১০ শাওয়াল ১৪৪১ , ঢাকা, বুধবার, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩ জুন , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
করোনার প্রভাবে ধারাবাহিকভাবে কমছে রেমিট্যান্স

ধারাবাহিভাবে কমছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশীরা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাসী আয়ের ওপর। গত মার্চ ও এপ্রিলের ধারাবাহিকতায় গত মে মাসেও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক ১৪ শতাংশ হয়েছে। সামনে এ ধারা অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, করোনার প্রভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহেও বড় ধরনের ভাটা পড়ে গেছে। শ্রমিকরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় বলা চলে গত তিন মাস যাবত প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে রেমিট্যান্স আসা। সামনের দিনগুলোতে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও ভয়াবহ আকারে কমে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান, গত মার্চের আগে প্রায় প্রতিমাসেই গড়ে ২০ শতাংশের ওপরে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পেত। বিশেষ করে রেমিট্যান্সের ওপরে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেয়ার পর রেমিট্যান্স প্রবাহ আরো বেড়ে যায়। সেই রেমিট্যান্স প্রবাহ গত এপ্রিলে ২৪ শতাংশ ঋণাত্মক হয়েছে।

এদিকে আগের বছরের একই মাসের তুলনায় রোজা ও ঈদের মাস গত মে মাসে রেমিট্যান্স কমেছে ২৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আগের বছরের একই মাসের তুলনায় যা ১৪ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ কম। করোনাভাইরাসের প্রভাব ব্যাপকভাবে শুরুর আগের মাস গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি ছিল ২০ দশমিক ২০ শতাংশ। গত এপ্রিল মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা মাত্র ১০৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠায়। আগের বছরের একই মাসের তুলনায় যা ৩৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা ২৪ দশমিক ২৭ শতাংশ কম। বিশ্বব্যাপী করোনার প্রভাব ব্যাপকভাবে শুরুর প্রথম মাস গত মার্চে রেমিট্যান্স ১৮ কোটি ২০ লাখ ডলার বা ১২ দশমিক ৪৮ শতাংশ কমে ১২৭ কোটি ৭৬ লাখ ডলারে নেমেছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশের দেশের প্রায় এক কোটি মানুষ বিদেশে অবস্থান করছে। রেমিট্যান্স প্রবাহের প্রায় দুই তৃতীয়াংশ রেমিট্যান্স আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। ১১ দশমিক ৬৫ শতাংশ আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে আসে ১২ দশমিক ৩৫ শতাংশ। আর ইটালিতে বৈধ-অবৈধভাবে থাকে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রভাবে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বেশির ভাগ মানুষ। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বের হচ্ছে না।

সৌদি আরব থেকে মো: আমির হোসেন নামক এক প্রবাসী জানান, তারা মূলত গত দেড় মাস যাবত অবরুদ্ধ রয়েছেন। ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। কোম্পানির পক্ষ থেকে চাল ডালসহ কিছু তরিতরকারি দিয়ে গেছে। এগুলো খেয়েই তারা ঘরের মধ্যে দিন যাপন করছেন। কাজ নেই। বসে বসে খাচ্ছেন। দেশ থেকে ঋণ করে সৌদি আরব এসেছেন। এভাবে কাজহীন বসে থাকলে ঋণ কিভাবে পরিশোধ করবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন। আমির হোসেনের মতো আরো অনেকেই আছে যারা বেকার ঘরে বসে আছে।

ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের একমাত্র সচল রাস্তা ছিল রেমিট্যান্স প্রবাহ। কিন্তু রেমিট্যান্স প্রবাহ অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোতেও বৈদেশিক মুদ্রার আন্তঃপ্রবাহ কমে গেছে। এতে ব্যাংকগুলোর আমদানির দায় মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

করোনার প্রভাবে ধারাবাহিকভাবে কমছে রেমিট্যান্স
                                  

ধারাবাহিভাবে কমছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশীরা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাসী আয়ের ওপর। গত মার্চ ও এপ্রিলের ধারাবাহিকতায় গত মে মাসেও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক ১৪ শতাংশ হয়েছে। সামনে এ ধারা অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, করোনার প্রভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহেও বড় ধরনের ভাটা পড়ে গেছে। শ্রমিকরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় বলা চলে গত তিন মাস যাবত প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে রেমিট্যান্স আসা। সামনের দিনগুলোতে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও ভয়াবহ আকারে কমে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান, গত মার্চের আগে প্রায় প্রতিমাসেই গড়ে ২০ শতাংশের ওপরে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পেত। বিশেষ করে রেমিট্যান্সের ওপরে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেয়ার পর রেমিট্যান্স প্রবাহ আরো বেড়ে যায়। সেই রেমিট্যান্স প্রবাহ গত এপ্রিলে ২৪ শতাংশ ঋণাত্মক হয়েছে।

এদিকে আগের বছরের একই মাসের তুলনায় রোজা ও ঈদের মাস গত মে মাসে রেমিট্যান্স কমেছে ২৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আগের বছরের একই মাসের তুলনায় যা ১৪ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ কম। করোনাভাইরাসের প্রভাব ব্যাপকভাবে শুরুর আগের মাস গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি ছিল ২০ দশমিক ২০ শতাংশ। গত এপ্রিল মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা মাত্র ১০৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠায়। আগের বছরের একই মাসের তুলনায় যা ৩৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা ২৪ দশমিক ২৭ শতাংশ কম। বিশ্বব্যাপী করোনার প্রভাব ব্যাপকভাবে শুরুর প্রথম মাস গত মার্চে রেমিট্যান্স ১৮ কোটি ২০ লাখ ডলার বা ১২ দশমিক ৪৮ শতাংশ কমে ১২৭ কোটি ৭৬ লাখ ডলারে নেমেছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশের দেশের প্রায় এক কোটি মানুষ বিদেশে অবস্থান করছে। রেমিট্যান্স প্রবাহের প্রায় দুই তৃতীয়াংশ রেমিট্যান্স আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। ১১ দশমিক ৬৫ শতাংশ আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে আসে ১২ দশমিক ৩৫ শতাংশ। আর ইটালিতে বৈধ-অবৈধভাবে থাকে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রভাবে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বেশির ভাগ মানুষ। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বের হচ্ছে না।

সৌদি আরব থেকে মো: আমির হোসেন নামক এক প্রবাসী জানান, তারা মূলত গত দেড় মাস যাবত অবরুদ্ধ রয়েছেন। ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। কোম্পানির পক্ষ থেকে চাল ডালসহ কিছু তরিতরকারি দিয়ে গেছে। এগুলো খেয়েই তারা ঘরের মধ্যে দিন যাপন করছেন। কাজ নেই। বসে বসে খাচ্ছেন। দেশ থেকে ঋণ করে সৌদি আরব এসেছেন। এভাবে কাজহীন বসে থাকলে ঋণ কিভাবে পরিশোধ করবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন। আমির হোসেনের মতো আরো অনেকেই আছে যারা বেকার ঘরে বসে আছে।

ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের একমাত্র সচল রাস্তা ছিল রেমিট্যান্স প্রবাহ। কিন্তু রেমিট্যান্স প্রবাহ অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোতেও বৈদেশিক মুদ্রার আন্তঃপ্রবাহ কমে গেছে। এতে ব্যাংকগুলোর আমদানির দায় মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

বাংলাদেশের তৈরী ৬৫ লাখ পিপিই গেল যুক্তরাষ্ট্রে
                                  

যুগান্তরকারী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে বিশ্বমানের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) উৎপাদনকারী দেশের কাতারে যোগ দিয়ে মার্কিন ব্র্যান্ড হেইনসের কাছে ৬৫ লাখ পিপিই গাউনের একটি বড় চালান পাঠিয়েছে বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতের নেতৃত্বস্থানীয় ব্র্যান্ড বেক্সিমকো। মার্কিন কেন্দ্রীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (ফেমা) কাছে এ চালানটি পৌঁছাবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে এ প্রথম বড় ধরনের পিপিইর চালান যাচ্ছে। যা হয়তো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নজরে আসতে পারে।’

মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে বেক্সিমকোর তৈরি করা পিপিইর চালানকে বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, বাংলাদেশের মতো বাকি বিশ্বও মহামারীর সাথে লড়াইয়ে এক কঠিন সময় পার করছে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বেক্সিমকোর অবদানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘এমন এক সংকটময় সময়ে বাংলাদেশ মাত্র দুই মাসের মধ্যে এ মুহূর্তে স্বাস্থ্য খাতের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিশ্বের এক গুরুত্বপূর্ণ বাজারে রপ্তানি করছে; তাও আবার ১০-২০ হাজার নয়, ৬৫ লাখ পিস। এ এক অভাবনীয় অর্জন।’

আরো শক্তিশালী হয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে আম্ফান
                                  

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ঠ ঘূর্ণিঝড় আম্ফান আরো শক্তিশালী হয়ে সামান্য উত্তর দিকে অগ্রসর হয়েছে। এটি আরো ঘনীভূত হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে।

রোববার রাত নটায় একথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া দপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় আম্ফান রাতে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ১২৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ১২২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১২১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১১৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরো ঘনীভূত হয়ে উত্তর উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

আবহাওয়া দপ্তর জানায়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ১১০ কিলোমিটার যা দমকা হাওয়ার আকারে ১৩০কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে। এ কারণে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর গভীর সাগরে অবস্থানরত নৌযান ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে যেন স্বল্প সময়ের নোটিশে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারে। একইসাথে এসব নৌযানকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

২৯ মে থেকে ব্যাংকারদের করোনা বোনাস বাতিল
                                  

করোনা সংক্রমণের মধ্যে ঘোষিত সাধারণ ছুটিতে সীমিত আকারে চালু রয়েছে ব্যাংকিং সেবা। এই সময়ে ব্যাংকাররা সশরীরে মাসে ১০ দিন অফিস করলে পুরোমাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ বোনাস ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। করোনার মধ্যে ঘোষিত সেই বোনাসের কার্যকারিতা ২৮ মের পর থেকে বাতিল করা হয়েছে। ২৯ মার্চ থেকে ২৮ মে পর্যন্ত এই দুইমাসের বোনাস পাবেন কর্মকর্তারা। রবিবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সূত্র জানায়, করোনার সংক্রমণে ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। এই সময়ে সীমিত আকারে ব্যাংক খোলার রাখার সিদ্ধান্ত দিলে ব্যাংকাররা ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এরপর ১২ এপ্রিল প্রজ্ঞাপন জারি করে সশরীরে ব্যাংকে আসা কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। করোনা বোনাসের আওতায় মূল বেসিকের সমপরিমাণ এবং যাদের বেসিক নির্ধারণ করা নেই তারা সর্বনিম্ন ৩০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা বোনাস নিতে পারবেন। এই সার্কুলারের পর অনেক কর্মকর্তা অফিসে আসা শুরু করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এদিকে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে এই বোনাস দিতে গড়িমসি করছে। অনেক কর্মকর্তাদের ব্যাংকে ডেকে এনে কাজ করালেও তাদের হাজিরা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে সাধারণ ছুটি থাকলেও লকডাউন কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে ব্যাংকিং সেবার সময়ও বাড়ানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক করোনার কারণে ঘোষিত বোনাসের মেয়াদ আগামী ২৮ মে পর্যন্ত থাকবে। ২৯ মার্চ থেকে ২৮ মে এই দুইমাস বোনাস পাবেন কর্মকর্তারা।

এ সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং কর্মকাণ্ড গতিশীল করার মাধ্যমে অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষে অন্যান্য খাতের মত ব্যাংকিং কার্যক্রম চালুর রাখার আবশ্যকতা রয়েছে। সীমিত ব্যাংকিং কার্যক্রম প্রত্যাহার করে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক কার্যক্রমে নিয়ে আসা হচ্ছে। তাই ২৮ মের পর প্রণোদনা অব্যাহত রাখার আবশ্যকতা নেই। তাই ২৯ মে থেকে বোনাস দেওয়ার সার্কুলারের কার্যকারিতা থাকবে না। তবে ২৯ মে থেকে সাধারণ ছুটির মধ্যে কেউ অফিস করলে ব্যাংকের নিজস্ব নীতিমালা অনুসারে যাতায়াত ভাতা প্রাপ্য হবেন।

পৌনে ২ লাখ কোটি টাকার ঘাটতি বাজেট আসছে
                                  

আগামী অর্থবছরের জন্য প্রায় পৌনে দুই লাখ কোটি টাকার রেকর্ড পরিমাণ ঘাটতি বাজেট প্রণয়নের কাজটি প্রায় শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। জিডিপির অংশ হিসেবে বাজেট ঘাটতি সাড়ে ৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যাচ্ছে। অন্ততপক্ষে গত ১০ বছরের মধ্যে এত বিশাল পরিমাণ ঘাটতি নিয়ে বাজেট প্রণয়ন করা হয়নি বলে জানা গেছে। এর আগে সব সময় বাজেট ঘাটতি ‘পেস্টিজ নাম্বার’ হিসেবে বিবেচিত জিডিপির ৫ শতাংশের নিচে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। অর্থ বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এত বিশাল অঙ্কের ঘাটতি কিভাবে পূরণ করা হবে- তারও একটি হিসাব কষে রেখেছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট প্রণয়নকারী ‘ঝানু’ আমলারা। খুব সহজ উপায় হিসেবে বাজেট ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করা হবে ব্যাংকিং খাতের ওপর হাত রেখেই। এর ফলে শুধুমাত্র ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হচ্ছে ৭২ হাজার কোটি টাকা। যা ইতোমধ্যে চলতি অর্থবছরের ঘাটতি পূরণের জন্য ব্যাংক থেকে নিয়ে নেয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে এ খাত থেকে নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৭ হাজার কোটি টাকা।

এত বিশাল অঙ্কের টাকা ব্যাংকব্যবস্থা থেকে নেয়া হলে বেসরকারি খাত ঋণ থেকে বঞ্চিত হতে পারে। কিন্তু সরকারের হাতে ঘাটতি পূরণের জন্য সহজ উপায় হিসেবে আর কোনো দ্বিতীয় পন্থা এখন আর চোখে দেখা যাচ্ছে না। কারণ করোনা পরিস্থিতির ফলে আগামী ২০২০-২০২১ অর্থবছরে রাজস্ব আয় কেমন হবে তার কোনো সুনির্দিষ্ট প্রক্ষেপণ এখন পর্যন্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। চলতি অর্থবছরে এ খাত থেকে অর্জন এখন ‘পরাজিত সৈনিকের’ মতো অবস্থা। বছর শেষে রাজস্ব ঘাটতি এক লাখ কোটি টাকা ছুঁয়ে যেতে পারে বলে ইতোমধ্যে শঙ্কা ব্যক্ত করেছেন এনবিআরের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান মো: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। তার হাত ধরে চলতি বছর প্রথম সাত মাস এনবিআর রাজস্ব আয়ের চেষ্টাটি করেছিল।

রাজস্ব ঘাটতি বেড়ে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে যেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, করোনার কারণে অর্থনীতির এখন বেসামাল অবস্থা। এ অবস্থা কত দিন চলবে তা আমরা এখন পর্যন্ত জানি না। আগামী অর্থবছরের বাজেটে মূল কাজ হবে অর্থনীতিকে কাদা থেকে টেনে তোলা। এ ক্ষেত্রে বাজেট ঘাটতি সাড়ে ৫ হোক বা ৬ হোক তা নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথ্যা নেই । তবে ঘাটতি পূরণের জন্য আগামী অর্থবছরে ব্যাংকঋণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়বে। তবে আমরা বিদেশী সহায়তা ভালো পাবো আশা করি। সে ক্ষেত্রে বিদেশী ঋণ আসতে পারে কম করে হলেও ৪০০ কোটি টাকা মার্কিন ডলার।

চলতি অর্থবছরে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ রয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৭৯ কোটি টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয় আগামী অর্থবছরের জন্য ১ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি প্রাক্কলন করেছে। সে হিসেবে আগামী অর্থবছরে ঘাটতির পরিমাণ চলতি অর্থবছর থেকে ২৯ হাজার ৬২১ কোটি টাকা বেশি।

সাধারণত ঘাটতি মেটাতে সরকারকে দুই খাতের ওপর নির্ভরশীল থাকতে হয়। অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক। অভ্যন্তরীণ খাত আবার দুই ভাগে ভাগ করা। এর একটি হলো, ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নেয়া। আর অপরটি হলো, সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ঋণ নেয়া।

দেশীয় উৎস : আগামী অর্থবছরের বাজেটে দেশীয় খাতে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ১ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার ব্যাংক থেকে বেশিমাত্রায় ঋণ নেয়ার চিন্তাভাবনা করছে। ব্যাংক থেকে সরকার ৭২ হাজার কোটি টাকার ঋণ নেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করতে যাচ্ছে। চলতি বাজেটে ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ৪০ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা। কিন্তু এখন পর্যন্ত ঋণ নেয়া হয়ে গেছে ৭৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি। সে হিসেবে আগামী বাজেটে ব্যাংকঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা বাড়ছে ৩১ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা। আর আগামী বাজেটে সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। চলতি বাজেটে সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা। সে হিসাবে এ উৎস থেকে লক্ষ্যমাত্রা বাড়ছে ৫ হাজার কোটি টাকা।

বিদেশী উৎস : বাজেট ঘাটতি মেটাতে সরকার আগামী অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকছে বিদেশী উৎসের ওপর। আগামী বাজেটে বিদেশী উৎস থেকে সরকার ৭৫ হাজার কোটি টাকার সহায়তা পাওয়ার আশা করছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে এ লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৬৮ হাজার ১৬ কোটি টাকা। সে হিসেবে ৬ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রা বাড়ছে।

সূত্র : নয়া দিগন্ত

সরকারি নগদ সহায়তার তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশের দাবি টিআইবির
                                  

করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সরকার ঘোষিত হতদরিদ্র ৫০ লাখ পরিবারের জন্য ২ হাজার ৫শ’ টাকা করে নগদ সহায়তা কার্যক্রমের তালিকায় অমানবিক অনিয়ম হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে দুর্নীতি বিরোধী আর্ন্তজাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

শনিবার এক বিবৃতিতে টিআইবি বলেছে, একই সাথে এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহ সংশ্লিষ্ট কেলেঙ্কারির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না করা ও কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

নগদ সহায়তার তালিকায় অনেক বিত্তশালী ও জনপ্রতিনিধিদের সচ্ছল আত্মীয়-স্বজনের নাম থাকায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

প্রকৃত হতদরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত ও দুর্যোগের ফলে বিপন্ন অসচ্ছলদের হাতে যাতে এ সহায়তার টাকা পৌঁছে তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যারা এ অর্থ পাচ্ছেন বা পাবেন তাদের পূর্ণ তালিকা সর্বসাধারণের জ্ঞাতার্থে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী একই মোবাইল নম্বর ২শ’ জন উপকারভোগীর নামের বিপরীতে ব্যবহৃত হওয়ার ঘটনা কখনই অনিচ্ছাকৃত ভুল অংশ হতে পারে না।

তিনি বলেন, জাতির এ চরম সংকটময় মুহূর্তে সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গণমুখী উদ্যোগ এই কার্যক্রমে এক শ্রেণির অসাধু গোষ্ঠীর দুর্নীতিপ্রবণ মানসিকতা ও কর্মকাণ্ডে আমরা হতাশ ও উদ্বিগ্ন। দেশ এবং দেশের মানুষ এখন এক মহাসঙ্কটকাল অতিবাহিত করছেন। সবচেয়ে বেশি বিপন্ন অবস্থায় আছেন হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন করোনা সংক্রমণের কারণে সৃষ্ট অচলাবস্থায় বেকার হয়ে যাওয়া সমাজের খেটে খাওয়া মানুষেরা। সবধরনের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বাইরে থাকা এসব মানুষকে এই ক্রান্তিকালীন মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর নগদ সহায়তার উদ্যোগ সাধুবাদ পাবার যোগ্য। কিন্তু তালিকা প্রণয়নে স্থানীয় পর্যায়ে অনিয়ম ও বিতরণে অদক্ষতা এবং সমন্বয়হীনতা পুরো কার্যক্রমকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলতে যাচ্ছে, যা মোটেই কাম্য নয়। এক্ষেত্রে সত্যিকার অর্থে যাদের সহায়তা প্রয়োজন তারা যাতে উপকৃত হতে পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে। এলক্ষ্যে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে সহায়তাপ্রাপ্ত সবার তালিকা ওয়েবসাইটসহ সর্বসাধারণের অভিগম্য উপায়ে প্রকাশ করা জরুরি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহের ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে। চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে জাতির এই সংকটকালীন মুহূর্তে নিজেদের জীবন বিপন্ন করে করোনা আক্রান্তসহ অন্যদের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছে সেই চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের অপরিহার্য উপাদান মাস্ক সরবরাহের ক্ষেত্রে সংঘটিত অনিয়মের ঘটনার এখনও কোনো সুরাহা হয়নি। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট দাখিল হওয়া সত্ত্বেও ঘটনার এতদিন অতিবাহিত হলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী এখনও প্রতিবেদনটি দেখার সুযোগ পাননি, কোনো পদক্ষেপও গৃহীত হয়নি,যা সত্যিই দুঃখজনক।

করোনায় বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি হতে পারে ৭৪৮ লাখ কোটি টাকা: এডিবি
                                  

করোনা ভাইরাসের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতির পরিমাণ ৫ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে ৮ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৪৯৩ লাখ কোটি টাকা থেকে ৭৪৮ লাখ কোটি টাকার সমান (১ ডলার=৮৫ টাকা হিসাবে)। এই ক্ষতির পরিমাণ বিশ্ব জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) ৬ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে ৯ দশমিক ৭ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।

শুক্রবার কভিড-১৯ এর সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ক্ষতির পূর্বাভাস প্রতিবেদনে এমনটি আশঙ্কা করেছে সংস্থাটি। এতে বিশ্ব অর্থনীতির যে ক্ষতির হিসাব করা হয়েছে সেটি বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের একশ থেকে দেড়শ গুণের সমান। এডিবির হিসাবে অর্থনীতির ক্ষতির পাশাপাশি বিশ্বে ১৫ কোটি ৮০ থেকে ২৪ কোটি ২০ লাখ মানুষ কর্মহীন হতে পারে। এর মধ্যে ৭০ শতাংশই এশিয়ার। করোনার প্রভাব যদি ৬ মাস পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হয়, সেক্ষেত্রে সারা বিশ্বের উৎপাদন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

সংস্থাটি এবারের পূর্বাভাসে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে করোনাজনিত ক্ষতির পরিমাণ এপ্রিলে প্রকাশিত পূর্বাভাসের চেয়ে দ্বিগুণ প্রাক্কলন করেছে। এডিবির হিসাবে, করোনার প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতির ক্ষতির পরিমাণ হতে পারে ১৪ হাজার ২০০ কোটি ডলার থেকে ২১ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের মতো। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকা থেকে ১৮ লাখ ৫৩ হাজার কোটি টাকার সমান। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানে করোনা মোকাবিলায় লকডাউনসহ কঠোর বিধিনিষেধের কারণে সার্বিকভাবে এই অঞ্চলে জিডিপি ৩ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে ৬ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে।

সংস্থাটি জানায়, করোনার উৎপত্তিস্থল চীনের অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি ডলার (৯৩ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা) থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার কোটি ডলারের (১৩৬ লাখ কোটি টাকা) সমান। আর এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এই আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে ১ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার (১৪৪ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা) থেকে ২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার (২১২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা)।

প্রতিবেদন বিষয়ে এডিবির প্রধান অর্থনীতিবিদ ইয়াসুয়াকি সাওয়াদা বলেন, নতুন পূর্বাভাস থেকে বিশ্ব অর্থনীতিতে কভিড-১৯ এর ভয়াবহ প্রভাবের একটি চিত্র উঠে এসেছে। এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে নীতি সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, করোনার প্রভাব এখন সারা বিশ্বেই স্পষ্ট। বড় বড় অর্থনীতির দেশ ইতোমধ্যে প্রবৃদ্ধি না হয়ে সংকোচনের দিকে এগুচ্ছে। সারাবিশ্বে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই প্রায় সাড়ে ৩ কোটি মানুষ সরকারি বেকার ভাতার জন্য আবেদন জানিয়েছে। প্রণোদনা দিয়ে অর্থনীতি চাঙ্গা রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে পুরো বিশ্ব।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ ছাড়াও বিশ্ব অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে কর্মসংস্থানের সুরক্ষা অপরিহার্য।

৭০ কোটি ডলার দ্রুত ছাড়ে আইএমএফকে চিঠি দিচ্ছেন অর্থমন্ত্রী
                                  

করোনার বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় দ্রুত ৭০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড় করতে আইএমএফকে অনুরোধ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) আরসিএফের (র্যাপিড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি) আওতায় এ ঋণ ব্যালান্স অব পেমেন্টের (বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিপত্র) ঘাটতি মোকাবেলায় ব্যবহার করা হবে। দ্রুত অর্থ ছাড় করার জন্য এ সপ্তাহেই অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আইএমএফের কাছে একটি পত্র দিতে যাচ্ছেন। চিঠিতে বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতির একটি সার্বিক চিত্র তুলে ধরে দ্রুত ৭০ কোটি ডলার (বাংলাদেশী মানে যা প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা) ছাড় করার জন্য অনুরোধ জানানো হবে বলে অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে গত এপ্রিলে আইএমএফের কাছে এই পরিমাণ অর্থ চেয়ে আবেদন করেছিল বাংলাদেশ। এ ঋণের জন্য তেমন কোনো শর্ত দেয়া হয় না। শুধুমাত্র বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য বজায় রেখে দারিদ্র্যবিমোচনের দিকে বেশি নজর দিতে বলা হয়।

জানা গেছে, আরসিএফের আওতায় পাওয়া ঋণের সুদহার শূন্য শতাংশ। অর্থাৎ, এ ঋণে কোনো সুদ আরোপ করা হয় না। আইএমএফের ঋণে কঠিন শর্ত থাকলেও এ ক্ষেত্রে তেমন কোনো কঠিন শর্ত থাকে না। সাড়ে পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ড দিয়ে (এই সময় ঋণের কোনো কিস্তি পরিশোধ করতে হয় না) ঋণ পরিশোধের সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে ১০ বছর। দীর্ঘমেয়াদি এ ঋণের অর্থ যেকোনো দেশ তার প্রয়োজনমতো ব্যবহার করতে পারে। তবে আবেদন দেশভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিবেচনা করা হয়। দেখা হয়, সংশ্লিষ্ট দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ঘাটতি রয়েছে কি না, দেশটির সার্বিক সামষ্টিক অর্থনৈতিক চিত্র কী এবং দেশটি ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য রাখে কি না। এ বিষয়ে

অর্থ বিভাগের একটি সূত্র জানায়, আইএমএফ করোনাভাইরাসে সদস্য দেশগুলোর আর্থিক ক্ষতি মোকাবেলায় ১০ হাজার কোটি ডলারের একটি তহবিল তৈরি করেছে। আরসিএফের আওতায় গঠিত এ তহবিল থেকে সদস্য দেশগুলোকে কম সুদে এবং সহজশর্তে ঋণ দেয়ার কথা বলা হয়েছে। এখন বাংলাদেশ এ তহবিল থেকে ৭০ কোটি ডলার চেয়েছে। ঋণটি দ্রুত প্রয়োজন তাই অর্থমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এটি দ্রুত ছাড় করার জন্য চলতি সপ্তাহেই চিঠি পাঠানো হচ্ছে। এ চিঠির খুঁটিনাটি ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এতে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক চিত্র তুলে ধরে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের পক্ষ থেকে কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তার বিশদ বিবরণ উল্লেখ থাকবে। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রায় এক লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের বিষয়টি উল্লেখ করে আইএমএফকে বলা হবে, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যে এক ধরনের চাপ অনুভূত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ চাপ আরো প্রকট আকার ধারণ করতে পারে।

জানা গেছে, চলতি বছরের জন্য আইএমএফের কাছে বাংলাদেশের ঋণের কোটা রয়েছে প্রায় ১৪৬ কোটি মার্কিন ডলার। অর্থনৈতিক সক্ষমতা অনুযায়ী আইএমএফের কাছ থেকে বাংলাদেশ ১২০ কোটি ডলার ঋণ পেতে পারে। কারণ কোনো দেশকে আইএমএফের ঋণ পেতে হলে অর্থনৈতিক সূচকগুলোর অবস্থা বিবেচনায় নেয়া হয়। এ কারণে ৭০ কোটি ডলার ঋণ আইএমএফ থেকে বাংলাদেশ পেতে পারে। এর আগে আইএমএফের কাছ থেকে বাংলাদেশ সর্বশেষ ২০১২ সালে ৯৮ কোটি ডলার ঋণ নিয়েছিল। এর মেয়াদ ২০১৫ সালে শেষ হয়েছে। এর পর থেকে আইএমএফের সাথে সরকারের কোনো ঋণ চুক্তি নেই। তারা বাংলাদেশকে ঋণ দিতে নানা প্রস্তাব দিলেও সরকার তা গ্রহণ করেনি। কারণ ওই সময়ে সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার কোনো ঘাটতি ছিল না।

উল্লেখ্য, গত এপ্রিলে আইএমএফ করোনার প্রভাব মোকাবেলা করতে পাকিস্তানকে ১৩৯ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। সার্ক অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তানই প্রথম করোনার প্রভাব মোকাবেলায় ঋণসহায়তা পেয়েছে। পাকিস্তানের অর্থনীতি এমনিতে খারাপ অবস্থায় রয়েছে, উপরন্তু বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি বেশি হওয়ায় আইএমএফ দ্রুত তাদের ওই ঋণ দেয়। ||নয়া দিগন্ত

বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া ঠিক হবে না: সিপিডি
                                  

আগামী অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে মধ্যবিত্ত শ্রেণির ওপর চাপ কমাতে করমুক্ত আয়সীমা ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)। সেই সাথে সংস্থাটি মনে করে, বাজেটে কালো টাকা সাদা করার কোনো সুযোগ দেয়া ঠিক হবে না। বাজেটে স্বাস্থ্য সুরক্ষা, কৃষি, সামাজিক নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্ব দিতে হবে বলেও সিপিডি সুপারিশ করেছে।

শনিবার ‘কোভিড-১৯: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও বাজেট ২০২০-২১’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়। সিপিডি বলছে, চলমান কোভিড-১৯ মহামারির প্রেক্ষাপটে ২০২০-২১ অর্থবছরে বিভিন্ন অর্থনৈতিক ঝুঁকির মধ্যে থাকবে বাংলাদেশের অর্থনীতি। এ অবস্থায় জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে আগামী অর্থবছরের জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করা উচিত। সিপিডির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
তিনি বলেন, চলমান মহামারির ফলে ২০২০-২১ অর্থবছরে জাতীয় অর্থনীতি বিভিন্নমুখী ঝুঁকির মধ্যে থাকবে। বাস্তবসম্মত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের মাধ্যমে এসব ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য একটি সম্প্রসারণমূলক বাজেট প্রণয়ন করা জরুরি। বিভিন্ন সরকারি ব্যয় ও বরাদ্দের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন করা উচিত। সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন মিতব্যায়ী হয়ে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় সংকোচনের মাধ্যমে অর্থের সংস্থানের পরামর্শ দিয়ে বলেন, প্রশাসনিক ও অন্যান্য অনুৎপাদনশীল খাতে সরকারের ৫০ শতাংশ ব্যয় কমানোর সুযোগ রয়েছে।

বিভিন্ন দাপ্তরিক কার্যকমে ও সরকারি পরিবহন ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছতা আনয়নের মাধ্যমে সরকারের সাশ্রয়ী ও ব্যয় সংকোচনমূলক নীতি গ্রহণ করা যেতে পারে। সিপিডির সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও অপ্রত্যক্ষ করের ওপর বেশি চাপ না দেয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। তিনি বলেন, চলমান মহামারির ফলে দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ, যারা দৈনিক ও চুক্তিভিত্তিক মজুরির ওপর নির্ভরশীল, তারা এক বড় ধরনের অর্থনৈতিক শঙ্কার মধ্যে পড়েছেন।

একইসাথে, প্রবাসী কর্মীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দেশে ফিরে এসেছেন এবং অনেকে কর্মহীন অবস্থায় রয়েছেন। এ প্রেক্ষাপটে প্রবাসী কর্মীসহ দেশের কর্মহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের একটি অর্থিক সহযোগিতা কাঠামো বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। ২০১৩ সালের পর থেকে দেশে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। এসব খাতে ধারাবাহিকভাবে নিয়োগের মাধ্যমে স্বাস্থ্য জনবল কাঠামো শক্তিশালী ও দক্ষ করার সুযোগ রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি। সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম সরকারের অনুন্নয়ন ব্যয় কমানোর পরামর্শ দিয়ে আগামী অর্থবছরে এ ধরনের ব্যয় কমানো উচিত বলে তিনি মত দেন। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষিখাতে ভর্তুকি বৃদ্ধি ও অব্যাহত রাখা এবং বিভিন্ন খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর সরকারের জোর দেয়া উচিত বলেও জানান ড. মোয়াজ্জেম।

প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় পোশাক শ্রমিকরা বেতন পেতে শুরু করেছে
                                  

কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় সরকার ঘোষিত ৫ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় তৈরি পোশাকখাতের শ্রমিকরা এপ্রিল মাসের বেতন পেতে শুরু করেছে।

রফতানিমূখী তৈরি পোশাক কারখানার আবেদনের প্রেক্ষিতে ব্যাংকগুলো বেশ কয়েক দিন আগে থেকেই সহজ শর্তের এই ঋণ বিতরণ শুরু করেছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র এম সিরাজুল ইসলাম জানান, বাণিজ্যিক ব্যাংকের চাহিদা অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রণোদনা প্যকেজের অর্থ ছাড় করেছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথম ধাপে ২ হাজার কোটি টাকা ছাড় করেছি। ব্যাংকগুলোর চাহিদা মোতাবেক এটি দেয়া হচ্ছে।’

রফতানিমূখী পোশাক করাখানার শ্রমিকদের এপ্রিল, মে ও জুন মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য সরকার ৫ হাজার কোটি টাকার এই প্রনোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে।

রফতানিমূখী তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর ভাইস প্রেসিডেন্ট ফয়সাল সামাদ বলেন, ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বেতন পেয়ে গেছে। বাকি কারখানাগুলো খুব শীঘ্রই বেতন পরিশোধ করবে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ঋণের আবেদন করার জন্য মোট ১৬৫০টি কারখানাকে বিজিএমইএ সনদ প্রদান করেছে। এই বেতন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেয়া হচ্ছে। ৩০ লাখ শ্রমিকের মোবাইল ব্যাংক একাউন্ট আছে বলে তিনি জানান।

উৎপাদনের ন্যুনতম ৮০ শতাংশ পণ্য রফতানি করছে এমন সচল প্রতিষ্ঠান এই প্যাকেজের আওতায় সুদবিহীন সর্বোচ্চ ২ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ দিয়ে ঋণ নিতে পারবে। বাসস

জুনের শুরুতেই ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন: অর্থমন্ত্রী
                                  

আসছে জুন মাসের শুরুতেই ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তিনি বলেন, করোনা কারণে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তাতে বাজেট পেছানোর সুযোগ নেই। কারণ বাজেট একটি সাংবিধানিক বিষয়। সাংবিধানিক ভাবেই জাতীয় বাজেট সংসদে নিয়ে আসতে হবে। বাজেট ছাড়া একটি পয়সাও ব্যয় করার সুযোগ নেই।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সাথে মোবাইলে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।

উল্লেখ্য, বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ মেয়াদে ছুটি ও বিভিন্ন স্থানে লকডাউনের কারণে প্রাক বাজেট আলোচনা আনুষ্ঠানিকভাবে করা সম্ভব হচ্ছে না। অর্থমন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অনলাইনে সকলের কাছ থেকে মতামত নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেটটি হচ্ছে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে। আমাদের অন্যান্য বছরের সাথে এবারের বাজেটে অনেক তফাৎ রয়েছে, সেটি হল করোনা ভাইরাস। সাধারণত বাজেটের আগে আমরা দেশের খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধিসহ সকলের সাথে আলোচনা করে মতামতের ভিত্তিতে বাজেট ডকুমেন্ট তৈরি করে থাকি। যাতে সকলের কাছে বাজেট গ্রহণযোগ্য হয়। এবার সেই সুযোগটি নেই। আমরা সরাসরি মতবিনিময় করতে পারছি না। আমাদের অর্থনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমরা বাজেটের সাথে সম্পর্কিত করতে চেষ্টা করতাম। দীর্ঘ দিনের এই ধারাবাহিকতা এবার রক্ষা করা যাচ্ছে না। যেহেতু আমাদের ওয়েবসাইট আছে। তাছাড়া ডিজিটাল পদ্ধতি সম্পর্কে অনেকেই অবহিত রয়েছে। তাই দল-মত নির্বিশেষে আসন্ন ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট তারা কিভাবে দেখতে চান সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে মতামত দেওয়ার আহ্বান করা হয়েছে। এর ফলে আমরাও উপকৃত হবো বলে মনে করি।

তিনি বলেন, আমরা একটা টিম তৈরি করেছি, তারা এই মতামতগুলো পড়ে দেখবেন। আমরা আশস্ত করতে পারি, এগুলো বিবেচনায় নেওয়া হবে। যেগুলো নেওয়া সম্ভব হবে না সেগুলো পরবর্তী বাজেটে বিবেচনা করা হবে।

করোনা পরিস্থিতির কারণে স্বল্পকালীন বাজেট দেওয়া অথবা মূল বাজেট পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে এটি সম্ভব নয়। সঠিক সময়ে বাজেট সংসদে উপস্থাপন করা হবে। এবারের বাজেট প্রসঙ্গে অন্য প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা চলতি অর্থবছরটি যেভাবে শুরু করেছিলাম সেই অবস্থা এখন আর নেই। চলতি অর্থবছরের আট মাস আমরা ভালোভাবে পার করতে পেরেছি। পরের চার মাস খারাপ যাচ্ছে। আমরা এই ভালো-মন্দ দুটোর মাঝামাঝি একটা অবস্থান ঠিক রেখে পরবর্তী বাজেট তৈরি করতে হবে। আমাদের চলমান প্রকল্পগুলো শেষ করতে হবে। আসছে বাজেটে চলমান প্রকল্পগুলো শেষ করার প্রতি গুরুত্ব থাকবে। মন্ত্রণালয়গুলোকে সেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য বাজেট প্রণয়নে দেশের সকল শ্রেণি পেশার মানুষের মতামত অনলাইনে দেওয়া যাবে। অর্থ বিভাগের ওয়েরসাইটে (http://www.mof.gov.bd) গিয়ে জাতীয় বাজেট ২০২০-২১ প্রণয়নে মতামত/পরামর্শ (Opinion/Suggestion for Budget : ২০২০-২১ Preparation) এই অপশনে ক্লিক করেই যে কেউ তার মতামত প্রদান করতে পারবেন। দেশ বা বিদেশ থেকেও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বাজেট প্রণয়নের ফরম পূরণ করে বাজেট প্রনয়ন সম্পর্কে মতামত ও সুপারিশ দেওয়া যাবে।

শনিবার থেকে ২৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি করবে টিসিবি
                                  

সাধারণ মানুষের জন্য তুলনামূলক কম দামে পণ্য বিক্রি করা সরকারি বিপণন সংস্থা-টিসিবি আগামী শনিবার থেকে ২৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি করবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বানিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী বলেন, ‘রমজানে পেঁয়াজের দাম একটু বৃদ্ধি পাওয়ায় শনিবার থেকে সারাদেশে ২৫ টাকা কেজি দরে পেয়াঁজ বিক্রি করবে টিসিবি।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে দেশের ৫০০টি স্থানে ট্রাকে ও ডিলারদের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। পণ্য বিক্রিতে যাতে কোথাও অনিয়ম না হয়, সেজন্য আমরা মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করেছি।’

দেশে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেয়ায় অন্তত চার মাস নিত্যপণ্যের কোনো সংকট হবে না জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে পর্যাপ্ত নিত্যপণ্য মজুদ রয়েছে।’

রমজান উপলক্ষে অন্য বছরের চেয়ে এবার ১০ গুণ বেশি পণ্য মজুদ করা হয়েছিলো দাবি করে মন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে টিসিবি ভালো সেবা দিতে পেরেছে।

চার মাস নিত্যপণ্যের কোনো সংকট হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
                                  

দেশে পর্যাপ্ত নিত্যপণ্য মজুদ রয়েছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী বলেছেন, দেশে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেয়ায় অন্তত চার মাস নিত্যপণ্যের কোনো সংকট হবে না।

তিনি বলেন, রমজান উপলক্ষে অন্য বছরের চেয়ে এবার ১০ গুণ বেশি পণ্য মজুদ করা হয়েছিলো।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের সাংবাদিকদের ব্রিকিংকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় করোনা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি আগে থেকেই ছিল বলে করোনা পরিস্তিতিতে ভালো অবস্থানে আছি।’

চলমান রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে দাবি করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এবার রমজান থাকলেও নিত্যপণ্য সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। আদার দাম বেড়ে গেছিল, আমরাও প্রচুর আমদানি করছি, এখন সহনীয় পর্যায়ে আছে। ১৫০ টাকা কেজি আদা। দেশে ছোলা ও বুট (ডাল) যথেষ্ট পরিমাণ রয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতে বিভিন্ন দেশ ক্রয় আদেশ যাতে বাতিল না করে সেই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে... আমদানিকারকদের চিঠি দেয়া হচ্ছে যাতে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলার বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে।’

তিনি আরো বলেন, ‘রেলে ভারত থেকে পণ্য আমদানির জন্য চারটি রুট ঠিক করা হয়েছে। রুটগুলো হচ্ছ- হিলি, বিরল, দর্শনা ও বেনাপোল।

এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মার্কেট খোলার বিষয়ে কোনো কঠোরতা নেই, যারা না চাইবে তারা খুলবে না।’

খাদ্যপণ্য সরবরাহের অনুমতি পেল ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো
                                  

দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে গ্রাহকদের দুয়ারে খাবার, বই, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ও পোশাক সরবরাহের অনুমতি দিয়েছে সরকার। 

রমজান মাসে জনসাধারণের সুবিধার্থে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে জানিয়ে এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, অনলাইনে পণ্য সরবরাহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি থাকা রেস্তোরাঁর কিচেন সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো যেসব রেস্তোরাঁর সাথে জড়িত রয়েছে তাদের তালিকা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে।

পণ্য সরবরাহকারী, সরবরাহে নিযুক্ত যান এবং এতে জড়িত সবাই স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

তবে রেস্তোরাঁয় বসে খাবার খাওয়া যাবে না বলে পুনরায় জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তিতে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশকে (ই-ক্যাব) তাদের সদস্যদের পরিচয়পত্র এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে, ই-ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াহেদ তমাল তাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রত্যয়নপত্র ও স্টিকার সংগ্রহ করে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুমোদিত পণ্যের বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানোর অনুরোধ জানিয়েছেন। সেই সাথে তিনি প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্টিকার ও প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করতে ই-ক্যাবের সাপোর্ট সেন্টারে যোগাযোগ করতে বলেছেন।

এর আগে কর্তৃপক্ষ অনলাইন ভিত্তিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সীমিত পরিসরে জরুরি পণ্য সরবরাহের অনুমতি দিয়েছিল।

করোনাভাইরাসের গণ সংক্রমণ এড়াতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস ও দোকানপাট বন্ধ রেখেছে সরকার।

বন্ধ থাকা কারখানার পোশাক শ্রমিকরা এপ্রিলের বেতন পাবেন ৬৫ শতাংশ
                                  

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে সরকারের সাধারণ ছুটির সময় এপ্রিল মাসে যেসব পোশাক কারখানা বন্ধ ছিল বা তখন যে শ্রমিকরা কাজ করেননি তাদের আরও ৫ শতাংশ বাড়িয়ে মোট মজুরির ৬৫ শতাংশ পরিশোধ করা হবে।

সোমবার রাজধানীর বিজয়নগরের শ্রম ভবনে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এর আগে এপ্রিলের মজুরি শ্রমিকরা ৬০ শতাংশ পাবেন বলে সরকার-মালিক-শ্রমিক ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। তবে কয়েকটি শ্রমিক সংগঠনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আজ নতুন করে আরও ৫ শতাংশ বাড়িয়ে তা ৬৫ শতাংশ করা হয়।

এপ্রিলের মজুরির হিসাব চূড়ন্ত হয়ে যাওয়ায় বর্ধিত মজুরির ৫ শতাংশ শ্রমিকরা মে মাসের মজুরি সাথে পাবেন।

সাবেক নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান, সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী, বিকেএমইএ সভাপতি ও সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান, শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিব কেএম আলী আজম, তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক, নিট পোশাক তৈরি ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিকেএমই’র জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি ফজলুল হক মন্টু, শ্রমিক নেতা মন্টু ঘোষ, আমিরুল হক আমিন, নাজমা আক্তার, বাবুল আখতার, শহীদুল্ল্যাহ শহীদ প্রমুখ বৈঠকে অংশ গ্রহণ করেন।

এদিকে, ঈদের আগে শ্রমিকদের উৎসব বোনাস নিয়ে আগামী সপ্তাহে সরকার-মালিক-শ্রমিক ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

এপ্রিল-মে মাসের ব্যাংক ঋণের সুদ স্থগিত
                                  

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবে ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সব ধরণের ব্যাংক ঋণের সুদ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রবিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে দেশের সব ব্যাংককে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সব ধরণের ব্যাংক ঋণ সুদবিহীন ব্লকড হিসাবে স্থানান্তর করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায় ‘এই স্থগিত সুদ পরবর্তী আদেশ না হওয়া পর্যন্ত ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে আদায় করা উচিত নয় এবং এ জাতীয় সুদের ব্যাংকগুলো আয়ের দিকে হস্তান্তর করা উচিত নয়।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘যদি কোনো ব্যাংক ইতোমধ্যে সুদের আয়ের ক্ষেত্রে এই পরিমাণ সুদ স্থানান্তর করে থাকে, তবে রিজার্ভ-এন্টির মাধ্যমে এটিকে সমন্বয় করতে হবে। ব্লকড হিসাবে রক্ষিত মুনাফা সমন্বয়ের বিষয়ে পরে জানানো হবে।’

রাজশাহী বিভাগের জেলা প্রশাসনের সাথে সাম্প্রতিক বৈঠককালে ব্যাংকের সুদ স্থগিতের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ সিদ্ধান্তে এলো।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের প্রভাব থেকে ব্যবসায়ীক কর্মকাণ্ডকে রক্ষা করতে সুদের স্থগিতাদেশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।


   Page 1 of 112
     অর্থ-বাণিজ্য
করোনার প্রভাবে ধারাবাহিকভাবে কমছে রেমিট্যান্স
.............................................................................................
বাংলাদেশের তৈরী ৬৫ লাখ পিপিই গেল যুক্তরাষ্ট্রে
.............................................................................................
আরো শক্তিশালী হয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে আম্ফান
.............................................................................................
২৯ মে থেকে ব্যাংকারদের করোনা বোনাস বাতিল
.............................................................................................
পৌনে ২ লাখ কোটি টাকার ঘাটতি বাজেট আসছে
.............................................................................................
সরকারি নগদ সহায়তার তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশের দাবি টিআইবির
.............................................................................................
করোনায় বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি হতে পারে ৭৪৮ লাখ কোটি টাকা: এডিবি
.............................................................................................
৭০ কোটি ডলার দ্রুত ছাড়ে আইএমএফকে চিঠি দিচ্ছেন অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া ঠিক হবে না: সিপিডি
.............................................................................................
প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় পোশাক শ্রমিকরা বেতন পেতে শুরু করেছে
.............................................................................................
জুনের শুরুতেই ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
শনিবার থেকে ২৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি করবে টিসিবি
.............................................................................................
চার মাস নিত্যপণ্যের কোনো সংকট হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
খাদ্যপণ্য সরবরাহের অনুমতি পেল ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো
.............................................................................................
বন্ধ থাকা কারখানার পোশাক শ্রমিকরা এপ্রিলের বেতন পাবেন ৬৫ শতাংশ
.............................................................................................
এপ্রিল-মে মাসের ব্যাংক ঋণের সুদ স্থগিত
.............................................................................................
উদীয়মান অর্থনীতির ৯ম অবস্থানে বাংলাদেশ: দ্য ইকোনমিস্ট
.............................................................................................
সরকার এক মাসে ঋণ নিলো ১০ হাজার কোটি টাকা
.............................................................................................
করোনায় কোনো শ্রমিকের কিছু হলে সব দায়িত্ব আমরা নেব: রুবানা হক
.............................................................................................
বেতন-ভাতার ৬০ শতাংশ পাবেন বাড়িতে থাকা গার্মেন্ট শ্রমিকরা
.............................................................................................
১৫ মাসের জন্য কৃষিঋণের সুদ কমল, ফসলে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ
.............................................................................................
আশুলিয়ার সাড়ে ৩০০ পোশাক কারখানা চালু
.............................................................................................
`করোনা সংকট থেকে উত্তরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের আহ্বান`
.............................................................................................
রবিবার থেকে খুলছে গার্মেন্টস কারখানা
.............................................................................................
নিন্মমানের হওয়ায় মি. বেকারের বিস্কুটসহ ১৭ পণ্য নিষিদ্ধ করল বিএসটিআই
.............................................................................................
প্রণোদনার ২৫ হাজার কোটি টাকা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক
.............................................................................................
শ্রমিকের বেতন ক্যাশ আউটে হাজারে ৪ টাকার বেশি নয়
.............................................................................................
জ্বালানি তেলের দাম মাইনাসে
.............................................................................................
এনজিওদের মাধ্যমে বিতরণ হবে ৩ হাজার কোটি টাকা
.............................................................................................
‘আসডা’র অর্ডার বাতিল, আবারো বড় ক্ষতির মুখে দেশের গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা
.............................................................................................
করোনার ধাক্কায় মার্চে রপ্তানি কমেছে ৫ হাজার কোটি টাকা
.............................................................................................
পোশাক কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে করোনা পরিস্থিতির ওপর: রুবানা হক
.............................................................................................
সরকারি প্রনোদোনায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠি বঞ্চিত : সিপিডি
.............................................................................................
করোনায় বিশ্বে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন কমানো হচ্ছে
.............................................................................................
শ্রমিকদের মার্চের বেতন ১৬ এপ্রিলের মধ্যে দেয়ার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর
.............................................................................................
আজ থেকে খোলা থাকবে সরকারি ব্যাংক
.............................................................................................
দেশের ১৪ শতাংশ মানুষের ঘরে খাবার নেই, চরম দারিদ্র্য বেড়েছে ৬০ শতাংশ: ব্র্যাক
.............................................................................................
পুঁজিবাজারের লেনদেন ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ
.............................................................................................
২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ শপিং মল
.............................................................................................
তৈরি পোশাক কারখানা ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধের সিদ্ধান্ত
.............................................................................................
১৯৩০ সালের মহামন্দার চেয়েও খারাপ হতে পারে বিশ্ব অর্থনীতি: আইএমএফ
.............................................................................................
করোনায় মারা গেলেন তৈরি পোশাক কারখানার চেয়ারম্যান
.............................................................................................
অগ্রণী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখা লকডাউন
.............................................................................................
লকডাউনে বন্ধ হচ্ছে ব্যাংকের শাখা
.............................................................................................
বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ সদস্য কারখানাগুলো ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ
.............................................................................................
সাভার ও আশুলিয়ায় শতাধিক পোশাক কারখানা এখনো খোলা
.............................................................................................
আর কতোটা অমানবিক হবেন তারা, পোশাকশিল্প মালিকেদের প্রতি টিআইবি
.............................................................................................
কারখানা ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখুন: মালিকদের প্রতি বিজিএমইএ
.............................................................................................
নিত্যপণ্যের আমদানি বন্ধ, সংকটের আশঙ্কা
.............................................................................................
ফেস মাস্ক ও হ্যান্ড সেনিটাইজার রপ্তানিতে নিষেজ্ঞা প্রত্যাহার
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD