ঢাকা,বৃহস্পতিবার,৭ কার্তিক ১৪২৭,২২,অক্টোবর,২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
স্বর্ণালঙ্কার আমদানির অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

এবার স্বর্ণালঙ্কার আমদানির অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর ফলে এখন অনুমোদিত ডিলাররা বৈধভাবে স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করতে পারবেন। আমদানির ক্ষেত্রে স্বর্ণ আমদানি নীতিমাল-২০১৮ অনুসরণের নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আগে স্বর্ণবার আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ থেকে বুধবার এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়।

এতে বলা হয়, অনুমোদিত ডিলাররা স্বর্ণ আমদানি নীতিমালা-২০১৮ অনুসরণ করেই স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে এর আগে স্বর্ণ আমদানির অনুমতি ছিল। তবে স্বর্ণালঙ্কার আমদানির বৈধতা ছিল না। এখন স্বর্ণালঙ্কার আমদানির অনুমতি ও নীতিমালা নির্ধারণ করে এই সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, অনুমোদন দেওয়ার ফলে দেশে বৈধপথে স্বর্ণ আমদানি হবে। এর ফলে অর্থ পাচার যেমন কমে যাবে, তেমনি বাড়বে সরকারের রাজস্ব আয়।

প্রসঙ্গত, স্বর্ণ আমদানি নীতিমালা-২০১৮-তে বলা হয়েছে, স্বর্ণ আমদানির জন্য আবেদনকারী নিবন্ধিত লিমিটেড কোম্পানি হলে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ন্যূনতম এক কোটি টাকা হতে হবে। সেইসঙ্গে সাড়ে ৭০০ বর্গফুটের কার্যালয় থাকতে হবে, যাতে আমদানিকৃত স্বর্ণবার ও স্বর্ণালঙ্কার নিরাপদে রাখা যায়। এ ছাড়া আবেদনকারীদের লাইসেন্সের জন্য অফেরৎযোগ্য ৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে হবে।

উল্লেখ্য, স্বর্ণ আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথমত দুই বছরের জন্য লাইসেন্স দেয়। যা দুই বছর পর পর নবায়ন করতে হয়। এ ছাড়া লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে তা নবায়ন করতে হয়। এক্ষেত্রে নবায়ন ফি দিতে হয় ২ লাখ টাকা।

স্বর্ণালঙ্কার আমদানির অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
                                  

এবার স্বর্ণালঙ্কার আমদানির অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর ফলে এখন অনুমোদিত ডিলাররা বৈধভাবে স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করতে পারবেন। আমদানির ক্ষেত্রে স্বর্ণ আমদানি নীতিমাল-২০১৮ অনুসরণের নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আগে স্বর্ণবার আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ থেকে বুধবার এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়।

এতে বলা হয়, অনুমোদিত ডিলাররা স্বর্ণ আমদানি নীতিমালা-২০১৮ অনুসরণ করেই স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে এর আগে স্বর্ণ আমদানির অনুমতি ছিল। তবে স্বর্ণালঙ্কার আমদানির বৈধতা ছিল না। এখন স্বর্ণালঙ্কার আমদানির অনুমতি ও নীতিমালা নির্ধারণ করে এই সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, অনুমোদন দেওয়ার ফলে দেশে বৈধপথে স্বর্ণ আমদানি হবে। এর ফলে অর্থ পাচার যেমন কমে যাবে, তেমনি বাড়বে সরকারের রাজস্ব আয়।

প্রসঙ্গত, স্বর্ণ আমদানি নীতিমালা-২০১৮-তে বলা হয়েছে, স্বর্ণ আমদানির জন্য আবেদনকারী নিবন্ধিত লিমিটেড কোম্পানি হলে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ন্যূনতম এক কোটি টাকা হতে হবে। সেইসঙ্গে সাড়ে ৭০০ বর্গফুটের কার্যালয় থাকতে হবে, যাতে আমদানিকৃত স্বর্ণবার ও স্বর্ণালঙ্কার নিরাপদে রাখা যায়। এ ছাড়া আবেদনকারীদের লাইসেন্সের জন্য অফেরৎযোগ্য ৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে হবে।

উল্লেখ্য, স্বর্ণ আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথমত দুই বছরের জন্য লাইসেন্স দেয়। যা দুই বছর পর পর নবায়ন করতে হয়। এ ছাড়া লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে তা নবায়ন করতে হয়। এক্ষেত্রে নবায়ন ফি দিতে হয় ২ লাখ টাকা।

২৫ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করবে টিসিবি
                                  

আলুর দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ায় আগামী তিন দিনের মধ্যে ২৫ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করবে টিসিবি। টিসিবি বাজার থেকে আলু পাইকারি দরে কিনে এই দামে সরবরাহ করবে। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি রোববার এ কথা জানিয়েছেন।

এর আগে গত সপ্তাহে কৃষি বিপণন অধিদফতর কেজিপ্রতি আলুর মূল্য ৩০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। কিন্তু বাজারে সেই প্রভাব পড়েনি। এখনও বাজারে ৪০-৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে আলু।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে আলু ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা ও খুচরা পর্যায়ে ৩০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। কৃষি বিপণন অধিদফদতর থেকে তিনস্তরে আলুর যে দাম নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে, সেটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। আমাদের কাজ হলো ভোক্তাদের স্বার্থ দেখা। সে জন্য আমরা তারা যে পরামর্শটা দিয়েছে, সেটি যেন ভোক্তারা পায় সেটি দেখার দায়িত্ব আমাদের। এ জন্য আমরা আজকে আলোচনায় বসেছি।

তিনি বলেন, আমরা আজকে (রোববার) সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কৃষি বিপণন অধিদফতর থেকে যে দাম নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে, সেটি বাস্তবায়ন করব।

মন্ত্রী বলেন, এ মুহূর্তে আমাদের দুটা জিনিস করতে হবে। এক হলো– আমরা শক্তভাবে যে দামটা দেয়া হয়েছে, সেটি অবিলম্বে কার্যকর করতে চাই। আর দ্বিতীয়ত হলো– বরাবরের মতো আমাদের সংকটকালে টিসিবি মানুষের পাশে দাঁড়ায়। তাই আমরা টিসিবিকে নির্দেশ দেব দ্রুত বাজার থেকে আলু কিনতে। যাতে আগামী তিন দিনের মধ্যেই টিসিবির মাধ্যমে ২৫ টাকা কেজি দরে আলু সাধারণ ভোক্তারা পায়।

মন্ত্রী বলেন, কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে প্রতিকেজি আলুর দাম ২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেটি না মানলে কোল্ডস্টোরেজ থেকে এই দামে আলু কিনে বাজারে ছাড়ার ক্ষমতা সরকারের আছে। তাই আমরা তাদের বিপদে ফেলতে চাই না। যেভাবে হিসাব করা হয়েছে ২৩, ২৫ ও ৩০ টাকা। সেটি যথেষ্ট বিবেচনার মাধ্যমেই করা হয়েছে।

দেশের বাজারে আলুর দাম ৫০-৫৫ টাকায় গিয়ে ঠেকার ঘটনা বিরল। ২০-২২ টাকা কেজি দরের আলু মানুষকে খেতে হয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি দামে। অথচ সরকার বলছে– আলুর ঘাটতি নেই, যথেষ্ট মজুদ আছে। এতে ভোক্তাদের

মাথাপিছু জিডিপির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পেছনে ফেলেছে প্রতিবেশী দেশ ভারতকে
                                  

মাথাপিছু জিডিপির ক্ষেত্রে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশ ভারতকে পেছনে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ওয়াল্ড ইকোনমিক আউটলুক (ডব্লিউইও) রিপোর্টে বলা হয়, ভারতের মাথাপিছু জিডিপি ১০.৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ৮৭৭ ডলার দাঁড়াতে পারে, যা চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। করোনাভাইরাস মহামারীর রোধে দেশব্যাপী কড়া লকডাউনের কারণে তীব্র অর্থনৈতিক সংকোচনে এই প্রবৃদ্ধি হ্রাস ঘটেছে।

অপরদিকে বাংলাদেশে মাথাপিছু জিডিপি ৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৮৮ ডলার।

