বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
রমজানে ১৭টি পণ্য আমদানি দ্রুত করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ

রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্বাভাবিক রাখতে পেঁয়াজ, রসুন, মশুর ডাল, ছোলা, চিনি, সয়াবিন তেলসহ ১৭টি পণ্য আমদানির ঋণপত্র (এলসি) খোলাসহ যাবতীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্ন ও দ্রুত গতিতে সম্পন্ন করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে গতকাল সোমবার এক সার্কুলার জারি করে এ নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ৯ জানুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জিন্নাত রেহানা গভর্নর ফজলে কবিরের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন। চিঠিতে ১৭টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তালিকাও দিয়ে দেওয়া হয়। ওই চিঠির পরিপেক্ষিতে গতকাল সোমবার সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিদেশি মুদ্রা লেনদেন প্রদানকারী ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন ও দ্রুত গতিতে সম্পন্ন করা’ শীর্ষক সার্কুলারে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন রাখার লক্ষ্যে এই ১৭টি পণ্যের আমদানিকারকদেরকে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন ব্যবস্থায় অনুসরনীয় বিধিবিধান পরিপালন সাপেক্ষে আমদানি ঋণপত্র স্থাপন ও আমদানির ক্ষেত্রে যাবতীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্নে ও দ্রুত গতিতে সম্পন্ন করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য সকল অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক শাখাকে নির্দেশনা প্রদানের জন্য পরামর্শ দেওয়া হল।

১৭টি পণ্য হচ্ছে- পেঁয়াজ, রসুন, মশুর ডাল, ছোলা, শুকনো মরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, এলাচ, ধনে, জিরা, আদা, হলুদ, তেজপাতা, সয়াবিন তেল, পাম ওয়েল, চিনি এবং খাবার লবণ (বিট লবণ ছাড়া)।

রমজানে ১৭টি পণ্য আমদানি দ্রুত করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ
                                  

রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্বাভাবিক রাখতে পেঁয়াজ, রসুন, মশুর ডাল, ছোলা, চিনি, সয়াবিন তেলসহ ১৭টি পণ্য আমদানির ঋণপত্র (এলসি) খোলাসহ যাবতীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্ন ও দ্রুত গতিতে সম্পন্ন করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে গতকাল সোমবার এক সার্কুলার জারি করে এ নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ৯ জানুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জিন্নাত রেহানা গভর্নর ফজলে কবিরের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন। চিঠিতে ১৭টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তালিকাও দিয়ে দেওয়া হয়। ওই চিঠির পরিপেক্ষিতে গতকাল সোমবার সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিদেশি মুদ্রা লেনদেন প্রদানকারী ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন ও দ্রুত গতিতে সম্পন্ন করা’ শীর্ষক সার্কুলারে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন রাখার লক্ষ্যে এই ১৭টি পণ্যের আমদানিকারকদেরকে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন ব্যবস্থায় অনুসরনীয় বিধিবিধান পরিপালন সাপেক্ষে আমদানি ঋণপত্র স্থাপন ও আমদানির ক্ষেত্রে যাবতীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্নে ও দ্রুত গতিতে সম্পন্ন করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য সকল অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক শাখাকে নির্দেশনা প্রদানের জন্য পরামর্শ দেওয়া হল।

১৭টি পণ্য হচ্ছে- পেঁয়াজ, রসুন, মশুর ডাল, ছোলা, শুকনো মরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, এলাচ, ধনে, জিরা, আদা, হলুদ, তেজপাতা, সয়াবিন তেল, পাম ওয়েল, চিনি এবং খাবার লবণ (বিট লবণ ছাড়া)।

দাম কমেছে পেঁয়াজের
                                  

 রাজধানীর বাজারগুলোতে সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৪০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। পাশাপাশি কমেছে সবজির দামও। বাজারে সবজিভেদে কেজিতে পাঁচ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। সবজির দাম কমলেও অপরিবর্তিত আছে শাকের বাজার। একইভাবে আগের দামে মাছ বিক্রি হলেও কমেছে পেঁয়াজের দর। অন্যদিকে আগের বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ভোজ্যতেল, ডিম, চাল। অপরিবর্তিত আছে গরু-খাসি ও মুরগির মাংস, চাল, ডালের বাজার। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার (খুচরা বাজার), মালিবাগ, মালিবাগ রেলগেট, খিলগাঁও, মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি বাজার, ফকিরাপুল কাঁচা বাজার ও কমলাপুর ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে এসব বাজারে কেজিপ্রতি পাঁচ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমে প্রতিকেজি গাজর বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকা, টমেটো (আধা কাঁচা) ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ক্ষিরা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শিম (কালো) ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শিম (সাদা) ৩০ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৮০ টাকা, নতুন আলু ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, পুরোনো আলু ৩৫ টাকা, পটল ৩০ থেকে ৫০ টাকা, ঝিঙা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া আকারভেদে প্রতিপিস বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ফুলকপি ২০ থেকে ৩০ টাকা, লাউ ৩৫ থেকে ৫০ টাকায়। প্রতি আটি (মোড়া) কচুশাক পাঁচ থেকে সাত টাকা, লালশাক আট টাকা, মুলা ১০ টাকা, পালংশাক ১০ থেকে ১৫ টাকা, লাউশাক ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। এদিকে দাম কমেছে পেঁয়াজের। সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৪০ টাকা কমে এখন তা বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা কেজিদরে। তবে আমদানি করা পেঁয়াজ আগের দামে বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে মিশরের পেঁয়াজ ৮৫ টাকা, চায়না পেঁয়াজ ৬৫ টাকা কেজিদরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে দাম বেড়েছে কাঁচা মরিচের। বর্তমানে কাঁচা মরিচ কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিদরে। ইব্রাহিম নামে কারওয়ান বাজারে এক ক্রেতা বলেন, বাজারে সবধরনের সবজির দাম কম। তবে আরও কম হওয়া উচিত। বর্তমানে কোনো সবজির ঘাটতি না থাকলেও দাম সে তুলনায় কমছে না। সাইফুল ইসলাম নামে এ বাজারের এক সবজি বিক্রেতা বলেন, কাঁচামালের সঠিক দাম কেউ বলতে পারবে না। যেকোনো মালের ঘাটতি দেখা দিলে দাম বেড়ে যাবে। কাঁচামাল সরবরাহের ওপর নির্ভর করে। এদিকে অপরিবর্তিত আছে মাছের বাজার। প্রতিকেজি কাচকি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, মলা ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, ছোট পুঁটি (তাজা) ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৩০০ থেকে ৬৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, চিংড়ি (গলদা) ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, বাগদা ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা, দেশি চিংড়ি ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা, রুই (আকারভেদে) ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঙাস ১২০ থেকে ১৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ থেকে ১৮০ টাকা, কৈ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, কাতল ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা কেজিদরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। এসব বাজারে প্রতিকেজি বয়লার মুরগি ১২০ থেকে ১২৫ টাকা, লেয়ার ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, সাদা লেয়ার ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা, সোনালী ২৬০ থেকে ২৬০ কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৫৫০ টাকা, খাসি ৭৮০ টাকা, বকরি ৭২০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। আগের বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ভোজ্যতেল। খোলা সয়াবিন (লাল) বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকা লিটার, খোলা সাদা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা লিটার। এছাড়া অপরিবর্তিত আছে ডিম, চাল, ডাল, আদা, রসুন, সরিষার তেল, এলাচ, দারুচিনি, কাট মসলার দাম।

শিগগিরই পেঁয়াজের দাম সহনীয় পর্যায়ে আসবে: কৃষিমন্ত্রী
                                  

পেঁয়াজের দাম শিগগিরই সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক। তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদে জাসদের শিরিন আখতারের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন। কৃষিমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজের দাম কমিয়ে আনতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে ভারত পেঁয়াজের আমদানীর উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। কৃষকদের পেঁয়াজ চাষে উৎসাহিত করতে প্রণোদনা প্রদান করছে। আশা করি শিগগিরই পেঁয়াজের দাম সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে। কোনো অবস্থাতেই পেঁয়াজের দাম ১১০ টাকা থাকবে না।

সাম্প্রতিক বিরূপ অভিজ্ঞতা কথা মনে রেখে এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি পেঁয়াজ রোপণ করা হচ্ছে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী। পেঁয়াজ চাষিদের ন্যায্য দাম প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে ভরা মওসুমে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকবে বলেও সংসদে জানান তিনি। রাজশাহীর আয়েন উদ্দিনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে রাজ্জাক বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে সারাদেশে নানা ক্ষোভ, আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমানে বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা এসেছে। দেশে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা ৩০-৩২ লাখ টন জানিয়ে তিনি বলেন, এর মধ্যে দেশে উৎপাদিত হয় ২৩-২৪ লাখ টন। বাকি পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। গত মৌসুমে বৃষ্টি বেশি হওয়ায় অনেক পেঁয়াজ ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে যায়।

আবার হঠাৎ করে ভারত রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। ফলে বিরাট ঘাটতি হয়। দেশের যেসব এলাকায় পেঁয়াজ বেশি হয়, সেখানকার মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, এ বছর টার্গেটের চেয়ে বেশি এলাকায় পেঁয়াজ রোপণ হচ্ছে। ২৩-২৪ লাখ টনের চেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হবে এবার। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে চলতি বছর পেঁয়াজ নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। গত সেপ্টেম্বরে ভারত রপ্তানি বন্ধ করার পর বাংলাদেশের বাজারে ৩০-৪০ টাকা কেজির পেঁয়াজের দাম বাড়তে বাড়তে আড়াইশ টাকায় ওঠে। এরপর মিশর, তুরস্ক ও চীন থেকে পেঁয়াজের বড় চালান আমদানির পাশাপাশি বাজারে দেশি নতুন পেঁয়াজ ওঠায় দাম কমতে থাকে। ডিসেম্বরের শেষ দিকে দেশি নতুন পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকার আশপাশে আসে। তবে কিছুদিনের মধ্যে তা আবার বেড়ে যায়। কুড়িগ্রামের আছলাম হোসেন সওদাগরের এক প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেন, এখনও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বৃক্ষের তালিকা প্রস্তুত করা হয়নি। তাই কোনো বৃক্ষ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর, এ মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়। এ সম্পর্কিত গবেষণার কাজ অব্যাহত আছে। তবে বন অধিপ্তর মাঠ পর্যায়ে সরকারি আদেশে ইউক্যালিপটাস গাছের চারা উত্তোলন, বিতরণ ও রোপণ বন্ধ রেখেছে। গণফোরামের মোকাব্বির খানের প্রশ্নের জবাবে শাহাব উদ্দিন বলেন, প্রচলিত পলিথিনের বিকল্প হিসেবে বায়োডিগ্রেডেবল পলিথিন বাজারজাতকরণ এবং পুনর্ব্যবহার করার উদ্যোগটি প্রক্রিয়াধীন আছে। নওগাঁর শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের জবাবে বনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে বনভূমির পরিমাণ প্রায় ৬৩ লাখ ৬৮ হাজার ৭৬৫ একর।

কোনো কোনো বন বিজ্ঞানীদের মতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় দেশের আয়তনের ২৫ শতাংশ বনাঞ্চল প্রয়োজন। সেই অনুযায়ী বনভূমি বাংলাদেশে নেই। চট্টগ্রামের এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে শাহাব উদ্দিন বলেন, বর্জ্যের দূষণ থেকে বুড়িগঙ্গা নদীকে বাঁচাতে হাজারীবাগের ট্যানারিগুলো সাভারে স্থানান্তর করা হয়েছে। সাভারে স্থানান্তরিত ট্যানারি শিল্প কারখানা হতে সৃষ্ট বর্জ্য পরিশোধনের জন্য বিসিক কর্তৃক কেন্দ্রীয়ভাবে তরল বর্জ্য পরিশোধনাগার পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়েছে এবং তা চালু রয়েছে। গবেষণাগার কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে ধলেশ্বরী নদীর পানির বিভিন্ন প্যারামিটারে মানমাত্রা পরীক্ষা করে পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ১৯৯৭ অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য মাত্রার মধ্যে পাওয়া গেছে। তবে মাঝে মাঝে পরিশোধনাগারটি কার্যকরীভাবে না থাকায় দূষিত বর্জ্য নদীতে পতিত হওয়ায় নদী দূষণ হতে পারে।

 

পেঁয়াজের মূল্য কারসাজির সিন্ডিকেট ১৭ জনের
                                  

পেঁয়াজের মূল্য কারসাজিতে ১৭ জনের একটি সিন্ডিকেট জড়িত। এই জড়িত ১৭ জন হলো খাতুনগঞ্জ আর ঢাকার। মূলত চার গডফাদার নিয়ন্ত্রণ করেছে পরিকল্পিতভাবে মূল্যবৃদ্ধির পুরো বিষয়টি। এক্ষেত্রে সহায়তা করেছে মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ একটি দপ্তরের একশ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারী। আর এই কারসাজির মাধ্যমে দেড় হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার এমন রিপোর্ট গত মাসে মন্ত্রণালয় ও শীর্ষ প্রশাসনের কাছে জমা পড়েছে। রিপোর্টে সবার নামও উল্লেখ আছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কারোর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

জানা গেছে, এবার পেঁয়াজের কেজি ২৫০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। এখনো পেঁয়াজের মূল্য ১০০ টাকার ওপরে। আসন্ন পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে ঐ সিন্ডিকেট ফের পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে। পেঁয়াজ কেলেঙ্কারির চার গডফাদার অতীতে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি ও ব্যাংক কেলেঙ্কারির সঙ্গেও জড়িত ছিল। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কেউ ব্যবস্থা নিতে পারেনি। তারা সব সময় ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকেছে। তবে পেঁয়াজ কারসাজিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ, আমদানি-রপ্তানি বিভাগের একশ্রেণির কর্মকর্তারা জড়িত।

সিন্ডিকেট কারসাজির মাধ্যমে বাজার থেকে টাকা তুলে নিয়ে দেশে সেই টাকা রাখেনি। কারণ হিসেবে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের কাছে কোনো কোনো ব্যবসায়ী বলেছেন, দেশে টাকা রাখতে গেলে টাকার উত্স দেখাতে হয়। তাই তারা বিদেশে দেড় হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে।

আরও পড়ুন: পূজা ও নির্বাচন একই দিনে হতে পারে না: ভিপি নুর

দেশে পেঁয়াজের চাহিদা ৩৫ লাখ মেট্রিক টন। উত্পাদন হয় ২৩ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ৫ লাখ থেকে ৮ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ বিভিন্ন কারণে পচে যায়। তবে সঠিক সময়ে বিক্রি করে দিলে পচে না। মূল্য বৃদ্ধির জন্য অনেকে পেঁয়াজ মজুত করে রাখেন। প্রতি বছর ৬ লাখ থেকে ৯ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। দেশে যা উত্পাদন হয় তা আগস্ট মাস পর্যন্ত চলে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে সংকট দেখা দেয়।

এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো আগে থেকে পূর্বাভাস দেয়। কতটুকু আমদানি করতে হবে তা সময়মতো বলে দেয়। কিন্তু এবার তা করা হয়নি। এছাড়া আমদানি করা হলেও তা বাজারে না ছেড়ে মজুত করে রাখে ঐ সিন্ডিকেট। ২০১৮ সালে সবজি থেকেও পেঁয়াজের দাম কম ছিল। কিন্তু এবার পেঁয়াজের দাম আকাশছোঁয়া। এদিকে আমদানিকৃত পেঁয়াজের মধ্যে ৮০ থেকে ৯০ ভাগ আসে ভারত থেকে। ১০ থেকে ১৫ ভাগ আমদানি করা হয় মিয়ানমারসহ অন্যান্য দেশ থেকে। এবার ভারতেও পেঁয়াজের সংকট।

১ এপ্রিল থেকে সিঙ্গেল ডিজিট সুদে ঋণ দেওয়া সম্ভব: গভর্নর
                                  

 আগামী ১ এপ্রিল থেকে ব্যবসায়ীদের সিঙ্গেল ডিজিট সুদে ঋণ দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশিরভাগই ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। অর্থনীতি, ব্যবসায়ী সম্প্রদায়, জনগণের অবস্থার উন্নয়নে সরকার সিঙ্গেল ডিজিট সুদে ঋণ সুবিধা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আগামি ১ এপ্রিল থেকে ব্যবসায়ীদের সিঙ্গেল ডিজিট সুদে ঋণ দেওয়া সম্ভব হবে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর সভাপতি শামস মাহমুদের নেতৃত্বে সংগঠনটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের এক বৈঠকে তিনি এই কথা বলেন।

এসময় ফজলে কবির বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাস সংযোগ অথবা ব্যাংক ঋণ প্রভৃতি সেবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না পাওয়ার কারণে কোনও উদ্যোক্তা যদি ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যর্থ হন, সেটি বিশেষ বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে। তবে সত্যিকারের ঋণ খেলাপি চিহ্নিতকরণে ব্যাংকগুলোর যত্নবান হওয়া আবশ্যক বলে মতো দেন তিনি। ফজলে কবির আরও বলেন, সরকার ইতোমধ্যে বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে এবং দেশের ব্যবসায়ী সমাজ এই সুযোগ গ্রহণ করে বিনিয়োগে এগিয়ে আসবে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত হতে পারবে। তিনি বলেন, সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) স্ট্যাম্প ডিউটি প্রত্যাহার করেছে, যা বাংলাদেশের বন্ড মার্কেট সম্প্রসারণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। দেশে একটি সেকেন্ডারি বন্ড মার্কেট চালু একান্ত জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি শামস মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ ৮ শতাংশ হারে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করলেও কাক্সিক্ষত মাত্রায় বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাচ্ছে না। এজন্য ব্যাংক ঋণের সুদের উচ্চ হার অন্যতম প্রধান কারণ। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ স্থবিরতা কাটানোর জন্য ব্যবসা-সহায়ক পরিবেশ উন্নয়নের পাশাপাশি ব্যাংক ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নিয়ে আসার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং রিফর্ম অ্যাডভাইজার এস কে সুর চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

ফের পুঁজিবাজারে বড় পতন
                                  

পাঁচ কার্যদিবস পতনের পর রোববার দেশের পুঁজিবাজারে সূচক সামান্য বেড়েছে। এদিন প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ডিএসইএক্স ১৫ পয়েন্ট ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএএসপিআই সূচক ৩৪ পয়েন্ট বেড়েছে।ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা গেছে, এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২১২ পয়েন্টে। রোববার ডিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট ও ডিএসই-৩০ সূচক ৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৯৫০ ও ১৪১৬ পয়েন্টে।ডিএসইতে এদিন টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ২৬০ কোটি ৮২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।

যা আগের দিন থেকে ৪০ কোটি টাকা কম। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৩০১ কোটি টাকার।ডিএসইতে রোববার ৩৫৪টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭৯টির শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে। দর কমেছে ১২২টির এবং ৫৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে।টাকার অংকে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- লাফার্জহোলসিম, খুলনা পাওয়ার, এডিএন টেলিকম, নর্দার্ন জুট, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড, বিকন ফার্মা, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, ন্যাশনাল ফিড মিলস, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স ও ইউনাইটেড পাওয়ার।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ৩৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৮০৩ পয়েন্টে। রোববার সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৩৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ১১১টির, কমেছে ৯৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টির দর। এদিন সিএসইতে ১৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের দিনের চেয়ে ৫ কোটি টাকা বেশি। আগের দিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১০ কোটি টাকার।

১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রেমিটেন্স
                                  

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি অর্থবছরের অর্ধেক সময়েই ১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতির গুর”ত্বপূর্ণ এই সূচক। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক রেমিটেন্স প্রবাহের সাপ্তাহিক যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায়, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের ছয় মাস নয় দিনে (২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি) এক হাজার ৬ কোটি ৫৩ লাখ ( ১০.০৬ বিলিয়ন) ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) ৯৪০ কোটি ৩৪ লাখ (৯.৪ বিলিয়ন) ডলারের রেমিটেন্স এসেছিলো বাংলাদেশে।

যা ছিল গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি।আর ২০২০ সালের প্রথম মাস জানুয়ারি ৯ তারিখ পর্যন্ত এসেছে ৬৬ কোটি ১৯ লাখ ডলার। সবমিলিয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরের ছয় মাস নয় দিনে ১০ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পেয়েছে বাংলাদেশ।২০১৯ সালের শেষ মাস ডিসেম্বরে ১৬৮ কোটি ৭০ লাখ রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।যা ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের চেয়ে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।এক মাসের হিসাবে বাংলাদেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিটেন্স এসেছে গত ডিসেম্বরে।এখন পর্যন্ত এক মাসে সর্বোচ্চ ১৭৪ কোটি ৮২ লাখ ডলার রেমিটেন্স পেয়েছে বাংলাদেশ; ২০১৯ সালের মে মাসে।আর রেমিটেন্স প্রবাহের এই ইতিবাচক ধারায় রপ্তানি আয়ে ধাক্কার পরও বিদেশী মুদ্রার রিজার্ভ সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে।বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশ চাপের মধ্যে রয়েছে।অর্থনীতির প্রায় সব সূচক নিম্নমুখী। এই ‘বৈরি হাওয়ার’ মধ্যে একমাত্র রেমিটেন্সই আশার আলো ছড়াচ্ছে বলে মনে করছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর।


প্রতিবেশি দেশ ভারতসহ অন্য দেশেগুলোর মতো যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমালে রেমিটেন্স আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতির এই গবেষক।দুই শতাংশ হারে প্রণোদনার কারণেই রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়ছে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম।তিনি বলেন, রেমিটেন্সে সুবাতাস বইছেই। প্রতি মাসেই বাড়ছে রেমিটেন্স।বাংলাশে ব্যাংকের রেমিটেন্স সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স প্রবাহে ‘সুখবর’ নিয়ে শুর” হয়েছিল ২০১৯-২০ অর্থবছর।প্রথম মাস জুলাইয়ে এসেছিল ১৫৯ কোটি ৭৭ লাখ ডলার।অগাস্টে আসে ১৪৪ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। সেপ্টেম্বরে এসেছিল ১৪৭ কোটি ৬৯ লাখ ডলার।অক্টোবর মাসে আসে ১৬৪ কোটি ডলার। নভেম্বর মাসে এসেছিল ১৫৫ কোটি ৫২ লাখ ডলার।রেমিটেন্স প্রবাহে সুখবর দিয়ে শেষ হয়েছিল ২০১৮-১৯ অর্থবছর। ঔ বছরে ১৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। যা ছিল আগের বছরের চেয়ে ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।২০১৭-১৮ অর্থবছরে রেমিটেন্সে প্রবৃদ্ধি ছিল আরও বেশি; ১৭ দশমিক ৩২ শতাংশ।রেমিটেন্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে।প্রবাসীরা এখন ১০০ টাকা দেশে পাঠালে যার নামে টাকা পাঠাচ্ছেন তিনি ওই ১০০ টাকার সঙ্গে ২ টাকা যোগ করে ১০২ টাকা তুলতে পারছেন।বাজেটে এ জন্য ৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ আশা করছেন ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে রেমিটেন্সের পরিমাণ ২১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।মন্ত্রী বলেন, গত অর্থবছরে সাড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছিল।

প্রণোদনা দেওয়ায় এবার প্রবাহ খুবই ভালো।অর্থবছর শেষে রেমিটেন্স ২১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।বর্তমানে এক কোটির বেশি বাংলাদেশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন। জিডিপিতে তাদের পাঠানো অর্থের অবদান ১২ শতাংশের মত।ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহসান এইচ মনসুর বলেন, একমাত্র রেমিটেন্স ছাড়া অর্থনীতির অন্য সব সূচকের অবস্থা এখন খারাপ। রপ্তানির সঙ্গে পালা দিয়ে কমছে আমদানি।রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতি। চাপে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ। বিনিয়োগে খরা কাটছে না। ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পাহাড়। শেয়ারবাজারে তো মন্দা লেগেই আছে।“সে কারণেই বলা যায়, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সই এখন সচল রেখেছে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা।তবে এই ধারা ধরে রাখতে হলে আমাদের অবশ্যই দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে হবে“এখানে একটা বিষয় আমি পরিস্কার করে বলতে চাই, প্রণোদনা বা ভর্তুকি দিয়ে রেমিটেন্সর ইতিবাচক ধারা ধরে রাখা যাবে না।আমাদের শ্রমিক ভাইয়েরা যাতে বেশি অর্থ দেশে পাঠাতে পারেন সেটা নিশ্চিত করতে হবে। আর সেটা শুধু দক্ষ শ্রমিক পাঠালেই সম্ভব হবে।অন্য কোনো পথে নয়।”রেমিটেন্স বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়নও (রিজার্ভ) সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে।তবে গত সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু)আমদানি বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ খানিকটা কমে এসেছে।রোববার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার।নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে রিজার্ভ ৩২ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলারে উঠিছিল। আকুর সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মেয়াদের ৯৮ কোটি ৭০ লাখ ডলারের আমদানি বিল পরিশোধের পর তা ৩১ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল।

গত দুই মাসে তা বেড়ে ৩২ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলারে উঠেছিল। গত সপ্তাহে আকুর নভেম্বর-ডিসেম্বর মেয়াদের প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার দেনা শোধের পর আবার কমে এসেছে।বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ- এই নয়টি দেশ বর্তমানে আকুর সদস্য। এই দেশগুলো থেকে বাংলাদেশ যে সব পণ্য আমদানি করে তার বিল দুই মাস পর পর আকুর মাধ্যমে পরিশোধ করতে হয়।

 

রাজধানীতে পোশাকশিল্পের চার প্রদর্শনী শুরু কাল
                                  

রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পোশাক শিল্প পণ্যের চারটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী শুরু হতে যাচ্ছে আগামীকাল বুধবার। দেশের পোশাকখাতের উন্নয়নে মেশিনারি, ইয়ার্ন অ্যান্ড ফেব্রিক্স, গার্মেন্টস এক্সেসরিজ, প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং মেশিনারি ও সাপোর্ট সার্ভিস নিয়ে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে। আইসিসিবির ১০টি হলজুড়ে ২৪ দেশের ৪৫০ প্রতিষ্ঠান প্রদর্শনীতে অংশ নেবে।

প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। গতকাল সোমবার রাজধানীর হোটেল লা ভিঞ্চিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, পোশাকশিল্পের মেশিনারি এবং এর সহায়ক পণ্যের ১৯তম আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর উদ্বোধন হবে ১৫ জানুয়ারি। প্রদর্শনীগুলো হলো- গার্মেন্টেক বাংলাদেশ-২০২০, ১১তম ইয়ার্ন অ্যান্ড ফেব্রিক্স সোর্সিং ফেয়ার-২০২০, ১১তম গ্যাপ এক্সপো-২০২০ এবং প্যাকটেক বাংলাদেশ-২০২০। প্রদর্শনীর পর্দা নামবে আগামি ১৮ জানুয়ারি (শনিবার)। আয়োজক প্রতিষ্ঠান জাকারিয়া ট্রেড অ্যান্ড ফেয়ার ইন্টারন্যাশনালের প্রধান নির্বাহী টিপু সুলতান বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশের পোশাকখাত। এ অবস্থায় এ খাতকে উৎপাদন, নিরাপত্তা, কর্মপরিবেশ, দক্ষতা, পণ্যের মান, বৈচিত্র্যতা এবং মোড়কজাতকরণে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। ১৯তম আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর গার্মেন্টেক বাংলাদেশ-২০২০ এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়ক হবে বলে আশা করছি।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএপিএমইএ) সভাপতি আবদুল কাদের খান বলেন, আমাদের এ প্রদর্শনী সম্মিলিতভাবে আয়োজন করেছে জাকারিয়া ট্রেড অ্যান্ড ফেয়ার ইন্টারন্যাশনাল, আসক ট্রেড এক্সিবিশন প্রাইভেট লিমিটেড এবং বিজিএপিএমইএ। প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, কলম্বিয়া, মালয়েশিয়া, কানাডা, স্পেন, ফ্রান্সসহ ২৪টি দেশের ৪৫০ প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। প্রদর্শনী প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

 

সূচক বাড়লেও লেনদেন সেই তলানীতেই
                                  

টানা পাঁচ দিন পতনের পর পুঁজিবাজারে মূল্যসূচক খানিকটা বাড়লেও লেনদেন সেই তলানীতেই পড়ে আছে। সপ্তাহের প্রথম দিন গতকাল রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৫ দশমিক ০৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ২১২ দশমিক ৪৫ পয়েন্টে। এর আগে গত সপ্তাহের পাঁচ দিনই এই বাজারে সূচক পড়েছিল। ওই পাঁচ দিনে ডিএসইএক্স ২৬২ পয়েন্ট ৪ হাজার ৪৫৯ থেকে কমে হয় ৪ হাজার ১৯৭ পয়েন্টে নেমে এসেছিল।

তবে সূচক বাড়লেও ঢাকায় লেনদেন কমেছে। গতকাল রোববার ডিএসইতে ২৬০ কোটি ৮২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। গত সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার লেনদেনের অঙ্ক ছিল ৩০১ কোটি ৪১ লাখ টাকা। বেশ কিছুদিন ধরেই ঢাকার বাজারে লেনদেন ২৫০ কোটি থেকে ৩০০ কোটি টাকার মধ্যে লেনদেন হচ্ছে। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) গতকাল রোববার প্রধান সূচক সিএএসপিআই ৩৪ দশমিক ০৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১২ হাজার ৭৬৮ দশমিক ৯৪ পয়েন্টে। ১৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। বৃহস্পতিবার লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১০ কোটি ৭২ লাখ টাকা।

গতকাল রোববার ডিএসইতে অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৪ দশমিক ২৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৯৫০ পয়েন্টে। আর ডিএস৩০ সূচক ৯ দশমিক ৩২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৪১৫ পয়েন্টে। লেনদেনে অংশ নিয়েছে ৩৫৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৭৯টির, কমেছে ১২২টির। আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৩টি কোম্পানির শেয়ার দর। অন্যদিকে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৩৯টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১১১ টির, কমেছে ৯৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টির দর।

পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ
                                  

এ বছর সার্বিক রফতানি আয় অন্যান্য বছরের তুলনায় কিছুটা ধীর অবস্থায় থাকা স্বত্ত্বেও পাট ও পাটজাত পণ্যের রফতানি আয় বেড়েছে উল্লেখ করার মত। চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এই খাত থেকে রফতানি আয় হয়েছে ৫১ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলারের,যা গত অর্থবছরের একইসময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেশি এবং লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি।

বিগত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে পাট ও পাটজাত পণ্যের রফতানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৪২ কোটি ১০ লাখ ডলারের এবং চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রফতানি আয়ের কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪০ কোটি ডলারের। বাংলাদেশ রফতানি উন্নয়ন ব্যুারোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে। ইপিবি’র তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে কাঁচাপাট রফতানি আয় হয়েছে ৮ কোটি ৮৬ লাখ ডলার, পাট সুতো ও কুন্ডলী রফতানিতে আয় হয়েছে ৩১ কোটি ৪৬ লাখ ডলার, পাটের বস্তা ও ব্যাগ রফতানি হয়েছে ৫ কোটি ৮৭ লাখ ডলারের এবং পাটজাত অন্যান্য পণ্য থেকে রফতানি আয় হয়েছে ৪ কোটি ৯৬ লাখ ডলার।
পাট ও পাটজাত পণ্যের রফতানি আয়ের উচ্চ প্রবৃদ্ধির প্রসঙ্গে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, ইউরোপসহ পশ্চিমা দেশের জনগণ প্রাকৃতিক তন্তু ব্যবহারের প্রতি সচেতন হওয়ায় সেখানে পাট পণ্যের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। এই চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে বাংলাদেশ নতুন নতুন বৈচিত্র্যপূর্ণ পণ্য উৎপাদন করছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে স্বদেশী পাট পণ্যের কার্যকর ব্র্যান্ডিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব কারণে পাট ও পাট পণ্য রফতানি ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। তিনি বলেন, পণ্য বৈচিত্র্যকরণে সরকারি পাটকলগুলোতে আধুনিক যন্ত্রপাতি যেমন সংযোজন করা হচ্ছে তেমনি পণ্য বৈচিত্র্যকরণে বেসরকারিখাতের উদ্যোক্তাদের নগদ সহায়তা ও নীতি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে দেশের পাট শিল্পের বেসরকারিখাতের অন্যতম উদ্যোক্তা ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাশিদুল করিম মুন্না বলেন, বিদেশি বাজারে এখন বৈচিত্র্যপূর্ণ পাটপণ্যের চাহিদা বাড়ছে। যে কারণে রফতানিও বাড়ছে। বর্তমানে পাট নিয়ে গবেষণা করে বহুমুখী পণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে।

এসবই রফতানি হচ্ছে। তবে পাটজাত পণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে না। যদিও উৎপাদন খরচ বেড়েছে। এতে মুনাফার হার কমে গেছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, পরিবেশ সচেতনতা ও সবুজ পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা পাটের তৈরি শপিং ও ফুড গ্রেড ব্যাগ, কম্পোজিট, জিও-টেক্সটাইল, পাল্প ও কাগজের বিশাল বাজার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এসব বিবেচনায় নিয়ে উদ্যোক্তারাও বৈচিত্র্যপূর্ণ বা অপ্রচলিত পাট পণ্য উৎপাদনের প্রতি নজর দিচ্ছে বলে তিনি জানান। বাংলাদেশ বর্তমানে আফগানিস্তান, আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বেনিন, ব্রাজিল, বুলগেরিয়া, কানাডা, চিলি, চীন, কঙ্গো, কোষ্টারিকা, মিসর, ইতালি, ইন্দোনেশিয়া, ইথিওপিয়া, গাম্বিয়া, জার্মানি, গুয়াতেমালা, হাইতি, ভারত, আয়ারল্যান্ড, ইরান, জাপান, জর্দান, কোরিয়া, লিবিয়া, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, মরক্কো, মিয়ানমার, নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রুমানিয়া, রাশিয়া, সৌদিআরব, সুদান, দক্ষিণ আফ্রিকা, তাইওয়ান, তাজাখস্তান, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, উগান্ডা, গুয়াতেমালা, উজবেকিস্তান ও ভিয়েতনামে পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি করছে। উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে রাষ্ট্রায়াত্ত্বখাতে মোট ২২টি পাটকল চালু রয়েছে এবং বেসরকারিখাতে প্রায় ২শ’ পাটকল আছে। চলতি অর্থবছরে পাট ও পাট পণ্য রফতানির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৮২ কোটি ৪০ লাখ ডলার। বাসস।

চা উৎপাদনে রেকর্ড
                                  

 চা শিল্পের ১৬৫ বছরের ইতিহাসে উৎপাদন মৌসুমে রেকর্ড পরিমাণ চায়ের উৎপাদন হয়েছে। গত বছর ৯৫ মিলিয়ন (সাড়ে ৯ কোটি বা ১ লাখ ৪৭১৯ টন) কেজি চা উৎপাদন হয়েছে। বাংলাদেশ চা বোর্ডের (বিটিবি) উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল, ৮ কোটি কেজি। প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত, অনুকূল আবহাওয়া, পোকামাকড়ের আক্রমণ না থাকা, খরার কবলে না পড়ায় চায়ের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের (পিডিইউ) ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. একেএম রফিকুল হক বলেন, চা উৎপাদনে নতুন রেকর্ড করেছে বাংলাদেশ। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সাড়ে ৯ কোটি কেজির বেশি চা পাতা উৎপাদিত হয়েছে।

যা ২০১৮ সালের তুলনায় ১ কোটি ৪০ লাখ (১৪ মিলিয়ন) কেজি বেশি চা পাতার উৎপাদন হয়েছে। বিটিবি সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে উৎপাদিত চায়ের পরিমাণ ৮ কোটি ২১ লাখ ৩০ হাজার (৮২.১৩ মিলিয়ন) কেজি। যা দেশের চা উৎপাদন মৌসুমের (২০১৮) দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড। এর আগে ২০১৬ সালে আগের সব রেকর্ড ভেঙে ৮ কোটি ৫৫ লাখ (৮৫. ৫ মিলিয়ন) কেজি চা পাতা উৎপদিত হয়েছিল। বিটিবি উপ-পরিচালক (পরিকল্পনা) মুনির আহমদ বলেন, ‘গত বছর ডিসেম্বর পর্যন্ত চায়ের উৎপাদন ছিল ৯৫ মিলিয়ন কেজির ওপরে। এটিই চা উৎপাদনে রেকর্ড। চা উৎপাদনে সাফল্যের পেছনে সরকারের নানামুখী দিক নির্দেশনাগুলো সহায়ক হিসেবে কাজ করেছে। ঠিকমতো তদারকি, ফ্যাক্টরি থেকে চা পাতা যাতে লিকেজ হতে না পারে এবং নিলামের বাইরে যাতে বেআইনিভাবে কোথাও বিক্রি না হয় সেদিকে কড়া নজরদারি ছিল।

২০২৫ সালের মধ্যে দেশে চায়ের উৎপাদন ১৪০ মিলিয়নে উন্নীত করতে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। বিদেশি কোম্পানি, সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন ছোটবড় মিলিয়ে বাংলাদেশে ১৬২টি চা বাগান গড়ে উঠেছে। এরমধ্যে ৯২টি চা বাগান মৌলভীবাজারে। শ্রীমঙ্গল জেমস ফিনলে টি কোম্পানির ভাড়াউড়া ডিভিশনের ডিজিএম ও বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশন সিলেট ব্রাঞ্চের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ শিবলী বলেন, চায়ের উৎপাদন ভালো হলেও ন্যায্য মূল্য পাচ্ছি না। ভারত থেকে নিম্নমানের চা চোরাইপথে বাংলাদেশে আসছে। যা অত্যন্ত নিম্ন মানের খাওয়ার যোগ্য নয়। এতে বাজারে চায়ের কোয়ালিটি খারাপ করছে। এতে চা মালিকরা মূল্য ঠিকমতো পাচ্ছেন না।

কৃষিযন্ত্র কিনতে সহজ শর্তে ঋণ পাবেন কৃষকরা
                                  

 কৃষকদের সাশ্রয়ী মূল্যে বিভিন্ন ধরনের কৃষিযন্ত্র কেনার সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি সহজ শর্ত ও ন্যূনতম সুদ বা সুদবিহীন ঋণ দিতে একটি নীতিমালা করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘জাতীয় কৃষি যান্ত্রিকীকরণ নীতিমালা ২০১৯’ এর খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভা শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, এই নীতিমালা কার্যকর হলে দেশে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের পরিধি আরও সম্প্রসারিত হবে এবং শ্রমিকের ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়া যাবে।

এই নীতিমালার আওতায় কৃষকরা সাশ্রয়ী মূল্যে বিভিন্ন ধরনের কৃষিযন্ত্র কেনার সুযোগ ও সহজশর্তে ন্যূনতম সুদ বা সুদবিহীন ঋণ সুবিধা পাবেন। তিনি বলেন, মন্ত্রিসভা নীতিমালাটি অনুমোদন দিয়ে অনুশাসন দিয়েছে ব্যক্তি পর্যায়ের বাইরে সমবায় পদ্ধতিতেও যেন এসব যন্ত্রপাতি কেনা ও ব্যবহারের বিষয়টা নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যখন আপনি কৃষি যন্ত্র ব্যবহার করবেন ফসল রোপন, কর্তন, মাড়াইয়ে শ্রমিক অনেক কম লাগবে।

ফলে কৃষি শ্রমিকের অপ্রতুল মোকাবেলা করে কৃষি উন্নয়নের গতি বৃদ্ধি পাবে, ফসলের অপচয় রোধ হবে, শ্রমিক খরচ কম হওয়ার ফলে উৎপাদন খরচ কমে আসবে, কৃষকরা লাভবান হবেন এবং দেশের যুবসমাজ কৃষিকাজে উদ্বুদ্ধ হবে। অপরপক্ষে বাণিজ্যিক কৃষি ব্যবস্থারও প্রসার হবে।

 

বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী কানাডা
                                  

 বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাতগুলোর মধ্যে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য অন্যতম। এ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী কানাডা। ফেব্রুয়ারিতে দেশটির একটি উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফরে আসবে বলে জানিয়েছে ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার রাষ্ট্রদূত বেনোয়েট প্রিফনটেইন। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের রাষ্ট্রদূত একথা বলেন। বেনোয়েট প্রিফনটেইন বলেন, বাণিজ্যের সঙ্গে সঙ্গে জনগণের মধ্যেও দুই দেশের সম্পর্ক খুব ভালো। এ দেশের অপরচুনিটি দেখতে কানাডার ব্যবসায়ী, গবেষক এবং সরকারের বাংলাদেশে আশা প্রয়োজন।

এসব অপরচুনিটি দেখতেই ফেব্রুয়ারিতে কানাডার সাচকাচুয়ান প্রদেশের কৃষিমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসবে। তিনি বলেন, বাণিজ্যিকভাবে উন্নয়নে বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের পণ্যে বৈচিত্র্য আনা প্রয়োজন। রফতানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ তৈরি পোশাকের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল। কিন্তু অন্য খাতেও উন্নয়ন সম্ভব। এর মধ্যে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যে বেশ সম্ভাবনা আছে। আজকে এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী কানাডা। ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বাংলাদেশে গড়ে উঠবে। এর মধ্যে একটিতে শুধু জাপানি ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ করবে- এ ক্ষেত্রে কানাডার অবস্থা কি জানতে চাইলে কানাডার রাষ্ট্রদূত বলেন, এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনে অনেক কানাডিয়ান কোম্পানি রয়েছে।

তাদের অভিজ্ঞতা খুব ভালো। ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক অঞ্চলেও কানাডিয়ান ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ করবে বলে আশা করছি। ফেব্রুয়ারিতে কানাডার যে উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল আসছে সেখানে প্রতিনিধিত্ব করবে কে জানতে চাইলে বেনোয়েট প্রিফনটেইন বলেন, কানাডার সাচকাচুয়ান প্রদেশের কৃষিমন্ত্রীর নেতৃত্বে বেশকিছু কোম্পানির প্রতিনিধি দল আসবে।
গঠন হচ্ছে বাংলাদেশ-কানাডা জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ: বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, কানাডার ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করলে উভয় দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে। উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হলে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে গতি আসবে। কানাডা-বাংলাদেশ এ জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করতে একমত। যত দ্রুত সম্ভব এ জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হবে। এতে করে বিজনেস ম্যান টু বিজনেস ম্যান (বিটুবি) আলোচনার জন্য একটি প্লাটফর্ম তৈরি হবে। বাংলাদেশে অ্যাগ্রো প্রসেসিং জোন গড়ে তোলার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, কানাডা এ খাতে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবে। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী নিজ দফতরে ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার রাষ্ট্রদূত বেনয়া প্রেফন্টেনের সঙ্গে বৈঠক করে এসব কথা বলেন।

টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় স্থান। বাংলাদেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। কানাডা বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। ২০২৭ সাল থেকে এলডিসিভুক্ত দেশের বাণিজ্য সুবিধা থাকবে না। তখন কানাডা চলৎ বাণিজ্য সুবিধা অব্যাহত রাখবে বলে বাংলাদেশ আশা করে। কানাডার রাষ্ট্রদূত বলেন, কানাডা বাংলাদেশের সঙ্গে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনে একমত। যত তারাতারি সম্ভব এ গ্রুপ গঠন করা সম্ভব হবে, তত তারাতারি বাণিজ্য বৃদ্ধি ও বিনিয়োগের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে। কানাডার ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী। বাংলাদেশ দৃশ্যমান উন্নয়ন করছে। কানাডা বাংলাদেশের উন্নয়নে অংশীদার হতে আগ্রহী। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হলে কানাডা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাণিজ্য সহযোগিতা প্রদান করবে। প্রাইভেট সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে, কানাডা এ সুযোগ নিতে চায়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন, ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান (সচিব) তপন কান্তি ঘোষ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) শরিফা খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

মাছ-মাংসে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ দুধ উৎপাদনে এখনও পিছিয়ে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
                                  

 বাংলাদেশ মাছ-মাংসে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও দুধ উৎপাদনে এখনও পিছিয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু। গতকাল রোববার রাজধানীর ফার্মগেটে কেআইবি মিলনায়তনে বাংলাদেশ অ্যানিমেল নিউট্রিশন সোসাইটির (বিএএনএস) উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পোল্ট্রি শিল্প এবং প্রাণিসম্পদ খামামিদের শুধু নিজেদের লাভ না দেখে দেশের ও জনগণের স্বার্থও দেখতে হবে। এ বিষয়ে সচেষ্ট থাকলে খাদ্যে মাত্রাতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ও অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদানের ব্যবহার কমে আসবে।

ফলে নিরাপদ প্রাণিপুষ্টি ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার এ দেশের জনগণের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে ক্ষতিকর এমবিএম ফিড আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং তা কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা মাছ-মাংসে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও দুধ উৎপাদনে পিছিয়ে আছি।

সে জন্য সবাইকে মিলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও উন্নত সমৃদ্ধি বাংলাদেশ আমরা রেখে যেতে পারি। বিএএনএস আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক মো. আলী আকবর।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজি ওয়াছি উদ্দিন, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদার, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক নাথুরাম সরকার, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর লুৎফুল হাসান, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সাইন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর গৌতম বুদ্ধ দাস, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুল আরেফিন খালেদ এবং বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সভাপতি মশিউর রহমান। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক খান শহীদুল হক।

বছরের শুরুতে ফের অস্থির পেঁয়াজের বাজার
                                  

বছরের শুরুতে আবারও অস্থির পেঁয়াজের বাজার। গত তিন দিনে লাফিয়ে লাফিয়ে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ৭০-৮০ টাকা। ফলে খুচরা বাজারে আবারও ডাবল সেঞ্চুরির পথে পেঁয়াজের দাম। ব্যবসায়ীদের এবারের অজুহাত বৃষ্টি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভারতের রফতানি বন্ধ। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকাসহ নানা কারণে গত বছরের শেষভাগে পেঁয়াজের বাজার অস্থির ছিল। পরে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপ আর নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসায় কিছুটা নিম্নমুখী ছিল নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যের দাম। কিন্তু কয়েক দিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। সঙ্গে তীব্র শীতও রয়েছে। যে কারণে ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ উঠাতে পারছেন না কৃষক। ফলে সরবরাহ কমায় আবার বেড়েছে দাম। গতকাল শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকে। গত তিন দিনে পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজের কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ৪০-৫০ টাকা আর খুচরায় ৭০-৮০ টাকা। এদিন সকালে খুচরা বাজারে ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৬০-১৯০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ১০০-১২০ টাকা। চীন-মিসরের বড় পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে যা ছিল ৫০-৬০ টাকা।

পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের পাইকারি পেঁয়াজ ব্যবসায়ী মেসার্স আলী ট্রেডার্সের পরিচালক মো. সামসুর রহমান জানান, গত তিন দিন পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় গত শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত বাজার চড়া ছিল। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর তীব্র শীতের কারণে কৃষক ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ ওঠাতে পারেননি। এ কারণে বাজারে পেঁয়াজ কম এসেছে। ফলে দাম বেড়েছে। আজ (গতকাল শনিবার) বাজার একটু কমতির দিকে। আগামী দু-তিন দিনে দাম আরও কমে যাবে। আবহাওয়া ভালো থাকলে কৃষক ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ ওঠাতে পারবেন। বাজার স্বাভাবিক হবে। তিনি জানান, গতকাল শনিবার পাইকারি বাজারে মুড়িকাটা জাতের দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১৩০-১৪০ টাকায়। আমদানি করা মিসরের পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৭৫-৮০ টাকা, পাকিস্তানি পেঁয়াজ ১২৫-১৩০ এবং চায়না ৬০-৬৫ টাকা। বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সরকারি সংস্থাগুলোকে সতর্ক করে এ ব্যবসায়ী বলেন, `বাজারে আমদানি পেঁয়াজের পাশাপাশি বড় চাহিদা মেটাচ্ছে দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজ। আগামী ২০-২৫ দিনে মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠবে। এরপর দেশি পেঁয়াজ যেটা সারা বছর বিক্রি করি, ওইটা বাজারে আসবে। মুড়িকাটা ওঠানোর ২০-৩০ দিনের মধ্যে দেশি পেঁয়াজ উঠানো শুরু হয়। ওই সময় যেন আমদানি পেঁয়াজের সরবরাহ বাজারে পর্যাপ্ত থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে।` তাহলেই পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক থাকবে বলে জানান এ ব্যবসায়ী। কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী আশরাফ জানান, বৃষ্টির কারণে কয়েক দিন ধরে দাম বাড়ছে। আড়তে পেঁয়াজ সরবরাহ কম। আমরা পাবনা থেকে পেঁয়াজ আনি। সেখানে পেঁয়াজের কেজি পড়েছে ১৬০-১৭০ টাকা। মুড়িকাটা কিং পেঁয়াজ যেটা বিদেশি বিজ কিন্তু দেশে উৎপাদন হয় ওই পেঁয়াজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকা। এক সপ্তাহ আগেও এ পেঁয়াজ পাইকারি ৮০-৯০ টাকা বিক্রি হয়েছে।

তিনি জানান, বাজারে পেঁয়াজের দাম কমের দিকেই ছিল। বৃষ্টির কারণে দাম বাড়ছে। তবে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে দাম কমে যাবে বলে মনে করেন তিনি। এদিকে গত ২৯ সেপ্টেম্বর ভারত রফতানি বন্ধ করে দেয়ায় দেশের বাজারে অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায় পেঁয়াজের দাম। রেকর্ড ২৫০ টাকায় পেঁয়াজের কেজি পৌঁছে যায়। তবে নতুন দেশি পেঁয়াজ বাজারে আসার পর দাম কিছুটা কমে। এতে গত কয়েক সপ্তাহজুড়ে রাজধানীর বাজারগুলোতে নতুন দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছিল ১০০-১২০ টাকা। কিন্তু এখন ওই পেঁয়াজের দাম ১৮০-১৯০ টাকা। উল্লেখ্য, দেশের একটি অঞ্চল বাদে গত শুক্রবার সারাদেশেই বৃষ্টি হয়েছে। গতকাল শনিবারও সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হয়। দিনের বাকি সময়েও বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল। তবে আজ রোববার থেকে বৃষ্টি প্রায় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বৃষ্টি শেষ হওয়ার পরপরই দেশে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

 

২০২৪ সাল নাগাদ বিশ্বের শীর্ষ ৩০ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় থাকবে বাংলাদেশ
                                  

পাঁচ বছরের মধ্যেই অর্থাৎ ২০২৪ সাল নাগাদ বিশ্বের শীর্ষ ৩০ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় নাম লেখাবে বাংলাদেশ। ছাড়িয়ে যাবে মালয়েশিয়া, হংকং ও সিঙ্গাপুরের মতো শক্তিশালী দেশকেও। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবিল (ডব্লিউইএলটি)-২০২০ এমন পূর্বাভাসই দিচ্ছে। গত ২৬ ডিসেম্বর সমীক্ষা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ (সিইবিআর)। বর্তমানে বাংলাদেশ এক ধাপ এগিয়ে ৪০তম অবস্থানে রয়েছে, আগের বছর ছিল ৪১তম।

২০০৩ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত নেওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে মূল্যায়ন করা হয়েছে ১৯৩টি দেশের বার্ষিক অবস্থান। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সম্ভাব্যতা বিচার করে ২০৩৪ সাল পর্যন্ত দেশগুলোর অবস্থানের পূর্বাভাস দিয়েছে ডব্লিউইএলটি। তালিকায় শীর্ষ পাঁচ অর্থনীতির দেশ হিসেবে নাম রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, জার্মানি ও ভারতের। আর ২০২৯ ও ২০৩৪ সালের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ ঠাঁই করে নেবে যথাক্রমে- ২৬তম ও ২৫তম স্থানে। আর আগামী ১৫ বছরে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবিল সূত্র দিয়ে সিইবিআর তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, ২০১৯ সালের পিপিপি সমন্বিত জিডিপি ৫ হাজার ২৮ ডলারের সমন্বয়ে বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ। গত বছরে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে দেশটির অর্থনীতি দুর্দান্ত করেছে। যদিও ২০১৮ সালে প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিল ৭ দশমিক ৯ শতাংশ। আর ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রতিবছর এক শতাংশ হারে বাড়ছে। এর মানে হলো- সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মাথাপিছু আয় যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।

জিডিপির অংশ হিসাবে সরকারি ঋণ গত বছর বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৩৪ দশমিক ৬ শতাংশে, যা ২০১৮ সালে ছিল ৩৪ শতাংশ। তবে ঋণ বাড়া সত্ত্বেও, সরকারি আর্থিক খাত ভালো অবস্থানে রয়েছে। অপেক্ষাকৃত কম ঋণের বোঝা ২০১৯ সালে সরকারকে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ ঘাটতি বাজেট দিতে সহায়ক হয়েছিল।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জিডিপি প্রবৃদ্ধির বার্ষিক হার ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে গড়ে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ হতে পারে। পরবর্তী ৯ বছরে অর্থনীতি বৃদ্ধির এ হার বজায় থাকলে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ তালিকায় বাংলাদেশ ৪০তম স্থান থেকে ২০৩৪ সালের মধ্যে ২৫তম স্থানে উঠে আসবে। আর ৩৫তম স্থানে থাকা হংকং এবং ৩৭তম অবস্থানে থাকা সিঙ্গাপুর পিছিয়ে যথাক্রমে- তালিকার ৩৭তম ও ৩৯তমতে অবস্থান করবে।

অন্যদিকে প্রযুক্তির বর্ধিত প্রবৃদ্ধির কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে ২০৩৩ সালে চীন বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। আর ভারত ২০২৬ সালে জার্মানিকে ছাড়িয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে এবং ২০৩৪ সালে জাপানকে পেছনে ফেলে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে বলেও আভাস দেওয়া হয়েছে।


   Page 1 of 105
     অর্থ-বাণিজ্য
রমজানে ১৭টি পণ্য আমদানি দ্রুত করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ
.............................................................................................
দাম কমেছে পেঁয়াজের
.............................................................................................
শিগগিরই পেঁয়াজের দাম সহনীয় পর্যায়ে আসবে: কৃষিমন্ত্রী
.............................................................................................
পেঁয়াজের মূল্য কারসাজির সিন্ডিকেট ১৭ জনের
.............................................................................................
১ এপ্রিল থেকে সিঙ্গেল ডিজিট সুদে ঋণ দেওয়া সম্ভব: গভর্নর
.............................................................................................
ফের পুঁজিবাজারে বড় পতন
.............................................................................................
১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রেমিটেন্স
.............................................................................................
রাজধানীতে পোশাকশিল্পের চার প্রদর্শনী শুরু কাল
.............................................................................................
সূচক বাড়লেও লেনদেন সেই তলানীতেই
.............................................................................................
পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ
.............................................................................................
চা উৎপাদনে রেকর্ড
.............................................................................................
কৃষিযন্ত্র কিনতে সহজ শর্তে ঋণ পাবেন কৃষকরা
.............................................................................................
বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী কানাডা
.............................................................................................
মাছ-মাংসে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ দুধ উৎপাদনে এখনও পিছিয়ে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
.............................................................................................
বছরের শুরুতে ফের অস্থির পেঁয়াজের বাজার
.............................................................................................
২০২৪ সাল নাগাদ বিশ্বের শীর্ষ ৩০ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় থাকবে বাংলাদেশ
.............................................................................................
পুরোনো যানবাহন সরকারি সংস্থায় বিনামূল্যে হস্তান্তর করা যাবে
.............................................................................................
সহজ শর্তে বাংলাদেশকে আরও ২টি বিমান দিতে চায় বোম্বারডিয়ার
.............................................................................................
বহির্বিশ্বের সঙ্গে দেশের পুঁজিবাজার মিলছে না: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
পদোন্নতি পেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের জিএম হলেন ৩ কর্মকর্তা
.............................................................................................
হিলি স্থলবন্দরে যানজটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে আমদানি-রফতানি
.............................................................................................
দক্ষিণের ছয় জেলার ১১০৬ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হবে পেঁয়াজ
.............................................................................................
ডিএসই’র পরিচালক হলেন রিজভী ও শাহজাহান
.............................................................................................
বেনাপোলে চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায় কমেছে
.............................................................................................
১০০ টাকার মান নেমেছে ৭৬ টাকায়
.............................................................................................
মোবারকগঞ্জ চিনিকলের ১৯৪ টাকায় উৎপাদিত চিনি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়
.............................................................................................
পুঁজিবাজার: একদিন বেড়েই ফের পতন
.............................................................................................
আজ থেকে টিসিবি পেঁয়াজ বিক্রি করবে ৩৫ টাকায়
.............................................................................................
সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৬ লাখ টন ধান কিনবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী
.............................................................................................
পাচারকৃত অর্থ ফেরাতে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চেয়েছে দুদক
.............................................................................................
চলতি অর্থবছরের মধ্যে ২২টি ঝুঁকিপূর্ণ খাত শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা: প্রতিমন্ত্রী
.............................................................................................
এক অঙ্কের সুদহার কার্যকর হবে ১ জানুয়ারি থেকে: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
আয়ের বৈষম্য বেড়েছে, অর্থনৈতিক মুক্তি এখনও আসেনি: ফখরুল
.............................................................................................
বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে ৮৬ শতাংশই ব্যাংকঋণ
.............................................................................................
এবার বাজারে আসছে ২০০ টাকার নোট
.............................................................................................
নারায়ণগঞ্জে কোটি টাকার শুল্কমুক্ত আমদানি পণ্য জব্দ
.............................................................................................
বছরে পাঁচ লাখ ৭০ হাজার সিজার, ক্ষতি ৪ হাজার কোটি টাকা
.............................................................................................
আমনের বাম্পার ফলনেও কাংক্ষিত দাম পাচ্ছেন না কৃষক, মণ প্রতি লোকসান ৫০০ টাকা
.............................................................................................
উঠতে শুরু করেছে নতুন পেঁয়াজ
.............................................................................................
চাপ প্রয়োগ করে নয়, জনগণকে বুঝিয়ে ভ্যাট আদায় করতে হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
.............................................................................................
১৫ ডিসেম্বর আসছে ১০ ও ৫০ টাকার নতুন নোট
.............................................................................................
কমছে টাকার মান, বাড়ছে আমদানি ব্যয়
.............................................................................................
দুর্নীতিমুক্ত হলে এদেশ আরো এগিয়ে যেত: ড. আনিসুজ্জামান
.............................................................................................
২০ খেলাপির পকেটেই ৫৫ হাজার কোটি টাকা
.............................................................................................
নিত্যপ্রয়োজনীয় বেশিরভাগ পণ্যের দাম চড়া
.............................................................................................
চট্টগ্রামে ‘পেঁয়াজ ভোগান্তি লাঘবে মাঠে নামছে’ সিএমপি নারী কল্যাণ সমিতি
.............................................................................................
৪০ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি ২৩০ টাকাতে
.............................................................................................
ব্যাংকিংয়ের এক-চতুর্থাংশই ইসলামিক ব্যাংকগুলোর দখলে
.............................................................................................
১০ মাসে ৩ হাজার ৩৯৩ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি
.............................................................................................
ঋণে চক্রবৃদ্ধি হার থাকছে না কার্যকর হচ্ছে সিঙ্গেল ডিজিট
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।

প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
বার্তা সম্পাদক: মো: শরিফুল ইসলাম রানা
সহ: সম্পাদক: জুবায়ের আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি : মো: আকরাম খাঁন
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: জুবের আহমদ
যোগাযোগ করুন: swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]