির যোগাযোগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

স্টার্ট অফ হিটারটি তৈরীর জন্য প্রতিষ্ঠানটি ফেব্রিকেশনের কাজ করছে। বিশেষজ্ঞ দলের একটি টিম সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি আসার কথা রয়েছে এবং অক্টোবরে আরও একটি দল স্টাট অফ হিাটরসহ অন্যান্য যন্ত্রংশ নিয়ে কারখানা আসবেন। নভেম্বরে মেরামতের কাজ শেষ হলে ডিসেম্বরে কারখানা সার উৎপাদনে যাবে বলে আশা প্রকাশ করছেন তিনি।

ডিপিডিসির বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা যাবে বিকাশে
                                  

 ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)-এর গ্রাহকরা ঘরে বসেই বিদ্যুৎ বিল মোবাইল ফিন্সিয়াল সার্ভিস বিকাশের মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন। এই লক্ষ্যে ডিপিডিসি ও বিকাশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকাশ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ডিপিডিসি, বিকাশ ও ব্র্যাক ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

ডিপিডিসি’র কোম্পানি সেক্রেটারি মো. আসাদুজ্জামান, বিকাশের চিফ কর্মাশিয়াল কর্মকর্তা মিজানুর রশীদ এবং ব্র্যাক ব্যাংক এর হেড অব কর্পোরেট ব্যাংকিং তারেক রিফাত উল্লাহ খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি ডিপিডিসির ১২ লাখ পোস্ট পেইড ও প্রিপ্রেইড গ্রাহকরা যে কোনও সময়, যে কোনও স্থান থেকেই বিকাশে সহজেবিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ চেক করতে পারবেন। একইসঙ্গে পরিশোধ করতে পারবেন বিলও। দেশের তিনটি বৃহৎ বিদ্যুৎ বিতরণ প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ গ্রাহক বিকাশে তাদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারবেন। বিকাশের মাধ্যমে ডিপিডিসি’র বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের ব্যাংকিং পার্টনার হিসেবে থাকবে ব্র্যাক ব্যাংক। বিকাশে বিল পরিশোধ করতে অ্যাপের পে-বিল অপশন থেকে ডিপিডিসি নির্বাচন করতে হবে। এরপর ডিপিডিসি কাস্টমার নম্বর দিয়ে, মাস ও সাল নির্বাচন করলে বিলের পরিমাণ দেখা যাবে।

বিল পরিশোধ করতে চাইলে পিন নম্বর দিয়ে পরিশোধ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন গ্রাহক। বিকাশে ডিপিডিসি’র বিল পরিশোধের নতুন এই সেবা চালু হওয়া উপলক্ষে প্রথম ৬ মাস কোনও চার্জ থাকছে না। উল্লেখ্য, বিকাশে বর্তমানে পল্লী বিদ্যুৎ, ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) ও নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো) -এর বিদ্যুৎবিলসহ অন্যান্য ইউটিলিটি সেবার বিলও পরিশোধ করতে পারছেন গ্রাহক।

 

পোশাক খাতেকে এগিয়ে নিতে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে: শিল্পমন্ত্রী
                                  

বিশ্ব প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের এগিয়ে যাওয়ার ধারবাহিকতা বজায় রাখতে হলে সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে বলে মনে করেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। গতকাল বুধবার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আয়োজিত চার দিনব্যাপী ২০তম টেক্সটেক বাংলাদেশ-২০১৯ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিল্পমন্ত্রী মজিদ বলেন, তৈরি পোশাক খাতের বিশ্ব প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এই ধারা ধরে রাখতে হলে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে পোশাক শিল্পের অবদান বেশি। আমাদের নানা রকম বাধা পেড়িয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হয়েছে। উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পর বিশ্ববাজারে আর সুবিধা পাওয়া যাবে না। সেই জন্য টিকে থাকতে হলে নতুন নতুন কৌশল বের করতে হবে।

তিনি বলেন, বাজার ধরে রাখার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ দরকার। নতুন নতুন বাজার এবং নতুন পণ্য না আনলে ভবিষ্যতে আমাদের টিকে থাকা কঠিন হবে। জাতীয় উন্নয়নের স্বার্থে এটা প্রয়োজন এবং করতেও হবে। আমাদের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে বিনিয়োগকারীদের সবাই এখানে আসবে। আলোচনা শেষে টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস শিল্পের বৃহত্তম প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। আয়োজকরা জানান, প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত এই প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এবারের প্রদর্শনীতে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, ইতালিসহ ২৫ দেশের ১ হাজার ২৫০ প্রতিষ্ঠানের দেড় হাজার স্টলের মাধ্যমে তাদের বস্ত্র ও পোশাকখাতের আনুষাঙ্গিক যন্ত্রপাতি পণ্য ও পরিষেবা প্রদর্শন করছে। সুতা কাপড়, রাসায়নিক এবং প্রযুক্তি তুলে ধরবে বিশ্বের নামিদামি ব্র্যান্ড। আয়োজক প্রতিষ্ঠান মনে করে, প্রদর্শনীতে ভোক্তা উদ্যোক্তা, আগত দর্শকরা প্রদর্শনীতে এলে আমদানিকারক, অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ এবং আলাপচারিতার মাধ্যমে তাদের ব্যবসার প্রসার ঘটাতে তথ্য ও সহায়তা পাবেন।

ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার সেমিনার হলে সেমস গ্লোবাল আয়োজিত প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারাস অ্যান্ড এক্সপোর্টাস অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম সহসভাপতি মনসুর আহমেদ ও সেমস গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড গ্রুপ এমডি মেহেরুন এন ইসলাম।

এসএফ ডেনিমের ৭০০ শ্রমিক এক সঙ্গে চাকরি হারালেন
                                  

একসঙ্গে ৭০০ শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করেছে ঢাকার তেজগাঁওয়ের এসএফ ডেনিম অ্যাপারেলস লিমিটেড। সঙ্কটে পড়ে ব্যয় সঙ্কোচনের লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মালিকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে। তবে শ্রমিক সংগঠনগুলো বলছে, এটা করা হয়েছে শ্রমিক ইউনিয়ন করার উদ্যোগ নেওয়ার কারণে। সিঅ্যান্ডএ, এইচঅ্যান্ডএমের মতো বিশ্বের নামি কয়েকটি ব্র্যান্ডের জন্য পোশাক সরবরাহকারী এসএফ ডেনিম নিজেদের ‘সম্পূর্ণ কমপ্লায়েন্ট’ কারখানা বলে দাবি করে।

১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিটির পাঁচটি ইউনিটে প্রতি মাসে ১০ লাখ পোশাক তৈরি করতে সক্ষম বলে তাদের ওয়েবসাইটে বলা আছে। কোম্পানির ওয়েবসাইটে শ্রমিকের সংখ্যা দেওয়া আছে ৬ হাজার ৯০০ জন। ঈদের পর আকস্মিক চাকরিচ্যুতির নোটিসে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে গার্মেন্টটির পরিচালক ফুয়াদ আব্দুল্লাহর সঙ্গে কথা বলতে তার মোবাইল ফোনে কল করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর অন্যতম পরিচালক আসিফ ইব্রাহীম বলেন, “মালিকদের পক্ষ থেকে আমরাই কথা বলছি। কারখানাটি সম্পন্ন আইন মেনে যথাযোগ্য নিয়ম-কানুন অনুসরণ করে শ্রমিকদের চাকরিচ্যুত করেছে। এর কারণ ব্যাখ্যা করে বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক সাংবাদিকদের বলেন, “গত ছয় মাস ধরে ক্রেতা সঙ্কটের কারণে কারখানাটি শ্রমিক ছাঁটাই করতে বাধ্য হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সক্ষমতার ৫০ শতাংশ ক্রয় আদেশও তারা পায়নি। কারখানাটি সচল করার ক্ষেত্রে বিদেশি ক্রেতাদের আরও বেশি পোশাক কেনার আহ্বান জানান তিনি। এদিকে সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার বলেন, এসএফ ডেনিমের মালিক পক্ষ পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ৭০০ শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করেছে।

চাকরিচ্যুতদের মধ্যে অন্তত ৫০ জন নারী মাতৃত্বকালীন অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। “শ্রমিকদের ইউনিয়ন গঠন করার উদ্যোগের প্রতিক্রিয়ায় মালিকপক্ষ এমন উদ্যোগ নিয়েছে, এটা সম্পূর্ণ বেআইনি,” বলেন নাজমা। চাকরিচ্যুতির এ ঘটনায় কয়েকটি ক্রেতা সংগঠনকে অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানান নাজমা। সরকার কিংবা বিজিএমইএকে না জানিয়ে ক্রেতাদের কাছে অভিযোগের কারণ জানতে চাইলে এই শ্রমিক নেতা বলেন, “এটা সম্পূর্ণ আমাদের ইচ্ছা। আমরা কার কাছে অভিযোগ করব, সেই সিদ্ধান্ত আমরাই নেব।”

দেশের ২১ স্থানে সড়ক রক্ষায় এক্সেল লোড বসানোর প্রস্তাব
                                  

যানবাহনের অতিরিক্ত ওজনের (ওভারলোড) কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হচ্ছে সড়কের আয়ুষ্কাল। দেশের সড়কের এমন পরিণতি ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের উৎসমুখে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদফতর (সওজ)। গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের পণ্য পরিবহনের উৎসমুখে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র স্থাপন করে অনুমোদিত সীমার অতিরিক্ত পণ্য পরিবহন রোধ করতে পারলে কম ক্ষতিগ্রস্ত হবে সড়ক। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) শেরে বাংলানগর এনইসিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

স্থানগুলো হলো- গাজীপুর সদর, কেরানীগঞ্জ, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট, শেরপুর নালিতাবাড়ি, কুমিল্লার বুড়িচং, ফেনী সদর, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম সদর, সীতাকু-, নরসিংদীর শিবগঞ্জ, সিলেট বিয়ানীবাজার, খুলনা রামপাল, সাতক্ষীরা সদর, চুয়াডাঙার দামুড়হুদা, দিনাজপুরের হাকিমপুর, কুড়িগ্রামের রৌমারী, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, সৈয়দপুর, শিবচর ও কালিহাতী উপজেলা। পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সহকারী প্রধান (ভৌত অবকাঠামো বিভাগ) নাজমুল হাসান বলেন, ‘সওজ আওতাধীন গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে পণ্য পরিবহনের উৎসমুখে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র স্থাপন’ প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬৩০ কোটি টাকা। চলতি সময় থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় ৯০ সেটওয়ে ইন মোশন স্কেল, ৩১ সেট স্ট্যাটিক ওয়ে ব্রিজ স্কেল স্থাপন ও কমিশনিং করা হবে।

প্রকল্পটি মঙ্গলবার একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। সওজ সূত্র জানায়, সওজ এর আওতায় সর্বমোট ২১ হাজার ৩০২ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এসব সড়কের ডিজাইন লাইফ ১০ থেকে ২০ বছর ধরে গেজেট প্রকাশ করা হয়। এতে বাংলাদেশের সড়কে কী পরিমাণে পণ্য পরিবহন করা যাবে সে বিষয়ে স্পষ্ট করে নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে। দুই চাকাবিশিষ্ট ফ্রন্ট এক্সেল ও চার চাকাবিশিষ্ট রেয়ার এক্সেলের সর্বোচ্চ ওজনসীমা ধরা হয়েছে সাড়ে ১৫ টন। যা বাংলাদেশে চলাচলকারী অধিকাংশ যানবাহন ডাবল এক্সেল অর্থাৎ ছয় চাকাবিশিষ্ট পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় যে, মহাসড়কগুলোতে ২০ থেকে ৩০ টন ওজনের ট্রাক বা কাভার্ডভ্যান চলাচল করে। ফলে নির্ধারিত আয়ুষ্কালের আগেই অনেক সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সেক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসনের জন্য অপচয় হচ্ছে অর্থ।

এছাড়াও অতিরিক্ত ওজন বহনকারী যানবাহন সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এ ক্ষেত্রে সড়কে যানচলাচল নিরাপদ ও সড়কগুলো মজবুত টেকসই করতে মহাসড়কের ২১ স্থানে পণ্য পরিবহনের উৎসমুখে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে। এছাড়াও নির্মাণ করা হবে ভবন, কন্ট্রোলরুম, বুথ, রোড ব্যারিয়ার, আরসিসি ড্রেন, পার্কিং অ্যারিয়া, ক্যাফেটেরিয়া।

 

৬৬ প্রতিষ্ঠান পেলো জাতীয় রফতানি ট্রফি
                                  

 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের রফতানি খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ২৮টি ক্যাটাগরিতে ৬৬টি প্রতিষ্ঠানের মাঝে জাতীয় রফতানি ট্রফি ২০১৬-১৭ বিতরণ করেছেন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রধানমন্ত্রী বিজয়ী স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হাতে এই ট্রফি এবং সনদ তুলে দেন। ২৯টি স্বর্ণ, ২১টি রৌপ্য ও ১৬টি ব্রঞ্জ ট্রফি প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় তার ভাষণে দেশের রফতানি খাতের সম্প্রসারণ এবং রফতানি বহুমুখীকরণসহ নতুন বাজার খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রফতানি বৃদ্ধির জন্য নতুন বাজার ও পণ্য বহুমুখীকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা নতুন নতুন বাজার সৃষ্টি করতে কাজ করে যাচ্ছি। ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কেও রফতানি বাণিজ্য বৃদ্ধিতে কাজ করতে হবে। তার সরকার এ বিষয়ে সম্ভব সব ধরনের সহযোগিতা করবে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসাবান্ধব সরকার। ব্যবসায়ীরাই ব্যবসা করবে, তাদের কাজে আমরা সহযোগিতা করবো।

‘জাবের এ- জুবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেড’ টানা ষষ্ঠ বারের মতো শ্রেষ্ঠ রফতানিকারক হিসেবে ২০১৬-১৭ সালের রফতানি স্বর্ণ ট্রফি জয় করে। ‘জাবের এ- জুবায়ের লিমিটেড’ ২০১৭ সালের সর্বোচ্চ রফতানি আয়ের জন্য আরও একটি স্বর্ণ ট্রফিও লাভ করে। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি তোফায়েল আহমেদ বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মফিজুল ইসলাম এবং এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম ও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান বেগম ফাতিমা ইসলাম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। সূত্র: বাসস।

 


   Page 1 of 96
     অর্থ-বাণিজ্য
সরবরাহ বাড়লেও কমছে না ইলিশের দাম
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে দক্ষিণের আরো ভূমিকায় চায় বাংলাদেশ
.............................................................................................
এডিবি ২০২০-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তা দেবে
.............................................................................................
বাধা কাটলে সিআইএসভুক্ত দেশগুলোতে রপ্তানি বাড়বে: বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
ভরিতে স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমলো
.............................................................................................
শেয়ার কেনা-বেচার কার্যক্রম সরাসরি দেখতে চায় বিএসইসি
.............................................................................................
ভারতের অন্যান্য রাজ্যতেও যেতে পারে ত্রিপুরায় এলপিজি রপ্তানি করবে বাংলাদেশ
.............................................................................................
১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ব্যাংকগুলোকে সম্পৃক্ত করার সুপারিশ
.............................................................................................
বিমানের চতুর্থ ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’ আসছে বৃহস্পতিবার
.............................................................................................
বাংলাদেশে বিএমডব্লিউ-মার্সিডিজ গাড়ির অ্যাসেম্বল করতে চায় জার্মানি: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
৯ মাসেও চালু হয়নি জামালপুরে যমুনা ইউরিয়া সার কারখানায়
.............................................................................................
ডিপিডিসির বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা যাবে বিকাশে
.............................................................................................
পোশাক খাতেকে এগিয়ে নিতে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে: শিল্পমন্ত্রী
.............................................................................................
এসএফ ডেনিমের ৭০০ শ্রমিক এক সঙ্গে চাকরি হারালেন
.............................................................................................
দেশের ২১ স্থানে সড়ক রক্ষায় এক্সেল লোড বসানোর প্রস্তাব
.............................................................................................
৬৬ প্রতিষ্ঠান পেলো জাতীয় রফতানি ট্রফি
.............................................................................................
জনতা ব্যাংকে এক বছরে দ্বিগুণেরও বেশি খেলাপি ঋণ বেড়েছে
.............................................................................................
প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান
.............................................................................................
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে ১৪২ কোটি টাকার রাজস্ব আয়
.............................................................................................
দেশে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম উৎপাদনে কোম্পানি গঠন করা হচ্ছে
.............................................................................................
উদ্যোগ বস্তবায়ন হলে খেলাপি ঋণ কমবে: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
৩৬ কোম্পানির ৩ হাজার ৩শ’ ৯০ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি
.............................................................................................
টাকা তুলে নিচ্ছেন গ্রাহক
.............................................................................................
দারিদ্র্য বিমোচন ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের প্রাণিসম্পদ
.............................................................................................
এখন থেকে নিজের আয়ে চলতে হবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
চার রাষ্ট্রীয় ব্যাংকে পুনঃঅর্থায়ন করা হবে না: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
চিনিশিল্পের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অপসারণের সুপারিশ
.............................................................................................
পণ্য আমদানি বাড়াতে উরুগুয়ের প্রতি আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর
.............................................................................................
চামড়া ব্যবসায়ীদের পাওনা ৩ কিস্তিতে পরিশোধের সিদ্ধান্ত
.............................................................................................
গ্রামীণফোন ও রবির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে বিটিআরসি
.............................................................................................
একনেকে তথ্য ভান্ডার সুরক্ষাসহ ১২ প্রকল্পের অনুমোদন
.............................................................................................
কোরিয়ান ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান অর্থমন্ত্রীর
.............................................................................................
নতুন নীতিমালা আসছে ব্যাংকের তহবিল ব্যয় হিসাবে
.............................................................................................
১৭৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স ১০ দিনে
.............................................................................................
৯ দিন বন্ধের পর স্থলবন্দরগুলোতে আমদানি-রফতানি শুরু
.............................................................................................
চামড়া কেনা শুরু করেছেন ট্যানারি মালিকরা, বিক্রি না করার ঘোষণা আড়তদারদের
.............................................................................................
চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি, রপ্তানি আয় কমার শঙ্কা
.............................................................................................
১১ কোম্পানির ১৩ পণ্যের অনুমোদন বাতিল
.............................................................................................
১২৮০ কোটি টাকার ৪ ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন
.............................................................................................
কোরবানীর পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার
.............................................................................................
ট্রলার বোঝাই গরু আসছে মিয়ানমার থেকে
.............................................................................................
এটিএম বুথে ঈদের ছুটিতে পর্যাপ্ত টাকা রাখার নির্দেশ
.............................................................................................
ঈদ সামনে রেখে বেড়েছে রেমিট্যান্স, জুলাইয়ে এসেছে ১৬০ কোটি ডলার
.............................................................................................
ঈদে পোশাক শ্রমিকদের পর্যায়ক্রমে ছুটি ঘোষণা
.............................................................................................
ডিএসইর সূচক বাড়লেও কমেছে সিএসইতে
.............................................................................................
চট্রগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে রেলওয়ের ২৬টি নতুন কোচ
.............................................................................................
অনলাইনে ভ্যাট নিবন্ধনের সময় বাড়লো
.............................................................................................
আম উৎপাদনে বিশ্বে ৭ম ও পেয়ারা উৎপাদনে ৮ম বাংলাদেশ
.............................................................................................
ভ্রমণে জানুয়ারি থেকে সঙ্গে নেওয়া যাবে ১২০০০ ডলার
.............................................................................................
রেমিট্যান্স পাঠালেই সবাই প্রণোদনা পাবে: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
উপদেষ্টা: আজাদ কবির
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ হারুনুর রশীদ
সম্পাদক মন্ডলীর সহ-সভাপতি: মামুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বার্তা সম্পাদক: মুজিবুর রহমান ডালিম
স্পেশাল করাসপনডেন্ট : মো: শরিফুল ইসলাম রানা
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]