মাথাপিছু জিডিপি হলো দেশগুলোর সমৃদ্ধি নির্ধারণের একটি বিশ্বব্যাপী পরিমাপ এবং একটি দেশের সমৃদ্ধি বিশ্লেষণে অর্থনীতিবিদরা জিডিপির পাশাপাশি মাথাপিছু আয়ের প্রবৃদ্ধি ব্যবহার করেন। একটি দেশের জিডিপি দেশটির মোট জনসংখ্যার হিসাব দিয়ে ভাগ করে এটি গণনা করা হয়।

এটি লক্ষণীয় যে বাংলাদেশ এবং ভারত উভয়ের চলতি মূল্যে জিডিপির হিসাব করা হয়েছে। ডব্লিউইও’র পরিসংখ্যানে এটি নির্দেশ করে যে, শ্রীলঙ্কার পরে দক্ষিণ এশিয়ায় মহামারির কারণে ভারত সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এতে চলতি অর্থবছরে মাথাপিছু জিডিপি ৮ শতাংশ হ্রাস পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তুলনামূলকভাবে নেপাল এবং ভূটান চলতি বছরে তাদের অর্থনীতি জোরদার করবে বলে আশা করা হচ্ছে, অন্যদিকে আইএমএফ ২০২০ বা আরো বেশি সময় ধরে পাকিস্তানের ডেটা প্রকাশ করেনি।

আইএমএফ আগামী বছরে ভারতের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের আভাস দিয়েছে, এতে ২০২১ সালে মাথাপিছু জিডিপিতে ভারত সামান্য ব্যবধানে বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে যাবে।

ডলারের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি ২০২১ সালে ৮.২ শতাংশ বাড়বে, বিপরীতে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি হবে ৫.৪ শতাংশ। এতে ভারতে মাথাপিছু জিডিপি দাঁড়াবে ২ হাজার ৩০ ডলার, বাংলাদেশের হবে ১ হাজার ৯৯৯ ডলার।

ইতালি ও স্পেন ব্যতীত যে কোন বৃহৎ অর্থনীতি এবং প্রধান উদীয়মান বাজারগুলোর মধ্যে ভারতে প্রদর্শিত অর্থনৈতিক ঝাপটা বৃহত্তম।

আইএমএফ’র রিপোর্টে বলা হয়, ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ব্রাজিলের অর্থনীতি ৫.৮ শতাংশ, রাশিয়া ৪.১ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকা ৮ শতাংশ এবং চীনে ১.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে।

গতকাল প্রকাশিত আইএমএফ’র ‘ওয়াল্ড ইকোনমিক আউটলুক :এ লং এন্ড ডিফিকাল্ট এ্যাসেন্ট’ রিপোর্টে বলা হয়, অন্যান্য উদীয়মান অর্থনীতির মতোই ২০২০ সালে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন প্রবৃদ্ধি হ্রাস পেয়ে ৩.৮ শতাংশ দাঁড়িয়েছে, ২০২১ সালে এই প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪.৪ শতাংশ দাঁড়াবে।

সূত্র : বাসস

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে নতুন কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে সরকার
                                  

সুইস ব্যাংকসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাচার হয়ে যাওয়া লক্ষ কোটি টাকা ফিরিয়ে আনায় কোনো সাফল্য নেই। এ নিয়ে বৈঠকের পর বৈঠক হচ্ছে, গ্রহণযোগ্য পথ বের হচ্ছে না। টাকা ফেরত আনা দুরূহ ও অত্যন্ত জটিল। এর পরও আশাবাদী সরকার। পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে নতুন কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে সরকার।

পাচারের অর্থ উদ্ধারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে নির্ধারিত সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকে একটি সমন্বিত ডেটাবেজ তৈরি করা হবে।



‘বাংলাদেশ থেকে পাচার করা অর্থ উদ্ধারের উপায়’ সংক্রান্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের এক বৈঠকে এমন মতামত উঠে এসেছে। বৈঠকে উত্থাপিত এক কার্যপত্রে বলা হয়, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার জরিপ ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে দেখা যায়, বাংলাদেশ থেকে প্রধানত ১০টি দেশে অর্থপাচার হয়ে থাকে। এসব দেশের তালিকায় রয়েছে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কেইম্যান আইল্যান্ডস ও ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পাচারকৃত অর্থ চিহ্নিতকরণ ও টাকা ফেরত আনার

. বিষয়টি অনেক জটিল প্রক্রিয়া। প্রথমে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা পাচার করা অর্থ চিহ্নিত করে তদন্তের পর মামলা করতে হয়। এর পর আদালত দিলেই কেবল প্রক্রিয়া শুরু করা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে অনুসন্ধান বা তদন্ত পর্যায়ে পাচারের বিষয়টি নিশ্চিত হলে তদন্তকারী সংস্থা ওই দেশে পাচারের অর্থ অবরুদ্ধ করার জন্য মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স বা এমএলএর জন্য অনুরোধ করতে পারে। এর পর ওই দেশের আদালত থেকে পাচারের অর্থ অবরুদ্ধ করার অনুমতি নিয়ে কয়েকটি ধাপের পর দুই দেশের কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়। তবে এ ক্ষেত্রে ওই দেশের আদালতের কাছে বিষয়টি প্রমাণ সাপেক্ষে গ্রহণযোগ্য হতে হবে। বাংলাদেশের আদালতে যে রায় হয়েছে অন্য দেশের আদালতে তা গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। প্রমাণ হলেও আবার কস্ট শেয়ারিং বা অর্থের ভাগাভাগির ব্যাপার রয়েছে। নানা শর্তও রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে যে দেশে অর্থ পাচার হয়েছে তাদের সদিচ্ছার অভাব থাকলে অর্থ ফেরত আনা অত্যন্ত দুরূহ ব্যাপার। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, স্পেনসহ বহু দেশ এ প্রক্রিয়া থেকে বের হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম আমাদের সময়কে বলেন, পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার উদ্যোগ অবশ্যই ভালো। তবে পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনা খুবই কঠিন। টাকা যে পাচার হয়েছে, তা প্রমাণ করতে হয়। যা সহজ কাজ নয়। প্রমাণিত হলেও যে দেশে পাচার হয় সে দেশের বিচারিক আদালতের মাধ্যমে ফেরত আনতে হয়। কিন্তু ওই দেশ ফেরত দিতে চায় না। তখন সিভিল কেস করতে হয়। এসব ক্ষেত্রে সফলতার হার খুবই কম। তিনি বলেন, যেসব সূত্রের মাধ্যমে টাকা পাচার হয় সেসব সূত্র বন্ধ করাই সর্বোত্তম।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কার্যপত্রে আরও বলা হয়েছে পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনতে প্রধানত, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগী হতে হবে। তবে অর্থপাচার হয়ে গেলে তা ফেরত আনা কঠিন হওয়ার কারণে পাচার বন্ধে সর্বাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ’। এ জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে একটি সমন্বিত ডেটাবেজ তৈরি করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

‘ব্যাংকস ইন সুইজারল্যান্ড ১০১৮’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতি বছর সুইস ব্যাংকগুলোয় বাংলাদেশি গ্রাহকের জমা করা অর্থের পরিমাণ বাড়ছে। ২০১৭ সালের শেষে সুইস ব্যাংকগুলোয় বাংলাদেশিদের জমা করা অর্থের পরিমাণ ছিল ৪৮১ দশমিক ৩২ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ। ২০১৮ সাল শেষে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৬১৭ দশমিক ৭২ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জমা করা অর্থের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ২৯ শতাংশ।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৭৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা সুইস ব্যাংকগুলোয় জমা থাকলেও এর মধ্যে কী পরিমাণ টাকা বাংলাদেশ থেকে সরাসরি সুইজারল্যান্ডে গেছে তা নিশ্চিত নয়। এর একটি অংশ বিদেশে বসবাস ও ব্যবসারত বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী ব্যক্তিদের মাধ্যমে পাঠানো হতে পারে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা ‘গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি’র (জিএফআই) ‘ট্রেড-রিলেটেড ইলিসিট ফাইন্যান্সিয়াল ফ্লোজ ইন ১৩৫ ডেভেলপিং কান্ট্রিজ : ২০০৮-১০১৭’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী, অবৈধভাবে অর্থ পাচারকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম। প্রতিবেদন মতে, ট্রেড মিস-ইনভয়েসিংয়ের (আন্ডার ইনভয়েসিং ও ওভার ইনভয়েসিং) মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ২০১৩ সালে ৯৬০ কোটি ডলার, ২০১৪ সালে ৬৩০ কোটি ডলার ও ২০১৫ সালে ৫৯০ কোটি ডলার অবৈধভাবে দেশের বাইরে চলে গেছে। বাংলাদেশ থেকে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে পাচার করা অর্থের তথ্য-উপাত্ত ওই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের মতে, হাল-নাগাদ উপাত্ত না-পাওয়া গেলেও ট্রেড মিস-ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার ক্রমশ কমেছে।

সূত্রমতে, বৈঠকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট’ (বিএফআইইউ) কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মানিলন্ডারিংয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে সন্দেহ করার মতো যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে ‘এগমন্ট সিকিউর ওয়েব’-এর মাধ্যমে বিদেশি ‘এফআইইউ’-এর কাছ থেকে সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। তবে আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে বিদেশি ‘এফআইইউ’-এর মাধ্যমে তথ্য পাওয়ার সুযোগ সীমিত। তবে ‘মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স’ অনুরোধের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিদেশি সংস্থা থেকে তথ্য পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

বলা হয়েছে, এ পরিপ্রেক্ষিতে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ এবং বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে পাচার করা অর্থের পরিমাণ শনাক্তকরণ ও তা ফেরত আনার বিষয়ে ‘বিএফআইইউ’সহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা- ‘দুর্নীতি দমন কমিশন’, সিআইডি (বাংলাদেশ পুলিশ), সিআইআইডি ও সিআইসি (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) ও মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স অনুরোধ পাঠানোর জন্য কেন্দ্রীয় সংস্থা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা আবশ্যক। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে পাচার করা অর্থ উদ্ধারের লক্ষ্যে বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ

প্রচলিত ধারার ব্যাংকিংয়ের চেয়েও ইসলামী ব্যাংকিংয়ের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে
                                  

দেশের মানুষের কাছে প্রচলিত ধারার ব্যাংকিংয়ের চেয়েও দিনকে দিন ইসলামী ব্যাংকিংয়ের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী এমন তথ্যই প্রকাশ্যে এসেছে। দেখা গেছে, রেমিট্যান্স আহরণের পাশাপাশি ঋণ-আমানত ও সম্পদের বড় সূচকগুলোতেও শক্ত অবস্থানে রয়েছে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলো।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা ৮টিসহ মোট বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬০টি। এর মধ্যে ৯টি প্রচলিত ব্যাংকের ১৯টি শাখায় ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক হালনাগাদকৃত তথ্যে দেখা গেছে, ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকে মোট আমানতের পরিমাণ ১১ লাখ ৮০ হাজার ৯৯৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু ইসলামী ব্যাংকিংয়ে আমানতের পরিমাণ ২ লাখ ৯১ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা। যা মোট আমানতের প্রায় ২৫ শতাংশ।

আমানত সংগ্রহের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড। শরিয়াহ ব্যাংকগুলোর মোট আমানতের ৩৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ সংগ্রহ করেছে তারা। আর বাকি ৬৫ দশমিক ৫২ শতাংশ আমানত সংগ্রহ করেছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড ও আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেড।


বিনিয়োগের দিক দিয়ে একই সময়ে দেশের ব্যাংক খাতের মোট ঋণের স্থিতি ১১ লাখ ৬৩৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু ইসলামী ব্যাংকিংয়ে বিনিয়োগের পরিমাণ ২ লাখ ৭৫ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকা। যা মোট বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ।

রেমিট্যান্স আহরণের দিক দিয়ে একই সময়ে দেশের ব্যাংক খাতে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭ হাজার ৬২৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু ইসলামী ব্যাংকিংয়ে এসেছে ১০ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। যা মোট রেমিট্যান্সের ২৭ শতাংশ।

২০২১ সালে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ
                                  

গত দুই দশকে বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচন এবং বৈষম্য রোধে যে অগ্রগতি হয়েছে করোনার প্রভাবে সেটি উল্টো পথে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) উল্লেখ করেছে, চলতি বছর শেষ নাগাদ বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি না হয়ে বরং ৪ দশমিক ৪ শতাংশ সংকুচিত হয়ে যাবে। তবে উদীয়মান দেশগুলোর মধ্যে খুব কম দেশই প্রবৃদ্ধির মুখ দেখবে। সংস্থাটি বলছে ২০২১ সালে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। গতকাল ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। এতে এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার প্রভাবে সারাবিশ্বের অর্থনীতিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানুষের আয় কমে যাওয়া ১ দশমিক ৯ ডলার দৈনিক আয় করেন এমন দারিদ্র্য রেখার নিচে চলে আসবে নতুন করে ৯ কোটি মানুষ।


করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর ১০ লাখের বেশি মানুষ মারা গেছে। বহু মানুষ অসুস্থ হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে—এ বছর করোনা প্রভাবে চরম বঞ্চনার শিকার হবে বিশ্বের ৯ কোটি মানুষ। এখন কঠিন সময়, তবে আশাবাদী হওয়ার মতো বিষয়ও রয়েছে। সংস্থাটির হিসাবে বিশ্ব অর্থনীতি পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হবে এবং এক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা দেখছে সংস্থাটি। গত জুলাই মাসে বিশ্ব অর্থনীতির যে পূর্ভাবাস দিয়েছিল সংস্থাটি এবার সেটি আরো খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করা হয়েছে। করোনার প্রকোপ উদীয়মান এবং উন্নয়নশীল বিশ্বে দ্রুত বিস্তার করছে। চীন বাদে উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে।

তবে সংস্থাটি বলছে, ২০২১ সালে বিশ্ব অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করবে। উত্পাদন কার্যক্রমে ব্যাপক আঘাত হেনেছে করোনা। তুলনামূলক পর্যটন নির্ভর ছোট দেশগুলোর ক্ষতি হয়েছে অনেক। স্বাভাবিকভাবে করোনার প্রভাবে নারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বৈষম্য বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মানবসম্পদ উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছর শেষ নাগাদ বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি না হয়ে বরং ৪ দশমিক ৪ শতাংশ সংকুচিত হয়ে যাবে। আগামী বছর অর্থাত্ ২০২১ সালে ৫ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির আশা করা হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে লকডাউন এবং বড় সময় উত্পাদন বন্ধ থাকায় চলতি বছর এমন ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধির আশঙ্কা করা হয়েছে। আইএমএফ আগামী ২০২৫ সাল পর্যন্ত মধ্যমেয়াদে বিভিন্ন দেশের পূর্বাভাস দিয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার ভ্যাকসিনের আবিষ্কারের সংবাদে আগামী বছর অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর আশা করছে সংস্থাটি। আগামী বছর সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন দেশে উদ্যোগ থাকবে, পাশাপাশি অর্থনীতি স্বাভাবিক হয়ে আসতে শুরু করবে। তবে বিষয়টি নির্ভর করে জনস্বাস্থ্য কতটা উন্নত হয় সেটির ওপর। করোনার প্রথম ধাক্কায় লকডাউন এবং বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি রয়েছে। এর পাশাপাশি চাহিদা স্বাভাবিক হতে কতটা সময় লাগবে সেটির ওপরও অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়া নির্ভর করছে। দুর্বল চাহিদা এবং রেমিট্যান্সে আঘাত আসলে পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া আরো বিলম্বিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে ২০২১ সালে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৪ শতাংশের পূর্বাভাস দেওয়া হলেও মধ্যমেয়াদে অর্থাত্ ২০২৫ সাল নাগাদ প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৭ দশমিক ৩ শতাংশের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ভারতের চলতি বছর ১০ দশমিক ৩ শতাংশ সংকোচন হবে এবং আগামী বছর ৮ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। একইভাবে নেপালের এ বছর শূন্য প্রবৃদ্ধি হলেও পরের বছর আড়াই শতাংশ, শ্রীলঙ্কার ৪ দশমিক ৬ শতাংশ সংকোচনের পর ৫ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির আশা করা হয়েছে।

বহুমুখী পাটজাত পণ্য হিসেবে ২৮২ প্রকার পাট পণ্যের নাম ঘোষণা
                                  

বহুমুখী পাটজাত পণ্য হিসেবে ২৮২ প্রকার পাট পণ্যের নাম ঘোষণা করেছে সরকার। পাটের তৈরি বিভিন্ন দৃষ্টিনন্দন পণ্য বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে এর চাহিদা বিবেচনায় সম্প্রতি এসব পাট পণ্যের একটি তালিকা প্রকাশ করে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।

আজ রোববার গণমাধ্যমকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় জানায়, পাট খাতের সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে তারা নানামুখী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। এসব কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ফলে আজ পাটখাত দেশের জাতীয় অর্থনীতিতেও গুরত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। রপ্তানিতে এ খাতটি বর্তমানে চামড়া শিল্পকেও ছাড়িয়ে গেছে।

এতে আরো বলা হয়, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পাট খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ শিল্পটিকে আধুনিকায়ন ও পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার ‘জাতীয় পাটনীতি, ২০১৮’, ‘পাট আইন, ২০১৭’ ও ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০, প্রণয়ন করেছে। এসব নীতিমালা ও আইন বাস্তবায়নের ফলে পাট ও পাট পণ্যের চাহিদা দেশ ও দেশের বাহিরে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার হয যে ১০টি দেশে
                                  

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের এক বৈঠকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে ১০টি দেশে অর্থ পাচার হয়ে থাকে। এই দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে- কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কেইম্যান আইল্যান্ডস ও ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস। এই পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশের নির্ধারিত সংস্থাগুলোর সাথে যোগাযোগ বাড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে এই বৈঠকে। এতে বলা হেেয়ছে, এ ক্ষেত্রে প্রধানত, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগী হতে হবে। তবে অর্থ পাচার হয়ে গেলে তা ফেরত আনা কঠিন হওয়ার কারণে পাচার বন্ধে সর্বাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ’। এ জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে একটি সমন্বিত ডাটাব্যাজ তৈরি করার ওপর জোর দেয়া হয়েছে।


‘বাংলাদেশ হতে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারের উপায়’ সংক্রান্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের এক বৈঠকে এমন মতামত উঠে এসেছে। বৈঠকে উত্থাপিত এক কার্যপত্রে বলা হয়েছে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার জরিপ ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে দেখা যায়, বাংলাদেশ থেকে প্রধানত ১০টি দেশে অর্থ পাচার হয়ে থাকে। এসব দেশের তালিকায় রয়েছে- কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কেইম্যান আইল্যান্ডস ও ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস।

‘ব্যাংকস ইন সুইজারল্যান্ড ১০১৮’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতি বছর সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশী গ্রাহকদের জমাকৃত অর্থের পরিমাণ বাড়ছে। ২০১৭ সালের শেষে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশীদের জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ছিল ৪৮১ দশমিক ৩২ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ। ২০১৮ সাল শেষে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৬১৭ দশমিক ৭২ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ২৯ শতাংশ।


আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ১৭৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা সুইস ব্যাংকগুলোতে জমা থাকলেও এর মধ্যে কী পরিমাণ টাকা বাংলাদেশ থেকে সরাসরি সুইজারল্যান্ডে গেছে তা নিশ্চিত নয়। এর একটি অংশ বিদেশে বসবাস ও ব্যবসারত বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী ব্যক্তিদের মাধ্যমে পাঠানো হতে পারে।

অন্য দিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা ‘গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি’ (জিএফআই)-এর ‘ট্রেড-রিলেটেড ইলিসিট ফাইন্যান্সিয়াল ফ্লোজ ইন ১৩৫ ডেভেলপিং কান্ট্রিজ : ২০০৮-১০১৭’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী, অবৈধভাবে অর্থ পাচারকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম। প্রতিবেদন মতে, ট্রেড মিস-ইনভয়েসিংয়ের (আন্ডার ইনভয়েসিং ও ওভার ইনভয়েসিং) মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ২০১৩ সালে ৯৬০ কোটি ডলার, ২০১৪ সালে ৬৩০ কোটি ডলার ও ২০১৫ সালে ৫৯০ কোটি ডলার অবৈধভাবে দেশের বাইরে চলে গেছে। বাংলাদেশ থেকে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে পাচারকৃত অর্থের তথ্য-উপাত্ত ওই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের মতে, হাল-নাগাদ উপাত্ত না-পাওয়া গেলেও ট্রেড মিস-ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার ক্রমশ কমেছে।

সূত্র মতে, বৈঠকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট’ (বিএফআইইউ) কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মানিলন্ডারিংয়ের সাথে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে সন্দেহ করার মত যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে ‘এগমন্ট সিকিউর ওয়েব’-এর মাধ্যমে বিদেশী ‘এফআইইউ’-এর কাছ থেকে সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। তবে আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে বিদেশী ‘এফআইইউ’-এর মাধ্যমে তথ্য পাওয়ার সুযোগ সীমিত। তবে ‘মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স’ অনুরোধের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিদেশী সংস্থা থেকে তথ্য পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

বলা হয়েছে, এ প্রেক্ষিতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ এবং বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে পাচারকৃত অর্থের পরিমাণ শনাক্তকরণ ও তা ফেরত আনার বিষয়ে ‘বিএফআইইউ’সহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা- ‘দুর্নীতি দমন কমিশন’, সিআইডি (বাংলাদেশ পুলিশ), সিআইআইডি ও সিআইসি (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) ও মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স অনুরোধ পাঠানোর জন্য কেন্দ্রীয় সংস্থা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা আবশ্যক। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারের লক্ষ্যে বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সাথে যোগাযোগের বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের এক কর্মকর্তা এ বিষয়ে বলেছেন, অর্থ পাচার হয়ে গেলে তা ফেরত আনা কঠিন। কারণ পাচার হওয়া অর্থ ফেরত দিতে উন্নত দেশগুলোর ভূমিকা স্বচ্ছ নয়। তাদের আগ্রহ ও অঙ্গীকারের মধ্যে যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে যেকোনো উপায়ে দেশ থেকে অর্থ পাচার রোধ করাটা বিশেষ জরুরি। অর্থ পাচার বন্ধে ব্যাংকগুলোতে বিএফআইইউয়ের নির্দেশিত নীতিমালা যথাযথ বাস্তবায়ন এবং আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রে ওভার ও আন্ডার ইনভয়েসিং প্রতিরোধে ব্যাংকের নিজস্ব ডাটাব্যাজের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় একটি ডাটাব্যাজ গড়ে তোলা দরকার। এতে করে অর্থ পাচার ঠেকানো অনেকাংশ সম্ভব হবে।

আগামী ২০ অক্টোবর থেকে ঢাকায় ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস
                                  

প্রায় সাত মাস বন্ধ থাকার পর আগামী ২০ অক্টোবর থেকে ঢাকায় ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস। আপাতত সপ্তাহে দুটি করে ফ্লাইট চলাচল করবে ঢাকা-সিঙ্গাপুর রুটে।

গতকাল শুক্রবার সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানিয়েছে। সেখানে জানানো হয়, করোনা মহামারির মধ্যে ফ্লাইট চলাচল বন্ধের পর প্রথম ফ্লাইটটি ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে ছেড়ে এসে ঢাকায় রাত ১০টা ৪০ মিনিটে অবতরণ করবে। এরপর ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে ফ্লাইট ছাড়বে রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে, সিঙ্গাপুরে পৌঁছাবে পরের দিন স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ০৫ মিনিটে।

সিঙ্গাপুর যেতে বাংলাদেশ থেকে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট লাগবে না। তবে সিঙ্গাপুর পৌঁছানোর পর করোনা পরীক্ষা করা হবে। প্রত্যেক যাত্রীকে বিমানবন্দর থেকে সরাসরি ১৪ দিনের জন্য হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে যেতে হবে। এ জন্য বাংলাদেশি ১ লাখ ৩৫ হাজার ৫৪২ টাকা বা ২ হাজার ২০০ সিঙ্গাপুরি ডলার খরচ হতে পারে; যা যাত্রীকে দিতে হবে। ওয়ার্ক পারমিট বা দীর্ঘস্থায়ী ভিসাধারীদের জন্য দেশটির জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের অনুমতি লাগবে। আর শিক্ষার্থী হলে দেখাতে হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতিপত্র।

ভারতে টনে টনে যাচ্ছে চাঁদপুরের ইলিশ : তথ্য নেই সরকারি কোনো বিভাগে
                                  

এস. এম ইকবাল, চাঁদপুর প্রতিনিধি:

চলছে ইলিশের ভরা মৌসুম। জেলেদের জালে প্রতিদিন সাগর ও নদী থেকে ধরা পড়ছে প্রচুর ইলিশ। ধরা পড়া ইলিশের একটি বড় অংশের কেনাবেচা হয় দেশের অন্যতম প্রধান ইলিশের পাইকারি বাজার চাঁদপুর বড়স্টেশন ঘাটে। গত ১১ সেপ্টেম্বর থেকে এই বাজারে ইলিশ কিনতে যোগ হয়েছে ভারতীরা। প্রতিদিন ভারতে পাঁচ টনের মতো ইলিশ যাচ্ছে বলে জানান বাজার সংশ্লিষ্টরা। তবে, চাঁদপুরের সরকারি কোনো বিভাগ এ ব্যাপারে কোনো তথ্য জানাতে পারেনি। (ডেইলি স্টার)

৫ অক্টোবর,সোমবার চাঁদপুর ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ঘাটের পাশেই রেলের পরিত্যক্ত জায়গায় তাবু টানিয়ে টনে টনে বড় আকারের ইলিশ স্তূপ করে প্যাকেটজাত করা হচ্ছে। পাশেই ডাকাতিয়া নদীতে নৌপথে ভোলার জেলেরা বড় বড় ট্রলারে করে শতশত মণ ইলিশ নামাচ্ছেন।

ভোলার মনপুরার কয়েকজন জেলে জানান, তারা গতকাল প্রায় তিনটি ট্রলারে করে প্রায় তিনশ মণ ইলিশ এনে এই মাছ ঘাটে বিক্রি করেন। অন্যপাশে নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে সড়ক পথে ট্রাকে করে শতশত মণ ইলিশ আসছে। পরে এসব ইলিশ মাছ ঘাটের ভেতরে আড়তদাররা ডাক তুলে বিক্রি করেন। তা কিনতে স্থানীয় ক্রেতাদের পাশাপাশি সারাদেশের ক্রেতারাও ভিড় করেন।

স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান কালু ভুঁইয়া বলেন, ‘চাঁদপুর ঘাটে প্রতিদিন গড়ে সাতশ থেকে আটশ মণ ইলিশ বেচাকেনা হচ্ছে। এরমধ্যে প্রতিদিন গড়ে একশ থেকে দেড়শ মণ ইলিশ চলে যাচ্ছে ভারতে। এতে স্থানীয় বাজারে দামের কিছুটা প্রভাব পড়েছে। কারণ, তারা ১ কেজির অধিক ওজনের ইলিশ বেশি নিয়ে যাচ্ছে। যার মূল্য প্রতি কেজি আটশ থেকে সাড়ে আটশ টাকা পড়ছে।’

ভারতীয় ক্রেতার প্রতিনিধি সফিউল্লাহ জানান, তারা ১৭৫ টন মাছ ভারতে পাঠানোর অনুমোদন পেয়েছে। গত ১১ সেপ্টেম্বর থেকে এলসির মাধ্যমে চাঁদপুর ঘাট থেকে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ টন করে ইলিশ সড়ক পথে বেনাপোল দিয়ে ভারতে পাঠাচ্ছেন। গত ৫ অক্টোবর সোমবারও তারা পাঁচ টন ইলিশ পাঠিয়েছেন।

কিন্তু এর কোনো সঠিক হিসেব স্থানীয় বাজারের কোনো ব্যবসায়ী এমনকি সরকারি কেউই দিতে পারেননি।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করে চাঁদপুর জেলা মৎস্য অফিসে বা মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটে এর কোনো তথ্য বা পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি।

চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুল বাকী বলেন, ‘আমরা শুনেছি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে ভারতে কিছু ইলিশ পাঠানোর অনুমোদন দিয়েছে। তবে এর লিখিত কোনো কিছু আমাদের জানা নেই।’

একই কথা বললেন মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আনিসুর রহমান।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান বলেন, ‘ভারতে ইলিশ রপ্তানির ব্যাপারে আমরাও কিছু জানি না।’

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের অর্জিত আয় থেকে ত শত কোটি টাকা লোপাট
                                  

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের অর্জিত আয় থেকে বছরে শত শত কোটি টাকা লোপাটের ঘটনা ঘটেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রাথমিক অনুসন্ধানে আয়ের অর্থ লোপাটের প্রমাণ পেয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণ মিলেছে, একটি চক্র বিমানের বিভিন্ন ইউনিটের প্রকৃত আয়ের চেয়ে ৫০ শতাংশ আয় কম দেখিয়ে এসব অর্থ লোপাট করেছে। দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন চক্রটি বিমানের বার্ষিক আয়ের প্রায় ৩০০ কোটি টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাত্ করেছে।

উল্লেখ্য, অর্থ লোপাটের এসব ঘটনা বিমানের নিজস্ব তদন্তেও ধরা পড়ে। ২০১৬ সালে বিমানেরই নিজস্ব তদন্তে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ মিললে তখন তদন্ত কমিটি অর্থ লোপাটের এসব ঘটনা নিরপেক্ষ কোনো সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করার সুপারিশও প্রদান করেছিল।

দুদক সূত্র জানায়, দুদকের অনুসন্ধানে কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পেয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রকৃত ও প্রদর্শিত আয়ে বড় ধরনের ফারাক রয়েছে। বিমানের নিজস্ব তদন্ত প্রতিবেদন দুদক যাচাই-বাছাই করে এবং এ সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে বিমানের ঊর্ধ্বতন বেশ কিছু কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। এরপর দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় সম্প্রতি দুদক আনুষ্ঠানিক অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় কমিশন উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিনকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। তিনি এরই মধ্যে বিমানের আয়ের অর্থ লোপাটের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু নথিপত্র সংগ্রহ করেছেন। নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্টদের দ্রুতই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হবে বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে।

অনুসন্ধান সংশ্লিষ্ট দুদক সূত্র জানায়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে প্রতিদিন গড়ে ১২০ ফ্লাইট অবতরণ করে থাকে। এর মধ্যে বাংলাদেশ বিমানের ১৫ ফ্লাইট রয়েছে, বাকিগুলো দেশি-বিদেশি এয়ারলাইনসের। ৩০টির মতো কার্গো ফ্লাইটও ওঠানামা করে। ২০১৬ সালে বিমানের তদন্ত প্রতিবেদন এবং বিমানের গড় আয়ের এক হিসাবে দেখা যায়, ২০১৪ সালে বিদেশি উড়োজাহাজগুলো থেকে বিদ্যুত্ সার্ভিস প্রদান বাবদ মাসে বিমান ১৫ কোটি টাকা আয় করলেও দেখানো হয়ে ৮ কোটি টাকা। অর্থাত্ গড় হিসাবে বছরে এ খাত থেকে প্রায় ৮৪ কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে।

এছাড়া এয়ারকন্ডিশন ইউনিট থেকে মাসে ২৫ কোটি টাকা আয় হলেও দেখানো হয় ১০ কোটি টাকা। অর্থাত্ গড় হিসাবে বছরে এ খাত থেকে অনেক টাকা লোপাট করা হয়েছে। একইভাবে এয়ারক্রাফট পুশ টো-ট্রাক্টর থেকে ৫ কোটি টাকার আয়কে দেখানো হয় ২ থেকে আড়াই কোটি টাকা, অর্থাত্ গড় হিসাবে বছরে এ খাত থেকে প্রায় ৩০ কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে। অন্যদিকে ওয়াটার সার্ভিস ট্রাক থেকে ৫ কোটি টাকার স্থলে ৩ কোটি টাকা দেখিয়ে গড়ে বছরে ২৪ কোটি টাকা লোপাট, মেইন ডেক কার্গো লোডার থেকে ৪ কোটি টাকার বদলে ৩ কোটি টাকা আয় দেখিয়ে গড়ে বছরে ১২ কোটি টাকা, ট্রলি সার্ভিস ট্রাক থেকে মাসে সাড়ে ৬ কোটির স্থানে ৪ কোটি টাকা আয় দেখিয়ে গড়ে বছরে ২৪ কোটি টাকা লোপাট, কনভেয়র বেল্টের ৮০ লাখ টাকার বদলে ৫০ লাখ টাকা দেখিয়ে গড়ে বছরে অনেক টাকা লোপাট এবং ফর্ক লিফট থেকে সাড়ে ৩ কোটি টাকার স্থানে আড়াই কোটি টাকা আয় দেখিয়ে গড়ে বছরে ১২ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে। সব মিলে বিমানে গড় হিসাবে বছরের প্রায় ৩০০ কোটি টাকা লোপাটের ঘটনা ঘটেছে বলে দুদক কর্মকর্তারা মনে করছেন।

এ ব্যাপারে দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত জানিয়েছেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বেশ কয়েকটি দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান ও তদন্ত দুদকে চলছে। এসব অভিযোগের অনুসন্ধান শেষে চূড়ান্ত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২০০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী প্রোগ্রামার
                                  

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী প্রোগ্রামার (এমএসআই) রুহুল আমিন টেন্ডার ছাড়াই কাজ করে কমপক্ষে ২০০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন। ঢাকা ও ময়মনসিংহে তার ফ্ল্যাট, প্লটসহ বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়ি রয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। শুধু তাকেই নয়, নিয়োগ-বদলি বাণিজ্য, ঘুষ-দুর্নীতি এবং টেন্ডার বাণিজ্যের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও বিদেশে অর্থপাচারকারী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমন ১২ কোটিপতি কর্মচারীকে তলব করেছে দুদক। তাদের আগামী ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবর দুদকে হাজির হয়ে বক্তব্য প্রদানের ব্যবস্থা নিতে গতকাল বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক সামছুল আলম স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সিন্ডিকেট গড়ে সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা অবৈধভাবে অর্জন ও বিদেশে পাচার এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে আপনার অধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ খুবই প্রয়োজন।

এ কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্ধারিত তারিখে নিজ ও তার স্ত্রীর পাসপোর্ট, এনআইডি কার্ড ও আয়কর রিটার্নসহ দুদকে হাজির হয়ে বক্তব্য প্রদানের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে অনুরোধ জানানো হলো।



১৩ অক্টোবর তলব করা হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী প্রোগ্রামার (এমএসআই) রুহুল আমিন, প্রধান সহকারী জাহাঙ্গীর হোসেন হাওলাদার, স্টেনোগ্রাফার শাহজাহান ফকির ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আবু সোহেল। ১৪ অক্টোবর তলব করা হয়েছে উচ্চমান সহকারী শাহনেওয়াজ ও শরিফুল ইসলাম, উচ্চমান সহকারী (কমিউনিটি ক্লিনিক শাখা) আনোয়ার হোসেন ও অফিস সহকারী হানিফকে। ১৫ অক্টোবর তলব করা হয়েছে অফিস সহকারী (এনসিডিসি) ইকবাল হোসেন, অফিস সহকারী মাসুম করিম, আলাউদ্দিন ও স্টোরকিপার সাফায়েত হোসেন ফয়েজকে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দুর্নীতিবাজ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনকারীদের চিহ্নিত করতে ২০১৯ সালে মাঠে নামে দুদকের গোয়েন্দা শাখা। দুদকের একজন পরিচালকের নেতৃত্বাধীন গোয়েন্দা শাখার একটি টিম দীর্ঘ অনুসন্ধানে ৪৫ জন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীর একটি তালিকা তৈরি করে দুদকে দাখিল করে। এছাড়া করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরুতে মাস্ক ও পিপিই ক্রয়ে দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ও সিএমএসডি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ৭ জনের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। যাদের পর্যায়ক্রমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

দুদকের গোয়েন্দার শাখার এক প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে অফিস সহকারীসহ ২৮ কোটিপতির তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে যাদের তলব করা হয়েছে তাদের ৭ জনের নাম রয়েছে। এমএসআই রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি সাবেক একজন মহাপরিচালককে ব্যবহার করে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি করেন। তিনি কোনো টেন্ডার করে কোটি কোটি টাকার কাজ হাতিয়ে নিয়ে কমপক্ষে ২০০ কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেন। ঢাকা ও ময়মনসিংহে তার বাড়ি, প্লট, ফ্ল্যাটসহ বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রধান সহকারী জাহাঙ্গীর হোসেন হাওলাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি ইপিআইর গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ডিল করতেন। কর্মচারী সমিতির সভাপতি হয়ে তিনি এমন এক সিস্টেম তৈরি করেছেন কোনো অফিস সহকারীকে কর্তৃপক্ষ পদোন্নতি দিলে জাহাঙ্গীর আর্থিকভাবে সুবিধা পেতেন। যারা পদোন্নতির আবেদন করতেন আগেই তাদের কাছ থেকে তার এজেন্টরা অর্থ আদায় করতেন। সমিতির নামে চাঁদা ও টেকনিশিয়ান হিসেবে পদোন্নতির অর্থ আদায় করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।

স্টেনোগ্রাফার শাহজাহান ফকিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ বলা হয়েছে, তিনি চাকরিতে যোগদানের পর থেকে একই স্থানে থাকায় এবং একজন পরিচালকের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হওয়ায় বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেন।

আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন। রংপুরে শত শত বিঘা জমিতে তার নামে সাইনবোর্ড ঝুলছে। তার অনেক জমিতে আলু ও ধান চাষ হয়। তিনি গত বছর বর্গা ভাগে দুই হাজার মন ধান পেয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অফিস সহকারী ইকবাল হোসেন মহাপরিচালকের একান্তভাজন হওয়ায় বিলবোর্ড সরবরাহ করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রয়োজন ছাড়াই বিলবোর্ড বানিয়ে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছেন।

আগামী ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ
                                  

আগামী ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম। এ সময় চাঁদপুর পদ্মা-মেঘনা নদীর মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত প্রায় ৯০ কিলোমিটার ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে।

নিষিদ্ধ সময়ে জেলার মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলার নিবন্ধিত ৫১ হাজার ১৯০ জেলের মধ্যে এ বছর ৫০ হাজার জেলের জন্য ২০ কেজি করে ১০ হাজার টন চাল (বিজিএফ) বরাদ্দ এসেছে।

মৎস্য সংরক্ষণ আইনে ২২ দিন ইলিশ আহরণ, বিপণন, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, বিনিময় ও মজুদও নিষিদ্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞার আইন ভঙ্গ করলে আইনভঙ্গকারীর কমপক্ষে ১ থেকে ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেয়া যাবে।


চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: আসাদুল বাকী বলেন, জেলের বিকল্প খাদ্য সহায়তা হিসেবে ২০ কেজি করে চাল বিতরণের জন্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা খাদ্য গুদামে জেলা থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তালিকাভুক্ত জেলেদের মাঝে পদ্মা-মেঘনা উপকূলীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার মাধ্যমে এসব চাল ১৪ অক্টোবরের আগেই বিতরণ করা হবে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরো বলেন, গত মার্চ-এপ্রিল জাটকা রক্ষা কর্মসূচিতে জেলেদের জন্য বরাদ্দ কম এলেও ইলিশ প্রজনন রক্ষায় প্রায় শতভাগ জেলের জন্য বরাদ্দ এসেছে। নির্দিষ্ট সময়ে মধ্যে বিতরণ সম্পন্ন হবে।

তিনি আরো বলেন, মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন এলাকা চাঁদপুরকে সরকার সবসময়ই অনেক গুরুত্ব দিয়ে আসছে। যার জন্য ইতোমধ্যে জেলা টাস্কফোর্স কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন মতলব উত্তর উপজেলায় দুটি, সদর উপজেলায় চারটি ও হাইমচর উপজেলায় দুটি টাস্কফোর্সের টিম নদীতে ২৪ ঘণ্টা কাজ করবে। সড়ক পথে ও জেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে কাজ করবে জেলা পুলিশ।

করোনার কারণে প্রায় সাড়ে ১১ কোটি মানুষ চরম দরিদ্রতার মুখে পড়তে পারে
                                  

বিশ্বব্যাংক বলেছে, মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়ার কারণে এ বছর প্রায় সাড়ে ১১ কোটি মানুষ চরম দরিদ্রতার মুখে পড়তে পারে। বুধবার তারা এ তথ্য জানিয়ে সতর্ক করে। খবর এএফপি’র।


বিশ্বব্যাংক এর আগে এমনকি আগস্ট মাসেও যে ধারণা দিয়েছিল-এ সংখ্যা তার চেয়ে অনেক বেশি। তখন বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল কোভিড-১৯ এর কারণে বিশ্বব্যাপী ১০ কোটি মানুষ হতদরিদ্র হতে পারে।

ব্যাংকটির নতুন প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ২০২১ সাল নাগাদ প্রায় ১৫ কোটি মানুষের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রার ব্যয় ১.৯০ ডলারের নিচে নেমে যেতে পারে।

বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট ডেভিড মালপাস এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মহামারি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার কারণে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১.৪ শতাংশ চরম দরিদ্রতার মুখে পড়তে পারে বলে ধারণ করা হচ্ছে।’

তিন মাসে বিদ্যুতের ভর্তুকি ব্যয় ২৩ শ’ কোটি টাকার বেশি
                                  

তিন মাসে বিদ্যুতের ভর্তুকি ব্যয় ২৩ শ’ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। মে, জুন ও জুলাই- এই তিন মাসে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে (বিউবি) ভর্তুকিবাবদ দুই হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা ছাড় করেছে অর্থমন্ত্রণালয়। বেসরকারি বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট থেকে বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনে তা গ্রাহক পর্যায়ে কম দামে বিক্রি করার কারণে প্রতি বছর বিউবি হাজার হাজার কোটি গচ্চা দিচ্ছে।


এবার এ খাতে চলতি অর্থবছরের বাজেটে ভর্তুকিবাবদ ৯ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে। ভর্তুকির অর্থ এ খাত থেকে গত বৃহস্পতিবার ছাড় করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রতি তিন মাস অন্তর বিউবি’র পক্ষ থেকে ভর্তুকি অর্থ চেয়ে আমাদের কাছে আবেদন করা হয়। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর আগে চলতি বছরের মার্চ-এপ্রিল এ দুই মাসে ভর্তুকিবাবদ আরো এক হাজার ১৪৩ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে।


এর আগে বিউবি’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে বিউবি’র লোকসান হয়েছে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির কারণে লোকসান গুনতে হয়েছে ১১১ কোটি টাকা। চলতি বছরের তিন মাসে (মার্চ, এপ্রিল, মে) পিডিবির আর্থিক ক্ষতি হয়েছে প্রায় এক হাজার ৯০০ কোটি টাকা। মূলত তিন খাত থেকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কেনার কারণে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবি) এই লোকসান হয়েছে।

এই তিন খাত হচ্ছে- আইপিপি (ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্ট), ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির কারণে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে আইপিপি খাত থেকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কেনায়। এ জন্য তিন মাসে পিডিবি’র লোকসান গুনতে হয়েছে এক হাজার ৩৭৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। একই সময়ে কুইক রেন্টাল থেকে বিদ্যুৎ কিনে লোকসান হয়েছে ৪১৪ কোটি টাকা। অন্য দিকে, তিন মাসে ভারত থেকে বিদ্যুৎ কেনায় লোকসান হয়েছে আরো ১১১ কোটি ১৮ লাখ টাকা। ফলে তিন মাসে লোকসান হয়েছে এক হাজার ৮৬০ কোটি চার লাখ টাকা।

বিউবি সূত্রে জানা গেছে, তিন মাসে বিদ্যুতের যে লোকসান হয়েছে তাতে মাসওয়ারি লোকসানের একটি খতিয়ান দেয়া হয়েছে। এতে দেখা যায়, মার্চ মাসে আইপিপি থেকে বিদ্যুৎ কেনায় লোকসান হয়েছে ৪৫৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা, ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনায় লোকসান ১৫২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা এবং ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করে ক্ষতি হয়েছে ৪৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

একইভাবে এপ্রিল মাসে লোকসানের পরিমাণ এই তিন খাত থেকে যথাক্রমে ৪২৩ কোটি ৮৮ লাখ, ১৩৫ কোটি ৬৮ লাখ এবং ৩১ কোটি ৪২ লাখ টাকা এবং মে মাসে লোকসান হয়েছে যথাক্রমে ৫০১ কোটি ৪৩ লাখ, ১২৫ কোটি ৩২ লাখ এবং ৩১ কোটি টাকা।

বিদ্যুতের ব্যয় কারণ হিসেবে বিউবি’র ব্যাখ্যা হচ্ছে, বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় মূলত নির্ভর করে ব্যবহৃত জ্বালানি ব্যবহার, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, টাকার অবমূল্যায়ন, স্থাপিত ক্ষমতা অনুযায়ী বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি না পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে লোকসানও বাড়ছে।

বিউবি’র পক্ষ থেকে এই বিষয়ে বলা হয়, ‘আইপিপি এবং ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসহ ভারত হতে ক্রয়কৃত বিদ্যুতের দাবিকৃত বিল নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করার বিষয়ে বাধ্যবাধকতা থাকায় সরকারের আর্থিক সহায়তা পাবে বলে প্রতিষ্ঠানসমূহের দাবিকৃত বিল যথাসময়ে পরিশোধ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।’

নানা প্রতারণার অভিযোগ গ্রামীণফোন কোম্পানিটির বিরুদ্ধে
                                  

দেশে মোবাইল ব্যবহার করা প্রায় অর্ধেক গ্রাহক গ্রামীণফোনের। স্বাভাবিকভাবেই তাদের মুনাফাও সর্বোচ্চ। কিন্তু গ্রাহক সেবায় সবচেয়ে পেছনে গ্রামীণফোন। কোম্পানিটির বিরুদ্ধে গ্রাহকদের হাজারো অভিযোগ, কিন্তু সুরাহা করার কেউ নেই। নানা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তারা কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে যাচ্ছে। এ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন।

মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত চিঠিটি গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছে দেওয়া হয়। চিঠির আরেকটি কপি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর মেইলে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের অভিযোগ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। দয়া করে এসব অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে একটি কমিটি গঠন করুন।

গ্রাহকদের চালু সিম অন্যত্র বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ আছে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এক গ্রাহক এ নিয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন কোম্পানিটিকে। কল সেন্টার ১২১-এ ফোন দিলে টাকা কেটে নিচ্ছে অহরহ। এ নিয়ে তাদেরকে বলা হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই টাকা ফেরত দেওয়া হয় না। স্বাভাবিক কলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টাকা কেটে নেওয়ার ঘটনা তো আছেই।

হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, কলড্রপ হওয়া যাবে না। যদি একান্তই হয়ে যায় তাহলে গ্রাহককে তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। অথচ গ্রামীণফোনের কলড্রপও বন্ধ হয়নি, আবার ক্ষতিপূরণও পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। বিটিআরসির পরীক্ষা অনুযায়ী, ৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ কলড্রপ হচ্ছে গ্রামীণফোনের। তাছাড়া সংযোগ পেতে গ্রামীণফোন গড়ে ১০ দশমিক ১৪ শতাংশ সময় নেয়। এ থেকেই তাদের মুনাফা কোটি কোটি টাকা।

চিঠিতে মন্ত্রীকে আরো জানানো হয়, সার্বিকভাবে গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট স্পীড মোটেও ভালো নয়। ফোরজি চালু করার সময় শর্ত ছিল সর্বনিম্ন গতি হবে ৭ এমবিপিএস। কিন্তু গ্রামীণের কাছে পাওয়া যাচ্ছে সর্বোচ্চ ২ এমবিপিএস, ক্ষেত্রবিশেষে এটা ১ এমবিপিএসের নিচে নেমে যাচ্ছে। ইন্টারনেটের প্যাকেজ থাকার পরও অনেক সময় মূল ব্যালেন্স থেকে টাকা কেটে নিচ্ছে।

মন্ত্রীকে উদ্দেশ করে আরো বলা হয়, গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ নতুন কিছু নয়। তবে বর্তমানে অনিয়মগুলো সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। গণমাধ্যমগুলোতে জিপির প্রতারণার অনেক প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে, কিন্তু আমরা কোনো উদ্যোগ লক্ষ্য করিনি। তাই আপনার কাছে আবেদন, একটি কমিটি গঠন করে জিপির প্রতারণার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।


   Page 1 of 119
     অর্থ-বাণিজ্য
স্বর্ণালঙ্কার আমদানির অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
.............................................................................................
২৫ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করবে টিসিবি
.............................................................................................
মাথাপিছু জিডিপির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পেছনে ফেলেছে প্রতিবেশী দেশ ভারতকে
.............................................................................................
পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে নতুন কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে সরকার
.............................................................................................
প্রচলিত ধারার ব্যাংকিংয়ের চেয়েও ইসলামী ব্যাংকিংয়ের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে
.............................................................................................
২০২১ সালে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ
.............................................................................................
বহুমুখী পাটজাত পণ্য হিসেবে ২৮২ প্রকার পাট পণ্যের নাম ঘোষণা
.............................................................................................
বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার হয যে ১০টি দেশে
.............................................................................................
আগামী ২০ অক্টোবর থেকে ঢাকায় ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস
.............................................................................................
ভারতে টনে টনে যাচ্ছে চাঁদপুরের ইলিশ : তথ্য নেই সরকারি কোনো বিভাগে
.............................................................................................
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের অর্জিত আয় থেকে ত শত কোটি টাকা লোপাট
.............................................................................................
২০০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী প্রোগ্রামার
.............................................................................................
আগামী ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ
.............................................................................................
করোনার কারণে প্রায় সাড়ে ১১ কোটি মানুষ চরম দরিদ্রতার মুখে পড়তে পারে
.............................................................................................
তিন মাসে বিদ্যুতের ভর্তুকি ব্যয় ২৩ শ’ কোটি টাকার বেশি
.............................................................................................
নানা প্রতারণার অভিযোগ গ্রামীণফোন কোম্পানিটির বিরুদ্ধে
.............................................................................................
চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে দাম নির্ধারণ
.............................................................................................
মিয়ানমার ও পাকিস্তান থেকে আমদানি শুরু পেঁয়াজ
.............................................................................................
খাতাকলমে কোটিপতি ২৪ হাজার ২২০ জন
.............................................................................................
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে গত ১১ দিনে ৫০৩ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি
.............................................................................................
নৈতিকতার অভাবেই সুযোগ বুঝে দাম বাড়িয়ে দেয় ব্যবসায়ীরা: বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
সুস্থ ও নিরাপদ ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ১০ দফা সুপারিশ প্রদান টিআইবির
.............................................................................................
৬ কোটি ৯৯ লাখ ৭২ হাজার টাকায় ইলিশ মাছ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় ১৭৪ কর্মকর্তার দেশের অভ্যন্তরে ভ্রমণ
.............................................................................................
নিজেদের স্বার্থে মুনাফা লুটের চেষ্টা করলে আইনগত ব্যবস্থা: খাদ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
ইন্ডিয়ার ২৫ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজের প্রায় সবটাই পচা
.............................................................................................
উন্নত জাতের তুলা উদ্ভাবন ও উৎপাদন দিন দিন বাড়ছে: কৃষিমন্ত্রী
.............................................................................................
মিয়ানমার থেকে ৩০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ বাংলাদেশে
.............................................................................................
করোনায় অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে অনুদান তহবিল বাড়ানোর ঘোষণা এডিব’র
.............................................................................................
দুর্গোৎসবের তিনদিনে ১৯৭ দশমিক ৯ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানি ভারতে
.............................................................................................
ফরিদগঞ্জে ইউপি সদস্যের পিটুনিতে গৃহবধু গুরুতর আহত
.............................................................................................
ফরিদগঞ্জে পেঁয়াজের ঝাঁজে দিশেহারা ক্রেতারা
.............................................................................................
বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮.১ থেকে ৮.২ শতাংশ হতে পারে: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
বাংলাদেশে পেঁয়াজ আসছে ৫ দেশ থেকে
.............................................................................................
সরকারের বিশেষ অনুমতিতে ভারতে ইলিশ রপ্তানি
.............................................................................................
৫০ শতাংশ ট্রেনের টিকিট মিলবে কাউন্টারে
.............................................................................................
প্রতি বছর প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার নিয়ে যাচ্ছে বিদেশিরা
.............................................................................................
খুলতে পারে শ্রম বাজার, আশা দেখছে বাংলাদেশ
.............................................................................................
পুনরায় চালু হচ্ছে আরো ৮৪টি ট্রেন
.............................................................................................
হঠাৎ করেই দাম কমেছে ইলিশের, কেজি মাত্র ২৫০ টাকা
.............................................................................................
মাসে প্রায় ১২ কোটি, বছরে ১৪৪কোটি টাকা ঘুষ পাসপোর্ট অফিসে
.............................................................................................
অস্থির হচ্ছে পেঁয়াজের বাজার, দাম কমাতে শুল্ক ছাড়
.............................................................................................
জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ইন্টারনেট ব্যাংকিং, বাড়ছে লেনদেন সীমা
.............................................................................................
সাড়ে ২৯ হাজার কোটি টাকার ঋণ ফেরত দিচ্ছে না রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান
.............................................................................................
স্পেশাল ইকোনোমিক জোন তৈরিতে বড় বিনিয়োগ করবে জাপান
.............................................................................................
সাধারণ মানুষ শুধু ঠকছেন, নেই কোন সুবিধা দেওয়ার পদক্ষেপ
.............................................................................................
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের নামে ১০ বছরে ২১৫ কোটি টাকা অবৈধ উত্তোলন
.............................................................................................
২০১৯-২০ অর্থবছরে রেলের আয় কমেছে প্রায় ৩৯০ কোটি, প্রতিদিন লোকসান সাড়ে ৪ কোটি
.............................................................................................
দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে আমানতে শীর্ষে সোনালী ব্যাংক, ঋণ বিতরণে ইসলামী
.............................................................................................
‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায়’ ২৪৬ কোটি ২৮ লাখ টাকার প্রকল্প
.............................................................................................
পাইকারি ও খুচরাপর্যায়ে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাধীন বাংলা ডট কম
সম্পাদক মো. খয়রুল ইসলাম চৌধুরী
সম্পাদক কর্তৃক ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত ।
প্রধান উপদেষ্টা: ফিরোজ আহমেদ (সাবেক সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ডাঃ মো: হারুনুর রশীদ
ইউরোপ মহাদেশ বিষয়ক সম্পাদক- প্রফেসর জাকি মোস্তফা (টুটুল)
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: খায়রুজ্জামান
যুগ্ম সম্পাদক: জুবায়ের আহমেদ
নির্বাহী সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম রানা
বার্তা সম্পাদক : মোঃ আকরাম খাঁন
সহঃ সম্পাদক: হোসাইন আহমদ চৌধুরী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২, ফায়েনাজ অ্যাপার্টমেন্ট (১৫ম তলা), কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন : ০২-৯৫৬২৮৯৯ মোবাইল: ০১৬৭০-২৮৯২৮০
ই-মেইল : swadhinbangla24@gmail.com
    2015 @ All Right Reserved By swadhinbangla.com

Developed BY : Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD